<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ধর্ম &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/religion/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Wed, 12 Nov 2025 05:17:06 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.3</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>ধর্ম &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ফের সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গী গ্রুপ &#8220;ইসকন&#8221;</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/8153/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/8153/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 02:59:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=8153</guid>

					<description><![CDATA[কৌশল পাল্টে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বিতর্কিত ও উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকন। পূজা উদযাপন পরিষদ ও জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের মতো প্রধান ধর্মীয় সংগঠনগুলোর পাশাপাশি রামসেনা, শিবসেনার মতো নামসর্বস্ব সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দখল করে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। এ কাজে সহযোগিতা করছে ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কিছু নেতা, যাদের অনেকে ভিডিও কনফারেন্সের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কৌশল পাল্টে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বিতর্কিত ও উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকন। পূজা উদযাপন পরিষদ ও জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের মতো প্রধান ধর্মীয় সংগঠনগুলোর পাশাপাশি রামসেনা, শিবসেনার মতো নামসর্বস্ব সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দখল করে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। এ কাজে সহযোগিতা করছে ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কিছু নেতা, যাদের অনেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হচ্ছেন ইসকনের গোপন বৈঠকে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের প্রবর্তক ইসকন মন্দিরের আন্ডারগ্রাউন্ড অংশ এখন এ সমন্বয়ের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে নিয়মিত বৈঠক, যেখানে দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত ইসকন নেতারা অংশ নিচ্ছেন। বিশেষ করে ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরায় আশ্রয় নেওয়া কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা এসব বৈঠকে নির্দেশনা দিচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইতোমধ্যে দেশজুড়ে অন্তত ১৩টি সংগঠনের নামে এক হাজারেরও বেশি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব সংগঠনের ব্যানারে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে। ইসকনের কর্মীরা গেরুয়া পোশাক ত্যাগ করে সাধারণ ভক্তের বেশে অংশ নিচ্ছেন উৎসব-আয়োজনে, যাতে স্থানীয়ভাবে সন্দেহের মধ্যে পড়তে না হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে জানা গেছে, যে কোনো সময় যে কোনো ইস্যুতে সংখ্যালঘু ধর্মীয় কার্ড ব্যবহার করে দেশে ফের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার মতো শক্ত অবস্থান ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে তাদের। এই অপচেষ্টা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থাও।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক বছরে ইসকন সদস্যরা এসব সংগঠনের ছত্রছায়ায় নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের পাশাপাশি ধর্মীয় পরিচয়ের আড়ালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকারের নামে উগ্রবাদী এজেন্ডা চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির পটভূমি হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গত ফেব্রুয়ারির শিব চতুর্দশী মেলায় ইসকনের প্রথম এ নতুন কৌশল ধরা পড়ে। রামসেনাসহ তিনটি সংগঠনের ব্যানারে একই ধরনের টি-শার্ট পরা শতাধিক তরুণের আচরণে ইসকনের ছাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ করেন গোয়েন্দারা। এরই মাঝে জন্মাষ্টমীর র‌্যালিতে হঠাৎ করে চিন্ময়ের মুক্তি চাই লেখা প্লাকার্ড প্রদর্শন করে রাম সেনার সদস্যরা। পরবর্তী সময়ে কয়েকজনকে আটক করা হলেও স্থানীয় ইসকন নেতাদের প্রভাবে তারা মুক্তি পেয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর যে কটি সংগঠন ও সংস্থার কাঁধে ভর করে ফেরার অপচেষ্টা করে ফ্যাসিবাদী শক্তি, তার অন্যতম ইসকন। এক মাসের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৬টি মহাসমাবেশ করে সংগঠনটি, যেখানে অংশ নেন আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এসব সমাবেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনসহ নানা বায়বীয় অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে ইসকনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ঋষিকেশ গৌরাঙ্গ দাশের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে তার হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নগুলো লিখে পাঠানোর পরও মেলেনি জবাব।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, অবাস্তব কিছু দাবি-দাওয়া দিয়ে সরকারকে বেকায়দায়ও ফেলে ইসকনের তখনকার নেতা চন্দন ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ। সনাতনী জাগরণী জোট নামের তথাকথিত একটি সংগঠনের ব্যানারে ওইসব কর্মসূচির আয়োজন করা হলেও এর নেপথ্যে সর্বশক্তি নিয়ে কাজ করে ইসকন। ভারতীয় মিডিয়ায় ইসকনের সে শো-ডাউনগুলো ফলাও করে প্রকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে হাসিনার পতনকে মৌলবাদের উত্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ইসকন নামধারী গেরুয়া সন্ত্রাসীরা নিজেদের মুখোশ বেশিদিন ধরে রাখতে পারেনি। জাতীয় পতাকার ওপর গেরুয়া পতাকা প্রতিস্থাপন করায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয় চিন্ময় দাশের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের ওপর চড়াও হয় ইসকনের সন্ত্রাসীরা। পুলিশ প্রতিরোধ করতে গেলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করে ইসকনের সন্ত্রাসীরা। এতে তাদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে ওঠে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হয়নি, তারপরও সামাজিক প্রতিরোধে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় ইসকন সরাসরি কার্যক্রম না চালিয়ে নিজেদের সদস্যদের বিভিন্ন নামসর্বস্ব সংগঠনে ছড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে <span style="color: #ff0000;">রামসেনা</span>, <span style="color: #800000;">হিন্দুস্তান পরিবার</span>, <span style="color: #ff0000;">বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট</span>, <span style="color: #800000;">হিন্দু ছাত্র পরিষদ</span>, <span style="color: #ff0000;">জাগো হিন্দু পরিষদ</span>, <span style="color: #800000;">বিশ্ব সনাতন মোর্চা</span>, <span style="color: #ff0000;">সনাতনী জাগরণ জোট</span> ইত্যাদি।</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এসব সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন আওয়ামী লীগ বা তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা, যাদের অনেকেই আবার ইসকনের ঘনিষ্ঠ বা প্রত্যক্ষ সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করছেন প্রবর্তক ইসকন মন্দিরের চিন্ময়পন্থি নেতারা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">এদের নেতৃত্বে রয়েছেন <span style="color: #ff0000;">উজ্জ্বল মল্লিক</span>, <span style="color: #800000;">জুয়েল আইস</span>, <span style="color: #ff0000;">অজয় দত্ত</span>, <span style="color: #800000;">রুবেল দেব</span>, <span style="color: #ff0000;">অরূপ দাস রুবেল</span>, <span style="color: #800000;">পিংকু ভট্টাচার্য,</span> <span style="color: #ff0000;">পলাশ কুমার সেন</span>, <span style="color: #800000;">শুভ দাশগুপ্ত,</span> <span style="color: #ff0000;">কাঞ্চন নাথ,</span> <span style="color: #800000;">সেন পলাশ</span>, <span style="color: #ff0000;">তূর্জ রুদ্র</span>সহ আরো কয়েকজন।</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পক্ষে সমন্বয় করছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, পুলক খাস্তগীর, জহরলাল হাজারী, রুমকি সেনগুপ্ত ও নীলু নাগ। আওয়ামী লীগের পলাতক শিক্ষামন্ত্রী স্বঘোষিত ইসকন সদস্য মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এই গ্রুপটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অফিস এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক সহায়তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশের অধিকাংশ জেলায় এসব সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। অথচ এক বছর আগেও এসব সংগঠনের নাম শোনেননি খোদ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। ইসকনের প্রথম সারির নেতাদের বাইরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাদের ওইসব নামসর্বস্ব সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে নিয়ে আসা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৌশলে অর্থ বিনিয়োগ করে প্রভাব বিস্তার করছে তারা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">জন্মাষ্টমী পরিষদে প্রভাবশালী আওয়ামী নেতাদের আধিপত্য</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রামের জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ। সংগঠনটির নেতৃত্বে রয়েছেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতারা। কমিটির সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে একদিন গোপন বৈঠক করেন প্রবর্তক ইসকন মন্দিরের আন্ডারগ্রাউন্ডে। ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন পতিত সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এমন বৈঠকের একাধিক ভিডিও ও ছবি আমার দেশ-এর হাতে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব সংগঠনের নেতা অনেকের বিরুদ্ধেই ভারতের উগ্রবাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি ও সশস্ত্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জন্মাষ্টমী পরিষদের একাধিক নেতা নিয়মিতভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামে সফর করে আরএসএস ও বিজেপির আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে এ কমিটির পূর্ণ তালিকা হাতে এসেছে। কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন চন্দন কুমার, যিনি ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতে আলিফ হত্যাকাণ্ডের সময় ইসকন সন্ত্রাসীদের নেতৃত্ব দেন। তার আগে জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি প্রকাশ্যে ছাত্রদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরেুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দমন-পীড়নেও সরাসরি অংশ নেন। ওই সময়কার একাধিক ছবি ও ভিডিও আমার দেশ-এর হাতে এসেছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি ইসকনের সক্রিয় নেতা হিসেবেও পরিচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিষদের কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব পার্থ, এক সময় ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন। ইসকনের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতেন তিনি। আওয়ামী লীগ পতনের পর তিনি হঠাৎ করে বিএনপির এক স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলে বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী বনে যান ।</p>
<p style="text-align: justify;">জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আর কে দাশ স্থানীয় একটি পত্রিকার সাংবাদিক শুকলাল দাশের ভাই। শুকলাল দাশ অতীতে জিয়া জাদুঘরের নাম পরিবর্তন ও নামফলক ভাঙার ঘটনায় আলোচনায় এসেছিলেন। কমিটির সহ–সভাপতি কাজল দাশ, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। অর্থ সম্পাদক রতন আচার্য আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ইসকনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সদস্য। সহ-সভাপতি নিখিল নাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সহ-সভাপতি পদে আছেন। আইন সম্পাদক অশোক দত্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক। এভাবে বর্তমান কমিটির অধিকাংশই একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ইসকনের সদস্য। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, ইসকনের প্রভাবেই তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদ পেয়েছিলেন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">সীতাকুণ্ডের স্রাইন কমিটি ও পূজা উদযাপন পরিষদেও ইসকনের প্রভাব</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম সীতাকুণ্ডের স্রাইন কমিটির নিয়ন্ত্রণও এখন ইসকন-সংশ্লিষ্টদের হাতে। জানা গেছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে নিয়ম ও গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত এ কমিটির সভাপতি হন। বর্তমানে এর নেতৃত্বে রয়েছেন অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, যিনি ইসকনের আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ও চিন্ময় দাশের প্রধান আইনজীবী। সহ-সভাপতি তাপস রক্ষিত কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের নেতা, যুগ্ম সম্পাদক প্রণব কুমার দে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর, আর সমীর দাশগুপ্ত রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, যিনি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মহানগর শাখারও সভাপতি। তিনি যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগের নেতা। সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের নেতা অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্যও চিন্ময় দাশের আইনি টিমের সদস্য।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব ধর্মীয় সংগঠনের অধিকাংশই আগে ছিল নামসর্বস্ব; গত এক বছরে এগুলো হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের তথাকথিত ক্লিন ইমেজধারী হিন্দু নেতাদের নেতৃত্বে এসব সংগঠন মূলত চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের অনেকের সঙ্গে ভারতের উগ্রবাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিষদের উপদেষ্টা মিলন শর্মা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্যাতনকারী হিসেবে পরিচিত অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ব্যবসায়িক অংশীদার বলে জানা গেছে। হাসিনা আমলে তিনি পুলিশে নিয়োগ ও বদলিতে প্রভাব বিস্তার করতেন। এছাড়া সদস্য মুনমুন দত্ত মুন্না ও বেল্টন কান্তি নাথ উভয়ই আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের নেতা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় সহস্রাধিক কমিটি গঠন</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">গত এক বছরে ভারত, আওয়ামী লীগ ও ইসকনের অভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে অন্তত ১৩টি নামসর্বস্ব সংগঠন সক্রিয় করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে শুরু হলেও বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় এসব সংগঠনের কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এসব কমিটির প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্যই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের সক্রিয় নেতাকর্মী। এতে স্পষ্ট, এই ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাঙামাটি জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি দয়াল দাশ নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি; তিনি একাধিকবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সফর করেছেন এবং সেখানে আরএসএস-ঘনিষ্ঠ সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গেও তার যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি বাবুল ঘোষ বাবুন আনোয়ারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, আর উত্তর জেলার সভাপতি অশোক নাথ হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, এসব সংগঠন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের আড়ালে ভারতের উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে, যার উদ্দেশ্য ধর্মীয় আবেগ উসকে দিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এবং বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">প্রশাসনের বক্তব্য</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে সিএমপি জনসংযোগ কর্মকর্তা অনিন্দিতা বড়ুয়া বলেন, ‘এসব ধর্মীয় সংগঠনের কমিটিতে কারা রয়েছেন, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। কেউ যদি ধর্মীয় আবরণের আড়ালে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/8153/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/iskan.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সুন্দর ভাবে মৃত্যুর জন্য ১০ করণীয়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/45053/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/45053/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 03:51:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=45053</guid>

					<description><![CDATA[জীবনের সময়টুকু একজন মানুষের ইহকালীন মূলধন। যদি তা আখিরাতের কল্যাণের ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়, তবেই তো সফলতা। আর যদি তা বিনষ্ট করা হয় গুনাহ ও পাপাচারে আর এ অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে সে হবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি গুনাহকে এমন মনে করে, যেন সে কোনো পাহাড়ের নিচে বসে আছে। আর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জীবনের সময়টুকু একজন মানুষের ইহকালীন মূলধন। যদি তা আখিরাতের কল্যাণের ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়, তবেই তো সফলতা। আর যদি তা বিনষ্ট করা হয় গুনাহ ও পাপাচারে আর এ অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে সে হবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি গুনাহকে এমন মনে করে, যেন সে কোনো পাহাড়ের নিচে বসে আছে। আর যেকোনো মুহূর্তে পাহাড়টি তার ওপর ধসে পড়তে পারে। ’ (বুখারি : ১১/৮৯)</p>
</blockquote>
<div>
<p style="text-align: justify;">অনেক মানুষ বেপরোয়াভাবে পাপাচারে লিপ্ত থাকে। একপর্যায়ে তার শেষ সময় এসে যায় এবং তার অপমৃত্যু ঘটে। যখন মৃত্যু নিকটবর্তী হয়, তখন বেশি পরিমাণে আল্লাহর রহমতের আশা করা উচিত। আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রবল হওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী হয়, আল্লাহও তার সাক্ষাতে আগ্রহী হন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকে যেন শুধু এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে সে আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ২৮৭৭)</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করলে দুনিয়ার মোহ কেটে যায় এবং আখিরাতের চিন্তা সৃষ্টি হয়। ফলে তা বান্দার মধ্যে বেশি বেশি নেক আমলের প্রেরণা সৃষ্টি করে এবং ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ায় অবৈধ ভোগবিলাস থেকে বিরত রাখে। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘সব ভোগ-উপভোগ বিনাশকারী মৃত্যুকে তোমরা বেশি বেশি স্মরণ করো। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪০৯)</p>
<p style="text-align: justify;">কবর মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় তার পরিণামের কথা। মৃত্যুর পর আপনজনই তো কবর খনন করে। মৃতকে অন্ধকার ঘরে শায়িত করে। মাটির নিচে রেখে ফিরে আসে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা কবর জিয়ারত করো। কারণ তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৯৭৬)</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">সুন্দর মৃত্যুর জন্য বিশেষ কিছু করণীয় রয়েছে—</p>
<ul>
<li style="text-align: justify;"> ইবাদতের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।</li>
<li style="text-align: justify;">কোনো পাপকাজ সংঘটিত হলে দ্রুত তাওবা করা।</li>
<li style="text-align: justify;">আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম পন্থায় মৃত্যুর জন্য দোয়া করা।</li>
<li style="text-align: justify;">জাহের ও বাতেন তথা প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে আমলের সঙ্গে লেগে থাকা।</li>
<li style="text-align: justify;">দ্বিনের ওপর অবিচল থাকা।</li>
<li style="text-align: justify;">আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা পোষণ করা।</li>
<li style="text-align: justify;">তাকওয়া ও খোদাভীতি অর্জন করা।</li>
<li style="text-align: justify;">বেশি বেশি তাওবা, ইস্তেগফার করা।</li>
<li style="text-align: justify;">বেশি বেশি মৃত্যুর চিন্তা করা এবং দীর্ঘ জীবনের আশা পরিত্যাগ করা।</li>
<li style="text-align: justify;">অপমৃত্যু থেকে আল্লাহর কাছে পরিত্রাণ চাওয়া।</li>
</ul>
<p style="text-align: justify;">নেককারদের সংস্পর্শ হূদয়ে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করে এবং হিম্মত ও প্রেরণা বৃদ্ধি করে। কারণ নেককার ব্যক্তিদের ইবাদত-মগ্নতা, পুণ্যের কাজে উদ্যম ও প্রতিযোগিতা যখন অন্য মানুষ প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের মধ্যেও পুণ্যের পথে চলার সাহস ও প্রেরণা জাগে।</p>
<p style="text-align: justify;">একইভাবে মানুষ যখন তাদের আল্লাহমুখিতা ও দুনিয়াবিমুখতা প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের মনেও এই বৈশিষ্ট্য অর্জনের আগ্রহ জাগে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/45053/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গীবত জিনার চেয়েও মারাত্মক গুনাহ!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/38682/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/38682/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 07:48:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=38682</guid>

					<description><![CDATA[মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা মানুষের স্বভাব। আমরা দৈনন্দিন চলাফেরা, উঠাবসা ও কথাবার্তা কিংবা হাসি-ঠাট্টার ছলে অসাবধানতাবশত জঘন্যতম ঘৃণ্য একটি অপরাধ করে থাকি, যা আমরা কখনো বুঝতে পারি না। এ জঘন্যতম ঘৃণ্য অপরাধটির নাম গীবত। গীবত শব্দটির শাব্দিক অর্থ দোষারোপ করা, কুৎসা রটনা, কারো পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কারো অনুপস্থিতিতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা মানুষের স্বভাব। আমরা দৈনন্দিন চলাফেরা, উঠাবসা ও কথাবার্তা কিংবা হাসি-ঠাট্টার ছলে অসাবধানতাবশত জঘন্যতম ঘৃণ্য একটি অপরাধ করে থাকি, যা আমরা কখনো বুঝতে পারি না।</p>
<p style="text-align: justify;">এ জঘন্যতম ঘৃণ্য অপরাধটির নাম গীবত। গীবত শব্দটির শাব্দিক অর্থ দোষারোপ করা, কুৎসা রটনা, কারো পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কারো অনুপস্থিতিতে তার দোষগুলো অন্যেও সামনে তুলে ধরা ইত্যাদি। আমাদের অনেকেই গীবত সম্পর্কে তেমন ধারণা নাই।</p>
<p style="text-align: justify;">অথচ প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সা. হাদিসে গীবত কি, তা সরল ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘গীবত কী তা কি তোমরা জান?’ লোকেরা উত্তরে বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘গীবত হলো তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে অপছন্দ করে।’ জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘আমি যা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে তবে এটাও কি গীবত হবে?’ রাসুল (সা.) বললেন, ‘তুমি যা বল তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তাহলেই সেটা হবে গীবত আর তুমি যা বল তা যদি তার মধ্যে না থাকে তবে সেটা হবে বুহতান বা মিথ্যা অপবাদ।’ (মিশকাত- ৪১২)।</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তাআলা পবিত্র আল-কুরআনে কারো গীবত করাকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান কর না এবং একে অপরের অসাক্ষাতে নিন্দা কর না। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে? প্রকৃতপক্ষে তোমরা তো এটাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তওবা গ্রহণকারী পরম দায়ালু।’ (সুরা হুজুরাত-১২)।</p>
<p style="text-align: justify;">তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন, গীবত কতখানি ন্যাক্কারজনক কাজ? গীবতের ভয়াবহতা বুঝানোর জন্যেই বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে রাসূল সা. ইরশাদ করেন, ‘গীবত করা জিনার থেকেও মারাত্মক।’ (মেশকাত, বায়হাকি)। অন্য হাদিসে রাসূল সা. ইরশাদ করেন ‘সূদের (পাপের) ৭২টি দরজা বা স্তর রয়েছে। তন্মধ্যে নিম্নতম স্তর হচ্ছে স্বীয় মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া তুল্য পাপ এবং ঊর্ধ্বতম স্তর হ’ল কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার এক ভাইয়ের মান-সম্ভ্রমের হানি ঘটান তুল্য পাপ’। (তাবারাণী-১৮৭১)।</p>
<p style="text-align: justify;">গীবতকারী এই দুনিয়াতে অপদস্থ হবে। হযরত আবূ বারযাহ আল-আসলামী রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসূল সা. বলেছেন, ‘হে সেসব লোক যারা কেবল মুখেই ঈমান এনেছে কিন্তু ঈমান অন্তরে প্রবেশ করেনি। তোমরা মুসলিমদের গীবত করবে না ও দোষত্রুটি তালাশ করবে না। কারণ যারা তাদের দোষত্রুটি খুঁজে বেড়াবে আল্লাহও তাদের দোষত্রুটি খুঁজবেন। আর আল্লাহ কারো দোষত্রুটি তালাশ করলে তাকে তার ঘরের মধ্যেই অপদস্থ করে ছাড়বেন। (সুনানে আবু দাউদ- ৪৮৮০)।</p>
<p style="text-align: justify;">গীবতকারীদের জন্য পরকালেও কঠিন আজারের কথা বলা হয়েছে। হযরত আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেছেন, ‘মেরাজের রাতে আমি এমন এক কওমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম যাদের নখগুলো তামার তৈরী এবং তা দিয়ে তারা অনবরত তাদের মুখমণ্ডলে ও বুকে আচড় মারছে। আমি বললাম, হে জিবরাঈল ! এরা কারা? তিনি বললেন, ‘এরা সেসব লোক যারা মানুষের গোশত খেতো অর্থাৎ, মানুষের গীবত করত এবং মানুষের ইজ্জতের উপর হামলা করত এবং তাদের মানসম্মানে আঘাত হানতো। (সুনানে আবু দাউদ- ৪৮৭৮)।</p>
<p style="text-align: justify;">হযরত আল-মুসতাওরিদ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের গীবত করতে করতে এক লোকমা ভক্ষন করবে আল্লাহ তাকে এজন্য জাহান্নাম হতে সমপরিমাণ ভক্ষন করাবেন। আর যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের দোষত্রুটি বর্ণনা করতে করতে পোশাক পরবে আল্লাহ তাকে অনুরূপ জাহন্নামের পোশাক পরাবেন। আর যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির (কুৎসা) রটিয়ে খ্যাতি ও প্রদর্শনীর স্তরে পৌছবে, মহান আল্লাহ ক্বিয়ামতের দিন তাকে ঐ খ্যাতি ও প্রদর্শনীর জায়গাতেই (জাহান্নামে) স্থান দিবেন।’ (সুনানে আবু দাউদ-৪৮৮১)।</p>
<p style="text-align: justify;">যার গীবত করা হয় তার আমলনামায় গীবতকারীর সওয়াব চলে যায় এবং গীবতকারীর আমলনামায় যার গীবত করা হয় তার গুনাহ চলে আসে। গীবত বলা আর শ্রবণকারী উভয়ই অভিশাপ্ত। এ জন্য আমরা কারো গীবত করব না এবং শুনব না। পাশাপাশি যার গীবত করা হয় তার পক্ষ নিয়ে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। সম্ভব হলে গীবতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তুলব। সর্বোপরি, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে গীবতের থেকে বেঁচে চলার মতো তৌফিক দান করুক। আমিন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/38682/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sunbd24.com/wp-content/uploads/2024/03/%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A4.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পবিত্র হজ আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/435312/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jun 2025 17:56:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<category><![CDATA[হজ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=435312</guid>

					<description><![CDATA[আজ পবিত্র হজ। আরাফাতের ময়দানে থাকার দিন। সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব থেকে সমবেত মুসলমানরা আজ থাকবেন সেখানে। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’ অর্থাৎ ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আজ পবিত্র <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/হজ্জ" target="_blank" rel="noopener">হজ</a>। <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/আরাফাত" target="_blank" rel="noopener">আরাফাতের ময়দানে</a> থাকার দিন। সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব থেকে সমবেত মুসলমানরা আজ থাকবেন সেখানে।</p>
<p style="text-align: justify;">‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’ অর্থাৎ ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার’-এ ধ্বনিতে আজ মুখর থাকবে আরাফাতের ময়দান।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/মিনা" target="_blank" rel="noopener">মিনা</a>য় মুসলি­দের জড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ৮ জিলহজ শুক্রবার সকাল থেকে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও বৃহস্পতিবার রাতেই হাজিরা মিনার তাঁবুতে পৌঁছে যান। হজযাত্রীর সংখ্যা বিবেচনায় সৌদি মুয়ালি­মরা আগের রাত থেকেই হজযাত্রীদের তাঁবুর শহর মিনায় নেওয়া শুরু করেন। হজযাত্রীরা বৃহস্পতিবার এশার পর মক্কার নিজ নিজ আবাসন থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় রওয়ানা হন।</p>
<p style="text-align: justify;">মক্কা থেকে বাংলাদেশ হজ অফিসের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ২২৪টি ফ্লাইটে সর্বমোট ৮৭ হাজার ১৫৭ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্য সহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে এ পর্যন্ত একজন মহিলাসহ ১৭ জন হজযাত্রী মারা গেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তাঁবুর এই শহর মুখরিত হয়ে উঠেছিল ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে। সারা দিন ও রাত তারা মিনায় কাটান ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে। আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় মশগুল ছিলেন জিকির ও তালবিয়াতে।</p>
<p style="text-align: justify;">মিনায় পৌঁছে হজযাত্রীরা ফজর থেকে এশা অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন নিজ নিজ তাঁবুতে। ৯ জিলহজ (শনিবার) সূর্যোদয়ের পর হজযাত্রীদের আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা থাকলেও শুক্রবার রাতেই তাদের নিয়ে যান মুয়াল্লিমের দায়িত্বশীলরা।<br />
পবিত্র হজ ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি। আর্থিকভাবে সমর্থ ও শারীরিকভাবে সক্ষম পুরুষ ও নারীর জন্য তা ফরজ। এবার যারা হজে এসেছেন, তারা আজ সূর্যোদয়ের পর সমবেত হবেন মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে বিদায় হজের স্মৃতিবিজড়িত আরাফাতের ময়দানে।</p>
<p style="text-align: justify;">সৃষ্টিকর্তার কাছে হাজিরা দিয়ে আত্মশুদ্ধি, মাগফিরাত ও রহমত চাইতে আসা মুসলমানরা আজ জড়ো হয়েছেন আরাফাতের ময়দানে, যাকে হজের মূল অনুষ্ঠান বলা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনদিকে পাহাড়ঘেরা প্রায় চার বর্গমাইল আয়তনের এ বিশাল সমতল মাঠের একপ্রান্তে জাবালে রহমত। অর্থাৎ রহমতের পাহাড়। ১৪শ বছরের বেশি সময় আগে এখানেই শেষ নবি হজরত মোহাম্মদ (সা.) দিয়েছিলেন তার বিদায় হজের ভাষণ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ পাহাড়টিকে কেউ কেউ দোয়ার পাহাড়ও বলে থাকেন। বলা হয়ে থাকে, আদি পিতা আদম (আ.) ও আদি মাতা হাওয়া (আ.) পৃথিবীতে পুনর্মিলনের পর এই আরাফাতে এসে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই আরাফাতে উপস্থিত না হলে হজ পূর্ণ হয় না। তাই হজে এসে যারা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদেরও অ্যাম্বুলেন্সে করে আজ আনা হবে এখানে। ইসলামী রীতি অনুযায়ী, জিলহজ মাসের নবম দিনটি আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে ইবাদতে কাটানোই হলো হজ।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা দেবেন খতিব। এ বছর আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের জনপ্রিয় ইমাম ও খতিব শায়খ ড. মাহের বিন হামাদ বিন মুয়াক্বল আল মুয়াইকিলি। একই সঙ্গে মসজিদে নামিরাতে নামাজও পড়াবেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">তার প্রদত্ত সেই খুতবার বাংলা অনুবাদ করবেন সৌদি আরবে অধ্যয়নরত চার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ড. খলীলুর রহমান, আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান মাক্কী, মুবিনুর রহমান ফারুক এবং নাজমুস সাকিব। তারা দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। বাংলা ছাড়াও ৪৯টি ভাষায় এদিন অনুবাদ করা হবে হজের খুতবা।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৮১ সাল থেকে টানা ৩৫ বছর হজের খুতবা দিয়েছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আশ শায়খ। ২০১৬ সালে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে অবসর নেন। এরপর থেকে প্রতিবছরই সৌদি কর্তৃপক্ষ নতুন খতিব নিয়োগ দিয়ে আসছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামের বিধান অনুসারে, আজ সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় গিয়ে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন হাজিরা। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরবেন হাজিরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মিনায় প্রত্যাবর্তনের পর হাজিদের ১০ জিলহজ পর্যায়ক্রমে তিনটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কুরবানি ও মাথা মুণ্ডন করা। এরপর ১১ জিলহজ তিনটি শয়তানকে ২১টি পাথর মেরে হাজিরা তাওয়াফে জিয়ারত করবেন। তাওয়াফে জিয়ারতের মাধ্যমে হজের সবকটি ফরজকাজ সম্পন্ন হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তাওয়াফে জিয়ারত শেষ করে হাজিরা আবারও মিনায় চলে আসবেন এবং রাত্রিযাপন করবেন। ১২ জিলহজ তিনটি শয়তানকে প্রতীকী ২১টি পাথর নিক্ষেপ করে হাজিরা মক্কায় চলে আসবেন। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ি তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছর মক্কায় প্রবেশের তাসরিহ বা নুসুক কার্ড ছাড়া কাউকে পাওয়া গেলে ১০ হাজার সৌদি রিয়াল অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে। ডিজিটাল এ নুসুক কার্ডে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীর প্রয়োজনীয় সব তথ্য থাকে। হজের জন্য মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা, মসজিদুল হারামে প্রবেশ করতে চাইলে এ কার্ড অবশ্যই দেখাতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">গতবারের মতো এবারও প্রচণ্ড গরমের ভোগান্তি সঙ্গী হচ্ছে হজযাত্রীদের। হজের সময় তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও পৌঁছাতে পারে বলে হজযাত্রীদের সতর্ক করেছে মক্কার আবহাওয়া দপ্তর।</p>
<p style="text-align: justify;">বলা হয়েছে, এ বছর হজযাত্রীরা কয়েকটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন। এর মধ্যে তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি অন্যতম। সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুহাম্মদ আল-আব্দুল্লাহিল বলেছেন, উচ্চতাপমাত্রা হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.deshebideshe.com/wp-content/uploads/2025/06/Untitled_1748751139.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তারের আদেশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/39112/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/39112/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 May 2025 05:43:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=39112</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক থাকা সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দীনের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক থাকা সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দীনের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে রবিবার এ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আজ এই আবেদনের উপর আদালতে ভার্চুয়াল শুনানি শেষে আদালত চিন্ময় দাশকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ প্রদান করেন।</p>
<h2 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/532886/" target="_blank" rel="noopener">গেরুয়া সন্ত্রাসী চন্দন থেকে যেভাবে চিন্ময়!</a></h2>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">আদালত সূত্র জানায়, আলিফ হত্যা মামলা ছাড়াও চিন্ময়ের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধাদান, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলাসহ তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৬ মে) এসব এ ব্যাপারে শুনানির দিন ধার্য আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করার পর কারাগারে পাঠানোর জন্য প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এসময় তার অনুসারীরা বিক্ষোভ করলে পুলিশ ও বিজিবি লাঠিচার্জ এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সংঘর্ষ চলাকালে এদিন বিকেলে রঙ্গম কমিউনিটি হল সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাধা এবং আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরো ৫টি মামলা হয়।</p>
<h3>রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস গ্রেপ্তার : উপদেষ্টা আসিফ</h3>
<pre>নিউজ প্রকাশ : ২৬-১১-২০২৪, ২:৪৩ পিএম</pre>
<p style="text-align: justify;">সনাতন ধর্মের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কোনো সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে বিবেচনায় নয়, রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সাথে রাষ্ট্রকে হুমকির দিকে ঠেলে দিতে যারাই অপতৎপরতা চালাবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে রংপুরের পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের পাওটানা স্কুল মাঠে দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে একথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবেনা। ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে গোপালগঞ্জসহ দুই একটি জেলায় উন্নয়ন করা হলেও বাকি জেলাগুলোতে চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। বিপ্লব পরবর্তী বাংলায় রংপুরবাসী আর কোন বৈষম্যের শিকার হবে না।”</p>
<p style="text-align: justify;">আগামীতে বাজেটসহ অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকান্ডে রংপুরকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান উপদেষ্টা আসিফ।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি শহীদ পরিবারকে ৩০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে শহীদ পরিবারের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ৬ শতাধিক অসহায়- দুঃস্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করেন।  প্রত্যন্ত পল্লীতে আসিফকে কাছে পেয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে নিজেদের কষ্টের কথা তুলে ধরেন গণঅভুথ‍্যানে আহত ও নিহত পরিবারের স্বজনরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল, পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নাজমুল হক সুমনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/39112/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.ekattor.online/contents/cache/images/640x359x1/uploads/media/2024/11/25/884b89a88abb1f631f107ae01274bbb1-674463724b93c.JPG?jadewits_media_id=31623" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মহানবী (সা.) যাদের মন্দ বলেছেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/18124/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/18124/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Mar 2025 05:15:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=18124</guid>

					<description><![CDATA[বাংলা ভাষায় একটি ভাবসম্প্রসারণ আছে, ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।’ মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব, তাদের বিভিন্ন ধরনের মানুষের সান্নিধ্যে আসতে হয়। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির চিন্তা, বিশ্বাস প্রবণতা তার ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে টেলিপ্যাথি বলে। টেলিপ্যাথি হচ্ছে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম, যেখানে কোনো সাধারণ মাধ্যম অথবা শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ ব্যবহার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলা ভাষায় একটি ভাবসম্প্রসারণ আছে, ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।’ মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব, তাদের বিভিন্ন ধরনের মানুষের সান্নিধ্যে আসতে হয়। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির চিন্তা, বিশ্বাস প্রবণতা তার ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞানের ভাষায় একে টেলিপ্যাথি বলে। টেলিপ্যাথি হচ্ছে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম, যেখানে কোনো সাধারণ মাধ্যম অথবা শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ ব্যবহার করা হয় না। এটি সাধারণত মনের ক্ষমতা  ব্যবহার করে থাকে। এটি মনের সঙ্গে মনের যোগাযোগের মাধ্যম।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">মানুষ সৎ মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করলে, তার মনের যোগাযোগও হবে একটি স্বচ্ছ মনের সঙ্গে। আর অসৎ লোকদের সঙ্গে ওঠাবসা করলে তার মনের যোগাযোগ হবে একটি অন্ধকার মনের সঙ্গে, যার প্রভাবে তার মনেও আস্তে আস্তে অন্ধকার নেমে আসতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাসুল (সা.) বলেছেন, সৎসঙ্গী ও অসৎসঙ্গীর উপমা হলো কস্তুরী বহনকারী (আতর বিক্রেতা) ও কামারের হাপরের মতো। মৃগ-কস্তুরী বহনকারী হয়তো তোমাকে কিছু দান করবে কিংবা তার কাছ থেকে তুমি কিছু খরিদ করবে কিংবা তার কাছ থেকে তুমি লাভ করবে সুবাস। আর কামারের হাপর হয়তো তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে কিংবা তুমি তার কাছ থেকে পাবে দুর্গন্ধ। (বুখারি, হাদিস : ৫১৩৬)</p>
<p style="text-align: justify;">তাই জীবনে বন্ধু চয়নের ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। নিকৃষ্ট মানুষ থেকে দূরে থাকা জরুরি। রাসুল (সা.)-এর হাদিসে কিছু মানুষকে নিকৃষ্ট মানুষ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য মানুুষ আছে, যাদের মধ্যে একই ধরনের অভ্যাস পাওয়া যায়। আমাদের উচিত তাদের থেকে দূরে থাকা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>দুমুখো মানুষ</strong> : আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, মানুষের মধ্যে দুই রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের কাছে আসে এক রূপ নিয়ে এবং অন্য দলের কাছে আসে আরেক রূপ নিয়ে। (মুসলিম, হাদিস : ৬৫২৪)। এ ধরনের মানুষ আমাদের চারপাশে অনেক পাওয়া যায়, যারা আমাদের বন্ধুর বেশে ক্ষতি করে বেড়ায়। তাদের থেকে দূরে থাকা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যাদের অনিষ্টের ভয়ে মানুষ তাদের থেকে দূরে থাকে </strong>: আমাদের আশপাশে এমন অনেক মানুষ পাওয়া যায়, যাদের অনিষ্টের ভয়ে তাদের আত্মীয়রাও তাদের থেকে দূরে সরে থাকে। রাসুল (সা.) তাদের থেকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেন, তাকে অনুমতি দাও। সে তার বংশের নিকৃষ্ট সন্তান। অথবা বললেন, সে তার গোত্রের ঘৃণ্যতম ভাই। যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সঙ্গে নম্রভাবে কথাবার্তা বললেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি এর ব্যাপারে যা বলার তা বলেছেন। এখন আপনি তার সঙ্গে নম্রভাবে কথা বললেন। তিনি বললেন, হে আয়েশা! আল্লাহর কাছে মর্যাদায় নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার অশালীন ব্যবহার থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তার সংসর্গ বর্জন করে চলে। (বুখারি, হাদিস : ৬১৩১)</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার জন্য পরিবার কিংবা সমাজের মানুষের সঙ্গে রূঢ় ব্যবহার করে। মানুষকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে যারা সম্মান আদায় করতে চায়, তাদের মূল অবস্থান উপরোক্ত হাদিসে স্পষ্ট করা হয়েছে। তাই প্রভাব বিস্তারের জন্যও এমনটি করা উচিত নয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইলম অনুযায়ী আমল না করা</strong> : আর নিকৃষ্ট পাপাচারী ব্যক্তি, যে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, কিন্তু পাপের কাজে কোনো পরোয়া করে না। (নাসায়ি, হাদিস : ৩১০৬)। মুসলমান হিসেবে আমরা সবাই কমবেশি কোরআন শিখি। হালাল-হারামের বেশির ভাগ বিষয়েই আমরা স্পষ্ট ধারণা রাখি। তবু পার্থিব স্বার্থে অনেক সময় আমরা তার তোয়াক্কা করি না। রাসুল (সা.) এমন লোকদের নিকৃষ্ট বলেছেন। তাই আমাদের নিজেদেরও এমন অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত। যারা এমনটি করে, তাদের থেকে দূরে থাকা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যারা সব ক্ষেত্রে দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়</strong> : আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি অপরের পার্থিব স্বার্থে আখিরাত বরবাদ করেছে, কিয়ামতের দিন সে হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ব্যক্তি। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৯৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষ যদি দুনিয়ার ওপর আখিরাতকে প্রাধান্য দিত, তবে পৃথিবীতে সুদখোর, ঘুষখোর, ধর্ষক, সন্ত্রাসী কিছুই থাকত না। তাই আমাদের উচিত জীবনের সব ক্ষেত্রে আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া; আল্লাহকে ভয় করা; যারা আখিরাতবিমুখ ও অন্যদের আখিরাত থেকে বিমুখ করার পাঁয়তারা করে, তাদের থেকে দূরে থাকা।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/18124/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>যে সাত অভ্যাস মানুষের ধ্বংস ডেকে আনে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/7245/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/7245/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 02:06:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=7245</guid>

					<description><![CDATA[এক. অপরিশুদ্ধ অন্তর : মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অপরিশুদ্ধ অন্তর। এর লালসা ও চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানুষ নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। দুনিয়া ও আসমানবাসীর কাছে নিজেকে ঘৃণিত করে তোলে। কারণ অপরিশুদ্ধ হৃদয়ের কাজ হলো মানুষকে অন্যায়ের দিকে ধাবিত করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না। কেননা নিশ্চয়ই মানুষের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>এক. অপরিশুদ্ধ অন্তর</strong> : মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অপরিশুদ্ধ অন্তর। এর লালসা ও চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানুষ নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। দুনিয়া ও আসমানবাসীর কাছে নিজেকে ঘৃণিত করে তোলে। কারণ অপরিশুদ্ধ হৃদয়ের কাজ হলো মানুষকে অন্যায়ের দিকে ধাবিত করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না। কেননা নিশ্চয়ই মানুষের নাফস খারাপ কাজের নির্দেশ দিয়েই থাকে; কিন্তু সে নয়, যার প্রতি আমার রব দয়া করেন। নিশ্চয় আমার রব অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৫৩)</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><strong>দুই. কৃপণতা</strong> : অনেকে ধারণা করে একটু কৃপণ না হলে জীবনে উন্নতি করা সম্ভব নয়। ধন-সম্পদ আগলে রাখতে হলে কৃপণ হওয়ার বিকল্প নেই। কিন্তু ইসলাম বলছে, কৃপণতা মানুষের বড় শত্রু। এটি মানুষের ধ্বংসের কারণ। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) ভাষণ দিলেন এবং বলেন, ‘তোমরা কৃপণতার ব্যাপারে সাবধান হও। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তীরা কৃপণতার কারণে ধ্বংস হয়েছে। অর্থলোভ তাদের কৃপণতার নির্দেশ দিয়েছে, ফলে তারা কৃপণতা করেছে, তাদের আত্মীয়তা ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে, যখন তারা তাই করেছে এবং তাদের পাপাচারে প্ররোচিত করেছে, তখন তারা তাতে লিপ্ত হয়েছে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬৯৮)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>তিন. সম্পদ ও প্রতিপত্তির লোভ</strong> : লোভ-লালসা মানুষকে বেপরোয়ারা করে তোলে, আর তা মানুষকে আল্লাহর বিধান অমান্য করে পাপাচারে মত্ত করে তোলে, ফলে মানুষ নিজ হাতে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। কাব ইবনে মালিক আল-আনসারি (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছাগলের পালে ছেড়ে দেওয়া হলে পরে তা যতটুকু না ক্ষতিসাধন করে, কারো সম্পদ ও প্রতিপত্তির লোভ এর চেয়ে বেশি ক্ষতিসাধন করে তার ধর্মের।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৭৬)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চার. দুনিয়াকে প্রাধান্য দেওয়া</strong> : দুনিয়ার প্রতি আসক্তিও মানুষের বড় শত্রু। যারা দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়বে, মহান আল্লাহ তাদের মন থেকে প্রশান্তি তুলে নেবেন। তাদের জীবন থেকে বরকত তুলে নেবেন। ফলে সে দুনিয়া ও আখিরাত দুটোই হারাবে। আবান বিন উসমান থেকে বর্ণিত, জায়দ বিন সাবিত (রা.) দুপুরের সময় মারওয়ানের কাছ থেকে বের হয়ে এলে আমি ভাবলাম, নিশ্চয়ই কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানার জন্য এ সময় তিনি তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে আমাদের শ্রুত কতক হাদিস শোনার জন্য মারওয়ান আমাদের ডেকেছেন। আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, পার্থিব চিন্তা যাকে মোহগ্রস্ত করবে, আল্লাহ তার কাজকর্মে অস্থিরতা সৃষ্টি করবেন, দরিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী হবে এবং পার্থিব স্বার্থ ততটুকুই লাভ করতে পারবে, যতটুকু তার তাকদিরে লিপিবদ্ধ আছে। আর যার উদ্দেশ্য হবে আখিরাত, আল্লাহ তার সব কিছু সুষ্ঠু করে দেবেন, তার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করবেন এবং দুনিয়া স্বয়ং তার সামনে এসে হাজির হবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১০৫)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পাঁচ. শয়তানের কুমন্ত্রণা</strong> : মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রুগুলোর একটি শয়তান, যা মানুষকে সব সময় বিভ্রান্ত করে। প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই একটি করে শয়তান নিয়োজিত থাকে, যা মানুষকে সর্বদা পাপের প্রতি উৎসাহ দেয়। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকের সঙ্গেই একটি শয়তান নির্ধারিত আছে। সাহাবারা প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনার সঙ্গেও কি? তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমার সঙ্গেও। তবে তার মোকাবেলায় আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছেন। এখন আমি তার সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ। এখন সে আমাকে কল্যাণকর বিষয় ছাড়া কখনো অন্য কিছুর নির্দেশ দেয় না।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭০০১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ছয়. দাম্ভিকতা </strong>: অহংকার, দাম্ভিকতা মানুষের ব্যক্তিত্বতে শেষ করে দেয়। তাকে সব মহলে নিন্দিত করে তোলে। মানুষের কাজে ঘৃণিত করে তোলে। মহান আল্লাহও দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। (সুরা : নাহাল, আয়াত : ২৩)</p>
<p style="text-align: justify;">আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জাহান্নাম ও জান্নাত বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল, অহংকারী ও পরাক্রমশালী স্বৈরাচারীরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। বেহেশত বলল, দুর্বল ও নিঃস্বরাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তাআলা জাহান্নামকে বলেন, তুই হলি আমার আজাব। যার থেকে ইচ্ছা আমি তোর মাধ্যমে প্রতিশোধ নেব। তিনি বেহেশতকে বলেন, তুমি আমার রহমত, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার মাধ্যমে অনুগ্রহ করব। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৫৯২)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সাত. গোপন পাপ</strong> : এটি নিরবে মানুষকে শেষ করে দেয়। এর পরিণাম ভয়াবহ। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন পাপ বর্জন করো। যারা পাপ করে, অচিরেই তাদের পাপের সমুচিত শাস্তি দেওয়া হবে।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১২০)</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/7245/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bvnews24.com/media/imgAll/2024April/gunah-2412040726.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জীবনঘাতক কবিরা গোনাহ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/19679/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/19679/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Dec 2024 04:46:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=19679</guid>

					<description><![CDATA[কবিরা গোনাহ হলো ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম যেসব গুনাহর ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। যেসব গুনাহর ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দন্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে। মোটকথা যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন সেগুলো কবিরা গুনাহ। মহান আল্লাহ বলেন- ‘যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কবিরা গোনাহ হলো ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম যেসব গুনাহর ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">যেসব গুনাহর ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দন্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে। মোটকথা যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন সেগুলো কবিরা গুনাহ। মহান আল্লাহ বলেন- ‘যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকতে পারো; তবে আমি তোমাদের (ছোট) গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিব এবং সম্মানজনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাবো।’ [সূরা নিসা : ৩১]</p>
<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে আরেক রমজান এতদুভয়ের মাঝে সংগঠিত সমস্ত পাপরাশীর জন্য কাফফারা স্বরূপ যদি কবীরা গোনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকা যায়।’ [মুসলিম শরীফ]</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, কবিরা গোনাহ বা মহাপাপ গণনা করলে সত্তরটি পযন্ত হয়। [ইমাম তাবারি. আল্লামা শামসুদ্দিন জাহাবি রাহ. গোনাহে কাবায়েরে বলেন, কবিরা গুনাহ বা মহাপাপ গণনা করলে অনেক পাওয়া যায়। আল্লামা ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, কবিরা গোনাহ বা মহাপাপ এমন সব অপরাধ, যা করার কারণে পৃথিবীর আদালতে শাস্তির বিধান রয়েছে অথবা পরকালের বিচারে আছে শাস্তির হুঁশিয়ারি। কবিরা গোনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের হক থাকলে সেটাও মিটাতে হবে, তওবাও করতে হবে। যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ফেরেশতারা লানত দেন। যে কাজের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে এমনটি করবে সে মুসলমানদের দলভুক্ত নয় কিংবা যে কাজের ব্যাপারে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যে কাজে দীন নাই, ঈমান নাই ইত্যাদি বলা হয়েছে। যে ব্যাপারে বলা হয়েছে এটি মুনাফিকের আলামত বা মুনাফিকের কাজ। অথবা যে কাজকে আল্লাহ তায়ালার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কবিরা গোনাহর তালিকা- </strong></p>
<p style="text-align: justify;">মহান আল্লাহর তায়ালার সাথে শিরক করা। নামায পরিত্যাগ কর। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা। পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা। যাদু-টোনা করা। এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা। জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন করা। সতী-সাধ্বী মুমিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া। ফরয রোযা না রাখা।</p>
<p style="text-align: justify;">যাকাত আদায় না করা। ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা। যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা। প্রতিবেশিকে কষ্ট দেয়া। অহংকার করা। চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে। একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো। আত্মহত্যা করা। আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা। অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা। উপকার করে খোটা দান করা।</p>
<p style="text-align: justify;">মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা। মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশগ্রহণ করা। জুয়া খেলা। তকদীর অস্বীকার করা। অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা। গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া। পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা। মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা। মিথ্যা কথা বলা। মিথ্যা কসম খাওয়া। মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা। জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া। সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা। হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা। যার জন্যে হিল্লা করা হয়। মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা। মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা। মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু বানানো। কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা। ওজনে কম দেয়া। ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা। ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা। জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা। গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা।</p>
<p style="text-align: justify;">দাঁত চিকন করা। সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মন্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা। অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা। পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা। নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো। কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা। পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা। মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা। ডাকাতি করা। চুরি করা।</p>
<p style="text-align: justify;">সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা। ঘুষ লেন-দেন করা। গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা। স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা। জুলুম-অত্যাচার করা। অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা। প্রতারণা বা ঠগবাজী করা। রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা। পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা। সাহাবীদের গালি দেয়া। নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা। মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন। ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা।</p>
<p style="text-align: justify;">পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা। কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া। আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা। বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া। যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট স্বামীর অবাধ্য হওয়া। স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা। স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা।</p>
<p style="text-align: justify;">বেশি বেশি অভিশাপ দেয়া। বিশ্বাস ঘাতকতা করা। অঙ্গীকার পূরণ না করা। আমানতের খিয়ানত করা। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া। ঋণ পরিশোধ না করা। বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না। তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো। পরীক্ষায় নকল করা। ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা। ইচ্ছাকৃত-ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা। আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা। নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/19679/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/16944/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/16944/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Dec 2024 04:47:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[খ্রিষ্টান]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বড়দিন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=16944</guid>

					<description><![CDATA[২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪। আজ শুভ বড়দিন। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের দিন। দুই হাজার ২৪ বছর আগে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট। বর্তমান ফিলিস্তিনের বেথলেহেমে কুমারী মাতার গর্ভে জন্ম নেন তিনি। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের মতে তিনি ঈশ্বরের পুত্র। পৃথিবীতে শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়া, মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করা এবং সৃষ্টিকর্তার মহিমা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪। আজ শুভ বড়দিন। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের দিন। দুই হাজার ২৪ বছর আগে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিষ্ট। বর্তমান ফিলিস্তিনের বেথলেহেমে কুমারী মাতার গর্ভে জন্ম নেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের মতে তিনি ঈশ্বরের পুত্র। পৃথিবীতে শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়া, মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করা এবং সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার করতে প্রভু যিশুর এ ধরায় আগমন ঘটেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">বড়দিন উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন চার্চগুলো বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্ট ধর্মানুসারীরাও আজ ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনার আয়োজন করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশের সব গির্জাসহ খ্রিষ্টান পরিবারগুলো ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে, কেক তৈরি করে এবং মোমবাতি জ্বালিয়ে বড়দিন উদযাপন করবেন। সান্তা ক্লজ শিশুদের মধ্যে উপহার বিতরণের মাধ্যমে আনন্দে ভরিয়ে তুলবেন দিনটি। বড়দিন উপলক্ষে সারাদেশে সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/16944/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.ekushey-tv.com/media/imgAll/2020June/christmas-20181225023338-2212250229.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জান্নাতে মহান আল্লাহর সাক্ষাৎ যেমন হবে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/14264/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/14264/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 26 Nov 2024 05:34:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=14264</guid>

					<description><![CDATA[জান্নাতে মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার হবে মহান আল্লাহর সাক্ষাৎ। একাধিক বিশুদ্ধ হাদিসে সে সাক্ষাতের বিবরণ এসেছে। নিম্নে এমন কিছু বর্ণনা তুলে ধরা হলো— আল্লাহকে দেখা যাবে নির্বিঘ্নে :  জারির ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, একবার পূর্ণিমার রাতে নবী (সা.) আমাদের কাছে বের হয়ে এলেন। অতঃপর তিনি বললেন, শিগগিরই তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে কিয়ামতের দিন দেখতে পাবে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জান্নাতে মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার হবে মহান আল্লাহর সাক্ষাৎ। একাধিক বিশুদ্ধ হাদিসে সে সাক্ষাতের বিবরণ এসেছে। নিম্নে এমন কিছু বর্ণনা তুলে ধরা হলো—</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আল্লাহকে দেখা যাবে নির্বিঘ্নে</strong> :  জারির ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, একবার পূর্ণিমার রাতে নবী (সা.) আমাদের কাছে বের হয়ে এলেন। অতঃপর তিনি বললেন, শিগগিরই তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে কিয়ামতের দিন দেখতে পাবে, যেমন এই চাঁদটিকে তোমরা দেখছ এবং একে দেখতে তোমাদের অসুবিধা হচ্ছে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৪৩৬)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আল্লাহ কথা বলবেন</strong> : আদি ইবনু হাতিম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে শিগগিরই তার প্রতিপালক কথা বলবেন, তখন প্রতিপালক ও তার মধ্যে কোনো অনুবাদক ও আড়াল করে এমন পর্দা থাকবে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৪৪৩)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আদন জান্নাতে সাক্ষাৎ হবে</strong> : কায়স (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, দুটি জান্নাত এমন হবে, সেগুলোর পানপাত্র ও তার ভেতরের সব কিছুই হবে রুপার। আর দুটি জান্নাত এমন হবে, সেগুলোর পানপাত্র ও তার ভেতরের সব কিছুই হবে সোনার। জান্নাতি আদনে তাদের ও তাদের রবের দর্শনের মধ্যে তাঁর চেহারার ওপর অহংকারের চাদর ছাড়া আর কোনো কিছু আড়াল থাকবে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৪৪৪)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>জান্নাতিরা কৃতজ্ঞতায় সিজদা করবে</strong> : আলি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, (সব ধরনের নিয়ামত লাভের পর) জান্নাতিরা বলবে, আমাদের প্রভুর মুখদর্শন ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তখন আল্লাহ তাদের সামনে আত্মপ্রকাশ করবেন এবং জান্নাতিরা সিজদায় পড়ে যাবে। তাদের বলা হবে, তোমরা আমল করার স্থানে নেই, তোমরা রয়েছ প্রতিদান লাভের স্থানে। (জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম : ২/৮৮৭)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আল্লাহ কোরআন তিলাওয়াত করবেন</strong> : বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, নিশ্চয়ই জান্নাতিরা প্রতিদিন দুইবার মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে প্রবেশ করবে। অতঃপর তিনি তাদের সামনে কোরআন তিলাওয়াত করবেন। (জামিউস সগির, হাদিস : ২২৩৪)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/14264/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdx.dhakamail.com/media/images/2024November/zannat_20241106_131146400.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশিরা জাহাজে হজে যেতে পারবেন: ধর্ম উপদেষ্টা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/485082/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 09 Oct 2024 03:10:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[হজ্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=485082</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশিরা জাহাজে করে হজে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাওলানা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, জাহাজের মাধ্যমে এবার বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরবের প্রশাসন। ফলে এ বছর কম খরচে তিন হাজারের মতো যাত্রীদের জাহাজযোগে হজে পাঠানো হবে। এতে বিমানের চেয়ে অনেক কম খরচে হজ পালন করতে পারবেন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশিরা জাহাজে করে হজে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাওলানা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জাহাজের মাধ্যমে এবার বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরবের প্রশাসন। ফলে এ বছর কম খরচে তিন হাজারের মতো যাত্রীদের জাহাজযোগে হজে পাঠানো হবে। এতে বিমানের চেয়ে অনেক কম খরচে হজ পালন করতে পারবেন এদেশের হজযাত্রীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাতে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার জামিয়াতুস সুন্নাহ মাদরাসায় সীরাতুন্নবীর মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা। এসময় বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর মহাসচিব হজরত মাওলানা মাহফুজুল হক, প্রধান পরিচালক মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, গওহরপুর মাদরাসার মহাপরিচালক মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন গওহরপুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. খালিদ হোসেন বলেন, স্বাধীনতার পূর্ব এবং স্বাধীনতা উত্তর সময়ে হাজিরা জাহাজে করে হজ করতে যেতেন। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে জাহাজে করে হাজীদের হজ পাঠানোর বিষয়ে সৌদির এক মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। সৌদি সরকারের এ বিষয়ে সম্মতি আছে। ইতোমধ্যে আমরা জাহাজ কোম্পানির মালিকদের সঙ্গে আলাপ করেছি। এ বছর আমরা জাহাজে অন্তত তিন হাজার যাত্রী পাঠাবো। আমরা অন্তত একটা ডোর অপেন করে দিতে চাই। এ দেশের সাধারণ মানুষ যাতে কম খরচে হজ করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, হাজিদের সার্বিক সহযোগিতার বিষয়ে সৌদি সরকার আন্তরিক রয়েছে। আমার আপাতত দুটি প্যাকেজ চালু করবো। স্বল্প খরচে কাবা শরীফ এবং মদিনা শরীফ থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে এবং আরেকটা একটু দূরে। হাজিরা পায়ে হেঁটেও যেন আসতে পারে। তাছাড়া বাংলাদেশ বিমানে খরচ বেশি। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি, যাতে খরচ কমানো যায়। আমরা আশাবাদী, হজ প্যাকেজগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে করতে পারবো।</p>
<p style="text-align: justify;">কওমী মাদরাসার সনদ কার্যকর করার বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, কওমী মাদরাসা থেকে প্রাপ্ত সনদ বিগত সরকার এমএ (মাস্টার্স) মান দিয়েছে। এবার আমরা যেটা করবো, মাদরাসার শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই প্রাপ্ত সনদ কোন কোন ফিল্ডে কাজে লাগানো যায়, যেমন স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনীসহ বিভিন্ন জায়গায় আমরা যদি তাদের ঢুকাতে পারি, তাহলে কওমী মাদরাসার সনদপ্রাপ্ত আলেমগণ তাদের খেদমত করতে পারবেন।</p>
<h3>হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু</h3>
<p style="text-align: justify;">শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের পবিত্র হজের প্রাথমিক নিবন্ধন। ১ সেপ্টেম্বর (রবিবার) থেকে শুরু হয়ে এ নিবন্ধন চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। সরকারি-বেসরকারি দুই মাধ্যমেই এই নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের সময়ের পর আর সময় বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দীক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ২০২৫ সালে হজে যেতে ইচ্ছুকদের নিবন্ধন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পূর্বের কিংবা নতুন প্রাক-নিবন্ধিত যেকোনও ব্যক্তি তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে পারবেন। হজ প্যাকেজ মূল্যের অবশিষ্ট টাকা প্যাকেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এ বছরের হজ প্যাকেজ মূল্য সৌদি পর্বের ব্যয় ও বিমান ভাড়া নির্ধারণ সাপেক্ষে ঘোষণা করা হবে। তবে ২০২৫ সালের সাধারণ হজ প্যাকেজ মূল্য গত বছরের চেয়ে কমানোর চেষ্টা করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সাধারণ প্যাকেজের বাড়ি কিংবা হোটেলে এক রুমে সর্বোচ্চ ৬ সিট থাকবে। তবে প্যাকেজ আপগ্রেডেশন সুবিধা থাকবে। হজ এজেন্সিগুলো বিশেষ প্যাকেজের সুবিধা দিয়ে হজযাত্রী প্রেরণ করতে পারবে। হজ কার্যক্রম পরিচালনায় প্রাথমিকভাবে যোগ্য এজেন্সির তালিকা <a href="http://www.hajj.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">www.hajj.gov.bd</a> এ পাওয়া যাবে। এছাড়া, ১৬১৩৬ নম্বরে ফোন করে জানা যাবে হজ সংক্রান্ত যেকোনও তথ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারি মাধ্যমে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের সোনালী ব্যাংক পিএলসি, স্থানীয় কার্যালয় শাখা, মতিঝিল ঢাকার সেল প্রসিডস অব হজ ডিপোজিট শীর্ষক ০০০২৬৩৩০০০৯০৮ হিসাব নম্বরের অনুকূলে টাকা জমা দিতে হবে। সোনালী ব্যাংকের যেকোনও শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে প্রাথমিক নিবন্ধনের টাকা জমা দেওয়া যাবে। বেসরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদেরকে এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে প্রাথমিক নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্যান্সার, অ্যাডভান্সড কার্ডিয়াক, লিভার সিরোসিস, কিডনি রোগ, সংক্রামক যক্ষ্মা, ডিমেনশিয়া প্রভৃতি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত এবং গর্ভবতী মহিলা ও চলাচলে অক্ষম ব্যক্তিদেরকে হজের নিবন্ধন না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/09/01/114539_bangladesh_pratidin_hajj.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শিশুদের মসজিদে নিয়ে আসার বিধান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/86832/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/86832/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Oct 2024 05:45:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=86832</guid>

					<description><![CDATA[বুঝ সম্পন্ন শিশুকে মসজিদে নিয়ে আসা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কারণ ছোটবেলা থেকে মসজিদে আসার অভ্যাস শিশুমনে দারুণ প্রভাব ফেলে। শিশুদের সঠিকভাবে নামাজ শেখানো রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। মা-বাবা, শিক্ষক কিংবা অন্য যে কেউ নামাজ পড়ার সময় ছোটদের শিখিয়ে দিতে পারেন। এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) ছোটবেলার স্মৃতি বর্ণনা করে বলেন, ‘এক রাতে আমি নবী (সা.)-এর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বুঝ সম্পন্ন শিশুকে মসজিদে নিয়ে আসা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কারণ ছোটবেলা থেকে মসজিদে আসার অভ্যাস শিশুমনে দারুণ প্রভাব ফেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">শিশুদের সঠিকভাবে নামাজ শেখানো রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। মা-বাবা, শিক্ষক কিংবা অন্য যে কেউ নামাজ পড়ার সময় ছোটদের শিখিয়ে দিতে পারেন। এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) ছোটবেলার স্মৃতি বর্ণনা করে বলেন, ‘এক রাতে আমি নবী (সা.)-এর পেছনে বাম পাশে করে নামাজে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তিনি নামাজরত অবস্থায় আমাকে তার হাত দিয়ে টেনে নিজের ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১/২৫৫)</p>
<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) অন্য একটি বর্ণনায় বলেন, ‘একদিন ফজরের নামাজের ইকামত হয়ে যাওয়ার পর আমি দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে দাঁড়িয়ে যাই। তখন জামাত শুরু করার আগে আল্লাহর রাসুল (সা.) এসে আমার হাত ধরে ফেলেন। এরপর  বলেন, ‘তুমি কি ফজরের নামাজ চার রাকাত পড়বে নাকি? (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৬/২২১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে শিশু</strong></p>
<p style="text-align: justify;">অন্য একটি বর্ণনায় আরো এসেছে, একদিন সিজদায় থাকা অবস্থায় রাসুলের (সা.) নাতি হাসান ও হোসাইন এসে তাঁর পিঠে চড়ে বসে। কিন্তু তারা নেমে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি নিজে সরাননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত তিনি সেজদারত থাকেন। নামাজ শেষে তার নিকট দীর্ঘক্ষণ সেজদায় থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি জবাব দিলেন, ‘আমার নাতিরা আমার পিঠে চড়ে বসেছিলো। আমি তাদের বিরক্ত করতে চাইনি।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১১৪১)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য বর্ণনায় এসেছে- নামাজ শেষ করে তিনি নাতিদের কোলে তুলে নেন। (আবু ইয়ালা মাওসিলির আজ-জাওয়াইদ গ্রন্থে আনাস (রা) এই ঘটনা বর্ণনা করেছেন। উপর্যুক্ত দুটি সূত্র থেকে একই ধরনের বর্ণনা বুখারী ও মুসলিমেও রয়েছে)।</p>
<p style="text-align: justify;">মসজিদে শিশুদের সঙ্গে রাসুল (সা.)-এর আচরণ এমনই ছিল। মমতা ও ভালোবাসাময় নবী-আদর্শ অনুসরণ উচিত প্রত্যেকের।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শিশু নামাজে কোথায় দাঁড়াবে</strong></p>
<p style="text-align: justify;">যদি শিশু (নাবালেগ) একজন হয়, তবে তাকে বড়দের কাতারেই একসঙ্গে দাঁড় করানো যাবে। এতে বড়দের নামাজের কোনো অসুবিধা হবে না। আর শিশু একাধিক হলে, প্রাপ্ত বয়স্কদের পেছনে আলাদা কাতারে দাঁড় করানো সুন্নাত। তবে হারিয়ে যাওয়া বা দুষ্টুমি করার আশঙ্কা থাকলে, বড়দের কাতারেও দাঁড় করানো যাবে। (আলবাহরুর রায়েক: ১/৬১৮, আদ্দুররুল মুখতার: ১/৫৭১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শিশুরা নামাজের কাতারে দাঁড়ালে অসুবিধা নেই</strong></p>
<p style="text-align: justify;">অনেকের এ ধারণা রয়েছে যে নাবালেগ শিশুদের বড়দের কাতারের মধ্যে দাঁড় করালে পেছনের মুসল্লিদের নামাজ হয় না বা নামাজ ত্রুটিযুক্ত হয়, আসলে ব্যাপারটি সে ধরনের নয়। বরং যদিও জামাতের কাতারের সাধারণ নিয়ম ও সুন্নাত হলো, প্রাপ্ত বয়স্করা সামনে দাঁড়াবেন ও অপ্রাপ্ত বয়স্করা পেছনে থাকবে। কিন্তু এর ব্যতিক্রম হলে নামাজ অশুদ্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এ জন্য শিশু একা হলে বা পেছনে দুষ্টুমির আশঙ্কা হলে বড়দের কাতারে সমানভাবে দাঁড় করানোই উত্তম। তথ্য</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/86832/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bdmorning.com/public/news/2019-12/bdmorning1575899639maxresdefault%20(1).jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে : মাসুদ সাঈদী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/308028/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Oct 2024 02:38:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=308028</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ থেকে ইসলামকে পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করার কাজে লিপ্ত হয়েছিল শেখ হাসিনা। খুনি হাসিনার হাত বাংলাদেশের হাজার হাজার আলেমের রক্তে রঞ্জিত। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা হাজারো মানুষকে হত্যা করে। মানুষকে হত্যার মাধ্যমে তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার গডফাদার ভারতের প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ থেকে তারা ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। সে কারণে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ থেকে ইসলামকে পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করার কাজে লিপ্ত হয়েছিল শেখ হাসিনা। খুনি হাসিনার হাত বাংলাদেশের হাজার হাজার আলেমের রক্তে রঞ্জিত। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা হাজারো মানুষকে হত্যা করে। মানুষকে হত্যার মাধ্যমে তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার গডফাদার ভারতের প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ থেকে তারা ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। সে কারণে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সব দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারাবন্দি করেছিল। কারাগার থেকে সুস্থ আল্লামা সাঈদীকে এনে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল রাত ৯টায় পিরোজপুর পৌরসভার পশ্চিম শিকারপুর সাঈদী জামে মসজিদে ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার চার দিনের মাথায় আল্লাহ খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে বিদায় করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, হাসিনা দেশের সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে তিনি ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন । দেশের ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করে তার দল ও আত্মীয়-স্বজন চেটেপুটে খেয়ে গিয়েছেন। দেশের মানুষকে তিনি আজকে বিপদে ফেলে গিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শুধু তাই নয় তিনি তার দল আওয়ামী লীগকেও বিপদে ফেলে গেছেন। আমরা অন্যায় ভাবে কারো প্রতি জুলুম করতে বিশ্বাসী নই । তবে যারা হামলা-মামলা করে, মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের জেল খাটিয়েছে- আল্লামা সাঈদীসহ সকল আলেমদের যারা বিনা কারণে অত্যাচার করেছে, জুলুম করেছে, নির্যাতন করেছে ইনশাআল্লাহ বাংলার মাটিতে তাদের বিচার হবেই।</p>
<h3>মাওলানা সাঈদীর ইন্তেকাল</h3>
<p style="text-align: justify;">আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রাত ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান। আল্লামা সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদীও এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>গত রোববার গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে আল্লামা সাঈদী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। শারীরিক জটিলতা বিবেচনা করে সাঈদীকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। পরে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করে।</p>
<div class="google-auto-placed ap_container">২০১০ সালের ২রা জুন রাজধানীর শহীদবাগের নিজ বাসা থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মামলায় গ্রেপ্তার হন  দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। এরপর তাকে যুদ্ধাপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পরে আপিলে তার আমৃত্যু কারাদণ্ড হয়।</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.dailynayadiganta.com/resources/img/article/202005/499602_15.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আল-আকসা মসজিদে ইহুদি উপাসনালয় নির্মাণের ঘোষণা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/284736/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Aug 2024 05:45:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[আল আকসা মসজিদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=284736</guid>

					<description><![CDATA[ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে ইহুদিদের জন্য একটি উপাসনালয় (সিনাগগ) নির্মাণের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘটনায় আরব বিশ্ব তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সৌদি আরব এই ঘোষণার কড়া সমালোচনা করেছে এবং একে উগ্র ও চরমপন্থি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে ইহুদিদের জন্য একটি উপাসনালয় (সিনাগগ) নির্মাণের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘটনায় আরব বিশ্ব তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সৌদি আরব এই ঘোষণার কড়া সমালোচনা করেছে এবং একে উগ্র ও চরমপন্থি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেছে। দেশটি বলেছে, এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং পবিত্র আল-আকসা মসজিদের মর্যাদা ও অবস্থানকে হুমকির মুখে ফেলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সৌদি আরবের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ধর্মীয় স্থাপনার ভাঙচুর চরম অবমাননাকর ও উগ্রবাদী আচরণ হিসেবে গণ্য হয় এবং এটি বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অনুভূতিকে আঘাত করছে। জর্ডান এবং কাতারও এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে এবং ইসরায়েলের প্রতি আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা মনে করে, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, ইসরায়েলের বর্তমান স্ট্যাটাস কো অনুযায়ী, ইহুদি এবং অন্যান্য অমুসলিমদের নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ড পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে সেখানে প্রার্থনা করা বা ধর্মীয় প্রতীক প্রদর্শন করা তাদের জন্য নিষিদ্ধ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উগ্র ধর্মীয় জাতীয়তাবাদীরা, বিশেষ করে বেন গাভিরের মতো ব্যক্তিরা, এই সীমাবদ্ধতাগুলোকে অগ্রাহ্য করছে। এটা মাঝে মাঝে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইহুদি ধর্মীয় সংস্থার অনেক নেতৃস্থানীয় রাব্বি আল-আকসা কম্পাউন্ডে প্রবেশকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। কারণ তাদের মতে, এটি ইহুদিদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র স্থান এবং এখানে প্রবেশ করা ধর্মীয়ভাবে অনুচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তবুও, কিছু উগ্র গোষ্ঠী আল-আকসার স্থানে একটি ‘তৃতীয় মন্দির’ নির্মাণের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা ইসরায়েলের মধ্যে শক্তি লাভ করছে। অনেক ফিলিস্তিনি এই ঘটনাকে হেব্রনের ইব্রাহিমি মসজিদ বা পিতৃপুরুষদের গুহার মতো স্থানগুলোতে ইসরায়েলের বিতর্কিত পদক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করছেন। ওইসব জায়গায় ঐতিহাসিক মসজিদকে ভাগ করে ইহুদি উপাসনালয় স্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তৃতীয় মন্দির নির্মাণের প্রচারণা ও এই পরিকল্পনা আল-আকসার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<h3>রমজানে আল আকসায় নামাজ আদায়ে বাধা দেবে না ইসরায়েল</h3>
<p style="text-align: justify;">পবিত্র রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ে দেবে না দলখদার ইসরায়েল। সেখানে নির্বিঘ্নে নামাজ করতে পারবেন ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগের বছরগুলোতে রমজানের প্রথম সপ্তাহে যত সংখ্যক মুসল্লি আল-আকসায় আসতেন, এ বছরও তাতে কোনও ব্যতিক্রম হবে না। তবে প্রতি সপ্তাহে জেরুজালেম ও টেম্পল মাউন্ট এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ণ করা হবে। তার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা রমজানে আল-আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশের বিপক্ষে ছিল। এ বিষয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেন গিভির বলেছিলেন, যেখানে আমাদের নারী ও শিশুরা গাজায় জিম্মি হয়ে রয়েছে, সেখানে টেম্পল মাউন্টে হামাস তা উদযাপন করবে তা আমরা হতে দিতে পারি না।</p>
<p style="text-align: justify;">তার এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, এটি কেবল মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়াই নয়, বরং ইসরায়েলের নিরাপত্তার সঙ্গেও ব্যাপারটি সম্পর্কিত। পশ্চিম তীরে বা বৃহত্তর অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়ালে তা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে দেওয়ার বিষয়ে বলা হয়, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য রমজান একটি পবিত্র মাস। বিগত বছরগুলোর মতে এ বছরও এই মাসের পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে ইসরায়েল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স</strong></p>
<h3>আল-আকসা বিভক্তের পরিকল্পনা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল</h3>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধকামী কয়েকটি সংগঠনের ঐক্য জোট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, ইহুদিবাদী ইসরায়েল পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে ইহুদি ও মুসলমানের মধ্যে বিভক্ত করার যে ঘৃণ্য পরিকল্পনা নিয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার বলেছে, ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির সংসদ সদস্য অমিত হালেভি আল-আকসা মসজিদকে বিভক্ত করার যে প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন তাতে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। ইসরায়েল এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গেলে পশ্চিম তীরে ইহুদিবাদবিরোধী বিস্ফোরণ ঘটবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো আরও বলেছে, এই ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে যে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হবে তার জন্য বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের জনগণ এবং প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো কোনোভাবেই ইসরায়েলি এ পরিকল্পনা মেনে নেবে না বরং   এ পরিকল্পনা থামানোর জন্য   সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/06/11/Bd-Pratidin-11-06-23-F-34.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিশ্বে দেশে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/141229/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/141229/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Jun 2024 05:58:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঈদুল আজহা]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=141229</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিমপ্রধান দেশসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা পবিত্র ঈদুল আজহা বুধবার উদযাপন করছেন। ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান এবং ভারতসহ এশিয়ার বেশিরভাগ অংশ বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা পালন করবে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা উল্লিখিত তিনটি দেশেই। মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিনে পবিত্র আল আকসা মসজিদে পশ্চিম তীরের মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিমপ্রধান দেশসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা পবিত্র ঈদুল আজহা বুধবার উদযাপন করছেন। ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান এবং ভারতসহ এশিয়ার বেশিরভাগ অংশ বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা পালন করবে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা উল্লিখিত তিনটি দেশেই।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিনে পবিত্র আল আকসা মসজিদে পশ্চিম তীরের মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, মিসর ও জর্ডানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদ একটি আনন্দের উপলক্ষ যার মধ্যে বিশেষ খাদ্য একটি অপরিহার্য বিষয়। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য এবার মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অনেকাংশ জুড়ে সমস্যা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলেছেন, তারা এবার কুরবানির পশু কেনার অর্থের সংস্থান করতে পারেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">আফগানিস্তানে ঈদের আগে সাধারণত পশুর হাটে বেশ ভিড় থাকে। কিন্তু এই বছর তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতি কারণে উৎসবের বিশেষ আয়োজন ছিল। উত্তর আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরীফের একটি পশুর হাটে মোহাম্মদ নাদির বলেন, ‘সবাই আল্লাহর নামে একটি পশু কোরবানি করতে চায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আল-শাতি শরণার্থী শিবির, লিবিয়ার যুদ্ধকবলিত ত্রিপোলিতেও দ্রব্যমূল্য ও সহিংসতা মানুষকে কষ্ট দিয়েছে। তবে জমকালো উৎসব হোক বা না হোক, মুসলিমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছেন। করোনাভাইরাস-সম্পর্কিত বিধিনিষেধের পরে বিশ্বের বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি স্বস্তি যুগিয়েছে। কেনিয়া থেকে রাশিয়া এবং সেখান থেকে মিশর পর্যন্ত বিশ্বের দেশে দেশে মুসলিমরা কাতারবন্দি হয়ে প্রার্থনা করেছেন সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে।</p>
<p style="text-align: justify;">‘এত লোককে ঈদের নামাজে দেখে আমার খুব খুশি লাগছে’, বলেন কায়রোর হাস্যোজ্জ্বল অধিবাসী সাহার মোহাম্মদ।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/141229/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/5d45878c7a4529c7329570b85ed0f569a4f83a74a74f021b.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রাসুল (সা.) যে ১০ আমলকে সর্বোত্তম বলেছন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/4371/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/4371/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 10 May 2024 06:01:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=4371</guid>

					<description><![CDATA[মানুষের ভালো ও মন্দ কাজের ভিত্তিতেই তাঁর ব্যক্তিত্বের মূল্যায়ন করা হয়। তাই ইসলাম মানুষকে উত্তম ও কল্যাণকর কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব কাজকে ‘খায়ের’ তথা কল্যাণকর বা উত্তম বলেছেন তার মধ্যে ১০টি বিশেষ আমল নিম্নে বর্ণনা করা হলো— ১. ফজরের দুই রাকাত সুন্নত : আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফজরের দুই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মানুষের ভালো ও মন্দ কাজের ভিত্তিতেই তাঁর ব্যক্তিত্বের মূল্যায়ন করা হয়। তাই ইসলাম মানুষকে উত্তম ও কল্যাণকর কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব কাজকে ‘খায়ের’ তথা কল্যাণকর বা উত্তম বলেছেন তার মধ্যে ১০টি বিশেষ আমল নিম্নে বর্ণনা করা হলো—</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">১. <strong>ফজরের দুই রাকাত সুন্নত</strong> : আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার থেকে উত্তম।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৭২৫)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘নবী (সা.) কোনো নফল (ফরজ/ওয়াজিব নয়—এমন) নামাজকে ফজরের দুই রাকাত সুন্নতের চেয়ে বেশি গুরুত্ব প্রদান করতেন না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১১৬৯)</p>
<p style="text-align: justify;">২. <strong>প্রথম কাতারে নামাজ আদায়</strong> : প্রথম কাতারে নামাজ পড়া অন্যতম উত্তম আমল। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পুরুষের কাতারের মধ্যে উত্তম হলো প্রথমটি এবং নিকৃষ্ট হলো শেষটি।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৪০)</p>
<p style="text-align: justify;">বারা ইবনু আজিব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই প্রথম কাতারগুলোর প্রতি আল্লাহ রহমত বর্ষণ করেন এবং তাদের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৬৬৪)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. <strong>নামাজে বিনম্র হওয়া</strong> : নামাজে শরীর টানটান করে রাখার পরিবর্তে নরম তথা স্বাভাবিকভাবে ছেড়ে দেওয়া উত্তম। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা, যারা নামাজের মধ্যে নিজের কাঁধ বেশি নরম করে দেয়।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৬৭২)</p>
<p style="text-align: justify;">৪.<strong> তিন তাসবিহ পাঠ </strong>: প্রত্যেক নামাজের পর তিন তাসবিহ পাঠের বিশেষ গুরুত্ব আছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন কিছু কাজের কথা বলব, যা তোমরা করলে, যারা নেক কাজে তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী হয়ে গেছে, তাদের পর্যায়ে পৌঁছতে পারবে। তবে যারা পুনরায় এ ধরনের কাজ করবে তাদের কথা স্বতন্ত্র। তোমরা প্রত্যেক নামাজের পর ৩৩ বার করে তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), তাহমিদ (আলহামদু লিল্লাহ) এবং তাকবির (আল্লাহ আকবার) পাঠ করবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৪৩)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য বর্ণনায় ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পাঠের কথা এসেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">৫. <strong>কোরআন পাঠ ও পাঠদান </strong>: উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি যে নিজে কোরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫০২৭)</p>
<p style="text-align: justify;">৬. <strong>অসহায় মানুষের জন্য ব্যয় </strong>: আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ওপরের হাত উত্তম নিচের হাত থেকে। ওপরের হাত হলো খরচকারী হাত, নিচের হাত হলো গ্রহণকারী হাত।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪২৯)</p>
<p style="text-align: justify;">৭. <strong>আহার করানো </strong>: আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেন, ইসলামের কোন আমলটি উত্তম? তিনি বলেন, আহার করানো এবং পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম প্রদান করা।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৮)</p>
<p style="text-align: justify;">৮. <strong>চরিত্র সুন্দর করা </strong>: সুন্দর চরিত্রের চেয়ে মূল্যবান কিছু নেই। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) অশ্লীলভাষী ও অসদাচরণের অধিকারী ছিলেন না। তিনি বলতেন, নিশ্চয়ই তোমাদের সর্বোত্তম ব্যক্তি সে যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৯)</p>
<p style="text-align: justify;">৯. <strong>মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া </strong>: আবু আইয়ুব আনসারি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিমের পক্ষে তার কোনো ভাইয়ের সঙ্গে তিন দিনের বেশি এমনভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করে থাকা বৈধ নয় যে তাদের দুজনের দেখা-সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে আরেকজন অন্যদিকে চেহারা ঘুরিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে উত্তম ওই ব্যক্তি, যে প্রথম সালাম করবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬২৩৭)</p>
<p style="text-align: justify;">১০. <strong>পরিবারের সঙ্গে উত্তম আচরণ করা</strong> : আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমাদের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি সে, যে তার পরিবারের কাছে উত্তম। আমি তোমাদের মধ্যে আমার পরিবারের কাছে উত্তম।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৮৯৫)</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া হাদিসে আরো বহুসংখ্যক আমলের ব্যাপারে খায়ের তথা কল্যাণকর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ তা আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/4371/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2021October/deed-20220103171438.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফরিদপুরে মন্দিরে আগুন অভিযোগে হিন্দুদের পিটুনিতে ২ মুসলিম নিহত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/408475/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Apr 2024 07:03:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=408475</guid>

					<description><![CDATA[ফরিদপুরের মধুখালীর ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লীতে বাঁশ, লাঠি, পেরেক দিয়ে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে আপন দুই ভাইকে হত্যা এবং অপর পাঁচজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধার করতে মধুখালী উপজেলার ইউএনও এবং ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও জিম্মি করে রাখা হয়। খবর পেয়ে ফরিদপুর থেকে জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফরিদপুরের মধুখালীর ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লীতে বাঁশ, লাঠি, পেরেক দিয়ে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে আপন দুই ভাইকে হত্যা এবং অপর পাঁচজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধার করতে মধুখালী উপজেলার ইউএনও এবং ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও জিম্মি করে রাখা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">খবর পেয়ে ফরিদপুর থেকে জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে ফরিদপুর ও রাজবাড়ী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব প্রায় ৫ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে। দুর্বৃত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ঘটনায় নিহতরা হলেন, মধুখালী উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ঘোপেরঘাট গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে আশরাফুল (২১) ও তার ভাই আসাদুল (১৫)। আহতদের ২ জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও ৩ জনকে মধুখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত দুই পুলিশ সদস্যকে মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে জেলার একজন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে সেখানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, পঞ্চপল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ওয়াশ রুমের নির্মাণ কাজ করছিল ওই শ্রমিকেরা। সন্ধ্যায় একটি নসিমন থেকে রড নামানোর সময় তাদের ওপর হামলা করা হয়। পঞ্চপল্লী গ্রামের তপতি মন্ডল নামে এক গৃহবধূ বলেন, তিনি স্কুলঘরের পাশে কালীমন্দির সন্ধ্যাবাতি দিয়ে গোবরের ঘোসি পরিষ্কার করতে এসে চিৎকার চেচামেচি শুনতে পান। এসে দেখেন মন্দিরের কালী মূর্তিটি একদম পুড়ে গেছে। তারপর লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তবে মন্দিরে কিভাবে আগুন লেগেছে তিনি তা দেখেননি বলে জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">ডুমাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান তপন জানান, পাঁচ গ্রাম নিয়ে সেখানে পঞ্চপল্লী অবস্থিত। এলাকাটি হিন্দু বসতি অধ্যুষিত। এর মাঝে কৃষ্ণনগর নামে এক গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজের জন্য সেখানে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক কাজ করছিলেন। সেখানে নির্মাণ শ্রমিকদের পিটিয়ে হতাহত করে নির্মাণাধীন স্কুল ঘরের মধ্যে পিঠমোড়া করে হাত-পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে জড়ো হওয়া লোকজন রাখে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, মন্দিরে আগুন দেয়ার সন্দেহে নির্মাণ শ্রমিকদের বেদমভাবে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে হতাহত করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকার অতিরিক্ত র‍্যাব ও পুলিশের বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, এখানে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক কাজ করছিল। উত্তেজিত জনতা ভেতরে ঢুকে তাদের লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় অনেক পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদের দিকে ইটপাটকেল ছুড়ে মারা হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা থেকে আইজি স্বয়ং খবরাখবর রাখছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বিকেলে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কেনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদি হয়ে হত্যা মামলা ছাড়াও পুলিশের কাজে বাধাদান ও তাদের আহত করার ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের করা হবে। এদিকে বিকেলে নিহত দুই শ্রমিকের জানাযা শেষে তাদের দাফন করা হয়েছে। সেখানে পরিবারের স্বজনদের কান্নায় এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহতদের জানাজায় গ্রামবাসীর ঢল: গতকাল শুক্রবার বাদ আসর মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের চোপেরঘাট গ্রামের নিজ বাড়িতে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। জানাজায় জেলা প্রশাসক মো: কামরুল আহসান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমসহ ইউএনও, পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় নিহতের বাড়িতে পরিদর্শনে যান ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মারফ হোসেন সরদার। এর আগে তিনি ঘটনাস্থল মধুখালী উপজেলার ডোমাইন গ্রাম পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসক মো: কামরম্প আহসান তালুকদার নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জ্ঞাপন করে বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আপনাদের ন্যায়বিচার দেয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা মন্দিরে আগুন দেইনি বললেন শ্রমিকরা : পঞ্চপল্লীতে কালীমন্দিরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সাথে স্কুলের উন্নয়ন কাজে নিযুক্ত নির্মাণ শ্রমিকদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না, নিছক সন্দেহের বশে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিকরা।</p>
<p style="text-align: justify;">নান্নু মণ্ডল বলেন, মন্দিরে কীভাবে আগুন লেগেছে, এ বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি। এই শ্রমিক বলেন, &#8216;মন্দিরে আগুন লাগার পরে আমাদের দোষারোপ করে মারধর শুরু করে এলাকার হিন্দুরা। আমরা মন্দিরে আগুন দিইনি, আমরা কেন আগুন দিতে যাব?&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">এ দিকে, বিকেলে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদি হয়ে হত্যা মামলা ছাড়াও পুলিশের কাজে বাধাদান ও তাদের আহত করার ঘটনায় পৃথক<br />
মামলা দায়ের করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.protidinersangbad.com/assets/news_photos/2023/11/23/image-427498.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কিয়ামতের দিন যেসব বস্তু মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/22400/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/22400/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Apr 2024 05:04:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=22400</guid>

					<description><![CDATA[মানুষ প্রতিদিন যেসব কাজ করে, সেগুলোর প্রতিদান অবশ্যই পাবে। ভালো কাজ করলে ভালো প্রতিদান পাবে এবং মন্দ কাজ করলে মন্দ পরিণতি ভোগ করতে হবে। মানুষকে ভালো প্রতিদান কিংবা মন্দ প্রতিফল প্রদান করা হবে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে। মানুষের প্রতিটি কর্মের সাক্ষ্য প্রস্তুত আছে। সেসব সাক্ষ্য মানুষের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াবে। কিয়ামত দিবসে যা মানুষের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষ প্রতিদিন যেসব কাজ করে, সেগুলোর প্রতিদান অবশ্যই পাবে। ভালো কাজ করলে ভালো প্রতিদান পাবে এবং মন্দ কাজ করলে মন্দ পরিণতি ভোগ করতে হবে। মানুষকে ভালো প্রতিদান কিংবা মন্দ প্রতিফল প্রদান করা হবে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে। মানুষের প্রতিটি কর্মের সাক্ষ্য প্রস্তুত আছে।</p>
<p>সেসব সাক্ষ্য মানুষের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াবে। কিয়ামত দিবসে যা মানুষের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে, তা হলো এমন সাত সাক্ষী, যা অস্বীকার করার কোনো উপায় ও সুযোগ থাকবে না। নিম্নে সে সাত সাক্ষী নিয়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে আলোচনা তুলে ধরা হলো—</p>
<p>১. স্থান বা জায়গা : শয়তানের ধোঁকায়, নফসের প্ররোচনায়, পরিবেশের তাড়নায় কমবেশি সবাই গুনাহ করে থাকে, তো এই গুনাহ যে স্থান বা জায়গায় করা হয়, কাল কিয়ামতের বিভীষিকাময় দিনে জমিনের ওই অংশ আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। পবিত্র কোরআন ইরশাদ হয়েছে, ‘সেদিন পৃথিবীর তার যাবতীয় সংবাদ জানিয়ে দেবে।’ (সুরা : জিলজাল, আয়াত : ৪)</p>
<p>বোঝা গেল, ভূমিতে মানুষ যত ভালো বা মন্দ কাজ করে, সেদিন জমিন সে সম্পর্কে আল্লাহর দরবারে সাক্ষ্য দেবে।</p>
<p>২. জিহ্বা : মহান আল্লাহর অপূর্ব সৃষ্টি মানুষের এক ক্ষুদ্রাকায় অঙ্গ হলো জিহ্বা। জিহ্বা আকারে ছোট হলেও এর প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া অনেক বড়। এই জিহ্বার মাধ্যমে মানুষ তার মনের ভাব, অভিব্যক্তি ও কামনা-বাসনা আদান-প্রদান করে থাকে।</p>
<p>ভাব প্রকাশের এই মাধ্যমটিকে সত্য-সঠিক ও কল্যাণকর ক্ষেত্রে ব্যবহার করাই যুক্তিযুক্ত। এর বিপরীতে অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জিহ্বা ব্যবহার করা মারাত্মকতম গুনাহ। রাসুল (সা.) বলেছেন, যেকোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ত্যাগ করা। (তিরমিজি, হাদিস : ২৩১৭)</p>
<p>এই জিহ্বার মাধ্যমে মানুষ যেসব গুনাহ করে থাকে, কাল কিয়ামতের ময়দানে জিহ্বা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। পবিত্র কোরআনের ইরশাদ হয়েছে, ‘যেদিন তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে তাদের বিরুদ্ধে তাদের জিহ্বা, হাত ও তাদের পা সাক্ষ্য দেবে।’ (সুরা : নুর, আয়াত : ২৪)</p>
<p>৩. শরীরের অন্যান্য অঙ্গ : শরীরের মধ্যে আরো যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আছে, নির্দিষ্ট ওই অঙ্গ দ্বারা যে গুনাহ করা হয়েছে, শরীরের ওই অঙ্গ কাল কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর দরবারে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আজ আমি তাদের মুখে মোহর লাগিয়ে দেব। ফলে তাদের হাত আমার সঙ্গে কথা বলবে, এবং তাদের পা সাক্ষ্য দেবে তাদের কৃতকর্মের।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৫৫)</p>
<p>উপরিউক্ত আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, মানুষ যখন তার কৃতকর্মের কথা অস্বীকার করবে, তখন আল্লাহ তাআলা তাদের হাত-পাকে বাকশক্তি দান করবেন, তখন শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো তাদের দ্বারা কৃতগুনাহের কথা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে।</p>
<p>৪. দুই ফেরেশতা : মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ভালো-মন্দ, নেককাজ ও বদকাজ লেখার জন্য আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সম্মানিত লিপিকর দুইজন ফেরেশতা প্রত্যেক মানুষের জন্য নিয়োজিত আছেন। তাঁরা মানুষের কৃত সব কাজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লিপিবদ্ধ করে রাখেন। তাঁরাই কাল কিয়ামতের দিনে গুনাহগার ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সামনে সাক্ষ্য দেবেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অথচ তোমাদের জন্য কিছু তত্ত্বাবধায়ক (ফেরেশতা) নিযুক্ত আছে, সম্মানিত লিপিকরবৃন্দ, যারা জানে তোমরা যা করো।’ (সুরা : ইনফিতার, আয়াত : ১১-১২)</p>
<p>৫. মানুষের আমলনামা : কিয়ামতের ময়দানে মানুষের আমলনামা তার  কৃত গুনাহের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমলনামা সামনে রেখে দেওয়া হবে। তখন তুমি অপরাধীদের দেখবে, তাতে যা (লেখা) আছে, তার কারণে তারা আতঙ্কিত এবং তারা বলেছে, হায়! আমাদের দুর্ভোগ! এটা কেমন কিতাব, ছোট-বড় যত কর্ম আছে সবই পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব করে রেখেছে, তারা তাদের সব কৃতকর্ম সামনে উপস্থিত পাবে, তোমার প্রতিপালক কারো প্রতি কোনো জুলুম করবেন না।’ (সুরা : কাহফ, আয়াত : ৪৯)</p>
<p>৬. নবী মুহাম্মদ (সা.) : নবী মুহাম্মদ (সা.) কাল কিয়ামতের উম্মতের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, প্রতি জুমার রাতে সব নবী ও আম্বিয়াদের কাছে তাদের জাতির এবং পিতা-মাতার কবরে তাদের সন্তানদের আমল দেখানো হয়। (কানজুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল, হাদিস : ৪৫৪৯৩)</p>
<p>এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘সুতরাং (তারা ভেবে দেখুক) সেই দিন (তাদের অবস্থা) কেমন হবে, যখন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং (হে নবী), আমি তোমাকে ওই সব লোকের বিরুদ্ধে সাক্ষীরূপে উপস্থিত করব?’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৪১)</p>
<p>উপরিউক্ত আয়াত দ্বারা বোঝা গেল, কিয়ামতের দিন প্রত্যেক নবী-রাসুলরা নিজ নিজ উম্মতের ভালো-মন্দ কর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবেন। সেই ধারায় মহানবী (সা.)-কে তাঁর নিজ উম্মত সম্পর্কে সাক্ষীরূপে পেশ করা হবে।</p>
<p>৭. আল্লাহ তাআলা : স্বয়ং আল্লাহ তাআলা বান্দার ভালো-মন্দ কর্ম সম্পর্কে কাল কিয়ামতের ময়দানে সাক্ষ্য দেবেন। আল্লাহ বলেন, আমি রাহমান, রাহিম, গাফফার, সাত্তার, তবু কাল কিয়ামতের ময়দানে তোমাদের গুনাহ সম্পর্কে সাক্ষ্য দেব। এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘(হে মানুষ!) তোমরা যে কাজই করো, তোমরা যখন তাতে লিপ্ত থাক, তখন আমি তোমাদের দেখতে থাকি। তোমার প্রতিপালকের কাছে অণু পরিমাণ জিনিসও গোপন থাকে না—না পৃথিবীতে, না আকাশে এবং তার চেয়ে ছোট এবং তার চেয়ে বড় এমন কিছু নেই।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ৬১)</p>
<p>তাই আসুন! অপ্রতিরোধ্য ও ব্যতিক্রমী ওই সব সাক্ষীর কথা সদা-সর্বদা দেহমনে, চিন্তা-চেতনায় জাগ্রত রেখে ছোট-বড় সব গুনাহ বর্জনে সচেতন ও সচেষ্ট হই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সহায় হোন।</p>
<h3>পার্থিব জীবন ও আখেরাতের ভাবনা</h3>
<p style="text-align: justify;">মানবজীবনকে প্রবাহমান নদীর সাথে তুলনা করা হয়। নদীর বহতা যেমন থেমে না, তেমনি মানবজীবনের কোনো মুহূর্তই স্থির থাকে না। এর ক্ষয় আছে, আছে নিঃশেষ ও পরিসমাপ্তি। ইংরেজিতে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ- ‘সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">জীবন থেকে সময় একবার অতিক্রান্ত হলে তা আর কখনো ফিরে পাওয়া যায় না। সৃষ্টির শুরু থেকে এ পর্যন্ত পৃথিবীতে নতুন ও অভিনব অনেককিছু আবিষ্কৃত হলেও সময়কে ধরে রাখার মতো কোনো যন্ত্র এখনো তৈরি হয়নি। এজন্য মানুষের জীবনে সময়ের গুরুত্ব ও মূল্য সবচেয়ে বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">জীবনকে সার্থক করতে হলে সময়ের সঠিক ব্যবহার অপরিহার্য। সময়ের শপথ করে পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘সময়ের শপথ! মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্য ধৈর্যের উপদেশ দেয়।’- সূরা আসর : ১-৩</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করা হলো- ‘ভাগ্যবান কারা? তিনি বললেন, ভাগ্যবান তারা, যারা দীর্ঘায়ূ লাভ করেছে এবং তা নেক আমলের মাধ্যমে অবিবাহিত করেছে। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হলো- দুর্ভাগা করা তিনি বললেন, দুর্ভাগা তারা, যারা দীর্ঘায়ূ পেয়েছে এবং তা বদ আমলে কাটিয়েছে বা আমলবিহীন অতিবাহিত করেছে।’- সুনানে তিরমিজি : ২৩২৯</p>
<p style="text-align: justify;">অনন্তকালের এক জীবন- পরকাল। পরকালের পাথেয় সংগ্রহের একমাত্র জায়গা দুনিয়া। পরকালীন সুখ-শান্তি ও দুঃখ-কষ্ট নির্ভর করে দুনিয়াতে মানুষের কাজকর্ম ও জীবনাচার। মানুষের সৃষ্টি এবং তাকে দুনিয়াতে পাঠানো কোনো নিরর্থক বিষয় নয়। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমার ইবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি। আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে। নিশ্চয় আল্লাহতায়ালা জীবিকাদাতা, শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।’- সূরা আয-যারিয়াত : ৫৬-৫৮</p>
<p style="text-align: justify;">নির্দিষ্ট একটি গণ্ডি ও সীমারেখার মধ্যে থেকে মানুষকে দুনিয়ার জীবন অতিবাহিত করতে হবে। দুনিয়ার জীবনের স্বরূপ আলোচনায় পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহে অসংখ্য বর্ণনা এসেছে। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘এই পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক বৈ তো কিছুই নয়। পরকালের গৃহই প্রকৃত জীবন; যদি তারা জানত।’- সূরা আনকাবুত : ৬৪</p>
<p style="text-align: justify;">‘তোমরা জেনে রাখ, পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক, সাজ-সজ্জা, পারস্পরিক অহমিকা এবং ধন ও জনের প্রাচুর্য ছাড়া আর কিছু নয়। যেমন এক বৃষ্টির অবস্থা, যার সবুজ ফসল কৃষকদেরকে চমৎকৃত করে, এরপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তুমি তাকে পীতবর্ণ দেখতে পাও, এরপর তা খড়কুটা হয়ে যায়। আর পরকালে আছে কঠিন শাস্তি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি।’- সূরা হাদিদ : ২০</p>
<p style="text-align: justify;">‘প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলাপ্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোনো সম্পদ নয়।’- সূরা আল-ইমরান : ১৮৫</p>
<p style="text-align: justify;">আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার কাঁধে হাত রেখে বলেন, ‘তুমি দুনিয়াতে এমনভাবে থাকে যেন তুমি একজন প্রবাসী অথবা পথচারী। আর তুমি নিজেকে একজন কবরবাসী বলে গণ্য করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলতেন, ‘যখন তুমি সন্ধ্যায় উপনীত হবে তখন সকালের অপেক্ষা করো না, আর যখন তুমি সকালে উপনীত হবে তখন সন্ধ্যার জন্য অপেক্ষা করো না। অসুস্থ হওয়ার আগে তোমার সুস্থতাকে কাজে লাগাও এবং মৃত্যুর পূর্বে তোমার জীবনকে মূল্যায়ন করো।’- সহিহ্ বোখারি : ৬৪১৬</p>
<p style="text-align: justify;">দিন, মাস ও বছর শেষে মানুষ অনেককিছুর অংক কষে। বিগত সময়ের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসেব করে আগামী দিনের পরিকল্পনা আঁকে। বৈচিত্রময় এ দুনিয়ার চাকচিক্য ও মোহ এবং দৈনন্দিন জীবনের কর্মব্যস্ততা অনেক সময় মানুষকে আল্লাহর ভয়, মৃত্যুর স্মরণ ও আখেরাতের ভাবনা থেকে দূরে ঠেলে দেয়। মুমিনের জীবন কখনো এমন হতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর স্মরণ ও মৃত্যুপরবর্তী জীবনের কল্পনা মুমিনহৃদয়কে সবসময় জাগরুক রাখে। আল্লাহতায়ালা মুমিনদেরকে সম্বোধন করে বলেন, ‘মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহতায়ালাকে ভয় করো। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্য সে কী প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আল্লাহতায়ালাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা করো, আল্লাহতায়ালা সে সম্পর্কে খবর রাখেন।’- সূরা হাশর : ১৮</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যত্র তিনি বলেন, ‘যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন- কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিমি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।’- সূরা মুলক : ২<br />
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আখেরাতের জীবনের প্রত্যাশা করে সে পার্থিব শোভা সৌন্দর্য পরিহার করে।’- সুনানে তিরমিজি : ২৩৮২</p>
<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, ‘পাঁচটি বিষয়কে পাঁচটি বিষয় আসার পূর্বে গনিমত মনে করো; বার্ধক্যের আগে যৌবনকে, অসুস্থতার আগে সুস্থতাকে, দারিদ্রের আগে স্বচ্ছলতাকে, কর্মব্যস্ততার আগে অবসরকে এবং মৃত্যুর আগে জীবনকে।’- সুনানে বায়হাকি : ১০২৪৮</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য এক হাদিসে এরশাদ হয়েছে, ‘কিয়ামতের দিন বনি আদমকে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পা আগে সরাতে দেওয়া হবে না- তার জীবন কিসে নিঃশেষ করেছে, যৌবনকাল কী কাজে ব্যয় করেছে, কোন পথে আয় করেছে, কোন খাতে ব্যয় করেছে এবং জ্ঞান অনুযায়ী কতটুকু কাজে পরিণত করেছে?’- সুনানে তিরমিজি : ২৪১৬</p>
<p style="text-align: justify;">দুনিয়াতে মানুষের বেচে থাকতে হলে আহার্যের প্রয়োজন রয়েছে। আর এ জন্য জীবিকা উপাজর্নের বিভিন্ন মাধ্যম তাকে গ্রহণ করতে হয়। এটা দুনিয়ার চিরাচরিত নিয়ম। আল্লাহকে স্মরণ রেখে বৈধ পন্থায় জীবিকা উপার্জনে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’- সূরা জুমআ : ১০</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর ভয়, মৃত্যুর স্মরণ ও আখেরাতের ভাবনা মানুষের পার্থিব ও পরকাল জীবনকে স্বার্থক করে তোলে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার সকল চিন্তাভাবনা একমাত্র আখেরাতের চিন্তায় বিলীন করে দেয়, আল্লাহ তায়ালা তার দুনিয়ার সকল চিন্তার ব্যাপারে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।’- সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৩৩০</p>
<p style="text-align: justify;">হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে বনী আদম, তুমি আমার ইবাদতের জন্য সকল প্রকারের ঝামেলা থেকে মুক্ত হও, তাহলে আমি তোমার অন্তর প্রাচুর্যপূর্ণ করে দেবো।’- সুনানে তিরমিজি : ২৪৬৬</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/22400/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিদায় হে মাহে রমজান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/404499/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Apr 2024 06:10:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রমজান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=404499</guid>

					<description><![CDATA[পশ্চিম আকাশে উদিত ‘শাহরুল আজিম’, ‘শাহরুল মুবারাকাত’ নামের রমজানের চাঁদ রহমত, মাগফিরাত, নাজাতের উজ্জ্বল আভা ছড়িয়ে ক্ষয়-ক্ষীণ হতে হতে কৃষ্ণপক্ষের শেষ দিনের অপেক্ষায়! রমজানে ঘোষিত হয়—হে ভালোর অন্বেষী অগ্রসর হও, মন্দের অন্বেষী থামো। (তিরমিজি) রমজানকে বিদায় জানাবে এক ফালি বাঁকা চাঁদ। তারা বড়ই হতভাগা, যারা রমজান পেয়েও বঞ্চিত। রমজান তো তাওবার সুযোগ এনে দিয়েছিল। পাপ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পশ্চিম আকাশে উদিত ‘শাহরুল আজিম’, ‘শাহরুল মুবারাকাত’ নামের রমজানের চাঁদ রহমত, মাগফিরাত, নাজাতের উজ্জ্বল আভা ছড়িয়ে ক্ষয়-ক্ষীণ হতে হতে কৃষ্ণপক্ষের শেষ দিনের অপেক্ষায়! রমজানে ঘোষিত হয়—হে ভালোর অন্বেষী অগ্রসর হও, মন্দের অন্বেষী থামো। (তিরমিজি)</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানকে বিদায় জানাবে এক ফালি বাঁকা চাঁদ। তারা বড়ই হতভাগা, যারা রমজান পেয়েও বঞ্চিত।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজান তো তাওবার সুযোগ এনে দিয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">পাপ কাজ ত্যাগ, কৃত পাপের জন্য অনুতপ্ত এবং ভবিষ্যতে পাপ না করার সংকল্পকে ‘তাওবা’ বলে। ইমাম গাজ্জালি (রহ.)-এর শিক্ষা হলো—‘মানুষ পাপের জন্য এমন অস্থির হবে যেমন সন্তান হারা মা তার সন্তানকে পাওয়ার জন্য অস্থির হয়&#8230;যখন গুনাহগার বান্দাও এমনই অস্থিরতায় আল্লাহর কাছে  কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা করে তখনই আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। (মিনহাজুল আবেদিন)<br />
এ প্রসঙ্গে বুখারি শরিফের দীর্ঘ বর্ণনায় পাওয়া যায়—এক বেদুইন মুসাফির তার সর্বস্ব হারিয়ে নিরূপায় ও অস্থির মনে নিজের মৃত্যু কামনা করছে! এমন সময় তার হারানো সম্পদ ফিরে পাওয়ার আনন্দ ও উত্তেজনায় সে  বলছে—‘আনতা আবদি ওয়া আনা রব্বুক’ অর্থাৎ আল্লাহ তুমি আমার বান্দা আর আমি তোমার প্রভু!</p>
<p style="text-align: justify;">(আসলে বলবার কথা—আল্লাহ তুমিই আমার প্রভু আর আমি তোমার বান্দা!) আর সর্বহারা পথিক তার সম্বল ফিরে পাওয়ার আনন্দে যেমন খুশি হয়—পাপী ও পথহারা বান্দা যখন অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দরবারে হাজির হয়, তখন আল্লাহ তার চেয়েও বেশি খুশি হন।</p>
<p style="text-align: justify;">আরবের নববর্ষ পালন ও ঘৌড় দৌড় উপলক্ষে প্রচলিত অশ্লীল দুটি উৎসব ‘নিরোজ’ ও ‘মেহেরগান’ রহিত করে প্রিয় নবী (সা.) ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল দুটি ঈদোৎসবের প্রচলন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদের শাব্দিক অর্থ বারবার ফিরে আসা এবং প্রচলিত অর্থ খুশি। রমজানের বিদায় বেলায় ভাবতে হবে ঈদ আনন্দ যেন সবার জন্য সমান হয়। আসলে শুধু নতুন জামা পাওয়ার নাম তো ঈদ নয়, বরং প্রকৃত ঈদ তো তার যে ‘অঈদ’ বা আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে। মনে রাখতে হবে নিরন্ন অসহায়ের দীর্ঘশ্বাস—<br />
‘জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ</p>
<p style="text-align: justify;">মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ।’</p>
<p style="text-align: justify;">—কাজী নজরুল ইসলাম</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানে শয়তান বন্দি থাকায় মানুষের রিপুতে থাকা শয়তানি অবদমিত হয়েছিল ইবাদতের কল্যাণে। এ চেতনা ধরে রাখতে হবে সারা বছর। তবেই রমজানের সিয়াম সাধনা হবে সার্থক।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.kalbela.com/assets/news_photos/2024/03/02/image_70150_1709385248.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইতিকাফ কী ও কেন?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/401480/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 31 Mar 2024 04:46:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=401480</guid>

					<description><![CDATA[ইতিকাফের আভিধানিক অর্থ হলো অবস্থান করা। পারিভাষিক অর্থ হলো, যে ব্যক্তি মসজিদে অবস্থান করে এবং ইবাদতে লিপ্ত হয় তাকে বলা হয় ‘আকিফ’ এবং ‘মুতাকিফ’। অর্থাৎ ইতিকাফকারী। (লিসানুল আরব, খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা : ২৫৫) শরিয়তের পরিভাষায় ইতিকাফ মানে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নিজেকে মসজিদে আবদ্ধ করা। (উমদাতুল কারি, খণ্ড ১১, পৃষ্ঠা : ১৪০) ইতিকাফ হলো এমন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইতিকাফের আভিধানিক অর্থ হলো অবস্থান করা। পারিভাষিক অর্থ হলো, যে ব্যক্তি মসজিদে অবস্থান করে এবং ইবাদতে লিপ্ত হয় তাকে বলা হয় ‘আকিফ’ এবং ‘মুতাকিফ’। অর্থাৎ ইতিকাফকারী। (লিসানুল আরব, খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা : ২৫৫)</p>
<p style="text-align: justify;">শরিয়তের পরিভাষায় ইতিকাফ মানে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নিজেকে মসজিদে আবদ্ধ করা।</p>
<p style="text-align: justify;">(উমদাতুল কারি, খণ্ড ১১, পৃষ্ঠা : ১৪০)</p>
<p style="text-align: justify;">ইতিকাফ হলো এমন একটি ইবাদত, যা পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কিরাম (আ.)-এর সময় থেকে চলে আসছে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনেও এর কথা উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় খলিল ইবরাহিম (আ.) এবং ইসমাইল (আ.)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন কাবা গৃহ নির্মাণের পর তাওয়াফ করতে এবং ইতিকাফকারী ও নামাজ আদায়কারীদের জন্য তা (আল্লাহর ঘর) পরিষ্কার রাখতে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং আমি ইবরাহিম ও ইসমাঈলকে হুকুম করি, তোমরা আমার ঘরকে সেই সকল লোকের জন্য পবিত্র করো, যারা (এখানে) তাওয়াফ করবে, ইতিকাফ করবে এবং রুকু ও সিজদা আদায় করবে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১২৫)<br />
মূলত রমজান মাস হলো আল্লাহ তাআলার আনুগত্য ও ইবাদতের বসন্তকাল এবং ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মৌসুম। যদিও এই মাস গুনাহগার ও নাফরমানদের জন্য ক্ষমা ও মাগফিরাতের সুবর্ণ সুযোগের মাধ্যম, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি নেক ও পরহেজগার ব্যক্তিদের জন্য রহমত, বরকত এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের মূল মাধ্যম। তাই আল্লাহ তাআলা রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের মতো মহান ইবাদতের বিধান রেখেছেন। এটি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একটি মহা উপহার।</p>
<p style="text-align: justify;">যা পূর্ববর্তী নবী (আ.) থেকে সাহাবায়ে কিরামরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে আমল করে এসেছেন।<br />
শরিয়তে ইতিকাফ হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। (আল ইখতিয়ার লি তালিলিল মুখতার, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা : ১৩৬)</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি স্বতন্ত্র সুন্নত এবং এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) সর্বদা এর প্রতি যত্নবান ছিলেন। ইমাম জুহরি (রহ.) বলেন, অনেক আমল তো নবীজি (সা.) কখনো করেছেন আবার কখনো ছেড়েও দিয়েছেন। কিন্তু মদিনায় হিজরত করার পর থেকে ওফাত পর্যন্ত রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফের আমলটি তিনি কখনোই ছেড়ে দেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">অথচ বড়ই আশ্চর্য ও আফসোসের বিষয় হলো, এই মর্যাদাপূর্ণ আমলটির ব্যাপারে মানুষ তেমন গুরুত্ব দেয় না। (ফাতহুল বারি, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা : ২৮৫)<br />
হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৫)</p>
<p style="text-align: justify;">নবীপত্নীরাও নিজ নিজ ঘরে ইতিকাফ করতেন। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করতেন। তাঁর ওফাত পর্যন্ত এই নিয়মই ছিল। এরপর তাঁর সহধর্মিণীরাও (সে দিনগুলোতে) ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৬)</p>
<p style="text-align: justify;">আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৭)</p>
<p style="text-align: justify;">ওফাতের বছর মহানবী (সা.) ২০ দিন ইতিকাফ করেছিলেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রমজানে ১০ দিন ইতিকাফ করতেন, কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ২০৪৪)</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া ইতিকাফ হলো, আল্লাহ তাআলার ঘর মসজিদে অবস্থান করার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন, দুনিয়াবিমুখতা এবং আল্লাহর রহমতে সিক্ত হওয়া ও ক্ষমা চাওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। আর ইতিকাফকারী ব্যক্তির উদাহরণ দিতে গিয়ে আতা (রহ.) বলেন যে কোনো ব্যক্তি এসে কারো দরজায় কড়া নাড়ল এই বলে যে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে কিছু না দেওয়া হবে, ততক্ষণ সে এখান থেকে এগোবে না। অনুরূপভাবে ইতিকাফকারী ব্যক্তিও আল্লাহ তাআলার দরজায় কড়া নাড়তে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং ক্ষমা অর্জিত না হয়, ততক্ষণ সে আল্লাহর রহমত থেকে নৈরাশ হয়ে ফিরে আসে না। (মারাকিল ফালাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা : ২৬৯)</p>
<p style="text-align: justify;">ইতিকাফের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি (রহ.) বলেন, মসজিদে ইতিকাফ হচ্ছে হৃদয়ের প্রশান্তি, আত্মার পবিত্রতা ও চিত্তের নিষ্কলুষতা; চিন্তার পরিচ্ছন্নতা ও বিশুদ্ধতা। ফেরেশতাদের গুণাবলি অর্জন এবং লাইলাতুল কদরের সৌভাগ্য ও কল্যাণ লাভসহ সব ধরনের ইবাদতের সুযোগ লাভের সর্বোত্তম উপায়। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইতিকাফ পালন করেছেন এবং তাঁর পূতঃপবিত্র বিবিগণসহ সাহাবায়ে কিরামের অনেকেই এই সুন্নতের ওপর আমৃত্যু আমল করেছেন। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা : ৪২)</p>
<p style="text-align: justify;">সওয়াবের দিক থেকে ইতিকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হলো মসজিদুল হারাম। এরপর মসজিদে নববী। তারপর মসজিদুল আকসা। এরপর যেকোনো জামে মসজিদ। তারপর যেকোনো পাঞ্জেগানা মসজিদ।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে নারীদের জন্য ইতিকাফের স্থান হলো ঘরের নির্দিষ্ট কোনো পবিত্র স্থান। এ ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি প্রযোজ্য। নারীদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরিমি। কারণ বর্তমান যুগ ফিতনা-ফ্যাসাদের যুগ। মসজিদে পুরুষদের সঙ্গে মেলামেশার প্রবল আশঙ্কা এবং অনৈতিকতা, অশ্লীলতারও আশঙ্কা আছে। তাই বর্তমান যুগে নারীদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরিমি। (আল মাবসুত লিল সারাখসি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১৫)</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/02/WB_Islamic_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রমজানের রোজা ভঙ্গ করা হারাম</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/399056/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Mar 2024 05:53:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=399056</guid>

					<description><![CDATA[নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়। সর্বশক্তিমান আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করছেন, ‘হে বিশ্ববাসী! [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বশক্তিমান আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করছেন, ‘হে বিশ্ববাসী! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পার।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিনা কারণে রমজানের রোজা ভঙ্গ করা হারাম। যে নারীর ঋতু বা নিফাস হয়েছে তার রোজা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। কোনো মানুষের জান বাঁচানোর জন্য রোজা ভঙ্গ করার দরকার হলে ভঙ্গ করা ওয়াজিব। বৈধ কোনো সফরে রোজা রাখা কষ্টকর হলে বা অসুস্থতার কারণে রোজা রাখায় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে রোজা ভঙ্গ করা সুন্নত।</p>
<p style="text-align: justify;">গর্ভবতী ও সন্তানকে দুগ্ধদায়ী নারী যদি রোজা রাখার কারণে নিজের স্বাস্থ্য বা বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা করে, তবে তার জন্যও রোজা ভঙ্গ করা বৈধ। তবে পরে কাজা আদায় করতে হবে। গর্ভবতী ও দুগ্ধদায়ী নারী বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা করলে রোজা ভঙ্গ করবে এবং তা কাজা করার সঙ্গে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অতি বৃদ্ধ ও সুস্থ হওয়ার আশা নেই এমন দুরারোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রোজা রাখতে অপারগ হলে রোজা ভঙ্গ করে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। তাকে কাজা আদায় করতে হবে না। ওজরের কারণে কোনো মানুষ যদি কাজা রোজা আদায় করতে দেরি করে এমনকি পরবর্তী রমজান এসে যায়, তবে তাকে শুধু কাজা আদায় করলেই চলবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু বিনা ওজরে দেরি করলে কাজা করার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। ওজরের কারণে কাজা আদায় করতে না পেরে মৃত্যুবরণ করলে কোনো কিছু আবশ্যক হবে না। কিন্তু কাজা আদায় না করার কোনো ওজর ছিল না তবু করেনি, এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মৃতের নিকটাত্মীয়ের জন্য সুন্নাত হচ্ছে, রমজানের কাজা রোজা এবং মানতের রোজা যা সে আদায় না করেই মৃত্যুবরণ করেছে সেগুলো তার পক্ষ থেকে আদায় করে দেওয়া। রমজানের দিনের বেলায় যদি কোনো বিধর্মী ইসলাম গ্রহণ করে বা ঋতুবতী নারী পবিত্র হয় বা রোগী সুস্থ হয় বা মুসাফির ফেরত আসে বা বালক-বালিকা প্রাপ্তবয়স্ক হয় বা পাগল সুস্থ-বিবেকবান হয়, তবে তাদের ওই দিনের  রোজা কাজা আদায় করতে হবে- যদিও তারা দিনের বাকি অংশ খানাপিনা থেকে বিরত থাকে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/24/082431_bangladesh_pratidin_p00.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মহান আল্লাহ যাদেরকে ঘৃণা করেন?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/16491/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/16491/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Mar 2024 05:00:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=16491</guid>

					<description><![CDATA[ঈমানের পূর্বশর্ত হলো কিয়ামতের দিনের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা, যাকে আমরা মহাবিচারের দিন হিসেবেও চিনি। যেদিন মহান আল্লাহর রহমত ছাড়া কারো কোনো উপায় নেই। যেদিন মহান আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না। সেদিন যারা মহান আল্লাহর ক্রোধের সম্মুখীন হবে, তাদের বড় দুর্ভাগা আর কেউ নেই। কিছু কারণে মহান আল্লাহ রাগান্বিত হন। যারা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঈমানের পূর্বশর্ত হলো কিয়ামতের দিনের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা, যাকে আমরা মহাবিচারের দিন হিসেবেও চিনি। যেদিন মহান আল্লাহর রহমত ছাড়া কারো কোনো উপায় নেই। যেদিন মহান আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না। সেদিন যারা মহান আল্লাহর ক্রোধের সম্মুখীন হবে, তাদের বড় দুর্ভাগা আর কেউ নেই।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">কিছু কারণে মহান আল্লাহ রাগান্বিত হন। যারা এগুলোতে লিপ্ত হবে, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে থাকবেন। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে কিয়ামতের দিন আমি নিজে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হব। এক ব্যক্তি, যে আমার নামে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করল। আরেক ব্যক্তি, যে কোনো আজাদ মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করল। আর এক ব্যক্তি, যে কোনো মজুর নিয়োগ করে তার থেকে পুরো কাজ আদায় করে এবং তার পারিশ্রমিক দেয় না। (বুখারি, হাদিস : ২২২৭)</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লিখিত হাদিসে রাসুল (সা.) তিন শ্রেণির মানুষের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তাই আমাদের আজকের আলোচনা এই তিন শ্রেণির মানুষকে নিয়েই হবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ওয়াদা ভঙ্গকারী</strong> : কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ যাদের বিরুদ্ধে থাকবেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ওয়াদা ভঙ্গকারীরা। ইসলামে ওয়াদা রক্ষার বিশেষ গুরুত্ব আছে। ওয়াদা রক্ষা করা প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। আর ওয়াদা ভঙ্গ করা মোনাফেকের বৈশিষ্ট্য। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মোনাফেক। যার মধ্যে এর কোনো একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মোনাফেকের একটি স্বভাব থেকে যায়। ১. আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে। ২. কথা বললে মিথ্যা বলে। ৩. অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে। ৪. বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীলভাবে গালাগালি করে। শুবা আমাশ (রহ.) থেকে হাদিস বর্ণনায় সুফিয়ান (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ৩৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ওয়াদা ভঙ্গ করা প্রতারণার শামিল। যারা দুনিয়ায় ওয়াদা ভঙ্গ করে, কিয়ামতের দিন তাকে বিশেষ পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করা হবে। ইবনে উমার (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন আল্লাহ তাআলা কিয়ামত দিবসে পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সবাইকে একত্র করবেন, তখন প্রত্যেক প্রতারকের জন্য পৃথক পতাকা উড্ডীন করা হবে এবং বলা হবে যে এটি অমুকের ছেলে অমুকের প্রতারণার চিহ্ন। (মুসলিম, হাদিস : ৪৪২১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যে স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে</strong> : যে কোনো স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করবে, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তার বিরুদ্ধে থাকবেন। পৃথিবী থেকে দাসপ্রথা অনেক আগেই উঠে গেছে, কিন্তু এখনো পৃথিবীর কোথাও কোথাও দাসদের মতো মানুষ বিক্রির জঘন্য এই প্রথা রয়ে গেছে। পৃথিবীতে এখনকার যুগেও নিলামে মানুষ বিক্রি হয়। বিস্ময়কর হলেও সত্য যে পুরনো গাড়ি, জমি কিংবা আসবাব নয়, নিলামে ওঠা ‘পণ্য’ মানুষ! সর্বোচ্চ ৮০০ ডলারে বিক্রি হয় এক জোড়া আফ্রিকান মানুষ। আধুনিক যুগে এসেও দাসপ্রথার মতো মানুষ বেচাকেনা হচ্ছে লিবিয়ায়। ২০১৮ সালের দিকে এমনই তথ্য উঠে এসেছে সিএনএনের এক রিপোর্টে।</p>
<p style="text-align: justify;">শুধু লিবিয়া নয়, পৃথিবীর অনেক দেশেই অমানবিক এই কাজের চর্চা আছে। এই আমাদের দেশেও কয়েক মাস আগে কিছু টিকটক সেলিব্রিটির বিরুদ্ধে কিছু তরুণীকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এভাবে স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্য অপরাধ। যারা এসব কাজে জড়াবে, কিয়ামতের কঠিন দিন মহান আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে থাকবেন। অর্থাৎ সেদিন তাদের অবস্থা ভয়াবহ হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পারিশ্রমিক আদায়ে প্রতারণা করা</strong> : মহান আল্লাহ পৃথিবীতে ধনী-গরিব, মালিক-কর্মচারী সৃষ্টি করেছেন তাঁর বান্দাদের পরীক্ষা করার জন্য। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনি সে সত্তা, যিনি তোমাদের জমিনের খলিফা বানিয়েছেন এবং তোমাদের কতককে কতকের ওপর মর্যাদা দিয়েছেন, যাতে তিনি তোমাদের যা প্রদান করেছেন, তাতে তোমাদের পরীক্ষা করেন। নিশ্চয়ই তোমার রব দ্রুত শাস্তিদানকারী এবং নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১৬৫)</p>
<p style="text-align: justify;">তাই মালিক-শ্রমিক, ধনী-গরিব সবারই উচিত প্রত্যেকে প্রত্যেকের হক যথাযথ আদায় করা। শ্রমিকরা তুলনামূলক দুর্বল হওয়ায় বেশির ভাগ তাদের হক নষ্ট করা হয়। এ কারণে রাসুল (সা.)-এর শ্রমিকদের হকের ব্যাপারে উম্মতকে বেশি বেশি সতর্ক করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, শ্রমিকের দেহের ঘাম শুকানোর আগে তোমরা তার মজুরি দিয়ে দাও। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪৪৩)</p>
<p style="text-align: justify;">যারা শ্রমিকদের হক নষ্ট করে, চুক্তি অনুযায়ী তাদের থেকে পূর্ণ কাজ আদায় করে প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয় না, বরং তাদের ঠকায়, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে থাকবেন। তাই প্রত্যেকের উচিত কারো কাছ থেকে শ্রম নিলে তার সঙ্গে ওই শ্রমের বিনিময়ে যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দিয়ে দেওয়া।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/16491/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/02/WB_Islamic_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পরকীয়া ও লিভ টুগেদারের ভয়াবহ পরিণতি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/4036/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/4036/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Mar 2024 02:57:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিবাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=4036</guid>

					<description><![CDATA[সমাজে হু হু করে বাড়ছে লিভ টুগেদার ও পরকীয়ার প্রবণতা, যা একটি পবিত্র সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এর কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে বংশধারার স্বচ্ছতা ও পবিত্রতা। একে স্বাভাবিক বিষয় ভাবার কোনো সুযোগ নেই। এর কারণে সমাজে বিপর্যয় নেমে আসবে। প্রতিটি মানুষের উচিত সমাজে এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী এই অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সমাজে হু হু করে বাড়ছে লিভ টুগেদার ও পরকীয়ার প্রবণতা, যা একটি পবিত্র সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এর কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে বংশধারার স্বচ্ছতা ও পবিত্রতা। একে স্বাভাবিক বিষয় ভাবার কোনো সুযোগ নেই। এর কারণে সমাজে বিপর্যয় নেমে আসবে। প্রতিটি মানুষের উচিত সমাজে এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী এই অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">লিভ টুগেদার একটি ইংরেজি শব্দ। যার বাংলা অর্থ একসঙ্গে থাকা। কিন্তু পারিভাষিক দিক থেকে লিভ টুগেদার শব্দটিকে একটা বিশেষ অর্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিয়ের আগে যুগলদের স্বামী স্ত্রীর মতো একসঙ্গে থাকাকে লিভ টুগেদার বলে। এটি সাধারণত অবিবাহিত ছাত্র-ছাত্রী বা চাকরিজীবীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের মধ্য থেকে ধারণা, একটি মানুষের সঙ্গে আজীবন থাকার উদ্দেশ্যেই বিয়ে করা হয়ে থাকে। কিন্তু মানুষটির সঙ্গে মনের মিল হবে কি না তা না থেকে বোঝা যায় না। তাই বিয়ের আগেই তারা প্রিয় মানুষটির সঙ্গে থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে। মনের মিল হয়ে গেলে তারপর তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পাশ্চাত্য দেশগুলোতে এমনও দেখা গেছে যে ছেলেমেয়েসহ তারা বিয়ের আসরে বসে। নাউজুবিল্লাহ!</p>
<p style="text-align: justify;">বিয়েবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককে ইসলামী পরিভাষায় ‘জিনা’ (ব্যভিচার) বলা হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ।’ (সুরা ইসরা/বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩২)</p>
<p style="text-align: justify;">‘ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না’—এই বিধান ব্যক্তির জন্য যেমন প্রযোজ্য, তেমিন সমাজের জন্যও প্রযোজ্য। এটি এতটাই অশ্লীল কাজ যে তা মানুষের লজ্জা-শরম ও মনুষ্যত্ব কেড়ে নেয়। আবু উমামা (রা.) বলেন, এক যুবক রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আমাকে ব্যভিচার করার অনুমতি দিন। এটা শুনে চতুর্দিক থেকে লোকেরা তার দিকে তেড়ে এসে ধমক দিল এবং চুপ করতে বলল। তখন রাসুল (সা.) তাকে কাছে ডেকে নিয়ে বলেন, বসো। যুবকটি বসলে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বলেন, তুমি কি এটা তোমার মায়ের জন্য পছন্দ করো? যুবক জবাব দিল, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন, আল্লাহর শপথ, তা কখনো পছন্দ করি না।</p>
<p style="text-align: justify;">তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তেমনি মানুষও তাদের মায়েদের জন্য সেটা পছন্দ করে না। তারপর রাসুল (সা.) বলেন, তুমি কি তোমার মেয়ের জন্য তা পছন্দ করো? যুবক জবাব দিল, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন, আল্লাহর শপথ, তা কখনো পছন্দ করি না। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, অনুরূপভাবে মানুষ তাদের মেয়েদের জন্য সেটা পছন্দ করে না। তারপর রাসুল বলেন, তুমি কি তোমার বোনের জন্য সেটা পছন্দ করো? যুবক জবাব দিল, আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন, আল্লাহর শপথ, তা কখনো পছন্দ করি না। তখন রাসুল বলেন, তদ্রুপ লোকেরাও তাদের বোনের জন্য তা পছন্দ করে না। (এভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) তার ফুফু, ও খালা সম্পর্কেও অনুরূপ কথা বলেন আর যুবকটি একই জবাব দিল) এরপর রাসুলুল্লাহ (সা.) তার ওপর হাত রাখলেন এবং বলেন, ‘হে আল্লাহ, তার গুনাহ ক্ষমা করে দিন, তার মনকে পবিত্র করুন এবং তার লজ্জাস্থানের হেফাজত করুন।’ বর্ণনাকারী সাহাবি বলেন, এরপর এ যুবককে কারো প্রতি তাকাতে দেখা যেত না। (মুসনাদে অহমাদ :  ৫/২৫৬, ২৫৭)</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকে ভাবতে পারে, কোনো ধরনের শারীরিক সম্পর্কে না জড়িয়ে একসঙ্গে থাকলে তা ব্যভিচারের পর্যায়ে পড়বে না বা গুনাহ হবে না। এটা ঠিক নয়। শয়তান কোনো না কোনোভাবে তাদের ব্যভিচারে লিপ্ত করবেই। শারীরিক সম্পর্কে কেউ না জড়ালেও অন্তত তারা একসঙ্গে থাকার দরুন, দেখা হবে, কথা হবে, আড্ডা হবে, গান হবে। এগুলোর মধ্যেও রয়েছে ব্যভিচারের গুনাহ। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, চোখের ব্যভিচার হলো (বেগানা নারীকে) দেখা, জিহ্বার ব্যভিচার হলো (তার সঙ্গে) কথা বলা (যৌন উদ্দীপ্ত কথা বলা)।’ (বুখারি, হাদিস : ৬২৪৩)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, দুই চোখের জিনা (বেগানা নারীর দিকে) তাকানো, কানের জিনা যৌন উদ্দীপ্ত কথা শোনা, মুখের জিনা আবেগ উদ্দীপ্ত কথা বলা, হাতের জিনা (বেগানা নারীকে খারাপ উদ্দেশ্যে) স্পর্শ করা আর পায়ের জিনা ব্যভিচারের উদ্দেশে অগ্রসর হওয়া এবং মনের জিনা হলো চাওয়া ও প্রত্যাশা করা। (মেশকাত, হাদিস : ৮৬)</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর আশা যাক পরকীয়ার বিষয়ে। পরকীয়া সমাজে অশান্তি ও বংশের পবিত্রতা নষ্ট করার অন্যতম নীরব হাতিয়ার। এর প্রভাবে ধ্বংস হয়ে যায় হাজার পরিবার। ভেঙে চুরমার হয় লাখো স্বপ্ন। সমাজের এই পচনের জন্য যেসব বিষয় দায়ী, তার মধ্যে পরকীয়া অন্যতম। আর পরকীয়া বৃদ্ধির জন্য দায়ী পর্দার বিধানে উদাসীনতা। অথচ পর্দার বিধান ইসলামের পক্ষ থেকে সমাজব্যবস্থার এবং বিশেষভাবে উম্মতের মা-বোনদের জন্য অনেক বড় অনুগ্রহ। এই বিধানটি মূলত ইসলামের যথার্থতা, পূর্ণাঙ্গতা ও সর্বকালের জন্য অমোঘ বিধান হওয়ার এক প্রচ্ছন্ন দলিল। পর্দা মানুষের মর্যাদার প্রতীক এবং ইফফাত ও পবিত্রতার একমাত্র উপায়।</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকের ধারণা, পর্দার বিধান শুধু নারীর জন্য। এ ধারণা ঠিক নয়। পুরুষের জন্যও পর্দা অপরিহার্য। তবে উভয়ের পর্দার ক্ষেত্রে পার্থক্য আছে। যে শ্রেণির জন্য যে পর্দা উপযোগী, তাকে সেভাবে পর্দা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরকীয়ার মূল উদ্দেশ্যই থাকে জিনা (অবৈধ সম্পর্ক)। আর তা গড়ে ওঠে সাধারণত প্রতিবেশী, অফিস কলিগ, ব্যাচমিট বা সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিতজনের সঙ্গে। এটি সমাজব্যবস্থা ধ্বংস করার জন্য এত বড় অস্ত্র যে রাসুল (সা.) একে ব্যভিচারের চেয়ে ১০ গুণ বড় অপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছেন। একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর সাহাবিদের ব্যভিচার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তাঁরা বলেন, হারাম। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তা হারাম করেছেন। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির ১০ জন নারীর সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার চেয়ে তার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া জঘন্য অপরাধ। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১০২)</p>
<p style="text-align: justify;">এই পাপ বেশির ভাগ সংঘটিত হয় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে। তাই প্রতিটি মুমিনের জন্য আবশ্যক, এই জঘন্য অপরাধগুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং পরিবার-পরিজনদের প্রতিও সজাগ দৃষ্টি রাখা। মহান আল্লাহ সবাইকে এই জঘন্য অপরাধগুলো থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/4036/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/Mosque_Sharjah_Islam_Worldbarta.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মহানবী (সা.) সমাজ বদলে দিলেন যেভাবে!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/268/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/268/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Mar 2024 02:05:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[আমরা সবাই]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=268</guid>

					<description><![CDATA[মহানবী (সা.)-এর পৃথিবীতে আগমনের মাস রবিউল আউয়াল। এটাকে কোনো সংশয় ছাড়াই সৌভাগ্যের মাস বলা যায়। কেননা, তাঁর আগমনের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অবশ্যই তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের কাছে একজন রাসুল এসেছেন। তোমাদের যা বিপন্ন করে তা তাঁর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি তিনি দয়ার্দ্র ও পরম দয়ালু।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১২৮) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মহানবী (সা.)-এর পৃথিবীতে আগমনের মাস রবিউল আউয়াল। এটাকে কোনো সংশয় ছাড়াই সৌভাগ্যের মাস বলা যায়। কেননা, তাঁর আগমনের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অবশ্যই তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের কাছে একজন রাসুল এসেছেন। তোমাদের যা বিপন্ন করে তা তাঁর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি তিনি দয়ার্দ্র ও পরম দয়ালু।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১২৮)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)</p>
<p style="text-align: justify;">উভয় আয়াতের মূল বক্তব্য প্রায় এক। তা হলো নবীজি (সা.) মানবজাতির জন্য রহমত ও অনুগ্রহ হিসেবে আগমন করেছেন। এটা তাঁর কোনো অমূলক প্রশংসা নয়; বরং আসমান ও জমিনের স্রষ্টা মহান আল্লাহর ঘোষণা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আগমনের আগে পৃথিবীর কী অবস্থা ছিল এবং পৃথিবী কোন দিকে যাচ্ছিল—তা ইতিহাসের দিকে তাকালেই জানা যায়। মানুষ নিজেদের মধ্যে শ্রেণি ও বৈষম্যের দেয়াল তুলে রেখেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">একদল মানুষ নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনোপকরণের নিয়ন্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং অন্য দল ছিল তাদের দাস ও সেবক। তাদের শুধু কাজে-কর্মে ব্যবহার করা হতো না; বরং ধনী ও শাসকদের বিনোদনের জন্যও প্রাণ দিতে হতো বহু মানুষকে। বিভিন্ন রাজকীয় উৎসবে মানুষ বলি দেওয়া হতো, হিংস্র পশুর সঙ্গে লড়াই করতে নামিয়ে দিয়ে বলা হতো হয়তো পশুকে পরাজিত কোরো, নতুবা মৃত্যুবরণ কোরো। হাজার হাজার মানুষ তাদের মৃত্যুর দৃশ্য উপভোগের জন্য উপস্থিত হতো। অন্যদিকে রাজা-বাদশাহ ও তাদের পোষ্যরা সীমাহীন বিলাসী জীবনযাপন করত। রাজ দরবারের জৌলুস বাড়াতে তারা যে পরিমাণ সম্পদের অপচয় করত তা রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো।</p>
<p style="text-align: justify;">নারীরা ছিল ভোগ্য পণ্যের মতো। তাদের মূল্যায়ন ও মর্যাদার ভিত্তিও ছিল তা। পুরুষের তুলনায় তাদের পিছিয়ে পড়া এবং অপছন্দনীয় মনে করা হতো। পরিবারে মা-বাবার সঙ্গে ভাইয়েরও সেবা করতে হতো তাদের। তাদের জন্মকেই অশুভ মনে করা হতো। রাসুলুল্লাহ (সা.) নারী ও দাসদের মানবিক অধিকার ও মর্যাদা দান করেছেন এবং তাদের মৌলিক অধিকারে অন্যসব মানুষের সমপর্যায়ের বলেছেন। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা হলো—‘সব মানুষ এক আদমের সন্তান। সবাই সমান। সাদা হোক বা কালো, আরব হোক বা অনারব কেউ কারো থেকে ছোট বা বড় নয়; বরং মানুষের ভালো কাজ ও আল্লাহভীতিই তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি শুধু বলেননি, নিজেই তা বাস্তবায়ন করেছেন এবং বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন যে কিভাবে মানবসমাজে সমতা প্রতিষ্ঠা করতে হয়। তিনি ইরানের সালমান ফারসি (রা.), আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ বেলাল ও রোমের (ইউরোপের) সুহাইবে রুমি (রা.)-কে সেভাবেই সঙ্গে রেখেছেন যেভাবে নিজ গোত্রীয় মুমিনদের রেখেছিলেন। জায়িদ ইবনে হারিস (রা.)-কে দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে সন্তানের মর্যাদা দেন এবং নিজের ফুফাতো বোনের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে বিশ্ববাসীকে চমকে দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মহানবী (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন নারীর অধিকার আদায় করতে, তাদের উত্তরাধিকার সম্পদে অংশীদার করতে, মা-বাবাকে কন্যাশিশুর বিশেষ যত্ন নিতে, স্ত্রীকে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভরণ-পোষণ দিতে, বোঝা-পড়া না হলে ভদ্রতার সঙ্গে আলাদা হয়ে যেতে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন সম্পদ ব্যয়ে ভারসাম্য রক্ষা করতে, গরিব-অসহায় মানুষের সাহায্য করতে, কৃপণতা ও অপচয় থেকে বেঁচে থাকতে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে ধনীর সম্পদে দরিদ্র্যের অধিকার (জাকাত) ঘোষণা করেছেন। নিষিদ্ধ করেছেন কারো সম্পদ আত্মসাৎ করা, কারো সম্ভ্রম নষ্ট করা, কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করাকে। এসব কাজের নির্দেশ দিয়েই তিনি শেষ করেননি; বরং এমন একটি সমাজ তৈরি করেছেন, যারা সাম্য, সুবিচার, সহমর্মিতা ও দ্বিনের আনুগত্যকে জীবনের অংশ বানিয়ে নিয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামের ইতিহাসে এর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। আবু বকর (রা.) সেনা অভিযানের সময় বলে দিতেন শত্রু এলাকায় উপাসনালয়ে উপাসনারত ব্যক্তিদের যেন কোনোভাবে বিরক্ত করা না হয়। কোনো অঞ্চলে শুধু তখনই সেনা পাঠানো হতো, যখন ইসলামী মূলনীতি অনুসারে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান অসম্ভব হয়ে পড়ত। বিজয়ের পরে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পদ কেড়ে নেওয়া হতো না এবং তাদের ধর্মান্তরে বাধ্য করা হতো। ওমর (রা.) যখন বায়তুল মোকাদ্দাসে প্রবেশ করছিলেন তখন তাঁর দাস বাহনের ওপর বসা ছিল এবং তিনি লাগাম ধরে হাঁটছিলেন। পারস্য সম্রাট পরাজিত হওয়ার পর তার মণি-মুক্তায় অলংকৃত রাজমুকুট একজন অজ্ঞাতনামা মুসলিম সেনাপতির হাতে তুলে দেন এবং বলেন, আল্লাহ আমার নাম জানেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এটাই ছিল নবীজি (সা.)-এর হাতে গড়ে ওঠা সমাজের উপমা। যে সমাজের প্রত্যেকে পরকালীন কল্যাণকে প্রাধান্য দিত, দুনিয়ার ভোগ-বিলাসের প্রতি নিরাসক্ত ছিলেন, সত্যের জন্য জীবন উৎসর্গকারী ছিলেন, লেনদেনে ন্যায়ানুগ ছিলেন, অসহায় ও দুর্বল মানুষের প্রতি সহমর্মী ছিলেন, পশু-পাখির প্রতি ছিল তাদের মমত্ববোধ। এক কথায় ইসলামী শরিয়তে বর্ণিত প্রতিটি অধিকার আদায়ে তারা বদ্ধপরিকর ছিলেন। এসব গুণের কারণে তারা নিজেদের জীবনে এবং সমাজে এমন পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন এবং তাদের দ্বারা এতটা উন্নয়ন সম্ভব হয়, যার সামনে মানবজাতির অতীতের সব অর্জন ম্লান হয়ে যায়। তাদের নেতৃত্বে পৃথিবীতে অভ্যুদয় ঘটে মানবজাতির নেতৃত্ব দানকারী এক নতুন জাতির।</p>
<p style="text-align: justify;">তামিরে হায়াত থেকে মো. আবদুল মজিদ মোল্লার ভাষান্তর</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/268/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/04/AmraSoai-Iftar-Event.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঢাবিতে রমজান বিষয়ক অনুষ্ঠান আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/24238/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/24238/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Mar 2024 05:40:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=24238</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রমজানের আলোচনা সম্পর্কিত অনুষ্ঠান আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সম্পর্কিত কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি না দিতে হলের প্রভোস্ট, অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের চিঠি দিয়েছে প্রক্টর অফিস। বুধবার (২০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাকসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘প্রোডাক্টিভ রমাদান’ শিরোনামে রমজান বিষয়ক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রমজানের আলোচনা সম্পর্কিত অনুষ্ঠান আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সম্পর্কিত কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি না দিতে হলের প্রভোস্ট, অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের চিঠি দিয়েছে প্রক্টর অফিস।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (২০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাকসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘প্রোডাক্টিভ রমাদান’ শিরোনামে রমজান বিষয়ক আলোচনার আয়োজন করে। সেখানে হামলার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। হামলায় অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">চিঠির ভাষ্যমতে, এ ঘটনার জের ধরে কিছু রাজনৈতিক সংগঠন ও রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিবর্গ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছে। একইসাথে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর জন্য এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি না দেওয়ার অনুরোধ করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সহকারী প্রক্টর ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক ড. আব্দুল মুহিত নেতৃত্বে কমিটিতে রয়েছেন ইলেকট্রিকাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এম এল পলাশ এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিটিকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">সার্বিক বিষয়ে প্রক্টর ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটে গেছে। তদন্তকালীন অন্য কোনো অঘটন ঘটলে আমাদের কাজ কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে আমরা চিঠি দিয়েছি। তবে &#8216;ইফতার পার্টি&#8217; আয়োজনে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/24238/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/21/112701_bangladesh_pratidin_Dhaka-University.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইমান নষ্ট হয় যে ১০ কারণে!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/396310/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 Mar 2024 05:08:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=396310</guid>

					<description><![CDATA[অজু, নামাজ ও রোজা যেমন ভেঙে যায় ঠিক তেমনি কিছু কারণ ও পাপের মাধ্যমে ঈমানও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ওই ব্যক্তি মুসলমানের কাতার থেকে বহিস্কৃত হয়। এবং তওবা না করলে কাফেরদের মতোই চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে হবে তাকে। অথচ অনেকেই জানেন না কোন কাজের কারণে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়। এ নিয়ে আলেমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এখানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অজু, নামাজ ও রোজা যেমন ভেঙে যায় ঠিক তেমনি কিছু কারণ ও পাপের মাধ্যমে ঈমানও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ওই ব্যক্তি মুসলমানের কাতার থেকে বহিস্কৃত হয়। এবং তওবা না করলে কাফেরদের মতোই চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে হবে তাকে। অথচ অনেকেই জানেন না কোন কাজের কারণে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়। এ নিয়ে আলেমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে উল্লেখযোগ্য ১০ টি কারণ তুলে ধরা হলো-</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>১)</strong> <strong>আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে কোন কিছু শরীক করলে ঈমানের মতো মহামূল্যবান সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না; তা ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যে কেউ <strong>আল্লাহর সঙ্গে শিরক</strong> করে সে এক<strong> মহাপাপ</strong> করে।’ (সুরা নিসা: ৪৮)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যত্র বলা হয়েছে, ‘কেউ আল্লাহর সঙ্গে শিরক করলে অবশ্যই আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করবেন এবং তার <strong>আবাস জাহান্নাম</strong>। আর জালেমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।’ (সুরা মায়েদা: ৭২)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>২)</strong> <strong>মুশরিক-কাফেরদের কাফের মনে না করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">যার কাফের হওয়ার ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত একমত, যেমন ইহুদি-খ্রিস্টান-মুশরিক ছাড়াও প্রকাশ্যে আল্লাহ, রাসুল বা দীনের কোনো অকাট্য ব্যাপার নিয়ে কটূক্তিকারী; যাদের কুফরির ব্যাপারে হকপন্থি আলেমগণ একমত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের (কথাকে) অমান্য করবে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন। সে তাতে চিরকাল থাকবে এবং অবমাননাকর শাস্তি ভোগ করবে।’ (সুরা নিসা: ১৪)</p>
<p style="text-align: justify;">যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (স.) কথাকে অবিশ্বাস করে তারা সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মতে কাফের। আর আমরা যদি তা বিশ্বাস না করি তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের কথাকে অবিশ্বাস করার কারণে কাফের হয়ে যাবো। নাউজুবিল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৩)</strong> <strong>নবীজি (স.)-এর আনিত কোনো বিধানকে অপছন্দ করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে যেই দ্বীন-কিতাব ও বিধান নিয়ে এসেছেন এসব না মানা ও অপছন্দ করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘অতএব, আপনার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে আপনাকে বিচারক বলে মনে না করে। এরপর আপনার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোনো রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা সন্তুষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।’ (সুরা নিসা: ৬৫)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৪) </strong><strong>দ্বীনের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে দেওয়া কোনও বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা ঈমান ভঙ্গের কারণের একটি। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আপনি তাদের প্রশ্ন করলে তারা নিশ্চয়ই বলবে, ‘আমরা তো আলাপ-আলোচনা ও ক্রীড়া-কৌতূক করছিলাম।’ বলেন, ‘তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও তাঁর রাসুলকে বিদ্রূপ করছিলে?’ তোমরা অজুহাত দেওয়ার চেষ্টা করো না। তোমরা তো ঈমান আনার পর কুফুরি করেছ।” (সুরা তওবা: ৬৫-৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৫) </strong><strong>মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">মুসলিমদের বিরুদ্ধে গিয়ে মুশরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা করা করলে ঈমান ভেঙ্গে যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের পিতা ও ভাইও যদি ঈমানের বিপরীতে কুফরিকে বেছে নেয়, তবে তাদের অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না। তোমাদের মধ্যে যারা তাদের অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করে, তারাই সীমা লঙ্ঘনকারী।’ (সুরা তাওবা: ২৩)</p>
<p style="text-align: justify;">‘হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেউ তাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে তাদেরই একজন বলে গণ্য হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।’ (সুরা মায়েদা: ৫১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><a class="list-group-item list-group-item-action" href="https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=32&amp;chapter=3994" target="_blank" rel="noopener"><span class="ml-3 clearfix">৬) যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং বান্দার মাঝে কাউকে মাধ্যম তৈরী করে তাদেরকে ডাকে এবং তাদের নিকট শাফা‘আত কামনা করে</span></a></strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><a class="list-group-item list-group-item-action" href="https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=32&amp;chapter=3999" target="_blank" rel="noopener"><span class="ml-3 clearfix"> ৭) যদি কেউ যাদুর মাধ্যমে ভাল কিছু অর্জন বা মন্দ কিছু বর্জন করতে চায় অথবা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক স্থাপন বা ভাঙ্গন ধরাতে গোপন, প্রকাশ্য, মন্ত্র-তন্ত্র করতে চায় অথবা কারো সাথে (ছেলে-মেয়ে) সম্পর্ক স্থাপন বা বন্ধুত্বে ফাঁটল ধরাতে চায়</span></a></strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><a class="list-group-item list-group-item-action" href="https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=32&amp;chapter=3996" target="_blank" rel="noopener"><span class="ml-3 clearfix">৮) যদি কোন মুসলিম নবী করীম (ছাঃ)-এর দেখানো পথ ব্যতীত অন্য কোন পথ পরিপূর্ণ অথবা ইসলামী হুকুমাত বা বিধান ব্যতীত অন্য কারো তৈরী হুকুমাত উত্তম মনে করে, তবে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে</span></a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2022September/men-on-prayer-20220908150731.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আজ পবিত্র শবেমেরাজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/63915/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/63915/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Feb 2024 02:18:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=63915</guid>

					<description><![CDATA[পবিত্র শবে মেরাজ আজ। ফারসিতে শব শব্দের অর্থ রাত এবং আরবিতে মেরাজের অর্থ ঊর্ধ্বগমন। রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহিমান্বিত রাতটি ইবাদতে কাটিয়ে থাকেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে এই রাতে তারা পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ আদায়, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ও ইবাদত-বন্দেগি পালন করবেন। শবে মেরাজের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পবিত্র শবে মেরাজ আজ। ফারসিতে শব শব্দের অর্থ রাত এবং আরবিতে মেরাজের অর্থ ঊর্ধ্বগমন।</p>
<p style="text-align: justify;">রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহিমান্বিত রাতটি ইবাদতে কাটিয়ে থাকেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে এই রাতে তারা পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ আদায়, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ও ইবাদত-বন্দেগি পালন করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শবে মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আলোচনাসভা ও দোয়ার আয়োজন রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর অলৌকিক ও ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারক দিবস হিসেবে মুসলিম বিশ্বে তা পালিত হয়। এ রাতে মহানবী (সা.) সাত আসমান পেরিয়ে মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মুসলিমদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে ফেরেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নবুয়ত লাভের ১১তম বছর (৬২১ খ্রিস্টাব্দ) হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্য দুঃখ ও শোকের বছর ছিল। এ সময় তিনি তার কঠিন সময়ের দুজন প্রিয় ব্যক্তি স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং চাচা আবু তালেবকে হারিয়েছেন। তা ছাড়া ইসলামের দাওয়াত নিয়ে তায়েফ গেলে সেখান থেকেও আশাহত হয়ে ফেরেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর মহান আল্লাহ ইসরা ও মেরাজের মাধ্যমে প্রিয় রাসুলকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেদিন রাতে মহানবী (সা.) মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে বোরাক নামের বিশেষ বাহনে করে বাইতুল মুকাদ্দাসে যান। সেখানে নবী-রাসুলদের সঙ্গে দুই রাকাত নামাজ পড়ে তিনি সাত আসমান অতিক্রম করেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন নবীর দেখা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সিদরাতুল মুনতাহার আগ পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে ছিলেন জিবরাইল (আ.)। এরপর মহানবী (সা.) জান্নাত, জাহান্নামসহ সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেরার সময় মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি নিজ উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উপহার নিয়ে আসেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘পবিত্র ও মহিমাময় তিনি যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা ভ্রমণ করিয়েছেন, যার আশপাশ আমি বরকতময় করেছি, তাকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য, তিনি সর্বশ্রোতা সর্বদ্রষ্টা। ’ (সুরা : বনি ইসরাইল, আয়াত : ১)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/63915/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/02/WB_Islamic_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কালী পূজা আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/342999/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Nov 2023 06:00:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=342999</guid>

					<description><![CDATA[হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কালী বা শ্যামা পূজা আজ অনুষ্ঠিত হবে। কালী বা শ্যামা পূজার দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন। একে বলা হয় দীপাবলি।ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কালী বা শ্যামা পূজা আজ অনুষ্ঠিত হবে। কালী বা শ্যামা পূজার দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একে বলা হয় দীপাবলি।ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিঁও ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতী বাজার, শাখারী বাজার, বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে কালী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কালীপূজাতেও গৃহে বা মণ্ডপে মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। মন্দিরে বা গৃহে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী বা ধাতুপ্রতিমাতেও কালী পূজা করা হয়। মধ্যরাত্রে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://akm-img-a-in.tosshub.com/lingo/atbn/images/story/202209/kali_puja_2022_date_time_fixture_deepawali_date_shyama_puja_amavasya_timing-sixteen_nine.jpg?size=948:533" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাদিস সংস্কারের ঘোষণা সৌদি যুবরাজ সালমানের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/292520/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Jul 2023 04:31:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মোহাম্মদ বিন সালমান]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=292520</guid>

					<description><![CDATA[এক বছর আগে মার্কিন ম্যাগাজিন দ্য আটলান্টিকের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যিনি এমবিএস নামে পরিচিত দাবি করেছিলেন যে, হাদিসের অপব্যবহার মুসলিম বিশ্বে চরমপন্থি এবং শান্তিপূর্ণ মানুষের মধ্যে বিভক্ত হওয়ার   মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে তিনি হাদিস সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এ মুহূর্তে সমগ্র বিশ্বে এই সময়ে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">এক বছর আগে মার্কিন ম্যাগাজিন দ্য আটলান্টিকের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যিনি এমবিএস নামে পরিচিত দাবি করেছিলেন যে, হাদিসের অপব্যবহার মুসলিম বিশ্বে চরমপন্থি এবং শান্তিপূর্ণ মানুষের মধ্যে বিভক্ত হওয়ার   মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে তিনি হাদিস সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আর এ মুহূর্তে সমগ্র বিশ্বে এই সময়ে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি খবর হলো, এই হাদিস সংস্কারের সিদ্ধান্ত। সহি হাদিসগুলো খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তিনি ‘কিং সালমান কমপ্লেক্স’ নামে একটি কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিকে দেখতে বলেছেন কোন হাদিসগুলো মোহাম্মদের (সা.) বাণীর সঙ্গে খাপ খায় না এবং হিংসা ও হত্যাকান্ডকে যথার্থ প্রমাণ করতে মোহাম্মদের (সা.) বাণীকে বিকৃত করেছে। যে সব হাদিস রক্তারক্তি ও হানাহানির কথা বলে,  মোহাম্মদের (সা.) বার্তাকে বিকৃত করে সেগুলো তিনি হাদিস থেকে বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">হাদিস মুসলমানদের দ্বিতীয় ধর্মগ্রন্থ। হাদিস গুরুত্ব ও মর্যাদার দিক থেকে প্রধান ধর্মগ্রন্থ কোরানের পরে অবস্থান। হাদিস হলো হজরত মোহাম্মদের (সা.) বাণী ও জীবনাচরণ। তাঁরা মনে করে যে, কোরআনের মতো হাদিসের প্রতিটি কথা নির্ভুল ও সত্য। তাদের কাছে হাদিসের অসম্ভব গুরুত্বের আরও একটি বড় কারণ রয়েছে। সেটা এ রকম, কোরআনে বহু অস্পষ্ট, অসংলগ্ন ও দ্ব্যর্থবোধক আয়াত আছে যার ব্যাখ্যা হাদিসে লিপিবদ্ধ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তাছাড়া রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা ও প্রশ্নের উত্তর কোরআনে পাওয়া যায় না, হাদিসে পাওয়া যায়। সে কারণেই বলা হয় যে, ইসলাম দাঁড়িয়ে আছে মূলত দুটি প্রধান স্তম্ভের ওপর যার একটি কোরআন, আর অন্যটি হাদিস।</p>
<p style="text-align: justify;">সৌদি আরবে যে সংবিধান চালু রয়েছে তারও প্রধান ভিত্তি হলো এই দুটি ধর্মগ্রন্থ- কোরআন ও হাদিস। এর অর্থ হলো, মুসলমানদের কাছে কোরআন যতখানি অপরিহার্য, হাদিসও ঠিক ততটাই অপরিহার্য। চরমপন্থি ও সন্ত্রাসীদের অপব্যবহার থেকে হাদিসকে রক্ষা করার জন্য হাদিসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য নথিভুক্ত করার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চলছে সৌদি আরবজুড়ে। এর পেছনে রয়েছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)।</p>
<p style="text-align: justify;">তাঁর দাবি বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার হাদিস আছে। কিন্তু সেগুলো বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও প্রমাণিত নয় এবং জঙ্গিরা যা করছে তা হাদিসকে ভুল পথে চালনা করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, আল-কায়েদার অনুসারী, আইএসআইএস অনুসারীরা, তারা তাদের মতাদর্শ প্রচারের জন্য এমন হাদিস ব্যবহার করছে যা খুবই দুর্বল, সত্য হাদিস হিসেবে প্রমাণিত নয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/08/Bd-pratidin-08-07-23-F-33.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মহানবী (স.) যেভাবে কোরবানির গোস্ত বণ্টন করতেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/291333/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 29 Jun 2023 10:31:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঈদুল আজহা]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=291333</guid>

					<description><![CDATA[ইসলাম ধর্মের ইতিহাস যতটা প্রাচীন, কোরবানির ইতিহাস ততটাই প্রাচীন। মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ ও দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব ইদুল আযহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য লাভের ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম কোরবানি। এ পন্থায় ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে মানুষের সর্বাধিক প্রিয়বস্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে হয়। পশু কোরবানির ফলে অন্তর হবে পরিশুদ্ধ। আর এটাই হলো কোরবানির মূল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইসলাম ধর্মের ইতিহাস যতটা প্রাচীন, কোরবানির ইতিহাস ততটাই প্রাচীন। মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ ও দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব ইদুল আযহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য লাভের ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম কোরবানি। এ পন্থায় ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে মানুষের সর্বাধিক প্রিয়বস্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে হয়। পশু কোরবানির ফলে অন্তর হবে পরিশুদ্ধ। আর এটাই হলো কোরবানির মূল প্রেরণা।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি করা পশুর মাংস ভাগ করার একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মহানবী (সা.) কোরবানির পশুর মাংস ভাগ করার নিয়ম সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) কোরবানির মাংস একভাগ নিজের পরিবারকে খাওয়াতেন, একভাগ গরীব প্রতিবেশীদের দিতেন এবং একভাগ দিতেন গরীব-মিসকিনদের।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন- ‘অতঃপর তোমরা উহা হতে আহার কর এবং দুঃস্থ, অভাবগ্রস্থকে আহার করাও। (সূরা হজ্ব-২৮)। রাসূলুল্লাহ (স.) কোরবানির গোশত সম্পর্কে বলেছেন- ‘তোমরা নিজেরা খাও ও অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ কর।’(বোখারি-৫৫৬৯)। ‘আহার করাও’ বাক্য দ্বারা অভাবগ্রস্থকে দান করা ও ধনীদের উপহার হিসেবে দেয়াকে বুঝায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে কোরআনের আয়াত ও হাদিসে ৩টি ভাগের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে,পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়নি। রাসুলুল্লাহ (সা.) হতে পরিমাণ নির্দিষ্ট করার কোনো স্পষ্ট আমল পাওয়া যায় না। রাসুলুল্লাহর আমলে তিনি প্রত্যেক কোরবানির পশু হতে কিছু কিছু করে নিয়ে রান্না করতেন, বাকিটা পুরোটাই দান ও বিতরণ করে দিতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) হতে একটি আছার (বক্তব্য) পাওয়া যায়, ‘কোরবানির পশু বা হাদি হতে ১/৩ তোমার পরিবারের জন্য, ১/৩ তোমার আত্নীয়-প্রতিবেশীর জন্য, ১/৩ গরিব মিসকিনের জন্য। তাহলে সাহাবাদের আমল থেকে পরিমাণ নির্দিষ্ট করার প্রমাণ পাওয়া যায়।’ যদি প্রয়োজন হয়, গরিব কোরবানি করেছে, পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি বা তার চেয়ে অভাবী আশেপাশে আর কেউ নেই তাহলে যদি পুরোটাই নিজেরা খায়, সেটাও জায়েজ। তার চেয়ে সচ্ছলদেরকে বিতরণ করতে হবে, এটা জরুরি নয়। তবে এখলাস থাকতে হবে, নিয়ত শুদ্ধ হতে হবে। সর্বোপরি কোরবানি আল্লাহর সন্তষ্টির উদ্দেশে হতে হবে। অথবা কোনো অংশই না খেয়ে পুরোটাই দান করে দিলে—এটাও জায়েজ।</p>
<p style="text-align: justify;">আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) এর একটি আছার— ‘এটা আল্লাহ পাক হতে অনুগ্রহ; কোরবানির মাংস পুরোটা নিজেরা খাওয়া যাবে, দরিদ্রদের দান করা যাবে বা পুরোটা উপহার হিসেবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের বিতরণ করা যাবে। এছাড়া ইবন মাসঊদ (রা.) কুরবানীর গোশত তিনভাগ করে একভাগ নিজেরা খেতেন, একভাগ যাকে চাইতেন তাকে খাওয়াতেন এবং একভাগ ফকির-মিসকিনকে দিতেন বলে উল্লেখ রয়েছে। ইসলামের বিভিন্ন ইমামগণও কোরবানির গোশতকে তিনভাগ করাকে মুস্তাহাব বলে উল্লেখ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কোরবানির মাংস আত্মীয় ও গরীবদের মাঝে বিতরণ না করাটা খুবই গর্হিত কাজ। এতে কৃপণতা প্রকাশ পায়। কারণ কোরবানির মাধ্যমে কোরবানিদাতা অহংকার থেকে নিরাপদ থাকেন এবং তার অন্তর পরিশুদ্ধ থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামি জ্ঞানে বুৎপত্তি অর্জন করা আলেমগণ বলেন, কোরবানির মাংস নিজে রেখে একা একা খাওয়া কখনোই উচিত নয়। এতে নিজের অন্তরের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পায়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.jugantor.com/assets/news_photos/2022/07/11/image-571636-1657516224.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
	</channel>
</rss>
