<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রোজা &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/ramadan-2/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Sun, 16 Mar 2025 05:15:25 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>রোজা &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো মুসলিম ঐতিহ্যে ফিরছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/554765/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Mar 2025 05:15:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=554765</guid>

					<description><![CDATA[চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। এই মাসকে স্মরণীয় ও বরণীয় করে তুলতে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও রঙিন ব্যানারে সাজানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো। আয়োজন করা হচ্ছে গণইফতার, চলছে কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ফিরে আসছে উচ্চ শিক্ষার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। এই মাসকে স্মরণীয় ও বরণীয় করে তুলতে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও রঙিন ব্যানারে সাজানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো। আয়োজন করা হচ্ছে গণইফতার, চলছে কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ফিরে আসছে উচ্চ শিক্ষার অঙ্গনগুলোতে। পতিত আওয়ামী জাহিলিয়াতের সময়ে এ চিত্র দেখা যায়নি। বরং প্রায় দেড় দশক এসব আয়োজনে বাধা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মহিমান্বিত এই মাসের আত্মশুদ্ধি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। মাসব্যাপী নেওয়া হয়েছে কোরআন শিক্ষা, কোরআন উপহার ও গণইফতারের কর্মসূচি।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজান শুরুর প্রাক্কালেই ঢাবি ও বুয়েট শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে হলে হলে স্থাপন করা হয় রমজানের বিশেষ সাজ, যেখানে ফুটিয়ে তোলা হয় মুসলিম ঐতিহ্যের নিদর্শন চাঁদ-তারা, মসজিদের মিনারসহ নানা অনুষঙ্গ। শুরুতে ঢাবির কয়েকটি আবাসিক হলের ফটকে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ‘আহলান, সাহলান, মাহে রামাদান’ লিখে আলোকসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়। পরে প্রায় সব হলের প্রধান দরজায় হল প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ব্যবস্থা করেন শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থী সাজিদ রহমান বলেন, ‘এবারের সাজসজ্জা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আমরা চাই শুধু রমজানেই নয়, জাতীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবগুলোয়ও ক্যাম্পাস এমন সৃজনশীলতায় ভরপুর থাকুক।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিন যুগ ধরে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে চাকরি করা ফজলুল হক সিকদারের চোখে এক নতুন রমজানের রঙ। তিনি বলেন, ‘আমার চাকরির বয়স ৩৬ বছর চলে। রমজানকে কেন্দ্র করে এবার যেভাবে হলগুলো সাজানো হয়েছে, আগে কখনো এমন চিত্র দেখা যায়নি।’</p>
<p style="text-align: justify;">হলের শিক্ষার্থীরা জানান, শুধু আনন্দ নয়, হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চান তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজান উপলক্ষে সাজানো হয়েছে বুয়েটের রশিদ হল। ফেসবুকে ভারতবিরোধী পোস্ট দেওয়ায় বুয়েটের শের-ই বাংলা ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। তার পর থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও ধর্মচর্চা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। এবার রমজানে রঙিন আলোর অপরূপ সাজে সেজেছে শহীদ আবরার ফাহাদের সেই ছাত্রাবাস। টাঙানো হয়েছে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসের বাণী। একই ভাবে সেজেছে প্রতিষ্ঠানটির অন্য ছাত্রাবাসগুলোও, যা নিয়ে বেশ উৎফুল্ল শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোকসজ্জা তেমনটা না হলেও রমজান উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। মাসব্যাপী ইফতারের আয়োজন করেছে রাবি প্রশাসন। রয়েছে কিরাত সম্মেলন ও গণইফতার কর্মসূচি। ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ ছাত্র সংগঠনগুলোও আয়োজন করছে গণইফতারসহ নানা কর্মসূচি।</p>
<p style="text-align: justify;">জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআন শিক্ষার আসর আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। হলে হলে হচ্ছে খতমে তারাবি। বদর দিবস উপলক্ষে রয়েছে কুইজ প্রতিযোগিতা। এ ছাড়া অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে ইফতারের আয়োজনও করবে সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণইফতার কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে ছেলেদের জন্য এবং উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল গেটে মেয়েদের ইফতারের আয়োজন করা হয়। এক হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর এ আয়োজনে আসরের নামাজের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে রমজানের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষার সময়সূচিতে আনা হয়েছে পরিবর্তন। পাঠদানের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। আবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই পেছানো হয়েছে ক্লাস-পরীক্ষা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. যুবাইর মোহাম্মদ এহসানুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রমজানের অনুষ্ঠানগুলোয় কোনো ধরনের রাজনৈতিক বাধা না থাকার কারণে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। ইফতার ও সাহরির মতো নিরেট ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনে কোনো ধরনের বাধা কাম্য নয়। আগে বাধা ছিল, বর্তমানে ওই পরিস্থিতির অবসান হওয়ায় ক্যাম্পাসে এ ধরনের আয়োজন সুন্দরভাবে করা যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্যাম্পাসগুলোয় রমজানের গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখতে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ক্যাম্পাসগুলোয় কয়েক বছর এমন উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকলে এসব অনুষ্ঠানে আর বাধা আসবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/images/Ru_QKjuWyP.width-800.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রমজানের প্রস্তুতিতে যেসব আমল করবেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/87733/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/87733/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Mar 2025 04:09:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=87733</guid>

					<description><![CDATA[মুসলিম উম্মাহর দরজায় পবিত্র রমজান মাস। আর মাত্র ৫ দিন পরেই শুরু হবে রোজা। মুমিন মুসলমানকে মনে রাখতে হবে, রমজান ভোগ, পণ্য মজুত বা বাড়তি মুনাফায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মাস নয়। বরং রমজান কোরআন নাজিলের মাস, সংযমের মাস এবং ত্যাগের মাস। এ মাস ইবাদত-বন্দেগির মাস। আল্লাহর রহমত, বরকত মাগফেরাত নাজাত ও যাবতীয় কল্যাণ লাভের মাস। ইসলামের পাঁচটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মুসলিম উম্মাহর দরজায় পবিত্র রমজান মাস। আর মাত্র ৫ দিন পরেই শুরু হবে রোজা। মুমিন মুসলমানকে মনে রাখতে হবে, রমজান ভোগ, পণ্য মজুত বা বাড়তি মুনাফায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মাস নয়। বরং রমজান কোরআন নাজিলের মাস, সংযমের মাস এবং ত্যাগের মাস। এ মাস ইবাদত-বন্দেগির মাস। আল্লাহর রহমত, বরকত মাগফেরাত নাজাত ও যাবতীয় কল্যাণ লাভের মাস।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ। কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত। মুসলমানদের জন্য অনন্য উপহার হচ্ছে রমজানুল মোবারক। তাই রোজা আগমনের আগে মুমিনের বিশেষ কিছু করণীয় রয়েছে। রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাতের মর্যাদাপূর্ণ মাসটি পেতে একটি দোয়া বেশি বেশি পড়া জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানের আগের সব গোনাহ থেকে তাওবাহ-ইসতেগফার করতে হবে। কোনো অন্যায়কারী যদি ভাবে রমজান চলে এসেছে, আর আমার সব গোনাহ এমনিতেই ক্ষমা হয়ে যাবে বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়। বরং আগে থেকে তাওবাহ-ইসতেগফার করে রমজানের যাবতীয় কল্যাণ লাভে নিজেকে প্রস্তুত করা খুবই জরুরি। আর তাতে আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার আগের সব গোনাহ মাফ করে দিয়ে রমজানের যাবতীয় কল্যাণ দিয়ে জীবন সুন্দর করে দেবেন। তা হলো—</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি,</p>
<p style="text-align: justify;">হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বাল্লিগনা রামাদান’</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রমজান কবুল করুন।’</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থাৎ রমজান পর্যন্ত আমাদের হায়াত দিন। রমজানের রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাত পেতে আমাদের রমজানে পৌঁছে দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">ছোট্ট দোয়াটির পাশাপাশি আরেকটি দোয়াও বেশি বেশি পড়া যেতে পারে। তা হলো-</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি শাবান ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। অর্থাৎ রমজান পর্যন্ত হায়াত দান করুন। তথ্য সূত্র: আরটিভি নিউজ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/87733/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.banglanews24.com/public/uploads/2020/04/29/bn20200429163407.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোরআনের শিক্ষা মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/162822/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/162822/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Mar 2025 03:01:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=162822</guid>

					<description><![CDATA[কোরআনের শিক্ষা মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন। কোরআনজুড়ে মুমিনের জন্য আছে জীবন চলার অসংখ্য পাথেয়। তন্মধ্য থেকে ১০টি বিশেষ পাথেয় বর্ণনা করা হলো। ১. আল্লাহভীতি : তাকওয়া বা আল্লাহভীতি মুমিন জীবনে সর্বোত্তম পাথেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু করো আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কোরো। তাকওয়াই (আল্লাহভীতি) শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/কুরআন" target="_blank" rel="noopener">কোরআনে</a>র শিক্ষা মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন। কোরআনজুড়ে মুমিনের জন্য আছে জীবন চলার অসংখ্য পাথেয়। তন্মধ্য থেকে ১০টি বিশেষ পাথেয় বর্ণনা করা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">১. আল্লাহভীতি : তাকওয়া বা আল্লাহভীতি মুমিন জীবনে সর্বোত্তম পাথেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু করো আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কোরো। তাকওয়াই (আল্লাহভীতি) শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা, তোমরা আমাকে ভয় কোরো। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৭)</p>
<h3 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/175014/" target="_blank" rel="noopener">ঋতুস্রাবকালে নারীর নামাজ ও রোজার বিধান</a></h3>
<p style="text-align: justify;">২. ইখলাস বা নিষ্ঠা : শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোনো কাজ করাকে ইখলাস বা নিষ্ঠা বলা হয়। কোরআনে ইখলাস অর্জনের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তারা তো আদিষ্ট হয়েছিল আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদত করতে এবং নামাজ আদায় করতে ও জাকাত দিতে। এটাই সঠিক দ্বিন। ’ (সুরা বাইয়িনাহ, আয়াত : ৫)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. আল্লাহর ওপর ভরসা : আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভর করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই; আল্লাহ সব কিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা। ’ (সুরা তালাক, আয়াত : ৩)</p>
<p style="text-align: justify;">৪. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ : ফরজ ইবাদতগুলো যথাযথ পালন করা মুমিনের জন্য আবশ্যক। বিশেষত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী নামাজের প্রতি। এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তোমরা বিনীতভাবে দাঁড়াবে। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৩৮)</p>
<h3 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <span style="color: #800080;"><a style="color: #800080;" href="https://worldbarta.com/news/264670/" target="_blank" rel="noopener">যে কারণে রোজা ভঙ্গ হয়!</a></span></h3>
<p style="text-align: justify;">৫. ভালো কাজে লিপ্ত থাকা : ভালো কাজে লিপ্ত থাকার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ভালো কাজ কোরো, যেন তোমরা সফল হতে পারো। ’ (সুরা হজ, আয়াত : ৭৭)</p>
<p style="text-align: justify;">৬. হালাল উপার্জনে সচেষ্ট হওয়া : অবৈধ উপার্জন আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে অন্যতম বাধা। তাই মুমিন হালাল উপার্জনে সচেষ্ট থাকবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘নামাজ শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করবে ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ করবে, যাতে তোমরা সফলকাম হও। ’ (সুরা জুমা, আয়াত : ১০)</p>
<p style="text-align: justify;">৭. অসহায়দের সাহায্য করা : অসহায় মানুষদের সাহায্য করলে আল্লাহ অত্যন্ত খুশি হন। পবিত্র কোরআনে অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ অসহায় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এবং তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে আছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের অধিকার। ’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত : ১৯)</p>
<h3 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/92229/" target="_blank" rel="noopener">তারাবির নামাজের সঠিক নিয়ম নীতি ও দুয়া</a></h3>
<p style="text-align: justify;">৮. অন্যায়ের প্রতিবাদ করা : ইসলাম সমাজের অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করতে শেখায়। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ঈমানের দাবি। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানবজাতির জন্য তোমাদের আবির্ভাব হয়েছে; তোমরা ভালো কাজের নির্দেশ দান করো, অসৎ কাজে নিষেধ করো এবং আল্লাহতে বিশ্বাস করো। ’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১১০)</p>
<p style="text-align: justify;">৯. দ্বিনের দাওয়াত দেওয়া : দ্বিনের পথে আহ্বান করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব। রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি আয়াত জানা থাকলেও তা অন্যের কাছে পৌঁছে দিতে বলেছেন। আর কোরআনের নির্দেশ হলো, ‘তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের পথে আহ্বান কোরো প্রজ্ঞা ও সদুপদেশ দ্বারা। ’ (সুরা নাহল, আয়াত : ১২৫)</p>
<p style="text-align: justify;">১০. বেশি বেশি দোয়া করা : দোয়া মুমিনের হাতিয়ার। মুমিন সর্বাবস্থায় বিনীত হয়ে আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা করে। বিশেষত গভীর রাতে আল্লাহর প্রার্থনা করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা রাতের সামান্য অংশই অতিবাহিত করত নিদ্রায়, রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করত। ’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত : ১৭-১৮)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/162822/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/quran-20230420174709.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়, বা জানা দরকার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/262483/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Feb 2025 04:34:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য পরামর্শ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=262483</guid>

					<description><![CDATA[‘মনে রাখতে হবে যে, আমি যে রোজা রাখলাম, আমার এখন তাহলে করণীয়টা কী? আমার তো পরীক্ষা করতে হবে। গ্লুকোজ টেস্ট করতে হবে। আমি রোজা রেখেছি। আমি কি পারব? এটার জন্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনেক আগেই সমাধান দিয়েছে। তারা বিশ্বের আলেম, বাংলাদেশের আলেমদের সাথে কথা বলে একটা চুক্তিনামা করেছে এবং তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ডায়াবেটিস [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div>
<p style="text-align: justify;">‘মনে রাখতে হবে যে, আমি যে রোজা রাখলাম, আমার এখন তাহলে করণীয়টা কী? আমার তো পরীক্ষা করতে হবে। গ্লুকোজ টেস্ট করতে হবে। আমি রোজা রেখেছি। আমি কি পারব? এটার জন্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনেক আগেই সমাধান দিয়েছে। তারা বিশ্বের আলেম, বাংলাদেশের আলেমদের সাথে কথা বলে একটা চুক্তিনামা করেছে এবং তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ডায়াবেটিস রোগী যদি শুধু নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ব্লাড টেস্ট করে, রক্ত গড়িয়ে পড়ে না, তাহলে কিন্তু রোজার ক্ষতি হয় না।’</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। এ মাসে অন্য অনেকের মতো ডায়াবেটিস রোগীরাও রোজা রাখবেন। সে ক্ষেত্রে তাদের করণীয় ও বর্জনীয়গুলো এক ভিডিওতে তুলে ধরেছেন ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাকলায়েন রাসেল। পরামর্শগুলো তার ভাষায় পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>প্রস্তুতি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সবাই যারা সামর্থ্যবান মুসলিম, যাদের ওপর রোজা ফরজ হয়েছে, আমরা সবাই আসলে চাই এ সময়ে রোজা রেখে ওপরওয়ালার নৈকট্য লাভের যে সুযোগ, সেটা থেকে যেন আমরা কেউই বঞ্চিত না হই। এরই অংশ হিসেবে আমরা আসলে প্রতি বছর রোজা রাখি; রোজা রাখছি আমরা অনেকেই, কিন্তু যারা ডায়াবেটিস রোগী, তাদের মধ্যে অনেকগুলো প্রস্তুতির বিষয় আছে। তাদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেকগুলো গাইডলাইন প্রয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify;">যেমন: প্রথম কথাই হচ্ছে আপনি রোজা রাখবেন রমজান মাসে টানা এক মাস। আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী। প্রস্তুতি শুরু করবেন কখন? উত্তরটা কিন্তু তিন মাস আগে। সেটা কী? আমি রোজা শুরু করার আগে আমার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেব যে, ‘আমি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন রোগী। আমি রোজা রাখব। আমার জন্য কী কী উপদেশ আছে?’ উনি (চিকিৎসক) তখন আপনাকে চেকআপ করবেন এবং আপনার রেকর্ডগুলো দেখবেন, আপনার ডায়াবেটিস লেভেলটা ফ্লাকচুয়েট করে কি না, ওপরে-নিচে হয় কি না। আপনার কিডনিটা ভালো আছে কি না, আপনার অন্য কোনো রোগ আছে কি না। এগুলো যদি দেখে মনে হয় আপনি স্ট্যাবল (স্থিতিশীল) আছেন, সে ক্ষেত্রে আপনাকে কিন্তু উপারা সাজেস্ট করবেন যে, ‘হ্যাঁ, আপনি রোজা রাখেন। সে ক্ষেত্রে আপনার কোনো সমস্যা নাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">এখন যেহেতু হাতে আর সময় নেই, এই ভিডিওটি প্রথমবার যারা দেখলেন, তাদের হাতে মাত্র কয়েক দিন, কয়েক ঘণ্টা বাকি আছে। আমি তাদের ক্ষেত্রে বলব, আপনি তো জানেন আপনার রিসেন্টলি ডাটাগুলো কেমন, আপনার ডায়াবেটিস কেমন থাকছে, কমছে না বাড়ছে, ফ্লাকচুয়েশনটা কেমন হয়, এটা আপনি যদি মাথায় রাখেন, আমার মনে হয় টেনশন করার কোনো কারণ নাই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সেহরি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">এখন আসেন যে, কিছু টিপস দিব, খুব গভীরে যাব না। একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি মনে করেন যে, আমি সুস্থ আছি, আমার সব ঠিক আছে, আমি রাখতে চাই, কোনো বাধা নেই। আপনার যদি অন্য কোনো খারাপ কন্ডিশন না থাকে, রাখতে পারেন। রাখার ক্ষেত্রে যদি আমরা সেহরির কথা চিন্তা করি, সেহরিতে কী খাব? একদম সরাসরি কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">সোজা কথা হচ্ছে আপনি সেহরিতে যে খাবারটি গ্রহণ করবেন, আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে, আমি ১৪/১৫ ঘণ্টা একেবারেই না খেয়ে থাকব। তার মানে সেহরির সময় আমি এমন একটা খাবার গ্রহণ করব, যেটা মোটামুটি আমাকে লম্বা সময় এনার্জি দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সে ক্ষেত্রে কিন্তু দেখবেন যে, ভাতের থেকে রুটি কিন্তু বেশি সময় মানুষের শরীরে শক্তির জোগান দেয়। ভাত কিন্তু খুব দ্রুত শক্তি দেয় এবং খুব দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যায়। সে কারণে আমরা ভাতকে খুব একটা সাজেস্ট করি না।</p>
<p style="text-align: justify;">ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আমরা সেহরির ক্ষেত্রে বলি আপনি একটু অপেক্ষা করেন। একেবারে আজান হওয়ার, অর্থাৎ সেহরির সময় শেষ হওয়ার একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে খাবেন। তাহলে আপনার জন্য সারা দিন রোজা রাখতে কষ্ট হবে না। তখন ডিউরেশনটা কম হবে। অনেকে রাত একটা-দুইটার মধ্যে খেয়ে ফেলেন। এটা ঠিক না। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস রোগী।</p>
<p style="text-align: justify;">সে ক্ষেত্রে খাবারের আইটেমের ক্ষেত্রে যদি সকালবেলা প্রবলেম না হয়, তারা যদি ফলমূল রাখতে পারেন, যদি খেজুর রাখেন, রুটিটা রাখেন, আমার মনে হয় যে, তিনি অনেক বেশি পুষ্টি বা এনার্জি নেয়ার একটা অবস্থায় থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সারা দিন না খেয়ে থাকব, সে জন্য কোনো অবস্থাতেই পেট ভরে খাব, চান্স পেয়েছি খেয়ে নিই, এমনটা যেন না হয়। তাতে দেখা যাবে যে, আপনার সকালবেলা পেট খারাপ হবে। তখন কিন্তু আপনি রোজাটাও রাখতে পারবেন না; প্রবলেমটা আরও বাড়বে। এমনিতেই অনেকের পেট খারাপ হয়। কারণ খাবারের প্যাটার্নটা চেঞ্জ হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সকালবেলা আপনি ঘুম থেকে উঠবেন। সারা দিন থাকলেন। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ভয় কখন? ভয়টা হচ্ছে বিকেলের দিকে।</p>
<p style="text-align: justify;">তার কিন্তু হঠাৎ করে হাইপো (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া) হয়ে যেতে পারে। অনেক কমে যেতে পারে। কমে গিয়ে তিনি কিন্তু অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। যদি মাথা ঘোরায়, চোখে অন্ধকার দেখেন, পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়, ঘাম হয়, এ সময় তো আল্লাহর বিধানই আছে। রোজা না রাখা আপনার জন্য সেই সময় দায়িত্ব। সেটা আপনি মেনে নিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>টেস্ট </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এখন সারা দিনে আপনি রোজা রাখছেন। মনে রাখতে হবে যে, আমি যে রোজা রাখলাম, আমার এখন তাহলে করণীয়টা কী? আমার তো পরীক্ষা করতে হবে। গ্লুকোজ টেস্ট করতে হবে। আমি রোজা রেখেছি। আমি কি পারব? এটার জন্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনেক আগেই সমাধান দিয়েছে। তারা বিশ্বের আলেম, বাংলাদেশের আলেমদের সাথে কথা বলে একটা চুক্তিনামা করেছে এবং তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ডায়াবেটিস রোগী যদি শুধু নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ব্লাড টেস্ট করে, রক্ত গড়িয়ে পড়ে না, তাহলে কিন্তু রোজার ক্ষতি হয় না। ফলে আমাদের সম্মিলিত আলেম সমাজের যে মতামত, সেটা অনুযায়ী কিন্তু যদি আপনার প্রয়োজন হয় জীবন রক্ষার্থে এবং একই সঙ্গে রোজা রাখার স্বার্থে, টেস্ট করতে পারেন। তাতে কোনো ক্ষতি নাই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইফতার</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ইফতারের সময় আপনি কীভাবে কী করবেন? এটা জটিলতর একটা বিষয় যে, ইফতারের সময় তো আমার একটু ভাজাপোড়া না খেলে হবে না। আবার ওষুধ নিতে হবে। আবার একটু শরবত না খেলে কী রকম হয়? বলা হয়ে থাকে, যারা ডায়াবেটিস রোগী চেষ্টা করেন, যত কমসংখ্যক, একেবারে না খেলে আরও ভালো। ভাজাপোড়াটা অ্যাভয়েড করাটা সবচেয়ে ভালো।</p>
<p style="text-align: justify;">যদি শরবতের দিকে আসি, চিনির শরবত কোনো দরকারই নাই। আপনি যদি ডাব একটা ম্যানেজ করতে পারেন, খুবই ভালো। যদি ডাব ম্যানেজ করতে না পারেন, একটু ফ্রুটগুলোকে জুস করে নিলেন, খুব বেশি সেখানে চিনি যোগ করলেন না, তাহলে কিন্তু আপনি অনেকটা ভালো খাবার গ্রহণ করলেন। চেষ্টা করবেন যে, ইফতারের পরপর কিছুটা বিশ্রাম নিতে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাতের খাবার </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এখন নেক্সট কোশ্চেন আসে যে, আমি রাতের খাবারটা খাব কি খাব না? এটা আপনার ওপর নির্ভর করে। আপনি যদি মনে করেন যে, আমি ভালোভাবে ইফতার করেছি, আমি আর খেতে চাই না, ওকে; নো প্রবলেম। এটা নিয়ে টেনশন করার কোনো দরকার নাই।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর কোশ্চেন আসে যে, ডায়াবেটিস রোগীর তো একটা হাইপো হওয়ার ভয়। আরেকটা কী ভয়? আরেকটা ভয় হচ্ছে তার শরীরে পানিশূন্যতা হতে পারে। সারা দিন তিনি পানি গ্রহণ করেননি। সেই ক্ষেত্রে তাদের জন্য টিপস হচ্ছে আপনি ইফতারের পর থেকে একবারে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় পানি গ্রহণ করবেন। তাতে কী হবে? আপনার ডিহাইড্রেশনটা ফিলআপ (পানিশূন্যতার ঘাটতি পূরণ) হয়ে যাবে এবং সকালবেলা (ভোররাত) আপনি যখন সেহরি করতে আবার উঠবেন, তার আগে কিন্তু টোটালি ফিলআপ। আপনি একদম ফিল ফ্রি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যায়াম</strong></p>
<p style="text-align: justify;">এবার আসল ব্যায়ামের কথা। সব মানুষেরই ব্যায়ামের প্রয়োজন। ডায়াবেটিস রোগীরা বাধ্য হন ব্যায়াম করতে। এ কারণে আমাদের শ্রদ্ধেয় ইব্রাহিম স্যার বলতেন, ‘আপনার ডায়াবেটিস হয়েছে। তার মানে আপনি ভাগ্যবান। কারণ আপনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে গেল। কারণ সাধারণ মানুষ নিয়ম মানতে চায় না। ডায়াবেটিস হলে তখন সবাই নিয়ম মানে। তার আয়ু আল্লাহ হয়তো বা বাড়িয়ে দেন অথবা যতদিন তার আয়ু আছে, তিনি সুস্থ থাকেন।’ সো এটা এক দিক থেকে গুড নিউজ, ডায়াবেটিস আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যায়ামের ক্ষেত্রে যেটা করণীয়, সেটি হলো যে আপনার ব্যায়ামের সময় মনে রাখতে হবে যে, আমি অবশ্যই রাতের দিকে ব্যায়াম আমি করতে পারি, কিন্তু যদি আপনি চিন্তা করেন আমি ২০ রাকাত নামাজ, তারাবির নামাজ একেবারে ২০ রাকাতই প্রতিদিন পড়ব, কোনো দরকার নেই তাহলে (বাড়তি ব্যায়ামের)। ওইটাই বড় ব্যায়াম। নতুন করে ব্যায়ামের আর কোনো প্রয়োজন নেই। সো যিনি ২০ রাকাত নামাজ পড়ছেন, তার কোনো দরকার নাই আলাদা করে ব্যায়াম করার।</p>
<p style="text-align: justify;">কেউ যদি না মনে করেন যে, না আমার আলাদা করে করতেই হবে, তাহলে ইফতারের পরে হালকা রেস্ট নিয়ে উঠে একটু হালকা হাঁটাহাঁটি করলেন। এটাই এনাফ। এখন তো আমরা সবাই ঘরেই থাকছি; ঘরেই নিয়ে নিলে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ওষুধ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ওষুধ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আমরা যেটা বলি যে, আপনার সকালটা। আপনি সকালবেলাতে একটা ওষুধ গ্রহণ করতেন, ওইটা হয়ে যাবে আপনার ইফতারের সময়। তাই না? আর রাতেরটা হয়ে যাবে সেহরির সময়। তাইলে ধরেন যে, আপনি সেহরির সময় যে ডোজটা নেবেন, সেটা আপনি অরিজিনাল যে ডোজটা নিতেন, তার অর্ধেক নেবেন। অর্ধেক নেবেন কী কারণে? সেহরির সময় যদি আপনি ফুল ডোজ নিয়ে নেন, তাহলে কী হবে? সারা দিনে খুব দ্রুতই কিন্তু সুগারটা ফল করতে পারে। আমরা হাফ ডোজ দিচ্ছি তাইলে কী কারণে, যাতে বিকালের দিকে আপনি হাইপো না হন।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনার গ্লুকোজ লেভেল যাতে ফল না করে। সে কারণে আপনি রিগুলার ডোজ যেটা রাতে নিচ্ছেন, সেটার আপনি অর্ধেক নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আর ইফতারে&#8230;আপনারা জানেন যে, কিছু কিছু ওষুধ আমরা ইফতারের, মানে খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে নিই। যেমন: সকালের নাশতাটাই তো আপনার ইফতার, তাই না? সকালের নাশতাটা ইজ ইকোয়াল টু ইফতার। তাহলে সকালে নাশতার আধা ঘণ্টা আগে আপনি ওষুধ খেতেন অন্য সময়। এখন কী করবেন?</p>
<p style="text-align: justify;">খুবই সহজ। সেটা হলো আপনি পানিটা মুখে দিয়েই ওষুধটা নিলেন বা ইনসুলিনটা নিলেন, নিয়ে আপনি ইফতারটা দ্রুতই করে ফেলুন। এখানে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার কোনো দরকার নাই।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.newsbangla24.com/home/newogwithwatermark/222378/2023/03/21/diabetes_patients_picture.jpg?v=090742" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইতিকাফ কী ও কেন?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/401480/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 31 Mar 2024 04:46:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=401480</guid>

					<description><![CDATA[ইতিকাফের আভিধানিক অর্থ হলো অবস্থান করা। পারিভাষিক অর্থ হলো, যে ব্যক্তি মসজিদে অবস্থান করে এবং ইবাদতে লিপ্ত হয় তাকে বলা হয় ‘আকিফ’ এবং ‘মুতাকিফ’। অর্থাৎ ইতিকাফকারী। (লিসানুল আরব, খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা : ২৫৫) শরিয়তের পরিভাষায় ইতিকাফ মানে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নিজেকে মসজিদে আবদ্ধ করা। (উমদাতুল কারি, খণ্ড ১১, পৃষ্ঠা : ১৪০) ইতিকাফ হলো এমন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইতিকাফের আভিধানিক অর্থ হলো অবস্থান করা। পারিভাষিক অর্থ হলো, যে ব্যক্তি মসজিদে অবস্থান করে এবং ইবাদতে লিপ্ত হয় তাকে বলা হয় ‘আকিফ’ এবং ‘মুতাকিফ’। অর্থাৎ ইতিকাফকারী। (লিসানুল আরব, খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা : ২৫৫)</p>
<p style="text-align: justify;">শরিয়তের পরিভাষায় ইতিকাফ মানে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নিজেকে মসজিদে আবদ্ধ করা।</p>
<p style="text-align: justify;">(উমদাতুল কারি, খণ্ড ১১, পৃষ্ঠা : ১৪০)</p>
<p style="text-align: justify;">ইতিকাফ হলো এমন একটি ইবাদত, যা পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কিরাম (আ.)-এর সময় থেকে চলে আসছে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনেও এর কথা উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় খলিল ইবরাহিম (আ.) এবং ইসমাইল (আ.)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন কাবা গৃহ নির্মাণের পর তাওয়াফ করতে এবং ইতিকাফকারী ও নামাজ আদায়কারীদের জন্য তা (আল্লাহর ঘর) পরিষ্কার রাখতে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং আমি ইবরাহিম ও ইসমাঈলকে হুকুম করি, তোমরা আমার ঘরকে সেই সকল লোকের জন্য পবিত্র করো, যারা (এখানে) তাওয়াফ করবে, ইতিকাফ করবে এবং রুকু ও সিজদা আদায় করবে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১২৫)<br />
মূলত রমজান মাস হলো আল্লাহ তাআলার আনুগত্য ও ইবাদতের বসন্তকাল এবং ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মৌসুম। যদিও এই মাস গুনাহগার ও নাফরমানদের জন্য ক্ষমা ও মাগফিরাতের সুবর্ণ সুযোগের মাধ্যম, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি নেক ও পরহেজগার ব্যক্তিদের জন্য রহমত, বরকত এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের মূল মাধ্যম। তাই আল্লাহ তাআলা রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের মতো মহান ইবাদতের বিধান রেখেছেন। এটি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একটি মহা উপহার।</p>
<p style="text-align: justify;">যা পূর্ববর্তী নবী (আ.) থেকে সাহাবায়ে কিরামরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে আমল করে এসেছেন।<br />
শরিয়তে ইতিকাফ হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। (আল ইখতিয়ার লি তালিলিল মুখতার, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা : ১৩৬)</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি স্বতন্ত্র সুন্নত এবং এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) সর্বদা এর প্রতি যত্নবান ছিলেন। ইমাম জুহরি (রহ.) বলেন, অনেক আমল তো নবীজি (সা.) কখনো করেছেন আবার কখনো ছেড়েও দিয়েছেন। কিন্তু মদিনায় হিজরত করার পর থেকে ওফাত পর্যন্ত রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফের আমলটি তিনি কখনোই ছেড়ে দেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">অথচ বড়ই আশ্চর্য ও আফসোসের বিষয় হলো, এই মর্যাদাপূর্ণ আমলটির ব্যাপারে মানুষ তেমন গুরুত্ব দেয় না। (ফাতহুল বারি, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা : ২৮৫)<br />
হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৫)</p>
<p style="text-align: justify;">নবীপত্নীরাও নিজ নিজ ঘরে ইতিকাফ করতেন। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করতেন। তাঁর ওফাত পর্যন্ত এই নিয়মই ছিল। এরপর তাঁর সহধর্মিণীরাও (সে দিনগুলোতে) ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৬)</p>
<p style="text-align: justify;">আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৭)</p>
<p style="text-align: justify;">ওফাতের বছর মহানবী (সা.) ২০ দিন ইতিকাফ করেছিলেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রমজানে ১০ দিন ইতিকাফ করতেন, কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ২০৪৪)</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া ইতিকাফ হলো, আল্লাহ তাআলার ঘর মসজিদে অবস্থান করার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন, দুনিয়াবিমুখতা এবং আল্লাহর রহমতে সিক্ত হওয়া ও ক্ষমা চাওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। আর ইতিকাফকারী ব্যক্তির উদাহরণ দিতে গিয়ে আতা (রহ.) বলেন যে কোনো ব্যক্তি এসে কারো দরজায় কড়া নাড়ল এই বলে যে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে কিছু না দেওয়া হবে, ততক্ষণ সে এখান থেকে এগোবে না। অনুরূপভাবে ইতিকাফকারী ব্যক্তিও আল্লাহ তাআলার দরজায় কড়া নাড়তে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং ক্ষমা অর্জিত না হয়, ততক্ষণ সে আল্লাহর রহমত থেকে নৈরাশ হয়ে ফিরে আসে না। (মারাকিল ফালাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা : ২৬৯)</p>
<p style="text-align: justify;">ইতিকাফের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি (রহ.) বলেন, মসজিদে ইতিকাফ হচ্ছে হৃদয়ের প্রশান্তি, আত্মার পবিত্রতা ও চিত্তের নিষ্কলুষতা; চিন্তার পরিচ্ছন্নতা ও বিশুদ্ধতা। ফেরেশতাদের গুণাবলি অর্জন এবং লাইলাতুল কদরের সৌভাগ্য ও কল্যাণ লাভসহ সব ধরনের ইবাদতের সুযোগ লাভের সর্বোত্তম উপায়। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইতিকাফ পালন করেছেন এবং তাঁর পূতঃপবিত্র বিবিগণসহ সাহাবায়ে কিরামের অনেকেই এই সুন্নতের ওপর আমৃত্যু আমল করেছেন। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা : ৪২)</p>
<p style="text-align: justify;">সওয়াবের দিক থেকে ইতিকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হলো মসজিদুল হারাম। এরপর মসজিদে নববী। তারপর মসজিদুল আকসা। এরপর যেকোনো জামে মসজিদ। তারপর যেকোনো পাঞ্জেগানা মসজিদ।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে নারীদের জন্য ইতিকাফের স্থান হলো ঘরের নির্দিষ্ট কোনো পবিত্র স্থান। এ ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি প্রযোজ্য। নারীদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরিমি। কারণ বর্তমান যুগ ফিতনা-ফ্যাসাদের যুগ। মসজিদে পুরুষদের সঙ্গে মেলামেশার প্রবল আশঙ্কা এবং অনৈতিকতা, অশ্লীলতারও আশঙ্কা আছে। তাই বর্তমান যুগে নারীদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরিমি। (আল মাবসুত লিল সারাখসি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১৫)</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/02/WB_Islamic_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রমজানের রোজা ভঙ্গ করা হারাম</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/399056/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Mar 2024 05:53:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=399056</guid>

					<description><![CDATA[নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়। সর্বশক্তিমান আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করছেন, ‘হে বিশ্ববাসী! [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বশক্তিমান আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করছেন, ‘হে বিশ্ববাসী! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পার।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিনা কারণে রমজানের রোজা ভঙ্গ করা হারাম। যে নারীর ঋতু বা নিফাস হয়েছে তার রোজা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। কোনো মানুষের জান বাঁচানোর জন্য রোজা ভঙ্গ করার দরকার হলে ভঙ্গ করা ওয়াজিব। বৈধ কোনো সফরে রোজা রাখা কষ্টকর হলে বা অসুস্থতার কারণে রোজা রাখায় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে রোজা ভঙ্গ করা সুন্নত।</p>
<p style="text-align: justify;">গর্ভবতী ও সন্তানকে দুগ্ধদায়ী নারী যদি রোজা রাখার কারণে নিজের স্বাস্থ্য বা বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা করে, তবে তার জন্যও রোজা ভঙ্গ করা বৈধ। তবে পরে কাজা আদায় করতে হবে। গর্ভবতী ও দুগ্ধদায়ী নারী বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা করলে রোজা ভঙ্গ করবে এবং তা কাজা করার সঙ্গে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অতি বৃদ্ধ ও সুস্থ হওয়ার আশা নেই এমন দুরারোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রোজা রাখতে অপারগ হলে রোজা ভঙ্গ করে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। তাকে কাজা আদায় করতে হবে না। ওজরের কারণে কোনো মানুষ যদি কাজা রোজা আদায় করতে দেরি করে এমনকি পরবর্তী রমজান এসে যায়, তবে তাকে শুধু কাজা আদায় করলেই চলবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু বিনা ওজরে দেরি করলে কাজা করার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। ওজরের কারণে কাজা আদায় করতে না পেরে মৃত্যুবরণ করলে কোনো কিছু আবশ্যক হবে না। কিন্তু কাজা আদায় না করার কোনো ওজর ছিল না তবু করেনি, এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মৃতের নিকটাত্মীয়ের জন্য সুন্নাত হচ্ছে, রমজানের কাজা রোজা এবং মানতের রোজা যা সে আদায় না করেই মৃত্যুবরণ করেছে সেগুলো তার পক্ষ থেকে আদায় করে দেওয়া। রমজানের দিনের বেলায় যদি কোনো বিধর্মী ইসলাম গ্রহণ করে বা ঋতুবতী নারী পবিত্র হয় বা রোগী সুস্থ হয় বা মুসাফির ফেরত আসে বা বালক-বালিকা প্রাপ্তবয়স্ক হয় বা পাগল সুস্থ-বিবেকবান হয়, তবে তাদের ওই দিনের  রোজা কাজা আদায় করতে হবে- যদিও তারা দিনের বাকি অংশ খানাপিনা থেকে বিরত থাকে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/24/082431_bangladesh_pratidin_p00.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইমান নষ্ট হয় যে ১০ কারণে!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/396310/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 Mar 2024 05:08:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=396310</guid>

					<description><![CDATA[অজু, নামাজ ও রোজা যেমন ভেঙে যায় ঠিক তেমনি কিছু কারণ ও পাপের মাধ্যমে ঈমানও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ওই ব্যক্তি মুসলমানের কাতার থেকে বহিস্কৃত হয়। এবং তওবা না করলে কাফেরদের মতোই চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে হবে তাকে। অথচ অনেকেই জানেন না কোন কাজের কারণে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়। এ নিয়ে আলেমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এখানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অজু, নামাজ ও রোজা যেমন ভেঙে যায় ঠিক তেমনি কিছু কারণ ও পাপের মাধ্যমে ঈমানও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ওই ব্যক্তি মুসলমানের কাতার থেকে বহিস্কৃত হয়। এবং তওবা না করলে কাফেরদের মতোই চিরস্থায়ী জাহান্নামী হতে হবে তাকে। অথচ অনেকেই জানেন না কোন কাজের কারণে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়। এ নিয়ে আলেমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে উল্লেখযোগ্য ১০ টি কারণ তুলে ধরা হলো-</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>১)</strong> <strong>আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে কোন কিছু শরীক করলে ঈমানের মতো মহামূল্যবান সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করা ক্ষমা করেন না; তা ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যে কেউ <strong>আল্লাহর সঙ্গে শিরক</strong> করে সে এক<strong> মহাপাপ</strong> করে।’ (সুরা নিসা: ৪৮)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যত্র বলা হয়েছে, ‘কেউ আল্লাহর সঙ্গে শিরক করলে অবশ্যই আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করবেন এবং তার <strong>আবাস জাহান্নাম</strong>। আর জালেমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।’ (সুরা মায়েদা: ৭২)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>২)</strong> <strong>মুশরিক-কাফেরদের কাফের মনে না করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">যার কাফের হওয়ার ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত একমত, যেমন ইহুদি-খ্রিস্টান-মুশরিক ছাড়াও প্রকাশ্যে আল্লাহ, রাসুল বা দীনের কোনো অকাট্য ব্যাপার নিয়ে কটূক্তিকারী; যাদের কুফরির ব্যাপারে হকপন্থি আলেমগণ একমত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের (কথাকে) অমান্য করবে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দাখিল করবেন। সে তাতে চিরকাল থাকবে এবং অবমাননাকর শাস্তি ভোগ করবে।’ (সুরা নিসা: ১৪)</p>
<p style="text-align: justify;">যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (স.) কথাকে অবিশ্বাস করে তারা সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মতে কাফের। আর আমরা যদি তা বিশ্বাস না করি তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের কথাকে অবিশ্বাস করার কারণে কাফের হয়ে যাবো। নাউজুবিল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৩)</strong> <strong>নবীজি (স.)-এর আনিত কোনো বিধানকে অপছন্দ করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে যেই দ্বীন-কিতাব ও বিধান নিয়ে এসেছেন এসব না মানা ও অপছন্দ করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘অতএব, আপনার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে আপনাকে বিচারক বলে মনে না করে। এরপর আপনার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোনো রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা সন্তুষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।’ (সুরা নিসা: ৬৫)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৪) </strong><strong>দ্বীনের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে দেওয়া কোনও বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা ঈমান ভঙ্গের কারণের একটি। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আপনি তাদের প্রশ্ন করলে তারা নিশ্চয়ই বলবে, ‘আমরা তো আলাপ-আলোচনা ও ক্রীড়া-কৌতূক করছিলাম।’ বলেন, ‘তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও তাঁর রাসুলকে বিদ্রূপ করছিলে?’ তোমরা অজুহাত দেওয়ার চেষ্টা করো না। তোমরা তো ঈমান আনার পর কুফুরি করেছ।” (সুরা তওবা: ৬৫-৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৫) </strong><strong>মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা করা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">মুসলিমদের বিরুদ্ধে গিয়ে মুশরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা করা করলে ঈমান ভেঙ্গে যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের পিতা ও ভাইও যদি ঈমানের বিপরীতে কুফরিকে বেছে নেয়, তবে তাদের অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না। তোমাদের মধ্যে যারা তাদের অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করে, তারাই সীমা লঙ্ঘনকারী।’ (সুরা তাওবা: ২৩)</p>
<p style="text-align: justify;">‘হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেউ তাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে তাদেরই একজন বলে গণ্য হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।’ (সুরা মায়েদা: ৫১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><a class="list-group-item list-group-item-action" href="https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=32&amp;chapter=3994" target="_blank" rel="noopener"><span class="ml-3 clearfix">৬) যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং বান্দার মাঝে কাউকে মাধ্যম তৈরী করে তাদেরকে ডাকে এবং তাদের নিকট শাফা‘আত কামনা করে</span></a></strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><a class="list-group-item list-group-item-action" href="https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=32&amp;chapter=3999" target="_blank" rel="noopener"><span class="ml-3 clearfix"> ৭) যদি কেউ যাদুর মাধ্যমে ভাল কিছু অর্জন বা মন্দ কিছু বর্জন করতে চায় অথবা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্ক স্থাপন বা ভাঙ্গন ধরাতে গোপন, প্রকাশ্য, মন্ত্র-তন্ত্র করতে চায় অথবা কারো সাথে (ছেলে-মেয়ে) সম্পর্ক স্থাপন বা বন্ধুত্বে ফাঁটল ধরাতে চায়</span></a></strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><a class="list-group-item list-group-item-action" href="https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=32&amp;chapter=3996" target="_blank" rel="noopener"><span class="ml-3 clearfix">৮) যদি কোন মুসলিম নবী করীম (ছাঃ)-এর দেখানো পথ ব্যতীত অন্য কোন পথ পরিপূর্ণ অথবা ইসলামী হুকুমাত বা বিধান ব্যতীত অন্য কারো তৈরী হুকুমাত উত্তম মনে করে, তবে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে</span></a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2022September/men-on-prayer-20220908150731.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>তারাবির নামাজের সঠিক নিয়ম নীতি ও দুয়া</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/92229/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/92229/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Mar 2024 08:10:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=92229</guid>

					<description><![CDATA[তারাবির নামাজ রমজানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এই নামাজ হলো সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তারাবির নামাজ আদায় করেছেন এবং সাহাবাদেরকেও তা আদায় করতে বলেছেন। তারাবির নামাজের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি মানের সঙ্গে পুণ্য অর্জনের আশায় রমজানে তারাবির নামাজ শেষ করে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">তারাবির নামাজ রমজানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এই নামাজ হলো সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তারাবির নামাজ আদায় করেছেন এবং সাহাবাদেরকেও তা আদায় করতে বলেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তারাবির নামাজের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি মানের সঙ্গে পুণ্য অর্জনের আশায় রমজানে তারাবির নামাজ শেষ করে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তারাবিহ নামাজের নিয়ত : نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر.</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন উসালি­য়া ল্লিলাহি তাআ’লা, রাকাআ’তাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুল্লিলাহি তাআ’লা। মুতাওয়াযজ্জিহান ইলা যিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার। তবে যদি তারাবি জামাআ’তের সহিত নামাজ হয় তবে- ইক্বতাদাইতু বি হাজাল ইমাম বলতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তারাবিহ নামাজের চার রাকাআ’ত পরপর দোয়া: سبحان ذى الملك والملكوت سبحان ذى العزة والعظمة والهيبة والقدرة والكبرياء والجبروت . سبحان الملك الحى الذى لاينام ولا يموت ابدا ابدا سبوح قدوس ربنا ورب الملئكة والروح.</p>
<p style="text-align: justify;">‘সুব্হানাযিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুব্হানাযিল ইয্যাতি, ওয়াল আয্মাতি, ওয়াল হাইবাতি, ওয়াল কুদরাতি, ওয়াল কিবরিয়াই, ওয়াল যাবারুত। সুব্হানাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা-ইয়াানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।’</p>
<p style="text-align: justify;">তারাবিহ শেষে মুনাজাত:</p>
<p style="text-align: justify;">اَللَهُمَّ اِنَّا نَسْئَالُكَ الْجَنَّةَ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ يَا خَالِقَ الْجَنَّةَ وَالنَّارِ- بِرَحْمَتِكَ يَاعَزِيْزُ يَا غَفَّارُ يَا كَرِيْمُ يَا سَتَّارُ يَا رَحِيْمُ يَاجَبَّارُ يَاخَالِقُ يَابَارُّ – اَللَّهُمَّ اَجِرْنَا مِنَ النَّارِ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ- بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّحِمِيْنَ</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনাননার। ইয়া খালিক্বাল জান্নাতি ওয়ান নার। বিরাহমাতিকা ইয়া আঝিঝু ইয়া গাফফার, ইয়া কারিমু ইয়া সাত্তার, ইয়া রাহিমু ইয়া ঝাব্বার, ইয়া খালিকু ইয়া বার্রু। আল্লাহুম্মা আঝিরনা মিনান নার। ইয়া মুঝিরু, ইয়া মুঝিরু, ইয়া মুঝির। বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/92229/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.jugantor.com/assets/news_photos/2022/04/02/image-537219-1648906557.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>যে কারণে রোজা ভঙ্গ হয়!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/264670/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Mar 2024 05:24:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=264670</guid>

					<description><![CDATA[পবিত্র রমজান মাসে প্রায় সকল মুসলিমই মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্যে রোজা বা সাওম পালন করে থাকে। সুবহি সাদিক থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে সকল প্রকার পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকার নামই হচ্ছে সাওম বা রোজা। এ লেখায় রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ তুলে ধরা হলো। ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পবিত্র রমজান মাসে প্রায় সকল মুসলিমই মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্যে রোজা বা সাওম পালন করে থাকে। সুবহি সাদিক থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে সকল প্রকার পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকার নামই হচ্ছে সাওম বা রোজা। এ লেখায় রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ তুলে ধরা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে ও ধূমপান করলে : রোজার রাখার অর্থ সুবহে সাদিক থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহারই নিষিদ্ধ। কিন্তু কেউ যদি রোজা থাকা অবস্থায় কোন প্রকার পানাহার বা ধূমপান করে তাহলে নিঃসন্দেহে তা রোজা ভঙ্গের একটি কারণ হবে। ডুবে ডুবে জল খাওয়ার মতো করে যদি কেউ সবার অজান্তে লুকিয়ে পানাহার করে সেক্ষেত্রেও রোজা ভেঙ্গে যাবে। কারণ আর কেউ না দেখুক, আল্লাহ তাআলা ঠিকই দেখছেন।</p>
<h3 style="text-align: center;"><span style="color: #ff6600;"><span style="color: #ff0000;">আরো পড়ুন : </span><a style="color: #ff6600;" href="https://worldbarta.com/news/175014/" target="_blank" rel="noopener">ঋতুস্রাবকালে নারীর নামাজ ও রোজার বিধান</a></span></h3>
<p style="text-align: justify;">তবে কেউ যদি অনিচ্ছাকৃত ভাবে পানি খেয়ে ফেলে বা অন্য কোন খাবার খেয়ে ফেলে তাহলে রোজা ভাঙ্গবে না। খাওয়ার সময় যদি মনে পরে যে ব্যক্তি রোজা ছিলো, তাহলে মুখের খাবার ফেলে দিতে হবে। এছাড়া যতটুকু অজান্তে খেয়ে ফেলেছে ততটুকুর জন্যে রোজা ভাঙ্গবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে নবী করিম (সা.) বলেছেন- ‘যদি কেউ ভুলক্রমে পানাহার করে তবে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে নেয়, কেননা, আল্লাহ তায়ালাই তাকে এ পানাহার করিয়েছেন।’ (অর্থাৎ এতে তার রোযা ভাঙ্গেনি) –(বোখারিও মুসলিম শরিফ)</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকেই মনে করতে পারেন ধূমপান তো পানাহারের মধ্যে পড়ে না, তাছাড়া ধূমপান করলে পেট ভরারও কিছু নেই তাই ধূমপান করা যাবে। এটা ভুল, ধূমপান করলেও রোজা সম্পুর্ণরূপে ভেঙ্গে যাবে। ধূমপানের আসক্তি বা নেশা ছেড়ে দেওয়ার জন্যে উপযুক্ত সময় হচ্ছে রমজান মাস। দীর্ঘ একমাস রোজা রাখার কারণে সারাদিনই মানুষ সিগারেট ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকে। যা এ ধরনের আসক্তি দূর করতে সাহায্য করে।</p>
<h3 style="text-align: center;"><span style="color: #ff6600;"><span style="color: #ff0000;">আরো পড়ুন : </span></span><span style="color: #003300;"><a style="color: #003300;" href="https://worldbarta.com/news/92229/" target="_blank" rel="noopener">তারাবির নামাজের সঠিক নিয়ম নীতি ও দুয়া</a></span></h3>
<p style="text-align: justify;">ওযু করার সময় গড়গড়া করা যাবে না। আর নাকে পানি দেওয়ার সময় সাবধান থাকতে হবে যেন পানি ভেতরে চলে না যায়। ইচ্ছাকৃত ভাবে পানি ঢোকালে রোজা ভেঙ্গে যাবে, অনিচ্ছাকৃত হলে সেটা আলাদা।</p>
<p style="text-align: justify;">স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হলে : রোজা রাখা মানে শুধু পানাহার থেকে না, ইন্দ্রীয় তৃপ্তি থেকেও নিজেকে বিরত রাখা। সেই অর্থে রোজা থাকা অবস্থায় যদি কেউ সহবাস করে তাহলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এক্ষেত্রে তাকে কাজা ও কাফফারা দুটোই করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কাফফারা আদায়ের নিয়ম হচ্ছে- কোনো মুসলিম দাস বা দাসী মুক্ত করে দেয়া। বর্তমানে যেহেতু দাস প্রথা নেই। ইসলাম ধাপে ধাপে দাস প্রথাকে উচ্ছেদ করেছে, তাই দাস-দাসী মুক্ত করে কাফফারা আদায় করার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে এক একটি রোজার পরিবর্তে দু মাস বিরতিহীন রোজা রাখতে হবে। বিরতিহীন রোজা পালন করতে গিয়ে সঙ্গত কারণ ছাড়া যদি বিরতি দেয়া হয়, তবে আবার নতুন করে দু মাস রোজা রাখতে হবে। যদি বিরতিহীন ভাবে দু মাস সিয়াম পালনের সামর্থ্য না রাখে তবে এক একটি রোজার পরিবর্তে ষাট জন অভাবী মানুষকে খাদ্য দান করতে হবে। প্রত্যেকের খাদ্য হবে এক ফিতরার সম পরিমাণ।</p>
<h3 style="text-align: center;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/রোজা" target="_blank" rel="noopener">রোজা</a>র আরো গুরত্বপূর্ণ বিষয় জানতে <span style="color: #0000ff;"><a style="color: #0000ff;" href="https://worldbarta.com/news/tag/tips/" target="_blank" rel="noopener">পরামর্শ</a></span> উপর ক্লিক করুন</h3>
<p style="text-align: justify;">ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে : রোজা ভেঙ্গে যাবে। তবে যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হয়ে থাকে তাহলে তাতে কোন সমস্যা নেই। অনিচ্ছাকৃত বমি হলে, বমি করার পর সমস্ত মুখ ভালো করে পানি দিয়ে কুলি করে ধুয়ে নিতে হবে যেন মুখের কোথাও বিন্দুমাত্র খাবারের কণা জমে না থাকে। এ সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেন – ‘যে ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করল তাকে উক্ত সিয়াম কাযা করতে হবে না। কিন্তু যে স্বেচ্ছায় বমি করল তাকে উক্ত সিয়াম অবশ্যই কাযা করতে হবে (আবূ দাউদ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঋতুস্রাব হলে : রোজা রাখা অবস্থায় যদি মহিলাদের মাসিকের রক্ত দেখা দেয় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। এমনিভাবে প্রসবজনিত রক্ত প্রবাহিত হতে থাকলে রোজা নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে যে কয়টি রোজা নষ্ট হবে সে কয়টি পরে কাজা করে নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইনজেকশন নিলে : ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে জীবনী শক্তি বৃদ্ধি করার জন্যে কিংবা অন্য কোন কারণে শরীরে ওষুধ প্রবেশ করানো হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। যদি অবস্থা এমন হয় যে ইনজেকশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ নিতেই হবে নয়তো বড়সড় কোন সমস্যা হয়ে যাবে সেক্ষেত্রে কথা ভিন্ন। এ ব্যাপারে একাধিক মতামত রয়েছে। ইনজেকশন যদি এমন হয় যে তাহলে শরীরের বল বৃদ্ধি করবে (যেমন গ্লুকোজ) তাহলে সে জাতীয় ইনজেকশন ব্যবহারে রোজা ভেঙ্গে যাবে। কারণ খাবার যেই কাজ করে এক্ষেত্রে অনেকটা একই কাজ করছে এটি। তবে শুধুমাত্র চিকিৎসার জন্যে যদি ইনজেকশন দেয়া হয় (যেমন ইনসুলিন, পেনিসিলিন) তাহলে রোজা ভাঙ্গবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া দাঁতে আটকে থাকা ছোলা পরিমাণ বা তার চেয়ে বড় খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে, বমি মুখে আসার পর গিলে ফেললে, রাত্রি আছে মনে করে পানাহার করলো, কিন্তু দেখা গেলো সুবহে সাদিক হয়ে গিয়েছে, মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হলে। এসব ক্ষেত্রে রোজার কাজা করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সুরমা ব্যবহার, চোখে বা কানে ঔষধ ব্যবহার করলে সিয়াম নষ্ট হয় না, যদিও তার স্বাদ অনুভূত হয়। কোন কিছুর স্বাদ অনুভূত হলে সিয়াম ভঙ্গ হয় না। সিয়াম ভঙ্গ হওয়ার সম্পর্ক হল পানাহারের সাথে। কোন কিছুর স্বাদ পরীক্ষা করার কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয় না, যদি না তা গিলে ফেলে। কোন কিছুর ঘ্রাণ নিলে সিয়াম ভঙ্গ হয় না। তবে ধুম জাতীয় ঘ্রাণ সিয়াম অবস্থায় গ্রহণ করবে না। যেমন আগরবাতি বা চন্দন কাঠের ধুয়া কিংবা ধুপ গ্রহণ করবে না। কুলি করলে বা নাকে পানি দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয় না, তবে গড়গড়া করবে না বা নাকের খুব ভিতরে পানি দেবে না, বা নাকে পানি দিয়ে উপরে টান দেওয়া যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">গর্ভবতী নারীর সন্তান বা নিজের প্রাণ নাশের আশঙ্কা হলে রোজা না রাখা বা ভঙ্গ করা বৈধ। তবে পরে কাজা আদায় করতে হবে। যে সব নারী তার সন্তানকে দুধ পান করান, রোজা রাখার ফলে যদি দুধ না আসে এবং এতে সন্তানের অসুবিধা হয়, তবে রোজা না রাখার অনুমতি আছে। কিন্তু পরে কাজা আদায় করতে হবে। মুসাফির অবস্থায় রোযা না রাখার অনুমতি আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে সঠিকভাবে রোজা পালনের তাওফিক দান করুন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঋতুস্রাবকালে নারীর নামাজ ও রোজার বিধান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/175014/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/175014/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Mar 2024 02:47:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=175014</guid>

					<description><![CDATA[হায়েজ, মাসিক বা ঋতুস্রাব নারীদেহের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রতি মাসে সঠিক সময়ে মাসিক শুরু হওয়ার মাধ্যমে নারীর শারীরিক সুস্থতা ও সন্তান ধারণে সক্ষমতা নিশ্চিত হয়। তা ছাড়া মাসিকচক্রের সঙ্গে যুক্ত আছে ইসলামের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধান। নিম্নে সে বিষয়ে কিছু মাসআলা তুলে ধরা হলো— ঋতুস্রাবের সময়সীমা ও নামাজ-রোজার বিধান ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী একজন নারীর ঋতুস্রাবের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">হায়েজ, মাসিক বা ঋতুস্রাব নারীদেহের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রতি মাসে সঠিক সময়ে মাসিক শুরু হওয়ার মাধ্যমে নারীর শারীরিক সুস্থতা ও সন্তান ধারণে সক্ষমতা নিশ্চিত হয়। তা ছাড়া মাসিকচক্রের সঙ্গে যুক্ত আছে ইসলামের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধান। নিম্নে সে বিষয়ে কিছু মাসআলা তুলে ধরা হলো—</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঋতুস্রাবের সময়সীমা ও নামাজ-রোজার বিধান</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী একজন নারীর ঋতুস্রাবের সর্বনিম্ন সময় তিন দিন আর সর্বোচ্চ সময় ১০ দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিন দিন থেকে ১০ দিন পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে মাসিক ঋতুস্রাবকালীন নামাজ-রোজা করার প্রয়োজন নেই। এই দিনগুলোতে নারীর যথাসাধ্য বিশ্রাম দরকার। এ জন্য এই দিনগুলোতে ইসলাম নারীকে নামাজ-রোজা থেকে দায়মুক্তি দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কোনো কারণে ঋতুস্রাবের সময় ১০ দিনের চেয়ে বেড়ে গেলে নিজের আগের অভ্যাস অনুপাতে যে মেয়াদ আছে, ওই দিন পর্যন্ত বন্ধ রেখে এর পর থেকে নামাজ-রোজা পালন করবে। আর যদি ১০ দিনের ভেতরই শেষ হয়ে যায়, তাহলে রক্ত আসার শেষ দিন পর্যন্ত ঋতুস্রাব গণ্য করে নামাজ-রোজা ইত্যাদি বন্ধ রাখবে। এ অবস্থায় নামাজের কাজা না থাকলেও পরবর্তী সময়ে রোজা কাজা করে নেবে। (আদ্দুররুল মুখতার : ১/৩০০-৩০১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রী সহবাস</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ঋতুস্রাব অবস্থায় জেনেশুনে স্ত্রী সহবাস করা নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘লোকেরা আপনাকে হায়েজ তথা ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলে দিন, তা অপবিত্রতা। অতএব তোমরা হায়েজের সময় স্ত্রীদের থেকে পৃথক থাকো এবং তাদের নিকটবর্তী হয়ো না। যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২২২)</p>
<p style="text-align: justify;">হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো ঋতুবতীর সঙ্গে মিলিত হয় কিংবা কোনো নারীর পশ্চাদ্দ্বারে সঙ্গম করে অথবা কোনো গণকের কাছে যায়, নিশ্চয়ই সে মুহাম্মাদের ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করে। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৩৫)</p>
<p style="text-align: justify;">তা ছাড়া ডাক্তারদের মতেও এ সময় স্ত্রী সহবাস করা অনুচিত। কারণ এ সময় স্রাবের রক্তের সঙ্গে বিভিন্ন রোগের জীবাণু বের হয়ে থাকে, যা সহবাসের মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ সময় সহবাস নিষিদ্ধ। তবে কেউ যদি তা করে ফেলে তার জন্য কর্তব্য হলো আল্লাহর কাছে তাওবা-ইস্তিগফারের পাশাপাশি সদকা করা। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি হায়েজ অবস্থায় স্ত্রী সঙ্গম করে তার সম্পর্কে নবী (সা.) বলেছেন, সে যেন এক দিনার অথবা আধা দিনার (যা বর্তমান মূল্য হিসেবে ৪.৩৭৪ গ্রাম সমপরিমাণ স্বর্ণ) সদকা করে। ’ (আবু দাউদ, হাদিস : ২৬৪)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঋতুস্রাবকালীন আরো কিছু বিধান</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ঋতুস্রাব চলাকালীন নারীরা কোরআন তিলাওয়াত করবে না এবং অন্যকে শেখানোর উদ্দেশ্যও পড়বে না। তবে একান্ত প্রয়োজন হলে পূর্ণ আয়াত তিলাওয়াত না করে এক বা দুই শব্দ করে কাউকে বলে দিতে পারবে এবং গোসল ফরজ থাকা অবস্থায়ও তাফসির পড়তে পারবে। তবে অজু করে পড়া ও ধরা মুস্তাহাব। (বাদায়েউস সানায়ে ১/১৫০, ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৯)</p>
<p style="text-align: justify;">ঋতুস্রাবকালে কেউ যদি সিজদার আয়াত শুনে তাহলে তার ওপর সিজদা ওয়াজিব হবে না। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, হাদিস : ৪৩৪৭)</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানের রোজা, হজের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কারণে নারীরা ওষুধ সেবনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে স্রাব বন্ধ রাখে। ওষুধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ রাখা বৈধ হলেও তা ব্যবহারের আগে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। (মুসান্নাফে আবদুর রাজজাক, হাদিস : ১২১৯, ১২২০ আল-মুহিতুল বুরহানি ১/৩৯৯)</p>
<p style="text-align: justify;">ঋতুস্রাবকালীন নারীরা আজানের জবাব দিতে পারবে। (আদ্দুররুল মুখতার ১/২৯৩)</p>
<p style="text-align: justify;">কেউ যদি হায়েজ অবস্থায় ইতিকাফ করে, তাহলে তার ইতিকাফ আদায় হবে না। এমনকি ইতিকাফের মাঝখানে হায়েজ চলে এলেও ইতিকাফ ভেঙে যাবে। (ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া ১/২১)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/175014/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/Mosque_Sharjah_Islam_Worldbarta.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
	</channel>
</rss>
