<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আল আকসা মসজিদ &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/qibli-mosque/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Tue, 27 Aug 2024 08:55:35 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>আল আকসা মসজিদ &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আল-আকসা মসজিদে ইহুদি উপাসনালয় নির্মাণের ঘোষণা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/284736/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Aug 2024 05:45:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[আল আকসা মসজিদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=284736</guid>

					<description><![CDATA[ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে ইহুদিদের জন্য একটি উপাসনালয় (সিনাগগ) নির্মাণের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘটনায় আরব বিশ্ব তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সৌদি আরব এই ঘোষণার কড়া সমালোচনা করেছে এবং একে উগ্র ও চরমপন্থি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে ইহুদিদের জন্য একটি উপাসনালয় (সিনাগগ) নির্মাণের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘটনায় আরব বিশ্ব তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সৌদি আরব এই ঘোষণার কড়া সমালোচনা করেছে এবং একে উগ্র ও চরমপন্থি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেছে। দেশটি বলেছে, এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং পবিত্র আল-আকসা মসজিদের মর্যাদা ও অবস্থানকে হুমকির মুখে ফেলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সৌদি আরবের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ধর্মীয় স্থাপনার ভাঙচুর চরম অবমাননাকর ও উগ্রবাদী আচরণ হিসেবে গণ্য হয় এবং এটি বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অনুভূতিকে আঘাত করছে। জর্ডান এবং কাতারও এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে এবং ইসরায়েলের প্রতি আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা মনে করে, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, ইসরায়েলের বর্তমান স্ট্যাটাস কো অনুযায়ী, ইহুদি এবং অন্যান্য অমুসলিমদের নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ড পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে সেখানে প্রার্থনা করা বা ধর্মীয় প্রতীক প্রদর্শন করা তাদের জন্য নিষিদ্ধ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উগ্র ধর্মীয় জাতীয়তাবাদীরা, বিশেষ করে বেন গাভিরের মতো ব্যক্তিরা, এই সীমাবদ্ধতাগুলোকে অগ্রাহ্য করছে। এটা মাঝে মাঝে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইহুদি ধর্মীয় সংস্থার অনেক নেতৃস্থানীয় রাব্বি আল-আকসা কম্পাউন্ডে প্রবেশকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। কারণ তাদের মতে, এটি ইহুদিদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র স্থান এবং এখানে প্রবেশ করা ধর্মীয়ভাবে অনুচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তবুও, কিছু উগ্র গোষ্ঠী আল-আকসার স্থানে একটি ‘তৃতীয় মন্দির’ নির্মাণের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা ইসরায়েলের মধ্যে শক্তি লাভ করছে। অনেক ফিলিস্তিনি এই ঘটনাকে হেব্রনের ইব্রাহিমি মসজিদ বা পিতৃপুরুষদের গুহার মতো স্থানগুলোতে ইসরায়েলের বিতর্কিত পদক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করছেন। ওইসব জায়গায় ঐতিহাসিক মসজিদকে ভাগ করে ইহুদি উপাসনালয় স্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তৃতীয় মন্দির নির্মাণের প্রচারণা ও এই পরিকল্পনা আল-আকসার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<h3>রমজানে আল আকসায় নামাজ আদায়ে বাধা দেবে না ইসরায়েল</h3>
<p style="text-align: justify;">পবিত্র রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ে দেবে না দলখদার ইসরায়েল। সেখানে নির্বিঘ্নে নামাজ করতে পারবেন ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগের বছরগুলোতে রমজানের প্রথম সপ্তাহে যত সংখ্যক মুসল্লি আল-আকসায় আসতেন, এ বছরও তাতে কোনও ব্যতিক্রম হবে না। তবে প্রতি সপ্তাহে জেরুজালেম ও টেম্পল মাউন্ট এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ণ করা হবে। তার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা রমজানে আল-আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশের বিপক্ষে ছিল। এ বিষয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেন গিভির বলেছিলেন, যেখানে আমাদের নারী ও শিশুরা গাজায় জিম্মি হয়ে রয়েছে, সেখানে টেম্পল মাউন্টে হামাস তা উদযাপন করবে তা আমরা হতে দিতে পারি না।</p>
<p style="text-align: justify;">তার এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, এটি কেবল মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়াই নয়, বরং ইসরায়েলের নিরাপত্তার সঙ্গেও ব্যাপারটি সম্পর্কিত। পশ্চিম তীরে বা বৃহত্তর অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়ালে তা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে দেওয়ার বিষয়ে বলা হয়, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য রমজান একটি পবিত্র মাস। বিগত বছরগুলোর মতে এ বছরও এই মাসের পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে ইসরায়েল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স</strong></p>
<h3>আল-আকসা বিভক্তের পরিকল্পনা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল</h3>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধকামী কয়েকটি সংগঠনের ঐক্য জোট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, ইহুদিবাদী ইসরায়েল পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে ইহুদি ও মুসলমানের মধ্যে বিভক্ত করার যে ঘৃণ্য পরিকল্পনা নিয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার বলেছে, ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির সংসদ সদস্য অমিত হালেভি আল-আকসা মসজিদকে বিভক্ত করার যে প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন তাতে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও অবনতির দিকে নিয়ে যাবে। ইসরায়েল এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গেলে পশ্চিম তীরে ইহুদিবাদবিরোধী বিস্ফোরণ ঘটবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো আরও বলেছে, এই ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে যে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হবে তার জন্য বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের জনগণ এবং প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলো কোনোভাবেই ইসরায়েলি এ পরিকল্পনা মেনে নেবে না বরং   এ পরিকল্পনা থামানোর জন্য   সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/06/11/Bd-Pratidin-11-06-23-F-34.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফিলিস্তিনিদের অনাহারে মারতে চায় ইসরায়েল: জাতিসংঘের বিশেষ দূত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/262246/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 29 Feb 2024 04:38:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আল আকসা মসজিদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=262246</guid>

					<description><![CDATA[ইহুদিবাদী ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ইচ্ছাকৃতভাবে অনাহারে মেরে ফেলতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত মাইকেল ফাখরি। তিনি বলেন, “এই ইচ্ছাকৃত অপরাধের জন্য ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার দায়ে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।” ফাখরি বলেন, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে গাজাবাসীদের খাবার সরবরাহ নষ্ট করছে এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলটিতে খাদ্য সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। দেশটি গত বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া সংঘাতের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইহুদিবাদী ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ইচ্ছাকৃতভাবে অনাহারে মেরে ফেলতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত মাইকেল ফাখরি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “এই ইচ্ছাকৃত অপরাধের জন্য ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার দায়ে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।”</p>
<p style="text-align: justify;">ফাখরি বলেন, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে গাজাবাসীদের খাবার সরবরাহ নষ্ট করছে এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলটিতে খাদ্য সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। দেশটি গত বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া সংঘাতের একদম শুরু থেকেই এমনটা করছে। তাদের এই ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিককে খাদ্য থেকে বঞ্চিত করা যুদ্ধাপরাধ।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “মূলত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠনের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি অনুসারে এই বাধা দেওয়া যুদ্ধাপরাধ। ওই চুক্তিতে বলা হয়েছে- ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ত্রাণ সরবরাহে বাধা প্রদানসহ তা বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য রসদ থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা’ যুদ্ধাপরাধের শামিল। সুতরাং ইসরায়েল যা করছে তা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ।”</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্বের একাধিক মানবাধিকার সংগঠন অভিযোগ করেছে, ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ পরিচালনার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে গাজাবাসীকে ক্ষুধার্ত রাখার কৌশল নিয়েছে। দেশটি এই বিষয়টিকে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও ২০১৮ সালে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ বলে ঘোষণা করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেছেন, গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাঁধা, গাজাবাসীর মাছ ধরার ছোট নৌকা আটক, তাদের বাগানগুলোকে ধ্বংস করার ঘটনা স্থানীয়দের খাবার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে ছাড়া আর কিছুই নয়। তার কথায়, ‘ফিলিস্তিনি জনগণকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কেবল ফিলিস্তিনি হওয়ার জন্য ধ্বংস করার অভিপ্রায় ঘোষণা করেছে ইসরায়েল।</p>
<p style="text-align: justify;">মাইকেল ফাখরি বলেন, গাজার বর্তমান পরিস্থিতি স্পষ্টত ‘গণহত্যা’ এবং কেবল কোনো ব্যক্তি বা সরকার নয়, সমগ্র ইসরায়েল এ জন্য ‘অপরাধী’ এবং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “ইসরায়েল শুধু বেসামরিক মানুষকেই টার্গেট করছে না, তারা তাদের সন্তানদের ক্ষতি করে ফিলিস্তিনি জনগণের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা সেসব দেশেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন, যারা ফিলিস্তিনিদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থায় (ইউএনআরডব্লিউএ) তহবিল কমিয়ে দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলার সঙ্গে ইউএনআরডব্লিউএ’র ১২ কর্মী জড়িত থাকার ইসরায়েলি দাবির পর সংস্থাটিতে তহবিল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, কানাডাসহ বেশ কয়েকটি দেশ। ইউএনআরডব্লিউএ অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে প্রায় ৬০ লাখ ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের খাবার, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য মৌলিক পরিষেবা সরবরাহ করে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাইকেল ফাখরি বলেন, “কিছু সংখ্যক কর্মীর বিরুদ্ধে অপ্রমাণিত দাবির ভিত্তিতে তাৎক্ষণিভাবে একযোগে একাধিক দেশের ইউএনআরডব্লিউএ’র জন্য তাহবিল বন্ধ করার পদক্ষেপ নেওয়ার পেছনে ফিলিস্তিনিদের সম্মিলিতভাবে শাস্তি ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। যেসব দেশ এই লাইফলাইন প্রত্যাহার করেছে তারা নিঃসন্দেহে ফিলিস্তিনিদের অনাহারে থাকার ঘটনায় জড়িত।”</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “ইসরায়েল দাবি করবে যুদ্ধাপরাধের ব্যতিক্রম আছে। কিন্তু গণহত্যার কোনও ব্যতিক্রম নেই এবং কেন ইসরায়েল বেসামরিক অবকাঠামো, খাদ্য ব্যবস্থা, মানবিক কর্মীদের ধ্বংস করছে এবং শিশুদের অপুষ্টি ও দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করছে তা নিয়ে কোনও যুক্তি নেই। গণহত্যার অভিযোগ পুরো রাষ্ট্রকে দায়ী করে।”</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সংস্থার (ওসিএইচএ) উপপ্রধান রমেশ রাজাসিংঘাম জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, “ফেব্রুয়ারির শেষ সময়ে এসে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, গাজার জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ, পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক কদম দূরে।”</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কোনও ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া না হলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ‘অনিবার্য’।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.theguardian.com/world/2024/feb/27/un-israel-food-starvation-palestinians-war-crime-genocide" target="_blank" rel="noopener">দ্য গার্ডিয়ান</a></strong></p>
<h3>গাজার এক হাজার মসজিদ ধ্বংস করল ইসরায়েল</h3>
<p style="text-align: justify;">গাজা উপত্যকায় ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার মসজিদ ধ্বংস হয়েছে। গাজার ওয়াকফ এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। গাজা উপত্যকায় আনুমানিক এক হাজার ২০০টি মসজিদ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মন্ত্রণালয়ের মতে, সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় শতাধিক ইমাম নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় একটি গির্জা, বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ভবন ও মাদরাসা এবং একটি ব্যাংক সদর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি দখলদারিত্ব কয়েক ডজন কবরস্থান ধ্বংস এবং কবর খনন অব্যাহত রেখেছে। এগুলোর পবিত্রতা লঙ্ঘন করছে এবং লাশ চুরি করছে।এটি আন্তর্জাতিক সনদ এবং মানবাধিকারের প্রতি স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা আরব ও ইসলামিক দেশ এবং বিবেকবান মানুষদের গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ৭ অক্টোবর হামাসের আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় হামলা চালাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি হামলায় ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। পাশাপাশি আহত হয়েছে আরো প্রায় সাড়ে ৬২ হাজার মানুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, ইসরায়েলি হামলার ফলে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ অঞ্চলের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র: <a href="https://www.aa.com.tr/en/middle-east/1-000-mosques-destroyed-in-israeli-onslaught-on-gaza-local-authorities-say/3114913" target="_blank" rel="noopener">আনাদোলু</a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসরায়েল-আমেরিকাকে আবারও হুঁশিয়ারি দিল ইরান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/264253/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Nov 2023 07:00:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আল আকসা মসজিদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[হামাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=264253</guid>

					<description><![CDATA[ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ নিয়ে আবারও আমেরিকা ও ইসরায়েলের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলো ইরান। ইরান বলেছে, দখলদার ইসরায়েল অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নিরীহ বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসন বন্ধ না করলে মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েলবিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো চুপ করে বসে থাকবে না। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানয়ানি সোমবার তেহরানে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মার্কিন সমর্থনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ নিয়ে আবারও আমেরিকা ও ইসরায়েলের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলো ইরান।</p>
<p style="text-align: justify;">ইরান বলেছে, দখলদার ইসরায়েল অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নিরীহ বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসন বন্ধ না করলে মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েলবিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো চুপ করে বসে থাকবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানয়ানি সোমবার তেহরানে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, মার্কিন সমর্থনে গাজায় চলমান ইসরায়েলি অপরাধযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান প্রতিবাদ একথা প্রমাণ করছে যে, বিশ্বের দেশগুলো গাজা-বিরোধী যুদ্ধে অসন্তুষ্ট এবং তারা এই পাশবিকতার অবসান চায়।</p>
<p style="text-align: justify;">কানয়ানি বলেন, ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধযজ্ঞ মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরোধ গ্রুপগুলোকে ক্ষুব্ধ করেছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলকে যদি এসব গ্রুপের প্রতিশোধপরায়ণতা থেকে রক্ষা পেতে হয় তাহলে গাজাবাসীর ওপর বর্বরতা অবিলম্বে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। সেইসঙ্গে ওই অবরুদ্ধ উপত্যকায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশ করার অনুমতি দিতে এবং গাজাবাসীকে বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তুচ্যুত করা বন্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">গাজায় ইহুদিবাদী বর্বরতার প্রতিবাদে ইয়েমেনের নৌবাহিনী যেদিন ইসরায়েলের মালিকানাধীন একটি বড় জাহাজ আটক করার ঘোষণা দিয়েছে সেদিনই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এ সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন হুমকি দিয়ে বলেছে, গাজায় ইসরায়েলি পাশবিকতা বন্ধ না হলে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি ইসরায়েলি জাহাজ হবে তাদের হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু।</p>
<p style="text-align: justify;">নাসের কানয়ানি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষার স্বার্থে গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে মার্কিন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যদেরকে সংঘাতের বিস্তার না ঘটানোর আহ্বান জানানোর পরিবর্তে ওয়াশিংটনের উচিত তেল আবিবের প্রতি অন্ধ সমর্থন বন্ধ করা। ইরানের এই মুখপাত্র বলেন, মার্কিন সরকার ইসরায়েলকে রক্ষা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বার্থ জলাঞ্চলি দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র:<a href="https://www.presstv.ir/Detail/2023/11/20/714946/Resistance-will-not-remain-silent-face-Israeli-US-crimes-Gaza-Tehran" target="_blank" rel="noopener"> প্রেসটিভি</a></strong></p>
<p style="text-align: justify;">
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;">যুদ্ধবিরতির সময় গাজার আকাশে ইসরায়েলের কোন বিমান দেখতে চায় না হামাস</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম বলছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হামাসের একটি চুক্তি আসন্ন। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবাদের বিষয় হলো-হামাসের একজন নেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা চান না যে যুদ্ধবিরতির সময় গাজার আকাশে কোনো ধরনের ইসরায়েলি বিমান থাকুক। শুধু বিমান হামলা বন্ধ নয়, নজরদারির ক্ষেত্রেও কোনো বিমান থাকুক চায় না হামাস।</p>
<p style="text-align: justify;">খবরে বলা হয়েছে, এটি ইসরায়েলের জন্য বিবাদের বিষয়। কারণ এটি তাদের জন্য বিশেষত স্থল সৈন্যদের জন্য সম্ভাব্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">তারা আরও বলছে যে, বন্দীদের মধ্যে ৫০ জনকে মুক্তি দেওয়ার সম্ভাব্য চুক্তি রয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিনিময়ে পরে বাকি ১০০ জনকে মুক্তি দেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">যুদ্ধবিরতি চুক্তি আজ ঘোষণা করা হতে পারে। কাতারের মধ্যস্থতায় হতে যাওয়া এই চুক্তিটি নিয়ে ইসরায়েল এখনও নিশ্চিত করেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;">ক্ষোভে নেতানিয়াহুর সভা ত্যাগ করলেন জিম্মিদের স্বজনরা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ক্ষোভে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সভা ত্যাগ করলেন ফিলিস্তিনের গাজায় আটক জিম্মিদের স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু আটক জিম্মিদের ব্যাপারে এখন সরকারের পদক্ষেপ ও উদ্দেশ্য নিয়ে মিশ্র তথ্য দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি জিম্মিদের স্বজনরা সোমবার রাতে তেল আবিবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সঙ্গে দেখা করতে যান। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় রাখার পর তাদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এ সময় জিম্মিদের স্বজনদের আশ্বস্ত করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন নেতানিয়াহু। কিন্তু তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে না পেরে সভার মাঝ পথে সেখান থেকে কিছু স্বজন বেরিয়ে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">তারা বলেন, “কিছু দিন আগে তারা যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গ্যান্তজ ও আরেক মন্ত্রী গাদি এইসেনকটের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তখন তারা জানিয়েছিলেন- জিম্মিদের উদ্ধার করে নিয়ে আসাই এই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য। কিন্তু এখন নেতানিয়াহু বলছেন- জিম্মিদের উদ্ধারের পাশাপাশি হামাসকে নির্মূল করার বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">আর এই বিষয়টিই তাদেরকে মর্মাহত করেছে বলে জানিয়েছেন তারা। তাদের বক্তব্য, ইসরায়েল সরকারের এই পদক্ষেপের কারণে জিম্মিদের আরও বেশি সময় ধরে গাজায় থাকতে হবে। এতে তারা ক্ষুব্ধ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.timesofisrael.com/liveblog-november-21-2023/" target="_blank" rel="noopener">টাইমস অব ইসরায়েল</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/11/21/125403_bangladesh_pratidin_Iran.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
	</channel>
</rss>
