<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>এনবিআর &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/nbr/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Sun, 08 Sep 2024 09:29:34 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.2</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>এনবিআর &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রিটার্ন দাখিল : অনলাইন কর নিয়ে এনবিআরের নতুন বার্তা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/489344/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Sep 2024 09:29:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[এনবিআর]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=489344</guid>

					<description><![CDATA[সোমবার থেকে করদাতাদের জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল উন্মুক্ত করে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি এনবিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, করদাতাবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক কর ব্যবস্থাপনা গড়তে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে আয়কর আইন, ২০২৩ এবং অর্থ আইন, ২০২৪-এর আলোকে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ২০২৪-২০২৫ কর বছরের অনলাইন রিটার্ন দাখিলের জন্য ই-রিটার্ন সিস্টেম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সোমবার থেকে করদাতাদের জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল উন্মুক্ত করে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি এনবিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়, করদাতাবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক কর ব্যবস্থাপনা গড়তে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে আয়কর আইন, ২০২৩ এবং অর্থ আইন, ২০২৪-এর আলোকে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ২০২৪-২০২৫ কর বছরের অনলাইন রিটার্ন দাখিলের জন্য ই-রিটার্ন সিস্টেম আপগ্রেডেশনের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন রিটার্ন দাখিল সিস্টেমটি করদাতাদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ই-রিটার্ন সিস্টেম আপগ্রেডেশন ব্যবহার করে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা নিজে রিটার্ন তৈরি, অনলাইনে রিটার্ন দাখিল অথবা অফলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রিন্ট গ্রহণ, অনলাইন ব্যাংকিং, ক্রেডিট কার্ড/ডেবিট কার্ড বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (নগদ, বিকাশ, রকেট ইত্যাদি) মাধ্যমে কর পরিশোধ, রিটার্ন দাখিলের তাৎক্ষণিক প্রমাণপ্রাপ্তি, আয়কর পরিশোধ সনদ ও টিআইএন সনদপ্রাপ্তি, পূর্ববর্তী কর বছরের দাখিল করা ই-রিটার্নের কপি, রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রিন্ট বা ডাউনলোডের সুবিধা পাবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে টিআইএন ও করদাতার নিজ নামে বায়োমেট্রিক ভেরিফাইড মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২১ সালে ই সিস্টেম চালু করার পর ২০২১-২০২২ করবছরে ৬১ হাজার ৪৯১ জন, ২০২২-২০২৩ কর বছরে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৮১ জন ও ২০২৩-২০২৪ কর বছরে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৮৭ জন করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাগণ আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের <a href="http://www.etaxnbr.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">www.etaxnbr.gov.bd</a> ওয়েবসাইটে নিজের তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে সহজেই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে ২০২৪-২০২৫ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/09/08/150130_bangladesh_pratidin_NBR1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কাস্টমস কর্মকতারা ঘুষ খেয়েও পুরস্কার পায়! । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/179934/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/179934/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Sep 2022 06:25:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[এনবিআর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=179934</guid>

					<description><![CDATA[আমদানি হওয়া পণ্য খালাসে করফাঁকি চিহ্নিত করার নামে ঘুষ খায় কাস্টমস। ঘুষ খাওয়া কাস্টমস কর্মকর্তারাই আবার করফাঁকি উদঘাটনে প্রণোদনার নামে পুরস্কার পায়। এভাবেই ঘুষ খায় পুরস্কার পায় কাস্টমস কর্মকতারা। এমন ঘুষখেকো কাস্টমস কর্মকর্তাদের অমানবিক হয়রানি ও ভোগান্তি থেকে রেহাই চান ব্যবসায়ীরা। পুরস্কারের নামে কাস্টমস কর্মকর্তাদের প্রণোদনা বাতিলের দাবি জোরালো হচ্ছে ব্যবসায়ী মহলে। তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রের। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আমদানি হওয়া পণ্য খালাসে করফাঁকি চিহ্নিত করার নামে ঘুষ খায় কাস্টমস। ঘুষ খাওয়া কাস্টমস কর্মকর্তারাই আবার করফাঁকি উদঘাটনে প্রণোদনার নামে পুরস্কার পায়। এভাবেই ঘুষ খায় পুরস্কার পায় কাস্টমস কর্মকতারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এমন ঘুষখেকো কাস্টমস কর্মকর্তাদের অমানবিক হয়রানি ও ভোগান্তি থেকে রেহাই চান ব্যবসায়ীরা। পুরস্কারের নামে কাস্টমস কর্মকর্তাদের প্রণোদনা বাতিলের দাবি জোরালো হচ্ছে ব্যবসায়ী মহলে। তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রের।</p>
<p style="text-align: justify;">অংশীজনদের মতে, করফাঁকি উদঘাটনের জন্য কর্মকর্তাদের বাড়তি অর্থ প্রদানের নজির উন্নত বিশ্বের কোথাও নেই। এই ধরনের প্রণোদনা দেওয়া হলে কর্মকর্তাদের মাঝে বেশি করে ঝামেলা পাকানোর প্রবণতা তৈরি হয়। তাতে ব্যবসায়ীদের ওপর হয়রানি বাড়ে। তবে নিয়মমাফিক কাজ করলে এসব ব্যবস্থা লাগে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘুষ, বকশিসের মতো না হোক, একটা প্রণোদনার মতো- এটা রাখা হয়েছে। কিন্তু আদর্শিকভাবে চিন্তা করলে চাকরি তো চাকরি। সরকারি কর্মকর্তাদের তো এমনতিইে করফাঁকি খুঁজে বের করার কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, বেশি রাজস্ব আদায় করতে পারলে কর্মকর্তাদের প্রণোদনা দেওয়ার যে বিধান রয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। বর্তমান আইনে কর্মকর্তাদের যারা বেশি রাজস্ব আদায় করতে পারবেন, তাদের প্রণোদনা দেওয়ার বিধান আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ কারণে কর্মকর্তাদের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা হচ্ছে, যার ভুক্তভোগী হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আইনের মধ্যে থেকেই বিভিন্ন চাপের সৃষ্টি করা হয়, যার ফলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এটা অযৌক্তিক ও অন্যায়। এভাবে একটা দেশের রাজস্ব প্রশাসন চলতে পারে না। ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হলে অর্থনীতি বিপদগ্রস্ত হবে। দেশ পিছিয়ে পড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-সিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, এখন বিশ্ব হাতের মুঠোয়। ফলে সহজেই জানা যায়, কোন পণ্যের কি মূল্য। কিন্তু কাস্টমস কর্মকর্তারা সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করেই করফাঁকি উদঘাটনের নামে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছে। ফলে, পণ্য খালাস করতে গিয়ে পদে পদে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এর একটাই কারণ, পুরস্কারের নামে প্রণোদনা পেতে মরিয়া কাস্টমস কর্মকর্তারা। এটা বাতিল করতে হবে। আমাদের কাছে অনেক তথ্য আছে যে, কাস্টমস কর্মকর্তারা ইনটেনশনালি (ইচ্ছাকৃতভাবে) ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছেন। ব্যবসায়ীরা কাস্টমসের এই অন্যায় ও হয়রানি থেকে মুক্তি চান। পুরস্কারের নামে প্রণোদনার অর্থ নেওয়া পুরোপুরি অন্যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মনে করেন, কাস্টমস ও বন্ডে পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান জটিলতা সমস্যার কারণে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি চট্টগ্রাম কাস্টমস ও কাস্টমসের বন্ড কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ তুলেছে বিজিএমইএ। সংগঠনটি বলেছে, পোশাক শিল্পের আমদানিকৃত পণ্য চালান খালাসে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কিছু কর্মকর্তা এইচএস কোডসহ বিভিন্ন বিষয়ে অযথা হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। ফলে পণ্য খালাস বিলম্ব হচ্ছে। একই সঙ্গে পণ্য রপ্তানিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় এখনো প্রচুর পরিমাণে পোশাকের রপ্তানি আদেশ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে কাস্টমস কর্মকর্তাদের দুর্নীতি প্রতিরোধে ২০১৮ সালে বেশ কিছু সুপারিশমালা দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। সুপারিশগুলো হচ্ছে- কাস্টমস বিভাগের সোর্স মানি ব্যয় এবং বিভিন্ন উদ্দীপনা পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সব দফতরে একই নীতি অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সোর্স মানি ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকল্পে প্রতিটি ইউনিটে রেজিস্ট্রার সংরক্ষণসহ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে আর্থিক অব্যবস্থাপনা দুর্নীতির একটি বড় উৎস। এটি রোধকল্পে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং নীতিমালা মোতাবেক স্বচ্ছতার সঙ্গে এর ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify;">এনবিআরের আওতাধীন কাস্টম হাউস, বন্ড কমিশনারেটসহ গুরুত্বপূর্ণ দফতরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি-পদায়নের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় অনেক সময় দুর্নীতি হয়। রাজস্ব কর্মকর্তাদের বদলি, পদোন্নতি ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি। কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে পদায়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা যেতে পারে। সৎ, মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদের কাস্টম হাউস, বন্ড কমিশনারেটসহ গুরুত্বপূর্ণ দফতরে পদায়ন করা উচিত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/179934/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
