<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মায়ানমার &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/myanmar/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Thu, 21 Mar 2024 05:59:19 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>মায়ানমার &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>অস্তিত্ব হুমকির মুখে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/129854/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/129854/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Mar 2024 04:02:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=129854</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তা ইতোমধ্যে ‘অস্তিত্বগত হুমকির’ সম্মুখীন হয়েছে। এই মুহূর্তে বিশ্বের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা জান্তার ‘দুঃস্বপ্নের’ শাসনের অবসান ঘটাতে সাহায্য করতে পারে। বুধবার মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত এ তথ্য জানিয়েছেন। বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ বলেছেন, জান্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা, সেইসাথে দলত্যাগ, আত্মসমর্পণ এবং নিয়োগের চ্যালেঞ্জগুলো সেনা সংখ্যা হ্রাসের দিকে পরিচালিত করেছে। বিষয়টি ‘মিয়ানমারের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তা ইতোমধ্যে ‘অস্তিত্বগত হুমকির’ সম্মুখীন হয়েছে। এই মুহূর্তে বিশ্বের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা জান্তার ‘দুঃস্বপ্নের’ শাসনের অবসান ঘটাতে সাহায্য করতে পারে।</p>
<p>বুধবার মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ বলেছেন, জান্তা বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা, সেইসাথে দলত্যাগ, আত্মসমর্পণ এবং নিয়োগের চ্যালেঞ্জগুলো সেনা সংখ্যা হ্রাসের দিকে পরিচালিত করেছে। বিষয়টি ‘মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর জন্য অস্তিত্বের হুমকি’ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, “যারা মিয়ানমারে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য জান্তার সাথে বাজি ধরেছে তারা হেরে যাওয়ার বাজি রেখেছে।”</p>
<p>২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানে ক্ষমতায় আসে সামরিক জান্তা। এরপর থেকে দেশটির আঞ্চলিক ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো জান্তার ওপর হামলা শুরু করে। সম্প্রতি কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় যেতে বাধ্য হয়েছে সামরিক বাহিনী।</p>
<p>অ্যান্ড্রুজ বলেন, “জান্তা দেশের সহিংসতা, অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অবনতি এবং অনাচারের প্রধান চালক।”</p>
<p>তিনি জানান, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো- আর্থিক প্রবাহের উপর বিধিনিষেধ এবং সামরিক ব্যবহারের জন্য সরঞ্জাম বিক্রি বন্ধ- জান্তার কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে।</p>
<p>জাতিসংঘের এই দূত সিঙ্গাপুরের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুর মিয়ানমারের কাছে সামরিক ব্যবহারের জন্য সরঞ্জাম বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে এবং গত বছর এই ধরনের বিক্রি ৮৩ শতাংশ কমেছে।</p>
<p><strong>সূত্র:<a href="https://uk.news.yahoo.com/myanmar-junta-facing-existential-threat-143514940.html" target="_blank" rel="noopener"> এএফপি</a></strong></p>
<h3>নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান রোহিঙ্গারা</h3>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যেতে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে সমাবেশ করেছেন রোহিঙ্গারা। রবিবার (১৯ জুন) সকাল ১১টায় উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে বৃষ্টি উপেক্ষা করে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে বিভিন্ন ব্লক থেকে &#8216;গো হোমথ&#8217; ব্যানার নিয়ে সমাবেশে অংশ নেন অসংখ্য রোহিঙ্গা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে পূর্বনির্ধারিত এই সমাবেশে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পাশাপাশি থানা পুলিশে সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।</p>
<p style="text-align: justify;">লম্বাশিয়া অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের সদস্য মাস্টার নুরুল আমিন, রোহিঙ্গা নেতা মৌলানা নুর হোসেন, মাস্টার ইউছুপ, মাস্টার কামাল, ডা. জুবাইর এবং মুফতি আব্দুর রহিম।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণ আমাদেরকে আশ্রয় দিয়ে যে মানবিক পরিচয় দিয়েছে তার জন্যে আমরা কৃতজ্ঞতা (শোকরিয়া) জানাচ্ছি। আমরা গত ৫ বছর এখানে অনেক ভালো আছি, কিন্তু এটি আমাদের দেশ নয়, তাই দ্রুত নিরাপদ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই। তারা আরো বলেন, বিশ্ববাসীর কাছে দাবি জানাচ্ছি, আমাদের দাবিগুলো মেনে নিয়ে স্বদেশে ফিরে যেতে সহায়তা করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এসপি নাইমুল হক জানান, পৃথক ভাবে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য এপিবিএন পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, আগামী ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একসঙ্গে পৃথক পৃথক স্থানে কয়েকটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সমাবেশে তারা গণহত্যার বিচার, দ্রুত প্রত্যাবাসনসহ ১৯টি দাবি তুলে ধরেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/129854/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/21/091022_bangladesh_pratidin_Myanmar-Junta.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আরাকান আর্মির হামলায় নিহত ৮০ মিয়ানমার সেনা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/3127/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/3127/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 02 Mar 2024 06:00:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আরাকান আর্মি]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=3127</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের রাজধানী সিত্তয়ে’তে খুব শিগগিরই জান্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে পারে আরাকান আর্মি (এএ)। এ খবরে শহর ও এর আশপাশের গ্রাম থেকে হাজার হাজার বাসিন্দা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যাচ্ছেন। খবর নারিনজারা। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘সিত্তয়ে’কে দখল করবে আরাকান আর্মি— এমন খবর শুনে তারা পালিয়ে যাচ্ছে। এখন আরও বেশি মানুষ মুক্ত এলাকায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের রাজধানী সিত্তয়ে’তে খুব শিগগিরই জান্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে পারে আরাকান আর্মি (এএ)। এ খবরে শহর ও এর আশপাশের গ্রাম থেকে হাজার হাজার বাসিন্দা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যাচ্ছেন। খবর নারিনজারা।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘সিত্তয়ে’কে দখল করবে আরাকান আর্মি— এমন খবর শুনে তারা পালিয়ে যাচ্ছে। এখন আরও বেশি মানুষ মুক্ত এলাকায় চলে যাচ্ছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">রাখাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নারিনজারা জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই একটি মাইন হামলার মাধ্যমে ইয়াঙ্গুন-সিত্তয়ে মহাসড়কের আ মিন্ট কিয়ুন মিন চাউং ব্রিজ ধ্বংস করেছে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। যাতে এএ যোদ্ধারা সিত্তয়ে এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে। যা জনসাধারণের উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাসিন্দা আরও বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি ধ্বংস করার ফলে শহরের বাসিন্দাদের সফলভাবে আটকে রাখা হয়েছে। ফলে যুদ্ধ চলাকালে পালানোর বিষয়ে শঙ্কিত তারা। তাই এখন হাতে সময় নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন বাসিন্দারা।’</p>
<p style="text-align: justify;">শুধু বেসামরিক মানুষই নয়, সামরিক কর্মকর্তা ও অন্যান্য দফতরের কর্মকর্তাদের পরিবারও শহরটি ছেড়েছে চলে যাচ্ছেন। এদিকে আরাকান আর্মি’র যোদ্ধারা বর্তমানে পোন্নাগিউন শহর দখলের জন্য জান্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে। কামানের গোলা শহরের বিদ্যুতের সাবস্টেশনে আঘাত করে। এর ফলে সিত্তয়ে’র অনেক বাসিন্দা দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ বিহীন ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অপর এক বাসিন্দা বলেন, ‘সিওয়ে শহরে ইন্টারনেট এবং ফোন সংযোগ সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। আমরা শুধুমাত্র মাইটেল পরিষেবার মাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। বিদ্যুৎ না থাকায় ফোন চার্জ করতে পারছি না। এছাড়া জ্বালানির দামও বাড়ছে। এখন আসন্ন সংঘাতের খবরে মানুষ পালাচ্ছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই নৌকায় করে পালিয়ে গেছেন। নদীর ওপারে যেতে জনপ্রতি কমপক্ষে ৫০ হাজার কিয়াট ব্যয় করতে হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তবে সিত্তয়ে থেকে পালাতে নাগরিকদের বাধা দিচ্ছেন জান্তা বাহিনী। সেনা ও পুলিশ সদস্যরা সিত্তয়ে’র পূর্ব দিকে কালাদান নদীর ধারে বাঙ্কার তৈরি করেছেন এবং নজরদারি বাড়িয়েছেন। তাই রাতের বেলা ছোট নৌকায় করে নদী পার হচ্ছেন বাসিন্দারা।</p>
<p style="text-align: justify;">জান্তা সৈন্যরা সম্ভবত বাসিন্দাদের মানব ঢাল হিসাবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে এবং তাই তারা জনসাধারণের চলাচলে বাধা দিচ্ছে বলে ধারণা করছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">রাখাইন অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে জান্তা বাহিনী ও এএ যোদ্ধারা যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। এখন পর্যন্ত ৯টি শহরের পাশাপাশি জান্তার সামরিক ঘাঁটি, পুলিশ স্টেশন, কৌশলগত অপারেশন কমান্ড ঘাঁটি এবং ব্যাটালিয়নের নিয়ন্ত্রণ দখল করেছেন এএ যোদ্ধারা।</p>
<h3>আরাকান আর্মির হামলায় নিহত ৮০ মিয়ানমার সেনা</h3>
<p style="text-align: justify;">বিদ্রোহী আরাকান আর্মির (এএ) হামলায় <a href="https://worldbarta.com/news/tag/myanmar/" target="_blank" rel="noopener">মিয়ানমারে</a>র রাখাইনে প্রায় ৮০ জান্তা সেনা নিহত হয়েছে। ওই রাজ্যের রামরি দ্বীপে অবস্থিত রামরি শহরে এই ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিন দিনের লড়াইয়ে এসব সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে রাখাইনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।</p>
<p style="text-align: justify;">রাখাইনে আরাকান <a href="https://worldbarta.com/news/tag/army/" target="_blank" rel="noopener">আর্মি</a>র সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য গত শনিবার রামরিতে নতুন করে সেনা পাঠায় জান্তা সরকার। শনিবার চারটি সামরিক হেলিকপ্টারে করে ১২০ সেনা নামে রামরিতে। আরাকান আর্মির দাবি, দুই দিনে এসব সেনার তিন ভাগের দুই ভাগ নিহত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আরাকান আর্মি বলছে, গত শনিবার এসব সেনার প্রায় ৬০ জন তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে নিহত হয়। এসব সেনার মরদেহ উদ্ধার করার সময় বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করেছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিদ্রোহী আরাকান আর্মি বলছে, শনিবারের পর সোমবার রামরি দ্বীপ থেকে পিছু হটার সময় তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে জান্তা বাহিনীর আরও ২০ সেনা নিহত হয়। তাদের কাছ থেকেও গোলাবারুদ ও খাদ্যসামগ্রী জব্দ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">রামরি শহরে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সশস্ত্র লড়াই শুরু হয় গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। শহরটিতে জান্তা বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে আরাকান আর্মি হামলা করার পর এ লড়াই শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আরাকান আর্মি বলছে, এর পর থেকে শহরটিতে বিদ্রোহীদের অবস্থান নিশানা করে জল, স্থল ও আকাশপথে বোমা হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী। জান্তার হামলায় শহরটির অনেক বাড়িঘর ধসে পড়েছে। এছাড়া শহরের একটি হাসপাতাল ও বিপণিবিতানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.irrawaddy.com/news/war-against-the-junta/myanmar-junta-suffers-disaster-in-battle-for-rakhine-township-aa.html" target="_blank" rel="noopener">ইরাবতি</a></strong></p>
<h3>রোহিঙ্গাদের তুলে নিয়ে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিচ্ছে মিয়ানমার!</h3>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা পুরুষদের গ্রাম ও ক্যাম্প (আইডিপি) থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এসব রোহিঙ্গাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও গণতন্ত্রপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে দেশটির জান্তা সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">অধিকারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারাদের বরাতে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রোহিঙ্গা পুরুষদের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাজ্যে পাঠাতে জান্তার সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। রাখাইনের গ্রাম ও ক্যাম্প থেকে কমপক্ষে ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে দুই সপ্তাহের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের জন্য সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নে সান লুইন বলেন, “প্রশিক্ষণের সময়কাল মাত্র দুই সপ্তাহ। জান্তা বাহিনী তাদেরকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে মাত্র দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">শহরতলীর বাসিন্দা এবং রোহিঙ্গা কর্মীরা জানিয়েছেন, আরাকান আর্মির (এএ) বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সিতওয়ে ও বুথিদাউং শহরের গ্রাম এবং আইডিপি ক্যাম্প থেকে ইতোমধ্যে অন্তত ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে জান্তা বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">১০ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীতে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী পুরুষদের বাধ্যতামূলক কাজ করার আইন করার পর থেকে জান্তা এই প্রক্রিয়া শুরু করে। সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নেতাদের এবং প্রশাসকদের গ্রাম এবং বুথিডাং, মংডু ও সিতওয়ে আইডিপি ক্যাম্পে পুরুষদের তালিকা তৈরি করার জন্য চাপ দিয়েছে। প্রতিটি ছোট গ্রামের জন্য কমপক্ষে ৫০ পুরুষ এবং প্রতিটি আইডিপি ক্যাম্প ও বড় গ্রাম থেকে কমপক্ষে ১০০ পুরুষের তালিকা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নে সান লুইন বলেন, “বুধবার আমরা যা নিশ্চিত হতে পেরেছি তা হচ্ছে, সিতওয়ের আইডিপি ক্যাম্প থেকে অন্তত ৩০০ জনের খসড়া করা হয়েছে এবং তারা এখন (সামরিক) প্রশিক্ষণের মাঠে রয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">জান্তা সেনারা ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি বুথিডাং শহরতলীর চারটি গ্রাম থেকে কমপক্ষে ১০০ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য নিকটবর্তী একটি সামরিক ঘাঁটিতে পাঠিয়েছে বলে জানান লুইন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, নতুন সেনা নিয়োগ আইন শুধুমাত্র মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা বাসিন্দা এবং অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, সামরিক জান্তা রোহিঙ্গা পুরুষদের বলেছে যে তারা সেনাবাহিনীতে চাকরি করলে প্রত্যেকে এক বস্তা চাল, একটি নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র এবং মাসিক এক লাখ ৫০ হাজার কিয়াট (৪১ ডলার) বেতন পাবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.irrawaddy.com/news/burma/rohingya-men-in-myanmar-are-being-forcibly-recruited-by-the-juntas-military.html" target="_blank" rel="noopener">দ্য ইরাবতি</a></strong></p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://worldbarta.com/news/tag/myanmar/">মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের কনসার্টে বিমান হামলায় গায়কসহ নিহত ৬০</a></p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য কাচিনে স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর আয়োজিত এক কনসার্টে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে দেশটির প্রখ্যাত শিল্পী ও গায়করাও রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার স্থানীয় সূত্রের বরাতে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কাচিনের কানসি গ্রামের ওই হামলায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর তিনটি বিমান অংশ নেয় বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে প্রকাশ, হামলার পর ঘটনাস্থলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা গেছে। খোলা মাঠজুড়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়া যানবাহন ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এই হামলায় অন্তত ১০০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য কাচিনের শক্তিশালী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স অর্গানাইজেশনের (কেআইও) ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসাবে শিল্পীরা মঞ্চে পারফর্ম করার সময় ওই হামলার ঘটনা ঘটে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/3127/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/02/24/085724_bangladesh_pratidin_rohingya.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জেড খনির দখল নিয়ে জান্তা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াই</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/138762/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/138762/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Feb 2024 08:10:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=138762</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেড (মূল্যবান পাথর) খনির দখল নিয়ে বিদ্রোহী গ্রুপ কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (কেআইএ) এবং সামরিক জান্তার মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এই পাথর দিয়েই বানানো হয় মূল্যবান জেড পাথর। স্থানীয় অধিবাসী এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বছরের শুরু থেকেই এই যুদ্ধ শুরু হয়। তবে যুদ্ধ বর্তমানে তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেড (মূল্যবান পাথর) খনির দখল নিয়ে বিদ্রোহী গ্রুপ কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (কেআইএ) এবং সামরিক জান্তার মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এই পাথর দিয়েই বানানো হয় মূল্যবান জেড পাথর।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় অধিবাসী এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বছরের শুরু থেকেই এই যুদ্ধ শুরু হয়। তবে যুদ্ধ বর্তমানে তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর অর্থ সংগ্রহের জন্য জান্তাবাহিনী এবং বিদ্রোহী গ্রুপ কেআইএ নির্ভরশীল হয়ে পড়ে প্রাকৃতিক এই উৎসের ওপর।</p>
<p style="text-align: justify;">কাচিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক অং সেইন মিন বলেন, এর মধ্যে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হপাকান্ত। তিনি বলেন, সশস্ত্র গ্রুপগুলো এই এলাকাকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, এটা সামরিক এবং আর্থিক সমর্থনের জন্য কৌশলগত এক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এ জন্য জেড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে জোর লড়াই করছে উভয়পক্ষ।</p>
<p style="text-align: justify;">গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে মোট যে পরিমাণ জেড পাথর উৎপাদন হয় তার প্রায় ৭০ ভাগই মিয়ানমারের এই খনির।</p>
<p style="text-align: justify;">এই পাথর প্রতিবেশী চীনে ভীষণ জনপ্রিয়। গত ২০ জানুয়ারি ৩৩তম মিলিটারি ডিভিশনের কাছ থেকে জান্তাবিরোধী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ) এবং কেআইএ একসঙ্গে কৌশলগত পাহাড় হওয়ে হকার দখলে নিতে আক্রমণ করে এবং তা তাদের দখলে নেয়। মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে  প্রবেশের জন্য হপাকান্ত একটি বড় গেটওয়ে বা প্রবেশদ্বার।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় অধিবাসীরা বলেছেন, ২ ফেব্রুয়ারি ন্যাম তেইন সামরিক ক্যান্ড নিজেদের দখলে নিয়েছে কেআইএ এবং পিডিএফ। নাম প্রকাশ না করে একজন অধিবাসী বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়। এক দশক ধরে এখানে অবস্থান করছিল সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের মারাত্মক হামলায় এসব পাহাড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে জান্তা বাহিনী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র:<a href="https://www.rfa.org/english/news/myanmar/jade-area-battles-02262024172807.html" target="_blank" rel="noopener"> রেডিও ফ্রি এশিয়া</a></strong></p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://worldbarta.com/news/tag/myanmar/">মিয়ানমারের ৭ এলাকায় জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা</a></p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের উত্তর শান প্রদেশের দখলকৃত ৭টি এলাকায় একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী সংগঠন পালাউং স্টেট লিবারেশন ফ্রন্ট (পিএসএলএফ)। আগামী বছরে তারা এই সরকার গঠন করবে। খবর দ্য ইরাবতি।</p>
<p style="text-align: justify;">পিএসএলএফ হলো দেশটির সশস্ত্র সংগঠন তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (টিএনএলএ) রাজনৈতিক শাখা। দলটি ১৯৯২ সালে থাই সীমান্তে গঠিত হয়েছিল। শান প্রদেশের নামহসান, মান্টং, নামহকাম, কুটকাই, নামতু, মংলোন এবং মংগাও দখল করেছে টিএনএলএ’র যোদ্ধারা।</p>
<p style="text-align: justify;">যেকোনো সশস্ত্র সংস্থার দ্বারা জোরপূর্বক নিয়োগ করা প্রতিরোধ এবং কর আদায়ে হস্তক্ষেপ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পিএসএলএফ।</p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি এবং আরাকান আর্মির (এএ) মতো ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের জোটভুক্ত টিএনএলএ। জোট গত বছরের ২৭ অক্টোবর উত্তর শান রাজ্য জুড়ে অপারেশন ১০২৭ শুরু করে। তারা প্রায় ২০টি শহর এবং চীনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ দখল করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পিএসএলএফ সভাপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল টার আইক বং গত জানুয়ারিতে তায়াং জাতীয় বিপ্লব দিবসের বক্তৃতায় তায়াং প্রবাসীদের মুক্ত এলাকা পুনর্গঠনে নিজ নিজ এলাকায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘মুক্ত করা এলাকাগুলোকে পুনরুদ্ধার করার পদক্ষেপ হিসেবে আমরা জনগণকে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তরিকভাবে আহ্বান জানাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">একইসঙ্গে মুক্ত এলাকায় ন্যায্য ও নিরপেক্ষ আইন এবং একটি নতুন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল টার আইক বং।</p>
<p style="text-align: justify;">ইতোমধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কুটকাই এবং নামতুতে নিজেদের প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করছে পিএসএলএফ। তায়াং কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক উন্নয়নের নিশ্চয়তা দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিউকমের এক বাসিন্দা বলেছেন, ‘সামরিক স্বৈরশাসনের হাত থেকে মুক্তি পাওয়াই আমাদের স্বপ্ন। আমরা টিএনএলএ’র উপর নির্ভর করি এবং আশা করি তারা মুক্ত এলাকাগুলোর উন্নয়ন করতে পারবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">পিএসএলএফ’র বার্ষিক সভা এই মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এতে ১৮৫ জন সদস্য অংশ নিয়েছিলেন। এক বিবৃতিতে পিএসএলএফ জানায়, মিয়ানমারের জনগণকে বর্তমান শাসন ব্যবস্থা ভাঙতে এবং একটি ফেডারেল, গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত। যেখানে সব জাতিগোষ্ঠী শান্তিপূর্ণভাবে সহযোগিতা করতে পারে। তায়াং সম্প্রদায় বিরোধ ও সামরিক শাসনে জর্জরিত।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://worldbarta.com/news/tag/myanmar/">কে জিতল মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে ?</a></p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে এগিয়ে রয়েছে কারা? এটি কি সেনাবাহিনী, যেটি সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে, নাকি বিভিন্ন সশস্ত্র প্রতিবাদী গোষ্ঠী, যারা গোরিলা কৌশল অবলম্বন করে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছে?</p>
<p style="text-align: justify;">প্রশ্নটি শুধু দেশটির ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের নয়, বরং প্রতিবেশি দেশগুলো এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা পর্যবেক্ষকরাও একই প্রশ্ন করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ছয় সপ্তাহে ইংরেজি ভাষায় বিভিন্ন প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ এবং সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে যেখানে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এশিয়া টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের শিরোনাম, “মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কি যুদ্ধে হারতে শুরু করেছে?”</p>
<p style="text-align: justify;">সামরিক বাহিনী এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ডেভিস মনে করেন যে সেনাদের বিরুদ্ধে লড়া প্রতিবাদী শক্তিগুলো জয় পাচ্ছে যদিও সেনাঅভ্যুত্থানের পরপরই তিনি মনে করেছিলেন যে, কোনেও ধরনের প্রতিবাদ কোনেও ফল বয়ে আনবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ডেভিস আরও কয়েকটি পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে, আপনি কোন পত্রিকা পড়ছেন তার উপরেও বিষয়টি অনেকটা নির্ভর করে। যেমন, দ্য ইকোনোমিস্টে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের শিরোনাম, “মিয়ানমারের প্রতিরোধ শক্তি নিজেদের প্রচারণা বিশ্বাসের ঝুঁকিতে রয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">এতে লেখা হয়েছে যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রেজিস্টেন্স মুভমেন্টের জয় আসন্ন বলা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্য ইকোনোমিস্টের প্রতিবেদনে বরং বলা হচ্ছে যে জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ক্রমশ ভেঙে ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে এবং অস্ত্রের অভাবে তাদের পক্ষে গোরিলা হামলা এবং গুপ্তহত্যার বাইরে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ফলে একবারে সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না কারা এগিয়ে রয়েছে, বা কারা পিছিয়ে পড়ছে। এমনকি যোদ্ধ এবং অস্ত্র সংক্রান্ত পরিসংখ্যানগুলোও বিশ্লেষণভেদে আলাদা আলাদা হচ্ছে৷ যেমন ‘ওয়ার অন দ্য রকস&#8217;-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে যে মিয়ানমারের ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ)’-এর একলাখের মতো যোদ্ধা রয়েছে, যাদের ৪০ শতাংশের কাছে প্রচলিত এবং অপ্রচলিত বিভিন্ন অস্ত্র রয়েছে, যেগুলোর কোনও কোনোটি ঘরে তৈরি।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু ডেভিসের হিসেবে সেনা সংখ্যা ৫০ হাজার থেকে একলাখের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে বিশ শতাংশেরও কম সশস্ত্র।</p>
<p style="text-align: justify;">সমস্যা হচ্ছে, মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত অধিকাংশ প্রতিবেদনই অনির্ভরযোগ্য তথ্য নির্ভর। আর দেশটির গণমাধ্যমও এক্ষেত্রে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরছে না। তাই, এই গৃহযুদ্ধ কোন দিকে মোড় নিচ্ছে বলা মুশকিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/138762/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com//assets/news_images/2022/07/05/084929_bangladesh_pratidin_Myanmar1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমারে সংঘাত; ওপারে থেমে থেমে গুলি, আতঙ্ক এপারে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2158/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2158/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Feb 2024 04:10:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বার্মা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2158/</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে দেশটি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন আরও ১১৪ জন। তাঁদের মধ্যে আছেন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, সেনাসদস্য ও সরকারি কর্মকর্তা। উখিয়ার রহমতের বিল এলাকার আধা কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমারের সীমান্ত ঢেঁকিবনিয়া। মঙ্গলবার দুপুরে রহমতের বিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখেমুখে আতঙ্ক। অনেকে ঘর ছেড়ে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। একই অবস্থা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে দেশটি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন আরও ১১৪ জন। তাঁদের মধ্যে আছেন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, সেনাসদস্য ও সরকারি কর্মকর্তা।</p>
<p style="text-align: justify;">উখিয়ার রহমতের বিল এলাকার আধা কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমারের সীমান্ত ঢেঁকিবনিয়া। মঙ্গলবার দুপুরে রহমতের বিল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখেমুখে আতঙ্ক। অনেকে ঘর ছেড়ে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে চলে যাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একই অবস্থা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায়। দিনের মতো রাতেও গুলি বর্ষণ হওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটছে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে মঙ্গলবার উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও ১৪৯ জন সদস্য ঢুকে পড়েছেন। পরে তাঁরা আত্মসমর্পণ করে অস্ত্র জমা দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, কিছুক্ষণ পরপর গুলি শব্দ। এলাকার লোকজন আতঙ্কে আছেন। অনেকের বাড়িঘরে এসে গুলি পড়ছে। নিরাপত্তার জন্য তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়া সীমান্তচৌকি ঘিরে রাতভর মর্টার শেল ও গোলাবর্ষণে কেঁপে উঠছে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার অন্তত ১৩টি গ্রাম। সোমবার রাত নয়টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত অনবরত এই গোলাবর্ষণ ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ফলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের মধ্যমপাড়া, জলপাইতলী, মণ্ডলপাড়া, নয়াপাড়া, কোনারপাড়া, পশ্চিমকুল, বেতবুনিয়া বাজার পাড়া এবং উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের উখিয়ার ঘাট, পূর্ব ফাঁড়ির বিল, নলবনিয়া, আঞ্জুমান পাড়া, বালুখালী, দক্ষিণ বালুখালী এলাকা কেঁপে ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে দেশটি থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন আরও ১৪৯ জন। তাঁদের মধ্যে মিয়ানমারের সেনাসদস্য, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। এ নিয়ে গত রবিবার থেকে দেশটির মোট ২৬৪ জন পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন। এঁদের বেশির ভাগ বিজিপির সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">রামু সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মেহেদি হোসাইন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের ভেতরে যাতে প্রাণহানি না ঘটে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত যাঁরা এসেছেন, তাঁরা বর্ডার গার্ড পুলিশের অ্যাসোসিয়েটেড। ভাষাগত ও অন্যান্য সমস্যার কারণে এর বাইরে আমরা পরিচয় বের করতে পারিনি।’ এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, নিরাপদে থাকবেন। এই মুহূর্তে প্রয়োজন না হলে সীমান্তের কাছাকাছি যাবেন না।</p>
<h3>মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলে বাংলাদেশি নিহত</h3>
<p style="text-align: justify;">বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুমে সীমান্তে মিয়ানমারের ছোড়া মর্টারশেল বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছন।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (৫ জানুয়ারি) আড়াইটার দিকে ঘুমধুমে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহতদের মধ্যে একজন হোসনেয়ারা (৪৫) নামে বাংলাদেশি নারী। ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলী এলাকায় বাদশা মিয়ার স্ত্রী। আপরজন অজ্ঞাত এক রোহিঙ্গা শ্রমিক (৫৫)। রোহিঙ্গা শ্রমিকের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য খালেদ বেগম তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয়রা জানান, আজ কাজ শেষে দুপুরে দিনমজুরি রোহিঙ্গাকে খাবার দিতে গেলে হঠাৎ করে ওপার থেকে মিয়ানমার ছোঁড়া মর্টারশেল ঘরের ভেতরে এসে পড়ে। এ সময় মর্টারশেল বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলে রোহিঙ্গা শ্রমিক মারা যান। আহত হন হোসনেয়ারা। পরে তাকে উদ্ধার করে এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নাইক্ষ্যংছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টারশেলে দুইজন নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম যাচ্ছে। পরে বিস্তারিত বলা যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি’র সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘর্ষ চলছে। রোববার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত ২টা পর্যন্ত কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়েনের ধামনখালী সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অভ্যন্তরের ঢেঁকিবুনিয়া এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি ও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আরকান আর্মির সঙ্গে চলমান সংঘাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা সীমান্তরক্ষীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ জন। সোমবার সকাল পৌনে ৮টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার বিজিপি’র সদস্যের মধ্যে ১৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক। তারা কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে সোমবার ভোর পর্যন্ত নতুন করে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৭ জনের কতজন আহত তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2158/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/media_cache/2024/02/cox-800x420.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার : পররাষ্ট্রমন্ত্রী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/5040/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/5040/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Feb 2024 08:19:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বার্মা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=5040</guid>

					<description><![CDATA[পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে দেশটির সরকার। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।’ আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। ঢাকায় নিযুক্ত থাইল্যান্ড ও লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে দেশটির সরকার। ইতোমধ্যে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকায় নিযুক্ত থাইল্যান্ড ও লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।</p>
<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে সেদেশের ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার আমাদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তারা তাদের সীমান্তরক্ষীদের ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কীভাবে ফিরিয়ে নেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জানান, এর আগে মিয়ানমার থেকে ভারতেও আশ্রয় নিয়েছিল মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা। তাদেরও ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ৯৫ জন বিজিপির সদস্য বাংলাদেশে এসেছেন। আরও আসতে পারেন। তবে আমাদের সীমান্ত অরক্ষিত নয়। সেখানে আমাদের বিজিবি সজাগ রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/5040/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/02/05/155151_bangladesh_pratidin_hasan.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশে মায়ানমার সেনাবাহিনীর সৈনিক আশ্রয়প্রার্থী বেড়ে ৬৮</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/66027/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/66027/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Feb 2024 06:45:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বার্মা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=66027</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে ভয়াবহ গোলাগুলির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে শক্ত অবস্থান নিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বার্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি)। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সমুদ্রে টহল বাড়ানো হয়েছে কোস্টগার্ডের। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে পুলিশ বাহিনীকেও। এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে চলা গোলাগুলির ভয়াবহতায় পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মিয়ানমারের সীমান্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে ভয়াবহ গোলাগুলির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে শক্ত অবস্থান নিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বার্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি)। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সমুদ্রে টহল বাড়ানো হয়েছে কোস্টগার্ডের। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে পুলিশ বাহিনীকেও।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে চলা গোলাগুলির ভয়াবহতায় পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যরা। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতের তথ্য অনুযায়ী বিজিবির ক্যাম্পে আশ্রয়প্রার্থী বিজিপি সদসস্যের সংখ্যা ৬৮ জন। এর বাইরেও মিয়ানমারের কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। বিজিবি জানিয়েছে, পালিয়ে আসা মিয়ানমারের নাগরিকদের ক্যাম্পে রাখা হয়েছে নির্দেশনা অনুযায়ী।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় তা বলা যাচ্ছে না। কোনোভাবে বাংলাদেশের সীমান্তে আক্রমণ শুরু হলে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকতে হবে। এ কারণেই সব ধরনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়ে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। এর আগে বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার মধ্যরাতে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম এক বার্তায় জানান, মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির ৬৮ জন সদস্য অস্ত্রসহ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বার্তায় বলা হয়, তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে বিজিবি। এর মধ্যে আহত ১৫ জনের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে রোববার বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বিজিপির সদস্য ছিলেন ১৪ জন। ওই সময় সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা যুদ্ধের জন্য নয়, আত্মরক্ষার জন্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।’ তবে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ যুদ্ধ চায় না উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাই না। তার মানে এই নয় যে আমাদের গায়ের ওপরে পড়ে গেলে আমরা ছেড়ে দেবো। আমরা সবসময় তৈরি আছি। সতর্ক রয়েছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তাদের ফেরত পাঠাতে এরই মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তবে যুদ্ধের সময় অন্য যদি এভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে, তাহলে তাদেরও আটক রেখে ফেরত পাঠাতে হবে। কেউ ঢুকে গেলে ফেরত পাঠানো ছাড়া তো আর কিছু করার থাকে না। তাই যে-ই প্রবেশ করবে, তাকেই আমরা আটক করে ফেরত পাঠাব।</p>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠন ও দলের সংঘাত চলছে গত কয়েকদিন ধরেই। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে সেই সংঘাতের আঁচ এসে লেগেছে বাংলাদেশেও। দুই-তিন হলো ওই এলাকায় সীমান্ত গ্রামগুলোর বাসিন্দারা তীব্র গোলাগুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে এলাকা ছেড়েছেন। সিময়ানমার থেকে গুলি এসে গ্রামগুলোতে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। রোববার গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ পরিস্থিতিতে সীমান্তের পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যেই রোববার মিয়ানমারের বিজিপিসহ বেসামরিক নাগরিকদের বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা ঘটল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/66027/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/11/14/001643_bangladesh_pratidin_myanmar-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রোহিঙ্গা রাজ্য ‘রাখাইন’ দখলের দাবি আরাকান আর্মির</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2444/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2444/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Dec 2023 05:15:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আরাকান আর্মি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2444/</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে হটিয়ে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম অধ্যুষিত মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে ওই অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন করে আসা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। এছাড়াও চীন ও ভারত সীমান্ত লাগোয়া একাধিক রাজ্যের বেশিরভাগ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সামরিক বাহিনীর সাথে লড়াইরত সেখানকার বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলো। থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের সংবাদমাধ্য ‘দ্য ইরাবতি’র প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে হটিয়ে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম অধ্যুষিত মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে ওই অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন করে আসা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও চীন ও ভারত সীমান্ত লাগোয়া একাধিক রাজ্যের বেশিরভাগ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সামরিক বাহিনীর সাথে লড়াইরত সেখানকার বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলো।</p>
<p style="text-align: justify;">থাইল্যান্ডভিত্তিক মিয়ানমারের সংবাদমাধ্য ‘দ্য ইরাবতি’র প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরাকান আর্মি (এএ) দাবি করে বলেছে, তারা সামরিক বাহিনীকে হটিয়ে রাখাইন রাজ্যের ১৭টি শহরের মধ্যে অন্তত ১৫টি এবং প্রতিবেশী চিন রাজ্যের পালেতওয়া শহরের দখল সামরিক নিয়েছে। এই দুই রাজ্যে সেনাবাহিনীর ১৪২টি সামরিক চৌকির দখলও নিয়েছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় স্যাগাইং অঞ্চলের ভারত সীমান্তের কাছের শহর খামপাতও দখল করেছে সেখানকার বিদ্রোহীগোষ্ঠীগুলো। শহরটির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে গত ১০ ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়ন ২২৮ ও ৩৯১ এর প্রায় ২০০ সৈন্য লড়াই করছে। বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে স্থল ও আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী।</p>
<p style="text-align: justify;">আরাকান আর্মির এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৪৫ দিন ধরে রাখাইন ও চিন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে বিদ্রোহীরা। এ সময় রাখাইনের রাজধানী সিত্তের একটি এবং অন্য ১৪টি শহরের সামরিক ঘাঁটিগুলোর দখল নিয়েছে তারা। এছাড়া চিন রাজ্যের পালেতওয়া শহরে জান্তা বাহিনীর ১৭টি ঘাঁটির দখলও নিয়েছে বিদ্রোহীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তর রাখাইন রাজ্যের ম্রাউক ইউ, পাকতাও ও মংডু শহরে এবং দক্ষিণ চিনের পালেতওয়াতে সামরিক বাহিনীর সাথে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ চলছে। গত বুধবার ম্রাউক ইউ শহরের কোয়ে থাউং গির্জার কাছে আরাকান আর্মি ও সামরিক বাহিনীর মাঝে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এই সংঘাতে জান্তা বাহিনীর ব্যাপক সংখ্যক সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পরে বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায় মিয়ানমারের জান্তা।</p>
<p style="text-align: justify;">রাখাইনের ম্রাউক ইউ শহরের বাসিন্দারা বলেছেন, পায়ার ওয়াক, ইওয়ার হং তাও, পিপিন কোন ও মং থার কোন গ্রামে সামরিক বাহিনীর বিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.irrawaddy.com/news/war-against-the-junta/arakan-army-claims-victories-over-myanmar-junta-across-rakhine-state.html" target="_blank" rel="noopener">ইরাবতি</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2444/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোখার আঘাত মিয়ানমারের রাখাইনে (ভিডিও)</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/259499/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 May 2023 10:01:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ঘূর্ণিঝড়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=259499</guid>

					<description><![CDATA[অতিপ্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব মিয়ানমারে পড়তে শুরু হয়েছে। আজ রবিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে দেশটির রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিট্যুয়েতে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে। এতে একটি মোবাইল টাওয়ার ধাক্কায় ভেঙে পড়েছে। মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ’র খবরে বলা হয়েছে, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের পর যখন ঘূর্ণিঝড়টি সিট্যুয়েতে আঘাত হানে। তখন এর প্রভাবে গাছা-পালা উপড়ে যায়। এমনকি বাতাসের তীব্র [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অতিপ্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব মিয়ানমারে পড়তে শুরু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ রবিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে দেশটির রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিট্যুয়েতে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে। এতে একটি মোবাইল টাওয়ার ধাক্কায় ভেঙে পড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://myanmar-now.org/en/news/cyclone-mocha-update/" target="_blank" rel="noopener"><strong>মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ’র খবরে বলা হয়েছে,</strong></a> দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের পর যখন ঘূর্ণিঝড়টি সিট্যুয়েতে আঘাত হানে। তখন এর প্রভাবে গাছা-পালা উপড়ে যায়। এমনকি বাতাসের তীব্র গতির কারণে বাড়ি-ঘরও কেঁপে ওঠে।</p>
<div class="jeg_video_container jeg_video_content"><iframe title="စစ်တွေမြို့တွင်း အခြေအနေ (မေ ၁၄၊ နံနက် ၁၀နာရီ)" width="500" height="281" src="https://www.youtube.com/embed/Vkc8FnLbJMQ?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></div>
<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের আবহাওয়া দপ্তর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানিয়েছিল, ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটারের বেশির ঝড়ো হাওয়া নিয়ে রাখাইনের সিট্যুয়ের দিকে ঘূর্ণিঝড়টি এগিয়ে আসছে। ওই সময় সংস্থাটি আরও জানিয়েছিল, বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে সিট্যুয়ে থেকে ঝড়টি ৮০ মাইল দক্ষিণ-পূর্ব, মুংডো থেকে ৮৫ মাইল দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব এবং রাখাইনের কাইয়াফ্যু থেকে ১০০ মাইল পূর্ব দিকে অবস্থান করছিল।</p>
<div class="jeg_video_container jeg_video_content"><iframe title="မိုခါမုန်တိုင်း ဝင်ရောက်တိုက်ခတ်နေပြီ" width="500" height="281" src="https://www.youtube.com/embed/t9R0hJ7epzk?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/14/153327_bangladesh_pratidin_Mocha.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমার সেনাপ্রধানের বাংলাদেশকে ধন্যবাদ । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/20787/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/20787/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jan 2023 03:00:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বার্মা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=20787</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ, ভারতসহ কয়েকটি দেশকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ইতিবাচক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ায় এসব দেশকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বুধবার (৪ জানুয়ারি) ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মিন অং হ্লেইং। ১৯৪৮ সালের এদিনে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিল দেশটি। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ, ভারতসহ কয়েকটি দেশকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ইতিবাচক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ায় এসব দেশকে ধন্যবাদ জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (৪ জানুয়ারি) ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মিন অং হ্লেইং। ১৯৪৮ সালের এদিনে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিল দেশটি। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের ভাষণ প্রচার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় তার দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য কিছু দেশের সমালোচনা করেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান। বিপরীতে দীর্ঘদিন ধরে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ায় চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, লাওস ও বাংলাদেশকে ধন্যবাদ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জান্তাপ্রধান বলেন, আমি কিছু দেশ এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। নানা সমালোচনা, চাপ, হামলার মধ্যেও এসব দেশ ও সংগঠন আমাদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েই দায়িত্ব সারেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে কোনো কিছুই বলেননি তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">
সূত্র : <strong><a href="https://www.aljazeera.com/news/2023/1/4/myanmars-military-honours-anti-muslim-monk-frees-prisoners" target="_blank" rel="noopener">আল জাজিরা</a></strong>, <strong><a href="https://www.nbcnews.com/news/world/myanmar-junta-hits-critics-thanking-countries-help-rcna64185" target="_blank" rel="noopener">এনবিসি নিউজ </a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/20787/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/01/05/020318_bangladesh_pratidin_Myanmar.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>অর্ধেক মিয়ানমার আমাদের নিয়ন্ত্রণে: এনইউজির । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/619/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/619/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Oct 2022 03:00:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/619/</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারের অর্ধেকের বেশি ভূখণ্ডের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এখন জান্তাবিরোধীদের হাতে। গতকাল শুক্রবার রাতে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেছে মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি)। একই সঙ্গে মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে ছয় ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। মিয়ানমারের জনগণের আত্মরক্ষার বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে এনইউজি ওই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। এতে এনইউজির প্রতিনিধিরা মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph" style="text-align: justify;">মিয়ানমারের অর্ধেকের বেশি ভূখণ্ডের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এখন জান্তাবিরোধীদের হাতে। গতকাল শুক্রবার রাতে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেছে মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি)।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে ছয় ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। মিয়ানমারের জনগণের আত্মরক্ষার বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে এনইউজি ওই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে এনইউজির প্রতিনিধিরা মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ের বিভিন্ন দিক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে এনইউজির তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী টিন লিন অং বলেন, তাঁদের কাছে এমন অস্ত্র আছে যা দিয়ে বিমান ধ্বংস করা যাবে। তিনি বলেন, ‘বিমান বিধ্বংসী অস্ত্রগুলো বিভিন্ন জায়গায় বসানো আছে। আমি বলছি না, সেগুলো কোথায়। তবে যদি যুদ্ধবিমান আসে, তাহলে সেগুলো গুলি করে নামানো হবে। ’ যদিও এনইউজির কাছে কী ধরনের অস্ত্র আছে তা তিনি স্পষ্ট করেননি। তবে এনইউজি বিমান হামলা ঠেকাতে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ার চেষ্টা করছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এনইউজির মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, যে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারগুলো এখন মিয়ানমারের জনগণের ওপর গোলাবর্ষণ করছে, একদিন সেগুলোর পাইলটদেরও বিচার হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এনইউজির কর্মকর্তারা বলেন, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে এনইউজি ও বিপ্লবী বাহিনীগুলো উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। রাজনীতি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ, প্রশাসন ও যুদ্ধের মাঠেই কেবল সাফল্য নয়, তারা ভবিষ্যতে মিয়ানমারের সবাইকে নিয়ে একটি গণতন্ত্র উপহার দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, ‘‘এনইউজি নিয়মতান্ত্রিক সামরিক বাহিনী ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্স’ সৃষ্টি করেছে। এটি কেবল আত্মরক্ষাই নয়, আমাদের মিত্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সহযোগিতায় সন্ত্রাসী সামরিক কাউন্সিলের সেনাবাহিনীকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারে। ”</p>
<p style="text-align: justify;">এনইউজির প্রতিনিধিরা বলেন, এনইউজি ও মিত্র নৃগোষ্ঠীগুলো মিলে আজ সারা দেশের ৫০ শতাংশেরও বেশি এলাকায় কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। জনগণ সম্ভাব্য সব উপায়ে জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ছে। জান্তার প্রশাসন কাঠামো ধসে পড়ছে। এর ফলে জাতীয় বাজেটে টান পড়ছে। মূল্যস্ফীতি ব্যাপক মাত্রায় বাড়ছে। মুদ্রার মান কমছে। জনগণের ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে এনইউজির প্রতিনিধিরা বলেন, বিদেশ থেকে মিয়ানমারের জান্তার কাছে অর্থ পৌঁছানো ঠেকাতে এনইউজি সম্ভাব্য সব কিছু করবে। জান্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমতের কারণে এনইউজির আর্থিক ও বৈপ্লবিক প্রয়োজনে বেশ অগ্রগতি হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এনইউজির কর্মকর্তারা বলেন, যারা জান্তার সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েছিল তারা এখন পালাতে শুরু করেছে। সামরিক বাহিনী বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরাজয় আড়াল করার চেষ্টা করছে। জনগণের বিরুদ্ধে জান্তা আরো কঠোর হচ্ছে। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উসকানি দিয়ে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে। জান্তা ২০২৩ সালে মিয়ানমারে যে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে তা কেউ মেনে নেবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলন থেকে মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে নির্মূল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্যে আরো সুসংহত পিপলস ডিফেন্স ফোর্স ও সম্মিলিত মিত্র বাহিনী গঠন, প্রশাসনিক কাঠামো বাস্তবায়ন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মিয়ানমারের বিপ্লব তুলে ধরার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এনইউজির প্রতিনিধিরা বলেন, জান্তার সামরিক কাউন্সিলকে রাজনৈতিক, সামরিক, প্রশাসনিক ও আইনিভাবে পরাস্ত করাই শুধু নয়, সামরিক কাঠামোকে ধ্বংস করা সম্ভব। জনগণের প্রতিরোধের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। জান্তা যাতে তাদের পিছু হটার পরিকল্পনা করতে না পারে সে জন্য এনইউজি ও মিত্র বাহিনীগুলো ছয়টি ফ্রন্টে সর্বাত্মক যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এনইউজির প্রতিনিধিরা জানান, গত এক বছর ছিল তাদের বিপ্লবের ভিত্তি। আগামী বছর তারা বিপ্লবের ফল পাওয়ার চেষ্টা করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছর ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এপ্রিলে এনইউজি গঠিত হয়। মিয়ানমারে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত এই সরকার মূলত কাজ করছে প্রবাসী সরকার হিসেবে। তবে মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন গোষ্ঠী এনইউজিকে তাদের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার হিসেবে মেনে নিয়ে জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/619/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/8f10ba24d9b5e0589174e0887e3bd38c455b47e582b95cb5.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মিয়ানমার সীমান্তে যুদ্ধবিমানের আনাগোনা, সতর্ক বিজিবি । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/177458/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/177458/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Sep 2022 04:44:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=177458</guid>

					<description><![CDATA[মিয়ানমারের সীমান্তে মঙ্গলবার আবারও গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এটি বাংলাদেশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুনধুম সীমান্ত বরাবর মিয়ানমারের সীমান্তের ভেতরের ঘটনা। শোনা গেছে ভারী গোলাবারুদের শব্দও। এ ছাড়া সীমান্তের উপারে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমানের আনাগোনা লক্ষ করা গেছে। এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তবে কোনো গোলা বাংলাদেশের ভেতরে এসে পড়ার খবর পাওয়া যায়নি। সকাল ৭টা ২০ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মিয়ানমারের সীমান্তে মঙ্গলবার আবারও গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এটি বাংলাদেশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুনধুম সীমান্ত বরাবর মিয়ানমারের সীমান্তের ভেতরের ঘটনা। শোনা গেছে ভারী গোলাবারুদের শব্দও। এ ছাড়া সীমান্তের উপারে হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমানের আনাগোনা লক্ষ করা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তবে কোনো গোলা বাংলাদেশের ভেতরে এসে পড়ার খবর পাওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">সকাল ৭টা ২০ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং পরে দুপুর ১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। বাংলাদেশের স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে মিয়ানমারের বিদ্রোহী সশস্ত্র গ্রুপ আরাকান আর্মি (এএ) গত সপ্তাহে সে দেশের একটি বিজিপি ক্যাম্পে হামলা চালানোর পর থেকে ছোট ছোট ক্যাম্প এখন সেনাশূন্য হয়ে পড়েছে বলে এক রোহিঙ্গা নেতা দাবি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের পশ্চিম আরাকানে সে দেশের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্তের উপারে পশ্চিম ও উত্তর আরাকানের দুর্গম পাহাড় ও গহিন জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘুনধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর আজিজ জানিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে এলাকার কোনো বাসিন্দাকে সীমান্ত এলাকায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সীমান্তে বিজিবি সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সীমান্তের নানা সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়গুলোর অবস্থান হলো এসব এলাকায়। ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার বাহিনীর ভয়াল অপারেশনের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে। রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের এমন মোক্ষম সময়েই আরাকান আর্মির হাজার হাজার সদস্য ঘাঁটি স্থাপন করে উঁচু পাহাড়গুলোতে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/177458/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
