<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মুসলিম &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/muslim/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Tue, 28 Oct 2025 06:07:20 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>মুসলিম &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>সুন্দর ভাবে মৃত্যুর জন্য ১০ করণীয়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/45053/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/45053/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 03:51:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=45053</guid>

					<description><![CDATA[জীবনের সময়টুকু একজন মানুষের ইহকালীন মূলধন। যদি তা আখিরাতের কল্যাণের ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়, তবেই তো সফলতা। আর যদি তা বিনষ্ট করা হয় গুনাহ ও পাপাচারে আর এ অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে সে হবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি গুনাহকে এমন মনে করে, যেন সে কোনো পাহাড়ের নিচে বসে আছে। আর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জীবনের সময়টুকু একজন মানুষের ইহকালীন মূলধন। যদি তা আখিরাতের কল্যাণের ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়, তবেই তো সফলতা। আর যদি তা বিনষ্ট করা হয় গুনাহ ও পাপাচারে আর এ অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে সে হবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি গুনাহকে এমন মনে করে, যেন সে কোনো পাহাড়ের নিচে বসে আছে। আর যেকোনো মুহূর্তে পাহাড়টি তার ওপর ধসে পড়তে পারে। ’ (বুখারি : ১১/৮৯)</p>
</blockquote>
<div>
<p style="text-align: justify;">অনেক মানুষ বেপরোয়াভাবে পাপাচারে লিপ্ত থাকে। একপর্যায়ে তার শেষ সময় এসে যায় এবং তার অপমৃত্যু ঘটে। যখন মৃত্যু নিকটবর্তী হয়, তখন বেশি পরিমাণে আল্লাহর রহমতের আশা করা উচিত। আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রবল হওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী হয়, আল্লাহও তার সাক্ষাতে আগ্রহী হন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকে যেন শুধু এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে সে আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ২৮৭৭)</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করলে দুনিয়ার মোহ কেটে যায় এবং আখিরাতের চিন্তা সৃষ্টি হয়। ফলে তা বান্দার মধ্যে বেশি বেশি নেক আমলের প্রেরণা সৃষ্টি করে এবং ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ায় অবৈধ ভোগবিলাস থেকে বিরত রাখে। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘সব ভোগ-উপভোগ বিনাশকারী মৃত্যুকে তোমরা বেশি বেশি স্মরণ করো। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪০৯)</p>
<p style="text-align: justify;">কবর মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় তার পরিণামের কথা। মৃত্যুর পর আপনজনই তো কবর খনন করে। মৃতকে অন্ধকার ঘরে শায়িত করে। মাটির নিচে রেখে ফিরে আসে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা কবর জিয়ারত করো। কারণ তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৯৭৬)</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">সুন্দর মৃত্যুর জন্য বিশেষ কিছু করণীয় রয়েছে—</p>
<ul>
<li style="text-align: justify;"> ইবাদতের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।</li>
<li style="text-align: justify;">কোনো পাপকাজ সংঘটিত হলে দ্রুত তাওবা করা।</li>
<li style="text-align: justify;">আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম পন্থায় মৃত্যুর জন্য দোয়া করা।</li>
<li style="text-align: justify;">জাহের ও বাতেন তথা প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে আমলের সঙ্গে লেগে থাকা।</li>
<li style="text-align: justify;">দ্বিনের ওপর অবিচল থাকা।</li>
<li style="text-align: justify;">আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা পোষণ করা।</li>
<li style="text-align: justify;">তাকওয়া ও খোদাভীতি অর্জন করা।</li>
<li style="text-align: justify;">বেশি বেশি তাওবা, ইস্তেগফার করা।</li>
<li style="text-align: justify;">বেশি বেশি মৃত্যুর চিন্তা করা এবং দীর্ঘ জীবনের আশা পরিত্যাগ করা।</li>
<li style="text-align: justify;">অপমৃত্যু থেকে আল্লাহর কাছে পরিত্রাণ চাওয়া।</li>
</ul>
<p style="text-align: justify;">নেককারদের সংস্পর্শ হূদয়ে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করে এবং হিম্মত ও প্রেরণা বৃদ্ধি করে। কারণ নেককার ব্যক্তিদের ইবাদত-মগ্নতা, পুণ্যের কাজে উদ্যম ও প্রতিযোগিতা যখন অন্য মানুষ প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের মধ্যেও পুণ্যের পথে চলার সাহস ও প্রেরণা জাগে।</p>
<p style="text-align: justify;">একইভাবে মানুষ যখন তাদের আল্লাহমুখিতা ও দুনিয়াবিমুখতা প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের মনেও এই বৈশিষ্ট্য অর্জনের আগ্রহ জাগে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/45053/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গীবত জিনার চেয়েও মারাত্মক গুনাহ!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/38682/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/38682/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 07:48:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=38682</guid>

					<description><![CDATA[মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা মানুষের স্বভাব। আমরা দৈনন্দিন চলাফেরা, উঠাবসা ও কথাবার্তা কিংবা হাসি-ঠাট্টার ছলে অসাবধানতাবশত জঘন্যতম ঘৃণ্য একটি অপরাধ করে থাকি, যা আমরা কখনো বুঝতে পারি না। এ জঘন্যতম ঘৃণ্য অপরাধটির নাম গীবত। গীবত শব্দটির শাব্দিক অর্থ দোষারোপ করা, কুৎসা রটনা, কারো পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কারো অনুপস্থিতিতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা মানুষের স্বভাব। আমরা দৈনন্দিন চলাফেরা, উঠাবসা ও কথাবার্তা কিংবা হাসি-ঠাট্টার ছলে অসাবধানতাবশত জঘন্যতম ঘৃণ্য একটি অপরাধ করে থাকি, যা আমরা কখনো বুঝতে পারি না।</p>
<p style="text-align: justify;">এ জঘন্যতম ঘৃণ্য অপরাধটির নাম গীবত। গীবত শব্দটির শাব্দিক অর্থ দোষারোপ করা, কুৎসা রটনা, কারো পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কারো অনুপস্থিতিতে তার দোষগুলো অন্যেও সামনে তুলে ধরা ইত্যাদি। আমাদের অনেকেই গীবত সম্পর্কে তেমন ধারণা নাই।</p>
<p style="text-align: justify;">অথচ প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সা. হাদিসে গীবত কি, তা সরল ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘গীবত কী তা কি তোমরা জান?’ লোকেরা উত্তরে বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। রাসুল (সা.) বলেন, ‘গীবত হলো তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কথা বলা যা সে অপছন্দ করে।’ জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘আমি যা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে তবে এটাও কি গীবত হবে?’ রাসুল (সা.) বললেন, ‘তুমি যা বল তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তাহলেই সেটা হবে গীবত আর তুমি যা বল তা যদি তার মধ্যে না থাকে তবে সেটা হবে বুহতান বা মিথ্যা অপবাদ।’ (মিশকাত- ৪১২)।</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তাআলা পবিত্র আল-কুরআনে কারো গীবত করাকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান কর না এবং একে অপরের অসাক্ষাতে নিন্দা কর না। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে? প্রকৃতপক্ষে তোমরা তো এটাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তওবা গ্রহণকারী পরম দায়ালু।’ (সুরা হুজুরাত-১২)।</p>
<p style="text-align: justify;">তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন, গীবত কতখানি ন্যাক্কারজনক কাজ? গীবতের ভয়াবহতা বুঝানোর জন্যেই বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে রাসূল সা. ইরশাদ করেন, ‘গীবত করা জিনার থেকেও মারাত্মক।’ (মেশকাত, বায়হাকি)। অন্য হাদিসে রাসূল সা. ইরশাদ করেন ‘সূদের (পাপের) ৭২টি দরজা বা স্তর রয়েছে। তন্মধ্যে নিম্নতম স্তর হচ্ছে স্বীয় মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া তুল্য পাপ এবং ঊর্ধ্বতম স্তর হ’ল কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার এক ভাইয়ের মান-সম্ভ্রমের হানি ঘটান তুল্য পাপ’। (তাবারাণী-১৮৭১)।</p>
<p style="text-align: justify;">গীবতকারী এই দুনিয়াতে অপদস্থ হবে। হযরত আবূ বারযাহ আল-আসলামী রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘রাসূল সা. বলেছেন, ‘হে সেসব লোক যারা কেবল মুখেই ঈমান এনেছে কিন্তু ঈমান অন্তরে প্রবেশ করেনি। তোমরা মুসলিমদের গীবত করবে না ও দোষত্রুটি তালাশ করবে না। কারণ যারা তাদের দোষত্রুটি খুঁজে বেড়াবে আল্লাহও তাদের দোষত্রুটি খুঁজবেন। আর আল্লাহ কারো দোষত্রুটি তালাশ করলে তাকে তার ঘরের মধ্যেই অপদস্থ করে ছাড়বেন। (সুনানে আবু দাউদ- ৪৮৮০)।</p>
<p style="text-align: justify;">গীবতকারীদের জন্য পরকালেও কঠিন আজারের কথা বলা হয়েছে। হযরত আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেছেন, ‘মেরাজের রাতে আমি এমন এক কওমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম যাদের নখগুলো তামার তৈরী এবং তা দিয়ে তারা অনবরত তাদের মুখমণ্ডলে ও বুকে আচড় মারছে। আমি বললাম, হে জিবরাঈল ! এরা কারা? তিনি বললেন, ‘এরা সেসব লোক যারা মানুষের গোশত খেতো অর্থাৎ, মানুষের গীবত করত এবং মানুষের ইজ্জতের উপর হামলা করত এবং তাদের মানসম্মানে আঘাত হানতো। (সুনানে আবু দাউদ- ৪৮৭৮)।</p>
<p style="text-align: justify;">হযরত আল-মুসতাওরিদ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের গীবত করতে করতে এক লোকমা ভক্ষন করবে আল্লাহ তাকে এজন্য জাহান্নাম হতে সমপরিমাণ ভক্ষন করাবেন। আর যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের দোষত্রুটি বর্ণনা করতে করতে পোশাক পরবে আল্লাহ তাকে অনুরূপ জাহন্নামের পোশাক পরাবেন। আর যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির (কুৎসা) রটিয়ে খ্যাতি ও প্রদর্শনীর স্তরে পৌছবে, মহান আল্লাহ ক্বিয়ামতের দিন তাকে ঐ খ্যাতি ও প্রদর্শনীর জায়গাতেই (জাহান্নামে) স্থান দিবেন।’ (সুনানে আবু দাউদ-৪৮৮১)।</p>
<p style="text-align: justify;">যার গীবত করা হয় তার আমলনামায় গীবতকারীর সওয়াব চলে যায় এবং গীবতকারীর আমলনামায় যার গীবত করা হয় তার গুনাহ চলে আসে। গীবত বলা আর শ্রবণকারী উভয়ই অভিশাপ্ত। এ জন্য আমরা কারো গীবত করব না এবং শুনব না। পাশাপাশি যার গীবত করা হয় তার পক্ষ নিয়ে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। সম্ভব হলে গীবতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তুলব। সর্বোপরি, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে গীবতের থেকে বেঁচে চলার মতো তৌফিক দান করুক। আমিন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/38682/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sunbd24.com/wp-content/uploads/2024/03/%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A4.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আরএসসি : হিজাবকে ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতীক ঘোষণা ঢাবিতে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/570717/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 May 2025 17:39:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[নারী]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী নারী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=570717</guid>

					<description><![CDATA[দীর্ঘ ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হিজাব পরিহিত হাজার হাজার নির্যাতিত শিক্ষার্থীর লড়াইকে শ্রদ্ধা জানাতে হিজাবকে ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতীক ঘোষণা করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। সংগঠনটি জুলাই বিপ্লবসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী সব লড়াইয়ে হিজাব পরিহিত শিক্ষার্থীদের লড়াইকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে। এর অংশ হিসেবে হিজাব সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে হিজাব পরিহিত শিক্ষার্থীদের নিপীড়ন ও বৈষম্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হিজাব পরিহিত হাজার হাজার নির্যাতিত শিক্ষার্থীর লড়াইকে শ্রদ্ধা জানাতে হিজাবকে ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতীক ঘোষণা করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">সংগঠনটি জুলাই বিপ্লবসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী সব লড়াইয়ে হিজাব পরিহিত শিক্ষার্থীদের লড়াইকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর অংশ হিসেবে হিজাব সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে হিজাব পরিহিত শিক্ষার্থীদের নিপীড়ন ও বৈষম্য করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণার দাবিও জানিয়েছে জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত ছাত্র সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় আয়োজিত ব্যতিক্রমধর্মী ‘Celebrating Women’s Dignity and Pride 2025’ (নারীর মর্যাদা ও গৌরব উদাযাপন ২০২৫) শীর্ষক উৎসব পালনকালে এসব দাবি জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারেরও বেশি নিবন্ধিত নারী শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম ধাপে ৫০০ জনের হাতে সরাসরি প্রতিরোধ ও সম্ভ্রমের প্রতীক হিসেবে হিজাব তুলে দেয় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া অন্য নারী শিক্ষার্থীদের চকলেট ও কলম উপহার দেওয়া হয়। সংগঠনটি জানিয়েছে দ্বিতীয় ধাপে নিবন্ধিত বাকি শিক্ষার্থীদের হিজাব দেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিন সকাল ১০টায় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার আহ্বায়ক সানোয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে উৎসব শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">উৎসবের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিজাব পরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হল থেকে বিতাড়িত ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক কেন্দ্রীয় নেত্রী মরিয়ম জামিলা তামান্না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যসিবাদী সরকারের আমলে একটি মুসলিম দেশে বাস করেও আমরা ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পোশাকের স্বাধীনতা পাইনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায়ও আমাদেরকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছিল। হিজাব পরার কারণে আমাকেসহ অনেক বোনকে আবাসিক হলে থাকতে দেওয়া হয়নি। আমাদের অনেককে মারধর করার পর গভীর রাতে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য এসব ঘটনায় হিজাব বিদ্বেষী ফ্যাসিস্ট শিক্ষকরাও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। আমরা শেখ হাসিনার শাসনের প্রথমভাগে ছিলাম বলে তখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিলেন না। তবে পরবর্তীতে হিজাব বৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। এই প্রতিরোধের ধারাবাহিকতায় বিপুল সংখ্যক হিজাব পরিহিত শিক্ষার্থী জুলাই বিপ্লবে সম্মুখ সারিতে ছিলেন।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="aligncenter size-full" src="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/05/25/Hijab-pic-6833323381d0d.jpg" width="995" height="560" /></p>
<p style="text-align: justify;">বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী তাহমিনা তামান্না নেকাবের কারণে নিজের বৈষম্যের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ক্লাসের দিনই একজন শিক্ষক আমাকে অপমান করেন। পরীক্ষার হলে এবং ভাইভা বোর্ডে আমাদেরকে বাধ্য হয়ে নিকাব খুলতে হতো। কিন্তু ফ্যাসিবাদের পতনের পরে আমি এর প্রতিবাদ করি, সংবাদ সম্মেলন করি এবং এর ফলে এতোদিন ধরে চলে আসা বৈষম্যের অবসান হয়। হিজাব, নিকাব নিয়ে কেউ কোথাও কোনো সমস্যায় পরলে হীনমন্যতা না রেখে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী নাফিসা ইসলাম সাকাফি ছাত্রীদেরকে নিজেদের অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আপনারা যদি কথা না বলেন তাহলে আমরা যারা কথা বলতে চাই তাদের জন্য জায়গাটা অনেক সংকীর্ণ হয়ে যায়। কারণ, কেউ হিজাব নেকাবের কারণে নির্যাতিত নিপীড়িত হলে আমি যখন সেটার প্রতিবাদ করতে যাই তখন অন্যরা বলে যারা হিজাব নেকাব করছে তারা তো প্রতিবাদ করে না, তুমি কেন কথা বলছো? যদি মনে করেন আমাদের অধিকারের জন্য সবসময় আমাদের ভাইয়েরাই লড়াই করবে এটা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">সানোয়ারা খাতুন বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে জেঁকে বসা ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিম নারীদের নিষ্পেষণের যে একটা চলমান সংকট ছিল সেখান থেকে উত্তরণের মাধ্যম ছিল জুলাই-আগস্টের বিপ্লব, সে বিপ্লবে আমাদের নারীদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ও ঐতিহাসিক। সে ধারাবাহিকতাকে প্রমোট করার উদ্দেশ্যে আমাদের আজকের এই আয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রোটেস্ট অ্যাগেইনস্ট হিজাবফোবিয়া ইন ডিইউ এর সদস্য হাবিবা মাহজাবিন জ্যোতি বলেন পর্দা মুসলিম নারীর আইডেন্টিটি। কিন্তু এটাকে জঙ্গিবাদের প্রতীক হিসেবে চিত্রায়িত করে সর্বত্র হিজাবের বিরুদ্ধে একটা ফোবিয়া তৈরি করা হয়েছে। আমরা এটা সমাধানের জন্য এবং আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুষ্ঠানে নারীর প্রতি বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়। এতে ভর্তি, একাডেমিক ও নিয়োগ পরীক্ষা ও ভাইভায় নিকাব পরিহিত ছাত্রীদের ফিংগারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় সনাক্ত করণের আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া বলা হয়, ইসলামে নারীকে যে উচ্চ মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে তার আলোকে রাষ্ট্রের কাছে পুরুষের চেয়ে নারীর বেশি অধিকার প্রাপ্য। ফলে রাষ্ট্রকে নারীদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ বৃত্তি ও বিনা সুদে শিক্ষাঋণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নারীবান্ধব গণপরিবহণে যাতায়াত, সম্পত্তিতে ইসলাম প্রদত্ত অধিকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি বাবা-ভাই-স্বামীর কাছ থেকে সম্পত্তি উপহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উৎসবে নারী অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী নারী পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব অবনি আক্তার ও সুচি কুমকুম তৃপ্তি, কেন্দ্রীয় সদস্য তাহমিনা বেগম এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের মুখপাত্র শাহরিন ইরা প্রমুখ।</p>
<p><img decoding="async" class="aligncenter size-full" src="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/05/25/Untitled-22-68333e6eaa124.jpg" width="995" height="560" /></p>
<p style="text-align: justify;">দিনব্যাপী আয়োজনে হিজাবোফোবিয়া তথা হিজাব বিদ্বেষের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা দিনভর তাদের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। তারা লেখেন ‘হিজাব হোক প্রতিরোধের প্রতীক’, ‘একমাত্র হিজাবই নারীর সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক’ ‘হিজাব হীনমন্যতার প্রতীক নয়, বরং মুসলিম আত্মপরিচয় রক্ষায় হিজাব আমার দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রতীক’ ‘আমার সোনার বাংলায় হিজাব বৈষম্যের ঠাই নয়’।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এ গাউস, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির শায়খুল হাদিস আহমদ আলী কাসেমী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন, ইসলামী লেখক ও গবেষক মূসা আল-হাফিজ, ওয়ার্ল্ড মুসলিম উম্মাহর সভাপতি ডা. ফরিদ উদ্দীন আহমদ খান, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব ও সহকারী সদস্য সচিব গুলবুদ্দীন গালীব ইহসান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি, জুলাই ঐক্যের সংগঠক এবি যোবায়ের, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দীন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংগঠক সানাউল্লাহ খান।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন পরিচালক নবাব তাহের আলী চৌধুরী, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ ও সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমান ও সহকারী সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব মুহিব মুশফিক খান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়েতুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ও সদস্য সচিব মো. ফরহাদ আহমেদ আলী, মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার আহ্বায়ক রাকিব মন্ডল এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের সদস্য আব্দুল্লাহ মিনহাজ প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/05/25/Untitled-11-68333e5d209c2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>প্রতিবন্ধীদের প্রতি ইসলামের সুমহান আদর্শ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/16920/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/16920/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 May 2025 05:09:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=16920</guid>

					<description><![CDATA[ইসলাম শান্তির ধর্ম। এখানে ধনী -দরিদ্র, সবল -দূর্বল, সুস্থ- অসুস্থ, সবার জন্যে সমতার নীতি বজায় রাখতে আদেশ করেছে। একজন মানুষ কখনও শারীরিক বা মানসিক ভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয় না। কিছু না কিছু সমস্যা তার থাবেই। এই সমস্যা গ্রস্থ ব্যক্তিকে বলা হয় ‘বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি’। বিশেষ সমস্যা গ্রস্থ ব্যক্তিকে ইসলাম দিয়েছে আলাদা সম্মান। আমরা জানি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইসলাম শান্তির ধর্ম। এখানে ধনী -দরিদ্র, সবল -দূর্বল, সুস্থ- অসুস্থ, সবার জন্যে সমতার নীতি বজায় রাখতে আদেশ করেছে। একজন মানুষ কখনও শারীরিক বা মানসিক ভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয় না। কিছু না কিছু সমস্যা তার থাবেই। এই সমস্যা গ্রস্থ ব্যক্তিকে বলা হয় ‘বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি’।</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">বিশেষ সমস্যা গ্রস্থ ব্যক্তিকে ইসলাম দিয়েছে আলাদা সম্মান। আমরা জানি প্রতিবন্ধী অক্ষম মানুষেরা চিরকালই সমাজে প্রতিটি ক্ষেত্রে উপেক্ষিত ও অবহেলিত হয়ে আসছে। কিন্তু ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সঙ্গে সদাচরণ, সাহায্য-সহযোগিতা এবং অন্যদের ওপর তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। যেকোনো বিপদ আপদে তাদেরকে সাহায্য করাই একজন মুসলিমের ঈমানী দায়িত্ব।</p>
<p style="text-align: justify;">লেখাপড়া, সামাজে বেচে থাকা, চাকরি প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ ইসলামের কথা না মেনে চলার জন্য সমাজে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিগণ এতোটা অবহেলিত ও নির্যাতিত। যখন ইচ্ছে তখনই আমরা তাদের সাথে অসদাচরন করে ফেলি। কিন্তু আমরা ভুলেই জাই প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে অসদাচরণ, উপহাস, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ বা ঠাট্টা-তামাশা করা সৃষ্টিকে তথা আল্লাহকে উপহাস করার শামিল।</p>
<p style="text-align: justify;">একজন ব্যক্ত দুই ভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পরে। হয় তা জন্মগত বা কোনো অনাকাক্সিক্ষত দূর্ঘটনা। আমরা যারা সুস্থ আছি তাদের জন্য কোরআন মাজিদে মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেছেন, ‘তুমি তোমার সুমহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো, যিনি সৃষ্টি করেন ও সুঠাম করেন এবং যিনি পরিমিত বিকাশ সাধন করেন ও পথনির্দেশ করেন।’ (সূরা আল-আ’লা, আয়াত : ১-৩)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তিনিই মাতৃগর্ভে যেভাবে ইচ্ছা তোমাদের আকৃতি গঠন করেন।’ (সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ৬)।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলাম আমাদের সর্বদা অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে শেখায়। আমাদের জন্য এই কাজ গুলোতেও রয়েছে অশেষ নেকি লাভের সুযোগ। প্রতিবন্ধীরা শারীরিক, মানসিক কিংবা আর্থসামাজিক অক্ষমতা বা অসুবিধার কারণে স্বাভাবিক ও স্বাবলম্বী জীবনযাপন করতে পারে না। প্রতিবন্ধীদের সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশা উপলব্ধি করতে পারেন সেসব ধর্মপ্রাণ সংবেদনশীল মানুষ, যাঁরা অন্যের দুঃখ-বেদনাকে সহমর্মিতার দৃষ্টিতে দেখেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ জন্য প্রতিবন্ধীদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, দয়া-মায়া, সেবা-যত্ন, সুযোগ-সুবিধা ও সাহায্য-সহৃদয়তার হাত সম্প্রসারিত করা ইসলামের অনুসারীদের অবশ্যকর্তব্য। মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার ন্যূনতম মৌলিক অধিকারগুলো তাদেরও ন্যায্যপ্রাপ্য। তাই প্রতিবন্ধীদের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা প্রদর্শন ও সহানুভূতিশীল হওয়া অত্যাবশ্যক। যেমনভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা ক্ষুধার্তকে খাদ্য দাও, অসুস্থ (প্রতিবন্ধী) ব্যক্তির খোঁজখবর নাও এবং বন্দীকে মুক্ত করে দাও।’ (বুখারি)।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা জানি প্রতিবন্ধীদের সম্মানে পবিত্র কোরআন মাজিদে আয়াত নাজিল হয়েছে। এই ক্ষেত্রে একটা ঘটনা বর্ণনা করা যায়, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) কুরাইশ নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনারত ছিলেন। এমতাবস্থায় আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাক্তুম (রা.) নামক এক অন্ধ সাহাবি সেখানে উপস্থিত হয়ে মহানবী (সা.)-কে দ্বীন সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এতে আলোচনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হলে তিনি কিঞ্চিৎ বিরক্তি প্রকাশ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নবী করিম (সা.) মক্কার জাত্যভিমানী কুরাইশদের মন রক্ষার্থে প্রতিবন্ধী লোকটির প্রতি তখন ভ্রুক্ষেপ করলেন না। কিন্তু আল্লাহর কাছে এ বিষয়টি পছন্দনীয় হলো না। সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবন্ধীদের অধিকারবিষয়ক পবিত্র কোরআনের আয়াত নাজিল হয়; যাতে তাদের প্রতি ইসলামের কোমল মনোভাবের প্রকাশ পেয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘সে ভ্রুকুঞ্চিত করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল, কারণ তার কাছে অন্ধ লোকটি এল। তুমি কেমন করে জানবে, সে হয়তো পরিশুদ্ধ হতো অথবা উপদেশ গ্রহণ করত। ফলে উপদেশ তার উপকারে আসত।’ (সূরা আবাসা, আয়াত: ১-৪)।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর নবী করিম (সা.) প্রতিবন্ধীদের সর্বদাই অত্যন্ত ভালোবাসতেন ও বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাক্তুম (রা.)-কে তিনি অপার স্নেহে ধন্য করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) যখনই তাঁকে দেখতেন, তখনই বলতেন, ‘স্বাগত জানাই তাঁকে, যাঁর সম্বন্ধে আমার প্রতিপালক আমাকে ভর্ৎসনা করেছেন।’ মহানবী (সা.) এ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সাহাবিকে দুবার মদিনার সাময়িক শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সুতরাং প্রতিবন্ধীদের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা নবী করিম (সা.)-এর অনুপম সুন্নতও বটে। ঘটনাক্রমে রাসুলে করিম (সা.) যদি প্রতিবন্ধীকে অগ্রাধিকার না দেওয়ায় সতর্কীকরণের মুখে পড়তে পারেন, তাহলে ধর্মপ্রাণ মানুষ এমন কাজ করলে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা অসন্তুষ্ট হবেন আর আল্লাহর অসন্তুষ্টি মানেই কঠোর শাস্তি। সুতরাং সবাইকে খুবই সতর্ক হতে হবে এবং প্রতিবন্ধীদের প্রতি অবহেলা নয়, ভালোবাসা আর সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, তাদের মধ্যে রয়েছে আল্লাহ প্রদত্ত তীক্ষ্ণ মেধাসম্পন্ন অনন্য প্রতিভা। শারীরিক বা যেকোনো প্রতিবন্ধিতা অক্ষমতা নয়, বরং ভিন্ন ধরনের সক্ষমতা। সুযোগ পেলে প্রতিবন্ধীরাও দক্ষতা ও পারদর্শিতার মাধ্যমে অনেক কিছু করতে পারে। প্রতিবন্ধীদের মেধা ও প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারলে এরা মানবসম্পদে পরিণত হবে। সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে দক্ষতা গড়ে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাজের সব থেকে প্রান্তিক অংশ অসহায় প্রতিবন্ধীদের ইসলাম প্রদত্ত অধিকার সুরক্ষা হচ্ছে কি না, তা সবারই দেখা উচিত। মানবাধিকার, উপযুক্ত পরিচর্যা, অনুকূল পরিবেশ, আর্থিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সমবেদনা পেলে তারা দেশ ও জাতি গঠনে যোগ্য অংশীদার হতে পারে। তাই আসুন না, আমরা প্রতিবন্ধীদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সহমর্মিতা প্রকাশে অত্যন্ত যত্নবান হই এবং তাদের মানবাধিকার সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতন হই!</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/16920/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.ajkerpatrika.com/original_images/fe6976f185bc7f25637da0d61b50e536-638b2a4f43a06.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতে গুঁড়িয়ে দিলো মসজিদসহ ৩৫০ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/161208/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/161208/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 May 2025 08:13:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=161208</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার সম্প্রতি মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহসহ ৩৫০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাজ্যের নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি মাদরাসা, মসজিদ, মাজার এবং ঈদগাহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বালরামপুর, শ্রাবস্তী, বহরাইচ, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার সম্প্রতি মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহসহ ৩৫০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাজ্যের নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি মাদরাসা, মসজিদ, মাজার এবং ঈদগাহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বালরামপুর, শ্রাবস্তী, বহরাইচ, লখিমপুর খেরি এবং পিলিভীত— এই সাত জেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে। বুধবার একদিনেই মহারাজগঞ্জে দুটি, শ্রাবস্তী ও বহরাইচে একটি করে স্থাপনা ভাঙা হয়েছে।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/world/amdjschbsl5zc">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/161208/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/msjd_bhncr.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান অপ্রচলিত পন্থায় আক্রমণ করতে পারে এমন ইঙ্গিতে যুদ্ধবিরতি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/32167/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/32167/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 May 2025 04:45:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=32167</guid>

					<description><![CDATA[দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের প্রচেষ্টায় এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র কেন এই যুদ্ধ বন্ধে হঠাৎ তৎপর হয়ে উঠলো, সে বিষয়ে মিলেছে নতুন তথ্য। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের প্রচেষ্টায় এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্র কেন এই যুদ্ধ বন্ধে হঠাৎ তৎপর হয়ে উঠলো, সে বিষয়ে মিলেছে নতুন তথ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে ভয়ংকর গোয়েন্দা তথ্য পায় আমেরিকা। যেকোনো সময় পাকিস্তান অপ্রচলিত পন্থায় আক্রমণ করতে পারে, এমন ইঙ্গিতে মেলার পরপরই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানান তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিএনএন জানায়, মার্কিন প্রশাসনের একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম, যাতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্তর্বর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলস রয়েছেন, ভারত-পাকিস্তান চলমান সংঘাতের ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত-পাকিস্তান স্বল্পমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে শুক্রবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু গোয়েন্দা তথ্য পায়, যা পরিস্থিতি মারাত্মক ও বিপজ্জনক দিকে মোড় নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সিএনএন জানায়, ওই গোয়েন্দা তথ্যের আদ্যোপান্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেন। এরপর শুক্রবার দুপুরে জেডি ভ্যান্স নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জেডি ভ্যান্স ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে পাকিস্তানের মনোভাব এবং প্রস্তুতির কথা স্পষ্ট করে জানান। তিনি মদিকে বলেন, এই সংঘাত মারাত্মক রূপ নিতে পারে। যেকোনো সময় বড় ধরনের কিছু ঘটতে পারে। ভ্যান্স এসময় মোদিকে উৎসাহ দেন সরাসরি পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।</p>
<p style="text-align: justify;">নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাপের পরেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে যুদ্ধবিরতির খসড়া তৈরি বা আলোচনায় সরাসরি যুক্ত হয়নি মার্কিন প্রশাসন। তারা শুধু এ বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন। মোদির সঙ্গে ভ্যান্সের ফোনালাপের পর যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়া শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ফোনালাপ বিষয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে, তখনই যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি শান্ত করার ব্যাপক প্রচেষ্টা চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই কর্মকর্তা বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি কথা বলা বন্ধ ছিল। আমাদের লক্ষ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেয়া, কথা বলায় উৎসাহ দেয়া এবং উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজে বের করা।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে ভারত ও পাকিস্তান সরাসরি আলোচনা করে, যার ফলে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/32167/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/pak-india.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাপমুক্ত থাকার সাত উপায়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/20574/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/20574/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 May 2025 06:37:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=20574</guid>

					<description><![CDATA[একজন মুমিনের জন্য পাপমুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি। পাপ জাহান্নামের পথ দেখায়। অন্যদিকে নেকি বা পুণ্য জান্নাতের পথ দেখায়। বেশি বেশি নেক কাজ পাপ মিটিয়ে দেয়। নিম্নে পাপমুক্ত থাকার উপায় বর্ণনা করা হলো— এক. পাপকে বড় মনে করা : গুনাহ যে পর্যায়েরই হোক না কেন, তাকে ছোট মনে না করা। বরং তাকে পরকালে শাস্তির কারণ মনে করে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">একজন মুমিনের জন্য পাপমুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি। পাপ জাহান্নামের পথ দেখায়। অন্যদিকে নেকি বা পুণ্য জান্নাতের পথ দেখায়। বেশি বেশি নেক কাজ পাপ মিটিয়ে দেয়। নিম্নে পাপমুক্ত থাকার উপায় বর্ণনা করা হলো—</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><strong>এক. পাপকে বড় মনে করা</strong> : গুনাহ যে পর্যায়েরই হোক না কেন, তাকে ছোট মনে না করা। বরং তাকে পরকালে শাস্তির কারণ মনে করে তা থেকে বিরত থাকা জরুরি। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুমিন ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে এত বিরাট মনে করে, যেন সে একটা পর্বতের নিচে উপবিষ্ট আছে, আর সে আশঙ্কা করছে যে হয়তো পর্বতটা তার ওপর ধসে পড়বে। আর পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে মাছির মতো মনে করে, যা তার নাকের ওপর দিয়ে চলে যায়।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩০৮)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>দুই. পাপীদের সঙ্গে অবস্থান না করা</strong> : পাপী ব্যক্তিদের সঙ্গে ওঠাবসা না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যখন তুমি দেখবে যে লোকেরা আমাদের আয়াতসমূহে ছিদ্রান্বেষণ করছে, তখন তুমি তাদের থেকে সরে যাও, যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় লিপ্ত হয়। আর যদি শয়তান তোমাকে এটা ভুলিয়ে দেয়, তাহলে স্মরণ হওয়ার পর আর জালিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে বসবে না।’ (সুরা আনআম, আয়াত : ৬৮)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>তিন. পাপের দিকে ঝুঁকে না যাওয়া</strong> : মানুষের অন্তর মন্দপ্রবণ। মহান আল্লাহ ইউসুফ (আ.)-এর ভাষ্য এভাবে উল্লেখ করেন, ‘আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না। নিশ্চয়ই মানুষের মন মন্দপ্রবণ। শুধু ওই ব্যক্তি ছাড়া, যার প্রতি আমার রব দয়া করেন। নিশ্চয়ই আমার রব ক্ষমাশীল ও দয়াবান।’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত : ৫৩)</p>
<p style="text-align: justify;">সুতরাং মানুষের অন্তরকে পাপের পঙ্কিলতা ও কলুষ-কালিমামুক্ত রাখার চেষ্টা করা জরুরি, যাতে তা পাপের দিকে ঝুঁকে না পড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চার. উত্তম লোকদের সঙ্গে অবস্থান করা</strong> : মানুষ তার সঙ্গীর দ্বারা প্রভাবিত হয়। যেমন—রাসুল (সা.) বলেন, ‘মানুষ তার বন্ধুর ধ্যান-ধারণার অনুসারী হয়ে থাকে। সুতরাং তোমাদের সবার খেয়াল রাখা উচিত সে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করছে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৭৮)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পাঁচ. পাপ থেকে সর্বদা তাওবা-ইস্তিগফার করা</strong> : শয়তান সর্বদা মানুষকে পথভ্রষ্ট করতে ব্যাপৃত আছে। তার প্ররোচনায় মানুষ পাপাচারে লিপ্ত হয়। পাপ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাওবা করতে হবে। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘(আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দা তারা) যারা কখনো কোনো অশ্লীল কাজ করলে কিংবা নিজের ওপর কোনো জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে। অতঃপর স্বীয় পাপসমূহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। বস্তুত আল্লাহ ছাড়া পাপসমূহ ক্ষমা করার কে আছে? আর যারা জেনেশুনে স্বীয় কৃতকর্মের ওপর হঠকারিতা প্রদর্শন করে না।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৫)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ছয়. পাপ প্রকাশ না করা</strong> : পাপ করার পর তা প্রকাশ করা যাবে না। কেননা আল্লাহ বান্দার পাপ গোপন রাখেন। কিন্তু বান্দা নিজে তা প্রকাশ করলে ওই ব্যক্তিকে আল্লাহ ক্ষমা করেন না। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার সব উম্মতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী ছাড়া। আর নিশ্চয়ই এ বড়ই অন্যায় যে কোনো ব্যক্তি রাতের বেলা অপরাধ করল, যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক, আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার ওপর আল্লাহর দেয়া আবরণ খুলে ফেলল।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৯৯০)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সাত. পাপের পর নেকির কাজ করা</strong> : শয়তানের প্ররোচনায় পাপ হয়ে গেলে বুঝতে পারার পর তাওবা করা এবং তারপর নেকির কাজ করা জরুরি। হাদিসে এসেছে, আবু জার (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) আমাকে বলেছেন, ‘তুমি যেখানেই থাকো আল্লাহকে ভয় করো, মন্দ কাজের পরপরই ভালো কাজ করো, তাতে মন্দ দূরীভূত হয়ে যাবে এবং মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ করো।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৭)</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের সীমিত জীবনকালে হঠাৎ মৃত্যু হতে পারে। তাই তাওবার সুযোগ না-ও পেতে পারে। সুতরাং পাপের পরে অবিলম্বে তাওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে নিজেকে মুক্ত করে নেওয়া জরুরি।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/20574/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.gramerkagoj.com/uploads/article/2024/8/30/original/GK_2024-08-30_66d18da4980a6.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাহেলগাঁওয়ে ভারত রাজনৈতিক স্বার্থ হিন্দুদের হত্যা করেছে  : খালিস্তান নেতা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/151938/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/151938/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 28 Apr 2025 06:27:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=151938</guid>

					<description><![CDATA[পাকিস্তানে হামলার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খালিস্তান আন্দোলনের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন। খবর বিবিসি পাকিস্তানের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক ভিডিও বিবৃতিতে শিখ নেতা পান্নুন বলেছেন, আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে দেব না। পাকিস্তানে আক্রমণ করার সাহস ভারতের নেই। তিনি বলেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানে হামলার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খালিস্তান আন্দোলনের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন। খবর বিবিসি</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক ভিডিও বিবৃতিতে শিখ নেতা পান্নুন বলেছেন, আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে দেব না। পাকিস্তানে আক্রমণ করার সাহস ভারতের নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, তারা পাকিস্তানের জনগণের সাথে দৃঢ়ভাবে আছেন। আমরা কোটি শিখ পাকিস্তানের সাথে ইটের প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে আছি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ভারতে সংখ্যালঘুদের বিশেষ করে শিখদের উপর যে নির্যাতন চলছে তা সকলের কাছে স্পষ্ট। এটি ১৯৬৫ বা ১৯৭১ নয়, এটি ২০২৫।</p>
<p style="text-align: justify;">সতর্ক করে পান্নুন বলেন, যারা আক্রমণ করে তারা বাঁচবে না। সে ইন্দিরা গান্ধী, নরেন্দ্র মোদি, বা অমিত শাহ যেই হোক।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, মোদি, অজিত ডোভাল, অমিত শাহ এবং জয়শঙ্করকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় বিচারের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও দাবি করেন, পাহেলগাঁওয়ে ভারত রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য তার নিজস্ব হিন্দুদের হত্যা করেছে। এই আক্রমণের লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক লাভ এবং ভোট আদায় করা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/151938/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://asset.news24bd.tv/public/news_images/2025/04/28/1745824212-2a19911c71b096f7baba9e0fd57b5bba.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মুসলিম নারীর পোশাক যেমন হওয়া উচিত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/21053/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/21053/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 08:05:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[নারী]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=21053</guid>

					<description><![CDATA[রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও নারীরা নামাজের জন্য, দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনে, এমনকি জিহাদে অংশ নিতেও ঘর থেকে বের হতেন। তবে তাঁরা বের হতেন আল্লাহর নির্দেশ ফরজ পর্দা মান্য করে এবং নবীজি (সা.)-এর নির্দেশিত সুন্নত পোশাক পরিধান করে। তাঁদের পোশাকের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল—তা ফেতনা ছড়িয়ে দিত না, পুরুষদের প্রলুব্ধ করত না এবং তা নারীর প্রতি সম্মানবোধ বাড়িয়ে তোলে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও নারীরা নামাজের জন্য, দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনে, এমনকি জিহাদে অংশ নিতেও ঘর থেকে বের হতেন। তবে তাঁরা বের হতেন আল্লাহর নির্দেশ ফরজ পর্দা মান্য করে এবং নবীজি (সা.)-এর নির্দেশিত সুন্নত পোশাক পরিধান করে।</p>
<p style="text-align: justify;">তাঁদের পোশাকের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল—তা ফেতনা ছড়িয়ে দিত না, পুরুষদের প্রলুব্ধ করত না এবং তা নারীর প্রতি সম্মানবোধ বাড়িয়ে তোলে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মানবসন্তান, তোমাদের লজ্জাস্থান ঢাকার ও বেশভূষার জন্য আমি তোমাদের পোশাক দিয়েছি এবং তাকওয়ার পরিচ্ছদই সর্বোত্কৃষ্ট।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ২৬)</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><strong>কোরআনের নির্দেশনা</strong> : নারীর পোশাকের ব্যাপারে কোরআনের নির্দেশনা হলো, তাঁরা এমন পোশাক পরিধান করবেন, যা তাঁদের ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে, তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে সহায়ক হবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘মুমিন নারীদের বোলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে; তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশ থাকে তা ছাড়া তাদের আভরণ প্রদর্শন না করে।’ (সুরা নুর, আয়াত : ৩১)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে নবী, স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মুমিনদের নারীদের বোলো, তারা যেন তাদের চাদরের কিছু অংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজতর হবে, ফলে তাদের উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা আহজাব, আয়াত : ৫৯)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নারীদের পোশাকের মৌলিক বৈশিষ্ট্য</strong> : ইসলামের দৃষ্টিতে শরীর ও শরীরের অবয়ব প্রকাশ পায়—এমন পাতলা কাপড় পরিধান করা নারীদের জন্য নিন্দনীয়। হাদিসে এসেছে, ‘হাফসা বিনতে আবদুর রহমান (রা.) একটি পাতলা ওড়না পরে আয়েশা (রা.)-এর ঘরে প্রবেশ করলে তিনি তা সরিয়ে মোটা কাপড়ের ওড়না পরিয়ে দেন।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস : ৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘এমন নারী যারা পোশাক পরিধান করেও উলঙ্গ, যে নিজেও পথভ্রষ্ট এবং অন্যকে পথভ্রষ্ট করে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের ঘ্রাণ পাঁচ শ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়।’ (মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস : ১৬৬১)</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া আহকামুন নিসা গ্রন্থকার নারীদের ইসলামী পোশাকের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। যেমন &#8211;</p>
<p style="text-align: justify;">ক. নারীদের পোশাক পুরুষসুলভ না হওয়া, খ. নারীদের জন্য (জামা-পা অধিক নিরাপদ পোশাক। তবে) শাড়ি পরিধান করাও জায়েজ, গ. এমন আঁটসাঁট পোশাক পরিধান না করা উচিত, যাতে শরীরের অবয়ব প্রকাশ পায়, ঘ. নারীদের জন্য সব ধরনের সুতা ও রেশমের কাপড় পরিধান করা বৈধ ইত্যাদি। (আহকামুন নিসা, পৃষ্ঠা ৫২৯)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চলাফেরায় অসুবিধা হয় এমন পোশাক নয় </strong>: ইসলাম নারীদের শালীন ও সভ্য পোশাক পরিধানের নির্দেশ দিয়েছে। তবে ইসলাম নারীকে এমন পোশাক পরিধান করতে বলেনি, যাতে তার স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হয়। একবার নবী (সা.)-এর স্ত্রী উম্মে সালমা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করলেন, যখন তিনি পরিধেয় বস্ত্র সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল, নারীদের ইজার (লুঙ্গিবিশেষ) ব্যবহারের বিধান কী? তিনি বললেন, তারা এক বিঘত নিচে পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখতে পারে। উম্মে সালমা (রা.) বলেন, এতেও তার কিছু অংশ খোলা থাকবে। তিনি বললেন, তবে এক হাত ঝুলিয়ে পরবে; এর বেশি নয়। (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪১১৭)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রুচিশীল ও আরামদায়ক পোশাক পরিধান</strong> : নারীদের সুন্দর, রুচিশীল ও আরামদায়ক পোশাক পরিধান করার অনুমতি দেয়; বরং নারীদের পোশাকে সৌন্দর্যবর্ধক কারুকাজ ও নকশাকে উৎসাহিত করে। আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মেয়ে উম্মে কুলসুমের গায়ে হালকা নকশা করা রেশমি চাদর দেখেছেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৮৪২)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যক্তিগত সাজসজ্জায় উৎসাহ</strong> : ইসলাম নারীদের ব্যক্তিগত সাজসজ্জাকে উৎসাহিত করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নারীদের পরিপাটি থাকতে উৎসাহিত করেছেন। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘এক নারী আড়াল থেকে একটি কিতাব হাতে নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দিকে বাড়িয়ে দিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর হাত না বাড়িয়ে বললেন, আমি বুঝতে পারছি না এটা কোনো পুরুষের হাত নাকি নারীর হাত? সে বলল, বরং নারীর হাত। তিনি বললেন, তুমি নারী হলে অবশ্যই তোমার নখগুলো মেহেদির রং দ্বারা রঞ্জিত করতে।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪১৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলাম নারীর সাজসজ্জায় রংকে প্রাধান্য দিয়েছে এবং পুরুষের সাজসজ্জায় সুগন্ধিকে। নারীদের ঘরের বাইরে সুগন্ধি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘পুরুষদের সুগন্ধি হলো, যার সুগন্ধি স্পষ্ট কিন্তু রং চাপা আর নারীদের সুগন্ধি হলো, যার রং স্পষ্ট কিন্তু গন্ধ চাপা।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৫১১৭)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সন্তানকে শালীন পোশাকে অভ্যস্ত করা</strong> : ইসলাম ছেলে ও মেয়ে উভয়কে শালীন ও ভদ্র পোশাক পরিধান করার নির্দেশ দিয়েছে, বিশেষত যখন তারা সাবালক হয়ে উঠবে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার আয়েশা বিনতে আবি বকর (রা.) পাতলা কাপড় পরিহিত অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এলে রাসুলুল্লাহ তার থেকে নিজের মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলেন, ‘হে আসমা, মেয়েরা যখন সাবালিকা হয়, তখন এই দুটি অঙ্গ ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গ প্রকাশ করা তার জন্য সংগত নয়; এই বলে তিনি তাঁর চেহারা ও দুই হাতের কবজির দিকে ইশারা করেন।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪১০৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ইমাম গাজালি (রহ.)-সহ দার্শনিক আলেমরা বলেন, মা-বাবার দায়িত্ব হলো সন্তানকে শৈশব থেকে শালীন ও ভদ্র পোশাকে অভ্যস্ত করা। যেন তারা বড় হওয়ার পরও এমন পোশাক পরতে আগ্রহ বোধ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ সবাইকে রুচিশীল ও আদর্শ পোশাক পরিধানের তাওফিক দান করুন। আমিন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/21053/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/Mosque_Sharjah_Islam_Worldbarta.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঢাকার মার্চ ফর গাজা ইসরাইলসহ বিশ্ব গণমাধ্যমে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/967/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/967/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2025 09:03:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=967</guid>

					<description><![CDATA[ইসরাইলসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে ঢাকার মার্চ ফর গাজা। ইসরাইলের গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল শিরোনামে লিখেছে, বাংলাদেশে প্রায় ১ লাখ মানুষের গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, পিটিয়েছে নেতানিয়াহু ও তার মিত্রদের ছবি। এই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর বাংলাদেশের রাজধানীতে গাজায় ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানাতে র‌্যালি করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার সোহরাওয়ার্দী পার্কে প্রায় ১ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইসরাইলসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে ঢাকার মার্চ ফর গাজা। ইসরাইলের গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল শিরোনামে লিখেছে, বাংলাদেশে প্রায় ১ লাখ মানুষের গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, পিটিয়েছে নেতানিয়াহু ও তার মিত্রদের ছবি।</p>
<p>এই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর বাংলাদেশের রাজধানীতে গাজায় ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানাতে র‌্যালি করেছেন।</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার সোহরাওয়ার্দী পার্কে প্রায় ১ লাখ বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিল। তাদের সঙ্গে ছিল কয়েকশ ফিলিস্তিনি পতাকা। সেখানে তারা ‘ফ্রি ফ্রি, ফিলিস্তিন’ এর মতো স্লোগান দিয়েছেন।</p>
<p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি পিটিয়েছেন। তাদের অভিযোগ তারা ইসরাইলের সহযোগী। র‌্যালিতে তারা প্রতীকী কফিন এবং হতাহত বেসামরিক মানুষের প্রতীকী পুত্তলি নিয়ে এসেছিলেন।</p>
<p>এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টেও শিরোনাম করা হয়েছে,বাংলাদেশের রাজধানীতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রায় এক লাখ মানুষের বিক্ষোভ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় লক্ষাধিক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।</p>
<p>প্রায় এক লাখ মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হন। তারা শত শত ফিলিস্তিনি পতাকা বহন করেন এবং “ফ্রি, ফ্রি প্যালেস্টাইন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।</p>
<p>ইসরাইলের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান মাহমুদুর রহমানেরইসরাইলের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান মাহমুদুর রহমানের<br />
এদিকে যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউকে শিরোনাম করেছে, বাংলাদেশের রাজধানীতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রায় এক লাখ মানুষের বিক্ষোভ। শনিবার গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।</p>
<p>বাংলাদেশি পাসপোর্টে এক্সেপ্ট ইসরাইল পুনর্বহালের দাবিবাংলাদেশি পাসপোর্টে এক্সেপ্ট ইসরাইল পুনর্বহালের দাবি<br />
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বিভিন্ন ইসলামপন্থী দল ও সংগঠন এই বিক্ষোভের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। ১৭ কোটিরও বেশি জনগণের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশ ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখে না এবং সরকারিভাবে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সমর্থন করে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/967/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/images/iSRAEL.width-800.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পশ্চিম বাংলায় ওয়াকফ বিল কার্যকর না করার ঘোষণা মমতার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/48555/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/48555/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2025 08:38:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=48555</guid>

					<description><![CDATA[বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পশ্চিম বাংলায় কার্যকর না করার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস করায় পশ্চিমবঙ্গে এখনো আন্দোলন চলছে। মমতা বলেন, আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করি না। কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তাদের প্রলোভনে পা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পশ্চিম বাংলায় কার্যকর না করার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস করায় পশ্চিমবঙ্গে এখনো আন্দোলন চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মমতা বলেন, আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করি না। কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তাদের প্রলোভনে পা দেবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালতেও আইনটি বাতিল করার দাবিতে একাধিক পিটিশন জমা পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ আগামী সপ্তাহেই এই মামলাগুলো শুনবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কলকাতায়ও আইনটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে। কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশ থেকে ওয়াকফ আইন বাতিল করার দাবিতে এক কোটি মানুষের স্বাক্ষর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে মুসলিম সংগঠন জমিয়ত-ই-উলেমা হিন্দ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/48555/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/bhrt_bksbh_vWxJH7Z.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>তোপের মুখে সেই জামশেদ, বয়কটের ডাক ‘ঘরের বাজার’</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/559854/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Apr 2025 16:06:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=559854</guid>

					<description><![CDATA[ফিলিস্তিনিদের ওপর দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বর্বর গণহত্যার প্রতিবাদে বৈশ্বিক ধর্মঘট কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে আজ কর্মবিরতি পালন করেছে। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত গণহত্যা এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারও। ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যখন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনিদের ওপর দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বর্বর গণহত্যার প্রতিবাদে বৈশ্বিক ধর্মঘট কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে আজ কর্মবিরতি পালন করেছে। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত গণহত্যা এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারও। ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যখন বিক্ষুব্ধ, ঠিক তখনই গাজা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন আলেম ও উদ্যোক্তা জামশেদ মজুমদার।</p>
<p>রোববার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে জামশেদ বলেন, ‘একটা সত্যি কথা বলবেন? ফিলিস্তিন নিয়ে আপনার অন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে, বিষণ্নতা কাজ করছে, এর মধ্যেও আপনি আজকে নামাজ পড়েননি এমন কেউ কি আছেন? না না আমি মোটেও বলছি না- আপনি বেনামাজি হলে আপনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবেন না। জাস্ট আমরা কতটুকু আল্লাহকে মানি সেটা বোঝার চেষ্টা করা যদিও বোঝা সম্ভব না। আসলে যে ঈমান আমারই কাজে আসে না, সে বিষয়ে অন্যের কী কাজে আসতে পারে’।</p>
<p style="text-align: justify;">জামশেদের এমন মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ। তারা এই আলেমের তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘ঘরের বাজার’ বয়কটের আহ্বান জানান। ফেসবুকে তোপের মুখে একপর্যায়ে জামশেদ তার বিতর্কিত পোস্টটি ডিলিট করে পেজটি ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর লাইভে এসে ফিলিস্তিন ইস্যু তুলে অযাচিতভাবে বিভিন্ন মন্তব্য করেন জামশেদ; যা মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত হানে। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে ক্ষমা চান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেন, ‘ফিলিস্তিনের পক্ষের ভাইদের হেয় করতে জামশেদের অপচেষ্টাকে নিন্দা জানাই। আমরা যারা নামাজ পড়ি এবং  ফিলিস্তিনকে সমর্থন করি তারা সব মুসলিম অমুসলিমের ফিলিস্তিনপন্থাকে শ্রদ্ধা করি। জামশেদের জানা উচিত ফিলিস্তিনের জমিনে ৬ হাজার বাংলাদেশি শহিদের কবর আছে; যারা কমিউনিস্ট মুসলমান ছিলেন। আমরা জামশেদদের এই কমিউনিস্ট শহিদদের জুতার সমানও মনে করি না’।</p>
<p style="text-align: justify;">জামশেদ ও তার ব্যবসা ঘরের বাজার বয়কট করার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান খোমেনী।</p>
<p style="text-align: justify;"><img decoding="async" class="img-responsive" src="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/04/07/Khomenee-Ehsan-67f3edce360aa.jpg" /></p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আশিক মাহমুদ বলেন, ‘জামশেদ মজুমদার যতই জোব্বা পরে ভিডিও বানাক, উনার আসল পরিচয় উনি ব্যবসায়ী। ২৩ সালের কোনো এক  জানুয়ারিতে ক্রিসমাসের সময় #break fastwithsantaট্যাগ ইউজ করে পোস্ট প্রমোট করে উনার প্রতিষ্ঠান Ghorerbazar. মূলত ওই পোস্টের ক্রিম হানির প্রচারণার পরই উনার বিজনেস ফুলেফেঁপে উঠে।  ওই ট্যাগওয়ালা পোস্ট এখনো আছে। যেই লোক সুন্নতি লেবাস ধরে ‘স্যান্টার’ ট্যাগ লাগায়ে বিজনেস প্রমোট করে, উনি গাজায় আগ্রাসনের বিপক্ষে কথা বলবে না- এটাই কি স্বাভাবিক না?’</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মারুফুর সিদ্দিকী বলেন, জামশেদ মজুমদারের মতো সালাফি মাদখালিরা বিভিন্ন অজুহাতে মুসলিমদের বিভক্ত করেছে। হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে জামশেদ মজুমদারসহ অনেক আহলে খবিশ বিরোধিতা করেছিল। কেন জানেন? এরা হাসিনাকে মুসলিম সরকার মানতো আর মুসলিম সরকারের বিরুদ্ধে নাকি আন্দোলন করা যাবে না- এভাবেই হাদিসের রেফারেন্স দেয়। এদের মতে, তথাকথিত মুসলিম লিডার জেনোসাইডাররাও মুসলিম লিডার!</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জামশেদরা হামাসের বিরুদ্ধে কাফের/খারেজি ফতোয়া দেয়। আবার এরাই আরব রাজা ও জায়োনবাদীদের সঙ্গেই উঠাবসা করে। এরা সৌদ বংশের সমালোচনা সহ্য করতে পারে না। এদের রাজা এমবিএস মক্কা মদিনাতে পতিতালয় স্থাপন করলেও এরা চাটবে আর বিরোধী, প্রতিবাদকারীদের বলবে- ‘আগে তোরা নিজের দেশ ঠিক কর। দেখ নিজের দেশে কত পতিতালয়। মক্কা মদিনার বিষয় সৌদিরা দেখবে’। এরা প্রটেস্টদের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়ে ফেলেছে। বলেছে- প্রটেস্ট করা হারাম, ইভেন জায়োনিস্টদের বিরুদ্ধেও না, নির্মম শাসকদের বিরুদ্ধেও না। ইউএইর কিছু মাদখালি স্কলার ফতোয়া দিয়ে ফেলেছে যে, কোনো পণ্য বয়কট করা হারাম, সেটা জায়োনিস্টদের পণ্য হলেও। তাহলে আমাদের কাজ কী? ইহুদিদের পণ্য বয়কট না করে জামশেদ মজুমদারদের ঘরের বাজারকে বয়কট করা, ঠিক না?</p>
<p style="text-align: justify;">জামশেদদের বয়কটের আহ্বান জানিয়ে ঢাবির সাবেক এই শিক্ষার্থী বলেন, সব মাদখালি/সালাফি/আহলে হাদিসদের সামাজিকভাবে বয়কট শুরু করুন। এরা আর কেউ না, সৌদির পেট্রোডলারে পোষা জায়োনিস্ট অনুসারী। এদের হাতেই তৈরি আইএসআইএস টেরোরিস্ট; যারা আফগানে, ইরাকে, সিরিয়াতে অসংখ্য মুসলিম হত্যা করলেও কাছেই থাকা ইসরাইলে কখনো অ্যাটাক করেনি। আইসিস সন্ত্রাসীরা এদের মাদখালি মতবাদের ফলোয়ার।</p>
<p style="text-align: justify;">মারুফুর আরও বলেন, এর আগেও এটা ঘটেছে। খুবই ধূর্ত প্রকৃতির লোক জামশেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলাল বিন আমিন নামে আরেক ঢাবি ছাত্র লিখেছেন- জামশেদ মজুমদার যা করেছে ঠিক করেছে। কেননা সে নৈতিক দায়িত্ব থেকে তার আকিদাগত ভাইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে। কারণ ইহুদি ও সালাফি আকিদাগত ভাই ভাই। তবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে তার ‘ঘরের বাজার’ বা ইহুদি বাজারকে সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা। ‘ঘরের বাজার’ মূলত হচ্ছে ‘ইহুদি বাজার’।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসান মাহমুদ নামে একজন লিখেছেন, কৌশলে জামশেদ মজুমদার ইসরাইল ও ভারতের দালাল।</p>
<p style="text-align: justify;">মনির উদ্দিন মনির বলেন, জামশেদ মজুমদার কখনো বলে নাই, আপনি ঘরের বাজারের মধু অর্ডার দিচ্ছেন কেন? আপনি তো নামাজই পড়েন না। নামাজ আগে নাকি মধু খাওয়া আগে। কিন্তু আজ যখন একজন সাধারণ মনুষ্যত্ব সম্পন্ন মানুষ যেখানে গাজার জন্য ব্যথিত না হয়ে পারে না, তখন তিনি প্রশ্ন শুরু করেছে, ‘গাজা নিয়ে কাঁদিস, নামাজ পড়িস ব্যাটা’। এই জামশেদ মজুমদারই ইজরাইলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিরোধিতা করে দুই বছর আগে লাইভ করেছিল। পরে ‘ঘরের বাজার&#8217; বর্জনের ডাক এলে মাফ চেয়ে ব্যবসা টেকায়। আসলে জনৈক ব্যক্তি ঠিকই বলেছিলেন, মাদখালিরা হচ্ছে উম্মাহর ইহুদি।</p>
<p style="text-align: justify;"><img decoding="async" class="img-responsive" src="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/04/07/Untitled-2-67f3ee7f7f66c.jpg" /></p>
<p style="text-align: justify;">মো. তারেক রহমান বলেন, গাজা ধ্বংস করল এমন একটা সময়- যে সময় যুদ্ধ বিরতিতে গেছে গাজার যোদ্ধারা। যুদ্ধ বিরতির মাধ্যমে ইসরাইলের বন্দিদের কৌশলে মুক্ত করেই গাজাকে মাটির সঙ্গে মিশে দিল। এই বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট এটা যে, লড়াই বন্ধ করাটাই একটা বড় ভুল ছিল। আমি এই (জামশেদ মজুমদার) লোকটির মানসিক দাসত্বের কথা ভাবছি। এরা কতটা সৌদির গোলামি করে। যখন ব্রিটেন ১৯৪৮ সালে হিটলারের ধাওয়া খাওয়া ইহুদিদের জায়গা দিতে ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় তখন থেকেই এই দ্বন্দ্ব। ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণ তখন থেকেই লড়াই করে যাচ্ছে। সৌদি আর পেট্রডলারের দাস জামশেদ মজুমদারদের মনের গভীরের ভাব ও আব্রু প্রকাশ পেয়ে গেছে। মুসলিম উম্মাহর প্রশ্ন সৌদি আরব কিছু বলে না কেন, এটাতেই ক্ষিপ্ত জামশেদ মজুমদার, যেন সৌদি সরকার তাকে এখানে কাউন্টার দিতে বসিয়ে রেখেছে। যখন জুলুমের প্রতিবাদ করা জরুরি, তখন সে জুলুমের প্রতিবাদের বিপরীতে সালাতের প্রশ্নকে ছুড়ে দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, ফিলিস্তিনের পক্ষের ভাইদের হেয় করতে জামশেদের অপচেষ্টাকে আমরা নিন্দা জানাই। বয়কট জামশেদ মজুমদার, বয়কট ঘরের বাজার।</p>
<p style="text-align: justify;">নাসির উদ্দিন বলেন, জামশেদ মজুমদার বলছে- নামাজে গুরুত্ব দেন। ফিলিস্তিনের জন্য আপনি কাঁদতেছেন ভালো কথা, নামাজে গুরুত্ব দেন। নাটক দেখেও তো কাঁদেন। চিন্তা করেন! আজকের কান্নাকে সে নাটকের কান্না মনে করতেছে! সে কি এই হাদিস পড়ে নাই, একজন মুমিনের জীবন কাবার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ! তার ভক্তরা এসে বলবে সে খারাপ কী বলছে? ভাই তারে বইলেন মধুর বিজ্ঞাপনে নামাজের গুরুত্বের কথা বলতে।</p>
<p style="text-align: justify;">তন্ময় সজীব বলেন, জামশেদ মুজমদার নামাজ নিয়ে কথা বলাতে কেউ ক্ষিপ্ত বা সমালোচনা করে নাই। এই খবিশের এটা উসকানিমূলক পোস্ট ছিল, সোজা কথা সৌদি আরব ও আমেরিকার দালালি। ঘুমটাওয়ালা ফতুয়াবাজ শায়েখদের মুখোশ উন্মোচন!</p>
<p style="text-align: justify;">খালেদ সাদি বলেন, জামশেদ মজুমদার ফিলিস্তিন-গাজা ইস্যুতে আত্মিক সমালোচনা তৈরি করেছে। তার মূল খতিয়ে দেখা দরকার। একই ভুলের জন্য বারবার ক্ষমা করা যায় না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/04/07/Jamshed-pic-67f3edf7b96c3.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতীয় মুসলমানদের জাতিগত নিধনের পদক্ষেপ ওয়াকফ বিল : এনআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/559249/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Apr 2025 15:59:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=559249</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসকে মুসলমানদের অ্যাথনিক ক্লিনজিং বা জাতিগত নিধনের পদক্ষেপ আখ্যা দিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। শুক্রবার জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। দলটি এ ঘটনাকে ভারতের অভ্যন্তরীণ ঘটনা মনে করে চুপ না থেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের উপর আঘাত বিবেচনা করে বাংলাদেশসহ সব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসকে মুসলমানদের অ্যাথনিক ক্লিনজিং বা জাতিগত নিধনের পদক্ষেপ আখ্যা দিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">দলটি এ ঘটনাকে ভারতের অভ্যন্তরীণ ঘটনা মনে করে চুপ না থেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের উপর আঘাত বিবেচনা করে বাংলাদেশসহ সব মুসলিম দেশকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের উগ্রবাদী মোদি সরকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর পরিচালিত জাতিগত নিধন মূলক হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন ও বুলডোজার অভিযানের ধারাবাহিকতায় এবার ভয়াবহ ষড়যন্ত্রমূলক বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানদের ওয়াকফ করা মসজিদ-মাদরাসা ও এতিমখানাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি ফিলিস্তিনের মুসলমানদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদে ইসরাইলি দখলদারদের কৌশলেরই ভারতীয় সংস্করণ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতে প্রায় ৪০ কোটি মুসলমান বসবাস করে, যা বিশ্বের দুইশ কোটি মুসলমানের এক পঞ্চমাংশ। ফলে ভারতীয় মুসলমানদের মাতৃভূমিতে থেকে বিতাড়িত করার ষড়যন্ত্রস্বরূপ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস, মুসলমানদের ধর্মীয় বিধান তিন তালাক নিষিদ্ধ, বুলডোজার দিয়ে মসজিদ ও বসতবাড়ি ভাঙার ঘটনা এবং কথায় কথায় মুসলমানদের হত্যা ধর্ষণ নিপীড়ন মোটেই অভ্যন্তরীণ ঘটনা নয়। বরং উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের এসব জাতিগত নিধনমূলক অপরাধ সমগ্র বিশ্ব মুসলমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত মানবতা বিরোধী ধর্মযুদ্ধেরই অংশ যা রুখে দাঁড়ানো মুসলিম দেশগুলোর পরিহার্য কর্তব্য।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে ভারতে সরকারের মুসলিম বিরোধী বিল পাশের প্রতিবাদে দেশটির হাইকমিশনারকে তলব করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cf-img-a-in.tosshub.com/lingo/atbn/images/story/202504/67ecd36ce2d78-waqf-amendment-bill-020426471-16x9.jpg?size=948:533" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>অশ্লীলতা প্রচারের ভয়াবহ পরিণতি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/128827/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/128827/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Apr 2025 05:08:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=128827</guid>

					<description><![CDATA[অনেকে আছে ভাইরাল হওয়ার জন্য কিংবা অর্থ উপার্জনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল ভিডিও প্রচার করে। এটি জঘন্য অপরাধ। এই পোস্ট, ভিডিও ইত্যাদি দ্বারা যত মানুষ গুনাহ করবে, সে তার একটি অংশ পেতে থাকবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে, তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আর আল্লাহ জানেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অনেকে আছে ভাইরাল হওয়ার জন্য কিংবা অর্থ উপার্জনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল ভিডিও প্রচার করে। এটি জঘন্য অপরাধ। এই পোস্ট, ভিডিও ইত্যাদি দ্বারা যত মানুষ গুনাহ করবে, সে তার একটি অংশ পেতে থাকবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে, তাদের জন্য আছে দুনিয়া ও আখিরাতে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।</p>
<p style="text-align: justify;">আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না। ’ (সুরা : নুর, আয়াত : ১৯)</p>
<p style="text-align: justify;">হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, জারির বিন আবদুল্লাহ বিন জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো উত্তম পন্থার প্রচলন করল এবং লোকে তদনুযায়ী কাজ করল, তার জন্য তার নিজের পুরস্কার রয়েছে, উপরন্তু যারা তদনুযায়ী কাজ করেছে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও সে পাবে, এতে তাদের পুরস্কার মোটেও হ্রাস পাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">আর যে ব্যক্তি কোনো মন্দ প্রথার প্রচলন করল এবং লোকেরা তদনুযায়ী কাজ করল, তার জন্য তার নিজের পাপ তো আছেই, উপরন্তু যারা তদনুযায়ী কাজ করেছে, তাদের সমপরিমাণ পাপও সে পাবে, এতে তাদের পাপ থেকে মোটেও হ্রাস পাবে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২০৩)</p>
<p style="text-align: justify;">অতএব কেউ কোনো অশ্লীল পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করলে যত মানুষ ওই পোস্ট দেখবে, সেখান থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে গুনাহে লিপ্ত হবে, নিজেদের মধ্যে শেয়ার করবে—পোস্টদাতা তাদের সবার সমপরিমাণ গুনাহের ভাগীদার হবে। নাউজুবিল্লাহ। মহান আল্লাহ সবাইকে এ ধরনের কাজ থেকে দূরে রাখুন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/128827/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঈদগাহে ইমাম লাঞ্ছিত: নামাজ পড়াতে বাধা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/39186/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/39186/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 31 Mar 2025 08:58:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=39186</guid>

					<description><![CDATA[ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর থানার শুক্তাগড় ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদ্রাসার ঈদগাহের দীর্ঘদিনের ইমাম মাওলানা আবুল কালামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকাল ৯টায় ঈদের নামাজের প্রাক্কালে এঘটনা ঘটে। মাওলানা আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরেই ওই ময়দানে ঈদের নামাজের ইমামতি করে আসছিলেন। নামাজের ইমামতির পূর্বে জায়নামাজ থেকে তাকে বিনা নোটিশে সরিয়ে অন্যজনকে দিয়ে নামাজের ইমামতি করা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর থানার শুক্তাগড় ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদ্রাসার ঈদগাহের দীর্ঘদিনের ইমাম মাওলানা আবুল কালামকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার সকাল ৯টায় ঈদের নামাজের প্রাক্কালে এঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাওলানা আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরেই ওই ময়দানে ঈদের নামাজের ইমামতি করে আসছিলেন। নামাজের ইমামতির পূর্বে জায়নামাজ থেকে তাকে বিনা নোটিশে সরিয়ে অন্যজনকে দিয়ে নামাজের ইমামতি করা হয়৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ ও বক্তব্য রাখার অভিযোগে উপজেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদের একক সিদ্ধান্তে ঈদগাহের ঈমাম মাওলানা আবুল কালামকে ঈদের নামাজ আদায়ের আগ মুহুর্তে  জোরপূর্বক তাকে সরিয়ে দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ঘটনায় অনেক মুসল্লি প্রতিবাদ জানিয়ে নামাজ না পড়ে স্থান ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এসময় শিবিরের জেলা সেক্রেটারি মোঃ সায়েম তাৎক্ষণিক ঘটনার প্রতিবাদ জানালে, বিএনপি নেতার লোকজন তার উপর চড়াও হন এবং তাকে মারধরের হুমকি দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিরপেক্ষভাবে ইমামতি করে আসলেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে একজন ইমামকে এভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দুঃখজনক। অনেকে এটিকে ধর্মীয় বিষয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদগাহে উপস্থিত বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সহকারি সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম বলেন,  জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশে এধরনের ফ্যাসিস্ট আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারাই এধরনের কাজ করে জনগন তাদেরকে শক্তভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভুক্তভোগী ইমাম মাওলানা আবুল কালাম বলেন, একজন আলেমকে এভাবে অপমান করা সত্যি লজ্জাজনক। আমি এই ঘটনার তীব নিন্দা জানাই।  প্রশাসন এবিষয়ে সঠিক ব্যবস্থা নেবে বলে আমরা আশা করি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/39186/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEjlskc7qb9hSTSUfmTULZ-oIFud4dscvHLtXHDvA-vN9GURnOz8JiHSm0pfWfjvEGTxs32VVSOJoXFu320kXJjiI0remVHx_FB2jU5V11uTi3nbG5tCAEpeR3d7UtbtDuWqPPyNXYlaicYRQqMmJWrzo4F-BhOiwbYfaqRziLgcaJByntq8XbI1BAAR/s16000-rw/Jhalkathi-District.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কাল পবিত্র ঈদুল ফিতর</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/268953/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 Mar 2025 11:08:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঈদুল ফিতর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=268953</guid>

					<description><![CDATA[১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশে আগামীকাল সোমবার (৩১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে। রোববার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। পরে চাঁদ দেখা কমিটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশে আগামীকাল সোমবার (৩১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে চাঁদ দেখা কমিটি জানায়, বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে একই ভৌগোলিক অঞ্চল হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তান, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও আগামীকাল সোমবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, এক মাস রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিন মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করে থাকে। এটি ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে রাজধানীসহ সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ঈদ জামাতের প্রস্তুতিও এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। আবহাওয়া প্রতিকূল বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে এ জামাত অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদের প্রধান জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক ইমাম এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারি বিকল্প ইমাম এবং বাংলাদেশ বেতারের বিশিষ্ট ক্বারী এমদাদুল ইসলাম বিকল্প মোকাব্বির হিসেবে প্রস্তুত থাকবেন। ইমাম বা মোকাব্বিরের অনুপস্থিতিতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈরি আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠানের সকল আয়োজন এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৯ মার্চ) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জানান, জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির জন্য নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে রাষ্ট্রপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঈদের জামাতে অংশ নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শাহজাহান মিয়া জানান, আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৯টায় ঈদের দ্বিতীয় জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকাবাসীকে প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছি, যাতে মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য দুটি এবং নির্বিঘ্নে বাহির হওয়ার জন্য পাঁচটি গেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও নারীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক একটি গেট থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহসহ রাজধানীতে নির্বিঘ্ন চলাচল ও সুষ্ঠুভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ বছর ঢাকা মহানগরীতে ১১১টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৫৭৭টি মসজিদসহ মোট ১ হাজার ৭৩৯টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ও ঢাকার অন্যান্য সকল স্থানে অনুষ্ঠেয় ঈদ জামাতের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে, পুরো জাতীয় ঈদগাহ মাঠ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবে ডিএমপির বম্ব স্কোয়াড, সোয়াট ও ক্যানাইন (কে-৯) ইউনিট।</p>
<p style="text-align: justify;">পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে শুক্রবার থেকে টানা ৯ দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। সরকারি, আধা-সরকারি ভবন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্র বাহিনীর সকল স্থাপনাগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় পতাকা ও ‘ঈদ মোবারক’ খচিত ব্যানার মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড ও লাইট পোস্টে প্রদর্শন করা হবে। ঈদুল ফিতরের আগের রাতে সরকারি ভবনগুলোসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সারাদেশে বিভাগ বা জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহের প্রধানরা জাতীয় কর্মসূচির আলোকে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন করে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো যথাযথ গুরুত্ব সহকারে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার ও সংবাদপত্রে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদ উদযাপন উপলক্ষ্যে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধ নিবাস, ছোটমনি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, আশ্রয় কেন্দ্র, সেইফ হোমস, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র, দুঃস্থ কল্যাণ ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশন যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে। এ উপলক্ষ্যে সারাদেশে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের দিন সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের বিনা টিকেটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সকল শিশু পার্কে প্রবেশ এবং বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদের দিন সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের বিনাটিকেটে যাদুঘর, আহসান মঞ্জিল, লালবাগের কেল্লা ইত্যাদি দর্শনীয় স্থান প্রবেশ এবং তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে শিশুদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে-সকাল ৭টায়, এরপর পর্যায়ক্রমে ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং শেষ ঈদ জামাত পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের বাণিজ্য মেলার পুরনো মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের প্রস্তুতি শেষ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সকাল সাড়ে ৮টায় এই মাঠে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নারীদের জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। ডিএনসিসির উদ্যোগে ঢাকা উত্তরের প্রধান ঈদের জামাত এটি। ঈদের জামাতের পর থাকছে ঈদ আনন্দ মিছিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঈদ মেলা।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদের জামাতের জন্য পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রায় ৪৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের প্যান্ডেল করা হয়েছে। প্যান্ডেলের বাইরেও নামাজ আদায়ের জন্য থাকবে কার্পেট ও নামাজের বিছানা। প্যান্ডেলের ভেতরে দক্ষিণ পাশে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাঠের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘এবারের ঈদ জামাত ও ঈদ মিছিলে লাখো মানুষ সমাগমের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ঈদ জামাতে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি ওজুর ব্যবস্থা, পানি পানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই মাঠে একসাথে লক্ষাধিক মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘সরকারের অনেক উপদেষ্টা এই মাঠে ঈদ জামাতে অংশ গ্রহণ করবেন। নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী গত একসপ্তাহ ধরে কাজ করছে। সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পুরো এলাকা নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদের আনন্দ মিছিলটি ইতিহাসের একটি অংশ হবে উল্লেখ করে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘এই প্রথম এত বড় পরিসরে ঈদ আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। এটি ইতিহাসের একটি অংশ হবে। আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইতিহাসের অংশ হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ১৮২৮ সালে প্রথম অনুষ্ঠিত জামাতের হিসাবে এটি হবে ঈদুল ফিতরের ১৯৮তম জামাত। সকাল ১০টায় শুরু হবে। এতে ইমামতি করবেন ১৫ বছর আগে রাজনৈতিক কারণে বাদ দেওয়া ইমাম মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। মুসল্লিদের জন্য থাকছে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার মুসল্লি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামাত নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাঠে একসঙ্গে তিন লাখেরও বেশি মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করে থাকেন। রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে বন্দুকের গুলির শব্দে নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার সংকেত দেওয়া হয়। মুসল্লিদের বিশ্বাস, বড় জামাতে অংশ নিলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। এমন বিশ্বাস থেকে ঈদের দিন মুসল্লিদের ঢল নামে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে। পুরো এলাকা জমসমুদ্রে পরিণত হয়। শোলাকিয়ার ঈদ জামাত সবার কাছে বাড়তি আনন্দ ও তাৎপর্যপূর্ণ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.ntvbd.com/sites/default/files/styles/big_3/public/images/2023/04/21/eid_1.jpg?itok=GhdvnGyI&#038;timestamp=1682083449" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঘুমানোর আগে যেসব আমল সুন্নত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/8421/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/8421/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Mar 2025 09:14:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=8421</guid>

					<description><![CDATA[একটি হাদিসে ঘুমানোর আগে সতর্কতাস্বরূপ প্রয়োজনীয় কয়েকটি কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা রাতে পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রেখো। ঘরের দরজাগুলো বন্ধ রেখো। আর সাঁঝের বেলায় তোমাদের বাচ্চাদের ঘরে আটকে রেখো। কারণ এ সময় জিনেরা ছড়িয়ে পড়ে এবং কোনো কিছুকে দ্রুত পাকড়াও করে। নিদ্রাকালে বাতিগুলো নিভিয়ে দেবে। কেননা অনেক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">একটি হাদিসে ঘুমানোর আগে সতর্কতাস্বরূপ প্রয়োজনীয় কয়েকটি কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা রাতে পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রেখো। ঘরের দরজাগুলো বন্ধ রেখো। আর সাঁঝের বেলায় তোমাদের বাচ্চাদের ঘরে আটকে রেখো।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ এ সময় জিনেরা ছড়িয়ে পড়ে এবং কোনো কিছুকে দ্রুত পাকড়াও করে। নিদ্রাকালে বাতিগুলো নিভিয়ে দেবে। কেননা অনেক সময় ছোট ক্ষতিকারক ইঁদুর প্রজ্জ্বলিত সলতেযুক্ত বাতি টেনে নিয়ে যায় এবং গৃহবাসীকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩৩১৬)</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><strong>বিছানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা</strong> : রাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হয়ে শোয়া সুন্নত। তাই ঘুমানোর আগে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নেবে, যাতে খাবারের কোনো কিছু লেগে না থাকে। শয্যা গ্রহণের আগে বিছানা ঝেড়ে নেওয়া উচিত। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যদি তোমাদের কেউ শয্যায় যায়, তখন সে যেন তার লুঙ্গির দ্বারা বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ সে জানে না যে বিছানার ওপর তার অনুপস্থিতিতে পীড়াদায়ক কোনো কিছু আছে কি না।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩২০)</p>
<p style="text-align: justify;">চোখে বেজোড় সংখ্যায় সুরমা লাগানো সুন্নত। ডান কাতে শয়ন করা সুন্নত। শয়নকালে দোয়া পড়া সুন্নত। হাদিস শরিফে ঘুমানোর আগে কয়েকটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। সব দোয়া পড়তে না পারলে ছোট এ দোয়াটি পড়া যায় : ‘আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহ্ইয়া’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ, তোমার নামে আমি শয়ন করছি এবং তোমারই দয়ায় আমি পুনর্জাগ্রত হব।’</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঘুমের আগে দোয়া ও সুরা পাঠ</strong> : সুরা এখলাস ও নাস-ফালাক পড়ে শরীরে ফুঁ দেওয়া সুন্নত। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন দুই হাত একত্র করে তাতে সুরা এখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফুঁক দিতেন। অতঃপর মাথা ও চেহারা থেকে শুরু করে যতদূর সম্ভব দেহে তিনবার দুই হাত বোলাতেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৫০১৭)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আয়াতুল কুরসি পাঠ করা সুন্নত</strong> : রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন আয়াতুল কুরসি পড়বে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার জন্য একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।’ (বুখারি, হাদিস : ২৩১১)</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/8421/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2021August/sleep-20210904184018.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মহানবী (সা.) যাদের মন্দ বলেছেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/18124/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/18124/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Mar 2025 05:15:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=18124</guid>

					<description><![CDATA[বাংলা ভাষায় একটি ভাবসম্প্রসারণ আছে, ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।’ মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব, তাদের বিভিন্ন ধরনের মানুষের সান্নিধ্যে আসতে হয়। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির চিন্তা, বিশ্বাস প্রবণতা তার ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে টেলিপ্যাথি বলে। টেলিপ্যাথি হচ্ছে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম, যেখানে কোনো সাধারণ মাধ্যম অথবা শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ ব্যবহার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলা ভাষায় একটি ভাবসম্প্রসারণ আছে, ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।’ মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব, তাদের বিভিন্ন ধরনের মানুষের সান্নিধ্যে আসতে হয়। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির চিন্তা, বিশ্বাস প্রবণতা তার ব্যক্তিত্বে প্রভাব ফেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞানের ভাষায় একে টেলিপ্যাথি বলে। টেলিপ্যাথি হচ্ছে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম, যেখানে কোনো সাধারণ মাধ্যম অথবা শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ ব্যবহার করা হয় না। এটি সাধারণত মনের ক্ষমতা  ব্যবহার করে থাকে। এটি মনের সঙ্গে মনের যোগাযোগের মাধ্যম।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">মানুষ সৎ মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করলে, তার মনের যোগাযোগও হবে একটি স্বচ্ছ মনের সঙ্গে। আর অসৎ লোকদের সঙ্গে ওঠাবসা করলে তার মনের যোগাযোগ হবে একটি অন্ধকার মনের সঙ্গে, যার প্রভাবে তার মনেও আস্তে আস্তে অন্ধকার নেমে আসতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাসুল (সা.) বলেছেন, সৎসঙ্গী ও অসৎসঙ্গীর উপমা হলো কস্তুরী বহনকারী (আতর বিক্রেতা) ও কামারের হাপরের মতো। মৃগ-কস্তুরী বহনকারী হয়তো তোমাকে কিছু দান করবে কিংবা তার কাছ থেকে তুমি কিছু খরিদ করবে কিংবা তার কাছ থেকে তুমি লাভ করবে সুবাস। আর কামারের হাপর হয়তো তোমার কাপড় পুড়িয়ে দেবে কিংবা তুমি তার কাছ থেকে পাবে দুর্গন্ধ। (বুখারি, হাদিস : ৫১৩৬)</p>
<p style="text-align: justify;">তাই জীবনে বন্ধু চয়নের ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। নিকৃষ্ট মানুষ থেকে দূরে থাকা জরুরি। রাসুল (সা.)-এর হাদিসে কিছু মানুষকে নিকৃষ্ট মানুষ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য মানুুষ আছে, যাদের মধ্যে একই ধরনের অভ্যাস পাওয়া যায়। আমাদের উচিত তাদের থেকে দূরে থাকা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>দুমুখো মানুষ</strong> : আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, মানুষের মধ্যে দুই রূপধারী লোক সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে এ দলের কাছে আসে এক রূপ নিয়ে এবং অন্য দলের কাছে আসে আরেক রূপ নিয়ে। (মুসলিম, হাদিস : ৬৫২৪)। এ ধরনের মানুষ আমাদের চারপাশে অনেক পাওয়া যায়, যারা আমাদের বন্ধুর বেশে ক্ষতি করে বেড়ায়। তাদের থেকে দূরে থাকা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যাদের অনিষ্টের ভয়ে মানুষ তাদের থেকে দূরে থাকে </strong>: আমাদের আশপাশে এমন অনেক মানুষ পাওয়া যায়, যাদের অনিষ্টের ভয়ে তাদের আত্মীয়রাও তাদের থেকে দূরে সরে থাকে। রাসুল (সা.) তাদের থেকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেন, তাকে অনুমতি দাও। সে তার বংশের নিকৃষ্ট সন্তান। অথবা বললেন, সে তার গোত্রের ঘৃণ্যতম ভাই। যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সঙ্গে নম্রভাবে কথাবার্তা বললেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি এর ব্যাপারে যা বলার তা বলেছেন। এখন আপনি তার সঙ্গে নম্রভাবে কথা বললেন। তিনি বললেন, হে আয়েশা! আল্লাহর কাছে মর্যাদায় নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার অশালীন ব্যবহার থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তার সংসর্গ বর্জন করে চলে। (বুখারি, হাদিস : ৬১৩১)</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার জন্য পরিবার কিংবা সমাজের মানুষের সঙ্গে রূঢ় ব্যবহার করে। মানুষকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে যারা সম্মান আদায় করতে চায়, তাদের মূল অবস্থান উপরোক্ত হাদিসে স্পষ্ট করা হয়েছে। তাই প্রভাব বিস্তারের জন্যও এমনটি করা উচিত নয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইলম অনুযায়ী আমল না করা</strong> : আর নিকৃষ্ট পাপাচারী ব্যক্তি, যে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, কিন্তু পাপের কাজে কোনো পরোয়া করে না। (নাসায়ি, হাদিস : ৩১০৬)। মুসলমান হিসেবে আমরা সবাই কমবেশি কোরআন শিখি। হালাল-হারামের বেশির ভাগ বিষয়েই আমরা স্পষ্ট ধারণা রাখি। তবু পার্থিব স্বার্থে অনেক সময় আমরা তার তোয়াক্কা করি না। রাসুল (সা.) এমন লোকদের নিকৃষ্ট বলেছেন। তাই আমাদের নিজেদেরও এমন অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত। যারা এমনটি করে, তাদের থেকে দূরে থাকা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যারা সব ক্ষেত্রে দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয়</strong> : আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি অপরের পার্থিব স্বার্থে আখিরাত বরবাদ করেছে, কিয়ামতের দিন সে হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ব্যক্তি। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৯৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষ যদি দুনিয়ার ওপর আখিরাতকে প্রাধান্য দিত, তবে পৃথিবীতে সুদখোর, ঘুষখোর, ধর্ষক, সন্ত্রাসী কিছুই থাকত না। তাই আমাদের উচিত জীবনের সব ক্ষেত্রে আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়া; আল্লাহকে ভয় করা; যারা আখিরাতবিমুখ ও অন্যদের আখিরাত থেকে বিমুখ করার পাঁয়তারা করে, তাদের থেকে দূরে থাকা।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/18124/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতে মুসলিম হত্যার বিরুদ্ধে ড. ইউনূসকে সোচ্চার হওয়ার দাবি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/554974/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Mar 2025 16:10:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=554974</guid>

					<description><![CDATA[পবিত্র রমজান মাসেও ভারতের মুসলমানদেরকে হত্যা-নির্যাতন ও মসজিদে হামলাকারী হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদেরকে কঠোরভাবে দমন করতে ভারত সরকারকে চাপ দিতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় ‘হিন্দু মুসলিম এক হও, নিপীড়ন রুখে দাও’, ‘হিন্দুত্ববাদের কালো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পবিত্র রমজান মাসেও ভারতের মুসলমানদেরকে হত্যা-নির্যাতন ও মসজিদে হামলাকারী হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদেরকে কঠোরভাবে দমন করতে ভারত সরকারকে চাপ দিতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় ‘হিন্দু মুসলিম এক হও, নিপীড়ন রুখে দাও’, ‘হিন্দুত্ববাদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘মানবতা দিচ্ছে ডাক, ভারতীয় মুসলমানরা মুক্তি পাক’, ‘মুসলিম লাইভ ম্যাটারস, স্টপ দ্য জেনসাইড’, ‘স্টপ দ্য হেইট, জাস্টিস ফর ইন্ডিয়ান মুসলিমস’, ‘রামাদান ম্যাসাকার, মাস্ট ইন্ড মাস্ট ইন্ড’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।</p>
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=476&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fkhomeneefb%2Fvideos%2F1187677346227053%2F&amp;show_text=true&amp;width=267&amp;t=0" width="267" height="591" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান ও সহকারী সদস্যসচিব গালিব ইহসান।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্যসচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার, কেন্দ্রীয় সদস্য তামিম আনোয়ার, ওয়াসিম আহমেদ, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্য সদস্য সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়েতুল্লাহ ও বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/03/16/NRC-67d6e6a903896.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো মুসলিম ঐতিহ্যে ফিরছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/554765/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Mar 2025 05:15:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=554765</guid>

					<description><![CDATA[চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। এই মাসকে স্মরণীয় ও বরণীয় করে তুলতে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও রঙিন ব্যানারে সাজানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো। আয়োজন করা হচ্ছে গণইফতার, চলছে কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ফিরে আসছে উচ্চ শিক্ষার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। এই মাসকে স্মরণীয় ও বরণীয় করে তুলতে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও রঙিন ব্যানারে সাজানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো। আয়োজন করা হচ্ছে গণইফতার, চলছে কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে হারিয়ে যাওয়া মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ফিরে আসছে উচ্চ শিক্ষার অঙ্গনগুলোতে। পতিত আওয়ামী জাহিলিয়াতের সময়ে এ চিত্র দেখা যায়নি। বরং প্রায় দেড় দশক এসব আয়োজনে বাধা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মহিমান্বিত এই মাসের আত্মশুদ্ধি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। মাসব্যাপী নেওয়া হয়েছে কোরআন শিক্ষা, কোরআন উপহার ও গণইফতারের কর্মসূচি।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজান শুরুর প্রাক্কালেই ঢাবি ও বুয়েট শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে হলে হলে স্থাপন করা হয় রমজানের বিশেষ সাজ, যেখানে ফুটিয়ে তোলা হয় মুসলিম ঐতিহ্যের নিদর্শন চাঁদ-তারা, মসজিদের মিনারসহ নানা অনুষঙ্গ। শুরুতে ঢাবির কয়েকটি আবাসিক হলের ফটকে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ‘আহলান, সাহলান, মাহে রামাদান’ লিখে আলোকসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়। পরে প্রায় সব হলের প্রধান দরজায় হল প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ব্যবস্থা করেন শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থী সাজিদ রহমান বলেন, ‘এবারের সাজসজ্জা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আমরা চাই শুধু রমজানেই নয়, জাতীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবগুলোয়ও ক্যাম্পাস এমন সৃজনশীলতায় ভরপুর থাকুক।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিন যুগ ধরে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে চাকরি করা ফজলুল হক সিকদারের চোখে এক নতুন রমজানের রঙ। তিনি বলেন, ‘আমার চাকরির বয়স ৩৬ বছর চলে। রমজানকে কেন্দ্র করে এবার যেভাবে হলগুলো সাজানো হয়েছে, আগে কখনো এমন চিত্র দেখা যায়নি।’</p>
<p style="text-align: justify;">হলের শিক্ষার্থীরা জানান, শুধু আনন্দ নয়, হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চান তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজান উপলক্ষে সাজানো হয়েছে বুয়েটের রশিদ হল। ফেসবুকে ভারতবিরোধী পোস্ট দেওয়ায় বুয়েটের শের-ই বাংলা ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। তার পর থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও ধর্মচর্চা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। এবার রমজানে রঙিন আলোর অপরূপ সাজে সেজেছে শহীদ আবরার ফাহাদের সেই ছাত্রাবাস। টাঙানো হয়েছে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদিসের বাণী। একই ভাবে সেজেছে প্রতিষ্ঠানটির অন্য ছাত্রাবাসগুলোও, যা নিয়ে বেশ উৎফুল্ল শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোকসজ্জা তেমনটা না হলেও রমজান উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। মাসব্যাপী ইফতারের আয়োজন করেছে রাবি প্রশাসন। রয়েছে কিরাত সম্মেলন ও গণইফতার কর্মসূচি। ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ ছাত্র সংগঠনগুলোও আয়োজন করছে গণইফতারসহ নানা কর্মসূচি।</p>
<p style="text-align: justify;">জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআন শিক্ষার আসর আয়োজন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। হলে হলে হচ্ছে খতমে তারাবি। বদর দিবস উপলক্ষে রয়েছে কুইজ প্রতিযোগিতা। এ ছাড়া অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে ইফতারের আয়োজনও করবে সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণইফতার কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে ছেলেদের জন্য এবং উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল গেটে মেয়েদের ইফতারের আয়োজন করা হয়। এক হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর এ আয়োজনে আসরের নামাজের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে রমজানের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষার সময়সূচিতে আনা হয়েছে পরিবর্তন। পাঠদানের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। আবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই পেছানো হয়েছে ক্লাস-পরীক্ষা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. যুবাইর মোহাম্মদ এহসানুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রমজানের অনুষ্ঠানগুলোয় কোনো ধরনের রাজনৈতিক বাধা না থাকার কারণে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। ইফতার ও সাহরির মতো নিরেট ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদ্‌যাপনে কোনো ধরনের বাধা কাম্য নয়। আগে বাধা ছিল, বর্তমানে ওই পরিস্থিতির অবসান হওয়ায় ক্যাম্পাসে এ ধরনের আয়োজন সুন্দরভাবে করা যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্যাম্পাসগুলোয় রমজানের গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখতে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ক্যাম্পাসগুলোয় কয়েক বছর এমন উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকলে এসব অনুষ্ঠানে আর বাধা আসবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/images/Ru_QKjuWyP.width-800.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফিতরা কার ওপর কখন কতটুকু ওয়াজিব?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/105093/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/105093/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 14 Mar 2025 05:39:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=105093</guid>

					<description><![CDATA[সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা রমজানের গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্থিক ইবাদত। এটি জাকাতেরই একটি প্রকার। পবিত্র কোরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা এদিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়। ’ (সুরা আলা, আয়াত : ১৪) ইসলামী বিধানমতে, সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। সাহাবি ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য করেছেন। এর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা রমজানের গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্থিক ইবাদত। এটি জাকাতেরই একটি প্রকার। পবিত্র কোরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা এদিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়। ’ (সুরা আলা, আয়াত : ১৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামী বিধানমতে, সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব।</p>
<p style="text-align: justify;">সাহাবি ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য করেছেন। এর পরিমাণ হলো, এক সা জব বা এক সা খেজুর। ছোট-বড়, স্বাধীন-পরাধীন সবার ওপরই এটি ওয়াজিব। (বুখারি, হাদিস : ১৫১২)</p>
<p style="text-align: justify;">সদকাতুল ফিতরের দুটি তাৎপর্য বর্ণনা করা হয়েছে। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) সদকাতুল ফিতরকে অপরিহার্য করেছেন। অর্থহীন, অশালীন কথা ও কাজে রোজার যে ক্ষতি তা পূরণের জন্য এবং নিঃস্ব লোকের আহার জোগানোর জন্য। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬০৯)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>যাদের ওপর ওয়াজিব</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় কারো কাছে জাকাতের নিসাবের সমপরিমাণ অর্থাৎ সাড়ে সাত ভরি সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপা অথবা তার সমমূল্যের নগদ অর্থ কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অতিরিক্ত সম্পদ যদি বিদ্যমান থাকে তাহলে তার ওপর সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে। যার ওপর সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব, তিনি নিজের পক্ষ থেকে যেমন আদায় করবেন, তেমনি নিজের অধীনদের পক্ষ থেকেও আদায় করবেন। তবে এতে জাকাতের মতো বর্ষ অতিক্রম হওয়া শর্ত নয়। (ফাতহুল কাদির : ২/২৮১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সদকাতুল ফিতরের পরিমাণ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সদকাতুল ফিতরের পরিমাণ সম্পর্কে হাদিস শরিফে দুটি মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১. ‘এক সা’ ২.‘নিসফে সা’। খেজুর, পনির, জব ও কিশমিশ দ্বারা আদায়ের ক্ষেত্রে এক ‘সা’=৩২৭০.৬০ গ্রাম (প্রায়), অর্থাৎ তিন কেজি ২৭০ গ্রামের কিছু বেশি। এ ছাড়া গম দ্বারা আদায় করতে চাইলে ‘নিসফে সা’=১৬৩৫.৩১৫ গ্রাম, অর্থাৎ এক কেজি ৬৩৫ গ্রামের কিছু বেশি প্রযোজ্য হবে। (আওজানে শরইয়্যাহ, পৃষ্ঠা ১৮)</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, আমাদের দেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গবেষণা মতে, ‘এক সা’-এর পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়, তিন কেজি ৩০০ গ্রাম। আর ‘আধা সা’-এর পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়, এক কেজি ৬৫০ গ্রাম।</p>
<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) একজন ঘোষক প্রেরণ করলেন সে যেন মক্কার পথে পথে এ ঘোষণা করে যে জেনে রেখো, প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, গোলাম-স্বাধীন, ছোট-বড় প্রত্যেকের ওপর সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য। দুই মুদ (আধা সা) গম কিংবা এক সা অন্য খাদ্যবস্তু। (তিরমিজি, হাদিস : ৬৭৪)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কখন আদায় করা উত্তম</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ঈদগাহে যাওয়ার আগেই সদকাতুল ফিতর আদায় করা সর্বোত্তম। কারণ এর মাধ্যমে ধনী-গরিবের মাঝে আনন্দের ভাগাভাগি হয়। তা ছাড়া এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নতও। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, সুন্নত হলো ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা। (আল-মুজামুল কাবির, হাদিস : ১১২৯৬)</p>
<p style="text-align: justify;">ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) আমাদের ঈদগাহে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারি, হাদিস : ১৫০৯)</p>
<p style="text-align: justify;">তবে কারো যদি কোনো কারণবশত ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে পরে আদায় করারও সুযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">হাদিসে উল্লিখিত পাঁচটি দ্রব্যের যেকোনো একটি দ্রব্য বা এর মূল্য আদায়ের মাধ্যমে সদকাতুল ফিতর আদায়ের সুযোগ দিয়েছে ইসলামী শরিয়ত। এর কারণ হচ্ছে মুসলিমরা যেন নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটির মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে তা আদায় করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু আমাদের দেশে সামর্থ্যবানরাও ব্যাপকভাবে সর্বনিম্ন দ্রব্যের মূল্য ধরে তা আদায় করে থাকে, যা সত্যিই অপছন্দনীয়। কারণ হাদিস শরিফে এসেছে একবার রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সর্বোত্তম দান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ইরশাদ করেন, ‘দাতার নিকট যা সর্বোত্কৃষ্ট এবং যার মূল্যমান সবচেয়ে বেশি। ’ (বুখারি, হাদিস : ২৫১৮)</p>
<p style="text-align: justify;">মহান আল্লাহ আমাদের সাধ্যানুযায়ী যথাযথভাবে সদকাতুল ফিতর আদায়ের তাওফিক দান করুন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/105093/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.ittefaq.com/contents/cache/images/640x358x1/uploads/a/2021/04/21/image-238568-1619000140.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রমজানের প্রস্তুতিতে যেসব আমল করবেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/87733/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/87733/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Mar 2025 04:09:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=87733</guid>

					<description><![CDATA[মুসলিম উম্মাহর দরজায় পবিত্র রমজান মাস। আর মাত্র ৫ দিন পরেই শুরু হবে রোজা। মুমিন মুসলমানকে মনে রাখতে হবে, রমজান ভোগ, পণ্য মজুত বা বাড়তি মুনাফায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মাস নয়। বরং রমজান কোরআন নাজিলের মাস, সংযমের মাস এবং ত্যাগের মাস। এ মাস ইবাদত-বন্দেগির মাস। আল্লাহর রহমত, বরকত মাগফেরাত নাজাত ও যাবতীয় কল্যাণ লাভের মাস। ইসলামের পাঁচটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মুসলিম উম্মাহর দরজায় পবিত্র রমজান মাস। আর মাত্র ৫ দিন পরেই শুরু হবে রোজা। মুমিন মুসলমানকে মনে রাখতে হবে, রমজান ভোগ, পণ্য মজুত বা বাড়তি মুনাফায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মাস নয়। বরং রমজান কোরআন নাজিলের মাস, সংযমের মাস এবং ত্যাগের মাস। এ মাস ইবাদত-বন্দেগির মাস। আল্লাহর রহমত, বরকত মাগফেরাত নাজাত ও যাবতীয় কল্যাণ লাভের মাস।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ। কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত। মুসলমানদের জন্য অনন্য উপহার হচ্ছে রমজানুল মোবারক। তাই রোজা আগমনের আগে মুমিনের বিশেষ কিছু করণীয় রয়েছে। রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাতের মর্যাদাপূর্ণ মাসটি পেতে একটি দোয়া বেশি বেশি পড়া জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানের আগের সব গোনাহ থেকে তাওবাহ-ইসতেগফার করতে হবে। কোনো অন্যায়কারী যদি ভাবে রমজান চলে এসেছে, আর আমার সব গোনাহ এমনিতেই ক্ষমা হয়ে যাবে বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়। বরং আগে থেকে তাওবাহ-ইসতেগফার করে রমজানের যাবতীয় কল্যাণ লাভে নিজেকে প্রস্তুত করা খুবই জরুরি। আর তাতে আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার আগের সব গোনাহ মাফ করে দিয়ে রমজানের যাবতীয় কল্যাণ দিয়ে জীবন সুন্দর করে দেবেন। তা হলো—</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলি,</p>
<p style="text-align: justify;">হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বাল্লিগনা রামাদান’</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রমজান কবুল করুন।’</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থাৎ রমজান পর্যন্ত আমাদের হায়াত দিন। রমজানের রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাত পেতে আমাদের রমজানে পৌঁছে দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">ছোট্ট দোয়াটির পাশাপাশি আরেকটি দোয়াও বেশি বেশি পড়া যেতে পারে। তা হলো-</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি শাবান ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। অর্থাৎ রমজান পর্যন্ত হায়াত দান করুন। তথ্য সূত্র: আরটিভি নিউজ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/87733/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.banglanews24.com/public/uploads/2020/04/29/bn20200429163407.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোরআনের শিক্ষা মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/162822/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/162822/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Mar 2025 03:01:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=162822</guid>

					<description><![CDATA[কোরআনের শিক্ষা মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন। কোরআনজুড়ে মুমিনের জন্য আছে জীবন চলার অসংখ্য পাথেয়। তন্মধ্য থেকে ১০টি বিশেষ পাথেয় বর্ণনা করা হলো। ১. আল্লাহভীতি : তাকওয়া বা আল্লাহভীতি মুমিন জীবনে সর্বোত্তম পাথেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু করো আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কোরো। তাকওয়াই (আল্লাহভীতি) শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/কুরআন" target="_blank" rel="noopener">কোরআনে</a>র শিক্ষা মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন। কোরআনজুড়ে মুমিনের জন্য আছে জীবন চলার অসংখ্য পাথেয়। তন্মধ্য থেকে ১০টি বিশেষ পাথেয় বর্ণনা করা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">১. আল্লাহভীতি : তাকওয়া বা আল্লাহভীতি মুমিন জীবনে সর্বোত্তম পাথেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু করো আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কোরো। তাকওয়াই (আল্লাহভীতি) শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা, তোমরা আমাকে ভয় কোরো। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৭)</p>
<h3 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/175014/" target="_blank" rel="noopener">ঋতুস্রাবকালে নারীর নামাজ ও রোজার বিধান</a></h3>
<p style="text-align: justify;">২. ইখলাস বা নিষ্ঠা : শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোনো কাজ করাকে ইখলাস বা নিষ্ঠা বলা হয়। কোরআনে ইখলাস অর্জনের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তারা তো আদিষ্ট হয়েছিল আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদত করতে এবং নামাজ আদায় করতে ও জাকাত দিতে। এটাই সঠিক দ্বিন। ’ (সুরা বাইয়িনাহ, আয়াত : ৫)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. আল্লাহর ওপর ভরসা : আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভর করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই; আল্লাহ সব কিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা। ’ (সুরা তালাক, আয়াত : ৩)</p>
<p style="text-align: justify;">৪. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ : ফরজ ইবাদতগুলো যথাযথ পালন করা মুমিনের জন্য আবশ্যক। বিশেষত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী নামাজের প্রতি। এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তোমরা বিনীতভাবে দাঁড়াবে। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৩৮)</p>
<h3 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <span style="color: #800080;"><a style="color: #800080;" href="https://worldbarta.com/news/264670/" target="_blank" rel="noopener">যে কারণে রোজা ভঙ্গ হয়!</a></span></h3>
<p style="text-align: justify;">৫. ভালো কাজে লিপ্ত থাকা : ভালো কাজে লিপ্ত থাকার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ভালো কাজ কোরো, যেন তোমরা সফল হতে পারো। ’ (সুরা হজ, আয়াত : ৭৭)</p>
<p style="text-align: justify;">৬. হালাল উপার্জনে সচেষ্ট হওয়া : অবৈধ উপার্জন আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে অন্যতম বাধা। তাই মুমিন হালাল উপার্জনে সচেষ্ট থাকবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘নামাজ শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করবে ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ করবে, যাতে তোমরা সফলকাম হও। ’ (সুরা জুমা, আয়াত : ১০)</p>
<p style="text-align: justify;">৭. অসহায়দের সাহায্য করা : অসহায় মানুষদের সাহায্য করলে আল্লাহ অত্যন্ত খুশি হন। পবিত্র কোরআনে অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ অসহায় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এবং তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে আছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের অধিকার। ’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত : ১৯)</p>
<h3 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/92229/" target="_blank" rel="noopener">তারাবির নামাজের সঠিক নিয়ম নীতি ও দুয়া</a></h3>
<p style="text-align: justify;">৮. অন্যায়ের প্রতিবাদ করা : ইসলাম সমাজের অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করতে শেখায়। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ঈমানের দাবি। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানবজাতির জন্য তোমাদের আবির্ভাব হয়েছে; তোমরা ভালো কাজের নির্দেশ দান করো, অসৎ কাজে নিষেধ করো এবং আল্লাহতে বিশ্বাস করো। ’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১১০)</p>
<p style="text-align: justify;">৯. দ্বিনের দাওয়াত দেওয়া : দ্বিনের পথে আহ্বান করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব। রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি আয়াত জানা থাকলেও তা অন্যের কাছে পৌঁছে দিতে বলেছেন। আর কোরআনের নির্দেশ হলো, ‘তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের পথে আহ্বান কোরো প্রজ্ঞা ও সদুপদেশ দ্বারা। ’ (সুরা নাহল, আয়াত : ১২৫)</p>
<p style="text-align: justify;">১০. বেশি বেশি দোয়া করা : দোয়া মুমিনের হাতিয়ার। মুমিন সর্বাবস্থায় বিনীত হয়ে আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা করে। বিশেষত গভীর রাতে আল্লাহর প্রার্থনা করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা রাতের সামান্য অংশই অতিবাহিত করত নিদ্রায়, রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করত। ’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত : ১৭-১৮)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/162822/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/quran-20230420174709.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়, বা জানা দরকার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/262483/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Feb 2025 04:34:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য পরামর্শ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=262483</guid>

					<description><![CDATA[‘মনে রাখতে হবে যে, আমি যে রোজা রাখলাম, আমার এখন তাহলে করণীয়টা কী? আমার তো পরীক্ষা করতে হবে। গ্লুকোজ টেস্ট করতে হবে। আমি রোজা রেখেছি। আমি কি পারব? এটার জন্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনেক আগেই সমাধান দিয়েছে। তারা বিশ্বের আলেম, বাংলাদেশের আলেমদের সাথে কথা বলে একটা চুক্তিনামা করেছে এবং তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ডায়াবেটিস [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div>
<p style="text-align: justify;">‘মনে রাখতে হবে যে, আমি যে রোজা রাখলাম, আমার এখন তাহলে করণীয়টা কী? আমার তো পরীক্ষা করতে হবে। গ্লুকোজ টেস্ট করতে হবে। আমি রোজা রেখেছি। আমি কি পারব? এটার জন্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনেক আগেই সমাধান দিয়েছে। তারা বিশ্বের আলেম, বাংলাদেশের আলেমদের সাথে কথা বলে একটা চুক্তিনামা করেছে এবং তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ডায়াবেটিস রোগী যদি শুধু নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ব্লাড টেস্ট করে, রক্ত গড়িয়ে পড়ে না, তাহলে কিন্তু রোজার ক্ষতি হয় না।’</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। এ মাসে অন্য অনেকের মতো ডায়াবেটিস রোগীরাও রোজা রাখবেন। সে ক্ষেত্রে তাদের করণীয় ও বর্জনীয়গুলো এক ভিডিওতে তুলে ধরেছেন ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাকলায়েন রাসেল। পরামর্শগুলো তার ভাষায় পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>প্রস্তুতি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সবাই যারা সামর্থ্যবান মুসলিম, যাদের ওপর রোজা ফরজ হয়েছে, আমরা সবাই আসলে চাই এ সময়ে রোজা রেখে ওপরওয়ালার নৈকট্য লাভের যে সুযোগ, সেটা থেকে যেন আমরা কেউই বঞ্চিত না হই। এরই অংশ হিসেবে আমরা আসলে প্রতি বছর রোজা রাখি; রোজা রাখছি আমরা অনেকেই, কিন্তু যারা ডায়াবেটিস রোগী, তাদের মধ্যে অনেকগুলো প্রস্তুতির বিষয় আছে। তাদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেকগুলো গাইডলাইন প্রয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify;">যেমন: প্রথম কথাই হচ্ছে আপনি রোজা রাখবেন রমজান মাসে টানা এক মাস। আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী। প্রস্তুতি শুরু করবেন কখন? উত্তরটা কিন্তু তিন মাস আগে। সেটা কী? আমি রোজা শুরু করার আগে আমার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেব যে, ‘আমি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন রোগী। আমি রোজা রাখব। আমার জন্য কী কী উপদেশ আছে?’ উনি (চিকিৎসক) তখন আপনাকে চেকআপ করবেন এবং আপনার রেকর্ডগুলো দেখবেন, আপনার ডায়াবেটিস লেভেলটা ফ্লাকচুয়েট করে কি না, ওপরে-নিচে হয় কি না। আপনার কিডনিটা ভালো আছে কি না, আপনার অন্য কোনো রোগ আছে কি না। এগুলো যদি দেখে মনে হয় আপনি স্ট্যাবল (স্থিতিশীল) আছেন, সে ক্ষেত্রে আপনাকে কিন্তু উপারা সাজেস্ট করবেন যে, ‘হ্যাঁ, আপনি রোজা রাখেন। সে ক্ষেত্রে আপনার কোনো সমস্যা নাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">এখন যেহেতু হাতে আর সময় নেই, এই ভিডিওটি প্রথমবার যারা দেখলেন, তাদের হাতে মাত্র কয়েক দিন, কয়েক ঘণ্টা বাকি আছে। আমি তাদের ক্ষেত্রে বলব, আপনি তো জানেন আপনার রিসেন্টলি ডাটাগুলো কেমন, আপনার ডায়াবেটিস কেমন থাকছে, কমছে না বাড়ছে, ফ্লাকচুয়েশনটা কেমন হয়, এটা আপনি যদি মাথায় রাখেন, আমার মনে হয় টেনশন করার কোনো কারণ নাই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সেহরি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">এখন আসেন যে, কিছু টিপস দিব, খুব গভীরে যাব না। একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি মনে করেন যে, আমি সুস্থ আছি, আমার সব ঠিক আছে, আমি রাখতে চাই, কোনো বাধা নেই। আপনার যদি অন্য কোনো খারাপ কন্ডিশন না থাকে, রাখতে পারেন। রাখার ক্ষেত্রে যদি আমরা সেহরির কথা চিন্তা করি, সেহরিতে কী খাব? একদম সরাসরি কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">সোজা কথা হচ্ছে আপনি সেহরিতে যে খাবারটি গ্রহণ করবেন, আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে, আমি ১৪/১৫ ঘণ্টা একেবারেই না খেয়ে থাকব। তার মানে সেহরির সময় আমি এমন একটা খাবার গ্রহণ করব, যেটা মোটামুটি আমাকে লম্বা সময় এনার্জি দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সে ক্ষেত্রে কিন্তু দেখবেন যে, ভাতের থেকে রুটি কিন্তু বেশি সময় মানুষের শরীরে শক্তির জোগান দেয়। ভাত কিন্তু খুব দ্রুত শক্তি দেয় এবং খুব দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যায়। সে কারণে আমরা ভাতকে খুব একটা সাজেস্ট করি না।</p>
<p style="text-align: justify;">ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আমরা সেহরির ক্ষেত্রে বলি আপনি একটু অপেক্ষা করেন। একেবারে আজান হওয়ার, অর্থাৎ সেহরির সময় শেষ হওয়ার একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে খাবেন। তাহলে আপনার জন্য সারা দিন রোজা রাখতে কষ্ট হবে না। তখন ডিউরেশনটা কম হবে। অনেকে রাত একটা-দুইটার মধ্যে খেয়ে ফেলেন। এটা ঠিক না। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস রোগী।</p>
<p style="text-align: justify;">সে ক্ষেত্রে খাবারের আইটেমের ক্ষেত্রে যদি সকালবেলা প্রবলেম না হয়, তারা যদি ফলমূল রাখতে পারেন, যদি খেজুর রাখেন, রুটিটা রাখেন, আমার মনে হয় যে, তিনি অনেক বেশি পুষ্টি বা এনার্জি নেয়ার একটা অবস্থায় থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সারা দিন না খেয়ে থাকব, সে জন্য কোনো অবস্থাতেই পেট ভরে খাব, চান্স পেয়েছি খেয়ে নিই, এমনটা যেন না হয়। তাতে দেখা যাবে যে, আপনার সকালবেলা পেট খারাপ হবে। তখন কিন্তু আপনি রোজাটাও রাখতে পারবেন না; প্রবলেমটা আরও বাড়বে। এমনিতেই অনেকের পেট খারাপ হয়। কারণ খাবারের প্যাটার্নটা চেঞ্জ হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সকালবেলা আপনি ঘুম থেকে উঠবেন। সারা দিন থাকলেন। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ভয় কখন? ভয়টা হচ্ছে বিকেলের দিকে।</p>
<p style="text-align: justify;">তার কিন্তু হঠাৎ করে হাইপো (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া) হয়ে যেতে পারে। অনেক কমে যেতে পারে। কমে গিয়ে তিনি কিন্তু অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। যদি মাথা ঘোরায়, চোখে অন্ধকার দেখেন, পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়, ঘাম হয়, এ সময় তো আল্লাহর বিধানই আছে। রোজা না রাখা আপনার জন্য সেই সময় দায়িত্ব। সেটা আপনি মেনে নিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>টেস্ট </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এখন সারা দিনে আপনি রোজা রাখছেন। মনে রাখতে হবে যে, আমি যে রোজা রাখলাম, আমার এখন তাহলে করণীয়টা কী? আমার তো পরীক্ষা করতে হবে। গ্লুকোজ টেস্ট করতে হবে। আমি রোজা রেখেছি। আমি কি পারব? এটার জন্য বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি অনেক আগেই সমাধান দিয়েছে। তারা বিশ্বের আলেম, বাংলাদেশের আলেমদের সাথে কথা বলে একটা চুক্তিনামা করেছে এবং তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ডায়াবেটিস রোগী যদি শুধু নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ব্লাড টেস্ট করে, রক্ত গড়িয়ে পড়ে না, তাহলে কিন্তু রোজার ক্ষতি হয় না। ফলে আমাদের সম্মিলিত আলেম সমাজের যে মতামত, সেটা অনুযায়ী কিন্তু যদি আপনার প্রয়োজন হয় জীবন রক্ষার্থে এবং একই সঙ্গে রোজা রাখার স্বার্থে, টেস্ট করতে পারেন। তাতে কোনো ক্ষতি নাই।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইফতার</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ইফতারের সময় আপনি কীভাবে কী করবেন? এটা জটিলতর একটা বিষয় যে, ইফতারের সময় তো আমার একটু ভাজাপোড়া না খেলে হবে না। আবার ওষুধ নিতে হবে। আবার একটু শরবত না খেলে কী রকম হয়? বলা হয়ে থাকে, যারা ডায়াবেটিস রোগী চেষ্টা করেন, যত কমসংখ্যক, একেবারে না খেলে আরও ভালো। ভাজাপোড়াটা অ্যাভয়েড করাটা সবচেয়ে ভালো।</p>
<p style="text-align: justify;">যদি শরবতের দিকে আসি, চিনির শরবত কোনো দরকারই নাই। আপনি যদি ডাব একটা ম্যানেজ করতে পারেন, খুবই ভালো। যদি ডাব ম্যানেজ করতে না পারেন, একটু ফ্রুটগুলোকে জুস করে নিলেন, খুব বেশি সেখানে চিনি যোগ করলেন না, তাহলে কিন্তু আপনি অনেকটা ভালো খাবার গ্রহণ করলেন। চেষ্টা করবেন যে, ইফতারের পরপর কিছুটা বিশ্রাম নিতে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাতের খাবার </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এখন নেক্সট কোশ্চেন আসে যে, আমি রাতের খাবারটা খাব কি খাব না? এটা আপনার ওপর নির্ভর করে। আপনি যদি মনে করেন যে, আমি ভালোভাবে ইফতার করেছি, আমি আর খেতে চাই না, ওকে; নো প্রবলেম। এটা নিয়ে টেনশন করার কোনো দরকার নাই।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর কোশ্চেন আসে যে, ডায়াবেটিস রোগীর তো একটা হাইপো হওয়ার ভয়। আরেকটা কী ভয়? আরেকটা ভয় হচ্ছে তার শরীরে পানিশূন্যতা হতে পারে। সারা দিন তিনি পানি গ্রহণ করেননি। সেই ক্ষেত্রে তাদের জন্য টিপস হচ্ছে আপনি ইফতারের পর থেকে একবারে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় পানি গ্রহণ করবেন। তাতে কী হবে? আপনার ডিহাইড্রেশনটা ফিলআপ (পানিশূন্যতার ঘাটতি পূরণ) হয়ে যাবে এবং সকালবেলা (ভোররাত) আপনি যখন সেহরি করতে আবার উঠবেন, তার আগে কিন্তু টোটালি ফিলআপ। আপনি একদম ফিল ফ্রি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ব্যায়াম</strong></p>
<p style="text-align: justify;">এবার আসল ব্যায়ামের কথা। সব মানুষেরই ব্যায়ামের প্রয়োজন। ডায়াবেটিস রোগীরা বাধ্য হন ব্যায়াম করতে। এ কারণে আমাদের শ্রদ্ধেয় ইব্রাহিম স্যার বলতেন, ‘আপনার ডায়াবেটিস হয়েছে। তার মানে আপনি ভাগ্যবান। কারণ আপনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে গেল। কারণ সাধারণ মানুষ নিয়ম মানতে চায় না। ডায়াবেটিস হলে তখন সবাই নিয়ম মানে। তার আয়ু আল্লাহ হয়তো বা বাড়িয়ে দেন অথবা যতদিন তার আয়ু আছে, তিনি সুস্থ থাকেন।’ সো এটা এক দিক থেকে গুড নিউজ, ডায়াবেটিস আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যায়ামের ক্ষেত্রে যেটা করণীয়, সেটি হলো যে আপনার ব্যায়ামের সময় মনে রাখতে হবে যে, আমি অবশ্যই রাতের দিকে ব্যায়াম আমি করতে পারি, কিন্তু যদি আপনি চিন্তা করেন আমি ২০ রাকাত নামাজ, তারাবির নামাজ একেবারে ২০ রাকাতই প্রতিদিন পড়ব, কোনো দরকার নেই তাহলে (বাড়তি ব্যায়ামের)। ওইটাই বড় ব্যায়াম। নতুন করে ব্যায়ামের আর কোনো প্রয়োজন নেই। সো যিনি ২০ রাকাত নামাজ পড়ছেন, তার কোনো দরকার নাই আলাদা করে ব্যায়াম করার।</p>
<p style="text-align: justify;">কেউ যদি না মনে করেন যে, না আমার আলাদা করে করতেই হবে, তাহলে ইফতারের পরে হালকা রেস্ট নিয়ে উঠে একটু হালকা হাঁটাহাঁটি করলেন। এটাই এনাফ। এখন তো আমরা সবাই ঘরেই থাকছি; ঘরেই নিয়ে নিলে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ওষুধ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ওষুধ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আমরা যেটা বলি যে, আপনার সকালটা। আপনি সকালবেলাতে একটা ওষুধ গ্রহণ করতেন, ওইটা হয়ে যাবে আপনার ইফতারের সময়। তাই না? আর রাতেরটা হয়ে যাবে সেহরির সময়। তাইলে ধরেন যে, আপনি সেহরির সময় যে ডোজটা নেবেন, সেটা আপনি অরিজিনাল যে ডোজটা নিতেন, তার অর্ধেক নেবেন। অর্ধেক নেবেন কী কারণে? সেহরির সময় যদি আপনি ফুল ডোজ নিয়ে নেন, তাহলে কী হবে? সারা দিনে খুব দ্রুতই কিন্তু সুগারটা ফল করতে পারে। আমরা হাফ ডোজ দিচ্ছি তাইলে কী কারণে, যাতে বিকালের দিকে আপনি হাইপো না হন।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনার গ্লুকোজ লেভেল যাতে ফল না করে। সে কারণে আপনি রিগুলার ডোজ যেটা রাতে নিচ্ছেন, সেটার আপনি অর্ধেক নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আর ইফতারে&#8230;আপনারা জানেন যে, কিছু কিছু ওষুধ আমরা ইফতারের, মানে খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে নিই। যেমন: সকালের নাশতাটাই তো আপনার ইফতার, তাই না? সকালের নাশতাটা ইজ ইকোয়াল টু ইফতার। তাহলে সকালে নাশতার আধা ঘণ্টা আগে আপনি ওষুধ খেতেন অন্য সময়। এখন কী করবেন?</p>
<p style="text-align: justify;">খুবই সহজ। সেটা হলো আপনি পানিটা মুখে দিয়েই ওষুধটা নিলেন বা ইনসুলিনটা নিলেন, নিয়ে আপনি ইফতারটা দ্রুতই করে ফেলুন। এখানে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার কোনো দরকার নাই।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.newsbangla24.com/home/newogwithwatermark/222378/2023/03/21/diabetes_patients_picture.jpg?v=090742" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সমকামী ইমামকে গুলি করে হত্যা, চাঞ্চল্য দক্ষিণ আফ্রিকায়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/9727/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/9727/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Feb 2025 04:55:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=9727</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বের প্রথম ইমাম হিসাবে নিজেকে সমকামী হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু মর্মান্তিক পরিণতি হল সেই মুহসিন হেনড্রিক্সের। গাড়িতে চেপে যাওয়ার সময়ে দুষ্কৃতীর গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গেলেন তিনি। কেন এভাবে খুন করা হল মুহসিনকে, সেই এখনও ধন্ধে পুলিশ। ইমামের হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়। গত শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণাঞ্চলের শহর কুয়েবেরহাতে তাকে গুলি করা হয় বলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিশ্বের প্রথম ইমাম হিসাবে নিজেকে সমকামী হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু মর্মান্তিক পরিণতি হল সেই মুহসিন হেনড্রিক্সের। গাড়িতে চেপে যাওয়ার সময়ে দুষ্কৃতীর গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গেলেন তিনি। কেন এভাবে খুন করা হল মুহসিনকে, সেই এখনও ধন্ধে পুলিশ। ইমামের হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়।</p>
<p style="text-align: justify;">গত শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণাঞ্চলের শহর কুয়েবেরহাতে তাকে গুলি করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঠিক কীভাবে মৃত্যু হল মুহসিনের? ইস্টার্ন কেপ পুলিশ সূত্রে খবর, এক ব্যক্তির সঙ্গে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন ওই ইমাম। সেসময়ে আচমকাই অন্য একটি গাড়ি চেপে আসে মুখ ঢাকা দুই দুষ্কৃতী। মুহসিনের গাড়ির দরজা আটকে দাঁড়ায় তারা, ফলে ওই ইমাম গাড়ি থেকে বের হতে পারেননি। এহেন পরিস্থিতিতেই এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে দেয় দুষ্কৃতী। সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যায় তারা। পরে গাড়ির চালক দেখতে পান, রক্তাক্ত অবস্থায় পিছনের সিটে পড়ে রয়েছে মুহসিনের দেহ।</p>
<p style="text-align: justify;">গোটা হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। তবে সেই ভিডিও আদৌ সত্যি কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে পুলিশের অন্দরেই। তাই আমজনতার কাছে আর্জি জানানো হয়েছে যেন তাঁরা কোনও তথ্য পেলে পুলিশকে জানান। কিন্তু মুহসিনকে কেন এইভাবে হত্যা করা হল, সেই মোটিভ নিয়েও ধন্ধে পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান, মুহসিনের হত্যা আসলে টার্গেট কিলিং। জনদরদি ইমামের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে শোকস্তব্ধ এলজিবিটিকিউ পরিবার। হত্যাকাণ্ডের যথাযথ তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে নিজেকে সমকামী বলে ঘোষণা করেছিলেন মুহসিন। সমকামী মুসলিমদের জন্য আলাদা মসজিদও চালু করেছিলেন তিনি। সেই মসজিদে প্রবেশাধিকার রয়েছে মহিলাদেরও। ২০২২ সালে মুহসিনকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি হয়। সেখানে জানিয়েছিলেন, আলাদা করে নিরাপত্তা নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না। কারণ কেউ তাঁর উপর হামলা চালাবে বলেই মনে করেন না মুহসিন। মসজিদ পরিচালনা ছাড়াও আরবি শিক্ষক এবং ফ্যাশন ডিজাইনার হিসাবে কাজ করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/9727/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dailyvorerpata.com/2025/02/16/VP_1739723991.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জান্নাতে নবীজির সঙ্গে থাকার আমল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/137049/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/137049/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jan 2025 03:15:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=137049</guid>

					<description><![CDATA[প্রতিটি মুমিন হূদয়ে নবিপ্রেম আছে, আছে প্রিয় নবীকে দেখার ও তাঁর সঙ্গ পাওয়ার অধীর বাসনা। এই সুপ্ত কামনা একজন সাধারণ মুমিনও হূদয়ে লালন করে। মদিনায় রওজা জিয়ারতে হজযাত্রীদের এই আকুলতা আরো তীব্র হয়ে ওঠে। জান্নাতে তাঁর সান্নিধ্য গ্রহণের প্রবল ইচ্ছা জাগে। পৃথিবীতে নবীর সঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন একমাত্র সাহাবায়ে কিরাম। দুনিয়ার জীবনে আর কোনো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রতিটি মুমিন হূদয়ে নবিপ্রেম আছে, আছে প্রিয় নবীকে দেখার ও তাঁর সঙ্গ পাওয়ার অধীর বাসনা। এই সুপ্ত কামনা একজন সাধারণ মুমিনও হূদয়ে লালন করে। মদিনায় রওজা জিয়ারতে হজযাত্রীদের এই আকুলতা আরো তীব্র হয়ে ওঠে। জান্নাতে তাঁর সান্নিধ্য গ্রহণের প্রবল ইচ্ছা জাগে।</p>
<p style="text-align: justify;">পৃথিবীতে নবীর সঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন একমাত্র সাহাবায়ে কিরাম। দুনিয়ার জীবনে আর কোনো মুমিনের এ সৌভাগ্য ললাটে আসবে না। তবে নবীজি (সা.) এমন কিছু আমল বর্ণনা করেছেন, যা পালন করলে মুমিন ব্যক্তি জান্নাতে তাঁর সান্নিধ্য লাভ করবে। যার কয়েকটি হলো—</p>
<p style="text-align: justify;">বেশি বেশি সিজদা করা : রাবিআহ ইবনে কাব (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে রাতযাপন করতাম। একদা আমি তাঁর অজু ও ইস্তিঞ্জা করার জন্য পানি আনলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, তোমার কিছু চাওয়ার থাকলে চাইতে পারো। তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার সঙ্গে জান্নাতে থাকতে চাই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ওটা ছাড়া আর কিছু চাও কি? আমি বললাম, এটাই চাই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তাহলে বেশি বেশি সিজদার দ্বারা তুমি এই ব্যাপারে আমাকে সাহায্য কোরো। (মুসলিম, হাদিস : ৪৮৯)</p>
<p style="text-align: justify;">এতিমের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করা : সাহাল বিন সাদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমি ও এতিম প্রতিপালনকারী জান্নাতে এভাবে থাকব (তিনি তর্জনী ও মধ্যমা অঙ্গুলি দিয়ে ইঙ্গিত করেন এবং এই দুটির মধ্যে তিনি সামান্য ফাঁক রাখেন)। (বুখারি, হাদিস : ৫৩০৪)</p>
<p style="text-align: justify;">কন্যাসন্তান লালন করা : আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, একদিন রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি দুটি কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ করবে আমি এবং সে এভাবে জান্নাতে থাকব। (মধ্যমা ও শাহাদাত আঙুল যেমন পাশাপাশি থাকে)। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৪)</p>
<p style="text-align: justify;">বোনদের প্রতিপালন করা : আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুল (সা.) মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলির দিকে ইশারা করে বলেন, যে ব্যক্তি দুই কন্যা বা দুই বোনের ভরণপোষণ করবে কিংবা তিন কন্যা বা তিন বোনের ভরণপোষণ করবে, যতক্ষণ না তাদের বিয়ে হবে কিংবা সে মৃত্যুবরণ করবে, আমি এবং সে জান্নাতে এভাবে (পাশাপাশি) থাকব। (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৪৪৭)</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তম চরিত্রের অধিকারী হওয়া : আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, একবার রাসুল (সা.) বললেন, আমি কি তোমাদের ওই ব্যক্তি সম্পর্কে অবগত করব না যে কিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে প্রিয় এবং সর্বাধিক নিকটবর্তী হবে? সাহাবায়ে কিরাম চুপ রইলেন। রাসুল (সা.) একই প্রশ্ন করলেন দুই বা তিনবার। তখন তাঁরা বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন, সে হলো ওই ব্যক্তি, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৬৭৩৫)</p>
<p style="text-align: justify;">নবীজির প্রতি ভালোবাসা : আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী করিম (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করল, কিয়ামত কখন হবে? তিনি বলেন, তুমি কিয়ামতের জন্য কী জোগাড় করেছ? সে বলল, কোনো কিছু জোগাড় করতে পারিনি, তবে আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে ভালোবাসি। তখন তিনি বলেন, তুমি তাঁদের সঙ্গেই থাকবে, যাঁদের তুমি ভালোবাসো। আনাস (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.)-এর কথার দ্বারা আমরা এত আনন্দিত হয়েছি যে অন্য কোনো কথায় এত আনন্দিত হইনি। আনাস (রা.) বলেন, আমি নবী করিম (সা.)-কে ভালোবাসি এবং আবু বকর, ওমর (রা.)-কেও। আশা করি তাঁদের প্রতি আমার ভালোবাসার কারণে তাঁদের সঙ্গে জান্নাতে বসবাস করতে পারব, যদিও তাঁদের আমলের মতো আমল আমি করতে পারিনি। (মুসলিম, হাদিস : ২৬৩৯)</p>
<p style="text-align: justify;">বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা : আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, শুনে রাখো, যে আমার ওপর বেশি পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে নিশ্চয় কিয়ামতের দিন সে আমার সর্বাধিক নৈকট্যপ্রাপ্ত হবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ৩২৪৪৭)</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহভীতির জীবন অবলম্বন করা : মুয়াজ বিন জাবাল (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) যখন তাকে ইয়েমেনে পাঠান তখন তিনি তাকে বিদায় দিতে বের হন। মুয়াজ (রা.) সওয়ারিতে চলছেন, রাসুল (সা.) পায়ে হাঁটছেন আর অসিয়ত করছেন। অসিয়ত করা শেষ হলে রাসুল (সা.) বললেন, হে মুয়াজ! সম্ভবত এই বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আর দেখা হবে না। হয়তো তুমি আমার মসজিদের পাশ দিয়ে হাঁটবে, আমার কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে! (কিন্তু আমার দেখা পাবে না) এই কথা শুনে রাসুল (সা.) এর আসন্ন বিচ্ছেদ-বিরহে মুয়াজ (রা.) অঝোরে কাঁদতে শুরু করলেন। এরপর রাসুল (সা.) মদিনার দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন, আমার পরিবারের এই লোকেরা মনে করে, তারা আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ। অথচ বিষয়টা এমন না; আমার সর্বাধিক নৈকট্যপ্রাপ্ত হলো ওই ব্যক্তি, যে আল্লাহভীতির জীবন অবলম্বন করে। সে যে কেউই হোক এবং যেখানেই অবস্থান করুক। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২২০৫২)</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ তাআলা আমাদের এই আমলগুলো যথাযথ পালনের মাধ্যমে নবী (সা.)-এর সান্নিধ্য অর্জন করার তাওফিক দান করুন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/137049/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আজহারীর মাহফিল : লালমনিরহাট লাখো মানুষ ঢল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/540346/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Jan 2025 10:02:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মিজানুর রহমান আজহারী]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=540346</guid>

					<description><![CDATA[দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট। এ জেলায় বর্তমানের আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিলে যোগ দিতে ট্রেন বোঝাই হয়ে মানুষ লালমনিরহাট যাচ্ছে। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার রেলস্টেশনে সান্তাহার থেকে লালমনিরহাটগামী ট্রেনের ছাদে গাদাগাদি করে মানুষকে মাহফিলের দিকে ছুটে যেতে দেখা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাট। এ জেলায় বর্তমানের আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মাহফিলে যোগ দিতে ট্রেন বোঝাই হয়ে মানুষ লালমনিরহাট যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার রেলস্টেশনে সান্তাহার থেকে লালমনিরহাটগামী ট্রেনের ছাদে গাদাগাদি করে মানুষকে মাহফিলের দিকে ছুটে যেতে দেখা গেছে। দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন এসব মানুষ</p>
<p style="text-align: justify;">পীরগাছা কান্দি এলাকা থেকে আসা ট্রেনের ছাদে চড়ে যাচ্ছিলেন একরামুল, মাজেদুল, জিল্লুর রহমান। নামের তিন যুবকের সাথে কথা হলে তারা জানান, ফেসবুক ইউটিউবে মাওলানা আজহারী হুজুরের বক্তব্য শুনে খুব ভালো লাগে। আজ তিনি উত্তরবঙ্গের পাশের জেলা লালমনিরহাটে আসছেন, তাই ভিড় ঠেলে ট্রেনের ছাদে করে তারা সেখানে যাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আয়োজক কমিটির তথ্য অনুযায়ী, পাশাপাশি তিনটি মাঠে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রায় ১০ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাহফিলের একদিন আগেই লালমনিরহাটের তিনটি মাঠে তৈরি করা প্যান্ডেল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। এতে স্থান সংকুলান করতে আয়োজকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আজ ভোর থেকেই মানুষের ঢল শুরু হওয়ায় আশপাশের এলাকাগুলোতেও ভিড় বেড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাহফিলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মাঠে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।</p>
<p style="text-align: justify;">আয়োজক কমিটির জামায়াতে ইসলামীর লালমনিরহাট জেলা আমির ফিরোজ হায়দার লাভলু বলেন, “মানুষের উপস্থিতি আমাদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। মাহফিলকে ঘিরে মানুষের এই আগ্রহ আমাদের অনুপ্রাণিত করছে। আমরা আশা করছি, মাওলানা আজহারীর বয়ান মানুষের হৃদয়ে স্পর্শ করবে এবং ধর্মীয় অনুপ্রেরণা যোগাবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">আজ দুপুর ২টায় শুরু হবে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিল। এ উপলক্ষে লালমনিরহাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.kalbela.com/assets/news_photos/2024/10/11/image_129333_1728623317.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নবী (সা.) যাদের জান্নাতি ও জাহান্নামি বলেছেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/25859/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/25859/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Jan 2025 03:00:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=25859</guid>

					<description><![CDATA[পৃথিবীতে কে জান্নাতি আর কে জাহান্নামি &#8211; এ বিষয়ে কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন স্থানে বর্ণনা করা হয়েছে। কোরআনের এক স্থানে বর্ণিত হয়েছে, ‘অনন্তর যে সীমা লঙ্ঘন করে এবং পার্থিব জীবকে অগ্রাধিকার দেয়, জাহান্নামই হবে তার আবাস। পক্ষান্তরে যে তার রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখে, জান্নাতই হবে তার আবাস।’ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পৃথিবীতে কে জান্নাতি আর কে জাহান্নামি &#8211; এ বিষয়ে কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন স্থানে বর্ণনা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কোরআনের এক স্থানে বর্ণিত হয়েছে, ‘অনন্তর যে সীমা লঙ্ঘন করে এবং পার্থিব জীবকে অগ্রাধিকার দেয়, জাহান্নামই হবে তার আবাস। পক্ষান্তরে যে তার রবের সামনে উপস্থিত হওয়ার ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখে, জান্নাতই হবে তার আবাস।’ (সুরা : নাজিয়াত, আয়াত : ৩৭-৪১)</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">প্রখ্যাত হাদিস গ্রন্থ সহিহ মুসলিম শরিফে একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। ইয়াজ ইবনে হিমার আল মুজাশি (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ খুতবা প্রদানকালে বলেন, সাবধান! আমার রব আজ আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন, তা থেকে তোমাদের এমন বিষয়ের শিক্ষা দেওয়ার জন্য তিনি আমাকে আদেশ দিয়েছেন, যে বিষয়ে তোমরা সম্পূর্ণরূপে অজ্ঞাত। তা হলো, এই যে আমি আমার বান্দাদের যে প্রাচুর্য দিয়েছি তা সম্পূর্ণরূপে বৈধ।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি আমার সব বান্দাকে একনিষ্ঠ (মুসলিম) হিসেবে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের কাছে শয়তান এসে তাদের দ্বিন থেকে সরিয়ে দেয়। আমি যেসব জিনিস তাদের জন্য বৈধ করেছিলাম সে তা হারাম করে দেয়। অধিকন্তু সে তাদের আমার সঙ্গে এমন বিষয়ে অংশীদার করার জন্য নির্দেশ দেয়, যে বিষয়ে আমি কোনো প্রমাণ পাঠাইনি।</p>
<p style="text-align: justify;">অতঃপর তিনি বলেন, তোমাকে পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে এবং তোমার দ্বারা অন্যদের পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে আমি তোমাকে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছি। তোমার প্রতি আমি এমন কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাকে পানি কখনো ধুয়ে-মুছে ফেলতে পারবে না। ঘুমন্ত ও জাগ্রত অবস্থায় তুমি সেটা পাঠ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">&#8230;আল্লাহ তাআলা বলেন, কোরাইশরা যেভাবে তোমাকে বহিষ্কার করেছে, ঠিক তেমনি তুমিও তাদের বহিষ্কার করে দাও। তুমি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করো। আমি তোমাকে সাহায্য করব। ব্যয় করো আল্লাহর পথে, তোমার জন্যও ব্যয় করা হবে। তুমি একটি সেনাদল প্রেরণ করো, আমি অনুরূপ পাঁচটি বাহিনী প্রেরণ করব। যারা তোমার আনুগত্য করে তাদের সঙ্গে নিয়ে যারা তোমার বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করো।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>তিন শ্রেণির মানুষ জান্নাতি :</strong> তিন শ্রেণির মানুষ জান্নাতি হবে। প্রথমত, সেসব মানুষ, যারা রাষ্ট্রীয় কর্ণধার, ন্যায়পরায়ণ, সত্যবাদী এবং নেক কাজের তাওফিক লাভে ধন্য। দ্বিতীয়ত, যেসব মানুষ, যারা দয়ালু এবং আত্মীয়-স্বজন ও মুসলিমদের প্রতি কোমলচিত্ত। তৃতীয়ত, ওই শ্রেণির মানুষ, যারা পূতপবিত্র চরিত্রের অধিকারী, যাঞ্চাকারী নয় এবং সন্তানাদিসম্পন্ন লোক।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পাঁচ শ্রেণির মানুষ জাহান্নামি </strong>: অতঃপর তিনি বলেন, পাঁচ ধরনের মানুষ জাহান্নামি হবে। এক. এমন দুর্বল মানুষ যাদের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা নেই, যারা তোমাদের এমন তাবেদার যে, না তারা পরিবার-পরিজন চায়, না ধনৈশ্বর্য। দুই. এমন খিয়ানতকারী মানুষ, সাধারণ বিষয়েও যে খিয়ানত করে, যার লালসা কারো কাছে লুকায়িত নয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিন. ওই ব্যক্তি, যে তোমার পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের বিষয়ে তোমার সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা প্রতারণা করে। অবশেষে তিনি কৃপণতা, মিথ্যা বলা এবং গালমন্দ করার কথাও বর্ণনা করেছেন। (মুসলিম শরিফ, হাদিস : ৭০৯৯)</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/25859/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইসলাম এ মায়ের সম্মান ও অধিকার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/7723/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/7723/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Jan 2025 03:11:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=7723</guid>

					<description><![CDATA[পৃথিবীতে সবচেয়ে মধুর শব্দটি হচ্ছে মা। কবির ভাষায়, ‘যেখানে দেখি যাহা, মায়ের মতো আহা, একটি কথায় এতো শুধা মেশা নাই।’ জগৎসংসারের শত দুঃখ-কষ্টের মাঝে যে মানুষটির একটু সান্ত¦না আর স্নেহ-ভালোবাসা আমাদের সব বেদনা দূর করে দেয়, তিনি হলেন মা। মায়ের চেয়ে আপনজন পৃথিবীতে আর কেউ নেই। প্রতিটি মানুষ পৃথিবীতে আসা এবং বেড়ে ওঠার পেছনে প্রধান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পৃথিবীতে সবচেয়ে মধুর শব্দটি হচ্ছে মা। কবির ভাষায়, ‘যেখানে দেখি যাহা, মায়ের মতো আহা, একটি কথায় এতো শুধা মেশা নাই।’ জগৎসংসারের শত দুঃখ-কষ্টের মাঝে যে মানুষটির একটু সান্ত¦না আর স্নেহ-ভালোবাসা আমাদের সব বেদনা দূর করে দেয়, তিনি হলেন মা। মায়ের চেয়ে আপনজন পৃথিবীতে আর কেউ নেই। প্রতিটি মানুষ পৃথিবীতে আসা এবং বেড়ে ওঠার পেছনে প্রধান ভূমিকা একমাত্র মায়ের। মায়ের তুলনা অন্য কারো সঙ্গে চলে না।</p>
<p style="text-align: justify;">মায়ের সঙ্গে সন্তানের নাড়ির সম্পর্ক; যা একটুখানি আঘাত পেলেই সবাই ‘মা’ বলে চিৎকার করে জানান দিয়ে থাকে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছে তার মা অতি মূল্যবান হয়ে থাকে। শুধু মানুষ কেনো? পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণিই তার মায়ের কাছে ঋণী। সে ঋণ শোধ করার কোনো যথাযথ উপকরণ আল্লাহতায়ালা দুনিয়ায় সৃষ্টি করেননি।</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">মায়ের ত্যাগের তুলনা হয় না : সন্তানের জন্য তুলনামূলকভাবে মা-ই বেশি ত্যাগ স্বীকার করেন। গর্ভধারণ, দুগ্ধপান, রাত জেগে সন্তানের তত্ত্বাবধানসহ নানাবিধ কষ্ট একমাত্র মা-ই সহ্য করেন। এরশাদ হচ্ছে, ‘আমি মানুষকে মা-বাবার সঙ্গে সদাচারের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে অতি কষ্টে গর্ভধারণ করেছে এবং অতি কষ্টে প্রসব করেছে। তার গর্ভধারণ ও দুগ্ধপান ছাড়ানোর সময় লাগে ত্রিশ মাস।</p>
<p style="text-align: justify;">অবশেষে যখন সে তার শক্তির পূর্ণতায় পৌঁছে এবং চল্লিশ বছরে উপনীত হয়, তখন বলে- হে আমার রব! আমাকে সামর্থ্য দাও, তুমি আমার ও আমার মা-বাবার ওপর যে নেয়ামত দান করেছো, তার যেনো কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পারি। আমি যেনো ভালো কাজ করতে পারি, যা তুমি পছন্দ করো। আমার জন্য তুমি আমার বংশধরদের মধ্যে সংশোধন করে দাও। নিশ্চয়ই আমি তোমার কাছে তওবা করলাম। আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।’ (সুরা আহকাফ : ১৫)।</p>
<p style="text-align: justify;">মায়ের মর্যাদা অতুলনীয় : ইসলাম মাকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। তার মর্যাদাকে মহিমান্বিত করেছে। এরশাদ হচ্ছে, ‘আমি মানুষকে তার মা-বাবার সঙ্গে (সদাচরণের) নির্দেশ দিয়েছি। তার মা কষ্টের পর কষ্ট ভোগ করে তাকে গর্ভধারণ করে। তার দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছরে। সুতরাং আমার শোকরিয়া ও তোমার মা-বাবার শোকরিয়া আদায় করো।’ (সুরা লোকমান : ১৪)।<br />
অনুগ্রহের দৃষ্টিতে তাকালে কবুল হজের সওয়াব : রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘মা-বাবাই হলো তোমার জান্নাত এবং জাহান্নাম।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪২১)। তাই অন্য হাদিসে এরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোনো অনুগত সন্তান নিজের মা-বাবার দিকে অনুগ্রহের নজরে দেখে, আল্লাহতায়ালা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে একটি করে কবুল হজের সওয়াব দান করেন।’ (সুনানে বায়হাকি : ৪২১)।</p>
<p style="text-align: justify;">বাবার তুলনায় মায়ের মর্যাদা বেশি : মা হিসেবে ইসলামে একজন নারীর অবস্থান অকল্পনীয়। ইসলামে বাবার চেয়ে মায়ের মর্যাদা তিনগুণ বেশি। পবিত্র কোরআনে মায়ের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ করে মাকে বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে। এরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো। তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক কোরো না এবং পিতামাতার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করো।’ (সুরা নিসা : ৩৬)। একবার এক লোক এসে রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলো, ‘আমার থেকে সদাচরণ পাওয়ার সর্বাধিক অধিকার কার?’ তিনি বললেন, ‘তোমার মায়ের।’ সে আবারও একই প্রশ্ন করলো। তিনি দ্বিতীয়বারও উত্তরে বললেন, ‘তোমার মায়ের।’ সে আবারও একই প্রশ্ন করলে তিনি তৃতীয়বারের উত্তরেও বললেন, ‘তোমার মায়ের।’ সে আবারও একই প্রশ্ন করলে রাসুল (সা.) চতুর্থবার বললেন, ‘তোমার পিতার।’ (বোখারি : ৫৬২৬)।</p>
<p style="text-align: justify;">মায়ের মর্যাদা ছিলো অন্যান্য নবীযুগেও : নবজাতক হজরত ঈসা (আ.)-এর মুখে আল্লাহতায়ালা ভাষা ফুটিয়ে দিলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আমি যেনো আমার মায়ের প্রতি সদ্ব্যবহার করি (অনুগত ও বাধ্য থাকি)। আমাকে করা হয়নি উদ্ধত অবাধ্য ও দুর্ভাগা হতভাগ্য।’ (সুরা মারিয়াম : ৩০-৩২)। বনী ইসরাইলের নবী হজরত মুসা (আ.)-এর প্রতিও এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো। এরশাদ হচ্ছে, ‘আমি বনী ইসরাইলের থেকে এই অঙ্গীকার নিয়েছি, তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করবে না, পিতামাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।’ (সুরা বাকারা : ৮৩)।</p>
<p style="text-align: justify;">মা সন্তানের সম্পদের অধিকারিনী : মা সন্তানের সম্পদের অধিকারী ও উত্তরাধিকারিনী। তার যাবতীয় ব্যয়ভার, খোরপোষ ও দেখভাল সন্তানের ওপর আবশ্যক। এরশাদ হচ্ছে, ‘মৃতের সন্তান থাকলে পিতামাতার জন্য (সন্তানের) সম্পদের এক-ষষ্ঠাংশ; আর সন্তান না থাকলে পিতামাতাই ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী হবে। এমতাবস্থায় মায়ের জন্য এক-তৃতীয়াংশ।’ (সুরা নিসা : ১১)।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃদ্ধা হয়ে গেলেও মায়ের সেবা : মা বৃদ্ধা হয়ে গেলে সাধারণত সন্তানের সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। এ সময় মায়ের সুবিধা-অসুবিধা ও প্রয়োজনের প্রতি খুব যত্নশীল ও দায়িত্বশীল হওয়া কর্তব্য। একবার রাসুল (সা.) বললেন, ‘সে দুর্ভাগা! সে দুর্ভাগা! সে দুর্ভাগা!’ উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, ‘সে কে?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘যে ব্যক্তি মাতাপিতা উভয়কে অথবা যেকোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েও (তাদের সেবা করে) জান্নাতে প্রবেশ করতে পারলো না।’ (মুসলিম : ৬২৭৯)। মায়ের সেবা করা, মায়ের যত্ন নেওয়া এবং মাকে খুশি করার গুরুত্ব বোঝাতে রাসুল (সা.) আরেক হাদিসে এরশাদ করেন, ‘জান্নাত মায়ের পদতলে।’ (কানজুল উম্মাল : ৪৫৪৩৯)।</p>
<p style="text-align: justify;">মায়ের সেবায় সন্তানের মর্যাদা : উয়াইস আল কারনি ইয়ামেনের অধিবাসী একজন বড় মাপের তাবেঈ ও বুজুর্গ ছিলেন। তিনি ৩৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। রাসুল (সা.)-এর যুগ হওয়াসত্ত্বেও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ হয়নি তার। কিন্তু রাসুল (সা.)-এর প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা ছিলো। তার বৃদ্ধা মা ছিলেন। মায়ের সঙ্গে তিনি সদাচরণ করতেন। মায়ের সেবাযত্ন করতেন। রাসুল (সা.) তাকে চিনতেন। হাদিসে এসেছে, হজরত উমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘ইয়ামেন থেকে উয়াইস নামে এক ব্যক্তি তোমাদের কাছে আসবে। ইয়ামেনে মা ছাড়া তার আর কেউ নেই। তার শ্বেত রোগ ছিলো। সে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে আল্লাহ তার রোগ ভালো করে দেন। কিন্তু তার শরীরের একটি স্থানে এক দিনার অথবা এক দিরহাম পরিমাণ স্থান সাদাই থেকে যায়। তোমাদের কেউ যদি তার সাক্ষাত পায়, সে যেনো তাকে নিজের জন্য ইস্তেগফার করতে বলে।’ (মুসলিম : ২৫৪২)।</p>
<p style="text-align: justify;">মায়ের অবাধ্য হওয়া দ্বিতীয় বড় অপরাধ : ইসলামে আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করা প্রথম বড় অপরাধ; আর মাকে কষ্ট দেওয়া ও মায়ের অবাধ্য হওয়া দ্বিতীয় বড় অপরাধ। আল্লাহতায়ালা নিজের অধিকারের সঙ্গে সঙ্গেই উল্লেখ করেছেন মাতাপিতার অধিকারের কথা। এরশাদ হচ্ছে, ‘তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন, তাকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত কোরো না এবং মাতাপিতার সঙ্গে সদাচরণ করো। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়ে যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বোলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের সঙ্গে আদবের সঙ্গে কথা বলো।’ (সুরা বনী ইসরাইল : ২৩)। অন্য আয়াতে এরশাদ হচ্ছে, ‘(হে নবী, বলে দিন!) এসো, তোমাদের ওপর তোমাদের রব যা হারাম করেছেন, তা পাঠ করি- তোমরা তাঁর সঙ্গে কোনো কিছুকে শরিক করবে না এবং মা-বাবার প্রতি অনুগ্রহ করবে।’ (সুরা আনআম : ১৫২)। রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘আল্লাহতায়ালা মায়ের অবাধ্য হওয়াকে তোমাদের জন্য হারাম করে দিয়েছেন।’ (মুসলিম : ৪৫৮০)।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/7723/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://admin.dhakaprokash24.com/media/content/images/2023November/dhaka-prokash-news-14-20231120123311.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দুর্নীতি দমন এ ইসলাম কী বলে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/7725/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/7725/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 03:18:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=7725</guid>

					<description><![CDATA[নামায : আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় নামায খারাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। ‘আল-কুরআন, ২৯:৪৫।’ নামাযে পঠিত প্রতি আরবী বাক্যে বান্দা তার মহান প্রভুর দরবারে পুন: পুন: এ স্বীকৃতিই প্রদান করে যে, সে ভালও কল্যাণকর নীতির পক্ষে ও দুর্নীতির বিপক্ষে কাজ করে। দৈনিক এ ভাবে পাঁচবার স্বীকৃতি প্রদানের ফলে এক সময় বাধ্য হয়ে সত্যিই সে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নামায : আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় নামায খারাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। ‘আল-কুরআন, ২৯:৪৫।’ নামাযে পঠিত প্রতি আরবী বাক্যে বান্দা তার মহান প্রভুর দরবারে পুন: পুন: এ স্বীকৃতিই প্রদান করে যে, সে ভালও কল্যাণকর নীতির পক্ষে ও দুর্নীতির বিপক্ষে কাজ করে। দৈনিক এ ভাবে পাঁচবার স্বীকৃতি প্রদানের ফলে এক সময় বাধ্য হয়ে সত্যিই সে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকে এবং ভাল কাজে মনোযোগী হয়।</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">যাকাত : সমাজের অধিবাসীরা একাধারে নৈতিক, কল্যাণকামী এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন পরস্পরের বন্ধু। আর যাকাত এ শিক্ষাই প্রদান করে থাকে। যেমন আল-কুরআনের ঘোষণা ‘ঈমানদার পুরুষ এবং ঈমানদার স্ত্রীলোকেরাই প্রকৃতপক্ষে পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। এদের পরিচয় এবং বৈশি’্য এই যে, এরা নেক কাজের আদেশ দেয়, অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে, নামায কায়েম করে এবং যাকাত আদায় করে, আল্লাহ ও রসূলের বিধান মেনে চলে। প্রকৃতপক্ষে এদের প্রতিই আল্লাহ রহমত বর্ষণ করেন।’ ‘আল-কুরআন, ৯:৭১’ সুতরাং এ দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কখনো দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">হজ্জ : সাদা-কালো, বর্ণ-বৈষম্যহীন এক বিশ্ব গঠনের লক্ষ্যে সকলেই একই পোশাকে মাত্র দু’টুকরো কাপড় পরিধান করে দীন-ভিক্ষুকের ন্যায় আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হতে হয়। এখানে কোন ব্যক্তি বা দেশের বিশেষ মর্যাদা ও উঁচু নীচুর শ্রেণী বিন্যাস করা হয় না। রসূলুল্লাহ স. বিদায় হজ্জ অনুষ্ঠানে অমূল্য বাণী শুনিয়েছিলেন যে, ‘তোমরা সবাই একে অপরের ভাই এবং একজন অনারবও আরববাসী থেকে অধিক মর্যাদাশীল নয়।’ এভাবে হজ্জ ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সৃ’ি করে এবং সমাজ ব্যবস্থায় ন্যায়নীতির ভাবধারা চালু হয়। ইসলামের এই টুলসগুলো আইনের আওতায় এনে বাস্তবায়ন করা হলে সমাজব্যবস্থায় দুর্নীতি থাকবে না। যেই মহান রব মানুষকে সৃ’ি করে মানুষেরই চির শত্রু শয়তানের অভয়ারণ্যে ছেড়ে দিলেন, শয়তানের সাথে যুদ্ধ করে নৈতিকতার সাথে টিকে থাকার জন্য সেই মহান রব উল্লেখিত বিধানগুলো আমাদের দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও আল-কুরআন ও আল-হাদীস ক্রমাগতভাবে একটি সুন্দর সমাজ তথা রাষ্ট্র কায়েম করার উপড় অত্যধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। এমন কি মানুষের ক’ হয় এমন একটি ছোট ব্যাপারও ইসলাম বাদ দেয়নি। আবু মূসা রা. বলেন, ‘সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! কোন মুসলিমের ইসলাম সবচেয়ে ভাল? তিনি বলেন, ঐ মুসলিমের ইসলাম সবচেয়ে ভাল যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে।’ ‘ইমাম তিরমিযী, আস-সুনান, অধ্যায়: সিকাতুল কিয়াসা, অনুচ্ছেদ: প্রাগুক্ত, পৃ. ১৯০৩’ ইসলাম এক সর্বজনীন ও কল্যাণকামী জীবনব্যবস্থা।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ থেকে পরেনো শত বৎসর আগে রসূলুল্লাহ স. এর হাতে গড়া রা’্রটির দিকে দৃ’ি নিক্ষেপ করলে দেখা যায়, তিনি আল্লাহর দেয়া ঐ কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে এমন সমাজ প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যে সমাজের অধিবাসীরা কতটুকু আল্লাহর ভয় পোষণ করার ফলে সাধারণ কোন অপরাধ করার পর পরই বিবেকের ক্রমাগত কশাঘাতে টিকতে না পেরে সাথে সাথে রসুলুল্লাহ স.-এর বিচারালয়ে নিজের দুর্নীতির বিচার প্রার্থনা করতেন। আর এ ধরনের তাকওয়া ভিত্তিক রা’্ররে উন্নয়নকল্পে আল্লাহ আসমান ও জমিনের দুয়ারসমূহ খুলে দেন। আল্লাহ বলেন, ‘লোকালয়ের মানুষগুলো যদি ঈমান আনতো ও তাকওয়ার জীবন অবলম্বন করতো তাহলে আমি তাদের ওপর আসমান-জমিনের যাবতীয় বরকতের দুয়ার খুলে দিতাম, কিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। সুতরাং তাদের কর্মকা-ের জন্য আমি তাদের পাকড়াও করলাম।’ ‘আল-কুরআন, ৭ : ৯৬’</p>
<p style="text-align: justify;">এ ধরনের তাকওয়া সম্পন্ন জনগোষ্ঠি নিয়ে যে সমাজব্যবস্থা গড়ে ওঠবে, সেটিই হবে আল-কুরআনের সমাজ, ইসলামী সমাজ ও আল্লাহর পছন্দের সমাজ। এ সমাজের প্রতিটি লোক ব্যক্তিগতভাবে আল্লাহর কাছে সম্মানিত হবেন। দুর্নীতির মূলোচ্ছেদে পৃথিবীর কোন জীবন ব্যবস্থাই সম্পূর্ণরূপে সফল হতে পারে নি; যেমন পেরেছে ইসলাম। তাই ইসলামের ঈড়ফব ড়ভ বঃযরপং গ্রহণ করতে হবে। ইসলামের অর্থনীতির জন্য, রাজনীতির জন্য, ব্যবসার জন্য, জীবনের সর্বক্ষেত্রের জন্যই রয়েছে ঈড়ফব ড়ভ বঃযরপং. বিশেষ করে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থায়, রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে।‘শেখ মোহাম্মদ শোয়েব নাজির, মাসিক পৃথিবী, জিসেম্বর-২০০৭, পৃ. ৩৪-৩৫’ মানুষের মজ্জাগত অভ্যাসকে পরিবর্তন করার জন্য ইসলামের শাশ্বত বিধান ও পদ্ধতির অনুসরণ একান্ত প্রয়োজন। দুর্নীতি একটি মজ্জাগত পদ্ধতি। দুর্নীতির মধ্যে ব্যক্তি স্বার্থ নিহিত রয়েছে। কিন্তু খারাপ দিকটি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে বেশী। সুতরাং দুর্নীতি সর্বতোভাবে পরিত্যাজ্য। এ জন্য ব্যাপক প্রচার ব্যাপক প্রপাগা-া চালাতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ মদ সম্পর্কে তাঁর চূড়ান্ত মতামত জানালেন, ‘হে মুমিনগণ! মদ শয়তানী কাজ। সুতরাং তা বর্জন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।’ ‘আল-কুরআন, ৫ : ৯০’ একইভাবে দুর্নীতি একটি শয়তানী কাজ। সুতরাং তা বর্জনীয়। আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। কেউ শয়তানের পদাংক অনুসরণ করলে শয়তান তো অশ্লীলতা ও মন্দ কাজের নির্দেশ দেয়।’ ‘আল-কুরআন, ২৪ : ২১’ আর এ কথা তো বলাই বাহুল্য যে, দুর্নীতি মন্দ কাজের অন্যতম।</p>
<p style="text-align: justify;">রসূলুল্লাহ স.-এর প্রক্রিয়া অনুসরণ ঃ দুর্নীতিমুক্ত সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য রসূলুল্লাহ স. প্রদর্শিত পথ অনুসরণ সময়ের দাবি। আমাদের দেখতে হবে, দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত তৎকালীন একটি সমাজকে তিনি কিভাবে দুর্নীতিমুক্ত করেছিলেন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/7725/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023November/anti-corup-20231121064734.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>যে সাত অভ্যাস মানুষের ধ্বংস ডেকে আনে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/7245/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/7245/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 02:06:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=7245</guid>

					<description><![CDATA[এক. অপরিশুদ্ধ অন্তর : মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অপরিশুদ্ধ অন্তর। এর লালসা ও চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানুষ নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। দুনিয়া ও আসমানবাসীর কাছে নিজেকে ঘৃণিত করে তোলে। কারণ অপরিশুদ্ধ হৃদয়ের কাজ হলো মানুষকে অন্যায়ের দিকে ধাবিত করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না। কেননা নিশ্চয়ই মানুষের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>এক. অপরিশুদ্ধ অন্তর</strong> : মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অপরিশুদ্ধ অন্তর। এর লালসা ও চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানুষ নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। দুনিয়া ও আসমানবাসীর কাছে নিজেকে ঘৃণিত করে তোলে। কারণ অপরিশুদ্ধ হৃদয়ের কাজ হলো মানুষকে অন্যায়ের দিকে ধাবিত করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি নিজেকে নির্দোষ মনে করি না। কেননা নিশ্চয়ই মানুষের নাফস খারাপ কাজের নির্দেশ দিয়েই থাকে; কিন্তু সে নয়, যার প্রতি আমার রব দয়া করেন। নিশ্চয় আমার রব অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৫৩)</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><strong>দুই. কৃপণতা</strong> : অনেকে ধারণা করে একটু কৃপণ না হলে জীবনে উন্নতি করা সম্ভব নয়। ধন-সম্পদ আগলে রাখতে হলে কৃপণ হওয়ার বিকল্প নেই। কিন্তু ইসলাম বলছে, কৃপণতা মানুষের বড় শত্রু। এটি মানুষের ধ্বংসের কারণ। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) ভাষণ দিলেন এবং বলেন, ‘তোমরা কৃপণতার ব্যাপারে সাবধান হও। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তীরা কৃপণতার কারণে ধ্বংস হয়েছে। অর্থলোভ তাদের কৃপণতার নির্দেশ দিয়েছে, ফলে তারা কৃপণতা করেছে, তাদের আত্মীয়তা ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে, যখন তারা তাই করেছে এবং তাদের পাপাচারে প্ররোচিত করেছে, তখন তারা তাতে লিপ্ত হয়েছে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬৯৮)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>তিন. সম্পদ ও প্রতিপত্তির লোভ</strong> : লোভ-লালসা মানুষকে বেপরোয়ারা করে তোলে, আর তা মানুষকে আল্লাহর বিধান অমান্য করে পাপাচারে মত্ত করে তোলে, ফলে মানুষ নিজ হাতে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। কাব ইবনে মালিক আল-আনসারি (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছাগলের পালে ছেড়ে দেওয়া হলে পরে তা যতটুকু না ক্ষতিসাধন করে, কারো সম্পদ ও প্রতিপত্তির লোভ এর চেয়ে বেশি ক্ষতিসাধন করে তার ধর্মের।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৭৬)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চার. দুনিয়াকে প্রাধান্য দেওয়া</strong> : দুনিয়ার প্রতি আসক্তিও মানুষের বড় শত্রু। যারা দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়বে, মহান আল্লাহ তাদের মন থেকে প্রশান্তি তুলে নেবেন। তাদের জীবন থেকে বরকত তুলে নেবেন। ফলে সে দুনিয়া ও আখিরাত দুটোই হারাবে। আবান বিন উসমান থেকে বর্ণিত, জায়দ বিন সাবিত (রা.) দুপুরের সময় মারওয়ানের কাছ থেকে বের হয়ে এলে আমি ভাবলাম, নিশ্চয়ই কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানার জন্য এ সময় তিনি তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে আমাদের শ্রুত কতক হাদিস শোনার জন্য মারওয়ান আমাদের ডেকেছেন। আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, পার্থিব চিন্তা যাকে মোহগ্রস্ত করবে, আল্লাহ তার কাজকর্মে অস্থিরতা সৃষ্টি করবেন, দরিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী হবে এবং পার্থিব স্বার্থ ততটুকুই লাভ করতে পারবে, যতটুকু তার তাকদিরে লিপিবদ্ধ আছে। আর যার উদ্দেশ্য হবে আখিরাত, আল্লাহ তার সব কিছু সুষ্ঠু করে দেবেন, তার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করবেন এবং দুনিয়া স্বয়ং তার সামনে এসে হাজির হবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১০৫)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পাঁচ. শয়তানের কুমন্ত্রণা</strong> : মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রুগুলোর একটি শয়তান, যা মানুষকে সব সময় বিভ্রান্ত করে। প্রতিটি মানুষের সঙ্গেই একটি করে শয়তান নিয়োজিত থাকে, যা মানুষকে সর্বদা পাপের প্রতি উৎসাহ দেয়। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকের সঙ্গেই একটি শয়তান নির্ধারিত আছে। সাহাবারা প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসুল, আপনার সঙ্গেও কি? তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমার সঙ্গেও। তবে তার মোকাবেলায় আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছেন। এখন আমি তার সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ। এখন সে আমাকে কল্যাণকর বিষয় ছাড়া কখনো অন্য কিছুর নির্দেশ দেয় না।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭০০১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ছয়. দাম্ভিকতা </strong>: অহংকার, দাম্ভিকতা মানুষের ব্যক্তিত্বতে শেষ করে দেয়। তাকে সব মহলে নিন্দিত করে তোলে। মানুষের কাজে ঘৃণিত করে তোলে। মহান আল্লাহও দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। (সুরা : নাহাল, আয়াত : ২৩)</p>
<p style="text-align: justify;">আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জাহান্নাম ও জান্নাত বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল, অহংকারী ও পরাক্রমশালী স্বৈরাচারীরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। বেহেশত বলল, দুর্বল ও নিঃস্বরাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তাআলা জাহান্নামকে বলেন, তুই হলি আমার আজাব। যার থেকে ইচ্ছা আমি তোর মাধ্যমে প্রতিশোধ নেব। তিনি বেহেশতকে বলেন, তুমি আমার রহমত, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার মাধ্যমে অনুগ্রহ করব। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ৫৯২)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সাত. গোপন পাপ</strong> : এটি নিরবে মানুষকে শেষ করে দেয়। এর পরিণাম ভয়াবহ। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন পাপ বর্জন করো। যারা পাপ করে, অচিরেই তাদের পাপের সমুচিত শাস্তি দেওয়া হবে।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১২০)</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/7245/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bvnews24.com/media/imgAll/2024April/gunah-2412040726.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জীবনঘাতক কবিরা গোনাহ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/19679/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/19679/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Dec 2024 04:46:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=19679</guid>

					<description><![CDATA[কবিরা গোনাহ হলো ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম যেসব গুনাহর ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে। যেসব গুনাহর ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দন্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে। মোটকথা যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন সেগুলো কবিরা গুনাহ। মহান আল্লাহ বলেন- ‘যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কবিরা গোনাহ হলো ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম যেসব গুনাহর ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">যেসব গুনাহর ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দন্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে। মোটকথা যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন সেগুলো কবিরা গুনাহ। মহান আল্লাহ বলেন- ‘যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকতে পারো; তবে আমি তোমাদের (ছোট) গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিব এবং সম্মানজনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাবো।’ [সূরা নিসা : ৩১]</p>
<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে আরেক রমজান এতদুভয়ের মাঝে সংগঠিত সমস্ত পাপরাশীর জন্য কাফফারা স্বরূপ যদি কবীরা গোনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকা যায়।’ [মুসলিম শরীফ]</p>
<div id="ar_news_content">
<p style="text-align: justify;">হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, কবিরা গোনাহ বা মহাপাপ গণনা করলে সত্তরটি পযন্ত হয়। [ইমাম তাবারি. আল্লামা শামসুদ্দিন জাহাবি রাহ. গোনাহে কাবায়েরে বলেন, কবিরা গুনাহ বা মহাপাপ গণনা করলে অনেক পাওয়া যায়। আল্লামা ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, কবিরা গোনাহ বা মহাপাপ এমন সব অপরাধ, যা করার কারণে পৃথিবীর আদালতে শাস্তির বিধান রয়েছে অথবা পরকালের বিচারে আছে শাস্তির হুঁশিয়ারি। কবিরা গোনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের হক থাকলে সেটাও মিটাতে হবে, তওবাও করতে হবে। যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ফেরেশতারা লানত দেন। যে কাজের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে এমনটি করবে সে মুসলমানদের দলভুক্ত নয় কিংবা যে কাজের ব্যাপারে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যে কাজে দীন নাই, ঈমান নাই ইত্যাদি বলা হয়েছে। যে ব্যাপারে বলা হয়েছে এটি মুনাফিকের আলামত বা মুনাফিকের কাজ। অথবা যে কাজকে আল্লাহ তায়ালার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কবিরা গোনাহর তালিকা- </strong></p>
<p style="text-align: justify;">মহান আল্লাহর তায়ালার সাথে শিরক করা। নামায পরিত্যাগ কর। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা। পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা। যাদু-টোনা করা। এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা। জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন করা। সতী-সাধ্বী মুমিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া। ফরয রোযা না রাখা।</p>
<p style="text-align: justify;">যাকাত আদায় না করা। ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা। যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা। প্রতিবেশিকে কষ্ট দেয়া। অহংকার করা। চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে। একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো। আত্মহত্যা করা। আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা। অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা। উপকার করে খোটা দান করা।</p>
<p style="text-align: justify;">মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা। মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশগ্রহণ করা। জুয়া খেলা। তকদীর অস্বীকার করা। অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা। গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া। পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা। মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা। মিথ্যা কথা বলা। মিথ্যা কসম খাওয়া। মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা। জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া। সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা। হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা। যার জন্যে হিল্লা করা হয়। মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা। মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা। মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা। মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু বানানো। কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা। ওজনে কম দেয়া। ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা। ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা। জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা। গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা।</p>
<p style="text-align: justify;">দাঁত চিকন করা। সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মন্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা। অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা। পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা। নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো। কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা। পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা। মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা। ডাকাতি করা। চুরি করা।</p>
<p style="text-align: justify;">সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা। ঘুষ লেন-দেন করা। গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা। স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা। জুলুম-অত্যাচার করা। অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা। প্রতারণা বা ঠগবাজী করা। রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা। পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা। সাহাবীদের গালি দেয়া। নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা। মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন। ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা।</p>
<p style="text-align: justify;">পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা। কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া। আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা। বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া। যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট স্বামীর অবাধ্য হওয়া। স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা। স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা।</p>
<p style="text-align: justify;">বেশি বেশি অভিশাপ দেয়া। বিশ্বাস ঘাতকতা করা। অঙ্গীকার পূরণ না করা। আমানতের খিয়ানত করা। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া। ঋণ পরিশোধ না করা। বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না। তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো। পরীক্ষায় নকল করা। ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা। ইচ্ছাকৃত-ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা। আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা। নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/19679/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইসলামে বর্ণনায় নারীর সঙ্গে কথা বলার শিষ্টাচার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/7054/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/7054/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Dec 2024 03:10:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=7054</guid>

					<description><![CDATA[মানুষ বাকশক্তিসম্পন্ন প্রাণী। মানুষকে কথা বলতেই হবে। এই কথা হতে পারে কোনো নর কিংবা নারীর সঙ্গে। প্রয়োজনে নারীর সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেয় ইসলাম। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে বহু নারী তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। অনেক নারী সাহাবিয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে মাসআলা জিজ্ঞাসা করতেন। তিনি সেগুলোর ব্যাপারে ফতোয়া দিতেন। তাই এমন কাজে কোনো অসুবিধা নেই। তবে শর্তসাপেক্ষে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><span style="text-align: justify;">মানুষ বাকশক্তিসম্পন্ন প্রাণী। মানুষকে কথা বলতেই হবে। এই কথা হতে পারে কোনো নর কিংবা নারীর সঙ্গে। প্রয়োজনে নারীর সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেয় ইসলাম। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে বহু নারী তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। অনেক নারী সাহাবিয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে মাসআলা জিজ্ঞাসা করতেন। তিনি সেগুলোর ব্যাপারে ফতোয়া দিতেন। তাই এমন কাজে কোনো অসুবিধা নেই। তবে শর্তসাপেক্ষে ইসলাম নারীদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দিয়েছে।</span></p>
<div>
<p style="text-align: justify;">নারীদের সঙ্গে কথা বলার মূলনীতি বিষয়ে পবিত্র কোরআনে দুটি আয়াত নাজিল হয়েছে। এক. মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী-পত্নীরা, তোমরা অন্য নারীদের মতো নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তাহলে পর-পুরুষের সঙ্গে এমনভাবে কথা বোলো না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধি আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায়সংগত কথা বলবে।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৩২)</p>
<p style="text-align: justify;">দুই. অন্য আয়াতে এসেছে, ‘&#8230;তোমরা তাঁর পত্নীদের কাছ থেকে কিছু চাইলে পর্দার অন্তরাল থেকে চাইবে।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৫৩)</p>
<p style="text-align: justify;">এই দুটি আয়াত ও বিভিন্ন হাদিসের আলোকে ইসলামিক স্কলাররা নারীদের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছেন। সেগুলো হলো—১. নির্জনে পর-নারীর সঙ্গে কথা বলবে না। ২. কথা বলার ক্ষেত্রে বৈধতার সীমারেখা অতিক্রম করবে না। ৩. অশ্লীল বা উত্তেজক কোনো কথা বলবে না। ৪. মোহগ্রস্ত করার লক্ষ্যে নরম স্বরে কথা বলবে না। ৫. নারী পূর্ণ পর্দার ভেতর থেকে কথা বলবে। ৬. প্রয়োজন-অতিরিক্ত কথা বলবে না। ৭. কাউকে আহত করে কোনো কথা বলবে না। ৮. ন্যায়সংগত ও উত্তম কথা বলবে।</p>
<p style="text-align: justify;">যেকোনো মানুষের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। কেননা মানুষের প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘সে যে কথাই উচ্চারণ করে তার কাছে সদা সংরক্ষণকারী উপস্থিত আছে।’ (সুরা কাফ, আয়াত : ১৮)</p>
<p style="text-align: justify;">কণ্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা ইসলামী শিষ্টাচার। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তুমি তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করো; নিশ্চয়ই কণ্ঠস্বরের মধ্যে গর্দভের সুরই সবচেয়ে অপ্রীতিকর।’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৯)।</p>
<p style="text-align: justify;">যেকোনো মানুষের সঙ্গে সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা ইসলামের শিক্ষা। ইরশাদ হয়েছে, ‘&#8230;তোমরা মানুষের সঙ্গে সদালাপ করবে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ৮৩)</p>
<p style="text-align: justify;">কাউকে কটাক্ষ করা, উপহাস করা, কারো দিকে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করা এবং মন্দ বিশেষণে কাউকে ভূষিত করা ইসলামে খুবই গর্হিত অপরাধ। আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা, কোনো পুরুষ যেন অন্য কোনো পুরুষকে উপহাস না করে। কেননা যাকে উপহাস করার হয়, সে উপহাসকারীর চেয়ে উত্তম হতে পারে। আর কোনো নারী যেন অন্য কোনো নারীকে উপহাস না করে। কেননা যাকে উপহাস করা হয়, সে উপহাসকারিণীর চেয়ে উত্তম হতে পারে। তোমরা একে অন্যের প্রতি দোষারোপ কোরো না এবং একে কাউকে মন্দ নামে ডেকো না; ঈমান আনার পর মন্দ নামে ডাকা অতি নিন্দনীয়। যারা তাওবা করে না তারাই জালিম।’ (সুরা হুজরাত, আয়াত : ১১)</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/7054/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://imaginary.barta24.com/resize?width=1280&#038;quality=75&#038;type=webp&#038;path=uploads/news/2020/Mar/08/1583605340302.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নূহ (আ.)-এর সন্তানের প্রতি তার শেষ উপদেশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/128688/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/128688/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Dec 2024 11:05:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=128688</guid>

					<description><![CDATA[আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) বলেন, আমরা একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বসে ছিলাম। এরই মধ্যে একজন ব্যক্তি আগমন করল, যার পরিধানে ছিল এক ধরনের মাছ রঙের জুব্বা। সে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মাথা বরাবর দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার সঙ্গীরা আরোহীদের অবদমিত করছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন তার জুব্বার বন্ধনস্থল ধরে বলেন, আমি কি তোমাকে নির্বোধের পোশাকে দেখছি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) বলেন, আমরা একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বসে ছিলাম। এরই মধ্যে একজন ব্যক্তি আগমন করল, যার পরিধানে ছিল এক ধরনের মাছ রঙের জুব্বা। সে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মাথা বরাবর দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার সঙ্গীরা আরোহীদের অবদমিত করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন তার জুব্বার বন্ধনস্থল ধরে বলেন, আমি কি তোমাকে নির্বোধের পোশাকে দেখছি না? অতঃপর তিনি বলেন, ‘আল্লাহর নবী নূহ (আ.) মৃত্যুকালে স্বীয় পুত্রকে অসিয়ত করে বলেন, আমি একটি অসিয়তের মাধ্যমে তোমাকে দুটি বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছি এবং দুটি বিষয়ে নিষেধ করে যাচ্ছি।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্দেশ হলো তুমি বলবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। কেননা আসমান ও জমিনের সব কিছু যদি এক হাতে বা পাল্লায় রাখা হয় এবং এটিকে যদি এক হাতে বা পাল্লায় রাখা হয়, তাহলে এটিই ভারী প্রতিপন্ন হবে। সাত আসমান ও সাত জমিন যদি একটি জটিল গ্রন্থির রূপ ধারণ করে তবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ও ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’ তা ভেঙে দেবে। কেননা এটি সব বস্তুর তাসবিহ। এবং এর মাধ্যমেই সব সৃষ্টিকে রিজিক দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আর আমি তোমাকে নিষেধ করে যাচ্ছি দুটি বস্তু থেকে : শিরক ও অহংকার। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! শিরক তো আমরা বুঝলাম। কিন্তু অহংকার কী? আমাদের কারো যদি সুন্দর পোশাক থাকে, আর সে তা পরিধান করে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে এতে কি অহংকার হবে? তিনি বলেন, না। সে বলল, তাহলে আমাদের কোনো ব্যক্তির যদি এক জোড়া সুন্দর জুতা থাকে এবং এর দুটি সুন্দর ফিতা থাকে। তা কি অহংকারের আওতায় পড়বে? তিনি বলেন, না। সে বলল, তাহলে আমাদের কোনো ব্যক্তির যদি একটি বাহন জন্তু থাকে, যার ওপর সে আরোহণ করে। তাতে কি অহংকার হবে? তিনি বলেন, না।</p>
<p style="text-align: justify;">সে বলল, তাহলে আমাদের কারো বন্ধু-বান্ধব রয়েছে, যাদের সঙ্গে সে ওঠা-বসা করে। এতে কি অহংকার হবে? তিনি বলেন, না। সে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! তাহলে অহংকার কী?। তিনি বলেন, অহংকার হলো, সত্যকে দম্ভভরে প্রত্যাখ্যান করা ও মানুষকে হেয় জ্ঞান করা। ’ (আদাবুল মুফরাদ হাদিস : ৫৪৮; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৬৫৮৩)</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/128688/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের হামলায় নিহত ৩, আহত সহস্রাধিক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/530920/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 18 Dec 2024 07:17:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব ইজতেমা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://worldbarta.com/?p=530920</guid>

					<description><![CDATA[গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে জোবায়েরপন্থীদের ওপর সাদপন্থীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় শতাধিক। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোররাত ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে জোবায়েরপন্থীদের ওপর সাদপন্থীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় শতাধিক।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোররাত ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.risingbd.com/media/imgAll/2024October/ijtema-2412180249.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>অতিথিদের আপ্যায়নে রাসূল (সা.) পাঁচ সুন্নত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/4104/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/4104/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Dec 2024 04:25:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=4104</guid>

					<description><![CDATA[মেহমানদারি মানুষের মধ্যে সদ্ভাব তৈরি করে। সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় করে। সামাজিক বন্ধন ও সৌহার্দ্য উন্নত করে। মুসলমানদের জাতির পিতা ইবরাহিম (আ.) প্রতিদিন মেহমানদারি করতেন। এটা ছিল তাঁর আদর্শ। কথিত আছে, তিনি মেহমান ছাড়া খুব সহজে খাবার গ্রহণ করতেন না। কোরআনে বর্ণিত আছে, ‘আমার ফেরেশতারা (পুত্রসন্তানের) সুসংবাদ নিয়ে ইবরাহিমের কাছে এলো। তারা বলল, ‘সালাম’। সেও বলল, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মেহমানদারি মানুষের মধ্যে সদ্ভাব তৈরি করে। সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় করে। সামাজিক বন্ধন ও সৌহার্দ্য উন্নত করে। মুসলমানদের জাতির পিতা ইবরাহিম (আ.) প্রতিদিন মেহমানদারি করতেন। এটা ছিল তাঁর আদর্শ। কথিত আছে, তিনি মেহমান ছাড়া খুব সহজে খাবার গ্রহণ করতেন না। কোরআনে বর্ণিত আছে, ‘আমার ফেরেশতারা (পুত্রসন্তানের) সুসংবাদ নিয়ে ইবরাহিমের কাছে এলো। তারা বলল, ‘সালাম’। সেও বলল, ‘সালাম’। সে অবিলম্বে কাবাবকৃত গোবৎস (ভুনা গরুর গোশত) নিয়ে এলো।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ৬৯)</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><strong>এক. মেহমানকে স্বাগত জানানো</strong> : মেহমানকে স্বাগত জানানো ও তার আগমনে খুশি প্রকাশ করা মেজবানের দায়িত্ব। রাসুল (সা.)-এর কাছে কোনো মেহমান কিংবা প্রতিনিধিদল এলে তিনি স্বাগত জানাতেন। ‘মারহাবা’ বলতেন। খুশি প্রকাশ করতেন। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘আবদুল কায়সের প্রতিনিধিদল নবী (সা.)-এর কাছে এলে তিনি বলেন, এই প্রতিনিধিদলের প্রতি ‘মারহাবা’, যারা লাঞ্ছিত ও লজ্জিত হয়ে আসেনি। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আমরা রাবিয়া গোত্রের লোক। আমাদের ও আপনার মাঝে ‘মুজার’ গোত্র অবস্থান করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ জন্য আমরা হারাম মাস ছাড়া আপনার খেদমতে পৌঁছতে পারি না। সুতরাং আপনি আমাদের এমন কিছু চূড়ান্ত নিয়ম-নীতি বলে দেন, যা অনুসরণ করে আমরা জান্নাতে যেতে পারি এবং আমাদের পেছনে যারা আছে তাদের পথ দেখাতে পারি। তিনি বলেন, আমি চারটি আদেশ ও চারটি নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছি। তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে, জাকাত দেবে, রমজান মাসের রোজা রাখবে এবং গনিমতের সম্পদের পঞ্চমাংশ দান করবে। আর কদুর খোল, সবুজ রং করা কলস, খেজুর মূলের এবং আলকাতরা রাঙানো পাত্রে পান করবে না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬১৭৬)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>দুই. অতিথিপরায়ণ ঈমানের আলামত</strong> : ঘরে মেহমান এলে তাকে হাসিমুখে সাদরে আমন্ত্রণ জানানো মুমিনের বৈশিষ্ট্য। মুমিন তার আগমনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবে। খুশির কথা বলবে। সদাচরণ করবে। ঠোঁটে হাসির রেখা ফুটিয়ে তুলবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ঈমান রাখে সে যেন মেহমানের প্রতি সদাচরণ করে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৭)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>তিন. মেহমানকে সম্মান জানানোর নিয়ম</strong> : মেহমানের সম্মান করা ইসলামের বিধান। মুহাম্মদ (সা.)-এর শিক্ষা। একদিন একরাত মেহমানের জন্য উত্তম ব্যবস্থাপনা করা ওয়াজিব। তিনদিন তিনরাত সাধারণ ব্যবস্থাপনা করা সুন্নত। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মেহমানের সম্মান একদিন ও একরাত। আর সাধারণ মেহমানদারি তিনদিন ও তিনরাত। এরপরে (তা হবে) সদকা। মেজবানকে কষ্ট দিয়ে তার কাছে মেহমানের অবস্থান করা বৈধ নয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬১৩৫)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চার. মেহমানের যত্ন না নিলে করণীয়</strong> : সামর্থ্য অনুযায়ী মেহমানের হক আদায় করা মেজবানের কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে মুহাম্মদ (সা.)-এর দিকনির্দেশনা সম্পর্কে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। উকবা ইবনে আমির (রা.) বলেন, ‘একবার আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমাদের কোনো জায়গায় পাঠালে এমন জাতির কাছে গিয়ে উপস্থিত হই, যারা আমাদের মেহমানদারি করে না। এ ব্যাপারে আপনার হুকুম কী? তিনি  বলেন, যদি তোমরা কোনো জাতির কাছে উপস্থিত হও, আর তারা মেহমানদারির জন্য উপযুক্ত যত্ন নেয়, তবে তোমরা তা গ্রহণ করবে। আর যদি তারা না করে, তাহলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের থেকে মেহমানের হক আদায় করে নেবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬১৩৭)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পাঁচ. মেহমানের জন্য রোজা ভেঙে ফেলা</strong> : দিনেরবেলা কেউ মেহমান হলো ঘরে। ঘরের মালিক রোজাদার—নফল রোজা রেখেছে। মেহমান ঘরের মালিক ছাড়া খাবার গ্রহণ করবে না—এখন মেহমানের সম্মানে ঘরের মালিক নফল রোজা ভেঙে ফেলতে পারবে; বরং তার উচিত, নফল রোজা ভেঙে মেহমানের সঙ্গে খাবার গ্রহণ করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬১৩৯)</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/4104/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2022/01/WB_Islam_Photo_1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শিশুদের মসজিদে নিয়ে আসার বিধান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/86832/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/86832/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Oct 2024 05:45:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=86832</guid>

					<description><![CDATA[বুঝ সম্পন্ন শিশুকে মসজিদে নিয়ে আসা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কারণ ছোটবেলা থেকে মসজিদে আসার অভ্যাস শিশুমনে দারুণ প্রভাব ফেলে। শিশুদের সঠিকভাবে নামাজ শেখানো রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। মা-বাবা, শিক্ষক কিংবা অন্য যে কেউ নামাজ পড়ার সময় ছোটদের শিখিয়ে দিতে পারেন। এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) ছোটবেলার স্মৃতি বর্ণনা করে বলেন, ‘এক রাতে আমি নবী (সা.)-এর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বুঝ সম্পন্ন শিশুকে মসজিদে নিয়ে আসা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কারণ ছোটবেলা থেকে মসজিদে আসার অভ্যাস শিশুমনে দারুণ প্রভাব ফেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">শিশুদের সঠিকভাবে নামাজ শেখানো রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। মা-বাবা, শিক্ষক কিংবা অন্য যে কেউ নামাজ পড়ার সময় ছোটদের শিখিয়ে দিতে পারেন। এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) ছোটবেলার স্মৃতি বর্ণনা করে বলেন, ‘এক রাতে আমি নবী (সা.)-এর পেছনে বাম পাশে করে নামাজে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তিনি নামাজরত অবস্থায় আমাকে তার হাত দিয়ে টেনে নিজের ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১/২৫৫)</p>
<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) অন্য একটি বর্ণনায় বলেন, ‘একদিন ফজরের নামাজের ইকামত হয়ে যাওয়ার পর আমি দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে দাঁড়িয়ে যাই। তখন জামাত শুরু করার আগে আল্লাহর রাসুল (সা.) এসে আমার হাত ধরে ফেলেন। এরপর  বলেন, ‘তুমি কি ফজরের নামাজ চার রাকাত পড়বে নাকি? (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৬/২২১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে শিশু</strong></p>
<p style="text-align: justify;">অন্য একটি বর্ণনায় আরো এসেছে, একদিন সিজদায় থাকা অবস্থায় রাসুলের (সা.) নাতি হাসান ও হোসাইন এসে তাঁর পিঠে চড়ে বসে। কিন্তু তারা নেমে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি নিজে সরাননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত তিনি সেজদারত থাকেন। নামাজ শেষে তার নিকট দীর্ঘক্ষণ সেজদায় থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি জবাব দিলেন, ‘আমার নাতিরা আমার পিঠে চড়ে বসেছিলো। আমি তাদের বিরক্ত করতে চাইনি।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১১৪১)</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য বর্ণনায় এসেছে- নামাজ শেষ করে তিনি নাতিদের কোলে তুলে নেন। (আবু ইয়ালা মাওসিলির আজ-জাওয়াইদ গ্রন্থে আনাস (রা) এই ঘটনা বর্ণনা করেছেন। উপর্যুক্ত দুটি সূত্র থেকে একই ধরনের বর্ণনা বুখারী ও মুসলিমেও রয়েছে)।</p>
<p style="text-align: justify;">মসজিদে শিশুদের সঙ্গে রাসুল (সা.)-এর আচরণ এমনই ছিল। মমতা ও ভালোবাসাময় নবী-আদর্শ অনুসরণ উচিত প্রত্যেকের।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শিশু নামাজে কোথায় দাঁড়াবে</strong></p>
<p style="text-align: justify;">যদি শিশু (নাবালেগ) একজন হয়, তবে তাকে বড়দের কাতারেই একসঙ্গে দাঁড় করানো যাবে। এতে বড়দের নামাজের কোনো অসুবিধা হবে না। আর শিশু একাধিক হলে, প্রাপ্ত বয়স্কদের পেছনে আলাদা কাতারে দাঁড় করানো সুন্নাত। তবে হারিয়ে যাওয়া বা দুষ্টুমি করার আশঙ্কা থাকলে, বড়দের কাতারেও দাঁড় করানো যাবে। (আলবাহরুর রায়েক: ১/৬১৮, আদ্দুররুল মুখতার: ১/৫৭১)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শিশুরা নামাজের কাতারে দাঁড়ালে অসুবিধা নেই</strong></p>
<p style="text-align: justify;">অনেকের এ ধারণা রয়েছে যে নাবালেগ শিশুদের বড়দের কাতারের মধ্যে দাঁড় করালে পেছনের মুসল্লিদের নামাজ হয় না বা নামাজ ত্রুটিযুক্ত হয়, আসলে ব্যাপারটি সে ধরনের নয়। বরং যদিও জামাতের কাতারের সাধারণ নিয়ম ও সুন্নাত হলো, প্রাপ্ত বয়স্করা সামনে দাঁড়াবেন ও অপ্রাপ্ত বয়স্করা পেছনে থাকবে। কিন্তু এর ব্যতিক্রম হলে নামাজ অশুদ্ধ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এ জন্য শিশু একা হলে বা পেছনে দুষ্টুমির আশঙ্কা হলে বড়দের কাতারে সমানভাবে দাঁড় করানোই উত্তম। তথ্য</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/86832/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bdmorning.com/public/news/2019-12/bdmorning1575899639maxresdefault%20(1).jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফরিদপুরে মন্দিরে আগুন অভিযোগে হিন্দুদের পিটুনিতে ২ মুসলিম নিহত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/408475/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Apr 2024 07:03:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=408475</guid>

					<description><![CDATA[ফরিদপুরের মধুখালীর ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লীতে বাঁশ, লাঠি, পেরেক দিয়ে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে আপন দুই ভাইকে হত্যা এবং অপর পাঁচজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধার করতে মধুখালী উপজেলার ইউএনও এবং ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও জিম্মি করে রাখা হয়। খবর পেয়ে ফরিদপুর থেকে জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফরিদপুরের মধুখালীর ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লীতে বাঁশ, লাঠি, পেরেক দিয়ে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে আপন দুই ভাইকে হত্যা এবং অপর পাঁচজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধার করতে মধুখালী উপজেলার ইউএনও এবং ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও জিম্মি করে রাখা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">খবর পেয়ে ফরিদপুর থেকে জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে ফরিদপুর ও রাজবাড়ী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব প্রায় ৫ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে। দুর্বৃত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ঘটনায় নিহতরা হলেন, মধুখালী উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ঘোপেরঘাট গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে আশরাফুল (২১) ও তার ভাই আসাদুল (১৫)। আহতদের ২ জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও ৩ জনকে মধুখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত দুই পুলিশ সদস্যকে মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে জেলার একজন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে সেখানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, পঞ্চপল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ওয়াশ রুমের নির্মাণ কাজ করছিল ওই শ্রমিকেরা। সন্ধ্যায় একটি নসিমন থেকে রড নামানোর সময় তাদের ওপর হামলা করা হয়। পঞ্চপল্লী গ্রামের তপতি মন্ডল নামে এক গৃহবধূ বলেন, তিনি স্কুলঘরের পাশে কালীমন্দির সন্ধ্যাবাতি দিয়ে গোবরের ঘোসি পরিষ্কার করতে এসে চিৎকার চেচামেচি শুনতে পান। এসে দেখেন মন্দিরের কালী মূর্তিটি একদম পুড়ে গেছে। তারপর লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তবে মন্দিরে কিভাবে আগুন লেগেছে তিনি তা দেখেননি বলে জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">ডুমাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান তপন জানান, পাঁচ গ্রাম নিয়ে সেখানে পঞ্চপল্লী অবস্থিত। এলাকাটি হিন্দু বসতি অধ্যুষিত। এর মাঝে কৃষ্ণনগর নামে এক গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজের জন্য সেখানে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক কাজ করছিলেন। সেখানে নির্মাণ শ্রমিকদের পিটিয়ে হতাহত করে নির্মাণাধীন স্কুল ঘরের মধ্যে পিঠমোড়া করে হাত-পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে জড়ো হওয়া লোকজন রাখে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, মন্দিরে আগুন দেয়ার সন্দেহে নির্মাণ শ্রমিকদের বেদমভাবে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে হতাহত করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকার অতিরিক্ত র‍্যাব ও পুলিশের বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, এখানে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক কাজ করছিল। উত্তেজিত জনতা ভেতরে ঢুকে তাদের লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করে ও ইট দিয়ে থেতলিয়ে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় অনেক পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদের দিকে ইটপাটকেল ছুড়ে মারা হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা থেকে আইজি স্বয়ং খবরাখবর রাখছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বিকেলে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কেনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদি হয়ে হত্যা মামলা ছাড়াও পুলিশের কাজে বাধাদান ও তাদের আহত করার ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের করা হবে। এদিকে বিকেলে নিহত দুই শ্রমিকের জানাযা শেষে তাদের দাফন করা হয়েছে। সেখানে পরিবারের স্বজনদের কান্নায় এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহতদের জানাজায় গ্রামবাসীর ঢল: গতকাল শুক্রবার বাদ আসর মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের চোপেরঘাট গ্রামের নিজ বাড়িতে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। জানাজায় জেলা প্রশাসক মো: কামরুল আহসান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমসহ ইউএনও, পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় নিহতের বাড়িতে পরিদর্শনে যান ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মারফ হোসেন সরদার। এর আগে তিনি ঘটনাস্থল মধুখালী উপজেলার ডোমাইন গ্রাম পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসক মো: কামরম্প আহসান তালুকদার নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জ্ঞাপন করে বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আপনাদের ন্যায়বিচার দেয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা মন্দিরে আগুন দেইনি বললেন শ্রমিকরা : পঞ্চপল্লীতে কালীমন্দিরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সাথে স্কুলের উন্নয়ন কাজে নিযুক্ত নির্মাণ শ্রমিকদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না, নিছক সন্দেহের বশে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিকরা।</p>
<p style="text-align: justify;">নান্নু মণ্ডল বলেন, মন্দিরে কীভাবে আগুন লেগেছে, এ বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি। এই শ্রমিক বলেন, &#8216;মন্দিরে আগুন লাগার পরে আমাদের দোষারোপ করে মারধর শুরু করে এলাকার হিন্দুরা। আমরা মন্দিরে আগুন দিইনি, আমরা কেন আগুন দিতে যাব?&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">এ দিকে, বিকেলে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদি হয়ে হত্যা মামলা ছাড়াও পুলিশের কাজে বাধাদান ও তাদের আহত করার ঘটনায় পৃথক<br />
মামলা দায়ের করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.protidinersangbad.com/assets/news_photos/2023/11/23/image-427498.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হোয়াইট হাউজের ইফতার বয়কট</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/81674/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/81674/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Apr 2024 05:05:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=81674</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজের একটি ইফতার অনুষ্ঠান বয়কট করেছে সেদেশের মুসলিম কমিউনিটি। এ বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত দুইজনের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মুসলিম কমিউনিটি নেতাদের বয়কটের কারণে ইফতার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে মুসলিম সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি রাতের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আল জাজিরার সঙ্গে কথা বলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজের একটি ইফতার অনুষ্ঠান বয়কট করেছে সেদেশের মুসলিম কমিউনিটি। এ বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত দুইজনের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মুসলিম কমিউনিটি নেতাদের বয়কটের কারণে ইফতার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে মুসলিম সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি রাতের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নাম প্রকাশ না করার শর্তে আল জাজিরার সঙ্গে কথা বলা সূত্রগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা হোয়াইট হাউজের ইফতারে অংশ নেওয়ার বিরুদ্ধে নেতাদের সতর্ক করার পরে অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) এর ডেপুটি ডিরেক্টর এডওয়ার্ড আহমেদ মিচেল বলেন, ইফতার অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে। কারণ অনেক লোক উপস্থিত না হওয়ার কথা বলেছিল। আমন্ত্রিত অনেকেই প্রাথমিকভাবে ইফতারে যাওয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু পরে তারা না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।</p>
<p style="text-align: justify;">মিচেল আল জাজিরাকে বলেন, আমেরিকান মুসলিম সম্প্রদায় বলছে, যে হোয়াইট হাউজ ইসরাইলি সরকারকে গাজার ফিলিস্তিনি জনগণকে অনাহারে ও জবাই করতে সমর্থন দিচ্ছে, সেই একই হোয়াইট হাউজে গিয়ে রুটি তোড়া আমাদের পক্ষে সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এবং এনপিআর উভয়ই সোমবার জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজ মুসলিম কমিউনিটির জন্য ইফতারের আয়োজন করেছে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজ পরিবর্তে ঘোষণায় জানায়, শুধুমাত্র মুসলিম সরকারি কর্মীদের জন্য একটি ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। কয়েকটি মুসলিম আমেরিকান কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">হোয়াইট হাউজের নতুন ঘোষণা থেকে জানা যায়, মুসলিম কমিউনিটি নেতারা ইফতারে যোগ দেবেন না। তবে তাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউজ আলাদা বৈঠক করবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/81674/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://ichef.bbci.co.uk/ace/ws/800/cpsprodpb/12A94/production/_114063467_biden_640-nc.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রমজানের রোজা ভঙ্গ করা হারাম</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/399056/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Mar 2024 05:53:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পরামর্শ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[রোজা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=399056</guid>

					<description><![CDATA[নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়। সর্বশক্তিমান আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করছেন, ‘হে বিশ্ববাসী! [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নামাজ ও জাকাতের পর রোজা অবশ্যপালনীয় বা ফরজ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ রোজা। মাহে রমজান ও রোজার মাসের গুরুত্বও মুমিনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। আগের অনেক আসমানি কিতাব রমজানে নাজিল হওয়ায় এ মাসের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বশক্তিমান আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ ও ১৮৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করছেন, ‘হে বিশ্ববাসী! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পার।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিনা কারণে রমজানের রোজা ভঙ্গ করা হারাম। যে নারীর ঋতু বা নিফাস হয়েছে তার রোজা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। কোনো মানুষের জান বাঁচানোর জন্য রোজা ভঙ্গ করার দরকার হলে ভঙ্গ করা ওয়াজিব। বৈধ কোনো সফরে রোজা রাখা কষ্টকর হলে বা অসুস্থতার কারণে রোজা রাখায় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে রোজা ভঙ্গ করা সুন্নত।</p>
<p style="text-align: justify;">গর্ভবতী ও সন্তানকে দুগ্ধদায়ী নারী যদি রোজা রাখার কারণে নিজের স্বাস্থ্য বা বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা করে, তবে তার জন্যও রোজা ভঙ্গ করা বৈধ। তবে পরে কাজা আদায় করতে হবে। গর্ভবতী ও দুগ্ধদায়ী নারী বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা করলে রোজা ভঙ্গ করবে এবং তা কাজা করার সঙ্গে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অতি বৃদ্ধ ও সুস্থ হওয়ার আশা নেই এমন দুরারোগে আক্রান্ত ব্যক্তি রোজা রাখতে অপারগ হলে রোজা ভঙ্গ করে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। তাকে কাজা আদায় করতে হবে না। ওজরের কারণে কোনো মানুষ যদি কাজা রোজা আদায় করতে দেরি করে এমনকি পরবর্তী রমজান এসে যায়, তবে তাকে শুধু কাজা আদায় করলেই চলবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু বিনা ওজরে দেরি করলে কাজা করার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে। ওজরের কারণে কাজা আদায় করতে না পেরে মৃত্যুবরণ করলে কোনো কিছু আবশ্যক হবে না। কিন্তু কাজা আদায় না করার কোনো ওজর ছিল না তবু করেনি, এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তবে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন করে মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মৃতের নিকটাত্মীয়ের জন্য সুন্নাত হচ্ছে, রমজানের কাজা রোজা এবং মানতের রোজা যা সে আদায় না করেই মৃত্যুবরণ করেছে সেগুলো তার পক্ষ থেকে আদায় করে দেওয়া। রমজানের দিনের বেলায় যদি কোনো বিধর্মী ইসলাম গ্রহণ করে বা ঋতুবতী নারী পবিত্র হয় বা রোগী সুস্থ হয় বা মুসাফির ফেরত আসে বা বালক-বালিকা প্রাপ্তবয়স্ক হয় বা পাগল সুস্থ-বিবেকবান হয়, তবে তাদের ওই দিনের  রোজা কাজা আদায় করতে হবে- যদিও তারা দিনের বাকি অংশ খানাপিনা থেকে বিরত থাকে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/24/082431_bangladesh_pratidin_p00.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘মণিপুর ফাইলস’ বানানোর পরামর্শ বিবেককে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/14608/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/14608/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Jul 2023 07:40:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বলিউড]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=14608</guid>

					<description><![CDATA[মণিপুরের সাম্প্রতিক ইস্যুতে ভারত সরকার নড়েচড়ে বসছে ৭৮ দিন পর। কারণটিও স্পষ্ট, র‍াজ্যের কুকি সম্প্রদায়ের দুই নারীকে ধর্ষণের পর বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার জের ধরেই আড়মোড়া ভেঙেছে। ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সমগ্র ভারতবাসীকেই নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনায় টুইটারে এক পোস্টে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। নেটিজেনরা তাকে এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মণিপুরের সাম্প্রতিক ইস্যুতে ভারত সরকার নড়েচড়ে বসছে ৭৮ দিন পর। কারণটিও স্পষ্ট, র‍াজ্যের কুকি সম্প্রদায়ের দুই নারীকে ধর্ষণের পর বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার জের ধরেই আড়মোড়া ভেঙেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সমগ্র ভারতবাসীকেই নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনায় টুইটারে এক পোস্টে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। নেটিজেনরা তাকে এই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে দ্য মণিপুর ফাইলস বানানোর পরামর্শ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত টুইটারে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হত্যা নিয়ে একটি পোস্ট করলে সেখানেই এমন দাবি করা হয়। তার এই পোস্টেই এক ব্যক্তি মন্তব্যে লেখেন, ‘এখন সময় নষ্ট না করে যদি সত্যিকারের পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে যান মণিপুর ফাইলস বানিয়ে দেখান।’</p>
<p style="text-align: justify;">এই ব্যক্তির পরামর্শের উত্তরে বিবেক লেখেন, ‘আমার ওপর এত বিশ্বাস রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু সব ছবি কি আমাকে দিয়েই বানাবেন? কেন তোমাদের টিম ইন্ডিয়ায় কি কোনো যথার্থ পুরুষ চিত্রপরিচালক নেই যিনি এই ছবিটা বানাতে পারেন?’</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র : <a href="https://www.indiatoday.in/movies/celebrities/story/man-asks-vivek-agnihotri-to-make-manipur-files-if-you-are-man-enough-director-reacts-2410227-2023-07-22">ইন্ডিয়া টুডে</a>।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/14608/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/23/110633_bangladesh_pratidin_kashmir-f-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মুসলিম ‘বহুবিবাহ’ প্রথা নিষিদ্ধ করতে চায় আসাম রাজ্য সরকার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/272626/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 May 2023 05:19:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিবাহ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=272626</guid>

					<description><![CDATA[আইন করে রাজ্যে &#8216;বহুবিবাহ&#8217; নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটছে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসাম। এক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বাস শর্মা টুইট করে জানিয়েছেন, &#8216;রাজ্য সরকার চায় আসামে বহুবিবাহ বন্ধ হোক। তবে রাজ্যে বহুবিবাহ বন্ধ করতে রাজ্য সরকারের ক্ষমতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আইন করে রাজ্যে &#8216;বহুবিবাহ&#8217; নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটছে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসাম। এক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বাস শর্মা টুইট করে জানিয়েছেন, &#8216;রাজ্য সরকার চায় আসামে বহুবিবাহ বন্ধ হোক। তবে রাজ্যে বহুবিবাহ বন্ধ করতে রাজ্য সরকারের ক্ষমতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভারতীয় সংবিধানের &#8216;মুসলিম পার্সোনাল ল&#8217; (শরিয়াত)-১৯৩৭ আইনের ২৫ ধারা খতিয়ে দেখবে।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, &#8216;বিষয়টি নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য আইন বিশেষজ্ঞসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবে ওই কমিটি।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বহু বিবাহ বা &#8216;নিকাহ হালালা&#8217; এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েক মাস আগেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়েছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের কথা জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এরপরেই আসামের মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য। এর অর্থ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এনে রাজ্যে এই প্রথা বন্ধ করতে চায় হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছিল আসামের বিজেপি সরকার। প্রায় সাড়ে দুই হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রাজ্যের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে পড়ানোর অপরাধে বেশ কয়েকজন কাজী এবং ইমামকেও আটক করা হয়েছিল সেসময়। সেসময় রাজ্য জুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা করতে এই অভিযান। ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে হলেই &#8216;প্রটেকশন অফ চিল্ড্রেন ফ্রম সেক্সচুয়াল অফেন্স অ্যাক্ট&#8217; (পকসো) আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/10/101611_bangladesh_pratidin_himanta_biswa.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
	</channel>
</rss>
