<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ভারত &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/india/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Thu, 22 Jan 2026 05:05:38 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>ভারত &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র দিল্লিতে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/589958/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 05:05:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=589958</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার উৎখাত এবং পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে থেমে নেই ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা। আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তিন সপ্তাহও বাকি নেই। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে দিল্লি। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি মৌলবাদ তকমা দিয়ে চাপে ফেলতে চাইছেন দিল্লির নীতিনির্ধারকরা। শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার উৎখাত এবং পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে থেমে নেই ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা। আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তিন সপ্তাহও বাকি নেই। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি মৌলবাদ তকমা দিয়ে চাপে ফেলতে চাইছেন দিল্লির নীতিনির্ধারকরা। শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগকে মাঠে নামানোর পাশাপাশি দিল্লিভিত্তিক বিভিন্ন ‘থিংক ট্যাংক’ মাঠে নেমেছে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতায়।</p>
<p style="text-align: justify;">গত কয়েক দিনে দিল্লিতে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন, বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিকদের দিল্লিতে ফিরিয়ে নেওয়া, বাংলাদেশে ইসলামি মৌলবাদের কল্পিত উত্থান নিয়ে দিল্লিতে সেমিনারের আয়োজন এবং সর্বোপরি আগামীকাল (শুক্রবার) দিল্লিতে কর্মরত ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনের সঙ্গে শেখ হাসিনার মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজনসহ নানা ধরনের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা শুরু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা ও দিল্লির একাধিক কূটনৈতিক সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, বাংলাদেশ নিয়ে দিল্লিতে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশবিরোধী এ তৎপরতা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না মোদি সরকারের নীতিনির্ধারকরা। বিএনপির ওপর পুরোপুরি আস্থা না রাখার পাশাপাশি ইসলামি দলগুলোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দিল্লি সর্বাত্মক বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতায় নেমেছে। এখন মোদি সরকারের প্রধান টার্গেট বাংলাদেশকে মৌলবাদী ট্যাগ দিয়ে চাপে ফেলার পাশাপাশি দেশটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্লেষকরা আরো বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আমরা একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছি। এ সময় দিল্লির বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা বৃদ্ধি গভীর উদ্বেগের বিষয়। গত ১৭ জানুয়ারি দিল্লি প্রেস ক্লাবে ভারতের ডিপস্টেট তথা গোয়েন্দা সংস্থার পরিকল্পনা ও সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। ওই সংবাদ সম্মেলনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বাংলাদেশ সরকারকে হুমকি দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হলে বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। কোনোভাবেই দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তারা আরো বলেন, আমরা শিগগির শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব এবং ক্ষমতায় যাব।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লির কাছে আপত্তি জানালেও তা উপেক্ষা করছে মোদি সরকার। ওই সংবাদ সম্মেলনের মাত্র দুদিন পর গত ২০ জানুয়ারি (বুধবার) দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ‘সিডস অব হেট : বাংলাদেশ’স এক্সিমিস্ট সার্জ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ অ্যান্ড আদার র‌্যাডিক্যাল অর্গানাইজেশনস’ শীর্ষক বইয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও ভারতীয় সাংবাদিক দীপাঞ্জন রায় চৌধুরীর যৌথভাবে সম্পাদিত এ বইয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানে বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী এমজে আকবর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পংকজ সরণ, ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলী, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, শ্রুতি পাট্টানায়েক প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। আলোচকরা বাংলাদেশে ইসলামপন্থিদের মৌলবাদী আখ্যা দিয়ে তাদের উত্থানকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাদের দাবিÑকথিত এ মৌলবাদী শক্তির উত্থানের ফলে বাংলাদেশের রাজনীতির চিত্র পাল্টে যাচ্ছে, যা দেশটির জন্য অস্তিত্ব সংকট তৈরি করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পঙ্কজ সরণ তার বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে। এখন বড় প্রশ্ন হলোÑবাংলাদেশ তার অতীত থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে শুরু করতে পারবে কি না।</p>
<p style="text-align: justify;">এমজে আকবর বাংলাদেশ সম্পর্কে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ এখন অস্তিত্ব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটিতে এখন যারা সরকারে আছে, তাদের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা গণতান্ত্রিক নয়। এ পরিবর্তন যদি গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মধ্য দিয়ে হতো, তাহলে আজ এই বইয়ের প্রকাশনা বা এটা নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন পড়ত না।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য বক্তারা বাংলাদেশে কথিত মৌলবাদের উত্থানকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি বলে উল্লেখ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলোর পাশাপাশি ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনাকে ক্যামেরার সামনে দেখা যেতে পারে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পালিয়ে দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে হাসিনা এখনো ক্যামেরার মুখোমুখি হননি। দিল্লির অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে ‘ফরেন করেসপনডেন্স ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাব’।</p>
<p style="text-align: justify;">দিল্লির একটি নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণের। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার। আমন্ত্রণপত্রে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটির ব্যাপারে ঢাকার পক্ষ থেকে আপত্তি জানানোর পরও তা আমলে নেয়নি দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েক মাস আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ওই সময় এ ব্যাপারে ঢাকার পক্ষ থেকে আপত্তি জানানোর পর সংবাদ সম্মেলনটি শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আগামীকাল অনুষ্ঠেয় শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানটি রীতিমতো উসকানিমূলক বলে মনে করছেন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে বারবার দাবি জানালেও বিষয়টি প্রতিবারই এড়িয়ে গেছে দিল্লি। এ পরিস্থিতিতে দিল্লিতে শেখ হাসিনার কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে হাসিনার পাশে থাকা এবং ঢাকার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়ারই বার্তা দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ দিল্লির এ ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে আমার দেশ-এর সঙ্গে আলাপে বলেন, সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিতে এমন একটি সময়ে বাংলাদেশবিরোধী বিভিন্ন ধরনের তৎপরতা চোখে পড়ছে, যখন বাংলাদেশ আগামী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে অগ্রসর হচ্ছে। ভারত যা করছে তা অপ্রত্যাশিত নয়, তারা বাংলাদেশ নিয়ে এ ধরনের অপতৎপরতা চালিয়েই আসছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দিল্লি বাংলাদেশে কর্মরত তার কূটনীতিকদের পরিবার-পরিজনকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। এটা বড় ধরনের একটি বার্তা দেয়। ভারত আসলে বাংলাদেশ নিয়ে বড় ধরনের কোনো ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছে। সরকার, রাজনৈতিক দল এবং সর্বোপরি দেশের সাধারণ মানুষকে দিল্লির তৎপরতার বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে ইউনূস সরকারকে আরো বেশি চাপে ফেলতে চাচ্ছে দিল্লি। মোদি সরকার কোনোভাবেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ইউনূস সরকারকে মেনে নেয়নি। নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন জরিপে জামায়াত নেতৃত্বের ইসলামি দলগুলোর জোটের ভালো ফল করার আভাস মিলছে। বিষয়টিকে সামনে এনে ভারতের নীতিনির্ধারকরা বাংলাদেশকে মৌলবাদী ট্যাগ দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে চাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য- বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের এ তৎপরতার বিরুদ্ধে তেমন কেউ কিছু বলছেন না। একটি মৌলবাদী শক্তি এখন ভারত শাসন করছে। অথচ তারাই আবার কল্পিত মৌলবাদের ইস্যু সামনে এনে বাংলাদেশের দিকে আঙুল তুলছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://gonokantho.com/2025/12/18/GK_1766032969.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফেলানী হত্যার ১৫ বছর, কাঁটাতারে ঝুলছে বিচার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/587450/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 06:32:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএসএফ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=587450</guid>

					<description><![CDATA[আজ ৭ জানুয়ারি। বিশ্বজুড়ে আলোচিত কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫ বছর পূর্ণ হলো। কুড়িগ্রাম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকা কিশোরী ফেলানীকে খুনের ঘটনার দেড় দশক পেরিয়ে গেলেও আজও বিচার পায়নি পরিবার। বিচারের দাবিতে ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম গত ১৫ বছর ধরে ভারতের বিএসএফ কোর্ট থেকে শুরু করে হাইকোর্টে ধরনা দিয়ে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে এখন হতাশায় দিন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আজ ৭ জানুয়ারি। বিশ্বজুড়ে আলোচিত কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার ১৫ বছর পূর্ণ হলো। কুড়িগ্রাম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকা কিশোরী ফেলানীকে খুনের ঘটনার দেড় দশক পেরিয়ে গেলেও আজও বিচার পায়নি পরিবার। বিচারের দাবিতে ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম গত ১৫ বছর ধরে ভারতের বিএসএফ কোর্ট থেকে শুরু করে হাইকোর্টে ধরনা দিয়ে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে এখন হতাশায় দিন পার করছেন। তার মনে একটাই শঙ্কা, চোখের সামনে নির্মমভাবে মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে, তার বিচার কি আদৌ হবে?</p>
<p style="text-align: justify;">জেলার নাগেশ্বরীর নাখারগঞ্জ ইউনিয়নের কলোনিটারী গ্রামের নূরুল ইসলাম ও জাহানারা দম্পতি অভাব অনটনের সংসারে সামান্য সুখের আশায় কাজের উদ্দেশ্যে ভারতে পাড়ি জমান ১৪ বছরের ছোট্ট মেয়ে ফেলানীকে নিয়ে। ভারতের বঙ্গাইগাঁও এলাকায় ইটভাটা ও বাসাবাড়িতে কাজ শুরু করেন। কিছুদিন কাজের পর বাংলাদেশে ফেলানীর বিয়ে ঠিক হলে বাবা নুরুল ইসলাম মেয়েকে নিয়ে দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হন। ভারতের কয়েকজন দালালের সহযোগিতায় সীমান্তের কাঁটাতার পার হয় নুরুল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">তার মেয়ে ফেলানী পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের রাইফেলের গুলিতে খুন হয় ফেলানী। নিহত ফেলানীর লাশ সাড়ে চার ঘণ্টা ঝুলে থাকে কাঁটাতারের সঙ্গে। মিডিয়ার কল্যাণে এ নির্মম দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায় সারা বিশ্ব। নাড়া দেয় বিশ্ববিবেককে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোর পাঁচটার দিকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর অনন্তপুর ও ভারতের দিনহাটা সীমান্তের খিতাবেরকুঠি এলাকার ৯৪৭ নম্বর পিলারের পাশ দিয়ে সীমান্ত পার হওয়ার সময় এ ঘটনাটি ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারে ‘জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস’ কোর্টে ফেলানী হত্যার বিচার শুরু হয়। তার বাবা নুরুল ইসলাম ও মামা হানিফ আলী বিএসএফের কোর্টে সাক্ষ্য দেন। কোর্ট ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর অমিয় ঘোষকে খালাস দেন। সেই রায় প্রত্যাখ্যান করে ফেলানীর বাবা পুনরায় বিচারের দাবি জানান। এরপর ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর আদালতে সাক্ষ্য দেন নুরুল ইসলাম। ২০১৫ সালের ২ জুলাই আবারও অমিয় ঘোষকে খালাস দেয় আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএসএফ কোর্ট অমিয়কে দুই দুইবার খালাস দেওয়ার কারণে বাবা নুরুল ইসলাম ও ভারতীয় মানবাধিকারকর্মী কিরিটি রায় ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করেন। বারবার সে রায়ের তারিখ পিছিয়ে যাওয়ায় আজ পর্যন্ত সে রিটের নিষ্পত্তি হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, ফেলানী হত্যার বিচার এখনো আটকে আছে। ১৫ বছর হয়ে গেলেও এখনো বিচার পাইনি। একজন বাবা হিসেবে এটা অনেক কষ্টের। সামনে বাংলাদেশে নতুন সরকার আসতেছে। যে দলই ক্ষমতায় আসুক যেন আমার মেয়ের হত্যার বিচার আগে করে। আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে অমিয় ঘোষের যেন ফাঁসি হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আর মামলা এগুচ্ছে না। মামলা সম্পর্কে কিছু জানতে পারছি না।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা যায়, ছয় সন্তানের মধ্যে সবার বড় ছিল ফেলানী। অভাবের সংসারে নুরুল ইসলামের আরো পাঁচ ছেলে-মেয়ে রয়েছে। মেয়ে মালেকা খাতুন লালমনিরহাট আদিতমারী কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী, ছেলে জাহান উদিন নাগেশ্বরী ডিগ্রি কলেজে পড়ালেখা করছে, মেয়ে কাজলি খাতুন এবং আরেক ছেলে আক্কাস আলী এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আরেক ছেলে আরফান আলী বিজিবিতে প্রশিক্ষণরত।</p>
<p style="text-align: justify;">সংসার চালানোর পাশাপাশি সন্তানদের পড়ালেখা করাতে হিমশিম খাচ্ছেন ফেলানীর বাবা । সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে আমার দুটা ছেলে এবং দুটা মেয়ে কলেজে পড়ালেখা করছে। আমি সংসারই চালাতে পারি না, তাদের পড়ালেখার খরচ জোগাব কীভাবে। সরকারের কাছে আমার আবেদন আমার ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা যেন করে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মেয়ের কথা মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন,</p>
<p style="text-align: justify;">ফেলানী শুধু আমার মেয়ে না, আমার মা। আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই। ফেলানী হত্যার বিচার হলে আর কোনো মায়ের বুক খালি হবে না। আর তা না হলে কাঁটাতারে ঝুলতেই থাকবে বাংলাদেশ। কথাগুলো বলতে বলতে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ভারতের কাঁটাতারে ঝুলে ছিল আমার মেয়ে ফেলানীর লাশ। শেখ হাসিনা ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন তিনিতো বিচার করেননি, এখন যে সরকারই আসুক আমার মেয়ের হত্যার বিচার যেন হয়। আমি আজ ১৫ বছর ধরে কাঁদতেছি, আর কোনো মা যেন এভাবে না কাঁদে। এই বিচার দেখে বিএসএফ ভয়ে আর গুলি করবে না এবং আর কোনো মায়ের সন্তান মারা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেলানীর মৃত্যু শুধু কুড়িগ্রাম নয় দেশের সব সীমান্ত হত্যার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানীর সেই ছবি প্রশ্ন জাগায় কবে হবে এই হত্যার বিচার? দীর্ঘ এই সময়ে বদলে গেছে অনেক কিছু, কিন্তু শেষ হয়নি বাবা-মায়ের অপেক্ষা।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2026/01/FELANI.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর বিদ্রোহ : ভারত, হাসিনা, সেলিম, তাজ, তাপস ও কর্ণেল শামস ছিল মূল কালপ্রিট</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585693/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 05:41:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=585693</guid>

					<description><![CDATA[পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সেনা হত্যাযজ্ঞের তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে ঘুরেফিরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাতিজা ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নামই বেশি এসেছে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এই স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাপসের সংশ্লিষ্টতার আদ্যোপান্ত খুঁজে বের করেছে। তদন্তের আগে গণমাধ্যমের রিপোর্টেও তাপস ছিলেন আলোচিত। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর পুরো পরিকল্পনা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সেনা হত্যাযজ্ঞের তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে ঘুরেফিরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাতিজা ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নামই বেশি এসেছে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এই স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাপসের সংশ্লিষ্টতার আদ্যোপান্ত খুঁজে বের করেছে। তদন্তের আগে গণমাধ্যমের রিপোর্টেও তাপস ছিলেন আলোচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর পুরো পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয় এবং সমন্বয়ের জন্য তাপসের অফিস ও বাসায় একাধিক বৈঠক হয়। তাপসের অফিসে এ রকম এক বৈঠকে বসেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের নিয়ে পিলখানা হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। ভারতীয় কমান্ডো ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ২৪ জন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কমিশন তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার তাপসের ফুপু। শেখ পরিবারের আরেকজন প্রভাবশালী সদস্য বর্তমানে পলাতক শেখ সেলিমও এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে তদন্ত কমিশন সাক্ষ্যপ্রমাণে নিশ্চিত হয়েছে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজও এই পরিকল্পনার কথা জানতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ভারতের সহায়তায় ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের পাতানো নির্বাচনে হাসিনা ক্ষমতায় বসেন। এরপর পরিকল্পিত উপায়ে মাত্র দুই মাসের মধ্যে দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের পর্যায়ক্রমে বিডিআরে পদায়ন করা হয়। এর আগে রৌমারী, বড়াইবাড়ী ও পদুয়া সীমান্তে বিডিআরের হাতে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ, সেনা মনোবল ভেঙে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য বিস্তারের বাসনা নিয়ে সুপরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে কমিশন মনে করে।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, পদুয়া ও রৌমারীর যুদ্ধ বিডিআরের ইতিহাসে শৌর্য, বীর্য ও বীরত্ব প্রদর্শনের অবিস্মরণীয় একটি ঘটনা। ওই খণ্ডযুদ্ধে বিএসএফের যে শোচনীয় ও লজ্জাজনক পরাজয় ঘটে, ভারত কখনোই তা মেনে নিতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানায় সংঘটিত বর্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন প্রায় ১১ মাস তদন্ত শেষে গত রোববার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। এই কমিশনের প্রধান হলেন মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্ত কমিশনের ৩৬০ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যারিস্টার তাপসের বাসায় আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের উপস্থিতিতে বিডিআর সদস্যদের একাধিক বৈঠক হয়। একটি বৈঠকে অফিসারদের জিম্মি করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়, পরে তা পরিবর্তন করে হত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ সেলিমের উপস্থিতিতে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার ২৪ জনের একটি দল বৈঠকে অংশ নেয়। সেখানে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তাপসকে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টদের নিরাপদে পালিয়ে যেতে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একাধিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, লেদার লিটন ও তোরাব আলী। এসব পরিকল্পনা সম্পর্কে ৪৪ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিও কর্নেল শামস অবগত ছিলেন এবং তাপস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সিদ্ধান্তের অনুমোদন নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সাধারণ বিডিআর সদস্যদের ডাল-ভাত কর্মসূচি নিয়ে ক্ষোভকে উসকে দিয়ে বিডিআর বিদ্রোহ সৃষ্টি করার মাধ্যমে মূল পরিকল্পনা দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা হয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিডিআরের কিছু সদস্যের সঙ্গে শেখ তাপস, শেখ সেলিমসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। বাসা, অফিস, মসজিদেও এ রকম কিছু বৈঠক হয় বলে সাক্ষ্যপ্রমাণে বেরিয়ে এসেছে। বাস্তবায়ন ও হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যে বিডিআর সদস্যদের মধ্যে বিপুল অর্থ বিতরণ করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্তে উঠে আসে, সংসদ সদস্য গোলাম রেজা ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পিলখানা এলাকায় আলাউদ্দিন নাসিম, সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাকে দেখেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সূত্র বলেছে, বিদ্রোহ শুরুর পর ক্যাপ্টেন তানভীর হায়দার নূর স্ত্রীকে পিলখানায় ভারতীয় এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড) সদস্যদের উপস্থিতির কথা জানান। তার স্ত্রী তাসনুভা মাহা জানান, তিনি বিডিআরের পোশাক পরা তিনজনকে হিন্দিতে গালাগাল করতে শোনেন। সেদিন পিলখানায় হিন্দি, পশ্চিমবঙ্গীয় টানে বাংলা এবং অচেনা ভাষায় কথোপকথন শোনার কথা একাধিক সাক্ষী জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮২৭ জন ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে ৬৫ জনের বহির্গমনের তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সময়ে ১ হাজার ২২১ জনের বহির্গমনের তথ্য থাকলেও ৫৭ জনের আগমনের কোনো রেকর্ড ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। বিষয়টি আরো তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে কমিশন প্রতিবেদনে সুপারিশ করেছে। বিদেশি ভাষা শোনা, বহিরাগতদের পলায়ন, কল তালিকায় বিদেশি নম্বর, ক্যাপ্টেন তানভীরের শেষ কথোপকথনসহ বিভিন্ন তথ্যকে কমিশন প্রতিবেদনে ভারতের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনের ৭২ নম্বর অনুচ্ছেদের বিদেশি সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে ভারতের সংশ্লিষ্টতা এবং এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কারা-কীভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন, তার বিস্তারিত উঠে আসে।</p>
<p style="text-align: justify;">ক. ২০০৮ সালের জুন মাসে, আনুমানিক ১ থেকে ৬ বা ৮ তারিখের মধ্যে, মেজর নাসির নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার বরিশালে ডিজিএফআইয়ের লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুস সালামের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুস সালামের সঙ্গে দেখা করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এরই ধারাবাহিকতায় মেজর নাসির লে. কর্নেল সালামের সঙ্গে দেখা করেন এবং দুটি বই উপহার দিয়ে নিম্নলিখিত তথ্য দিয়েছিলেন—</p>
<p style="text-align: justify;">“মেজর নাসির জানান, তিনি সম্প্রতি বিদেশ থেকে ফিরেছেন। একই এয়ারক্রাফটে তিনি আওয়ামী লীগের কিছু শীর্ষ নেতাকে দেখেছেন, যারা ভারতের বারাসাতে ‘র’-এর সঙ্গে বৈঠক করে ফিরছিলেন। সেখানে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহসহ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র পরিকল্পনা করেছে। তাদের বক্তব্য ছিল, আগামী ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে সেনাবাহিনী যেন নৈতিকভাবে দাঁড়াতে না পারে, সেভাবে আঘাত হানার পরিকল্পনা তারা করছে।” লে. কর্নেল সালাম সঙ্গে সঙ্গে ডিজিএফআইয়ের ডিরেক্টর সিআইবি ব্রিগেডিয়ার বারীকে বিষয়টি অবহিত করেছিলেন; কিন্তু তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো লে. কর্নেল সালামকে তিরস্কার করেছিলেন। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৫৭)</p>
<p style="text-align: justify;">খ. ২০০৮ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি মেজর (অব.) নাসির উদ্দিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি কলকাতা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং ইন্ডিয়ান হাইকমিশনে টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করেন। প্রথমবার সেখানে গেলে মেজর নাসিরকে তার ভিসার জন্য ডিফেন্স উইংয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরের দিন মেজর নাসির হাইকমিশনে আবার যান, রিসিপশনে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করেন। তারপর তাকে বলা হয়, আগে নিরাজ শ্রীবাস্তবের সঙ্গে দেখা করতে হবে। প্রথম সাক্ষাৎটি ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। দিল্লি থেকে আসা তরুণ কর্মকর্তা মেজর নাসিরকে বিস্কুট ও কফি অফার করেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অর্ধঘণ্টা আলোচনা করেন এবং মেজর নাসিরকে পরের দিন আসতে বলেন। দ্বিতীয় দিন তিনি কিছুটা গম্ভীর হয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আবেগপ্রবণ এবং পাকিস্তানের দর্শন অনুসরণ করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আর্মি, নেভি ও এয়ার ফোর্সের ডকট্রিন পাকিস্তানের সঙ্গে একই। এরপর তিনি মেজর নাসিরকে পদুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। মেজর নাসির বলেন, তিনি আমেরিকায় অবস্থান করার কারণে কিছু জানেন না। নিরাজ শ্রীবাস্তব বলেন, Padua-তে বিডিআর ১৬-১৭ জন বিএসএফ সদস্যকে হত্যা করেছে। এটি ছিল একটি গুরুতর উসকানিমূলক ঘটনা। তিনি বলেন, ‘Padua will not go unchallenged and unpunished.’ ২০০৮ সালে আরেকবার এক উচ্চপদস্থ ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে মেজর নাসিরের দেখা হয়। তিনি মাসটি স্মরণ করতে পারেননি, তবে ঘটনাগুলো সবই ২০০৮ সালের মধ্যে হয়েছিল। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৯৫) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জানা যায়, Mr. Niraj Srivastava ২০০৬ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনে Minister পদবিতে নিয়োজিত ছিলেন। (সূত্র : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পত্র নম্বর : ১৯.০০.০০০০.৭৩০.২৮.৩৭.২৫-২৩১৯, তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫, সংযোজনী : ৫৩)</p>
<p style="text-align: justify;">গ. ঘটনা-পূর্ব ষড়যন্ত্রে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ এবং শেখ সেলিমের উপস্থিতিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর ২৪ জনের একটি কিলার গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক হয়। নায়েক শহীদুর রহমান তার ঘনিষ্ঠ তোরাব আলীর (অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রকারী, পরে জেলখানায় মৃত) বরাতে বলেন, ‘ভারতীয়দের সঙ্গে বৈঠকের পরে পুরো পরিকল্পনা সাজানো হয় এবং সমন্বয় করার জন্য শেখ ফজলে নূর তাপসের বাসায় বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিল নানক, মির্জা আজম, ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, লেদার লিটন এবং তোরাব আলী। সেখানে যখন জানানো হয় যে অফিসারদের হত্যা করা হবে, তখন তোরাব আলী সেখানে আপত্তি করেন। তিনি বলেন, অফিসারদের হত্যা করা যাবে না। তখন শেখ সেলিম তাকে মুরব্বি সম্বোধন করে বলেন, ‘আপনার তো বয়স হয়েছে। আপনার আর এর মধ্যে থাকার দরকার নেই। আপনার ছেলে (লেদার লিটন) আমাদের সঙ্গে থাকলেই হবে।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ৩০)</p>
<p style="text-align: justify;">ঘ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সকাল পৌনে ১০টা থেকে ১০টায় পিলখানা এলাকায় সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম কিছু ‘র’-এর সদস্যের উপস্থিতি দেখা যায়। এই ‘র’-এর সদস্যরা সাক্ষী এমপি গোলাম রেজার রাজনৈতিক যোগাযোগের কারণে তার পূর্বপরিচিত ছিলেন। সাবেক এমপি গোলাম রেজা তার সাক্ষ্যে বলেন, ‘এরপর আমি দ্রুত নর্দান মেডিকেল কলেজের দিকে যাই। সেখানে আলাউদ্দিন নাসিম, সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম এবং ‘র’-এর চার-পাঁচজনকে দেখলাম, যাদের আমি আগে থেকেই চিনতাম।’ (সূত্র : রাজনৈতিক সাক্ষী নম্বর : ০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ঙ. ক্যাপ্টেন তানভীর হায়দার নূরের স্ত্রী তাসনুভা মাহা ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর ক্যাপ্টেন তানভীরের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় ক্যাপ্টেন তানভীর তাকে পিলখানার ভেতরে ভারতীয় সংস্থা National Security Guard (NSG) of India-এর নাম বলেন। বেগম তাসনুভার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘২৫ তারিখ তানভীরের সঙ্গে যখন আমার শেষ কথা হচ্ছে, তখন আমি ছিলাম খাটের নিচে। বাচ্চাদের নিয়ে তখন আমি লুকিয়ে ছিলাম, সেখান থেকে আমি আবার ওয়ারড্রবের মধ্যে লুকাই, কারণ বুঝতে পারছিলাম পাশেই কোথাও বিডিআর সদস্যরা ঘোরাফেরা করছেন। তানভীরের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে তানভীর আমাকে বলেন, লীগের নেতারা অন্য পোশাকে এসেছেন। ওর মুখে আমি এনএসজি নিয়ে কিছু কথা শুনেছি। কিন্তু আমি বুঝতে পারছিলাম না যে এনএসজি কী ও আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন। আমি দুবার তাকে জিজ্ঞেস করেছি, এনএসজি কী? তখন একপর্যায়ে তিনি বেশ বিরক্ত হয়ে বলেন, Indians! Indians’.</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া বেগম তাসনুভা মাহা বলেন, তিনি চুল বড় তিনজনকে বিডিআরের টি-শার্ট ও স্যান্ডেল পরা অবস্থায় দেখেছেন, যারা তাকে হিন্দিতে গালাগাল করেছে এবং তার সন্তানদের ‘পাকিস্তানি লাডলা’ বলেছে। (সূত্র : শহীদ পরিবার সাক্ষী নম্বর : ১২)</p>
<p style="text-align: justify;">চ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ পিলখানার ভেতরে বিভিন্ন সময় হিন্দিতে, পশ্চিমবঙ্গের উচ্চারণে বাংলা ভাষায়, বাংলা নয় এমন ভাষা এবং ইংরেজিতে কথা বলতে শোনা গেছে। নায়েক শহীদুর, সিপাহি সেলিম, পিলখানা কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মরহুম সিদ্দিকুর রহমান, সিপাহি শাহাদাত, সাক্ষী তাসনুভা মাহা (শহীদ ক্যাপ্টেন তানভীরের স্ত্রী) সিপাহি আব্দুল মতিন স্বচক্ষে হিন্দি ভাষী এবং বাংলা নয় এমন ভাষাভাষী বহিরাগত ব্যক্তিদের বিডিআরের ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় ২৫ তারিখ হত্যাকাণ্ড চলাকালীন সময়ে এবং তার অব্যবহিত পরে পিলখানার অভ্যন্তরে দেখেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">১. নায়েক শহীদুরের ভাষ্যমতে, “তখন সকাল প্রায় ১০.১৫ থেকে ১০.৩০-এর মতো বাজে। দেখি তিন নম্বর গেটের দিকে ৫-৬ জন ব্যক্তি বিডিআর সৈনিকের পোশাক পরা লোক দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে বলল—‘ইধার আও’। তাদের বলার ভাষাটা ছিল কমান্ড ভয়েসের মতো। আমি হতচকিত হয়ে যাই। আমি তাদের গালি দিয়ে বলি, ‘একটা গন্ডগোল হইসে, আর তোরা ভাষাও বদলায় ফেলসিস। আমার র‍্যাংক চোখে পড়ে না তোদের!’ তখন তারা নিজেরা কিছু কথা বলাবলি করছিল এবং সেগুলো হিন্দি ভাষাতেই বলাবলি করছিল। এদের মধ্যে অন্তত একজন বাঙালি ছিল। আমি বলতে শুনি, একজন আমাকে দেখিয়ে বলল, ‘হি ইজ এ ভেরি ক্লেভার ম্যান।” (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ৩০)</p>
<p style="text-align: justify;">২. সিপাহি সেলিম বলেন, ‘আমি গুলি করলেও সেগুলো তাদের গায়ে লাগেনি। এরপর আমি গড়িয়ে গড়িয়ে পাশের দরজা দিয়ে বেরিয়ে রাস্তায় যাই এবং সেখানে সেই অস্ত্রধারীদের দেখতে পাই। সেখানে দেখি যে তাদের মুখ বাঁধা থাকলেও তাদের চুল সিভিলিয়ানদের মতো লম্বা, বিডিআর কাটিং না এবং তারা হিন্দিতে কথা বলছে। সেখানে প্রায় এ রকম ৮-১০ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি ছিল।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ২০)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী পিলখানা মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী কামরুন নাহার শিরিন তার স্বামীর বরাতে বলেন, ‘আমাকে আমার স্বামী বলেছেন, এ রকম সময় উত্তরদিক থেকে একটি গাড়ি (পিকআপ) এসে দরবারের পশ্চিম গেটে দাঁড়িয়েছে। ওই গাড়ি থেকে প্রচুর সৈনিক অস্ত্রসহ নামে। এই সৈনিকদের হিন্দিতে এবং ইংলিশে কথা বলতে আমার স্বামী শুনেছেন। তারা অন্য সৈনিকদের গুলি করার জন্য কমান্ড করছিল। হিন্দি এবং ইংলিশে ওই সৈনিকরা কী কী বলেছে, সেটাও তিনি আমাকে বলেছিলেন কিন্তু এখন আমার মনে নেই।’ (সূত্র : বিডিআর সাক্ষী নম্বর : ০৩)</p>
<p style="text-align: justify;">৪. সিপাহি শাহাদাতের দেওয়া তথ্যমতে, ‘২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০.৩০ থেকে ১১.৩০-এর মধ্যে আমি তিনজন ব্যক্তিকে ওই পথ ধরে দেয়াল টপকে পিলখানার বাইরে চলে যেতে দেখি। এদের পরনে বিডিআরের পোশাক পরিহিত থাকলেও, পায়ে বুট জুতা ছিল না। প্যারেড এবং বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে আমাদের সবার চুল জিরো সাইজ করা থাকলেও এদের চুল সিভিলিয়ানদের মতো ছিল। তবে এদের মুখ বাঁধা ছিল। যেটি আমার আরো দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তা হলো, তারা এমন একটি ভাষায় কথা বলছিল, যেটি মাঝে মাঝে আমার হিন্দি মনে হয়েছে, আবার মনে হয়েছে ঠিক হিন্দিও না। সেটি যে বাংলা ভাষা না, আমি নিশ্চিত। হিন্দি ভাষা আমি বলতে না পারলেও বুঝতে পারি। তারা একটি অদ্ভুত ভাষায় কথা বলতে বলতে চলে গেল। মনে হচ্ছিল হিন্দি আবার হিন্দিও না, এমন ভাষাতেও তারা কথা বলেছে।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ২১)</p>
<p style="text-align: justify;">৫. সিপাহি আব্দুল মতিন বলেন, “মিছিলটি ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান করে এবং আনুমানিক ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো লোকসংখ্যা ছিল। মিছিলের সঙ্গে মিশে দুজন ব্যক্তি উচ্চ স্বরে ‘জয় হিন্দ’ বলছিলেন। ওই দুজনের গায়ে বিডিআর পোশাক ছিল এবং তাদের হাতে এসএমজি অস্ত্র লক্ষ করলাম। তাদের পোশাক কেমোফ্লেজ গেজি ছিল এবং তাদের চেহারা ও ভাষা থেকে আমি বুঝলাম তারা স্থানীয় নয়, কারণ তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলছিল।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ২৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ছ. লে. কর্নেল তাসনিম, মেজর মুনির, সিপাহি আইয়ুব হিন্দি ভাষা, পশ্চিমবঙ্গের টানে বাংলা ভাষা এবং বাংলা বা হিন্দি নয় অপরিচিত ভাষার কথোপকথন শুনেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">১. লে. কর্নেল তাসনিম বলেন, “পরে রাত সাড়ে ৭টায় একটি পিকআপে দন্ডায়মান দুজন লোক সিগন্যাল সেক্টর অফিসের সামনে মেগাফোনে সৈনিকদের উদ্বুদ্ধ করতে লাগল। তাদের চুল কাঁধ পর্যন্ত লম্বা, ভাষা পশ্চিমবঙ্গের মতো। তারা বলছিল, ‘আর্মির বিরুদ্ধে লড়বো, ঐক্যবদ্ধ থাকো’। উল্লেখ্য, বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে শতভাগ বিডিআর সদস্যের চুল কাটা নিশ্চিত করা হয়েছিল।” (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৫৪)</p>
<p style="text-align: justify;">২. মেজর সৈয়দ মনিরুল আলম বলেন, ‘রাতে দরবার হলের ফলস সিলিংয়ে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় আমি নিজ কানে এমন ভাষা শুনেছি, যা বাংলা, হিন্দি বা চায়নিজ ছিল না, সম্ভবত চাকমা, তবে আমি নিশ্চিত না। এটা সাব-কন্টিনেন্টেরও কোনো ভাষা হতে পারে।’ (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৯২)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. সিপাহি আইয়ুব বলেন, ‘আমি স্মল আর্মস কোয়ালিফাইড, অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে আমার খুব ভালো ধারণা ছিল। তাই তৎক্ষণাৎ আমি ওদের অস্ত্র দেখেই বুঝতে পেরেছি যে এখানে বহিরাগত লোকজনও আছে। প্রচণ্ড গোলাগুলি করতে করতে দরবার হল ঘিরে ফেলেছিল। আমি দূর থেকে তাদের কিছু কথাও শুনেছিলাম। সেগুলো বাংলা ছিল কিন্তু আমার মনে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দিকের বাংলা টানে তারা কথা বলছিল।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ১৭)</p>
<p style="text-align: justify;">জ. ক্যাপ্টেন শাহনাজ ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে Search and Rescue Operation-এ অংশগ্রহণ করতে গিয়ে পিলখানা দরবার হলের কাঠে একটি ব্যবহার করা সাবমেশিন গানে (এসএমজি) নজলের সঙ্গে গেরিলা বাহিনীর স্টাইলে বাঁধা একটি বিদেশি স্লিং দেখেন। স্লিংটি ছিল সেনাবাহিনীর মতো জলপাই রঙের এবং তার ওপর Dark Olive রঙের বড় ইংরেজি হরফে ‘TIGER’ লেখা। তার জানা মতে, এ ধরনের স্লিং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অথবা বিডিআর ব্যবহার করে না। গঠন, স্লিংয়ের পুরুত্ব এবং স্লিংটি বাঁধার কৌশল দেখে তার কাছে মনে হয়েছিল এটি অন্য কোনো বিদেশি উৎসের হতে পারে। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ১০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ঝ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে গোলাম রেজা (প্রাক্তন এমপি) পিলখানার ভেতরে ও বাইরে কিছু লোককে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখেন কিছু মানুষ ছোট ছোট টিনের ঘরে লাইফ জ্যাকেটগুলো খুলে রেখে পালিয়ে যাচ্ছিল। তাদের দেখে এমপি গোলাম রেজার মনে হয়েছিল, তারা দেশের কেউ নয়। (সূত্র : রাজনৈতিক সাক্ষী নম্বর : ০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ঞ. তোরাব আলীর মোবাইল ফোনে ভারত এবং সিঙ্গাপুরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনে ওই টেলিফোনের গ্রাহকদের পরিচয় জানার জন্য চিঠি লেখা হয়েছিল কিন্তু উত্তর পাওয়া যায়নি। (প্রাপ্ত সিডিআর মোবাইল রিপোর্ট দ্রষ্টব্য) মোবাইল ফোন ব্যবহাকারী সম্পর্কে ডিজিএফআই থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে অর্থবহ কোনো কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। (সূত্র : সংযোজনী : ৫৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ট. বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে বিএসএফের যোগাযোগ হয়েছে এবং সেনাবাহিনী আক্রমণ শুরু করলে বিএসএফের সহায়তায় ভারতে চলে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল। (সূত্র : সেনা তদন্ত প্রতিবেদন, পৃষ্ঠা নম্বর : ৭৬৯)</p>
<p style="text-align: justify;">ঠ. ভারত বাংলাদেশে সামরিক অভিযান চালাবে বলে এসআইঅ্যান্ডটির শিক্ষার্থীদের মেজর জেনারেল তারেক এবং লে. জেনারেল মামুন খালেদ কর্তৃক হুমকি দেওয়া হয়েছিল। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৪৭)</p>
<p style="text-align: justify;">ড. তৎকালীন সিজিএস লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিনা ইবনে জামালী ১১ ডিভিশনের জিওসির কাছ থেকে এই মর্মে একটি তথ্য পান, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ করছে। তারা একটি প্যারাট্রুপার বাহিনীও প্রস্তুত রেখেছে এই জন্য যে, আমাদের সেনাবাহিনী যদি অভিযান পরিচালনা করে, তাহলে তারা শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৫) মেজর জেনারেল মুহম্মদ ফেরদৌস মিয়া, জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশনের ভাষ্যমতে সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সেনা সমাবেশের তথ্যে এফআইইউ সম্ভবত এনএসআই এবং ডিজিএফআই কাছ থেকে শুনেছিল। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সৈন্য সমাবেশের তথ্য তিনি যদি শুনে থাকেন, তবে অবশ্যই তিনি সেটা সেনা সদরে জানিয়েছিলেন। তবে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ১৩)</p>
<p style="text-align: justify;">ঢ. তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মঈন উ আহমেদের ভাষ্যমতে, ‘আমি ‘ওড়া’ ‘ওড়া’ খবর পাচ্ছিলাম যে if anything goes wrong, এ রকমটি হতে পারে (সশস্ত্র বাহিনী সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে ভারত বাংলাদেশে সামরিক অভিযান চালাবে)। যদি তারা (ভারতীয় বাহিনী) আসত, তাহলে ১৯৭১-এর পর যেমন ফেরত চলে গিয়েছিল, এবার এলে আর ফিরে যেত না। এবার ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালালে Things would have been different। গবেষক অভিনাষ পালিওয়াল ও তার প্রবন্ধে এটাই বলেছেন। এটা আমাদের জন্য would have been very very bad। তিনি দুটো আর্টিকেল লিখেছেন এ বিষয়ে, দুটোই আমার কাছে আছে।’ (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ণ. যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের বিখ্যাত স্কুল অব আফ্রিকান অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের (এসওএএস) শিক্ষক অভিনাষ পালিওয়াল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস কর্তৃক ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘India’s Near East : A New History’ গ্রন্থের ২৮৬ নম্বর পৃষ্ঠায় লিখেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">The recently elected prime minister Hasina, who also held the defence portfolio, felt threatened and couldn’t count on the army’s support. ‘She asked India for help … and that’s why we were there’, awaiting orders and ‘preparing for all eventualities when we touch down in Dhaka’, remembers Sandhu.</p>
<p style="text-align: justify;">“Shortly after the killings began, Hasina called her closest ally in New Delhi, top Congress leader and recently appointed finance minister Pranab Mukherjee. Upon hearing what was going on, Mukherjee promised ‘to be responsive’. The ‘SOS’ from Dhaka triggered the mobilisation of paratroopers, and prompted foreign secretary Shivshankar Menon to urgently engage with American, British, Japanese, and Chinese envoys to lobby support for Hasina.”</p>
<p style="text-align: justify;">“Apart from Kalaikunda, paratroopers were mobilised in Jorhat and Agartala. If the order came, Indian troops would enter Bangladesh from all three sides. The aim was to secure the Zia International Airport (renamed Hazrat Shahjalal International Airport) and the Tejgaon airport. Subsequently, the paratroopers would wrest control of Ganabhaban, prime minister’s residence, and evacuate Hasina to safety. The Brigade commander overseeing the operation began distributing ‘first line’ ammunition meant for use during active combat.”</p>
<p style="text-align: justify;">ত. অভিনাষ পালিওয়াল বাংলাদেশে নিযুক্ত তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর উদ্ধৃতি দিয়ে একই পৃষ্ঠায় লিখেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">“Pinak Ranjan Chakravarty, India’s high commissioner to Dhaka (2007-10) who has family origins in Bangladesh and called Hasina ‘Aapa’ (elder sister) out of respect, says that ‘we did put some forces on alert, and conveyed to Hasina that we’re worried about her safety.”</p>
<p style="text-align: justify;">থ. বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মঈন উ আহমেদ জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সম্মুখে তার প্রদত্ত সাক্ষ্যে অভিনাষ পালিওয়ালের ওপরে বর্ণিত উদ্ধৃতিগুলো দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছেন এবং এই উক্তিগুলো রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দ. অভিনাষ পালিওয়াল একই গ্রন্থের ২৮৭ পৃষ্ঠায় বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন, ‘I was told by those who were closer to power that Gen. Moeen was asked not to use force otherwise Indian paratroopers will drop in Dhaka within one hour’, says Touhid Hussain, then Bangladesh’s foreign secretary.</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন কর্তৃক প্রেরিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন নিম্নে উল্লিখিত উত্তর প্রদান করেন, the sentence that is quoted in Paliwal’s book is correct. While the BDR killing took place, I was attending a SAARC meeting in Colombo. Few months later, when I was already shunted out to Foreign Service Academy, I asked casually someone close to power, why the army chief did not take steps to save his officers. He said what I told Paliwal.</p>
<p style="text-align: justify;">ধ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে পিলখানায় বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পরপরই শেখ হাসিনা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জিকে ফোন করেন এবং তার সরকারের কাছে আন্তর্জাতিক সহায়তা চান। শেখ হাসিনাকে প্রণব মুখার্জি আশ্বাস দেন যে তাকে (শেখ হাসিনাকে) সব ধরনের সহায়তা করা হবে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শিবশংকর মেনন শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য যুক্তরাজ্য, চীন এবং জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। (সূত্র : দ্য হিন্দু (ভারতীয়), ২২ নভেম্বর ২০২১ এবং আমার দেশ, ২৮ মার্চ ২০১১, সংযোজনী : ৫৫)</p>
<p style="text-align: justify;">ন. বাংলাদেশ পুলিশ ইমিগ্রেশন প্রশাসন শাখার তথ্য অনুযায়ী ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং বিদেশি পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশ আগমন এবং বহির্গমনের তথ্য নিম্নরূপ—</p>
<p style="text-align: justify;">১. ২৪-২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং বিদেশি পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশ আগমন : ৮২৭ জন আগমন করেছে, তার মধ্যে ৬৫ জনের বহির্গমনের তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">২. ২৪-২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং বিদেশি পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশ থেকে বহির্গমন : ১২২১ জন বহির্গমন করেছে, তার মধ্যে ৫৭ জনের আগমনের তথ্য পাওয়া যায়নি। (সূত্র : বাংলাদেশ পুলিশ ইমিগ্রেশন প্রশাসন শাখা স্পেশাল ব্রাঞ্চ স্মারক নম্বর : ৪৪.০১.০০০০.০৮৬.০০৪.২৫/১৩১১, তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, সংযোজনী : ৫৬)</p>
<p style="text-align: justify;">প. সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় বিডিআরকে পুনর্গঠন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীতে যাতে আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলা যায়, সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিডিআরকে পুনর্গঠন করে তাদের প্রশিক্ষণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রতিবেশী দেশগুলোর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশের সহায়তা নিতে কোনো সমস্যা নেই।’ (সূত্র : দৈনিক যুগান্তর ৬ মে ২০০৯ এবং bdnews24.com uploaded on 5 May 2009)</p>
<p style="text-align: justify;">ফ. ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা-১১টার দিকে পিলখানার গেট খুলে যায় এবং ভেতর থেকে কয়েকটা মাইক্রোবাস বেরিয়ে আম্বালা পার হয়ে চলে যায়। লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ (অব.) ভেবেছিলেন তার আটকে পড়া ফ্যামিলি ওই মাইক্রোবাসে চলে যাচ্ছে। দ্বিতীয় মাইক্রোবাসটি বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ মাইক্রোবাসের দরজা ধরে হ্যাঁচকা টান দিয়ে খুলে ফেলেন এবং মাইক্রোবাসটির ভেতরে আলো জ্বলে ওঠে। ভেতরে ছয়-সাতজন লোককে দেখতে পান তিনি। তাদের মাথা ওড়না বা চাদর দিয়ে মোড়ানো ছিল। লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ তার স্ত্রী এবং বাচ্চার নাম ধরে ডাকাডাকি করতে থাকেন এবং মাইক্রোর ভেতরের পেছনের প্রথম সিটে ট্র্যাক স্যুট পরা জলপাই বা ধূসর কালারের গেঞ্জি গায়ে একজন মোটা গোঁফের লোককে বসা অবস্থায় দেখেন। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই লোক লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করলেন ‘হু’? আবার জিজ্ঞেস করেন, ‘হু’? এরপর জিজ্ঞেস করেন ‘হু আর ইউ’? এরপর তিনবার চিৎকার করে বলেন, ‘ক্লোজ’ ‘ক্লোজ’ ‘ক্লোজ’। মুখ ঢাকা অবস্থায়ও লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ দুজনকে দেখে বুঝতে পারেন তারা পুরুষ লোক এবং বেশ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং তার মনে হয়েছিল তিনি কোনো মিলিটারি পারসন। মাইক্রোবাসের গ্লাস কালো ছিল। লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ সেকেন্ড বা থার্ড মাইক্রোবাসটাকে ধরেছিলেন। তার আগে আরো একটা বা দুটি মাইক্রোবাস চলে গেছে। গাড়িগুলো ১০টা বা সাড়ে ১০টা বা ১১টার দিকে বের হয়েছে। গাড়ির লোকজনকে অন্তত বাংলাদেশি লোক বলে লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজের মনে হয়নি।’ (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;">ব. ১৬ মার্চ ২০০৯-এ India Today-তে প্রকাশিত ‘More than a Mutiny’ নামক এক প্রবন্ধে সৌরভ শুকলা লেখেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ভারত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে। ত্রিপুরায় একটি সম্মুখবর্তী বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে দুটি এবং কলকাতায় একটি কমান্ডো প্লাটুন, সে জন্য প্রস্তুত রাখা হয়। (সূত্র : সংযোজনী : ৫৭)</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/BDR-Killing.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্তে যা আছে?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585682/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 10:48:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=585682</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত বের করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে এ বিষয়ে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। এর আগে কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত বের করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে এ বিষয়ে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। এর আগে কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়।</p>
<ul>
<li><span style="color: #ff0000;">সেনা অভিযান হলে ভারতের হামলার হুমকি ছিলো : জেনারেল মঈনের সাক্ষ্য</span></li>
<li><span style="color: #800000;">ভারত, আ.লীগ ও হাসিনা জড়িত</span></li>
<li><span style="color: #ff0000;">তাপস মূল সমন্বয়কারী</span></li>
<li><span style="color: #800000;">বিডিআর হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে জে. তারেক সিদ্দিকের নেতৃত্বে প্যারালাল সেনা কমান্ড</span></li>
</ul>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে আ ল ম ফজলুর রহমান বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত কেন বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছিল? কারা জড়িত? কারা এটা ঘটাচ্ছে? এর স্বরূপ কী? প্রকৃতি কী? কেন এটা হলো? কারা দায়ী? কীভাবে এটা প্রিভেন্ট করা যেত? যেত কী যেত না? কেন সেনাবাহিনী সামরিক পদক্ষেপ নিল না? কেন পলিটিক্যাল ডিসিশন হলো? এবং কীভাবে ষড়যন্ত্র দানা বেঁধেছিল? কারা এর সঙ্গে জড়িত? সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ- আমরা তাদের আদ্যোপান্ত বের করতে সক্ষম হয়েছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">ফজলুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা জানি কেন এই বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আমি যে আমরা আজকে যে তদন্ত রিপোর্ট আমরা তদন্ত রিপোর্ট সাবমিট করলাম। এখানে আমরা সিকিউরিটি ক্লাসিফিকেশন আনক্লাস করছি। মানে এটা কোনো সিকিউরিটি ক্লাসিফিকেশন আমরা দেইনি। তিনি বলেন, ‘সেখানে মিডিয়া, সেনাবাহিনী, অন্যান্য বাহিনী, প্রশাসন, পুলিশের কী রোল ছিল- এগুলো সব আমরা এখানে তুলে ধরেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদন তৈরির পুরো প্রক্রিয়া তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমরা মোট সাক্ষী গ্রহণ করছি ২৪৭ জনের, শহীদ পরিবারের সদস্যের জবানবন্দি নিয়েছি ১৪ জন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ১০ জন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা দুজন, সামরিক কর্মকর্তা ১৩০ জন, অসামরিক কর্মকর্তা চারজন, পুলিশ কর্মকর্তা ২২ জন, বেসামরিক ব্যক্তি নয়জন, সাবেক ও বর্তমান বিডিআর ও বিজিবির সদস্য ২২ জন, কারাগারে আটক ২৬ জন, জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী একজন, সাংবাদিক তিনজন।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্ত কমিশনের প্রধান বলেন, প্রতিবেদন তৈরির জন্য ভিডিও রেকর্ডিং ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের রিভিউ ও অডিও ট্রান্সক্রিবশনে ৬০০ ঘণ্টা আমরা ব্যয় করেছি। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্থিরচিত্র বা ছবি প্রায় ৮০০, খবরের কাগজে প্রচারিত সংবাদ ২১৫, পত্রালাপের সংখ্যা ৯০৫টি প্রতি মাসে ৮৯টি করে আমরা পত্র লিখেছি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে। মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের পত্রালাপ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই, এনএসআই ও আর্মির সহযোগিতা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আমি আবারও আমার কমিশনের প্রত্যেকটি সদস্যকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই যে, তারা নিজেরা স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে কারো আদেশের অপেক্ষা না করে এই কাজ সম্পন্ন করেছেন। আমরা শত শত চিঠি লিখেছি প্রায় বত্রিশ থেকে ছত্রিশটা সংগঠনের কাছে বিভিন্ন তথ্যের জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘একটা উদাহরণ আমি দিই যে, একজন লোকের কাছে দেখা গেল যে, সিঙ্গাপুর থেকে এবং ভারত থেকে থেকে টেলিফোন এসেছে। ওটা চেক করার জন্য আমরা টেলিফোন কোম্পানিকে লিখছি- তারা এক মাস পরে, দুই মাস পরে আমাদের জানাচ্ছে, যে আমাদের কাছে তথ্য আছে। তখন আমরা বললাম- ওই লোকগুলো যারা ওই সময় ছিল তারা কোথায়? আবার এক মাস পরে তারা আমাদের কাছে চিঠি লিখে জানাচ্ছে- তারা পাঁচ বছর, কেউ বলছে দশ বছর হয় চলে গেছে। তাদের খুঁজে বের করে আমরা নিয়ে এসেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদন তৈরিতে বিলম্বের অভিযোগ আনা ব্যক্তিদের উদ্দেশে কমিশন বলেছে, ‘এই রকম একটা পরিস্থিতিতে আপনাদের অনেকেরই মনে হতে পারে এটা- এগারো মাস সময় আমাদের কেন লাগল। তবে এটা এগারো মাস কেনো? আরো এগারো মাস দিলেও এর সময়ে কম হবে। তবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি আমি। আমার কমিশন সদস্য যারা আছেন, তারা সবাই নিজেরা চেষ্টা করেছেন এবং তাদের কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার ফলে এবং আমাকে তাদের সঙ্গে কাজ করার যে সুযোগ হয়েছে তার জন্য আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘সবাই আমরা একমত হয়েছি এই কমিশনের সমস্ত কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে এবং সবাই আমরা স্বাক্ষর করেছি চূড়ান্ত প্রতিবেদন এবং আজকে সেটা আমরা জাতির কাছে অর্পণ করলাম।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/BDR_Hasina.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে বাংলাদেশে , দিল্লির কৌশলও তত বদলাচ্ছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/332177/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 04:13:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=332177</guid>

					<description><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গতবছরে ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর দেশটি এক নতুন ঐতিহাসিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। গত বছর সরকার অপসারণের পর হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান করছেন। সম্প্রসারিত আইসিটি আইনের আওতায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গতবছরে ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর দেশটি এক নতুন ঐতিহাসিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। গত বছর সরকার অপসারণের পর হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান করছেন। সম্প্রসারিত আইসিটি আইনের আওতায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এই রায়কে কেন্দ্র করে দেশে-বিদেশে ব্যাপক রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি কীভাবে বাংলাদেশের আগামী পথকে প্রভাবিত করতে পারে- তা ব্যাখ্যা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই রায় একদিকে আন্দোলনে নিহতদের জন্য স্বীকৃতি ও জবাবদিহির প্রতীক, অন্যদিকে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন, নির্বাচনপূর্ব উত্তেজনা এবং ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। দেশটি কোন পথে যাত্রা করবে- তা নির্ধারণ করবে আগামী মাসগুলো, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের সাউথ এশিয়া সেন্টারের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো এবং ওয়েসলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নমেন্ট বিভাগের ভিজিটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর রুদাবেহ শাহিদ মনে করেন, এই রায় দেশের দীর্ঘ ও অস্থির রাজনৈতিক যাত্রাপথে এক নির্ধারক মোড় নির্দেশ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদিও রায়টি সরাসরি হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র দমনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে, কিন্তু জনমতকে বোঝা যাবে না যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অতীত ভূমিকা ও বিতর্কিত ধারণার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় না নেয়া হয়। পূর্ববর্তী সরকার আমলে জামায়াতে ইসলামী নেতাদের বিচারের সময় যে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছিল- তা আজকের রায়কে জনসংগঠনগুলো কীভাবে দেখছে, তাতে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শাহিদ এক শক্তিশালী প্রজন্মগত বৈপরীত্য তুলে ধরেন। এক দশক আগে শাহবাগে তরুণ মিলেনিয়ালরা যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দাবিতে লাখো মানুষকে আন্দোলনে যুক্ত করেছিলেন। আজ, নতুন প্রজন্ম জেনারেশন জেড অন্য এক মুহূর্তের মুখোমুখি- এরা হাসিনার রায়কে স্বাগত জানাচ্ছেন তাদের সেই সহপাঠী ও বন্ধুদের স্মরণ করে, যারা জুলাই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন। তবে এদের বড় অংশ মৃত্যুদণ্ড সমর্থন করে বলে নয়- বরং তারা বহুদিনের দায়বদ্ধতার দাবি পূরণ হয়েছে বলে মনে করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, হাসিনাকে ভারতে প্রত্যর্পণ করার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। কারণ দিল্লি ইতিমধ্যেই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে দুই পরিবারের রাজনৈতিক সখ্য ভারতকে এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক করে তুলেছে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গন একপাক্ষিক হয়ে পড়তে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে আরও মেরুকরণ সৃষ্টি করতে পারে। শাহিদের মতে, রায়টি বাংলাদেশের মানুষকে দুটি বিস্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাগ করে দিয়েছে। এক পক্ষ মনে করে এটি দীর্ঘদিনের জবাবদিহির স্বীকৃতি, আর অন্য পক্ষ পুনর্মিলনের পথে বাধা দেখছে। কোন দৃষ্টিভঙ্গি শেষ পর্যন্ত দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।</p>
<p style="text-align: justify;">দক্ষিণ এশিয়া বিশ্লেষক এবং ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনের সাউথ এশিয়া ব্রীফ-এর লেখক মাইকেল কুগেলম্যান রায়টির প্রভাব মূলত ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেন। তার মতে, হাসিনার ভারতে অবস্থান দিল্লিকে এক অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে। একদিকে হাসিনা ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র এবং ভারতীয় শাসক দল থেকে বিরোধী দল পর্যন্ত বহু নেতার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। কারণ বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো স্বার্থগুলো ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: justify;">কুগেলম্যান মনে করেন, ভারত হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করবে না, তবে তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতেই রাখা ভারত-বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তার মতে, দিল্লির সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প হলো হাসিনাকে কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা- এমন কোনো দেশ যেখানে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে এবং তার রাজনৈতিক কার্যকলাপও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। পূর্ব ইউরোপ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের নাম আলোচনায় এসেছে। তবে কোনো দেশই এত উচ্চ-প্রোফাইল একজন নেতাকে আশ্রয় দিতে আগ্রহী হবে কিনা সেটি অনিশ্চিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ভারতের কাছে হাসিনা এখনও “বিশেষ অতিথি”- কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, দিল্লির কৌশলও তত বদলাচ্ছে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় মানিয়ে নিতে ভারতকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত খুব সতর্কতার সঙ্গে নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশি জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক কূটনীতিক ওয়াহিদুজ্জামান নূর বলেন, জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের জন্য রায়টি এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তাদের ক্ষতির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত। এই রায়ের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে যে, আন্দোলনের সময়কার হত্যাকাণ্ডের জন্য কেউ একজন দায়ী হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে নূর উল্লেখ করেন যে, ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে আইসিটি আইন সম্প্রসারণ, দ্রুত বিচার, অনুপস্থিত অবস্থায় মামলা পরিচালনা, এবং হাসিনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত- এসব বিষয় নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এসব বিতর্ক সত্ত্বেও অনেকের কাছে রায়টি দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচারের দাবি পূরণের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">নূর জানান যে, হাসিনা এখনও আওয়ামী লীগের মধ্যে গভীর আনুগত্য উপভোগ করেন এবং দলটি ভারত থেকেই তাকে নেতৃত্ব দিতে অনুমান করা হচ্ছে। ভারতের সতর্ক অবস্থান এবং মৃত্যুদণ্ডের উপস্থিতিতে তাকে প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। এরই মধ্যে দেশে প্রতিক্রিয়া ব্যাপকভাবে বিভক্ত; বিরোধী পক্ষ এটিকে বহু প্রতীক্ষিত হিসেবে দেখছে, আর আওয়ামী লীগ সমর্থকরা মনে করছে এটি রাজনৈতিক প্রতিশোধ। রায় ঘোষণার আগের কয়েকদিন যেভাবে সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে, তা আগামী নির্বাচনের আগে আরও অস্থির পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের সাউথ এশিয়া সেন্টারের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো এবং ১৯৯৯ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ফিজি প্রজাতন্ত্রে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এম. ওসমান সিদ্দিক বর্তমান পরিস্থিতিকে জাতীয় সংহতি ও শান্তির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আহ্বান জানান। তার মতে, বাংলাদেশ অত্যন্ত সংবেদনশীল এক মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এ সময় প্রতিটি রাজনৈতিক পক্ষের সংযত আচরণ অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ থাকা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা অতীব প্রয়োজন, যেন নাগরিকদের আস্থা অটুট থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিদ্দিক বলেন, দেশের শান্তি, নিরাপত্তা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রয়োজন এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। রায় সম্পর্কে মানুষের রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক না কেন, জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। তার মতে, বাংলাদেশ এমন এক সময়ের মুখোমুখি যেখানে সংহতি ও দূরদর্শী নেতৃত্বই দেশের সঠিক পথ নির্ণয় করবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://mzamin.com/uploads/news/main/190217_sfinal.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফের সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গী গ্রুপ &#8220;ইসকন&#8221;</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/8153/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/8153/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 02:59:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=8153</guid>

					<description><![CDATA[কৌশল পাল্টে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বিতর্কিত ও উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকন। পূজা উদযাপন পরিষদ ও জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের মতো প্রধান ধর্মীয় সংগঠনগুলোর পাশাপাশি রামসেনা, শিবসেনার মতো নামসর্বস্ব সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দখল করে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। এ কাজে সহযোগিতা করছে ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কিছু নেতা, যাদের অনেকে ভিডিও কনফারেন্সের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কৌশল পাল্টে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বিতর্কিত ও উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকন। পূজা উদযাপন পরিষদ ও জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের মতো প্রধান ধর্মীয় সংগঠনগুলোর পাশাপাশি রামসেনা, শিবসেনার মতো নামসর্বস্ব সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দখল করে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। এ কাজে সহযোগিতা করছে ভারতে পলাতক আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কিছু নেতা, যাদের অনেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হচ্ছেন ইসকনের গোপন বৈঠকে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের প্রবর্তক ইসকন মন্দিরের আন্ডারগ্রাউন্ড অংশ এখন এ সমন্বয়ের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে নিয়মিত বৈঠক, যেখানে দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত ইসকন নেতারা অংশ নিচ্ছেন। বিশেষ করে ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরায় আশ্রয় নেওয়া কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা এসব বৈঠকে নির্দেশনা দিচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইতোমধ্যে দেশজুড়ে অন্তত ১৩টি সংগঠনের নামে এক হাজারেরও বেশি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব সংগঠনের ব্যানারে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে। ইসকনের কর্মীরা গেরুয়া পোশাক ত্যাগ করে সাধারণ ভক্তের বেশে অংশ নিচ্ছেন উৎসব-আয়োজনে, যাতে স্থানীয়ভাবে সন্দেহের মধ্যে পড়তে না হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে জানা গেছে, যে কোনো সময় যে কোনো ইস্যুতে সংখ্যালঘু ধর্মীয় কার্ড ব্যবহার করে দেশে ফের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার মতো শক্ত অবস্থান ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে তাদের। এই অপচেষ্টা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থাও।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক বছরে ইসকন সদস্যরা এসব সংগঠনের ছত্রছায়ায় নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের পাশাপাশি ধর্মীয় পরিচয়ের আড়ালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকারের নামে উগ্রবাদী এজেন্ডা চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির পটভূমি হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গত ফেব্রুয়ারির শিব চতুর্দশী মেলায় ইসকনের প্রথম এ নতুন কৌশল ধরা পড়ে। রামসেনাসহ তিনটি সংগঠনের ব্যানারে একই ধরনের টি-শার্ট পরা শতাধিক তরুণের আচরণে ইসকনের ছাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ করেন গোয়েন্দারা। এরই মাঝে জন্মাষ্টমীর র‌্যালিতে হঠাৎ করে চিন্ময়ের মুক্তি চাই লেখা প্লাকার্ড প্রদর্শন করে রাম সেনার সদস্যরা। পরবর্তী সময়ে কয়েকজনকে আটক করা হলেও স্থানীয় ইসকন নেতাদের প্রভাবে তারা মুক্তি পেয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর যে কটি সংগঠন ও সংস্থার কাঁধে ভর করে ফেরার অপচেষ্টা করে ফ্যাসিবাদী শক্তি, তার অন্যতম ইসকন। এক মাসের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৬টি মহাসমাবেশ করে সংগঠনটি, যেখানে অংশ নেন আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এসব সমাবেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনসহ নানা বায়বীয় অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে ইসকনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ঋষিকেশ গৌরাঙ্গ দাশের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে তার হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নগুলো লিখে পাঠানোর পরও মেলেনি জবাব।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, অবাস্তব কিছু দাবি-দাওয়া দিয়ে সরকারকে বেকায়দায়ও ফেলে ইসকনের তখনকার নেতা চন্দন ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ। সনাতনী জাগরণী জোট নামের তথাকথিত একটি সংগঠনের ব্যানারে ওইসব কর্মসূচির আয়োজন করা হলেও এর নেপথ্যে সর্বশক্তি নিয়ে কাজ করে ইসকন। ভারতীয় মিডিয়ায় ইসকনের সে শো-ডাউনগুলো ফলাও করে প্রকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে হাসিনার পতনকে মৌলবাদের উত্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ইসকন নামধারী গেরুয়া সন্ত্রাসীরা নিজেদের মুখোশ বেশিদিন ধরে রাখতে পারেনি। জাতীয় পতাকার ওপর গেরুয়া পতাকা প্রতিস্থাপন করায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয় চিন্ময় দাশের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের ওপর চড়াও হয় ইসকনের সন্ত্রাসীরা। পুলিশ প্রতিরোধ করতে গেলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করে ইসকনের সন্ত্রাসীরা। এতে তাদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে ওঠে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হয়নি, তারপরও সামাজিক প্রতিরোধে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় ইসকন সরাসরি কার্যক্রম না চালিয়ে নিজেদের সদস্যদের বিভিন্ন নামসর্বস্ব সংগঠনে ছড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে <span style="color: #ff0000;">রামসেনা</span>, <span style="color: #800000;">হিন্দুস্তান পরিবার</span>, <span style="color: #ff0000;">বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট</span>, <span style="color: #800000;">হিন্দু ছাত্র পরিষদ</span>, <span style="color: #ff0000;">জাগো হিন্দু পরিষদ</span>, <span style="color: #800000;">বিশ্ব সনাতন মোর্চা</span>, <span style="color: #ff0000;">সনাতনী জাগরণ জোট</span> ইত্যাদি।</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এসব সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন আওয়ামী লীগ বা তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা, যাদের অনেকেই আবার ইসকনের ঘনিষ্ঠ বা প্রত্যক্ষ সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করছেন প্রবর্তক ইসকন মন্দিরের চিন্ময়পন্থি নেতারা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">এদের নেতৃত্বে রয়েছেন <span style="color: #ff0000;">উজ্জ্বল মল্লিক</span>, <span style="color: #800000;">জুয়েল আইস</span>, <span style="color: #ff0000;">অজয় দত্ত</span>, <span style="color: #800000;">রুবেল দেব</span>, <span style="color: #ff0000;">অরূপ দাস রুবেল</span>, <span style="color: #800000;">পিংকু ভট্টাচার্য,</span> <span style="color: #ff0000;">পলাশ কুমার সেন</span>, <span style="color: #800000;">শুভ দাশগুপ্ত,</span> <span style="color: #ff0000;">কাঞ্চন নাথ,</span> <span style="color: #800000;">সেন পলাশ</span>, <span style="color: #ff0000;">তূর্জ রুদ্র</span>সহ আরো কয়েকজন।</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পক্ষে সমন্বয় করছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, পুলক খাস্তগীর, জহরলাল হাজারী, রুমকি সেনগুপ্ত ও নীলু নাগ। আওয়ামী লীগের পলাতক শিক্ষামন্ত্রী স্বঘোষিত ইসকন সদস্য মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এই গ্রুপটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অফিস এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক সহায়তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশের অধিকাংশ জেলায় এসব সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। অথচ এক বছর আগেও এসব সংগঠনের নাম শোনেননি খোদ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। ইসকনের প্রথম সারির নেতাদের বাইরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাদের ওইসব নামসর্বস্ব সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে নিয়ে আসা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৌশলে অর্থ বিনিয়োগ করে প্রভাব বিস্তার করছে তারা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">জন্মাষ্টমী পরিষদে প্রভাবশালী আওয়ামী নেতাদের আধিপত্য</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রামের জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ। সংগঠনটির নেতৃত্বে রয়েছেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতারা। কমিটির সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে একদিন গোপন বৈঠক করেন প্রবর্তক ইসকন মন্দিরের আন্ডারগ্রাউন্ডে। ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন পতিত সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এমন বৈঠকের একাধিক ভিডিও ও ছবি আমার দেশ-এর হাতে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব সংগঠনের নেতা অনেকের বিরুদ্ধেই ভারতের উগ্রবাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি ও সশস্ত্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জন্মাষ্টমী পরিষদের একাধিক নেতা নিয়মিতভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামে সফর করে আরএসএস ও বিজেপির আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে এ কমিটির পূর্ণ তালিকা হাতে এসেছে। কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন চন্দন কুমার, যিনি ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতে আলিফ হত্যাকাণ্ডের সময় ইসকন সন্ত্রাসীদের নেতৃত্ব দেন। তার আগে জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি প্রকাশ্যে ছাত্রদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরেুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দমন-পীড়নেও সরাসরি অংশ নেন। ওই সময়কার একাধিক ছবি ও ভিডিও আমার দেশ-এর হাতে এসেছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি ইসকনের সক্রিয় নেতা হিসেবেও পরিচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিষদের কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব পার্থ, এক সময় ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন। ইসকনের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতেন তিনি। আওয়ামী লীগ পতনের পর তিনি হঠাৎ করে বিএনপির এক স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলে বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী বনে যান ।</p>
<p style="text-align: justify;">জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আর কে দাশ স্থানীয় একটি পত্রিকার সাংবাদিক শুকলাল দাশের ভাই। শুকলাল দাশ অতীতে জিয়া জাদুঘরের নাম পরিবর্তন ও নামফলক ভাঙার ঘটনায় আলোচনায় এসেছিলেন। কমিটির সহ–সভাপতি কাজল দাশ, বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। অর্থ সম্পাদক রতন আচার্য আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ইসকনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সদস্য। সহ-সভাপতি নিখিল নাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগেরও সহ-সভাপতি পদে আছেন। আইন সম্পাদক অশোক দত্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক। এভাবে বর্তমান কমিটির অধিকাংশই একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ইসকনের সদস্য। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, ইসকনের প্রভাবেই তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদ পেয়েছিলেন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">সীতাকুণ্ডের স্রাইন কমিটি ও পূজা উদযাপন পরিষদেও ইসকনের প্রভাব</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম সীতাকুণ্ডের স্রাইন কমিটির নিয়ন্ত্রণও এখন ইসকন-সংশ্লিষ্টদের হাতে। জানা গেছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে নিয়ম ও গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত এ কমিটির সভাপতি হন। বর্তমানে এর নেতৃত্বে রয়েছেন অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, যিনি ইসকনের আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ও চিন্ময় দাশের প্রধান আইনজীবী। সহ-সভাপতি তাপস রক্ষিত কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের নেতা, যুগ্ম সম্পাদক প্রণব কুমার দে মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর, আর সমীর দাশগুপ্ত রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, যিনি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মহানগর শাখারও সভাপতি। তিনি যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগের নেতা। সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের নেতা অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্যও চিন্ময় দাশের আইনি টিমের সদস্য।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব ধর্মীয় সংগঠনের অধিকাংশই আগে ছিল নামসর্বস্ব; গত এক বছরে এগুলো হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের তথাকথিত ক্লিন ইমেজধারী হিন্দু নেতাদের নেতৃত্বে এসব সংগঠন মূলত চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত হচ্ছে। তাদের অনেকের সঙ্গে ভারতের উগ্রবাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিষদের উপদেষ্টা মিলন শর্মা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্যাতনকারী হিসেবে পরিচিত অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ব্যবসায়িক অংশীদার বলে জানা গেছে। হাসিনা আমলে তিনি পুলিশে নিয়োগ ও বদলিতে প্রভাব বিস্তার করতেন। এছাড়া সদস্য মুনমুন দত্ত মুন্না ও বেল্টন কান্তি নাথ উভয়ই আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের নেতা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় সহস্রাধিক কমিটি গঠন</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">গত এক বছরে ভারত, আওয়ামী লীগ ও ইসকনের অভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে অন্তত ১৩টি নামসর্বস্ব সংগঠন সক্রিয় করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে শুরু হলেও বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার ৪৯৫টি উপজেলায় এসব সংগঠনের কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এসব কমিটির প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্যই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের সক্রিয় নেতাকর্মী। এতে স্পষ্ট, এই ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাঙামাটি জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি দয়াল দাশ নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি; তিনি একাধিকবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সফর করেছেন এবং সেখানে আরএসএস-ঘনিষ্ঠ সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গেও তার যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি বাবুল ঘোষ বাবুন আনোয়ারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, আর উত্তর জেলার সভাপতি অশোক নাথ হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, এসব সংগঠন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের আড়ালে ভারতের উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে, যার উদ্দেশ্য ধর্মীয় আবেগ উসকে দিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এবং বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">প্রশাসনের বক্তব্য</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে সিএমপি জনসংযোগ কর্মকর্তা অনিন্দিতা বড়ুয়া বলেন, ‘এসব ধর্মীয় সংগঠনের কমিটিতে কারা রয়েছেন, তা আমরা খতিয়ে দেখছি। কেউ যদি ধর্মীয় আবরণের আড়ালে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/8153/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/iskan.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে ফেরত চাইলেন মির্জা ফখরুল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/168015/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/168015/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 06:00:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=168015</guid>

					<description><![CDATA[বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারতে বসে বিভিন্ন মিডিয়াকে শেখ হাসিনা ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই, কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সংকট অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি করেছে। মিথ্যা বলে জাতির সঙ্গে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারতে বসে বিভিন্ন মিডিয়াকে শেখ হাসিনা ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই, কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বর্তমান সংকট অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি করেছে। মিথ্যা বলে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা উচিত নয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে একটি মহল একাত্তরকে ভুলিয়ে দিতে চায়। কিন্তু সেটি করার সুযোগ নেই। কারণ একাত্তরেই আমাদের জন্ম। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা মুক্তিযুদ্ধকে ‘গোলমাল’ বলেছিলেন। জাতি সেটা ভোলেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অভুত্থানের তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হলে অপশক্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠারও সাহস পেত না। আমাদের ৩১ দফায় সব সংস্কারের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। আমরাই সংস্কারের পক্ষে। পিআর হবে কি না সে সিদ্ধান্ত আগামী সংসদ নেবে। পিআর না হলে নির্বাচন হবে না এ কথা বলে মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/168015/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/fakrul_kKcWQWB.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেও : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/345033/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 05:59:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=345033</guid>

					<description><![CDATA[হয় ড্রেজিং করো, নয় বাঁধ ভেঙে দাও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য নিয়ে প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলগুলি। দুই দিনের উত্তরবঙ্গের বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর দার্জিলিংয়ে এক প্রশাসনিক সভা থেকে ভারত সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে মমতা ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ফারাক্কাতে ড্রেজিং হয় না। তার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">হয় ড্রেজিং করো, নয় বাঁধ ভেঙে দাও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য নিয়ে প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলগুলি। দুই দিনের উত্তরবঙ্গের বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনের পর দার্জিলিংয়ে এক প্রশাসনিক সভা থেকে ভারত সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে মমতা ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি অভিযোগ করেন, ফারাক্কাতে ড্রেজিং হয় না। তার ফলে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার উভয়েই প্রতি বছর দুর্ভোগে পড়ছে। তাই এমন ড্যামের প্রয়োজন কি? মমতা জানান, তিনি বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পড়েছেন। বিজ্ঞানী সাহা বলেছিলেন, ড্যামের জলাধার প্রয়োজন নেই। ভারত সরকারকে উদ্দেশ্য করে মমতা বলেন, ড্রেজিং কমসে কম করো। আর ড্রেজিং যদি না করো ড্যামের প্রয়োজন নেই। ড্যাম ভেঙে দাও। নদীকে নিজের মতো চলতে দাও।</p>
<p style="text-align: justify;">মমতা আরও অভিযোগ করেন, দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন ২০ বছর ধরে ড্রেজিং করে না। ফারাক্কার মতো পাঞ্চেত, মাথিন জলাধার এবং কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরে ড্রেজিং হচ্ছে না। মমতার মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে দিন। উনি একটা আঙুল অন্যের দিকে তুললে, তিনটি আঙুল ওর নিজের দিকে উঠে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে,বুধবার দার্জিলিংয়ের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে উত্তরবঙ্গে বন্যা বিপর্যয়ে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ানের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতিকে নিয়ে খেলা যায় না। নদীকে নিজের মতো বইতে দিতে হয়। এক দিকে ড্রেজ়িং না করা, অন্য দিকে রাজ্যের মাইথন, পাঞ্চেতের মতো জলাধার থেকে জল ছাড়ার কারণে ‘ম্যানমেড’ বন্যাপরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিয়ে অতীতেও একই সুর শোনা গিয়েছে মমতার মুখে।অ্যাক্টিভওয়্যার</p>
<p style="text-align: justify;">মমতা জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ে সব মিলিয়ে মারা গিয়েছেন ৩২ জন।দার্জিলিং ২১, জলপাইগুড়িতে ৯ এবং কোচবিহারে ২ জন মারা গিয়েছেন। মৃত সকলের পরিবারের হাতে ৫ লক্ষ টাকা করে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রতি পরিবারের এক জনকে স্পেশ্যাল হোমগার্ডের চাকরিও দেওয়া হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://mzamin.com/uploads/news/main/184962_momota.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পালিয়ে কলকাতায় একই ডেরায় দুই জেনারেল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/47222/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/47222/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 04:12:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=47222</guid>

					<description><![CDATA[অপরাধে অভিযুক্ত পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গত ৯ অক্টোবর তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। জেনারেল কবীর এখন কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় সনজীবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে সপরিবারে অবস্থান করছেন। ঢাকা এবং কলকাতার নিরাপত্তা সূত্রগুলো আমার দেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অপরাধে অভিযুক্ত পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গত ৯ অক্টোবর তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। জেনারেল কবীর এখন কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় সনজীবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে সপরিবারে অবস্থান করছেন। ঢাকা এবং কলকাতার নিরাপত্তা সূত্রগুলো আমার দেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জেনারেল কবীরের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি কোথায় আছেন তা নিয়ে যখন ব্যাপক আলোচনা চলছে ঠিক সেই মুহূর্তে আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে তার পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেনা সদরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জেনারেল কবীরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">একজন সার্ভিং বা কর্মরত জেনারেল কীভাবে দেশ থেকে পালিয়ে ভারতের মতো বৈরী প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে পারল তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন এবং উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সাবেক আমলা, পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এই প্রথমবারের মতো সার্ভিং কোনো জেনারেলের দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার খবর পাওয়া গেল। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতর এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এর পেছনে যে বাংলাদেশের কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠীর পাশাপাশি ভারতের হাত রয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যারা জেনারেল কবীরকে পালাতে সাহায্য করেছে তাদের তদন্তের</p>
<p style="text-align: justify;">মাধ্যমে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। জেনারেল কবীরের বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে কলকাতায় আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে অবগত কলকাতার একটি নিরাপত্তা সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে গুমের দায়ে অভিযুক্ত সেনাকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে তা আগে থেকেই আঁচ করছিলেন জেনারেল কবীর। তিনি গত একমাস ধরে কলকাতা যাওয়া-আসার মধ্যে ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে একবার কলকাতায় আসেন এবং বেশ কয়েকদিন থেকে আবার বাংলাদেশে ফিরে যান। ওই সময় তিনি কলকাতার বারাসাত এবং নিউ টাউন এলাকায় অবস্থান করেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গত ৯ অক্টোবর জেনারেল কবীর তামাবিল সীমান্ত দিয়ে আবার ভারতে প্রবেশ করেন। এখন তিনি কলকাতার নিউ টাউন এলাকার সানজিবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে পরিবার নিয়ে অবস্থান করছেন। কলকাতার নিরাপত্তা সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, এর আগে পালিয়ে যাওয়া আরেক সেনাকর্মকর্তা লে. জে. (অব.) আকবর হোসেনও সানজিবা গার্ডেনে সপরিবারে অবস্থান করছেন। তবে এখানে অন্য আর কোনো জেনারেল আছেন কি না তা জানাতে পারেনি ওই সূত্রগুলো। উল্লেখ্য, সানজিবা গার্ডেন কলকাতার অভিজাত শ্রেণির বসবাস। বহুল আলোচিত খুন হওয়া আওয়ামী লীগের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারও এই সানজিবা গার্ডেনে ভাড়া ছিলেন এবং সেখানেই তিনি ‍খুন হন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ আমলের গুমের ঘটনায় দুটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ৮ অক্টোবর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন। তাদের মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা। এদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিলেন জেনারেল কবীর। পরোয়ানা জারির দিনই তা সংশ্লিষ্ট ১৩টি দপ্তরে পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এর কর্মকর্তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে গত ১১ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদকে ‘ইলিগ্যালি অ্যাবসেন্ট (অবৈধভাবে অনুপস্থিত)’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সেনাবাহিনী। তিনি যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তাকে ধরতে সব সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেনারেল কবীর আহাম্মদের বিরুদ্ধে জয়েন্ট ইন্টেরোগেশন সেলে (জেআইসি) ভুক্তভোগীদের বন্দি রেখে নির্যাতনের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘মেজর জেনারেল কবীর না জানিয়ে অবৈধভাবে ছুটিতে গেছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।’ জেনারেল হাকিমুজ্জামান আরো বলেন, ‘জেনারেল কবীর ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হয়েছেন। এর পর থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবিকে বলা হয়েছে যেন তিনি দেশত্যাগ করতে না পারেন।’ তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী সংবিধান স্বীকৃত বাংলাদেশের সব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’</p>
<p style="text-align: justify;">গুমের মতো মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত মেজর জেনারেল কবীর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। গত বছর জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকসের কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। সবশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২৪ লং কোর্সের আলোচিত এই জেনারেল গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সঙ্গে সামরিক বিমানে করে ভারতে যান এবং ফিরে আসেন। গত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় খুনি মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং কদমবুচি জেনারেল হিসেবে পরিচিত মেজর জেনারেল মাহবুব রশিদের কোর্সমেট হওয়ার সুবাদে ডিজিএফআই-এর সিটি আইবিতে পোস্টিং দেওয়া হয় জেনারেল কবীরকে। পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবের পদ লাভ করেন তিনি। জেনারেল জিয়া, মাহবুব এবং কবীর একত্রে গুম-নির্যাতনের পাশাপাশি নানা দুর্নীতি ও নানা অপরাধে যুক্ত হন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদ নামে এক কোর্সমেটকে সামনে রেখে একটি ডেভেলপার কোম্পানির সহযোগিতায় ভাষানটেক, ইসিবি চত্বর এবং মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় জমি কেনা-বেচার সঙ্গে জড়িত হন। জেনারেল কবীর বিভিন্ন জনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে কম দামে জমি ক্রয় করে পরবর্তী সময়ে বেশি দামে বিক্রি করে এবং বিভিন্ন ডেভেলপিং ব্যবসায় নিয়োজিত হয়। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল (BUP)-এর কাছে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা শতাংশ কিনে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকায় বিক্রির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। নেত্রকোনার বাসিন্দা জেনারেল কবীর গত জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় বিভিন্ন জিওসিকে মোবাইলে ফোন করে ছাত্রদের উপর নির্বিচারে গুলি করার জন্য শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক প্রফেসর এম শহীদুজ্জামান জেনারেল কবীরের পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি আখ্যা দিয়ে আমার দেশকে বলেন, জেনারেল কবীর যদি সত্যিই ভারতে পালিয়ে গিয়ে থাকেন তাহলে সেটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তো বলা হলো জেনারেল কবীর যেন পালাতে না পারে সে জন্য বিমানবন্দরসহ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তাহলে তিনি কীভাবে পালালেন, এই প্রশ্নের জবাব তো কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সঠিক তদন্ত হতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের জেনারেলরা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে এবং ভারত তাদের আশ্রয় দিচ্ছে, এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। ভারত আসলে উসকানি দিচ্ছে। ভারত চাইছে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে। ভারতে যেসব জেনারেল আশ্রয় নিচ্ছে তারা যে ভারতের হয়ে এখানে নানা ধরনের অপরাধ করেছে তা এখন প্রমাণিত। অপরাধী জেনারেলদের ভারত যে আশ্রয় দিচ্ছে সে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশি বেশি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে এই বিশ্লেষক বলেন, বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির ওপর জাতিসংঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেকেই নজর রাখছে। সরকারের দায়িত্ব হলো বিষয়টি ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা এবং এসব অপরাধীর যে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেই বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে দ্রুত শেষ করা। এটা করতে পারলে ভারত তখন আন্তর্জাতিকভাবে চাপে পড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী জেনারেল কবীরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন। আমার দেশ-এর সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, জেনারেল কবীর ভারতে পালিয়ে গিয়েছে এবং ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সবকিছু করবে, এটা আমরা জানি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে যারা পালাতে সহযোগিতা করেছে তাদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এখানে কোনো কোনো উপদেষ্টার নাম শোনা যাচ্ছে যারা জেনারেল কবীরকে পালাতে সাহায্য করেছে। এটা দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এখানে সেনাবাহিনীর দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। একজন সার্ভিং জেনারেল কীভাবে পালাতে পারে তার জবাব সেনাবাহিনীর দিতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর। সেই সেনাবাহিনীর জেনারেলরা যদি অন্য দেশের এজেন্ট হয়ে কাজ করে তাহলে তো আর বলা যায় না আমাদের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র আছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/47222/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/genarel.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>স্বৈরাচার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত যদি দেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, কিছু করার নাই</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/276028/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 05:04:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=276028</guid>

					<description><![CDATA[দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কোনো গণমাধ্যমে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও বিবিসি বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোল। তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সাক্ষাৎকার দেন। দুই পর্বের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কোনো গণমাধ্যমে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও বিবিসি বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোল। তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সাক্ষাৎকার দেন। দুই পর্বের সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব আজ। সাক্ষাৎকারটি হুবহু আমার দেশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> যে সরকার এখন বাংলাদেশের সরকার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার, তাদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong></span> বিষয়টি তো রাজনৈতিক। এটি তো কোনো ব্যক্তির বিষয় নয়। আমরা প্রথম থেকে যে কথাটি বলেছি যে, আমরা চাই, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হোক। অর্থাৎ অনেক কিছুর মত বিভিন্ন বিষয় আছে- যেমন আমরা যদি মূল দুটো বিষয় বলি যে, কিছু সংস্কারের বিষয় আছে, একই সঙ্গে প্রত্যাশিত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বাধীন নির্বাচনের একটি বিষয় আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত কিছু সংস্কারসহ যেই সংস্কারগুলো না করলেই নয়, এরকম সংস্কারসহ একটি স্বাভাবিক সুষ্ঠু, স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত করাই হচ্ছে বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। আমরা প্রত্যাশা করি যে, উনারা উনাদের উপরে যেটা মূল দায়িত্ব, সেটি উনারা সঠিকভাবে সম্পাদন করবেন। এটাই তো উনাদের কাছে আমাদের চাওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা আশা রাখি, প্রত্যাশা করি যে, উনারা করবেন কাজটি সুন্দরভাবে। স্বাভাবিকভাবে এই কাজটির সৌন্দর্য্য বা কতটুকু ভালো, কতটুকু ভালো বা মন্দভাবে করতে পারছেন, তার ওপরেই মনে হয় সম্পর্কের উষ্ণতা বা শীতলতা যেটাই বলেন, সেটা নির্ভর করবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>আপনি কয়েক মাস আগে একটি মন্তব্য করেছিলেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আপনার এই মন্তব্যটি নিয়ে আমি প্রধান উপদেষ্টাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তার একটি সাক্ষাৎকারে যে এ বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া কি? তিনি তখন বলেছিলেন যে সন্দেহটা উনার মনে। অর্থাৎ আপনার মনে আছে কি-না সেটা তিনি জানতে চান। আপনার মনে কি সেই সন্দেহ আছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong></span> দেখুন আমি যখন এই কথাটি বলেছিলাম, এই মুহূর্তে আমার যতটুকু মনে পড়ে সেই সময় পর্যন্ত ওনারা কিন্তু নির্বাচনের ব্যাপারে সঠিক কোনো টাইম ফ্রেম বা কোনো কিছু বলেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">রোডম্যাপ বলতে যা বুঝায়, আমরা নরমালি যা বুঝে থাকি, এরকম কিছু বলেননি। এবং সে কারণেই শুধু আমার মনের মধ্যেই নয়, আমরা যদি সেই সময় বিভিন্ন মিডিয়া দেখি, বিভিন্ন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দেখি যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা করেন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে, প্রায় সকলের মনের মধ্যেই সন্দেহ ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা যখন দেখলাম যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ডক্টর ইউনুস উনি মোটামুটিভাবে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করলেন। এবং পরবর্তীতে বেশ কয়েকবার উনি উনার যে সিদ্ধান্ত সেটির ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তারপর থেকেই খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সন্দেহটি বহু মানুষের মন থেকে ধীরে ধীরে চলে যেতে ধরেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি মনে করি, উনারা যা বলেছেন উনারা যতক্ষণ পর্যন্ত দৃঢ় থাকবেন, উনাদের বক্তব্যে উনাদের কাজে যত বেশি দৃঢ় থাকবেন, ততই সন্দেহ চলে যাবে আস্তে আস্তে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>সেই সন্দেহ মনে কিছুটা দূরীভূত হয়েছিল লন্ডনে যখন তিনি আপনার সঙ্গে বৈঠক করলেন। তারপরেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা এসেছিল। তো সেই বৈঠকে নির্বাচনের কথা তো হয়েছিল, যেহেতু সেটি পরে এসেছে। এর বাইরে কি আপনাদের মধ্যে আর কোনো কথা হয়েছে? আর কোনো বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা বা সমঝোতা কিছু হয়েছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong> </span>এর বাইরে স্বাভাবিকভাবেই উনি অত্যন্ত একজন স্বনামধন্য মানুষ। অত্যন্ত বিজ্ঞ মানুষ উনি। এর বাইরে তো অবশ্যই স্বাভাবিকভাবে সৌজন্যমূলক কথাবার্তা হয়েছে। এর বাইরেও উনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন যে, জনগণ যদি আপনাদেরকে সুযোগ দেয়, তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য? এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার কিছু চিন্তাভাবনা দেশের মানুষকে নিয়ে, দেশের জনগণকে নিয়ে, দেশকে নিয়ে আমরা যদি সুযোগ পাই, জনগণ আমাদেরকে যদি সেই সুযোগ দেন, তাহলে আমরা কি কি বিষয়ে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো, সেই বিষয়গুলো নিয়ে কিছু কিছু আলোচনা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span></strong> নির্বাচনের বিষয়টি তো আপনি বললেন, এর বাইরে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে গত এক বছরে যে ভূমিকা রেখেছে অন্তর্বর্তী সরকার, সেটাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong> </span>অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানে ইন্টেরিম, মানে এটা তো ক্ষণস্থায়ী বিষয়টি। তো খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি দেশ পরিচালনা তো একটি বিশাল বিষয়। আমরা হয়তো ভূখন্ডের ভিত্তিতে যদি বিবেচনা করি, হয়তো বাংলাদেশকে অনেকে বলবে ছোট দেশ। কিন্তু আমরা যদি জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিবেচনা করি, বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক ভূখণ্ডের চেয়ে বড় দেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">ইউকের (যুক্তরাজ্য) জনসংখ্যা সাত কোটির মত, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্লাস- মাইনাস ২০ কোটির মত এখন। কাজেই ইউকের তিন গুণ বড়। এরকম একটি দেশ পরিচালনা করতে হলে স্বাভাবিকভাবেই জনগণের ম্যান্ডেটসহ একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন। বিভিন্ন বিষয় থাকে, ইস্যুজ থাকে, বিভিন্ন বিষয় আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তো এখন নির্বাচনের বাইরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পারফরমেন্স আপনি যেটা বললেন, আমরা সকল কিছু বিবেচনা করলে আমার কাছে মনে হয়েছে যে, হয়তো উনারা চেষ্টা করেছেন অনেক বিষয়ে। সব ক্ষেত্রে সবাই তো আর সফল হতে পারে না, স্বাভাবিকভাবে ওনাদের লিমিটেশনস কিছু আছে। সেই লিমিটেশনস এর মধ্যে উনারা হয়তো চেষ্টা করেছেন, যতটুকু পেরেছেন হয়তো চেষ্টা করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এক এগারোর সরকার নিয়ে মূল্যায়ন কী?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> আমি একটু পিছনে তাকাতে চাই।</p>
<p style="text-align: justify;">তারেক রহমান: ভাই আমরা তো সামনে যেতে চাই। আপনি পিছনে কেন যাচ্ছেন? দেশকে সামনে নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>মানে পেছন থেকেই তো শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোতে হয়। তো পেছনের একটা বিষয়, সেটা হচ্ছে, এক এগারোর সরকার বা সেনা সমর্থিত সরকারের সেই সময়টা নিয়ে রাজনীতিতে অনেক আলোচনা আছে। সে সময়টাকে ঘিরে আপনার মূল্যায়নটা কি?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>এক বাক্যে বা সংক্ষেপে যদি বলতে হয়, এক এগারোর সরকার তো একটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত, অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত একটি সরকার ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা দেখেছি সেই সরকার আসলে কিভাবে দেশের যতটুকু যেমনই হোক বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যতটুকুই রাজনীতি গড়ে উঠেছিল, গণতান্ত্রিক ভিত্তি ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল ভুল- ত্রুটি সবকিছুর ভিতর দিয়েই।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু আমরা দেখেছি যে, কিভাবে তারা সবকিছু ভেঙে গুড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল। দেশকে একটি অন্ধকার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে দেখেছি যে, খুব সম্ভবত তাদেরই ভিন্ন আরেকটি রূপ; অন্যভাবে দেখেছি আমরা &#8216;ইন দি নেম অফ ডেমোক্রেসি&#8217;।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির রাজনীতিতে পরিবর্তন হয়েছে কতটা</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>২০০৪ সালে আমি আপনার একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম ঢাকায়। সে সময় আপনি বলেছিলেন যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করবেন। তো বিএনপির রাজনীতিতে আসলে কতটা পরিবর্তন হয়েছে; ভবিষ্যৎ বিএনপিই বা কেমন হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব। আমরা দুটো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে খুবই গর্ব করি, অহংকার করি, একটি হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প, আরেকটি হচ্ছে প্রবাসীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান- এই দুটোই কিন্তু বিএনপি শুরু করেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা দেখেছি, বিএনপির সময় শুরু হয়েছিল প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়া, একই সঙ্গে গার্মেন্ট শিল্পের প্রসার। এর বাইরেও যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে যে দুর্ভিক্ষটা হয়েছিল, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, আমরা দেখেছি কিভাবে ধীরে ধীরে দুর্ভিক্ষ পীড়িত একটি দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসপূর্ণ করে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ না, অল্প পরিমাণ করে হলেও আমরা কিন্তু সেই সময় বিদেশে খাদ্য রপ্তানি, চাল রপ্তানি করেছিলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">আর রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে যদি আমরা দেখি, যেখানে একসময় সকল দলকে নিষিদ্ধ করে একটি দল বাকশাল করা হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে, বিএনপির কাঁধে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়ে, তখন কিভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চালু আবার করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">কাজেই আপনি বললেন অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ইয়েস, আমরা অতীতে এই ভালো কাজগুলো করেছি। ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ এই বিষয়গুলো কনসিডারেশন (বিবেচনায়) রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব। আমাদের অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে, ভবিষ্যৎ বিএনপির গণতন্ত্রের যে বুনিয়াদ, একটি শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করা। জবাবদিহিতা তৈরি করা।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা অভিযোগ সবসময় থাকে, যখন যারা চেয়ারে বসে জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তখন থাকে না, মানে এড়িয়ে যায়- এ ধরনের একটা অভিযোগ সবসময় ছিল। সব রাজনৈতিক দল বা যারাই সরকারে এসেছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>দেখুন অভিযোগ থাকতেই পারে। আমি আগেই তো বলেছি, একটি বিষয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকম অভিযোগ থাকতে পারে। এখন অভিযোগ নিয়ে তো আর বলা যাবে না। কিন্তু অভিযোগটা কনসিডারেশনে (বিবেচনায়) অবশ্যই রাখবো। আপনি যেহেতু আমার কাছে জানতে চেয়েছেন আমি আপনাকে এটাই বলেছি। আপনি জানতে চেয়েছেন ভবিষ্যৎ কেমন হবে?</p>
<p style="text-align: justify;">আমি আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে যা দেখেছি, বুঝেছি, জেনেছি আমি আপনার সামনে সেটিই তুলে ধরলাম। অভিযোগ এই দেশেও আছে। কিন্তু আপনি যা জানতে চাইছেন, এটিতো আমি একমাত্র সুযোগ যদি পাই, আমি ইনশআল্লাহ সুযোগ পেলে পরে তখন আস্তে আস্তে জিনিসটি প্রমাণ করা সম্ভব হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">হ্যাঁ এটাও বাস্তবতা, প্রাগমেটিক কথা যেটা, বাস্তব কথা যেটা, আমি সুযোগ পেলে যে সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি হবে তা না। কারণ আমি সুযোগ পেলে আপনাকেও বুঝতে হবে। আপনিও কিন্তু দেশ গঠনের একটা পার্ট। কাজেই আপনার মত এরকম লক্ষ কোটি মানুষকে বিষয়টি বুঝতে হবে। এতটুকু বলতে পারি যে, ইয়েস, উই আর কমিটেড। উই উইল ট্রাই আওয়ার বেস্ট টু ডু পারফরম বেস্ট ডু দ্যাট।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>জবাবদিহিতার কথা বলছিলেন। এ প্রসঙ্গে বলি, গত ১৫ বছর আপনি নির্বাসনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ায়, এটা একটা ভিন্ন পরিস্থিতি। নেতৃত্ব নিয়ে আপনার চিন্তাধারায় কি ধরনের পরিবর্তন এসেছে? আপনি কি অনুভব করেন, অনুধাবন করেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>গত ১৭ বছর প্রবাস জীবনে আছি এবং অনেকগুলো বছর আমি বাংলাদেশের সঙ্গে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা টাইম ডিফারেন্স, ডিস্টেন্স ডিফারেন্স তো আছেই। রিচিং ডিফারেন্স তো একটা ডিফিকাল্টিস তো আছেই। এটি একটি বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এক্ষেত্রে প্রথমেই আমি আমার পরিবার অর্থাৎ আমার স্ত্রী এবং আমার সন্তানকে এখানে ধন্যবাদ দিতে চাই। কারণ তাদের সহযোগিতা না থাকলে হয়তো এই ডিফিকাল্ট কাজটি করা আমার জন্য আরো ডিফিকাল্ট হতো। ওনাদের সহযোগিতা ছিল সেজন্য আমার পক্ষে সম্ভব হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে আমি আবারো ধন্যবাদ দিতে চাই আমার হাজারো- লক্ষ নেতাকর্মীকে। যারা এই ডিফিকাল্টিজের মধ্যে থেকেও আমাকে সহযোগিতা করেছেন, দলকে সুসংগঠিত রাখতে, দলকে রাজপথে নিয়ে যেতে শত অত্যাচার বাধাবিঘ্নর মাঝেও</p>
<p style="text-align: justify;">জনগণের কথা তুলে ধরতে, জনগণের দাবির ব্যাপারে সোচ্চার থাকতে। আপনি জিজ্ঞেস করেছেন মনে হয় যে, এখান (যুক্তরাজ্য) থেকে কি কি দেখেছি, শিখেছি বা জেনেছি- আমি মনে করি যে, এই দেশ থেকে ভালো যা কিছু দেখেছি বা শিখেছি, দেশের নাগরিক হিসেবে এবং যেহেতু আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হয়তো আমার একটি সুযোগ আছে দেশের জন্য ভালো কিছু করার।</p>
<p style="text-align: justify;">যদি আমি ইনশাআল্লাহ সেই সুযোগটি পাই, তাহলে সেই সুযোগটিকে যতটুকু সম্ভব দেশের মানুষের জন্য বা দেশের জন্য কিছু করার, এভাবে বিষয়টিকে আমি বিবেচনা করি।</p>
<p style="text-align: justify;">কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির মূলনীতি কী হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>কূটনীতির প্রসঙ্গে আসি, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে তবে কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির মূলনীতি কী হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>গুড কোশ্চেন। বিএনপির মূলনীতি একটাই- সবার আগে বাংলাদেশ। কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির নীতি সবার আগে বাংলাদেশ। আমার জনগণ, আমার দেশ, আমার সার্বভৌমত্ব। এটিকে অক্ষুন্ন রেখে, এটি স্বার্থ বিবেচনা করে, এই স্বার্থকে অটুট রেখে বাকি সবকিছু।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>এটাকে বৈশ্বিক রাজনীতির একটা প্রভাব বলা যায়? কারণ আপনি যদি বিভিন্ন দেশে দেখেন, এমনকি ডোনাল্ড ট্রাম্পও আমেরিকা ফার্স্ট একটা স্লোগান দিয়ে এসেছিলেন?</p>
<p style="text-align: justify;">তারেক রহমান: না, ওদেরটা ওরা বলেছে, আমি ভাই বাংলাদেশি। আমার কাছে বাংলাদেশের স্বার্থ বড়, আমার কাছে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ বড়। কাজেই কে কি বলল&#8230; সবার আগে বাংলাদেশ, সিম্পল, কমপ্লিকেট (জটিল) করার কিছু নাই, এটা সিম্পল ব্যাপার।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অবস্থান কী?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>বিগত সরকারের সময় বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে যেই সম্পর্ক ছিল, সেটা নিয়ে অনেক সমালোচনা রয়েছে। তো ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আপনাদের নীতি কী হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমার মনে হয়, আপনি একটু আগে যে প্রশ্নগুলো করেছেন, সেখানে বোধহয় আমি ক্লিয়ার করেছি পুরো ব্যাপারটা। সবার আগে বাংলাদেশ। এখানে তো আপনি পার্টিকুলার (সুনির্দিষ্ট) একটি দেশের কথা বলেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে ওই দেশ বা অন্য দেশ তো বিষয় না। বিষয় তো হচ্ছে, ভাই বাংলাদেশ আমার কাছে আমার স্বার্থ, আমি আগে আমার দেশের মানুষের স্বার্থ দেখব, আমার দেশের স্বার্থ দেখব। ওটাকে আমি রেখে আপহোল্ড করে আমি যা যা করতে পারব, আমি তাই করব।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>বাংলাদেশের স্বার্থ আপনারা সবার আগে নেবেন, সেটা আপনি পরিষ্কার করেছেন। ভারতের কথা বিশেষভাবে আসছে যেহেতু সেটি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ এবং বাংলাদেশের তিন পাশেই এই দেশটির সীমান্ত রয়েছে। এবং এটি নিয়ে আপনিও জানেন যে, বিভিন্ন সময়ে কথা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও কথা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সময় তো সম্পর্ক নিয়ে বললামই সেটা নিয়ে কথা হয়েছে। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত বা কেমন থাকা প্রয়োজন- এ নিয়ে আপনার চিন্তা কি?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই। অবশ্যই আমি দেখতে চাইনা না যে, আরেক ফেলানী ঝুলে আছে। অবশ্যই আমরা এটা মেনে নিব না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>বাংলাদেশের স্বার্থের প্রসঙ্গে আপনি বলছেন যে, পানির হিস্যা চাওয়া এবং সীমান্ত হত্যার বিষয়টি নিয়ে আপনারা সোচ্চার থাকবেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>না না, আমি উদাহরণ দিয়ে বললাম। দুটো উদাহরণ দিয়ে বুঝালাম আপনাকে, যে আমাদের স্ট্যান্ডটা কি হবে। আমরা আমাদের পানির হিস্যা চাই। অর্থাৎ আমার দেশের হিস্যা, মানুষের হিস্যা আমি চাই, হিসাব আমি চাই।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার যেটা ন্যায্য সেটা আমি চাই। অবশ্যই ফেলানী হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আমি বুঝাতে চেয়েছি যে, আমার মানুষের উপরে আঘাত আসলে অবশ্যই সেই আঘাতকে এভাবে আমি মেনে নিব না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>একটা বিষয় যদি বলি, পাঁচই অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এবং আপনিও জানেন যে, শেখ হাসিনা দিল্লিতে গেছেন এবং সেখানে আছেন। ভারতের সঙ্গে একটা সম্পর্কের শীতলতা দেখা গেছে, গত এক বছর ধরে। যেমন ধরুন সেটি যাওয়া আসার ক্ষেত্রে ব্যবসার ক্ষেত্রে নানা রকম, সেই ক্ষেত্রে কী কোন পরিবর্তন আপনার সরকারে আসলে হবে বা পরিবর্তনের ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন, এমন কোন চিন্তা কি আপনাদের আছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>এখন তারা যদি স্বৈরাচারকে সেখানে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের সঙ্গে শীতল থাকবে। সো, আমাকে আমার দেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ও দলীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে যা বললেন</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> সংস্কারের প্রশ্নে আসি। এখন খুব আলোচিত ইস্যু। সংস্কারের কিছু বিষয়ে দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের কিছুটা মতপার্থক্য বা মতবিরোধ হচ্ছে। যেমন, এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা বা দলের প্রধান থাকতে পারবেন না, এরকম একটা প্রস্তাব এসেছে। যেখানে বিএনপি নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছে। যদি এক ব্যক্তি তিন পদে একই সঙ্গে থাকেন, সেটা স্বৈরতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থা তৈরির সুযোগ দেয় কিনা?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>সকলের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, এই যে বাংলাদেশে রাষ্ট্র মেরামতের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার প্রয়োজন। একজন ব্যক্তি দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, থাকবেন না। এরকম আরো যে বিষয়গুলো আছে, এ গুলো বাংলাদেশে যখন স্বৈরাচার ছিল তাদের মুখের উপরে, তাদের চোখের দিকে চোখ রেখে আমরা বিএনপিই বলেছিলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন হয়তো অনেকে সংস্কারের কথা বলছেন। সেদিন কিন্তু সংস্কারের &#8216;স&#8217;-ও তারা বলেননি। তারপরেও সকলের প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে আমি বলতে চাই যে, বিএনপি &#8216;নোট অফ ডিসেন্ট&#8217; দিলে সেটি সমস্যা, অর্থাৎ বিএনপিকে এগ্রি (সম্মত) করতে হবে সবার সঙ্গে, তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু বিএনপি যদি কোনোটার সঙ্গে একমত না হয়, তাহলে বেঠিক। এটি তো গণতন্ত্র হলো না।</p>
<p style="text-align: justify;">মানে, আমাকে অন্যের সঙ্গে একমত হতে হবে, তাহলে গণতন্ত্র। আমি যদি অন্যের সঙ্গে দ্বিমত করি, তাহলে গণতন্ত্র না। এটি কেমন গণতন্ত্র? কারণ গণতন্ত্রের মানেই তো হচ্ছে, বিভিন্ন মতামত থাকবে। আমরা অনেক ব্যাপারেই একমত হব হয়তো। সকল ব্যাপারে একমত হবো না, কিছু ব্যাপারে হয়তো দ্বিমত থাকতেই পারে, এটাই তো গণতন্ত্র, এটাই তো এসেন্স অব গণতন্ত্র।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা তো কোনো হাইড অ্যান্ড সিক করছি না। আমি যেটা মনে করছি যে ভাই আমি মনে করছি যেটা আমার দৃষ্টিতে ঠিক না, আমি বলছি ঠিক না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>কিন্তু দু বছর আগে ২০২৩ সালে আপনারা ৩১ দফা দিয়েছেন। সেই ৩১ দফাতেই আপনারা সংস্কারের যেসব বিষয় এনেছেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বলেছেন। তাহলে এই বিষয়গুলোতে আপত্তি কেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>না, আমরা যেটাতে বলেছিলাম, আমরা সেখানে এখনো আছি। যতটুকু ভারসাম্য হওয়া উচিত, যে যে বিষয়ে যতটুকু বিবেচনা করা উচিত, আমরা সে বিষয়ের মধ্যে এখনো কমবেশি আছি। আমাদের অবস্থান থেকে তো আমরা অবস্থান পরিবর্তন করিনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> কিন্তু মূল যে বিষয়গুলো, যেমন যেটা বড় বিরোধ হিসেবে আসছে, বড় মতপার্থক্য হিসেবে আসছে যে, এক ব্যক্তির তিন পদে একসঙ্গে থাকা সেখানেই তো আপত্তিটা থাকছে বিএনপির?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>না, আমরা তো তখনো বলিনি যে এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। এটা অন্যরা কেউ বলেছে যে, এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। আমরা মনে করি না যে, এটাতে স্বৈরাচারি হওয়ার কোনো কারণ আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা তো দেখেছি স্বৈরাচারের সময়ও এবং তার আগে তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু তাদের টু থার্ড মেজরিটি ছিল। টু থার্ড মেজরিটি ২০০৮ সালে তারা নিয়েছিল। তারা ওটাকে চেঞ্জ করে ফেলেছে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা রাখেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০১ সালে তো বিএনপিরও টু থার্ড মেজরিটি ছিল, বিএনপি তো চেঞ্জ করেনি। যেহেতু জনগণ মনে করে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে; বিএনপি টু থার্ড মেজরিটি থাকার পরেও তো বিএনপি চেঞ্জ করেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">কাজেই এক ব্যক্তির হাতে থাকলেই যে স্বৈরাচর হবে তা নয়। এটি নির্ভর করে ব্যক্তি টু ব্যক্তি, শুধু আইন চেঞ্জ করলেই সবকিছু সঠিক হয়ে যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">৩১ দফা না কি জুলাই সনদ, অগ্রাধিকার কী হবে</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>এই সংস্কারের বিষয়গুলোতে যেখানে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো নিয়ে একটা জুলাই সনদ প্রণয়নের কথা। সেটাও বাস্তবায়নের উপায়গুলো নিয়ে বা বাস্তবায়নের পথ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে একটা বিতর্ক আছে। অনেক দল বলছে যে, নির্বাচনের আগেই আইনি ভিত্তি দেওয়া বা বাস্তবায়ন করা। আর বিএনপি বলছে, নির্বাচিত সংসদ সেটা করবে। এই জায়গাটা থেকে বেরিয়ে আসার উপায়টা কি, বিএনপির চিন্তাটা এখন কি?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span></strong> দেখুন, এখানে আবার আমাকে বলতে হচ্ছে, আমরা কিন্তু কোন হাইড এন্ড সিক করছি না। যদি আমাদের সেরকম অসৎ উদ্দেশ্য থাকতো মনের ভিতরে থাকতো একটা, বলতাম আরেকটা যে ঠিক আছে ওকে অসুবিধা নাই। তারপরে ইনশআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমরা হয়তো করতাম না। তো আমরা যেটা মনে করছি আমরা সেটাই বলছি।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন বিষয় হচ্ছে দেখুন, এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ইম্পর্টেন্ট একটি বিষয়। দেখুন, আমরা যদি ইভেন রিসেন্ট যে ঘটনা, নেপালেও যদি দেখি আপনি দেখেন ওরা কিন্তু এত কিছুর মধ্যে যাচ্ছে না, ওরা বলছে যে, গুরুত্বপূর্ণ যা বিষয় আছে, সংস্কার বলেন বা বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যা বিষয় আছে- নির্বাচিত প্রতিনিধি যারা আসবে, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি যারা আসবে, তারা সেগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তারপরেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট সবকিছু বিবেচনা করে রাজনৈতিক দলগুলো বসেছে, অন্তর্বর্তী সরকার আহ্বান করেছে। এখানে যতটুকু হয়েছে, আমরা বলেছি, এখন যতটুকু হয়েছে, যেগুলো শুধুমাত্র আইন দিয়ে করলে হয়ে যায়, সেগুলো হয়ে যাক। যেগুলোর সাংবিধানিক এনডোর্সমেন্ট লাগবে, সেগুলো আমরা মনে করি যে, নির্বাচিত সংসদ হওয়ার পরে সেখানে গ্রহণ করাটাই ভালো হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ, আপনি যদি নির্বাচিত সংসদের কথা বলেন, অথচ তাকে বাদ দিয়ে যদি আপনি আউট অফ দি বক্স কিছু করেন এবং এটা যদি রেওয়াজ হয়ে যায়, তাহলে এটা আমরা মনে করি যে, এটা সাংবিধানিকভাবে হোক, আইনগতভাবে হোক বা যে দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার- বিবেচনা করেন না কেন- ভবিষ্যতের জন্য এটা একটি খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেজন্য আমরা মনে করি, যেটা দেশের জন্য সামগ্রিকভাবে ক্ষতির একটি কারণ হবে। সেজন্যই আমরা এটার সঙ্গে একমত না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>এখন বিএনপির যেহেতু ৩১ দফা আছে, যদিও যেসব বিষয়ে আলোচনায় এসেছে, অনেক বিষয়ে মিল আছে। তো বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে বা সরকার গঠন করে, তখন ৩১ দফা নাকি জুলাই সনদ কোনটা অগ্রাধিকার পাবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, প্রথমে আমরা সেগুলোর ওপরেই জোর দিব। সেটা আপনি যে নামেই বলেন না কেন, স্বাভাবিকভাবে আমরা ঐকমত্য কমিশনে যেগুলোতে সকলে মিলে একমত হয়েছি, আমরা প্রথমে সেগুলোতে ইনশাআল্লাহ সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রথমে সেগুলোতেই অবশ্যই জোর দিব।</p>
<p style="text-align: justify;">আর, তারপরে আপনি যেটা ৩১ দফার কথা বললেন, অবশ্যই ৩১ দফা আমাদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট জনগণের প্রতি। আমরা তো আমাদের ৩১ দফার মধ্যে যেগুলোর এটার সঙ্গে মিলে গিয়েছে, সেগুলো তো আমরা করবই। এর বাইরে যেগুলো থাকবে ৩১ দফায় আছে, সেগুলোও বাস্তবায়ন করবো।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ ওটা তো আমাদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট। এটাও যেমন পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট, ওটাও আমাদের পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট। এটা আমরা রাজনৈতিক দলগুলো মিলে একত্রিত হয়ে বলেছি। ওটাও আমরা অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েই কিন্তু ৩১ দফা দিয়েছি।</p>
<p style="text-align: justify;">&#8216;বিড়ালটি আমার মেয়ের বিড়াল&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>রাজনীতি থেকে একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে যাই। আপনাকে সম্প্রতি প্রাণী অধিকার রক্ষা নিয়ে বেশ সোচ্চার দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে আপনি যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের বাইরে আপনার পোষা বিড়ালের সঙ্গে আপনার নিয়মিত ছবি দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তো এটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো কিভাবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>প্রথমত এখানে একটু ক্লিয়ার করে নেই, বিড়ালটি আমার মেয়ের বিড়াল। ও এখন অবশ্য সবারই হয়ে গিয়েছে। আমরা সবাই ওকে আদর করি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি হচ্ছে, এরকম শুধু বিড়াল নয়, আমি এবং আমার ভাই যখন ছোট ছিলাম আমাদের একটি ছোট কুকুরও ছিল। ইভেন, তখন আমাদের বাসায় আম্মা হাঁস মুরগি পালতেন, ছাগলও ছিল আমাদের বাসায়। উনি ছাগলও কয়েকটি পালতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তো স্বাভাবিকভাবেই আপনি যেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলেন, পোষা কুকুর বিড়ালই বলেন, বাই দাদা ওয়ে কবুতরও ছিল আমাদের বাসায়। শুধু কবুতর না আমাদের বাসায় একটি বিরাট বড় একটি খাঁচা ছিল। সেই খাঁচার মধ্যে কিন্তু পাখি ছিল, বিভিন্ন রকমের এবং আবার আরেকটি খাঁচা ছিল যেটার মধ্যে একটা ময়না ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">ময়নাটা আমরা বরিশাল থেকে এনেছিলাম। ও আবার বরিশালি ভাষায় কথাও বলতো। টুকটুক করে মাঝে মাঝে কিছু কিছু কথাও বলতো। তো কাজেই এই বিষয়টি হঠাৎ করেই না। এই পশুপাখির প্রতি যেই বিষয়টি, এটির সঙ্গে আমি কমবেশি ছোটবেলা থেকে জড়িত আছি। হয়তো এটি এখন প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্নভাবে। বাট এটির সঙ্গে আমি বা আমার পরিবার, আমরা অনেক আগে থেকেই আছি।</p>
<p style="text-align: justify;">কুকুর- বিড়াল ছিল, গরু- ছাগল ছিল, হাঁস মুরগি ছিল, পাখি ছিল, ময়না ছিল, কবুতর ছিল। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যদি আমরা চিন্তা করি, আমাদেরকে আল্লাহ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে তৈরি করেছেন। আমাদের দায়িত্ব কিন্তু আল্লাহর সৃষ্টি যা কিছু আছে প্রকৃতির, তার প্রতি কিন্তু যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এটি একটি বিষয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আর আমরা যদি মানবিক দৃষ্টিকোণ অথবা আমরা যদি নেচার থেকেও বিষয়টি দেখি, দেখুন ওরা না থাকলে কিন্তু আমাদের জন্য বেঁচে থাকা কষ্টকর। প্রকৃতি যদি না থাকে, প্রকৃতির ব্যালেন্স যদি না থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই আলোচনা শুরু হওয়ার আগে কিন্তু আপনি আমরা তিনজন কিন্তু ওয়েদার নিয়ে কথা বলছিলাম, এই ইংল্যান্ডের বা ইউকের ওয়েদার নিয়ে আমরা আলাপ করছিলাম এবং আমি বলছিলাম যে, আমার এই ১৭ বছর অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ওয়েদার মনে হয় একটু একটু এখানেও চেঞ্জ হয়েছে। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে পত্রপত্রিকায় দেখেছি পলিউশন ঢাকা শহরে। নরমালি আমরা জানি যে, একটি দেশের টোটাল অংশের মধ্যে এটলিস্ট ২৫ শতাংশ গ্রীন দরকার, বনায়ন দরকার। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আমি যতটুকু জেনেছি, এটি ১২ পার্সেন্টের এর মত। হুইচ ইস ভেরি ডেঞ্জারাস।</p>
<p style="text-align: justify;">তো এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি কিভাবে আমরা বাড়াবো। তো যেমন এগুলো আছে, ঠিক একই সঙ্গে এই যে আপনি পশুপাখির কথা বললেন, এই বিষয়গুলো আছে নেচার। নেচারকে যদি আমরা মিনিমাম ঠিক রাখতে না পারি, সেখানে মানুষ হিসেবে কিন্তু আমাদের বসবাস করা খুব কঠিন হয়ে যাবে। কাজেই আমাদের নিজেদের স্বার্থেই এই বিষয়গুলো বোধহয় করা প্রয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify;">সামাজিক মাধ্যমে মিম, কার্টুন কিভাবে দেখেন</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>রাজনীতিতে যেমন আপনাকে নিয়ে অনেক আলোচনা আছে, স্বাভাবিকভাবেই সামাজিক মাধ্যমেও আপনাকে নিয়ে অনেক আলোচনা আছে এবং আপনি যে পোস্টগুলো করেন, সেটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আপনাকে নিয়ে অনেক মিমও তৈরি হয়, অনেক কার্টুন হয়। যেমন একটা মিমের কথা যদি আমি বলি অনেকে শেয়ার করেছিল যে, আপনি আপনার সঙ্গে আমরা জুমে কথা বলছি, আপনি জুমে বক্তব্য দেন। এটা নিয়ে একটা মিম তৈরি হয়েছে যে, ওয়ার্ক ফ্রম হোম, তো এই ধরনের মিমগুলোকে আপনি কিভাবে দেখেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমি এনজয় করি বেশ, বেশ আমি এনজয় করি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>আপনি দেখেন এগুলো? আপনার চোখে পড়ে?</p>
<p style="text-align: justify;">তারেক রহমান: হ্যাঁ, চোখে পড়বে না কেন অবশ্যই চোখে পড়ে। তবে এখানে একটি কথা আছে, যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়ার বিষয়টি আসলো আমার মনে হয়, এই বিষয়ে একটু এড করা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">দেখুন সোশ্যাল মিডিয়া এমন একটি বিষয় আমি নিজেও আছি সোশ্যাল মিডিয়াতে কমবেশি। বহু বহু মানুষ আছেন, লক্ষ কোটি মানুষ আছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এটি দিয়ে যেমন খুব দ্রুত একজনের সঙ্গে আরেকজনের যোগাযোগ করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা মাঝে মাঝে বলি যে, দেখেন অনেক সময় অনেক আলোচনায় আসে, সেমিনার বক্তব্যে আসে যে, ডিনামাইটটা যখন আবিষ্কৃত হয়, ডিনামাইটটা আবিষ্কৃত হয়েছিল আপনার পাহাড় ভেঙে কিভাবে মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তাঘাট তৈরি করা যায়; হয়তো কিভাবে চাষের জমি করা যায়। এরকম লক্ষ্যকে সামনে রেখেই, উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই কমবেশি ডিনামাইটের ব্যবহারটা শুরু হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখেছি, এটি মানুষ হত্যার মত জঘন্য কাজেও ব্যবহার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে আমি বলতে চাই যে, অবশ্যই প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার আছে। যেহেতু আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতায় আমরা বিশ্বাস করি। প্রত্যেক মানুষের অধিকার আছে, তার মতামত প্রকাশ করার।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে আমরা যদি সকলে এতটুকু সচেতন হই যে, আমি আমার মত প্রকাশ করলাম, কিন্তু এই মত প্রকাশের ফলে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলো কি-না? এই বিষয়টিকে যদি আমরা বিবেচনায় রাখি, একটি মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হলো কি-না, ক্ষতিগ্রস্ত হলো কিনা? এই বিষয়টিকে বোধহয় আমাদের বিবেচনায় রাখা উচিত; এটি এক নম্বর।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয়ত হচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ার বহুল ব্যবহারের ফলে ডিসইনফরমেশন বা মিসইনফরমেশন এই বিষয়টিও চলে এসেছে সামনে। এ কথাটিও চলে এসেছে। একটি জিনিস আমি দেখলাম বা শুনলাম, সঙ্গে সঙ্গেই আমি সেটিতে ঝাঁপিয়ে পড়লাম- তা না করে আমার মনে হয়, ফ্যাক্ট চেক বলে যেই কথাটি আছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, এটা সব জায়গায় আছে- এ ব্যাপারেও যদি আমরা একটু এলার্ট থাকি সবাই, এ ব্যাপারে যদি একটু সচেতন থাকি যে ঠিক আছে, এটি একটু যাচাই বাচাই করে নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">যদি সত্য হয় অবশ্যই আমার সেখানে মতামত থাকবে, কিন্তু যদি মিথ্যা হয় বিষয়টি, কেন আমি এখানে মতামত দিব। একটি মিথ্যার সঙ্গে আমি কেন নিজেকে সংশ্লিষ্ট করব। একটি খারাপ কিছুর সঙ্গে কেন আমি নিজেকে সংশ্লিষ্ট করব। এটি আমি আমার মতামতটা প্রকাশ করলাম।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Tareque-BBC.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পশ্চিমবঙ্গের নাগরিককে এনআরসির নোটিশ ধরালো আসাম সরকার!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/248674/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 08:14:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=248674</guid>

					<description><![CDATA[‘জাতীয় নাগরিক পঞ্জি’ (এনআরসি) আতঙ্কে ঘুম উড়েছে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার দিনহাটার বাসিন্দা উত্তম কুমার ব্রজবাসীর। ভারতের আসাম রাজ্যে সরকারের তরফে উত্তম কুমারকে নোটিশ পাঠিয়ে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে উপযুক্ত নথি দেখাতে না-পারলে তাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে। গত কয়েক দশক ধরে বংশ-পরম্পরায় দিনহাটার চৌধুরীহাটে বসবাস করে আসছেন উত্তম। জীবনের ৫০ বছর বয়সে এসেও কোচবিহারের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">‘জাতীয় নাগরিক পঞ্জি’ (এনআরসি) আতঙ্কে ঘুম উড়েছে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার দিনহাটার বাসিন্দা উত্তম কুমার ব্রজবাসীর। ভারতের আসাম রাজ্যে সরকারের তরফে উত্তম কুমারকে নোটিশ পাঠিয়ে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে উপযুক্ত নথি দেখাতে না-পারলে তাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত কয়েক দশক ধরে বংশ-পরম্পরায় দিনহাটার চৌধুরীহাটে বসবাস করে আসছেন উত্তম। জীবনের ৫০ বছর বয়সে এসেও কোচবিহারের বাইরে যাননি তিনি। অথচ আসাম রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দিনহাটার চৌধুরীহাটের সাদিয়াল কুঠি এলাকার উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে পাঠানো হলো অবৈধ অনুপ্রবেশের নোটিশ!</p>
<p style="text-align: justify;">এই বিষয়ে উত্তম কুমার ব্রজবাসী বলেন, “গত জানুয়ারি মাসে পুলিশ প্রশাসন মারফত তার বাড়িতে একটি এনআরসি সংক্রান্ত চিঠি আসে। এরপর আমি প্রতিবেশীদের সেই চিঠিটি দেখালে জানতে পারি যে আসাম সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আমাকে চিহ্নিত করে নোটিশটি পাঠিয়েছে। এবং গুয়াহাটি থেকে এই নোটিশ এসেছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরো বলেন, “আসামে আমার কোনো আত্মীয় নেই। তাছাড়া আমি কোনোদিন সেখানে যাইওনি। আমার জন্ম দিনহাটায়, আমার বাবার জন্মও এখানে। কিন্তু তারপরেও এনআরসির কাগজ পাঠানো হয়েছে। এরপরে আমি আইনজীবী ধরে আসামে আমার সমস্ত নথি পাঠিয়েছিলাম। তারা আমার কাছ থেকে ১৯৬৩ সালের কাগজ চেয়েছিল কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন আমাকে সেই কাগজ দিতে পারেনি।”</p>
<p style="text-align: justify;">পুরো বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, “উত্তম কুমার ব্রজবাসি শুধু ভারতীয় নাগরিকই নন, তিনি তপশিলি তালিকাভুক্ত নাগরিক।” মন্ত্রীর প্রশ্ন, “আসামের কামরূপ জেলার পুলিশ সুপার কোন সাহসে কোচবিহারের দিনহাটার নাগরিককে এনআরসি সংক্রান্ত চিঠি পাঠায়?”</p>
<p style="text-align: justify;">মন্ত্রীর বলেন, “এখানকার স্থানীয় নাগরিককে কীভাবে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে পুশব্যাক করে সেটা আমরা দেখে নেব।”  উত্তম কুমার ব্রজবাসীর বাড়িতে গিয়ে সমস্ত বিষয়টা খোঁজখবর নেবেন বলেও আশ্বাস দেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.risingbd.com/media/imgAll/2025July/west-bengal-2507080741.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রংপুর আর চট্টগ্রাম বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে: আসামের মুখ্যমন্ত্রী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/186530/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/186530/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 May 2025 04:14:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=186530</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলাদেশের মানচিত্র নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশের মানচিত্রের ছবি পোস্ট করে তার দাবি, বাংলাদেশের নিজস্ব দুটি ‘চিকেন নেক’ রয়েছে, যেগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি রংপুর আর চট্টগ্রাম বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলাদেশের মানচিত্র নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশের মানচিত্রের ছবি পোস্ট করে তার দাবি, বাংলাদেশের নিজস্ব দুটি ‘চিকেন নেক’ রয়েছে, যেগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: justify;">এমনকি রংপুর আর চট্টগ্রাম বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা রোববার বাংলাদেশের উদ্দেশে ‘কড়া প্রতিক্রিয়া’ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা ভারতের ‘চিকেন নেক’ করিডোর নিয়ে বারবার হুমকি দেন, তাদের মনে রাখা উচিত—বাংলাদেশের নিজস্বও দুটি ‘চিকেন নেক’ রয়েছে, যেগুলো আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: center;"><a class="btn btn-info" href="https://www.dailyamardesh.com/world/amdzm8nvyff9o">বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/186530/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Himonto_sharma.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতে গুঁড়িয়ে দিলো মসজিদসহ ৩৫০ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/161208/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/161208/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 May 2025 08:13:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=161208</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার সম্প্রতি মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহসহ ৩৫০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাজ্যের নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি মাদরাসা, মসজিদ, মাজার এবং ঈদগাহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বালরামপুর, শ্রাবস্তী, বহরাইচ, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর প্রদেশ সরকার সম্প্রতি মসজিদ, মাদরাসা ও ঈদগাহসহ ৩৫০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাজ্যের নেপাল সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ৩৫০টির বেশি মাদরাসা, মসজিদ, মাজার এবং ঈদগাহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মহারাজগঞ্জ, সিদ্ধার্থনগর, বালরামপুর, শ্রাবস্তী, বহরাইচ, লখিমপুর খেরি এবং পিলিভীত— এই সাত জেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে। বুধবার একদিনেই মহারাজগঞ্জে দুটি, শ্রাবস্তী ও বহরাইচে একটি করে স্থাপনা ভাঙা হয়েছে।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/world/amdjschbsl5zc">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/161208/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/msjd_bhncr.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান অপ্রচলিত পন্থায় আক্রমণ করতে পারে এমন ইঙ্গিতে যুদ্ধবিরতি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/32167/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/32167/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 May 2025 04:45:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=32167</guid>

					<description><![CDATA[দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের প্রচেষ্টায় এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র কেন এই যুদ্ধ বন্ধে হঠাৎ তৎপর হয়ে উঠলো, সে বিষয়ে মিলেছে নতুন তথ্য। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের প্রচেষ্টায় এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্র কেন এই যুদ্ধ বন্ধে হঠাৎ তৎপর হয়ে উঠলো, সে বিষয়ে মিলেছে নতুন তথ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে ভয়ংকর গোয়েন্দা তথ্য পায় আমেরিকা। যেকোনো সময় পাকিস্তান অপ্রচলিত পন্থায় আক্রমণ করতে পারে, এমন ইঙ্গিতে মেলার পরপরই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানান তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিএনএন জানায়, মার্কিন প্রশাসনের একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম, যাতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্তর্বর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলস রয়েছেন, ভারত-পাকিস্তান চলমান সংঘাতের ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত-পাকিস্তান স্বল্পমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে শুক্রবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু গোয়েন্দা তথ্য পায়, যা পরিস্থিতি মারাত্মক ও বিপজ্জনক দিকে মোড় নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সিএনএন জানায়, ওই গোয়েন্দা তথ্যের আদ্যোপান্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেন। এরপর শুক্রবার দুপুরে জেডি ভ্যান্স নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জেডি ভ্যান্স ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে পাকিস্তানের মনোভাব এবং প্রস্তুতির কথা স্পষ্ট করে জানান। তিনি মদিকে বলেন, এই সংঘাত মারাত্মক রূপ নিতে পারে। যেকোনো সময় বড় ধরনের কিছু ঘটতে পারে। ভ্যান্স এসময় মোদিকে উৎসাহ দেন সরাসরি পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।</p>
<p style="text-align: justify;">নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাপের পরেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে যুদ্ধবিরতির খসড়া তৈরি বা আলোচনায় সরাসরি যুক্ত হয়নি মার্কিন প্রশাসন। তারা শুধু এ বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন। মোদির সঙ্গে ভ্যান্সের ফোনালাপের পর যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়া শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ফোনালাপ বিষয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে, তখনই যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি শান্ত করার ব্যাপক প্রচেষ্টা চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই কর্মকর্তা বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি কথা বলা বন্ধ ছিল। আমাদের লক্ষ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেয়া, কথা বলায় উৎসাহ দেয়া এবং উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজে বের করা।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে ভারত ও পাকিস্তান সরাসরি আলোচনা করে, যার ফলে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/32167/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/pak-india.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান ও ভারত :  হামলা ও পাল্টা হামলার সর্বশেষ আপডেট</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/565425/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 10 May 2025 04:43:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=565425</guid>

					<description><![CDATA[‘অপারেশন সিসা প্রাচীর’ শুরু , ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন ভারত পাকিস্তান বহুমাত্রিক অভিযান শুরু করেছে ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পাল্টা জবাব দিতে ‘অপারেশন বুনিয়ান উল মারসুস’ শুরু করেছে পাকিস্তান। এ অভিযানের আওতায় শুক্রবার রাতে ভারতের ১১টি সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনারা। আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন &#160; পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারত-পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ শুরু [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #800000;"><strong>‘অপারেশন সিসা প্রাচীর’ শুরু , ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন ভারত</strong></span></p>
<p>পাকিস্তান বহুমাত্রিক অভিযান শুরু করেছে ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পাল্টা জবাব দিতে ‘অপারেশন বুনিয়ান উল মারসুস’ শুরু করেছে পাকিস্তান। এ অভিযানের আওতায় শুক্রবার রাতে ভারতের ১১টি সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনারা।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/world/amd3zxi9dgjlq" target="_blank" rel="noopener">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><span style="color: #ff6600;"><strong>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারত-পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ শুরু</strong></span></p>
<p>পাকিস্তানের এনএসএ ও আইএসআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক এবং ভারতের এনএসএ অজিত ডোভাল একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই আলোচনার লক্ষ্য ছিল উত্তেজনা হ্রাস করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। যদিও আলোচনা নিয়ে বিস্তারিত&#8230;</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://sarabangla.net/news/post-1002045/" target="_blank" rel="noopener">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p><span style="color: #993300;"><strong>পাকিস্তানের পালটা হামলার আশঙ্কায় সতর্ক ভারতের একাধিক রাজ্য</strong></span></p>
<p>পাকিস্তানের পালটা হামলার ভয়ে ভারতের একাধিক রাজ্যকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।</p>
<p>ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠক করেন। এতে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরা এবং সিকিম সরকারের একজন প্রতিনিধি অংশ নেন।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/world/amdof12dcgm5b" target="_blank" rel="noopener">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p class="text-3xl leading-10 text-[#3c3c3c] font-bold mb-3"><span style="color: #ff0000;"><strong>ভারতকে পাল্টা জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনীকে পাকিস্তানের অনুুমতি</strong></span></p>
<p>ভারতকে পাল্টা জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনীকে অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান। বুধবার পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে পাঞ্জাব এবং আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। এগুলোকে ‘উস্কানিমূলক যুদ্ধ কর্মকাণ্ড’ এবং ‘পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার সম্পূর্ণ দায়ভার ভারতের ওপর বর্তায়।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/world/amdl6jg5nq3sh" target="_blank" rel="noopener">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p class="text-3xl leading-10 text-[#3c3c3c] font-bold mb-3"><span style="color: #ff0000;"><strong>ভারতের হামলা, পাকিস্তানের পাশে থাকার ঘোষণা তুরস্কের</strong></span></p>
<p>পাকিস্তানে মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। ওই হামলার পর পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে তুরস্ক। পাকিস্তানের পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে ন্যাটোভুক্ত শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্রটি</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/world/amdj6hy0cuwjf">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ff0000;">‘সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে ভারত’</span></strong></p>
<p>পাকিস্তানের তীব্র হামলার মুখে নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে ভারত সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে। বুধবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ দাবি করেছেন।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://worldbarta.com/news/156075/">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ff0000;">ভারতের ৫টি যুদ্ধবিমান ও ১টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি পাকিস্তানের</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সময় ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ও একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরে (আইএসপিআর) মহাপরিচালক ও সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে এই তথ্য দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ছয়টি স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কোটলি, বাহাওয়ালপুর, মুজাফ্‌ফরাবাদ, বাঘ এবং মুরিদকে। এর আগে তারা পাঁচটি স্থান আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অবশ্য ভারত সরকার বলছে, পাকিস্তান ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের ৯টি সন্ত্রাসী স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে তারা। কোনো বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়নি। যদিও পাকিস্তানের আইএসপিআর বলছে, আক্রান্ত স্থাপনার মধ্যে একটি মসজিদ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (৭ মে) ভোরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আহমেদ শরিফ জানান, হামলায় আটজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৩৩ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী একটি জবাবদিহিমূলক ও সমন্বিত পাল্টা হামলা পরিচালনা করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা সূ্ত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন লিখেছে, পাকিস্তান আত্মরক্ষায় পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এসব বিমান পাকিস্তানি ভূখণ্ডে হামলার সময় ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার করছিল বলে দাবি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভূপাতিত বিমানগুলোর মধ্যে তিনটি রাফায়েল জেট, একটি মিগ-২৯ ও একটি সু-৩০। এ ছাড়া একটি ভারতীয় হেরন ড্রোনও গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী।</p>
<p style="text-align: justify;">আহমেদ শরিফ বলেছেন, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি ভারতীয় পোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে। নিরাপত্তা সূত্র বলছে, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী এখন ‘চূড়ান্ত ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’ দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্রগুলো আরও জানায়, ভারতের ১২তম ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার, যা ১৫ কোরের অধীনে নবম ডিভিশনের অংশ, সেটি পাকিস্তানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া দুধনিয়াল সেক্টরে এক শত্রু পোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের আইএসপিআর।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের দাবি, তারা শুধু নিজস্ব সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করছে এবং এই আগ্রাসন সম্পূর্ণভাবে ভারতের উস্কানিমূলক পদক্ষেপের ফল।</p>
<p style="text-align: justify;">আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী আনোয়ারুল হক ভারতের রাতের আক্রমণকে ‘কাপুরুষোচিত এবং অতীতের ধারার পুনরাবৃত্তি’ বলে বর্ণনা করে এর নিন্দা জানান। তিনি বলেন,</p>
<p style="text-align: justify;">“ভারত তার পুরোনো কৌশল অনুযায়ী রাতে আজাদ কাশ্মীরের কোটলি ও মুজাফ্‌ফরাবাদে হামলা চালিয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;"><strong>ভারত কোথায় হামলা চালিয়েছে?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">নয়াদিল্লি জানিয়েছে, বুধবার (৭ মে) গভীর রাতে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের ৯টি স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের দাবি, যেসব স্থানে ও স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে সেগুলো ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো’। এসব স্থান থেকে ভারতে হামলার পরিকল্পনা করা হতো এবং সেই অনুযায়ী হামলা পরিচালনা করা হতো।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তানের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত করা হয়নি এবং এই হামলা ‘সংযত, সুনির্দিষ্ট ও উত্তেজনাবিহীন’ ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তান বলছে, পাঁচটি স্থানে হামলা হয়েছে- যার মধ্যে রয়েছে মুজাফফরাবাদ, কোটলি (পাক-অধিকৃত কাশ্মীর), ভাওয়ালপুর (পাকিস্তানের পাঞ্জাব)। অন্য দুটি স্থানের নাম জানায়নি তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের দাবি, এই হামলা বেসামরিক এলাকায় হয়েছে। ভারত যে দাবি করছে, সেটি ভুয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ও আইএসপিআরের মহাপরিচালক আহমেদ শরিফ বিবিসিকে বলেছেন, হামলায় <span style="color: #000000;">আটজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজন শিশু রয়েছে।</span></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;"><strong>ভারত কেন হামলা চালাল?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">এই হামলার পেছনে কারণ ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পাহালগামে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, যেখানে ২৬ জন (২৫ ভারতীয় ও একজন নেপালি) নিহত হন। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জানান, হামলাকারীরা হিন্দু পুরুষদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এই হামলা ছিল গত দুই দশকে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, তারা অপরাধীদের ‘পৃথিবীর শেষ প্রান্ত পর্যন্ত তাড়া করবে’ এবং এমন ‘শাস্তি দেবে যা কল্পনারও বাইরে”।</p>
<p style="text-align: justify;">যদিও ভারত এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নাম প্রকাশ করেনি। ভারতের পুলিশের দাবি, হামলাকারীদের মধ্যে দুজন পাকিস্তানি। দিল্লি অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান জঙ্গিদের সমর্থন করছে, যা ইসলামাবাদ অস্বীকার করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই দুই সপ্তাহে দুই দেশ কূটনৈতিক বহিষ্কার, ভিসা স্থগিত ও সীমান্ত বন্ধসহ পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ff0000;">কাশ্মীর কেন উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু?</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">কাশ্মীর অঞ্চলকে ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই সম্পূর্ণ তাদের বলে দাবি করে, তবে উভয়েরই আংশিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর দেশভাগের সময় থেকেই এ নিয়ে দুই দেশ দুটি যুদ্ধ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি জঙ্গি হামলাগুলো অঞ্চলটিকে বারবার দ্বন্দ্বের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরে ১৯৮৯ সাল থেকে ভারতবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহ চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালে ভারত আর্টিকেল ৩৭০ বাতিল করে কাশ্মীরের আংশিক স্বায়ত্তশাসন তুলে দেয়। তার পর কিছু সময় বিক্ষোভ ও উত্তেজনা থাকলেও অঞ্চলটিতে সন্ত্রাসবাদ কমে আসে এবং পর্যটন বাড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৬ সালে উরি হামলায় ১৯ ভারতীয় সৈন্য নিহত হলে ভারত ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্য নিহত হলে ভারত বালাকোটে বিমান হামলা চালায়, যা ১৯৭১ সালের পর পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতের প্রথম সামরিক অভিযান।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/India-Pakistan-Fight.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে ভারত’</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/156075/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/156075/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 May 2025 03:00:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=156075</guid>

					<description><![CDATA[পাকিস্তানের তীব্র হামলার মুখে নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে ভারত সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে। বুধবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ দাবি করেছেন। ভারত মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তানে সামরিক অভিযান চালায়। পাঞ্জাবের শিয়ালকোট, বাহাওয়ালপুর, এবং আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর সহ ছয়টি স্থানে এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আট বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে গভীর রাতে চালানো বিমান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের তীব্র হামলার মুখে নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে ভারত সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে। বুধবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ দাবি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকিস্তানে সামরিক অভিযান চালায়। পাঞ্জাবের শিয়ালকোট, বাহাওয়ালপুর, এবং আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর সহ ছয়টি স্থানে এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আট বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে গভীর রাতে চালানো বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পাঁচটি ভারতীয় বিমান ভূপাতিত করেছে এবং নিয়ন্ত্রণ রেখা বরার তীব্র গোলাবর্ষণ করছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন অনলাইন।</p>
<p style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/565425/" target="_blank" rel="noopener">পাকিস্তান ও ভারত : হামলা ও পাল্টা হামলার সর্বশেষ আপডেট</a></p>
<p style="text-align: justify;">সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের আরেকটি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, পাকিস্তান ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৬ষ্ঠ মাহার ইউনিটের ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর ধ্বংস করেছে। আজাদ কাশ্মীরের লিপা উপত্যকার বিপরীতে অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় ৬ মাহার ইউনিট অবস্থিত। ভারতীয় বাহিনী এখানে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছাকাছি অবস্থিত চুরহা কমপ্লেক্সের কাছে সাদা পতাকা উত্তোলন করেছে ভারতীয় বাহিনী। এর মানে হচ্ছে, নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় বাহিনী তাদের পরাজয় শিকার করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অবশ্য এ ব্যাপারে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/156075/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.tbsnews.net/bangla/sites/default/files/styles/big_3/public/images/2025/05/07/images.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>অবৈধ অনুপ্রবেশে জনতার হাতে আটক বিএসএফ সদস্য</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/25319/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/25319/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 May 2025 03:00:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএসএফ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=25319</guid>

					<description><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্যকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (৪ জুন) ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জোহরপুর-টেক সীমান্ত থেকে ওই বিএসএফ সদস্যকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে হেফাজতে নেন। বিএসএফের ওই সদস্যের নাম গণেশ চন্দ্র। তিনি ৭১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নূরপুর ক্যাম্পে কর্মরত। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্যকে আটক করেছেন স্থানীয়রা।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (৪ জুন) ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জোহরপুর-টেক সীমান্ত থেকে ওই বিএসএফ সদস্যকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে হেফাজতে নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএসএফের ওই সদস্যের নাম গণেশ চন্দ্র। তিনি ৭১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নূরপুর ক্যাম্পে কর্মরত।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বলেছেন, বুধবার সকালে জোহরপুর সীমান্ত দিয়ে ওই বিএসএফ সদস্য বাংলাদেশে চলে আসেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে অনেক লোক জড়ো হন। খবর পেয়ে বিজিবির সদস্যরা এসে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ বলেছেন, ওই বিএসএফ সদস্যকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তখন সে মদ্যপ ছিল। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/25319/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Untitled-1_IO3TuhF.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাহেলগাঁওয়ে ভারত রাজনৈতিক স্বার্থ হিন্দুদের হত্যা করেছে  : খালিস্তান নেতা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/151938/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/151938/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 28 Apr 2025 06:27:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=151938</guid>

					<description><![CDATA[পাকিস্তানে হামলার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খালিস্তান আন্দোলনের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন। খবর বিবিসি পাকিস্তানের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক ভিডিও বিবৃতিতে শিখ নেতা পান্নুন বলেছেন, আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে দেব না। পাকিস্তানে আক্রমণ করার সাহস ভারতের নেই। তিনি বলেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানে হামলার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খালিস্তান আন্দোলনের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন। খবর বিবিসি</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক ভিডিও বিবৃতিতে শিখ নেতা পান্নুন বলেছেন, আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাঞ্জাবের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে দেব না। পাকিস্তানে আক্রমণ করার সাহস ভারতের নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, তারা পাকিস্তানের জনগণের সাথে দৃঢ়ভাবে আছেন। আমরা কোটি শিখ পাকিস্তানের সাথে ইটের প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে আছি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ভারতে সংখ্যালঘুদের বিশেষ করে শিখদের উপর যে নির্যাতন চলছে তা সকলের কাছে স্পষ্ট। এটি ১৯৬৫ বা ১৯৭১ নয়, এটি ২০২৫।</p>
<p style="text-align: justify;">সতর্ক করে পান্নুন বলেন, যারা আক্রমণ করে তারা বাঁচবে না। সে ইন্দিরা গান্ধী, নরেন্দ্র মোদি, বা অমিত শাহ যেই হোক।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, মোদি, অজিত ডোভাল, অমিত শাহ এবং জয়শঙ্করকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় বিচারের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও দাবি করেন, পাহেলগাঁওয়ে ভারত রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য তার নিজস্ব হিন্দুদের হত্যা করেছে। এই আক্রমণের লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক লাভ এবং ভোট আদায় করা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/151938/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://asset.news24bd.tv/public/news_images/2025/04/28/1745824212-2a19911c71b096f7baba9e0fd57b5bba.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘পানিশূন্য’ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/563685/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 27 Apr 2025 04:54:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=563685</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের আগ্রাসনে পানির অভাবে খরস্রোতা তিস্তা নদী এখন ধু-ধু বালু চর। বিস্তীর্ণ এলাকায় চর জেগেছে। ব্যাহত হচ্ছে চাষাবাদ। বিপাকে পড়েছেন কৃষক। স্বস্তিতে নেই জেলেরাও। এমন পরিস্থিতিতে চরম দুর্দিন পার করছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। অপরদিকে, নাব্যতা সংকটে বর্ষাকালে দেখা দেয় ব্যাপক বন্যা আর নদী ভাঙন। এতে বাড়ে দুর্ভোগ। তিস্তার যৌবন ফেরাতে, লাখ লাখ মানুষের জীবিকার এ উৎসকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের আগ্রাসনে পানির অভাবে খরস্রোতা তিস্তা নদী এখন ধু-ধু বালু চর। বিস্তীর্ণ এলাকায় চর জেগেছে। ব্যাহত হচ্ছে চাষাবাদ। বিপাকে পড়েছেন কৃষক। স্বস্তিতে নেই জেলেরাও। এমন পরিস্থিতিতে চরম দুর্দিন পার করছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। অপরদিকে, নাব্যতা সংকটে বর্ষাকালে দেখা দেয় ব্যাপক বন্যা আর নদী ভাঙন। এতে বাড়ে দুর্ভোগ। তিস্তার যৌবন ফেরাতে, লাখ লাখ মানুষের জীবিকার এ উৎসকে চিরচেনা রূপে ফিরিয়ে আনতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;">একসময় এই নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষিকাজ করতেন তিস্তাপাড়ের মানুষ। ধান, গম, ভুট্টা, সবজিসহ নানা রকম ফসল ফলাতেন তারা। নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন জেলেরা। এখন শুধু হাহাকার।</p>
<p style="text-align: justify;">তিস্তা পানিশূন্য। চারিদিকে জেগে উঠেছে চর আর চর। নদীতে কোথাও হাঁটুর নিচে পানি কোথাও আবার পানি শূন্য। পানি সেচ দিয়ে চাষাবাদ করছেন কৃষকেরা। ফলে ব্যয় ও শ্রম দুটোই বাড়ছে। লোকসান গুনছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">লালমনিরহাট কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, তিস্তা চরাঞ্চলে ৯ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেছেন চরাঞ্চলের কৃষকেরা। পানি না থাকায় ফসল উৎপাদনে খরচ বাড়ছে দিনদিন। ডিজেল চালিত সেচ পাম্প লাগিয়ে কোন রকম পানি দিচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, শুষ্ক মৌশুমে তিস্তায় ৩ থেকে ৪ হাজার কিউসেক পানি থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৪ থেকে ৫শ’ কিউসেক। যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। নদীতে পানি কমে যাওয়ায় তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পও কাজে আসছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের সিকিম থেকে উৎপত্তি হওয়া তিস্তা নদী লালমনিরহাট দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। বাংলাদেশ অংশে রয়েছে ১১৫ কিলোমিটার। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তিস্তার নাব্যতা সংকট রোধে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নামে এক প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেশী দেশের আপত্তির কারণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা আলোর মুখ দেখেনি। তাই তিস্তা পাড়ের মানুষ চরম দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শুষ্ক মৌসুমে তিস্তায় জেগে উঠে চর। অপরদিকে, নদীর নাব্যতা সংকটে বর্ষায় ব্যাপক বন্যা আর নদী ভাঙন দেখা দেয়। বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে প্রতি বছর বাস্তহারা হয় হাজার পরিবার। এদিকে, তিস্তা নদীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও তিস্তার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির উদ্যোগে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছরের ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই দিনব্যাপী তিস্তাপাড়ের ১১টি পয়েন্টে ৪৮ ঘন্টার লাগাতার কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, তিস্তা পাড়বাসীসহ সাধারণ মানুষ। এ আন্দোলন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। দ্বিতীয় দিনে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ আন্দোলন কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন নেতৃবৃন্দ।</p>
<div id="attachment_997369" class="wp-caption aligncenter" style="width: 840px;">
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="size-full wp-image-997369" src="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3.jpg" sizes="(max-width: 830px) 100vw, 830px" srcset="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3.jpg 830w, https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3-300x180.jpg 300w, https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3-768x462.jpg 768w, https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3-826x497.jpg 826w, https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3-755x454.jpg 755w, https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3-615x370.jpg 615w, https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-3-200x120.jpg 200w" alt="" width="830" height="499" aria-describedby="caption-attachment-997369" /></p>
<p id="caption-attachment-997369" class="wp-caption-text">ফসল উৎপাদনে সেচ পাম্প</p>
</div>
<p style="text-align: justify;">তিস্তা নদীরক্ষা আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, উত্তরের জীবনরেখা তিস্তা নদী। প্রতিবেশী দেশের কারণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন আটকে আছে। ফলে এখানে চাষাবাদ ব্যাহতসহ নানা রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মানুষের ওপর। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে উত্তরের মানুষ। আমরা তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন শুরু করেছি। তিস্তাপাড়ে লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণে র‌্যালি, আলোচনা সভা, সেমিনার, হেঁটে তিস্তা নদীপার, গণসংগীত, তিস্তাকেন্দ্রিক নাটক,সিনেমা প্রদর্শন ও মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দেশ ও বিদেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলোতে তিস্তার এ সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। মানুষজনের ব্যাপক সমর্থনও পেয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার।</p>
<p style="text-align: justify;">লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার জানান, তিস্তা বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আন্তরিক তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য। এ লক্ষ্যে চায়না পাওয়ার কোম্পানি ও বাংলাদেশের সরকারের উদ্যোগে তিস্তাপাড়ে ইতিমধ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মানুষজনের মতামত নেওয়া হয়েছে। অল্প সময়ে আশার আলো দেখতে পাবেন তিস্তা পাড়ের মানুষ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/04/Cultivation-disrupted-water-shortages-implementation-of-master-plan-essential-to-save-Teesta-1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সিন্ধুতে হয় পানি, না হয় ভারতীয়দের রক্ত বইবে: বিলাওয়াল ভুট্টো</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/92887/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/92887/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Apr 2025 04:28:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=92887</guid>

					<description><![CDATA[ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পহেলগামে ভয়াবহ হামলার ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা চলছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। পরোক্ষভাবে পাকিস্তান এ হামলায় জড়িত এমন অভিযোগ তুলে বুধবার দেশটির সঙ্গে ১৯৬০ সালের সিন্ধু নদ পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণা দেয় ভারত। শুক্রবার ভারতের জলশক্তিমন্ত্রী সিআর পাতিল বলেছেন, পাকিস্তানে সিন্ধু নদের এক ফোঁটা পানিও যেন না যায় সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত। এদিকে, ভারত একতরফাভাবে পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পহেলগামে ভয়াবহ হামলার ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা চলছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। পরোক্ষভাবে পাকিস্তান এ হামলায় জড়িত এমন অভিযোগ তুলে বুধবার দেশটির সঙ্গে ১৯৬০ সালের সিন্ধু নদ পানি চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণা দেয় ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার ভারতের জলশক্তিমন্ত্রী সিআর পাতিল বলেছেন, পাকিস্তানে সিন্ধু নদের এক ফোঁটা পানিও যেন না যায় সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, ভারত একতরফাভাবে পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত করলে সিন্ধুতে ভারতীয়দের রক্ত ​বইবে বলে হুংকার দিয়েছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার সিন্ধু প্রদেশের সুক্কুর জেলায় পিপিপির এক সমাবেশে বিলাওয়াল বলেন, “সিন্ধু সভ্যতার বৈধ উত্তরাধিকারী হিসেবে পাকিস্তান কখনই নদীর ওপর তার দাবি ত্যাগ করবে না।”</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “হয় পানি, না হয় তোমাদের রক্ত ​এই নদীতেই প্রবাহিত হবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সিন্ধু সভ্যতার উত্তরাধিকারী হওয়ার দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে বিলাওয়াল পাল্টা বলেন, “তিনি (মোদি) বলছেন যে- তারা হাজার হাজার বছরের পুরনো সভ্যতার উত্তরাধিকারী। কিন্তু সেই সভ্যতা লারকানার মহেঞ্জোদারোতে অবস্থিত। আমরাই এর প্রকৃত রক্ষক এবং আমরা এটিকে রক্ষা করব।”</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জোর দিয়ে বলেন, “পাকিস্তানের জনগণ বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেউই মোদির যুদ্ধবাজ মনোভাব বা পাকিস্তান থেকে সিন্ধু নদীর পানি সরিয়ে নেয়ার কোনো প্রচেষ্টা সহ্য করবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিলাওয়াল বলেন, “মোদি সিন্ধু এবং সিন্ধু নদীর জনগণের মধ্যে যুগ যুগ ধরে চলা বন্ধন ছিন্ন করতে পারবেন না। ভারত সরকার পাকিস্তানের পানির ওপর চোখ রেখেছে। এ পরিস্থিতিতে সিন্ধুর পানি রক্ষা এবং সুরক্ষার জন্য চারটি প্রদেশের ঐক্য প্রয়োজন। আমরা বিশ্বকে একটি বার্তা পাঠাব। তা হলো, সিন্ধু নদীতে ডাকাতি মেনে নেয়া হবে না।”</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের সর্বকনিষ্ঠ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা বিলাওয়াল বলেন, “ভারতে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তানের জনগণ। পাকিস্তানিরা নিজেও সন্ত্রাসবাদের শিকার।”</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে বলে বিলাওয়াল অভিযোগ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো প্রমাণ ছাড়াই, ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে ভারত অবৈধভাবে সেই চুক্তি বাতিল করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পিপিপি চেয়ারম্যান তার সমর্থকদের ভারতীয় আগ্রাসন থেকে তাদের নদী রক্ষার জন্য দৃঢ় সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফকে আশ্বস্ত করেন যে, পিপিপি এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এর মধ্যে রাজনৈতিক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, তারা ভারতের মোকাবিলায় ফেডারেল সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যে সতর্ক করে বলেছে, ভারত যদি সিন্ধু নদের পানির প্রবাহ বন্ধের চেষ্টা চালায় তাহলে এটিকে তারা যুদ্ধের কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করবে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/92887/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2023/04/20/bilawal.jpeg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত, ‘র’ এবং আ.লীগের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে: হাসনাত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/285734/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 06:24:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=285734</guid>

					<description><![CDATA[আমাদের মেরে না ফেলা পর্যন্ত ভারত, ‘র’ আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার দিবাগত রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান। ফেসবুক হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টে লেখেন, ‘প্রথম আলো আজ শিরোনাম করেছে ‘হাসনাতের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন’। আমি প্রথম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আমাদের মেরে না ফেলা পর্যন্ত ভারত, ‘র’ আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দিবাগত রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেসবুক হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টে লেখেন, ‘প্রথম আলো আজ শিরোনাম করেছে ‘হাসনাতের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন’। আমি প্রথম আলোর সেই সাংবাদিককে অনুরোধ করছি আপনি দয়া করে আমার বাসায় এসে দেখে যান আমি কত বিলাসী জীবনযাপন করি। দিল্লি থেকে লিখে দেওয়া নিউজ করে যদি ভেবে থাকেন হাসনাত আব্দুল্লাহকে থামাতে পারবেন তাহলে আপনারা এখনও ভুলের জগতে আছেন। থামার হলে তো সেদিনই থেমে যেতাম। ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ ফেরানোর বিরুদ্ধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একাই রুখে দাঁড়াতাম না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, থামার হলে আপনাদের মতোই ভারত বা ‌র এদের তাবেদারি করে মন্ত্রী হওয়ার হিসাব করতাম। বিলাসিতাই যদি করতে চাইতাম তাহলে আমার এতো যুদ্ধ করার দরকার ছিল না আপনাদের সাথে মিলে মিশেই বিলাসী জীবন বেছে নিতে পারতাম। আমি সেটা করিনি এবং করবও না। যতই তথ্যসন্ত্রাস করেন আমি ভারত আর ‘র’ এর বিরুদ্ধে কথা বলা থামাবো না, আওয়ামী লীগ ফেরানোর কোন উদ্যোগ জীবন থাকতে সফল হতে দেব না।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি কত বিলাসী জীবনযাপন করি সেটা সবাই জানে। আমার ব্যাংক ব্যালেন্স থেকে শুরু করি ট্যাক্স রিটার্ন সবকিছুই একসেস করা যায়। আপনারাও একসেস করতে পারতেন কিন্তু আপনারা করেননি। চ্যালেঞ্জ করে বলছি গতকালের মিটিংএ আমার এসব বিষয়ে কোন কথাই হয়নি, প্রশ্নও হয়নি। অথচ এত বড় মিথ্যা আমার নামে ছাপিয়ে দিলেন। আমি আবারও চ্যালেঞ্জ করছি আমি কারও কাছ থেকে এক টাকা নিয়েছি এটা কেউ প্রমাণ করুক। যেকোনভাবে। সরকারি-বেসরকারি যেকোনো গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় তদন্ত হোক। আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। কিন্তু এসব মিথ্যা নিউজ করে আমাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, প্রথম আলো বারবারই এ দেশের সৎ এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদদের নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যে বা যারাই দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে, তাদেরকেই আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। আমি সেই তালিকার সর্বশেষ সংযোজন। র এর বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ার দুই দিনের মাথায় আমাকে নিয়ে এই তথ্যসন্ত্রাস কাকতালীয় হতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, এসব তথ্যসন্ত্রাস দিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। যতদিন দেহে প্রাণ আছে আমি এই দেশে দিল্লির সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবো। তাতে আমার রাজনীতি যদি না থাকে, আমাকে যদি মাইনাস করা হয়, হোক। আমাদেরকে মেরে না ফেলা পর্যন্ত ভারত, র আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/02/Hasnat-Abdullah.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বড়াইবাড়ী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবিতে সমাবেশ ডাকল এনআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/561863/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 10:04:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএসএফ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=561863</guid>

					<description><![CDATA[১৮ এপ্রিল ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস। ২০০১ সালের এই দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিনা উস্কানিতে দ্বিপক্ষীয় সীমান্তের ১০৬৭/৩ পিলার অতিক্রম করে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী গ্রামে অতর্কিতভাবে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালায়। শেষ পর্যন্ত তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) ও গ্রামবাসীদের মিলিত প্রতিরোধে পিছু হটে বিএসএফ। এ ঘটনায় প্রাণ হারায় বিডিআরের তিন সদস্য। আহত হন অনেকেই। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">১৮ এপ্রিল ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস। ২০০১ সালের এই দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিনা উস্কানিতে দ্বিপক্ষীয় সীমান্তের ১০৬৭/৩ পিলার অতিক্রম করে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী গ্রামে অতর্কিতভাবে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালায়। শেষ পর্যন্ত তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) ও গ্রামবাসীদের মিলিত প্রতিরোধে পিছু হটে বিএসএফ। এ ঘটনায় প্রাণ হারায় বিডিআরের তিন সদস্য। আহত হন অনেকেই।</p>
<p style="text-align: justify;">সেদিন ভোররাতে বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে অনধিকার প্রবেশ করে বড়াইবাড়ী গ্রামে হামলা চালায়। ওইদিন হামলার জবাব দিয়েছিল গ্রামবাসী ও তৎকালীন বিডিআর। সেই প্রতিরোধে বিএসএফ তাদের ১৬ সদস্যের লাশ ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। সেই সংর্ঘষে শহীদ হন বাংলাদেশের ৩৩ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওহিদুজ্জামান, সিপাহী মাহফুজার রহমান এবং ২৬ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিপাহী আব্দুল কাদের। এছাড়া আহত হন হাবিলদার আব্দুল গনি, নায়েক নজরুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক আবু বক্কর সিদ্দিক, সিপাহী হাবিবুর রহমান ও সিপাহী জাহিদুর নবী। স্থানীয়দের মধ্যে ছবিরন বেওয়া (৮০), মোস্তফা মুন্সিসহ (৪৫) আরও অনেকে আহত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">সিলেটের পাদুয়ায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে জবর দখল করতে গিয়ে তৎকালীন বিডিআর জোয়ানদের প্রতিরোধের মুখে শোচনীয় পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই বিএসএফ এ বর্বরোচিত আক্রমণ চালায় বলে ধারণা এলাকাবাসীর।</p>
<p style="text-align: justify;">সে সময় বিএসএফ’র তাণ্ডবে পুড়ে ছাই হয়েছিল বড়াইবাড়ী গ্রামের ৬৯টি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রায় ২ কোটি টাকার সম্পদ। সেই থেকে ঐতিহাসিকভাবে এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে ‘বড়াইবাড়ী দিবস’ হিসেবে। দিবসটি উপলক্ষে বড়াইবাড়ীতে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা সেখানে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে গ্রামের মানুষ এখনও দুঃসহ স্মৃতি মনে হলে আঁতকে ওঠে। বর্তমানে দুই শতাধিক পরিবার ওই গ্রামে বসবাস করছে। সরকার,রেড ক্রিসেন্ট ও এনজিও’র দেওয়া সহায়তা নিয়ে কোনওরকম মাথা গোজার ঠাঁই করে নিয়েছে এসব পরিবার। তাদের দাবি, সরকারি আশ্বাসের বাস্তবায়ন ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বড়াইবাড়ী দিবসকে যেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</p>
<p><strong>বড়াইবাড়ী দিবস এর কর্মসূচী :</strong></p>
<p>ঐতিহাসিক ১৮ এপ্রিল ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বড়াইবাড়ী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবিতে সমাবেশ ডাকল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ (এনআরসি)<br />
<iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fnrcbd.bangla%2Fposts%2Fpfbid0ftQYxHK5zM5m3Xh3YDUQre1bu6tkNGePKRSaUbuPQREqHPQyxDtZduboo37L52Hql&amp;show_text=false&amp;width=500" width="500" height="140" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক <a href="https://www.facebook.com/nrcbd.bangla" target="_blank" rel="noopener">খোমেনী ইহসান</a> বলেন, ঐতিহাসিক ১৮ এপ্রিল ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী বড়াইবাড়ী দিবস। এ দিনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে &#8220;জাতীয় প্রতিরোধ দিবস&#8221; হিসেবে পালনের দাবিতে সবাই আওয়াজ তুলুন।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ সামান্য সামর্থে এ দাবিতে আগামীকাল বুধবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করবে৷ যাদের জনবল আছে তারা লোকজন নিয়ে সমাবেশে আসুন। আমাদের কর্মসূচিতে বড়াইবাড়ির লড়াইয়ের সূত্রপাতকারী বীর নেতা উপস্থিত থাকবেন৷ তাই আপনারাও আসুন। আর হ্যা, দেশপ্রেমিক হলে বিএনপি জামায়াত এনসিপি যেন বড়াইবাড়ী দিবসকে উদযাপন করে।</p>
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fkhomeneefb%2Fposts%2Fpfbid0jfGG6RoSSeuNCxG3ccAcJY8fvMqnfmH1Wpzw5sdfhKXbPpSZH5W3rvS5r8ZyVcCyl&amp;show_text=true&amp;width=500" width="500" height="285" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.dailyamaderkhobor.com/wp-content/uploads/2024/04/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পশ্চিম বাংলায় ওয়াকফ বিল কার্যকর না করার ঘোষণা মমতার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/48555/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/48555/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2025 08:38:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=48555</guid>

					<description><![CDATA[বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পশ্চিম বাংলায় কার্যকর না করার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস করায় পশ্চিমবঙ্গে এখনো আন্দোলন চলছে। মমতা বলেন, আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করি না। কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তাদের প্রলোভনে পা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পশ্চিম বাংলায় কার্যকর না করার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস করায় পশ্চিমবঙ্গে এখনো আন্দোলন চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মমতা বলেন, আমরা কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করি না। কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তাদের প্রলোভনে পা দেবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালতেও আইনটি বাতিল করার দাবিতে একাধিক পিটিশন জমা পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ আগামী সপ্তাহেই এই মামলাগুলো শুনবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কলকাতায়ও আইনটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হচ্ছে। কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশ থেকে ওয়াকফ আইন বাতিল করার দাবিতে এক কোটি মানুষের স্বাক্ষর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে মুসলিম সংগঠন জমিয়ত-ই-উলেমা হিন্দ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/48555/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/bhrt_bksbh_vWxJH7Z.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতীয় মুসলমানদের জাতিগত নিধনের পদক্ষেপ ওয়াকফ বিল : এনআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/559249/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 04 Apr 2025 15:59:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=559249</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসকে মুসলমানদের অ্যাথনিক ক্লিনজিং বা জাতিগত নিধনের পদক্ষেপ আখ্যা দিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। শুক্রবার জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। দলটি এ ঘটনাকে ভারতের অভ্যন্তরীণ ঘটনা মনে করে চুপ না থেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের উপর আঘাত বিবেচনা করে বাংলাদেশসহ সব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসকে মুসলমানদের অ্যাথনিক ক্লিনজিং বা জাতিগত নিধনের পদক্ষেপ আখ্যা দিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">দলটি এ ঘটনাকে ভারতের অভ্যন্তরীণ ঘটনা মনে করে চুপ না থেকে সারা বিশ্বের মুসলমানদের উপর আঘাত বিবেচনা করে বাংলাদেশসহ সব মুসলিম দেশকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের উগ্রবাদী মোদি সরকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর পরিচালিত জাতিগত নিধন মূলক হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতন ও বুলডোজার অভিযানের ধারাবাহিকতায় এবার ভয়াবহ ষড়যন্ত্রমূলক বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানদের ওয়াকফ করা মসজিদ-মাদরাসা ও এতিমখানাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি ফিলিস্তিনের মুসলমানদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদে ইসরাইলি দখলদারদের কৌশলেরই ভারতীয় সংস্করণ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতে প্রায় ৪০ কোটি মুসলমান বসবাস করে, যা বিশ্বের দুইশ কোটি মুসলমানের এক পঞ্চমাংশ। ফলে ভারতীয় মুসলমানদের মাতৃভূমিতে থেকে বিতাড়িত করার ষড়যন্ত্রস্বরূপ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস, মুসলমানদের ধর্মীয় বিধান তিন তালাক নিষিদ্ধ, বুলডোজার দিয়ে মসজিদ ও বসতবাড়ি ভাঙার ঘটনা এবং কথায় কথায় মুসলমানদের হত্যা ধর্ষণ নিপীড়ন মোটেই অভ্যন্তরীণ ঘটনা নয়। বরং উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের এসব জাতিগত নিধনমূলক অপরাধ সমগ্র বিশ্ব মুসলমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত মানবতা বিরোধী ধর্মযুদ্ধেরই অংশ যা রুখে দাঁড়ানো মুসলিম দেশগুলোর পরিহার্য কর্তব্য।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে ভারতে সরকারের মুসলিম বিরোধী বিল পাশের প্রতিবাদে দেশটির হাইকমিশনারকে তলব করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cf-img-a-in.tosshub.com/lingo/atbn/images/story/202504/67ecd36ce2d78-waqf-amendment-bill-020426471-16x9.jpg?size=948:533" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতে মুসলিম হত্যার বিরুদ্ধে ড. ইউনূসকে সোচ্চার হওয়ার দাবি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/554974/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Mar 2025 16:10:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=554974</guid>

					<description><![CDATA[পবিত্র রমজান মাসেও ভারতের মুসলমানদেরকে হত্যা-নির্যাতন ও মসজিদে হামলাকারী হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদেরকে কঠোরভাবে দমন করতে ভারত সরকারকে চাপ দিতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় ‘হিন্দু মুসলিম এক হও, নিপীড়ন রুখে দাও’, ‘হিন্দুত্ববাদের কালো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পবিত্র রমজান মাসেও ভারতের মুসলমানদেরকে হত্যা-নির্যাতন ও মসজিদে হামলাকারী হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদেরকে কঠোরভাবে দমন করতে ভারত সরকারকে চাপ দিতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় ‘হিন্দু মুসলিম এক হও, নিপীড়ন রুখে দাও’, ‘হিন্দুত্ববাদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘মানবতা দিচ্ছে ডাক, ভারতীয় মুসলমানরা মুক্তি পাক’, ‘মুসলিম লাইভ ম্যাটারস, স্টপ দ্য জেনসাইড’, ‘স্টপ দ্য হেইট, জাস্টিস ফর ইন্ডিয়ান মুসলিমস’, ‘রামাদান ম্যাসাকার, মাস্ট ইন্ড মাস্ট ইন্ড’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।</p>
<p><iframe loading="lazy" style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=476&amp;href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fkhomeneefb%2Fvideos%2F1187677346227053%2F&amp;show_text=true&amp;width=267&amp;t=0" width="267" height="591" frameborder="0" scrolling="no" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান ও সহকারী সদস্যসচিব গালিব ইহসান।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্যসচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার, কেন্দ্রীয় সদস্য তামিম আনোয়ার, ওয়াসিম আহমেদ, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্য সদস্য সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়েতুল্লাহ ও বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/03/16/NRC-67d6e6a903896.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/69914/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/69914/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Mar 2025 05:45:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রলীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=69914</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় আবরারের বাবার করা মামলায় ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর বুয়েটের ২০ শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় আরও পাঁচজনকে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিম্ন আদালতের ফাঁসির রায় অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স আসে হাইকোর্টে। কারাগারে থাকা আসামিরা আপিল করেন। গত বছরের ২৮ নভেম্বর হাইকোর্টে মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে হাইকোর্ট। সেখান থেকে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য আজকের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্তি করেছে হাইকোর্ট।</p>
<h3>আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্টানে ছাত্রলীগের হামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার তৃতীয় বার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। সেই সমাবেশে অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে থাকা চেয়ার ও মাইক ভাঙচুর করেন। পুড়িয়ে দেওয়া হয় ব্যানার-ফেস্টুনও। এতে পণ্ড হয়ে গেছে ছাত্র অধিকার পরিষদের ডাকা সমাবেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ঘটনায় ছাত্র অধিকার পরিষদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনের নেতারা তবে আহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনের নাম জানা গেছে। তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সাহিত্য সম্পাদক জাহিদ আহসান।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে হামলায় নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এম এম মহিন উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান, সাংগঠনিক নাজিম উদ্দীন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন রহমান, উপদপ্তর সম্পাদক শিমুল খান, আব্দুর রাহিম, জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল উদ্দীন রানা, সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেনকে।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের সঙ্গে অংশ নেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকশো নেতাকর্মী।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, ঘটনার সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ছাত্রলীগ।</p>
<p style="text-align: justify;">হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান বলেন, ‘তারা (ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা) ক্যাম্পাসে বহিরাগত, মৌলবাদীদের নিয়ে কর্মসূচি করে। আমরা তাদের জিজ্ঞাসা করতে যায়, তারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কি না? এসময় তারা কোনো কিছু না দেখিয়ে উল্টো আমাদের ওপর হামলা করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিরোধ করেছে।’</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>একনজরে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে আবরার ফাহাদকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্তে এ মামলায় আরও কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর এ মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/69914/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/abrer-13.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সেনাবাহিনী নিয়ে ভারতীয় চক্রান্ত চলছেই, আইএসপিআরের প্রতিবাদ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/144257/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/144257/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Mar 2025 02:02:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আইএসপিআর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=144257</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ভেতরে অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা ও চেইন অব কমান্ড ভেঙে যেতে পারে বলে ভারতীয় মিডিয়ায় যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে সম্প্রতি দ্য ইকোনমিক টাইমস এবং দ্য ইন্ডিয়া টুডেসহ কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ভেতরে অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা ও চেইন অব কমান্ড ভেঙে যেতে পারে বলে ভারতীয় মিডিয়ায় যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১১ মার্চ) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে সম্প্রতি দ্য ইকোনমিক টাইমস এবং দ্য ইন্ডিয়া টুডেসহ কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে অভ্যুত্থান ও চেইন অব কমান্ড ভাঙতে পারে বলে যে কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই ধরনের মিথ্যা প্রতিবেদন বাংলাদেশ এবং সশস্ত্র বাহিনীর স্থিতিশীলতা ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার লক্ষ্যে একটি ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অংশ বলে মনে হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা স্পষ্টভাবে বলছি- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের দক্ষ নেতৃত্বে শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং তার সাংবিধানিক কর্তব্য পালনে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কমান্ড শৃঙ্খল শক্তিশালী এবং সিনিয়র জেনারেলসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্য সংবিধান, কমান্ড শৃঙ্খল এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তাদের আনুগত্যের প্রতি অটল। পদমর্যাদার মধ্যে অনৈক্য বা আনুগত্যহীনতার যেকোনো অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট এবং বিদ্বেষপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে আরো বলা হয়, এটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক যে দ্য ইকোনমিক টাইমস বারবার এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় লিপ্ত হয়েছে। এই সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র এক মাস আগে, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে একই সংবাদমাধ্যম একই ধরণের মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এই ধরণের আচরণ এই সংবাদমাধ্যমগুলোর উদ্দেশ্য এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা রক্ষার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আমরা সকল সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করার এবং অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে এমন মিথ্যা তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/144257/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://backoffice.channel24bd.tv/media/imgAll/2025March/ispr-1741597045.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইউনুস সরকার বদলালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিবর্তন হতে পারে: ভারতীয় সেনাপ্রধান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/553489/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Mar 2025 06:22:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=553489</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের ফলে ভারতের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। শনিবার (৮ মার্চ) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভে এক ইন্টারেক্টিভ অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, ”বাংলাদেশ ও ভারতের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী এবং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের ফলে ভারতের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (৮ মার্চ) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভে এক ইন্টারেক্টিভ অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, ”বাংলাদেশ ও ভারতের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী এবং আমরা নিয়মিত নোট বিনিময় করি, যাতে কোনো সন্দেহ বা দ্বন্দ্ব না হয়।”</p>
<p style="text-align: justify;">অধিবেশন চলাকালীন ভারতীয় এই সেনাপ্রধান ভবিষ্যতের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি, চলমান সংঘাত থেকে শিক্ষা, বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং নিয়ন্ত্রণ রেখা সম্পর্কে বিস্তৃত প্রশ্নের জবাব দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া “অনেক তাড়াতাড়ি” হতে পারে। যেখানে (বাংলাদেশে) সরকার পরিবর্তনের ফলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের পরিবর্তন আসতে পারে। কারণ আমার মতে, আমি খুব স্পষ্ট করেই বলব, (বাংলাদেশ ও ভারতের) বর্তমান সামরিক-সামরিক সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী। এবং আমরা নিয়মিতভাবে নোট বিনিময় করি, যাতে যেকোনও ধরনের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বা সন্দেহ এড়ানো যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া পাকিস্তান ও চীনের সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “এই দুটি দেশের মধ্যে উচ্চ মাত্রার যোগসাজশ রয়েছে, যা আমাদের মেনে নিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “দুটি ফ্রন্টের হুমকি এখন বাস্তবতা।”</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/03/indian-army-cheif.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোর চায় ভারত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1906/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1906/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Mar 2025 05:30:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/1906/</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট চায় মেঘালয় রাজ্য সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মেঘালয় রাজ্য সরকার মনে করে, হিলি–মাহেন্দ্রগঞ্জ আন্তঃজাতীয় অর্থনৈতিক করিডোর স্থাপনের মাধ্যমে উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো সম্ভব হবে। হিলি পশ্চিবঙ্গের একটি সীমান্ত শহর হলেও মাহেন্দ্রগঞ্জ মেঘালয়ের গারো পাহাড়ী অঞ্চলের একটি সীমান্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট চায় মেঘালয় রাজ্য সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মেঘালয় রাজ্য সরকার মনে করে, হিলি–মাহেন্দ্রগঞ্জ আন্তঃজাতীয় অর্থনৈতিক করিডোর স্থাপনের মাধ্যমে উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো সম্ভব হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">হিলি পশ্চিবঙ্গের একটি সীমান্ত শহর হলেও মাহেন্দ্রগঞ্জ মেঘালয়ের গারো পাহাড়ী অঞ্চলের একটি সীমান্ত শহর। আর এই দুই শহরের সঙ্গেই বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এই দুই অঞ্চল ব্যবহার করে কলকাতার সঙ্গে সরাসরি মেঘালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করতে পরিকল্পনা করছেন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা।</p>
<p style="text-align: justify;">মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেন, ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটটি চালু হলে কলকাতা থেকে তুরা, বাগমারা, ডালু এবং ডাউকির মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে ভ্রমণ সময় ও খরচ ২৫-৬০ শতাংশ কমে আসবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের জাতীয় সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন করপোরেশন (এনএইচআইডিসিএল) এরই মধ্যে এই সড়কের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে শেয়ার করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেন, “যদি বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের হিলি এবং মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জের মধ্যে একটি সংযোগ করিডর নির্মাণ করা যায়, তাহলে মেঘালয়, আসামের বরাক উপত্যকা এবং ত্রিপুরার মতো জায়গাগুলোর সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ৬০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার কমে যাবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">কনরাড সাংমা আরো বলেন, “এটি হবে একটি বিকল্প অর্থনৈতিক করিডর। তবে কবে নাগাদ এটি হতে পারে, তা বলা একটু কঠিন। কারণ এর সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারও যুক্ত। বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের আগে, দিল্লি এ ব্যাপারে ঢাকার সঙ্গে আলোচনা করেছিল এবং এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠক। আমরা আবার এটির জন্য চাপ দেব।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1906/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bahumatrik.com/media/imgAll/2018September/conrad-2503081232.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনার ‘রাজাকারের ছেলে’ পুনরাবৃত্তি করল বিএনপি নেতা ফজলু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1835/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1835/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Mar 2025 08:12:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/1835/</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানকে ‘রাজাকারের ছেলে’ এবং ‘আলবদরের ছেলে’ বলায় ব্যাপক বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার বিকেলে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে ছাত্র-জনতা ফজলুর রহমানের ছবিতে অগ্নিসংযোগ করে। একই সঙ্গে তারা ফজলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান, একটি অনলাইন টক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানকে ‘রাজাকারের ছেলে’ এবং ‘আলবদরের ছেলে’ বলায় ব্যাপক বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার বিকেলে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে ছাত্র-জনতা ফজলুর রহমানের ছবিতে অগ্নিসংযোগ করে। একই সঙ্গে তারা ফজলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান, একটি অনলাইন টক শো &#8216;ফেস দ্য পিপল&#8217;-এ ছাত্র প্রতিনিধি মিনহাজ উদ্দিনকে ‘রাজাকারের ছেলে’ এবং ‘আলবদরের ছেলে’ বলে আক্রমণ করেন। এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিক্ষোভকারীরা বলেন, শেখ হাসিনা যখন ছাত্রদের ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে অভিযুক্ত করেছিলেন, তখনও তিনি গণহত্যা ঘটিয়েছিলেন, এখন ফজলুর রহমানও সেই একই পথ অনুসরণ করছেন। তারা দাবি করেছেন, ফজলুর রহমানকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ সরকার বলেন, &#8220;আমরা ছাত্রদের ‘রাজাকারের সন্তান’ বলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাই।&#8221; বিক্ষোভকারীরা ফজলুর রহমানকে &#8220;নব্য ফ্যাসিবাদী&#8221; হিসেবে চিহ্নিত করে জানান, নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যে এই ধরনের মন্তব্যকে মেনে নেওয়া হবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের দাবি, ফজলুর রহমানের মতো নেতারা যেন আর কখনো ছাত্রদের আক্রমণ না করেন এবং দেশের স্বাধীনের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা জানাতে বাধ্য হন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1835/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sharenews24.com/thum/article_images/2025/03/05/1741094188-d6d55a82f7452d28747769bddd786a39-4.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত সম্ভবত শোধরাবে না</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/549992/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Feb 2025 05:21:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=549992</guid>

					<description><![CDATA[সপ্তাহ খানেক আগে কয়েকজন পশ্চিমা কূটনীতিকের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছিল। তারা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি নিয়ে আমার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। তারা আমাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির স্বার্থে বাংলাদেশের জনগণের ভারতের সব নষ্টামির কথা ভুলে গিয়ে সামনের দিকে তাকানো উচিত। আমি পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছিলাম, বড় দেশ হিসেবে বরং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সপ্তাহ খানেক আগে কয়েকজন পশ্চিমা কূটনীতিকের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছিল। তারা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি নিয়ে আমার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তারা আমাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির স্বার্থে বাংলাদেশের জনগণের ভারতের সব নষ্টামির কথা ভুলে গিয়ে সামনের দিকে তাকানো উচিত। আমি পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছিলাম, বড় দেশ হিসেবে বরং ভারতেরই ক্ষুদ্র প্রতিবেশীদের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে দিল্লির শাসকদের ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রতি অন্ধ প্রেম ছাড়তে হবে। দিল্লির আশকারায় হাসিনার দানব হয়ে ওঠার দায় ভারত সরকার এড়াতে পারে না। তা ছাড়া অতীত কি চাইলেই মুছে ফেলা যায়? অতীত ভুলে গেলে তো আমরা বারংবার একই ভুলের আবর্তে ঘুরপাক খেতে থাকব।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যক্তি, সমাজ, কিংবা রাষ্ট্রের অতীত ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, সেটা উচিতও নয়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে হয়। তবে এটা ঠিক যে, অতীতের তিক্ততা সারাক্ষণ মনে পুষে রাখলে কারোরই মঙ্গল হবে না। সেটা ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় উভয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওপরের কথাগুলো লিখতে হলো। সার্ক-বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সেই মুখপাত্র আমাদের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিষোদ্গার করেছেন। তিনি বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে প্রফেসর ইউনূসের সরকারকে সেগুলো নিয়ন্ত্রণের নসিহত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পলাতক হাসিনা দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনবরত যেসব ষড়যন্ত্র করে চলেছেন—ভারত সরকারের মুখপাত্রের মন্তব্য যে তারই অংশ, সেটা বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। বাংলাদেশকে আর কখনো ভারতীয় রাডারের বাইরে যেতে না দেওয়ার যে কল্পজগৎ দিল্লির নীতিনির্ধারকরা ২০১০ সালে নির্মাণ করেছিলেন, সেখান থেকে তারা যেন কিছুতেই বের হতে পারছেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে আর দখলদারিত্ব চলবে না, এটা ভাবতেই তাদের মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই তাদের অন্তর্জ্বালার ক্ষণে ক্ষণে বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। নিজ অপরাধে সৃষ্ট মানসিক কারাগার থেকে দিল্লি বের হতে পারছে না বলেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে জটিলতার অবসান হচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">কোনোরকম বিদেশি সহায়তা ছাড়া এ দেশের নিরস্ত্র ও অকুতোভয় ছাত্রজনতার শুধু বুকের রক্তের তীব্র স্রোতধারায় ভারতীয় শৃঙ্খল ভাসিয়ে দেওয়ার বাস্তবতা দিল্লি স্বীকার করে নিলে আমাদের সম্পর্কের নতুন সূচনা সহজেই হতে পারত। তা না করে নরেন্দ্র মোদি ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে সব কূটনৈতিক ভব্যতা জলাঞ্জলি দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নালিশের পসরা খুলে বসেছিলেন। সেখান থেকে দৃশ্যত ব্যর্থ হয়ে ফিরে ভারত সরকার নতুন করে ‘ইসলামি সন্ত্রাসী’ কার্ড খেলতে চাচ্ছে। ভারতের এই খেলায় অবশ্য কোনো নতুনত্ব নেই। ৫০ বছর ধরে দেশটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ‘মাইনরিটি’ ও ‘ইসলামি জঙ্গি’—এই দুই কার্ড ব্যবহার করেই চলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবের পর ভারত প্রথমে ইসকন ও গেরুয়া সন্ত্রাসী চিন্ময়কে ব্যবহার করে মাইনরিটি কার্ড খেলে বিফল হয়েছে। চট্টগ্রামে এক নিরপরাধ মুসলমান আইনজীবীকে হত্যা করেও এ দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো সম্ভব হয়নি। বাস্তবে তিন দশক ধরে ভারতেই চরমপন্থা ও সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহ বিস্তার ঘটছে। সে দেশের সংখ্যালঘু মুসলমান প্রতিনিয়ত উগ্র হিন্দুদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা খোদ মার্কিন মুলুকেই অভিযুক্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মাইনরিটি কার্ড অতিরিক্ত ব্যবহার করলে সেটি শেষ পর্যন্ত নিজেদের জন্যই ব্যুমেরাং হয়ে পড়তে পারে বুঝতে পেরে ভারত সরকার এখন প্রচারণার দ্বিতীয় অস্ত্র ‘ইসলামি জঙ্গি’ কার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে আমরা এবার খানিকটা অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে ভারত ‘ইসলামি জঙ্গি’ কার্ড ব্যবহার করে যথেষ্ট সফল হয়েছিল। তবে সেই সফলতার পেছনে তৎকালীন সরকারের ব্যর্থতাও অনেকাংশে দায়ী ছিল। উদাহরণস্বরূপ জেএমবির কথা বলা যেতে পারে। এই উগ্রবাদী ইসলামিক দলটির প্রধান ব্যক্তির নাম ছিল শায়েখ আবদুর রহমান। তিনি আওয়ামী সন্ত্রাসী সংগঠন যুবলীগের তৎকালীন সেক্রেটারি মির্জা আজমের আপন বোনের স্বামী ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্ত্রাসী মির্জা আজমের বিরুদ্ধে বিডিআর ম্যাসাকারেও সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তার বর্তমান আস্তানা সম্ভবত ভারতেই। জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান ছিলেন একই মির্জা আজমের ভাগনে আবদুল আওয়াল সানি। আমি যতদূর জানি, তারা সবাই আহলে হাদিসপন্থি ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জেএমবির সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে জেনেও চারদলীয় জোট সরকার বিস্ময়করভাবে উগ্রবাদী সংগঠনটিকে প্রাথমিকভাবে উপেক্ষা করার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, বাম সর্বহারা সন্ত্রাসী ও ধর্মীয় উগ্রবাদী জেএমবির মধ্যে খুনোখুনি হলে সেক্ষেত্রে সরকারের বিশেষ কোনো দায় নেই। সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ভারতপন্থি মিডিয়ার সহায়তাক্রমে দিল্লি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্ররূপে চিত্রিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বেশ কয়েকটি পশ্চিমা মিডিয়ায় বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থার উত্থান নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সরকারের ঘুম ভাঙে। ভুল শোধরানোর জন্য জোট সরকার শেষ পর্যন্ত জেএমবির বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানে যায় এবং বেশ সফলতাও লাভ করে। শায়েখ আবদুর রহমান, আবদুল আওয়াল সানি ও অন্য চরমপন্থিদের গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়। চারদলীয় জোট সরকারের আমলেই তারা সর্বোচ্চ সাজায় দণ্ডিত হয় এবং এক-এগারো সরকারের সময় সাজাপ্রাপ্তদের ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি সময়-সুযোগ পেলেই ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইসলামি জঙ্গির প্রসঙ্গ উত্থাপন করে অপপ্রচারে নেমে পড়ে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের সর্বশেষ বক্তব্যে সেই পুরোনো খেলা পুনরায় শুরু করার ইঙ্গিত মিলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় ষড়যন্ত্র এবার যাতে সফল হতে না পারে সেই লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও সতর্ক থাকা আবশ্যক। মনে রাখতে হবে, অতি ইসলামিস্ট হলে সর্বদা রাষ্ট্রের শত্রুরাই লাভবান হয়। এসব ইসলামিস্ট আগেও দেশবিরোধী শক্তিদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়ে যথেষ্ট ক্ষতির কারণ হয়েছেন। এ দেশে হলি আর্টিজান ম্যাসাকারের মতো বর্বর ঘটনাও ঘটেছে। মহান জুলাই বিপ্লবের পর বুঝে অথবা না বুঝে কতিপয় ব্যক্তি আবারো অতি ইসলামিস্ট হয়ে উঠেছেন—কেউ মাজার ভাঙাভাঙি করছেন, কেউ মেয়েদের ফুটবল খেলা বন্ধ করে দিচ্ছেন, আবার কেউ কনসার্ট আটকাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানার ব্যবহার করে এসব বিতর্কিত কাজ করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সারা দেশের দু-একটি ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করছে বিশেষ মহল। কতিপয় অতি উৎসাহীর এসব বালখিল্য আচরণে আমাদের বৈরী প্রতিবেশী যারপরনাই আনন্দলাভ করছে। এই বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোকে তারা ফলাও করে সর্বত্র প্রচার করছে, যাতে পতিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রত্যাবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিশ্বকে দিল্লি এমন একটা ধারণা দিতে চাচ্ছে যে, হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলেই বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঢালাও বয়ানকে মিথ্যা সাব্যস্ত করার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। কোনো সময়ে যৌক্তিক প্রতিবাদের প্রয়োজন হলেও সেটি করতে গিয়ে কোনো অবস্থাতেই সীমা অতিক্রম করা যাবে না। সরকারকেও সীমা অতিক্রমকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমাদের স্মরণে রাখা দরকার, আমরা এক প্রচণ্ড ইসলামোফোবিক দুনিয়ায় বসবাস করছি। আমার প্রায় দুই দশকের লেখালেখির সঙ্গে যারা পরিচিত তারা নিশ্চয়ই জানেন, বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় আমি ইসলামোফোবিক বয়ানের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছি। আমার মতো বাংলাদেশের আরো বেশ কিছু লেখক ও বুদ্ধিজীবীও একইভাবে লড়ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনাদের মনে করিয়ে দিচ্ছি, বাংলাদেশের লেখালেখির জগতে আমাদের চিন্তাধারার মানুষের সংখ্যা বেশ কম। সেই ষাটের দশক থেকেই আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক জগৎ মূলত ইসলামবিদ্বেষীদের দখলেই রয়েছে। হাসিনার ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ধর্মপালনকারী মুসলমানদের ওপর নির্যাতন করার পেছনে ইসলামবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবীদের প্ররোচনাও কাজ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লব এ দেশে বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক রেনেসাঁর এক সোনালি সম্ভাবনা তৈরি করেছে। যারা মাজার ভেঙে অথবা মেয়েদের ফুটবল খেলা বন্ধ করে ইসলাম কায়েম করতে চান, তারা প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় হেজেমনির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক লড়াইটাকেই দুর্বল করে ফেলছেন। তারা হঠকারিতার আশ্রয় নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবীদের অপপ্রচারের সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং পরিণামে ইসলাম, মুসলমান ও দেশের অপকার করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাজকে এ ব্যাপারে সচেতন করার জন্য প্রকৃত আলেম সমাজেরও বিশেষভাবে উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। প্রকৃতিগতভাবে বাংলাদেশের জনগণ ধর্মীয় বিষয়ে সহনশীল ও অসাম্প্রদায়িক। বাংলার হাজার বছরের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, দূরদেশ থেকে আগত সুফিরা তৌহিদ ও সাম্যের বাণীর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত করে এই অঞ্চলের নিপীড়িত জনগোষ্ঠীকে ইসলামের পতাকাতলে নিয়ে এসেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দিল্লির মুসলিম শাসকরা যে আল্লাহর বাণী প্রচার করতে পারেননি, সেটাই করেছেন আরব, মধ্য এশিয়া ও পারস্য থেকে আগত জানা-অজানা সুফিরা। তারা ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ হয়েও বাংলাদেশকেই স্বদেশে পরিণত করে এখানেই ঘুমিয়ে আছেন। তাদের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। ওয়াজ মাহফিলের জনপ্রিয় বক্তারা এ বিষয়ে ধর্মভীরু মুসলমান জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে তুললে বাংলাদেশে যে কোনোরকম উগ্রপন্থা মোকাবিলা করা সহজতর হবে। আমাদের সম্মিলিত লড়াই ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ ও হেজেমনির বিরুদ্ধে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Mahmudur-Rahman-3_kfCmJep.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘র’-এর এজেন্ট হিসাবে অভিযুক্ত কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/3770/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/3770/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Feb 2025 04:45:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=3770</guid>

					<description><![CDATA[২০১৮ সালে মধ্যরাতের নির্বাচনের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত আলেমকে গ্রেপ্তার ও গুম করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকার। গ্রেপ্তার ও গুমের পর ডিবি অফিসে গোয়েন্দাদের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা। তার সঙ্গে হিন্দিভাষী লোকজনও জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতেন। তারা জিজ্ঞাসা করতেন আলেমরা কেন ভারত ও আওয়ামী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২০১৮ সালে মধ্যরাতের নির্বাচনের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত আলেমকে গ্রেপ্তার ও গুম করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকার। গ্রেপ্তার ও গুমের পর ডিবি অফিসে গোয়েন্দাদের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা।</p>
<p style="text-align: justify;">তার সঙ্গে হিন্দিভাষী লোকজনও জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতেন। তারা জিজ্ঞাসা করতেন আলেমরা কেন ভারত ও আওয়ামী লীগবিদ্বেষী। হেফাজতে ইসলামকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবেও তারা তখন উল্লেখ করেন। এমন গুরুতর অভিযোগ করেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী এবং প্রবাসী হাফেজ আতিকুল্লাহ জুলফিকার।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার দেশকে এই দুজন ভুক্তভোগী জানান, সন্তোষ শর্মার পাশে গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও অসহায় বোধ করতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মুফতি হারুন ইজহারকে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে শেরেবাংলা নগর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে ডিবিতে নেওয়া হয়। আল আনসার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও দুবাই প্রবাসী আতিকুল্লাহ জুলফিকারকে ২০১৯ সালে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি) চার মাস গুম করে রাখে।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্তোষ শর্মার বিরুদ্ধে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসসি উইং বা ‘র’-এর এজেন্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলে মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, ‘দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ডিবি কার্যালয়ে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন এবং তার সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও থাকতেন।’ তবে সন্তোষ শর্মা এ অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মুফতি হারুন ইজহার অভিযোগ করেন, ‘২০২১ সালের অক্টোবর মাসে শেরেবাংলা নগর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে সন্তোষ শর্মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেন। তার সঙ্গে এক ব্যক্তি ছিলেন, যিনি নিজেকে শ্রীলঙ্কান বলে পরিচয় দিলেও প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় ছিলেন। ওই ব্যক্তির নাম ছিল ড. নিতিশ।’</p>
<p style="text-align: justify;">হারুন ইজহার বলেন, ‘সন্তোষ শর্মা আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন- আমরা কেন ভারতবিদ্বেষী, কেন আওয়ামী লীগবিদ্বেষী? তিনি (সন্তোষ শর্মা) মন্তব্য করেছিলেন- হেফাজতে ইসলাম তো জঙ্গি সংগঠন এবং তারা সবাই আফগান সাপোর্টার ।’</p>
<p style="text-align: justify;">হেফাজতের এই নেতা আরো অভিযোগ করেন, “ডিবিতে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সামনেই সন্তোষ শর্মা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ‘ঠিকমতো কথা না বললে মাসুল দিতে হবে’।”</p>
<p style="text-align: justify;">ডিবির অভিজ্ঞতা বর্ণনাকালে মুফতি হারুন ইজহার আরো বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদকালে প্রথমে আমার চোখ বাঁধা ছিল। পরে চোখ খুলে দেয়। প্রথমে আমি তাকে (সন্তোষ শর্মা) চিনতে পারিনি। কিন্তু কারাগার থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও দেখে তাকে চিনতে পারি। ডিবি কার্যালয়ে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সন্তোষ শর্মা এবং ড. নিতিশ।’</p>
<p style="text-align: justify;">হারুন ইজহার বলেন, ‘ডিবির ডিসি আব্দুল মান্নান, এডিসি ইমরান ও এডিসি তৌহিদও জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত ছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘ড. নিতিশ আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যাওয়ার সময় ডিসি মান্নানের কাছে একটি খাম দিয়ে যান, যেখানে একটি কাগজ ছিল। পরে ডিসি মান্নান ওই কাগজ হাতে নিয়ে আমাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করতে আসেন এবং বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।’</p>
<p style="text-align: justify;">নিতিশের সঠিক পরিচয় সম্পর্কে আমার দেশ নিশ্চিত হতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশে ফিরেই গুম ও রিমান্ড</p>
<p style="text-align: justify;">মুফতি হারুন ইজহারের মতো একই ধরনের অভিযোগ করেছেন দুবাই প্রবাসী আতিকুল্লাহ জুলফিকার। প্রবাসে থাকা আল আনসার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আমার দেশকে জানান, ২০১৯ সালে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি) তাকে চার মাস গুম করে রাখে। এরপর তাকে তিনটি মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে পাঁচ বছর কারাগারে রাখা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘২০১৯ সালের ১৩ জুন ঢাকার বাসাবো এলাকায় আমার ব্যবসায়ী অংশীদারের বাসায় যাওয়ার সময় সাদা পোশাকের অজ্ঞাত ব্যক্তিরা চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় ১৬ বছর বয়সি ভাগনে মো. হুজাইফা তাহমিদকেও তুলে নেয়। পরে ঢাকার সিটিটিসিতে আটকে রেখে চার মাস তিন দিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।’</p>
<p style="text-align: justify;">গুম হওয়ার পর ফেনীর দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন হাফেজ আতিকুল্লাহ জুলফিকারের আরেক ভাগনে হাফেজ মো. মনছুর আলম। এ ছাড়া নিখোঁজ ব্যক্তিদের ‍উদ্ধারে সহায়তা চেয়ে ২০১৯ সালের ১৬ জুন র‌্যাব-১০-এ একটি আবেদনও করেছিলেন তিনি। পরদিন একই আবেদন করেছিলেন র‌্যাব-৩-এ। এ ছাড়া খিলগাঁও থানায়ও সাধারণ ডায়ারি করেছিলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর দীর্ঘ পাঁচ বছর পর তিনি কারামুক্ত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘গুমকালে আমাকে ব্যাপক মারধর করতেন এডিসি তৌহিদ।’</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় ডিবি অফিসের ভেতর পুলিশের কেউ নন, এমন ব্যক্তিদের আনাগোনা সম্পর্কেও গুরুতর অভিযোগ করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘চার মাস গুম রাখার পর তাকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় পুলিশের পাশাপাশি দুজন হিন্দিভাষী ব্যক্তি আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারা ভারতে তাদের হয়ে চরমপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়ানোর প্রস্তাব দেন। তাদের একজন ছিলেন সিভিল পোশাকধারী।’</p>
<p style="text-align: justify;">এক প্রশ্নের জবাবে আতিকুল্লাহ আরো বলেন, ‘আমার চোখ খোলা রেখেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এ সময় ডিবির সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি আমাকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় একাধিক প্রশ্ন করেন। তখন দুই ব্যক্তি হিন্দিতে আমাকে প্রশ্ন করছিলেন এবং তাদের সহায়তা করছিলেন বাংলাভাষী ওই ব্যক্তি।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরো বলেন, ‘তারা আমাকে ভারতে চরমপন্থায় জড়িত হওয়ার প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া আল মারকাজুলের শীর্ষ এক ব্যক্তি সম্পর্কেও প্রশ্ন করে মিথ্যা জবানবন্দি আদায়ের চেষ্টা করেন ।’</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আমি একটি ছবি দেখে ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারি। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের সঙ্গে থাকা সিভিল পোশাকধারী ওই ব্যক্তি বর্তমানে দৈনিক কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।’</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘আমাকে নির্যাতনের মাধ্যমে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয় এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়।’ তবে হিন্দিভাষী ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি ভুক্তভোগী এই প্রবাসী।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার দেশ-এর পক্ষ থেকেও ওই দুই ব্যক্তি বা ভারতের হয়ে কাজ করার যে অভিযোগ আতিকুল্লাহ তুলেছেন, তা নিরপেক্ষ সূত্রে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">কে এই সন্তোষ শর্মা</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের ওপর প্রভাব বিস্তার করে নির্যাতন চালানোর জন্য সন্তোষ শর্মা পুলিশ কর্মকর্তাদের টাকা দিতেন বলেও অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্তোষ শর্মা বর্তমানে দৈনিক কালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক। তিনি এর আগে শক্তি নামক একটি পত্রিকায় কাজ করেছেন। এ ছাড়া সাপ্তাহিক সুগন্ধার মালিক এবং দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন তিনি। সন্তোষ শর্মার শ্বশুর বীরেন শিকদার মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৫ আগস্ট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে চিঠি পাঠায়। একই চিঠি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটেও পাঠানো হয়, যেখানে সন্তোষ শর্মার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইতোমধ্যে তার প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষের ‘অসন্তোষ’</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগের বিষয়ে গত মঙ্গলবার রাতে কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মার অফিসে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তার কক্ষে তখন পত্রিকার শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক বসেছিলেন। এ ছাড়া একটি রাজনৈতিক দলের ঢাকার একজন নেতাকেও এই প্রতিবেদকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ আলাপের পর অভিযোগের বিষয়টি সন্তোষ শর্মা হেসে উড়িয়ে দেন। মুফতি হারুন ইজহারের অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষ শর্মা আমার দেশকে বলেন, ‘হারুন ইজহারের সঙ্গে কোনোদিনই আমার কথা হয়নি। তার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘আপনি কখনো ডিবি অফিসে যাননি’- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পেশাগত কাজে তো আমি ডিবি কার্যালয়ে গিয়েছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রবাসী হাফেজ আতিকুল্লাহ জুলফিকারের প্রসঙ্গে সন্তোষ শর্মা বলেন, ‘আপনার মুখে এই নাম প্রথম শুনলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">সন্তোষ শর্মার দাবির বিষয়ে গত বুধবার আবারো মুফতি হারুন ইজহারকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘সে মিথ্যাবাদী। ডিসি আব্দুল মান্নান, এডিসি ইমরান ও এডিসি তৌহিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এই বিতর্কের বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/3770/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.ekushey-tv.com/media/imgAll/2020June/26-2411301704.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হার দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু বাংলাদেশের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/548298/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Feb 2025 08:59:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=548298</guid>

					<description><![CDATA[তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলী অনিকের কল্যাণে স্কোরকার্ডে যে রান জমা হয়, তা নিয়ে ভারতের লম্বা ব্যাটিং লাইন আপের বিপক্ষে লড়ার আশা করাই ছিল &#8216;বাড়াবাড়ি&#8217;। তবু বাংলাদেশের বোলাররা খেই হারালেন না, পুরোটা সময় সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গেলেন। তাসকিন, মিরাজ, রিশাদদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে রান তুলতে সংগ্রাম করতে হলো ভারতের সব ব্যাটসম্যানকেই। রোহিত শর্মার দাপুটে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">তাওহিদ হৃদয় ও জাকের আলী অনিকের কল্যাণে স্কোরকার্ডে যে রান জমা হয়, তা নিয়ে ভারতের লম্বা ব্যাটিং লাইন আপের বিপক্ষে লড়ার আশা করাই ছিল &#8216;বাড়াবাড়ি&#8217;। তবু বাংলাদেশের বোলাররা খেই হারালেন না, পুরোটা সময় সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গেলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তাসকিন, মিরাজ, রিশাদদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে রান তুলতে সংগ্রাম করতে হলো ভারতের সব ব্যাটসম্যানকেই। রোহিত শর্মার দাপুটে শুরুর পর দীর্ঘ পথ পাড়ি দিলেন ওপেনার শুভমান গিল। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তুলে নিলেন সেঞ্চুরি, তার সঙ্গে থাকলো লোকেশ রাহুলের অবদানও। চাপে পড়লেও শেষ হাসি হেসে মাঠ ছাড়লো ভারতই।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৬ উইকেটে হেরে গেছে বাংলাদেশ। এমন হারের পর ব্যাটিংয়ের হতাশা আরও বাড়তে পারে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। স্কোরকার্ডে আরও ৩০-৪০ রান থাকলে লড়াইয়ের পথটা যে ভিন্ন হতো, ম্যাচ চলাকালীনই সেটা বুঝতে পেরেছে তারা। তাতে অবশ্য কিছুই যায় আসে না, দিন শেষে ফলটাই তো মূখ্য। কারণ, রেকর্ড বইয়ে কেবল ভারতের জয়ের কথাই লেখা থাকবে, যেখানে আলাদা করে লেখা থাকবে না বাংলাদেশের ভালো বোলিংয়ের কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশ দিক হারায়, ৩৫ রানেই খোয়ায় ৫ উইকেট। এখান থেকে হাল ধরে রেকর্ড জুটি গড়েন হৃদয় ও জাকের। অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন হৃদয়, হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান জাকের। শেষ দিকে ছোট ক্যামিও ইনিংস খেলেন রিশাদ হোসেন। ২ বল আগে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ তোলে ২২৮ রান। জবাবে ম্যাচসেরা শুভমানের সেঞ্চুরি এবং রোহিত ও রাহুলের চল্লিশোর্ধ ইনিংসে ২১ বল হাতে রেখে জিতে যায় ভারত।<br />
লক্ষ্য তাড়ার পথটা ভারতের জন্য সহজ ছিল না। রোহিত ৩৬ বলে ৭টি চারে ৪১ রান করে ফেরার পর তাসকিন, মিরাজ, রিশাদদের বোলিংয়ের বিপক্ষে কঠিন সময় যায় তাদের। বিরাট কোহলি, শ্রেয়াশ আইয়ার, অক্ষর প্যাটেলরা দলের স্কোরকার্ডে অবদান রাখতে পারেননি। রান তুলতে সংগ্রাম করা কোহলি ৩৮ বলে একটি চারে ২২ রান করে রিশাদের শিকারে পরিণত হন। ১৭ বলে ১৫ রান করা শ্রেয়াসকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। অক্ষর ১২ বলে ৮ রান করে রিশাদের বলে তার হাতেই ক্যাচ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চার উইকেট হারানোর পর অবশ্য ভারতকে আর চাপ বুঝতে হয়নি। ৯৮ বলে অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করা শুভমান ও রাহুল। ১১৮ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন শুভমান। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর ভারতের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে ধীর গতির সেঞ্চুরি করলেন তিনি। ৫১ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটা তার অষ্টম সেঞ্চুরি। রাহুল ৪৭ বলে একটি চার ও ২টি চক্কায় অপরাজিত ৪১ রান করেন। ১০ ওভারে ৩৮ রানে ২টি উইকেট নেন রিশাদ। ৯ ওভারে ৩৬ রানে এক উইকেট পান তাসকিন। এক উইকেট নেওয়া মুস্তাফিজ ৯ ওভারে খরচা করেন ৬২ রান। সবচেয়ে কম রান দেন মিরাজ। ১০ ওভারে তার খরচা ৩৭, তবে উইকেট পাননি। ৮.৩ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তানজিম হাসান সাকিব।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ অগোছালো শুরুর পর মুহূর্তেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে, ৩৫ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারায়। একে একে ফিরে যান সৌম্য সরকার, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিদ হাসান তামিম ও মুশফিকুর রহিম। এর মধ্যে সৌম্য, শান্ত ও মুশফিক রানের খাতাই খুলতে পারেননি। প্রথম ওভারেই ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামির ভেতরে ঢোকা বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন সৌম্য। পরের ওভারে থামেন শান্তও। ভারতের আরেক পেসার হর্ষিত রানার অনেক বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে কভারে বিরাট কোহলির হাতে ধরা পড়েন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর চার ওভারের বিরতি, ষষ্ঠ ওভারে গিয়ে আবারও উইকেটের পতন। শামির বলে ব্যাট চালিয়ে সৌম্যর মতো মিরাজও উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন, ১০ বলে ৫ রান করেন তিনি। নবম ওভারে বাংলাদেশকে দিক ভুলিয়ে দেন অক্ষর প্যাটেল। ভারতের বাঁহাতি এই স্পিনার পরপর দুই বলে ফেরান তানজিদ ও মুশফিককে। এ কজনের মধ্যে কেবল তানজিদই কিছু রান করতে পেরেছেন, বাঁহাতি তরুণ এই ওপেনার ২৫ বলে ৪টি চারে ২৫ রান করেন। নবম ওভারে আরেকটি উইকেট পেতে পারতেন অক্ষর, হ্যাটট্রিকের কীর্তিতেও উঠতে পারতো তার নাম। কিন্তু জাকেরের তোলা সহজ ক্যাচটি নিতে পারেননি রোহিত শর্মা।</p>
<p style="text-align: justify;">৩৫ রান থেকে জুটি গড়া হৃদয় ও জাকের অনেকটা পথ পাড়ি দেন। চাপ সামলে দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন তারা। এ দুজনের ব্যাটিংয়ের কল্যাণেই ৫ উইকেট পড়ার পর নিজেদের এবং চাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৪১.১ ওভার ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ উইকেটে ২০৬ বলে ১৫৪ রানের জুটি গড়েন হৃদয় ও জাকের। এই জুটিতে বেশ কয়েকটি রেকর্ড দখলে নিয়েছেন তারা। ওয়ানডেতে ষষ্ঠ উইকেটে এটাই বাংলাদেশের সেরা জুটি। ভারতের বিপক্ষেও ষষ্ঠ উইকেটে যেকোনো দলের সেরা জুটি এটা। এ ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসেও এটা সেরা ষষ্ঠ জুটি।</p>
<p style="text-align: justify;">জাকেরের বিদায়ে ভাঙে এই রেকর্ড জুটি। এর আগে ১১৪ বলে ৪টি চারে ৬৮ রান করেন জাকের, ওয়ানডেতে এটা তার দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। এরপর হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দিয়ে প্রথম কয়েকটা বল দেখে খেলা রিশাদ ঝড় তোলেন। তার ব্যাটে ৪৬তম ওভার থেকে ২০ রান পায় বাংলাদেশ। ১২ বলে একটি চার ও ২টি ছক্কায় ১৮ রান করেন রিশাদ। বাঁ পায়ে চোট পাওয়ায় বাকি পথটা ভালো কাটেনি হৃদয়ের, কয়েকটি বলে নিশ্চিত এক রান হবে জেনেও দৌড়াতে পারেননি তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দুই বল বাকি থাকতে আউট হওয়া হৃদয় ১১৮ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০০ রানের মহাকার্যকর ইনিংস খেলেন, এটাই তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেঞ্চুরি করলেন তিনি। এর আগে শাহরিয়ার নাফিস, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এই আসরে সেঞ্চুরি করেছেন। ভারতের অষ্টম বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছানো শামি ৫৩ রানে ৫টি উইকেট নেন। হর্ষিত ৩টি ও অক্ষর ২টি উইকেট পান।</p>
<h3 data-block-key="w9t0h"><span style="color: #ff6600;">টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ</span></h3>
<p data-block-key="w9t0h">চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতেছেন দলটির অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।</p>
<p data-block-key="b895r">দুই দলের একাদশ:</p>
<p data-block-key="84e2o">বাংলাদেশ: নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ তামিম, সৌম্য সরকার, তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।</p>
<p data-block-key="aq11q">ভারত: রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদ্বীপ যাদব, মোহাম্মদ শামি ও আর্শদ্বীপ সিং।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/bangladesh_won_the_toss.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ডেইলি স্টারের ত্রুটিপূর্ণ সংবাদে বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় দুঃখ প্রকাশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/31159/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/31159/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 02:15:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=31159</guid>

					<description><![CDATA[ওয়াশিংটনে গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে একজন ভারতীয় সাংবাদিক মতলবি প্রশ্ন করেন। উত্তরে ট্রাম্প যা বলেছেন তা বিকৃতভাবে প্রচার করে তোপের মুখে পড়েছে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। ডেইলি স্টারের সংবাদটির সঙ্গে ভারতীয় মিডিয়ায় প্রচারিত উদ্দেশ্যমূলক প্রচারের মিল খুঁজে পেয়ে রাজনৈতিক সচেতন মানুষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ওয়াশিংটনে গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে একজন ভারতীয় সাংবাদিক মতলবি প্রশ্ন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তরে ট্রাম্প যা বলেছেন তা বিকৃতভাবে প্রচার করে তোপের মুখে পড়েছে ইংরেজি দৈনিক <a href="https://www.thedailystar.net" target="_blank" rel="noopener">দ্য ডেইলি স্টার</a>। ডেইলি স্টারের সংবাদটির সঙ্গে ভারতীয় মিডিয়ায় প্রচারিত উদ্দেশ্যমূলক প্রচারের মিল খুঁজে পেয়ে রাজনৈতিক সচেতন মানুষ সমালোচনার ঝড় তোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়ে ভুল স্বীকার করে পত্রিকাটি।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রাম্পকে এক ভারতীয় সাংবাদিক যে প্রশ্ন করেছিল, তা ছিল— বাইডেন প্রশাসনের সময় বাংলাদেশে রেজিম চেঞ্জ (হাসিনার পতন) ইস্যুতে আমেরিকার ডিপ স্টেটের ভূমিকা ছিল। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তরে ট্রাম্প বলেছে— না, আমেরিকার ডিপ স্টেটের কোনোই ভূমিকা ছিল না।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে চোখেমুখে বিরক্তি নিয়ে মোদির দিকে ইঙ্গিত করে (যেহেতু ইন্ডিয়ান সাংবাদিক মনগড়া তত্ত্ব প্রচার করতে চাইছিল, তাই ইন্ডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর দিকেই তাকে রেফার করে দিয়ে) ট্রাম্প বলেছেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে ওই প্রশ্নের উত্তরটা মোদির ওপর ছেড়ে দিলাম! অর্থাৎ বাংলাদেশসংক্রান্ত ওই প্রশ্নটার উত্তর মোদিকে দিতে বলেছিলেন ট্রাম্প।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে করা প্রতিবেদনে ডেইলি স্টার বাংলা ভার্সনের অনলাইনে শিরোনাম করা হয়— ‘<a href="https://bangla.thedailystar.net/international/news-651131" target="_blank" rel="noopener">বাংলাদেশের বিষয়গুলো মোদির হাতে ছেড়ে দিচ্ছি : ট্রাম্প’</a>। লক্ষণীয় দিক হলো, ভারতের সংবাদমাধ্যমেও একই ধরনের শিরোনাম দেখা যায়। আবার ডেইলি স্টারের দেখাদেখি বাংলাদেশের আরো কয়েকটি মিডিয়াও অনুরূপ মিসলিডিং শিরোনাম দিয়ে রিপোর্ট করে।</p>
<p style="text-align: justify;">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেইলি স্টারের বিকৃত সংবাদ নিয়ে সমালোচনায় মুখর হন অনেকে। একপর্যায়ে ডেইলি স্টার তাদের ফেসবুক পেজের কমেন্ট অপশনে ভুল স্বীকার করে সংবাদটি সংশোধন করা হয়েছে বলে জানায়। ব্যাখ্যা দিয়ে ডেইলি স্টার বলেছে— ‘প্রিয় পাঠক অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনারা যে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। অনুবাদ সংশোধন করে সঠিক ভার্সন প্রকাশ করা হলো।’</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যাখ্যা দেওয়ার পরও নেটিজেনরা বিরূপ মন্তব্য অব্যাহত রাখেন। অনেকে মন্তব্য করেন— ‘ডেইলি স্টার ইংলিশ টু বাংলা অনুবাদ পারে না— এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে এভাবে জনগণকে ম্যানিপুলেট কেন করতে চান আপনারা?’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/31159/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2025/02/14/afp_20250213_36xu2t7_v1_preview_usindiapoliticsdiplomacytrumpmodi.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাহাড়েও অস্থিরতা তৈরিতে ভারতের ষড়যন্ত্র</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/22673/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/22673/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 07:04:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=22673</guid>

					<description><![CDATA[দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। আর এ কাজে প্রত্যক্ষভাবে মদত দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। খাগড়াছড়ি আর রাঙামাটির সীমান্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্তত ১০টি পয়েন্ট পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি পয়েন্টে ভাবনাকেন্দ্র কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছে তারা। এসব ভাবনাকেন্দ্রের আড়ালে চলছে সন্ত্রাসী তৎপরতা। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। আর এ কাজে প্রত্যক্ষভাবে মদত দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। খাগড়াছড়ি আর রাঙামাটির সীমান্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্তত ১০টি পয়েন্ট পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি পয়েন্টে ভাবনাকেন্দ্র কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব ভাবনাকেন্দ্রের আড়ালে চলছে সন্ত্রাসী তৎপরতা। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব এলাকায় অভিযান চালালেই করা হয় অপপ্রচার। শতাধিক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন নামে-বেনামে কমপক্ষে ১০টি ওয়েবপোর্টাল ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বেশির ভাগই চলছে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।</p>
<p style="text-align: justify;">সচেতনমহল বলছে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অপতৎপরতা চলছে দেশ স্বাধীনের পর থেকেই। পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে অস্ত্র জোগানোর পাশাপাশি সরাসরি আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। শুরু থেকেই এসব সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে মোকাবিলা করে আসছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অব্যাহত অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা। কিন্তু তাদের পুনর্গঠিত করার মিশন নেয় ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে কথিত শান্তিচুক্তির নামে পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর আধিপত্য কমিয়ে আনার ষড়যন্ত্র সফলভাবে বাস্তবায়ন করে দেশটি। কথিত ওই শান্তিচুক্তির কারণে দুর্গম এলাকাগুলো থেকে ২৪৬টি সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়। পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালিদের বঞ্চিত করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রাধান্য দেওয়া শুরু হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনা তৎপরতা কমে আসার সুযোগে ফের সংগঠিত হয় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। আগে একটি সশস্ত্র গ্রুপ থাকলেও এখন ৬টি সশস্ত্র সংগঠনের অপতৎপরতা রয়েছে পাহাড়ে, যাদের মূল কাজ পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে দুর্বল করা। বড় এই কাজের অর্থের জোগান আসে চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে। সবশেষ নানিয়ার চরসহ দুর্গম এলাকাগুলোর ২২টি মোবাইল টাওয়ারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সন্ত্রাসীরা। মোটা অঙ্কের চাঁদা না দিলে মোবাইল কোম্পানিগুলোকে নেটওয়ার্ক চালাতে দেবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পার্বত্য এলাকায় জেএসএস, জেএসএস সংস্কার, ইউপিডিএফ, ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক, কুকি চীন ও এমএনপি নামের ছয় সংগঠনের অস্তিত্ব থাকলেও সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ছড়ায় জেএসএস আর ইউপিডিএফ। পার্বত্য এলাকায় উৎপাদিত একটি আনারস বিক্রি করতে হলেও সংগঠন দুটিকে দিতে হয় চাঁদা। এসব সংগঠনের টোকেন ছাড়া কোনো বাজারে ব্যবসা করতে পারেন না ব্যবসায়ীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সীমান্ত এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়তে শুরু করেছে। রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর, লংগদু, বরকল, মাইনিমুখবাজার, খাগড়াছড়ির দিঘীনালা, পানছড়ি, লোগাং, সাজেকের মাচালং, বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, আলীকদম সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র তৎপরতা থাকলেও সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে রাঙামাটি, লংগুদু, বরকল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বন্দুকভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে। এলাকাটি বর্তমানে জেএসএস ও ইউপিডিএফের কথিত সামরিক শাখার সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শান্তিচুক্তির আগে সেখানে একটি সেনাক্যাম্প ছিল। চুক্তির ধারা মানতে গিয়ে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিলে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। দুর্গম এলাকাটিতে একটি গ্রাম প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সেখানে তৈরি করা হয় একাধিক ধর্মীয় উপাসনালয় বা ভাবনাকেন্দ্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাম্প্রতি বন্দুকভাঙ্গার যমচুগ এলাকায় অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে এক সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের চালান উদ্ধার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু অভিযানের পর থেকেই ভাবনাকেন্দ্রে সেনা অভিযান বলে ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ধরনের ছবি এডিট করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সাইবার দুনিয়ায়। এসব দেখিয়ে দেশ-বিদেশে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার কিছু এনজিও ব্যক্তিত্ব ও কথিত সুশীলকেও কাজে লাগানো হচ্ছে এসব অপপ্রচারকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিতে। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কাছেও স্মারকলিপির নামে নালিশ করেছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্তে দেখা গেছে, কমপক্ষে ১০টি ওয়েবপোর্টাল, ৩টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ ও শতাধিক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার সবকয়টিই পরিচালিত হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম এলাকা থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সীমান্ত এলাকার প্রতিটি পয়েন্টে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের গ্রাম স্থাপন করার পাশাপাশি একাধিক ভাবনাকেন্দ্রও প্রতিষ্ঠিত করেছে তারা। তবে এসব উপাসনালয়ে সাধারণ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষের প্রবেশাধিকার নেই। মূলত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেই ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে আনতে এই ভাবনাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযান সমাপ্ত করে চলতি মাসের শুরুতে যমচুগ এলাকা ত্যাগ করে সেনাবাহিনী। সঙ্গে সঙ্গে কথিত ভাবনাকেন্দ্রের দখল নিতে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা এখনো চলমান। যমচুগের এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির সীমান্ত এলাকাগুলোতে। স্থানীয় জনসাধারণ জীবন বাঁচাতে বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন পাশের এলাকায়। তাদের দাবি, ভারতে অবস্থান করা জেএসএস ও ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা মাঝেমধ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে এসে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ed0505;"><strong>অপতৎপরতা আ.লীগের পতনের পর থেকেই</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৯ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঙালিদের ওপর হামলা করেন ইউপিডিএফের সদস্যরা। এ ঘটনাকে পুঁজি করে পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি শহরে মিছিল থেকে বিনা উসকানিতে হামলা শুরু করে দুর্গম এলাকা থেকে আসা কয়েক শ অপরিচিত নারী-পুরুষ। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে শহরে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায় সেদিনই।</p>
<p style="text-align: justify;">পরবর্তী সময়ে কৌশল বদলে এবার সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীকে বিতর্কিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নামে ভারত। আর এ পর্যায়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিয়েছে অপপ্রচার, সাইবার প্রপাগান্ডা আর হেইট ক্যাম্পেইনকে। দুষ্কৃতকারী দমনে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিচালিত যে কোনো অভিযানকে ওই স্থানের ধর্মীয় উপাসনালয়, কিয়াংঘর কিংবা ভাবনাকেন্দ্র অবমাননার অভিযোগ তুলে স্থানীয় ধর্মভীরু জনসাধারণের মনে বিদ্বেষ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ed0505;">ভারত থেকে ইউপিডিএফের অস্ত্রের চালান জব্দ</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৫ জানুয়ারি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামে বাংলাদেশে পাচারের জন্য প্রস্তুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে মিজোরাম পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের সরাসরি সম্পৃক্ততা পায় বলে জানায় দেশটির রাজ্য পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ছয়টি একে-৪৭ রাইফেল, ১০ হাজার ৫০ রাউন্ড গোলাবারুদ ও ১৩টি ম্যাগজিন। অভিযানে পাঁচজন সন্দেহভাজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত ভারতের সেভেন সিস্টারখ্যাত রাজ্যগুলোতে স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলোর অস্ত্র ভেবে চালানটি জব্দ করা হয়। কিন্তু জব্দ করার পর জানা যায়, বড় এ অস্ত্রের চালানটির গন্তব্য ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ed0505;">নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বক্তব্য</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদ উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ধর্মীয় স্পর্শকাতর ইস্যুকে সামনে আনা ভারতের পুরোনো পরিকল্পনার অংশ। বাংলাদেশে ভারত সমর্থিত আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তারাই মূলত ধর্মীয় কার্ড খেলা শুরু করে। প্রথমে সমতলে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা করে। সেখানে সুবিধা করতে না পেরে এখন তারা পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ওপর ভর করেছে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পাহাড়ের সহজ-সরল মানুষদের বিভ্রান্ত করতে এ ইস্যুকে সামনে আনা হচ্ছে। শুরুতেই এ বিষয়টিতে গুরুত্ব না দিলে সরকারকে পস্তাতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ উল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী নতুন করে সেনাক্যাম্প বাড়ানোর ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও বর্তমান ক্যাম্পগুলোতে সেনাসদস্য বাড়ানো উচিত সরকারের। একই সঙ্গে ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পাশাপাশি অন্য বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো উচিত পার্বত্য এলাকায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/22673/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/ctg-2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দিল্লি: বুলডোজার কর্মসূচি থেকে কি বার্তা পেল ভারত ও আওয়ামী লীগ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/185625/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/185625/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Feb 2025 03:30:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=185625</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণের পাল্টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে ভাঙচুরের যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল, তা ছড়াল দেশের বিভিন্ন স্থানে। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে এক্সক্যাভেটর ও ক্রেন নিয়ে ভেঙে ফেলা হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। ধানমন্ডি ৫ নম্বরে শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে ঢাকার বাইরে খুলনা, যশোর, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতে শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণের পাল্টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে ভাঙচুরের যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল, তা ছড়াল দেশের বিভিন্ন স্থানে।</p>
<p style="text-align: justify;">ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে এক্সক্যাভেটর ও ক্রেন নিয়ে ভেঙে ফেলা হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। ধানমন্ডি ৫ নম্বরে শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভাঙচুর করা হয়েছে ঢাকার বাইরে খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, সিলেটে শেখ হাসিনার আত্মীয় এবং আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িসহ বিভিন্ন ভাস্কর্য।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে বুধবার রাত ৮টার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জড়ো হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনতার ভিড় বাড়তে থাকে।<br />
<!-- /401241791/risingbd-details-inner-a --></p>
<p style="text-align: justify;"><!-- --></p>
<p style="text-align: justify;">এক পর্যায়ে জনতা গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। লাঠিসোঁটা ও শাবল হাতে ভাঙচুরে যোগ দেন অনেকে। কেউ কেউ বাড়ির দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করেন। <!-- /401241791/risingbd-details-inner-b --></p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে  বুধবার শেখ হাসিনার বক্তৃতা ইস্যুতে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ছাত্র-জনতা। এর জের ধরেই সিলেট, খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের কয়েকটি স্থানে রাতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বাসা ও স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিল বিক্ষুব্ধ জনতা। এরপর থেকে বাড়িটি অনেকটা পরিত্যক্ত ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে ভারতে অবস্থান নেওয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঘোষণা করা হয় ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/185625/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dainikshorobor.com/public/images/dhanmondii32-dainikshorobor_20250206011829_original_4.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সামরিক বিমানে ভারতীয় ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/9210/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/9210/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Feb 2025 06:00:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেসিডেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=9210</guid>

					<description><![CDATA[দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে ফেরার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসন ও অনুপ্রবেশের মতো ইস্যু নিয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারই অংশ হিসেবে এবার সামরিক বিমানে করে ভারতীয় অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক পরিবহনে করে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী ফেরত পাঠানোর মধ্যে সবচেয়ে দূরত্ব গন্তব্য হলো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে ফেরার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসন ও অনুপ্রবেশের মতো ইস্যু নিয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারই অংশ হিসেবে এবার সামরিক বিমানে করে ভারতীয় অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক পরিবহনে করে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী ফেরত পাঠানোর মধ্যে সবচেয়ে দূরত্ব গন্তব্য হলো ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, “সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে করে ভারতীয় অভিবাসীদেরকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">এবারের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণার মধ্যে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল অবৈধ অভিবাসী সমস্যা সমাধান। নির্বাচনে জয়লাভের পর সেই প্রতিশ্রতি রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।</p>
<p style="text-align: justify;">এরইমধ্যে, কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটির অধীনের পরিচালিত কুখ্যাত গুয়ানতানামো বে বন্দিশালা সম্প্রসারণে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন এ বন্দিশালায় অবৈধ অভিবাসীদের রাখার কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে সহায়তা নিচ্ছে সামরিক বাহিনীর। আটক অবৈধ অভিবাসীদের রাখতে ব্যবহার করা হচ্ছে সামরিক ঘাঁটি।</p>
<p style="text-align: justify;">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “সামরিক বাহিনীর সি-১৭ বিমানে করে অভিবাসীদের একটি ফ্লাইট ভারত রওনা দিয়েছে। যেটি পৌঁছাতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনও টেক্সাসের এল পাসো এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়াগোতে আটক ৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে বহিষ্কারের জন্য ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত সামরিক বিমানে করে অভিবাসীদের গুয়াতেমালা, পেরু এবং হন্ডুরাসে ফেরত পাঠানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সামরিক বিমানে করে অভিবাসী ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া যদিও ব্যয়বহুল। রয়টার্স জানিয়েছে, গত সপ্তাহে গুয়াতেমালায় একটি সামরিক বিমানে করে অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে জনপ্রতি কমপক্ষে ৪ হাজার ৬৭৫ ডলার খরচ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ট্রাম্প। অভিষেক অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণেই অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশ বন্ধ করে দেবেন। তাদেরকে ‘অপরাধী’ হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প বলেছিলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে থাকা এমন লাখো অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান নিয়মকানুনে পরিবর্তন আনার কথা জানান। নতুন নিয়মের আওতায় নথিবিহীন অর্থাৎ অবৈধ কোনো অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান প্রসব করলে সেই শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশেও সই করেছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/9210/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.deshrupantor.net/contents/cache/images/720x404x1/uploads/media/2023/11/29/fb939b186bc24bafc8fd3fa5fc7bbb6a-65670612dfe14.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দেবপ্রিয়র তত্ত্ব ভুল : ট্রানজিটের ফায়দা শুধু ভারতের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/52730/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/52730/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Feb 2025 04:53:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=52730</guid>

					<description><![CDATA[শেখ হাসিনার সময়ে ভারতকে দেওয়া একতরফা ‘ট্রানজিট’ বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। ট্রানজিটের নামে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগব্যবস্থার সুফলের পুরোটাই পেয়েছে ভারত। দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে (সেভেন সিস্টার্স) পণ্য পরিবহনে সুবিধা পেয়েছে ভারত। এর বিপরীতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চাইলেও পায়নি বাংলাদেশ। ট্রানজিটের আয় দিয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="block-full_richtext">
<p style="text-align: justify;" data-block-key="hvnp3">শেখ হাসিনার সময়ে ভারতকে দেওয়া একতরফা ‘ট্রানজিট’ বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। ট্রানজিটের নামে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগব্যবস্থার সুফলের পুরোটাই পেয়েছে ভারত। দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে (সেভেন সিস্টার্স) পণ্য পরিবহনে সুবিধা পেয়েছে ভারত। এর বিপরীতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চাইলেও পায়নি বাংলাদেশ। ট্রানজিটের আয় দিয়ে বাংলাদেশ একসময় ‘সিঙ্গাপুর’ বনে যাওয়ার স্বপ্নও পূরণ করতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর দিতে বাংলাদেশের প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও এ খাত থেকে বাংলাদেশ আয় করেছে মাত্র ৩৭ লাখ টাকা। ট্রানজিট থেকে সামান্য আয় নিয়ে যেমন দেশের অর্থনীতিবিদ-বিশ্লেষকদের উদ্বেগ আছে, তেমনি এর মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে আছে বড় ধরনের উদ্বেগ।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০১৬ সালের জুন থেকে ভারতকে বিদ্যমান নৌ-প্রটোকলের আওতায় প্রথমে কলকাতা-আশুগঞ্জ নৌপথ এবং তারপর আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কপথ ব্যবহার করে ত্রিপুরার আগরতলায় পণ্য পরিবহনের সুযোগ দেয় বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ চুক্তি হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে সড়কপথে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে এসবের মধ্যে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের জন্য ভারতের করিডোর ব্যবহারের সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">এনবিআর জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম ও মোংলাবন্দর বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে স্থায়ী আদেশ জারি করা হয়। ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর আখাউড়া-আগরতলা রেল যোগাযোগ ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন হাসিনা-মোদি। আর ক্ষমতা থেকে পতনের কয়েকদিন আগে গত জুনে ভারত সফরে গিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতকে রেল ট্রানজিট দেওয়ার সমঝোতা চুক্তি করেন শেখ হাসিনা। এই চুক্তির আওতায় গেদে-দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে পণ্যবাহী রেল বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আবার হলদিবাড়ি-চিলাহাটি যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে বাংলাদেশের বুক চিড়ে ট্রানজিটের পক্ষে হাসিনা সরকার যেমন মরিয়া ছিল, তেমনি দেশের সুশীলরাও ছিলেন সোচ্চার। সুশীলদের মধ্যে এক্ষেত্রে সবার থেকে এগিয়ে ছিলেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি ট্রানজিটের আয় দিয়ে দিনবদলের গল্প শুনিয়েছিলেন দেশের মানুষকে। ট্রানজিট বাস্তবায়ন হলেও তার সেই ‘সিঙ্গাপুর’ বনে যাওয়ার বাস্তবতার দেখা এখন পর্যন্ত মেলেনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>কী বলেছিলেন সুশীল সমাজ ও ড. দেবপ্রিয়, এখন কী বলছেন?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">অতীতে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার বিরোধিতাকারীদের কড়া সমালোচনা করেছিলেন অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান। ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রানজিট বিরোধিতাকে ‘অশিক্ষিতদের বিতর্ক’ বলে মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেই বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সীমানা ধরে পণ্য পরিবহন খুবই স্বাভাবিক বিষয়। অথচ বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে ট্রানজিট দেওয়া নিয়ে বিতর্কের ইস্যু করা হয়েছে।’ রেহমান সোবহান বলেছিলেন, ‘ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিশাল ক্যাপিটাল মার্কেট বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে আসবে। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রানজিটের পক্ষে সে সময় জোরালো যুক্তি দেখিয়েছিলেন ড. দেবপ্রিয়। সিপিডির ব্যানারে তিনি নিয়মিত সভা-সেমিনার করে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার পক্ষে জনমত তৈরির চেষ্টা করেন। যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন ট্রানজিটের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর বনে যেতে পারে। এ ছাড়া টেলিভিশনের বিভিন্ন টকশোতেও ট্রানজিটের পক্ষে সাফাই গান তিনি। ইউরোপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ইউরোপের এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য আনা-নেওয়াতে যেমন বাধা নেই, বাংলাদেশ ভারতের ক্ষেত্রেও সেটি হতে পারে বলে তিনি যুক্তি তুলে ধরেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট নিয়ে তার আগের অবস্থান ঠিক ছিল কি না ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের কাছে বক্তব্য চেয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করেছে আমার দেশ। প্রথমে টেলিফোনে তাকে এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। জবাবে তিনি দেশের বাইরে বলে জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে লিখিত আকারে তার কাছে প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নগুলো ছিলÑ‘একসময় আপনি বলেছিলেন, ট্রানজিট থেকে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব উপার্জন করবে। কিন্তু আমাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকার (বাংলাদেশ) ট্রানজিট ফি হিসেবে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন টাকা পেয়েছে। আপনি কি মনে করেন এটি বাংলাদেশের জন্য ন্যায্য ও উপযুক্ত পরিমাণ? আপনি অতীতে বলেছিলেন যে, সরকার ট্রানজিট ফি থেকে বিলিয়ন ডলার আয় করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাস্তব পরিস্থিতি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তাহলে কি আপনি বাংলাদেশের জনগণকে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন? এখনকার প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আপনি কি মনে করেন যে, আপনার পূর্ববর্তী হিসাব এবং পূর্বানুমান ভুল ছিল? যদি আপনার পূর্ববর্তী হিসাব ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি কি বাংলাদেশের জনগণের কাছে দুঃখপ্রকাশ করবেন?’ তবে এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি বর্তমান সরকার দ্বারা গঠিত অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>ট্রানজিট নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞ-অর্থনীতিবিদরা</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের সঙ্গে কোনো অসম চুক্তি চায় না বাংলাদেশÑ জানিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আমার দেশকে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত সামরিক, বেসামরিক সব চুক্তি জনগণের কাছে প্রকাশ করা। সেসব চুক্তির মধ্যে যেগুলো জনস্বার্থবিরোধী, সেগুলো বাতিল করা। কিন্তু এ সরকারের বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পাই, চুক্তি বাতিল করা যাবে না। পুরোনো চুক্তি ও প্রকল্প থাকবে, কিন্তু আমরা একটি নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করব—তা হতে পারে না। একই সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন ড. আনু মুহাম্মদ।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অর্থনীতির শিক্ষক ড. মুহাম্মদ আবু ইউসুফ আমার দেশকে বলেন, সরকারের উচিত ভারত-বাংলাদেশের সব ধরনের চুক্তি পর্যালোচনা করা। কারণ আমরা এখন পর্যন্ত জানি না বিগত সরকার কী চুক্তি করেছে। অথবা ট্রানজিট চুক্তির মধ্যেই-বা কি আছে—সেটিও স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ট্রানজিট চুক্তির মধ্যে আছে কি না, সেটি নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা থাকা দরকার।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>কী পাচ্ছে বাংলাদেশ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ট্রানজিট নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ২০১২ সালের দিকে প্রথম আলোচনা শুরু হয়। কয়েক বছর দরকষাকষির পর টনপ্রতি ট্রানজিট মাশুল নির্ধারিত হয় ১৯২ টাকা। এর বাইরে টনপ্রতি ৫০ টাকা নিরাপত্তা মাশুল এবং নৌবন্দরে ল্যান্ডিং শিপিং বাবদ টনপ্রতি সাড়ে ৩৪ টাকা মাশুল আছে। সব মিলিয়ে প্রতি টনে প্রায় ২৭৭ টাকা মাশুল পড়ে। এ ছাড়া মাঝনদীতে কার্গো জাহাজ অবস্থানের জন্য আলাদা মাশুল আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রানজিট ব্যবহারে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহারে ভারত প্রথম পদক্ষেপ নেয় ২০১১ সালে। ওই বছর আশুগঞ্জ বন্দর দিয়ে প্রথম ট্রানজিটের পণ্য ত্রিপুরায় যায়। তখন ভারত সরকারের বিশেষ অনুরোধে ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভারী যন্ত্রপাতি পরিবহনে এ সুবিধা দেয় বাংলাদেশ। পরে এ পথে ট্রানজিট নিয়মিত করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিআইডব্লিউটিএর তথ্য বলছে, গত সাড়ে আট বছরে সব মিলিয়ে আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে ৩৩টি চালান গেছে। এর বেশির ভাগই লোহা ও লোহাজাতীয় পণ্য। সর্বশেষ গত অর্থবছরে (২০২৩-২৪) ১৪টি জাহাজের চালানে (ট্রিপ) ১৩ হাজার টনের বেশি ভারতীয় রেলওয়ের লোহাজাতীয় পণ্যের চালান গেছে। তবে পটপরিবর্তনের পর চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কোনো পণ্য যায়নি। তবে এনবিআর, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ট্রানজিট থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের আয় এসেছে মাত্র ৩৭ লাখ টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>ভারতের স্বার্থে প্রকল্প</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে ট্রানজিট দিতে বেশ কিছু বিলাসী প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কিছু রয়েছে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) থেকে নেওয়া ঋণে। আশুগঞ্জ দিয়ে নদীপথে ভারতকে ট্রানজিট দেয় শেখ হাসিনা সরকার। এজন্য আশুগঞ্জকে একটি ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে রূপান্তর করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সে লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় বন্দরে স্থাপিত হচ্ছে ২১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি কার্গো টার্মিনাল ও ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ঋণ সহায়তায় ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো একটি কন্টেইনার টার্মিনাল। জমি অধিগ্রহণসহ দুটি প্রকল্পের ব্যয় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে কলকাতার নিরাপদ যানবাহন চলাচলে ট্রানজিট সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশে আখাউড়া স্থলবন্দরকে চারলেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। ভারতীয় কঠিন শর্তের ঋণে পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাংলাদেশের চেয়েও বেশি প্রয়োজন ভারতের। কিন্তু এ প্রকল্পটি করতে গিয়ে ১৯৭৯ সালের সেচ প্রকল্প ধ্বংস করা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জোর আপত্তি সত্ত্বেও।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় ঋণের টাকায় ট্রানজিটের এ সড়কটি নির্মাণ করতে প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। ২০০ কোটি ডলারের ভারতীয় দ্বিতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) প্রকল্প তালিকায় এ প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত। এ প্রকল্পে এলওসি থেকে পাওয়া যাবে প্রায় দুই হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। বাকি টাকা সরকার নিজে দেবে। যদিও পরে প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে পাঁচ হাজার ৭৯১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের ৪০০ কিলোমিটারের সহজ পথে রেলপথের জন্য এ প্রকল্পটি হাতে নেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৪৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এ ব্যয়ের মাত্র ৫৭ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারের, বাকি ৪২০ কোটি টাকা ভারত সরকারের লাইন অব ক্রেডিট থেকে পাওয়া (এলওসি) অনুদান। প্রকল্পটির অবকাঠামোসহ সব ধরনের কাজ শেষ হয় গত বছরের জুনে। বেঁচে যায় ১৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভারতের অনুদান বাঁচে ১২৬ কোটি টাকার বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যেহেতু এ অর্থ বাংলাদেশকে দেওয়া অনুদান। বাংলাদেশ ভারতের কাছে বেঁচে যাওয়া ১২৬ কোটি টাকা অন্য কোনো প্রকল্পে কাজে লাগাতে অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু ভারত তাতেও রাজি হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">ভাইবোনের সম্পর্ক : ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ দ্বিতীয় কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্প’কে বিলাসবহুল প্রকল্প উল্লেখ করে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘এতে আমাদের দেশের কোনো লাভ দেখছি না। কেবল ভারতের স্বার্থেই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে আমি তো আর এ প্রকল্প বন্ধ করতে পারব না।</p>
<p style="text-align: justify;">সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ওই যে, ভাইবোনের সম্পর্ক বলে একটা কথা আছে না?’ গত বছর ১১ নভেম্বর আশুগঞ্জ নৌবন্দরে নির্মাণাধীন কার্গো টার্মিনাল ও আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ দ্বিতীয় কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, যারা এ ধরনের অচিন্তিত প্রকল্প চালু করেছিলেন, তাদের প্রশ্ন করা দরকার ছিল যে, কার স্বার্থে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে? এতে আমাদের কী লাভ হচ্ছে? ট্রানজিট আর করিডোর দুটি ভিন্ন জিনিস উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এটি কী? তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল।’</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>পটপরিবর্তনে অনিশ্চিয়তায় ট্রানজিট</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বন্দরগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশুগঞ্জ দিয়ে ভারতের মালামাল পরিবহনের ট্রানজিট প্রায় বন্ধ। গত ছয় মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করে কোনো ট্রানজিটের পণ্য কলকাতা থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার আগরতলায় যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এমনকি সিলেটের জকিগঞ্জ দিয়েও ট্রানজিটের মালামাল ভারতের করিমগঞ্জ যায়নি। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে, বিশেষ করে ত্রিপুরায় পণ্য নিতে কলকাতা-আশুগঞ্জ (নৌপথ), আশুগঞ্জ-আখাউড়া-আগরতলা (সড়কপথ)—এ পথেই বেশি আগ্রহ ছিল ভারতের। এ ছাড়া কলকাতা-জকিগঞ্জ (নৌপথ), জকিগঞ্জ-করিমগঞ্জ (সড়কপথ) পথটিও চালু আছে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/52730/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Tranjit-1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর হত্যার মাস্টারমাইন্ড হাসিনা ও ভারতের র</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/538781/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Jan 2025 05:05:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=538781</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর ম্যাসাকারের পরিকল্পনা আগে থেকেই জানতেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর তত্ত্বাবধানে। হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারতের প্রশিক্ষিত একটি কিলার গ্রুপকে ঢাকায় আনা হয়। এরা ভাড়া করা বিপথগামী বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে মিলে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মেজর জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিক, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর ম্যাসাকারের পরিকল্পনা আগে থেকেই জানতেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর তত্ত্বাবধানে। হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারতের প্রশিক্ষিত একটি কিলার গ্রুপকে ঢাকায় আনা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এরা ভাড়া করা বিপথগামী বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে মিলে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মেজর জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিক, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ সেলিম, শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের কিছু কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানী পিলখানার সদর দপ্তরে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঘটেছিল দেশের ইতিহাসে নৃশংসতম এই বিডিআর হত্যাকাণ্ড। আমার দেশ অনুসন্ধানে এ সম্পর্কে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতীয় কিলার গ্রুপের একটি অংশকে খেলোয়াড় বেশে বিডিআরের একটি পিকআপে করে এবং আরেকটি অংশকে রোগী সাজিয়ে নম্বরবিহীন অ্যাম্বুলেন্সে করে পিলখানায় ঢোকানো হয়। রাতে অ্যাম্বুলেন্সে করে তারা পিলখানা ত্যাগও করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা ভারতীয় কিলার গ্রুপটিকে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বিমানের দুবাইগামী ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এজন্য ফ্লাইটটি দুই ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ে। আরও জানা গেছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর লোকজন ও কিলার গ্রুপের সদস্যরা ফার্মগেটে অবস্থিত তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের হোটেল ইম্পেরিয়াল ব্যবহার করেছে। নাম-পরিচয় গোপন রেখে ইম্পেরিয়াল হোটেলে তারা অবস্থান নিয়েছিলেন। পিলখানায় সংঘটিত ঘটনা ‘বিডিআর বিদ্রোহ’ হিসেবে চালানো হলেও এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সেনাপ্রধান হিসেবে বিডিআর হত্যা মোকাবেলা তথা সেনা কর্মকর্তাদের বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছেন জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ। হত্যাকাণ্ডের দায় তিনি এড়াতে পারেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পিলখানার সিসি টিভি ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত ধ্বংস করে দেন ঘটনার পরপর দায়িত্ব পাওয়া বিডিআর ডিজি লে. জেনারেল মইনুল ইসলাম। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর তদন্ত কমিটি ও জাতীয় তদন্ত কমিটির তদন্ত অসম্পূর্ণ রাখা হয়। ওই তদন্ত কমিটিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতার নাম এলেও শেখ হাসিনা তাদের রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করতে দেননি এবং কমিটিতে এদের জিজ্ঞাসাবাদও করতে দেওয়া হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনা তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বর্তমানে তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল ওই তদন্ত সম্পর্কে। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বাধীন তদন্ত সম্পর্কে এ মুহূর্তে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ইতোমধ্যে তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন এবং সরকার বিডিআরের সাবেক ডিজি মো. জেনারেল আ ল ম ফজলুল রহমানের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করেছেন। তিনি এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে রয়েছেন। তিনি বলেন, তারা আশা করছেন বর্তমান কমিশন বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উন্মোচন করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আগে জাতীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল সচিব আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে। তার মন্তব্যের জন্য ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। সূত্র জানিয়েছে, তিনি সম্ভবত দেশে নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে অনুসন্ধানে আমার দেশ আগের দুটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছে। তদন্ত কমিটি দুটির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে আলাপ হয়। অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন। ঘটনার সঙ্গে ওয়াকিবহাল এমন কয়েক ব্যক্তি ও সাবেক কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। বিষয়গুলো স্পর্শকাতর হওয়ায় নাম প্রকাশ করা হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনা তদন্ত কমিটি এবং জাতীয় তদন্ত কমিটি দুটিতে বাহিনী প্রধান, সেনাবাহিনী ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, আওয়ামী লীগ নেতা অনেককেই বক্তব্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। তাদের অনেকেই তদন্ত কমিটির সামনে আসেননি। কেউ কেউ এলেও তাদেরকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তদন্ত কমিটির সামনে আসা ও প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়নি তদন্ত কমিটিকে। ফলে বিডিআর হত্যা তদন্ত কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে দুই কমিটিতেই।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ভারতীয় পরিকল্পনায় হয়েছে। শেখ হাসিনা যাতে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী হতে পারেন সেটা পাকাপোক্ত করার জন্য তার সঙ্গে বোঝাপড়া করেই পরিকল্পনা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত দেখেছে তারা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যখনই কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে, তখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর জন্য তারা অনেক কিছুই করতে পারেনি। বিডিআর-এ সেনাবাহিনীর অফিসাররা কমান্ডে থাকায় সেখানে ভারতীয় বিএসএফ-এর ভূমিকা ম্লান ছিল। তাই তাদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছিল তারা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনে এমন শক্তিশালী করবে যাতে সবকিছু তার হাতের মুঠোয় থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনাবাহিনী যাতে দুর্বল হয়ে যায়, বিডিআর নামে যাতে শক্তিশালী বাহিনী না থাকেÑ এ লক্ষ্যেই বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এর আগে নীলনকশা অনুযায়ী বিডিআর সদস্যদের হাত করা হয়। তারা যাতে সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সে জন্য তথাকথিত ডাল-ভাত কর্মসূচি ও দুর্নীতির বিষয় এনে প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">চৌকস সেনা অফিসারদের হত্যার জন্য বিডিআর-এ বদলি করে এনে এক জায়গায় তাদের জড়ো করা হয়। এরপর তাদের হত্যা করা হয়। পদোয়া এবং রৌমারীর যুদ্ধে বিএসএফ হত্যার পর থেকেই বিডিআর ধ্বংসে নিয়োজিত হয় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’। রৌমারীর ঘটনার নেতৃত্ব দেন রংপুরের তৎকালীন সেক্টর কমান্ডার পরবর্তী সময়ে বিডিআর ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ। এরই ফল ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকেসহ ৫৭ সেনাকর্মকর্তা হত্যা।</p>
<p style="text-align: justify;"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-full" src="https://images.dailyamardesh.com/original_images/bdr-2_tNZq8V5.jpg" width="1280" height="720" /></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>সাহারা খাতুনের হোটেলে কিলার গ্রুপ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">সূত্রে জানা গেছে, ফার্মগেটে অবস্থিত সাহারা খাতুনের হোটেল ইম্পেরিয়ালে এনে তোলা হয় ভারতীয় প্রশিক্ষিত একটি সন্ত্রাসী খুনি চক্রকে। ওই হোটেলে ‘র’-এর লোকজনও অবস্থান নেয়। ঘটনার দিন সকালে বিডিআর দরবার হলের সামনে একটি পিকআপ আসে খেলোয়াড়দের নিয়ে। বিডিআর-এর পিকআপে খেলোয়াড় বেশে ছিল কিলার বাহিনীর অনেক সদস্য। নম্বরবিহীন অ্যাম্বুলেন্সে করেও আরেকটি গ্রুপকে পিলখানায় ঢোকানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এরা আগে থেকে ভাড়া করা বিপথগামী বিডিআরদের সঙ্গে মিলে হত্যাকাণ্ড চালায়। বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিলের মৃত্যু এরা নিশ্চিত করে। দরবার হলের দক্ষিণ গেটে বিপথগামীদের সঙ্গে কিলার গ্রুপটি ছিল এবং এরা সকাল ১০টা সাড়ে ১০টার মধ্যেই ডিজি, ডিডিজিসহ ১৫ থেকে ১৮ জনকে হত্যা করে। ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পিলখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আরেক দফা হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বাইরের কিলার গ্রুপটি রাতে চারটি নম্বরবিহীন অ্যাম্বুলেন্সে করে পিলখানা ত্যাগ করে। ধারণা করা হয় বিমানের দুবাই ফ্লাইটে এদের তুলে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>ভারতীয় চ্যানেল কীভাবে বিডিআর ডিজি হত্যার খবর আগেই দিল?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর ঘটনায় হতাহতের খবর তখনও জানাজানি হয়নি। এ অবস্থায় দুপুরেই ভারতের এনডিটিভিসহ দুটি চ্যানেলে খবর প্রচার করে যে বাংলাদেশে বিডিআর দপ্তরে বিদ্রোহে বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল এবং সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে। এ খবর সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় চ্যানেল কীভাবে প্রচার করে তা রহস্যজনক।</p>
<p style="text-align: justify;">এ খবর যখন প্রচারিত হয় তখন প্রধানমন্ত্রী যমুনায় নিয়ে যান ডিএডি তৌহিদের নেতৃত্বে ১৪ জন কিলারকে। এদেরকে শেরাটন হোটেল থেকে খাবার এনে খাওয়ানো হয়। ঠিক এ সময়ে একদিকে ভারতীয় চ্যানেল বিডিআর ডিজির হত্যার খবর দেয়, অন্যদিকে পিলখানার ড্রেন দিয়ে বেরিয়ে আসে কর্নেল মুজিব ও কর্নেল এনায়েতের লাশ। ওই দিনই কিলার গ্রুপের একটি অংশ ভাড়া করা বিডিআর সদস্যদের নিয়ে জেনারেল শাকিলের বাংলোতে গিয়ে তার স্ত্রী ও অন্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। ওই সময় বাংলোতে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন কর্নেল দেলোয়ার তার স্ত্রীকে নিয়ে। তারাও হত্যার শিকার হন। বাসার কাজের মেয়েকেও হত্যা করা হয়। জেনারেল শাকিলের স্ত্রীকে সবশেষে হত্যার করা হয় রান্না ঘরে নির্যাতন করে, নির্মমভাবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সেনা ও র‌্যাবকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র আরও জানায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ঘটনার খবর পেয়ে দশটার মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে র‌্যাবের একটি টহল দল। এই টহল দলটি তখন বেড়িবাঁধে টহলে ছিল। এরপর র‌্যাবের অন্য সদস্যরাও আসেন। কিন্তু পিলখানায় তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">মিরপুরে ফায়ারিং রেঞ্জে ছিল ৪৬ ব্রিগেডের একটি আর্টিলারি ইউনিট। এই ইউনিট প্রথমে আসে পিলখানার কাছে। কিন্তু তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। র‌্যাব এবং সেনা অগ্রদলটিকে তখন পিলখানায় ঢুকতে দেওয়া হলে ঘটনা এতদূরে গড়াত না। কারণ ভেতরে ডিউটিরত বিডিআর সদস্যদের কাছে যেসংখ্যক অস্ত্র ও গোলা বারুদ ছিল তার কয়েকগুণ বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের তাৎক্ষণিক আসা দল দুটির কাছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরা ঢুকতে পারলে সহজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে যেত। কিন্তু তাদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তখন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। বিডিআর-এর কর্নেল রেজানুর ও কর্নেল শামস প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন। তারা ভেতরে ঢুকতে অনুমতি দেননি। অথচ সাংবাদিক মুন্নি সাহা দশটার পর থেকেই পিলখানার প্রধান গেটে গিয়ে বিডিআর-এর ডিএডিসহ জওয়ানদের সাক্ষাৎকার নিয়ে এটিএন-এ লাইভ করেন। এতে ডাল-ভাত কর্মসূচির দুর্নীতির জন্য বিডিআর অসন্তোষ থেকে বিদ্রোহ হচ্ছে প্রচার করা হয়। এটাও রহস্যজনক।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রশ্ন সেদিন কেন র‌্যাবকে ‍ঢুকতে দেওয়া হলো না, কেন সেনা অগ্রদলকে ঢুকতে দেওয়া হলো না, কেন মুন্নী সাহা ঘটনার পরপরই এমন উদ্দেশ্যমূলক খবর প্রচার করতে থাকলেন, বিদ্রোহীরা কেন নানক ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলবে না বলল, গোয়েন্দা সংস্থা কেন বলল তাদের কোনো গোয়েন্দা নজরদারি পিলখানায় ছিল না। প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যমুনায় যে ১৪ জন কিলারকে নেওয়া হলো তাদের সিলেক্ট করল কে? ডিজিএফআই পিলখানা প্রধান গেটের কাছে আমবালা মিষ্টির দোকানে ক্যাম্প করেছিল, তারা সেখানে কি কাজ করেছে? পিকআপে করে যারা দরবারের সামনে গেল তারা কারা ছিল?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পিলখানায় লাশ পোড়ানো ও গণকবর</strong></p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিল পরিকল্পনাকারীরা। দুটি লাশ তারা পুড়িয়ে দেয়। কিন্তু পরে গণকবর খুড়ে লাশগুলো মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। ৩৩ ঘণ্টার লোমহর্ষক ঘটনার পর পিলখানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এলে সেখানে একাধিক গণকবর থেকে লাশ তোলা হয়। সব লাশ গণকবরে চাপা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ড্রেনেও ফেলে দেওয়া হয়। গুলি ছাড়াও কোনো কোনো লাশে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মারার আলামত দেখা যায়। এই ঘটনায় ৫৭ সেনাকর্মকর্তার মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক ছিলেন। ১৭ জন ছিলেন বেসামরিক লোক। ৩ জন ছিলেন মহিলা। মেজর জেনারেল শাকিলের স্ত্রী, কর্নেল দেলোয়ারের স্ত্রী এবং একজন কাজের মেয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসিরের অভিজ্ঞতা</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর ঘটনার পর পর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনকে কনভেনর ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে ডেপুটি কনভেনর করে প্রথম তদন্ত কমিটি করা হয়। এই কমিটিতে সামরিক বাহিনী থেকে সদস্য দেওয়া হয়। সেনাবাহিনী থেকে দেওয়া হয় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসিরকে।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রিগেডিয়ার হাসান নাসির সেদিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন আমরা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যাই। এক পাশে গিয়ে বসি। সেনাবাহিনীর ‘ল’ অফিসার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর মোহাম্মদ ছিলেন, নেভির সদস্যও ছিলেন। এমন সময় দেখলাম, সাহারা খাতুন, কামরুল ইসলাম ও সচিব হাবিবুল আউয়াল (পরবর্তী সময়ে সিইসি) হাসতে হাসতে কক্ষে ঢুকলেন। তদন্ত নিয়ে কথাবার্তা নেই, অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলছেন, চা বিস্কুট খাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এমন একটা ভাব যেন সব কিছু স্বাভাবিক। আমাদের আর সহ্য হলো না। আমি হাত উঠিয়ে বললাম আমার প্রশ্ন আছে। সাহারা খাতুন বললেন, বলুন। এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় না, জাতীয় তদন্ত কমিটি প্রশ্ন করতেই সবাই চুপ। সাহারা খাতুন বললেন, কেন আপনি জানেন না, এটা জাতীয় তদন্ত কমিটি? আমি বললাম, আপনি তো সাক্ষী দেবেন। আপনি তো পিলখানার ভেতরে গিয়েছেন ঘটনার পরপরই। ওখানে অফিসারদের মারা হয়েছে, গুলিবর্ষণ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভেতরে থাকা অবস্থায় ২ ঘণ্টায় কী দেখলেন আপনাকে বলতে হবে। এরপর সভা ভেঙে যায়। সচিব বললেন, চলেন আমরা পিলখানা পরিদর্শনে যাই। শেখ হাসিনার বুলেট প্রুফ গাড়িতে করে গেলেন সাহারা খাতুন, অ্যাডভোকেট কামরুল, আইজিপি, নানক, মির্জা আজম। পিলখানা ঘুরে সন্ধ্যায় বাসায় যাই। পরদিন ৩টায় বিডিআর অফিসার্স মেসে আমাদের বসার কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">সকালে শুনি কমিটি বাতিল হয়েছে। সচিব আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে নতুন তদন্ত কমিটি হয়েছে। আমাকে রাখা হয়নি। এ ঘটনায় তরুণ অফিসারদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া হয়। পরে আবার আমাকে কমিটিতে রাখা হয়। তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু সবকিছু আড়াল করার আলামত লক্ষ্য করলাম। জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রশ্ন করতে চাইলাম কিন্তু প্রশ্ন করতে দেওয়া হলো না। পরে যে রিপোর্ট তৈরি হলো সেটা দায়সারা একটা রিপোর্ট ছিল। আমি এর সঙ্গে একমত হলাম না। ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>গোয়েন্দা ব্যর্থতা ও তাপসের বিডিআরের পোশাক সংগ্রহ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানা ঘটনায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল রহস্যজনক। বিডিআর প্যারেডের আগে থেকেই কিছু ঘটনা ঘটছে। ২২ ফেব্রুয়ারি একটি লিফলেট বিতরণ হয়েছে। পিলখানার সর্বত্র লিফলেট লাগিয়ে দেওয়া হয়। ওই সময় অস্ত্র ভাণ্ডার থেকে দুটি অস্ত্র খোয়া যায়। শোনা যায়, ফজলে নূর তাপস বিডিআর-এর ২৫টি পোশাক বানিয়ে বাইরে নিয়ে গেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু এসব কিছুই জানত না ডিজিএফআই। মেজর জেনারেল মোল্লা আকবর ওই লিফলেট পাওয়া সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে বলেছেন, আমাদের এজেন্ট পিলখানার ভেতরে ছিল না। এতবড় একটা ঘটনা ঘটল আর তিনি জানেন না বা তাদের লোক নিয়োজিত করেননি তা কি বিশ্বাসযোগ্য? আসলে গোয়েন্দা ব্যর্থতার চেয়ে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় ডিজিএফআইয়ের একটি অংশও এই চক্রান্তের সঙ্গে ছিল তখন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>আনসারের ডিজি কেন অস্ত্র নিয়ে গেলেন?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর প্যারেডে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু ২৪ ফেব্রুয়ারি প্যারেডে তৎকালীন আনসারের ডিজি মেজর জেনারেল এটিএম আমিন সৈনিকসহ অস্ত্রসহ গেছেন। তার গাড়িতে অস্ত্র ছিল। প্রশ্ন উঠেছে বিডিআরে যে এমন ঘটনা ঘটবে তিনিও কি জানতেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন কোথায় থেকে এলো?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ঘটনার দিন বিপুল ব্ল্যাংক ফায়ার হয়েছে পিলখানায়। ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন ট্রেনিংয়ে ব্যবহার হয়। পিলখানায় ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন থাকার কথা নয়। এত ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন কোথা থেকে এলো এটাও রহস্যজনক।</p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানায় গার্ডের দায়িত্বে বিডিআরের যারা ছিলেন তাদের হাতে যেসংখ্যক অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ছিল বাইরে অপেক্ষমাণ সেনাবাহিনীর টিম ও র‌্যাবের কাছে। পিলখানায় বড়জোর ৩-৫ হাজার গুলি ছিল ডিউটিরতদের কাছে। আর বাইরে সেনাদল ও র‌্যাবের কাছে ছিল ১০ হাজারের বেশি গুলি। এদের ঢুকতে দেওয়া হলে পরিস্থিতি ভিন্ন রকম হতে পারত।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>বিডিআর নাম বদলে বিজিবি করার ষড়যন্ত্র</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর এ বাহিনীর নাম পাল্টানোর প্রথম দাবি তুলেন মেজর জেনারেল (অব.) সিআর দত্ত। তিনি এখন প্রয়াত। এরপর বিডিআরের ডিজি হিসেবে যোগদান করেন লে. জেনারেল (অব.) মইনুল ইসলাম। তিনি বিডিআর-এর পোশাক পরেননি। সেনা বাহিনীর পোশাক পরে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয়রা বিডিআর-এর নাম পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে আসছে অনেক আগ থেকে। সেটা তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। এমনকি বিডিআর-এর নাম বিজিবি করার আগেই তিনি বিজিবির নাম লিখে ঈদকার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>তদন্ত কমিটির রিপোর্ট টেম্পারিং</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল রফিক বিডিআর ঘটনার তদন্ত কমিটিতে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তিনি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট টেম্পারিং করেছেন। অর্থাৎ প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার কাজ করেছেন। শেখ হাসিনার সরকার তাকে ব্রিগেডিয়ার থেকে মেজর জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে বিডিআর ডিজি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তী সরকার তাকে রেডক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান করায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহীদ পরিবার এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে বিডিআর হত্যাকাণ্ড মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার ব্যাপারে যার সংশ্লিষ্টতা আছে তিনি কি করে এ আমলে রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান হন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>আইসিটিতে শেখ হাসিনা গংসহ সুনির্দিষ্ট ৫৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানা হত্যাকান্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানরা ওই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) আবেদন করেছেন। জানা গেছে, আবেদনে তারা শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নামসহ তাদের সঙ্গে আরো যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনা ছাড়াও রয়েছেন মেজর জেনারেল তারেক আহমেদ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযুক্ত সেনাকর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন উ আহমেদ, ডিজিএফআই’র সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) মোল্লা ফজলে আকবর, মেজর জেনারেল (অব.) মামুন খালেদ, ইমরুল কায়েস, এনএসআই-এর তৎকালীন ডিজি, র‌্যাবের তৎকালীন ডিজি, ডিডিজি, ডাইরেক্টর অপারেশন, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের তৎকালীন আইজি নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। শহীদদের সন্তানরা মনে করছেন, পিলখানা হত্যাকান্ডে ভারতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অসৎ কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশ ছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://amardeshcnd.ideahubbd.com/images/bdr-1_GWtZZ0e.width-800.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক ফেলানী হত্যা দিবস আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/25721/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/25721/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Jan 2025 19:20:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএসএফ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=25721</guid>

					<description><![CDATA[কুড়িগ্রামের কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার চতুর্দশ বার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ঠান্ডা মাথায় ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে। দীর্ঘক্ষণ কাঁটাতারে ঝুলে থাকে ফেলানীর মরদেহ। সীমান্তের কাঁটাতারে আটকে থাকা ফেলানীর ঝুলন্ত লাশের ছবি বিশ্বজুড়ে হৈচৈ ফেলে দেয়। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বর্বরতা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ফেলানী হয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কুড়িগ্রামের কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার চতুর্দশ বার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ঠান্ডা মাথায় ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে। দীর্ঘক্ষণ কাঁটাতারে ঝুলে থাকে ফেলানীর মরদেহ।</p>
<p style="text-align: justify;">সীমান্তের কাঁটাতারে আটকে থাকা ফেলানীর ঝুলন্ত লাশের ছবি বিশ্বজুড়ে হৈচৈ ফেলে দেয়। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বর্বরতা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ফেলানী হয়ে উঠে প্রতিবাদের প্রতীক। বিশ্ব মিডিয়ায় ফেলানী খাতুনের মরদেহ কাঁটাতারে ঝুলে থাকার ঝুলন্ত ছবি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় ভারত হত্যাকারী বিএসএফ সদস্যদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দেয়। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলেও প্রহসনের বিচার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেলানী হত্যার পর হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠন বিএসএফকে একটি ‘খুনি বাহিনী’ হিসেবে অভিহিত করে। বিশ্বজুড়ে প্রচার হয় প্রতিষ্ঠিত বিএসএফ একটি বর্বর বাহিনী। এই বাহিনী এর আগেও বহু নারী ও শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে একের পর এক সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটলেও টুঁ শব্দটি করেনি শেখ হাসিনা সরকার। গত ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর সীমান্ত হত্যা নিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতের কড়া সমালোচনা করলেও হত্যা বন্ধ হয়নি। ৫ আগস্টের পরও বিএসএফের হাতে সীমান্তে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/25721/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.kalbela.com/assets/news_photos/2025/01/07/image-153548.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>তীব্র সমালোনার মুখে ভারতে ৫০ বিচারকের প্রশিক্ষণ বাতিল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/138256/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/138256/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Jan 2025 05:21:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=138256</guid>

					<description><![CDATA[তীব্র সমালোনার মুখে ভারতে ৫০ বিচারকের প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত বাতিল হয়েছে। রোববার এ প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। &#160;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>তীব্র সমালোনার মুখে ভারতে ৫০ বিচারকের প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত বাতিল হয়েছে। রোববার এ প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter size-full" src="https://amardeshcnd.ideahubbd.com/images/Justice.width-800.webp" width="800" height="450" /></p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/138256/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/law_ministry.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভিসার জন্য ভারতীয়দের লম্বা লাইন বাংলাদেশ মিশনে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1466/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1466/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Jan 2025 02:30:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=1466</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশি ভিসার জন্য এখন রীতিমতো লম্বা লাইন ধরছেন ভারতীয়রা। কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের সামনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশের ভিসা পেতে ভিড় করছেন। তবে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিদিন মাত্র একশটি ভিসা আবেদনপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ভিসা প্রদান করা হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮৫ জনকে। শেখ হাসিনার জমানায় এই সংখ্যা ছিল প্রতিদিন কমবেশি ৩৫০। উল্লেখ্য, জুলাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশি ভিসার জন্য এখন রীতিমতো লম্বা লাইন ধরছেন ভারতীয়রা। কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের সামনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশের ভিসা পেতে ভিড় করছেন। তবে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিদিন মাত্র একশটি ভিসা আবেদনপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ভিসা প্রদান করা হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮৫ জনকে। শেখ হাসিনার জমানায় এই সংখ্যা ছিল প্রতিদিন কমবেশি ৩৫০।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, জুলাই বিপ্লবে উৎখাত হয়ে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে চরম অস্থিরতা চলছে। ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ৫ আগস্টের পর উগ্র ভারতীয় হিন্দুদের বাংলাদেশ মিশনগুলোর সামনে সহিংস বিক্ষোভ, মিশনের সামনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় অগ্নিসংযোগসহ ত্রিপুরায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় দুদেশের মধ্যে তৈরি হয় কূটনৈতিক উত্তেজনা। নিরাপত্তার অভাবে বাংলাদেশের ত্রিপুরা মিশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে কলকাতা ও ত্রিপুরার মিশন প্রধানদের।</p>
<p style="text-align: justify;">সব মিলিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ধরনের অস্থিরতা চলছেই। চলমান এই অস্থিরতার মধ্যেও কয়েকদিন ধরে প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশি ভিসার জন্য আসছেন বাংলাদেশের কলকাতা মিশনে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের কলকাতা মিশনে কর্মরত একজন পদস্থ কূটনীতিক আমার দেশকে জানান, ৫ আগস্টের আগে কলকাতা মিশন থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০ জন ভারতীয় নাগরিককে ভিসা দেওয়া হতো। ওই সময় ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন কিছু যাচাই-বাছাই করা হতো না। ৫ আগস্টের পর প্রতিটি আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয় এবং ভিসা দেওয়ার সংখ্যা প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ২০০-তে নেমে আসে। ২৮ নভেম্বর সহিংস বিক্ষোভকারীরা মিশনের ১০০ মিটারের মধ্যে পৌঁছে যায় যা ছিল নজিরবিহীন। সাধারণত মিশন থেকে ১ কিলোমিটার দূরে যেকোনো বিক্ষোভকে আটকানো হয় যা ২৮ নভেম্বর করা হয়নি। ওইদিন বাংলাদেশ মিশনের সামনেই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পোড়ানোসহ এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করে উগ্র হিন্দুরা। ওই ঘটনার পরপরই ভিসা পলিসি রিভিউ করা হয় বলে জানান ওই কূটনীতিক। যদিও ৫ আগস্টের পরপরই ভারতীয় হাইকমিশন ঢাকায় তাদের ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতা মিশন প্রতিদিন ১০০টি ভিসা আবেদনপত্র গ্রহণ করছে। আর এক্ষেত্রে ভিসা দেওয়ার হার ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ। এখানে প্রতিটি ভিসা আবেদনপত্র সঠিক প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এখন প্রচুর ভারতীয় বাংলাদেশে আসতে চাইছেন। তাদের অনেকেরই এখানে আত্মীয়স্বজন রয়েছে। তবে বিগত হাসিনা সরকারের আমলে অনেক সন্দেহভাজন ব্যক্তি ভিসার জন্য আবেদন করতেন এবং তাদের ভিসা দিতে হতো সরকারের নির্দেশে। কর্মকর্তাদের কিছুই করার ছিল না। তবে এখন ওই ধরনের সন্দেহভাজন লোকদের ভিসার জন্য আসতে দেখা যাচ্ছে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1466/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Indian.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুকে ক্ষমতাচ্যুত ছক কষেছিল ভারত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/534828/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Jan 2025 06:57:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেসিডেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মালদ্বীপ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=534828</guid>

					<description><![CDATA[২০২৩ সালের শেষের দিকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুইজ্জু। নির্বাচনে তার স্লোগান ছিল ‘ইন্ডিয়া আউট’। মুইজ্জু নির্বাচিত হওয়ার পর, ভারত এবং দ্বীপরাষ্ট্রটির মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারত এবং তার গোয়েন্দা সংস্থা-ি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) মুইজ্জুকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের কৌশল তৈরি করতে তৎপর হয়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২০২৩ সালের শেষের দিকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুইজ্জু। নির্বাচনে তার স্লোগান ছিল ‘ইন্ডিয়া আউট’। মুইজ্জু নির্বাচিত হওয়ার পর, ভারত এবং দ্বীপরাষ্ট্রটির মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর প্রতিক্রিয়ায় ভারত এবং তার গোয়েন্দা সংস্থা-ি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) মুইজ্জুকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের কৌশল তৈরি করতে তৎপর হয়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। গত সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি এ বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, মালদ্বীপের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু ভারতের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের দিকে মনোনিবেশের ইঙ্গিত দিয়ে দ্বীপরাষ্ট্র থেকে ভারতীয় সেনা বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। মুইজ্জু বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, এমনকি সম্ভাব্য সামরিক সহায়তা চুক্তির ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে, ভারতীয় গোয়েন্দারা মুইজ্জুকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের উপায় অনুসন্ধানের জন্য মালদ্বীপের বিরোধী নেতাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করে।</p>
<p style="text-align: justify;">‘ডেমোক্র্যাটিক রিনিউয়াল ইনিশিয়েটিভ’ শিরোনামের একটি অভ্যন্তরীণ নথি- ওয়াশিংটন পোস্ট হাতে পেয়েছে। এতে মুইজ্জুকে অভিশংসনের জন্য একটি বিস্তারিত কৌশল ও রূপরেখা পাওয়া গেছে। পরিকল্পনায় মুইজ্জুর দলের কয়েকজনসহ ৪০ জন সংসদ সদস্যকে ঘুষ দেয়ার পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং অপরাধী চক্রকে অর্থ প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছিল। অভিযানের আনুমানিক ব্যয় ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৮৭ মিলিয়ন মালদ্বীপের রুপি ভারত থেকে দেয়ার কথা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েক মাস ধরে গোপন আলোচনা সত্ত্বেও, ষড়যন্ত্রকারীরা পর্যাপ্ত সংসদীয় ভোট পেতে ব্যর্থ হয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ, মালদ্বীপকে অস্থিতিশীল করার বিষয়ে সতর্ক থাকায়, অভিশংসন প্রচেষ্টার জন্য অর্থায়ন বা এগিয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ভারত বনাম চীন: একটি বৃহত্তর ক্ষমতার লড়াই</strong></p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের ঘটনাটি দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরে ভারত ও চীনের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের চলমান লড়াইকে তুলে ধরে। উভয় দেশই কৌশলগত অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য ঋণ, অবকাঠামো প্রকল্প এবং রাজনৈতিক জোট ব্যবহার করেছে। ভারতের জন্য, মালদ্বীপের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা তার বিদেশ নীতির মূল ভিত্তি।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের ১,২০০টি দ্বীপপুঞ্জ, যা গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের জন্য বিস্তৃত পথ; যেটি দীর্ঘদিন ধরেই চীন-ভারতের কৌশলগত স্বার্থের বিষয়। ভারতীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন যে, চীনা বিনিয়োগ সামরিক স্থাপনায় রূপান্তরিত হতে পারে, যার ফলে ভারত মহাসাগরের উপরে বেইজিং উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ লাভ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>২০২৩ সালের নির্বাচন এবং ফলাফল:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">মুইজ্জুর প্রচারণা ভারতবিরোধী মনোভাবকে পুঁজি করে ২০২৩ সালের নির্বাচনে সোলিহকে পরাজিত করে। তার বিজয় ভাষণ বিদেশি সামরিক উপস্থিতি অপসারণে দৃঢ় সংকল্পকে আরও জোরদার করে। এটি ভারতের সাথে তীব্র উত্তেজনার ক্ষেত্র তৈরি করে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২৪ সালের জানুয়ারিতে, মুইজ্জুর অভিশংসনের আলোচনা শুরু হয়। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-এর সাথে যুক্ত এমডিপি আইন প্রণেতা হুসেন শাহিম এবং দীর্ঘদিনের ভারতীয় মিত্র আহমেদ ইয়াসা। বিরোধী দলকে একত্রিত করার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, অপর্যাপ্ত সংসদীয় সমর্থন এবং তহবিল সমস্যার কারণে চক্রান্তটি ব্যর্থ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তার আগেই, মুইজ্জু ১১ জন বিরোধী আইন প্রণেতাকে ঘুষ দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করেন এবং তার পদ সুরক্ষিত করেন। প্রকাশ্যে, তিনি ভারতবিরোধী বক্তব্য আরও তীব্র করে তোলেন, ঘোষণা করেন, ‘আমরা ছোট হতে পারি, কিন্তু তার মানে এই নয়, আমাদের ওপর অত্যাচার করার অনুমতি দেয়া হবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sangbad.net.bd/images/2023/October/01Oct23/main_image/sangbad_bangla_1696130171.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতে ইন্টারনেট ট্রানজিটের প্রস্তাব নাকচ করল বিটিআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/261644/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Dec 2024 06:15:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্য প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=261644</guid>

					<description><![CDATA[দেশের আইন ও বিধিমালা মেনে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ খাতের আঞ্চলিক সহযোগিতার বলয়ে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। আর সে কারণেই নীতিমালায় কোনো সুযোগ না থাকায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যে ইন্টারনেট ট্রানজিটের প্রস্তাব নাকচ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। দেশের দুই ইন্টারন্যাশনাল টেলিস্ট্রেরিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) কোম্পানি সামিট কমিউনিকেশনস ও ফাইবার এট হোম ভারতের টেলিকম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশের আইন ও বিধিমালা মেনে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ খাতের আঞ্চলিক সহযোগিতার বলয়ে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। আর সে কারণেই নীতিমালায় কোনো সুযোগ না থাকায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যে ইন্টারনেট ট্রানজিটের প্রস্তাব নাকচ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশের দুই ইন্টারন্যাশনাল টেলিস্ট্রেরিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) কোম্পানি সামিট কমিউনিকেশনস ও ফাইবার এট হোম ভারতের টেলিকম অপারেটর ভারতী এয়ারটেলের সঙ্গে মিলে এই উদ্যোগ নিয়েছিল। বিগত সরকারের সময় অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় থাকা অবস্থায় শেষ মুহূর্তে বিটিআরসি এই প্রস্তাবে সায় দেয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর কারণ হিসেবে বিটিআরসি বলছে, এখানে অন্য কোনও ইস্যু নেই। কেবলমাত্র নীতিমালয় ট্রানজিট দেয়ার বিধান নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, বাইরের যেকোনো জায়গা থেকে যদি একটা ডেটা আসে, তা আমাদের এখানে ল্যান্ড করার কথা, সেখান থেকে রিসেল করার অনুমতি আছে আমাদের। ট্রানজিট দেয়ার বিষয়টি নীতিমালায় নেই। আমাদের কাছে প্রস্তাব এলেও নীতিমালায় না থাকায় আমরা এ বিষয়ে অনুমোদন দিই নাই।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকরারের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ট্রানজিট দেয়া হলে আঞ্চলিক হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হবে। বিটিআরসির সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের সাত রাজ্যে বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথ রফতানির দ্বার প্রসারিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, গুগল-ফেসবুক কিন্তু কলকাতায় হাব করেছে। সেখান থেকে আইটিসির মাধ্যমে আমরা ব্যান্ডউইথ নিয়ে আসতেছি। ঠিক তারাও আমাদের কাছ থেকে আইটিসির মাধ্যমে ব্যান্ডউইথ আমদানি করুক। আমি কিন্তু ট্রানজিটের পক্ষে না। কারণ, তারা তো আমাকে ট্রানজিট দিচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত না হলে নতুন করে প্রস্তাব এলেও তা বিবেচনার সুযোগ নেই । স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সুরক্ষার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে, এমন অভিমত বিটিআরসির।</p>
<p style="text-align: justify;">এমদাদ উল বারী বলেন, ট্রানজিট দেয়ার মতো প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট দুই-একটা লাইসেন্সধারীকে এটা সুবিধা দেয়। যেটা আবার সুস্থ প্রতিযোগিতার জন্য উপযোগী নয়। আমরা ব্যবসার স্থায়িত্ব দেখবো। আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতার কথা বলবো, কিন্তু সেটা পারস্পরিক ভিত্তিতে হতে হবে। তাই ব্যবসার স্থায়িত্ব থাকলে, পারস্পরিক ভিত্তিতে হলে তা আমরা করতে পারি। আর অন্য কোনো কারণ হলে সরকার যেভাবে বলবে আমরা সেভাবে করবো।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রযুক্তিবিদরা মনে করছেন, ট্রানজিট দেয়ার প্রস্তাব নাকচ হওয়ায় গুগল ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এজড পপ ও ডেটা সেন্টার স্থা্পনে আগ্রহী হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2023/09/06/btrc.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সেনাবাহিনী নিয়ে ভারতের পত্রিকার মিথ্যা প্রতিবেদন, আইএসপিআরের প্রতিবাদ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/60795/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/60795/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Dec 2024 05:50:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আইএসপিআর]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=60795</guid>

					<description><![CDATA[ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে প্রকাশিত ‘উর্দিতে বাঙালি গণহত্যার রক্তের ছিটে! ৫৩ বছর পর বাংলাদেশে ফিরছে সেই পরাজিত পাক ফৌজ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে সেনাবাহিনী। আজ শনিবার আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। গত ২৭ ডিসেম্বর আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এই ফটো স্টোরিটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে প্রকাশিত ‘উর্দিতে বাঙালি গণহত্যার রক্তের ছিটে! ৫৩ বছর পর বাংলাদেশে ফিরছে সেই পরাজিত পাক ফৌজ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে সেনাবাহিনী। আজ শনিবার আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ২৭ ডিসেম্বর আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এই ফটো স্টোরিটি প্রকাশ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আইএসপিআরের প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারি, নিরপেক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতিতে অটল। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ছাত্র বিনিময় ও প্রশিক্ষণসহ বিবিধ সহযোগিতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কোনো প্রশিক্ষক দল বা প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশের কোনো সেনানিবাসে প্রশিক্ষণের জন্য আসার কোনো পরিকল্পনা নেই। এই দাবি ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ সংগ্রহ করে। সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা বিষয়ে অজ্ঞতাপ্রসূত মতামত অনভিপ্রেত, অযাচিত ও আপত্তিকর।</p>
<p style="text-align: justify;">সাংবাদিকতার সঠিক রীতি অনুসরণ করার বিপরীতে, উক্ত সংবাদপত্রটি প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে বাংলাদেশের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)–এর কোনো মন্তব্য বা ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি। এই উপেক্ষা প্রতিবেদনের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথ্যের স্বচ্ছতা এবং সঠিক তথ্য প্রচারের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণমাধ্যমে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের পূর্বে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করতে বিনীতভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/60795/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cosmosgroup.sgp1.digitaloceanspaces.com/bn_news/3960831.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গেরুয়া সন্ত্রাসী চন্দন থেকে যেভাবে  চিন্ময়!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/532886/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Dec 2024 07:43:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=532886</guid>

					<description><![CDATA[বাবা-মায়ের দেওয়া নাম চন্দন কুমার ধর। উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকনে যোগ দেওয়ার পর বনে যান চিন্ময় কুমার দাস ব্রহ্মচারী। ভক্তরা তাকে ডাকেন চিন্ময় প্রভু নামে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১৬ নম্বর করায়নগর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মৃত মাস্টার আশুতোষ ধর ও সন্ধ্যা রানী ধরের ছেলে তিনি। বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর, মেজো ভাই অঞ্জন কুমার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাবা-মায়ের দেওয়া নাম চন্দন কুমার ধর। উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকনে যোগ দেওয়ার পর বনে যান চিন্ময় কুমার দাস ব্রহ্মচারী। ভক্তরা তাকে ডাকেন চিন্ময় প্রভু নামে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১৬ নম্বর করায়নগর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মৃত মাস্টার আশুতোষ ধর ও সন্ধ্যা রানী ধরের ছেলে তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর, মেজো ভাই অঞ্জন কুমার ধর ও বোন রুনা ধরের পরে জন্ম তার। ১৯৮৫ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দিতে এসে ভিড়ের কারণে স্ট্রোক করে মারা যান আশুতোষ ধর।</p>
<p style="text-align: justify;">ওইদিনই কক্সবাজারের ডুলাহাজারা মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন চিন্ময়। জন্মের সময় বাবার মৃত্যু হওয়ায় গ্রামের মানুষের কাছে অপয়া সন্তান হিসেবে পরিচিতি পায় চন্দন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ১৯৯৮ সালে সাতকানিয়া থেকে চট্টগ্রামে পাড়ি জমান সপরিবারে।</p>
<p style="text-align: justify;">বন্দর নগরীতে এসে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকা অবস্থায় হঠাৎ একদিন জানা গেল তিনি সন্ন্যাসী হয়েছেন। পরের গন্তব্য বিতর্কিত ইসকন। গেরুয়া বেশে উগ্র তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই ইসকনের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। খাতা-কলমে সংগঠনটির তিন নম্বর নেতা হলেও কার্যত ইসকনের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তারই হাতে।</p>
<h4 style="text-align: justify;">বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত</h4>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে ফ্যাসিবাদী শাসন ফিরিয়ে আনার নীলনকশা আঁটে দিল্লি, যার অন্যতম সেনাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এই ইসকন নেতা। ইসকনের বাইরে সাধারণ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করে মাঠে নামাতে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট নামের আরেকটি সংগঠন খুলে বসে চিন্ময়।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসকনের আঞ্চলিক সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের প্রবর্তক মন্দিরে ১৭ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তথাকথিত এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের পরিকল্পনায় ভারতপন্থি আরও কয়েকটি ছোটখাটো সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটানো হয়, যার সমন্বয় করছেন ভারতে পালিয়ে থাকা পতিত সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের পরিকল্পনায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ বানাতে সক্রিয় ছিলেন তথাকথিত ধর্মীয় গুরু চিন্ময় ওরফে চন্দন। সেই লক্ষ্যে সরকার পতনের পরপরই তিন মাসে অন্তত ১৫টি বড় সমাবেশ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উসকে দেন তিনি। এসব সমাবেশের বেশির ভাগই অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের জামালখান থেকে লালদীঘি পর্যন্ত মুহিবুল হাসান চৌধুরীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকায়। গেরুয়া বেশে এসব সমাবেশে অংশ নেন আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের ভিড়ে এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন ধরনের উসকানি দেওয়ার পাশাপাশি নাটক সাজিয়ে তিলকে তাল বানিয়ে সেগুলো ভিডিও করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ভারতের হিন্দুত্ববাদী মিডিয়ায়। দুই সাংবাদিক, এক ফ্রিল্যান্সার ফটো সাংবাদিক ও দুই অ্যাডভোকেটের নেতৃত্বে গঠিত একটি টিম এসব ভিডিও ধারণ ও পাঠানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ ও পূরবী দাস, এডভোকেট শুভাশিস শর্মা , লীলা রাজ গৌর দাস ও ফ্রি ল্যান্সার ফটোগ্রাফার পরিচয়দানকারী গৌরাঙ্গ দাস।</p>
<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদের পতনের পর মূলত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য। মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আজম নাসির উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, জহরলাল হাজারী ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী ক্যাডার নুরুল আজিম রনি এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাধানোর মূল দায়িত্বে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করলে ইসকনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে পূরবী দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সপরিবারে ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের কোনো বিষয়ে তিনি জানেন না। তার ব্যাপারে কোনো তথ্য পেলে ভালোভাবে তদন্ত করার অনুরোধ জানান তিনি। আর বিপ্লব পার্থ নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বিএনপিপন্থি পেশাজীবী পরিষদের সক্রিয় নেতা বলে দাবি করেন। ইসকন কিংবা চিন্ময় দাসের সঙ্গে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। তবে জনৈক সুমন চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি ইসকনের ভিডিও ও ছবি বিভিন্ন জায়গায় পাঠাই বলে জানান তিনি।</p>
<h4 style="text-align: justify;">ইসকনের মূল টার্গেট চট্টগ্রাম</h4>
<p style="text-align: justify;">১/১১-এর সেনাশাসকের সহযোগিতায় ২০০৮ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মূলত ইসকনের কার্যক্রম বড় পরিসরে শুরু হয় বাংলাদেশে। কাজের সুবিধার্থে কয়েকটি পুরোনো মন্দিরের দখল নেওয়াসহ শুধু এই এলাকায় ১৪টি মন্দির প্রতিষ্ঠা করে ইসকন।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব মন্দির ইসকনের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ধর্ম প্রচারের নামে চলে সংখ্যালঘুদের মগজ ধোলাইয়ের কাজ। বিশেষ করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মরত হিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মকর্তাদের টার্গেট করে চলে সদস্য সংগ্রহের কাজ। একটি গোয়েন্দা সংস্থা শুধু চট্টগ্রাম বন্দরেই ইসকনের ৫০ সদস্যের তালিকা সংগ্রহ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এএলএম ফজলুর রহমান জানান, সরকারি অফিসগুলোয় কোনো বিশেষ সংগঠনের প্রভাব বাড়ানোর মানে হলো যেকোনো পরিস্থিতিতে সরকারকে চাপে ফেলে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। তিনি জানান, ইসকনের তৎপরতা চট্টগ্রাম ও রংপুরকেন্দ্রিক।</p>
<p style="text-align: justify;">বান্দরবানের সন্ত্রাসী সংগঠন কেএনএফের প্রধান নেতা নাথান বমও আশ্রয়-প্রশ্রয় ও অস্ত্র পাচ্ছে ভারত থেকে। চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের নিয়ন্ত্রণ পেলে মিজোরামের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে ভারতের। অন্যদিকে রংপুর নিয়ন্ত্রণে এলে চিকেন নেকের সঙ্গে তাদের যোগাযোগটা সহজ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত এই টার্গেটেই মাঠে নেমেছে ইসকন। এই দুই জায়গায় বিপুল পরিমাণ জমিও কিনেছে সংগঠনটি, যা তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মনে করেন এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, ভারতের এই পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে। আর তাই প্ল্যান-বির অংশ হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে চট্টগ্রামকে। কারণ চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র নওফেলের নির্বাচনী এলাকা ঘিরে অন্তত ৫৪ হাজার সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষের বাস, যাদের মধ্যে জামাল খান, বান্ডেল কলোনি, আন্দরকিল্লাহ, কোতোয়ালি এলাকায় রয়েছে ইসকনের শক্ত অবস্থান। সেজন্য সরকার পতনের পর তারা চট্টগ্রামকেই বেছে নেয় অস্থিরতা তৈরির কি-পয়েন্ট হিসেবে। গত দুর্গাপূজায় ইসলামি একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীদের ডেকে নিয়ে মঞ্চে তুলে ইসলামি গান পরিবেশনের ঘটনাটিও ছিল ধুরন্ধর ইসকনের কূটচাল।</p>
<h4 style="text-align: justify;">সীমান্তে হত্যায় ভারতকে সমর্থন</h4>
<p style="text-align: justify;">চিন্ময় দাশের কথিত সনাতন জাগরণী জোটের কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকার অবমাননার পর বিএসএফের হাতে বাংলাদেশিদের খুন হওয়ার ঘটনায় ভারতের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে সমালোচিত হন উগ্র এই ধর্মীয় নেতা চন্দন ধর ওরফে চিন্ময় দাশ। সম্প্রতি বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী স্বর্ণা দাস ও কিশোর জয়ন্ত কুমার সিংহ নিহত হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘সীমান্তে দুই হিন্দু মারা গেছে, এ জন্য মায়া-দরদ দেখাচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তো, আমি বলতে চাই, তারা কেন সীমান্তে গেছে? আগে ওটি খুঁজে নিন।’</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের বিরুদ্ধে শিশুধর্ষণের অভিযোগ</h4>
<p style="text-align: justify;">ইসকনের বিতর্কিত নেতা চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে অন্তত ১০ শিশুকে ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগ তোলা হয়েছে। নিপীড়নের শিকার শিশুরা সবাই হাটহাজারী পুন্ডরিকধাম মন্দিরের বাসিন্দা। এই মন্দিরেরই অধ্যক্ষ হিসেবে আছেন চিন্ময় দাস। বিভিন্ন কৌশলে রাতে শিশুদের নিজের ঘরে নিয়ে বলাৎকার করতেন চিন্ময়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে চার শিশু চিন্ময় দাশের বিরুদ্ধে নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ করেন ইসকন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক শিশু সুরক্ষা কার্যালয়ে (সিপিটি)। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ওই বছরের ৬ অক্টোবর সিপিটি থেকে চিন্ময়কে ইসকনের নেতৃস্থানীয় পদে না রাখা, শিশু ও নারীদের সঙ্গে যোগাযোগে বিরত থাকাসহ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের নির্দেশে হাজারীগলিতে সেনাসদস্যদের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ</h4>
<p style="text-align: justify;">৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের হাজারীগলিতে এক মুসলমান দোকান কর্মচারী ইসকনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। এরই জের ধরে ইসকনের সদস্যরা ওই দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। তারা চিন্ময়ের সঙ্গেও মুঠোফোনে আলোচনা করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। কিন্তু ইসকন সমর্থকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে কাচের বোতল ও অ্যাসিড ছুড়ে মারা হয় পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ওপর। ইসকন সমর্থকদের ছোড়া এসিডে ঝলসে যান পাঁচ সেনা ও ৯ পুলিশ সদস্য।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের নির্দেশে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা</h4>
<p style="text-align: justify;">গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সরকারি আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ খুনে জড়িত ছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অনুসারী, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী ও ইসকন-সমর্থক আইনজীবী ও ক্লার্ক। ওই আইনজীবীকে ১০-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আক্রমণ চালিয়ে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে প্রিজনভ্যান আটকে বিক্ষোভ করতে থাকেন ইসকন সমর্থকরা। এসময় নজিরবিহীনভাবে পুলিশের হ্যান্ডমাইক ছিনিয়ে নিয়ে প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকেই উসকানিমূলক বক্তব্য দেন চিন্ময়। এর পরপরই ইসকন সমর্থকরা আদালত এলাকায় তাণ্ডব চালায়। পুলিশ বাধা দিলে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ। এসময় আদালত পাহাড়ের নিচে রঙ্গম কমিউনিটি সেন্টারের গলিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে ধাওয়া করে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে ইসকনের সন্ত্রাসীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ১২ জনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা পুলিশকে জানিয়েছে, চিন্ময় দাসের মুক্তির দাবিতে তার অনুসারীরা চট্টগ্রাম আদালত ভবনে সংঘর্ষে জড়ানো ও বিচারককে মারধর করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ায় আইনজীবীকে হত্যার মিশন নেওয়া হয়। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আর্থিক সহায়তা করেন হাজারীগলির কাটাপাহাড় এলাকার অরবিন্দ ধর বসু নামের এক ইসকন নেতা।</p>
<h4 style="text-align: justify;">প্রশাসনে ইসকনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক</h4>
<p style="text-align: justify;">শিশুধর্ষণ, জমি দখল এমনকি সরাসরি আইনজীবী হত্যায় উসকানি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও একটি মামলায়ও চিন্ময় দাসের নাম নেই। কারণ শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে প্রশাসনে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইসকন। দেশের এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে ইসকনের সদস্যরা নেই। তাদের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন ধরে ভারতে তথ্য পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরই মধ্যে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তালিকা ধরে বিশেষ নজরে রেখেছেন তাদের। একটি সংস্থা থেকে ইসকন সদস্যদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। ওই তালিকায় রয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, মহানগর যুবলীগের সহসভাপতি দেবশিষ পাল দেবু, চট্টগ্রাম বন্দরের সিবিএ নেতা আশীষ কান্তি মুহুরী, বন্দরের যান্ত্রিক বিভাগের কর্মকর্তা সঞ্চয় কুমার দে, বিশ্বজিৎ দেব, শজীব শর্মা, হৃদয় কুমার দাস (ছাত্রলীগের লায়ন্স সংঘের সাধারণ সম্পাদক), রতন কুমার দাস (চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসায়ী), সৌরভ শাহ (চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসায়ী), আশোক কুমার দাস (চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসায়ী), বন্দর কর্মকর্তা নয়ন মণি, হিমেল বড়ুয়া, সুমন দাস, অপূর্ব কুমার চক্রবর্তী, কিশোর কান্তি দাস ও পর্ণব দাস (বন্দর থানার ইসকনের সাধারণ সম্পাদক)।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের নির্দেশেই ভারতে গিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারে নেমেছেন তার আইনজীবী</h4>
<p style="text-align: justify;">চিন্ময় দাসের আইনজীবীর নাম রবীন্দ্র ঘোষ। তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ভারতে বসবাস করলেও তিনি বাংলাদেশেই থাকতেন। তবে বর্তমানে চিকিৎসা ভিসায় ভারতে অবস্থান করছেন। সেখানে বসেই চিন্ময়ের নির্দেশে পতিত শেখ হাসিনার এজেন্ডা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে চলেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল রবীন্দ্র ঘোষের। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তার ওপর নজরদারি শুরু করে বাংলাদেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। বিষয়টি বুঝতে পেরেই চিকিৎসার নামে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে ছেলের ফ্ল্যাটে অবস্থান করছেন রবীন্দ্র ঘোষ। ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর দিনভর ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সপরিবারে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের উসকানি দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৮ ডিসেম্বর সাবেক বিজেপি সংসদ সদস্য অর্জুন সিং এবং সনাতনী কথিত ধর্মগুরু মুসলমানবিদ্বেষী কার্তিক মহারাজ তার সঙ্গে বৈঠক করেন। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে তথ্য রয়েছে বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে। তিনি মূলত চিকিৎসার জন্য ভারতে থাকলেও তার ভিসার মেয়াদ রয়েছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। বাংলাদেশ হাইকমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের পরিবারের কে কোথায়</h4>
<p style="text-align: justify;">চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ইসকন সদস্য হওয়ার পর তার মা সন্ধ্যা রানী ধরকে অনেকটা জোর করেই ইসকন সদস্য বানান চিন্ময়। বর্তমানে তিনি চিন্ময়ের সঙ্গে হাটহাজারী পুণ্ডরিখধামে থাকেন। তার বড় ভাই রঞ্জন ধর সাতকানিয়া কাঞ্চনা এলাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। মেজো ভাই অঞ্জন ধর চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। বড় বোন অরুণা ধর গৃহিণী।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়কে বহিষ্কারের নাটক ইসকনের</h4>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দিল্লিতে পলায়নের পর সংখ্যালঘু নির্যাতনের ভুয়া দাবি তুলে একের পর এক কর্মসূচির নামে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা করে সমালোচিত হন চিন্ময়। তীব্র সমালোচনার মুখে গত ৯ নভেম্বর ঢাকার স্বামীবাগের ইসকন আশ্রমে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ দাবি করেন, চার মাস আগে অর্থাৎ গত জুলাই মাসেই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে চিন্ময়কে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু সংখ্যালঘু নেতারা মনে করেন, বাংলাদেশে ইসকনের হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের সুরক্ষা ও পাবলিক সেন্টিমেন্টের কারণেই এমন নাটক মঞ্চস্থ করেছে ইসকন। কারণ যে তারিখে চিন্ময়কে বহিষ্কারের গল্প শোনানো হচ্ছে, তারপর একাধিকবার ইসকন-নিয়ন্ত্রিত মন্দিরে বসে কথিত সনাতনী জাগরণী জোটের কর্মসূচি পালন করেছে চিন্ময়।</p>
<h4 style="text-align: justify;">ইসকনের বক্তব্য</h4>
<p style="text-align: justify;">চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী কারাগারে বন্দি থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী চিন্ময়ের কর্মকাণ্ডের দায় নিতে অস্বীকার করে এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘চিন্ময়ের সঙ্গে ইসকনের কোনো সম্পর্ক নেই। চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও ইসকনের কোনো সম্পর্ক নেই। চারু চন্দ্র আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা এবং চলমান আন্দোলনের সঙ্গে ইসকন বাংলাদেশের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://amardeshcnd.ideahubbd.com/original_images/chanmoy_news_pic.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দিল্লি হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/903/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/903/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Dec 2024 03:00:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=903</guid>

					<description><![CDATA[পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে দিল্লি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেন এমন একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এই বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছে। তিব্বতের ধর্মীয় গুরু দালাইলামাকে যে ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনাকেও সেই ধরনেরই স্টাটাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওই সূত্রগুলো। তবে শেখ হাসিনার ইস্যুটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অর্থাৎ তিনি গণহত্যার অভিযোগে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;" data-block-key="krptn">পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে দিল্লি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেন এমন একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এই বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছে। তিব্বতের ধর্মীয় গুরু দালাইলামাকে যে ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনাকেও সেই ধরনেরই স্টাটাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওই সূত্রগুলো।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="ds1jv">তবে শেখ হাসিনার ইস্যুটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অর্থাৎ তিনি গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি হওয়ায় তার ব্যাপারে কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করছে মোদি প্রশাসন। সাউথ ব্লক বা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা থেকে একেবারেই বিরত রয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এতটুকুই বলা হয়েছে যে, শেখ হাসিনা ভারতে আছেন এবং ভারতে থাকবেন। যদিও তারা একেবারে শুরুতে বলেছিল দিল্লি শেখ হাসিনার শেষ গন্তব্য নয়।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="8n032">শেখ হাসিনাকে দিল্লির রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের সাবেক একজন পররাষ্ট্র সচিব আমার দেশকে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনেকটা বাধ্য হয়েই ভারত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="9cils">তিনি বলেন, শুরুতে ভারত চেয়েছিল ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে শেখ হাসিনাকে স্থায়ী করতে। তবে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এরই মাঝে বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করে দেয়। পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় শেখ হাসিনা কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েন। ওই সময়েই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে আসে। ভারত সরকার শেখ হাসিনার জন্য ট্রাভেল ডকুমেন্টসও ইস্যু করেছে। এই ট্রাভেল ডকুমেন্টস অনেকটা পাসপোর্টের মতোই কার্যকর। কিন্তু এটা পাসপোর্ট নয়।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="dkbaq">তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জন্য ট্রাভেল ডকুমেন্টস ইস্যু করা তার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের একটি বড় ইঙ্গিত।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="9m76i">শেখ হাসিনার দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের ধরন সম্পর্কে সাবেক ওই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাইলামাকে যে ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনার জন্যও তেমনটি করা হয়েছে বলে আমার ধারণা। এটা একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু দালাইলামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তটি পার্লামেন্টে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এটা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। দালাইলামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে কমিউনিস্ট পার্টির কিছু নেতা তখন বিরোধিতা করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="2j4u7">তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে কোনো ধরনের মতভেদ নেই। শেখ হাসিনাকে ভারতের একজন পরীক্ষিত মিত্র হিসেবেই বিবেচনা করে ভারতের সব রাজনৈতিক দল।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="dinfl">শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তার স্ট্যাটাস নিয়ে কঠোর গোপনীয়তা এবং নীরবতা বজায় রেখে চলেছে মোদি প্রশাসন। বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি সাউথ ব্লকের কোনো কর্মকর্তা। গত ১০ ডিসেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি তার বাংলাদেশ সফর নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রবিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটির সদস্যদের। ওই ব্রিফিংয়ে অন্তত ৯ জন সদস্য শেখ হাসিনার স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানতে চান। এখানেও কোনো উত্তর মেলেনি। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি নীরবই ছিলেন, যা রীতিমতো নজিরবিহীন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="2kotn">শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি ভারত কেন এতটা কঠোর গোপনীয়তায় রেখেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কূটনীতিক, যিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="1gl8k">তিনি আমার দেশকে বলেন, আমরা সবাই জানি শেখ হাসিনা ভারতে কীভাবে আছেন। তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। অতীতেও তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়েই দিল্লি ছিলেন। কিন্তু ভারতের পক্ষে এখন বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করার কোনো উপায় নেই। শেখ হাসিনা ইস্যুটি এই মুহূর্তে ভারতের জন্য অত্যন্ত জটিল এবং স্পর্শকাতর।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="2ea6n">শেখ হাসিনা এখন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত একজন আসামি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশই তাকে আশ্রয় দেবে না। ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। এখন ভারত যদি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করে তাহলে ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়তে হবে তাদের। এছাড়া ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তা আরও বেড়ে যাবে এবং বাংলাদেশের ভারতবিরোধী জনমত আরও তীব্র হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয়ের ব্যাপারে নিশ্চিতভাবেই ভারত চুপ থাকবে। আমরাও এক্ষেত্রে কোনো ধরনের চাপ দেব না।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="5ht11">দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ুক তা চান না মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে এই মুহূর্তে ঠিক মাথা ঘামাতে চাইছে না ঢাকা।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="b4abm">পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দীনের কাছে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি আমার দেশকে বলেন, শেখ হাসিনা এখন দিল্লিতে আছেন এটাই আমরা জানি। তিনি সেখানে বসে যা যা করছেন তা আমরা পছন্দ করছি না এটাই শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="c5t3p">দিল্লির কূটনৈতিক বিশ্লেষকরাও বিষয়টিকে একটু আড়ালেই রাখতে চাইছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস এ ব্যাপারে বিবিসিকে বলেন, শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আশ্রয়ে নাকি অতিথি হিসেবে ভারতে আছেন সেটা বড় বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো শেখ হাসিনাকে প্রাপ্য সম্মান দিয়ে ভারতে রাখা হচ্ছে কিনা। তিনি বলেন, ইংরেজিতে একটি কথা আছে- অ্যা রোজ ইজ অ্যা রোজ : অর্থাৎ গোলাপকে যে নামেই ডাক, সে গোলাপই থাকে। ঠিক তেমনি, শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় পান বা অতিথি হিসেবে থাকুন তাতে তেমন কিছু যায় আসে না। তিনি ভারতের চোখে শেখ হাসিনাই থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="3an42">উল্লেখ্য, গত ১৫ বছর ধরে ভারতের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সীমাহীন দুঃশাসন চালিয়ে অবশেষে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবে উৎখাত হয়ে শেখ হাসিনা প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যান ভারতে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে তিনি ওই দিন সন্ধ্যায় দিল্লির কাছে গজিয়াবাদের হিল্ডন বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ভারতীয় বিমানবাহিনীর ওখানকার একটি মেসে ২/৩ দিন রাখার পর শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর অজ্ঞাত এক সেফ হাউজে। সেখানেই তিনি এখন পর্যন্ত অবস্থান করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="88mt9">৬ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারতের জাতীয় সংসদে জানান, শেখ হাসিনার জন্য ভারত শেষ গন্তব্য নয়। খুব কম সময়ের নোটিশে শেখ হাসিনা সাময়িকভাবে আসার অনুমতি চান। ওই দিনই খবর আসে শেখ হাসিনার মার্কিন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই খবর। ২২ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করে দেয়। পাসপোর্ট বাতিলের পর শেখ হাসিনা একপ্রকার রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েন। এরপর ১১ অক্টোবর খবর প্রকাশিত হয় যে, ভারত সরকার শেখ হাসিনার জন্য ট্রাভেল ডকুমন্টেস ইসু করেছে। ওই সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনা সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্যই প্রকাশ করেনি মোদি প্রশাসন। ১৭ অক্টোবর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, শেখ হাসিনা এখন দিল্লিতে আছেন এবং দিল্লিতেই থাকবেন। এরপর ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উল্লেখ্য, জুলাই বিপ্লবে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। আহতদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। এই হত্যাযজ্ঞের মূল নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা নিজেই।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="7up7s">মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় পশ্চিমা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান বিবিসিকে বলেন, শেখ হাসিনার জন্য পশ্চিমা কোনো দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া একেবারে দুরূহ। হাসিনার শাসনামলে বিশেষ করে ছাত্র-বিক্ষোভের সময়ে যা ঘটেছে তা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো খুবই মর্মাহত। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে শক্তি প্রয়োগ করেছে তা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রবল আপত্তি ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল বেপরোয়া শক্তি প্রয়োগের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকলেও শেখ হাসিনা সরকারকে কোনোভাবেই নিবৃত্ত করা যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="dujeu">এখন শেখ হাসিনাকে দেখভালের দায়িত্ব ভারতেরই এবং ভারত সেই দায়িত্ব নিয়েছে। শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময়ের জন্য ভারতেই থাকবেন এটাই এখন সবচেয়ে বড় সত্যি। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনা ইসুতে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হলেও তাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনো পথ নেই। শেখ হাসিনাকে যদি ভারত এই মুহূর্তে আশ্রয় না দেয় তাহলে ভারতের বন্ধুত্বে আর কেউ কখনো বিশ্বাস করবে না। শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, বাংলাদেশ যখন শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানাবে তখন সেই অনুরোধ উপেক্ষা করা দিল্লির জন্য অনেকটাই সহজ হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/903/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://ichef.bbci.co.uk/ace/ws/798/cpsprodpb/a510/live/18648120-b630-11ef-a723-45d01a2a418d.jpg.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চিঠি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/31777/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/31777/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Dec 2024 06:20:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=31777</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা। সোমবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। এর আগে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। এর আগে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ভারত থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">কোন উপায়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত আনা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে ভারতের বন্দিবিনিময় চুক্তি আছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী হবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৭ অক্টোবর গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">২৩ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে পাঠানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর ১০ নভেম্বর আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, “শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করতে যাচ্ছে সরকার।”</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে ২০১৩ সাল থেকে ‘প্রত্যর্পণযোগ্য অপরাধের মামলা’য় অভিযুক্ত বা ফেরারি আসামি ও বন্দিদের একে অপরের কাছে হস্তান্তরের জন্য একটি চুক্তি রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা ভারতে আছেন, সেটা গত অক্টোবর মাসেই দেশটির সরকার নিশ্চিত করেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/31777/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dhakatimes24.com/assets/news_photos/2024/12/23/image-375316-1734944135.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতের আগরতলা অভিমুখে বিএনপির লং মার্চ শুরু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/151567/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/151567/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Dec 2024 04:45:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=151567</guid>

					<description><![CDATA[ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগরতলা অভিমুখে লং মার্চ করছে বিএনপির তিন সংগঠন। সকাল ৯টার দিকে নয়াপল্টন থেকে এই কর্মসূচী শুরু হয়। লংমার্চে যোগ দিতে সকাল থেকেই যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, লংমার্চ করে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে গিয়ে পথসভা করা হবে। সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তে সমাপনী সমাবেশ করে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগরতলা অভিমুখে লং মার্চ করছে বিএনপির তিন সংগঠন। সকাল ৯টার দিকে নয়াপল্টন থেকে এই কর্মসূচী শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">লংমার্চে যোগ দিতে সকাল থেকেই যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিকল্পনা অনুযায়ী, লংমার্চ করে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে গিয়ে পথসভা করা হবে। সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তে সমাপনী সমাবেশ করে শেষ হবে কর্মসূচি।</p>
<p style="text-align: justify;">লং মার্চ শুরুর আগে নয়াপল্টনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন- যারা চট্টগ্রাম দখলের হুমকি দেয় তাদের প্রতিহত করবে এ দেশের দেশপ্রেমিক জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তিনি জয়বাংলা’কে ভারতের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জয় ও পশ্চিমবাংলার স্লোগান বলে আখ্যায়িত করেন। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগানে গোটা দেশের প্রতিচ্ছবি ফুঁটে ওঠে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, গত রোববার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেয়ার পরদিন, যৌথ সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপির এই তিন সংগঠন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/151567/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dailyapandesh.com/media/imgAll/2021September/long-march-bnp--Daily-ApanD-2412110443.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারোর মুন্সিয়ানা চলবে না: গয়েশ্বর</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/167027/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/167027/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Dec 2024 04:48:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=167027</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারোর মুন্সিয়ানা চলবে না বলে হুশিয়ার করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার যা দু-দেশের জন্যই কল্যাণকর। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে সাবেক যুবদল নেতা ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ জিন্টুকে নিয়েশ্রদ্ধা জানান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারোর মুন্সিয়ানা চলবে না বলে হুশিয়ার করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার যা দু-দেশের জন্যই কল্যাণকর।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে সাবেক যুবদল নেতা ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ জিন্টুকে নিয়েশ্রদ্ধা জানান গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বিএনপির এই নেতা জানান, এক ব্যক্তি চলে গেলেই সমস্যার সমাধান হয় না, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হলেই দেশী বিদেশী চক্রান্ত মোকাবেলা সম্ভব হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি সকলের সাথেই বন্ধুত্ব চায়। কোনো দল বা ব্যক্তি নয় বরং বাংলাদেশের মানুষের সাথে প্রতিবেশী দেশ বন্ধুত্ব স্থাপন করবে বলেও প্রত্যাশা করেন বিএনপির এই নীতিনির্ধারক।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/167027/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2023/02/07/image-642789-1675789146.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/182578/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/182578/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Dec 2024 10:44:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=182578</guid>

					<description><![CDATA[অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে টাইগার যুবারা। এদিন আগে ব্যাট করে  ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট বাংলাদেশ যুব দল। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় টুর্নামেন্টের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ভারত। বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে টাইগার যুবারা।</p>
<p>এদিন আগে ব্যাট করে  ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট বাংলাদেশ যুব দল। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় টুর্নামেন্টের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন ইকবাল হোসেন ইমন, আজিজুল করিম ও ফাহাদ। তাদের বোলিং তোপে বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি ভারত। যে কারণে ৩০০ বলে মাত্র ১৯৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলতে পারেনি ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ ২০০ রানের কাছাকাছি যেতে পেরেছে মূলত নবম উইকেটে ফরিদ হাসান ও আল ফাহাদের ৩১ রানের জুটিতে।</p>
<p style="text-align: justify;">১৬৭ রানেই ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য আশা জাগানিয়া ছিল। প্রথম ওভারে যুধাজিৎ গুহর বলে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের রানের খাতা খোলেন জাওয়াদ আবরার। অন্য প্রান্তে কালাম সিদ্দিকী অবশ্য রান বের করতে পারছিলেন না। যুধাজিতের বলে আউট হন ১৬ বলে ১ রান করে। জাওয়াদও আউট হন পাওয়ার প্লে শেষ হতেই, ২০ রান করে।</p>
<p style="text-align: justify;">দলের সবচেয়ে বড় তারকা আজিজুল হাকিমও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৬ রানে আউট হয়েছেন। আজিজুলের উইকেট বড় ধাক্কা হয়ে আসে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগে। কারণ এই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে অনেকটা একাই টানছিলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে ভারত ৩১.৫ ওভারে ১১৫ রানে ৮ উইকেট হারায় ভারত। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে ভারতীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির আবহ নেমে আসে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/182578/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2023/12/17/bd-u19.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রস্তুত অবসরপ্রাপ্ত সেনারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/141693/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/141693/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 07 Dec 2024 05:42:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=141693</guid>

					<description><![CDATA[অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক যেকোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রস্তুত অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাওয়া ক্লাবের সামনে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরূদ্ধে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এমন ঘোষণা দেন তারা। বক্তব্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তারা ভারতীয় আগ্রাসন ও অপপ্রচারের সমালোচনা করেন। তারা বলেন, ৫ আগস্টের পর একের পর এক আগ্রাসী আচরণ করছে ভারতের গণমাধ্যম ও কিছু [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক যেকোন ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রস্তুত অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাওয়া ক্লাবের সামনে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরূদ্ধে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এমন ঘোষণা দেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">বক্তব্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তারা ভারতীয় আগ্রাসন ও অপপ্রচারের সমালোচনা করেন। তারা বলেন, ৫ আগস্টের পর একের পর এক আগ্রাসী আচরণ করছে ভারতের গণমাধ্যম ও কিছু রাজনীতিক। আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও পতাকার অবমাননায় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর হুমকিতে পড়েছে বলে মনে করেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের প্রতি তারা আহ্বান জানান, ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্র নীতি নয়, হতে হবে সমতার ভিত্তিতে। এছাড়াও বিগত সরকারের সময় ভারতের সাথে করা চুক্তিগুলো প্রকাশের দাবি করা হয়। এরপর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সাবেক সেনা কর্মকর্তারা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/141693/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://i0.wp.com/www.latestbdnews.com/wp-content/uploads/2024/12/%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE.png?fit=600%2C335&#038;ssl=1" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতে শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন জরুরি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/31412/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/31412/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Dec 2024 06:00:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=31412</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশে নয় বরং ভারতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আন্তর্জাতিক সেচ্ছাসেবক দিবস উপলক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর কোন আঘাত আসলে দেশের সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে নয় বরং ভারতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আন্তর্জাতিক সেচ্ছাসেবক দিবস উপলক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর কোন আঘাত আসলে দেশের সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা প্রতিহত করবে। ভারতে একের পর এক দাঙ্গা হাঙ্গামা আর সংখ্যালঘু নির্যাতন চলছে। তাই তাদের দেশেই শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশটির মিডিয়া বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরি করতে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/31412/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://bcdn.dhakatribune.net/contents/cache/images/720x404x1/uploads/media/2024/09/05/-adb5f6c69a571a26f68503b4b757be32.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত আগ্রাসন অব্যাহত রাখলে বাংলা-বিহার- উড়িষ্যার দাবি করবে বাংলাদেশ: রিজভী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/23998/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/23998/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Dec 2024 08:20:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=23998</guid>

					<description><![CDATA[অশুভ ইচ্ছার মাধ্যমে ভারত সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন অব্যাহত রাখলে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দাবি করবে বাংলাদেশ। এমন মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, হিন্দু-মুসলমান লড়াই করে দিল্লির দাসত্ব খান খান করে দেবে। ভারতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) প্রেসক্লাব থেকে পল্টন পর্যন্ত মিছিল-সমাবেশ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অশুভ ইচ্ছার মাধ্যমে ভারত সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন অব্যাহত রাখলে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দাবি করবে বাংলাদেশ। এমন মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, হিন্দু-মুসলমান লড়াই করে দিল্লির দাসত্ব খান খান করে দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) প্রেসক্লাব থেকে পল্টন পর্যন্ত মিছিল-সমাবেশ করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট। মিছিল-পূর্ব সমাবেশে বক্তৃতা করেন রিজভী।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন ভবনে হামলা বড় আঘাত। বাংলাদেশ এই হামলার কথা মনে রাখবে। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন মেনে নিতে না পেরে বিজেপির তল্পিবাহক হয়ে বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচারে নেমেছে ভারতীয় মিডিয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বিজেপি গোঁড়া হিন্দুত্ববাদকে পুঁজি করে ক্ষমতায় এসেছে। তাই হিংসা ছড়ানো ছাড়া তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার কোনো উপায় নেই। বিজেপি বিদ্বেষের নীতি নিয়ে রাজনীতি করতে চায়।</p>
<p style="text-align: justify;">রিজভী আরও বলেন, ভারতের সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের কোনো শত্রুতা নেই। কিন্তু উগ্রবাদী বিজেপি যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে চায়, তাহলে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক প্রতিটা মানুষ এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষায় রুখে দাঁড়াবে। দুর্জয় এ বাংলাদেশ কখনোই মাথা নোয়াবে না বলে জানান তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/23998/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://gdb.voanews.com/01000000-0aff-0242-a732-08dc00958a3d_w1023_r1_s.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জাতীয় ঐক্যের ডাকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/123347/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/123347/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Dec 2024 04:18:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=123347</guid>

					<description><![CDATA[আজ রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর, বৃহস্পতিবার সব ধর্মীয় সংগঠনের সাথে বসবেন। জাতীয় ঐক্যের ডাক দিতেই এসব বৈঠক, এমনটা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভারত আক্রমণাত্মকভাবে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। যার কারণে, হাইকমিশনে হামলা হচ্ছে। এর সম্পূর্ণ দায়ভার ভারতীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আজ রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর, বৃহস্পতিবার সব ধর্মীয় সংগঠনের সাথে বসবেন। জাতীয় ঐক্যের ডাক দিতেই এসব বৈঠক, এমনটা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভারত আক্রমণাত্মকভাবে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। যার কারণে, হাইকমিশনে হামলা হচ্ছে। এর সম্পূর্ণ দায়ভার ভারতীয় মিডিয়ার।</p>
<p style="text-align: justify;">পূর্ব নির্ধারিত ধারণা নিয়েই ভারত অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, এমন মনোভাব বজায় থাকলে, আলোচনা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান পরিষদের প্রতিবেদনে বড় ধরনের গলদ আছে বলেও উল্লেখ করেন প্রেস সচিব।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/123347/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2024/09/26/yunus_at_new_york.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঢাকায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূত কে তলব</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/28766/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/28766/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Dec 2024 07:28:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=28766</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনে ভাঙচুরের ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অফিশিয়ালি এর প্রতিবাদ জানানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তলব পেয়ে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত বৈঠক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনে ভাঙচুরের ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অফিশিয়ালি এর প্রতিবাদ জানানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তলব পেয়ে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত বৈঠক করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ত্রিপুরার ঘটনায় সোমবার (২ ডিসেম্বর) একটি প্রতিবাদপত্র প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়, এই ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার বিশ্বাস করে, ত্রিপুরায় বিক্ষোভকারীদের বাংলাদেশি মিশনে আক্রমণ করার সম্মতি দেওয়া হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে আরও বলা হয়, যেহেতু যেকোনও ধরনের অনুপ্রবেশ বা ক্ষতি থেকে কূটনৈতিক মিশনগুলোকে রক্ষা করা স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব, তাই বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারকে এই ঘটনা মোকাবিলায় অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং ভারতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোর বিরুদ্ধে আরও যেকোনও সহিংসতা রোধ করা এবং কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সুরক্ষারও দাবি জানানো হয়েছে।</p>
<h2 style="text-align: justify;">মণিপুুরে বাংলাদেশি সন্দেহে ২৯ জন আটক</h2>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে বাংলাদেশি সন্দেহে ২৯ জনকে আটক করা হয়েছে। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এ তথ্য জানিয়েছেন। তার দাবি, আটককৃতদের কাছ থেকে আধার কার্ডও পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তর-পূর্ব ভারতের আরেক রাজ্য আসাম থেকে এসব আধার কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, ওই ২৯ জন মায়াং ইম্ফল বেঙ্গুন এলাকায় একটি বেকারি কারখানায় কাজ করেন। সেখান থেকেই তাদের আটক করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আটককৃতদের কাছ থেকে আসামের আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বাংলাদেশি সন্দেহে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা মণিপুর সরকারের ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) নীতি লঙ্ঘন করেছেন।”</p>
<p style="text-align: justify;">মুখ্যমন্ত্রী জানান, যেহেতু আটককৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে আসামের উল্লেখ রয়েছে, তাই তাদের আসাম প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। রাজস্ব দপ্তরের যে কর্মী ও কর্মকর্তরা ওই ২৯ জনের নামে আইএলপি ইস্যু করেছিলেন, তাদের সাসপেন্ড করা হবে বলে জানান এন বীরেন সিং।</p>
<p style="text-align: justify;">তার মতে, “কেন্দ্রীয় সরকার মণিপুরের মানুষকে আইএলপি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তার একটাই লক্ষ্য, তা হলো- রাজ্যবাসীকে সুরক্ষা প্রদান করা। কিন্তু, যাদের সেই কাজ করতে হবে, তারাই যদি এই ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে এর ফল কী হবে? আমাদের আশঙ্কা, খুব সম্ভবত বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে মণিপুরে ঢুকেছেন কিছু মানুষ।”</p>
<h2 style="text-align: justify;">দেশে ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ চেয়ে করা রিট শুনবেন হাইকোর্ট</h2>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাংলা টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে দায়ের করা রিট শুনবেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা শাহিন আরা লাইলি এ রিট দায়ের করেন। রিটকারী আইনজীবী জানান- বুধবার রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, সোমবার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় বাংলা টিভি চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে; হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়। ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন- ২০০৬ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী ভারতীয় সব টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করতে বলা হয়। একইসাথে, বাংলাদেশে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধে কেনো নির্দেশনা দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আদালতে রিটকারীর আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ভারতের বিভিন্ন টিভি চ্যানেল আইন লঙ্ঘন করে অপপ্রচার চালিয়ে বাংদেশের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে।</p>
<h2 style="text-align: justify;">ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭</h2>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় সাতজনকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ত্রিপুরার তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়, আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ত্রিপুরা সরকার মঙ্গলবার তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত এবং একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।</p>
<p style="text-align: justify;">দায়িত্বে অবহেলার দায়ে যে তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তারা হলেন- উপ-পরিদর্শক দিলু জামাতিয়া ও জয়নাল হোসেন এবং সার্জেন্ট দেবব্রত সিনহা। এছাড়া সহকারী কমান্ড্যান্ট কান্তি নাথ ঘোষকে বদলি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে ত্রিপুরার একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদশ সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্স থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)’ এর ধারায় মামলা করা হয়েছে, যা ডিউটিতে থাকা সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ বা ফৌজদারি শক্তি ব্যবহার, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা এবং অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ সম্পর্কিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সীমান্ত গোলচক্করের ঝুতন দাস, দশমীঘাটের উজ্জ্বল দাস, অভয়নগরের দীপ্তিনীল ভৌমিক, আগরতলা শহরের উপকণ্ঠের আমতলী এলাকার সুরজা দাস, দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়ার ঝুলন মালাকার, ৭৯ নং তিল্লা এলাকার প্রদীপ সাহা এবং পশ্চিমের এসডিও চৌমুহনীর অলক মজুমদার ত্রিপুরা।</p>
<p style="text-align: justify;">হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ত্রিপুরার একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সোমবারের ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বিজেপি সরকার। এ ঘটনায় সাব-ইন্সপেক্টর দিলু জামাতিয়া, দেবব্রত সিনহা ও জয়নাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া সহকারী কমান্ড্যান্ট কান্তি নাথ ঘোষকে বদলি করা হয়েছে।’ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় দাসের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে গতকাল সোমবার বিকেলে ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করছিলেন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরা। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে স্মারকলিপি দিতে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে হাইকমিশনের বাইরে অবস্থান করা বিক্ষোভকারারী পুলিশ ব্যারিকেড ভঙ্গ করে ভেতরে ঢুকে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা খুলে নিয়ে এতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভবনের সামনে থাকা সাইনবোর্ড ভেঙেও আগুন ধরিয়ে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিস্থিতিটিকে ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং অন্যান্য দেশের দূতাবাসগুলোতেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন ঘোষণা করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরেরর ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। কোনো অবস্থাতেই কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পত্তি লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/28766/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://bcdn.dhakatribune.net/contents/cache/images/720x404x1/uploads/media/2023/12/13/pranai-2f5e7d058574b0cbb4669269bb0ab6f9.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মণিপুর : ফের কারফিউ জারি, বন্ধ ইন্টারনেট</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/43590/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/43590/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Nov 2024 07:25:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=43590</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের মণিপুর রাজ্যের পশ্চিম ইম্ফল, পূর্ব ইম্ফল ও থাউবালে আবার কারফিউ জারি করা হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, অপহরণ করে ছয়জনকে হত্যার প্রতিবাদে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে, সাতটি জেলায় স্থগিত করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। শনিবার মেইতেই সম্প্রদায়ের অপহৃত ৬ নারী ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের মণিপুর রাজ্যের পশ্চিম ইম্ফল, পূর্ব ইম্ফল ও থাউবালে আবার কারফিউ জারি করা হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, অপহরণ করে ছয়জনকে হত্যার প্রতিবাদে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে, সাতটি জেলায় স্থগিত করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার মেইতেই সম্প্রদায়ের অপহৃত ৬ নারী ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করলে স্থানীয় রাজনীতিকদের বাসভবনে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। টায়ার জ্বালিয়ে ইম্ফলের মূল সড়কগুলো অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি যানবাহনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য প্রশাসন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে গত কয়েক মাস ধরেই উত্তাল মিয়ানমার সীমান্তঘেষা রাজ্যটি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সহিংসতার কারণে গত বছর কয়েক মাস মণিপুরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল। ওই সময় অন্তত ৬০ হাজার মানুষ গৃহহীন হন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/43590/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/23/Bd-Pratidin-23-07-23-F-28.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত নয়, মালদ্বীপ দিয়ে পোশাক রফতানি করছে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/272642/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Nov 2024 05:11:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=272642</guid>

					<description><![CDATA[সম্প্রতি ভারতের বিমানবন্দর ও নৌবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। পরিবর্তে এখন মালদ্বীপের মাধ্যমে গার্মেন্ট পণ্য বিশ্বব্যাপী পৌঁছানো হচ্ছে। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের কারণে বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে ভারতের নৌ ও বিমানবন্দরগুলো। শনিবার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্ট এ তথ্য জানিয়েছে। লাইভমিন্টকে এমএসসি এজেন্সি (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেডের মহাপরিচালক দীপক তিওয়ারি বলেছেন, “আগে বাংলাদেশের পণ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি ভারতের বিমানবন্দর ও নৌবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। পরিবর্তে এখন মালদ্বীপের মাধ্যমে গার্মেন্ট পণ্য বিশ্বব্যাপী পৌঁছানো হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের কারণে বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে ভারতের নৌ ও বিমানবন্দরগুলো। শনিবার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">লাইভমিন্টকে এমএসসি এজেন্সি (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেডের মহাপরিচালক দীপক তিওয়ারি বলেছেন, “আগে বাংলাদেশের পণ্য ভারতীয় বিমানবন্দরের মাধ্যমে পরিবহন হতো। কিন্তু এখন তারা অন্যান্য রুটে পণ্য পরিবহন করছে। যার অর্থ আগে এসব পণ্যের কার্গো থেকে ভারত যে রাজস্ব পেত সেটি এখন পাচ্ছে না। এমএসসি এজেন্সি (ইন্ডিয়া) ভারতের অন্যতম বড় কার্গো পরিবহন সংস্থা।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন তৈরি পোশাক পণ্য জাহাজে করে প্রথমে মালদ্বীপে পাঠাচ্ছে। এরপর সেখান থেকে পণ্যগুলো বিমানে করে বিশ্বব্যাপী গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে এইচঅ্যান্ডএম এবং জারার মতো বিশ্বখ্যাত কোম্পানির পোশাকও। বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ তৈরি পোশাক রফতানিকারক দেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">যার অর্থ ভারত দিয়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিশ্বব্যাপী রফতানি করত ঢাকা। ভারতের বদলে অন্য দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ পণ্য রফতানি করলে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এছাড়া লজিস্টিক এবং কাঠামোগত প্রজেক্টে থাকা সহযোগিতাপূর্ণ সুযোগগুলো শঙ্কায় পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এক কর্মকর্তা বলেছেন, “বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তে ভারত সরকার একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজছে। যেটি ভারত হয়ে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক পণ্য রফতানির বিষয়টি নিশ্চিত করবে এবং ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য এক কর্মকর্তা বলেছেন, “বাংলাদেশের রফতানিকৃত এসব তৈরি পোশাক পণ্যের একটি বড় অংশ ভারতীয় অবকাঠামো বা কারখানায় উৎপাদিত হয়। যেগুলো বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় কোম্পানিগুলোই পরিচালনা করে। এই বিষয়টি (ভারত) সরকারের নজরে রয়েছে। ভারতের ওপর এটির প্রভাব কেমন হতে পারে এখন আমরা সেটি নিরূপণের চেষ্টা করছি।”</p>
<p style="text-align: justify;">তবে এক শিল্প বিশেষজ্ঞ অরুণ কুমার জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ভারতের ওপর কোনও রাগ বা বিরাগ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তার মনে হচ্ছে না। মূলত নিজেদের সাপ্লাই চেইনের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং ভারতীয় বন্দরগুলোর মাধ্যমে সময়মতো পণ্য রফতানি না হওয়ায় বাংলাদেশ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা তার।</p>
<p style="text-align: justify;">এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, “রফতানির ক্ষেত্রে নতুন রুটের মাধ্যমে কৌশলগত সুবিধা, সঙ্গে নিশ্চিত নির্ভরযোগ্যতা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ, যা আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারের কঠোর সময়সীমার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ভারতের বন্দরের ওপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ তাদের সাপ্লাই চেইনের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">অরুণ কুমার আরও বলেছেন, গার্মেন্ট পণ্যকে পচনশীল পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চালান পৌঁছে দিতে না পারলে অর্ডার বাতিল হয়ে যায়। গার্মেন্ট পণ্য এমন পণ্য যেটি একটি নির্দিষ্ট মৌসুমের পর ভ্যালু হারায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ভারতের অ্যাপারেল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের নির্বাহী সদস্য সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্টের কাছে দাবি করেছেন, ভারতের মাধ্যমে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রফতানি বন্ধ করলেও তাদের খুব ক্ষতি হবে না। তার দাবি, ভারতীয় বন্দরগুলো এমনিতেই অনেক ব্যস্ত। এ কারণে তারা তাদের বন্দর হয়ে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি বন্ধের জন্য আগেই ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেছেন, “এ বিষয়টি খুব বড় কিছু নয়। ভারতীয় বিমানবন্দরগুলো এরই মধ্যে অনেক ব্যস্ত। আমরা বাংলাদেশের পণ্য ভারতীয় বিমানবন্দর দিয়ে রফতানির ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ আরোপ করতে সরকারকে অনুরোধ করেছি।”</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত হয়ে তৈরি পোশাক রফতানি বন্ধের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তাকে আশ্রয় দেওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন অন্য এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, “শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে বাংলাদেশ এটি করছে বলে ভারত সরকার মনে করে না। টেক্সটাইল হলো বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। যার অর্থ টেক্সটাইল পণ্য রফতানি বাড়াতেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.livemint.com/industry/bangladesh-textiles-garments-export-india-maldives-cargo-trade-11730444945346.html" target="_blank" rel="noopener">লাইভমিন্ট</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/11/03/115020_bangladesh_pratidin_garment23.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কানাডার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনে ভারত ‘ভয়াবহ ভুল’ করেছে : ট্রুডো</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/20532/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/20532/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Oct 2024 04:29:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=20532</guid>

					<description><![CDATA[কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ‘‘কানাডার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ভারত ‘ভয়াবহ ভুল’ করেছে।’’ কানাডার রাজনীতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ সম্পর্কে নিরপেক্ষ তদন্তের বিষয়ে বুধবার তিনি এ কথা বলেন। জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘ভারতীয় সরকার এটা ভেবে মারাত্মক ভুল করেছে যে তারা মনে করে কানাডার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আগ্রাসী হস্তক্ষেপ করতে পারবে; যেমনটি আগে করেছিল। এটি ভুল। তারা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ‘‘কানাডার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ভারত ‘ভয়াবহ ভুল’ করেছে।’’</p>
<p style="text-align: justify;">কানাডার রাজনীতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপ সম্পর্কে নিরপেক্ষ তদন্তের বিষয়ে বুধবার তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘ভারতীয় সরকার এটা ভেবে মারাত্মক ভুল করেছে যে তারা মনে করে কানাডার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আগ্রাসী হস্তক্ষেপ করতে পারবে; যেমনটি আগে করেছিল। এটি ভুল। তারা ভয়াবহ ভুল করছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রুডো তার দেশে সহিংসতার জন্য ভারত সরকারকেই দোষী মনে করেন। কারণ হিসেবে তিনি কানাডায় একজন শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে হত্যা ও ব্যাপক অর্থ খরচ করে দেশটিতে মতাবলম্বীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার অভিযোগ তুলেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তিনি অটোয়ায় কানাডার অধিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে উল্লেখ করেন। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছর ভারত-কানাডার বিবাদ পারস্পরিক সম্পর্ককে তলানিতে নিয়ে গেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এসব বাক্যকে ‘সবচেয়ে কঠোর মন্তব্য’ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p style="text-align: justify;">দুদিন আগে ছয় ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেন ট্রুডো। এরপরই ভারত নিয়ে মোটামুটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। ট্রুডোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে কানাডার ছয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে দেশটি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র : </strong>আল-জাজিরা, <a href="https://www.theguardian.com/world/2024/oct/16/justin-trudeau-testimony-india" target="_blank" rel="noopener">দ্য গার্ডিয়ান</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/20532/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/09/17/104432_bangladesh_pratidin_un.gif" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>৬ ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করলো কানাডা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/69330/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/69330/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Oct 2024 04:12:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=69330</guid>

					<description><![CDATA[শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার জেরে ভারত ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। চাঁদাবাজি, হত্যা ও সহিংস কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে হাইকমিশনারসহ ৬ ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে কানাডা। সোমবার (১৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি হিসেবে তাদেরকে তদন্তের আওতায় এনেছে কানাডা। এদিকে, কানাডার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার জেরে ভারত ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। চাঁদাবাজি, হত্যা ও সহিংস কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে হাইকমিশনারসহ ৬ ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে কানাডা। সোমবার (১৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি হিসেবে তাদেরকে তদন্তের আওতায় এনেছে কানাডা। এদিকে, কানাডার এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে সোমবার সকালে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা তাদের কূটনীতিকদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও, কানাডিয়ান চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করে জানানো হয়, ভারতীয় হাইকমিশনার এবং অন্যান্য কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে মনে করা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/69330/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.deshrupantor.net/contents/cache/images/720x404x1/uploads/media/2024/10/14/a22a1514e176d6e034facf469e658f57-670d50a92e486.jpg?jadewits_media_id=70138" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘বৈবাহিক ধর্ষণ’-কে নিষিদ্ধের ঘোষণায় ভারতের কঠোর অবস্থান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/56483/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/56483/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Oct 2024 06:25:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ষণ]]></category>
		<category><![CDATA[নারী]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=56483</guid>

					<description><![CDATA[‘বৈবাহিক ধর্ষণ’-কে অপরাধ এবং নিষিদ্ধের ঘোষণা নিয়ে ভারতে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দির্ঘদিন ধরেই ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’-কে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার দাবি উঠছে। তবে দেশটির সরকার এবার এ বিষয়ে তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার করলো। সি এন এন এর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতের সরকার বলছে, ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’কে অপরাধ ঘোষণা করাটা অত্যন্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">‘বৈবাহিক ধর্ষণ’-কে অপরাধ এবং নিষিদ্ধের ঘোষণা নিয়ে ভারতে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দির্ঘদিন ধরেই ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’-কে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার দাবি উঠছে। তবে দেশটির সরকার এবার এ বিষয়ে তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার করলো।</p>
<p style="text-align: justify;">সি এন এন এর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতের সরকার বলছে, ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’কে অপরাধ ঘোষণা করাটা অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। এছাড়াও প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার দেশটিতে বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ ঘোষণার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের আইন অনুযায়ী, স্ত্রীর সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে এক্ষেত্রে স্ত্রী যদি ১৮ বছরের উপরের বয়সের হয় তাহলে সেটা বৈবাহিক ধর্ষণ বলে বিবেচিত হবে না। এ ক্ষেত্রে ব্রিটিশ আমলের পুরোনো আইন ধরে রেখেছে দেশটি। যদিও যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ ইতিমধ্যে আইনটি সংশোধন করেছে। ১৯৯১ সালে যুক্তরাজ্য বৈবাহিক ধর্ষণকে বেআইনি ঘোষণা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের সব কটিতেই এটি অবৈধ।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রায় ৪০টি দেশে এখনো ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’–বিরোধী কোনো আইন নেই। এছাড়াও যে দেশগুলোতে এই ধরণের ধর্ষণ বিরোধী আইন আছে সেখানেও শাস্তির পরিমান খুব কম বলে জানা গেছে জাতিসংঘের পপুলেশন ফান্ডের ২০২১ সালের স্টেট অফ ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউতে।</p>
<p style="text-align: justify;">যদিও যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য স্ত্রীর ওপর জোরজবরদস্তি করার দায়ে একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ ধরনের অপরাধকে ধর্ষণ বিবেচনা করলে এবং এক্ষেত্রে সাজা দেওয়া হলে সেটা ‘দাম্পত্য সম্পর্কের ওপর গুরুতর প্রভাব’ পড়বে এমনকি বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানটির ওপরও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে ভারতের শীর্ষ আদালতে  এ–সংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি চলছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব আবেদনের বিরোধিতা করছে ভারত সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করাটা অতিমাত্রায় কঠোর ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করছে ভারত সরকার। সরকার লিখিত হলফনামার মাধ্যমেও এ বিষয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বিবেচনার পক্ষে সোচ্চার থাকা মানুষেরা বলছেন, সরকারের যুক্তি অত্যন্ত পুরুষতান্ত্রিক এবং খুব একটা আশ্চর্যজনক কিছু নয়। তবে এই মতবাদ নারীর জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ফৌজদারি আদালতের বিচারপতি নাতাশা ভারদ্বাজ বলেন, ‘আমাদের দেশের নারীদের যৌন সহিংসতার শিকার হওয়াকে আমরা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত করেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে জুলাইতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার দেশটির ১৬৪ বছরের পুরোনো দণ্ডবিধি বাতিল করে নতুন ফৌজদারি আইন চালু করেছে। তবে বৈবাহিক ধর্ষণবিরোধী আইন প্রণয়নের বিষয়টি কাগজে–কলমেই রয়ে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু এক্ষেত্রে সরকার এমন এক সময়ে বৈবাহিক ধর্ষণের পক্ষে নিজেদের অবস্থান দাঁড় করালো, যখন পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক নবীন চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার বিচার চেয়ে আন্দোলন চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ ঘোষণা করার বিষয়ে ভারত সরকারের বক্তব্য</strong><br />
দাম্পত্য সম্পর্কে নারীর সম্মতির বিষয়টি সুরক্ষিত থাকতে হবে। তবে স্বামী-স্ত্রী যে কারও একে অপরের প্রতি যৌক্তিক যৌন চাহিদা থাকতে পারে। যদিও সে আকাঙ্ক্ষা থাকার কারণে কেউ তাঁর স্ত্রীকে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার অধিকার রাখেন না। তবে বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে ও বাইরে এ ধরনের আচরণের শাস্তি এক হতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত সরকারের দাবি, বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে সম্মতির বিষয়টি সুরক্ষিত রাখতে যৌন ও পারিবারিক সহিংসতাবিরোধী প্রচলিত আইনগুলোই যথেষ্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণার জন্য আদালতে আবেদন জানান মারিয়াম ধাওয়ালে। তিনি মনে করেন, বৈবাহিক সম্পর্কের ভেতরে কিংবা বাইরে—দুই ক্ষেত্রেই সম্মতি কোনো আলাদা বিষয় নয়। সম্মতি সম্মতিই। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীদের স্বাধীন মানুষ হিসেবে, স্বাধীন নাগরিক হিসেবে ভাবা হয় না। তিনি স্বামীর কাছে একধরনের অনুষঙ্গের মতো। তিনি অধস্তন, তাঁর তেমন করে আলাদা কোনো পরিচিতি থাকে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">ধাওয়ালে আরও বলেন, সহিংসতার শিকার হয়ে যেসব নারী তাঁর সংগঠনের কাছে সহযোগিতা চাইতে আসেন, সেসব সহিংসতার অনেকগুলোই বৈবাহিক ধর্ষণের। তবে প্রায়ই দেখা যায়, তাঁরা তাঁদের অভিযোগগুলো জানাতে চান না। কারণ, তাঁরা জানেন, কেউ তাঁদের বিশ্বাস করবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ধর্ষণের শিকার নারীদের ভাষ্য</strong><br />
গত মে মাসে মধ্যপ্রদেশের একজন বিচারপতি স্বামীর বিরুদ্ধে এক নারীর করা অভিযোগ খারিজ করে দেন। ওই নারী অভিযোগ করেছিলেন, স্বামী তাঁর সঙ্গে ‘অস্বাভাবিক যৌন সম্পর্ক’ স্থাপন করেছেন। তখন বিচারপতি দেশটির আইনে বৈবাহিক ধর্ষণকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। বিচারপতি বলেন, এসব ক্ষেত্রে ‘স্ত্রীর সম্মতির বিষয়টি অমূলক হয়ে পড়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">নিপীড়নের শিকার হওয়া আরেক নারী এর আগে সিএনএনকে বলেন, তিনি মনে করেন, বাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে বিবেচনা করা উচিত। এতে নারীরা শক্তি পাবেন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে দাঁড়াতে পারবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য এক নারী বলেন, তিনি স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে যেতে ভয় পান। কারণ, তিন সন্তানের ভরণপোষণের উপায় তাঁর নেই। তিনি মনে করেন, বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ ঘোষণা করা হলে তাঁর মতো যেসব নারীর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, তাঁরা উপকৃত হতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৭ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে সম্মতি নেওয়ার বিষয়ে দাম্পত্যসঙ্গীর বয়সসীমা ১৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৮ বছর করেন। অর্থাৎ, ১৮ বছরের কম বয়সী স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না। আগে তা ১৫ বছরে সীমাবদ্ধ ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জায়না কোঠারি সিএনএনকে বলেন, ওই সময়েও ভারত সরকার একই যুক্তি দেখিয়েছিল। সম্মতি নেওয়ার ক্ষেত্রে বয়সসীমা বাড়ানোর বিরোধিতা করে তারা বলেছিল, এতে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠান হুমকিতে পড়বে। তবে সুপ্রিম কোর্ট তা আমলে নেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে এই আইন পাশ হলে আশঙ্কা দুই পক্ষেরই যে, নারীরা তাঁদের স্বামীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে আইনজীবী কোঠারি তা মনে করেন না। তাঁর মতে, যৌন নিপীড়নবিরোধী আইন প্রচলিত থাকার পরও নারী ভুক্তভোগীদের অভিযোগ জানাতে কাঠখড় পোহাতে হয়। বৈবাহিক ধর্ষণবিরোধী আইন পাস হলেই যে তাঁরা সহজে অভিযোগ জানিয়ে সুবিধা আদায় করতে পারবেন, বিষয়টা এমন নয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/56483/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/10/13/132411_bangladesh_pratidin_india.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতের মণিপুরে সহিংসতা; নিহত ৩, আহত ৪০</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2314/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2314/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Oct 2024 04:20:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[গৃহযুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2314/</guid>

					<description><![CDATA[ভারত সরকারের &#8216;স্বচ্ছ অভিযান&#8217; (পরিচ্ছন্নতা অভিযান) এর অঙ্গ হিসাবে একটি বিতর্কিত জমি পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে বুধবার এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে রাজ্যটির উখরুল জেলায়। উখরুলের হুনফুন ও হাংপাং গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেই এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হয় এই সংঘর্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। আর তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="news-img" style="text-align: justify;">
<p>ভারত সরকারের &#8216;স্বচ্ছ অভিযান&#8217; (পরিচ্ছন্নতা অভিযান) এর অঙ্গ হিসাবে একটি বিতর্কিত জমি পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে বুধবার এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে রাজ্যটির উখরুল জেলায়।</p>
<p>উখরুলের হুনফুন ও হাংপাং গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেই এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হয় এই সংঘর্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। আর তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হয় কমপক্ষে ৪০ জন।</p>
<p>নিহতদের মধ্যে একজন মণিপুর রাইফেলসের সদস্য রয়েছেন। ওরিনমি থুম্বরা নামে নিহত ব্যক্তি ৬ নম্বর ব্যাটেলিয়নের সদস্য, সে লুঙ্ঘর গ্রামের বাসিন্দা।</p>
<p>বাকিরা হলেন রিলেইউং হংগ্রে এবং সিলাস জিংখাই। তারা উভয়েই হুনফুন গ্রামের বাসিন্দা।</p>
<p>বুধবার উখরুল শহরের এনগাফার থেকে থিংরাসা পর্যন্ত বিতর্কিত জমির একটি ফালিতে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করেছিল &#8216;থাওয়াইজাও হুংপুং ইয়ুথ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন&#8217; (THYSO)। যদিও ওই জায়গায় এই অনুষ্ঠান করা নিয়ে হুনফুন গ্রামের তরফে তীব্র বিরোধিতা করা হয়। কিন্তু সেই বিরোধিতা সত্ত্বেও, ছাত্র সংগঠনটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আর তাতেই যত বিপত্তি।</p>
<p>ঘটনায় যথেষ্ট উত্তেজনা ছড়িয়েছে উখরুলে। ওই ঘটনার পর উখরুলে কারফিউ সহ বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল পরিষেবাও সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।</p>
<p>উখরুলের মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট ডি. কামেই জানান, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রামের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সম্ভাবনা রয়েছে এবং যার ফলে শান্তি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>প্রশাসনের তরফে এক বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, &#8216;এই ধরনের গোলযোগের ফলে শান্তি লঙ্ঘন হতে পারে এবং মানুষের জীবন ও সম্পত্তির জন্য বিপদ হতে পারে। ওই আদেশে এও বলা হয়েছে, স্থানীয় মানুষজনের বাড়ির বাইরে বেরোনো বা অন্য যেকোনো ধরনের কার্যকলাপ- যেটা জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে ব্যাহত করতে পারে। এই আশঙ্কা থেকে পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত তাও সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।</p>
<p>এমন এক পরিস্থিতিতে উখরুল জেলার আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর চেয়ে ১০ সেক্টর আসাম রাইফেলসের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলকে চিঠি লিখেছেন মহকুমা শাসক ডি. কামেই।</p>
<h3>উত্তপ্ত ভারতের মণিপুর, সেনাবাহিনী মোতায়েন</h3>
<p>উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের মণিপুর রাজ্য। সেখানকার মেতিস গোষ্ঠীকে স্কেজিউলড ট্রাইবে (তফসিলি উপজাতি)  অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সহিংসতা দেখা দিয়েছে। সহিংসতা রুখতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যে সেনাবাহিনী ও প্যারামিলিটারি আসাম রাইফেলসকে মোতায়েন করা হয়েছে।</p>
<p>গত মাসে ভারতের মণিপুর রাজ্যে মেতিস গোষ্ঠীর মানুষকে ‘স্কেজিউলড ট্রাইবে’ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। তবে আদালতের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে প্রদেশের নাগাসম, জোমিস এবং কুর্কি উপজাতিরা।</p>
<p>বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।</p>
<p>বুধবার অল ট্রাইবাল স্টুডেন্ট ইউনিয়ন মণিপুর (এটিএসইউএম) ‘উপজাতি সংহতি’ মিছিল করার ঘোষণা দেয়। মেতিস গোষ্ঠীর মানুষ মিছিলে বাধা দিলে এটি সহিংস রূপ ধারণ করে। যা রাজধানী  ইম্ফাল, চুরান্দপুর এবং কাংপোকপিতে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে রাজ্যের আটটি বিভাগে রাতে কারফিউ জারি করা হয়।</p>
<p>মণিপুরে যত মানুষ রয়েছেন তার মধ্যে ৫৩ শতাংশই মেতিস গোষ্ঠীর মানুষ। কিন্ত তারা উপজাতি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে বসতি স্থাপন করতে পারেন না। পুরো মণিপুরের মাত্র ১১ শতাংশ স্থানে বিশেষ করে মণিপুর উপত্যকায় বসবাস রয়েছে তাদের।</p>
<p>মেতিস গোষ্ঠীর দাবি, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে অবৈধ অভিবাসীরা আসায় তারা অনেক সমস্যায় পড়ছে। এ কারণে নিজেদের স্কেজিউলড ট্রাইবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছিল তারা।</p>
<p>পরিস্থিতি ঘোলাটে হওয়ায় সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে। এছাড়া রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছেন সেনা সদস্যরা। ৭ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি মানুষকে ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর অবকাঠামোয় আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সেনাবাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও রাজধানী ইম্ফালে বুধবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায় বিভিন্ন দোকানপাট ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p>ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বুধবার মণিপুরের মুখ্যমন্ত্র সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।</p>
<p><strong>সূত্র:<a href="https://www.ndtv.com/india-news/army-holds-flag-march-in-violence-hit-areas-in-manipur-amid-protests-by-tribal-groups-over-court-order-on-scheduled-tribe-status-4003364#pfrom=home-ndtv_topscroll" target="_blank" rel="noopener"> এনডিটিভি</a></strong></p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2314/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/04/143348_bangladesh_pratidin_manipur.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মুসলিম, যার যা আছে তা দিয়ে ইসরায়েলকে রুখে দাও</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/55173/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/55173/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Sep 2024 05:27:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=55173</guid>

					<description><![CDATA[লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর নিহতের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি বলেন, বিশ্বের মুসলিমদের যা আছে, তাই নিয়ে জালেম ইসরায়েলকে মোকাবিলা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি লেবাননের জনগণ এবং হিজবুল্লাহর পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছেন। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের। গতাল এক বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, জায়নবাদীদের জানা উচিত যে, লেবাননে হিজবুল্লাহর মজবুত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<article id="bpsepnil" class="mt-3">
<p style="text-align: justify;">লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর নিহতের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি বলেন, বিশ্বের মুসলিমদের যা আছে, তাই নিয়ে জালেম ইসরায়েলকে মোকাবিলা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি লেবাননের জনগণ এবং হিজবুল্লাহর পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছেন। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।</p>
<p style="text-align: justify;">গতাল এক বিবৃতিতে খামেনি বলেছেন, জায়নবাদীদের জানা উচিত যে, লেবাননে হিজবুল্লাহর মজবুত ভিত্তির বড় কোনো ক্ষতি করার যোগ্যতা তাদের নেই। এই অঞ্চলের সব প্রতিরোধী শক্তি হিজবুল্লাহর পাশে আছে এবং সমর্থন করবে। এই অঞ্চলের ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইরানের ‘প্রতিরোধী শক্তি’। আর তাদের নেতৃত্বে থাকবে হিজবুল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টারে সংগঠনের নেতা হাসান নাসরুল্লাহ ও অন্য নেতাদের লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। এর পর হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার খবর জানানো হয়। তবে হামলায় হাসান নাসরুল্লাহকে নিয়ে হিজবুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি। পরে হিজবুল্লাহপ্রধান নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে বিবৃতি দেয় সংগঠনটি। যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে ভাষণ দেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে নেতানিয়াহু বলেন, ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখবে তার দেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর পরই লেবাননে জোরালো হামলা চালানো হয়েছে। ১৯৬০ সালে জন্ম হাসান নাসরুল্লাহর। ৬৪ বছর বয়সী নাসরুল্লাহ বেড়ে উঠেছেন বৈরুতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকণ্ঠের বুর্জ হামুদ এলাকায়। বাবা আবদুল করিম ছিলেন একজন সাধারণ সবজি বিক্রেতা। তার ৯ সন্তানের মধ্যে নাসরুল্লাহ ছিলেন সবার বড়। ১৯৭৫ সালে লেবানন গৃহযুদ্ধের মুখে পড়লে হাসান নাসরুল্লাহ শিয়া মুভমেন্ট ‘আমাল’-এ যোগ দেন। পরে ১৯৮২ সালে আরও কয়েকজনের সঙ্গে দলটি থেকে বেরিয়ে যান তিনি। ১৯৮৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে হিজবুল্লাহ প্রতিষ্ঠার কথা জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে যোগ দেন হাসান নাসরুল্লাহ। হিজবুল্লাহ শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে চিহ্নিত করে ‘ইসলামের প্রধান দুই শত্রু’ হিসেবে। সেই সঙ্গে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে ধ্বংস করার ডাক দেয় তারা। দেশটিকে আখ্যায়িত করে মুসলিমদের ভূমি দখলকারী হিসেবে। ১৯৯২ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে হিজবুল্লাহর প্রধান হন নাসরুল্লাহ। এর আগে ইসরায়েলের এক হেলিকপ্টার হামলায় নিহত হন তার পূর্বসূরি আব্বাস আল-মুসাবি। হিজবুল্লাহপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মুসাবি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ছিল হাসান নাসরুল্লাহর প্রথম কাজ। সে অনুযায়ী ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলার নির্দেশ দেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দখলকৃত লেবাননি ভূখন্ড থেকে ইসরায়েলি সেনাদের তাড়াতে প্রথমে একটি মিলিশিয়া দল হিসেবে গড়ে উঠেছিল হিজবুল্লাহ। পরে এ দলকেই লেবাননের সেনাবাহিনীর চেয়ে শক্তিশালী এক বাহিনীতে রূপ দেন নাসরুল্লাহ। সংগঠনটি এখন দেশের রাজনীতিতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তারকারী একটি শক্তি। সর্বশেষ হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল উত্তেজনা বেড়ে যায় গত বছরের ৮ অক্টোবর থেকে। ওই দিন ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের রকেট হামলার জের ধরে গাজায় নজিরবিহীন তান্ডব শুরু করে দেশটি।</p>
</article>
<h3>ভারতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য খামেনির, নয়াদিল্লি ক্ষুব্ধ</h3>
<p style="text-align: justify;">ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা যে দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন তার প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়লে নিজেদের মুসলিম হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন না। তবে তার এই মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি নয়াদিল্লি। এমনকি খামেনির এই মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে মোদি সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://www.ndtv.com/india-news/india-says-irans-supreme-leaders-comments-on-minorities-in-india-misinformed-should-look-at-their-own-record-6580080#pfrom=home-ndtv_topscroll">এনডিটিভি</a>র খবর অনুযায়ী, ভারতের মুসলিমদের দুর্দশার কথা গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে তুলনা করেছেন খামেনি। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে এই তুলনা করেন তিনি। তবে তার এই বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে খামেনি বলেন, মিয়ানমার, গাজা, ভারত বা অন্য যেকোনো স্থানে মুসলমানরা যে দুর্দশার মধ্যে আছেন, সে সম্পর্কে আমরা যদি উদাসীন হয়ে যাই তাহলে আমরা নিজেদের মুসলিম হিসেবে বিবেচনা করতে পারি না। ইসলামের শত্রুরা সর্বদাই মুসলিম উম্মাহ হিসেবে আমাদের যৌথ পরিচয়ের ব্যাপারে আমাদের উদাসীন করার চেষ্টা করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তার এই এক্সবার্তার পর এক বিবৃতিতে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আমরা ভারতে সংখ্যালঘুদের নিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার করা মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই। এগুলো ভুল তথ্য ও অগ্রহণযোগ্য। যেসব দেশ সংখ্যালঘুদের বিষয়ে মন্তব্য করছে, তারা যেন অন্যদের নিয়ে পর্যবেক্ষণ দেয়ার আগে নিজেদের কর্মকাণ্ডের দিকে নজর দেয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/55173/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/09/17/114244_bangladesh_pratidin_zzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzz.JPG" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতের অনুরোধে ইলিশ রফতানির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/93931/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/93931/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Sep 2024 06:02:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য মন্ত্রণালয়]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=93931</guid>

					<description><![CDATA[আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতের বিশেষ অনুরোধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় স্বাধীনভাবে রফতানির অনুমোদন দিয়েছেন। তারা একটা অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দিয়েছেন। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতের বিশেষ অনুরোধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় স্বাধীনভাবে রফতানির অনুমোদন দিয়েছেন। তারা একটা অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমোদন দিয়েছেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতের বিশেষ অনুরোধ ছিল। সে অনুযায়ী তারা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। এরসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের সেই কমিটমেন্টটা এখনো আগের মতোই আছে, আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য ইলিশের প্রাপ্যতা যেন নিশ্চিত করতে পারি।</p>
<p style="text-align: justify;">আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রফতানির বন্ধের দায়িত্ব তো আমার না। আমি আহ্বান জানাতে পারি কিন্তু বন্ধ করতে পারি না। রফতানি বা আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। সাংবাদিকের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি দাম বাড়ে সেই বিষয়ে অবশ্যই আমাদেরকে ব্যবস্থা নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য গত মাসের শুরুতে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কিছুটা টানাপড়েন তৈরি হয়। এর মধ্যেই এবার পূজায় প্রতিবেশী দেশটিতে ইলিশ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ–বিষয়ক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এর দেড় মাসের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে ইলিশ মাছ রফতানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/93931/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2024/09/forida-akhter-755x454.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন আতিশি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/76058/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/76058/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Sep 2024 06:00:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=76058</guid>

					<description><![CDATA[দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) নেত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী আতিশি মারলেনা। এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার সঙ্গে বৈঠকের পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। এরপরেই দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আতিশি দায়িত্ব নেবেন। আজ আম আদমি পার্টির (এএপি) বিধায়কদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) নেত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী আতিশি মারলেনা।</p>
<p style="text-align: justify;">এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার সঙ্গে বৈঠকের পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। এরপরেই দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আতিশি দায়িত্ব নেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ আম আদমি পার্টির (এএপি) বিধায়কদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগ, দীর্ঘ ছয় মাস কারাভোগ শেষে কারামুক্তির মাত্র দুইদিন পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। স্থানীয় সময় রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দিল্লিতে আয়োজিত দলীয় এক অনুষ্ঠানে কেজরিওয়াল এমন ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেবেন। মানুষের রায়ে যদি ফের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন, তাহলেই কেবল ওই চেয়ারে আবার বসবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কেজরিওয়ালের এমন ঘোষণার পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসতে চলেছেন তা নিয়ে কল্পনা-জল্পনা চাউর হয়। দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী অতীশি, আম আদমি পার্টির বিধায়ক সৌরভ ভরদ্বাজ, রাঘব চাড্ডা, কৈলাশ গাহলট ও সঞ্জয় সিংয়ের মধ্য থেকে কেউ একজন নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে সবাইকে টপকে শেষ পর্যন্ত দিল্লির মসনদ নিজের করে নিলেন আতিশি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/76058/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2024/09/atshi.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কাশ্মীর : তুমুল বন্দুকযুদ্ধ সেনাসহ নিহত ৭</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/269045/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Sep 2024 04:00:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কাশ্মীর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=269045</guid>

					<description><![CDATA[বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারণায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জম্মু ও কাশ্মীরে যাবেন, এমন খবরের মধ্যেই নিজের শক্তির জানান দিল বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। শুক্রবার জম্মুর কিস্তাওয়ারে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সেনা নিহত হন। এরপর গতকাল সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে তিন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হন। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, উত্তর কাশ্মীরের জেলা বারামুল্লার পাট্টান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারণায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জম্মু ও কাশ্মীরে যাবেন, এমন খবরের মধ্যেই নিজের শক্তির জানান দিল বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। শুক্রবার জম্মুর কিস্তাওয়ারে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সেনা নিহত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর গতকাল সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে তিন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হন। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, উত্তর কাশ্মীরের জেলা বারামুল্লার পাট্টান এলাকার চক তাপের কেরীরিতে শুক্রবার রাতেই দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুক লড়াই শুরু হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা অবস্থান করছে গোয়েন্দা সূত্রে এমন খবর পেয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের একটি দল যৌথ অভিযান শুরু করে। পুলিশ কর্মকর্তারা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ওই বাহিনীর একটি তল্লাশি দলের ওপর গুলিবর্ষণ করলে তারাও পাল্টা গুলি করে।</p>
<h3>কাশ্মীরে গ্রেনেড হামলায় ভারতীয় ৫ সেনা সদস্য নিহত</h3>
<p style="text-align: justify;">ভারত শাসিত কাশ্মীরে অতর্কিত হামলায় সীমান্ত রক্ষী পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে। কাশ্মীরের ভীমবের গলি থেকে পুঞ্চ জেলার দিকে সেনাবাহিনীর একটি ট্রাক যাওয়ার সময় ট্রাকটিকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলে ৫ সেনা সদস্য নিহত এবং একজন আহত হয়েছে। হামলার পরপরই সন্ত্রাসীদের খোঁজে ওই এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র এ কথা জানায়। খবর <a href="https://www.aljazeera.com/news/2023/4/21/five-indian-soldiers-killed-in-suspected-rebel-attack-in-kashmir">আল-জাজিরা</a> ও এনডিটিভির।</p>
<p style="text-align: justify;">জম্মুর প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ এএফপি’কে জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর ৩ টার দিকে ভীমবের গলি থেকে পুঞ্চের দিকে যাচ্ছিল সেনাবাহিনীর ট্রাকটি। ওই সময় ট্রাকটিকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকার নেমে আসার সুযোগে তারা হামলা চালায়। গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। সেনা সদস্যদের মরদেহগুলো রাজৌরির গ্যারিসন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরও এক সেনা সদস্যকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যে এলাকায় সেনাবাহিনীর ট্রাকের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল সেটা বরাবর পাকিস্তানি সন্ত্রাসীরা ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ওই স্থানে হামলা চালানো হয়। স্থানীয় এক শিক্ষক জানিয়েছেন, এখানে সন্দেহজনক সন্ত্রাসীরা আনাগোনা করছে। এখানে গভীর জঙ্গল ও একাধিক প্রাকৃতিক গুহা রয়েছে। সন্ত্রাসীরা সহজেই লুকিয়ে থাকতে পারে। জম্মু-পুঞ্চ মহাসড়ক এখান দিয়েই গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এক ভিডিওতে সেনাবাহিনীর ট্রাকটি দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখা গেছে। এক সেনার মাথায় সম্ভবত আঘাত লেগেছে। ঘটনার খবর পেয়েই ১৩ সেক্টর কমান্ডার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়রাই প্রথমে পুলিশে খবর দেন। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/04/21/221528_bangladesh_pratidin_army-fire.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মালদ্বীপে ‘আর্থিক অভ্যুত্থানের’ চেষ্টা বিরোধীদের!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/334281/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 31 Aug 2024 05:00:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেসিডেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মালদ্বীপ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=334281</guid>

					<description><![CDATA[সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ‘আর্থিক অভ্যুত্থানের’ চেষ্টা করছে মালদ্বীপের বিরোধী দলগুলো। এমন অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। মালদ্বীপের স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড থেকে বিদেশি লেনদেন স্থগিত করার ঘোষণা দেয় মালদ্বীপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বিএমএল)। এতে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ‘আর্থিক অভ্যুত্থানের’ চেষ্টা করছে মালদ্বীপের বিরোধী দলগুলো। এমন অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড থেকে বিদেশি লেনদেন স্থগিত করার ঘোষণা দেয় মালদ্বীপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বিএমএল)।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, মালদ্বীপের ব্যবহারযোগ্য ডলারের রিজার্ভ ফুরিয়ে ‘মাইনাসে’ চলছে। স্বভাবতই এই খবরে দেশটির জনগণের মধ্যে আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক লেনদেন স্থগিত করা মানে দেশে কোনও রিজার্ভ নেই। এতে বিদেশি বিনিয়োগ থেকে শুরু করে দেশের আমদানি-রফতানি থমকে যায়। তবে কয়েক ঘণ্টা পরই ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড থেকে বিদেশি লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করে নেয় মালদ্বীপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।</p>
<p style="text-align: justify;">এই পরিস্থিতিতে নিজ দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেসের (পিএনসি) সঙ্গে বৈঠকে বসেন মোহামেদ মুইজ্জু। তার অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার সঙ্গে পরামর্শ না করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">মুইজ্জু এবং তার দল পিএনসি’র নেতাদের দাবি, বিএমএলের ওই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে হাত রয়েছে বিরোধী দলগুলোর। সরকার এই প্রশ্নও তুলেছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ফুরিয়ে যাওয়ার ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী।</p>
<p>বিদেশি অপশক্তির সঙ্গে যোগসাজশে সরকার পতন চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন মোহামেদ মুইজ্জু। একই সঙ্গে যারা ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে রয়েছেন এবং এভাবে সরকার ফেলার চেষ্টা করছেন, তাদের সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, আর্থিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুইজ্জুকে ক্ষমতাচ্যুত করার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে মালদ্বীপের পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে মালদ্বীপের প্রধান বিরোধী দল মালদ্বীপিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (এমডিপি) চেয়ারপারসন ফয়েজ ইসমাইল সরকারের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “অভ্যুত্থান যদি হয়, তা হলে তা সরকারের ভেতর থেকেই হবে এবং এর জন্য দায়ী থাকবে সরকারই। এতে বিরোধীদের কোনও হাত নেই।”</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, এএফপি</p>
<h3>মালদ্বীপে নির্বাচনে বড় জয় পেল মুইজ্জুর দল</h3>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় পেয়েছে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস (পিএনসি)।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার দেশটিতে সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা ভোট গ্রহণ চলে।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মালদ্বীপের নির্বাচন কমিশন ৯৩টি আসনের মধ্যে ৮৬টির ফলাফল ঘোষণা করে। এসব আসনের মধ্যে ৬৬টিতে জয় পেয়েছে মুইজ্জুর দল পিএনসি। এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চেয়ে এই সংখ্যা অনেক বেশি। বিদায়ী পার্লামেন্টে পিএনসি ও তাদের শরিকদের মাত্র আটটি আসন ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবারের নির্বাচনে মুইজ্জুর দলের সঙ্গে মূলত লড়াই ছিল সে দেশের মালদিভিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এমডিপি)-র। ফলাফল থেকেই স্পষ্ট পার্লামেন্ট নির্বাচনে সে ভাবে দাগ কাটতে পারেনি এমডিপি।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের পার্লামেন্ট নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব ছিল আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে। বিশ্বের অনেক দেশের নজর ছিল এই নির্বাচনের দিকে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভারতবিরোধী অবস্থান প্রকাশ করে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সালেহকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুইজ্জু। কিন্তু পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখে সালেহ’র দল এমডিপি। ফলে পার্লামেন্টের ‘বাধায়’ বহু সিদ্ধান্তই কার্যকর করতে পারেনি মুইজ্জুর সরকার। তাই এই ভোটে জিতে তারা মালদ্বীপের পার্লামেন্টেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে চেয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র</strong> : <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/world/rest-of-world/boost-for-maldives-president-muizzu-as-his-party-wins-majority-in-parliament/articleshow/109482205.cms">টাইমস অব ইন্ডিয়া</a>।</p>
<h3>ভারতকে সেনা সরাতে বললেন মালদ্বীপের নতুন প্রেসিডেন্ট</h3>
<p style="text-align: justify;">প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই ভারতকে মালদ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করেছেন মুহাম্মদ মুইজ্জু। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার (১৮ নভেম্বর) ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর প্রেসিডেন্ট মইজ্জুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখন প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা সরানোর অনুরোধ করেন। বৈঠকে মালদ্বীপের প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় পক্ষ বলেছে, উভয় দেশ একটি কার্যকর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ভারতের প্রায় ৭০ জন সৈন্য রয়েছে। এছাড়া কিছু রাডার এবং নজরদারি বিমানও রয়েছে মালদ্বীপে। মালদ্বীপের জল সীমানায় ভারতীয় টহল জাহাজও টহল দিয়ে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মুইজ্জু মালদ্বীপে মাদক পাচার প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা সহায়তা কাজে ভারতীয় হেলিকপ্টারের অবদান স্বীকার করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের রাজনীতিতে মোহামেদ মুইজ্জু চীনপন্থি হিসেবে পরিচিত। তিনি নির্বাচনি প্রচার অভিযানে কট্টর ভারতবিরোধী বক্তব্য দিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে তার প্রতিশ্রুতি ছিল, মালদ্বীপে ভারতের প্রভাব খর্ব করার। মালের সাবেক মেয়র মুইজ্জুর স্লোগান ছিল ‘ইন্ডিয়া আউট’।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত মহাসাগরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশটিতে চীন ও ভারত বরাবরই প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এবারের নির্বাচনে ভারতপন্থি প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সোলিহকে পরাজিত করে চীনপন্থি নেতা মইজ্জু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এতে পাঁচ বছর পর ফের একবার মালেতে বেইজিং ঘেঁষা নেতৃত্ব আসে। প্রেসিডেন্টের শপথ নিয়েই ভারতকে সেনা সরানোর অনুরোধ জানালেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/10/23/120650_bangladesh_pratidin_Muizu.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মুখ্যমন্ত্রী মমতার পদত্যাগ চেয়ে উত্তাল কলকাতা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1875/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1875/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Aug 2024 09:00:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/1875/</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত আরজি কর হাসপাতালের চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘিরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য। মঙ্গলবার সকালের দিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় অভিমুখে ‘নবান্ন অভিযান’ নামে বিশাল পদযাত্রা শুরু করেছে শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজ। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই আন্দোলনের ফলে কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রসমাজের ডাকে হাজার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত আরজি কর হাসপাতালের চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘিরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার সকালের দিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় অভিমুখে ‘নবান্ন অভিযান’ নামে বিশাল পদযাত্রা শুরু করেছে শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজ।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই আন্দোলনের ফলে কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রসমাজের ডাকে হাজার হাজার মানুষ মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে নবান্ন অভিমুখে মিছিল শুরু করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেছে। তবে বিক্ষোভকারীরা পাল্টা ইট-পাথর নিক্ষেপ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।</p>
<h3>মমতা তা করবেন না যা হাসিনা করেছেন</h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ‌‘পুলিশ এ রাজ্যকে বাংলাদেশে পরিণত করতে দেবে না। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারও এ রাজ্যাকে বাংলাদেশ করতে দেবে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি ছাত্রীর মৃত্যুর ন্যায়বিচারের দাবিতে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্যটির কোচবিহার জেলার সাগরদিঘী পাড়ে এক বিশাল জমায়েতের ডাক দিয়েছিল তৃণমূল। সেই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়েই এই মন্তব্য উদয়ন গুহর।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট কলকাতার ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাসপাতালের (আরজিকর) পোস্ট গ্রাজুয়েট দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ উঠে। এরপর থেকেই গত কয়েকদিন ধরে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রছাত্রীরা। আরজিকরের মেডিকেলের শিক্ষার্থীরাতো বটেই, তার সাথে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের অন্য সরকারি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও। ফলে আন্দোলনের মাত্রায় গতি পেয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আরজিকরের ওই নৃশংস হত্যার ঘটনায় দোষীদের ফাঁসির দাবিতে বুধবার গোটা রাজ্যে ‘রাত দখলে’ নেমেছিল নারীরাও। কিন্তু তারই মাঝে বুধবার মধ্যরাতেই আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢুকে তাণ্ডব চালায় একদল মানুষ। নষ্ট করা হয় হাসপাতালের জীবনদায়ী ওষুধ, ভাঙচুর করা হয় একাধিক যন্ত্রপাতি, জানলা, দরজা, টেবিল, চেয়ার, পুলিশের গাড়ি, মোটরসাইকেল। হামলা চালানো হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমের কর্মীদের উপরেও।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেশী বাংলাদেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও যেভাবে ছাত্র আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ছে সেই পরিপ্রেক্ষিতে অনেকের মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তবে কি বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি হতে চলেছে এপার বাংলাতেও?</p>
<p style="text-align: justify;">সেই পরিপ্রেক্ষিতেই হামলাকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাজ্যটির উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেন, ‘ওই ঘটনার পরে যারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিকে আঙুল তুলছেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নোংরা ভাষায় মমতা ব্যানার্জিকে গালাগাল করছেন, যারা আঙুল তুলে মমতা ব্যানার্জির পদত্যাগ চাইছেন- সেই আঙুলগুলিকে চিহ্নিত করে সেই আঙুলগুলোকে ভেঙে দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">নাহলে এরা বাংলাকে নতুন করে একটা বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা করবে। কিন্তু ওরা জানে না, হাসিনা যে ভুল করেছেন, মমতা ব্যানার্জির সেই ভুল করবেন না, করেননি। তাই আরজিকর মেডিকেল কলেজে ওইভাবে তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানোর পরেও পুলিশ কিন্তু গুলি চালায়নি। পুলিশ এখানে বাংলাদেশ করতে দেবে না। সরকার এখানে বাংলাদেশ করতে দেবে না। তৃণমূলের কর্মীরা সাধারণ মানুষের সহায়তা নিয়ে এ বাংলাকে বাংলাদেশ করতে দেবে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">এই একই ইস্যুতে দুদিন আগে বিরোধীদলকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘সিপিআইএম এবং বিজেপি আপনারা রাজনীতি করছেন। আপনারা ভাবছেন বাংলাদেশে একটা ঘটনা ঘটে গেছে, আমরা সেটাকে টেনে এনে যদি ক্ষমতা দখল করতে পারি! কিন্তু আমি বলব, আমি ক্ষমতার মায়া করি না। আমি মনে করি যতদিন বাঁচবো, মানুষের সেবা করে যাব, মানুষকে ন্যায়বিচার দিয়ে যাব।’</p>
<h3>পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি করতে চাইছে : মমতা</h3>
<p style="text-align: justify;">কলকাতার সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (আরজিকর) নারী চিকিৎসক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার ন্যায়বিচার চেয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে যে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ চলছে তার সাথে বাংলাদেশের ঘটনার সাথে তুলনা টানলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিরোধীদলকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, &#8216;সিপিআইএম এবং বিজেপি আপনারা রাজনীতি করছেন। আপনারা ভাবছেন বাংলাদেশে একটা ঘটনা ঘটে গেছে, আমরা সেটাকে টেনে এনে যদি ক্ষমতা দখল করতে পারি! আমি বলব আমি ক্ষমতার মায়া করি না। আমি মনে করি যতদিন বাঁচবো মানুষের সেবা করে যাব, মানুষকে ন্যায়বিচার দিয়ে যাব। আর যার জন্যই আমি দোষীর ফাঁসির দাবি করেছিলাম। আমাদের পুলিশকে দিয়ে আমরা অনেক কাজ করিয়েছিলাম তা সত্ত্বেও আপনারা হাইকোর্টে গেলেন।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। তার আগে বুধবার বেহালায় এ সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ৯ আগস্ট কলকাতার সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (আরজিকর) নারী চিকিৎসক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার ন্যায় বিচার চেয়ে এই মুহূর্তে উত্তাল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়ছে ডাক্তারদের মধ্যে। পথে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলো। হাত মিলিয়েছে সাধারণ মানুষও।</p>
<p style="text-align: justify;">ইতোমধ্যেই ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন আরজিকরের প্রিন্সিপাল ডা. সন্দীপ ঘোষ। কলকাতা পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার চলে গিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। দায়িত্ব পেয়ে তারাও তদন্তে নেমে পড়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এরই মধ্যে স্বাধীনতা দিবসের মধ্যরাতে রাজ্যজুড়ে রাস্তায় নামেন নারীরা। নারীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে স্বাধীনতার মধ্যরাতে বুধবার কলকাতাসহ রাজ্যটির জেলায় জেলায় পথে নামেন নারীরা। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে &#8216;মেয়েদের রাত দখল&#8217;।</p>
<p style="text-align: justify;">এই পরিস্থিতিতে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, &#8216;আরজিকরের ঘটনা টেনে এনে যারা চরিত্র হরণ করছে এরা ছাত্র-ছাত্রী নয়। এরা হচ্ছে রাজনৈতিক দল। পরিকল্পিতভাবে করছে। কারণ তারা মমতা ব্যানার্জিকে সরাতে চায়। আরে মমতা ব্যানার্জির শর্তে রেল থেকে দুবার সরে এসেছে। জাস্ট একটা কাঁধে ব্যাগ নিয়ে চলে এসেছি। আমার এক সেকেন্ড লাগে কিন্তু আমি অন্যায়ের কাছে কোনোদিন মাথা নত করিনি করবোও না।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, বাংলাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়। আর তাতেই পতন ঘটে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের। গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী পর থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1875/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/15/070146_bangladesh_pratidin_bgp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে গণতন্ত্রের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে ভারত : ফখরুল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/281664/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Aug 2024 07:00:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=281664</guid>

					<description><![CDATA[বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে তাদের গণতন্ত্রের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়া হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ফখরুল বলেন, ছাত্র-জনতার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে তাদের গণতন্ত্রের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়া হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফখরুল বলেন, ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। দুর্ভাগ্য আমাদের, পার্শ্ববর্তী দেশ তাকে আশ্রয় দিয়েছে। সেখান থেকে হাসিনা বাংলাদেশের বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, এদেশের মানুষ শেখ হাসিনার যে অপরাধ সেটাকে খাটো করে দেখে না। গত ১৫ বছরের দুঃশাসন দেশের স্বাধীনতাকে দুর্বল করে দিয়েছে। তিনি জাতিকে ১৮ লাখ কোটি টাকার ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন। পাচার হয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ভারতের কাছে অনুরোধ করব, আপনারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অপরাধীকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে তুলে দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্বাচন নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের একটি সরকার। তাদের প্রধান কাজ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বিগত আওয়ামী সরকার যে জঞ্জাল সৃষ্টি করে গিয়েছে, তা পরিষ্কার করতে একটু সময় লাগবে। সেই জন্য যে সময় প্রয়োজন, সে সময় এ দেশের জনগণ দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার পতনের পর সারা দেশে যেসব মামলা হয়েছে, সেই বিচার কার্যক্রম নিয়ে ফখরুল বলেন, এ সরকারের মেয়াদ হলো মাত্র ১১ দিন। এ কদিনে তারা যে কাজ করেছে, তা প্রশংসনীয়।</p>
<h3>দিল্লির কূটনৈতিক বার্তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক</h3>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ নিয়ে দিল্লির কূটনৈতিক বার্তাকে ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১৯ আগস্ট) চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেখানে যান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আশা করব, ভারত বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে মর্যাদা দেবে এবং এই দেশে সত্যিকার অর্থেই সব দলের অংশগ্রহণে, সবার সদিচ্ছায় একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যাপারে তারা পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। কিন্তু শেখ হাসিনাকে বাইডেন সরকার যেভাবে অস্বস্তিতে ফেলেছে সেটি ভারত প্রত্যাশা করে না। ভারত মনে করছে, এটি বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে— সম্প্রতি ডয়েচে ভেলের এমন একটি প্রতিবেদন সম্পর্কে মির্জা ফখরুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমরাও দেখলাম, ডয়চে ভেলের বরাত দিয়ে পত্রিকায় রিপোর্টটি করা হয়েছে। এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের সব সংকটের মূলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে রাষ্ট্রকে দিয়ে, বাংলাদেশে যে একটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস গড়ে তোলা হয়েছে এবং বলা যেতে পারে যে, একটা টোটালি ডিপ স্টেট তৈরি করা হয়েছে, সেখানে ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশ যারা গণতন্ত্রের কথা বলে সব সময়, তাদের কাছে এটা অপ্রত্যাশিত— যদি এই নিউজ সত্য হয়ে থাকে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমরা কখনোই বলতাম না, বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা দেখতে পাচ্ছি যদি এটা সত্য হয়ে থাকে তাহলে তারা বাংলাদেশের রাজনীতির অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে তারা এই মন্তব্যগুলো করছে। আমরা এ কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদী দল ক্ষমতায় আসবে তার কোনো সম্ভাবনা নেই।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘বাংলাদেশের ৫২ বছরের ইতিহাসে দেখা গেছে, কখনোই কোনো মৌলবাদী দল ক্ষমতায় আসতে পারেনি। বরং তাদের যে শক্তি তা দিন দিন ক্ষীয়মাণ হয়ে এসেছে। আমরা বাংলাদেশের মানুষের আস্থার ওপর আস্থা রাখি। তাদের শক্তির ওপর আস্থা রাখি’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি মনে করি, ‘ভারত দেখবে বাংলাদেশের মানুষ কী চায়। বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যদি তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়, সেটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আমরা মনে করি, সেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তার জন্য শুভ হবে না।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/10/121342_bangladesh_pratidin_fakhrul_file_pic.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সীমান্তে ৫ ভারতীয় পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/477492/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Aug 2024 09:33:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএসএফ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=477492</guid>

					<description><![CDATA[এবার বাংলাদেশে গরু পাচারের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের রঘুনাথপুর সীমান্তে ৩টি গরুসহ পাঁচ ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের আটকের পর যাচাই-বাছাই শেষে আজ রবিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মনির উজ জামান। বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মহিলা নিহত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">এবার বাংলাদেশে গরু পাচারের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের রঘুনাথপুর সীমান্তে ৩টি গরুসহ পাঁচ ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার সকালে তাদের আটকের পর যাচাই-বাছাই শেষে আজ রবিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মনির উজ জামান।</p>
<h4><a href="https://worldbarta.com/news/275158/" target="_blank" rel="noopener">বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মহিলা নিহত</a></h4>
<p style="text-align: justify;">তিনি জানান, শনিবার সকালে ভারত থেকে পদ্মা নদী পার হয়ে নৌকায় করে ৩টি গরু নিয়ে ৫ জন ভারতীয় নাগরিক রঘুনাথপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে। এসময় জলপথে টহল দেওয়ার সময় রঘুনাথপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা তাদের গরুসহ আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে ২টি ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে শিবগঞ্জ থানায় সোপর্দের প্রক্রিয়া রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/18/151448_bangladesh_pratidin_Chapai_pic.JPG" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সজীব ওয়াজেদ জয় : বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লির নেতৃত্ব চান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2206/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2206/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Aug 2024 07:25:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2206/</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার (১৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান। ভারত সরকারের তার কী চাওয়া জানতে চাইলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জয় বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’ জয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত সরকারের তার কী চাওয়া জানতে চাইলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জয় বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">জয় বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের দোরগোড়ায় অবস্থিত। আমি আশা করব, ৯০ দিনের সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেটা ভারত নিশ্চিত করবে। জনতা শাসন বন্ধ করা হবে এবং আওয়ামী লীগকে প্রচারণা ও পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়া হবে। যদি তা নিশ্চিত করা হয় আমি এখনো নিশ্চিত যে আমরা নির্বাচনে জয়ী হবো। আমরা এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় দল।’</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারে কোটা ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল স্বীকার করেন জয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের সরকারের উচিত ছিল প্রথম থেকেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং কোটার বিরুদ্ধে কথা বলা। কোটা ইস্যু আদালতের হাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে শুরু থেকেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করার। কিন্তু এগুলো না করে আমাদের সরকার কোটা কমাতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছে। আদালত ভুল করেছে। আমরা কোটা চাই না বলে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করার সুপারিশ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের সরকার সেটা শুনেনি এবং বিচার ব্যবস্থার ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা ইস্যু নিয়ে সরকারের ভুল স্বীকার করলেও জয় জানান, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংসতায় মোড় নেওয়ার পেছনে একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার সাবেক এই আইটি উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এর পেছনে জড়িত ছিল। কারণ ১৫ জুলাই থেকে অনেক আন্দোলনকারীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। গত ১৫ বছরে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আমাদের সফলতার কারণে বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া খুবই কঠিন। একমাত্র কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাই বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার ও আন্দোলনকারীদের কাছে সরবরাহ করতে পারে।’</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী জয় গত ৫ আগস্ট তার মায়ের বাংলাদেশ ছাড়ার ২৪ ঘণ্টার বর্ণনা দিয়ে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার এক দিন আগেও তিনি বা প্রধানমন্ত্রী কেউই ভাবতে পারেননি যে, কতটা দ্রুত অবনতি হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জয় বলেন, ‘তার (শেখ হাসিনার) দেশ ছাড়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না। তিনি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন এবং জাতির উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দেবেন। আমার ধারণা, তিনি ভাষণের খসড়া তৈরি করেছিলেন এবং সেটি রেকর্ড করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সবকিছু পরিকল্পিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই নিরাপত্তা বাহিনী এসবের জন্য ‘সময় নেই’ বলে জানিয়েছিল।’</p>
<p style="text-align: justify;">জয় জানান, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার মা দেশে থাকার বিষয়ে অনড় ছিলেন। কিন্তু তিনি তাকে দেশ ছাড়ার জন্য রাজি করিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জয় বলেন, ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী তাকে (শেখ হাসিনা) সামরিক বিমান ঘাঁটির মধ্যে একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। তাদের জন্য একটি হেলিকপ্টার প্রস্তুত ছিল, কিন্তু তিনি যেতে চাননি…তখন আমার খালা (শেখ রেহানা সিদ্দিক) আমাকে ফোন করেন। আমি আমার মাকে বোঝালাম যে, আপনার নিরাপত্তার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে। যদি এই জনতা আপনাকে খুঁজে পায়, কোথাও আপনাকে ধরে ফেলে এবং সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তাহলে অনেক লোক মারা যাবে। জনতা যদি আপনাকে ধরে ফেলে তবে তারা আপনাকে হত্যা করবে। তাই আপনার সেরা বিকল্প হলো দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া।’</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। জয় বলেন, বাংলাদেশে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় তা দেখার জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) অপেক্ষা করছেন।’ জয়ের মতে, ‘সম্ভবত মা আপাতত ভারতেই থাকবেন।’</p>
<h3>খাদ্যমন্ত্রী : আমরা ইন্ডিয়ার দালাল না, অকৃত্রিম বন্ধু</h3>
<p style="text-align: justify;">কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীকে (১৬) আইনি সহায়তা না দিয়ে অভিযুক্তের লাখ টাকা জরিমানা করে ‘ধর্ষণের বিচার’ করার অভিযোগ উঠেছে দুই ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নেওয়ায় উল্টো ওই কিশোরী ও তার পরিবারকে পুলিশি হয়রানির ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">গত ১৬ অক্টোবর উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। প্রভাবশালীদের চাপে বর্তমানে আইনি সহয়তা নিতেও আতঙ্ক বোধ করছে পরিবারটি।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে সালিশে ‘ধর্ষণের বিচার’ করা ইউপি সদস্যরা বলছেন, ‘কিশোরীর বিয়ের বয়স না হওয়ায় ধর্ষকের সাথে বিয়ে না দিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।’ সালিশে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার কিশোরী জানান, গত ১৫ অক্টোবর (শুক্রবার) দুপুরে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর নতুনগ্রামের কছুমুদ্দিনের ছেলে শফি আলম (২০) পাশের একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে খবর পেয়ে শফি আলমের মা সুফিয়া খাতুন দ্রæত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিজ ছেলেকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন এবং উল্টো ওই কিশোরীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য (৪ নং ওয়ার্ড) আবু শামা ‘বিচারের’ আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে নিজ হেফাজতে নেন। পরের দিন ( ১৬ অক্টোবর) আলাউদ্দিন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৮টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত চলা ওই সালিশে অভিযুক্ত তরুণ ও ভুক্তভোগী কিশোরীকে হাজির করা হয়। পরে বিচারের নামে ছেলে পক্ষকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী বলেন,‘আবু শামা ও হযরত মেম্বারসহ সালিশকারীরা বিয়ে দেওয়ার কথা বলে আমাকে শত শত লোকের সামনে হাজির করেন এবং একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন। পরে বিয়ে না দিয়ে তারা বিচারের নামে ছেলে পক্ষকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার কিশোরীর অভিযোগ, বিচারের নামে জরিমানা আদায়ের সিদ্ধান্ত মেনে না নিতে চাইলে তাদেরকে পুলিশি ঝামেলায় ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এ নিয়ে মুখ খুললে তাদেরকে বিপদে ফেলা হবে বলেও ভীতি দেখানো হয়েছে বলে দাবি করছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। বর্তমানে তারা আইনি সহায়তা নিতে চাইলেও প্রভাশালীদের আচরণে আতঙ্ক বোধ করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">‘আমি টাকা চাই না। আমি ন্যায় বিচার চাই। যে আমাকে নির্যাতন করেছে তার বিচার চাই। বিচার না পেলে নিজেকে শেষ করে দেওয়া ছাড়া আমার উপায় নাই।’ আকুতি জানিয়ে এভাকেই নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী ওই কিশোরী।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, ‘ মেম্বাররা আমাগো হুমকি দিছে, ট্যাকা না নিলে আমার মেয়েরে পুলিশে দিবো। আর ছেলেরে তার বাবার কাছে ফিরায় দিবো। এটা কেমন বিচার! সরমে আমরা মাইনষেক মুখ দেহাবার পারিনা। আমাগো সাথে অন্যায় কইরা অহন আমাগোরে পুলিশে দিবো,এ দ্যাশে কী গরিবের বিচার নাই?’</p>
<p style="text-align: justify;">সালিশে উপস্থিত সূত্র জানায়, ওই সালিশে যাদুরচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আবু শামা, ১নং ওয়ার্ড সদস্য হযরত আলী, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল খালেক, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা উপস্থিত ছিলেন। সালিশে সভাপতিত্ব করেছেন ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল খালেক। ধর্ষণের বিচার করতে সালিশ আয়োজন করা হয়েছে জানিয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেও কোনও প্রতিকার মেলেনি বলে সালিশে উপস্থিত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সালিশে ধর্ষণের বিচার করার কথা স্বীকার করে যাদুরচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আবু শামা বলেন, ‘ বিচারে শুধু আমি না, অন্য মেম্বার ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারাও আছিল। এহানে টাকার ছিটাছিটি হইছে। আমি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশে খবর না দিয়ে ধর্ষণের বিচার সালিশে করা উচিৎ হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে এই ইউপি সদস্য বলেন, ‘এটা ভুল হয়েছে। আর হবে না।’<br />
ভুক্তভোগী পরিবারকে পুলিশের ভয় দেখানোর কথা অস্বীকার করে করে এই ইউপি সদস্য বলেন, ‘তারা চাইলে অহনও পুলিশের কাছে যাইতে পারে। আমার কোনও আপত্তি বা জবরদস্তি নাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">সালিশে সভাপতিত্বকারী ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল খালেক জানান, গ্রামের সবাই মিলে সালিশ করা হয়েছে। মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় বিয়ে না দিয়ে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে ছেলের জরিমানা করা হয়েছে। তারা ( ভুক্তভোগী কিশোরী) বিচার না মানলে পুলিশের কাছে যেতে পারে, এতে কারও কোনও আপত্তি নেই বলেও জানান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এই নেতা।</p>
<p style="text-align: justify;">ধর্ষণের মতো অপরাধের বিচার করার সালিশে করার এখতিয়ার রয়েছে কিনা, জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘ তা নেই। কিন্তু গ্রামের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই সালিশে গিয়েছিলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">রৌমারী থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, ‘এ ধরণের ঘটনা মিমাংসার অযোগ্য। আমি এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2206/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.deshrupantor.net/contents/cache/images/720x404x1/uploads/media/2023/11/17/78d6158bcc61dc0e36e8b1b123f422a5-65578c5af35cd.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মহিলা নিহত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/275158/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jul 2024 04:00:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=275158</guid>

					<description><![CDATA[বৈবাহিক সূত্রে ভারতীয় নাগরিক ইস্তাফন খাতুন (৬৪) বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, রাতের আঁধারে সীমান্তের কাঁটাতার পার হয়ে বাংলাদেশে ভাইয়ের কাছে আসার সময় তাকে গুলি করা হয়। নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার ৮নং বিএসএফ ব্যাটালিয়ান নাটনা ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি চালায়। ইস্তাফন খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার শালিকা গ্রামের মৃত কোমর আলীর মেয়ে। রবিবার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বৈবাহিক সূত্রে ভারতীয় নাগরিক ইস্তাফন খাতুন (৬৪) বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, রাতের আঁধারে সীমান্তের কাঁটাতার পার হয়ে বাংলাদেশে ভাইয়ের কাছে আসার সময় তাকে গুলি করা হয়। নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার ৮নং বিএসএফ ব্যাটালিয়ান নাটনা ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ইস্তাফন খাতুন মেহেরপুর সদর উপজেলার শালিকা গ্রামের মৃত কোমর আলীর মেয়ে।</p>
<p>রবিবার (৩০ জুন) মধ্যরাতে মেহেরপুরের নবীনগর খালপাড়া সীমান্তের ১১৬ নাম্বার মেইন পিলারের কাছে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টাকালে ভারতের নাটনা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি করে হত্যা করে ইস্তাফনকে। পরে তার মরদেহ নিয়ে যায় তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">বুড়িপোতা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার মন মোহন বলেন, ঘটনাটি ভারতের অভ্যন্তরে ঘটেছে। তাই এ বিষয়ে বিএসএফ আমাদের কিছুই জানায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">ইস্তাফন খাতুনের বড় ভাই হাসেম আলী এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ৩০ বছর আগে আমার বোন ভারতে পাড়ি জমায়। দেশটির বিহারের বাসিন্দা রহমত আলীর সঙ্গে বিয়ে করে সেখানে বসবাস করে আসছিল। সে ওই দেশের নাগরিক হয়েছে। কিছু দিন আগে তার স্বামী রহমত আলী মারা গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর ইস্তাফন খাতুন একাকি জীবন কাটাচ্ছিল। কয়েক সপ্তাহ আগে সীমান্তের কাঁটাতার পার হয়ে আমাদের বাড়িতে কয়েক সপ্তাহ থেকে আবারও ফিরে গেছে সেখানে। ওখানে তার দেখাশোনার কেউ নেই। সেজন্য বাকি জীবনটা আমাদের পরিবারে সঙ্গে কাটানোর কথা ছিল তার।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসেম আলী জানান, স্বজনদের কাছে স্থায়ীভাবে ফিরতে তিন দিন ধরে সীমান্তের ওপারে ভারতের নদীয়া জেলার তেহট্র থানার নবীনগরে অবস্থান করছিলেন ইস্তাফন। রবিবার দিবাগত রাতে এ দেশে থাকা স্বজনদের সঙ্গে তার শেষ কথা হয় মোবাইল ফোনে। বলেছিলেন, সুযোগ পেলেই কাঁটাতার পেরিয়ে চলে আসবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসেম আলী বলেন, মধ্যরাতে খবর পাই কাঁটাতার পেরিয়ে অনুপ্রবেশকালে বাংলাদেশি ভেবে তাকে নাটনা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতের অভ্যন্তরে গুলি করে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ নদীয়া জেলার তেহট্র থানার ৮৪ নং বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নাটনা ক্যাম্পে নিয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">বুড়িপোতা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার মন মোহন বলেন, খালপাড়া সীমান্তে নারীর নিহত হওয়ার ঘটনা ভারতের অভ্যন্তরে ঘটেছে। এ বিষয়ে বিএসএফ আমাদের কিছু জানায়নি। নিহত নারীর জন্ম বাংলাদেশে, তার ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা সীমান্তবর্তী গ্রাম শালিকাতে বসবাস করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কাছে অবৈধভাবে আসতে গিয়েই এই ঘটনা ঘটেছে।</p>
<h3><span style="color: #000080;">03/04/2024</span></h3>
<p style="text-align: justify;">চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোকনপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে এ বিষয়ে বিজিবি কথা না বললেও রাধানগর ইউনিয়নের পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহত ব্যক্তি হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের নগোরপাড়া গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম। নিহতের লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ।</p>
<p style="text-align: justify;">আহত ব্যক্তি হলেন, একই ইউনিয়নের মো. ভোলার ছেলে রাজু। আহত ব্যক্তিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাধানগর ইউনিয়নের পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কয়েকজন গরু চোরাচালানী গরু আনার জন্য মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে যায়। এসময় বিএসএফ সদস্যরা গুলি ছুড়লে সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং অন্য একজন আহত হন। এঘটনার পর সাইফুলের লাশ বিএসএফ নিয়ে যায়। তবে বিজিবি বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।</p>
<h3><span style="color: #333399;">23/10/2023</span></h3>
<p style="text-align: justify;">জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার রত্নাই সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকালে আমজাখোর ইউপি চেয়ারম্যান আকালু মোহাম্মদ ডোঙ্গা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহত নুরুজ্জামান (৩৮) বালিয়াডাংগী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের রত্নাই মৃর্দাবস্তি গ্রামের মৃত তসলিম উদ্দীনের ছেলে। তিনি চোরাকারবারীর সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রোববার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রত্নাই সীমান্তে একটি চোরাকারবারী গ্রুপ কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে গরু আনতে গেলে বিএসএফ’র গুলিতে নুরুজ্জামান নিহত হন। এ সময় চোরাকারবারি দলের নেতা আব্দুল মান্নানসহ বাংলাদেশের প্রায় ৮-১০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে ভারতের প্রায় পাঁচজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয়রা আরও জানায়, ওই চোরাকারবারীর সদস্যরা গরু, মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজির আহম্মদ বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর আমরা তদন্ত করছি।’</p>
<h3><span style="color: #993366;">11/06/2023</span></h3>
<p style="text-align: justify;">রাণীশংকৈল উপজেলার ভারতীয় সীমান্তে বিএসএফে’র গুলিতে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১০ জুন) দুপুরে উপজেলার জগদল সীমান্তে বিজিবি ক্যাম্পের ৩৭৩/৭৪ পিলারের মাঝামাঝি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের নাগর নদীর পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী ধর্মগড় কলোনি এলাকার মফিজ উদ্দীনের ছেলে জিন্নাত (৬০) নাগর নদীতে গোসল করছিলেন। এসময় ভারতীয় গোয়ালপুর থানার কুকরাদহ ক্যাম্পের বিএসএফে’র সদস্যরা তাকে গুলি করে। স্থানীয়রা আহত জিন্নাতকে দিনাজপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বজনরা জানান, জিন্নাত ঢাকায় নিরাপত্তা প্রহরি পদে চাকরি করতেন। তিনি ছুটিতে গ্রামের বাড়ি এসেছিলেন। শনিবার দুপুরে নাগর নদীতে গোসল করতে যান। এসময় তাকে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা গুলি করে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভির আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুরে বাংলাদেশি নাগরিক জিন্নাত বাংলাদেশের সীমান্ত পার হয়ে যাওয়ার সময় ভারতীয় বিএসএফ তাকে গুলি করে। পরে লোকজন চিকিৎসার উদ্দেশে তাবে ঠাকুরগাঁও নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তিনি মারা যান।</p>
<h3><span style="color: #333399;">05/06/23</span></h3>
<p style="text-align: justify;">বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মোহাম্মদ মুসাহিদ মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, ইউসুফ আলী পাটগ্রাম উপজেলার জগৎবেড় ইউনিয়নের মেসেরডাঙ্গা গ্রামের শাহ জামালের ছেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">সীমান্ত সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার গভীর রাতে ইউসুফ আলীসহ আরও কয়েকজন গরু পারাপারের জন্য সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে পাটগ্রাম উপজেলার ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন আওতাধীন কালীরহাট বিওপি সীমান্তের মেইন পিলার নাম্বার ৮৫৭ সাব-পিলার ১৩ পেরিয়ে ভারতের ২০০ গজ অভ্যন্তরে সরকারপাড়ায় প্রবেশ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে ভারতীয় অংশের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার ১৬৯ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মীররাপা ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে সেখানেই ইউসুফের মৃত্যু হয়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে বিএসএফের সহযোগিতায় মেখলিগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করে মরদেহ নিয়ে আসা হবে।</p>
<h3><span style="color: #003300;">22/05/23</span></h3>
<p>পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভজনপুর বগুলা হাগি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আহত পাথর শ্রমিক পলাশ হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p>রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তেঁতুলিয়ার ভজনপুর ইউনিয়নে নদীতে নুড়ি পাথর সংগ্রহ করতে</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;">17 /05/ 2023</span></h3>
<p style="text-align: justify;">দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (২২) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার শাহাপুর কামারপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহত মঞ্জুরুল উপজেলার পূনট্রি ইউনিয়ের কামারপাড়া গামের মজিবর রহমানের ছেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">চিরিরবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় ইউপি সদস্য মাজেদুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে কামারপাড়া শাহপুর সীমান্তের আনুমানিক ৫০ মিটার দূরে বিএসএফের গুলিতে নিহত মন্জুরুলের মরদেহ পড়ে ছিল। পরে পরিবারের লোকজন মরদেহটি বাসায় নিয়ে আসে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, নিহত মঞ্জুরুল পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। এলাকার মানুষ ভালো ছেলে হিসেবে চিনতো তাকে। কিন্তু কী কারণে রাতে সীমান্তে তারকাঁটার কাছে গিয়েছিল এ বিষয়ে পরিবারসহ স্থানীয়রা কিছু বলতে পারছে না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://static.dw.com/image/58840519_1005.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতের সংসদে দাঁড়িয়ে ‘জয় ফিলিস্তিন’ স্লোগান, বিতর্ক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/437928/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Jun 2024 07:26:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=437928</guid>

					<description><![CDATA[সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি শপথ শেষে ফিলিস্তিনের নামে জয়ধ্বনি দিয়েছেন। এরপরই মঙ্গলবার বিজেপির এক নেতা দাবি করেছেন, হায়দরাবাদের এই সংসদ সদস্যকে ‘বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন’-এর জন্য লোকসভার সদস্য হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে। নিজের রাজ্য তেলেঙ্গানা ও বি আর আম্বেদকরের প্রশংসা করা ছাড়াও হায়দরাবাদ আসন থেকে পঞ্চমবারের জন্য নির্বাচিত ওয়াইসি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি শপথ শেষে ফিলিস্তিনের নামে জয়ধ্বনি দিয়েছেন। এরপরই মঙ্গলবার বিজেপির এক নেতা দাবি করেছেন, হায়দরাবাদের এই সংসদ সদস্যকে ‘বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন’-এর জন্য লোকসভার সদস্য হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিজের রাজ্য তেলেঙ্গানা ও বি আর আম্বেদকরের প্রশংসা করা ছাড়াও হায়দরাবাদ আসন থেকে পঞ্চমবারের জন্য নির্বাচিত ওয়াইসি উর্দুতে শপথ নেওয়ার পর ‘জয় ফিলিস্তিন’ স্লোগান তোলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অবশ্য বিধানসভা থেকে বেরিয়ে এসে ওয়েইসি বলেন, জয় ভীম, জয় মিম, জয় তেলাঙ্গানা, জয় ফিলিস্তিন বলে তার মধ্যে কোনও ভুল নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, অন্য সদস্যরাও নানা কথা বলছেন। এটা কীভাবে ভুল? সংবিধানের বিধান বলুন। অন্যরা কী বলল সেটিও শুনতে হবে। আমার যা বলার বললাম। ফিলিস্তিন নিয়ে মহাত্মা গান্ধী কী বলেছিলেন পড়ুন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের প্রসঙ্গ কেন বললেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা নিপীড়িত মানুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ফিলিস্তিনের পক্ষে ধ্বনি দেওয়ায় কয়েকজন সংসদ সদস্যের কাছ থেকে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ফিলিস্তিন বা অন্য কোনও দেশের সঙ্গে আমাদের কোনও শত্রুতা নেই। বিষয় একটাই, শপথ নেওয়ার সময় কোনও সদস্যের পক্ষে অন্য দেশের প্রশংসা করে স্লোগান তোলা কি সমীচীন? আমাদের নিয়মগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে। কিছু সদস্য আমার কাছে এসে শপথ শেষে ফিলিস্তিনের স্লোগান তোলার অভিযোগ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের একটি স্নিপেট পোস্ট করেছেন এবং বলেছেন, বর্তমান নিয়ম অনুসারে, আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে তার লোকসভার সদস্যপদ থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে, বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য, সেটি হল ফিলিস্তিন।</p>
<p style="text-align: justify;">১০২ অনুচ্ছেদে অযোগ্যতা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে, তা এখানে উল্লেখ করা হল;</p>
<p style="text-align: justify;">ক) যদি তিনি আইন দ্বারা সংসদ কর্তৃক ঘোষিত পদ ব্যতীত ভারত সরকার বা কোনও রাজ্য সরকারের অধীনে কোনও লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন, তবে তিনি তার ধারককে অযোগ্য ঘোষণা করবেন না;</p>
<p style="text-align: justify;">(খ) তিনি যদি মানসিক ভারসাম্যহীন হন এবং উপযুক্ত আদালত কর্তৃক ঘোষিত হন;</p>
<p style="text-align: justify;">(গ) তিনি যদি অসচ্ছল হন;</p>
<p style="text-align: justify;">(ঘ) যদি তিনি ভারতের নাগরিক না হন, বা স্বেচ্ছায় কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন, বা কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য বা আনুগত্যের স্বীকৃতির অধীনে থাকেন;</p>
<p style="text-align: justify;">(ঙ) তিনি সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অযোগ্য হলে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/india/aimim-chief-asaduddin-owaisi-sparks-row-says-jai-palestine-while-taking-oath-as-lok-sabha-mp/articleshow/111258007.cms" target="_blank" rel="noopener">টাইমস অব ইন্ডিয়া</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/06/26/123339_bangladesh_pratidin_Jay_Palestine.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>উপযুক্ত সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেব: মল্লিকার্জুন খারগে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/319350/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Jun 2024 02:30:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=319350</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে বিরোধী দলগুলোর ইনডিয়া জোট আপাতত পার্লামেন্টের বিরোধী আসনেই বসবে। ফের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে ইনডিয়া ব্লক সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকবে। কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে এমন রণকৌশলের কথা খোলাসা করেছেন। বুধবার (৫ মে) রাতে ইনডিয়া জোটের নেতারা দিল্লিতে মল্লিকার্জুন খারগের বাসায় নির্বাচন পরবর্তী কৌশল ঠিক করতে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে একটি যৌথ বিবৃতি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতে বিরোধী দলগুলোর ইনডিয়া জোট আপাতত পার্লামেন্টের বিরোধী আসনেই বসবে। ফের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে ইনডিয়া ব্লক সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকবে। কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে এমন রণকৌশলের কথা খোলাসা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (৫ মে) রাতে ইনডিয়া জোটের নেতারা দিল্লিতে মল্লিকার্জুন খারগের বাসায় নির্বাচন পরবর্তী কৌশল ঠিক করতে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে একটি যৌথ বিবৃতি পড়ে শোনান কংগ্রেস সভাপতি। এতে তিনি নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, তারা জনগণের ইচ্ছাকে নস্যাৎ করছে। ইনডিয়া ব্লক প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে। বিজেপির দ্বারা শাসিত না হওয়ার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপলব্ধি করে আমরা উপযুক্ত সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেব।</p>
<p style="text-align: justify;">খারগের বাসায় হওয়া ওই বৈঠকে বিরোধী ঐক্য আবারও দারুণভাবে তুলে ধরেছে ইনডিয়া। বৈঠকে মল্লিকার্জুন খারগের পাশে ছিলেন তার দলের সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, এনসিপির শারদ পাওয়ার, শিবসেনার নেতা সনয় রাউত, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংহসহ অন্যান্য নেতারা।</p>
<p style="text-align: justify;">খারগে বলেন, এই ম্যান্ডেট মোদির বিরুদ্ধে। তার এবং তার রাজনীতির সারবস্তু এবং শৈলীর বিরুদ্ধে ম্যান্ডেট। এটা ব্যক্তিগতভাবে তার জন্য একটি সুস্পষ্ট নৈতিক পরাজয়ের পাশাপাশি একটি বিশাল রাজনৈতিক ক্ষতি।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, এবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ২৯৩টি আসন। ভারতে সরকার গড়তে দরকার হয় ২৭২ আসন। কিন্তু গত দুইবারের মতো এবার একা এই ২৭২ আসন সংগ্রহ করতে পারেনি বিজেপি। ফলে জোটের শরিকদের উপর ভর করে সরকার গড়তে হচ্ছে বিজেপিকে। বিশেষ করে অন্ধ্রপ্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টি ও বিহারের জনতা দল ইউনাইটেডের উপর অতিমাত্রায় নির্ভর হতে হচ্ছে বিজেপিকে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই দুই দলের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু ও নীতিশ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কংগ্রেসেরই বরং সরকার গঠন করা উচিত বলে প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিলেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধ্বব ঠাকরে। কিন্তু ইনডিয়া জোট আপাতত বিরোধী আসনে বসে ভবিষ্যতে উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষার কৌশলই বেছে নিয়েছে।</p>
<h3>কংগ্রেসের জোট ইন্ডিয়াও যেভাবে সরকার গঠন করতে পারে</h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের প্রকাশিত ফলাফলে ৫৪৩ আসনের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি ও এর জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। তবে এবারের নির্বাচনে বেশ চমক দেখিয়েছে গত দুই লোকসভা নির্বাচনে বাজে ফলাফল করা কংগ্রেসও। দলটি পেয়েছে ৯৯টি আসন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, জোট হিসেবে এনডিএ- এর দখলে গেছে ২৯৩টি আসন এবং বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়ার’ দখলে গেছে ২৩৩টি আসন। এছাড়া অন্যান্য দলগুলো ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মিলে পেয়েছে ১৭টি আসন। তবে দল হিসেবে এককভাবে সবচেয়ে বেশি ২৪২টি আসনে জিতেছে বিজেপি। এছাড়া তাদের জোটসঙ্গী দলগুলোর মধ্যে তেলেগু দেশাম পার্টি পেয়েছে ১৬টি এবং বিহারের নিতীশ কুমারের দল জনতা দল (ইউনাইটেড) পেয়েছে ১২টি আসন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া পেয়েছে ২৩১টি আসন। এরমধ্যে কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছে ৯৯টি আসন। আর জোট শরিক উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টি পেয়েছে ৩৬টি, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২৯টি, দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগাম পেয়েছে ২২টি আসন। এর বাইরে শিব সেনা (উদ্ধব ঠাকরে) পেয়েছে ৯টি আসন এবং শারদ পাওয়ারের ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি পেয়েছে ৮টি আসন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই পরিস্থিতিতেও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইন্ডিয়ার পক্ষে জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা। এই সম্ভাবনা মূলত বিহারের জনতা দল (ইউনাইটেড) ও তেলেগু দেশাম পার্টিকে যদি কংগ্রেস জোটটি নিজেদের পক্ষপুটে আনতে পারে তবেই বাস্তবায়ন সম্ভব। বাস্তবে এই দুটি দলই মূলত ‘কিং মেকারের’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই দুটি দলকে ছাড়া খোদ বিজেপিও একা সরকার গঠন করতে পারবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">নিতীশ কুমারের জেডিইউ এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপির মোট আসনসংখ্যা ২৮টি। সে ক্ষেত্রে এই দুটি দল বিজেপির এনডিএ জোট থেকে বের হয়ে আসলে জোটের আসনসংখ্যা হবে ২৬৭টি। যা সরকার গঠনের চেয়ে মাত্র ৫টি আসন কম। বিপরীতে এই দুটি দল ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিলেও তাদের আসন হবে ২৫৯টি। তারপরও আরও ১৩টি আসন বাকি থাকবে সরকার গঠনের জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ক্ষেত্রে বাকি যে দলগুলো বা স্বতন্ত্র (১৭ টি) প্রার্থীরা আছেন তারা ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিলে তাদের জন্য সরকার গঠন সম্ভব হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইন্ডিয়া জোটের আসন হবে ২৭৬টি। তবে যেই সরকার গঠন করুক না কেন ভারতের আগামী লোকসভা একটি ‘হাং পার্লামেন্ট’ বা ঝুলন্ত সংসদ হতে যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কংগ্রেস তথা ইন্ডিয়া জোট সরকার গঠন করবে নাকি বিরোধী দলের সিটেই থাকবে তা চূড়ান্ত হবে আজ (বুধবার)। জোটের নেতারা আজ বৈঠক করবেন। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সরকার গঠন বা বিরোধী দলে থাকার বিষয়টি। বিহারের নিতীশ কুমারের দল জনতা দল (ইউনাইটেড) এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশাম পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে কিনা সে বিষয়েও সিদ্ধান্তে নেয়া হবে আজ।</p>
<p style="text-align: justify;">ঠিক এমনটাই ভাবছেন কংগ্রেসের পোস্টার বয় রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, ‘যা সিদ্ধান্ত নেয়ার তা সর্বসম্মতভাবেই নেয়া হবে।’ নিতীশ ও চন্দ্রবাবুর দলের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি ইঙ্গিত করে রাহুল বলেন, ‘এটি খুবই ভালো বিষয় হবে।’ মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘আজ হয়তো আমাদের কাছে (জোট গঠনের সিদ্ধান্ত) কোনো জবাব নেই, তবে কাল আমরা জবাব পেয়ে যাবো।’</p>
<p style="text-align: justify;">সোজা কথায় রাহুল গান্ধী বিষয়টিকে উড়িয়ে দেননি। প্রায়ই একই ধরনের অবস্থান ইন্ডিয়া জোটের অংশীদার ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতা শারদ পাওয়ারের। তিনি বলেছেন, তিনি এখনো চন্দ্রবাবু নাইডু বা নিতীশ কুমারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেননি। তবে কংগ্রেসের প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে কথা বলার পর এবং আজকের বৈঠকের পর তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শারদ পাওয়ারের কথা থেকে এটি স্পষ্ট যে, ইন্ডিয়া জোট সরকার গঠন বা বিরোধী দলে থাকার বিষয়টি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত না নিলেও তারা সরকার গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। তবে রাহুল সরকার গঠন বা বিরোধী দলে থাকার বিষয়টি নিয়ে রাখঢাক করলেও শিব সেনার প্রধান উদ্ধব ঠাকরে বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন। উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, ‘ইন্ডিয়া জোটকে অবশ্যই সরকার গঠনের ক্ষেত্রে দাবি রাখতে হবে।’ আজকের বৈঠকে বিষয়টি এজেন্ডায় রাখবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">&#8211; <a href="https://www.hindustantimes.com/elections">হিন্দুস্তান টাইমস</a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/06/05/151547_bangladesh_pratidin_cogresss_pic.JPG" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত নির্বাচন : সর্বশেষ এ টু জেড আপডেট</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/430271/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Jun 2024 06:37:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=430271</guid>

					<description><![CDATA[নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি কট্টর হিন্দুত্ববাদ আর তথাকথিত ‘মোদি ম্যাজিক’ কাজে লাগিয়ে টানা এক দশক ভারতে একদলীয় শাসন চর্চা করে আসছে। তবে ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ফলে এবারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে মোদির দল। ২০১৯ সালে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩ আসন। এবার মোদির জোট পেয়েছে ২৯২টি আসন। ভারতীয় জনতা পার্টি এককভাবে পেয়েছে ২৪০টি আসন যেখানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি কট্টর হিন্দুত্ববাদ আর তথাকথিত ‘মোদি ম্যাজিক’ কাজে লাগিয়ে টানা এক দশক ভারতে একদলীয় শাসন চর্চা করে আসছে। তবে ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ফলে এবারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে মোদির দল।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩ আসন। এবার মোদির জোট পেয়েছে ২৯২টি আসন। ভারতীয় জনতা পার্টি এককভাবে পেয়েছে ২৪০টি আসন যেখানে সরকার গঠানে প্রয়োজন ২৭২টি আসন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই অবস্থায় সরকার গঠনে হাত নরেন্দ্র মোদিকে জোটের শরিকদের সঙ্গে হাত মেলাতে হবে। বিজেপির ভরসা চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম ও নীতিশ কুমারের জেডিইউর ওপর। অন্ধ্রপ্রদেশে তেলেগু দেশম জিতেছে ১৬ আসনে। অন্যদিকে, বিহারের জেডিইউ এর ঝুলিতে আছে ১২ আসন। টিডিপি ও জেডিইউ’র সম্মিলিত আসন ২৮।</p>
<p style="text-align: justify;">জোট সঙ্গীদের নিয়ে সরকার গঠনে মরিয়া বিজেপি শিবির, চলছে দফায় দফায় ফোনালাপ ও আলোচনা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজেপির এই জোট শরিকদের বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোটও। আর এ কাজের দায়িত্ব পড়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, মহারাষ্ট্রের এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাঁধে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, নীতিশ কুমারকে উপপ্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইন্ডিয়া অ্যালায়েন্স। বলা হচ্ছে, বিজেপির চেয়ে কংগ্রেসের কাছ থেকে বেশি সুযোগ সুবিধার নিশ্চয়তা পেলে ভোল পাল্টাতে পারেন প্রবীণ দুই রাজনীতিবিদ। অতীতে তাদের সঙ্গী বদলের নজির রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শরিকদের ওপর নির্ভর বা তাদের ভরসায় রাজ্য বা কেন্দ্রে কোথাও সরকার চালানোয় অভ্যস্ত নন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মোদিকে শরিকদের ওপর নির্ভর করতে হবে। এই ব্যবস্থায় তিনি কতটা খাপ খাওয়াতে পারবেন, তা দেখার অপেক্ষা।</p>
<h3 style="text-align: justify;">রামমন্দিরের প্রচার কাজে লাগলো না , মোদি ঝড় রুখে দিল অখিলেশ-রাহুলের জুটি</h3>
<p style="text-align: justify;">দু’বছর আগে বিধানসভা <a href="https://worldbarta.com/news/category/election/" target="_blank" rel="noopener">ভোটে</a> উত্তরপ্রদেশে হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাতের স্লোগান দিয়ে মেরুকরণের তাস খেলে বাজিমাত করেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। এ বারের লোকসভা ভোটে দেশের বৃহত্তম অঙ্গরাজ্যে (জনসংখ্যার নিরিখে) হিন্দুত্বের আবেগ উসকে দিতে বিজেপির মূল অস্ত্র ছিল, নব্বইয়ের দশকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া বাবরি মসজিদের জমিতে গড়ে তোলা রামমন্দির।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু সদ্য ঘোষিত ভোটের ফল বলছে, রামমন্দিরের রাজ্যেই ‘মোদি ঝড়’ রুখে দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টি (এসপি)-র প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তার সহযোগী কংগ্রেস।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতে সংসদীয় রাজনীতির অঙ্ক অনুসারে, দিল্লি দখলের পথ একটাই— ভায়া লখনো। ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রধানমন্ত্রী উপহার দিয়েছে এই রাজ্যই। জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, চৌধরি চরণ সিংহ, রাজীব গান্ধী, ভিপি সিংহ, চন্দ্রশেখর— সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। অটলবিহারী বাজপেয়ী লখনো থেকে জিতেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এক দশক আগে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে পৌঁছে দিতেও এই রাজ্যের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। এ বারও তার ব্যত্যয় হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৪-সালে দেশজুড়ে পদ্মঝড়ে উত্তরপ্রদেশ কার্যত বিরোধীশূন্য হয়ে গিয়েছিল। ৮০টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩টিতেই জিতেছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তার মধ্যে বিজেপি একাই ৭১টিতে। সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৫টি এবং কংগ্রেস ২টি আসনে জিতেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯-এ অবশ্য বিজেপিকে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল অখিলেশ যাদব এবং মায়াবতীর জোট। উত্তরপ্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শত্রুতার প্রাচীর ভেঙে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন ১৫টি আসন।</p>
<p style="text-align: justify;">গতবারের ভোটে উত্তরপ্রদেশে একা লড়ে ধরাশায়ী হয়েছিল কংগ্রেস। ৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট পেয়ে জিতেছিল একমাত্র রায়বরেলীতে। সনিয়া গান্ধীর আসনে। কিন্তু অমেঠির ‘গান্ধী গড়ে’ বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এবার কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতা করেছিলেন অখিলেশ। ৮০টি আসনের মধ্যে ৬২টিতে প্রার্থী দিয়ে ১৭টি ছেড়েছিলেন রাহুল-মল্লিকার্জুন খাড়গের দলকে।</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তরপ্রদেশে চিরাচরিত জাতপাতের অঙ্কের পাশাপাশি ভোটের প্রচারে এ বার মোদি জমানায় বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প, জাতগণনা এমনকি, যোগীর বুলডোজ়ার নীতি এবং জেল হেফাজতে বাহুবলী সংখ্যালঘু নেতা আতিক আহমেদ, মুখতার আনসারির মৃত্যুকেও নিশানা করেছিল বিরোধী শিবির। ৪০০ আসন নিয়ে মোদি ক্ষমতায় ফিরলে ওবিসি-দলিতদের সংরক্ষণে হাত পড়বে বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন অখিলেশরা।</p>
<p style="text-align: justify;">হিন্দুত্বের আবেগ উসকে দিতে ২২ জানুয়ারি মোদি রামমন্দির উদ্বোধনের ছবি তুলে ধরেছিল বিজেপি। সঙ্গে ছিল বারাণসীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমিতে মন্দির ‘প্রতিষ্ঠা’র প্রতিশ্রুতি। অযোধ্যার মতোই ওই দুই জমি বিতর্কও এখন আদালতে বিচারাধীন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে এসব খুব বেশি কাজে দেয়নি।  উত্তরপ্রদেশের ৮০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৭টিতে জিতে একক বৃহত্তম দল হয়েছে সমাজবাদী পার্টি এসপি। সহযোগী কংগ্রেস জিতেছে ছ’টিতে। অন্য দিকে, যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল জিতেছে ৩৩টি লোকসভা।</p>
<h3 style="text-align: justify;">জোটের যুগ ফিরেছে ভারতে, সঙ্গে ফিরবে জোট ধর্মও</h3>
<p style="text-align: justify;">‘জোট ধর্ম’— ভারতের রাজনীতিতে এই কথাটি বিজেপির প্রয়াত নেতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিকে কখনও জোটসঙ্গীদের উপর ভরসা করতে হয়নি। ফলে কাউকে সন্তুষ্ট করারও দরকার পড়েনি। এবার অটল বিহারী বাজপেয়ীর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী নরেন্দ্র মোদিকে প্রথমবারের মতো সরকার চালাতে জোট ধর্ম পালন করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">১০ বছরে টানা দুইবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। এবার বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকের প্রবল চ্যালেঞ্জে নরেন্দ্র মোদির দল ম্যাজিক ফিগার ২৭২ অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই এক দশক পর ভারতের কেন্দ্রের রাজনীতিতে জোট যুগ ফিরে এসেছে। বেড়েছে কিংমেকারদের কদর।</p>
<p style="text-align: justify;">নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রের রাজনীতিতে আসার আগে ভারতের ভোটাররা তিন দশক তাদের ম্যান্ডেট ভাগ করেছেন। ফলে জোটের রাজনীতিই ছিল আদর্শ। ৮০, ৯০ দশক এবং চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকের বেশিরভাগ সময় কোনো দলই লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তারপর গুজরাট থেকে দিল্লি এলেন নরেন্দ্র মোদি। তার নেতৃত্বে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অগোছালো জোট সরকারের অবসান ঘটিয়ে বিজেপির কর্তৃত্বের সরকার আসে ভারতে।</p>
<p style="text-align: justify;">এবারও বিজেপি বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কিন্তু নিজের শক্তিতে ২৭২ এর ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করতে পারেনি তারা। কেন্দ্রে সরকার গড়তে ও চালাতে জোট হিসেবে এনডিএ-র সাংগঠনিক সমর্থনের প্রয়োজন হবে বিজেপির। নরেন্দ্র মোদির জন্য এটিই হবে কেন্দ্রে জোট সরকার চালানোর প্রথম অভিজ্ঞতা। এবার সরকার গড়লে নরেন্দ্র মোদিকে সামলাতে হবে চন্দ্রবাবু নাইডু, নীতিশ কুমারের মতো ঝানু জোটসঙ্গীদের।</p>
<h3 style="text-align: justify;">যেভাবে বিজেপির উপহাসের জবাব দিলেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী</h3>
<p style="text-align: justify;">কংগ্রেস নেতা রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বছরের পর বছর ধরে বিজেপির উপহাসের প্রধান লক্ষ্য ছিল। নির্বাচন থেকে শুরু করে যে কোনো জনসভা বা বৈঠক সব জায়গাতেই বিজেপির প্রধান আক্রমণ থাকে কংগ্রেসকে ঘিরে। কিন্তু উপহাসের শিকার সেই কংগ্রেস এবার একাই সেঞ্চুরি করেছে। আর এর জন্য  রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"> সারাদেশে ভারত জোড়ো যাত্রার মাধ্যমে রাহুল গান্ধী তার প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তার যাত্রার মাধ্যমে রাহুল দেশের জনগণের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলেন যার প্রতিফলন ঘটেছে ভোটে। এর আগে দেশের জনগণ রাহুলকে শুধু টিভির পর্দাতেই দেখত, কিন্তু তার এই ভারত জোড়ো যাত্রার মাধ্যমে তিনি পুরোপুরিভাবে দেশের সকল প্রান্তের মানুষের মন দখল করে নিয়েছিলেন যা বিজেপির ধারণাকে ভেঙে দিতে অবদান রাখে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত জোড়ো যাত্রাকালে রাহুল গান্ধীর কুকুরছানাকে আদর করার দৃশ্য, মানুষকে আলিঙ্গন করা এবং সমাজের প্রতিটি স্তরের জনগণের সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া, ছাত্র থেকে ট্রাকচালক সকল স্তরের মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ যা দেশের জনগণ আগে দেখেনি। এটি তার ভোটব্যাংকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে লোকসভা নির্বাচনে অনেকেই আশা করেছিলেন যে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কিন্তু যখন তিনি তা করেননি তখন নানারকম প্রশ্ন উঠেছিল। তার প্রতিক্রিয়ায় প্রিয়াঙ্কা বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এটি তার একটি সচেতন সিদ্ধান্ত। যদি তিনি এবং রাহুল উভয়েই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তবে তারা একটি নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণার সাথে আবদ্ধ হবেন। কিন্তু তারা দুই ভাইবোনই একসঙ্গে প্রচারণায় আবদ্ধ হতে চাননি। তাই নিজেকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই তিনি নিজেকে মুক্ত রাখেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এবারের নির্বাচনে একজন প্রতিবাদী বক্তা হিসেবে প্রিয়াঙ্কার আবির্ভাব ঘটে। কথা দিয়ে তিনি দর্শকদের মোহিত করেন এবং তাদের সাথে মনের ভাব আদান প্রদান করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিযোগের পাল্টা উত্তরও দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কংগ্রেস জনগণের স্বর্ণ, মঙ্গলসূত্র কেড়ে নেবে- মোদির এমন বক্তব্যের জেরে প্রিয়াঙ্কা বলেছিলেন, ভারত স্বাধীন হয়েছে ৭০ বছর। এর মধ্যে ৫৫ বছরই দেশ শাসন করেছে কংগ্রেস। এই ৫৫ বছরে কংগ্রেস কি জনগণের স্বর্ণ-মঙ্গলসূত্র কেড়ে নিয়েছে। বরঞ্চ যখন যুদ্ধ চলছিল, তখন ইন্দিরা গান্ধী দেশের জন্য তার স্বর্ণ দান করেছিলেন। আমার মা দেশের জন্য তার মঙ্গলসূত্র উৎসর্গ করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের ভাইবোনের এমন জনসংযোগ দেশের জনগণের কাছে বিজেপি যে ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল তা ভেঙে দিয়েছে এবং এর প্রেক্ষিতে শাসক দল তাদের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৩২৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, যা ছিল সর্বকালের সর্বনিম্ন, বাকি ২১৫টি আসন মিত্রদের জন্য ছেড়ে দেয়। মল্লিকার্জুন খাড়গের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের এমন বড় সিদ্ধান্তের পেছনেও বড় ভূমিকা রাখেন রাহুল-প্রিয়াঙ্কা। এই সিদ্ধান্তেও উপকার পেয়েছে কংগ্রেস।</p>
<p style="text-align: justify;">লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এখনও বিজেপির তুলনায় অর্ধেক আসন নিয়ে শেষ করতে পারে, কিন্তু গান্ধী ভাই-বোনরা তাদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে বেশ উজ্জ্বল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের সংবাদ সম্মেলনে মিস্টার গান্ধী দলের পারফরম্যান্সে বোন প্রিয়াঙ্কার অবদানের কথা তুলেও ধরেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">গত দুইবারের চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন মোদি</h3>
<p style="text-align: justify;">টানা তৃতীয়বারের মতো উত্তর প্রদেশের বারণসি থেকে লোকসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সপ্তাহ ভোট শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, মোদি বারাণসিতে ৬ লাখ ১২ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অজয় রায় (কংগ্রেস) পেয়েছেন ৪ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৭ ভোট। অর্থাৎ মোদি মাত্র ১ লাখ ৫২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মোদি বারণসির এই আসনে মোট ভোটের ৫৪ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অজয় রায় পেয়েছেন ৪০ দশমিক ৭৪ শতাংশ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;"> নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেলেও ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় তার ভোটের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী দলের সালিনী জাদবকে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫০৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। সেবার মোদি ভোট পেয়েছিলেন ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৬৪টি। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সালিনী পেয়েছিলেন মাত্র ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৫৯ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালে মোদি মোট ভোটের ৬৩ দশমিক ৬২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। সেখানে এ বছর এটি ৫৪ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অপরদিকে ২০১৪ সালে মোদি পেয়েছিলেন ৫ লাখ ৮১ হাজার ২২ ভোট। যা মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ ছিল। সেবার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পেয়েছিলেন ২ লাখ ৯ হাজার ২৩৮টি ভোট। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মোদি কেজরিওয়ালকে হারিয়েছিলেন প্রায় ৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">নরেন্দ্র মোদির ‘জনপ্রিয়তার ভীত’ নাড়িয়ে দেওয়া কে এই <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/ধ্রুব_রাঠী" target="_blank" rel="noopener">ধ্রুব রাঠি</a></h3>
<p style="text-align: justify;">সদ্য অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে ‘আবকি বার ৪০০ পার (এবার চারশ পার)’ স্লোগানে নির্বাচনে তুমুল প্রচারণায় নেমেছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপি। লক্ষ্য ছিল ৪০০ আসন জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে সংসদে অবস্থান নেওয়া। একাধিক বুথফেরত জরিপও বলেছিল, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ৩৭০ থেকে ৪০০ আসনের বেশি পেয়ে তৃতীয়বার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে চূড়ান্ত ফলে ৪০০ দূরের কথা, ৩০০ আসনও পায়নি বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স–এনডিএ। ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ৫৪৩টি আসনের মধ্যে এনডিএ পেয়েছে ২৯২টি।</p>
<p style="text-align: justify;">হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, মোদি এবার হ্যাটট্রিক করেছেন ঠিকই। কিন্তু পরিসংখ্যান অনুযায়ী তার ভোট কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরুর পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিংয়ে উঠে আসে একটি নাম ‘ধ্রুব রাঠী’। ফেসবুক, এক্সে ছড়িয়ে পড়েছে তার বিবৃতি ‘নেভার আন্ডারএস্টিমেট দ্য পাওয়ার অব অ্য কমন ম্যান।’ বলা হচ্ছে, ‘বিজেপি সাম্রাজ্যের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছেন’ এই ওয়ান-ম্যান আর্মি।</p>
<p style="text-align: justify;"> ধ্রুব রাঠী কোনো রাজনীতিবিদ কিংবা সাংবাদিক নন; একজন ইউটিউবার। গত কয়েক মাসে নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপির কঠোর সমালোচনা করে একের পর এক ভিডিও তৈরি করেছেন তিনি। তার ভিডিও এতটাই জনপ্রিয় হয়েছে যে আলজাজিরা, ফ্রান্স ২৪, দ্য ইকনোমিস্ট, টাইম ম্যাগাজিন, দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য প্রিন্ট, দ্য ইকনোমিক টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি গবেষণার বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, ভারতীয়রা মূলধারার নিউজ চ্যানেলের চাইতেও ইউটিউব ও হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া খবরে বিশ্বাস করে বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">এই পটভূমিতে ইউটিউবে শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে আসেন ধ্রুব রাঠী। ইউটিউবে তার ২১.৫ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার রয়েছে, যা বিজেপির ইউটিউব চ্যানেলের প্রায় ৪ গুণ। নরেন্দ্র মোদির ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার রয়েছে ২৩ মিলিয়ন ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সাবস্ক্রাইবার রয়েছে ৬ মিলিয়ন। ২৯ বছর বয়সী ধ্রুব রাঠী আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, একসময় নরেন্দ্র মোদির ভক্ত ছিলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৪ সালে রাজনীতিতে মোদির উত্থানে দুর্নীতি ও কালো টাকার বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার আশা দেখেছিলেন ধ্রুব। তিনি মোদিকে সমর্থক জানিয়েছিলেন এবং তার ক্ষমতায় যাওয়াকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। কিন্তু শিগগিরই কয়েকটি ঘটনায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন ধ্রুব।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে আম আদমি পার্টি (এএপি) জাতীয়ভাবে বিরোধী দলে থাকলেও দিল্লিতে ক্ষমতায় ছিল। তারা একটি দুর্নীতিবিরোধী হেল্পলাইন চালু করেছিল। কিন্তু কেন্দ্রের মোদি সরকার ওই হেল্পলাইনের নিয়ন্ত্রণের জন্য এএপি রাজ্য সরকারের সঙ্গে তুমুল লড়াই শুরু করে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ধ্রুব বলেন, এ টি আমার জন্য খুব মর্মান্তিক মুহূর্ত ছিল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে তিনি ভারত থেকে দুর্নীতি অপসারণ করতে আগ্রহী নন। মূলধারার টিভি চ্যানেল মোদি ও বিজেপির পক্ষে এক নাগাড়ে সমর্থন প্রদর্শনের পর তার হতাশা আরও বেড়ে যায়। সেই পটভূমিতে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে ইউটিউবে তার প্রথম রাজনৈতিক মন্তব্য আপলোড করেছিলেন ধ্রুব। ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে তার ফোনে শ্যুট করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"> গত আট বছরে তিনি তার প্রধান ইউটিউব চ্যানেলে প্রায় ৬৫০টি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তার অধিকাংশ ভিডিওর কেন্দ্রে থাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সরকারের সমালোচনা। স্ক্রিনে উপস্থিত হওয়া মাত্রই ব্যাকগ্রাউন্ডে অশুভ সাউন্ডট্র্যাক বাজতে শুরু করে। ভিডিও শুরুর আগে হাসিমুখে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘ভারত কি একনায়কত্বে পরিণত হচ্ছে?’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি ব্যাখ্যা করেন, আপাতভাবে ভারতে গণতন্ত্র আছে বলেই মনে হয়; নাগরিকরা বিভিন্ন দলের মধ্যে থেকে নেতা বেছে নিতে পারেন এবং কাকে ভোট দেবেন তা নির্ধারণ করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা আরও জটিল…’তিনি মোদি সরকারের দুর্নীতি, স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের অপব্যবহার এবং মোদি সরকারের সমালোচকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরেন। তিন মাস আগে আপলোড করা ২৯ মিনিট ১১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে রঙিন অ্যানিমেশন এবং ইনফোগ্রাফ দিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মিডিয়া এবং বিরোধীদের ওপর পদ্ধতিগতভাবে আক্রমণ করার অভিযোগ তোলেন রাঠী। একের পর এক ভিডিওতে ধ্রুব রাঠী তুলে আনেন কৃষক আন্দোলন, লাদাখ ইস্যু, ইলেকটোরাল বন্ডের স্ক্যাম, ভারতের বেকার সমস্যাসহ গুরুত্বপূর্ণ সব ইস্যু। তথ্য-উপাত্ত, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, আদালতের রায় সব তুলে ধরে তথ্যভিত্তিক ভিডিও তৈরি করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোটের চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগে সর্বশেষ ভিডিওতে ধ্রুব রাঠী বলেন, আমি জানি যাদের বিরুদ্ধে আমি কথা বলছি এটি পাহাড়ের বিরুদ্ধে এক লোকের কথা বলার মতো। কিন্তু আমি মনে করেছি এটা আমার দায়িত্ব। যেখানে গণমাধ্যম ‘গদি মিডিয়া’ (ক্ষমতার কাছাকাছি থাকে যে মিডিয়া) হয়ে গেছে। তাই কিছু হোক বা না হোক যেটা আমার করা উচিত, যেটা সঠিক কাজ সেটাই আমি করব।</p>
<p style="text-align: justify;">রাঠী জানান, নির্বাচনের আগে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি রাস্তায় প্রজেক্টর বসিয়ে তার ভিডিও জনসম্মুখে দেখিয়েছেন তার ভক্ত ও বিজেপি বিরোধী দলগুলো। এমনকি ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমে কথা বলার সময় ধ্রুব রাঠীর ভিডিওর রেফারেন্স দিয়ে ভারতের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন সাধারণ জনগণ।<br />
ধ্রুব রাঠীর ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হলো তিনি কথা বলেন একেবারে সাধারণ হিন্দি ভাষায়। তার ভিডিওতে ইংরেজি শব্দ প্রায় নেই বললেই চলে। তবে তিনি ইংরেজি সাবটাইটেল যুক্ত করেন। এতে করে বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও তার বিপুল সাবস্ক্রাইবার রয়েছে।<br />
সর্বশেষ ভিডিওতে ধ্রুব রাঠী জানান, বিজেপির সমালোচনা করে ভিডিও করায় একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ তাকে কুকুর,তেলাপোকা ইত্যাদি গালি দিয়ে কন্টেন্ট বানিয়েছে। ‘অ্যান্টি ন্যাশনাল’, ‘পাকিস্তানের দালাল’, ‘চীন থেকে অর্থপ্রাপ্ত গুপ্তচর’ ইত্যাদি গুজবেও অসংখ্য ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। এমনকি এইআই দিয়ে তার কণ্ঠ নকল করে গুজব ছড়ানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আল জাজিরাকে ধ্রুব রাঠী বলেন, আমাকে ও আমার স্ত্রী জুলিকে পাকিস্তানের দালাল বলে গুজব ছড়ানো হয়েছে। অনলাইনে আমার স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমাকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি ভীত নই। কিন্তু আমি আমার অবস্থান বা আমার ভারতে থাকা পরিবারের অবস্থান কখনোই যাতে প্রকাশ না পায় এ বিষয়ে সতর্ক থাকি।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, দিনশেষে আমি যা করি তা চালিয়ে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনো পথ নেই। আমার চ্যানেল ভারতে নিষিদ্ধ হতে পারে। কিন্তু এখন কথা বলার সময়, তা না হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/06/05/113001_bangladesh_pratidin_Nitesh.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেষ দফার ভোট দিন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক, থাকছেন না মমতা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/297729/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 May 2024 04:32:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=297729</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ৫৪৩টি লোকসভা আসনের মধ্যে ইতোমধ্যে ছয় দফায় ৪৮৬ আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সপ্তম ও শেষ দফায় আগামী ১ জুন ভোট গ্রহণ হবে ৫৭টি লোকসভা আসনে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ৯টি আসন। গণনা আগামী ৪ জুন। ফল ঘোষণার ঠিক তিন দিন আগে অর্থাৎ শেষ দফায় ভোটের দিনই সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে বিরোধী দলের জোট ইন্ডিয়া। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ৫৪৩টি লোকসভা আসনের মধ্যে ইতোমধ্যে ছয় দফায় ৪৮৬ আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সপ্তম ও শেষ দফায় আগামী ১ জুন ভোট গ্রহণ হবে ৫৭টি লোকসভা আসনে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ৯টি আসন। গণনা আগামী ৪ জুন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফল ঘোষণার ঠিক তিন দিন আগে অর্থাৎ শেষ দফায় ভোটের দিনই সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে বিরোধী দলের জোট ইন্ডিয়া। ১ জুন এই বৈঠক হবে দিল্লিতে। ইতোমধ্যেই বিরোধীদলের সমস্ত শরিক দলগুলিকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। চলমান নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোট ভালো ফল করলে সেক্ষেত্রে জোটের ভূমিকা কি হবে, রণনীতি কি হবে- সে সব বিষয় নিয়ে মূলত আলোচনা হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত শনিবার ষষ্ঠ দফার ভোট শেষে কংগ্রেসের দাবি, এই নির্বাচনে ইতোমধ্যেই ইন্ডিয়া জোট ম্যাজিক ফিগার ২৭২ এর লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়েছে, সবমিলিয়ে তারা ৩৫০ আসনে জয় পেতে পারে। কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক জয় রাম রমেশও দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন দলের ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট’ (এনডিএ)কে সরিয়ে এবার সরকার গঠন করতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু আমন্ত্রণ পেলেও ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে হাজির থাকছেন না জোটের অন্যতম শরিক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি। সোমবার কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থনে বড় বাজারে একটি নির্বাচনের সভায় উপস্থিত ছিলেন মমতা। সেই সভা থেকেই জোটের বৈঠকে যোগ না দেওয়ার বিষয়টি জানান। মমতা বলেন, ইন্ডিয়া জোট ১ জুন বৈঠক ডেকেছে। আমি বলেছি ১ তারিখ আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, এখানে ৯টা আসনে ভোট রয়েছে। ওইদিন পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, বিহারসহ অনেক রাজ্যেও ভোট রয়েছে। আর ভোটের দিন ৬ টার সময় ভোট শেষ হলেও লাইনে অনেক লোক থাকার কারণে কোথাও কোথাও ভোট শেষ হতে রাত ১০টা বেজে যায়। সেক্ষেত্রে আমি কীভাবে যাব? একদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, ত্রাণ শিবির, অন্যদিকে নির্বাচন- সব কিছুই করতে হবে। কিন্তু আমার প্রথম অগ্রাধিকার ত্রাণ শিবির। ওদের দেখা, ওদেরকে ঘর বানিয়ে দেওয়া, ওদের পাশে দাঁড়ানো, সহায়তা করা। আমি এখন হয়তো নির্বাচনী প্রচারণা করছি, কিন্তু আমার মন পড়ে রয়েছে ত্রাণ শিবিরের দিকে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সরকারকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় আনতে অগ্রণী ভূমিকা ছিল মমতা। বিরোধীদলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র নামকরণ মমতারই মস্তিষ্ক প্রসূত। প্রায় ২৮টি দলের অন্তর্ভুক্তি রয়েছে এই জোটে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারণা থেকে মমতা ঘোষণা দেন, এবারের নির্বাচনে এই জোটই ক্ষমতায় আসছে। তবে সেই মন্ত্রিসভায় যোগ না দিয়ে বাইরে থেকে তার দল সমর্থন জানাবে। মমতাকে এই মন্তব্যকে ঘিরে সে সময় নানা রকম জল্পনা ছড়িয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে কংগ্রেস, সিপিআইএমসহ জোটের অন্যতম শরিক দলগুলিকেও খোঁচা মারতে দেখা গিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে এবার জোটের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার কথা জানালেন মমতা। স্বাভাবিকভাবেই ফের একবার মমতার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা!</p>
<h3>বিজেপির বিরুদ্ধে ২৬ দলের বৃহৎ নির্বাচনী জোট ‘ইন্ডিয়া’</h3>
<p style="text-align: justify;">২০২৪ সালে অনুষ্ঠেয় লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে ২৬টি বিরোধী দল গতকাল নির্বাচনী জোট করেছে। জোটের নাম ‘ইন্ডিয়া’ অর্থাৎ ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স’। নতুন জোট করার জন্য কংগ্রেস এবং অবিজেপি দলগুলো কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু শহরে সোমবার বৈঠক শুরু করে। বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে তারা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠক শেষে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, ‘আমি খুশি যে বেঙ্গালুরুতে ২৬টি দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য উপস্থিত রয়েছে। বৈঠকের উদ্দেশ্য নিজেদের জন্য ক্ষমতা অর্জন করা নয়। দেশের গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার রক্ষার জন্যই এ বৈঠক। দেশের স্বার্থে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা খুব জরুরি। আসুন আমরা সবাই ভারতকে প্রগতি, কল্যাণ ও প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে নেওয়ার সংকল্প করি।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিরোধী জোটের নেতৃত্ব কে দেবেন বা ইন্ডিয়ার নতুন মুখ কে হবেন, এ ব্যাপারে খাড়গে জানান, ‘একটি কোঅর্ডিনেশন কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বিরোধী দলগুলোর এ মহাজোটের কাজকর্ম করার জন্য দিল্লিতে একটি অফিস করা হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, ‘বর্তমানে আমরা ১১টি রাজ্যে ক্ষমতায় আছি। আর বিজেপি নিজে থেকে ৩০৩টি আসন পায়নি। তার শরিক দলগুলোর ভোট ব্যবহার করে ক্ষমতায় এসেছে এবং তারপর তাদের পরিত্যাগ করেছে। বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা এবং তাঁদের নেতারা তাঁদের পুরনো শরিক দলগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে রাজ্যে রাজ্যে ছুটছেন। আসলে আমাদের আজকের বৈঠকের ঐক্য দেখে তারা ভীত যে আগামী বছর তাদের পরাজয় ঘটবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">খাড়গের অভিযোগ : ‘সরকারি প্রতিটি এজেন্সিকে বিরোধীদের বিরুদ্ধে অস্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে।’ মুম্বাইতে বিরোধী দলের পরবর্তী বৈঠক হবে বলেও জানান তিনি। যদিও দিনক্ষণ এখনো স্থির হয়নি। দুই দিনের এ কনক্লেভে সোমবার ছিল নৈশভোজ ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক। গতকাল হয়েছে মূল বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, ডিএমকে, আরজেডি, জেডিইউ, ন্যাশনাল কনফারেন্স পার্টি, পিডিপি, সমাজবাদী পার্টি, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা, এনসিপি, সিপিআইএম, শিবসেনাসহ ২৬টি বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিনের বৈঠক থেকে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে আক্রমণ করে একাধিক দলের নেতারা বলেন, তাঁদের উদ্দেশ্য একটাই- দেশ, গণতন্ত্র এবং সংবিধান রক্ষা করা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানান, ‘আমাদের আজকের আলোচনা খুবই ফলপ্রসূ এবং সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।’ জোটের নতুন নামকরণ নিয়ে রাহুল জানান, ‘এটি ইন্ডিয়া এবং বিজেপি, ইন্ডিয়া এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে লড়াই। ভারত একত্র হবে ইন্ডিয়া জিতবে।’ তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, ‘এ বৈঠক অত্যন্ত ভালো ও ফলপ্রসূ হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/19/Bd-pratidin-19-07-23-F-23.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নিয়ে ভোট করার চেষ্টা করছেন মোদী : কেজরিওয়াল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/421581/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 May 2024 05:58:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=421581</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। মোট সাত দফায় অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। এরই মধ্যে চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনেই টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নেমেছেন নরেন্দ্র মোদী। এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় মোদীকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতের ভোটেও একই কাজ করার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। মোট সাত দফায় অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। এরই মধ্যে চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনেই টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নেমেছেন নরেন্দ্র মোদী।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় মোদীকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতের ভোটেও একই কাজ করার চেষ্টা করছেন মোদী।”</p>
<p style="text-align: justify;">এমনকি পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গেও ভারতের তুলনা করেছেন কেজরিওয়াল।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গত শুক্রবার ভারতের পরিস্থিতিকে রাশিয়ার সাথে তুলনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীকে পরোক্ষভাবে উপহাস করেন। একইসঙ্গে ভারত ‘খুব বিপজ্জনক’ পর্যায়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মুম্বাইয়ের বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সে (বিকেসি) বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লকের এক সমাবেশে বক্তৃতাকালে কেজরিওয়াল এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক। পুতিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট&#8230; পুতিন হয় তার সব প্রতিদ্বন্দ্বী নেতাদের জেলে পাঠিয়েছেন, আর না হয় তাদের হত্যা করেছেন। তারপর (পুতিন) নির্বাচন পরিচালনা করেন এবং ৮৭ শতাংশ ভোট পান।”</p>
<p style="text-align: justify;">অরবিন্দ কেজরিওয়াল আরও বলেন, “বাংলাদেশেও সম্প্রতি নির্বাচন হয়েছে। (নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে) সব বিরোধী নেতাকে গ্রেফতার করা হয় এবং নির্বাচনে বিজয়ী হন শেখ হাসিনা। আর পাকিস্তানের নির্বাচনে দেশটির প্রবীণ নেতা ইমরান খানকে জেলে পাঠানো হয়েছে, তার দলকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, তার দলীয় প্রতীক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এরপরই নির্বাচন পরিচালিত হয়েছে&#8230;।”</p>
<p style="text-align: justify;">দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মোদিজি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শেখার পরে এখানে, ভারতে একই জিনিস প্রয়োগ করার চেষ্টা করছেন।”</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, “তারা আমাকে জেলে রেখেছিল, (দিল্লির সাবেক ডেপুটি সিএম) মণীশ সিসোদিয়াকে জেলে রাখা হয়েছিল&#8230; কংগ্রেস পার্টির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আটকে দেওয়া হয়েছিল&#8230; এভাবেই আপনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং জিতবেন। এটি কাপুরুষতার চিহ্ন।”</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, কথিত মদ নীতি কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত দুর্নীতির অভিযোগে ৫০ দিন করাগারে থাকার পরে গত ১০ মে অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির তিহার জেল থেকে মুক্তি পান। জেল থেকে মুক্তির পরপরই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে একইদিন দুপুরে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান কেজরিওয়াল। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের ফলে আগামী ১ জুন অর্থাৎ লোকসভা ভোটের শেষ দফা পর্যন্ত জেলের বাইরে থাকবেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দিল্লির আবগারি নীতিকাণ্ডে গত ২১ মার্চ তাকে গ্রেফতার করেছিল ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.indiatoday.in/india/story/lok-sabha-2024-arvind-kejriwal-takes-dictatorship-jibe-at-pm-amid-swati-maliwal-row-2540639-2024-05-18" target="_blank" rel="noopener">ইন্ডিয়া টুডে</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/05/19/110442_bangladesh_pratidin_Kejriwal.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক’</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/120255/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/120255/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 May 2024 08:10:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=120255</guid>

					<description><![CDATA[নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে ভারতের একতরফা নিজেদের অনুকূলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৬ মে ঐতিহাসিক ’ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৫ মে) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে ভারতের একতরফা নিজেদের অনুকূলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">১৬ মে ঐতিহাসিক ’ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৫ মে) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন নদীর পানি একতরফা প্রত্যাহার শুরু করা হয়। যার ফলে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল আজ প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় পানিসহ নানাবিধ প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত মানকে বিবেচনা না করে এবং প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে ভারতকে কয়েক দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। কিন্তু সেই বাঁধ অব্যাহতভাবে আজ পর্যন্ত চালু আছে। এই বাঁধ এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে এ দেশের জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘এই বঞ্চনা ও দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জনদুর্দশার আশঙ্কায় প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী জনগণকে সাথে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিল করে ভারত সরকারের নিকট প্রতিবাদ করেন এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের নিকট বিষয়টি তুলে ধরেন। তখন থেকে মানববিপর্যয় সৃষ্টিকারী ফারাক্কা বাঁধের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচিত হতে থাকে।’</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি মনে করি আজও ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণে নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে একতরফা নিজেদের অনুকুলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/120255/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://dailyinqilab.com/mediaStorage/content/images/2024March/500-321-inqilab-white-20240309225027.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>প্রথম দফার ভোট একতরফাভাবে এনডিএ’এর পক্ষেই যাবে: আশাবাদী মোদি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2357/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2357/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Apr 2024 05:00:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2357/</guid>

					<description><![CDATA[শুক্রবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হয়। সকাল ৭ টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ, চলে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত। দেশটির ৫৪৩ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ২১ টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের ১০২টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সাত দফার নির্বাচনে এই দফাতেই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়। দেশটির নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শুক্রবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হয়। সকাল ৭ টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ, চলে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত। দেশটির ৫৪৩ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ২১ টি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের ১০২টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সাত দফার নির্বাচনে এই দফাতেই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশটির নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক রিপোর্টে জানিয়েছে, গোটা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ত্রিপুরায়, ৭৯.৯০ শতাংশ। এরপরেই সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এরাজ্যে ভোট দানের শতকরা হার ৭৭.৫৭ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে বিহারে, মাত্র ৪৭.৪৯ শতাংশ। গোটা দেশে গড় ভোটদানের হার ৬৪ শতাংশ।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় এক বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গোটা দেশে তাপপ্রবাহের মধ্যেও এত বেশি সংখ্যায় ভোট দানের ঘটনা নজিরবিহীন।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এত বেশি সংখ্যায় ভোট প্রদানের ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, প্রথম দফায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট’ (এনডিএ) এর পক্ষেই একতরফাভাবে এই ভোট পড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার মহারাষ্ট্রের নানডের এলাকায় এক নির্বাচনী প্রচারণা থেকে ভোটারদের উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, ‘যারা গতকাল (শুক্রবার) ভোট দিয়েছিলেন, বিশেষ করে প্রথম ভোটারদের- আমার তরফ থেকে তাদেরকে অনেক ধন্যবাদ। তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। ভোট প্রদানের পর বুথ লেভেল থেকে যে  পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে এবং আমি যে তথ্য পাচ্ছি তাতে আমার বিশ্বাস মজবুত হচ্ছে যে প্রথম দফায় এনডিএ’এর পক্ষেই একতরফাভাবে ভোট দান হয়েছে। এনডিএ’এর জয় নিশ্চিত করায় আমি মাথানত করে আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।</p>
<p style="text-align: justify;">গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উৎসবে দেশবাসীকে আরও বেশি সংখ্যায় শামিল হওয়ার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কিন্তু যারা প্রথম দফায় ভোট দেননি, তাদেরকে বলবো ভোট প্রদান গণতন্ত্রের শক্তিশালী মাধ্যম। আপনি যাকেই ভোট দিন না কেন, ভোট অবশ্যই দেবেন। ভোট দেওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনোরকম উদাসীনতা থাকা উচিত নয়। এটা ঠিক যে প্রচণ্ড গরম পড়েছে ফলে অনেক সমস্যা মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তারপর একদিকে বিয়ের মৌসুম, অন্যদিকে চাষিরাও মাঠে কাজ করছেন। তারপরেও আমরা যখন দেশের সেনা সদস্যদের দিকে তাকাই, তখন দেখব যেকোনো মৌসুমেই জওয়ানরা নিজেদের কর্তব্যে অবিচল থাকে, কারণ দেশের জন্য তারা এই কাজ করে। আমার মনে হয় ভোটারদের মধ্যেও এরকম মনোভাব থাকা উচিত। তাদের ভাবা উচিত যে ভোট দিয়ে আমি কারো উপকার করছি না বরং আমি ভোট দিয়ে আমার দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিরোধীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা- আজ না হলে কাল, কাল না হলে পরশু- আপনারা নিশ্চয়ই সুযোগ পাবে। তাই আমি বিরোধীরা- যাদের পরাজয় নিশ্চিত- তাদের দলের কর্মীদের বলতে চাই, ভোটারদের ভোট দিতে আপনারাও উদ্বুদ্ধ করুন। কেননা আগামী ২৫ বছর ভারতের মহত্ত্ব প্রমাণ করবে আর যার জন্য ভোটের শতকরা বৃদ্ধি করাটা খুবই জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিরোধীদলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী এটাও বলেছেন, নিজেদের দুর্নীতি ঢাকতেই বিরোধীরা এই জোট গঠন করেছে। ফলে প্রথম দফার নির্বাচনে ভোটাররা সম্পূর্ণভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। নির্বাচনে লড়াই করার মত প্রার্থী তাদের নেই। জোটের নেতারাই একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, যারা নিজেরাই একে অপরকে বিশ্বাস করেন না, আপনারা কি তাদের বিশ্বাস করে ভোট দেবেন?</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরে পাল্টা তাকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদরা। তার প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী কীভাবে বলতে পারেন, প্রথম দফার ভোটে ভোটাররা কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া জোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিন কেরালার ত্রিশূরে একটি নির্বাচনী প্রচারণার ফাঁকে প্রিয়াঙ্কা প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের ফলাফল এখনও বের হয়নি, তার আগেই তিনি (প্রধানমন্ত্রী) কীভাবে এটা জানলেন? আমি জানি না তারা এতটা আত্মবিশ্বাসী কীভাবে হলেন?</p>
<p style="text-align: justify;">কংগ্রেস নেত্রী এটাও প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি দাবি করে, এই নির্বাচনে তারা ৪০০ আসন পাবেন? আমরা যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই মানুষ বলছে তারা পরিবর্তন চায়। আমি নিশ্চিত যে পরিবর্তন এবার আসবেই।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, মোট সাত দফার এই লোকসভার নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ ২৬ এপ্রিল, তৃতীয় দফায় ৭ মে, চতুর্থ দফায় ১৩ মে, পঞ্চম দফায় ২০ মে, ষষ্ঠ দফায় ২৬ মে এবং সপ্তম শেষ দফার ভোট ১ জুন। ভোট গণনা আগামী ৪ জুন।</p>
<h3>ভারতের লোকসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে কাল</h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতে জাতীয় নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটগ্রহণ শুরু হচ্ছে আগামীকাল ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার)। নির্বাচনে ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভার ৫৪৩টি আসনের সদস্য নির্বাচিত হবেন। যে দল বা জোট লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবে তারাই পরবর্তী সরকার গঠন করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহত্তম গণতান্ত্রিক চর্চা হতে যাচ্ছে ভারতের এই নির্বাচন। দেশটির নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা প্রায় ৯৭ লাখ- যা বিশ্বের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সাত ধাপে ৪৪ দিনে ভোটগ্রহণ হবে।  নির্বাচনে ব্যবহার হবে ৫৫ লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) । ভোট গণনা শেষে ফল প্রকাশ হবে ৪ জুন।</p>
<p style="text-align: justify;">বহুদলীয় গণতন্ত্র হিসেবে ভারতের নির্বাচনে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক দল ভোটের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। কিন্তু সর্বভারতীয় পর্যায়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দল দুটি। ক্ষমতাসী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও প্রধান বিরোধীদল জাতীয় কংগ্রেস। এই দুই দল পৃথক দুটি জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজেপি নেতৃতে দিচ্ছে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। এটি ২৬টি দলের একটি জোট। প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব দিচ্ছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলোপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স (ইন্ডিয়া)। এই জোটে আছে অন্তত ৪১টি দল।</p>
<p style="text-align: justify;">আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপের নির্বাচন হবে দেশটির ২১টি রাজ্যের বিভিন্ন আসনে। তামিলনাডুর সবকটি অর্থাৎ ৩৯টি রাজ্যে কাল ভোটগ্রহণ হবে। রাজস্থানের ২৫টি আসনের ১২টি, উত্তর প্রদেশের ৮০টি আসনের ৮টি, মধ্যপ্রদেশের ৪৮টি আসনের ৬টিতে, মহারাষ্ট্রের ৪৮টি আসনের পাঁচটিতে, উত্তরাখণ্ডের সবকটি অর্থাৎ পাঁচটিতে কাল ভোটগ্রহণ হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া আসামের ১৪টি আসনের ৫টিতে, বিহারের ৪০টি আসনের চারটিতে, পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের ৩টিতে ভোট হবে। অরুণাচল প্রদেশ, মনিপুর ও মেঘালয়ে দুটি করে আসন। এই তিন প্রদেশের ৬ আসনেই নির্বাচন হবে কাল। ছত্তিসগড়ের ১১টি আসনের একটিতে নির্বাচন হবে কাল।</p>
<p style="text-align: justify;">মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও সিকিমে একটি করে আসন। আগামীকাল এই তিন আসনেই নির্বাচন হবে। ত্রিপুরায় দুটি আসনের একটিতে নির্বাচন হবে। এছাড়া ইউনিয়ন টেরিটরি আন্দামান ও নিকোবারা দ্বীপপুঞ্জ, লাক্ষাদ্বীপ, পুডুচেরিতে ভোটগ্রহণ হবে আগামীকাল।</p>
<h3>পশ্চিমবঙ্গ : লোকসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী যারা</h3>
<p style="text-align: justify;">লোকসভা ভোটের আগে বড় চমক। এই প্রথমবার ব্রিগেডে জনসভা থেকে প্রার্থীতালিকা ঘোষণা তৃণমূলের। রবিবাসরীয় ব্রিগেডে প্রার্থী তালিকায় বড় চমক। দেখে নিন ৪২টি আসনে তৃণমূলের প্রার্থী কারা।</p>
<p><strong>দার্জিলিং:</strong>  গোপাল লামা<br />
<strong>আলিপুরদুয়ার:</strong>  প্রকাশ চিক বরাইক<br />
<strong>কোচবিহার:</strong>  জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া<br />
<strong>জলপাইগুড়ি:</strong>  নির্মলচন্দ্র রায়<br />
<strong>বালুরঘাট: </strong>বিপ্লব মিত্র<br />
<strong>রায়গঞ্জ:</strong>  কৃষ্ণ কল্যাণী<br />
<strong>মালদহ উত্তর:</strong>  প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
<strong>মালদহ দক্ষিণ:</strong>  শানওয়াজ আলি রহমান<br />
<strong>মুর্শিদাবাদ:</strong>  আবু তাহের খান<br />
<strong>জঙ্গিপুর:</strong>  খলিলুর রহমান<br />
<strong>বহরমপুর: </strong>ইউসুফ পাঠান<br />
<strong>কৃষ্ণনগর:</strong>  মহুয়া মৈত্র<br />
<strong>রানাঘাট:</strong>  মুকুটমণি অধিকারী<br />
<strong>বনগাঁ: </strong>বিশ্বজিৎ দাস<br />
<strong>বসিরহাট:</strong>  হাজি নুরুল ইসলাম<br />
<strong>বারাসত:</strong>  ডঃ কাকলী ঘোষ দস্তিদার<br />
<strong>বারাকপুর:</strong>  পার্থ ভৌমিক</p>
<p><strong>দমদম:</strong>  সৌগত রায়<br />
<strong>হাওড়া:  </strong>প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
<strong>উলুবেড়িয়া:</strong>  সাজদা আহমেদ<br />
<strong>হুগলি:</strong>  রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
<strong>আরামবাগ: </strong>মিতালী বাগ<br />
<strong>শ্রীরামপুর:</strong>  কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
<strong>কলকাতা উত্তর:</strong>  সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
<strong>কলকাতা দক্ষিণ:</strong>  মালা রায়<br />
<strong>যাদবপুর:  </strong>সায়নী ঘোষ<br />
<strong>ডায়মন্ড হারবার:</strong>  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়<br />
<strong>জয়নগর:</strong>  প্রতিমা মণ্ডল<br />
<strong>মথুরাপুর:</strong> বাপি হালদার<br />
<strong>তমলুক:</strong>  দেবাংশু ভট্টাচার্য<br />
<strong>কাঁথি:</strong>  উত্তম বারিক<br />
<strong>মেদিনীপুর:</strong>  জুন মালিয়া<br />
<strong>ঘাটাল:</strong> দেব<br />
<strong>বীরভূম:</strong> শতাব্দী রায়<br />
<strong>বোলপুর:</strong> অসিত মাল<br />
<strong>বাঁকুড়া:</strong>  অরূপ চক্রবর্তী<br />
<strong>বিষ্ণুপুর:</strong> সুজাতা খাঁ<br />
<strong>পুরুলিয়া:</strong> শান্তিরাম মাহাতো<br />
<strong>ঝাড়গ্রাম:</strong> কালীপদ সোরেন<br />
<strong>বর্ধমান পূর্ব:</strong> ডঃ শর্মিলা সরকার<br />
<strong>বর্ধমান দুর্গাপুর:</strong>  কীর্তি আজাদ<br />
<strong>আসানসোল:</strong> শত্রুঘ্ন সিনহা</p>
<h3>পঞ্চায়েত ভোটে সহিংসতা ৭০০ বুথে আবার নির্বাচন আজ</h3>
<p style="text-align: justify;">রাত পোহালে সোমবার  ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৬৯৬ টি বুথে পুনঃনির্বাচন হবে। সকাল সাতটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। ভোট নেওয়া হবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ৮ জুলাই রাজ্যটির ২২টি জেলার মধ্যে ২০টি জেলায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত (গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ) ভোট হয়। বাকি দুই জেলা- দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত (গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতি) ভোট হয়। কিন্তু ওই নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা দেখা যায় অধিকাংশ জেলায়। ছাপ্পা ভোট, ভোট লুট, ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেওয়া, ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানো, মারধর, বোমা, গুলি চালানোর মতো ঘটনা ঘটে। কেবল ভোটের দিনই মৃত্যু হয় ভোট সহিংসতায় মৃত্যু হয় ১৫ জনের। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার রাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি ১৭৫ টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। এছাড়া মালদহে (১০৯), নদীয়া (৮৯), কোচবিহার (৫৩) উত্তর চব্বিশ পরগনা (৪৬), উত্তর দিনাজপুর (৪২), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩৬), পূর্ব মেদিনীপুর (৩১), হুগলি (২৯), দক্ষিণ দিনাজপুর (১৮), জলপাইগুড়ি (১৪), বীরভূম (১৪), পশ্চিম মেদিনীপুর (১০), বাঁকুড়া (৮), হাওড়া (৮), পশ্চিম বর্ধমান (৬), পুরুলিয়া (৪), পূর্ব বর্ধমান (৩), এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ১ টি মাত্র বুথে পুনরায়  ভোট নেওয়া হবে। প্রতিটি বুথে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চারজন জওয়ান।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, শেষবার ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনেকে ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা দেখেছিল রাজ্যবাসী। মৃত্যু হয়েছিল ২৩ জনের। এছাড়া ভোট লুট, ছাপ্পা ভোট, ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানোসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ওই বছর ৫৭৪টি বুথে পুনঃনির্বাচন নেওয়া হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু পাঁচ বছর আগের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে ভোট কেন্দ্রিক যে সহিংসতা কিংবা মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল তাকে ছাপিয়ে যায় এবার। চলতি বছরের গত ৮ জুন পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে গত এক মাস ধরে নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতায় সেই মৃত্যুর সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩২ এ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2357/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.tbsnews.net/bangla/sites/default/files/styles/big_3/public/images/2021/08/09/collagemaker_20210809_231236063.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ বাংলাদেশ প্রসঙ্গ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/253409/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Apr 2024 05:20:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=253409</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। দেশটিতে ভোটের আবহে ক্ষমতাসীন বিজেপি ও বিরোধী দল কংগ্রেসের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ স্থান পায়। কংগ্রেসকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দ্বীপ হস্তান্তর প্রশ্নে বিদ্ধ করতেই বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এরপর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও তার কোনও জবাব দেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিতর্কের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। দেশটিতে ভোটের আবহে ক্ষমতাসীন বিজেপি ও বিরোধী দল কংগ্রেসের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ স্থান পায়। কংগ্রেসকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দ্বীপ হস্তান্তর প্রশ্নে বিদ্ধ করতেই বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এরপর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও তার কোনও জবাব দেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিতর্কের অবসানও ঘটেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মোদী-কাড়গের বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে কচ্চতিভু দ্বীপ। ১৯৭৪ সালে ভূখণ্ডটি শ্রীলঙ্কাকে দিয়েছিল ভারত। সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী।</p>
<p style="text-align: justify;">এত বছর পর হঠাৎ কচ্চতিভু দ্বীপ প্রসঙ্গটি রাজনীতিতে টেনে আনেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী। তবে এর পেছনে রয়েছে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পটভূমি। তামিলনাড়ুতে দলের অবস্থান শক্ত করতে বিজেপি এই দ্বীপের হস্তান্তরকে বড় করে তুলে ধরে কংগ্রেসকে দেশদ্রোহী প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কচ্চতিভু দ্বীপ হস্তান্তর প্রসঙ্গে তথ্য জানার অধিকার আইনের (আরটিআই) একটি প্রতিবেদন নিয়ে বিজেপির তামিলনাড়ু নেতৃত্ব কংগ্রেসবিরোধী প্রচার শুরু করামাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিষয়টি হাতিয়ার করে নেন। গত রবিবার তিনি ‘এক্স’ হ্যান্ডলে ওই দ্বীপ শ্রীলঙ্কাকে দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মোদী লেখেন, “এই চমকপ্রদ আরটিআই রিপোর্ট আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। এ থেকে পরিষ্কার, কংগ্রেস কী নিষ্ঠুরভাবে কচ্চতিভু দ্বীপটি শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দিয়েছিল। দেশের সবাই এতে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তখনই বোঝা গিয়েছিল, কংগ্রেসকে বিশ্বাস করা যায় না। ৭৫ বছর ধরে ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতা এভাবেই তারা নষ্ট করেছে। এখনো করছে।”</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://twitter.com/kharge/status/1774355751722528951?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1774355751722528951%7Ctwgr%5E1e0a64178274fcfed8aec0210f2c7db0a4db03a7%7Ctwcon%5Es1_&amp;ref_url=https%3A%2F%2Ftimesofindia.indiatimes.com%2Findia%2Fdesperation-palpable-congress-hits-back-at-pm-modi-for-raking-up-katchatheevu-issue%2Farticleshow%2F108919978.cms" target="_blank" rel="noopener">এরপর রবিবার মোদীর অভিযোগের দীর্ঘ জবাব দেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। </a>সেখানে তিনি টেনে আনেন বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তির প্রসঙ্গ।</p>
<p style="text-align: justify;">খাড়গে তার পোস্টে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হঠাৎই আপনি দেশের অখণ্ডতা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। সেই উদ্বেগও ধরা পড়ল শাসনের দশম বছরে। সম্ভবত নির্বাচনের কারণেই। এতে আপনার অসহায়তা প্রকট হল।”</p>
<p style="text-align: justify;">স্থলসীমান্ত চুক্তি টেনে খাড়গে লিখেছেন, “১৯৭৪ সালে ইন্দিরা গান্ধী যে চুক্তি করেছিলেন তার প্রশংসা করে ২০১৫ সালে আপনিই বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি সম্পর্কে বলেছিলেন, এই চুক্তি শুধু জমির পুনর্বিন্যাস নয়, এতে দুই দেশের হৃদয়েরও মিলন ঘটেছে। সেই চুক্তি বাস্তবায়িত হয়েছিল আপনার সরকারের আমলে। বন্ধুত্বের প্রমাণ রেখে তাতে আপনার সরকার কিন্তু ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশকে দিয়েছিল, বিনিময়ে পেয়েছিল বাংলাদেশের ৫৫টি ছিটমহল।”</p>
<p style="text-align: justify;">খাড়গে আরও লিখেছেন, “ওই বছর, সেই ১৯৭৪ সালে আরও একটি বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছিল ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে, কচ্চতিভু দ্বীপ নিয়ে। তামিলনাড়ুর নির্বাচনের প্রাক্কালে এখন আপনি ওই স্পর্শকাতর বিষয়টির অবতারণা করছেন, অথচ আপনার সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্টে বলেছিলেন, চুক্তির মাধ্যমে কচ্চতিভু শ্রীলঙ্কার কাছে গেছে। সেটা ফিরিয়ে নিতে হলে যুদ্ধ করতে হবে। আপনার সরকার ওই দ্বীপ ফেরত নিতে কোনও উদ্যোগ কি নিয়েছিল?”</p>
<p style="text-align: justify;">খাড়গে বলেন, “গান্ধীজি, নেহরু, প্যাটেল, ইন্দিরা, রাজীবের মতো নেতা দেশের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতার জন্য জীবন দিয়েছেন। সর্দার প্যাটেল ৬০০ জন রাজার রাজত্বকে দেশের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন। অথচ কী বিপুল বৈপরীত্য দেখুন, গালওয়ান উপত্যকায় ২০ জন সেনা শহীদ হওয়ার পর আপনি চীনকে ক্লিনচিট দিলেন! চোখ খুলে দেওয়ার মতো কিছু থাকলে তা আপনারই দান। নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপের মতো বন্ধুদেশের সঙ্গে বৈরিতার মাত্রাও আপনি বাড়িয়ে দিয়েছেন। আপনার পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতার দরুন এই প্রথম রাশিয়া থেকে পাকিস্তানও অস্ত্র সম্ভার কিনল!”</p>
<p style="text-align: justify;">মোদীর উদ্দেশে খাড়গে তার পোস্টের শেষ দিকে বলেছেন, “দেশের এমন কোনও গ্রাম নেই, যেখানে রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা রক্ষায় কংগ্রেসিরা রক্ত ঝরায়নি। সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলা করে জীবন দিয়েছেন ইন্দিরা ও রাজীব গান্ধী। কংগ্রেস নিয়ে এই আচ্ছন্নতা দয়া করে বন্ধ করুন। নিজের ব্যর্থতার দিকে তাকান, যার জন্য দেশকে ভুগতে হচ্ছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খাড়গের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেন মোদী। তবে জবাব না দিলেও কচ্চতিভু বিতর্ক কিন্তু বিজেপি ছাড়েনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সংসদে এ নিয়ে বিতর্কের উল্লেখ করে বলেছেন, নেহরুর কাছে কচ্চতিভু দ্বীপ ছিল একটা ‘উপদ্রব’। ইন্দিরার সময় ওই দ্বীপের কাছে মাছ শিকারের অধিকার ভারত ছেড়ে দিয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোটের আবহে তামিল জেলেদের ধরা পড়াকে বিজেপি ইস্যু করে তুলতে চাইছে। সেজন্য দোষী করতে চাইছে কংগ্রেসকে। তামিলনাড়ুর রাজনীতিবিদ জয়শঙ্কর তাই বলেছেন, সমস্যাটি মোটেই মরে যায়নি। ভালোভাবে জিইয়ে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কংগ্রেসের তামিল রাজনীতিক সাবেক অর্থ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম সোমবার এ জন্য একহাত নিয়েছেন জয়শঙ্করকে।<a href="https://twitter.com/PChidambaram_IN/status/1774777899192647840?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1774777899192647840%7Ctwgr%5E007a7a3dbbf0bb49a6224f9f3ecc578a86074c02%7Ctwcon%5Es1_&amp;ref_url=https%3A%2F%2Fm.economictimes.com%2Fnews%2Findia%2Fwhy-are-they-doing-a-somersault-now-chidambaram-slams-jaishankar-over-katchatheevu-island-row%2Farticleshow%2F108948912.cms" target="_blank" rel="noopener"> তিনি এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন</a>, “এটা ঠিক, ভারতীয় জেলেরা ৫০ বছর ধরে আটক হচ্ছেন। তেমনই শ্রীলঙ্কার জেলেরাও ভারতের হাতে ধরা পড়ছেন। প্রতিটি সরকার এ নিয়ে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে কথা বলেছে। জেলেদের ছাড়িয়েছে। সেটা হয়েছে জয়শঙ্কর যখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ছিলেন, যখন পররাষ্ট্রসচিব ছিলেন এবং যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী—সব সময়েই।”</p>
<p style="text-align: justify;">এরপরই চিদাম্বরম প্রশ্ন করেছেন, “হঠাৎ কী এমন হল যে জয়শঙ্করকে কংগ্রেস ও ডিএমকে’র বিরুদ্ধে গলা তুলতে হচ্ছে? অটল বিহারি বাজপেয়ী যখন প্রধানমন্ত্রী কিংবা তামিলনাড়ুতে শরিকদের সঙ্গে মিলে বিজেপি শাসন করছিল, তখন কি ভারতীয় জেলেদের শ্রীলঙ্কা আটক করত না কিংবা ২০১৪ সালের পর নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর?”</p>
<p style="text-align: justify;">জয়শঙ্করের সমালোচনা করে চিদম্বরম আরও লিখেছেন, “মানুষ কত দ্রুত রং বদলাতে পারে, দেখছি। একজন নম্র কর্মকর্তা থেকে এক স্মার্ট পররাষ্ট্রসচিব থেকে আরএসএস-বিজেপির মুখপাত্র হয়ে গেছেন তিনি। ডিগবাজি খাওয়ার ইতিহাসে জয়শঙ্করের জীবন জ্বলজ্বল করবে।”</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/india/desperation-palpable-congress-hits-back-at-pm-modi-for-raking-up-katchatheevu-issue/articleshow/108919978.cms" target="_blank" rel="noopener">টাইমস অব ইন্ডিয়া</a>,<a href="https://economictimes.indiatimes.com/news/india/why-are-they-doing-a-somersault-now-chidambaram-slams-jaishankar-over-katchatheevu-island-row/articleshow/108948912.cms?from=mdr" target="_blank" rel="noopener"> দ্য ইকোনমিক টাইমস</a></strong></p>
<h3>বাংলাদেশের সাথে আদানির চুক্তি নিয়ে মোদীর ভূমিকা স্পষ্ট করার দাবি ভারতীয় এমপির</h3>
<p style="text-align: justify;">আলোচিত আদানি গ্রুপের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চুক্তির পেছনে ভারতের নরেন্দ্র মোদী সরকারের ভূমিকা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য জওহর সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://timesofindia.indiatimes.com/india/tmc-mp-asks-govt-to-clarify-if-it-pushed-for-adani-project-with-dhaka/articleshow/97988047.cms" target="_blank" rel="noopener">টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে</a>, এ জন্য গত বছরের ডিসেম্বর থেকে জওহর সরকার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরকে তিনটি চিঠি লিখেছেন। ওইসব চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ যাতে আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করে, সেজন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর নিজে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল কি না।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বশেষ গত ১৩ ফেব্রুয়ারির চিঠিতে তিনি লিখেছেন, আদানির সাথে ওই চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশে মানুষের মধ্যে ‘ক্ষোভ’ তৈরি হয়েছে। ‘অন্যায্য দামে’ আদানির বিদ্যুৎ বাংলাদেশের কাছে বিক্রির ওই চুক্তি বাংলাদেশে ভারতবিরোধী অসন্তোষ তৈরি করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">এস জয়শংকরকে লেখা চিঠিতে জওহর সরকার বলেছেন, “নথিপত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর প্রথম বাংলাদেশ সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে আদানির ওই প্রজেক্ট নিয়ে সমর্থন যুগিয়েছেন। এবং পরে আপনি নিজে এ বিষয়ে সক্রিয় ছিলেন।”</p>
<p style="text-align: justify;">১৩ ডিসেম্বর লেখা প্রথম চিঠিতে তৃণমূলের এই এমপি ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃত করে বলেছিলেন, ১.৭ বিলিয়ন ডলারে ১৬০০ মেগাওয়াটের ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশের সঙ্গে আদানির ১৬৩ পৃষ্ঠার যে ক্রয় চুক্তি হয়েছে, তার খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে, আদানির ওই প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশকে যদি বিদ্যুৎ নাও নিতে হয়, তারপরও ক্যাপাসিটি ও মেনটেইন্যান্স চার্জ বাবদ বছরে ৪৫৫ কোটি ডলার দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এখন বিদ্যুতের সর্বোচ্চ যে চাহিদা থাকে, তার ৪০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাংলাদেশেরই আছে। তারপরও ওই চুক্তি অনুযায়ী দেশীয় বাজারের পাইকারি দামের পাঁচ গুন বেশি দরে আদানির বিদ্যুৎ নিতে হবে বাংলাদেশকে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত সরকারকে সতর্ক করে তৃণমূলের এমপি জওহর সরকার বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আাদের সম্পর্ক খুবই স্পর্শকাতর। এ অবস্থায় এরকম বিরূপ প্রতিবেদন যদি আসে, তাহলে সেটা বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে অস্থিরতার কারণ ঘটাতে পারে।”</p>
<p style="text-align: justify;">ওয়াশিংটন পোস্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানির ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে কয়লা ব্যবহার করা হবে তা তাদের নিজস্ব উৎস থেকে আসবে নিজেদের জাহাজে করে। আদানির মালিকানাধীন বন্দরে সেই কয়লা খালাস করে আদানির নির্মিত রেলে করে তা বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়া হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎও সঞ্চালন করা হবে আদানির বানানো হাই-ভোল্টেজ লাইনে। চুক্তি অনুযায়ী, জ্বালানি পরিবহন ও সঞ্চালনের পুরো খরচ বাংলাদেশকে দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আদানি গ্রুপের সাথে ২০১৭ সালে করা ওই বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির শর্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদানির কোনও জবাব এখনও আসেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">টাইমস অব ইনডিয়া লিখেছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, ওই চুক্তি হয়েছে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং একটি বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে। সেখানে ভারত সরকারের কোনো অংশগ্রহণ নেই। সরকার বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বেশি মনোযোগী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/india/tmc-mp-asks-govt-to-clarify-if-it-pushed-for-adani-project-with-dhaka/articleshow/97988047.cms" target="_blank" rel="noopener">টাইমস অব ইন্ডিয়া</a></strong><a href="https://timesofindia.indiatimes.com/india/tmc-mp-asks-govt-to-clarify-if-it-pushed-for-adani-project-with-dhaka/articleshow/97988047.cms" target="_blank" rel="noopener"> </a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/04/02/110301_bangladesh_pratidin_Kharge_Modi.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতকে বিতাড়িত করে চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি মালদ্বীপের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/56312/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/56312/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Mar 2024 05:50:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেসিডেন্ট]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মালদ্বীপ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=56312</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের সঙ্গে বিরোধের মধ্যেই চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করল মালদ্বীপ। এতে করে চীন থেকে বিনামূল্যে সামরিক সহায়তা পাবে মালদ্বীপ। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ‘শক্তিশালী’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে বিনামূল্যে সামরিক সহায়তা প্রদানের জন্য চীন সোমবার মালদ্বীপের সাথে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু তার দেশ থেকে ভারতীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের সঙ্গে বিরোধের মধ্যেই চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করল মালদ্বীপ। এতে করে চীন থেকে বিনামূল্যে সামরিক সহায়তা পাবে মালদ্বীপ।</p>
<p style="text-align: justify;">গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ‘শক্তিশালী’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে বিনামূল্যে সামরিক সহায়তা প্রদানের জন্য চীন সোমবার মালদ্বীপের সাথে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু তার দেশ থেকে ভারতীয় সেনাদের প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণের কয়েক সপ্তাহ পরেই এই চুক্তি স্বাক্ষর হল।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ঘাসান মাউমুন দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করতে চীনের আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতা অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর মেজর জেনারেল ঝাং বাওকুনের সাথে দেখা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তার এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, পরে মাউমুন এবং মেজর জেনারেল বাওকুন মালদ্বীপে চীনের সামরিক সহায়তা প্রদানের বিষয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এটি উভয় দেশের শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অবশ্য চীন ও মালদ্বীপের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, চীন মালদ্বীপকে ১২টি পরিবেশ-বান্ধব অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিয়েছে বলে এডিশন.এমভি নিউজ পোর্টাল সোমবার জানিয়েছে। রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মালদ্বীপে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ওয়াং লিক্সিন মালদ্বীপকে অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেওয়ার চিঠিটি উপস্থাপন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সৈন্যদের প্রত্যাহারে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর চীনে পাঁচদিনের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফেরার পরপরই ভারতীয় সৈন্যদের প্রত্যাহারে ওই আল্টিমেটাম দেন তিনি। পরে এই আল্টিমেটাম অবশ্য মে মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.indiatoday.in/world/story/china-maldives-sign-new-military-agreements-amid-strained-relations-with-india-2510591-2024-03-05" target="_blank" rel="noopener">ইন্ডিয়া টুডে</a>, <a href="https://www.ndtv.com/world-news/maldives-to-get-free-military-assistance-from-china-amid-row-with-india-5176362" target="_blank" rel="noopener">এনডিটিভি</a></strong></p>
<h3>সিদ্ধান্তে অটল মুইজ্জু, ভারতীয় সেনাদের মালদ্বীপ ছাড়তেই হচ্ছে</h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় সেনাদের মালদ্বীপ ছাড়তেই হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চূড়ান্ত সময়সীমা জানিয়ে দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনারা আগামী ১০ মের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্বীপ দেশ ছেড়ে যাবে। এ বিষয়ে দিল্লি ও মালে একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজের ভারত-বিরোধী অবস্থানে অটল থেকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজু আজ পার্লামেন্টে বলেছেন, মালদ্বীপ ‘কোনও দেশকে আমাদের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ বা তা ক্ষুণ্ন করতে’ অনুমতি দেবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, ভারতীয় সৈন্যরা আগামী ১০ মে’র মধ্যে মালদ্বীপ ত্যাগ করবে এবং এ বিষয়ে নয়াদিল্লি ও মালে একমত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এনডিটিভি বলছে, সোমবার দেশের পার্লামেন্টে ভাষণ দেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহম্মদ মুইজ্জু। বিরোধী দলগুলোর যারা মুইজ্জুর ভারত-বিরোধী অবস্থানের সমালোচনা করে থাকে তারা এ দিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য বয়কট করে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংসদ সদস্যদের সামনে দেওয়া ভাষণে এদিন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু জানান, মালদ্বীপে তিনটি বিমান চলাচল প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। তার মধ্যে একটি থেকে আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করা হবে। আর আগামী মে মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাকি দুটি প্ল্যাটফর্ম থেকেও ভারতীয় সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু আরও বলেন, “মালদ্বীপ ভারতের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করবে না। আমরা অন্য কোনও দেশকে আমাদের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ বা এটাকে খাটো করতে দেব না।”</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর গত মাসে প্রথম চীন সফর শেষে দেশে ফেরার পর মালদ্বীপকে দেওয়া সামরিক সরঞ্জাম এবং ওই অঞ্চলে মানবিক কার্যক্রমে সহায়তা করার কাজে নিয়োজিত ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহারে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছিলেন মুইজ্জু।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ দেশটিতে বর্তমানে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ৭৭ জন সদস্য রয়েছে। সৈন্যদের পাশাপাশি ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর ১২ জন মেডিকেল কর্মকর্তাও মালদ্বীপে মোতায়েন রয়েছে। দেশটির প্রত্যন্ত দ্বীপের বাসিন্দাদের মানবিক এবং চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার জন্য সৈন্যরা দেশটিতে অবস্থান করছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র:<a href="https://www.ndtv.com/world-news/maldives-mohamed-muizzu-maldives-president-says-indian-troops-to-leave-island-nation-by-may-4996570" target="_blank" rel="noopener"> এনডিটিভি</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/56312/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/02/05/132744_bangladesh_pratidin_Muizzu.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মালদ্বীপের কাছে লাক্ষাদ্বীপে সামরিক ঘাঁটি করছে ভারত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/13040/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/13040/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 04 Mar 2024 04:50:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মালদ্বীপ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=13040</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের নৌবাহিনী মালদ্বীপের কাছাকাছি কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লাক্ষাদ্বীপে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করার কথা জানিয়েছে। দেশটির রাজধানী মালে থেকে ভারতীয় সেনাদের ফেরত পাঠানো শুরুর আগেই ওই নতুন ঘাঁটির কার্যক্রম শুরু হবে। মালদ্বীপের চীনপন্থি প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু গত বছর ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ফেরত পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে মালদ্বীপের ক্ষমতায় আসেন। এর পর থেকেই ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরেছে। মালদ্বীপে চীনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের নৌবাহিনী মালদ্বীপের কাছাকাছি কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লাক্ষাদ্বীপে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করার কথা জানিয়েছে। দেশটির রাজধানী মালে থেকে ভারতীয় সেনাদের ফেরত পাঠানো শুরুর আগেই ওই নতুন ঘাঁটির কার্যক্রম শুরু হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপের চীনপন্থি প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু গত বছর ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ফেরত পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে মালদ্বীপের ক্ষমতায় আসেন। এর পর থেকেই ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মালদ্বীপে চীনের উপস্থিতি বেড়ে যাওয়া নিয়ে ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। গত শনিবার ভারতের নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, মালদ্বীপের কাছে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করা হলে তা ওই এলাকায় নয়াদিল্লির নজরদারি কার্যক্রম বিস্তৃত করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু মালদ্বীপে থাকা ৮৯ জন ভারতীয় সেনাকে সরিয়ে নিতে অনুরোধ করেছেন। এর মধ্যে প্রথম দফায় ১০ মার্চ কিছু সেনা মালদ্বীপ ছাড়বেন। বাকি সেনাদের দুই মাসের মধ্যে মালে ছাড়তে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের লাক্ষাদ্বীপে নতুন ঘাঁটি আগামী ৬ মার্চ চালু হবে বলে ভারতীয় নৌবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/13040/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/04/091439_bangladesh_pratidin_life.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা আরও সহজ হওয়া উচিত: শ্রিংলা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/15395/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/15395/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Feb 2024 04:00:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আফগানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=15395</guid>

					<description><![CDATA[ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা সহজ করার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব, দেশটির ২০২৩ সালের জি২০ বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সাবেক হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। তিনি বলেন, “আমি যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম, তখন ৫ লাখ ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এরপর কিছু সরলীকরণ করা হয়। সে ক্ষেত্রে ভিসার সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ থেকে ১৫ লাখ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা সহজ করার ওপর জোর দিয়েছেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব, দেশটির ২০২৩ সালের জি২০ বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সাবেক হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “আমি যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম, তখন ৫ লাখ ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এরপর কিছু সরলীকরণ করা হয়। সে ক্ষেত্রে ভিসার সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ থেকে ১৫ লাখ করা হয়েছিল। এখন সেটা ২০ লাখে রয়েছে। আমার মনে হয় ভিসা সহজলভ্য হওয়া উচিত, যাতে পর্যটকদের কোনও রকম হয়রানির শিকার না হতে হয়। ভিসা পেতে বিলম্ব না হয়। বাংলাদেশের জন্য ভিসা বাড়ানোর জন্য প্রয়াস চলছে এবং তা হলে মানুষে মানুষে সংযোগ বৃদ্ধি পাবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার কলকাতার নিউটাউনের একটি হোটেলে ‘ইন্দো বাংলা ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন’ (আইবিএফএ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘ভারত বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন শ্রিংলা।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “দুটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক থাকতে পারে তার রোল মডেল হল ভারত-বাংলাদেশ। কাজেই ভারত-বাংলাদেশের যে সম্পর্ক আজ রয়েছে এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের সম্পর্ক যেভাবে মজবুত করেছেন এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। আমরা এই সম্পর্ক আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/15395/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/02/24/100331_bangladesh_pratidin_harshavardan_shringla.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাশিয়ার জ্বালানি তেল নিচ্ছে আমেরিকা!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/80564/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/80564/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Feb 2024 05:51:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=80564</guid>

					<description><![CDATA[গত ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ নামে আগ্রাসন শুরু করে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। এর জেরে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা দিলেও সেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই যাচ্ছে রাশিয়ার তেল। এক্ষেত্রে সরাসরি রাশিয়া থেকে তেল কিনছে না [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">গত ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ নামে আগ্রাসন শুরু করে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। এর জেরে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা দিলেও সেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই যাচ্ছে রাশিয়ার তেল।</p>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে সরাসরি রাশিয়া থেকে তেল কিনছে না আমেরিকা। রাশিয়া থেকে কেনা অপরিশোধিত তেল শোধন করে তা যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করছে ভারত। এই তেল আনা হচ্ছে ‘ছায়া ট্যাংকার’ বহর ব্যবহার করে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হয়ে ওঠে ভারত। জানা গেছে, শুধু গত বছরই রাশিয়ার কাছ থেকে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অপরিশোধিত তেল কিনেছে ভারত। এরপর দেশে এনে পরিশোধন করার পর ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের তেল আমেরিকায় রফতানি করেছে নয়াদিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিনল্যান্ডভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্স অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) তথ্য বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধের আগে রাশিয়া থেকে ভারত যে পরিমাণ তেল কিনত, যুদ্ধ শুরুর পর দেশটি থেকে ভারতের তেল কেনা ১৩ গুণ বেড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিআরইএর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে রাশিয়ার তেল পরিশোধন করে করে ভারত যে জ্বালানি পণ্য তৈরি করেছে, তার বড় ক্রেতা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে ১৩০ কোটি ডলারের জ্বালানি পণ্য আমদানি করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমা দেশগুলোর যে জোট রাশিয়ার তেলের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল, সেসব দেশেরও রাশিয়ার তেল থেকে তৈরি জ্বালানি পণ্য আমদানি বেড়েছে। সিআরইএর হিসাবে, ২০২৩ সালে জোটে থাকা অন্য দেশগুলোও ৯১০ কোটি ডলার মূল্যের এসব জ্বালানি পণ্য আমদানি করেছে। আগের বছরের চেয়ে যা ছিল ৪৪ শতাংশ বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">রাশিয়ার তেল কেনার ওপর পশ্চিমারা যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তার আওয়তায় পড়ে না ভারত। তবে জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় না থাকলেও ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানির ক্ষেত্রে তথাকথিত ছায়া ট্যাংকার বহর ব্যবহার করেছে। কার কাছে তেল–বাণিজ্য হচ্ছে ও কীভাবে তেল পাঠানো হচ্ছে, সেটা গোপন রাখতে এই ছায়া ট্যাংকার বহর তৈরি করেছে রাশিয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">এ মাসের শুরুতে গ্রিসের গিথিও বন্দরে রাশিয়ার ছায়া ট্যাংকার বহরের দুটি ট্যাংকার দেখা গেছে। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার ছিল অনেক বড় ও অন্যটি তুলনামূলক ছোট। তেলবাহী ট্যাংকার দুটি গ্রিসের বন্দরে নোঙর করা ছিল। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, এসব ট্যাংকারে থাকা তেল অন্য ট্যাংকারে স্থানান্তরের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল গ্রিসের ওই বন্দরকে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান পোল স্টার গ্লোবাল। তাদের দেওয়া তথ্য বলছে, গ্রিসের বন্দরে নোঙর করে রাখা ওই দুটি ট্যাংকার এক সপ্তাহ আগে রাশিয়া থেকে তেল নিয়ে রওনা করে। ট্যাংকার দুটির মধ্যে একটি ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। এই ট্যাংকারের নামে এর আগে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ ছিল। অন্য ট্যাংকারটিও যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক একটি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">পোল স্টার গ্লোবালের ডেভিড তান্নেনবাউম বলেন, মাঝেমধ্যে আইনসিদ্ধ উপায়েই তেল এক ট্যাংকার থেকে অন্য ট্যাংকারে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর লক্ষ্যে এ ক্ষেত্রে অবৈধ একটি কৌশল অবলম্বন করা হয়। কারণ, এটা একধরনের খেলা। এ খেলা হয় যাতে এসব তেল কোথা থেকে এসেছে আর কারাই–বা কিনেছে, এ নিয়ে কর্তৃপক্ষ একটা ধন্দের মধ্যে পড়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্লেষকদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে গ্রিসের বন্দরে এমন ডজন ডজন ট্যাংকারে তেল স্থানান্তরের ঘটনা ঘটছে। গ্রিসের বন্দরে ট্যাংকার বদল হওয়ার পর সেই তেলবাহী ট্যাংকার সুয়েজ খাল হয়ে এশিয়ার দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে রাশিয়ার তেল রফতানিতে সাহায্য করছে সন্দেহভাজন এমন ট্যাংকার ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ মাসের শুরুতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন করে কিছু নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাশিয়ার কথিত এই ‘ছায়া বহর’ অচল করার লক্ষ্যে নতুন করে এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আরও কিছু পশ্চিমা দেশ একজোট হয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার তেলের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা বেঁধে দেয়। জোটের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল ৬০ মার্কিন ডলারের বেশি দামে রাশিয়ার তেল কেনা যাবে না। এর চেয়ে বেশি দামে রাশিয়া যাতে তেল বিক্রি করতে না পারে, তা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখার জন্য জোটভুক্ত দেশগুলো তাদের দেশীয় কোম্পানি ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলজিয়ামভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কেপলারের অপরিশোধিত তেলবিষয়ক গবেষণা শাখার প্রধান ভিক্টোরা কাতোনা বলেন, রাশিয়ার তেলের মূল্যসীমা বেঁধে দেওয়ার কারণেই মূলত ছায়া বহর তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। সরবরাহব্যবস্থা দীর্ঘ করতে এক ট্যাংকার থেকে আরেক ট্যাংকারে তেল স্থানান্তরও করা হচ্ছে। কারণ, এটা করলে রাশিয়ার প্রতি ব্যারেল তেলের প্রকৃত মূল্য কত সেটি নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ভারত ও রাশিয়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে তেল–বাণিজ্য করেছে সরাসরি ও প্রকাশ্যে। উইন্ডওয়ার্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, গত বছর তেল নিয়ে সরাসরি রাশিয়া থেকে ভারতে গেছে ৫৮৮টি ট্যাংকার।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে পোল স্টার গ্লোবালের তথ্যানুযায়ী, গত বছর রাশিয়া থেকে তেল নিয়ে গ্রিসের উপকূলে ট্যাংকার বদল করার দুই শতাধিক ঘটনা শনাক্ত করেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব ট্যাংকারের গন্তব্য ছিল ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://edition.cnn.com/2024/02/19/europe/russia-oil-india-shadow-fleet-cmd-intl/index.html#:~:text=The%20analysis%20by%20the%20CREA,available%20shipping%20and%20energy%20data." target="_blank" rel="noopener">সিএনএন</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/80564/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/02/22/104018_bangladesh_pratidin_Russia.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিজিবি সদস্যের মরদেহ হস্তান্তর করল বিএসএফ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/23899/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/23899/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 24 Jan 2024 03:00:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএসএফ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=23899</guid>

					<description><![CDATA[বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোহাম্মদ রইশুদ্দীনের মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে গরু চোরাকারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন ওই বিজিবি সদস্য। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের শার্শা শিকারপো সীমান্তে বিজিবি’র ৪৯ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জামিলের কাছে মোহাম্মদ রইশুদ্দীনের মরদেহটি হস্তান্তর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোহাম্মদ রইশুদ্দীনের মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে গরু চোরাকারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন ওই বিজিবি সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের শার্শা শিকারপো সীমান্তে বিজিবি’র ৪৯ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জামিলের কাছে মোহাম্মদ রইশুদ্দীনের মরদেহটি হস্তান্তর করে বিএসএফ।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে বেনাপোলের ধান্যখোলা সীমান্তে গরু চোরাকারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি’র ওই সিপাহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পতাকা বৈঠকের পর বিজিবি কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রতিবাদলিপি পাঠায়। একইসঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তও দাবি জানায় বিজিবি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজিবির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটেলিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্টসংলগ্ন এলাকায় একদল গরু চোরাকারবারীকে ভারত থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখলে দায়িত্বরত বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারিরা দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইশুদ্দীন চোরাকারবারিদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি জানার পরই ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জামিল। তিনি জানান, এরপর জানা যায় যে ভারতীয় ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিপাহী রইশুদ্দীনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/23899/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/media_cache/2024/01/BGB-BSF-24.01.2024-800x420.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারতের কর্নাটক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/16683/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/16683/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 Dec 2023 05:00:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=16683</guid>

					<description><![CDATA[হিজাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিল ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্নাটক। শুক্রবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারমাইয়াহ এই ঘোষণা দেন। এর আগে বিজেপি সরকারের আমলে কর্ণাটকে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। শুক্রবার রাজ্যের মাইসোর শহরে এক জনসভায় কংগ্রেস কর্ণাটক রাজ্য শাখার শীর্ষ নেতা সিদ্দারমাইয়াহ বলেন, “হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আর নেই। নারীরা তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">হিজাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিল ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্নাটক। শুক্রবার রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারমাইয়াহ এই ঘোষণা দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে বিজেপি সরকারের আমলে কর্ণাটকে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার রাজ্যের মাইসোর শহরে এক জনসভায় কংগ্রেস কর্ণাটক রাজ্য শাখার শীর্ষ নেতা সিদ্দারমাইয়াহ বলেন, “হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আর নেই। নারীরা তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো পোশাক পরতে পারবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, ভারতের বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে মাছ-মাংস ব্যবসায়ী এবং যেসব হোটেল আমিষ খাবার প্রস্তুত করে— তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব নির্বাচিত হওয়ার পরদিনই রাজ্যে প্রকাশ্যে মাছ-মাংস-ডিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নিজ বক্তব্যে সেদিকে ইঙ্গিত করে সিদ্দারমাইয়াহ বলেন, “আপনাদের যা পরতে ইচ্ছে করে, পরবেন; যা খেতে ইচ্ছে করে— খাবেন। আমি যেমন আমার যা ইচ্ছে খাই, আপনারাও তা ই করবেন। আমি ধুতি পরি, অন্যকেউ প্যান্টশার্ট পরে— এখানে সমস্যা কোথায়?”</p>
<p style="text-align: justify;">২০২২ সালে বিজেপির কর্নাটক রাজ্য শাখার শীর্ষ নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুসলিম নারী শিক্ষার্থীদের হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল রাজ্যে এবং বহু মুসলিম অভিভাবক নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কর্ণাটক হাইকোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছিলেন; কিন্তু উচ্চ আদালত রাজ্য সরকারের রায় বহাল রাখেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে অভিভাবকরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন, কিন্তু শীর্ষ আদালতও এ ইস্যুতে বিভক্ত রায় প্রদান করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত জুনে কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে কংগ্রেস। নির্বাচনে জয়ের পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কর্নাটকের বর্তমান রাজ্য সরকারের মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বলেছিলেন, গত বিজেপি সরকারের আমলে রাজ্যে যত নিপীড়নমূলক আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল, সব একে একে বাতিল করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://indianexpress.com/article/india/karnataka-to-withdraw-hijab-ban-order-announces-cm-siddaramaiah-9079434/" target="_blank" rel="noopener">ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস</a>, <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/india/no-more-hijab-ban-in-karnataka-announces-chief-minister-siddaramaiah/articleshow/106218721.cms?from=mdr" target="_blank" rel="noopener">টাইমস অব ইন্ডিয়া</a>, <a href="https://www.ndtv.com/india-news/karnataka-to-withdraw-hijab-ban-announces-chief-minister-siddaramaiah-4723917" target="_blank" rel="noopener">এনডিটিভি</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/16683/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অসহযোগ আন্দোলনের ডাক বিএনপির</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/360235/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 20 Dec 2023 08:27:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=360235</guid>

					<description><![CDATA[নির্বাচন বাতিল এবং সরকার পতনের একদফা দাবিতে সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিএনপি। বুধবার দুপুরে এক ভার্চুয়ালি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রুহুল কবির রিজভী এ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের আদালতে হাজিরা দিতে নিষেধ করাসহ বিদ্যুৎ বিল, ট্যাক্স না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। এর আগে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নির্বাচন বাতিল এবং সরকার পতনের একদফা দাবিতে সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিএনপি। বুধবার দুপুরে এক ভার্চুয়ালি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।</p>
<p style="text-align: justify;">রুহুল কবির রিজভী এ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের আদালতে হাজিরা দিতে নিষেধ করাসহ বিদ্যুৎ বিল, ট্যাক্স না দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, দুপুর ১২টার সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফেসবুক লাইভে এসে অসহযোগ আন্দোলন সফল করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">‘অবৈধ আওয়ামী সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনর্বহালের একদফা দাবিতে, নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আগামী- ২১ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার), ২২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ও ২৩ ডিসেম্বর (শনিবার) গণসংযোগ এবং একই দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর রোববার সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভারতে সিএএ আইন চালু হবেই</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/149894/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/149894/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Nov 2023 04:25:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=149894</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হবেই। এটা কেউ ঠেকাতে পারবে না। এ আইন দেশে বলবৎ করবই করব। আগামী বছরের গোড়ায় ভারতে সংসদ নির্বাচন। আর সে নির্বাচনের আগে ফের অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। গতকাল কলকাতায় বিজেপির সমাবেশে বক্তৃতাকালে অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশ পশ্চিমবঙ্গে চরম সীমায় পৌঁছে গেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হবেই। এটা কেউ ঠেকাতে পারবে না। এ আইন দেশে বলবৎ করবই করব। আগামী বছরের গোড়ায় ভারতে সংসদ নির্বাচন।</p>
<p style="text-align: justify;">আর সে নির্বাচনের আগে ফের অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। গতকাল কলকাতায় বিজেপির সমাবেশে বক্তৃতাকালে অমিত শাহ বলেন, অনুপ্রবেশ পশ্চিমবঙ্গে চরম সীমায় পৌঁছে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আসাম রাজ্যে মানুষ বিজেপি সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে, এতে অনুপ্রবেশ কমে গেছে ওই রাজ্যে। এমনকি একটা পাখি পর্যন্ত ঢুকতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">অথচ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশকারী ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড দরকার হলে এই নম্বরে যোগাযোগ করুন। রাজ্যের পুলিশ একেবারে চুপ। অমিত শাহ শ্রোতাদের প্রশ্ন করেন, যে রাজ্যে এত অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে, সেখানে কখনো উন্নয়ন হতে পারে? আর এ কারণেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)’ চালু করতে দিচ্ছেন না। কিন্তু আমি পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই- মমতা দিদি, সিএএ দেশের একটা আইন। এটা কেউ ঠেকাতে পারবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">অমিত শাহ বলেন, গোটা দেশে গরিব কম হচ্ছে, কিন্তু বাংলা থেকে দারিদ্র্য ঘোচার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। যে বাংলা একসময় সাহিত্য, সংস্কৃতি, কলা, স্বাধীনতা আন্দোলন, উদ্যোগপতি তৈরি হতো, সব ক্ষেত্রেই গোটা দেশকে নেতৃত্ব দিত সেই বাংলা এখন সবচেয়ে পিছে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতার তৃণমূল সরকারই এ বাংলাকে বরবাদ করে দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অমিত শাহ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে ফের ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/149894/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/272799/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Oct 2023 04:58:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বকাপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=272799</guid>

					<description><![CDATA[অবসান ঘটেছে সব জল্পনা-কল্পনার। অপেক্ষার পালাও শেষ। ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আয়োজন আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩-এর পর্দা উঠছে অবশেষে। গত আসরের দুই ফাইনালিস্ট চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড ও রানার-আপ নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়েই ভারতে মাঠে গড়াচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম এই আসর। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ শুরু হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। ভারতের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অবসান ঘটেছে সব জল্পনা-কল্পনার। অপেক্ষার পালাও শেষ। ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আয়োজন <a href="https://facebook.com/baYjid.info" target="_blank" rel="noopener noreferrer">আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৩</a>-এর পর্দা উঠছে অবশেষে। গত আসরের দুই ফাইনালিস্ট চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড ও রানার-আপ নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ দিয়েই ভারতে মাঠে গড়াচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম এই আসর।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ শুরু হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। ভারতের ১০টি ভেন্যুতে প্রায় দেড় মাস ধরে চলবে ওয়ানডে ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞ। ১৯ নভেম্বর ফাইনাল দিয়ে নামবে পর্দা।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">১০ দল, লিগ পদ্ধতিতে খেলা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ওয়ানডে বিশ্বকাপের এবারের আসরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১০টি দল। ২০২১ সাল থেকে শুরু করে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত ওয়ানডে সুপার লিগের শীর্ষ আটটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করে। পরে বাছাই পর্ব খেলে মূল আসরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে আরও আটটি দল।</p>
<p style="text-align: justify;">এবারের আসরের দলগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডস। এদের মধ্যে শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডসকে বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসতে হয়েছে মূল বিশ্বকাপে। বাছাই পর্বের বাধা উৎরাতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ের মতো দল। ফলে এবারই প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ছাড়া হতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বিশ্বকাপের দলগুলো খেলবে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে। অর্থাৎ ১০টি দলের প্রতিটি দলই একে অন্যের মুখোমুখি হবে গ্রুপ পর্বে। সে হিসাবে একেকটি দলকে বাধ্যতামূলকভাবে খেলতে হবে ৯টি করে ম্যাচ। গ্রুপ পর্ব শেষ করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চারটি দল উত্তীর্ণ হবে সেমিফাইনালে। দুই সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ দল মুখোমুখি হবে ১৯ নভেম্বরের ফাইনালে।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">বিশ্বকাপের আগে টালমাটাল টাইগার শিবির</span></h3>
<p style="text-align: justify;">এবারের বিশ্বকাপ ঘিরে টাইগারভক্তরা বেশ আশায় বুক বাঁধছিলেন। সুপার লিগে ভালো করায় সেই আশার পালে হাওয়া লাগে। কিন্তু বিশ্বকাপের ঠিক আগে আগে এসে সেই হাওয়া পরিণত হয় ঝোড়ো হাওয়ায়। ওয়ানডে ক্যাপ্টেন তামিম ইকবাল অবসর নেন, একদিনের মাথায় অবসর ভেঙে ফিরেও আসেন। তবে ক্যাপ্টেন্সি ছেড়ে দেন। তামিম দলে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াডে তার জায়গা হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">তামিম ক্যাপ্টেন্সি ছেড়ে দেওয়ার পর লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্তরা সময়ে সময়ে অধিনায়কত্ব করেছে। তবে বিশ্বকাপের মতো গ্র্যান্ড আসর বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের কাঁধেই দেওয়া হয় এর গুরুভার। এ নিয়ে একসময় ধারণা ছড়িয়ে পড়ে, সাকিব আর তামিমের দ্বন্দ্বের জের ধরেই হয়তো তামিমের জায়গা হয়নি বিশ্বকাপে। এ ঘটনা নিয়ে তামিমের ভিডিওবার্তার পর টিভি চ্যানেলে সাকিবের দুই পর্বের ইন্টারভিউ টানা কয়েকদিন ধরেই ছিল টক অব দ্য কান্ট্রি।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে তামিমের জায়গা না হলেও আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ জায়গা পেয়েছেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। এর বাইরে অভিজ্ঞদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত রয়েছেন স্কোয়াডে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরিচিত হয়ে ওঠা তাওহীদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ, শেখ মাহেদিও রয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন নবাগত তানজিদ হাসান তামিম আর তানজিম হাসান সাকিব।</p>
<p style="text-align: justify;">সুপার লিগে ভালো করলেও সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে টাইগারদের পারফরম্যান্স খুব একটা আশা জাগানিয়া নয়। সর্বশেষ এশিয়া কাপের শেষ ম্যাচটি ভারতের সঙ্গে জিতলেও গোটা টুর্নামেন্ট কেটেছে বাজে। এরপর দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তিন ম্যাচের একটি বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও বাকি দুটিতে হারতে হয়েছে বড় ব্যবধানে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশেষ করে ব্যাটিং ইউনিটের ভালো করার নজির খুব কমই দেখা গেছে গত এক বছরে। ওপেনিং জুটি ভুগছে বরাবরই। টপ-মিডল অর্ডারে শান্তই কেবল ধারাবাহিকভাবে রান পেয়েছেন। সাকিব, মুশফিক থেকে শুরু করে তরুণ তাওহীদ হৃদয়ও খুব ধারাবাহিক ছিলেন না। লোয়ার অর্ডার আর টেলএন্ডারদের পারফরম্যান্সও তথৈবচ। এর মধ্যে অবশ্য আশা জাগানিয়া ছিলেন মিরাজ, যিনি ৭/৮ নম্বর থেকে শুরু করে ওপেনিংয়ে নেমেও ভালো করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">টাইগার দলের বোলিং ইউনিট অবশ্য যথেষ্ট ভালো পারফর্ম করেছে। বিশেষ করে পেস ইউনিটের তেজ বেড়েছে বহু গুণ। ইনজুরির কারণে এবাদত হোসেনকে মিস করলেও স্কোয়াডে রয়েছেন পাঁচ পেসার। মুস্তাফিজ আর তাসকিনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যোগ হয়েছে শরিফুল আর হাসানের তারুণ্যদীপ্ত গতি আর আগ্রাসন। একদম আনকোরা হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তানজিম সাকিব। পরীক্ষিত স্পিন ইউনিট তো রয়েছেই।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সাবেক ক্রিকেটাররা বলছেন, বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে ব্যাট-বল দুই ইউনিটকেই একসঙ্গে জ্বলে উঠতে হবে। গত বছরখানেক ধরে দলের যে পারফরম্যান্স, তা অব্যাহত থাকলে এবারের বিশ্বকাপেও হতাশ হয়ে ফিরতে হবে। ভারতের ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকেট বিশ্লেষক আকাশ চোপড়া তো বলেই দিয়েছেন, বাংলাদেশ দুয়েকটি অঘটন ঘটানোর সামর্থ্য রাখলেও সেমিফাইনালে যাওয়ার মতো দল নয়। বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে রাখেননি অন্য কেউও।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">চ্যাম্পিয়নের সন্ধানে</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ছয়টি দল। প্রথম দুটি বিশ্বকাপই যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘরে। এরপর তৃতীয় বিশ্বকাপের পাশাপাশি ২০১১ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ১৯৯২ সালে পাকিস্তান আর ১৯৯৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল শ্রীলংকা।</p>
<p style="text-align: justify;">এর বাইরে ১৯৮৭ বিশ্বকাপ, ১৯৯৯ বিশ্বকাপ থেকে ২০০৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা তিন আসর এবং এক আসর বিরতি দিয়ে ফের ২০১৫ সালের বিশ্বকাপসহ মোট পাঁচটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। আর গত আসরের ফাইনাল জিতে প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এই খেলারই জনক ইংল্যান্ড।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালের ফাইনাল ম্যাচটি নানা দিক থেকেই আলাদা। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে মহাকাব্যিক সেই ফাইনাল ম্যাচে ৫০ ওভারের খেলা হয় টাই। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। তবে মীসাংসা হয়নি সেখানেও। সুপার ওভারেও দুই দলের রান হয় সমান। শেষ পর্যন্ত বাইলজ অনুযায়ী বাউন্ডারি হাঁকানোর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ইংল্যান্ডকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এবারও বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার ইংল্যান্ড। গত আসরের রানার-আপ নিউজিল্যান্ড টিমও ব্যাটিং-বোলিংয়ে পিছিয়ে নেই। স্বাগতিক ভারতের কথা বলাই বাহুল্য। সাবেক ক্রিকেটারদের বড় একটি অংশই ভারতের হাতে এবার শিরোপা দেখছেন। শিরোপার দৌড়ে শক্তভাবে রয়েছে অস্ট্রেলিায়াও। চিরকালের আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তানকেও কেউ হেলাফেলা করছেন না। দক্ষিণ আফ্রিকাকেও কেউ কেউ সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে দেখছেন। বাকি দলগুলোকে শিরোপার দৌড়ে খুব বেশি একটা দেখছেন না ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">১৯৮৩ সালের পর প্রথম এক দেশে বিশ্বকাপ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">১৯৮৩ সালের পর এই প্রথম এককভাবে কোনো দেশ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক। ১৯৭৫, ১৯৭৯ ও ১৯৮৩ সালে টানা তিন আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপের একক আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। এরপর ১৯৮৭ সালে চলে ইংল্যান্ডের বাইরে প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন হয় ভারত ও পাকিস্তানে যৌথভাবে। ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপ। ১৯৯৬ সালে আবারও বিশ্বকাপ ফেরে উপমহাদেশে। ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ আয়োজক ছিল শ্রীলংকা।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ ফেরে ইউরোপে। অবশ্য সেবার ইংলিশরা এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারেনি। ইংল্যান্ডের সঙ্গে আয়োজকের তালিকায় ছিল স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া— এই তিন দেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপের সপ্তম আসর।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্বকাপের ২০০৭ সালের অষ্টম আসর চলে যায় উত্তর আমেরিকায়— ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে। ২০১১ সালে আবারও ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফেরে উপমহাদেশে। এবার ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশও। তবে শেষ মুহূর্তে জঙ্গি হামলার কারণে আয়োজক দেশ থেকে পাকিস্তান বাদ পড়লে ওই আসরের আয়োজক ছিল তিন দেশ— ভারত, শ্রীলংকার সঙ্গে বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">উপমহাদেশ ঘুরে ২০১৫ সালে বিশ্বকাপের আয়োজক হয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ২০১৯ সালে বিশ্বকাপের সর্বশেষ দ্বাদশ আসর বসে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে। এবারে ভারত একাই আয়োজন করেছে ওয়ানডে ক্রিকেটের বিশ্বকাপ।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">প্রসঙ্গ ভারত-পাকিস্তান বিরোধ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">১৯৮৩ সালের পর এবারই প্রথম এককভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে ভারত। এই ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়েও কম জল ঘোলা হয়নি। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তান জানায়, ভারত বিশ্বকাপে খেলতে যাবে না তারা!</p>
<p style="text-align: justify;">পাকিস্তানের ওই বক্তব্য অবশ্য নিঃশর্ত ছিল না। একটি শর্তও তারা জুড়ে দিয়েছিল তারা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানায়, ভারত এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে গেলে তবেই তারা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">দফায় দফায় বৈঠক করে শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যায়নি ভারত। তবে ভারতে বিশ্বকাপ ঠিকই অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান।</p>
<p style="text-align: justify;">মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারতে বিশ্বকাপ চলাকালে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে অনেক ম্যাচেই। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচও বেশ কয়েকটি বৃষ্টিতে বিঘ্নিত হয়েছে, কয়েকটি ম্যাচ ভেসেও গেছে। বৃষ্টি-বাধা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ১০ দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জমে উঠবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসর— প্রত্যাশা এমনটিই।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/media_cache/2023/10/ODI-WC-2023-750x563.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জিম্বাবুয়েতে প্লেন বিধ্বস্ত ভারতীয় ধনকুবের নিহত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/13712/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/13712/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 03 Oct 2023 06:20:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=13712</guid>

					<description><![CDATA[জিম্বাবুয়েতে প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ছেলেসহ এক ভারতীয় ধনকুবের নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- হরপাল রণধাওয়া ও তার ছেলে আমের রণধাওয়া। জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনায় প্লেনে থাকা ছয় আরোহীর সবাই নিহত হন। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হরপাল একজন খনি ব্যবসায়ী ছিলেন। রিওজিম নামের খনি কোম্পানির মালিক ছিলেন হরপাল। কোম্পানিটি সোনা ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জিম্বাবুয়েতে প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ছেলেসহ এক ভারতীয় ধনকুবের নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- হরপাল রণধাওয়া ও তার ছেলে আমের রণধাওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনায় প্লেনে থাকা ছয় আরোহীর সবাই নিহত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হরপাল একজন খনি ব্যবসায়ী ছিলেন। রিওজিম নামের খনি কোম্পানির মালিক ছিলেন হরপাল। কোম্পানিটি সোনা ও কয়লা উৎপাদন করে। পাশাপাশি নিকেল ও তামা পরিশোধন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">খবরে বলা হয়েছে, জিম্বাবুয়ের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি হীরার খনির কাছে ব্যক্তিগত প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। কারিগরি ত্রুটির কারণে প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদন থেকে আরো জানা গেছে, ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের প্রাইভেট ইক্যুইটি ফার্ম জিইএম হোল্ডিংসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হরপাল। হরপালের ২২ বছর বয়সি ছেলে আমের একজন পাইলট ছিলেন। তবে তিনি ওই সময় প্লেন চালাচ্ছিলেন না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.ndtv.com/indians-abroad/indian-billionaire-harpal-randhawa-22-year-old-son-killed-in-zimbabwe-plane-crash-4443395" target="_blank" rel="noopener">এনডিটিভি</a>, <a href="https://indianexpress.com/article/india/harpal-randhawa-son-killed-in-plane-crash-zimbabwe-8966012/" target="_blank" rel="noopener">ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস</a>, <a href="https://gulfnews.com/world/asia/india/indian-tycoon-son-among-six-killed-in-zimbabwe-plane-crash-1.1696232122209" target="_blank" rel="noopener">গালফ নিউজ</a>, <a href="https://www.tribuneindia.com/news/diaspora/indian-billionaire-son-among-6-killed-in-plane-crash-in-zimbabwe-549691" target="_blank" rel="noopener">ট্রিবিউন ইন্ডিয়া</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/13712/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/10/03/125028_bangladesh_pratidin_Harpal-Randhawa-1-(1).jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>একনজরে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১০ দলের স্কোয়াড</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2329/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2329/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Sep 2023 04:42:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্বকাপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2329/</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের মাটিতে আগামী ৫ অক্টোবর শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের মর্যাদাপূর্ণ আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। অংশগ্রহণকারী ১০ দলের মধ্যে শেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। এক নজরে বিশ্বকাপের ১০ দলের স্কোয়াড: বাংলাদেশ স্কোয়াড: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের মাটিতে আগামী ৫ অক্টোবর শুরু হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের মর্যাদাপূর্ণ আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। অংশগ্রহণকারী ১০ দলের মধ্যে শেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>এক নজরে বিশ্বকাপের ১০ দলের স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বাংলাদেশ স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, শেখ মেহেদী হাসান, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ভারত স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">রোহিত শর্মা (অধিনায়ক),শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল, ইশান কিষাণ, সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া (সহ-অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ শামি, শার্দুল ঠাকুর, জাসপ্রিত বুমরাহ।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, ট্রাভিস হেড, স্টিভেন স্মিথ, মার্কাস স্টয়নিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি, জন ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যাশটন অ্যাগার, অ্যাডাম জ্যাম্পা, জশ হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক ও শন অ্যাবট।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পাকিস্তান স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">বাবর আজম (অধিনায়ক), ফখর জামান, ইমাম উল হক, আবদুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল, ইফতিখার আহমেদ, আগা সালমান, শাদাব খান, উসামা মীর, মোহাম্মদ নওয়াজ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হাসান আলী।</p>
<p style="text-align: justify;">রিজার্ভ খেলোয়াড়: মোহাম্মদ হারিস, আবরার আহমেদ, জামান খান।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইংল্যান্ড স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">জস বাটলার (অধিনায়ক), মঈন আলী, গাস অ্যাটকিনসন, জনি বেয়ারস্টো, স্যাম কারান, লিয়াম লিভিংস্টোন, ডেভিড মালান, আদিল রশিদ, জো রুট, হ্যারি ব্রুক, বেন স্টোকস, রিস টপলি, ডেভিড উইলি, মার্ক উড, ক্রিস ওকস।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">কেইন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), ট্রেন্ট বোল্ট, মার্ক চাপম্যান, ডেভন কনওয়ে, লুকি ফার্গুসন, ম্যাট হেনরি, টম ল্যাথাম, ড্যারিল মিচেল, জিমি নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, রাচিন রবীন্দ্র, মিচেল স্যান্টনার, ইশ সোধি, টিম সাউদি, উইল ইয়ং।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), জেরাল্ড কোয়েটজি, কুইন্টন ডি কক, রেজা হেনড্রিকস, মার্কো জানসেন, হেইনরিখ ক্লাসেন, আন্দিলা ফেহলুকওয়ায়ো, কেশভ মহারাজ, এইডেন মার্করাম, লুঙ্গি এনগিদি, ডেভিড মিলার, লিজাড উইলিয়ামস, কাগিসো রাবাদা, তাবরাইজ শামসি, রাসি ফন ডার ডুসেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস (সহ-অধিনায়ক), কুশল পেরেরা, পাথুম নিসাঙ্কা, দিমুথ করুনারত্নে, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিথ আসালাঙ্কা, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, দুশান হেমন্থ, দুনিথ ওয়েল্লালাগে, মাহিশ থিকশানা, কাসুন রাজিথা, মাথিশা পাথিরানা, লাহিরু কুমারা, দিলশান মাদুশাঙ্কা।</p>
<p style="text-align: justify;">রিজার্ভ খেলোয়াড়: চামিকা করুনারত্নে</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আফগানিস্তান স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">হাশমতুল্লাহ শহীদি (অধিনায়ক), রহমানুল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, রিয়াজ হাসান, রহমত শাহ, নাজিবুল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবি, ইকরাম আলিখিল, আজমতুল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, নুর আহমেদ, ফজলহক ফারুকি, আব্দুল রহমান ও নাভিন উল হক।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নেদারল্যান্ডস স্কোয়াড:</strong></p>
<p style="text-align: justify;">স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), বিক্রমজিত সিং, কলিন অ্যাকারম্যান, শারিজ আহমেদ, ওয়েসলি বারেসি, লোগান ফন বিক, আরিয়ান দত্ত, সিব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট, রায়ান ক্লেইন, বাস ডি লিডি, পল ফন মিকেরেন, রোলফ ফন ডার মারওয়ে, তেজা নিদামানুরু, ম্যাক্স ও&#8217;দাউদ ও সাকিব জুলফিকার।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2329/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2023/09/26/trophy_2.jpg?itok=ZE79NSGz&#038;timestamp=1695744179" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কানাডা থেকে ‘র’ প্রধান বহিষ্কার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2007/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2007/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Sep 2023 05:00:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2007/</guid>

					<description><![CDATA[কানাডা থেকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (র) প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে গুলি করে হত্যার দায়ে ভারতের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে কাডানা। সেই জেরে ওই শীর্ষ কূটনীতিককে বহিস্কার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, নিজ্জারকে ভারত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হত্যা করা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কানাডা থেকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (র) প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে গুলি করে হত্যার দায়ে ভারতের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে কাডানা। সেই জেরে ওই শীর্ষ কূটনীতিককে বহিস্কার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, নিজ্জারকে ভারত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হত্যা করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যালানি জোলি জানিয়েছেন, বহিষ্কৃত ওই কূটনীতিক কানাডায় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (র) প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছরের ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া রাজ্যে হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে আলাদা ও স্বাধীন খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অন্যতম বড় নেতা ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে গুলিতে নিহত শিখ নেতা নিজ্জারকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল ভারত। দেশটির অভিযোগ ছিল নিজ্জার ভারতের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, ভারতের পাঞ্জাবের পর কানাডায় শিখ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করেন। সেখানে শিখরা প্রায়ই স্বাধীন খালিস্তান রাষ্ট্রের দাবিতে মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি করে থাকেন। আর এ বিষয় নিয়ে কানাডার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল ভারত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2007/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023September/sikh-leader-20230919094620.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত সরকারের আমন্ত্রণে দিল্লিতে জিএম কাদের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/64116/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/64116/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Aug 2023 06:01:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=64116</guid>

					<description><![CDATA[ভারত সরকারের আমন্ত্রণে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) আজ দিল্লি গেছেন। তার সফর সঙ্গী হয়েছেন জাতীয় পার্টির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও স্ত্রী শরীফা কাদের। রোববার (২০ আগস্ট) সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে দেশটির রাজধানী দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। জাতীয় পার্টি দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারত সরকারের আমন্ত্রণে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) আজ দিল্লি গেছেন। তার সফর সঙ্গী হয়েছেন জাতীয় পার্টির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও স্ত্রী শরীফা কাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (২০ আগস্ট) সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে দেশটির রাজধানী দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। জাতীয় পার্টি দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই সফর গুরুত্বপূর্ণ। তিন দিনের এই সফরে ভারতের সরকার প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় পার্টি একাধিক নেতা জানিয়েছেন, জিএম কাদের ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলটির করণীয় সম্পর্কে প্রেসিডিয়ামে বৈঠক ডেকে সিদ্ধান্ত নেবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/64116/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2019November/g-m-kader1-20221213160113.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আজ অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি মোদী, কী হতে পারে পরিণতি?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/42631/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/42631/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Aug 2023 02:47:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=42631</guid>

					<description><![CDATA[আজ মঙ্গলবার অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিরোধী দলের প্রস্তাবের ভিত্তিতে দেশটির পার্লামেন্ট লোকসভায় অনাস্থা ভোট প্রস্তাব করা হচ্ছে। এরপর মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হবে। তবে মোদী নিজে এদিন উপস্থিত থাকবেন না। স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমদিন অনাস্থা ভোটের আলোচনা শুরু করবেন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আজ মঙ্গলবার অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিরোধী দলের প্রস্তাবের ভিত্তিতে দেশটির পার্লামেন্ট লোকসভায় অনাস্থা ভোট প্রস্তাব করা হচ্ছে। এরপর মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হবে। তবে মোদী নিজে এদিন উপস্থিত থাকবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমদিন অনাস্থা ভোটের আলোচনা শুরু করবেন সদ্যই পার্লামেন্টের সদস্যপদ ফিরে পাওয়া কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গত ২৬ জুলাই কংগ্রেসের এক আইনপ্রণেতা এই অনাস্থা ভোট প্রস্তাব করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে জাতিগত সহিংসতা নিয়ে চুপ থাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে এ অনাস্থা ভোট প্রস্তাব করে প্রধান বিরোধী দলটি।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে গত বছরের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মোদীও কী ইমরান খানের মতো একই পরিণতি ভোগ করবেন এবং প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাবেন? এর উত্তর হলো— ‘না’।</p>
<p style="text-align: justify;">ইমরান খানের বিরুদ্ধে যখন অনাস্থা ভোট হয় তখন তার জোটের নেতারাও তার সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন। এতে ইমরান খান সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু ইমরানের মতো মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর কোনও শঙ্কা নেই। এছাড়া বড় কোনও সমস্যায়ও পড়বেন না তিনি। কারণ ৫৪৩ আসনের লোকসভায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে মোদীর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জোট দল এনডিএ-এর।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে, বিরোধী দল কংগ্রেসও জানিয়েছে, মোদীকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এ অনাস্থা ভোট প্রস্তাব করেনি তারা। মূলত মণিপুর ইস্যু নিয়ে যেন মোদী বিস্তারিত আলোচনা করেন সেজন্য এটির ব্যবহার করছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">অনাস্থা ভোটের মুখে পড়ায় এখন মোদীকে নিজের সরকার নিয়ে বিস্তর আলোচনা করতে হবে। নিজের এবং সরকারে পক্ষে সাফাই গাইতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি বছরের জুনের প্রথম সপ্তাহে মণিপুরে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে এখন পর্যন্ত ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু এ সহিংসতা নিয় মুখ খোলেননি মোদী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.hindustantimes.com/india-news/rahul-gandhi-to-begin-no-confidence-motion-debate-against-modi-government-in-lok-sabha-today-101691462829797.html" target="_blank" rel="noopener">হিন্দুস্তান টাইমস</a>, <a href="https://www.deccanherald.com/india/rahul-gandhi-to-speak-on-no-confidence-motion-against-modi-govt-on-august-8-2637877" target="_blank" rel="noopener">ডেকান হেরাল্ড</a>, <a href="https://apnews.com/article/modi-no-confidence-vote-manipur-india-parliament-0477352c82171e79137066169c033e36" target="_blank" rel="noopener">এপি</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/42631/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/08/08/103644_bangladesh_pratidin_Modi.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জম্মু ও কাশ্মীরে তিন ভারতীয় সেনা নিহত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/51811/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/51811/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Aug 2023 04:00:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=51811</guid>

					<description><![CDATA[জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। জম্মু ও কাশ্মীরে কুলগাম জেলায় এই ঘটনা ঘটে। ওই অঞ্চলে হ্যালান বনাঞ্চলে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় এনকাউন্টার শুরু হয়। এটি ছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান। সৈন্যরা সন্ত্রাসীদের অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে প্রচন্ড [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। জম্মু ও কাশ্মীরে কুলগাম জেলায় এই ঘটনা ঘটে। ওই অঞ্চলে হ্যালান বনাঞ্চলে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় এনকাউন্টার শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এটি ছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান। সৈন্যরা সন্ত্রাসীদের অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে প্রচন্ড গুলিবর্ষণের মুখে পড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিন সেনা নিহত হয়েছেন। একটি টুইট বার্তায় ভারতের সেনাবাহিনীর ১৫ কোর জানিয়েছে, এলাকায় অভিযান এখনও চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনাবাহিনী আরো জানায়, ‘কুলগামের হালানের সীমান্তে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কিত নির্দিষ্ট তথ্য হাতে পেয়ে, ৪ আগস্ট ২৩ তারিখে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান শুরু করেছিল। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে ৩ কর্মী আহত হন এবং পরে মারা যান। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এলাকাটিতে শক্তিশালী বাহিনী পাঠানো হয়েছে এবং তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এর আগে, এপ্রিল এবং মে মাসে পুঞ্চ এবং রাজৌরি জেলায় দুটি পৃথক আক্রমণ পাঁচজন এলিট কমান্ডোসহ ১০ জন সেনা নিহত হয়েছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/51811/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/08/05/110929_bangladesh_pratidin_kashmir-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘মণিপুর ফাইলস’ বানানোর পরামর্শ বিবেককে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/14608/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/14608/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Jul 2023 07:40:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বলিউড]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=14608</guid>

					<description><![CDATA[মণিপুরের সাম্প্রতিক ইস্যুতে ভারত সরকার নড়েচড়ে বসছে ৭৮ দিন পর। কারণটিও স্পষ্ট, র‍াজ্যের কুকি সম্প্রদায়ের দুই নারীকে ধর্ষণের পর বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার জের ধরেই আড়মোড়া ভেঙেছে। ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সমগ্র ভারতবাসীকেই নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনায় টুইটারে এক পোস্টে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। নেটিজেনরা তাকে এই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মণিপুরের সাম্প্রতিক ইস্যুতে ভারত সরকার নড়েচড়ে বসছে ৭৮ দিন পর। কারণটিও স্পষ্ট, র‍াজ্যের কুকি সম্প্রদায়ের দুই নারীকে ধর্ষণের পর বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার জের ধরেই আড়মোড়া ভেঙেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সমগ্র ভারতবাসীকেই নাড়া দিয়েছে। এ ঘটনায় টুইটারে এক পোস্টে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। নেটিজেনরা তাকে এই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে দ্য মণিপুর ফাইলস বানানোর পরামর্শ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত টুইটারে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হত্যা নিয়ে একটি পোস্ট করলে সেখানেই এমন দাবি করা হয়। তার এই পোস্টেই এক ব্যক্তি মন্তব্যে লেখেন, ‘এখন সময় নষ্ট না করে যদি সত্যিকারের পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে যান মণিপুর ফাইলস বানিয়ে দেখান।’</p>
<p style="text-align: justify;">এই ব্যক্তির পরামর্শের উত্তরে বিবেক লেখেন, ‘আমার ওপর এত বিশ্বাস রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু সব ছবি কি আমাকে দিয়েই বানাবেন? কেন তোমাদের টিম ইন্ডিয়ায় কি কোনো যথার্থ পুরুষ চিত্রপরিচালক নেই যিনি এই ছবিটা বানাতে পারেন?’</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র : <a href="https://www.indiatoday.in/movies/celebrities/story/man-asks-vivek-agnihotri-to-make-manipur-files-if-you-are-man-enough-director-reacts-2410227-2023-07-22">ইন্ডিয়া টুডে</a>।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/14608/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/23/110633_bangladesh_pratidin_kashmir-f-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পশ্চিমবঙ্গ: পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আগুনে জ্বলছে, নিহত ৩১</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/643/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/643/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Jul 2023 01:00:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=643</guid>

					<description><![CDATA[ব্যাপক সহিংসতার মধ্য দিয়েই শনিবার পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হলো। সহিংসতা, বোমা, গুলি, মৃত্যুর পরিসংখানে আগের সব নির্বাচনকেই কার্যত ছাপিয়ে গেল এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শেষবার ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছিল ২৩ জনের। আর চলতি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের দিন ঘোষণা থেকে শুরু করে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গত এক মাসে মৃত্যু হয়েছে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ব্যাপক সহিংসতার মধ্য দিয়েই শনিবার পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হলো। সহিংসতা, বোমা, গুলি, মৃত্যুর পরিসংখানে আগের সব নির্বাচনকেই কার্যত ছাপিয়ে গেল এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন।</p>
<p style="text-align: justify;">শেষবার ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছিল ২৩ জনের। আর চলতি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের দিন ঘোষণা থেকে শুরু করে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গত এক মাসে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। এর মধ্যে ভোটের দিনই প্রাণ গেছে ১৩ জনের। আহতের সংখ্যাও একাধিক। যদিও কোনো কোনো মহলের দাবি নিহতের সংখ্যা ৩৫।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহতদের মধ্যে যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, সমর্থকরা রয়েছে। তেমনি এক পঞ্চায়েত প্রার্থী এবং ভোটের লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের প্রাণও গেছে। এদিন সকাল ৭ টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ পর্ব, শেষ হয় বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়ে যায় সহিংসতা। আসতে থেকে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা। এর পাশাপাশি বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট, ভোটারকে ভয় দেখানো, নির্দল প্রার্থী ও তার সঙ্গীদের লক্ষ্য করে বন্দুক উঁচিয়ে ধাওয়া করা, ব্যালট বক্স ছিনিয়ে নেওয়া, ব্যালট বক্সে অগ্নি সংযোগ করা সহ রাস্তা অবরোধ সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে রাজ্যটির মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই জেলায় সর্বাধিক পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া কোচবিহার ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২ জন করে এবং মালদা, নদীয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর জেলায় একজন করে মৃত্যু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বিভিন্ন এলাকার সহিংসতার খবর</strong></p>
<p style="text-align: justify;">নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোলাডাঙ্গা ৮ এবং ৯ নম্বর বুথে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষ। একাধিক কর্মীর মাথায় কোপ। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি প্রায় বিশ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">হুগলী জেলার আরামবাগের আরাণ্ডি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতমাসা ২৭৩ বুথের নির্দল প্রার্থী জাহানারা বেগমের এজেন্ট কায়মুদ্দিন মল্লিককে গুলি করার অভিযোগ শাসকদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">পশ্চিম মেদিনীপুরে কোলাঘাট থানার বড়গাছিয়া ননীবালা বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় তালা মেরে ভোট বন্ধ করাসহ একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোটের দিন সকালেই মুর্শিদাবাদ জেলার সামসেরগঞ্জের শুলিতলা এলাকায় ১৬ নম্বর বুথে সানাউল শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তার চিকিৎসা চলছে অনুপনগর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।</p>
<p style="text-align: justify;">উত্তর ২৪ পরগণা জেলার মোহনপুর পঞ্চায়েতের ১৪ নম্বর সংসদের স্বতন্ত্র প্রার্থী অভিজিৎ দাসকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এসময় কোনরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে ফেরেন নির্দল প্রার্থী তার সঙ্গীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এই জেলারই বারাসাতের কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের পীরগাছা এলাকায় আবদুল্লা আলী নামে এক স্বতন্ত্র দলের সমর্থকের উপরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। রাতেই তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বারাসাত জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় আপাতত মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে সকালে টায়ার জ্বালিয়ে টাকি রোড অবরোধ করে সমর্থকেরা।  অশোকনগর সোলেমানপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৩ নম্বর বুথের ভোটকেন্দ্রে মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি হয়। বুথের গ্রিল ভেঙে ভোটের ব্যালট বাক্স লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনটে ব্যালট বাক্সই পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এই জেলার হাবড়া-২ নম্বর ব্লকের রাজিবপুর বিড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজিবপুর এ.ভি হাই স্কুলের ৯২ নম্বর বুথের মধ্যে তৃণমূল এবং বিজেপির এজেন্টদের মধ্যে বচসা বাধে। আর সেই বচসা থামাতে গেলে তৃণমূল প্রার্থীর গালে কামড় দিয়ে বসলো বিজেপির পোলিং এজেন্ট। এমন ভাবে কামড়ানো হয়, যে কানের নিচে থেকে বেশ খানিকটা মাংস উঠে যায়।  তৃণমূল প্রার্থীর কানে সাতটি সেলাই দিতে হয়।  এই জেলার বাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের নওদা গ্রামের ৭৭ নম্বর বুথে তৃণমূলের সঙ্গে স্বতন্ত্র ও সিপিআইএমের সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতী এনে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল৷ তৃণমূলের লোকেরা ব্যালট লুট করে অবাধে ছাপ্পা দেয়। তার প্রতিবাদ করায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।</p>
<p style="text-align: justify;">দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙ্গড়ে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে মারাত্মকভাবে জখম হয় দুই শিশু। তাদের বয়স যথাক্রমে ৭ ও ৮ বছর। ঘটনার পর প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, পরে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">হুগলি জেলার খানাকুলে ভোট দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ এক নারী সহ তিন ভোটার। এদিন দুপুরের পর খানাকুলের নতিবপুরে বিহারীলাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন তারা। এই সময় মুখে কালো কাপড় বেঁধে দুর্বৃত্তরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে বলে অভিযোগ। তাতেই আহত হয় তিন ভোটার।</p>
<p style="text-align: justify;">কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গায় ব্যালট বাক্স নিয়ে এক যুবকের দৌড়ে পালানোর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অল্প বয়সেই এক যুবক যেভাবে ব্যালট বাক্সে বুকে জড়িয়ে নিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরে দৌড়াতে দেখা গেছে, তা যে কোন আন্তর্জাতিক মানের দৌড় প্রতিযোগিতাকেও হার মানাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতায় একটি বুথে নিজের চোখের সামনে ভোট সহিংসতা দেখে ডিউটি থেকে অব্যাহতি চান এক পোলিং অফিসার। পুলিশের পা ধরে ওই পোলিং অফিসারকে আকুতি মিনতি করতে দেখা যায় যে তিনি ভোট করাতে পারবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">জলপাইগুড়ি জেলার সদর ব্লকে করোলা ভ্যালি চা বাগানে ১৭/৩২ বুথে তৃণমূলের আশ্রিত দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহসী পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় সিপিএমের নারী সদস্যের। নিজেদের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। বেগতিক পরিস্থিতি দেখে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সহিংসতার মাত্রা এমন জায়গায় পৌঁছয়, যে এক প্রিসাইডিং অফিসারকে কেঁদে ফেলতে দেখা যায়। ঘটনাটি বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বরের ২ নম্বর ব্লকের ১০ নম্বর বুথের। এদিন ভোট শুরু হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই একটি রাজনৈতিক দলের তরফে প্রায় অর্ধ শতাধিক কর্মী সমর্থক ঢুকে পড়েন। এরপরই দেদার ছাপ্পার অভিযোগ ওঠে। নিরাপত্তার জন্য আগে থেকে লাগানো ছিল সিসিটিভি। পরে সিসিটিভিতে ছাপ্পা ভোটের ভিডিও দেখে রীতিমতো কাঁদতে শুরু করে দেন নারী প্রিসাইডিং অফিসার।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বিজেপির প্রতিবাদ </strong></p>
<p style="text-align: justify;">রাজ্যজুড়ে সহিংসতার ঘটনার প্রতিবাদে এদিন দুপুরে কলকাতায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে বিক্ষোভ জানালো বিজেপি। কমিশনের অফিসের ভিতরে ঢুকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে সহিংসতার ঘটনার প্রতিবাদে &#8216;কালীঘাট চলো&#8217; (মুখ্যমন্ত্রী বাসভবন) ডাক দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তার বার্তা হাতে দলীয় পতাকা থাকুক বা না থাকুক, গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে লড়াই চলবে। এদিন নন্দীগ্রামের একটি বুথে পঞ্চায়েত ভোট দেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন থেকে শুভেন্দু বলেন &#8220;এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে। কালীঘাট চলো, সেখানকার ইঁটগুলো খুলে ফেলি। হয়তো দশ-বারোটা মানুষ মরবে, তাতেও আমি রাজি আছি। কিন্তু রাজ্যের বাকি ১০ কোটি লোক বেঁচে যাবে। আর দ্বিতীয়ত অবিলম্বে রাজ্যে ৩৫৫ কিংবা ৩৫৬ ধারা জারি করা।&#8221; তার অভিমত &#8220;আমি মমতার হাত থেকে বাংলাকে পরিত্রাণ দেওয়ার জন্যই মন্ত্রীত্ব ছেড়ে এখানে এসেছি। পতাকা ধরেই হোক কিংবা পতাকা ছেড়ে হোক গণতন্ত্র বাঁচাতে আমাকে যা করতে হয় করব।&#8221;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কংগ্রেসের প্রতিবাদ </strong></p>
<p style="text-align: justify;">একই অভিযোগ নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায়<br />
দক্ষিণ কলকাতার কংগ্রেস কর্মীরা। তাদের দাবি নির্বাচন কমিশনারকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাজ্যপালের উদ্বেগ </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে রাজ্য জুড়ে একের পর এক ভোট সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার ভোটের দিন উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া সহ বিভিন্ন সন্ত্রাস কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল। সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনে রাজ্যপালও খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। পরে ভোট সহিংসতা নিয়ে রাজ্যপাল বলেন &#8220;আমি আশা করি গোটা রাজ্যে যেন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়। কিন্তু বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ অভিযোগ জানিয়েছে প্রিসাইডিং অফিসার সহায়তা করছে না, দুর্বৃত্তরা ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে, চারিদিকের চারিদিকে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। সাধারণ মানুষের মনে মৃত্যু ভয় ঢুকেছে।&#8221; রাজ্যপাল আরো জানান &#8220;ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন হওয়া উচিত বুলেটের মাধ্যমে নয়। আমি ভোটারদের অনুরোধ করব, তারা যেন বেরিয়ে এসে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। আপনার একটা ভোট এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে পারে।&#8221;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাজ্য নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া </strong></p>
<p style="text-align: justify;">আর ভোট শান্তিতে করার দায়িত্ব যার কাঁধে, সেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পুরো দায় নিজের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেললেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি বলেন &#8216;ফিল্ড থেকে আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত যা রিপোর্ট এসেছে তাতে ১২০০ থেকে ১৩০০ অভিযোগ এসেছে, এর মধ্যে ৬০০ অভিযোগের সমাধান করতে পেরেছি। তাতে দেখা যাচ্ছে তিন-চারটি জেলা থেকে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় তিনি আরো বলেন &#8216;যেসব জেলায় সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটছে সেখানকার স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব এই সন্ত্রাস আটকানোর। আমরা দায়িত্ব হল ব্যবস্থাপনা করার। আমরা সব ধরনের ব্যবস্থাপনা করেছি। তারপরেও কেউ কোন গ্যারান্টি দিতে পারবেনা যে কোথায় কে কাকে গুলি করে দেবে বা মেরে দেবে। আমরা সব ব্যবস্থাপনা রেখেছি যাতে সবাই ভোট দিতে পারে।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বিএসএফের আইজির ক্ষোভ </strong></p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে এসে তাদের পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না দেওয়ার অভিযোগ তুলে কমিশনকে দায়ী করেছে বিএসএফ। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনারকে বিএসএফ আইজি বুদাকোটির অভিযোগ, &#8216;বহু জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য &#8216;লজিস্টিক&#8217; নেই। অনেক ক্ষেত্রে বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। চূড়ান্ত অব্যবস্থার জন্য দায়ী কমিশনই।</p>
<p style="text-align: justify;">যদিও ক্ষমতাসীন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র কুনাল ঘোষের দাবি ভোট শান্তিতেই হয়েছে। এদিন দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন &#8216; উৎসবের মেজাজে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে বিজেপি, সিপিআইএম এবং কংগ্রেস হামলা চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যে ২৭ জনের মৃত্যুর খবর বলা হচ্ছে, তার মধ্যে ১৭ জনই তৃণমূলের। বিরোধীরা আতঙ্কের বিপণন করতে বেরিয়েছে।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, এদিন গোটা রাজ্যে এক দফাতেই এই পঞ্চায়েত ভোট নেওয়া হয়। রাজ্যটির ২২ জেলার মধ্যে দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় দ্বিস্তরীয় ভোট (গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতি) এবং বাকি জেলাগুলিতে ত্রিস্তরীয় (গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ) ভোট নেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এই নির্বাচনে গোটা রাজ্যে ভোট নেওয়া হয় মোট ৭৩,৮৮৭ আসনে। এরমধ্যে রয়েছে ৩৩১৭ টি গ্রাম সভার ৬৩,২২৯ আসন; ৩৪১ টি পঞ্চায়েত সমিতির ৯৭৩০ আসন; এবং ২২ জেলা পরিষদের ৯২৮ আসন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রায় ২ লাখের বেশি প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয় এই ভোটে। ভোট গ্রহণের জন্য ৬১,৬৩৬ টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়। মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৫,৬৭,২১,২৩৪।</p>
<p style="text-align: justify;">এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বিজেপি, বামফ্রন্ট-কংগ্রেসের জোট প্রার্থীরা। কিছু আসনে কড়া চ্যালেঞ্জ দিতে পারে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর প্রার্থীরাও।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোট নেওয়া হয় ব্যালট পেপারে। এদিন সকাল থেকে ভোটের কেন্দ্রগুলিতে লম্বা লাইনও দেখা যায়।কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে সংবাদের শিরোনামে আসে সহিংসতা। আগামী ১১ জুলাই ভোট গণনা। ফলে আগামী দিনগুলিতেও যে ভোট কেন্দ্রিক সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/643/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/05/133025_bangladesh_pratidin_1686233302.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দুদিনের সফরে ঢাকায় ভারতের সেনাপ্রধান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/282951/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Jun 2023 07:26:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=282951</guid>

					<description><![CDATA[বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে ৫ ও ৬ জুন বাংলাদেশ সফর করছেন ভারতের সেনাপ্রধান। এ সময় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, চট্টগ্রামে পাসিং আউট প্যারেড পরিদর্শন করবেন তিনি। এ ছাড়া সফরকালে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যারা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="color: #000;" data-test-id="text">
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের আমন্ত্রণে ৫ ও ৬ জুন বাংলাদেশ সফর করছেন ভারতের সেনাপ্রধান।</p>
<p>এ সময় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, চট্টগ্রামে পাসিং আউট প্যারেড পরিদর্শন করবেন তিনি। এ ছাড়া সফরকালে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।</p>
<p>এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যারা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন ভারতের সেনাপ্রধান।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://gumlet.assettype.com/kalbela/2023-06/3ba6cc16-892f-4664-9d89-18e7953098ba/India_Army_Chief.jpg?w=1200&#038;auto=format,compress&#038;ogImage=true&#038;enlarge=true" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘খাবার খেয়ে পেটে হাত, আর খবর হয়ে গেলো আমি অন্তঃসত্ত্বা’</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/35087/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/35087/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jun 2023 08:10:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বলিউড]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=35087</guid>

					<description><![CDATA[ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী কারিশমা তান্না। গত কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন চলছে, এই অভিনেত্রী মা হতে যাচ্ছেন। এ নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে, তখন মুখ খুললেন কারিশমা তান্না। তিনি বলেন, ‘আমি খাবার খেয়ে পেটে হাত বোলালাম আর খবর হয়ে গেলো আমি অন্তঃসত্ত্বা। আমি তো অবাক, একটু তো বুঝুন আমাদেরও জীবন রয়েছে।’ কয়েকদিন আগে মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁর বাইরে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী কারিশমা তান্না। গত কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন চলছে, এই অভিনেত্রী মা হতে যাচ্ছেন। এ নিয়ে যখন জোর চর্চা চলছে, তখন মুখ খুললেন কারিশমা তান্না। তিনি বলেন, ‘আমি খাবার খেয়ে পেটে হাত বোলালাম আর খবর হয়ে গেলো আমি অন্তঃসত্ত্বা। আমি তো অবাক, একটু তো বুঝুন আমাদেরও জীবন রয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েকদিন আগে মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁর বাইরে স্বামী বরুণের সঙ্গে দেখা যায় কারিশমা তান্নাকে। কারিশমা তখন নিজের পেটে আলতোভাবে হাত বোলাচ্ছিলেন। সেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেন পাপারাজ্জিরা, যা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই গুঞ্জন উঠে কারিশমা অন্তঃসত্ত্বা।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বিগ বসের ঘরে অভিনেতা উপেন প্যাটেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান কারিশমা কাপুর। ২০১৬ সালে ভেঙে যায় এই সম্পর্ক। ২০২১ সালে মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী বরুণ বাঙ্গেরার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। একই বছর বাগদান সাড়েন তারা। ২০২২ সালের শুরুতে সাতপাকে বাঁধা পড়েন এই জুটি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/35087/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/06/04/144251_bangladesh_pratidin_kt-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার জন্য কেন পাশ্চাত্যকে দায়ী করছে চীন?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/165009/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/165009/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jun 2023 05:49:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ইউক্রেন]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=165009</guid>

					<description><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার জন্য পাশ্চাত্যকে দায়ী করছে চীন। চীনের ইউরেশিয়া অঞ্চল বিষয়ক চীনের বিশেষ প্রতিনিধি লি হুই এই অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কি সরকারকে অবিরাম সমরাস্ত্র সরবরাহ করে পাশ্চাত্যই এই যুদ্ধ টিকিয়ে রেখেছে। তিনি মস্কো ও কিয়েভ সফর শেষে বেইজিং ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন। হুই বলেন, “আমরা যদি সত্যিই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="post-859097">
<div class="post-header post-tp-1-header">
<div class="svjo svjo-between-thumbnail-title svjo-pubadban svjo-show-desktop svjo-show-tablet-portrait svjo-show-tablet-landscape svjo-show-phone svjo-loc-post_between_featured_title svjo-align-center svjo-column-1 svjo-clearfix no-bg-box-model">
<div id="svjo-836713-1164383411" class="svjo-container svjo-type-image " style="text-align: justify;" data-adid="836713" data-type="image">
<p>ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার জন্য পাশ্চাত্যকে দায়ী করছে চীন। চীনের ইউরেশিয়া অঞ্চল বিষয়ক চীনের বিশেষ প্রতিনিধি লি হুই এই অভিযোগ করেছেন।</p>
<p>তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কি সরকারকে অবিরাম সমরাস্ত্র সরবরাহ করে পাশ্চাত্যই এই যুদ্ধ টিকিয়ে রেখেছে।</p>
<p>তিনি মস্কো ও কিয়েভ সফর শেষে বেইজিং ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন। হুই বলেন, “আমরা যদি সত্যিই যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং মানুষের জীবন রক্ষা করতে চাই তাহলে যুদ্ধক্ষেত্রে সমরাস্ত্র সরবারাহ বন্ধ করতে হবে।”</p>
<p>তিনি বলেন, ইউক্রেন সংকট কীভাবে আজকের অবস্থা পর্যন্ত এল তার বেদনাদায়ক শিক্ষা গ্রহণের জন্য সব পক্ষকে গভীর চিন্তাভাবনা করতে হবে।</p>
<p>এই চীনা কূটনীতিক সকল পক্ষকে রাজনৈতিক উপায়ে ইউক্রেন সংকট নিরসনের জন্য চেষ্টা করার আহ্বান জানান।</p>
<p>ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার কাজে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে চীন। ওই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে লি হুই গতমাসে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ সফর করেন।</p>
<p>তিনি শুক্রবার বেইজিং-এ আরও বলেন, অচিরেই চীনের আরেকটি প্রতিনিধিদল ইউরোপ সফরে যেতে পারে যদিও তিনি সুস্পষ্ট করে তারিখ ঘোষণা করেননি।</p>
<p><strong>সূত্র: রয়টার্স</strong></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/165009/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/06/03/105819_bangladesh_pratidin_Li_Hui.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দুর্ঘটনায় আহত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র নায়িকা ও পরিচালক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/274615/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 May 2023 08:29:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[হলিউড]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=274615</guid>

					<description><![CDATA[ছবি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন ভারতে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র নায়িকা ও পরিচালক। জানা গেছে, পরিচালক সুদীপ্ত সেন ও অভিনেত্রী আদা শর্মা করিমনগরে যাচ্ছিলেন এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানেই সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা। আহতাবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে আদা ও সুদীপ্তকে। আদা শর্মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমি ভাল আছি বন্ধুরা। অনেক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ছবি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন ভারতে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র নায়িকা ও পরিচালক।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, পরিচালক সুদীপ্ত সেন ও অভিনেত্রী আদা শর্মা করিমনগরে যাচ্ছিলেন এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানেই সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা। আহতাবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে আদা ও সুদীপ্তকে।</p>
<p style="text-align: justify;">আদা শর্মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমি ভাল আছি বন্ধুরা। অনেক অনেক মেসেজ পাচ্ছি, আপনারা উদ্বিগ্ন হয়ে আছেন বুঝতে পারছি। আমাদের দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এটুকুই বলতে পারি, আমরা দলের সবাই ঠিক আছি। বড় কোনও বিপদ হয়নি। অনেক ধন্যবাদ আপনাদের।”</p>
<p style="text-align: justify;">আদা শর্মার আগে দুর্ঘটনার আভাস দিয়েছিলেন পরিচালক নিজেই। সুদীপ্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “আজ আমাদের যাওয়ার কথা ছিল করিমনগরে, এক জনসভায় তরুণদের মাঝে আমাদের ছবিটা নিয়ে কথা হতো। কিন্তু হঠাৎ স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় যেতে পারলাম। খুব খুব দুঃখিত আমরা। করিমনগরের মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। ছবিটা বানিয়েছিলাম আমাদের কন্যাদের রক্ষা করতে। দয়া করে পাশে থাকুন।”</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ বক্স অফিসে ১০০ কোটির অংক ছাড়িয়ে গেছে। নিষিদ্ধ ঘোষণা কিংবা শো বাতিলেও রোখা যায়নি এ ছবির দৌড়। বিতর্কের ঝড়ঝাপটার মধ্যেও বক্স অফিসে রমরমা ব্যবসা করছে সুদীপ্তর ছবি। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’তে শালিনী উন্নিকৃষ্ণনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদা শর্মা। নিজের কাজের অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় ভাগ করেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “প্রথম দিন যখন আমি ছবির চিত্রনাট্য শুনেছি, আমি বুঝতে পেরেছি, এটা এক নিরীহ মেয়ের গল্প। যে আইএসিস-এর মতো একটা দলের প্যাঁচে পড়ে গিয়েছিল। সন্ত্রাসবাদের এই গল্প ভয়ঙ্কর, তবে কাউকে না কাউকে তো এই গল্পটা বলতেই হতো।”</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগেও ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “যারা এখনও মনে করছেন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ একটা প্ররোচণামূলক ছবি, তারা গুগলে একটু খুঁজে দেখুন। সত্যিটা জানতে পারবেন।”</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/15/142119_bangladesh_pratidin_Ada.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>রাহুলকে সাজা দেওয়া বিচারকের ‘নিয়ম ভেঙে’ পদোন্নতি, অতঃপর…</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/273461/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 May 2023 05:27:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=273461</guid>

					<description><![CDATA[মোদী পদবি নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের দায়ে ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দল ‘কংগ্রেস’ এর নেতা রাহুল গান্ধীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। এর পরেই ‘বেআইনিভাবে’ সুরাত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেই বিচারক হরিশ হাসমুখভাই বর্মার পদোন্নতি দিয়েছিল গুজরাট সরকার। কিন্তু সেই পদোন্নতিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি সিটি রবিকুমারকে নিয়ে গঠিত শীর্ষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মোদী পদবি নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের দায়ে ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দল ‘কংগ্রেস’ এর নেতা রাহুল গান্ধীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। এর পরেই ‘বেআইনিভাবে’ সুরাত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেই বিচারক হরিশ হাসমুখভাই বর্মার পদোন্নতি দিয়েছিল গুজরাট সরকার। কিন্তু সেই পদোন্নতিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি সিটি রবিকুমারকে নিয়ে গঠিত শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ শুক্রবার সেই পদোন্নতিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, বিচারক বর্মার পাশাপাশি আরও ৬৭ জন বিচারককে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যের বিজেপি সরকার ২০০৫ সালের ‘গুজরাট স্টেট জুডিসিয়াল সার্ভিস রুল’ ভেঙে পদোন্নতি দিয়েছে বলেও সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন শুক্রবার। সবগুলো বদলির উপরেই জারি হয়েছে স্থগিতাদেশ। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “পদোন্নতির ক্ষেত্রে অবশ্যই অভিজ্ঞতা এবং যোগ্যতার মাপকাঠির বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। এ ক্ষেত্রে তা হয়নি।”</p>
<p style="text-align: justify;">মোদী পদবি মামলায় গত ২৩ মার্চ ‘অপরাধমূলক মানহানি’র অভিযোগে রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বিচারক বর্মা। ২ বছর জেলের সাজাও দিয়েছিলেন (ঠিক এই মেয়াদের সাজা দিলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কোনও সাংসদ বা বিধায়কের পদ খারিজ হয়)। তার দেড় মাসের মধ্যেই কেন গুজরাটের সুরাত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বর্মার পদোন্নতি হল, সুপ্রিম কোর্টে সে প্রশ্ন তুলেছিলেন গুজরাটেরই দুই সিনিয়র বিচারক। শুক্রবার শীর্ষ আদালত সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এই স্থগিতাদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, ১০ বছর নিম্ন আদালতে বিচারকের পদে থাকা ৪৩ বছরের বর্মা সম্প্রতি রাজকোটের দায়রা আদালতে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। বিচারক বর্মা-সহ গুজরাটের মোট ৬৮ জন বিচারকের পদোন্নতির নির্দেশিকা জারি হয় চলতি মাসেই। সেই নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, গুজরাটের দুই সিনিয়র সিভিল জজ— রবিকুমার মেহতা এবং শচীন প্রতাপরায় মেহতা। তাদের অভিযোগ ছিল, নিয়ম ভেঙে পদোন্নতি হয়েছে বিচারক বর্মা-সহ ৬৮ জনের। শুক্রবার দুই বিচারপতির বেঞ্চ সেই অভিযোগ আমলে নিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের প্রচারের সময় কর্নাটকের কোলারে ‘মোদী’ পদবি তুলে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে গত ২৩ মার্চ গুজরাটের সুরাত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচএইচ বর্মা ২ বছর জেলের সাজা দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধীকে। বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতেই ছিল ওই রায়। ওই রায়ের পরেই ২৪ মার্চ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ভারতীয় সংবিধানের ১০২(১)-ই অনুচ্ছেদ এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (১৯৫১)-র ৮(৩) নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রাহুল তাকে দোষী ঘোষণা এবং সাজার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে গত ৩ এপ্রিল সুরাতেরই দায়রা আদালতে (সেশনস কোর্ট) আবেদন করেছিলেন। কিন্তু গত ২০ এপ্রিল অতিরিক্ত দায়রা বিচারক আরপি মোগেরা খারিজ করেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির সেই আবেদন। এর পরে পদবি-মন্তব্যে দোষী ঘোষণা এবং সাজা কার্যকরের জন্য সুরাত দায়রা আদালতের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে মঙ্গলবার গুজরাট হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু গত মঙ্গলবার গুজরাট হাই কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছক অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করে জানান, আগামী ৪ জুন, গ্রীষ্মের ছুটি শেষ হলে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://www.indiatoday.in/law/story/illegal-supreme-court-stays-promotion-68-gujarat-judicial-officers-district-judges-2378217-2023-05-12" target="_blank" rel="noopener">ইন্ডিয়া টুডে</a>, <a href="https://www.tribuneindia.com/news/nation/promotion-of-cjm-who-convicted-rahul-gandhi-67-other-gujarat-lower-judicial-officers-stayed-507157" target="_blank" rel="noopener">ট্রিবিউন ইন্ডিয়া</a>, <a href="https://www.ptinews.com/news/legal/promotion-of-cjm-who-convicted-rahul-gandhi-67-other-gujarat-lower-judicial-officers-stayed/568796.html" target="_blank" rel="noopener">পিটিআই</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/13/091534_bangladesh_pratidin_Rahul.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মুসলিম ‘বহুবিবাহ’ প্রথা নিষিদ্ধ করতে চায় আসাম রাজ্য সরকার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/272626/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 May 2023 05:19:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিবাহ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মুসলিম]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=272626</guid>

					<description><![CDATA[আইন করে রাজ্যে &#8216;বহুবিবাহ&#8217; নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটছে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসাম। এক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বাস শর্মা টুইট করে জানিয়েছেন, &#8216;রাজ্য সরকার চায় আসামে বহুবিবাহ বন্ধ হোক। তবে রাজ্যে বহুবিবাহ বন্ধ করতে রাজ্য সরকারের ক্ষমতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আইন করে রাজ্যে &#8216;বহুবিবাহ&#8217; নিষিদ্ধ করার পথে হাঁটছে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য আসাম। এক্ষেত্রে আইনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বাস শর্মা টুইট করে জানিয়েছেন, &#8216;রাজ্য সরকার চায় আসামে বহুবিবাহ বন্ধ হোক। তবে রাজ্যে বহুবিবাহ বন্ধ করতে রাজ্য সরকারের ক্ষমতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভারতীয় সংবিধানের &#8216;মুসলিম পার্সোনাল ল&#8217; (শরিয়াত)-১৯৩৭ আইনের ২৫ ধারা খতিয়ে দেখবে।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, &#8216;বিষয়টি নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য আইন বিশেষজ্ঞসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবে ওই কমিটি।&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;">মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বহু বিবাহ বা &#8216;নিকাহ হালালা&#8217; এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েক মাস আগেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়েছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের কথা জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এরপরেই আসামের মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য। এর অর্থ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এনে রাজ্যে এই প্রথা বন্ধ করতে চায় হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছিল আসামের বিজেপি সরকার। প্রায় সাড়ে দুই হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রাজ্যের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে পড়ানোর অপরাধে বেশ কয়েকজন কাজী এবং ইমামকেও আটক করা হয়েছিল সেসময়। সেসময় রাজ্য জুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা করতে এই অভিযান। ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ে হলেই &#8216;প্রটেকশন অফ চিল্ড্রেন ফ্রম সেক্সচুয়াল অফেন্স অ্যাক্ট&#8217; (পকসো) আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/10/101611_bangladesh_pratidin_himanta_biswa.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সংসদ সদস্য পদ বাতিল: সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন রাহুল গান্ধী । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/263294/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Mar 2023 06:27:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=263294</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে `মানহানিকর&#8217; মন্তব্য করায় রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের সাজা দেয় গুজরাটের একটি আদালত। আর সেই রায়ের জের ধরেই বাতিল করা হয় রাহুলের সংসদ সদস্য পদ। অনেকেই একে দেখছেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে। পদ হারিয়ে বিপদে পড়া রাহুল গতকাল শুক্রবারই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় টুইটে বলেছিলেন, দেশের জন্য তার লড়াই অব্যাহত থাকবে। তাতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে `মানহানিকর&#8217; মন্তব্য করায় রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের সাজা দেয় গুজরাটের একটি আদালত। আর সেই রায়ের জের ধরেই বাতিল করা হয় রাহুলের সংসদ সদস্য পদ।</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকেই একে দেখছেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পদ হারিয়ে বিপদে পড়া রাহুল গতকাল শুক্রবারই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় টুইটে বলেছিলেন, দেশের জন্য তার লড়াই অব্যাহত থাকবে। তাতে যদি চড়া মূল্যও দিতে হয় তিনি পিছপা হবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ শনিবার ভারতের স্থানীয় সময় দুপুর একটায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন রাহুল গান্ধী।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র: <strong>এনডিটিভি</strong></p>
<p><span id="more-263294"></span></p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে মানহানির মামলায় রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দেশটির গুজরাতের আদালত। বৃহস্পতিবার সুরত দায়রা আদালত ২০১৯ সালের ওই মানহানি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে দু’বছরের জেলের সাজা দিয়েছে। তবে আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালে কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে রাহুল প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘সব চোরেদের পদবি ‘মোদি’ হয় কেন?’ আইপিএল কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ললিত মোদি, ব্যাঙ্ক-ঋণ মামলায় ‘পলাতক’ নীরব মোদির সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুলনা টেনেছিলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই ঘটনায় রাহুলের বিরুদ্ধে ‘পদবি অবমাননার’ অভিযোগে মানহানির মামলা করেছিলেন গুজরাতে বিজেপি নেতা পূর্ণেশ মোদি। সেই মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত হলেন রাহুল।</p>
<p style="text-align: justify;">রাহুলের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধমূলক মানহানির মামলা করেন গুজরাটেরর সাবকে মন্ত্রী বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেন্দু মোদি। মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, পুরো মোদি সম্প্রদায়কে অপমান করেছেন রাহুল।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র : <a href="https://www.ndtv.com/india-news/rahul-gandhi-guilty-in-2019-modi-surname-defamation-case-3885663#pfrom=home-ndtv_topscroll">এনডিটিভি</a> ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.newsbangla24.com/home/newogwithwatermark/222505/2023/03/23/rah.jpg?v=121945" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>১৪ ফেব্রুয়ারি ‘গরু জড়িয়ে ধরা দিবস’ পালনের আহ্বান । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/5669/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/5669/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Feb 2023 08:00:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=5669</guid>

					<description><![CDATA[১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস না পালন করে গরুপ্রেমীদের ‘কাউ হাগ ডে’ অর্থাৎ গরুকে জড়িয়ে ধরার দিবস পালন করার আহ্বান জানিয়েছে ভারতের ভারতের প্রাণিকল্যাণ অধিদপ্তর অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার বোর্ড অফ ইন্ডিয়া। কেন্দ্রীয় মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয় বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস না পালন করে গরুপ্রেমীদের ‘কাউ হাগ ডে’ অর্থাৎ গরুকে জড়িয়ে ধরার দিবস পালন করার আহ্বান জানিয়েছে ভারতের ভারতের প্রাণিকল্যাণ অধিদপ্তর অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার বোর্ড অফ ইন্ডিয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">কেন্দ্রীয় মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয় বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় সংস্কৃতির মেরুদণ্ড হলো গরু। আমাদের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে, জীবনধারণে ও গ্ৰামীণ অর্থনীতির বিকাশে গরুর ভূমিকা অপরিসীম। কামধেনু যেমন একদিকে মানুষকে ধনসম্পদে ধনী করে তোলে, গোমাতার প্রকৃতি হল আমাদের লালনপালন করা।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়, পশ্চিমা সংস্কৃতির আগ্ৰাসনে আমাদের বৈদিক সভ্যতা দিন দিন বিলুপ্তির পথে এগিয়ে চলেছে। পশ্চিমা সভ্যতার চাকচিক্য আমাদের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে প্রায় ভুলিয়ে দিচ্ছে বলা যায়। গরুর থেকে অশেষ উপকার পাওয়া যায়। তাই গরুকে জড়িয়ে ধরলে শুধু ব্যক্তি নয়, গোটা সমাজই সুখী হবে। সমৃদ্ধ হবে আবেগ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তাই গোমাতার উপকারের কথা মাথায় রেখে গরুপ্রেমীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেনটাইনস ডে-এর দিন কাউ হাগ ডে পালন করা হোক।</p>
<p style="text-align: justify;">অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার সহকারী সচিব প্রাচি জৈন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছেন, আমরা এই নির্দেশনা জারি করার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে নির্দেশ পেয়েছি। এবার সময় খুবই সীমিত, যার কারণে আমরা এ বিষয়ে কোনো অনুষ্ঠান করতে পারছি না। তবে আমরা জনগণের কাছে একটি আবেদন জানিয়েছি যেন তারা এই নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, গুজরাট এবং অন্য রাজ্যগুলোও ১৪ ফেব্রুয়ারিকে গরু আলিঙ্গন দিবস হিসেবে পালন করবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/5669/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.newsbangla24.com/home/newogwithwatermark/220186/2023/02/09/feb.jpg?v=121818" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হিন্ডেনবার্গের প্রতিবেদনের পর টালমাটাল আদানি সাম্রাজ্য । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/246779/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Jan 2023 09:44:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=246779</guid>

					<description><![CDATA[মার্কিন বিনিয়োগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ সম্প্রতি তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে গৌতম আদানির ব্যবসার নানা জালিয়াতি ও প্রতারণা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদানি গ্রুপ আঙুল ফুলে মাত্র তিন বছরে কলাগাছ হয়েছে। শেয়ার বাজারকে হাতিয়ার বানিয়েছেন আদানি। কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে তিনি নিজের সম্পদ বাড়িয়েছেন। এই রিপোর্ট আদানির ব্যবসায় বড় আঘাত হেনেছে। ধস নেমেছে আদানি গ্রুপের শেয়ারে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মার্কিন বিনিয়োগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ সম্প্রতি তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে গৌতম আদানির ব্যবসার নানা জালিয়াতি ও প্রতারণা তুলে ধরেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদানি গ্রুপ আঙুল ফুলে মাত্র তিন বছরে কলাগাছ হয়েছে। শেয়ার বাজারকে হাতিয়ার বানিয়েছেন আদানি। কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে তিনি নিজের সম্পদ বাড়িয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই রিপোর্ট আদানির ব্যবসায় বড় আঘাত হেনেছে। ধস নেমেছে আদানি গ্রুপের শেয়ারে। প্রতিবেদন প্রকাশের পর টালমাটাল এশিয়ার এই শীর্ষ ধনীর ব্যবসা। পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনে কয়েকদিনেই ৫ হাজার কোটি ডলার হারিয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবিসি জানিয়েছে, এ গ্রুপের অন্য কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে আরও টালমাটাল অবস্থা দাঁড়িয়েছে, মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জে তাদের শেয়ারগুলো লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও সোমবার শেয়ার বাজার খুলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে <a href="https://www.theguardian.com/business/2023/jan/30/adani-claims-us-investment-firm-hindenburg-research-allegations-attack-on-india" target="_blank" rel="noopener">গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে</a>, প্রতারণার অভিযোগ খণ্ডন করে ৪১৩ পৃষ্ঠার একটি ব্যাখা প্রকাশ করেছে আদানি গ্রুপ। ওই ব্যাখায় দাবি করা হয়েছে, এটা ভারতের ওপর আক্রমণ।</p>
<p style="text-align: justify;">খবর অনুসারে, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ শান্ত করতেই দীর্ঘ এই ব্যাখা প্রদান করেছে আদানি গ্রুপ।</p>
<p style="text-align: justify;">আদানি গ্রুপের ব্যাখায় আরও বলা হয়েছে, এটা (গবেষণা প্রতিবেদন) সুনির্দিষ্ট কোম্পানির ওপর শুধু অন্যায্য আক্রমণই নয়, বরং ভারতের স্বাধীনতা, অখণ্ডতা এবং দেশের (ভারতের) প্রতিষ্ঠানসমূহ, প্রবৃদ্ধির ইতিহাস এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা ওপর পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণ।</p>
<p style="text-align: justify;">গার্ডিয়ানের খবর অনুসারে, সোমবার ভারতের শেয়ার মার্কেট খোলার কয়েক ঘণ্টা পূর্বে আদানি গ্রুপ এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। গত সপ্তাহে দেশটির শেয়ার মার্কেটের সার্বিক মূল্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নিচে নামে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে আদানি গ্রুপের সিএফও বলেছেন, হিন্ডেনবার্গ যে ৮৮টি প্রশ্ন তুলেছে সেগুলোর জবাব দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি রিসার্স করেনি বরং আদানি গ্রুপের গোপন তথ্য প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাজনীতিতেও তোলপাড়</strong><br />
ক্ষমতাসীন বিজেপির ‘কাছের ব্যক্তি’ হিসেবে পরিচিত আদানির এই ‘প্রতারণার’ অভিযোগ নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস।<br />
শনিবার দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রশ্ন, আদানি গোষ্ঠীর সংস্থাগুলোর শেয়ারের ব্যাপক দরপতন হওয়ায় এলআইসি ও স্টেট ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য ৭৮ হাজার কোটি রুপি কমলেও অর্থমন্ত্রী নীরব কেন? তদন্তকারী সংস্থাগুলোও কেন নীরব?</p>
<p style="text-align: justify;">আদানি গোষ্ঠীর কোম্পানিগুলোতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালা। তিনি বলেন, হিনডেনবার্গ আদানিদের সম্পর্কে এত গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে আনার পরেও এলআইসি ও এসবিআইয়ের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো আদানির কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ বহাল রেখেছে কেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএসপি নেত্রী মায়াবতী বলেছেন, হিনডেনবার্গের প্রতিবেদনে শেয়ারবাজার ধাক্কা খাচ্ছে। জড়িয়ে পড়েছে ভারতের কোটি কোটি মানুষের অতি কষ্টে উপার্জিত অর্থ। অথচ সরকার এ বিষয়ে স্পিকটি নট। অবিলম্বে সরকারি বিবৃতি দিয়ে বিষয়টির ব্যাখ্যা দাবি করেছেন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/01/28/103630_bangladesh_pratidin_Adani.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দুই ভারতীয় সিরাপ ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/240191/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 11:15:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[স্বাস্থ্য বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=240191</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উজবেকিস্তানে ব্যবহার করা দুটি ভারতীয় কাশির সিরাপ ব্যবহারে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ওই সিরাপ ব্যবহারের করে কয়েকটি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যাওয়ার পর এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ম্যারিনো বায়োটেকের তৈরি করা ওই সিরাপের মান নীচু মানের এবং তারা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। উজবেকিস্তানের অভিযোগ, ভারতীয় ওই কোম্পানির ওষুধ সেবন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উজবেকিস্তানে ব্যবহার করা দুটি ভারতীয় কাশির সিরাপ ব্যবহারে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ওই সিরাপ ব্যবহারের করে কয়েকটি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যাওয়ার পর এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হল।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ম্যারিনো বায়োটেকের তৈরি করা ওই সিরাপের মান নীচু মানের এবং তারা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উজবেকিস্তানের অভিযোগ, ভারতীয় ওই কোম্পানির ওষুধ সেবন করায় দেশটির ১৮ শিশু মারা গেছে। যদিও এখনও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ভারতীয় কোম্পানিটি।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ঘটনায় ম্যারিনো বায়োটেকের ওষুধ উৎপাদন আপাতত বন্ধ করেছে ভারত সরকার। কোম্পানিটির নিবন্ধনও বাতিল করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/01/12/125712_bangladesh_pratidin_bd-pratdin-2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সীমান্তে ফের ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/48203/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/48203/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Dec 2022 03:46:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=48203</guid>

					<description><![CDATA[ফের সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) ভারতীয় এবং চীনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার রাতে অরুণাচলের তাওয়াংয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে দু’পক্ষেরই বেশ কয়েক জন সেনা আহত হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে। জানা গেছে, গালওয়ানের মতো তাওয়াঙেও দুই বাহিনীর মধ্যে সম্মত ‘রুল অব এনগেজমেন্ট’ মেনে কোন পক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। এএনআই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফের সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) ভারতীয় এবং চীনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার রাতে অরুণাচলের তাওয়াংয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে দু’পক্ষেরই বেশ কয়েক জন সেনা আহত হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, গালওয়ানের মতো তাওয়াঙেও দুই বাহিনীর মধ্যে সম্মত ‘রুল অব এনগেজমেন্ট’ মেনে কোন পক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। এএনআই এর খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতের এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করে। ভারতীয় সেনারা তা প্রতিরোধ করে। এ সময় সংঘর্ষে দু’পক্ষেরই বেশ কয়েক জন আহত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রায় ৩০০ চীনা সেনা তাওয়াঙের ওই সেক্টরে অনুপ্রবেশ করেছিল। এক পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক ঊর্ধ্বতন সেনা স্তরের আলোচনায় মুখোমুখি অবস্থান থেকে পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মতৈক্য হয়। ইতিমধ্যে তা কার্যকরও হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চীনা ও ভারতীয় সেনার সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়। নয়াদিল্লির অভিযোগ ছিল, অনুপ্রবেশকারী চীনা সেনাদের ভারতীয় সেনা বাধা দেওয়াতেই ওই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র : <a href="https://www.reuters.com/world/india/indian-chinese-troops-clashed-dec-9-minor-injuries-both-sides-ani-quoting-2022-12-12/">রয়টার্স</a>, <a href="https://www.washingtonpost.com/world/indian-army-indian-chinese-troops-clash-at-disputed-border/2022/12/12/84c99e50-7a31-11ed-bb97-f47d47466b9a_story.html">ওয়াশিংটন পোস্ট</a> ও আনন্দবাজার পত্রিকা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/48203/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2022/12/13/022638_bangladesh_pratidin_india-china-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গুজরাট সেতু ট্র্যাজেডির মাঝেই পুনেতে এবার হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/202059/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/202059/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Nov 2022 04:13:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=202059</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের গুজরাটে সেতু দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দেশটির আরেক রাজ্য পুনের এক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকালে পুনের লুল্লানগর এলাকায় জেকে হোটেলে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। জানা গেছে, হোটেলের চার তলায় আগুনের সূত্রপাত। সেখানকার জানালা, দরজা এবং দেওয়াল কাচের তৈরি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের গুজরাটে সেতু দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দেশটির আরেক রাজ্য পুনের এক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার সকালে পুনের লুল্লানগর এলাকায় জেকে হোটেলে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, হোটেলের চার তলায় আগুনের সূত্রপাত। সেখানকার জানালা, দরজা এবং দেওয়াল কাচের তৈরি হওয়ায় ধোঁয়ার আধিক্য রয়েছে। কাচের মধ্যে দিয়ে ধোঁয়া বের হওয়ার পথ পাচ্ছে না। ফলে ভিতরে ধোঁয়া জমে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে। দমকলকর্মীরা কাচ ভেঙে ধোঁয়া করছেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জেকে হোটেলের ওই বাড়িটিতে একাধিক অফিস ও দোকান রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে সেখানে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভিতরে কেউ আটকে পড়েছেন কি না, তা-ও দেখছেন দমকল কর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই হোটেলের কিছু কর্মী রাতে সেখানেই ঘুমান। তারা ভিতরেই আটকে পড়েছেন কি না, বোঝার চেষ্টা করছে পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কীভাবে আগুন লাগল, তা-ও স্পষ্ট করে জানা যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গুজরাটের মোরবি এলাকায় ঝুলন্ত সেতু দুর্ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৪১ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সূত্র: <a href="https://aninews.in/news/national/general-news/maharashtra-fire-breaks-out-in-pune-restaurant-fire-tenders-water-tankers-deployed20221101095127/" target="_blank" rel="noopener">এএনআই</a></strong></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/202059/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com//assets/news_images/2022/11/01/111326_bangladesh_pratidin_Fire.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারতকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এক পা দক্ষিণ আফ্রিকার । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/202049/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/202049/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মনোরঞ্জন ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 Oct 2022 15:55:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=202049</guid>

					<description><![CDATA[টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৫ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোহিত শর্মার দল। এই জয়ে গ্রুপ &#8216;২&#8217; থেকে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো প্রোটিয়ারা। ৩ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ভারত। পার্থের অপ্টাস স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের অধিনায়ক রোহিত। ব্যাটসম্যানদের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৫ উইকেটের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোহিত শর্মার দল। এই জয়ে গ্রুপ &#8216;২&#8217; থেকে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো প্রোটিয়ারা। ৩ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">পার্থের অপ্টাস স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের অধিনায়ক রোহিত। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে সূর্যকুমার যাদবের ফিফটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৩ রান করে ভারত। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অ্যাইডেন মার্করামের ফিফটি এবং ডেভিড মিলারের দুর্দান্ত ইনিংসে ২ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে প্রোটিয়ানরা।</p>
<p style="text-align: justify;">পার্থে এদিন আগে ব্যাটিং করা ভারতের কেবল তিন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারে। এরমধ্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৬৮ রান আসে সূর্যের ব্যাট থেকে। ৪০ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছয়ে এই রান করেন সূর্য। ভারতের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে অধিনায়ক রোহিতের ব্যাট থেকে, সংখ্যাটা মাত্র ১৫ রান। এছাড়া কোহলি করেন ১২ রান।</p>
<p style="text-align: justify;">লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম দুই ওভারের মধ্যে ৩ রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর্শদীপের দুর্দান্তে সুইংয়ে পরাস্ত হন দুই ইনফর্ম ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক (১ রান) এবং রাইলি রুশো (শূন্য রান)। অফফর্মের পিকে থাকা বাভুমাও ১০ রানের বেশি করতে পারেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">চতুর্থ উইকেট জুটিতে মার্করাম এবং মিলার ৭৬ রানের জুটি গড়ে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। মার্করাম ফিফটি হাঁকিয়ে ৫২ রান করে ফিরলে ভাঙে জুটিটি। সঙ্গী ফিরলেও মিলার আরেক প্রান্তে ঠান্ডা মাথায় খেলে ফিফটি হাঁকিয়ে ৪৬ বলে ৩টি করে চার-ছয়ে ৫৬ রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/202049/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dailyjanakantha.com/media/imgAll/2022June/India-Afrika-2210301444.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>অগ্নিপথ কী? কেন ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ভারত? । WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2134/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2134/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Jun 2022 04:45:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2134/</guid>

					<description><![CDATA[ভারত সরকারের নেওয়া এক প্রকল্পকে ঘিরে আন্দোলনে-বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। ক্ষোভে ফেটে পড়া দেশটির জনতা ইতোমধ্যেই আন্দোলন করেছে বিহার, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পশ্চিমবঙ্গ ও মধ্য প্রদেশে। একদিনের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ১২টি ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ক্ষোভের আগুনে যেন জ্বলছে ভারত। যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। আন্দোলন দমন করতে বিভিন্ন রাজ্যে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারত সরকারের নেওয়া এক প্রকল্পকে ঘিরে আন্দোলনে-বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। ক্ষোভে ফেটে পড়া দেশটির জনতা ইতোমধ্যেই আন্দোলন করেছে বিহার, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পশ্চিমবঙ্গ ও মধ্য প্রদেশে।</p>
<p style="text-align: justify;">একদিনের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ১২টি ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ক্ষোভের আগুনে যেন জ্বলছে ভারত। যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। আন্দোলন দমন করতে বিভিন্ন রাজ্যে পুলিশি গুলি ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে জনতার ক্ষোভ প্রশমণ করে বিক্ষোভ কমাতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছে সরকার। উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ব্যাস্ত দেশটির মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, আমলারা। প্রকল্পে ছাড়-সংরক্ষণেরও ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু তাতে ক্ষোভ কমার লক্ষণ নেই। এক কথায় এই প্রকল্পটি নিয়ে একটু বেকাদায় পড়ে গেছে ভারতের সরকার।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><strong>অগ্নিপথ প্রকল্প কী?</strong></h3>
<p style="text-align: justify;">যে প্রকল্প ঘিরে ভারতে ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে সেটি সেনাবাহিনীর জওয়ান নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পটির নাম ‘অগ্নিপথ’। সরকারের বক্তব্য, অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার যুবক সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা হলো, চার বছর প্রশিক্ষণের পর দুই-তৃতীয়াংশকেই অবসর নিতে হবে। তবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, নিয়মানুবর্তিতা, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থেকে একটি বিশাল সামাজিক পরিবর্তন আশা করছে সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, ১৭-২১ বছরের তরুণ-তরুণীরা চার বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক সেনায় যোগ দিতে পারবেন। তাদের বলা হবে ‘অগ্নিবীর’। দেশটির সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্টে কী ধরনের শূন্যপদ তৈরি হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করছে কতজন করে প্রতিবছর নিয়োগ করা হবে। শূন্যপদ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চতুর্থ বছরের শেষে সেই ব্যাচের সর্বাধিক ২৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই অন্তর্ভূক্তিরও আবার কয়েকটি শর্ত রয়েছে। প্রথম বছর নেওয়া হবে ৪০ হাজার তরুণকে। প্রথম বছর তারা পাবেন ৩০ হাজার টাকা। চতুর্থ বছরে সেই টাকার অংক দাঁড়াবে ৪০ হাজারে। আয়ের ৩০ শতাংশ তারা সঞ্চয় করতে পারবেন। সমপরিমাণ টাকা দেবে সরকারও। চার বছরের মেয়াদ শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২৫ শতাংশকে স্থায়ী কর্মী হিসেবে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হবে। বাকি ৭৫ শতাংশকে দেওয়া হবে ১০-১১ লক্ষ টাকা ভাতা। যা হবে সম্পূর্ণ করমুক্ত।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><strong>কেন অগ্নিপথ প্রকল্প?</strong></h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প যুব সমাজকে দেশসেবা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ। নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি প্রশিক্ষিত বিকল্প বাহিনী তৈরি হবে। আর এভাবে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ হলে সাশ্রয় হবে অনেক। সেই টাকা সেনাবাহিনীর উন্নতির কাজে লাগবে। কেনা হবে আরও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও প্রযুক্তি।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের গড় বয়স ৩২ বছর। অগ্নিবীর নিয়োগ হলে ১০ বছরের মধ্যে এই গড় নেমে আসবে ২৬ বছরে। ভারত পাবে শারীরিক সামর্থ্যে ভরপুর তরতাজা এক সেনাবাহিনী।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><strong>অগ্নিপথ ঘিরে কেন ক্ষোভের আগুন?</strong></h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতে গত সপ্তাহে প্রকল্পটি ঘোষণার পরেরদিন থেকে প্রতিবাদ শুরু হয় দেশটির বিভিন্ন অংশে। বিহার ও উত্তর প্রদেশে প্রথমে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ সেনাবাহিনীর চাকরির ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। সরকারি চাকরি ও স্থায়িত্বের কারণে গরিব ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের তরুণেরা মূলত সেনাবাহিনীতে চাকরিকে বেছে নেন। কিন্তু নতুন এই প্রকল্পে তারা চাকরির নিশ্চয়তা দেখছেন না। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের পর প্রতিবাদ ক্রমশই ছড়িয়ে পড়ে দেশটির রাজ্যে রাজ্যে। রাজস্থান, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশসহ অন্য কয়েকটি রাজ্যের তরুণরা মূলত প্রতিবাদ জানায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-683628 size-full" src="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2022/06/agnipath5.jpg" alt="অগ্নিপথ কী? কেন ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ভারত?" width="800" height="600" /></p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>অগ্নিপথ বাতিলের দাবিতে কলকাতায় রেল স্টেশনে ভাঙচুর</strong></em></p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, দেশটির যে রাজ্যগুলির যুবকদের সেনাবাহিনীতে যোগদানের হার বেশি, সেখানেই আন্দোলন অতিমাত্রায় ছড়াচ্ছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><strong>বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যের ফুলঝুরি</strong></h3>
<p style="text-align: justify;">নিয়োগপ্রত্যাশী আন্দোলনের সপক্ষে কথা হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন মহলেই। বামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জনতার এই আন্দোলনটিকে অনেকটা লুফে নিয়েছে। প্রতিবাদ কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে। প্রশ্ন উঠছে চার বছর ট্রেনিংয়ের পর ‘অগ্নিবীর’ যারা চাকরি পাবেন না, তাদের কী হবে? এতে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে? বিশেষ করে তারা যেখানে সেনাবাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এতে দেশের বেকারত্বের তেমন কোনো সুরাহা হবে না। উলটো, চাকরি পাওয়ার উপযুক্ত যোগ্যতা অর্জনকারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু তাদের চাকরি থাকবে না।</p>
<p style="text-align: justify;"><img loading="lazy" decoding="async" class="aligncenter wp-image-683619 size-full" src="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2022/06/agnipath3.jpg" alt="অগ্নিপথ কী? কেন ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ভারত?" width="800" height="600" /></p>
<p style="text-align: justify;"><strong><em>অগ্নিপথ প্রকল্পকে ঘিরে হায়দ্রাবাদে ট্রেনে অগ্নিসংযোগ</em></strong></p>
<p style="text-align: justify;">তবে এক্ষেত্রে সরকারের বক্তব্য, ভারতই এক মাত্র দেশ নয়, যেখানে এ ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি সেনাবাহিনীতে নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে বা শুরু হচ্ছে। এর আগে ইসরায়েল, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, চিন, ইউক্রেনসহ অন্যান্য দেশেই যুবসমাজকে দায়িত্ব পালনের আওতায় সাময়িক ভাবে সেনাবাহিনীতে নিজেদের অবদান রাখতে হয়। আর তাই, এ ধরনের নিয়োগকে কর্মসংস্থানের সুযোগ হিসেবে বিবেচনা না করে দেশের জন্য অবদান রাখার অপরিহার্য হিসেবেই বিবেচনা করা দরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের এই যুক্তিরও পাল্টা বক্তব্য আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে বিষয়টি অন্য দেশগুলোর মতো নয়। কারণ এখানে দেশপ্রেমের চেয়ে কর্মসংস্থানের দিকটাই আরও বড়ো করে দেখা হয় বা দেখানো হয়। সরকারের এই নতুন প্রকল্প দেশের অর্থ বাঁচাবে এটি সত্যি কিন্তু এতে ভারতীয় সেনা ‘সিকিউরিটি এজেন্সি’-তে পরিণত হবে বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2134/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.deshrupantor.com/assets/news_images/2022/06/17/India.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
	</channel>
</rss>
