<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ঈদুল আজহা &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/eid-ul-adha/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Sat, 15 Jun 2024 06:58:38 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>ঈদুল আজহা &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বিশ্বে দেশে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/141229/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/141229/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Jun 2024 05:58:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঈদুল আজহা]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=141229</guid>

					<description><![CDATA[সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিমপ্রধান দেশসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা পবিত্র ঈদুল আজহা বুধবার উদযাপন করছেন। ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান এবং ভারতসহ এশিয়ার বেশিরভাগ অংশ বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা পালন করবে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা উল্লিখিত তিনটি দেশেই। মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিনে পবিত্র আল আকসা মসজিদে পশ্চিম তীরের মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিমপ্রধান দেশসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা পবিত্র ঈদুল আজহা বুধবার উদযাপন করছেন। ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান এবং ভারতসহ এশিয়ার বেশিরভাগ অংশ বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা পালন করবে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা উল্লিখিত তিনটি দেশেই।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিনে পবিত্র আল আকসা মসজিদে পশ্চিম তীরের মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, মিসর ও জর্ডানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঈদ একটি আনন্দের উপলক্ষ যার মধ্যে বিশেষ খাদ্য একটি অপরিহার্য বিষয়। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্য এবার মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের অনেকাংশ জুড়ে সমস্যা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলেছেন, তারা এবার কুরবানির পশু কেনার অর্থের সংস্থান করতে পারেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">আফগানিস্তানে ঈদের আগে সাধারণত পশুর হাটে বেশ ভিড় থাকে। কিন্তু এই বছর তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতি কারণে উৎসবের বিশেষ আয়োজন ছিল। উত্তর আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরীফের একটি পশুর হাটে মোহাম্মদ নাদির বলেন, ‘সবাই আল্লাহর নামে একটি পশু কোরবানি করতে চায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আল-শাতি শরণার্থী শিবির, লিবিয়ার যুদ্ধকবলিত ত্রিপোলিতেও দ্রব্যমূল্য ও সহিংসতা মানুষকে কষ্ট দিয়েছে। তবে জমকালো উৎসব হোক বা না হোক, মুসলিমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছেন। করোনাভাইরাস-সম্পর্কিত বিধিনিষেধের পরে বিশ্বের বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি স্বস্তি যুগিয়েছে। কেনিয়া থেকে রাশিয়া এবং সেখান থেকে মিশর পর্যন্ত বিশ্বের দেশে দেশে মুসলিমরা কাতারবন্দি হয়ে প্রার্থনা করেছেন সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে।</p>
<p style="text-align: justify;">‘এত লোককে ঈদের নামাজে দেখে আমার খুব খুশি লাগছে’, বলেন কায়রোর হাস্যোজ্জ্বল অধিবাসী সাহার মোহাম্মদ।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/141229/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/5d45878c7a4529c7329570b85ed0f569a4f83a74a74f021b.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোরবানির পশু নিয়ে বড়াই নয়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/14437/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/14437/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 15 Jun 2024 05:00:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঈদুল আজহা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=14437</guid>

					<description><![CDATA[চলছে কোরবানির মৌসুম। শহর-গঞ্জে বসেছে পশুর হাট। হরদম কেনাবেচায় কোরবানিদাতাদের চোখে মুখে আনন্দের ঝিলিক। আল্লাহর রাহে কোরবানি দেওয়ার সুযোগ এসেছে। নিজের কষ্টার্জিত অর্থের একটি অংশ আল্লাহর জন্য বিলিয়ে দেওয়ার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এই যে ফিবছর আমরা কোরবানি করি, পশুর গলায় ছুরি চালিয়ে মহান প্রভুর সন্তুষ্টি কামনা করি এর ইতিহাস খুবই প্রাচীন। মানুষের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চলছে কোরবানির মৌসুম। শহর-গঞ্জে বসেছে পশুর হাট। হরদম কেনাবেচায় কোরবানিদাতাদের চোখে মুখে আনন্দের ঝিলিক। আল্লাহর রাহে কোরবানি দেওয়ার সুযোগ এসেছে। নিজের কষ্টার্জিত অর্থের একটি অংশ আল্লাহর জন্য বিলিয়ে দেওয়ার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এই যে ফিবছর আমরা কোরবানি করি, পশুর গলায় ছুরি চালিয়ে মহান প্রভুর সন্তুষ্টি কামনা করি এর ইতিহাস খুবই প্রাচীন।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের ইতিহাস নিয়ে যারা গবেষণা করেন তাদের ভাষ্যমতে, পৃথিবীতে মানুষের বিচরণ শুরু হওয়ার সময় থেকেই কোরবানির প্রচলন হয়। আল কোরআনেও একই কথা বলা হয়েছে। হজরত আদম (আ.)-এর দুই ছেলে হাবিল আর কাবিল দুজনে প্রথম কোরবানি করেন। ঘটনাটি হলো, আদম (আ.)-এর সময় ভাইবোনের মধ্যে বিয়ের প্রচলন ছিল। মা হাওয়া (আ.) একসঙ্গে দুই সন্তান প্রসব করতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একজন ছেলে অন্যজন মেয়ে। নিয়ম হলো, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর আগেরবার যারা জন্মগ্রহণ করেছেন তাদের সঙ্গে পরেরবার জন্ম নেওয়া জুটির বিয়ে হবে। অর্থাৎ একই সময় জন্ম নেওয়া দুই ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে হওয়া নিষেধ। এটাই আদম (আ.)-এর শরিয়তের বিধান। কিন্তু এ নিয়ম মানতে নারাজ কাবিল। কাবিল জেদ ধরল তারই সঙ্গে জন্ম নেওয়া বোন আকলিমাকে বিয়ে করবে সে। আকলিমা ছিল দেখতে অপরূপ। রূপের কারণেই কাবিল তাকে হাতছাড়া করতে চাইল না। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী আকলিমার বর হওয়ার কথা তারই বড় ভাই হাবিলের। হাবিল বলল, হে ভাই আমার! তুমি আল্লাহর শরিয়ত লঙ্ঘন কোরো না। আমার জন্য আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন তাতে আমি সন্তুষ্ট। তুমিও তোমার তাকদির নিয়ে আনন্দিত থাকো।</p>
<p style="text-align: justify;">হাবিলের এমন মধুর দাওয়াতেও কাবিল অনড়। বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া বাড়তে বাড়তে আদম (আ.) পর্যন্ত গড়াল। কাবিল নাছোড়বান্দা। হাবিলের পক্ষেও সম্ভব নয় শরিয়তের বাইরে যাওয়া। আদম (আ.) দেখলেন অবস্থা খুবই জটিল পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। তিনি বললেন, এক কাজ কর; তোমরা দুজনই আল্লাহর রাহে কোরবানি কর। যার কোরবানি আল্লাহর রাহে কবুল হবে সে আকলিমার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবে। তখন নিয়ম ছিল, কোরবানির জন্তু একটি নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে রেখে আসতে হতো।</p>
<p style="text-align: justify;">যার জন্তু বা সামগ্রী আসমানি আগুন এসে পুড়িয়ে ফেলত, তার কোরবানি কবুল হয়েছে ধরে নিত। আর যার জন্তু বা সামগ্রী অক্ষত রয়েছে তার কোরবানি গৃহীত হয়নি বলে বিবেচিত হতো। যেই কথা সেই কাজ। হাবিল কোরবানির জন্তু নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আসে। হাবিলের সামর্থ্যমতো একটি পশু সে পাহাড়ের ওপর রেখে আসে।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে কাবিল মোটাতাজা বড় একটি পশু রেখে আসে। কাবিল মনে করেছিল, দেখতে মোটাতাজা হলেই আল্লাহ সে পশু গ্রহণ করবেন। কিন্তু দেখা গেল, আল্লাহ হাবিলের কোরবানি কবুল করলেন, কাবিলেরটা ফিরিয়ে দিলেন। (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া) এ ঘটনাটি আল কোরআনে এভাবে বলা হয়েছে, ‘আদমের দুই পুত্রের বৃত্তান্ত তুমি তাদের যথাযথভাবে শোনাও, যখন তারা দুজনই কোরবানি করেছিল, তখন একজনের কোরবানি কবুল হলো এবং অন্যজনের কবুল হলো না। আল্লাহ তো কেবল মুত্তাকিদের কোরবানিই কবুল করেন।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত ২৭) এখানে কোরবানি কবুল হওয়ার জন্য মুত্তাকি বা আল্লাহভীরু মনের কথা বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">হাবিলের মধ্যে এটা ছিল তাই তাঁর কোরবানি আল্লাহর দরবারে কবুল হয়। কিন্তু কাবিলের মধ্যে এর অভাব ছিল ফলে তার কোরবানি কবুল হয়নি। আমাদের মধ্যে যাদের কোরবানির সামর্থ্য আছে অবশ্যই হাবিল-কাবিলের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আমরা যা-ই কোরবানি করি না কেন, তা যেন হয় লৌকিকতামুক্ত। কোরবানি শুধু হবে আল্লাহর জন্য। অনেকে কোরবানির পশু কিনে বলেন, এতে গোশত কম হবে। ঠকা হয়ে গেল। অথবা বলেন, কোনোরকম রক্ত ঝরাতে পারলেই হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">ভালো পশুর দরকার নেই। এসব চিন্তা সঠিক নয়। আপনার সামর্থ্য থাকলে আপনি সবচেয়ে দামি পশু কোরবানি করবেন। বিদায় হজে রসুল (সা.) ১০০ উট কোরবানি করেছিলেন। আর কোরবানি যেহেতু আল্লাহর জন্য হবে তাই পশুর গোশত কম হবে না বেশি হবে, গরু কিনে ঠকা হলো, জিত হলো এসব আলাপ না করাই ভালো। আল্লাহ আমাদের বোঝার তৌফিক দিন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/14437/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="http://c.files.bbci.co.uk/DE7B/production/_115055965_gettyimages-827928912.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মহানবী (স.) যেভাবে কোরবানির গোস্ত বণ্টন করতেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/291333/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 29 Jun 2023 10:31:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্ম বার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[ঈদুল আজহা]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=291333</guid>

					<description><![CDATA[ইসলাম ধর্মের ইতিহাস যতটা প্রাচীন, কোরবানির ইতিহাস ততটাই প্রাচীন। মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ ও দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব ইদুল আযহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য লাভের ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম কোরবানি। এ পন্থায় ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে মানুষের সর্বাধিক প্রিয়বস্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে হয়। পশু কোরবানির ফলে অন্তর হবে পরিশুদ্ধ। আর এটাই হলো কোরবানির মূল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইসলাম ধর্মের ইতিহাস যতটা প্রাচীন, কোরবানির ইতিহাস ততটাই প্রাচীন। মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ ও দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব ইদুল আযহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য লাভের ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম কোরবানি। এ পন্থায় ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে মানুষের সর্বাধিক প্রিয়বস্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে হয়। পশু কোরবানির ফলে অন্তর হবে পরিশুদ্ধ। আর এটাই হলো কোরবানির মূল প্রেরণা।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি করা পশুর মাংস ভাগ করার একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মহানবী (সা.) কোরবানির পশুর মাংস ভাগ করার নিয়ম সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) কোরবানির মাংস একভাগ নিজের পরিবারকে খাওয়াতেন, একভাগ গরীব প্রতিবেশীদের দিতেন এবং একভাগ দিতেন গরীব-মিসকিনদের।</p>
<p style="text-align: justify;">আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন- ‘অতঃপর তোমরা উহা হতে আহার কর এবং দুঃস্থ, অভাবগ্রস্থকে আহার করাও। (সূরা হজ্ব-২৮)। রাসূলুল্লাহ (স.) কোরবানির গোশত সম্পর্কে বলেছেন- ‘তোমরা নিজেরা খাও ও অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ কর।’(বোখারি-৫৫৬৯)। ‘আহার করাও’ বাক্য দ্বারা অভাবগ্রস্থকে দান করা ও ধনীদের উপহার হিসেবে দেয়াকে বুঝায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে কোরআনের আয়াত ও হাদিসে ৩টি ভাগের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে,পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়নি। রাসুলুল্লাহ (সা.) হতে পরিমাণ নির্দিষ্ট করার কোনো স্পষ্ট আমল পাওয়া যায় না। রাসুলুল্লাহর আমলে তিনি প্রত্যেক কোরবানির পশু হতে কিছু কিছু করে নিয়ে রান্না করতেন, বাকিটা পুরোটাই দান ও বিতরণ করে দিতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) হতে একটি আছার (বক্তব্য) পাওয়া যায়, ‘কোরবানির পশু বা হাদি হতে ১/৩ তোমার পরিবারের জন্য, ১/৩ তোমার আত্নীয়-প্রতিবেশীর জন্য, ১/৩ গরিব মিসকিনের জন্য। তাহলে সাহাবাদের আমল থেকে পরিমাণ নির্দিষ্ট করার প্রমাণ পাওয়া যায়।’ যদি প্রয়োজন হয়, গরিব কোরবানি করেছে, পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি বা তার চেয়ে অভাবী আশেপাশে আর কেউ নেই তাহলে যদি পুরোটাই নিজেরা খায়, সেটাও জায়েজ। তার চেয়ে সচ্ছলদেরকে বিতরণ করতে হবে, এটা জরুরি নয়। তবে এখলাস থাকতে হবে, নিয়ত শুদ্ধ হতে হবে। সর্বোপরি কোরবানি আল্লাহর সন্তষ্টির উদ্দেশে হতে হবে। অথবা কোনো অংশই না খেয়ে পুরোটাই দান করে দিলে—এটাও জায়েজ।</p>
<p style="text-align: justify;">আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) এর একটি আছার— ‘এটা আল্লাহ পাক হতে অনুগ্রহ; কোরবানির মাংস পুরোটা নিজেরা খাওয়া যাবে, দরিদ্রদের দান করা যাবে বা পুরোটা উপহার হিসেবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের বিতরণ করা যাবে। এছাড়া ইবন মাসঊদ (রা.) কুরবানীর গোশত তিনভাগ করে একভাগ নিজেরা খেতেন, একভাগ যাকে চাইতেন তাকে খাওয়াতেন এবং একভাগ ফকির-মিসকিনকে দিতেন বলে উল্লেখ রয়েছে। ইসলামের বিভিন্ন ইমামগণও কোরবানির গোশতকে তিনভাগ করাকে মুস্তাহাব বলে উল্লেখ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কোরবানির মাংস আত্মীয় ও গরীবদের মাঝে বিতরণ না করাটা খুবই গর্হিত কাজ। এতে কৃপণতা প্রকাশ পায়। কারণ কোরবানির মাধ্যমে কোরবানিদাতা অহংকার থেকে নিরাপদ থাকেন এবং তার অন্তর পরিশুদ্ধ থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামি জ্ঞানে বুৎপত্তি অর্জন করা আলেমগণ বলেন, কোরবানির মাংস নিজে রেখে একা একা খাওয়া কখনোই উচিত নয়। এতে নিজের অন্তরের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পায়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.jugantor.com/assets/news_photos/2022/07/11/image-571636-1657516224.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
	</channel>
</rss>
