<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ডিজিএফআই &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/dgfi/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Mon, 05 Aug 2024 02:02:48 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>ডিজিএফআই &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>কারফিউ অমান্য করে ছাত্রদের সঙ্গে নামছে জনতা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/464117/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Aug 2024 02:02:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পিবিআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=464117</guid>

					<description><![CDATA[দেশব্যাপী চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে এরই মধ্যে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ। এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে অভিভাবক, গৃহিণীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরাও। বিভিন্ন স্লোগানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশব্যাপী চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে এরই মধ্যে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ। এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে অভিভাবক, গৃহিণীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরাও। বিভিন্ন স্লোগানে গলা মিলিয়েছে সর্বস্তরের জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের গতকাল প্রথম দিনে রাজধানী ঢাকা পরিণত হয় বিক্ষোভের নগরীতে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে অসহযোগ কর্মসূচির কারণে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে সারা দেশ। গতকাল দিনভর আন্তজেলা পর্যায়ে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সারা দেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রাজধানী ঢাকা। অসহযোগ কর্মসূচির মধ্যেই আজ ঢাকামুখী লং মার্চ নামে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে সরকার ঘোষিত কারফিউ।<br />
<strong>লাশ নিয়ে মিছিল-স্লোগান : </strong>চলমান আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় লাশ নিয়ে মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ আন্দোলন ঘিরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ হয়েছে। বেড়েই চলছে নিহতের সংখ্যা।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আন্দোলনে নিহত চারজনের লাশ নিয়ে গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। সেখান থেকে একজনের লাশ নিয়ে শাহবাগে মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। সন্ধ্যা ৬টায় কারফিউ জারির পর শাহবাগে ভিড় কমতে থাকে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ গুলি ছুড়তে শুরু করে। এ সময় শাহবাগ মোড়ে কয়েক শ আন্দোলনকারী অবস্থান করছিলেন। আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটও ছোড়া হয়। পরে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে এক নিহতের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয়রা। গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার ধারাবহরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে গুলিবিদ্ধ হন দুজন। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানান, দুপুরে গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে ছাত্র-জনতা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তাদের সরিয়ে দিতে যায় পুলিশ, সেখানে বিজিবিও উপস্থিত ছিল। পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে ছাত্র-জনতার তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ও বিজিবি পিছু হটতে বাধ্য হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানীজুড়ে গত কয়েকদিনের বিক্ষোভ সমাবেশে রোজগারের কথা চিন্তা না করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্লোগানে গলা মেলাতে দেখা গেছে রিকশাচালকদেরও। ঘরকন্না ছেড়ে রাজপথের মিছিলে শামিল হয়েছেন সাধারণ গৃহিণীরাও। ’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর দেশের সাধারণ মানুষকে এভাবে কোনো আন্দোলনে শামিল হতে দেখা যায়। আন্দোলনে চলমান সহিংসতা উপেক্ষা করে গণমানুষের এই সম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে মহানগরীর পাড়া-মহল্লায়ও।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অল্প কয়েকজন অভিভাবককে দেখা গেলেও আন্দোলন যত গড়িয়েছে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অভিভাবকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। কেউ কেউ শুরুতে সন্তানের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আন্দোলন স্থলে এলেও এখন তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাবি আদায়ে নিজ সন্তানের সঙ্গেই স্লোগানে গলা মেলাচ্ছেন। গত শুক্রবার বিকালে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এই আবাসিক এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দাদেরও তাদের সন্তানসহ রাস্তায় নেমে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিল করতে দেখা যায়। এই মিছিলে আরও ছিলেন এলাকার বয়স্ক নারী-পুরুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল দুপুরে মিরপুর ইসিবি চত্বরে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনে অভিভাবকদেরও অংশ নিতে দেখা যায়। বেশ কয়েকজন মাকে তার সন্তানদের নিয়ে আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তারা প্রধান সড়কের পাশেই পানি ও শুকনা খাবার হাতে গলির মুখে বসেছিলেন। আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থীর মা সাহিনা আক্তার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমার কলেজপড়ুয়া মেয়ে তার সহপাঠীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া নির্যাতনের প্রতিবাদে আন্দোলন করছে। মা হিসেবে আমি প্রথমে ওর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ওপর যেভাবে নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছে, তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, একজন অভিভাবক হিসেবে এটি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আন্দোলনে যে শিক্ষার্থীদের মৃত্যু হয়েছে তারা আমারই মেয়ের বয়সী, আমার সন্তানের মতো। নৈতিকভাবে আমিও এখন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও ‘জাস্টিস, জাস্টিস উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে গলা মেলাতে দেখা যায়। শাহবাগ ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সন্তানদের নিয়ে অভিভাবকদেরও একাত্মতা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর, প্রগতি সরণি, বনশ্রীসহ আরও বেশ কিছু এলাকায় অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিতে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এ ছাড়া রাজধানীর ফার্মগেটে দেশের চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, থিয়েটারসহ দৃশ্য মাধ্যমের কর্মীরা এরই মধ্যে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে পয়লা আগস্ট সমবেত হন। বাদ যাননি সংগীতশিল্পীরাও। ‘গেট আপ স্ট্যান্ড আপ’ শিরোনামে ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে সমবেত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তারাও সংহতি প্রকাশ করেন। এরই মধ্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সারা দেশে নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন সাংবাদিকরা। আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষও।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঢাকামুখী নতুন কর্মসূচি আজ :</strong> অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যেই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনরত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ সোমবার ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে সরকার ঘোষিত কারফিউ। গতকাল এক বিবৃতিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষে এ ঘোষণা দেন অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। অন্যান্য সমন্বয়কও একযোগে এ কর্মসূচির লিখিত ও ভিডিও বার্তা প্রচার করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি গভীর সংকটময় মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমাদের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি মঙ্গলবারের পরিবর্তে আজ সোমবার পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।</p>
<p style="text-align: justify;">পূর্বঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল প্রথম দিনে সকাল থেকেই রাজপথে নামতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে অংশ নেন শিক্ষক-অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে দুপুরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের একটি অংশের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ, বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে মৃত্যুর খবরের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষণা করে সরকার। এ কারফিউ প্রত্যাখ্যান করে  এই ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচি ঘোষণা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-জনতাকে খুন করা হয়েছে। চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার সময় এসে গেছে। ইতিহাসের অংশ হতে সবাই ঢাকায় আসুন। আশপাশের জেলাগুলো থেকে সবাই আজ ঢাকায় আসবেন। আর যাদের সুযোগ রয়েছে তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকায় এসে মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা রাজপথগুলোতে অবস্থান নিন। চারদিক থেকে আমরা গণভবনের দিকে রওনা হব। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুন্ডারা পুলিশের অস্ত্র দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করেছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার প্রতিরোধের মুখে তারা টিকে থাকতে পারেনি। রাজপথের পরাজিত শক্তি হিসেবে তারা বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করতে হবে। এই সমন্বয়ক বলেন, আনন্দের বিষয় হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আবার মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, আপনারা এই দেশের নাগরিক। আপনারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। আপনারা দেশের পক্ষে ও দেশের জনগণের জন্য কাজ করবেন। কোনো খুনি রাজনৈতিক দলের জন্য কাজ করবেন না। এটিই দেশের জনগণ আপনাদের কাছে প্রত্যাশা করে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">২৭ থানা-ফাঁড়িতে হামলা, ১৪ পুলিশ সদস্য নিহত, আহত তিন শতাধিক</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক আন্দোলন ঘিরে আজ রোববার দেশের বিভিন্ন জায়গায় ২৭টি থানা-ফাঁড়ি, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, রেঞ্জ অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব ঘটনায় তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ সদর দপ্তর আজ এক বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">হামলা ও ভাঙচুরের শিকার থানা-ফাঁড়িগুলো হলো রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানা, টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা, বগুড়ার সদর, দুপচাঁচিয়া ও শেরপুর থানা, নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি; জয়পুরহাট সদর থানা, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা, রংপুরের গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ; ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও  আশুগঞ্জ থানা, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর থানা; হবিগঞ্জের মাধবপুর ফাঁড়ি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিস, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং দিনাজপুর সদর থানা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সন্ত্রাসী হামলায় আজ সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানার ১৩ ও কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য: নাহিদ</h3>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশে একটা গৃহযুদ্ধ তৈরি করতে চায়।’ তিনি এসময় তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও গন্তব্য পরিষ্কার। বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য। আমরা এখনো সময় দিচ্ছি। সরকার যদি এখনো সহিংসতা চালিয়ে যায়, আমরা কিন্তু গণভবনের দিকে তাকিয়ে আছি। শেখ হাসিনাকে ঠিক করতে হবে, এখনো সহিংসতা চালাবেন, রক্তপাত চালাবেন, নাকি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে পদত্যাগ করবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে আজ রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগ মোড়সহ আশপাশের এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। বেলা তিনটার দিকে শাহবাগে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে দেশকে একটা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ছাত্র-জনতা যেকোনো মুহূর্তের জন্য প্রস্তুত। আজকে লাঠি তুলে নিয়েছি। যদি লাঠিতে কাজ না হয়, আমরা অস্ত্র তুলে নিতে প্রস্তুত। আপনারা প্রতিরোধ করুন, রুখে দাঁড়ান, সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশছাড়া করতে হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">নাহিদ বলেছেন, ‘আমাদের এক দফা দাবি ঘোষণা হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা ঘোষণা বাকি। আমাদের যদি গুম-খুন করা হয়, গ্রেফতার করা হয়, যদি ঘোষণা দেওয়ার মতো কেউ না থাকে, আপনারা আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আর যদি আমার ভাইদের বুকে গুলি করা হয়, আমার বোনদের কেউ আহত হয়, আমরা বসে থাকব না। পাড়ায়-পাড়ায়, গ্রামে-গ্রামে, মহল্লায়-মহল্লায়, অলিতে–গলিতে প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটি গঠন করুন। যেখানেই হামলা হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। আমরা এই সরকারকে মানি না। এখন থেকে দেশের নেতৃত্ব দেবে ছাত্র-জনতা। ছাত্র-জনতার ঘোষণা চূড়ান্ত ঘোষণা।’</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা এই খুনি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিচার নিশ্চিত করব এই বাংলার মাটিতে। পুনরায় মুঠোফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র এবার কোনো কাজে লাগবে না। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হলেও আমরা রাজপথে থাকব।’</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের পদত্যাগের এই আন্দোলনে আজ সোমবার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/05/010457_bangladesh_pratidin_5.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন : উত্তাল সারাদেশ, সংঘর্ষে নিহত ১৭</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/463611/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Aug 2024 09:59:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=463611</guid>

					<description><![CDATA[ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১০টার দিকে কযেক হাজার শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়। মিছিলটি আলীপুর গোরস্তানের সামনে গেলে তাদের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে কিছু যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। পরে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১০টার দিকে কযেক হাজার শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়। মিছিলটি আলীপুর গোরস্তানের সামনে গেলে তাদের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে কিছু যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। পরে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">হামলাকারীরা এ সময় আওয়ামী লীগ অফিস ও সেখানে রাখা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। এরপর শিক্ষার্থীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে থাকা শোক দিবসের গেট ভেঙে ফেলে। শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে জেলখানার সামনে দিয়ে যাবার সময় সেখানে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। সে সময় পুলিশ বিপুল সংখ্যক টিয়ারসেল ও হ্যান্ড গ্রেনেড ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। মিছিলকারীরা পরে রাজেন্দ্র কলেজের রুকসু ভবনের ছাত্রলীগের অফিস পুড়িয়ে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তারা যুবলীগ নেতার একটি রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর করে। এ সময় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন কমলাপুরস্থ বাড়িতে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। মিছিলকারীরা পরে থানা রোডে থাকা যুবলীগের মিছিলটি ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী কোতয়ালী থানায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশ এসময় টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে শিক্ষার্থীরা পূর্ব খাবাসপুর মোড়ে অবস্থান নেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। বেলা ১টার দিকে ফের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে জনতা ব্যাংক মোড় এলাকায়। শহরের বিভিন্ন স্থানে এখনো শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">রংপুরে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩, নিহতদের একজন আ.লীগ নেতা</h3>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে রংপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের <a href="https://sarabangla.net/post/sb-898176/" target="_blank" rel="noopener noreferrer"><strong>নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ</strong> </a>হয়েছে। এসময় আওয়ামী লীগের থানা কমিটির সভাপতি হারাধন রায় হারাসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক আহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে সিটি বাজারসংলগ্ন জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারের পাশে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় তারা নিহত হন। নিহত হারাধন রায় হারা নগরীর পশুরাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সর্দার আব্দুল জলিল ও মিজানুর রহমান মিজান তিনজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে দু’জনের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, সকাল ১০টা থেকে রংপুর টাউন হলের সামনে সড়কে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করে। এক ঘন্টার মধ্যে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী সেখানে জমায়েত হয়ে সরকারের পতনে এক দফা দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। ‘আগস্ট মাসে কিসের শোক, সবার আগে বিচার হোক’, ‘আমরা আছি থাকব, যুগে যুগে লড়ব’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছ’ বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত করে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অনেক অভিভাবকও আন্দোলনে যোগ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা, ইটপাটকেল নিয়ে ভাঙ্গা মসজিদের সামনে এগিয়ে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু যায়। আধাঘণ্টা ধরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ চলে। পরে আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে পিছু হটতে হয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। এসময় সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হারাধন হারাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের এখন আলোচনায় বসতে বলতেছেন, বঙ্গবন্ধু তো আলোচনায় বসেননি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমার ভাইয়ের লাশের ওপর দিয়ে আলোচনায় বসতে পারব না। তাই আর কোন আলোচনা নয়, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ করা ছাড়া এর কোনো সমাধান নাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সরকারের পেটোয়া বাহিনী প্রকাশ্যে গুলি চালাচ্ছে। আজকের কর্মসূচিতে আমাদের অন্তত দুইশো শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে আমরাই অনেকটা অবরুদ্ধ রয়েছি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’</p>
<h3 style="text-align: justify;">নওগাঁয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা</h3>
<p style="text-align: justify;">এক দফা দাবি আদায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে নওগাঁয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে শহরের কাজীর মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরে আন্দোলনকারীরা প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে বন্ধ হয়ে যায় যানচলাচল। এ সময় এক দফা দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে শোনা যায় তাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোল ঘিরে পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন করছি। এক দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">অপরদিকে শহরের সরিষাহাটির মোড়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">দফায় দফায় সংঘর্ষের পর সিলেটজুড়ে থমথমে অবস্থা</h3>
<p style="text-align: justify;">সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর সংঘর্ষ ছড়িয়েছে বিভিন্ন স্থানে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের পর সিলেটজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দুপুরে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। এসময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের ইটপাটকেলের জবাবে পুলিশ গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর কোর্ট পয়েন্টে আরও কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলা ১টা থেকে নগরীর জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, বারুতখানা, জেলরোড, হাওয়াপাড়া, মিরবক্সটুলা, নয়াসড়ক ও আম্বরখানাসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেয়। সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে তারা যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। পুলিশ দেখামাত্র তারা ‘ভ‚য়া ভ‚য়া’ স্লোগান দিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।</p>
<p style="text-align: justify;">জবাবে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেণেড ছুঁড়ে। মুর্হুমুর্হু গুলির শব্দ ও সংঘর্ষের খবরে নগরজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আতঙ্কে নগরের গুরুত্বপুর্ণ সড়কের পার্শ্ববর্তী দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"> নগরীর বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থান নেওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">কুমিল্লায় গুলিতে যুবক নিহত</h3>
<p style="text-align: justify;">কুমিল্লার দেবিদ্বারে গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার দুপুর দেড়টায় দেবিদ্বার আজগর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরো অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। নিহত ওই যুবক আব্দুল রাজ্জাক রুবেল (২৬)। তিনি দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">রুবেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান। তিনি বলেন, রুবেলে মৃতদেহ শনিবার দেড়টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আনা হয়েছে। আমরা পরীক্ষা করে দেখি তার মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয়রা জানান, দেবিদ্বার নিউ মার্কেট স্বাধীনতা চত্ত্বরে অবস্থা নেয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৫ শতাধিক নেতাকর্মী। স্বাধীনতা চত্ত্বর থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান নেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ হন রুবেল।<br />
এছাড়া দফায় দফায় ক্ষমতাসীন দলের অস্ত্রধারী নেতাকর্মীদের সাথে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ইট পাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ভোলায় বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে আ.লীগের ব্যাপক সংঘর্ষ, আগুন</h3>
<p style="text-align: justify;">ভোলায় বৈষম‌্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লী‌গের ব‌্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় গ্রু‌পের অন্তত ২০/৩০ জন আহত হ‌য়ে‌ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় বাংলা স্কুল মোড় এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগ অফিস, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের অফিস ভাঙচুর করে আগুন জ্বা‌লিয়ে দেওয়া হয়। রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও বেশ কয়েক‌টি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দি‌কে বৈষম‌্যবিরোধী আন্দোলনের এক‌টি বিক্ষোভ মি‌ছিল ভোলা সরকা‌রি উচ্চ বিদ‌্যালয়ের মাঠসংলগ্ন ইলিশা বাসস্ট‌্যান্ড এলাকা থে‌কে শুরু হ‌য়ে বি‌ভিন্ন সড়ক ঘুরে বাংলাস্কুল মোড় এলাকায় এলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রথমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও পবরর্তীতে সংঘর্ষ বাধে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংঘর্ষের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">পিরোজপুরে ছাত্র-জনতার মিছিল বিক্ষোভ</h3>
<p style="text-align: justify;">কেন্দ্রঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা পিরোজপুরে কোন ধরনের বাধা ছাড়াই লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পিরোজপুর ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে জড়ো হয়। সেখানে সমাবেশ করার পর বিক্ষোভ মিছিলটি পুনরায় বাস স্ট্যান্ড থেকে সিও অফিস হয়ে শহরের দিকে প্রবেশ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে সাধারণ শিক্ষার্থী ছাড়াও নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেয়। এরপর মিছিলটি সরকারি মহিলা কলেজের সামনে থেকে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তারা সেখানে টিকতে না পেরে সরে পড়লে, রাস্তার দুইপাশে রাখা প্রায় অর্ধশত মোটরসাইকেলে ভাঙচুর চালানো হয়। তবে আওয়ামী লীগ এবং এর অংশ সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিলেও, বিক্ষোভকারীদের সাথে কোন সংঘর্ষ হয়নি। অন্যদিকে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও, বিক্ষোভকারীদের সাথে তাদের কোন সংঘর্ষ হয়নি। এদিকে দুপুরের দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ইবি সংলগ্ন মহাসড়কে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী-জনতা, গুরুতর আহত ১</h3>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিপরিষদের পদত্যাগের দাবিতে দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সংলগ্ন কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে অবস্থান অবরোধ করে রেখেছেন শিক্ষর্থীসহ কয়েক হাজার স্থানীয় জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে তারা সড়কের উপর অবস্থান নেন। দুপুর দুইটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ এ জনতা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে ১২ টার ক্যাম্পাস সংলগ্ন পূর্ব আবদালপুরে সহিদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। মাস্ক পরা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির দ্বারা মাথায় লাঠির আঘাতে তিনি আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে আহত ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যাম্পাসের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান আন্দোলনকারীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে থাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। দায়িত্বে থাকা চিকিৎসা জানান, মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে ফটক পেরিয়ে মহাসড়কে আসেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। তাদের সঙ্গে মিছিল নিয়ে যোগ দেয় ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শান্তিডাঙ্গা এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে শিক্ষার্থী ও জনতার মিছিল ক্যাম্পাস সংলগ্ন শেখপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে আবারো ফটকের দিকে এলে বিপরীত দিক থেকে হরিনারায়ণপুর এলাকা থেকে আসা সহস্রাধিক মানুষের আরেকটি মিছিল ফটকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া শেখপাড়া, মধুপুর, হরিনারায়ণপুরসহ বিভিন্ন এলাকার নানা শ্রেণি পেশার মানুষকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিতে দেখা গেছে। এদিকে দুপুর দেড়টায় আন্দোলনকারীরা, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কক্ষ থেকে বের করে দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে মহাসড়কে বিক্ষোভকারীরা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন। বিক্ষোভ চলাকালে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীদের ইবি ফটকের ওপর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত বিলবোর্ড, ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর জন্য দেওয়া মাইক, পাশে থাকা চেয়ার ভাঙচুর করতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের মিছিল চলাকালে ফটকের সামনে আগে থেকেই অবস্থান পুলিশ, আনসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ পুলিশ-আনসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিকে এগিয়ে গেলেও অন্যরা মানবঢাল তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা করা প্রতিহত করেন। পরে স্থানীয়রা যোগ দিলে পুলিশকে নিরাপদ দূরত্বে চলে যেতে দেখা যায়। বর্তমানে পুলিশ ইবি থানায় অবস্থান করছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">আন্দোলনকারীদের দখলে সিরাজগঞ্জ শহর, গুলিতে নিহত ১</h3>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ শহরের সবগুলো রুট দখলে নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাধারণ জনতা এবং জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিক সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার সকাল থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আন্দোলনকারীরা। কয়েকঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় শহরের বাজার স্টেশন, এসএস রোড, মুজিব সড়ক, রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সংঘর্ষে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে বলে জানা গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি। এছাড়াও সাতজন গুলিবিদ্ধসহ ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পিছু হটলে পুরো শহর দখল করে নেয় আন্দোলনকারী ছাত্র ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় ড. জান্নাত আরা হেনরীর বাসা, জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়, সাবেক এমপি হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাসা, আওয়ামী নেতা বিমল কুমার দাসের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও জেলা জজ আদালত, এসিল্যান্ড অফিস, মুক্তির সোপান স্মৃতিসৌধ, শিল্পকলা একাডেমিসহ শহরের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে চয়ন ইসলাম এমপির বাসা ভাঙচুর করা হয়। বেলকুচি ও উল্লাপাড়া আওয়ামী লীগ অফিসে আগুন দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের সুপারিন্টেনডেন্ট ডা. রতন কুমার জানান, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালে ১৪ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সাতজন গুলিবিদ্ধ।</p>
<h3 style="text-align: justify;">বগুড়ায় আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত ২</h3>
<p style="text-align: justify;">বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার দুপুরে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহত একজনের নাম মুনিরুল ইসলাম (৩৪)। তার বাড়ি কাহালু উপজেলার বীরকেদার এলাকায়। মুনিরুল মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। অপরজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। এছাড়া সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৯ জন ভর্তি রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনাকারীরা অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া উপজেলার সামনে সকাল ১০টার দিকে অবস্থান নেন। সেখানে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন তারা। এসময় উত্তেজিত জনতা নেতাকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা করেন। পরে সেখানে থাকা একটি পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। উপজেলা ভূমি অফিসসহ একাধিক সরকারি স্থাপনায় হামলা করা হয়। এ সময় পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ থানার মধ্যে অবস্থান নেয। তখন আন্দোলনকারীরা থানার গেট ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরে থানার মধ্য থেকে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় ১২ জন গুলিবিদ্ধ হন। আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে আহত হয়ে মুনিরুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান।</p>
<p style="text-align: justify;">বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছা. শামসুন্নাহার জানান, মুনিরুলের মাথায় গুলি লেগেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, সংঘর্ষে আহত একজকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (শজিমেক) নিয়ে আসা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া এদিন দুপুরে বগুড়ার শেরপুর থানায় হামলা করে আন্দোলকারীরা। এসময় ১১ জন আহত হন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/04/140330_bangladesh_pratidin_bagura.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হলেন যারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/368590/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Jan 2024 05:10:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সিআইডি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=368590</guid>

					<description><![CDATA[দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬১টি আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা। আওয়ামী লীগ ২২৩ আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা ঢাকা বিভাগ ঢাকা-৪ মো. আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ মশিউর রহমান মোল্লা সজল, ঢাকা-১৮ মো. খসরু চৌধুরী, ঢাকা-১৯ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। নরসিংদী-৩  সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ আবদুল লতিফ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬১টি আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা। আওয়ামী লীগ ২২৩ আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">ঢাকা বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা-৪ মো. আওলাদ হোসেন, ঢাকা-৫ মশিউর রহমান মোল্লা সজল, ঢাকা-১৮ মো. খসরু চৌধুরী, ঢাকা-১৯ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। গাজীপুর-৫ আখতারুজ্জামান। নরসিংদী-৩  সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) সোহরাব উদ্দিন। মানিকগঞ্জ-১ সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ, মানিকগঞ্জ-২ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু। মুন্সিগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর-গজারিয়া) মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব। মাদারীপুর-৩ তাহমিনা বেগম। ফরিদপুর-৩ (সদর) আব্দুল কাদের আজাদ, ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-চরভদ্রাসন-সদরপুর) মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">চট্টগ্রাম বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আব্দুল মোতালেব এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মুজিবুর রহমান। কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) আবদুল মজিদ, কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) জাহাঙ্গীর আলম সরকার, কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে এমএ জাহের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) সৈয়দ এ.কে এমরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. মঈনুদ্দিন মঈন,<br />
লক্ষ্মীপুর-৪ মো. আবদুল্লাহ।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">খুলনা বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">যশোর-৫ মো. ইয়াকুব আলী, যশোর-৬ মো. আজিজুল ইসলাম। কুষ্টিয়া-১ মো. রেজাউল হক চৌধুরী, কুষ্টিয়া-২ মো. কামারুল আরেফিন, কুষ্টিয়া-৪ আবদুর রউফ। ঝিনাইদহ-২ মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">রাজশাহী বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">রাজশাহী-২ শফিকুর রহমান বাদশা, বগুড়া-৩ খান মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী, নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, নওগাঁ-৪ (মান্দা) এসএম ব্রহানী সুলতান মামুদ, নওগাঁ-৬ (রানীনগর-আত্রাই) ওমর ফারুক সুমন।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">বরিশাল বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">বরিশাল-৪ পঙ্কজ নাথ, পিরোজপুর-২ মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, পিরোজপুর-৩ মো. শামীম শাহনেওয়াজ। বরগুনা-১ গোলাম সরোয়ার টুকু।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">সিলেট বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আল্লামা হুছামউদ্দীন চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৪ ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) ড. জয়া সেনগুপ্তা।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">রংপুর বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">রংপুর-১ মো. আসাদুজ্জামান, রংপুর-৫ মো. জাকির হোসেন সরকার। দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) জাকারিয়া জাকা, নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) সাদ্দাম হোসেন পাভেল, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার, গাইবান্ধা-২ (সদর) শাহ সারোয়ার কবির।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;">ময়মনসিংহ বিভাগ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ময়মনসিংহ-১ মাহমুদুল হক সায়েম, ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৬ আব্দুল মালেক সরকার, ময়মনসিংহ-৭ আসনে এবিএম আনিসুজ্জামান, ময়মনসিংহ-৮ মাহমুদ হাসান সুমন, ময়মনসিংহ-১১ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ। শেরপুর-১ (সদর) মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু, জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি) আব্দুর রশিদ, নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন: শেখ হাসিনার অতিমানবীয় জয়, ক্ষমতায় আওয়ামি লীগ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/367187/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Jan 2024 05:05:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=367187</guid>

					<description><![CDATA[প্রতীক্ষার অবসান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিমানবীয় জয় শেখ হাসিনা, টানা চতুর্থ বারের মত ক্ষমতায় আওয়ামি লীগ। অংশগ্রহন করেননী প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সমূহ। ভোটের মাঠে নির্বাচনি লড়াইয়ে আওয়ামী লীগের নমিনেশন চেয়ে ছিলেন হাজার হাজার প্রার্থী। রবিবার অনুষ্ঠিত হল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, আর শেষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রতীক্ষার অবসান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিমানবীয় জয় <a href="https://albd.org/bn/pages/15/শেখ-হাসিনা" target="_blank" rel="noopener">শেখ হাসিনা</a>, টানা চতুর্থ বারের মত ক্ষমতায় <a href="https://albd.org/" target="_blank" rel="noopener">আওয়ামি লীগ</a>। অংশগ্রহন করেননী প্রধান বিরোধী দল <a href="https://www.bnpbd.org" target="_blank" rel="noopener">বিএনপি</a>সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সমূহ।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোটের মাঠে নির্বাচনি লড়াইয়ে <a href="https://worldbarta.com/news/350416/" target="_blank" rel="noopener">আওয়ামী লীগের নমিনেশন চেয়ে ছিলেন হাজার হাজার প্রার্থী</a>।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার অনুষ্ঠিত হল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, আর শেষ হয় বিকাল ৪টায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নওগাঁ-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে কেবল ময়মনসিংহ-৩ ছাড়া সব আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অনিয়মের কারণে ময়মনসিংহ-৩ আসনের ভোটের ফল ঘোষণা স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আসন অনুসারে নির্বাচিত ২৯৮ জনের নাম তুলে ধরা হল।</strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঢাকা বিভাগ</strong><br />
ঢাকা-১: সালমান এফ রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-২: কামরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৩: নসরুল হামিদ বিপু (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৪: আওলাদ হোসেন (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-৫: মশিউর রহমান মোল্লা সজল (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-৬: মোহাম্মদ সাঈদ খোকন (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৭: মোহাম্মদ সোলায়মান সেলিম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৮: আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৯: সাবের হোসেন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১০: ফেরদৌস আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১১: ওয়াকিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা:-১২: আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৩: জাহাঙ্গীর কবির নানক (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৪: মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৫: কামাল আহমেদ মজুমদার (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৬: ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৭: মোহাম্মদ এ আরাফাত (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৮: মো. খসরু চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-১৯: সাইফুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-২০: বেনজীর আহমেদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">গাজীপুর-১: আ ক ম মোজাম্মেল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-২: জাহিদ আহসান রাসেল (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-৩: রুমানা আলী (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-৪: সিমিন হোসেন রিমি (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-৫: আখতারউজ্জামান (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নারায়ণগঞ্জ-১: গোলাম দস্তগীর গাজী (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম বাবু (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-৩: আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-৪: এ কে এম শামীম ওসমান (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-৫: এ কে এম সেলিম ওসমান (জাতীয় পার্টি)</p>
<p style="text-align: justify;">টাঙ্গাইল-১: ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-২: তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-৩: আমানুর রহমান খান রানা (স্বতন্ত্র)<br />
টাঙ্গাইল-৪: আবদুল লতিফ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র)<br />
টাঙ্গাইল-৫: ছানোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র)<br />
টাঙ্গাইল-৬: আহসানুল ইসলাম টিটু (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-৭: খান আহমেদ শুভ (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-৮: অনুপম শাহজাহান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মুন্সিগঞ্জ-১: মহিউদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
মুন্সিগঞ্জ-২: সাগুফতা ইয়াসমিন (আওয়ামী লীগ)<br />
মুন্সিগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ ফয়সাল (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নরসিংদী-১: নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
নরসিংদী-২: আনোয়ারুল আশরাফ খান (আওয়ামী লীগ)<br />
নরসিংদী-৩: সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (স্বতন্ত্র)<br />
নরসিংদী-৪: নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (আওয়ামী লীগ)<br />
নরসিংদী-৫: রাজিউদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">রাজবাড়ী-১: কাজী কেরামত আলী (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজবাড়ী-২: জিল্লুল হাকিম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">গোপালগঞ্জ-১: মুহাম্মদ ফারুক খান (আওয়ামী লীগ)<br />
গোপালগঞ্জ-২: শেখ ফজলুল করিম সেলিম (আওয়ামী লীগ)<br />
গোপালগঞ্জ-৩: শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মাদারীপুর-১: নুর-ই-আলম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
মাদারীপুর-২:  শাজাহান খান (আওয়ামী লীগ)<br />
মাদারীপুর-৩: মোসা. তাহমিনা বেগম (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">ফরিদপুর-১: আবদুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ফরিদপুর-২: শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ফরিদপুর-৩: এ কে আজাদ (স্বতন্ত্র)<br />
ফরিদপুর-৪: মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">শরীয়তপুর-১: মো. ইকবাল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
শরীয়তপুর-২: এ কে এম এনামুল হক শামীম (আওয়ামী লীগ<br />
শরীয়তপুর-৩:  নাহিম রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">কিশোরগঞ্জ-১: সৈয়দ জাকিয়া নূর (আওয়ামী লীগ)<br />
কিশোরগঞ্জ-২: সোহরাব উদ্দিন (স্বতন্ত্র)<br />
কিশোরগঞ্জ-৩: মুজিবুল হক চুন্নু (জাতীয় পার্টি)<br />
কিশোরগঞ্জ-৪: রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (আওয়ামী লীগ)<br />
কিশোরগঞ্জ-৫: আফজাল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
কিশোরগঞ্জ-৬: নাজমুল হাসান পাপন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মানিকগঞ্জ-১: সালাহউদ্দিন মাহমুদ (স্বতন্ত্র)<br />
মানিকগঞ্জ-২: দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু (স্বতন্ত্র)<br />
মানিকগঞ্জ-৩: জাহিদ মালেক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চট্টগ্রাম বিভাগ</strong><br />
চট্টগ্রাম-১: মাহবুব উর রহমান রুহেল (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-২: খাদিজাতুল আনোয়ার সনি (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৩: মাহফুজুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৪: এসএম আল মামুন (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৫: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি)<br />
চট্টগ্রাম-৬: এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৭: ড. হাছান মাহমুদ (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৮: আবদুচ ছালাম (স্বতন্ত্র)<br />
চট্টগ্রাম-৯: ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১০: মহিউদ্দিন বাচ্চু (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১১: এম আব্দুল লতিফ (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১২: মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১৩: সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১৪: মো. নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১৫: আব্দুল মোতালেব (স্বতন্ত্র)<br />
চট্টগ্রাম-১৬: মজিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">কুমিল্লা-১: ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-২: আবদুল মজিদ (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৩: জাহাঙ্গীর আলম সরকার (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৪: আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৫: আবু জাহের (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৬: আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-৭: ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-৮: আবু জাফর মোহাম্মদ শামীম (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-৯: তাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-১০: আ হ ম মুস্তফা কামাল (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-১১: মুজিবুল হক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদপুর-১: ড. সেলিম মাহমুদ (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-২: মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-৩: ডা. দীপু মনি (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-৪: মুহাম্মদ শফিকুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-৫: মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান (স্বতন্ত্র)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: মঈন উদ্দিন মঈন (স্বতন্ত্র)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আনিসুল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: ফয়জুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নোয়াখালী-১: এইচ এম ইব্রাহিম (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-২: মোরশেদ আলম (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৩: মো. মামুনুর রশীদ কিরন (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৫: ওবায়দুল কাদের (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ আলী (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ফেনী-১: আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ফেনী-২: নিজাম উদ্দিন হাজারী (আওয়ামী লীগ)<br />
ফেনী-৩: লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)</p>
<p style="text-align: justify;">লক্ষ্মীপুর-১: আনোয়ার হোসেন খান (আওয়ামী লীগ)<br />
লক্ষ্মীপুর-২: নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন (আওয়ামী লীগ)<br />
লক্ষ্মীপুর-৩: মোহাম্মদ গোলাম ফারুক (আওয়ামী লীগ)<br />
লক্ষ্মীপুর-৪: মো. আবদুল্লাহ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">কক্সবাজার-১: সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি)<br />
কক্সবাজার-২: আশেক উল্লাহ রফিক (আওয়ামী লীগ)<br />
কক্সবাজার-৩: সাইমুম সরওয়ার কমল (আওয়ামী লীগ)<br />
কক্সবাজার-৪: শাহীন আক্তার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">রাঙামাটি: দীপংকর তালুকদার (আওয়ামী লীগ)<br />
খাগড়াছড়ি: কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (আওয়ামী লীগ)<br />
বান্দরবান: বীর বাহাদুর উশৈ শিং (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাজশাহী বিভাগ</strong><br />
রাজশাহী-১: ওমর ফারুক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-২: শফিকুর রহমান বাদশা (স্বতন্ত্র)<br />
রাজশাহী-৩: মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদ (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-৪: মো. আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-৫: মো. আব্দুল ওয়াদুদ (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-৬: মো. শাহরিয়ার আলম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নাটোর-১: অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র)<br />
নাটোর-২: শফিকুল ইসলাম শিমুল (আওয়ামী লীগ)<br />
নাটোর-৩: জুনাইদ আহমেদ পলক (আওয়ামী লীগ)<br />
নাটোর-৪: ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: জিয়াউর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: আব্দুল ওদুদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বগুড়া-১: সাহাদারা মান্নান (আওয়ামী লীগ)<br />
বগুড়া-২: শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (জাতীয় পার্টি)<br />
বগুড়া-৩: খান মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী (স্বতন্ত্র)<br />
বগুড়া-৪: এ, কে, এম রেজাউল করিম তানসেন (জাসদ)<br />
বগুড়া-৫: মজিবুর রহমান মজনু (আওয়ামী লীগ)<br />
বগুড়া-৬: রাগেবুল আহসান রিপু (আওয়ামী লীগ)<br />
বগুড়া-৭: ডা. মোস্তফা আলম নান্নু (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ-১: তানভীর শাকিল জয় (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-২: জান্নাত আরা হেনরী (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-৩: ডা. আব্দুল আজিজ (আওয়ামী লীগ<br />
সিরাজগঞ্জ-৪: শফিকুল ইসলাম শফি (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-৫: আবদুল মমিন মন্ডল (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-৬: চয়ন ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পাবনা-১: মো. শামসুল হক টুকু (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-২: আহমেদ ফিরোজ কবির (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-৩: মো. মকবুল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-৪: গালিবুর রহমান শরীফ (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-৫: গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নওগাঁ-১: সাধন চন্দ্র মজুমদার (আওয়ামী লীগ)<br />
নওগাঁ-৩: সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী (আওয়ামী লীগ)<br />
নওগাঁ-৪: এস এম ব্রহানী সুলতান মামুদ (স্বতন্ত্র)<br />
নওগাঁ-৫: নিজাম উদ্দিন জলিল জন (আওয়ামী লীগ)<br />
নওগাঁ-৬: মো. ওমর ফারুক সুমন (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>খুলনা বিভাগ</strong><br />
খুলনা-১: ননী গোপাল মণ্ডল (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-২: সেখ সালাউদ্দিন জুয়েল (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৩: এসএম কামাল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৪: আব্দুস সালাম মুর্শেদী (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৫: নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৬: মো. রশীদুজ্জামান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বাগেরহাট-১: শেখ হেলাল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
বাগেরহাট-২: শেখ সারহান নাসের তন্ময় (আওয়ামী লীগ)<br />
বাগেরহাট-৩: হাবিবুন নাহার (আওয়ামী লীগ)<br />
বাগেরহাট-৪: বদিউজ্জামান সোহাগ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">সাতক্ষীরা-১: ফিরোজ আহমেদ স্বপন (আওয়ামী লীগ)<br />
সাতক্ষীরা-২: আশরাফুজ্জামান আশু (জাতীয় পার্টি)<br />
সাতক্ষীরা-৩: আ ফ ম রুহুল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
সাতক্ষীরা-৪: এসএম আতাউল হক দোলন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">যশোর-১: শেখ আফিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-২: ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-৩: কাজী নাবিল আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-৪: এনামুল হক বাবুল (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-৫: ইয়াকুব আলী (স্বতন্ত্র)<br />
যশোর-৬: আজিজুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নড়াইল-১: বিএম কবিরুল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
নড়াইল-২: মাশরাফি বিন মর্তুজা (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মাগুরা-১: সাকিব আল হাসান (আওয়ামী লীগ)<br />
মাগুরা-২: বীরেন শিকদার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">কুষ্টিয়া-১: রেজাউল হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
কুষ্টিয়া-২: কামারুল আরেফিন (স্বতন্ত্র)<br />
কুষ্টিয়া-৩: মাহবুবউল আলম হানিফ (আওয়ামী লীগ)<br />
কুষ্টিয়া-৪: আবদুর রউফ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">মেহেরপুর-১: ফরহাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
মেহেরপুর-২: নাজমুল হক সাগর (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">চুয়াডাঙ্গা-১: সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (আওয়ামী লীগ)<br />
চুয়াডাঙ্গা-২: মো. আলী আজগার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঝিনাইদহ-১: মো. আব্দুল হাই (আওয়ামী লীগ)<br />
ঝিনাইদহ-২: মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী (স্বতন্ত্র)<br />
ঝিনাইদহ-৩: মো. সালাহ উদ্দিন মিয়াজী (আওয়ামী লীগ<br />
ঝিনাইদহ-৪: মো. আনোয়ারু আজীম আনার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বরিশাল বিভাগ</strong><br />
বরিশাল-১: আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (আওয়ামী লীগ)<br />
বরিশাল-২: রাশেদ খান মেনন (বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি)<br />
বরিশাল-৩: গোলাম কিবরিয়া টিপু (জাতীয় পার্টি)<br />
বরিশাল-৪: পঙ্কজ নাথ (স্বতন্ত্র)<br />
বরিশাল-৫: জাহিদ ফারুক (আওয়ামী লীগ)<br />
বরিশাল-৬: আব্দুল হাফিজ মল্লিক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ভোলা-১: তোফায়েল আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
ভোলা-২: আলী আজম মুকুল (আওয়ামী লীগ)<br />
ভোলা-৩: নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (আওয়ামী লীগ)<br />
ভোলা-৪: আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বরগুনা-১: গোলাম সরোয়ার টুকু (স্বতন্ত্র)<br />
বরগুনা-২: সুলতানা নাদিরা (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পটুয়াখালী-১: এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (জাতীয় পার্টি)<br />
পটুয়াখালী-২: আ স ম ফিরোজ (আওয়ামী লীগ)<br />
পটুয়াখালী-৩: এস এম শাহজাদা (আওয়ামী লীগ)<br />
পটুয়াখালী-৪: মহিব্বুর রহমান মহিব (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঝালকাঠি-১: ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (আওয়ামী লীগ)<br />
ঝালকাঠি-২: আমির হোসেন আমু (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পিরোজপুর-১: শ ম রেজাউল করিম (আওয়ামী লীগ)<br />
পিরোজপুর-২: মো. মহিউদ্দিন মহারাজ (স্বতন্ত্র)<br />
পিরোজপুর-৩: মো. শামীম শাহনেওয়াজ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সিলেট বিভাগ</strong><br />
সিলেট-১: ড. এ কে আব্দুল মোমেন (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-২: শফিকুর রহমান চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-৩: হাবিবুর রহমান হাবিব (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-৪: ইমরান আহমদ (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-৫: মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
সিলেট-৬: নুরুল ইসলাম নাহিদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">সুনামগঞ্জ-১: রনজিত চন্দ্র সরকার (আওয়ামী লীগ)<br />
সুনামগঞ্জ-২: ড. জয়া সেন গুপ্তা (স্বতন্ত্র)<br />
সুনামগঞ্জ-৩: এম এ মান্নান (আওয়ামী লীগ)<br />
সুনামগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ সাদিক (আওয়ামী লীগ)<br />
সুনামগঞ্জ-৫: মহিবুর রহমান মানিক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">হবিগঞ্জ-১: আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
হবিগঞ্জ-২: ময়েজ উদ্দিন শরীফ (আওয়ামী লীগ)<br />
হবিগঞ্জ-৩: আবু জাহির (আওয়ামী লীগ)<br />
হবিগঞ্জ-৪: ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">মৌলভীবাজার-১: মো. শাহাব উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
মৌলভীবাজার-২: শফিউল আলম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
মৌলভীবাজার-৩: মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
মৌলভীবাজার-৪: উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ময়মনসিংহ বিভাগ</strong><br />
ময়মনসিংহ-১: মাহমুদুল হক সায়েম (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-২: শরীফ আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-৪: মো. মোহিত উর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-৫: মো. নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৬: মো. আবদুল মালেক সরকার (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৭: এ বি এম আনিছুজ্জামান (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৮: মাহমুদ হাসান সুমন (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৯: আবদুস সালাম (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-১০: ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-১১: মো. আব্দুল ওয়াহেদ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নেত্রকোণা-১: মোশতাক আহমেদ রুহী (আওয়ামী লীগ)<br />
নেত্রকোণা-২: মো. আশরাফ আলী খান খসরু (আওয়ামী লীগ)<br />
নেত্রকোণা-৩: ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু (স্বতন্ত্র)<br />
নেত্রকোণা-৪: সাজ্জাদুল হাসান (আওয়ামী লীগ)<br />
নেত্রকোণা-৫: আহমদ হোসেন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">জামালপুর-১: নূর মোহাম্মদ (আওয়ামী লীগ)<br />
জামালপুর-২: ফরিদুল হক খান (আওয়ামী লীগ)<br />
জামালপুর-৩: মির্জা আজম (আওয়ামী লীগ)<br />
জামালপুর-৪: আবদুর রশীদ (স্বতন্ত্র)<br />
জামালপুর-৫: আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">শেরপুর-১: মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু (স্বতন্ত্র)<br />
শেরপুর-২: মতিয়া চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
শেরপুর-৩: এডিএম শহিদুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রংপুর বিভাগ</strong><br />
রংপুর-১: মো. আসাদুজ্জামান (স্বতন্ত্র)<br />
রংপুর-২: আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
রংপুর-৩: গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জাতীয় পার্টি)<br />
রংপুর-৪: টিপু মুনশি (আওয়ামী লীগ)<br />
রংপুর-৫: মো. জাকির হোসেন সরকার (স্বতন্ত্র)<br />
রংপুর-৬: ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">দিনাজপুর-১: মো. জাকারিয়া (স্বতন্ত্র)<br />
দিনাজপুর-২: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (আওয়ামী লীগ<br />
দিনাজপুর-৩: ইকবালুর রহিম (আওয়ামী লীগ)<br />
দিনাজপুর-৪: আবুল হাসান মাহমুদ আলী (আওয়ামী লীগ)<br />
দিনাজপুর-৫: মোস্তাফিজুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
দিনাজপুর-৬: মো. শিবলী সাদিক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নীলফামারী-১: মো. আফতাব উদ্দিন সরকার (আওয়ামী লীগ)<br />
নীলফামারী-২: আসাদুজ্জামান নূর (আওয়ামী লীগ)<br />
নীলফামারী-৩: মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল (স্বতন্ত্র<br />
নীলফামারী-৪: সিদ্দিকুল আলম (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">কুড়িগ্রাম-১: এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান (জাতীয় পার্টি)<br />
কুড়িগ্রাম-২: মো. হামিদুল হক খন্দকার (স্বতন্ত্র)<br />
কুড়িগ্রাম-৩: সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে (আওয়ামী লীগ)<br />
কুড়িগ্রাম-৪: মো. বিপ্লব হাসান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পঞ্চগড়-১: মো. নাঈমুজ্জামান ভুঁইয়া মুক্তা (আওয়ামী লীগ)<br />
পঞ্চগড়-২: মো. নুরুল ইসলাম সুজন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">লালমনিরহাট-১: মোতাহার হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
লালমনিরহাট-২: নুরুজ্জামান আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
লালমনিরহাট-৩:  অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঠাকুরগাঁও-১: রমেশ চন্দ্র সেন (আওয়ামী লীগ)<br />
ঠাকুরগাঁও-২: মো. মাজহারুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঠাকুরগাঁও-৩: হাফিজ উদ্দিন (জাতীয় পার্টি)</p>
<p style="text-align: justify;">গাইবান্ধা-১: আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার (স্বতন্ত্র)<br />
গাইবান্ধা-২: শাহ সারোয়ার কবীর (স্বতন্ত্র)<br />
গাইবান্ধা-৩: উম্মে কুলসুম স্মৃতি (আওয়ামী লীগ)<br />
গাইবান্ধা-৪: মো. আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ)<br />
গাইবান্ধা-৫: মাহমুদ হাসান রিপন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">জয়পুরহাট-১: সামছুল আলম দুদু (আওয়ামী লীগ<br />
জয়পুরহাট-২: আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বিডি প্রতিদিন/আজাদ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
