<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আওয়ামী লীগ &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<atom:link href="https://worldbarta.com/news/tag/awami-league/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<description>বিশ্ববার্তা । World Barta</description>
	<lastBuildDate>Thu, 22 Jan 2026 05:05:38 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.2</generator>

<image>
	<url>https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/cropped-WB_Logo-32x32.png</url>
	<title>আওয়ামী লীগ &#8211; Bengali Online News Portal in Bangladesh</title>
	<link>https://worldbarta.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র দিল্লিতে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/589958/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 05:05:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=589958</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার উৎখাত এবং পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে থেমে নেই ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা। আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তিন সপ্তাহও বাকি নেই। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে দিল্লি। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি মৌলবাদ তকমা দিয়ে চাপে ফেলতে চাইছেন দিল্লির নীতিনির্ধারকরা। শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার উৎখাত এবং পরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে থেমে নেই ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা। আসন্ন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তিন সপ্তাহও বাকি নেই। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পাশাপাশি মৌলবাদ তকমা দিয়ে চাপে ফেলতে চাইছেন দিল্লির নীতিনির্ধারকরা। শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগকে মাঠে নামানোর পাশাপাশি দিল্লিভিত্তিক বিভিন্ন ‘থিংক ট্যাংক’ মাঠে নেমেছে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতায়।</p>
<p style="text-align: justify;">গত কয়েক দিনে দিল্লিতে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন, বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিকদের দিল্লিতে ফিরিয়ে নেওয়া, বাংলাদেশে ইসলামি মৌলবাদের কল্পিত উত্থান নিয়ে দিল্লিতে সেমিনারের আয়োজন এবং সর্বোপরি আগামীকাল (শুক্রবার) দিল্লিতে কর্মরত ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনের সঙ্গে শেখ হাসিনার মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজনসহ নানা ধরনের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা শুরু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা ও দিল্লির একাধিক কূটনৈতিক সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, বাংলাদেশ নিয়ে দিল্লিতে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশবিরোধী এ তৎপরতা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না মোদি সরকারের নীতিনির্ধারকরা। বিএনপির ওপর পুরোপুরি আস্থা না রাখার পাশাপাশি ইসলামি দলগুলোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দিল্লি সর্বাত্মক বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতায় নেমেছে। এখন মোদি সরকারের প্রধান টার্গেট বাংলাদেশকে মৌলবাদী ট্যাগ দিয়ে চাপে ফেলার পাশাপাশি দেশটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্লেষকরা আরো বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আমরা একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছি। এ সময় দিল্লির বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা বৃদ্ধি গভীর উদ্বেগের বিষয়। গত ১৭ জানুয়ারি দিল্লি প্রেস ক্লাবে ভারতের ডিপস্টেট তথা গোয়েন্দা সংস্থার পরিকল্পনা ও সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। ওই সংবাদ সম্মেলনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বাংলাদেশ সরকারকে হুমকি দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হলে বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। কোনোভাবেই দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তারা আরো বলেন, আমরা শিগগির শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশে ফিরব এবং ক্ষমতায় যাব।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লির কাছে আপত্তি জানালেও তা উপেক্ষা করছে মোদি সরকার। ওই সংবাদ সম্মেলনের মাত্র দুদিন পর গত ২০ জানুয়ারি (বুধবার) দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ‘সিডস অব হেট : বাংলাদেশ’স এক্সিমিস্ট সার্জ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ অ্যান্ড আদার র‌্যাডিক্যাল অর্গানাইজেশনস’ শীর্ষক বইয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও ভারতীয় সাংবাদিক দীপাঞ্জন রায় চৌধুরীর যৌথভাবে সম্পাদিত এ বইয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠানে বিজেপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী এমজে আকবর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পংকজ সরণ, ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলী, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, শ্রুতি পাট্টানায়েক প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। আলোচকরা বাংলাদেশে ইসলামপন্থিদের মৌলবাদী আখ্যা দিয়ে তাদের উত্থানকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাদের দাবিÑকথিত এ মৌলবাদী শক্তির উত্থানের ফলে বাংলাদেশের রাজনীতির চিত্র পাল্টে যাচ্ছে, যা দেশটির জন্য অস্তিত্ব সংকট তৈরি করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পঙ্কজ সরণ তার বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে। এখন বড় প্রশ্ন হলোÑবাংলাদেশ তার অতীত থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে শুরু করতে পারবে কি না।</p>
<p style="text-align: justify;">এমজে আকবর বাংলাদেশ সম্পর্কে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ এখন অস্তিত্ব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটিতে এখন যারা সরকারে আছে, তাদের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ যে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা গণতান্ত্রিক নয়। এ পরিবর্তন যদি গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মধ্য দিয়ে হতো, তাহলে আজ এই বইয়ের প্রকাশনা বা এটা নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন পড়ত না।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য বক্তারা বাংলাদেশে কথিত মৌলবাদের উত্থানকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি বলে উল্লেখ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলোর পাশাপাশি ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনাকে ক্যামেরার সামনে দেখা যেতে পারে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পালিয়ে দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে হাসিনা এখনো ক্যামেরার মুখোমুখি হননি। দিল্লির অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে ‘ফরেন করেসপনডেন্স ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাব’।</p>
<p style="text-align: justify;">দিল্লির একটি নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণের। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার। আমন্ত্রণপত্রে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটির ব্যাপারে ঢাকার পক্ষ থেকে আপত্তি জানানোর পরও তা আমলে নেয়নি দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েক মাস আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ওই সময় এ ব্যাপারে ঢাকার পক্ষ থেকে আপত্তি জানানোর পর সংবাদ সম্মেলনটি শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আগামীকাল অনুষ্ঠেয় শেখ হাসিনার সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানটি রীতিমতো উসকানিমূলক বলে মনে করছেন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে বারবার দাবি জানালেও বিষয়টি প্রতিবারই এড়িয়ে গেছে দিল্লি। এ পরিস্থিতিতে দিল্লিতে শেখ হাসিনার কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে হাসিনার পাশে থাকা এবং ঢাকার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়ারই বার্তা দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ দিল্লির এ ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে আমার দেশ-এর সঙ্গে আলাপে বলেন, সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিতে এমন একটি সময়ে বাংলাদেশবিরোধী বিভিন্ন ধরনের তৎপরতা চোখে পড়ছে, যখন বাংলাদেশ আগামী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে অগ্রসর হচ্ছে। ভারত যা করছে তা অপ্রত্যাশিত নয়, তারা বাংলাদেশ নিয়ে এ ধরনের অপতৎপরতা চালিয়েই আসছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দিল্লি বাংলাদেশে কর্মরত তার কূটনীতিকদের পরিবার-পরিজনকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। এটা বড় ধরনের একটি বার্তা দেয়। ভারত আসলে বাংলাদেশ নিয়ে বড় ধরনের কোনো ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছে। সরকার, রাজনৈতিক দল এবং সর্বোপরি দেশের সাধারণ মানুষকে দিল্লির তৎপরতার বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে ইউনূস সরকারকে আরো বেশি চাপে ফেলতে চাচ্ছে দিল্লি। মোদি সরকার কোনোভাবেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ইউনূস সরকারকে মেনে নেয়নি। নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন জরিপে জামায়াত নেতৃত্বের ইসলামি দলগুলোর জোটের ভালো ফল করার আভাস মিলছে। বিষয়টিকে সামনে এনে ভারতের নীতিনির্ধারকরা বাংলাদেশকে মৌলবাদী ট্যাগ দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে চাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য- বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের এ তৎপরতার বিরুদ্ধে তেমন কেউ কিছু বলছেন না। একটি মৌলবাদী শক্তি এখন ভারত শাসন করছে। অথচ তারাই আবার কল্পিত মৌলবাদের ইস্যু সামনে এনে বাংলাদেশের দিকে আঙুল তুলছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://gonokantho.com/2025/12/18/GK_1766032969.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বেগম জিয়ার মৃত্যুতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দায় আছে: আইন উপদেষ্টা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/160118/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/160118/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 06:00:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[খালেদা জিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=160118</guid>

					<description><![CDATA[বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ড. আসিফ নজরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে গত ফ্যাসিস্ট আমলে জেলখানায় বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। নির্যাতন করেই তার জীবন বিপন্ন করে দেওয়া হয়েছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. আসিফ নজরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে গত ফ্যাসিস্ট আমলে জেলখানায় বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। নির্যাতন করেই তার জীবন বিপন্ন করে দেওয়া হয়েছে। তা নাহলে আমরা হয়তো তাকে এত তাড়াতাড়ি হারাতাম না। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, বেগম জিয়ার এই মৃত্যুর পেছনে ফ্যাসিস্ট যে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা এবং ওনার যে সরকার ছিল, অবশ্যই তার দায় রয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোকসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করার বিবরণ তুলে ধরে আইন উপদেষ্টা বলেন, গোটা বিশ্ব দেখেছে খালেদা জিয়াকে কীভাবে একটি মিথ্যা ও প্রহসনমূলক রায়ে জেলখানায় পাঠিয়ে অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছিল। ওই রায় ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। চূড়ান্ত রায়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সেটাই বলেছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/160118/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Asif_Nazrul_BxqgRDE.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাদির হামলাকারীকে ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/60023/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/60023/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 06:14:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=60023</guid>

					<description><![CDATA[ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। শনিবার দুপুর ২টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি এ পুরস্কারের কথা জনান। এদিকে গুলি করা একজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তার বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানানো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দুপুর ২টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি এ পুরস্কারের কথা জনান। এদিকে গুলি করা একজনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তার বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত দেয়ার কথাও জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অভিযুক্তের সন্ধানদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং উপযুক্ত পুরস্কৃত করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় করে যাওয়ার সময় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। ওই সময় মোটরসাইকেলে করে এসে দুইজন তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। পরে হাদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/60023/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Jahangir_Alam_Chowdhury.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে কাজ করছে ভারত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/369987/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 05:44:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=369987</guid>

					<description><![CDATA[শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে কাজ করছে ভারত। ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে আওয়ামী লীগ দেশে নাশকতার নানা ধরনের পরিকল্পনা করছে। সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। শনিবার যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে কাজ করছে ভারত। ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে আওয়ামী লীগ দেশে নাশকতার নানা ধরনের পরিকল্পনা করছে। সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। শনিবার যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারীকে ভারত সরকার আশ্রয় দিয়ে অলরেডি একটা নৈতিক অপরাধ করেছে। নির্বাচনকে বানচাল করতে আওয়ামী লীগ যে ষড়যন্ত্র করছে, হাদির ওপর হামলা তারই অংশ</p>
<p style="text-align: justify;">নাহিদ ইসলাম বলেন, এই ধরনের পরিবেশকে আমরা কিভাবে একত্রে মোকাবিলা করব এবং সেটার জন্য ফ্যাসিবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন, সেটা যাতে অটুট থাকে। ব্যক্তির সাথে বা একজন প্রার্থীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা না, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাও না। এটা আওয়ামী লীগ যে ষড়যন্ত্র ছক আঁকছে নির্বাচনকে ঘিরে সেটার একটা শুরু বলা যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, নির্বাচনে আমরা প্রতিযোগিতা করব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। একে অন্যের বিরুদ্ধে হয়তো কথা বলব। কিন্তু সেটা যাতে কখনোই একটা সীমাকে অতিক্রম না করে এবং আওয়ামী লীগকে যাতে কোনো সুযোগ সুবিধা করে না দেয়। এ ব্যাপারে আমরা সকলেই একমত পোষণ করেছি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান যেভাবে পরিকল্পিতভাবে ভিলিফাই করা হচ্ছে মিডিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় টকশোর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে আসার একটা স্বাভাবিককরণ প্রক্রিয়া, একটা নরমালাইজিং প্রসেস দেখতে পাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেখছি আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা গোপন মিটিং করার সুযোগ পাচ্ছে। আমরা কোর্ট পাড়ায় দেখতে পাচ্ছি যে জয় বাংলা স্লোগান হচ্ছে। আমরা টকশোতে দেখছি এরকম আওয়ামী পন্থী বুদ্ধিজীবীরা আসছে। আমরা ভোটের মাঠে দেখছি যে জাতীয় পার্টিকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এটা একটা পরিকল্পিত আয়োজন, আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে পুনর্বাসিত করা।</p>
<p style="text-align: justify;">নাহিদ ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগকে শুধু রাজনৈতিকভাবেই নয়, তাদেরকে মোকাবিলা করতে হবে প্রশাসনিকভাবে। কিন্তু একইভাবে বুদ্ধিভিত্তিকভাবে আওয়ামী লীগকে যারা রাজনীতির মাঠে আনার চেষ্টা করছে এটার বিরুদ্ধে আমাদের সকল দলকে তৎপর হতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এনসিপির এ নেতা বলেন, আগস্টের আগে ভারত আওয়ামী লীগকে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময় হস্তক্ষেপ করেছে ভারত। সরকারকে আমরা বলেছি যে বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক রাখতে হলে এই ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/nahid-8.jpeg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী দোসরদের নতুন জোট এনডিএফ, নেতৃত্বে যারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/63067/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/63067/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 05:22:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=63067</guid>

					<description><![CDATA[আগামী নির্বাচন হতে যাচ্ছে মব কালচারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানের ইমানুয়েলস পার্টি সেন্টারে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)’ এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আনিসুল ইসলাম বলেন, যাকেই দেখি -তার প্রথম প্রশ্ন নির্বাচন হবে কি-না। অর্থাৎ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আগামী নির্বাচন হতে যাচ্ছে মব কালচারের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানের ইমানুয়েলস পার্টি সেন্টারে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)’ এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আনিসুল ইসলাম বলেন, যাকেই দেখি -তার প্রথম প্রশ্ন নির্বাচন হবে কি-না। অর্থাৎ সরকার এখনো নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি। এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে মব কালচারের নির্বাচন। যদি না এই সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে না পারে। নির্বাচন যদি আমরা ঠিকভাবে না করতে পারি, অতীতের নির্বাচনগুলোর ভুল থেকে যদি আমরা শিক্ষা নিতে না পারি, তাহলে কিভাবে সম্ভব? বর্তমান যে অবস্থা চলছে সে অবস্থা থাকলে এটি প্রকৃত একটি মব কালচারের নির্বাচন হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমাদের যে সুযোগ এসেছে -সেটিকে ভালোভাবে কাজে লাগানো উচিত। কারণ নির্বাচনই গণতন্ত্রের প্রথম ও প্রধান পাথেয়। নির্বাচন কমিশন বলছে তারা প্রস্তুত। কিন্তু আমরা এর কোন প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি না। আমরা আশা করি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করে নির্বাচনকে সঠিকভাবে আয়োজন করা হবে। যাতে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">জোট সম্পর্কে তিনি বলেন, ১৮টি দল একীভূত হয়ে আমরা আজ জোট করেছি। এই জোট কেবল নির্বাচনি জোট নয়, এটি রাজনৈতিক জোট। আমাদের জোটে অংশগ্রহণকারীরা এতে সম্মতি দিয়েই অংশগ্রহণ করছে। দেশ যে বিভাজনের মাঝে আছে আমরা সে বিভাজন দূর করে একটি ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি উপহার দিব।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাত্র ৩ মাসের মাঝেই এর আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলো প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করে ফেলেছিল। ১৯৯২, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচন মানুষের কাছে এখনও গ্রহণযোগ্য। এরকম পরিবেশ কেন সৃষ্টি করা হচ্ছে না?</p>
<p style="text-align: justify;">আনিসুল ইসলাম আরো বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি একটি শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন অর্থনীতির জন্য। আমরা অনেক ভুল করেছি। আমরা দলীয় ভাবে সেই ভুলের জন্য ক্ষমাও চেয়েছি। কিন্তু &#8211; একটা সরকারকে পালিয়ে যেতে হয় সেটি আমরা চাই না।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধপূর্ণ বক্তব্য নিয়ে তিনি বললেন, জুলাই আন্দোলনের পর আমরা দেখছি প্রধান দলগুলো একজন অপরজনের অতীত নিয়ে কথা বলছে। এটি আমরা চাই না। আমরা চাই ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা হোক। আমরা আমাদের প্রশাসন, পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নতি না করে কে ৭১ এ কী করেছে, কে আগে কী করেছে সেটা চিন্তা করছি। আমরা এসব চাই না। আমরা চাই পুরোনো সব ভুলে যেতে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় আরো বক্তব্য রাখেন ফ্রন্টটির প্রধান উপদেষ্টা &#8211; আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, রুহুল আমিন হাওলাদার, গোলাম সারোয়ার মিলন প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/63067/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/anisul.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর বিদ্রোহ : ভারত, হাসিনা, সেলিম, তাজ, তাপস ও কর্ণেল শামস ছিল মূল কালপ্রিট</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585693/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 05:41:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=585693</guid>

					<description><![CDATA[পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সেনা হত্যাযজ্ঞের তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে ঘুরেফিরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাতিজা ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নামই বেশি এসেছে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এই স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাপসের সংশ্লিষ্টতার আদ্যোপান্ত খুঁজে বের করেছে। তদন্তের আগে গণমাধ্যমের রিপোর্টেও তাপস ছিলেন আলোচিত। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর পুরো পরিকল্পনা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সেনা হত্যাযজ্ঞের তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে ঘুরেফিরে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাতিজা ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের নামই বেশি এসেছে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এই স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাপসের সংশ্লিষ্টতার আদ্যোপান্ত খুঁজে বের করেছে। তদন্তের আগে গণমাধ্যমের রিপোর্টেও তাপস ছিলেন আলোচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর পুরো পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয় এবং সমন্বয়ের জন্য তাপসের অফিস ও বাসায় একাধিক বৈঠক হয়। তাপসের অফিসে এ রকম এক বৈঠকে বসেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের নিয়ে পিলখানা হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। ভারতীয় কমান্ডো ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ২৪ জন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কমিশন তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার তাপসের ফুপু। শেখ পরিবারের আরেকজন প্রভাবশালী সদস্য বর্তমানে পলাতক শেখ সেলিমও এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে তদন্ত কমিশন সাক্ষ্যপ্রমাণে নিশ্চিত হয়েছে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজও এই পরিকল্পনার কথা জানতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ভারতের সহায়তায় ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের পাতানো নির্বাচনে হাসিনা ক্ষমতায় বসেন। এরপর পরিকল্পিত উপায়ে মাত্র দুই মাসের মধ্যে দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের পর্যায়ক্রমে বিডিআরে পদায়ন করা হয়। এর আগে রৌমারী, বড়াইবাড়ী ও পদুয়া সীমান্তে বিডিআরের হাতে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ, সেনা মনোবল ভেঙে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য বিস্তারের বাসনা নিয়ে সুপরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে কমিশন মনে করে।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, পদুয়া ও রৌমারীর যুদ্ধ বিডিআরের ইতিহাসে শৌর্য, বীর্য ও বীরত্ব প্রদর্শনের অবিস্মরণীয় একটি ঘটনা। ওই খণ্ডযুদ্ধে বিএসএফের যে শোচনীয় ও লজ্জাজনক পরাজয় ঘটে, ভারত কখনোই তা মেনে নিতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানায় সংঘটিত বর্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন প্রায় ১১ মাস তদন্ত শেষে গত রোববার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। এই কমিশনের প্রধান হলেন মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্ত কমিশনের ৩৬০ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যারিস্টার তাপসের বাসায় আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের উপস্থিতিতে বিডিআর সদস্যদের একাধিক বৈঠক হয়। একটি বৈঠকে অফিসারদের জিম্মি করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়, পরে তা পরিবর্তন করে হত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ সেলিমের উপস্থিতিতে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার ২৪ জনের একটি দল বৈঠকে অংশ নেয়। সেখানে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তাপসকে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টদের নিরাপদে পালিয়ে যেতে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একাধিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, লেদার লিটন ও তোরাব আলী। এসব পরিকল্পনা সম্পর্কে ৪৪ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিও কর্নেল শামস অবগত ছিলেন এবং তাপস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সিদ্ধান্তের অনুমোদন নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সাধারণ বিডিআর সদস্যদের ডাল-ভাত কর্মসূচি নিয়ে ক্ষোভকে উসকে দিয়ে বিডিআর বিদ্রোহ সৃষ্টি করার মাধ্যমে মূল পরিকল্পনা দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা হয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিডিআরের কিছু সদস্যের সঙ্গে শেখ তাপস, শেখ সেলিমসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। বাসা, অফিস, মসজিদেও এ রকম কিছু বৈঠক হয় বলে সাক্ষ্যপ্রমাণে বেরিয়ে এসেছে। বাস্তবায়ন ও হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যে বিডিআর সদস্যদের মধ্যে বিপুল অর্থ বিতরণ করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্তে উঠে আসে, সংসদ সদস্য গোলাম রেজা ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পিলখানা এলাকায় আলাউদ্দিন নাসিম, সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাকে দেখেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সূত্র বলেছে, বিদ্রোহ শুরুর পর ক্যাপ্টেন তানভীর হায়দার নূর স্ত্রীকে পিলখানায় ভারতীয় এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড) সদস্যদের উপস্থিতির কথা জানান। তার স্ত্রী তাসনুভা মাহা জানান, তিনি বিডিআরের পোশাক পরা তিনজনকে হিন্দিতে গালাগাল করতে শোনেন। সেদিন পিলখানায় হিন্দি, পশ্চিমবঙ্গীয় টানে বাংলা এবং অচেনা ভাষায় কথোপকথন শোনার কথা একাধিক সাক্ষী জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮২৭ জন ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তাদের মধ্যে ৬৫ জনের বহির্গমনের তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সময়ে ১ হাজার ২২১ জনের বহির্গমনের তথ্য থাকলেও ৫৭ জনের আগমনের কোনো রেকর্ড ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। বিষয়টি আরো তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে কমিশন প্রতিবেদনে সুপারিশ করেছে। বিদেশি ভাষা শোনা, বহিরাগতদের পলায়ন, কল তালিকায় বিদেশি নম্বর, ক্যাপ্টেন তানভীরের শেষ কথোপকথনসহ বিভিন্ন তথ্যকে কমিশন প্রতিবেদনে ভারতের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রতিবেদনের ৭২ নম্বর অনুচ্ছেদের বিদেশি সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে ভারতের সংশ্লিষ্টতা এবং এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কারা-কীভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন, তার বিস্তারিত উঠে আসে।</p>
<p style="text-align: justify;">ক. ২০০৮ সালের জুন মাসে, আনুমানিক ১ থেকে ৬ বা ৮ তারিখের মধ্যে, মেজর নাসির নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার বরিশালে ডিজিএফআইয়ের লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুস সালামের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুস সালামের সঙ্গে দেখা করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এরই ধারাবাহিকতায় মেজর নাসির লে. কর্নেল সালামের সঙ্গে দেখা করেন এবং দুটি বই উপহার দিয়ে নিম্নলিখিত তথ্য দিয়েছিলেন—</p>
<p style="text-align: justify;">“মেজর নাসির জানান, তিনি সম্প্রতি বিদেশ থেকে ফিরেছেন। একই এয়ারক্রাফটে তিনি আওয়ামী লীগের কিছু শীর্ষ নেতাকে দেখেছেন, যারা ভারতের বারাসাতে ‘র’-এর সঙ্গে বৈঠক করে ফিরছিলেন। সেখানে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহসহ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একটি বড় ষড়যন্ত্র পরিকল্পনা করেছে। তাদের বক্তব্য ছিল, আগামী ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে সেনাবাহিনী যেন নৈতিকভাবে দাঁড়াতে না পারে, সেভাবে আঘাত হানার পরিকল্পনা তারা করছে।” লে. কর্নেল সালাম সঙ্গে সঙ্গে ডিজিএফআইয়ের ডিরেক্টর সিআইবি ব্রিগেডিয়ার বারীকে বিষয়টি অবহিত করেছিলেন; কিন্তু তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো লে. কর্নেল সালামকে তিরস্কার করেছিলেন। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৫৭)</p>
<p style="text-align: justify;">খ. ২০০৮ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি মেজর (অব.) নাসির উদ্দিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি কলকাতা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং ইন্ডিয়ান হাইকমিশনে টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করেন। প্রথমবার সেখানে গেলে মেজর নাসিরকে তার ভিসার জন্য ডিফেন্স উইংয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরের দিন মেজর নাসির হাইকমিশনে আবার যান, রিসিপশনে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করেন। তারপর তাকে বলা হয়, আগে নিরাজ শ্রীবাস্তবের সঙ্গে দেখা করতে হবে। প্রথম সাক্ষাৎটি ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। দিল্লি থেকে আসা তরুণ কর্মকর্তা মেজর নাসিরকে বিস্কুট ও কফি অফার করেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অর্ধঘণ্টা আলোচনা করেন এবং মেজর নাসিরকে পরের দিন আসতে বলেন। দ্বিতীয় দিন তিনি কিছুটা গম্ভীর হয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আবেগপ্রবণ এবং পাকিস্তানের দর্শন অনুসরণ করে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আর্মি, নেভি ও এয়ার ফোর্সের ডকট্রিন পাকিস্তানের সঙ্গে একই। এরপর তিনি মেজর নাসিরকে পদুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। মেজর নাসির বলেন, তিনি আমেরিকায় অবস্থান করার কারণে কিছু জানেন না। নিরাজ শ্রীবাস্তব বলেন, Padua-তে বিডিআর ১৬-১৭ জন বিএসএফ সদস্যকে হত্যা করেছে। এটি ছিল একটি গুরুতর উসকানিমূলক ঘটনা। তিনি বলেন, ‘Padua will not go unchallenged and unpunished.’ ২০০৮ সালে আরেকবার এক উচ্চপদস্থ ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে মেজর নাসিরের দেখা হয়। তিনি মাসটি স্মরণ করতে পারেননি, তবে ঘটনাগুলো সবই ২০০৮ সালের মধ্যে হয়েছিল। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৯৫) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জানা যায়, Mr. Niraj Srivastava ২০০৬ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনে Minister পদবিতে নিয়োজিত ছিলেন। (সূত্র : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পত্র নম্বর : ১৯.০০.০০০০.৭৩০.২৮.৩৭.২৫-২৩১৯, তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫, সংযোজনী : ৫৩)</p>
<p style="text-align: justify;">গ. ঘটনা-পূর্ব ষড়যন্ত্রে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ এবং শেখ সেলিমের উপস্থিতিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর ২৪ জনের একটি কিলার গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক হয়। নায়েক শহীদুর রহমান তার ঘনিষ্ঠ তোরাব আলীর (অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রকারী, পরে জেলখানায় মৃত) বরাতে বলেন, ‘ভারতীয়দের সঙ্গে বৈঠকের পরে পুরো পরিকল্পনা সাজানো হয় এবং সমন্বয় করার জন্য শেখ ফজলে নূর তাপসের বাসায় বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিল নানক, মির্জা আজম, ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, লেদার লিটন এবং তোরাব আলী। সেখানে যখন জানানো হয় যে অফিসারদের হত্যা করা হবে, তখন তোরাব আলী সেখানে আপত্তি করেন। তিনি বলেন, অফিসারদের হত্যা করা যাবে না। তখন শেখ সেলিম তাকে মুরব্বি সম্বোধন করে বলেন, ‘আপনার তো বয়স হয়েছে। আপনার আর এর মধ্যে থাকার দরকার নেই। আপনার ছেলে (লেদার লিটন) আমাদের সঙ্গে থাকলেই হবে।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ৩০)</p>
<p style="text-align: justify;">ঘ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সকাল পৌনে ১০টা থেকে ১০টায় পিলখানা এলাকায় সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম কিছু ‘র’-এর সদস্যের উপস্থিতি দেখা যায়। এই ‘র’-এর সদস্যরা সাক্ষী এমপি গোলাম রেজার রাজনৈতিক যোগাযোগের কারণে তার পূর্বপরিচিত ছিলেন। সাবেক এমপি গোলাম রেজা তার সাক্ষ্যে বলেন, ‘এরপর আমি দ্রুত নর্দান মেডিকেল কলেজের দিকে যাই। সেখানে আলাউদ্দিন নাসিম, সাবেক এমপি মোর্শেদ, শেখ সেলিম এবং ‘র’-এর চার-পাঁচজনকে দেখলাম, যাদের আমি আগে থেকেই চিনতাম।’ (সূত্র : রাজনৈতিক সাক্ষী নম্বর : ০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ঙ. ক্যাপ্টেন তানভীর হায়দার নূরের স্ত্রী তাসনুভা মাহা ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর ক্যাপ্টেন তানভীরের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় ক্যাপ্টেন তানভীর তাকে পিলখানার ভেতরে ভারতীয় সংস্থা National Security Guard (NSG) of India-এর নাম বলেন। বেগম তাসনুভার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘২৫ তারিখ তানভীরের সঙ্গে যখন আমার শেষ কথা হচ্ছে, তখন আমি ছিলাম খাটের নিচে। বাচ্চাদের নিয়ে তখন আমি লুকিয়ে ছিলাম, সেখান থেকে আমি আবার ওয়ারড্রবের মধ্যে লুকাই, কারণ বুঝতে পারছিলাম পাশেই কোথাও বিডিআর সদস্যরা ঘোরাফেরা করছেন। তানভীরের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে তানভীর আমাকে বলেন, লীগের নেতারা অন্য পোশাকে এসেছেন। ওর মুখে আমি এনএসজি নিয়ে কিছু কথা শুনেছি। কিন্তু আমি বুঝতে পারছিলাম না যে এনএসজি কী ও আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন। আমি দুবার তাকে জিজ্ঞেস করেছি, এনএসজি কী? তখন একপর্যায়ে তিনি বেশ বিরক্ত হয়ে বলেন, Indians! Indians’.</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া বেগম তাসনুভা মাহা বলেন, তিনি চুল বড় তিনজনকে বিডিআরের টি-শার্ট ও স্যান্ডেল পরা অবস্থায় দেখেছেন, যারা তাকে হিন্দিতে গালাগাল করেছে এবং তার সন্তানদের ‘পাকিস্তানি লাডলা’ বলেছে। (সূত্র : শহীদ পরিবার সাক্ষী নম্বর : ১২)</p>
<p style="text-align: justify;">চ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ পিলখানার ভেতরে বিভিন্ন সময় হিন্দিতে, পশ্চিমবঙ্গের উচ্চারণে বাংলা ভাষায়, বাংলা নয় এমন ভাষা এবং ইংরেজিতে কথা বলতে শোনা গেছে। নায়েক শহীদুর, সিপাহি সেলিম, পিলখানা কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মরহুম সিদ্দিকুর রহমান, সিপাহি শাহাদাত, সাক্ষী তাসনুভা মাহা (শহীদ ক্যাপ্টেন তানভীরের স্ত্রী) সিপাহি আব্দুল মতিন স্বচক্ষে হিন্দি ভাষী এবং বাংলা নয় এমন ভাষাভাষী বহিরাগত ব্যক্তিদের বিডিআরের ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় ২৫ তারিখ হত্যাকাণ্ড চলাকালীন সময়ে এবং তার অব্যবহিত পরে পিলখানার অভ্যন্তরে দেখেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">১. নায়েক শহীদুরের ভাষ্যমতে, “তখন সকাল প্রায় ১০.১৫ থেকে ১০.৩০-এর মতো বাজে। দেখি তিন নম্বর গেটের দিকে ৫-৬ জন ব্যক্তি বিডিআর সৈনিকের পোশাক পরা লোক দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে বলল—‘ইধার আও’। তাদের বলার ভাষাটা ছিল কমান্ড ভয়েসের মতো। আমি হতচকিত হয়ে যাই। আমি তাদের গালি দিয়ে বলি, ‘একটা গন্ডগোল হইসে, আর তোরা ভাষাও বদলায় ফেলসিস। আমার র‍্যাংক চোখে পড়ে না তোদের!’ তখন তারা নিজেরা কিছু কথা বলাবলি করছিল এবং সেগুলো হিন্দি ভাষাতেই বলাবলি করছিল। এদের মধ্যে অন্তত একজন বাঙালি ছিল। আমি বলতে শুনি, একজন আমাকে দেখিয়ে বলল, ‘হি ইজ এ ভেরি ক্লেভার ম্যান।” (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ৩০)</p>
<p style="text-align: justify;">২. সিপাহি সেলিম বলেন, ‘আমি গুলি করলেও সেগুলো তাদের গায়ে লাগেনি। এরপর আমি গড়িয়ে গড়িয়ে পাশের দরজা দিয়ে বেরিয়ে রাস্তায় যাই এবং সেখানে সেই অস্ত্রধারীদের দেখতে পাই। সেখানে দেখি যে তাদের মুখ বাঁধা থাকলেও তাদের চুল সিভিলিয়ানদের মতো লম্বা, বিডিআর কাটিং না এবং তারা হিন্দিতে কথা বলছে। সেখানে প্রায় এ রকম ৮-১০ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি ছিল।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ২০)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী পিলখানা মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী কামরুন নাহার শিরিন তার স্বামীর বরাতে বলেন, ‘আমাকে আমার স্বামী বলেছেন, এ রকম সময় উত্তরদিক থেকে একটি গাড়ি (পিকআপ) এসে দরবারের পশ্চিম গেটে দাঁড়িয়েছে। ওই গাড়ি থেকে প্রচুর সৈনিক অস্ত্রসহ নামে। এই সৈনিকদের হিন্দিতে এবং ইংলিশে কথা বলতে আমার স্বামী শুনেছেন। তারা অন্য সৈনিকদের গুলি করার জন্য কমান্ড করছিল। হিন্দি এবং ইংলিশে ওই সৈনিকরা কী কী বলেছে, সেটাও তিনি আমাকে বলেছিলেন কিন্তু এখন আমার মনে নেই।’ (সূত্র : বিডিআর সাক্ষী নম্বর : ০৩)</p>
<p style="text-align: justify;">৪. সিপাহি শাহাদাতের দেওয়া তথ্যমতে, ‘২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০.৩০ থেকে ১১.৩০-এর মধ্যে আমি তিনজন ব্যক্তিকে ওই পথ ধরে দেয়াল টপকে পিলখানার বাইরে চলে যেতে দেখি। এদের পরনে বিডিআরের পোশাক পরিহিত থাকলেও, পায়ে বুট জুতা ছিল না। প্যারেড এবং বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে আমাদের সবার চুল জিরো সাইজ করা থাকলেও এদের চুল সিভিলিয়ানদের মতো ছিল। তবে এদের মুখ বাঁধা ছিল। যেটি আমার আরো দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তা হলো, তারা এমন একটি ভাষায় কথা বলছিল, যেটি মাঝে মাঝে আমার হিন্দি মনে হয়েছে, আবার মনে হয়েছে ঠিক হিন্দিও না। সেটি যে বাংলা ভাষা না, আমি নিশ্চিত। হিন্দি ভাষা আমি বলতে না পারলেও বুঝতে পারি। তারা একটি অদ্ভুত ভাষায় কথা বলতে বলতে চলে গেল। মনে হচ্ছিল হিন্দি আবার হিন্দিও না, এমন ভাষাতেও তারা কথা বলেছে।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ২১)</p>
<p style="text-align: justify;">৫. সিপাহি আব্দুল মতিন বলেন, “মিছিলটি ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান করে এবং আনুমানিক ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো লোকসংখ্যা ছিল। মিছিলের সঙ্গে মিশে দুজন ব্যক্তি উচ্চ স্বরে ‘জয় হিন্দ’ বলছিলেন। ওই দুজনের গায়ে বিডিআর পোশাক ছিল এবং তাদের হাতে এসএমজি অস্ত্র লক্ষ করলাম। তাদের পোশাক কেমোফ্লেজ গেজি ছিল এবং তাদের চেহারা ও ভাষা থেকে আমি বুঝলাম তারা স্থানীয় নয়, কারণ তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলছিল।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ২৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ছ. লে. কর্নেল তাসনিম, মেজর মুনির, সিপাহি আইয়ুব হিন্দি ভাষা, পশ্চিমবঙ্গের টানে বাংলা ভাষা এবং বাংলা বা হিন্দি নয় অপরিচিত ভাষার কথোপকথন শুনেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">১. লে. কর্নেল তাসনিম বলেন, “পরে রাত সাড়ে ৭টায় একটি পিকআপে দন্ডায়মান দুজন লোক সিগন্যাল সেক্টর অফিসের সামনে মেগাফোনে সৈনিকদের উদ্বুদ্ধ করতে লাগল। তাদের চুল কাঁধ পর্যন্ত লম্বা, ভাষা পশ্চিমবঙ্গের মতো। তারা বলছিল, ‘আর্মির বিরুদ্ধে লড়বো, ঐক্যবদ্ধ থাকো’। উল্লেখ্য, বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষে শতভাগ বিডিআর সদস্যের চুল কাটা নিশ্চিত করা হয়েছিল।” (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৫৪)</p>
<p style="text-align: justify;">২. মেজর সৈয়দ মনিরুল আলম বলেন, ‘রাতে দরবার হলের ফলস সিলিংয়ে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় আমি নিজ কানে এমন ভাষা শুনেছি, যা বাংলা, হিন্দি বা চায়নিজ ছিল না, সম্ভবত চাকমা, তবে আমি নিশ্চিত না। এটা সাব-কন্টিনেন্টেরও কোনো ভাষা হতে পারে।’ (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৯২)</p>
<p style="text-align: justify;">৩. সিপাহি আইয়ুব বলেন, ‘আমি স্মল আর্মস কোয়ালিফাইড, অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে আমার খুব ভালো ধারণা ছিল। তাই তৎক্ষণাৎ আমি ওদের অস্ত্র দেখেই বুঝতে পেরেছি যে এখানে বহিরাগত লোকজনও আছে। প্রচণ্ড গোলাগুলি করতে করতে দরবার হল ঘিরে ফেলেছিল। আমি দূর থেকে তাদের কিছু কথাও শুনেছিলাম। সেগুলো বাংলা ছিল কিন্তু আমার মনে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দিকের বাংলা টানে তারা কথা বলছিল।’ (সূত্র : কয়েদি সাক্ষী নম্বর : ১৭)</p>
<p style="text-align: justify;">জ. ক্যাপ্টেন শাহনাজ ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে Search and Rescue Operation-এ অংশগ্রহণ করতে গিয়ে পিলখানা দরবার হলের কাঠে একটি ব্যবহার করা সাবমেশিন গানে (এসএমজি) নজলের সঙ্গে গেরিলা বাহিনীর স্টাইলে বাঁধা একটি বিদেশি স্লিং দেখেন। স্লিংটি ছিল সেনাবাহিনীর মতো জলপাই রঙের এবং তার ওপর Dark Olive রঙের বড় ইংরেজি হরফে ‘TIGER’ লেখা। তার জানা মতে, এ ধরনের স্লিং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অথবা বিডিআর ব্যবহার করে না। গঠন, স্লিংয়ের পুরুত্ব এবং স্লিংটি বাঁধার কৌশল দেখে তার কাছে মনে হয়েছিল এটি অন্য কোনো বিদেশি উৎসের হতে পারে। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ১০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ঝ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে গোলাম রেজা (প্রাক্তন এমপি) পিলখানার ভেতরে ও বাইরে কিছু লোককে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখেন কিছু মানুষ ছোট ছোট টিনের ঘরে লাইফ জ্যাকেটগুলো খুলে রেখে পালিয়ে যাচ্ছিল। তাদের দেখে এমপি গোলাম রেজার মনে হয়েছিল, তারা দেশের কেউ নয়। (সূত্র : রাজনৈতিক সাক্ষী নম্বর : ০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ঞ. তোরাব আলীর মোবাইল ফোনে ভারত এবং সিঙ্গাপুরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনে ওই টেলিফোনের গ্রাহকদের পরিচয় জানার জন্য চিঠি লেখা হয়েছিল কিন্তু উত্তর পাওয়া যায়নি। (প্রাপ্ত সিডিআর মোবাইল রিপোর্ট দ্রষ্টব্য) মোবাইল ফোন ব্যবহাকারী সম্পর্কে ডিজিএফআই থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে অর্থবহ কোনো কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। (সূত্র : সংযোজনী : ৫৪)</p>
<p style="text-align: justify;">ট. বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে বিএসএফের যোগাযোগ হয়েছে এবং সেনাবাহিনী আক্রমণ শুরু করলে বিএসএফের সহায়তায় ভারতে চলে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল। (সূত্র : সেনা তদন্ত প্রতিবেদন, পৃষ্ঠা নম্বর : ৭৬৯)</p>
<p style="text-align: justify;">ঠ. ভারত বাংলাদেশে সামরিক অভিযান চালাবে বলে এসআইঅ্যান্ডটির শিক্ষার্থীদের মেজর জেনারেল তারেক এবং লে. জেনারেল মামুন খালেদ কর্তৃক হুমকি দেওয়া হয়েছিল। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৪৭)</p>
<p style="text-align: justify;">ড. তৎকালীন সিজিএস লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিনা ইবনে জামালী ১১ ডিভিশনের জিওসির কাছ থেকে এই মর্মে একটি তথ্য পান, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ করছে। তারা একটি প্যারাট্রুপার বাহিনীও প্রস্তুত রেখেছে এই জন্য যে, আমাদের সেনাবাহিনী যদি অভিযান পরিচালনা করে, তাহলে তারা শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাবে। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৫) মেজর জেনারেল মুহম্মদ ফেরদৌস মিয়া, জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশনের ভাষ্যমতে সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সেনা সমাবেশের তথ্যে এফআইইউ সম্ভবত এনএসআই এবং ডিজিএফআই কাছ থেকে শুনেছিল। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সৈন্য সমাবেশের তথ্য তিনি যদি শুনে থাকেন, তবে অবশ্যই তিনি সেটা সেনা সদরে জানিয়েছিলেন। তবে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ১৩)</p>
<p style="text-align: justify;">ঢ. তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মঈন উ আহমেদের ভাষ্যমতে, ‘আমি ‘ওড়া’ ‘ওড়া’ খবর পাচ্ছিলাম যে if anything goes wrong, এ রকমটি হতে পারে (সশস্ত্র বাহিনী সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে ভারত বাংলাদেশে সামরিক অভিযান চালাবে)। যদি তারা (ভারতীয় বাহিনী) আসত, তাহলে ১৯৭১-এর পর যেমন ফেরত চলে গিয়েছিল, এবার এলে আর ফিরে যেত না। এবার ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালালে Things would have been different। গবেষক অভিনাষ পালিওয়াল ও তার প্রবন্ধে এটাই বলেছেন। এটা আমাদের জন্য would have been very very bad। তিনি দুটো আর্টিকেল লিখেছেন এ বিষয়ে, দুটোই আমার কাছে আছে।’ (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ০১)</p>
<p style="text-align: justify;">ণ. যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের বিখ্যাত স্কুল অব আফ্রিকান অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের (এসওএএস) শিক্ষক অভিনাষ পালিওয়াল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস কর্তৃক ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘India’s Near East : A New History’ গ্রন্থের ২৮৬ নম্বর পৃষ্ঠায় লিখেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">The recently elected prime minister Hasina, who also held the defence portfolio, felt threatened and couldn’t count on the army’s support. ‘She asked India for help … and that’s why we were there’, awaiting orders and ‘preparing for all eventualities when we touch down in Dhaka’, remembers Sandhu.</p>
<p style="text-align: justify;">“Shortly after the killings began, Hasina called her closest ally in New Delhi, top Congress leader and recently appointed finance minister Pranab Mukherjee. Upon hearing what was going on, Mukherjee promised ‘to be responsive’. The ‘SOS’ from Dhaka triggered the mobilisation of paratroopers, and prompted foreign secretary Shivshankar Menon to urgently engage with American, British, Japanese, and Chinese envoys to lobby support for Hasina.”</p>
<p style="text-align: justify;">“Apart from Kalaikunda, paratroopers were mobilised in Jorhat and Agartala. If the order came, Indian troops would enter Bangladesh from all three sides. The aim was to secure the Zia International Airport (renamed Hazrat Shahjalal International Airport) and the Tejgaon airport. Subsequently, the paratroopers would wrest control of Ganabhaban, prime minister’s residence, and evacuate Hasina to safety. The Brigade commander overseeing the operation began distributing ‘first line’ ammunition meant for use during active combat.”</p>
<p style="text-align: justify;">ত. অভিনাষ পালিওয়াল বাংলাদেশে নিযুক্ত তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর উদ্ধৃতি দিয়ে একই পৃষ্ঠায় লিখেছেন—</p>
<p style="text-align: justify;">“Pinak Ranjan Chakravarty, India’s high commissioner to Dhaka (2007-10) who has family origins in Bangladesh and called Hasina ‘Aapa’ (elder sister) out of respect, says that ‘we did put some forces on alert, and conveyed to Hasina that we’re worried about her safety.”</p>
<p style="text-align: justify;">থ. বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মঈন উ আহমেদ জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সম্মুখে তার প্রদত্ত সাক্ষ্যে অভিনাষ পালিওয়ালের ওপরে বর্ণিত উদ্ধৃতিগুলো দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেছেন এবং এই উক্তিগুলো রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দ. অভিনাষ পালিওয়াল একই গ্রন্থের ২৮৭ পৃষ্ঠায় বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন, ‘I was told by those who were closer to power that Gen. Moeen was asked not to use force otherwise Indian paratroopers will drop in Dhaka within one hour’, says Touhid Hussain, then Bangladesh’s foreign secretary.</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন কর্তৃক প্রেরিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন নিম্নে উল্লিখিত উত্তর প্রদান করেন, the sentence that is quoted in Paliwal’s book is correct. While the BDR killing took place, I was attending a SAARC meeting in Colombo. Few months later, when I was already shunted out to Foreign Service Academy, I asked casually someone close to power, why the army chief did not take steps to save his officers. He said what I told Paliwal.</p>
<p style="text-align: justify;">ধ. ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে পিলখানায় বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পরপরই শেখ হাসিনা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জিকে ফোন করেন এবং তার সরকারের কাছে আন্তর্জাতিক সহায়তা চান। শেখ হাসিনাকে প্রণব মুখার্জি আশ্বাস দেন যে তাকে (শেখ হাসিনাকে) সব ধরনের সহায়তা করা হবে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শিবশংকর মেনন শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য যুক্তরাজ্য, চীন এবং জাপান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। (সূত্র : দ্য হিন্দু (ভারতীয়), ২২ নভেম্বর ২০২১ এবং আমার দেশ, ২৮ মার্চ ২০১১, সংযোজনী : ৫৫)</p>
<p style="text-align: justify;">ন. বাংলাদেশ পুলিশ ইমিগ্রেশন প্রশাসন শাখার তথ্য অনুযায়ী ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং বিদেশি পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশ আগমন এবং বহির্গমনের তথ্য নিম্নরূপ—</p>
<p style="text-align: justify;">১. ২৪-২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং বিদেশি পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশ আগমন : ৮২৭ জন আগমন করেছে, তার মধ্যে ৬৫ জনের বহির্গমনের তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">২. ২৪-২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ ভারতীয় পাসপোর্টধারী এবং বিদেশি পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকের বাংলাদেশ থেকে বহির্গমন : ১২২১ জন বহির্গমন করেছে, তার মধ্যে ৫৭ জনের আগমনের তথ্য পাওয়া যায়নি। (সূত্র : বাংলাদেশ পুলিশ ইমিগ্রেশন প্রশাসন শাখা স্পেশাল ব্রাঞ্চ স্মারক নম্বর : ৪৪.০১.০০০০.০৮৬.০০৪.২৫/১৩১১, তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, সংযোজনী : ৫৬)</p>
<p style="text-align: justify;">প. সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় বিডিআরকে পুনর্গঠন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীতে যাতে আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলা যায়, সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিডিআরকে পুনর্গঠন করে তাদের প্রশিক্ষণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রতিবেশী দেশগুলোর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশের সহায়তা নিতে কোনো সমস্যা নেই।’ (সূত্র : দৈনিক যুগান্তর ৬ মে ২০০৯ এবং bdnews24.com uploaded on 5 May 2009)</p>
<p style="text-align: justify;">ফ. ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা-১১টার দিকে পিলখানার গেট খুলে যায় এবং ভেতর থেকে কয়েকটা মাইক্রোবাস বেরিয়ে আম্বালা পার হয়ে চলে যায়। লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ (অব.) ভেবেছিলেন তার আটকে পড়া ফ্যামিলি ওই মাইক্রোবাসে চলে যাচ্ছে। দ্বিতীয় মাইক্রোবাসটি বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ মাইক্রোবাসের দরজা ধরে হ্যাঁচকা টান দিয়ে খুলে ফেলেন এবং মাইক্রোবাসটির ভেতরে আলো জ্বলে ওঠে। ভেতরে ছয়-সাতজন লোককে দেখতে পান তিনি। তাদের মাথা ওড়না বা চাদর দিয়ে মোড়ানো ছিল। লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ তার স্ত্রী এবং বাচ্চার নাম ধরে ডাকাডাকি করতে থাকেন এবং মাইক্রোর ভেতরের পেছনের প্রথম সিটে ট্র্যাক স্যুট পরা জলপাই বা ধূসর কালারের গেঞ্জি গায়ে একজন মোটা গোঁফের লোককে বসা অবস্থায় দেখেন। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই লোক লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করলেন ‘হু’? আবার জিজ্ঞেস করেন, ‘হু’? এরপর জিজ্ঞেস করেন ‘হু আর ইউ’? এরপর তিনবার চিৎকার করে বলেন, ‘ক্লোজ’ ‘ক্লোজ’ ‘ক্লোজ’। মুখ ঢাকা অবস্থায়ও লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ দুজনকে দেখে বুঝতে পারেন তারা পুরুষ লোক এবং বেশ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং তার মনে হয়েছিল তিনি কোনো মিলিটারি পারসন। মাইক্রোবাসের গ্লাস কালো ছিল। লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ সেকেন্ড বা থার্ড মাইক্রোবাসটাকে ধরেছিলেন। তার আগে আরো একটা বা দুটি মাইক্রোবাস চলে গেছে। গাড়িগুলো ১০টা বা সাড়ে ১০টা বা ১১টার দিকে বের হয়েছে। গাড়ির লোকজনকে অন্তত বাংলাদেশি লোক বলে লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজের মনে হয়নি।’ (সূত্র : সাক্ষী নম্বর : ৬৬)</p>
<p style="text-align: justify;">ব. ১৬ মার্চ ২০০৯-এ India Today-তে প্রকাশিত ‘More than a Mutiny’ নামক এক প্রবন্ধে সৌরভ শুকলা লেখেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ভারত শেখ হাসিনাকে উদ্ধার করার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে। ত্রিপুরায় একটি সম্মুখবর্তী বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে দুটি এবং কলকাতায় একটি কমান্ডো প্লাটুন, সে জন্য প্রস্তুত রাখা হয়। (সূত্র : সংযোজনী : ৫৭)</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/BDR-Killing.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্তে যা আছে?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585682/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 10:48:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=585682</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত বের করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে এ বিষয়ে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। এর আগে কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের আদ্যোপান্ত বের করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে এ বিষয়ে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। এর আগে কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়।</p>
<ul>
<li><span style="color: #ff0000;">সেনা অভিযান হলে ভারতের হামলার হুমকি ছিলো : জেনারেল মঈনের সাক্ষ্য</span></li>
<li><span style="color: #800000;">ভারত, আ.লীগ ও হাসিনা জড়িত</span></li>
<li><span style="color: #ff0000;">তাপস মূল সমন্বয়কারী</span></li>
<li><span style="color: #800000;">বিডিআর হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে জে. তারেক সিদ্দিকের নেতৃত্বে প্যারালাল সেনা কমান্ড</span></li>
</ul>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে আ ল ম ফজলুর রহমান বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত কেন বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছিল? কারা জড়িত? কারা এটা ঘটাচ্ছে? এর স্বরূপ কী? প্রকৃতি কী? কেন এটা হলো? কারা দায়ী? কীভাবে এটা প্রিভেন্ট করা যেত? যেত কী যেত না? কেন সেনাবাহিনী সামরিক পদক্ষেপ নিল না? কেন পলিটিক্যাল ডিসিশন হলো? এবং কীভাবে ষড়যন্ত্র দানা বেঁধেছিল? কারা এর সঙ্গে জড়িত? সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ- আমরা তাদের আদ্যোপান্ত বের করতে সক্ষম হয়েছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">ফজলুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা জানি কেন এই বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আমি যে আমরা আজকে যে তদন্ত রিপোর্ট আমরা তদন্ত রিপোর্ট সাবমিট করলাম। এখানে আমরা সিকিউরিটি ক্লাসিফিকেশন আনক্লাস করছি। মানে এটা কোনো সিকিউরিটি ক্লাসিফিকেশন আমরা দেইনি। তিনি বলেন, ‘সেখানে মিডিয়া, সেনাবাহিনী, অন্যান্য বাহিনী, প্রশাসন, পুলিশের কী রোল ছিল- এগুলো সব আমরা এখানে তুলে ধরেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদন তৈরির পুরো প্রক্রিয়া তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমরা মোট সাক্ষী গ্রহণ করছি ২৪৭ জনের, শহীদ পরিবারের সদস্যের জবানবন্দি নিয়েছি ১৪ জন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ১০ জন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা দুজন, সামরিক কর্মকর্তা ১৩০ জন, অসামরিক কর্মকর্তা চারজন, পুলিশ কর্মকর্তা ২২ জন, বেসামরিক ব্যক্তি নয়জন, সাবেক ও বর্তমান বিডিআর ও বিজিবির সদস্য ২২ জন, কারাগারে আটক ২৬ জন, জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী একজন, সাংবাদিক তিনজন।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্ত কমিশনের প্রধান বলেন, প্রতিবেদন তৈরির জন্য ভিডিও রেকর্ডিং ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের রিভিউ ও অডিও ট্রান্সক্রিবশনে ৬০০ ঘণ্টা আমরা ব্যয় করেছি। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্থিরচিত্র বা ছবি প্রায় ৮০০, খবরের কাগজে প্রচারিত সংবাদ ২১৫, পত্রালাপের সংখ্যা ৯০৫টি প্রতি মাসে ৮৯টি করে আমরা পত্র লিখেছি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে। মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের পত্রালাপ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই, এনএসআই ও আর্মির সহযোগিতা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আমি আবারও আমার কমিশনের প্রত্যেকটি সদস্যকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই যে, তারা নিজেরা স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে কারো আদেশের অপেক্ষা না করে এই কাজ সম্পন্ন করেছেন। আমরা শত শত চিঠি লিখেছি প্রায় বত্রিশ থেকে ছত্রিশটা সংগঠনের কাছে বিভিন্ন তথ্যের জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘একটা উদাহরণ আমি দিই যে, একজন লোকের কাছে দেখা গেল যে, সিঙ্গাপুর থেকে এবং ভারত থেকে থেকে টেলিফোন এসেছে। ওটা চেক করার জন্য আমরা টেলিফোন কোম্পানিকে লিখছি- তারা এক মাস পরে, দুই মাস পরে আমাদের জানাচ্ছে, যে আমাদের কাছে তথ্য আছে। তখন আমরা বললাম- ওই লোকগুলো যারা ওই সময় ছিল তারা কোথায়? আবার এক মাস পরে তারা আমাদের কাছে চিঠি লিখে জানাচ্ছে- তারা পাঁচ বছর, কেউ বলছে দশ বছর হয় চলে গেছে। তাদের খুঁজে বের করে আমরা নিয়ে এসেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদন তৈরিতে বিলম্বের অভিযোগ আনা ব্যক্তিদের উদ্দেশে কমিশন বলেছে, ‘এই রকম একটা পরিস্থিতিতে আপনাদের অনেকেরই মনে হতে পারে এটা- এগারো মাস সময় আমাদের কেন লাগল। তবে এটা এগারো মাস কেনো? আরো এগারো মাস দিলেও এর সময়ে কম হবে। তবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি আমি। আমার কমিশন সদস্য যারা আছেন, তারা সবাই নিজেরা চেষ্টা করেছেন এবং তাদের কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার ফলে এবং আমাকে তাদের সঙ্গে কাজ করার যে সুযোগ হয়েছে তার জন্য আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘সবাই আমরা একমত হয়েছি এই কমিশনের সমস্ত কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে এবং সবাই আমরা স্বাক্ষর করেছি চূড়ান্ত প্রতিবেদন এবং আজকে সেটা আমরা জাতির কাছে অর্পণ করলাম।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/BDR_Hasina.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>প্লট জালিয়াতি :  হাসিনার ৫, রেহানার ৭ ও টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585677/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 06:54:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=585677</guid>

					<description><![CDATA[পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ বছর, তাঁর বোন শেখ রেহানার ৭ বছর এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এছাড়া এ মামলায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ বছর, তাঁর বোন শেখ রেহানার ৭ বছর এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিককে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া এ মামলায় অপর ১৪ আসামিকেও ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তিন জনকেই এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শেখ রেহানার নামে পূর্বাচলের প্লটের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ মামলা দায়ের করে গত ১৩ জানুয়ারি। ইতিপূর্বে দুদকের ৩টি মামলায় শেখ হাসিনাকে ২১ বছর সাজা দেয়া হয়। এ মামলায় শুধু রাজউক কর্মচারি খুরশীদ আলম কারাগারে রয়েছেন; বাকি আসামি ১৬ জন সবাই পলাতক রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দুদক সূত্র জানায়, শেখ রেহানার বিরুদ্ধে পূর্বাচল প্রকল্পে অনিয়ম করে ১০ কাঠা প্লট নেয়ার অভিযোগে এ বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে ১০ মার্চ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা আফনান জান্নাত কেয়া। এরপর গত ৩১ জুলাই আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। এ মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রেহানার প্লট দুর্নীতি মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার,</p>
<p style="text-align: justify;">অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন-২) অলিউল্লাহ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন,</p>
<p style="text-align: justify;">সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) অবসরপ্রাপ্ত মেজর প্রকৌশলী সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি ২) মো. নুরুল ইসলাম, রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ এবং সহকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মাজহারুল ইসলাম।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/hasina_rehana-4.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে বাংলাদেশে , দিল্লির কৌশলও তত বদলাচ্ছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/332177/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 04:13:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=332177</guid>

					<description><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গতবছরে ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর দেশটি এক নতুন ঐতিহাসিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। গত বছর সরকার অপসারণের পর হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান করছেন। সম্প্রসারিত আইসিটি আইনের আওতায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গতবছরে ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর দেশটি এক নতুন ঐতিহাসিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। গত বছর সরকার অপসারণের পর হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই অবস্থান করছেন। সম্প্রসারিত আইসিটি আইনের আওতায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয় এবং তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এই রায়কে কেন্দ্র করে দেশে-বিদেশে ব্যাপক রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি কীভাবে বাংলাদেশের আগামী পথকে প্রভাবিত করতে পারে- তা ব্যাখ্যা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই রায় একদিকে আন্দোলনে নিহতদের জন্য স্বীকৃতি ও জবাবদিহির প্রতীক, অন্যদিকে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন, নির্বাচনপূর্ব উত্তেজনা এবং ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। দেশটি কোন পথে যাত্রা করবে- তা নির্ধারণ করবে আগামী মাসগুলো, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের সাউথ এশিয়া সেন্টারের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো এবং ওয়েসলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নমেন্ট বিভাগের ভিজিটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর রুদাবেহ শাহিদ মনে করেন, এই রায় দেশের দীর্ঘ ও অস্থির রাজনৈতিক যাত্রাপথে এক নির্ধারক মোড় নির্দেশ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদিও রায়টি সরাসরি হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র দমনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে, কিন্তু জনমতকে বোঝা যাবে না যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অতীত ভূমিকা ও বিতর্কিত ধারণার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় না নেয়া হয়। পূর্ববর্তী সরকার আমলে জামায়াতে ইসলামী নেতাদের বিচারের সময় যে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছিল- তা আজকের রায়কে জনসংগঠনগুলো কীভাবে দেখছে, তাতে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শাহিদ এক শক্তিশালী প্রজন্মগত বৈপরীত্য তুলে ধরেন। এক দশক আগে শাহবাগে তরুণ মিলেনিয়ালরা যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দাবিতে লাখো মানুষকে আন্দোলনে যুক্ত করেছিলেন। আজ, নতুন প্রজন্ম জেনারেশন জেড অন্য এক মুহূর্তের মুখোমুখি- এরা হাসিনার রায়কে স্বাগত জানাচ্ছেন তাদের সেই সহপাঠী ও বন্ধুদের স্মরণ করে, যারা জুলাই আন্দোলনে নিহত হয়েছেন। তবে এদের বড় অংশ মৃত্যুদণ্ড সমর্থন করে বলে নয়- বরং তারা বহুদিনের দায়বদ্ধতার দাবি পূরণ হয়েছে বলে মনে করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, হাসিনাকে ভারতে প্রত্যর্পণ করার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। কারণ দিল্লি ইতিমধ্যেই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে দুই পরিবারের রাজনৈতিক সখ্য ভারতকে এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক করে তুলেছে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গন একপাক্ষিক হয়ে পড়তে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে আরও মেরুকরণ সৃষ্টি করতে পারে। শাহিদের মতে, রায়টি বাংলাদেশের মানুষকে দুটি বিস্তর দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাগ করে দিয়েছে। এক পক্ষ মনে করে এটি দীর্ঘদিনের জবাবদিহির স্বীকৃতি, আর অন্য পক্ষ পুনর্মিলনের পথে বাধা দেখছে। কোন দৃষ্টিভঙ্গি শেষ পর্যন্ত দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।</p>
<p style="text-align: justify;">দক্ষিণ এশিয়া বিশ্লেষক এবং ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনের সাউথ এশিয়া ব্রীফ-এর লেখক মাইকেল কুগেলম্যান রায়টির প্রভাব মূলত ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেন। তার মতে, হাসিনার ভারতে অবস্থান দিল্লিকে এক অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে। একদিকে হাসিনা ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র এবং ভারতীয় শাসক দল থেকে বিরোধী দল পর্যন্ত বহু নেতার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অপরিহার্য। কারণ বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো স্বার্থগুলো ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: justify;">কুগেলম্যান মনে করেন, ভারত হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করবে না, তবে তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভারতেই রাখা ভারত-বাংলাদেশ ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তার মতে, দিল্লির সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প হলো হাসিনাকে কোনো তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা- এমন কোনো দেশ যেখানে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে এবং তার রাজনৈতিক কার্যকলাপও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। পূর্ব ইউরোপ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের নাম আলোচনায় এসেছে। তবে কোনো দেশই এত উচ্চ-প্রোফাইল একজন নেতাকে আশ্রয় দিতে আগ্রহী হবে কিনা সেটি অনিশ্চিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ভারতের কাছে হাসিনা এখনও “বিশেষ অতিথি”- কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, দিল্লির কৌশলও তত বদলাচ্ছে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় মানিয়ে নিতে ভারতকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত খুব সতর্কতার সঙ্গে নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশি জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক কূটনীতিক ওয়াহিদুজ্জামান নূর বলেন, জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের জন্য রায়টি এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তাদের ক্ষতির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত। এই রায়ের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে যে, আন্দোলনের সময়কার হত্যাকাণ্ডের জন্য কেউ একজন দায়ী হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে নূর উল্লেখ করেন যে, ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে আইসিটি আইন সম্প্রসারণ, দ্রুত বিচার, অনুপস্থিত অবস্থায় মামলা পরিচালনা, এবং হাসিনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত- এসব বিষয় নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এসব বিতর্ক সত্ত্বেও অনেকের কাছে রায়টি দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচারের দাবি পূরণের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">নূর জানান যে, হাসিনা এখনও আওয়ামী লীগের মধ্যে গভীর আনুগত্য উপভোগ করেন এবং দলটি ভারত থেকেই তাকে নেতৃত্ব দিতে অনুমান করা হচ্ছে। ভারতের সতর্ক অবস্থান এবং মৃত্যুদণ্ডের উপস্থিতিতে তাকে প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। এরই মধ্যে দেশে প্রতিক্রিয়া ব্যাপকভাবে বিভক্ত; বিরোধী পক্ষ এটিকে বহু প্রতীক্ষিত হিসেবে দেখছে, আর আওয়ামী লীগ সমর্থকরা মনে করছে এটি রাজনৈতিক প্রতিশোধ। রায় ঘোষণার আগের কয়েকদিন যেভাবে সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে, তা আগামী নির্বাচনের আগে আরও অস্থির পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অ্যাটলান্টিক কাউন্সিলের সাউথ এশিয়া সেন্টারের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো এবং ১৯৯৯ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ফিজি প্রজাতন্ত্রে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এম. ওসমান সিদ্দিক বর্তমান পরিস্থিতিকে জাতীয় সংহতি ও শান্তির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আহ্বান জানান। তার মতে, বাংলাদেশ অত্যন্ত সংবেদনশীল এক মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এ সময় প্রতিটি রাজনৈতিক পক্ষের সংযত আচরণ অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ থাকা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা অতীব প্রয়োজন, যেন নাগরিকদের আস্থা অটুট থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সিদ্দিক বলেন, দেশের শান্তি, নিরাপত্তা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রয়োজন এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। রায় সম্পর্কে মানুষের রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক না কেন, জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। তার মতে, বাংলাদেশ এমন এক সময়ের মুখোমুখি যেখানে সংহতি ও দূরদর্শী নেতৃত্বই দেশের সঠিক পথ নির্ণয় করবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://mzamin.com/uploads/news/main/190217_sfinal.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জুলাই গণহত্যায় হাসিনার ফাঁসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585634/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Nov 2025 04:56:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=585634</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় লঘুদণ্ড হিসেবে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল। সোমবার পৌনে তিনটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল-১-এর বিচারক বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপর আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় লঘুদণ্ড হিসেবে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার পৌনে তিনটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল-১-এর বিচারক বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন—বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও দ্বিতীয় অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল।</p>
<p style="text-align: justify;">৬ ভাগে বিভক্ত ৪৫৩ পৃষ্ঠা রায়ের সার সংক্ষিপ্ত অংশ পড়েছেন বিচারক। দুপুর ১২টা ৩৪ মিনিটে রায় পড়া শুরু হয়। পৌনে তিনটা পর্যন্ত রায়ের সার সংক্ষিপ্ত অংশ পড়েন বিচারক। পরে রায় ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রায়ে আদালত বলেছে, শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। একইসঙ্গে আসাদুজ্জামান খান কামাল, চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ মিলেছে। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হয়ে সত্য উন্মোচন করেছেন, মামুনের অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ হলেও সত্য উন্মোচন করায় তার সাজা কম হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">গণহত্যার দায়ে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম বিচারের রায়। হাসিনার মামলার রায় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশনগুলোতে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। এছাড়া রাজধানীর মোড়ে মোড়ে বড় পর্দায় বিচার কার্যক্রম দেখানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পালিয়ে বর্তমানে ভারতের আশ্রয় রয়েছেন। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হয়েছেন। তিনি অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী নামে পরিচিত) হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে হাসিনার গণহত্যার রায়কে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও।</p>
<p style="text-align: justify;">এর পাশাপাশি মাঠে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করছে। ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সেনা মোতায়েনের জন্য সেনা সদরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কথিত লকডাউন ও শাটডাউনের নামে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণসহ নাশকতা প্রতিরোধে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ জুলাইয়ের পক্ষের দলগুলোর নেতাকর্মীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসিনাসহ এ মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রসিকিউশন ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগ দাখিল করে। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার।</p>
<p style="text-align: justify;">মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের মূল অভিযোগ হচ্ছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলন চলাকালে হাসিনা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক এবং পদ্ধতিগত দমনপীড়ন চালানোর সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন যা গণহত্যা, খুন এবং ভয়াবহ নির্যাতনের শামিল। প্রতিবেদনে প্রধান যে অভিযোগ আনা হয় সেগুলো হলো সরাসরি আদেশ অর্থাৎ শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের সব বাহিনী, তার দল আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলো বিশেষ করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরাসরি নির্দেশ দেন। গণহত্যা ও নির্যাতন হাসিনার নির্দেশের ফলে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ২৫ হাজারের বেশি আহত, অঙ্গহানি এবং নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Hasina-Rai2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মায়ের কিছু হবে না, ভারত তাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে: জয়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/42402/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/42402/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Nov 2025 02:32:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=42402</guid>

					<description><![CDATA[ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির রায় দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। একই সঙ্গে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘আমার মায়ের কিছু হবে না। আমার মা ভারতে নিরাপদ। ভারত তাকে পুরো নিরাপত্তা দিচ্ছে।’ গতকাল রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির রায় দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। একই সঙ্গে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘আমার মায়ের কিছু হবে না। আমার মা ভারতে নিরাপদ। ভারত তাকে পুরো নিরাপত্তা দিচ্ছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আজ সোমবার ঘোষণা হচ্ছে। গোটা জাতিই রয়েছে রায়ের অপেক্ষায়। গণহত্যার দায়ে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই হবে প্রথম বিচারের রায়।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়। হাজারো মানুষ আহত হয়। পুলিশের গুলিতে বেশির ভাগ মানুষ মারা যায়। এটি ছিল স্বাধীনতার পর সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতা।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। তিনি এখন দিল্লিতে নির্বাসনে আছেন। ভারত তাকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ছেলে জয়।</p>
<p style="text-align: justify;">রায় প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আমরা আগেই জানি, রায় কী হবে। তারা এটা টেলিভিশনে দেখাচ্ছে। তারা তাকে দোষী করবে। আর হয়তো মৃত্যুদণ্ড দেবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তবে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার মায়ের কিছু হবে না। আমার মা ভারতে নিরাপদ। ভারত তাকে পুরো নিরাপত্তা দিচ্ছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/42402/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Hasina_Joy_irYPFPZ.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘২০১৮ রাতের ভোটের কারিগর’ যারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/369080/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 04:00:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=369080</guid>

					<description><![CDATA[পুলিশ সদর দপ্তরের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কপোতাক্ষ’ নামে একটি কক্ষ আছে। এটি সাধারণ অফিসরুম হলেও ২০১৮ সালের অক্টোবরে ব্যবহার করা হয় অস্বাভাবিক কাজে। সেখানে বসে একদল পুলিশ কর্মকর্তা তৈরি করে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সূক্ষ্ম ও পরিকল্পিত ‘ভোট ডাকাতির’ নীলনকশা। কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, স্ক্যানার এবং প্রজেক্টরে সাজানো ওই কক্ষে তারা বিশ্লেষণ করেন ১৯৯১, ’৯৬, ’০১ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পুলিশ সদর দপ্তরের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কপোতাক্ষ’ নামে একটি কক্ষ আছে। এটি সাধারণ অফিসরুম হলেও ২০১৮ সালের অক্টোবরে ব্যবহার করা হয় অস্বাভাবিক কাজে। সেখানে বসে একদল পুলিশ কর্মকর্তা তৈরি করে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সূক্ষ্ম ও পরিকল্পিত ‘ভোট ডাকাতির’ নীলনকশা।</p>
<p style="text-align: justify;">কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, স্ক্যানার এবং প্রজেক্টরে সাজানো ওই কক্ষে তারা বিশ্লেষণ করেন ১৯৯১, ’৯৬, ’০১ ও ’০৮ সালের নির্বাচনের সব কেন্দ্রের ভোটের প্যাটার্ন (নমুনা)। ‘রাতের ভোট’খ্যাত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারিগরদের নিয়ে আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এএসপি থেকে ডিআইজি পর্যন্ত যারা বিভিন্ন সময় (ওই বছরের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের ওই কক্ষে বসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতির ছক আঁকেন, এমন ৫৪ কর্মকর্তার তালিকা আমার দেশ-এর কাছে এসেছে। তাদের সবাই কপোতাক্ষের ওই বৈঠকগুলোর সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে নিশ্চিত করেছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা, ‍যিনি ওই প্রক্রিয়া খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তবে গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি না থাকায় তিনি নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবরে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) একটি গোপন প্রতিবেদনে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংস্থাটির তৎকালীন ডিআইজি (পলিটিক্যাল) মাহবুব হোসেন নেতৃত্বাধীন দলের প্রস্তুত করা রিপোর্টে বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচন করলে মাত্র ১৪ আসন পেতে পারে।’ আর ওই প্রতিবেদনই হয়ে ওঠে ভোট ডাকাতির মূল উপলক্ষ।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;">কী ছিল ওই প্রতিবেদনে</span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এসবি কর্মকর্তা মাহবুবের ওই রিপোর্টের পর ভোট ডাকাতি করার জন্য পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়। ওই টিমে ছিলেন ঢাকা সিটি এসবির ডিআইজি মোহাম্মাদ আলী মিয়া, এজেডএম নাফিউল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পলিটিক্যাল), বিশেষ পুলিশ সুপার (পলিটিক্যাল), ঢাকা এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (গোপনীয়), পলিটিক্যাল শাখার সব অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৮ সালের অক্টোবর মাসেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান, সেনাপ্রধান, স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব। বৈঠকে সবাই যার যার বাহিনীর শক্তি ও সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেন। সবশেষে তৎকালীন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘আমি নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন করে দিতে পারব। আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ২৯০ আসনে বিজয়ী করে আনতে পারব।’</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠকে তিনি আরো বলেন, মাঠপর্যায়ে পুলিশের সবচেয়ে বেশি ফোর্স মোতায়েন থাকে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক অনেক দিনের। সব ভোটকেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েন থাকায় কাজটি ভালোভাবে (ভোট ডাকাতি) করা যাবে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে প্রলয় কুমার জোয়ার্দারের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি অ্যানালাইসিস টিম কাজ করছে। তাদের কাজ প্রায় শেষ। বাংলাদেশের কোন কেন্দ্রে কত ভোট ‘কাস্ট’ করতে হবে, এটা পুলিশের এই টিম ইতোমধ্যে পর্যালোচনা করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন এক পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি হারানোর ভয়ে নাম প্রকাশ না করে আমার দেশকে বলেন, জাবেদ পাটোয়ারী সেখানে বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার সঙ্গে এক ধরনের বার্গেইন করে ‘পুরো অপারেশনটি’র (ভোট ডাকাতি) দায়িত্ব নিয়ে নেন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;">‘টিম জাবেদ’-এর সদস্য কারা</span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, জাবেদ পাটোয়ারীর একটি বিশ্বস্ত টিম ছিল, যে টিমের সদস্যরা সব গোপন কাজ করতেন। ভোট ডাকাতির নীলনকশা তৈরিতেও ভূমিকা ছিল ওই দলের। সেটি পরিচিত ছিল ‘টিম জাবেদ’ নামে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই কোর টিমের সদস্য ছিলেন এসবির ডিআইজি (পলিটিক্যাল) মাহবুব, সিটিটিসির (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) মনিরুল ইসলাম, এসবির অ্যাডিশনাল আইজিপি (পলিটিক্যাল) এজেডএম নাফিউল ইসলাম, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (টিঅ্যান্ডআইএম) কাজী জিয়া উদ্দিন, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (গোপনীয়) মিজানুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (এলআইসি) এএফএম আনজুমান কালাম, এআইজি (অ্যাডমিন) মিলন মাহমুদ, এআইজি (আরঅ্যান্ডসিপি-১) মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান আল-মামুন, পুলিশ সদর দপ্তরের স্টাফ অফিসার টু আইজিপি মাসুদ আলম, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুনসুর আলম কাদেরী এবং কাজী মো. সালাহউদ্দিন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Jabed_Patwary.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জুলাই গণহত্যা : হাসিনার রায় ১৭ নভেম্বর</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/200388/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/200388/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 03:10:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=200388</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের রায়ের দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার রায় আগামী ১৭ নভেম্বর (সোমবার) ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৯ মিনিটে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন নির্ধারণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের রায়ের দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার রায় আগামী ১৭ নভেম্বর (সোমবার) ঘোষণা করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৯ মিনিটে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদসহ অন্যরা।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১২ মে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছিল তদন্ত সংস্থা। এরপর ১ জুন রাষ্ট্রপক্ষ হাসিনাকে ট্রাইব্যুনালের প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করে। পরে ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।</p>
<p style="text-align: justify;">একপর্যায়ে এ মামলায় দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্য উদ্ঘাটনে রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করার পর তিনি রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঐতিহাসিক এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রতীক শহীদ আবু সাঈদের বাবাসহ শহীদ পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং এনসিপির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নাহিদ ইসলাম। লিখিত সাক্ষ্য দেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর। সব মিলিয়ে এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনাসহ এ মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়, ষড়যন্ত্র, উসকানি, হত্যা, পরিকল্পনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যে তিনি আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা, রাজাকারের নাতি-পুতি বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কামাল ও মামুনসহ তৎকালীন সরকারের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ‘প্ররোচনা, সহায়তা ও সম্পৃক্ততায়’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সশস্ত্র ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীরা’ ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরীহ ও নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ করে তাদের হতাহত করে।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, হাসিনা হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ‘হত্যা করে নির্মূলের নির্দেশ’ দেন, যা বাস্তবায়ন করেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক মামুন ।</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় তৃতীয় অভিযোগটি আনা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">৪ নম্বর অভিযোগে গত বছরের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক আন্দোলনকারী ছয়জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হত্যার নির্দেশ, প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা, ষড়যন্ত্র ও সম্পৃক্ততার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন হাসিনাসহ তিন আসামি।</p>
<p style="text-align: justify;">পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে আসার সময় আশুলিয়ায় ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামি মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/200388/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/amardesh_1_Li04cNb.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>চুপ্পু জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলে সংস্কারের কফিনে পেরেক মারা হবে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/357983/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 06:53:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=357983</guid>

					<description><![CDATA[জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোট নির্বাচনের আগে না পরে হবে, সেটা প্রধান সংকট নয়। তবে জুলাই সনদ অবশ্যই ড. ইউনূসকে জারি করতে হবে। প্রেসিডেন্ট চুপ্পু এতে স্বাক্ষর করলে সংস্কারের কফিনে পেরেক মারা হবে। রোববার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, একদল সংস্কারকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণভোট নির্বাচনের আগে না পরে হবে, সেটা প্রধান সংকট নয়। তবে জুলাই সনদ অবশ্যই ড. ইউনূসকে জারি করতে হবে। প্রেসিডেন্ট চুপ্পু এতে স্বাক্ষর করলে সংস্কারের কফিনে পেরেক মারা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, একদল সংস্কারকে ভেস্তে দিচ্ছে, আরেক দল নির্বাচন পেছাতে চায়। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি রচিত হলে গণভোট নির্বাচনের দিনে হলেও সমস্যা নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সংস্কারের পক্ষে যদি কেউ না থাকে, তাদের সঙ্গে জোটে যাওয়া সম্ভব নয়। কোনো একটি দলের চাপে সরকার বারবার টেক্সট পরিবর্তন করেছে। বাস্তবায়ন আদেশের প্রথম খসড়ায় যেভাবে ২৭০ দিন পর সংস্কার প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হওয়ার বিধান ছিল, আমরা সেটিকে সমর্থন করি। এর ব্যত্যয় হলে আমরা সেই আদেশ সমর্থন করব কি না, তা পুনর্বিবেচনা করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবকে ফ্যাসিবাদের আইকন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তার ছবি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা সংবিধানে কোনোভাবেই থাকতে পারে না। বাস্তবায়ন আদেশে খসড়া-১ যেভাবে আছে, সেটিতে পরিবর্তন আনা হলে এনসিপি সেটিকে সমর্থন নাও করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতীক ইস্যুতে নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন দল হিসেবে সহযোগিতার পরিবর্তে আমাদের কাজে বাধা তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন। অথচ শাপলা কলির যে সিদ্ধান্ত, সেটি তারা এক মাস আগেও দিতে পারতো। আমরা শাপলাই চাই।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/nahid_islam-1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে ফেরত চাইলেন মির্জা ফখরুল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/168015/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/168015/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 06:00:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=168015</guid>

					<description><![CDATA[বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারতে বসে বিভিন্ন মিডিয়াকে শেখ হাসিনা ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই, কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সংকট অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি করেছে। মিথ্যা বলে জাতির সঙ্গে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারতে বসে বিভিন্ন মিডিয়াকে শেখ হাসিনা ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই, কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বর্তমান সংকট অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি করেছে। মিথ্যা বলে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা উচিত নয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে একটি মহল একাত্তরকে ভুলিয়ে দিতে চায়। কিন্তু সেটি করার সুযোগ নেই। কারণ একাত্তরেই আমাদের জন্ম। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা মুক্তিযুদ্ধকে ‘গোলমাল’ বলেছিলেন। জাতি সেটা ভোলেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অভুত্থানের তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হলে অপশক্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠারও সাহস পেত না। আমাদের ৩১ দফায় সব সংস্কারের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। আমরাই সংস্কারের পক্ষে। পিআর হবে কি না সে সিদ্ধান্ত আগামী সংসদ নেবে। পিআর না হলে নির্বাচন হবে না এ কথা বলে মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/168015/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/fakrul_kKcWQWB.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসু আপা আর ফিরছেন না, নেতৃত্বের বাইরে শেখ পরিবার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/3776/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/3776/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 03:00:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=3776</guid>

					<description><![CDATA[পতিত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন খেলা শুরু করেছে নয়াদিল্লি। ভারতে আশ্রিত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এখন বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দুটি সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স ও দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং ফ্রান্সভিত্তিক এএফপিকে দেয়া এসব সাক্ষাতকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, জুলাই গণহত্যার জন্য তার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। রয়টার্সকে শেখ হাসিনা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পতিত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন খেলা শুরু করেছে নয়াদিল্লি। ভারতে আশ্রিত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এখন বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দুটি সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স ও দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং ফ্রান্সভিত্তিক এএফপিকে দেয়া এসব সাক্ষাতকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, জুলাই গণহত্যার জন্য তার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।</p>
<p style="text-align: justify;">রয়টার্সকে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো নির্বাচন হলে যেই ক্ষমতায় আসুক, তিনি দেশে ফিরবেন না। ভবিষ্যতে সরকারে কিংবা বিরোধী দলে শেখ পরিবারের নেতৃত্ব দেওয়া অপরিহার্য নয়। ভাচ্যুয়ালি এসব সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার সামনে ফাঁসির রজ্জু ঝুলছে। জুলাই গণহত্যায় তার সরাসরি নির্দেশনা ও সম্পৃক্ততার সাক্ষ্য-প্রমাণ এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাতে। ইতোমধ্যে শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর ঠিক হবে- কবে সাবেক এই ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রায় হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন এই স্বৈরাচারী নেত্রী। তার ধারণা, আসন্ন নির্বাচনে বেশিরভাগ মানুষই ভোট দেবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে হাসিনার এসব সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রচারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার খুনের বিষয়ে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ, জাতিসংঘ ও আলজাজিরার প্রতিবেদনে তার গুম-খুনের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো মাথায় রাখতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর ভারত শেখ হাসিনার জন্য শুধু নিরাপদ আশ্রয়ই নিশ্চিত করেনি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল করে তোলার নানান ছকেরও বাস্তবায়ন করেছে। সংখ্যালঘু নির্যাতনের কার্ড দেশ-বিদেশে এখনও খেলে যাচ্ছে তারা। বাণিজ্যক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে ক্রমেই কঠিন করে তোলার জন্য নানা বিদ্বেষমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দিল্লি।</p>
<p style="text-align: justify;">পাশাপাশি দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসন করেছে তারা। দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ করে দিয়েছে দিল্লি ও কলকাতায়। লিফলেট ছাপিয়ে সেমিনার করার সুযোগও করে দিয়েছে। এমনকি হাসিনার কাছাকাছি থাকা সেনা কর্মকর্তারাও নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন ভারতে। অন্তত তিনজন উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা এখন দিল্লি ও কলকাতায় অবস্থান করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা এতদিন পর্যন্ত শুধু সামাজিক মাধ্যমে অডিওতে বক্তব্য দেয়ার মধ্যেই তার কার্যক্রম সীমিত রেখেছিলেন। তবে এখন তাকে আরো বৃহত্তর পরিসরে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় দি ইন্ডিপেন্ডেন্টে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে পত্রিকাটির ভাষায় সাবেক কর্তৃত্বপরায়ন শাসক হাসিনা বলেন, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা জুলাই অভ্যুত্থানের রক্তপাতের জন্য তিনি দায়ী নন। তার অনুপস্থিতিতে যে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা ‘লজ্জাজনক’। এমনকি তিনি ওই বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমনের কারণে ঘটে যাওয়া হতাহতের জন্য ক্ষমা চাইবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে। এমন একটি সময়ই এমন মন্তব্য করলেন তিনি। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের হিসাব অনুসারে, ছাত্র-জনতার ওই বিক্ষোভে এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে অভ্যুত্থানে নিহত ও তাদের পরিবারের জন্য তিনি সহানুভূতিশীল, শোকাভিভূত। যদিও পুলিশকে যে তিনি গুলি করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন- সেটা তিনি নাকচ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। শেখ হাসিনা এ সময় নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারকে অনির্বাচিত, বেআইনি ও অবৈধ সরকার হিসেবে অভিহিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাব্যুনাল ফাঁসির রায় দিলেও তিনি বিস্মিত হবেন না বলেও মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে স্বজন হারানোর বেদনা এবং বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টিও সামনে নিয়ে আসেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">রয়টার্সের কৃষ্ণা এন দাস ও রুমা পালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে নানান কথা বলেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের কোটি কোটি আওয়ামী লীগ সমর্থক এই নির্বাচন বয়কট করবে। বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে বলা হয়, ৭৮ বছর বয়সী এই নেত্রী বলেছেন, আ.লীগকে বাদ দিয়ে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন তিনি দেশে ফিরবেন না। তিনি ভারতের থেকে যাবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আ.লীগ নিষিদ্ধ করা শুধু অন্যায্যই নয়, আত্মঘাতীও। তিনি বলেন, পরবর্তী সরকারের নির্বাচনি বৈধতার প্রয়োজন হবে। কোটি কোটি মানুষকে নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে রাজনৈতিক ব্যবস্থা কার্যকর হবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/3776/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Amardesh_Hasina_HC1y0oO.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আসিফ নজরুল তো প্রধান উপদেষ্টা হতে চেয়েছিলেন : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/350489/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 10:18:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=350489</guid>

					<description><![CDATA[ড. আসিফ নজরুল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হতে চেয়েছিলেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আসিফ নজরুল তো প্রধান উপদেষ্টা হতে চেয়েছিলেন। এখন তার কোর্টে বল গিয়েছে, দেখা যাক তিনি কেমন খেলতে পারেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ড. আসিফ নজরুল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হতে চেয়েছিলেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আসিফ নজরুল তো প্রধান উপদেষ্টা হতে চেয়েছিলেন। এখন তার কোর্টে বল গিয়েছে, দেখা যাক তিনি কেমন খেলতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার উপদেষ্টাদের নিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার দাবি, ঘোষণা অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদেরও রাখতে হবে। ওইদিন এনসিপি সনদে সই করবে বলেও জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমরা জেনেছি জুলাই সনদ বর্তমানে আইন কমিশনে আছে। আমরা দেখতে চাই ড. আসিফ নজরুল স্যার কোনো টালবাহানা ছাড়াই জনগণের পক্ষে থেকে দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করবেন। প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে শহীদ মিনারে আসবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের রিপোর্ট জমা দেওয়া জুলাই শহীদ ও জনগণের বড় অর্জন। জুলাই সনদ সই না করার কারণে হারিয়ে যাওয়ার ভয় ছিল। তবে রিস্ক (ঝুঁকি) নিয়ে অবস্থান নিয়েছে এনসিপি। ঐকমত্য কমিশনের রিপোর্টের মাধ্যমে এর সুফল পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে তিনি আরও যোগ করেন, বাহাত্তরের পচা সংবিধান দিয়ে এ দেশ আর চলতে পারে না। এ সংবিধান আমাদের ভাইদের হত্যার বৈধতা দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই নেতা বলেন, রক্তের ট্যাঙ্কার দিয়ে কেউ রাজনীতি করতে চাইলে, বুলেট রেভুলেশনের পর ব্যালট রেভুলেশনের মাধ্যমে মানুষ জবাব দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, দলীয় দাস হিসেবে কেউ সংস্কার রুখতে চাইলে সেফ এক্সিট পাবে না তারা, মানুষ তাদের বিচার করবেই।</p>
<p style="text-align: justify;">এনসিপি সরকার গঠন করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কারণ পেছনের দরজা দিয়ে এনসিপি ক্যান্টমেন্টে যাবে না, কোনও অ্যাম্বাসিতেও যাবে না। তাই মানুষ এনসিপিকে ভোট দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অথর্ব নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, যে লাউ সেই কদুর নির্বাচন চায় না এনসিপি। বিএনপি-জামায়াত বিরোধী নাটক করছে। তারা একদল ভারতে, আরেকদল পাকিস্তানে পা দিয়ে রেখেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/1212_Qdvdewm.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হঠাৎ জামাতের প্রতি বিএনপির সুর বদল, নেপথ্যের ঘটনা?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/585519/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 13:47:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/585519/</guid>

					<description><![CDATA[জামায়াতে ইসলামীকে স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী দল বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছিলেন বিএনপি নেতারা। বিএনপির অনলাইন বট বাহিনী লাগাতারভাবে জামায়াত বিরোধী প্রচারণা চালিয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় মসজিদে কুরআন শিক্ষার অনুষ্ঠানে হামলা, মসজিদের ভেতরে জামায়াত নেতাকর্মীদের মেরে রক্তাক্ত করা, হিজাব পরা নারীদের হেনস্থা ও হামলার মতো জঘন্য ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু হটাত করেই দেখা গেল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জামায়াতে ইসলামীকে স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী দল বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছিলেন বিএনপি নেতারা। বিএনপির অনলাইন বট বাহিনী লাগাতারভাবে জামায়াত বিরোধী প্রচারণা চালিয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় মসজিদে কুরআন শিক্ষার অনুষ্ঠানে হামলা, মসজিদের ভেতরে জামায়াত নেতাকর্মীদের মেরে রক্তাক্ত করা, হিজাব পরা নারীদের হেনস্থা ও হামলার মতো জঘন্য ঘটনাও ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু হটাত করেই দেখা গেল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলছেন, জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাসেম আলী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অথচ এ বিএনপির লোকেরাই একদিন আগে জামায়াতের সাবেক আমীর শহীদ গোলাম আযমকে ফেসবুকে দুই হাত খুলে গালি দিয়েছে। বিএনপির বহু নেতা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথাও বলেছে। সারা দেশে একটা আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে যে নির্বাচন হলেই বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং তারা জামায়াতের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজনীতি যারা ডিপলি জানে তারা অবশ্য জানেন, জামায়াতের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রচারণাকারীরা দলটির ডিফ্যাক্টো প্রধান তারেক রহমান ঘনিষ্ট। গুঞ্জন আছে যোগাযোগ অ্যাপ ওআটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে জামায়াত বিরোধী টকশো প্রচারণা, ফেসবুক ট্রল ও সভাসমাবেশের বক্তব্য-বিবৃতির নির্দেশনার সঙ্গে তারেক রহমান সরাসরি সম্পৃক্ত। বিষয়টি তার ঘনিষ্টরাই বিভিন্ন সার্কেলে গৌরবের সঙ্গে প্রচার করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরমধ্যে তারেক রহমানের ঘনিষ্ট সহকারী বলে পরিচিত একেএম ওয়াহিদুযযামান অ্যাপোলো নামে এক ভদ্রলোক ঢাকার সাংবাদিক মহলে মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে হাজির হয়েছেন। তিনি বেসরকারি টিভি চ্যানেল আরটিভির একজন তরুণ সাংবাদিককে শিবির বিরোধী মিথ্যা রিপোর্ট না লেখায় চাকরীচ্যুত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এহেন পরিস্থিতিতে জামায়াত ঘিরে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ইস্যু একাত্তর ইস্যুতে মিথ্যা মামলায় দলটির টপব্রাশ সব নেতাকে ফাঁসির বিরুদ্ধে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য বিস্ময়কর ও অবিশ্বাস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের নেপথ্যের কারণটি স্পষ্ট হয়েছে দলটির ডিফ্যাক্টো মুখপাত্র সালাহ উদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সব দরজা বন্ধ করতে হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন। দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের সবাইকে এক থাকতে হবে। মতাদর্শে ভিন্নতা থাকলেও দেশের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যদি আমাদের অনৈক্যের কারণে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঘটে, জাতি আমাদের ক্ষমা করবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যে স্পষ্ট যে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণেরও বিরোধী বিএনপি। কারণ নির্বাচনই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের প্রধান দরজা। এটিও বিএনপি বন্ধ করতে চায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন কথা হলো চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর বিএনপি বারবার বলেছে তারা কোনও নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে। এমনকি তারা আওয়ামী লীগকে নির্বাচন করতে দিতেও রাজি।</p>
<p style="text-align: justify;">এরমধ্যে একটা তথ্য হলো, খোদ তারেক রহমান চেয়েছেন নির্বাচনে বিএনপি সরকারে গেলেও জামায়াতের বদলে আওয়ামী লীগ যেন বিরোধী দল হয়। অথচ সে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের সব দরজাই বন্ধ করতে বলছে!</p>
<p style="text-align: justify;">মুলতঃ মির্জা ফখরুল ও সালাহ উদ্দিন মোটেই তারেক রহমানের অনুমোদন ছাড়া জামায়াতের পক্ষে ও আওয়ামী লীগের বিপক্ষে বক্তব্য দেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশকে ঘিরে একটি বড় ঘটনা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর বিএনপির টনক নড়েছে। তাদের হুঁশ হয়েছে যে জামায়াতের বিরুদ্ধে বলে ভারতের মন যোগানোর ধান্ধাবাজির দিন ফুরিয়ে গেছে। বরং ভারতের দালালি করার পরিচয় বিএনপির জন্য সমূহ থ্রেট হিসেবে হাজির হয়েছে। কাজেই ভারত বিরোধী সাজতে এখন তড়িঘড়ি করে জামায়াত প্রেমিক আর আওয়ামী লীগ বিদ্বেষী হতে হচ্ছে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;">বড় ঘটনা কী</span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে যে আগামী ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনটি এমন হোক যেন আমাদের দেশ ভারত ও চীনের ছায়ায় আড়ালে থাকা রাষ্ট্র থেকে বের হতে পারে। দেশটি চায় বাংলাদেশ এ অঞ্চলে ভারত ও চীনের মতই একটি স্বাধীন পক্ষ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কথা হলো যুক্তরাষ্ট্রের এ বার্তার মানে হলো আগামী নির্বাচনে যেন ভারতের দালাল দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সুযোগ না পায়। সেক্ষেত্রে ভারতের নতুন দালাল হতে চাওয়া বিএনপির বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেতিবাচকই। গুরুত্বপূর্ণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে পেরেই বিএনপি এখন ভারত ও আওয়ামী লীগ বিরোধী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাচ্ছে। এজন্যই জামায়াত নেতাদের ফাঁসি ও লীগের প্রত্যাবর্তন নিয়ে এত কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার এ দীর্ঘ লেখা পড়ে হয়তো বিএনপির অশিক্ষিত ইতর লোকেরা মকারি করবে। এটি তারা অশিক্ষা ও অজ্ঞানতাবশতঃ করবে। আবার খোদ জামায়াতের লোকেরা বা অন্য বাংলাদেশীরা কতটা বুঝেছেন তা নিয়েও সন্দেহ আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ কারণে এ লেখাটি মোবাইলে সংক্ষেপে না লিখে ল্যাপটপে লেখছি যেন, লোকজনের লিটারেসির প্রয়োজন সামনে রেখে একটু বড় করে লেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে আমি প্রথমেই কিছু খুচরা তথ্য সামনে আনতে চাই, পরে বড় তথ্য সামনে আনব।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;">ভারতপন্থী সেনা কর্মকর্তাদের বিচার</span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">গুমখুনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরু করেছে। এদের পরিচয় হলো বিগত ১৫ বছর ভারতপন্থী হাসিনা রেজিমের হয়ে এরা অ্যাক্টর ছিল। সহজ কথায় এরা ভারতের লোক ছিল। এদেরকে যে বিচার করা হচ্ছে তার সঙ্গে মার্কিন সংযোগ আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে মনে করিয়ে দেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম সেনা কর্মকর্তাদের নামে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করার আগে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ এ জন্য যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অবস্থানে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে পক্ষ ধরে কাজ করার কথা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে ভারতীয় দালালদের প্রভাবমুক্ত করতে বিচারের যে প্রক্রিয়া তার সঙ্গে মার্কিন সংযোগ আছে এবং এর মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হলো যা না বুঝলে জেনারেল ওয়াকারও বিচারের মুখোমুখি হবেন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;">হাসিনার রায় ১৩ নভেম্বর</span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার বিচার যেন না হতে পারে এ জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ফেলে দিতে বেশ কয়েকবার চেষ্টা হলো। এর মধ্যে আগস্ট থেকেই নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলা হচ্ছিল। এমনকি খোদ বিএনপিকে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা বলা হয়েছিল। এমন সরকার হলে জুলাই গণহত্যা ও আগের গুমখুনের বিচার বন্ধ হয়ে যেত। কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচন ও রুটিন দায়িত্ব পালনের বেশি কিছু করার এখতিয়ার নাই। সেই সরকার হলে আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনে নিষিদ্ধ করারও সুযোগ ছিল না। কারণ অন্তর্বর্তী সরকার লীগের কার্যক্রম বিচার না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে। কাজেই বিচার না হলে লীগের নিষেধাজ্ঞা থাকে না, আর অন্তর্বর্তী সরকারতো নিষিদ্ধ করবেই না।</p>
<p style="text-align: justify;">এক্ষেত্রে একটি তথ্য দেই, সম্প্রতি আওয়ামী লীগ যে ঘনঘন মিছিল করছে তা মোটেই দলটি আয়োজন করেনি। এসব মিছিলের নেপথ্যে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার ও গোয়েন্দা সংস্থা, মিছিলকারীরা হলো ভাড়াটে। এসব মিছিলের টার্গেট হলো অন্তর্বর্তী সরকার পরিবর্তন, শেখ হাসিনার বিচার বন্ধ ও আওয়ামী লীগকে ফেরানো।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু আগামী নির্বাচনকে লীগমুক্ত রাখা ও ভারতের দালাল শেখ হাসিনাকে শায়েস্তা করার যে জরুরত আছে তার সামনে সেনাপ্রধান ও ভারতের কোনও উদ্যোগই পাত্তা পায়নি। তারা রীতিমত ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঘোষণা করেছে, আগামী ১৩ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের রায় হবে। রায়ে দুজনেরই কঠোর শাস্তি হবে, কারণ ম্যাসাকারে তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।</p>
<p style="text-align: justify;">মুলতঃ হাসিনার রায় হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির অবসান ঘটবে। এমনকি রিফাইন্ড আওয়ামী লীগও ভাত পাবে না। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের ছায়া থেকে বের করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গিকেই অনুসরণ করা হবে।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;">ট্রাম্পের বাংলাদেশ নীতির প্রকাশ বড় ঘটনা</span></p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">এক বছরেরও বেশি সময় পরে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের বাংলাদেশ নীতি অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক শিথিল করে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার মতই বাংলাদেশের সঙ্গে জোরদার সম্পর্ক করা হলো ট্রাম্পের নীতি। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ভারত ও চীনের পাশে একটি শক্তিশালী স্বাধীন পক্ষ হিসেবে দেখতে চাওয়া হলো ট্রাম্পের নীতি।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের নাম ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তার নিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি কাউন্সেলর শ্রেণীর একজন কূটনীতিক। বাংলাদেশে তার পদটি রাষ্ট্রদূতের হলেও পদটির নাম হলো ‘অ্যাম্বাসেডর এক্সট্রাঅর্ডিনারি অ্যান্ড প্লেনিপোটেনশিয়ারি’। মানে হলো তিনি সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন কূটনীতিক। এরকম কূটনীতিকরা তার দেশের সরকারের সর্বোচ্চ প্রতিনিধিত্ব করার পূর্ণ এখতিয়ার রাখেন, বিশেষ করে নিজ দেশের সরকারের অনুমোদন ছাড়াই অন্য দেশের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা ও চুক্তিতে উপনীত হতে পারেন। এই পূর্ণ ক্ষমতা তাদেরকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীন এজেন্ট, চুক্তি স্বাক্ষরে সক্ষম ও নিজ দেশের সর্বোচ্চ স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করতে সমর্থ করে তোলে।</p>
<p style="text-align: justify;">কাজেই নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন তার পদ মর্যাদার কারণে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে তিনি নিজেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও চুক্তি করবেন, যা করার এখতিয়ার বেশিরভাগ কূটনীতিকেরই থাকে না। তিনি কোনো চুক্তি ও সমঝোতার বিষয়ে সরাসরি অথরিটি হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন, এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনে তাকে চুক্তিপত্র পাঠিয়ে অনূমোদন আনতে হবে না। তার পদটি ক্ষমতার প্রতীক বলে বিবেচিত। ফলে তিনি যখন কথা বলবেন তা যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং কথা ও কাজের বেলায় পূর্ণ কর্তৃত্বের অধিকারী হবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নতুন রাষ্ট্রদূতের পদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য হলো তাকে বাংলাদেশে বিশেষ পরিস্থিতির প্রয়োজনে দ্রুততমে সময়ে ওয়াশিংটনের নির্দেশনা বা অনুমোদনের জন্য কাল বিলম্ব না করে তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কাজেই ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বড় ঘটনা। এই বড় ঘটনা বুঝতে আমাদের খোদ ক্রিস্টেনসেনকে বোঝা দরকার। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের খুবই ঘনিষ্ট। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর ছিলেন, ২০১৯-২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। তার মানে তিনি বাংলাদেশকে গভীরভাবে জানেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে, ‘২০২২ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত কমান্ডের (ইউএসএসট্র্যাটকম) কমান্ডারের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় তিনি ইউএসএসট্র্যাটকমের বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিরোধ মিশনের পররাষ্ট্রনীতিগত প্রভাব সম্পর্কে কমান্ডারকে পরামর্শ দেন।’ এছাড়াও তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পলিটিক্যাল-মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র হস্তান্তর অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর (২০১৬-২০১৯) ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ২ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন দেন। এরপর মনোনয়ন অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয়। গত ২৩ অক্টোবর সিনেটে শুনানি হয়। এ শুনানির সময় ক্রিস্টেনসেন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ইংগিতবাহী বক্তব্য দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশও একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রয়েছে। গত বছরের আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি সরকারকে পতন করেছিল। বাংলাদেশে আগামী বছরের শুরুর দিকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিণাম বয়ে আনা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। নতুন সরকার এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ খুঁজে নিতে এই নির্বাচন হবে। একটি উজ্জ্বল ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের এই অভিযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ বাংলাদেশ প্রায়শই তার প্রাপ্য মনোযোগ পায় না, কারণ এটি তার আরও বড় প্রতিবেশীদের ছায়ায় ছাপিয়ে যায়।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘আমার ফরেন সার্ভিস ক্যারিয়ারে বাংলাদেশের প্রতি মার্কিন নীতি নিয়ে কাজ করার বিশ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা, এর আগে ঢাকা সফরের কারণে আমি এর গুরুত্ব এবং সেখানে মার্কিন স্বার্থের গুরুত্ব ভালোভাবে বুঝতে পারি। কৌশলগত অবস্থান বাংলাদেশকে একটি উন্মুক্ত, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার করে তোলে।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘যদি নিশ্চিত হয় (রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ) আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং এর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত উত্তরসূরি উভয়ের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে দূতাবাসের ঢাকা টিমকে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছি। প্রায়শই নতুন এশিয়ান টাইগারদের মধ্যে একটি হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনা প্রত্যক্ষ করে। প্রচণ্ড চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা থেকে উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে, বাংলাদেশের জনগণের স্থিতিস্থাপকতা ও এই অধ্যবসায়ের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা জানাতে হয়।’</p>
<p style="text-align: justify;">শুনানিতে সিনেটর পিট রিকেটস বলেন, ‘আমরা যে আরেকটি হুমকির মুখোমুখি হচ্ছি, তা হলো কমিউনিস্ট চীন। বাংলাদেশ ও কমিউনিস্ট চীনের মধ্যে সামরিক পরিসরে সহযোগিতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি কমিউনিস্ট চীন একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশি সাবমেরিন ঘাঁটি সংস্কার করেছে, যাতে যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন দুটোই রাখা যায়। আর এই মাসেই খবর এসেছে যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বোচ্চ ২০টি চীনা নির্মিত জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। তারা নতুন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল এবং দীর্ঘপাল্লার রাডারও সংগ্রহ করবে। এর মাধ্যমে তারা চীনা প্রতিরক্ষাশিল্পের সঙ্গে আর্থিক ও কৌশলগতভাবে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক স্থাপন করছে। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন নিশ্চিত হলে কীভাবে আপনি বাংলাদেশের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, যাতে তারা চীনা সমরাস্ত্রের ওপর আরও নির্ভরশীল না হয়, তাদের প্রতিরক্ষা ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হয়?</p>
<p style="text-align: justify;">জবাবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাব নিয়ে আপনার উদ্বেগের সঙ্গে আমি একমত। আমার মনোনয়ন নিশ্চিত (রাষ্ট্রদূত হিসেবে) হলে বাংলাদেশের সরকার ও সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলব—চীনের কর্মতৎপরতা, তাদের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা, তাদের সামুদ্রিক এলাকায় কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় চীনের ভূমিকার ঝুঁকি স্পষ্টভাবে তুলে ধরব। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বের সুযোগ ও সুফলগুলোও তুলে ধরব, বিশেষ করে আমাদের দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে আরও নিবিড় সহযোগিতার বিষয়টি।’</p>
<p style="text-align: justify;">পিট রিকেটস বলেন, এই শুনানি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন মার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটি গতকাল ‘থিঙ্ক টোয়াইস অ্যাক্ট’ নামের একটি প্রস্তাব কণ্ঠভোটে অনুমোদন দিয়েছে। এই বিল অনুযায়ী একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল প্রণয়ন করতে হবে, যাতে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশকে চীনের কাছ থেকে অস্ত্র কেনা থেকে নিরুৎসাহিত করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">পিট রিকেটস বলেন, ‘এই বিল পাস করাটা অত্যন্ত জরুরি, যাতে আমরা অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মোকাবিলা করতে পারি। আশা করি, আমরা এই বিলের মাধ্যমে আপনাকে এমন একটি হাতিয়ার দিতে পারব, যা বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে কাজ করার সময় সহায়ক হবে। কিন্তু আমরা আর কী কী করতে পারি? দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের অস্ত্র বিক্রির প্রভাব মোকাবিলায়, আপনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবেন?’</p>
<p style="text-align: justify;">তখন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমাদের মার্কিন সামরিক সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে আমরা মিত্রদেশগুলোর জন্য তৈরি এমন কিছু প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তুলে ধরতে পারি, যা বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারে, যারা যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি প্রিমিয়াম অস্ত্রসামগ্রী কিনতে পারে না। পাশাপাশি আমরা যৌথ সামরিক মহড়ার মাধ্যমে এসব প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে তাদের আন্তকার্যক্ষমতা বাড়াতে পারি।’</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #993300;">[শুনানির বক্তব্য ইউএনবির বরাতে আজকের পত্রিকা, প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন ও ফাইনান্সিয়াল টাইমস থেকে নেওয়া হয়েছে]</span></p>
<p style="text-align: justify;">কথা হলো নতুন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব, তার নিজের বক্তব্য ও প্রশ্নের জবাব মিলিয়ে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ও সামনের দিনগুলো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ও কৌশল স্পষ্ট বোঝা যায়। সেক্ষেত্রে স্পষ্ট যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ভারত কিংবা চীন কারো বলয়েই দেখতে চায় না। তারা চায় বাংলাদেশ নিজের মতো চলুক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট অ্যালাই হোক। এই চাওয়ার সঙ্গে বিএনপির ভারতপন্থা মোটেই যায় না। বিএনপিকে ক্ষমতায় যেতে ও থাকতে হলে মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে বিএনপি কদ্দুর কী করে দেখতে হবে। তবে দলটি রাতারাতি কিভাবে অবস্থান বদলাচ্ছে তা দেখে এটি বোঝা যায় যে বিএনপি নিজেকে বদলানোর বিষয়ে যথেষ্ট তড়িৎ চেষ্টা করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">যদিও জামায়াতও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিষয়গুলো অবহিত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। বিশেষ করে দলটির আমীর ডা. শফিক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র করছেন। তার সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের কাদের সাক্ষাৎ হয় এবং দলটি ক্ষমতায় গেলে কী কী করবে না করবে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানাচ্ছেন তা অবশ্য জানা যাবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে বিএনপি কিছু আঁচ করেছে বলে মনে হয়। সেক্ষেত্রে এমন হতে পারে বিএনপি জামায়াতকে নির্বাচনে নেওয়ার জন্য খুশি করে কথা বলছে। কারণ সব মিলিয়ে নির্বাচন নিয়ে সংশয় আছে, আবার ভোট হলেও সরকার পড়ে যেতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2025/10/Khomenee.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জুলাই গণহত্যায় হাসিনা ওয়াজেদসহ ৩ জনের রায় ১৩ নভেম্বর</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/108911/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/108911/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 06:45:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=108911</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই-আগস্টে সংঘঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিচারকাজ শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর এই মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণার জন্য এই দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল। মামলার অপর আসামিরা হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও এই মামলার রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্টে সংঘঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিচারকাজ শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর এই মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণার জন্য এই দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার অপর আসামিরা হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও এই মামলার রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।</p>
<blockquote>
<p style="text-align: justify;">এর আগে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান খান ট্রাইব্যুনালকে জানান, গণহত্যা চালিয়ে শেখ হাসিনার পলায়নের ঘটনা প্রবাহ থেকেই তার অপরাধ প্রমাণিত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গণহত্যা হয়েছে। তবে পতিত সরকারের লোকজন চলমান বিচার কার্যক্রম ব্যাহত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিচার না হলে জুলাই শহীদ-আহতদের ওপর অবিচার করা হবে।</p>
</blockquote>
<p style="text-align: justify;">চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ভাবে অপরাধ প্রমাণে প্রসিকিউশন সক্ষম হয়েছে। উপস্থাপন করা ফোন কল রেকর্ডগুলো বিদেশি সংস্থার দ্বারা পরীক্ষা করা হয়েছে। উপস্থাপিত প্রমাণগুলো দিয়ে বিশ্বের যেকোনো আদালতে অপরাধ প্রমাণ হবে। আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থণা করছি।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তিতর্কে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী আমির হোসেন জানান, শেখ হাসিনা পালাননি। তিনি দেশ ছাড়তেও চাননি, তাকে বাধ্য করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার এই মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। পরে প্রসিকিউশন যুক্তিখণ্ডন করে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এই মামলার সর্বশেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন।</p>
<p style="text-align: justify;">মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একপর্যায়ে এই মামলায় দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে (অ্যাপ্রোভার) রাজসাক্ষী হয়ে সাক্ষ্য দেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার, আহত ব্যক্তি, চিকিৎসকসহ ৫৪ জন সাক্ষ্য দেন। তাদের সাক্ষ্যে উঠে আসে, জুলাই গণহত্যা-নৃশংসতা, আওয়ামী লীগ আমলের গুম-খুনসহ নির্যাতনের নানা বিষয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এই মামলাটি ছাড়াও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা হয়েছে আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম-খুনের ঘটনায়। অন্য মামলাটি হয়েছে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/108911/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Hasina_Zb3f0Iw.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জুলাই গণহত্যায় হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/294584/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 04:35:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=294584</guid>

					<description><![CDATA[অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনাসহ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি না হলে শহীদদের আত্মার প্রতি অবিচার করা হবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে আদালতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জুলাই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। যে কোনো মূল্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। জানা গেছে, জুলাই-আগস্টে হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শেষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনাসহ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি না হলে শহীদদের আত্মার প্রতি অবিচার করা হবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে আদালতে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জুলাই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। যে কোনো মূল্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, জুলাই-আগস্টে হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/asaduzaman.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে যাদের কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/172955/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/172955/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 02:00:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=172955</guid>

					<description><![CDATA[মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৩২ আসামির বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। তার মধ্যে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুন ও জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তবে তবে যারা হাজির হননি তাদের হাজির হতে দুটি সংবাদপত্রে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তাসহ ৩২ আসামির বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">তার মধ্যে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুন ও জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১</p>
<p style="text-align: justify;">তবে তবে যারা হাজির হননি তাদের হাজির হতে দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। এদিন সকালে হেফাজতে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের কড়া নিরাপত্তায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি প্রিজন ভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কারাগারে পাঠানো সেনা কর্মকর্তারা হলেন—র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে); র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।</p>
<p style="text-align: justify;">ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিনজন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকীকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গুমের ২ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। আর গত বছরের ১৮ ও ১৯ জুলাই রামপুরায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে করা মামলায় শুনানির জন্য ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">এ দিকে গ্রেফতার দেখানো ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কোন কারাগারে রাখা হবে তা কারা কর্তৃপক্ষ ঠিক করবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">আদালতের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করায় সেনাবাহিনীসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন চিফ প্রসিকিউটর।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/172955/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Army-12.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মেট্রোরেলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার শঙ্কা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/327262/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 02:01:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=327262</guid>

					<description><![CDATA[পাঁচদিনের ব্যবধানে দেশের তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হন ব্যবসায়ীরা। ধারাবাহিক ও ভয়াবহ এসব অগ্নিকাণ্ড এখন আর কোনোভাবেই নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। এগুলো দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এসব ঘটনা সুপরিকল্পিত ও গভীর দেশবিরোধী নাশকতার অংশ কি না- সে বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পাঁচদিনের ব্যবধানে দেশের তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হন ব্যবসায়ীরা। ধারাবাহিক ও ভয়াবহ এসব অগ্নিকাণ্ড এখন আর কোনোভাবেই নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। এগুলো দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব ঘটনা সুপরিকল্পিত ও গভীর দেশবিরোধী নাশকতার অংশ কি না- সে বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত করার জন্য সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে (কেপিআই) নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে আরো তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার সরকারের উচ্চপর্যায়ে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়। বৈঠকে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এতে বিমানবন্দর, মিরপুর ও চট্টগ্রামের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের বিষয় গুরুত্ব পায়। বৈঠকে শাহজালাল বিমানবন্দরের ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে বলা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে গতকাল তিনটি নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সংস্থা, পুলিশ সদর দপ্তর, সংশ্লিষ্ট বিভাগ, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধারাবাহিক বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় সব ধরনের তথ্যাদি তদন্তের স্বার্থে পর্যালোচনা করতে বলা হয়। এ ঘটনায় দেশি-বিদেশি কোনো চক্রান্ত রয়েছে কি না, তাও খুঁজে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেট্রোরেল, গুরুত্বপূর্ণ সিভিল ও সামরিক-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি দ্রুত নিরূপণের জন্য বলা হয়। সভায় নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট তিনটি সংস্থাকে প্রো-অ্যাকটিভ (সক্রিয়) হয়ে তৎপরতা জোরদারের জন্য বলা হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও।</p>
<p style="text-align: justify;">সংস্থাগুলোর একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র ও বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ১৪ অক্টোবর ঢাকার মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গোডাউন ও পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) একটি বৃহৎ কারখানায় বিধ্বংসী আগুন এবং সর্বশেষ গত শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অর্থনীতিকে লক্ষ্য করে চালানো এক গুরুতর ষড়যন্ত্র বলেই মনে হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রাথমিকভাবে মনে করছে, এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, দেশের দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতিতে মারাত্মক আঘাত হানা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করা। দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মৌখিক নির্দেশনায় সারা দেশে সতর্কাবস্থায় দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সাংবাদিকদের বলেছেন, বিমানবন্দর হলো কেপিআই এলাকা। আগুন লাগার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আমাদের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এই ধূম্রজালের ভেতর দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছার মতো অবস্থা ছিল না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড তদন্তে নাশকতাসহ কোনো কিছু উড়িয়ে দেব না। গোয়েন্দা সংস্থাসহ অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এর রহস্য উদঘাটন করার চেষ্টা করব।</p>
<p style="text-align: justify;">উপদেষ্টার এই বক্তব্য সরকারের পক্ষ থেকে নাশকতার সম্ভাবনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) পৃথক দুটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর সিভিল অ্যাভিয়েশনের (বেবিচক) উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের অহেতুক দেরির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উত্তরাসহ একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছালেও সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অগ্নিনির্বাপণের কাজ শুরু করার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেতে বিলম্ব হয়। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক পরে সাংবাদিকদের জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় বাধা ছিল বাতাস।</p>
<p style="text-align: justify;">ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা বলছেন, বেবিচকের কতিপয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করায় মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। এই বিলম্বের ফলেই আগুন কার্গো ভিলেজের আমদানি পণ্য, গার্মেন্টস, কেমিক্যাল ও মেশিনারিজের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে; ফলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">কার্গো ভিলেজ থেকে ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী বাড়ার পরও কাজ শুরু করতে দেরির বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে এবং এই প্রশাসনিক গাফিলতি খতিয়ে দেখার জন্য জোর দাবি উঠেছে। এই প্রশাসনিক দুর্বলতাও নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের সুবিধা করে দিয়েছে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিমানবন্দরে সফল নাশকতার পর ষড়যন্ত্রকারী চক্রটি পরবর্তী টার্গেট হিসেবে বেছে নিয়েছে দেশের আধুনিক পরিবহনব্যবস্থার অন্যতম প্রতীক মেট্রোরেলকে (এমআরটি)। মেট্রোরেলে নাশকতা ঘটিয়ে জনগণের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং সরকারের ভাবমর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। মেট্রোরেলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো (কেপিআই) পরবর্তী নাশকতা প্রচেষ্টার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতিতে বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক শত্রুরা এখনো তৎপর। সম্প্রতি দেশে কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে আগুন লাগার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত বলে জনগণ বিশ্বাস করে।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন হিসেবে না দেখে ‘চক্রান্তের একটি অংশ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বিকেএমইএ সভাপতিও শাহজালাল বিমানবন্দরের আগুনে ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার ফেসবুকে প্রশ্ন তুলেছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা কি আকস্মিক দুর্ঘটনা, নাকি নাশকতা? নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, একই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় এবং অগ্নিকাণ্ডের ধরন দেখে বোঝা যায় এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রেরই অংশ।</p>
<p style="text-align: justify;">নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক যোগসূত্রের তথ্যও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর তদন্তের আওতায় এসেছে। নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে, আওয়ামী লীগের পতনের পর পালিয়ে যাওয়া দলটির বহু নেতা গত আগস্টে ব্যাপক নাশকতার মাধ্যমে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন, যা ব্যর্থ হওয়ায় তারা অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসকে টার্গেট করে নাশকতায় নেমেছেন। এই নাশকতার বিষয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বাহাউদ্দিন নাছিম, মাহবুব-উল আলম হানিফ, নওফেল, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কয়েকজন নেতা সমন্বয় করছেন বলে জানা গেছে। তারা কলকাতায় মিলিত হয়ে নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শ করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন দিল্লিতে পলাতক শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করার সুযোগ পাচ্ছেন। গত ১১ অক্টোবর ভারতের দিল্লিতে আসাদুজ্জামান খান কামাল ও নওফেল শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন, যার পরপরই দেশে ভয়াবহ তিনটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এসব রাজনৈতিক যোগসূত্রকেও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপর নজর রাখছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবে সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীরাও তীব্র সন্দেহ ও ষড়যন্ত্রের কথা বলছেন। তারা বলছেন, এগুলো কোনো দুর্ঘটনা নয়, স্পষ্ট নাশকতা। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আগুন লাগছে- এটা দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (কেপিআই) নিরাপত্তা আরো জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন সারা দেশে তাদের টহল, নজরদারি ও কেপিআইয়ের নিরাপত্তা প্রটোকল কঠোর করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নাশকতার এই ধারাবাহিকতা মোকাবিলায় কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই নয়, বরং সাধারণ জনগণের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান জরুরি।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশের অর্থনীতিকে লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা মোকাবিলায় শিল্পমালিক এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ ও জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2024/01/18/mettrorel.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সংসদ ভবন এলাকায় বিশৃঙ্খলা করেছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/285013/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 04:20:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=285013</guid>

					<description><![CDATA[বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের নামে সংসদ ভবন এলাকায় বিশৃঙ্খলা করেছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী। জুলাই সনদে এনসিপিসহ বাম জোটের নেতারা স্বাক্ষর না করায় আগামী নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না। শনিবার বেলা ১১টার দিকে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এর ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের নামে সংসদ ভবন এলাকায় বিশৃঙ্খলা করেছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী। জুলাই সনদে এনসিপিসহ বাম জোটের নেতারা স্বাক্ষর না করায় আগামী নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার বেলা ১১টার দিকে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এর ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই সমাধি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিকানা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিমূল। আমরা এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র সুসংহত করার জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে চাই, আর সেটার চর্চা শুরু হয়ে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি জরুরি হচ্ছে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখা। যার যাত্রা শুরু হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে। এটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মধ্যমে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সমাজ, রাষ্ট্র, সরকার বিনির্মাণ হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/salauddin_BQ6z9wb.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পালিয়ে কলকাতায় একই ডেরায় দুই জেনারেল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/47222/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/47222/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 04:12:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=47222</guid>

					<description><![CDATA[অপরাধে অভিযুক্ত পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গত ৯ অক্টোবর তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। জেনারেল কবীর এখন কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় সনজীবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে সপরিবারে অবস্থান করছেন। ঢাকা এবং কলকাতার নিরাপত্তা সূত্রগুলো আমার দেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অপরাধে অভিযুক্ত পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গত ৯ অক্টোবর তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। জেনারেল কবীর এখন কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় সনজীবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে সপরিবারে অবস্থান করছেন। ঢাকা এবং কলকাতার নিরাপত্তা সূত্রগুলো আমার দেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জেনারেল কবীরের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি কোথায় আছেন তা নিয়ে যখন ব্যাপক আলোচনা চলছে ঠিক সেই মুহূর্তে আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে তার পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেনা সদরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জেনারেল কবীরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">একজন সার্ভিং বা কর্মরত জেনারেল কীভাবে দেশ থেকে পালিয়ে ভারতের মতো বৈরী প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে পারল তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন এবং উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সাবেক আমলা, পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এই প্রথমবারের মতো সার্ভিং কোনো জেনারেলের দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার খবর পাওয়া গেল। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতর এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত হওয়া উচিত। কারণ এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এর পেছনে যে বাংলাদেশের কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠীর পাশাপাশি ভারতের হাত রয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যারা জেনারেল কবীরকে পালাতে সাহায্য করেছে তাদের তদন্তের</p>
<p style="text-align: justify;">মাধ্যমে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। জেনারেল কবীরের বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে কলকাতায় আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে অবগত কলকাতার একটি নিরাপত্তা সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে গুমের দায়ে অভিযুক্ত সেনাকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে তা আগে থেকেই আঁচ করছিলেন জেনারেল কবীর। তিনি গত একমাস ধরে কলকাতা যাওয়া-আসার মধ্যে ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে একবার কলকাতায় আসেন এবং বেশ কয়েকদিন থেকে আবার বাংলাদেশে ফিরে যান। ওই সময় তিনি কলকাতার বারাসাত এবং নিউ টাউন এলাকায় অবস্থান করেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গত ৯ অক্টোবর জেনারেল কবীর তামাবিল সীমান্ত দিয়ে আবার ভারতে প্রবেশ করেন। এখন তিনি কলকাতার নিউ টাউন এলাকার সানজিবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে পরিবার নিয়ে অবস্থান করছেন। কলকাতার নিরাপত্তা সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, এর আগে পালিয়ে যাওয়া আরেক সেনাকর্মকর্তা লে. জে. (অব.) আকবর হোসেনও সানজিবা গার্ডেনে সপরিবারে অবস্থান করছেন। তবে এখানে অন্য আর কোনো জেনারেল আছেন কি না তা জানাতে পারেনি ওই সূত্রগুলো। উল্লেখ্য, সানজিবা গার্ডেন কলকাতার অভিজাত শ্রেণির বসবাস। বহুল আলোচিত খুন হওয়া আওয়ামী লীগের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারও এই সানজিবা গার্ডেনে ভাড়া ছিলেন এবং সেখানেই তিনি ‍খুন হন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ আমলের গুমের ঘটনায় দুটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ৮ অক্টোবর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন। তাদের মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা। এদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিলেন জেনারেল কবীর। পরোয়ানা জারির দিনই তা সংশ্লিষ্ট ১৩টি দপ্তরে পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১-এর কর্মকর্তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে গত ১১ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদকে ‘ইলিগ্যালি অ্যাবসেন্ট (অবৈধভাবে অনুপস্থিত)’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সেনাবাহিনী। তিনি যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তাকে ধরতে সব সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেনারেল কবীর আহাম্মদের বিরুদ্ধে জয়েন্ট ইন্টেরোগেশন সেলে (জেআইসি) ভুক্তভোগীদের বন্দি রেখে নির্যাতনের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘মেজর জেনারেল কবীর না জানিয়ে অবৈধভাবে ছুটিতে গেছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।’ জেনারেল হাকিমুজ্জামান আরো বলেন, ‘জেনারেল কবীর ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হয়েছেন। এর পর থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবিকে বলা হয়েছে যেন তিনি দেশত্যাগ করতে না পারেন।’ তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী সংবিধান স্বীকৃত বাংলাদেশের সব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’</p>
<p style="text-align: justify;">গুমের মতো মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত মেজর জেনারেল কবীর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। গত বছর জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকসের কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। সবশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২৪ লং কোর্সের আলোচিত এই জেনারেল গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সঙ্গে সামরিক বিমানে করে ভারতে যান এবং ফিরে আসেন। গত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় খুনি মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং কদমবুচি জেনারেল হিসেবে পরিচিত মেজর জেনারেল মাহবুব রশিদের কোর্সমেট হওয়ার সুবাদে ডিজিএফআই-এর সিটি আইবিতে পোস্টিং দেওয়া হয় জেনারেল কবীরকে। পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবের পদ লাভ করেন তিনি। জেনারেল জিয়া, মাহবুব এবং কবীর একত্রে গুম-নির্যাতনের পাশাপাশি নানা দুর্নীতি ও নানা অপরাধে যুক্ত হন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদ নামে এক কোর্সমেটকে সামনে রেখে একটি ডেভেলপার কোম্পানির সহযোগিতায় ভাষানটেক, ইসিবি চত্বর এবং মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় জমি কেনা-বেচার সঙ্গে জড়িত হন। জেনারেল কবীর বিভিন্ন জনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে কম দামে জমি ক্রয় করে পরবর্তী সময়ে বেশি দামে বিক্রি করে এবং বিভিন্ন ডেভেলপিং ব্যবসায় নিয়োজিত হয়। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল (BUP)-এর কাছে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা শতাংশ কিনে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকায় বিক্রির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। নেত্রকোনার বাসিন্দা জেনারেল কবীর গত জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় বিভিন্ন জিওসিকে মোবাইলে ফোন করে ছাত্রদের উপর নির্বিচারে গুলি করার জন্য শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক প্রফেসর এম শহীদুজ্জামান জেনারেল কবীরের পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি আখ্যা দিয়ে আমার দেশকে বলেন, জেনারেল কবীর যদি সত্যিই ভারতে পালিয়ে গিয়ে থাকেন তাহলে সেটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তো বলা হলো জেনারেল কবীর যেন পালাতে না পারে সে জন্য বিমানবন্দরসহ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তাহলে তিনি কীভাবে পালালেন, এই প্রশ্নের জবাব তো কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সঠিক তদন্ত হতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের জেনারেলরা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিচ্ছে এবং ভারত তাদের আশ্রয় দিচ্ছে, এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। ভারত আসলে উসকানি দিচ্ছে। ভারত চাইছে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে। ভারতে যেসব জেনারেল আশ্রয় নিচ্ছে তারা যে ভারতের হয়ে এখানে নানা ধরনের অপরাধ করেছে তা এখন প্রমাণিত। অপরাধী জেনারেলদের ভারত যে আশ্রয় দিচ্ছে সে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশি বেশি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে এই বিশ্লেষক বলেন, বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির ওপর জাতিসংঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেকেই নজর রাখছে। সরকারের দায়িত্ব হলো বিষয়টি ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরা এবং এসব অপরাধীর যে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেই বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে দ্রুত শেষ করা। এটা করতে পারলে ভারত তখন আন্তর্জাতিকভাবে চাপে পড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী জেনারেল কবীরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন। আমার দেশ-এর সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, জেনারেল কবীর ভারতে পালিয়ে গিয়েছে এবং ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সবকিছু করবে, এটা আমরা জানি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে যারা পালাতে সহযোগিতা করেছে তাদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এখানে কোনো কোনো উপদেষ্টার নাম শোনা যাচ্ছে যারা জেনারেল কবীরকে পালাতে সাহায্য করেছে। এটা দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এখানে সেনাবাহিনীর দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। একজন সার্ভিং জেনারেল কীভাবে পালাতে পারে তার জবাব সেনাবাহিনীর দিতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর। সেই সেনাবাহিনীর জেনারেলরা যদি অন্য দেশের এজেন্ট হয়ে কাজ করে তাহলে তো আর বলা যায় না আমাদের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র আছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/47222/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/genarel.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আ লীগের দল হিসেবে বিচারকাজের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/35951/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/35951/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 06:00:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=35951</guid>

					<description><![CDATA[দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারকাজের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার সকালে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। এর আগে, এনডিএম-এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ গত বছরের (২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগসহ ১৪টি রাজনৈতিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারকাজের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার সকালে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, এনডিএম-এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ গত বছরের (২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগসহ ১৪টি রাজনৈতিক দল গণহত্যার সরাসরি হুকুমদাতা হিসেবে দায়ী।</p>
<p style="text-align: justify;">চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করছি। এটি পুরোদমে শুরু হলে বিষয়টি কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে, তা আমরা তখন জানাতে পারব।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/35951/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Awami-Legue_c8JSMou.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>স্বৈরাচার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত যদি দেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, কিছু করার নাই</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/276028/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Oct 2025 05:04:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=276028</guid>

					<description><![CDATA[দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কোনো গণমাধ্যমে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও বিবিসি বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোল। তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সাক্ষাৎকার দেন। দুই পর্বের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কোনো গণমাধ্যমে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সংস্কারসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও বিবিসি বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোল। তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই সাক্ষাৎকার দেন। দুই পর্বের সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব আজ। সাক্ষাৎকারটি হুবহু আমার দেশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> যে সরকার এখন বাংলাদেশের সরকার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার, তাদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong></span> বিষয়টি তো রাজনৈতিক। এটি তো কোনো ব্যক্তির বিষয় নয়। আমরা প্রথম থেকে যে কথাটি বলেছি যে, আমরা চাই, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হোক। অর্থাৎ অনেক কিছুর মত বিভিন্ন বিষয় আছে- যেমন আমরা যদি মূল দুটো বিষয় বলি যে, কিছু সংস্কারের বিষয় আছে, একই সঙ্গে প্রত্যাশিত সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বাধীন নির্বাচনের একটি বিষয় আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত কিছু সংস্কারসহ যেই সংস্কারগুলো না করলেই নয়, এরকম সংস্কারসহ একটি স্বাভাবিক সুষ্ঠু, স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত করাই হচ্ছে বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। আমরা প্রত্যাশা করি যে, উনারা উনাদের উপরে যেটা মূল দায়িত্ব, সেটি উনারা সঠিকভাবে সম্পাদন করবেন। এটাই তো উনাদের কাছে আমাদের চাওয়া রাজনৈতিক দল হিসেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা আশা রাখি, প্রত্যাশা করি যে, উনারা করবেন কাজটি সুন্দরভাবে। স্বাভাবিকভাবে এই কাজটির সৌন্দর্য্য বা কতটুকু ভালো, কতটুকু ভালো বা মন্দভাবে করতে পারছেন, তার ওপরেই মনে হয় সম্পর্কের উষ্ণতা বা শীতলতা যেটাই বলেন, সেটা নির্ভর করবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>আপনি কয়েক মাস আগে একটি মন্তব্য করেছিলেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আপনার এই মন্তব্যটি নিয়ে আমি প্রধান উপদেষ্টাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তার একটি সাক্ষাৎকারে যে এ বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া কি? তিনি তখন বলেছিলেন যে সন্দেহটা উনার মনে। অর্থাৎ আপনার মনে আছে কি-না সেটা তিনি জানতে চান। আপনার মনে কি সেই সন্দেহ আছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong></span> দেখুন আমি যখন এই কথাটি বলেছিলাম, এই মুহূর্তে আমার যতটুকু মনে পড়ে সেই সময় পর্যন্ত ওনারা কিন্তু নির্বাচনের ব্যাপারে সঠিক কোনো টাইম ফ্রেম বা কোনো কিছু বলেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">রোডম্যাপ বলতে যা বুঝায়, আমরা নরমালি যা বুঝে থাকি, এরকম কিছু বলেননি। এবং সে কারণেই শুধু আমার মনের মধ্যেই নয়, আমরা যদি সেই সময় বিভিন্ন মিডিয়া দেখি, বিভিন্ন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব দেখি যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা করেন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে, প্রায় সকলের মনের মধ্যেই সন্দেহ ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা যখন দেখলাম যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ডক্টর ইউনুস উনি মোটামুটিভাবে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করলেন। এবং পরবর্তীতে বেশ কয়েকবার উনি উনার যে সিদ্ধান্ত সেটির ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তারপর থেকেই খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সন্দেহটি বহু মানুষের মন থেকে ধীরে ধীরে চলে যেতে ধরেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি মনে করি, উনারা যা বলেছেন উনারা যতক্ষণ পর্যন্ত দৃঢ় থাকবেন, উনাদের বক্তব্যে উনাদের কাজে যত বেশি দৃঢ় থাকবেন, ততই সন্দেহ চলে যাবে আস্তে আস্তে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>সেই সন্দেহ মনে কিছুটা দূরীভূত হয়েছিল লন্ডনে যখন তিনি আপনার সঙ্গে বৈঠক করলেন। তারপরেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের কথা এসেছিল। তো সেই বৈঠকে নির্বাচনের কথা তো হয়েছিল, যেহেতু সেটি পরে এসেছে। এর বাইরে কি আপনাদের মধ্যে আর কোনো কথা হয়েছে? আর কোনো বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা বা সমঝোতা কিছু হয়েছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong> </span>এর বাইরে স্বাভাবিকভাবেই উনি অত্যন্ত একজন স্বনামধন্য মানুষ। অত্যন্ত বিজ্ঞ মানুষ উনি। এর বাইরে তো অবশ্যই স্বাভাবিকভাবে সৌজন্যমূলক কথাবার্তা হয়েছে। এর বাইরেও উনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন যে, জনগণ যদি আপনাদেরকে সুযোগ দেয়, তাহলে আপনারা কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য? এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার কিছু চিন্তাভাবনা দেশের মানুষকে নিয়ে, দেশের জনগণকে নিয়ে, দেশকে নিয়ে আমরা যদি সুযোগ পাই, জনগণ আমাদেরকে যদি সেই সুযোগ দেন, তাহলে আমরা কি কি বিষয়ে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো, সেই বিষয়গুলো নিয়ে কিছু কিছু আলোচনা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span></strong> নির্বাচনের বিষয়টি তো আপনি বললেন, এর বাইরে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে গত এক বছরে যে ভূমিকা রেখেছে অন্তর্বর্তী সরকার, সেটাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>তারেক রহমান:</strong> </span>অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানে ইন্টেরিম, মানে এটা তো ক্ষণস্থায়ী বিষয়টি। তো খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি দেশ পরিচালনা তো একটি বিশাল বিষয়। আমরা হয়তো ভূখন্ডের ভিত্তিতে যদি বিবেচনা করি, হয়তো বাংলাদেশকে অনেকে বলবে ছোট দেশ। কিন্তু আমরা যদি জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিবেচনা করি, বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক ভূখণ্ডের চেয়ে বড় দেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">ইউকের (যুক্তরাজ্য) জনসংখ্যা সাত কোটির মত, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্লাস- মাইনাস ২০ কোটির মত এখন। কাজেই ইউকের তিন গুণ বড়। এরকম একটি দেশ পরিচালনা করতে হলে স্বাভাবিকভাবেই জনগণের ম্যান্ডেটসহ একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন। বিভিন্ন বিষয় থাকে, ইস্যুজ থাকে, বিভিন্ন বিষয় আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তো এখন নির্বাচনের বাইরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পারফরমেন্স আপনি যেটা বললেন, আমরা সকল কিছু বিবেচনা করলে আমার কাছে মনে হয়েছে যে, হয়তো উনারা চেষ্টা করেছেন অনেক বিষয়ে। সব ক্ষেত্রে সবাই তো আর সফল হতে পারে না, স্বাভাবিকভাবে ওনাদের লিমিটেশনস কিছু আছে। সেই লিমিটেশনস এর মধ্যে উনারা হয়তো চেষ্টা করেছেন, যতটুকু পেরেছেন হয়তো চেষ্টা করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এক এগারোর সরকার নিয়ে মূল্যায়ন কী?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> আমি একটু পিছনে তাকাতে চাই।</p>
<p style="text-align: justify;">তারেক রহমান: ভাই আমরা তো সামনে যেতে চাই। আপনি পিছনে কেন যাচ্ছেন? দেশকে সামনে নিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>মানে পেছন থেকেই তো শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোতে হয়। তো পেছনের একটা বিষয়, সেটা হচ্ছে, এক এগারোর সরকার বা সেনা সমর্থিত সরকারের সেই সময়টা নিয়ে রাজনীতিতে অনেক আলোচনা আছে। সে সময়টাকে ঘিরে আপনার মূল্যায়নটা কি?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>এক বাক্যে বা সংক্ষেপে যদি বলতে হয়, এক এগারোর সরকার তো একটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত, অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত একটি সরকার ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা দেখেছি সেই সরকার আসলে কিভাবে দেশের যতটুকু যেমনই হোক বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যতটুকুই রাজনীতি গড়ে উঠেছিল, গণতান্ত্রিক ভিত্তি ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল ভুল- ত্রুটি সবকিছুর ভিতর দিয়েই।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু আমরা দেখেছি যে, কিভাবে তারা সবকিছু ভেঙে গুড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল। দেশকে একটি অন্ধকার দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে দেখেছি যে, খুব সম্ভবত তাদেরই ভিন্ন আরেকটি রূপ; অন্যভাবে দেখেছি আমরা &#8216;ইন দি নেম অফ ডেমোক্রেসি&#8217;।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির রাজনীতিতে পরিবর্তন হয়েছে কতটা</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>২০০৪ সালে আমি আপনার একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম ঢাকায়। সে সময় আপনি বলেছিলেন যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করবেন। তো বিএনপির রাজনীতিতে আসলে কতটা পরিবর্তন হয়েছে; ভবিষ্যৎ বিএনপিই বা কেমন হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব। আমরা দুটো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে খুবই গর্ব করি, অহংকার করি, একটি হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প, আরেকটি হচ্ছে প্রবাসীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান- এই দুটোই কিন্তু বিএনপি শুরু করেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা দেখেছি, বিএনপির সময় শুরু হয়েছিল প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়া, একই সঙ্গে গার্মেন্ট শিল্পের প্রসার। এর বাইরেও যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে যে দুর্ভিক্ষটা হয়েছিল, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, আমরা দেখেছি কিভাবে ধীরে ধীরে দুর্ভিক্ষ পীড়িত একটি দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসপূর্ণ করে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ না, অল্প পরিমাণ করে হলেও আমরা কিন্তু সেই সময় বিদেশে খাদ্য রপ্তানি, চাল রপ্তানি করেছিলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">আর রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে যদি আমরা দেখি, যেখানে একসময় সকল দলকে নিষিদ্ধ করে একটি দল বাকশাল করা হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে, বিএনপির কাঁধে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়ে, তখন কিভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চালু আবার করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">কাজেই আপনি বললেন অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ইয়েস, আমরা অতীতে এই ভালো কাজগুলো করেছি। ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ এই বিষয়গুলো কনসিডারেশন (বিবেচনায়) রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব। আমাদের অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে, ভবিষ্যৎ বিএনপির গণতন্ত্রের যে বুনিয়াদ, একটি শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করা। জবাবদিহিতা তৈরি করা।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা অভিযোগ সবসময় থাকে, যখন যারা চেয়ারে বসে জবাবদিহিতার প্রশ্নটা তখন থাকে না, মানে এড়িয়ে যায়- এ ধরনের একটা অভিযোগ সবসময় ছিল। সব রাজনৈতিক দল বা যারাই সরকারে এসেছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>দেখুন অভিযোগ থাকতেই পারে। আমি আগেই তো বলেছি, একটি বিষয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকম অভিযোগ থাকতে পারে। এখন অভিযোগ নিয়ে তো আর বলা যাবে না। কিন্তু অভিযোগটা কনসিডারেশনে (বিবেচনায়) অবশ্যই রাখবো। আপনি যেহেতু আমার কাছে জানতে চেয়েছেন আমি আপনাকে এটাই বলেছি। আপনি জানতে চেয়েছেন ভবিষ্যৎ কেমন হবে?</p>
<p style="text-align: justify;">আমি আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে যা দেখেছি, বুঝেছি, জেনেছি আমি আপনার সামনে সেটিই তুলে ধরলাম। অভিযোগ এই দেশেও আছে। কিন্তু আপনি যা জানতে চাইছেন, এটিতো আমি একমাত্র সুযোগ যদি পাই, আমি ইনশআল্লাহ সুযোগ পেলে পরে তখন আস্তে আস্তে জিনিসটি প্রমাণ করা সম্ভব হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">হ্যাঁ এটাও বাস্তবতা, প্রাগমেটিক কথা যেটা, বাস্তব কথা যেটা, আমি সুযোগ পেলে যে সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি হবে তা না। কারণ আমি সুযোগ পেলে আপনাকেও বুঝতে হবে। আপনিও কিন্তু দেশ গঠনের একটা পার্ট। কাজেই আপনার মত এরকম লক্ষ কোটি মানুষকে বিষয়টি বুঝতে হবে। এতটুকু বলতে পারি যে, ইয়েস, উই আর কমিটেড। উই উইল ট্রাই আওয়ার বেস্ট টু ডু পারফরম বেস্ট ডু দ্যাট।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>জবাবদিহিতার কথা বলছিলেন। এ প্রসঙ্গে বলি, গত ১৫ বছর আপনি নির্বাসনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ায়, এটা একটা ভিন্ন পরিস্থিতি। নেতৃত্ব নিয়ে আপনার চিন্তাধারায় কি ধরনের পরিবর্তন এসেছে? আপনি কি অনুভব করেন, অনুধাবন করেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>গত ১৭ বছর প্রবাস জীবনে আছি এবং অনেকগুলো বছর আমি বাংলাদেশের সঙ্গে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা টাইম ডিফারেন্স, ডিস্টেন্স ডিফারেন্স তো আছেই। রিচিং ডিফারেন্স তো একটা ডিফিকাল্টিস তো আছেই। এটি একটি বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এক্ষেত্রে প্রথমেই আমি আমার পরিবার অর্থাৎ আমার স্ত্রী এবং আমার সন্তানকে এখানে ধন্যবাদ দিতে চাই। কারণ তাদের সহযোগিতা না থাকলে হয়তো এই ডিফিকাল্ট কাজটি করা আমার জন্য আরো ডিফিকাল্ট হতো। ওনাদের সহযোগিতা ছিল সেজন্য আমার পক্ষে সম্ভব হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে আমি আবারো ধন্যবাদ দিতে চাই আমার হাজারো- লক্ষ নেতাকর্মীকে। যারা এই ডিফিকাল্টিজের মধ্যে থেকেও আমাকে সহযোগিতা করেছেন, দলকে সুসংগঠিত রাখতে, দলকে রাজপথে নিয়ে যেতে শত অত্যাচার বাধাবিঘ্নর মাঝেও</p>
<p style="text-align: justify;">জনগণের কথা তুলে ধরতে, জনগণের দাবির ব্যাপারে সোচ্চার থাকতে। আপনি জিজ্ঞেস করেছেন মনে হয় যে, এখান (যুক্তরাজ্য) থেকে কি কি দেখেছি, শিখেছি বা জেনেছি- আমি মনে করি যে, এই দেশ থেকে ভালো যা কিছু দেখেছি বা শিখেছি, দেশের নাগরিক হিসেবে এবং যেহেতু আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হয়তো আমার একটি সুযোগ আছে দেশের জন্য ভালো কিছু করার।</p>
<p style="text-align: justify;">যদি আমি ইনশাআল্লাহ সেই সুযোগটি পাই, তাহলে সেই সুযোগটিকে যতটুকু সম্ভব দেশের মানুষের জন্য বা দেশের জন্য কিছু করার, এভাবে বিষয়টিকে আমি বিবেচনা করি।</p>
<p style="text-align: justify;">কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির মূলনীতি কী হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>কূটনীতির প্রসঙ্গে আসি, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে তবে কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির মূলনীতি কী হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>গুড কোশ্চেন। বিএনপির মূলনীতি একটাই- সবার আগে বাংলাদেশ। কূটনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির নীতি সবার আগে বাংলাদেশ। আমার জনগণ, আমার দেশ, আমার সার্বভৌমত্ব। এটিকে অক্ষুন্ন রেখে, এটি স্বার্থ বিবেচনা করে, এই স্বার্থকে অটুট রেখে বাকি সবকিছু।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>এটাকে বৈশ্বিক রাজনীতির একটা প্রভাব বলা যায়? কারণ আপনি যদি বিভিন্ন দেশে দেখেন, এমনকি ডোনাল্ড ট্রাম্পও আমেরিকা ফার্স্ট একটা স্লোগান দিয়ে এসেছিলেন?</p>
<p style="text-align: justify;">তারেক রহমান: না, ওদেরটা ওরা বলেছে, আমি ভাই বাংলাদেশি। আমার কাছে বাংলাদেশের স্বার্থ বড়, আমার কাছে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ বড়। কাজেই কে কি বলল&#8230; সবার আগে বাংলাদেশ, সিম্পল, কমপ্লিকেট (জটিল) করার কিছু নাই, এটা সিম্পল ব্যাপার।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অবস্থান কী?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>বিগত সরকারের সময় বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে যেই সম্পর্ক ছিল, সেটা নিয়ে অনেক সমালোচনা রয়েছে। তো ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আপনাদের নীতি কী হবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমার মনে হয়, আপনি একটু আগে যে প্রশ্নগুলো করেছেন, সেখানে বোধহয় আমি ক্লিয়ার করেছি পুরো ব্যাপারটা। সবার আগে বাংলাদেশ। এখানে তো আপনি পার্টিকুলার (সুনির্দিষ্ট) একটি দেশের কথা বলেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে ওই দেশ বা অন্য দেশ তো বিষয় না। বিষয় তো হচ্ছে, ভাই বাংলাদেশ আমার কাছে আমার স্বার্থ, আমি আগে আমার দেশের মানুষের স্বার্থ দেখব, আমার দেশের স্বার্থ দেখব। ওটাকে আমি রেখে আপহোল্ড করে আমি যা যা করতে পারব, আমি তাই করব।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>বাংলাদেশের স্বার্থ আপনারা সবার আগে নেবেন, সেটা আপনি পরিষ্কার করেছেন। ভারতের কথা বিশেষভাবে আসছে যেহেতু সেটি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ এবং বাংলাদেশের তিন পাশেই এই দেশটির সীমান্ত রয়েছে। এবং এটি নিয়ে আপনিও জানেন যে, বিভিন্ন সময়ে কথা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও কথা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সময় তো সম্পর্ক নিয়ে বললামই সেটা নিয়ে কথা হয়েছে। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত বা কেমন থাকা প্রয়োজন- এ নিয়ে আপনার চিন্তা কি?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>অবশ্যই আমি আমার পানির হিস্যা চাই। অবশ্যই আমি দেখতে চাইনা না যে, আরেক ফেলানী ঝুলে আছে। অবশ্যই আমরা এটা মেনে নিব না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>বাংলাদেশের স্বার্থের প্রসঙ্গে আপনি বলছেন যে, পানির হিস্যা চাওয়া এবং সীমান্ত হত্যার বিষয়টি নিয়ে আপনারা সোচ্চার থাকবেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>না না, আমি উদাহরণ দিয়ে বললাম। দুটো উদাহরণ দিয়ে বুঝালাম আপনাকে, যে আমাদের স্ট্যান্ডটা কি হবে। আমরা আমাদের পানির হিস্যা চাই। অর্থাৎ আমার দেশের হিস্যা, মানুষের হিস্যা আমি চাই, হিসাব আমি চাই।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার যেটা ন্যায্য সেটা আমি চাই। অবশ্যই ফেলানী হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আমি বুঝাতে চেয়েছি যে, আমার মানুষের উপরে আঘাত আসলে অবশ্যই সেই আঘাতকে এভাবে আমি মেনে নিব না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>একটা বিষয় যদি বলি, পাঁচই অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এবং আপনিও জানেন যে, শেখ হাসিনা দিল্লিতে গেছেন এবং সেখানে আছেন। ভারতের সঙ্গে একটা সম্পর্কের শীতলতা দেখা গেছে, গত এক বছর ধরে। যেমন ধরুন সেটি যাওয়া আসার ক্ষেত্রে ব্যবসার ক্ষেত্রে নানা রকম, সেই ক্ষেত্রে কী কোন পরিবর্তন আপনার সরকারে আসলে হবে বা পরিবর্তনের ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন, এমন কোন চিন্তা কি আপনাদের আছে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>এখন তারা যদি স্বৈরাচারকে সেখানে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের বিরাগভাজন হয়, সেখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের সঙ্গে শীতল থাকবে। সো, আমাকে আমার দেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ও দলীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে যা বললেন</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> সংস্কারের প্রশ্নে আসি। এখন খুব আলোচিত ইস্যু। সংস্কারের কিছু বিষয়ে দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের কিছুটা মতপার্থক্য বা মতবিরোধ হচ্ছে। যেমন, এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা বা দলের প্রধান থাকতে পারবেন না, এরকম একটা প্রস্তাব এসেছে। যেখানে বিএনপি নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছে। যদি এক ব্যক্তি তিন পদে একই সঙ্গে থাকেন, সেটা স্বৈরতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থা তৈরির সুযোগ দেয় কিনা?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>সকলের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, এই যে বাংলাদেশে রাষ্ট্র মেরামতের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কার প্রয়োজন। একজন ব্যক্তি দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, থাকবেন না। এরকম আরো যে বিষয়গুলো আছে, এ গুলো বাংলাদেশে যখন স্বৈরাচার ছিল তাদের মুখের উপরে, তাদের চোখের দিকে চোখ রেখে আমরা বিএনপিই বলেছিলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন হয়তো অনেকে সংস্কারের কথা বলছেন। সেদিন কিন্তু সংস্কারের &#8216;স&#8217;-ও তারা বলেননি। তারপরেও সকলের প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে আমি বলতে চাই যে, বিএনপি &#8216;নোট অফ ডিসেন্ট&#8217; দিলে সেটি সমস্যা, অর্থাৎ বিএনপিকে এগ্রি (সম্মত) করতে হবে সবার সঙ্গে, তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু বিএনপি যদি কোনোটার সঙ্গে একমত না হয়, তাহলে বেঠিক। এটি তো গণতন্ত্র হলো না।</p>
<p style="text-align: justify;">মানে, আমাকে অন্যের সঙ্গে একমত হতে হবে, তাহলে গণতন্ত্র। আমি যদি অন্যের সঙ্গে দ্বিমত করি, তাহলে গণতন্ত্র না। এটি কেমন গণতন্ত্র? কারণ গণতন্ত্রের মানেই তো হচ্ছে, বিভিন্ন মতামত থাকবে। আমরা অনেক ব্যাপারেই একমত হব হয়তো। সকল ব্যাপারে একমত হবো না, কিছু ব্যাপারে হয়তো দ্বিমত থাকতেই পারে, এটাই তো গণতন্ত্র, এটাই তো এসেন্স অব গণতন্ত্র।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা তো কোনো হাইড অ্যান্ড সিক করছি না। আমি যেটা মনে করছি যে ভাই আমি মনে করছি যেটা আমার দৃষ্টিতে ঠিক না, আমি বলছি ঠিক না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>কিন্তু দু বছর আগে ২০২৩ সালে আপনারা ৩১ দফা দিয়েছেন। সেই ৩১ দফাতেই আপনারা সংস্কারের যেসব বিষয় এনেছেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা বলেছেন। তাহলে এই বিষয়গুলোতে আপত্তি কেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>না, আমরা যেটাতে বলেছিলাম, আমরা সেখানে এখনো আছি। যতটুকু ভারসাম্য হওয়া উচিত, যে যে বিষয়ে যতটুকু বিবেচনা করা উচিত, আমরা সে বিষয়ের মধ্যে এখনো কমবেশি আছি। আমাদের অবস্থান থেকে তো আমরা অবস্থান পরিবর্তন করিনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong></span> কিন্তু মূল যে বিষয়গুলো, যেমন যেটা বড় বিরোধ হিসেবে আসছে, বড় মতপার্থক্য হিসেবে আসছে যে, এক ব্যক্তির তিন পদে একসঙ্গে থাকা সেখানেই তো আপত্তিটা থাকছে বিএনপির?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>না, আমরা তো তখনো বলিনি যে এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। এটা অন্যরা কেউ বলেছে যে, এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। আমরা মনে করি না যে, এটাতে স্বৈরাচারি হওয়ার কোনো কারণ আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা তো দেখেছি স্বৈরাচারের সময়ও এবং তার আগে তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু তাদের টু থার্ড মেজরিটি ছিল। টু থার্ড মেজরিটি ২০০৮ সালে তারা নিয়েছিল। তারা ওটাকে চেঞ্জ করে ফেলেছে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা রাখেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০১ সালে তো বিএনপিরও টু থার্ড মেজরিটি ছিল, বিএনপি তো চেঞ্জ করেনি। যেহেতু জনগণ মনে করে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে; বিএনপি টু থার্ড মেজরিটি থাকার পরেও তো বিএনপি চেঞ্জ করেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">কাজেই এক ব্যক্তির হাতে থাকলেই যে স্বৈরাচর হবে তা নয়। এটি নির্ভর করে ব্যক্তি টু ব্যক্তি, শুধু আইন চেঞ্জ করলেই সবকিছু সঠিক হয়ে যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">৩১ দফা না কি জুলাই সনদ, অগ্রাধিকার কী হবে</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>প্রশ্ন:</strong> </span>এই সংস্কারের বিষয়গুলোতে যেখানে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো নিয়ে একটা জুলাই সনদ প্রণয়নের কথা। সেটাও বাস্তবায়নের উপায়গুলো নিয়ে বা বাস্তবায়নের পথ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে একটা বিতর্ক আছে। অনেক দল বলছে যে, নির্বাচনের আগেই আইনি ভিত্তি দেওয়া বা বাস্তবায়ন করা। আর বিএনপি বলছে, নির্বাচিত সংসদ সেটা করবে। এই জায়গাটা থেকে বেরিয়ে আসার উপায়টা কি, বিএনপির চিন্তাটা এখন কি?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span></strong> দেখুন, এখানে আবার আমাকে বলতে হচ্ছে, আমরা কিন্তু কোন হাইড এন্ড সিক করছি না। যদি আমাদের সেরকম অসৎ উদ্দেশ্য থাকতো মনের ভিতরে থাকতো একটা, বলতাম আরেকটা যে ঠিক আছে ওকে অসুবিধা নাই। তারপরে ইনশআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমরা হয়তো করতাম না। তো আমরা যেটা মনে করছি আমরা সেটাই বলছি।</p>
<p style="text-align: justify;">এখন বিষয় হচ্ছে দেখুন, এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ইম্পর্টেন্ট একটি বিষয়। দেখুন, আমরা যদি ইভেন রিসেন্ট যে ঘটনা, নেপালেও যদি দেখি আপনি দেখেন ওরা কিন্তু এত কিছুর মধ্যে যাচ্ছে না, ওরা বলছে যে, গুরুত্বপূর্ণ যা বিষয় আছে, সংস্কার বলেন বা বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যা বিষয় আছে- নির্বাচিত প্রতিনিধি যারা আসবে, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি যারা আসবে, তারা সেগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তারপরেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট সবকিছু বিবেচনা করে রাজনৈতিক দলগুলো বসেছে, অন্তর্বর্তী সরকার আহ্বান করেছে। এখানে যতটুকু হয়েছে, আমরা বলেছি, এখন যতটুকু হয়েছে, যেগুলো শুধুমাত্র আইন দিয়ে করলে হয়ে যায়, সেগুলো হয়ে যাক। যেগুলোর সাংবিধানিক এনডোর্সমেন্ট লাগবে, সেগুলো আমরা মনে করি যে, নির্বাচিত সংসদ হওয়ার পরে সেখানে গ্রহণ করাটাই ভালো হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ, আপনি যদি নির্বাচিত সংসদের কথা বলেন, অথচ তাকে বাদ দিয়ে যদি আপনি আউট অফ দি বক্স কিছু করেন এবং এটা যদি রেওয়াজ হয়ে যায়, তাহলে এটা আমরা মনে করি যে, এটা সাংবিধানিকভাবে হোক, আইনগতভাবে হোক বা যে দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার- বিবেচনা করেন না কেন- ভবিষ্যতের জন্য এটা একটি খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেজন্য আমরা মনে করি, যেটা দেশের জন্য সামগ্রিকভাবে ক্ষতির একটি কারণ হবে। সেজন্যই আমরা এটার সঙ্গে একমত না।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>এখন বিএনপির যেহেতু ৩১ দফা আছে, যদিও যেসব বিষয়ে আলোচনায় এসেছে, অনেক বিষয়ে মিল আছে। তো বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে বা সরকার গঠন করে, তখন ৩১ দফা নাকি জুলাই সনদ কোনটা অগ্রাধিকার পাবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি, প্রথমে আমরা সেগুলোর ওপরেই জোর দিব। সেটা আপনি যে নামেই বলেন না কেন, স্বাভাবিকভাবে আমরা ঐকমত্য কমিশনে যেগুলোতে সকলে মিলে একমত হয়েছি, আমরা প্রথমে সেগুলোতে ইনশাআল্লাহ সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রথমে সেগুলোতেই অবশ্যই জোর দিব।</p>
<p style="text-align: justify;">আর, তারপরে আপনি যেটা ৩১ দফার কথা বললেন, অবশ্যই ৩১ দফা আমাদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট জনগণের প্রতি। আমরা তো আমাদের ৩১ দফার মধ্যে যেগুলোর এটার সঙ্গে মিলে গিয়েছে, সেগুলো তো আমরা করবই। এর বাইরে যেগুলো থাকবে ৩১ দফায় আছে, সেগুলোও বাস্তবায়ন করবো।</p>
<p style="text-align: justify;">কারণ ওটা তো আমাদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট। এটাও যেমন পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট, ওটাও আমাদের পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট। এটা আমরা রাজনৈতিক দলগুলো মিলে একত্রিত হয়ে বলেছি। ওটাও আমরা অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েই কিন্তু ৩১ দফা দিয়েছি।</p>
<p style="text-align: justify;">&#8216;বিড়ালটি আমার মেয়ের বিড়াল&#8217;</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>রাজনীতি থেকে একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে যাই। আপনাকে সম্প্রতি প্রাণী অধিকার রক্ষা নিয়ে বেশ সোচ্চার দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে আপনি যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের বাইরে আপনার পোষা বিড়ালের সঙ্গে আপনার নিয়মিত ছবি দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তো এটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো কিভাবে?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>প্রথমত এখানে একটু ক্লিয়ার করে নেই, বিড়ালটি আমার মেয়ের বিড়াল। ও এখন অবশ্য সবারই হয়ে গিয়েছে। আমরা সবাই ওকে আদর করি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি হচ্ছে, এরকম শুধু বিড়াল নয়, আমি এবং আমার ভাই যখন ছোট ছিলাম আমাদের একটি ছোট কুকুরও ছিল। ইভেন, তখন আমাদের বাসায় আম্মা হাঁস মুরগি পালতেন, ছাগলও ছিল আমাদের বাসায়। উনি ছাগলও কয়েকটি পালতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তো স্বাভাবিকভাবেই আপনি যেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলেন, পোষা কুকুর বিড়ালই বলেন, বাই দাদা ওয়ে কবুতরও ছিল আমাদের বাসায়। শুধু কবুতর না আমাদের বাসায় একটি বিরাট বড় একটি খাঁচা ছিল। সেই খাঁচার মধ্যে কিন্তু পাখি ছিল, বিভিন্ন রকমের এবং আবার আরেকটি খাঁচা ছিল যেটার মধ্যে একটা ময়না ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">ময়নাটা আমরা বরিশাল থেকে এনেছিলাম। ও আবার বরিশালি ভাষায় কথাও বলতো। টুকটুক করে মাঝে মাঝে কিছু কিছু কথাও বলতো। তো কাজেই এই বিষয়টি হঠাৎ করেই না। এই পশুপাখির প্রতি যেই বিষয়টি, এটির সঙ্গে আমি কমবেশি ছোটবেলা থেকে জড়িত আছি। হয়তো এটি এখন প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্নভাবে। বাট এটির সঙ্গে আমি বা আমার পরিবার, আমরা অনেক আগে থেকেই আছি।</p>
<p style="text-align: justify;">কুকুর- বিড়াল ছিল, গরু- ছাগল ছিল, হাঁস মুরগি ছিল, পাখি ছিল, ময়না ছিল, কবুতর ছিল। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যদি আমরা চিন্তা করি, আমাদেরকে আল্লাহ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে তৈরি করেছেন। আমাদের দায়িত্ব কিন্তু আল্লাহর সৃষ্টি যা কিছু আছে প্রকৃতির, তার প্রতি কিন্তু যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এটি একটি বিষয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আর আমরা যদি মানবিক দৃষ্টিকোণ অথবা আমরা যদি নেচার থেকেও বিষয়টি দেখি, দেখুন ওরা না থাকলে কিন্তু আমাদের জন্য বেঁচে থাকা কষ্টকর। প্রকৃতি যদি না থাকে, প্রকৃতির ব্যালেন্স যদি না থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই আলোচনা শুরু হওয়ার আগে কিন্তু আপনি আমরা তিনজন কিন্তু ওয়েদার নিয়ে কথা বলছিলাম, এই ইংল্যান্ডের বা ইউকের ওয়েদার নিয়ে আমরা আলাপ করছিলাম এবং আমি বলছিলাম যে, আমার এই ১৭ বছর অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ওয়েদার মনে হয় একটু একটু এখানেও চেঞ্জ হয়েছে। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে পত্রপত্রিকায় দেখেছি পলিউশন ঢাকা শহরে। নরমালি আমরা জানি যে, একটি দেশের টোটাল অংশের মধ্যে এটলিস্ট ২৫ শতাংশ গ্রীন দরকার, বনায়ন দরকার। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আমি যতটুকু জেনেছি, এটি ১২ পার্সেন্টের এর মত। হুইচ ইস ভেরি ডেঞ্জারাস।</p>
<p style="text-align: justify;">তো এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি কিভাবে আমরা বাড়াবো। তো যেমন এগুলো আছে, ঠিক একই সঙ্গে এই যে আপনি পশুপাখির কথা বললেন, এই বিষয়গুলো আছে নেচার। নেচারকে যদি আমরা মিনিমাম ঠিক রাখতে না পারি, সেখানে মানুষ হিসেবে কিন্তু আমাদের বসবাস করা খুব কঠিন হয়ে যাবে। কাজেই আমাদের নিজেদের স্বার্থেই এই বিষয়গুলো বোধহয় করা প্রয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify;">সামাজিক মাধ্যমে মিম, কার্টুন কিভাবে দেখেন</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>রাজনীতিতে যেমন আপনাকে নিয়ে অনেক আলোচনা আছে, স্বাভাবিকভাবেই সামাজিক মাধ্যমেও আপনাকে নিয়ে অনেক আলোচনা আছে এবং আপনি যে পোস্টগুলো করেন, সেটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আপনাকে নিয়ে অনেক মিমও তৈরি হয়, অনেক কার্টুন হয়। যেমন একটা মিমের কথা যদি আমি বলি অনেকে শেয়ার করেছিল যে, আপনি আপনার সঙ্গে আমরা জুমে কথা বলছি, আপনি জুমে বক্তব্য দেন। এটা নিয়ে একটা মিম তৈরি হয়েছে যে, ওয়ার্ক ফ্রম হোম, তো এই ধরনের মিমগুলোকে আপনি কিভাবে দেখেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #008000;">তারেক রহমান:</span> </strong>আমি এনজয় করি বেশ, বেশ আমি এনজয় করি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #800000;">প্রশ্ন:</span> </strong>আপনি দেখেন এগুলো? আপনার চোখে পড়ে?</p>
<p style="text-align: justify;">তারেক রহমান: হ্যাঁ, চোখে পড়বে না কেন অবশ্যই চোখে পড়ে। তবে এখানে একটি কথা আছে, যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়ার বিষয়টি আসলো আমার মনে হয়, এই বিষয়ে একটু এড করা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">দেখুন সোশ্যাল মিডিয়া এমন একটি বিষয় আমি নিজেও আছি সোশ্যাল মিডিয়াতে কমবেশি। বহু বহু মানুষ আছেন, লক্ষ কোটি মানুষ আছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এটি দিয়ে যেমন খুব দ্রুত একজনের সঙ্গে আরেকজনের যোগাযোগ করা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা মাঝে মাঝে বলি যে, দেখেন অনেক সময় অনেক আলোচনায় আসে, সেমিনার বক্তব্যে আসে যে, ডিনামাইটটা যখন আবিষ্কৃত হয়, ডিনামাইটটা আবিষ্কৃত হয়েছিল আপনার পাহাড় ভেঙে কিভাবে মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তাঘাট তৈরি করা যায়; হয়তো কিভাবে চাষের জমি করা যায়। এরকম লক্ষ্যকে সামনে রেখেই, উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই কমবেশি ডিনামাইটের ব্যবহারটা শুরু হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখেছি, এটি মানুষ হত্যার মত জঘন্য কাজেও ব্যবহার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে আমি বলতে চাই যে, অবশ্যই প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার আছে। যেহেতু আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতায় আমরা বিশ্বাস করি। প্রত্যেক মানুষের অধিকার আছে, তার মতামত প্রকাশ করার।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে আমরা যদি সকলে এতটুকু সচেতন হই যে, আমি আমার মত প্রকাশ করলাম, কিন্তু এই মত প্রকাশের ফলে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলো কি-না? এই বিষয়টিকে যদি আমরা বিবেচনায় রাখি, একটি মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হলো কি-না, ক্ষতিগ্রস্ত হলো কিনা? এই বিষয়টিকে বোধহয় আমাদের বিবেচনায় রাখা উচিত; এটি এক নম্বর।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্বিতীয়ত হচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ার বহুল ব্যবহারের ফলে ডিসইনফরমেশন বা মিসইনফরমেশন এই বিষয়টিও চলে এসেছে সামনে। এ কথাটিও চলে এসেছে। একটি জিনিস আমি দেখলাম বা শুনলাম, সঙ্গে সঙ্গেই আমি সেটিতে ঝাঁপিয়ে পড়লাম- তা না করে আমার মনে হয়, ফ্যাক্ট চেক বলে যেই কথাটি আছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, এটা সব জায়গায় আছে- এ ব্যাপারেও যদি আমরা একটু এলার্ট থাকি সবাই, এ ব্যাপারে যদি একটু সচেতন থাকি যে ঠিক আছে, এটি একটু যাচাই বাচাই করে নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">যদি সত্য হয় অবশ্যই আমার সেখানে মতামত থাকবে, কিন্তু যদি মিথ্যা হয় বিষয়টি, কেন আমি এখানে মতামত দিব। একটি মিথ্যার সঙ্গে আমি কেন নিজেকে সংশ্লিষ্ট করব। একটি খারাপ কিছুর সঙ্গে কেন আমি নিজেকে সংশ্লিষ্ট করব। এটি আমি আমার মতামতটা প্রকাশ করলাম।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Tareque-BBC.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাল ও ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করার অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে: এনআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/584800/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 04:05:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=584800</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারার ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। দলটি বলছে, জুলাই গণহত্যা ঘটিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিদেশে যাওয়ার পরও সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম অব্যাহত রেখে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে নিষিদ্ধ ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারার ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।</p>
<p>দলটি বলছে, জুলাই গণহত্যা ঘটিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিদেশে যাওয়ার পরও সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম অব্যাহত রেখে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে নিষিদ্ধ ও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য হওয়ার অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ কথা বলেন বলে দলটির সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হওয়া এনসিপির নেতা আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ ও তাসনিম জারাকে কটূক্তি করেছে। এ ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে চব্বিশের জুলাইয়ে শত শত ছাত্র-জনতাকে গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগ তাদের অপরাধের জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয় বরং জুলাই যোদ্ধাদের এখনো দেখতে পেলে ঝাঁপিয়ে পড়তে দ্বিধা করে না লীগের ফ্যাসিস্টরা।</p>
<p style="text-align: justify;">খোমেনী ইহসান নিউইয়র্কে হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বহীনতার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধান উপদেষ্টার পাশাপাশি তার সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু সরকার শুধু প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা দিয়েছে ও সফররত রাজনৈতিক নেতাদের হামলার মুখে ঠেলে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে উধাও হয়ে গেছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লব সমর্থক প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরের ভিন্ন গেটে অপেক্ষমাণ রেখে সফররত নেতাদের আওয়ামী নেতাকর্মীদের জটলা করা গেট দিয়ে বের করা হয়। ফলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত, নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল, প্রোটোকল ও নিরাপত্তায় জড়িত কর্মকর্তারা হামলার দায় এড়াতে পারেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে জুলাই গণহত্যায় জড়িত ফ্যাসিবাদী দল ও সংগঠনের বিচারে সরকারকে গড়িমসি ও কালক্ষেপণের কৌশল ত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়, চব্বিশের জুলাইয়ে বাংলাদেশের নিরপরাধ মানুষকে পদ্ধতিগতভাবে টার্গেট করে নির্মূল করার মধ্য দিয়ে মানবতার বিরুদ্ধে অমার্জনীয় অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে। হাসিনা রেজিমের পাশাপাশি এ অপরাধে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল। ফ্যাসিবাদবিরোধী সাংবিধানিক আইন করে এসব রাজনৈতিক সত্ত্বাকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিচারের মুখোমুখি করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কর্তব্য। এ কর্তব্য পালনে গড়িমসি করলে ফ্যাসিবাদ যে পুনরায় ফিরে আসতে পারে তা নিউইয়র্কের হামলায় প্রমাণিত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর উত্থানের বিরুদ্ধে জনগণ, অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজকে চিরকাল সতর্ক</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bangla.24livenewspaper.com/images/bangladesh/logo-jatiyo-biplobi-parishad.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনার ফাঁসি দাবি, ছবিতে আগুন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/581190/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Jul 2025 16:58:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=581190</guid>

					<description><![CDATA[চব্বিশের জুলাই গণহত্যার দায়ে পলাতক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। সোমবার জুলাই বিপ্লব দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় সংগঠনটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার ছবিতে অগ্নিসংযোগ করেন। তারা শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত এনে দ্রুত গণহত্যার বিচার বাস্তবায়নেরও দাবি জানান। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চব্বিশের জুলাই গণহত্যার দায়ে পলাতক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। সোমবার জুলাই বিপ্লব দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় সংগঠনটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার ছবিতে অগ্নিসংযোগ করেন। তারা শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত এনে দ্রুত গণহত্যার বিচার বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্য সচিব জিহাদী ইহসান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ফাহাদ প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়েতুল্লাহ, ঢাকা আলিয়া শাখার সদস্য সচিব মো. জিনাত হোসাইন, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব শরিফ খান, সদস্য মো.ইব্রাহিম প্রমুখ।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, গত বছরের ১৪ জুলাই পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা কোটা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকারী ছাত্র সমাজকে ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ ট্যাগ দেন। এর মাধ্যমে তিনি ১৬ বছরের অপবাদ ও নিপীড়নের কৌশল প্রয়োগ করে আমাদের দমন করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ছাত্র সমাজ তার অপবাদকেই ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’ স্লোগান দিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন। এর মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের সুচনা হয় ও ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, ১৯৪৭ সালের উপনিবেশ বিরোধী স্বাধীনতা, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতার মতই বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী চব্বিশের নাগরিক স্বাধীনতা সমান গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই বিপ্লব থেকে জন্ম নেওয়া ছাত্র সংগঠন হিসেবে আমাদের সংগঠন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ প্রতি বছর জুলাই বিপ্লবকে উদযাপন করব। এর অংশ হিসেবে আমরা ১৪ জুলাইকে বিপ্লব দিবস হিসেবে পালন করছি।</p>
<p style="text-align: justify;">ফজলুর রহমান বক্তব্যে বলেন, শহীদের রক্ত যেই সরকারের ন্যায্যতা সেই সরকারের মাঝে কোন ধরণের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না মুজিববাদী সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগ কে বিচার করার। জুলাই বিপ্লব দিবসের আজকের এই দিনে আমরা সারা দেশের সকল ছাত্র জনতাকে উদাত্ত আহ্বান জানাই সকলেই যেন গণহত্যার সাথে জড়িত সকল অপরাধীর বিচারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের ১ বছরের মাথায় এসে বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক দল এবং তাদের নেতা কর্মীদের দেখা যাচ্ছে তারা খুনি হাসিনার সুরকে নকল করে আবারো নতুন খেলায় মেতেছে। হাসিনা শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলায় শিক্ষার্থীরা বুলেটের সামনে দাড়াতে ভয় পায়নি। অথচ ঠিক হাসিনার মতই বর্তমানে রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতাকর্মী শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা, আল বদরের বাচ্চা বলে গালাগালি করছেন। বর্তমানে কেউ যদি মনে করে সে হাসিনা হতে পারবে তা হলো চূড়ান্ত ভুল। এদেশের ছাত্র-জনতা আর কাউকে হাসিনা হতে দিবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহাদ বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের ১১ মাস ৯ দিন অতিবাহিত হয়েছে অথচ গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্টের বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্যণীয় নয়। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের গুণ্ডারা এখনো আমাদের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনতে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। উপরন্তু আমরা দেখছি ফ্যাসিস্ট লীগের গুণ্ডাদের ধরে আইনের কাছে সোপর্দ করায় বিপ্লবী জনতার ওপর পুলিশ চড়াও হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম দায়সারা ভাবে নিষিদ্ধ করে ক্ষান্ত হয়েছে। কিন্তু হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দৃশ্যমান নয়। জুলাই ঘোষণাপত্র দেয়া হয় নাই। তাই আমরা ছাত্র সমাজ বিক্ষুব্ধ। আমরা চাই হাসিনার সুষ্ঠু বিচার ও ফাঁসি কার্যকর এবং ফ্যাসিবাদের বিলোপ।</p>
<p style="text-align: justify;">জিহাদী ইহসান বলেন, জুলাই বিপ্লবের ১১ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও গণহত্যার বিচার পাইনি। শহীদের রক্তের হিস্যা পাইনি। ১৬৮ জন পথশিশুর রক্তের হিস্যা পাইনি, তাদের পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়নি। একটা জনবিচ্ছিন্ন এনজিও সরকার বসিয়েছে যারা জুলাইয়ের রক্ত ওন করে না। এদেশের মানুষের কাতারে তারা কখনো দাঁড়ায়নি, যারা ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বকে ওন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জনতাকে ত্যাগ করে, তাদের রক্তের আকাঙ্খা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে এজেন্সির কাছে নিজেদের বিক্রি করে দিছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি আওয়ামী লীগের শ্লোগান একটা রাজনৈতিক দল নিজেদের করে নিয়ে দিল্লির আধিপত্যবাদকে এস্টাবলিশমেন্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/07/14/pic-687511994bf72.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জুলাই গণহত্যায় শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের বিচার শুরু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/271398/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 06:25:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=271398</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৩ জনের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। অভিযোগ গঠনের শুনানি ঘিরে সাবেক আইজিপি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৩ জনের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগ গঠনের শুনানি ঘিরে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তিনি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে গত ৭ জুলাই ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের তারিখ ধার্য করা হয়। মামলায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আসামি। আসামিদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক। তাদের পক্ষে আমির হোসেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী।</p>
<p style="text-align: justify;">সেদিন অভিযোগ গঠন বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অব্যাহতির আবেদন করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো.আমির হোসেন। মামলার অপর আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন কারাগারে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১ জুলাই জুলাই-আগস্টে গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.risingbd.com/media/imgAll/2025July/Untitled-2-2507100710.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘জুলাই বিপ্লব’ আখ্যা দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/579007/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 16:58:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=579007</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ রেজিমের বিরুদ্ধে চব্বিশের ছাত্রজনতার ঐতিহাসিক সংগ্রামকে ‘জুলাই বিপ্লব’ আখ্যা দিয়ে সরকার ঘোষিত জুলাই অভ্যুত্থানের কর্মসূচি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। একই সঙ্গে সংগঠনটি পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে ১৪ জুলাই ‘বিপ্লব দিবস’ ও ৫ আগস্ট ‘বিজয় দিবস’ পালন করবে বলেও ঘোষণা দেয়। মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ রেজিমের বিরুদ্ধে চব্বিশের ছাত্রজনতার ঐতিহাসিক সংগ্রামকে ‘জুলাই বিপ্লব’ আখ্যা দিয়ে সরকার ঘোষিত জুলাই অভ্যুত্থানের কর্মসূচি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। একই সঙ্গে সংগঠনটি পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে ১৪ জুলাই ‘বিপ্লব দিবস’ ও ৫ আগস্ট ‘বিজয় দিবস’ পালন করবে বলেও ঘোষণা দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের অন্যতম প্রধান গৌরবময় অধ্যায় জুলাই বিপ্লব। এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মের জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা, তার আগের ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা সেই সময়ের প্রজন্মগুলোর কাছে যে গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে আমাদের প্রজন্মের কাছে চব্বিশের জুলাই বিপ্লব তেমন গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে। কারণ এ বিপ্লবের রক্তাক্ত লড়াইয়ের বীরত্ব ও তাবেদার ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করার সাফল্য আমাদের রাজনৈতিক কর্তা সত্ত্বায় পরিণত করেছে। এ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তনের ম্যান্ডেট তথা এখতিয়ার, অধিকার ও সুযোগ আমাদের অপরিহার্য হকে পরিণত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, শব্দ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, শব্দ রাজনীতিরও হাতিয়ার। একটি ঘটনাকে কী নামে ডাকা হবে, তার ওপর নির্ভর করে তার ভবিষ্যৎ গতিপথ ও ঐতিহাসিক মূল্যায়ন। যেমন জুলাইকে &#8216;গণঅভ্যুত্থান&#8217; শব্দ দিয়ে আখ্যায়িত করে একে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা রেজিমের বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণঅসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ বোঝানো হয়েছে। এর মাধ্যমে হাসিনা রেজিমের পতনে আমাদের যে সাফল্য তাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা একটি প্রজন্ম যে দীর্ঘ ১৬ বছরের প্রতাপশালী ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থাকে পুরোপুরি পরাজিত করে ৫ আগস্ট বিজয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে নিজেদের বাসনা অনুযায়ী গড়ে তোলার ম্যান্ডেট অর্জন করেছি তা গণঅভ্যুত্থান নামক শব্দে স্বীকৃত হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো বিপ্লবী তরুণ প্রজন্মকে রাষ্ট্র পুনর্গঠন তথা নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে বঞ্চিত করতেই জুলাই বিপ্লবকে ‘গণঅভ্যুত্থান’ বলছে। তারা নিজেদের পছন্দের পুরনো ফ্যাসিবাদী সংবিধান ও রাজনৈতিক কাঠামোয় ফিরে যাওয়ার পথ সুগম করতে চায়। এজন্য গত দশমাস ধরে তারা সংবিধান সংশোধন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠা ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করাসহ লোক দেখানো কিছু সংস্কার করে জাতীয় ঐকমত্যের নামে আঁতাত-সমঝোতা গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ তৎপরতা মূলত আমাদের তরুণ প্রজন্মের মহান অর্জন জুলাই বিপ্লবকে বেহাত করার ফন্দি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আরও বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলছি জুলাই বিপ্লবকে গণঅভ্যুত্থান নাম দিয়ে এবং বিপ্লবী আকাঙ্ক্ষাকে সংস্কারের মুলা দেখিয়ে আমাদের থেকে ছিনতাই করা যাবে না। আমাদের নিজেদের অনভিজ্ঞতা, বিভক্তি, সংগঠিত হতে না পারার দুর্বলতা সত্ত্বেও জুলাই বিপ্লব আমাদের মাঝে আছে ও থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ফ্যাসিবাদের সবচেয়ে বড় দানব শেখ হাসিনাকে হটিয়ে দিয়েছি। তার বন্দুক থামিয়ে দিয়েছি। এখন আমাদের সামনে বাধা হলো পুরনো ফ্যাসিস্ট সংবিধান, পুরনো শাসন কাঠামো ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা। বিগত ১৬ বছর হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন জারি রাখতে এসব কিছু নিয়োজিত থাকায় জুলাই বিপ্লব শতভাগ বাস্তবায়নের স্তরে এসব উপড়ে ফেলা সময়ের ব্যাপার মাত্র। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ তৈরি হওয়ার আগে জুলাই বিপ্লব জারি থাকুক এটিই আমাদের প্রজন্মের চাওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো ঘোষিত গণঅভ্যুত্থান বার্ষিকী পালনকে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জুলাই বিপ্লব উদযাপনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কর্মসূচিগুলো হলো: ১৪ জুলাই বিপ্লব দিবস, ১৫ জুলাই নারী প্রতিরোধ দিবস, ১৬ জুলাই শহীদ দিবস, ১৮ জুলাই গণপ্রতিরোধ দিবস, ১৯ জুলাই প্রবাসী সংহতি দিবস, ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লব ইশতেহার দিবস এবং ৫ আগস্ট বিজয় দিবস।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলেনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব জিহাদী ইহসান।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক বোরহান উদ্দীন, ঢাবি শাখার সদস্য সচিব মুহিব মুশফিক খান ও যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়েতুল্লা,মাদ্রাসা-ই-আলিয়া শাখার আহ্বায়ক রাকিব মণ্ডল, সদস্য সচিব মো: জিনাত হোসেন, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব শরিফ খান, আশ-শাফীউল, আহমেদ নাফিস, রকিবুল ইসলাম, ঈসা মাহমুদ, তামিম খন্দকার, তাসনিম হাসান প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://thedhakadiary.com/storage/media_image/YO22BkBcp3yL9qsiFiGGHhfSuBva72pQPilK63UJ.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ দুঃখ প্রকাশ না করা পর্যন্ত শান্তি পাবে না : শফিকুল আলম</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/289614/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 08:56:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=289614</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব, সদস্য ও সমর্থকরা যতক্ষণ না জুলাই বিপ্লবে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো শুরু করে, দুঃখ প্রকাশ না করে-ততক্ষণ পর্যন্ত তারা শান্তি পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ জুলাই) শফিকুল আলম আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব, সদস্য ও সমর্থকরা যতক্ষণ না জুলাই বিপ্লবে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো শুরু করে, দুঃখ প্রকাশ না করে-ততক্ষণ পর্যন্ত তারা শান্তি পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ জুলাই) শফিকুল আলম আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি লেখেন, “আমরা মাটি থেকে আপনাদের কুৎসিত প্রভাবের দাগ মুছে ফেলব এবং তা রক্ত দিয়ে ধুয়ে ফেলব। আপনারা কখনও শান্তি পাবেন না—যতক্ষণ না শহীদ ও আহতদের প্রতি সম্মান দেখান। যতক্ষণ না আপনি ‘দুঃখিত’ বলেন।”</p>
<p style="text-align: justify;">প্রেস সচিব বলেন, “আমরা অপেক্ষা করেছি প্রায় দশ মাস—যাতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব, সদস্যবৃন্দ এবং তাদের সমর্থকরা দুঃখ প্রকাশ করে এবং একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টায় আমাদের পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু গত বছরের জুলাই থেকে আপনারা যা করেছেন তা হল শহীদদের নিয়ে উপহাস, আমাদের সংগ্রামকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য এবং ১৭ কোটি মানুষকে ‘জঙ্গি’ বলে কলঙ্কিত করেছেন—এই আশায় যে, আপনার ঔপনিবেশিক প্রভুরা এসে আবারো আপনাদের হাতে দেশ তুলে দেবে, যেন লুণ্ঠন ও বিশৃঙ্খলার আরেকটি অধ্যায় শুরু করতে পারেন।”</p>
<p style="text-align: justify;">“দুঃখিত, এবার আর তা হবে না। জুলাই আমাদের সাহসী করেছে। জুলাই আমাদের শিখিয়েছে প্রতিকূলতার মুখেও মাথা তুলে দাঁড়াতে। জুলাই আমাদের ডিএনএ-তে স্থায়ীভাবে এক বিরল সাহসের জিন প্রবেশ করিয়েছে। আমরা আর আগের মতো নই।”</p>
<p style="text-align: justify;">শফিকুল আলম বলেন,  “জুলাই আমাদের শিখিয়েছে হাল না ছেড়ে ঝড়ের মতো গুলির মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকার দৃঢ়তা। জুলাই আমাদের ভুলতে দেয় না আমাদের শহীদদের, যাদের আপনারা নির্মমভাবে হত্যা করেছেন; যাদের চোখ উপড়ে নিয়েছেন, যাদের আত্মাকে ছিন্নভিন্ন করেছেন।”</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, “আপনাদের সঙ্গে কখনও শান্তি হবে না—যতক্ষণ না আপনি ‘দুঃখিত’ বলেন, যতক্ষণ না আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনার হাতে রক্ত দেখতে পান।”</p>
<p style="text-align: justify;">মানবতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে দৃঢ়তার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে শফিকুল আলম বলেন, “আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে লড়ব—আমাদের জমিতে, নদীতে, পাহাড়ে। আমরা লড়ব ভার্চুয়াল জগতেও। আপনারা গণহত্যার সহযোগী ও মানবাধিকারের ডাকাত, আমরা আপনাদের মুখোশ খুলে ফেলব।”</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.risingbd.com/media/imgAll/2025June/Untitled-1-2507010925.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ বাতিল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/61746/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/61746/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 07:39:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=61746</guid>

					<description><![CDATA[]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wpb-content-wrapper"><div class="row vc_row wpb_row vc_row-fluid"><div class="jeg-vc-wrapper"><div class="wpb_column jeg_column vc_column_container vc_col-sm-12"><div class="jeg_wrapper wpb_wrapper">
	<div class="wpb_text_column wpb_content_element" >
		<div class="wpb_wrapper">
			<p style="text-align: justify;">৮ আগস্ট কোনো দিবস পালিত হচ্ছে না, ৫ আগস্ট পালিত হবে গণঅভ্যুত্থান দিবস। রোববার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বুধবার (২৫ জুন) ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আলাদা পরিপত্র জারি করা হয়েছিল।</p>

		</div>
	</div>
</div></div></div></div><div class="row vc_row wpb_row vc_row-fluid"><div class="jeg-vc-wrapper"><div class="wpb_column jeg_column vc_column_container vc_col-sm-12"><div class="jeg_wrapper wpb_wrapper">
	<div class="wpb_text_column wpb_content_element" >
		<div class="wpb_wrapper">
			<h3>জুলাই অভ্যুত্থান, নতুন বাংলাদেশ ও শহীদ আবু সাঈদ দিবস ঘোষণা</h3>

		</div>
	</div>

	<div class="wpb_text_column wpb_content_element" >
		<div class="wpb_wrapper">
			<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ এবং ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (২৫ জুন) রাতে সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত, ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস ও ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস</p>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রতি বছর দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালন করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, সরকার ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর এ তারিখকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তথ্য অধিদপ্তর জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতি বছর দিতবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর এ তারিখকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ ঘোষণা</p>
<p style="text-align: justify;">১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে পালন এবং দিবসটিকে &#8216;খ&#8217; শ্রেণিভুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, সরকার প্রতিবছর ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং ওই তারিখকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে পালনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবরের পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।</p>

		</div>
	</div>
</div></div></div></div>
</div>]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/61746/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.risingbd.com/media/imgAll/2025June/Gov-Logo-risingbd-2506260237.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী দুর্নীতিবাজদের তালিকা করছে সিআইডি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/272552/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 May 2025 06:00:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সিআইডি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=272552</guid>

					<description><![CDATA[পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্নীতিবাজ নেতাদের তালিকা করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা (সিআইডি)। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী এবং আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া নেতাদের বিষয়ে সারা দেশ থেকে গোয়েন্দা প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হচ্ছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্নীতিবাজ নেতাদের তালিকা করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা (সিআইডি)।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী এবং আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া নেতাদের বিষয়ে সারা দেশ থেকে গোয়েন্দা প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হচ্ছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক কারবার, তদবির বাণিজ্য, পদ বাণিজ্যের মাধ্যমে যারা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন, তাদের তালিকা তৈরির কাজ অনেক দূর এগিয়েছে বলে সিআইডি সূত্রে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থবিত্ত গড়ে তোলা এসব নেতার নামে মামলা করা হবে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হবে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সুনির্দিষ্ট অপরাধে গ্রেপ্তারও হয়েছেন অনেকে। এ ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের সাজা হতে পারে সর্বনিম্ন আট বছর থেকে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত জেল। তবে কোনোভাবেই নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন সে ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।</p>
<p><a class="btn btn-default" href="https://www.dailyamardesh.com/amar-desh-special/amdffhgweuugb">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.gonokantho.com/2022/08/06/GK_1659781888.jpeg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তারের আদেশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/39112/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/39112/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 May 2025 05:43:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=39112</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক থাকা সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দীনের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক থাকা সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দীনের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে রবিবার এ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আজ এই আবেদনের উপর আদালতে ভার্চুয়াল শুনানি শেষে আদালত চিন্ময় দাশকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ প্রদান করেন।</p>
<h2 style="text-align: center;">আরো পড়ুন : <a href="https://worldbarta.com/news/532886/" target="_blank" rel="noopener">গেরুয়া সন্ত্রাসী চন্দন থেকে যেভাবে চিন্ময়!</a></h2>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">আদালত সূত্র জানায়, আলিফ হত্যা মামলা ছাড়াও চিন্ময়ের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধাদান, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলাসহ তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৬ মে) এসব এ ব্যাপারে শুনানির দিন ধার্য আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করার পর কারাগারে পাঠানোর জন্য প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এসময় তার অনুসারীরা বিক্ষোভ করলে পুলিশ ও বিজিবি লাঠিচার্জ এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সংঘর্ষ চলাকালে এদিন বিকেলে রঙ্গম কমিউনিটি হল সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাধা এবং আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরো ৫টি মামলা হয়।</p>
<h3>রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস গ্রেপ্তার : উপদেষ্টা আসিফ</h3>
<pre>নিউজ প্রকাশ : ২৬-১১-২০২৪, ২:৪৩ পিএম</pre>
<p style="text-align: justify;">সনাতন ধর্মের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কোনো সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে বিবেচনায় নয়, রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সাথে রাষ্ট্রকে হুমকির দিকে ঠেলে দিতে যারাই অপতৎপরতা চালাবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে রংপুরের পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের পাওটানা স্কুল মাঠে দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে একথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবেনা। ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে গোপালগঞ্জসহ দুই একটি জেলায় উন্নয়ন করা হলেও বাকি জেলাগুলোতে চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। বিপ্লব পরবর্তী বাংলায় রংপুরবাসী আর কোন বৈষম্যের শিকার হবে না।”</p>
<p style="text-align: justify;">আগামীতে বাজেটসহ অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকান্ডে রংপুরকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান উপদেষ্টা আসিফ।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি শহীদ পরিবারকে ৩০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে শহীদ পরিবারের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ৬ শতাধিক অসহায়- দুঃস্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করেন।  প্রত্যন্ত পল্লীতে আসিফকে কাছে পেয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে নিজেদের কষ্টের কথা তুলে ধরেন গণঅভুথ‍্যানে আহত ও নিহত পরিবারের স্বজনরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সাল, পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নাজমুল হক সুমনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/39112/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.ekattor.online/contents/cache/images/640x359x1/uploads/media/2024/11/25/884b89a88abb1f631f107ae01274bbb1-674463724b93c.JPG?jadewits_media_id=31623" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সবাই পালিয়ে যাও, যেখানে হাসিনা পালিয়েছেন, শেখ পরিবার পালিয়েছে..</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/13036/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/13036/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 May 2025 05:00:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=13036</guid>

					<description><![CDATA[ফেসবুকে এসে অশ্লীল ভাষায় শীর্ষ নেতাদের গালিগালাজ করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের যার যার অবস্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম আদালতের সাবেক অতিরিক্ত পিপি মো. কামাল উদ্দিন। শনিবার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। কামাল সাতকানিয়ার গারাংগিয়া গ্রামের সুপারপাড়ার ফজল করিমের ছেলে ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাবেক আইন বিষয়ক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফেসবুকে এসে অশ্লীল ভাষায় শীর্ষ নেতাদের গালিগালাজ করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের যার যার অবস্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম আদালতের সাবেক অতিরিক্ত পিপি মো. কামাল উদ্দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। কামাল সাতকানিয়ার গারাংগিয়া গ্রামের সুপারপাড়ার ফজল করিমের ছেলে ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাবেক আইন বিষয়ক সহ-সম্পাদক।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তায় তাকে বলতে শোনা গেছে, বড় বড় নেতারা আওয়ামী লীগের আমলে জামায়াত-শিবির তোষণ করেছে। এখন তারা পালিয়েছে। এসব বলে তিনি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ&#8230;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: center;"><a class="btn btn-primary" href="https://mzamin.com/news.php?news=159336" target="_blank" rel="noopener">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/13036/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://mzamin.com/uploads/news/main/159336_neta.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনা ছিলেন শাপলা গণহত্যায় মাস্টারমাইন্ড</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/564550/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 May 2025 06:08:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<category><![CDATA[হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=564550</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং। তার সরাসরি নির্দেশেই সেদিনের গণহত্যার ছক তৈরি করেছিলেন তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ। গণহত্যা পরিকল্পনা চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নে বেনজীর আহমেদের সঙ্গে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান এবং বিজিবির তৎকালীন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং। তার সরাসরি নির্দেশেই সেদিনের গণহত্যার ছক তৈরি করেছিলেন তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">গণহত্যা পরিকল্পনা চূড়ান্ত ও বাস্তবায়নে বেনজীর আহমেদের সঙ্গে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার তৎকালীন প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান এবং বিজিবির তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">এর সঙ্গে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির তৎকালীন উচ্চপদস্থ এক ডজনের বেশি কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন। গণহত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মতিঝিল এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে গভীর অন্ধকারের মধ্যে সমাবেশের তিনদিক ঘিরে ফেলে রাষ্ট্রীয় তিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথ অভিযান চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের ‘অপারেশন সিকিউর শাপলা’, র‌্যাবের ‘অপারেশন ফ্ল্যাশ আউট শাপলা’ এবং বিজিবির ‘অপারেশন ক্যাপচার শাপলা’ নাম দিয়ে চলে অভিযান। ওই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়ে সাত হাজার সশস্ত্র সদস্য নিয়োজিত ছিল। যৌথ অভিযানে দেড় লক্ষাধিক গোলাবারুদ ব্যবহৃত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">শাপলা চত্বর গণহত্যায় নিহতের সঠিক সংখ্যা কত তার হিসাব এখনো অজানা। তবে নৃশংস-নিষ্ঠুর ওই ঘটনার অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শহীদের সংখ্যা ৩০০-এর বেশি। এর মধ্যে পুলিশের গোপন রিপোর্টে এ সংখ্যা ১৯১ জন বলে একাধিক সূত্রে বলা হয়েছে। শাপলা চত্বর গণহত্যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার ২০১৩ সালের ১০ জুন প্রথম অনুসন্ধানমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্টে গুলিবিদ্ধ হয়ে হত্যার শিকার ৬১ জনের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা হয়। আর আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলামের বেওয়ারিশ লাশ দাফনের রেকর্ড থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের মে মাসে অস্বাভাবিক ৩৬৭টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করা হয়, যা প্রতি মাসে গড় বেওয়ারিশ লাশ দাফনের চারগুণ বেশি ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, শাপলা চত্বর গণহত্যার পর ৬ মে ভোরের আলো ফোটার আগেই ফজরের আজানের সময় লাশগুলো&#8230;</p>
<p style="text-align: center;"><a class="btn btn-default" href="https://dailyamardesh.com/amar-desh-special/amdnetpzwzvla" target="_blank" rel="noopener">আর বিস্তারীত পড়তে ক্লিক করুন</a></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/sapla.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শাহবাগী মঞ্চের কুশীলবরা কে কোথায়!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/564151/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 05:59:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=564151</guid>

					<description><![CDATA[স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে দেশে যেসব বিতর্কিত আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে শাহবাগের ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ অন্যতম। ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনার ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করে। এরপর হঠাৎ করেই ‘ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্ক’-এর সদস্যরা শাহবাগ মোড়ে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে দেশে যেসব বিতর্কিত আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে শাহবাগের ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ অন্যতম। ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনার ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর হঠাৎ করেই ‘ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্ক’-এর সদস্যরা শাহবাগ মোড়ে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর রাষ্ট্রীয় মদতে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে এটিকে বড় করা হয়। এমনকি বড় জমায়েত দেখাতে সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানকে শাহবাগে যেতে বাধ্য করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সচেতন মহলের দাবি, আধিপত্যবাদী ভারতের ইশারায় তৎকালীন আওয়ামী সরকারের জুডিশিয়াল কিলিংকে বৈধতা দিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গড়ে ওঠে শাহবাগের ‘গণজাগরণ মঞ্চ’। কিন্তু এক যুগ পর সেই সংগঠনটি আজ সম্পূর্ণ অস্তিত্বহীন। ওই আন্দোলনের সংগঠক ও কুশীলবরাও আজ অনেকেই প্রকাশ্যে নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রথমদিকে গণজাগরণ মঞ্চের চরিত্র ‘নির্দলীয়’দাবি করা হয়। মঞ্চের নিরপেক্ষ চরিত্রটা শেষমেশ বজায় থাকেনি। বিএনপি ও জামায়াত নেতারা প্রকাশ্যেই দাবি করেন, শাহবাগ একটা সাজানো নাটক। অবশেষে গণজাগরণ মঞ্চের আওয়ামী পরিচিতি দাঁড়িয়ে যায়। ছাত্রলীগ নেতারা শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নেতৃত্ব নিয়ে নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘ইচ্ছে হয় শাহবাগে ছুটে যাই।’ পরে আইন সংশোধন করে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, জামায়াত নেতা কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী এবং বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয় এবং পরে একে একে সরকারের নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হয়।<br />
ওই সময় শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক ও সংস্থা বিভিন্ন পত্রিকার নাম উল্লেখ করে এগুলো বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই হুমকির পর কতগুলো প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরও করা হয়। ‘কৃত্রিম জনপ্রিয়তা’য় দেশের সব গণমাধ্যম বিষয়টিকে লুফে নেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অনেকগুলো টিভি চ্যানেল এখানে-সেখানে টেবিল পেতে লাইভ ব্রডকাস্ট শুরু করে এবং ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রচার করে। কিন্তু ওই সময় স্রোতের বাইরে গিয়ে আমার দেশ পত্রিকা শাহবাগীদের ফ্যাসিবাদী আচরণ তুলে ধরে ‘শাহবাগে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি’ শিরোনামে ব্যানার লাইনে সংবাদ পরিবেশন করে। এর মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের রোষানলে পড়েছিল আমার দেশ। এক পর্যায়ে পত্রিকা বন্ধ করা, সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার এবং পরে তাকে নির্বাসনে চলে যেতে বাধ্য করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চকে ব্যবহার করে ওই সময় যারা জিরো থেকে হিরো হয়েছিলেন, ওইসব কুশীলবের মধ্যে অন্যতম এর আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতা করা আলোচিত-সমালোচিত কথাসাহিত্যিক আওয়ামী বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের সাবেক গভর্নর এবং ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের সাবেক ইমাম ফরীদ উদ্দীন মাসউদ, ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, ছাত্রমৈত্রীর সাবেক সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, ভারতপন্থি সাংবাদিক ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জিটিভির সাবেক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এডিটর অঞ্জন রায়, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি ও লেখক শাহরিয়ার কবির, মঞ্চের ‘স্লোগানকন্যা’খ্যাত লাকি আক্তার প্রমুখ।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের অনেককেই এখন আর প্রকাশ্যে দেখা যায় না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের বেশিরভাগ জুলাই বিপ্লবের আগে-পরে বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। তবে যে কজন বিদেশে যেতে পারেননি, তাদের দু-একজন ছাড়া এখন সবাই আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে তাদের কে কোথায় আছেন, তা জানার প্রবল আগ্রহ রয়েছে দেশবাসীর। নিম্নে তাদের বর্তমান অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff0000;"><strong>মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমরান এইচ সরকার একজন সাধারণ চিকিৎসক থেকে রাতারাতি হিরো বনে যান। গণজাগরণ মঞ্চ গড়ে উঠলে সেটির মুখপাত্র তথা আহ্বায়ক হন। ওই সময় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাদিয়া নন্দিতা ইসলামকে বিয়ে করেছিলেন ইমরান। কিন্তু সেই বিয়ে বেশিদিন টেকেনি। ২০১৮ সালের দিকে বিচ্ছেদের খবর দেন নুরুল ইসলাম নাহিদ নিজেই।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ সরকারকে শাহবাগের ফসল ঘরে তুলে দেওয়ার পর মঞ্চটিকে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেন ইমরান ও তার সঙ্গীরা। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় এর কমিটি গঠনের কথাও জানা যায় তখন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ‘মোটরগাড়ি’ মার্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র দুই হাজার ৭৭৫ ভোট পেয়ে জামানত হারান তিনি। অভিযোগ তোলেন ভোট কারচুপির। এরপর থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান ২০২২ সাল নাগাদ ঢাকাতেই ছিলেন। ধানমন্ডির বাসায়ই বেশিরভাগ সময় কাটাতেন। হাতেগোনা কজনের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এরপর ২০২৩ সালের গোড়ার দিকে বিদেশে পাড়ি জমান। তবে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, বর্তমানে অতিগোপনীয়তা রক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ইমরান।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800000;"><strong>ড. জাফর ইকবাল</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতায় আলোচিত-সমালোচিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের কুশীলবদের অন্যতম। মুক্তবুদ্ধির চর্চার নামে বিগত দেড় যুগে ফ্যাসিবাদ শাসন ও জুডিশিয়াল কিলিংয়ের পক্ষে যারা লেখালেখি করেন, তাদের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। পত্রপত্রিকায় এটিকে গৌরবান্বিত করে অসংখ্য নিবন্ধও লেখেন। সরাসরি মঞ্চে হাজির হয়ে আন্দোলনকারীদের ত্রাতা সেজেছিলেন। জুলাই বিপ্লবের পর তিনি কোথায় আছেনÑ তা নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।<br />
জাফর ইকবাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হকও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। জুলাই বিপ্লবের বিরোধিতা করে মতামত প্রকাশের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা জাফর ইকবালকে ক্যাম্পাসে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবের পর মানবতাবিরোধী ও গণহত্যার মামলায় জাফর ইকবালসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। গণহত্যায় উসকানিদাতা হিসেবে এই মামলায় জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আইসিটি।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি সূত্র বলছে, জুলাই বিপ্লবের পর আত্মগোপন করে দেশের ভেতরেই অবস্থান করছেন তিনি। তবে অন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ঢাকায় আত্মগোপনে থাকার পর চলতি বছরের প্রথম দিকে তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ff6600;"><strong>শাহরিয়ার কবির</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত লেখক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ছিলেন মঞ্চের কুশীলবদের অন্যতম। জুলাই বিপ্লবের পর ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন তিনি। বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। ২০১৩ সালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ‘নির্বিচারে হত্যা এবং লাশ গুম করে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ অভিযোগে করা মামলার অন্যতম আসামি শাহরিয়ার কবির।</p>
<p style="text-align: justify;">দীর্ঘদিন থেকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কার্যক্রম নিয়ে সোচ্চার ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে জাহানারা ইমামের মৃত্যুর পর তিনি কমিটির সভাপতি হন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাকে উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি করা হয়। ছাত্রজীবন শেষে শাহরিয়ার কবির ১৯৭২ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রার সাংবাদিক এবং পরে তিনি নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বিগত সময়ে সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে কলংকিত করার ক্ষেত্রে শাহরিয়ার কবিরের ভূমিকা ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003366;"><strong>মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী সরকারের সবচেয়ে আস্থাভাজন ও কওমি অঙ্গনের বিতর্কিত আলেম ছিলেন মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ। বিতর্কিত গণজাগরণ মঞ্চে উপস্থিত হওয়ায় ‘শাহবাগী আলেম’ হিসেবেও পরিচিতি পান তিনি। তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিতর্কিত কাজ হলো এক লাখ (কথিত) মুফতির স্বাক্ষর সংবলিত জঙ্গিবাদবিরোধী ফতোয়া। এ ছাড়া দেশের মূলধারার আলেমদের বিরুদ্ধে অবস্থান করতেন তিনি। বিশেষ করে জামায়াতের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুবাদে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর এবং ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম নিযুক্ত হন। কওমি-সংশ্লিষ্ট জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ ও ধর্মীয় দল বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার সভাপতি এবং ‘ইকরা বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের পদও পান।</p>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর স্বাভাবিক দৃশ্যপট থেকে তিনি হারিয়ে গেছেন। সরকারি সব পদ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত আমার দেশকে বলেন, ফরীদ উদ্দীন শোলাকিয়ার ইমাম পদে নেই। তার ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও রিসিভ করেননি। তার কর্মস্থল দ্বীনি মাদরাসা বোর্ডের মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলী আমার দেশকে জানান, ফরীদ উদ্দীন মাসউদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তিনি বারিধারার বাসায় থাকেন। মাদরাসা বা কোনো প্রোগ্রামে তার অংশগ্রহণের মতো অবস্থা নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৫ আগস্ট মিরপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি শিক্ষার্থী রিতা আক্তার (১৭) নিহতের ঘটনায় মাসউদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় হত্যামামলা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>‘লগি-বৈঠার খুনি’ বাপ্পাদিত্য বসু</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠকদের একজন। যশোরের সদর উপজেলার রুপদিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। স্থানীয় দুলাল চন্দ্র বসুর ছেলে বাপ্পাদিত্য বসুকে বেশিরভাগ মানুষই চেনেন ২৮ অক্টোবরের খুনি হিসেবে। লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারার পর লাশের ওপর নৃত্য করেছিলেন বাপ্পাদিত্য। ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির সমাবেশে বাপ্পাদিত্য বসু ব্লগার পরিচয়ে মঞ্চ থেকে আমার দেশসহ কয়েকটি গণমাধ্যম বন্ধের হুমকি দেন।<br />
গত বছরের ১৭ জানুয়ারি ঢাকার নিউমার্কেট এলাকা থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার তিন মামলায় বসুকে (৪০) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর থেকে যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন তিনি। অনেক আগে থেকেই যশোরের বাম-চরমপন্থিদের নিয়ে একটি বিশাল জঙ্গি গ্রুপ রয়েছে তার। ওই গ্রুপটি‌ যশোর অঞ্চলে খুন-লুটপাটের সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাপ্পাদিত্য ২০২৩ সালে ভারতপন্থি মিডিয়ার কল্যাণে বড় ব্লগার ও ‘শুদ্ধ তরুণ’ বনে যান। তার সহপাঠী কয়েকজন জানান, বাপ্পা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন। ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে যাওয়ার পর প্রকাশ্যে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সে সময় চরমপন্থিদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে শুরু করেন। গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত যশোরে চরমপন্থিদের একটি গ্রুপের সঙ্গে বরাবরই যোগাযোগ রেখে চলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #000080;">‘স্লোগান কন্যা’খ্যাত লাকি আক্তার</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">‘স্লোগান কন্যা’ পরিচিতি পাওয়া লাকি আক্তার মঞ্চের সংগঠকদের একজন। ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি লাকির জন্ম ফেনীর সোনাগাজী থানায়। ওই সময় ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ ঘিরে শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী, মদ, গাঁজার আসর জমানোসহ যত অপকর্ম হয়েছে- তার সম্মুখভাগে ছিলেন শাহবাগী ক্রীড়নক লাকিরা। অন্যদের মতোই দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকার পর গত ১২ মার্চ সারা দেশে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে গণজাগরণ মঞ্চের নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে গেলে পথে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় লাকির নির্দেশে পুলিশের ওপর হামলা চালায় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় মামলায় আসামি হিসেবে বামপন্থি কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের ১২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর থেকেই ফ্যাসিস্টের দোসর শাহবাগী লাকিকে গ্রেপ্তারের দাবি উঠেছে সর্বমহলে। সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা লাকিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে একের পর এক পোস্ট দেন। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করেন তৌহিদী জনতা। এরপর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন লাকি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008080;"><strong>লন্ডনে সিদ্দিকী নাজমুল</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ গঠিত হলে সরাসরি অংশ নেয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এর মধ্যে সম্মুখভাগে ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা সিদ্দিকী নাজমুল আলম। ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে হঠাৎ করেই ২০১৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বিদেশে চলে যান নাজমুল। সেই থেকে তিনি লন্ডনে অবস্থান করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব। মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন ইস্যুতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করছেন। লন্ডনে বসেই নাজমুলের ধ্বংসাত্মক ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়েছে। নাজমুল আলমের একটি ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটের কথোপকথনে দেখা যাচ্ছে নাজমুল অন্য একজনকে নির্দেশনা দিচ্ছেন ধ্বংসাত্মক কাজের জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র নাজমুল ভর্তির আগে শিবিরের ফোকাস কোচিং সেন্টার ও ছাত্রাবাসে থাকতেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে যে সিন্ডিকেট জড়িত ছিল, তাদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">গণজাগরণ মঞ্চ ব্যবহার করে নাজমুল হয়েছেন বিপুল সম্পদের মালিক। বর্তমানে লন্ডনে তিনি ব্যবসায়িক ভিসায় অবস্থান করে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, বর্তমানে সিদ্দিকী নাজমুল বিনিয়োগকারী ভিসায় যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। ব্রিটিশ সরকারের আইন অনুযায়ী, এই ভিসা পেতে ন্যূনতম দুই লাখ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় দুই কোটির বেশি) বিনিয়োগ করতে হয়। ব্রিটেনে নাজমু‌লের বিলাসবহুল জীবন ও আর্থিক উৎ‌সের নানা কা‌হিনি নি‌য়ে খোদ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লী‌গ নেতাকর্মীদের ম‌ধ্যেই কানাঘুষা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">লন্ডনে তার বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায়, ফ্লেক্সফগ লিমিটেড, এলিট সিটি লিমিটেড, নাজ ইউকেবিডি প্রোপার্টিজ লিমিটেড, এসএনবি অটোস লিমিটেড, এসএনআর ইউকে বিডি লিমিটেড ও কার মিউজিয়াম লিমিটেড নামে ছয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে ইস্ট লন্ডনের কেনন স্ট্রিট রোডে নাজ ইউকেবিডি প্রোপার্টিজ নামের আবাসন ব্যবসার একক পরিচালক তিনি। যার মূলধন দেখানো হয়েছে সাড়ে আট লাখ পাউন্ড, বাংলাদেশি টাকায় যা ১০ কোটি টাকার সমান।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #800080;"><strong>সাংবাদিক অঞ্জন রায়</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">গণজাগরণ মঞ্চের কুশীলবদের মধ্যে গাজী টিভির এডিটর (রিসার্চ) অঞ্জন রায় ছিলেন সম্মুখভাগে। তিনি সরাসরি মঞ্চের মশাল মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার খাঁটি নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে পরিচিত অঞ্জন। শুধু তা-ই নয়, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সরাসরি এজেন্ট হিসেবে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ আন্দোলনের সংগঠকদের মধ্যেও একজন তিনি। এই গণজাগরণ মঞ্চকে ব্যবহার করে যারা কোটিপতি হয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম অঞ্জন রায়। এর আগে ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিতভাবে অঞ্জন রায় ‘একুশের রাত’ অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবের পর থেকে অঞ্জন রায় আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, বিপ্লবের পর সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন তিনি। সম্প্রতি তার ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।</p>
<p style="text-align: justify;">‘র’-এর এজেন্ট হিসেবে পরিচিত অঞ্জন রায় ২০১৫ সালে ভারতীয় সৈন্যদের জন্য স্মারকস্তম্ভ নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। ওই সময় শাহবাগ থানায় আযমীর বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন অঞ্জন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে ‘র’-এর সরাসরি পরিকল্পনায় আযমীকে ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট বাসা থেকে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকেই মূলত তিনি গুম ছিলেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যা চালিয়ে দিল্লি পালিয়ে যাওয়ার পর ‘আয়নাঘর’ থেকে ফেরেন এই সাবেক চৌকস সেনা কর্মকর্তা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব শাহবাগী নেতা গণজাগরণ মঞ্চের নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা চাঁদা হিসেবে হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন কোম্পানির পক্ষ থেকে শাহবাগে বিরিয়ানির প্যাকেট, পানিসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করা হয়</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/shabagi-2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পুলিশে পদ ও পোস্টিং এ হাসিনার অনুগতদের নৈরাজ্য ও প্রভাব বহমান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/19546/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/19546/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 03:00:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=19546</guid>

					<description><![CDATA[পুলিশ বাহিনীতে ফ্যাসিবাদের দোসররা ২০০৯ সালের পর থেকে প্রায় ১৬ বছর নিয়মিত পদোন্নতি, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং, পিপিএম, বিপিএম পদকসহ সব ধরনের সুবিধা নিয়েছেন। কারো কারো বিরুদ্ধে রয়েছে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারীঘটিত অভিযোগ। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী অনেক পুলিশ কর্মকর্তা এখনো বহাল তবিয়তে। কেউ কেউ পেয়েছেন আগের মতোই ভালো জায়গায় পোস্টিং। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পুলিশ বাহিনীতে ফ্যাসিবাদের দোসররা ২০০৯ সালের পর থেকে প্রায় ১৬ বছর নিয়মিত পদোন্নতি, গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং, পিপিএম, বিপিএম পদকসহ সব ধরনের সুবিধা নিয়েছেন। কারো কারো বিরুদ্ধে রয়েছে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারীঘটিত অভিযোগ। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী অনেক পুলিশ কর্মকর্তা এখনো বহাল তবিয়তে। কেউ কেউ পেয়েছেন আগের মতোই ভালো জায়গায় পোস্টিং।</p>
<p style="text-align: justify;">নিজেকে বঞ্চিত দাবি করে একাধিক প্রমোশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং নিয়েছেন কেউ কেউ। এই তালিকায় থাকা কর্মকর্তারা অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারীঘটিত কারণে প্রমোশন পাচ্ছিলেন না। পটপরিবর্তনের পর এভাবে ফ্যাসিবাদের দোসররা গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংসহ বিতর্কিত কর্মকর্তাদের দাপটের কারণে দীর্ঘদিনের সত্যিকারের বঞ্চিত ও মেধাবী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ধারাবাহিকভাবে সুবিধাভোগী</strong><br />
শেখ হাসিনা সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী পুলিশ কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি আবু হাসান মুহম্মদ তারিক। ১৯৯১ সালের বিশেষ বিসিএস-এর এই কর্মকর্তা সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন (জুলাই-আগস্টের গণহত্যা মামলায় কারাগারে) ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হিসেবে আলোচিত সাবেক অতিরিক্ত আইজি আতিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ। শেখ হাসিনার শাসনকালে দীর্ঘদিন পুলিশ সদর দপ্তরে ছিলেন আবু হাসান মুহাম্মদ তারিক। জুলাই বিপ্লবে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও হয়েছে। এই কর্মকর্তা বর্তমানে পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর হিসেবে কর্মরত।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ কর্মকর্তা ১৫তম বিসিএস-এর কুসুম দেওয়ান। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক অপারেশনস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে সুপারনিউমারারি (পদ খালি না থাকার পরও সৃষ্ট পদ) অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতি পান। সাধারণত শেখ হাসিনা সরকারের আস্থাভাজন না হলে সুপারনিউমারি প্রমোশন দেওয়া হতো না। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর যে কর্মকর্তার চাকরি থাকাটাই একটি বিস্ময়, সেখানে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সুপারনিউমারারি পদকে স্থায়ী করে নৌ-পুলিশের প্রধান (অতিরিক্ত আইজি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে যান। উপজাতীয় কোটায় চাকরি পাওয়া এই কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নিজেকে মুজিববাদী বলে পরিচয় দিয়ে সব পদোন্নতি ও সুবিধা বাগিয়ে নেন.</p>
<p style="text-align: justify;">আরেক বিস্ময়ের নাম মিজানুর রহমান। ১৮তম বিসিএস-এর এই কর্মকর্তা ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় গোপালগঞ্জ জেলার এসপি ছিলেন। এরপর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসপি থাকাকালীন ২০১৬ সালের ৩০ অক্টোবর রসরাজ দাস নামে এক হিন্দু জেলের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে নাসিরনগর থানার হরিপুর গ্রামের জেলে পল্লিতে হামলা হয়। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তিনি বিস্ময়করভাবে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান। বর্তমানে তিনি নৌপুলিশ সদর দপ্তরে ডিআইজি হিসেবে কর্মরত।</p>
<p style="text-align: justify;">২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা নাজির আহমেদ খান, সাবেক সরকারের সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ডিএমপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ফ্যাসিবাদী আমলের বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছিল নিবিড় সম্পর্ক। বিশেষ করে শেখ হাসিনার গুম, খুনের অন্যতম সহযোগী ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ডিএমপিতে লালবাগ জোনের এডিসি ছিলেন। ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম দফায় এসপি হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে হাসিনা সরকারের সময়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) ডিসি দক্ষিণ (ক্রাইম) পোস্টিং পান।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই আন্দোলনের সময় জিএমপির বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে। ঢাকার পর মূলত গাজীপুরে বেশি হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। সে সময় বেশ কয়েকটি লাশ হাসপাতাল থেকে গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে জিএমপির তৎকালীন কমিশনার মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা নাজির আহমেদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয় সাংবাদিক ও একাধিক সূত্র। এসব হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা থেকে পরিত্রাণ পেতে কুমিল্লার এসপি নাজির আহমেদ খান বর্তমান পদবী ও উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে তদন্ত কাজে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৫ আগস্টের পর খোলস বদলে আওয়ামী বিরোধী হিসেবে জাহির করে গুরুত্বপূর্ণ কুমিল্লা জেলার এসপি হিসেবে পোস্টিং পেয়ে যান। এক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের কথাও আলোচনা হচ্ছে। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">ডিআইজি শ্যামল কুমার নাথের বিরুদ্ধে কক্সবাজারে এসপি থাকাকালীন সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ইয়াবা চোরাকারবারীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ব্যাপক অভিযোগ ওঠে। কিন্তু হাসিনার বিশ্বস্ত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার সে সময় কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমনকি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও সমীহ করতেন পুলিশ কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথকে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কর্মরত।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার গুম, খুন ও জঙ্গি নাটক চক্রের অন্যতম কুশিলব ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হাসান জুয়েল। সাবেক এডিশনাল আইজি মনিরুল ইসলাম, সিটিটিসির আসাদুজ্জামান, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, সোয়াতের সাবেক দুর্ধর্ষ কিলার এডিশনাল এসপি জাহাঙ্গীর হাসান এবং এই ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হাসান জুয়েল চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে শেখ হাসিনার শাসনকে প্রলম্বিত করতে সব ধরনের অন্যায় করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরে ৭ তরুণকে জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে হত্যা করার মিশনে সরাসরি জড়িত ছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ ঘটনায় নিহত তরুণ ইব্রাহিমের বাবা আজিম উদ্দিন গত বছরের ২ ডিসেম্বর বাদী হয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মনিরুল ইসলাম, ডিবি হারুন, সোয়াতে জাহাঙ্গীর হাসান ও ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হাসান জুয়েলের নাম রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘটনার সময় ইন্সপেক্টর জুয়েল গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ওই ৭ তরুণ হত্যার ঘটনার তদন্ত একাই শেষ করেন ইন্সপেক্টর জুয়েল। আওয়ামী লীগ সরকারের চাহিদামতো স্থানীয় কিছু মানুষকে জোর করে হুমকি-ধমকি দিয়ে সাক্ষী বানিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন মাহমুদুল হাসান জুয়েল। ট্রাইব্যুনাল সূত্র আমার দেশকে নিশ্চিত করেছে, খুব দ্রুত এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শুধু তা-ই নয়, হেফাজত ইসলামের নিরীহ হাফেজদের ওপর ২০১৩ সালের ৫ মে চালানো নির্মম হত্যাযজ্ঞে পুলিশ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জুয়েলের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। ৫ মে দিনের বেলায় হেফাজত আমির আল্লামা শফি হুজুরকে জোর করে লালবাগ মাদ্রাসা থেকে হেলিকপ্টারে তুলে হাটহাজারি পাঠিয়ে দেওয়ার মূল দায়িত্বে ছিলেন লালবাগ ডিভিশনের তৎকালীন ডিসি হারুন অর রশিদ (ডিবি হারুন) ও পুলিশ কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মাহমুদুল হাসান জুয়েল (তখন সাব ইন্সপেক্টর)। সর্বশেষ ডিবি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডিবি হারুন এই ইন্সপেক্টর জুয়েলকেও ডিবিতে নিয়ে যান। ডিবিতে থাকাবস্থায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীসহ নিরীহ মানুষের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্ক ছিলেন ডিবি হারুনের সব অপকর্মের দোসর পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এই কর্মকর্তাকে ৬ এপিবিএন, মহালছড়ি, খাগড়াছড়িতে বদলি করা হয়। ট্রাইব্যুনালের মামলার কার্যক্রম চলমান থাকা এবং বিস্তর অভিযোগের পরও বিস্ময়করভাবে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) পোস্টিং অর্ডার করিয়ে নেন ঈদুল ফিতরের বন্ধের আগেই।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপিএম সেবা পদক পাওয়া ১৮তম বিসিএস কর্মকর্তা হায়দার আলী খান ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় পুলিশ সদর দপ্তরে থেকে ডামি নির্বাচনে কৌশলগত ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি পিটিসি, নোয়াখালীর কমান্ড্যান্ট হিসেবে রয়েছেন। গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ২২তম বিসিএস কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি তানভীর মমতাজও বিপিএম সেবা পদক পেয়েছেন ২০২৪ সালে। প্রেষণে দায়িত্ব পালন করেন লোভনীয় স্থান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে। পটপরিবর্তনের পরও রয়েছেন বহাল তবিয়তে।</p>
<p style="text-align: justify;">২৫তম ব্যাচের মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশ সদর দপ্তরে নিয়োগ শাখায় থাকাকালে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতেন বলে সে সময় পুলিশ সদর দপ্তরে আলোচনা হতো অহরহ। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পুলিশ পদকসহ ব্যাপক সুবিধাভোগী এই দুই কর্মকর্তা বেশ ফুরফুরে মেজাজে চাকরি করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ পদক পাওয়াসহ ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী কর্মকর্তা ২৪তম বিসিএসের মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, মোহাম্মদ আবদুল আজিজ, মো. নাজমুল ইসলাম, মো. মোশাররফ হোসেন পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত। বিপিএম সেবা পদক পাওয়া ২৪তম বিসিএস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ও মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান রয়েছেন এসবিতে। জুলাই বিপ্লবের সময় এসবি প্রধান থাকা শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সংস্থাটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হলেও এই কর্মকর্তারা রয়েছেন বহাল তবিয়তে।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার এসআই ওমর আল ফারুক। সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার এসপি থাকাকালীন উভয় স্থানে রিজার্ভ অফিসার ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ডিআইজি হারুনের আস্থাভাজন হিসেবে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ শাখায় পদায়ন করা হয়। হারুন পালিয়ে গেলেও রয়ে গেছেন হারুনের অনুচর ওমর আল ফারুক। যা কিনা পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম আলোচনার বিষয়।<br />
৫ আগস্ট পর্যন্ত মতিঝিলের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হায়াতুন নবী বিএনপির নেতা-কর্মীর কাছে ছিলেন রীতিমত আতঙ্কের নাম। শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার আত্মীয় পুলিশ কর্মকর্তা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশ বিভাগের অনেক কর্মকর্তা হতাশা প্রকাশ করেন। পুলিশ পদকসহ সব ধরনের সুবিধা নেওয়ার পরও এখনো রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বঞ্চিত দাবি করে প্রমোশন বাগিয়ে নিয়েছেন যারা</strong></p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চিত দাবি করে ৫ আগস্টের পর প্রমোশন বাগিয়ে নিয়েছেন সুযোগ সন্ধানী বেশকিছু কর্মকর্তা। পর পর দুটি প্রমোশন নিয়ে কেউ কেউ এখন ডিআইজি। জানা যাচ্ছে, তারা দলীয় তকমার কারণে পদবঞ্চিত হননি। দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যান্য কারণে মূলত পদোন্নতি পাচ্ছিলেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা জমসের আলী এপিবিএন খাগড়াছড়ি ব্যাটেলিয়নের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি দুর্নীতির সত্যতা পায়। এ কারণে তিনি পুলিশ সুপার থেকে আর পদোন্নতি পাননি। সাবেক অতিরিক্ত আইজি শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ গোপালগঞ্জের বাসিন্দা হেমায়েত হোসেনকে ম্যানেজ করে সে যাত্রায় বেঁচে যান বর্তমান ডিআইজি জমশের আলী। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর নিজেকে বঞ্চিত দাবি করে দু’দফা পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন।</p>
<p style="text-align: justify;">র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডিআইজি জিল্লুর রহমান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-কমিশনার (প্রশাসন) থাকাকালে কনস্টেবল থেকে এএসআই পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রার্থীদের কাছে মোটা অংকের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি জানাজানি হলে তদন্ত কমিটি হয়। বিএমপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কমিশনার শৈবাল কান্তিকে ম্যানেজ করে জিল্লুর বিষয়টি ধামাচাপা দেন বলে অভিযোগ ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আরেফ। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে চাকরি জীবন, সব ক্ষেত্রেই বিতর্কিত। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি করা ২০তম ব্যাচের পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ওই কর্মকর্তাকে দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। বিমানবাহিনীর চাকরি হারান মানসিক অদক্ষতার কারণে। কিন্তু এখন নিজেকে বঞ্চিত দাবি করে পদোন্নতি বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম আমার দেশকে বলেন, স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে যারা ছিলেন, অন্যায়, জুলুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারপরও যারা জড়িত বলে তথ্য পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/19546/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Police_oQnJisj.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত, ‘র’ এবং আ.লীগের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে: হাসনাত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/285734/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 06:24:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=285734</guid>

					<description><![CDATA[আমাদের মেরে না ফেলা পর্যন্ত ভারত, ‘র’ আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার দিবাগত রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান। ফেসবুক হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টে লেখেন, ‘প্রথম আলো আজ শিরোনাম করেছে ‘হাসনাতের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন’। আমি প্রথম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আমাদের মেরে না ফেলা পর্যন্ত ভারত, ‘র’ আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দিবাগত রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেসবুক হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টে লেখেন, ‘প্রথম আলো আজ শিরোনাম করেছে ‘হাসনাতের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন’। আমি প্রথম আলোর সেই সাংবাদিককে অনুরোধ করছি আপনি দয়া করে আমার বাসায় এসে দেখে যান আমি কত বিলাসী জীবনযাপন করি। দিল্লি থেকে লিখে দেওয়া নিউজ করে যদি ভেবে থাকেন হাসনাত আব্দুল্লাহকে থামাতে পারবেন তাহলে আপনারা এখনও ভুলের জগতে আছেন। থামার হলে তো সেদিনই থেমে যেতাম। ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ ফেরানোর বিরুদ্ধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একাই রুখে দাঁড়াতাম না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, থামার হলে আপনাদের মতোই ভারত বা ‌র এদের তাবেদারি করে মন্ত্রী হওয়ার হিসাব করতাম। বিলাসিতাই যদি করতে চাইতাম তাহলে আমার এতো যুদ্ধ করার দরকার ছিল না আপনাদের সাথে মিলে মিশেই বিলাসী জীবন বেছে নিতে পারতাম। আমি সেটা করিনি এবং করবও না। যতই তথ্যসন্ত্রাস করেন আমি ভারত আর ‘র’ এর বিরুদ্ধে কথা বলা থামাবো না, আওয়ামী লীগ ফেরানোর কোন উদ্যোগ জীবন থাকতে সফল হতে দেব না।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি কত বিলাসী জীবনযাপন করি সেটা সবাই জানে। আমার ব্যাংক ব্যালেন্স থেকে শুরু করি ট্যাক্স রিটার্ন সবকিছুই একসেস করা যায়। আপনারাও একসেস করতে পারতেন কিন্তু আপনারা করেননি। চ্যালেঞ্জ করে বলছি গতকালের মিটিংএ আমার এসব বিষয়ে কোন কথাই হয়নি, প্রশ্নও হয়নি। অথচ এত বড় মিথ্যা আমার নামে ছাপিয়ে দিলেন। আমি আবারও চ্যালেঞ্জ করছি আমি কারও কাছ থেকে এক টাকা নিয়েছি এটা কেউ প্রমাণ করুক। যেকোনভাবে। সরকারি-বেসরকারি যেকোনো গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় তদন্ত হোক। আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। কিন্তু এসব মিথ্যা নিউজ করে আমাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, প্রথম আলো বারবারই এ দেশের সৎ এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদদের নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যে বা যারাই দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে, তাদেরকেই আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। আমি সেই তালিকার সর্বশেষ সংযোজন। র এর বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ার দুই দিনের মাথায় আমাকে নিয়ে এই তথ্যসন্ত্রাস কাকতালীয় হতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, এসব তথ্যসন্ত্রাস দিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। যতদিন দেহে প্রাণ আছে আমি এই দেশে দিল্লির সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবো। তাতে আমার রাজনীতি যদি না থাকে, আমাকে যদি মাইনাস করা হয়, হোক। আমাদেরকে মেরে না ফেলা পর্যন্ত ভারত, র আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমাদের এ লড়াই অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/02/Hasnat-Abdullah.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2375/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2375/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 19 Apr 2025 06:00:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2375/</guid>

					<description><![CDATA[ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিস জারির আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্টার ব্যুরো (এনসিবি) তিনটি পৃথক আবেদন করে। শনিবার (১৯ এপ্রিল) পুলিশ জানায়, এনসিবি যে ১২ জনের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করেছে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দেশের আদালত থেকে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়া আরও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিস জারির আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্টার ব্যুরো (এনসিবি) তিনটি পৃথক আবেদন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১৯ এপ্রিল) পুলিশ জানায়, এনসিবি যে ১২ জনের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করেছে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে দেশের আদালত থেকে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা ছাড়া আরও যাদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয়েছে, তারা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, আদালত, প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) অথবা তদন্ত সংস্থার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি শাখা ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন করে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুবনাল গঠন করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের চালানো দমন পীড়নকে ‘গণহত্যা’ বিবেচনা করে এ আদালতে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে সারা দেশে ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ অর্ধশতাধিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন অফিসে জমা পড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">পৃথক মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং তার পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">বিচারের মুখোমুখি করার জন্য শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর ভারত সরকারকে কূটনৈতিকপত্র (নোট ভারবাল) পাঠায় বাংলাদেশ সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব বাংলাদেশকে দেয়নি, বরং ভারতে হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর খবর আগে দেশটির সংবাদমাধ্যমে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই চিঠি দেওয়ার আগে থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে ইন্টারপোলের রেড নোটিস জারির কথা বলে আসছিল সরকার ও আইসিটির প্রসিকিউশন বিভাগ।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানেই আছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অধিকাংশেই এখনও আত্মগোপনে রয়েছেন। সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়াদুল কাদেরসহ বেশ কিছু নেতা ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2375/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dailyjanakantha.com/media/imgAll/2024April/BeFunky-collage-32-2504190626.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনা-রেহানা-টিউলিপসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/83135/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/83135/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Apr 2025 06:35:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=83135</guid>

					<description><![CDATA[ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজউক থেকে ৩০ কাঠা প্লট গ্রহণের পৃথক তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকসহ ৫৩ বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রবিবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের দেওয়া চার্জশিট আমলে গ্রহণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজউক থেকে ৩০ কাঠা প্লট গ্রহণের পৃথক তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকসহ ৫৩ বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের দেওয়া চার্জশিট আমলে গ্রহণ করেন। পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।</p>
<hr />
<p><span style="color: #008000;"><strong><span class="Ptime">প্রকাশিত: ১২:৩৬, ১০ এপ্রিল ২০২৫</span></strong></span></p>
<h3>শেখ হাসিনা-পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা</h3>
<p style="text-align: justify;">পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য আসামিরা হলেন- জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), মো. নুরুল ইসলাম, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, তদন্ত প্রাপ্তে আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক গৃহায়ন এবং গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১০ কাঠার ছয়টি প্লট বরাদ্দ প্রদান ও গ্রহণ করেন; যা দুর্নীতি হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্লট বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে মামলা করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচলে হাসিনা পরিবারের জন্য ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় এ মামলা করা হয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত কমিশনের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা।</p>
<h4>সাবেক ৮ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ</h4>
<p style="text-align: justify;">পলাতক সাবেক ৮ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করতে ইন্টারপোলকে অনুরোধ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এ তথ্য জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তাজুল ইসলাম বলেছেন, গণহত্যা ও গুমের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ৩৩৯টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে ৩৯টি অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলা হয়েছে ২২টি। এসব মামলায় মোট ১৪১ জন আসামি রয়েছে। তাদের মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন ৫৪ জন এবং পলাতক রয়েছেন ৮৭ জন। এ সময় বিচার প্রক্রিয়াকে সহজ করতে আগামী সপ্তাহে ট্রাইব্যুনাল আইনে কয়েকটি সংশোধনী আসতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">যেসব আসামির বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে সুপারিশ করা হয়েছে, তারা হলেন— সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক,</p>
<p style="text-align: justify;">সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক তথ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিকী।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/83135/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.bdnews24.com/bdnews24/media/bangla/imgAll/2024December/s-hasina-putul-14122024-1734181636.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>এবার রেকর্ড রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1508/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1508/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Mar 2025 05:00:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=1508</guid>

					<description><![CDATA[দেড় দশকের মধ্যে প্রথমবার রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমার রেকর্ড গড়েছে। সরকারের কর-শুল্ক হ্রাস, আমদানি বৃদ্ধি ও বাজার সিন্ডিকেট ভাঙার ফলে এবারের রমজানে ভোক্তারা স্বস্তি পাচ্ছেন। চাল ছাড়া প্রায় সব পণ্যের দাম নিম্নমুখী, যা গত ১৫ বছরে দেখা যায়নি। বাজার বিশ্লেষকরা এটিকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দ্রব্যমূল্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেড় দশকের মধ্যে প্রথমবার রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমার রেকর্ড গড়েছে। সরকারের কর-শুল্ক হ্রাস, আমদানি বৃদ্ধি ও বাজার সিন্ডিকেট ভাঙার ফলে এবারের রমজানে ভোক্তারা স্বস্তি পাচ্ছেন। চাল ছাড়া প্রায় সব পণ্যের দাম নিম্নমুখী, যা গত ১৫ বছরে দেখা যায়নি। বাজার বিশ্লেষকরা এটিকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দ্রব্যমূল্য ব্যাপক বেড়েছিল। বিশেষত রমজান মাসে বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেত। তবে এবারের রমজানে বাজারের চিত্র আলাদা, চাল ছাড়া সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী। ভোক্তারা বলছেন, গত দেড় দশকের মধ্যে এবার রমজানে পণ্যের দাম নিম্নমুখী এবং কোনো কোনো পণ্যের দাম সবচেয়ে কম। বেশির ভাগ খাদ্যপণ্যই ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের কারণে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভা বাজার কারসাজিতে সহায়তা করতেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন খেজুর-আঙুরের পরিবর্তে বরই-পেয়ারা দিয়ে ইফতার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তেমনিভাবে ইফতারে বেগুনির বিকল্প মিষ্টি কুমড়ার বেগুনি, খেজুরের বিকল্প বরই, আপেলের বিকল্প পেয়ারা দিয়ে ইফতারির পরামর্শ দিয়েছিলেন পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৮ সালে নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের স্লোগান ছিলÑ ‘সস্তায় চাল চাই, ডাল চাই, শেখ হাসিনার সরকার চাই।’ অথচ দ্রব্যমূল্য শেখ হাসিনার শাসনামলে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বৈরাচার হাসিনা বিভিন্ন সমাবেশে বলেছিলেন, বিএনপির আমলে মোটা চালের কেজি ছিল ৪০ টাকা। অথচ টিসিবির তথ্যমতে, বিএনপির শাসনামলের শেষদিকে ২০০৬ সালে মোটা চালের কেজি ছিল ১৭ টাকা</p>
<p style="text-align: justify;">টিসিবির তথ্যমতে, ২০০৬ সালে মোটা চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৭ টাকা। ২০২৪ সালের জুলাই নাগাদ তিনগুণ বেড়ে মোটা চালের দাম হয় ৫০-৫৪ টাকা। চিকন চাল নাজির ছিল ২৪ টাকা কেজি, তা ৭০ টাকা ছাড়ায়। গরুর মাংসের দাম ছিল ১৮০ টাকা, বেড়ে হয় ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি। গ্যাসের দুই চুলার মূল্য ছিল ২৫০ টাকা, চারগুণ বেড়ে ২০২৪ বর্তমানে দুই চুলার মূল্য হয় ১০৮০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ৭০ টাকা, যা বেড়ে হয় ২০০ টাকা। বিদ্যুতের মূল্য ছিল প্রতি ইউনিট ১.৬০ পয়সা, তা বেড়ে হয় ইউনিট ৯.৫০ পয়সা।</p>
<p style="text-align: justify;">রমজানে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিত্যপণ্য নিম্নমুখী হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত ১৫ বছরে অসাধু ব্যবসায়ীদের যে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল তা ভেঙে গেছে। এ ছাড়াও এ বছর রমজানকে সামনে রেখে ট্যাক্স-ভ্যাট কমার পাশাপাশি পণ্য আমদানি বাড়ায় সুফল মিলছে বাজারে।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ বছর সরকার অগ্রিম কর অব্যাহতি, কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ এবং অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু কমিয়ে শুল্কায়ন করেছে। ফলে খেজুরসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের আমদানি দ্বিগুণ হওয়ায় দাম কমেছে। তবে রমজানের শুরুতে বোতলজাত সয়াবিনের সংকট থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। লিটারে সয়াবিনের বোতল মিলছে ১৭৫ টাকা ।</p>
<p style="text-align: justify;">নিত্যপণ্যের বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪ সালের রোজায় পেঁয়াজের কেজি ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, যা বর্তমানে ২০ থেকে ৩০ টাকা, বেগুনের কেজি ছিল ১০০ টাকা, যা এ বছর ৬০-৭০ টাকা। গত বছর টমেটোর কেজি ছিল ৫০-৬০ টাকা, যা এ বছর ১৫-২০ টাকা। গত বছর শসার কেজি ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, যা এ বছর ৩০ থেকে ৪০ টাকা। খিরার দামও কমে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে রমজানে কাঁচা সবজি ও তরিতরকারির দাম ক্রেতার নাগালেই রয়েছে। রমজান উপলক্ষে শুরুতে দাম কিছুটা বাড়লেও মাঝামাঝি সময়ে এসে অনেক সবজির দাম কমেছে। কাঁচামরিচ এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০, শিম ৩০-৪০, ফুলকপি ২০, টমেটো ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, লেয়ার ৩০০ টাকা, সোনালি ২৮০-২৯০ টাকা, দেশি ৫৫০ টাকা ও হাঁস ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">১৭ মার্চ এসব ফল আমদানিতে ২৫ শতাংশের ওপর থাকা অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক তুলে নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলে আমদানিনির্ভর এসব ফলের দাম আরো কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে ১৩ মার্চ কয়েক ধরনের ‘তাজা ও শুকনো’ ফল আমদানির উৎসে কর ১০ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। এর ফলে রমজান মাসে ফলের দামও সহনীয় বলছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। এবার শুল্ক কমানোসহ সরকারের নানা পদক্ষেপে শুরু থেকেই খেজুরের দাম কম ছিল। খোলা খেজুর ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে প্রতি কেজি খেজুরের দাম বছরের ব্যবধানে কমেছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।</p>
<p style="text-align: justify;">ইফতারের প্রধান উপাদান ছোলা, চিনি, বেসনের দাম স্বস্তিদায়ক। ছোলা ৯৫ থেকে ১০০ টাকা দরে, খেসারি ১১০ থেকে ১২০, বেসন ১১০, চিনি ১২০, মুড়ি-চিড়া প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালানোর ফলে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদ শাসনের পতন ঘটে। এর ফলে ভেঙে যায় সরকারি মদতে দীর্ঘ দেড় দশকের বাজার সিন্ডিকেট। পাশাপাশি বন্ধ হয় বেপরোয়া চাঁদাবাজি। বাজারে এর সুফল পড়েছে বলেও মনে করছেন ভোক্তা ও বাজার বিশ্লেষকরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, দু-একটা পণ্যে অস্থিরতা থাকলেও এই বছর অনেক পণ্যেরই দাম কমেছে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য। অন্তর্বর্তী সরকারের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমেছে। ফলে বাজারে এর সুফল পড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘বাজারে স্বস্তি আছে। তবে কিছু পণ্যে অস্বস্তি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূল সমস্যা ছিল সরবরাহকেন্দ্রিক। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে আমরা বাজারে স্বস্তি ফেরানোর কাজটি করেছি। বর্তমানে চালের দামে সমস্যা দেখতে পাচ্ছি। চালের বাজার সহজীকরণে (দাম কমানো) নিয়ে সরকার কাজ করছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1508/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/banijjo-14.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>এনআরসির লীগ নিষিদ্ধে একাত্মতা জানালেন বিএনপি নেতা হাবিব</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/555815/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Mar 2025 17:39:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী নারী পরিষদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=555815</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এটি একটি ফ্যাসিস্ট, সন্ত্রাসী সংগঠন। তাই আওয়ামী লীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। এদিকে জুলাই শহিদ মো. শাহাদাত হোসেন শাওনের বাবা বাছির আলম বলেছেন, আগামী জাতীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধের দাবির প্রতি একাত্মতা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এটি একটি ফ্যাসিস্ট, সন্ত্রাসী সংগঠন। তাই আওয়ামী লীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে জুলাই শহিদ মো. শাহাদাত হোসেন শাওনের বাবা বাছির আলম বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনাসহ জুলাই গণহত্যাকারীদের বিচার ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এছাড়া নির্বাচন করার চেষ্টা হলে শহিদ পরিবার ও ছাত্র সমাজ বাধা দেব।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আওয়ামী লীগ ও মিত্র দলগুলো নিষিদ্ধের দাবিতে ৩৬দিন ধরে চলা গণঅবস্থান কর্মসূচির সমাপনী সমাবেশে তারা এ কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, গত ৩৬দিন ধরে রাজু ভাস্কর্যে যে দাবিতে ছাত্রজনতা গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন তা অত্যন্ত যৌক্তিক। কারণ আওয়ামী লীগ বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যা ঘটিয়েছে। তারা ১৬২ জনকে হত্যা করেছে যাদের ব্য়স ১৮ বছরের কম তথা শিশু। কাজেই এ দলকে আর রাজনৈতিক দল বলা যায় না। তারা ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী সংগঠন। তাই ইতালিতে যেমন ফ্যাসিস্টদের ও জার্মানিতে নাৎসিদের নিষিদ্ধ করা হয়েছিল তেমনি আওয়ামী লীগকেও নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে ৯০ এ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতা হাবিবুর রহমান সে সময়ে গণঅভ্যুত্থানের পর স্বৈরাচারী এরশাদের দল জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে বাধা না দেওয়ার ভুলের কথা তুলে ধরেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, আমি, আমানুল্লাহ আমান, নাজিমুদ্দিন আলম বা অন্য কেউ যদি ভুল না করে শুধু বলতাম তাহলেই কিন্তু জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ হয়ে যেত। কাজেই এখন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে ভুল করা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বলেন, শুধু আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করলে হবে না। তাদের মিত্র ১৪ দল এবং জাতীয় পার্টির দুই গ্রুপকেও নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শহিদ মো. শাহাদাত হোসেন শাওনের বাবা মো. বাছির আলম বলেন, আমার বাসা রাজধানীর পশ্চিম ধোলাইপাড়। ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারে আমার ছেলে শাহাদাত হোসেন শাওন শহিদ হয়। আজ পর্যন্ত আমার ছেলের একজন খুনীও গ্রেফতার হয়নি। আমার ছেলের খুনী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে বিচার করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিচার ছাড়া, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ছাড়া দেশে শান্তি আসবে না। আমাদের ছেলেদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যারা ক্ষমতায় আসতে চায় তাদের বলতে চাই, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না করে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচন করতে হলে আওয়ামী লীগ ও সঙ্গে থাকা সব দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে। পাড়া মহল্লায় যেসব আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন গণঅবস্থানের সংগঠক বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই নেতা মো. ওমর ফারুক ও আবু সাঈদের নেতৃত্বে অনশনের মধ্য দিয়ে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে এতে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরাসহ ছাত্রজনতা যোগ দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ছাত্রজনতার এ অবস্থান কর্মসূচি দেশের রাজিনীতিতে এক বিরল ঘটনা। কর্মসূচির প্রথম ১৮ দিন দিনরাত ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করে, প্রতিদিন সন্ধ্যায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে জুলাই গণহত্যার ভিডিও প্রদর্শনী করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট মন্ত্রী-এমপিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে এবং গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তবে দুঃখনজক হলেও সত্য সরকার কোনোরূপ সাড়া দেয়নি। এরপর পবিত্র রোজার জন্য রাতের বেলা অবস্থান সীমিত করে দিনের বেলা অবস্থান করাসহ প্রতিদিন গণইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব বলেন, ফ্যাসিবাদ নিষিদ্ধ করার দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। গণঅবস্থানের অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে এ আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। ফ্যাসিস্টদের নিয়ে যেমন আমাদের কোনো বিভ্রান্তি নাই, তেমনি ফ্যাসিস্টদের দমনের বিষয়েও আমাদের মধ্যে কোনো দ্বিধা-সংকোচ নাই।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শহিদ শাওনের মা শামসুন্নাহার, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান আনিছুর রহমান, সাংগঠনিক প্রধান মো. শফিউর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার ও গালীব ইহসান, কেন্দ্রীয় সদস্য ওয়াসিম আহমদ; বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. নাবিল আহমদ, সহকারী সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম ও হামিম হোসাইন শুভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়েতুল্লাহ ও নিয়াজ আহমদ এবং বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/03/20/pic-py-67dc470715d73.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মুলাদী উপজেলার বিআরটিসি বাস বন্ধে আ.লীগের সুবিধাভোগী সাবেক সচিবের পাঁয়তারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/555037/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Mar 2025 05:34:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=555037</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের মুলাদী উপজেলার পাইতিখলায় বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধে মরিয়া হয়ে পাঁয়তারা করছেন দুর্নীতির কারণে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়া আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. ইমদাদুল হক। বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধের জন্য দফতরটির চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের ফোন দিয়ে ইমদাদুল হক তার বর্তমান কয়েকজন সচিব বন্ধুর দাপট দেখানোরও অভিযোগ উঠেছে। এতে শঙ্কিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের মুলাদী উপজেলার পাইতিখলায় বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধে মরিয়া হয়ে পাঁয়তারা করছেন দুর্নীতির কারণে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়া আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. ইমদাদুল হক। বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধের জন্য দফতরটির চেয়ারম্যান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের ফোন দিয়ে ইমদাদুল হক তার বর্তমান কয়েকজন সচিব বন্ধুর দাপট দেখানোরও অভিযোগ উঠেছে। এতে শঙ্কিত বিআরটিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে বিআরটিসি ডিপোর মতিঝিল শাখার ম্যানেজার মেহেদী হাসান এবং বরিশাল ডিপোর ম্যানেজার জামিল বলেন, ‘সাবেক অতিরিক্ত সচিব ইমদাদুল হক ঢাকা-পাইতিখলা রুটে বাস সার্ভিস বন্ধের জন্য অনবরত ফোন দিয়ে যাচ্ছেন। রাস্তা যেহেতু ভালো, আমরা চাই গাড়ি চলুক। কারণ এই গাড়ির রাজস্বের টাকা দিয়ে আমাদের বেতন হয়। কিন্তু আমাদের চেয়ারম্যানকে তিনি ম্যানেজ করলে করার কিছু থাকবে না। আমাদেরও তো চাকরি বাঁচিয়ে চলতে হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, জনতা ব্যাংকের ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলার আসামি মো. ইমদাদুল হক। এই ঘটনায় চলতি মাসের ৬ মার্চ ইমদাদুল হকসহ ২৩ জনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। কিন্তু তারপরও দফতরে দাপট দেখিয়ে যাচ্ছেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পদোন্নতি পাওয়া সাবেক এই অতিরিক্ত সচিব। এমনকি, এই রুটে নাজিরপুর-রামারপোল সংযোগ সেতুটি নির্মাণকারী কর্তৃপক্ষের নামে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা-পাইতিখলা (মুলাদী) রুটে বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধ করার পাঁয়তারায় ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকার সাধারণ মানুষ। এমনকি এই বাস বন্ধ না করার জন্যও বিআরটিসি চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় এলাকাবাসী ও মুলাদী উপজেলার ছাত্রনেতা জাহিদ হাসান  বলেন, ‘ঢাকা থেকে পাইতিখলা বাস সার্ভিস শুরু হওয়ায় আমরা খুশি হয়েছিলাম, যে এখন আর কষ্ট করে আমাদের যাতায়াত করতে হবে না। কিন্ত শুনেছি একজন আওয়ামী লীগের সাবেক আমলা নাকি এটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ যে জনগণের ভালো চায় না, সেটা এই লোকের মাধ্যমে আবারও প্রকাশ পাচ্ছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যসব গাড়ি চললেও বিআরটিসির বাস চলাচলে সমস্যা কি- প্রশ্নে মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘রাস্তা ও সেতুর বিষয়টি এলজিইডি’র না। সেতুটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে হচ্ছে। আমার মনে হয়েছে এখানে গাড়ি চলাচলে উপযোগী না।’ দুদকের দুর্নীতি মামলা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তার কিছু বলার নাই বলেও জানিয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে মুলাদী উপজেলা প্রকৌশলী তানজিলুর রহমান বলেন, ‘গাড়ি চলাচলের জন্য রাস্তা ও ব্রিজ পুরোপুরি ফিট আছে। আমরাও চাই বাস চলুক, তাহলে মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের মানুষ খুব সহজেই ঢাকা যেতে পারবে। রাস্তা ও ব্রিজ দিয়ে গাড়ি চলাচলে মৌখিক অনুমতি দেওয়া আছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, ব্রিজটি উদ্বোধন ও কাজের বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে এলজিইডি এর প্রধান প্রকৌশলীকে জানানো হলে তিনি ব্রিজের উপর দিয়ে সকল ধরণের যানবাহন চলাচল চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকার পতনের পর প্রথমবারের মতো রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের মুলাদী উপজেলার পাইতিখলায় সরাসরি বাস সার্ভিস শুরু হয়। বিআরটিসি বাসের মাধ্যমে গত ডিসেম্বরে শুরু হয় এই পথ চলা। ফলে দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় স্বস্তি মিলেছে জনমনে। কিন্তু সেই স্বস্তি বিষাদে পরিণত করছেন ইমদাদুল হক।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা-পাইতিখলা পর্যন্ত যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা ছিল আড়িয়াল খাঁ নদীর উপরে নাজিরপুর-রামারপোল সংযোগ সেতু। ২০১৬ সাল থেকে দীর্ঘ সময়ে নির্মাণ শেষ হওয়া বর্তমানে সেতুটি দিয়ে চলাচল করছে ট্রাক, বাস ও প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য ভারী যানবাহন। কিন্তু সাধারণ মানুষের চাহিদা অনুযায়ী একটি বিআরটিসি বাস চলাচল শুরু হওয়ায় নিজেই বাস সার্ভিস নামানোর জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের শুভাকাঙ্ক্ষী সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ডিসেম্বরে এই রুটে বাস চলাচল শুরু করা হলে চার দিনের মাথায় বিআরটিসি চেয়ারম্যান বরাবর একটি চিঠিতে ঢাকা-পাইতিখলা বিআরটিসির রুট পারমিট বাতিলের আবেদন জানান ইমদাদুল হক। এ বিষয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যেহেতু ইমদাদুল হক সাবেক অতিরিক্ত সচিব তাই তার আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি রাস্তার সমস্যার কথা বলেছেন। আমরা তদন্ত করে দেখব, যদি রাস্তা ঠিক থাকে তাহলে বিআরটিসি বাস এই রুটে চলবেই। কারও কথায় বাস বন্ধ হবে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর চার দফা তদন্ত করে বিআরটিসি দফতর। ইমদাদুল হক ব্যক্তিগত স্বার্থে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাজুল ইসলাম এই রুটে আবারও (১০ ফেব্রুয়ারি) বিআরটিসি বাস চলাচলে অনুমতি দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সকল বাধা পেরিয়ে গত মঙ্গলবার (১১ মার্চ) থেকে ঢাকা-পাইতিখলা রুটে বিআরটিসি বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু ব্যক্তিগত স্বার্থে আবারও বাস চলাচল বন্ধের জন্য বিআরটিসি’র বর্তমান চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. অনুপম সাহাসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ফোন দিয়ে দৌড়ঝাঁপ করে যাচ্ছেন ইমদাদুল হক।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/03/brtc.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান, যোগ দিয়েছে এনআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/3412/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/3412/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Mar 2025 11:10:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[খোমেনী ইহসান]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী নারী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=3412</guid>

					<description><![CDATA[বুধবার (১২ মার্চ) বিকেলে এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন দলটির রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান ও সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ। বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই বিপ্লবে সম্পৃক্ত ছাত্র-জনতা গঠিত প্রথম দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, দল ও সংগঠন নিষিদ্ধ করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৎপর সব দল-মতের সঙ্গে মৈত্রী গড়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বুধবার (১২ মার্চ) বিকেলে এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন দলটির রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান ও সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই বিপ্লবে সম্পৃক্ত ছাত্র-জনতা গঠিত প্রথম দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ফ্যাসিবাদী রাজনীতি, দল ও সংগঠন নিষিদ্ধ করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৎপর সব দল-মতের সঙ্গে মৈত্রী গড়ে তোলা আমাদের স্থায়ী নীতি। ফলে শাহবাগি ফ্যাসিস্ট নেত্রী লাকি আক্তারকে গ্রেফতার, শাপলা ও পিলখানা গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার এবং গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে ইনকিলাব মঞ্চ যে ঐতিহাসিক দাবি জানিয়েছে, তা আমরা সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করছি।</p>
<p style="text-align: justify;">নেতৃদ্বয় বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার সঙ্গে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতাকর্মীরা শাহবাগে অবস্থান করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ২৮ দিন ধরে ছাত্র-জনতা অবস্থান করছে। এ কর্মসূচির সংগঠক জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সহযোগী সংগঠন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/3412/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/caf83bb8412feff52d39f5d4e746f75e064589232afb5583.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনার আমল ছিল ডাকাতির শাসনামল: গার্ডিয়ানকে ড. ইউনূস</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/267525/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Mar 2025 02:19:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=267525</guid>

					<description><![CDATA[ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় কোনো সরকারব্যবস্থা ছিল না। বরং এক ডাকাতের পরিবার সে সময় চেপে বসেছিল। গতকাল সোমবার ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ড. ইউনূস বলেন, ‘হাসিনার শাসনে কোনো সরকার ছিল না। এটি ছিল এক ডাকাত পরিবারের শাসন। সরদারের কাছ থেকে শুধু আদেশ হতো আর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় কোনো সরকারব্যবস্থা ছিল না। বরং এক ডাকাতের পরিবার সে সময় চেপে বসেছিল। গতকাল সোমবার ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. ইউনূস বলেন, ‘হাসিনার শাসনে কোনো সরকার ছিল না। এটি ছিল এক ডাকাত পরিবারের শাসন। সরদারের কাছ থেকে শুধু আদেশ হতো আর তা পালন হয়ে যেত। কেউ কোনো সমস্যা করলে তাকে গুম করে ফেলা হতো। নির্বাচন করা হলে জয় নিশ্চিত করা হতো। কেউ অর্থ চাইলে ব্যাংক থেকে লাখ লাখ ডলার ঋণের মাধ্যমে নিয়ে নেওয়া হতো এবং তা আর কখনোই দেওয়া লাগতো না।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশের যে ক্ষতি করেছেন, তার কোনো তুলনা নেই। গাজার মতোই বাংলাদেশ এক বিধ্বস্ত দেশ ছিল। শুধু তফাৎ ছিল এখানে কোনো ভবন ধ্বংস হয়নি। বরং পুরো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা, নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ধ্বংস করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জনগণের অর্থলুট করতে ব্যাংকগুলোকে সম্পূর্ণ লাইসেন্স দেওয়া ছিল। তারা তাদের কর্মকর্তাদের বন্দুক নিয়ে পাঠাতো সব লুটে নিতে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। এর তিনদিন পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য গঠিত সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার পতনের পরপরই শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গার্ডিয়ানকে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনাকে দিল্লি আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তা সহনীয় হতে পারে। কিন্তু ভারতকে প্ল্যাটফরম হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশের পরিবর্তনকে হাসিনার উল্টে দেওয়ার চেষ্টা ভয়াবহ। এটি দেশকে অস্থিতিশীল করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, হাসিনার শাসনের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক উন্নতি করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত সপ্তাহে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এক বক্তব্যে বলেছিলেন, বাংলাদেশে ‘অরাজক পরিস্থিতি’ চলছে এবং মানুষের বিভক্তির ফলে যদি অস্থিরতা চলতে থাকে, তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনাপ্রধানের এ বক্তব্যকে অনেকেই ড. ইউনূসের নেতৃত্বের প্রতি কঠোর সমালোচনা হিসেবে বিবেচনা করছেন। কেউ কেউ একে সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত হিসেবেও মনে করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ড. ইউনূস জানান, সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তার ‘খুবই ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে এবং সেনাপ্রধানের পক্ষ থেকে তার ওপর কোনো চাপ নেই।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/yunus-19.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোরআন তেলাওয়াত অবস্থায় ছাত্রদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করে গুম বাহিনী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/553595/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Mar 2025 04:43:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রদল]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=553595</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক সামরিক অফিসার Rajib Hossain ফেসবুকে পোষ্টে লিখেন স্যার, আমার মায়ের দেখভাল করার মতো এই দুনিয়াতে কেউ নাই। আমার মা মরে যাবে স্যার। আমাকে সম্ভব হলে ছেড়ে দেন।&#8221; গাড়ি থামে না। সুমন এক পর্যায়ে নিশ্চিত হয়, বাঁচার রাস্তা নাই। সে তখন কুরান তিলওয়াত শুরু করে। উল্লেখ্য, সুমন একজন কুরানে হাফেজ ছিল। নিজেকে শান্ত রাখতে সুমন কুরান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সাবেক সামরিক অফিসার <a href="https://www.facebook.com/khondu" target="_blank" rel="noopener">Rajib Hossain</a> ফেসবুকে পোষ্টে লিখেন</p>
<blockquote><p>স্যার, আমার মায়ের দেখভাল করার মতো এই দুনিয়াতে কেউ নাই। আমার মা মরে যাবে স্যার। আমাকে সম্ভব হলে ছেড়ে দেন।&#8221; গাড়ি থামে না। সুমন এক পর্যায়ে নিশ্চিত হয়, বাঁচার রাস্তা নাই। সে তখন কুরান তিলওয়াত শুরু করে। উল্লেখ্য, সুমন একজন কুরানে হাফেজ ছিল। নিজেকে শান্ত রাখতে সুমন কুরান তিলওয়াত চালু রাখে। এর মাঝেই এক নির্জন স্থানে গাড়ি থামিয়ে</p></blockquote>
<p><span style="color: #008000;">রাজিব হোসাইন এর ফেসবুক পোষ্ঠটি <a href="https://worldbarta.com/" target="_blank" rel="noopener">বিশ্ববার্তা</a> পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো.</span></p>
<p style="text-align: justify;">২০১০ সালের শুরুর দিকে, ব্যরিস্টার তাপস হত্যাচেস্টার অভিযোগে, আমরা পাঁচজন সামরিক অফিসার তখন গোয়েন্দা হেফাজতে, কিন্তু আমাদের রাখা হয়েছে- ঢাকা সেনানিবাসে &#8216;অফিসার্স মেস বি&#8217; এলাকায়। আমাদেরকে এরেস্টেড অবস্থায় রেখে, চলাচল সীমিত করে দেয়া হয়েছে। আমাদের সাথে সাধারণ অফিসার কেউ সাক্ষাৎ করতে আসে না। কেউ যদি সাহস করে চলে আসে, তার কাছে স্বাভাবিকভাবেই গোয়েন্দা সংস্থা থেকে কারণ জানতে চায়। সিংহভাগ অফিসার এড়িয়ে চললেও, সুহৃদ সিনিয়র কিংবা কোর্সমেট এসে মাঝেসাঝে দেখে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">একদিন এক ঘনিষ্ঠ ছোট ভাই সাক্ষাৎ করতে এলো। সে মানসিকভাবে খুব বিপর্যস্ত ছিল। কিছু সময় কথা বলতে চায়। আমাকে খুব মহব্বত করতো। আমি আর ফুয়াদ সেই মেসে একটি কক্ষে থাকি। ডিউটিরত পাহারা অফিসারের অনুমতি নিয়েই শহীদ (ছদ্মনাম- বাস্তবে আমি এখন ওর নাম আর মনে করতে পারি না) আমার সাথে কথা বলতে আসে। ছেলেটা তখন মেজর।</p>
<p style="text-align: justify;">কয়েক মাস আগে ঢাকার রামপুরাতে, সুমন নামের এক ছাত্রদল নেতাকে একটি সংস্থা তুলে নিয়ে আসে। ছেলেটার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলা চলমান বলে জানানো হয়। সুমন দুর্ধর্ষ অপরাধী। কিন্তু গ্রেফতারের পর ভিন্ন চিত্র বের হয়ে আসে। খোঁজ নিতেই জানা যায়, সুমন আসলে ভিন্ন চরিত্র। এই সুমনের নামে থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি পর্যন্ত নাই। সে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত আছে এটা ঠিক। ব্যস এতোটুকুই।</p>
<p style="text-align: justify;">সুমনের পরিবারে মা ছাড়া কেউ নাই। মা ডায়াবেটিক রোগী। সুমন মায়ের সেবা করে। ছেলে গ্রেফতার হবার পর মায়ের ক্রন্দনে আকাশ বাতাস মুখরিত। তিনি সম্ভবত একটা ছোটখাটো সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। পত্রিকার সাংবাদিক এবং থানার মারফত নিশ্চিত হওয়া যায়, এটা ভুল মানুষকে গ্রেফতার। কিন্তু সুমনের মুক্তি মিলে না। এখানেই আমার সেই জুনিয়র অফিসারের কাহিনী যুক্ত।</p>
<p style="text-align: justify;">সুমনকে ক্রসফায়ার দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে, পুলিশ, র‍্যাবের উপস্থিতিতে সুমনকে ক্রসফায়ার দেয়া হবে। গল্প সাজিয়ে সে রাতে সুমনকে একটা গাড়িতে চোখ বেঁধে উঠানো হয়। সুমন ঘটনা উপলব্ধি করে বলেন, &#8220;স্যার, আমার মায়ের দেখভাল করার মতো এই দুনিয়াতে কেউ নাই। আমার মা মরে যাবে স্যার। আমাকে সম্ভব হলে ছেড়ে দেন।&#8221;<br />
গাড়ি থামে না। সুমন এক পর্যায়ে নিশ্চিত হয়, বাঁচার রাস্তা নাই। সে তখন কুরান তিলওয়াত শুরু করে। উল্লেখ্য, সুমন একজন কুরানে হাফেজ ছিল। নিজেকে শান্ত রাখতে সুমন কুরান তিলওয়াত চালু রাখে। এর মাঝেই এক নির্জন স্থানে গাড়ি থামে। সুমনকে চোখ বেঁধে, পিছনে হাতে হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে গাড়ি থেকে নামানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">একজন পুলিশ অফিসারকে ক্রসফায়ার দিয়ে নির্দেশ দিলে, তিনি তা অমান্য করেন। এরপর আমার সেই অনুজ মেজর সাহেবকে অর্ডার দেয়া হয়। সে নিজেও আদেশ অমান্য করে। কুরান তিলওয়াত করছে এমন একজন মানুষকে খুন করতে ওর আত্মা কেঁপে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এই সময়ে আরেক অফিসার এগিয়ে আসেন। তিনি বলেন, &#8220;স্যার আমাকে দেন।&#8221;<br />
সুমনকে নিরালায় একটি অজানা স্থানে, মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে, পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জে দুই রাউন্ড গুলি করা হয়। দ্বিতীয় গুলির সময়ে সুমনের কণ্ঠে কোন তিলওয়াত শোনা যায় না। কারণ প্রথম গুলি মস্তিস্কে প্রবেশের সাথে সাথে সুমনের কণ্ঠ থেমে গিয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">সুমনের লাশ তার মায়ের কাছে দেয়া হয় নাই। স*ন্ত্রাসী অমুক তমুক বলে কিছু একটা কাহিনী জানিয়ে দেয়া হয়েছিল। সুমন খু*ন হবার এক বা দুই মাসের মধ্যেই তাঁর মা পুত্রশোকে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। মেজর সাহেব আমাকে বলছিলেন, &#8220;স্যার, সুমনের কুরান তিলওয়াতের কণ্ঠ অদ্ভুত সুন্দর। সেই কণ্ঠ এখনও আমার কানে বাজে। আমি ঘুমাতে পারি না।&#8221; ও আমাকে আমার সেই বন্দী দশায় কেন এই ঘটনা বলেছিল, আমি জানতে চাই নাই। হয়তো আত্মগ্লানি থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি গুগলে অনেক খুঁজেও এই ঘটনার কোন রেফারেন্স ম্যাটারিয়াল পেলাম না। না কোন পেপার কাটিং। অনেক বছর আগের ঘটনা হবার কারণে হয়তো আর পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাটি ২০০৯ সালের শুরুর দিকে বা শেষ ভাগের। কারও কাছে সূত্র থাকলে ভেরিফাই করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">&#8220;রাষ্ট্রীয় স্বার্থে&#8221; শব্দটি ব্যবহার করে, মে*জর জে*নারেল তারিক সিদ্দিকি অনেক রাক্ষস সৃষ্টি করেছিলেন। এই রাক্ষসদের একমাত্র কাজ ছিল, হা*সিনার স্বৈরশাসনকে সুসংহত করা। এবং এই প্রজেক্ট তাঁদের ক্ষমতা গ্রহনের একেবারে শুরু থেকেই চালু হয়। রাষ্ট্রের সকল বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, সবখানেই এই রাক্ষসদের বিচরন ছিল। এদের অনেকেই স্বেচ্ছায় এগিয়ে যেয়ে আত্মা বিক্রি করেছিল। পার্থিব কিছু প্রাপ্তির লক্ষ্যে এরা আল্লাহ ভীতি বর্জন করে, রক্তের খেলায় মেতে উঠে।<br />
আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ভয়ানক বিচার থেকে এদের যেন কোনদিন মুক্তি না হয়। আল্লাহ যেন এদের প্রত্যেককে দুনিয়া এবং আখিরাতে কঠিন শাস্তি প্রদান করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ঘটনা গত ১৭ বছর ধরে আমি কখনও ভুলতে পারি নাই। মনে পড়লেই কষ্ট হয়। খুব জানতে ইচ্ছা করে, সুমনের গলায় তিলওয়াত করা সেই কুরানের আয়াতে, আল্লাহতায়াল তাঁর জন্য এবং খুনিদের জন্য কি বার্তা দিয়েছিলেন। হয়তো আল্লাহর কাছে সুমন এখন তাঁর অসুস্থ মায়ের সাথে আবার সাক্ষাৎ করেছেন। মায়ের ডায়াবেটিসের সেবা করতে পারেন।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসিনা এবং তার দোসরদের বিচার করে আসলে, পাপ আর সমানুপাতিক শাস্তির ভারসাম্য হবে না। এদের পাপ, কুকর্ম, মানুষের জীবন ধ্বংস করে দেয়ার মাত্রা এতো বেশি, এর শাস্তির মাত্রা কি হওয়া উচিৎ- তা বোধ করি দুনিয়ার মানুষের সাধ্যে নির্ধারণ করা সম্ভব না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/a25e44b60d8cb1d585a22182253c5546873a489d1d198858.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনার ‘রাজাকারের ছেলে’ পুনরাবৃত্তি করল বিএনপি নেতা ফজলু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1835/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1835/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Mar 2025 08:12:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/1835/</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানকে ‘রাজাকারের ছেলে’ এবং ‘আলবদরের ছেলে’ বলায় ব্যাপক বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার বিকেলে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে ছাত্র-জনতা ফজলুর রহমানের ছবিতে অগ্নিসংযোগ করে। একই সঙ্গে তারা ফজলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান, একটি অনলাইন টক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানকে ‘রাজাকারের ছেলে’ এবং ‘আলবদরের ছেলে’ বলায় ব্যাপক বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার বিকেলে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে ছাত্র-জনতা ফজলুর রহমানের ছবিতে অগ্নিসংযোগ করে। একই সঙ্গে তারা ফজলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও বিএনপির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান, একটি অনলাইন টক শো &#8216;ফেস দ্য পিপল&#8217;-এ ছাত্র প্রতিনিধি মিনহাজ উদ্দিনকে ‘রাজাকারের ছেলে’ এবং ‘আলবদরের ছেলে’ বলে আক্রমণ করেন। এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিক্ষোভকারীরা বলেন, শেখ হাসিনা যখন ছাত্রদের ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে অভিযুক্ত করেছিলেন, তখনও তিনি গণহত্যা ঘটিয়েছিলেন, এখন ফজলুর রহমানও সেই একই পথ অনুসরণ করছেন। তারা দাবি করেছেন, ফজলুর রহমানকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ সরকার বলেন, &#8220;আমরা ছাত্রদের ‘রাজাকারের সন্তান’ বলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাই।&#8221; বিক্ষোভকারীরা ফজলুর রহমানকে &#8220;নব্য ফ্যাসিবাদী&#8221; হিসেবে চিহ্নিত করে জানান, নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যে এই ধরনের মন্তব্যকে মেনে নেওয়া হবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের দাবি, ফজলুর রহমানের মতো নেতারা যেন আর কখনো ছাত্রদের আক্রমণ না করেন এবং দেশের স্বাধীনের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা জানাতে বাধ্য হন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1835/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sharenews24.com/thum/article_images/2025/03/05/1741094188-d6d55a82f7452d28747769bddd786a39-4.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সেনাবাহিনীকে রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব এনআরসির</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/204429/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/204429/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 28 Feb 2025 09:39:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=204429</guid>

					<description><![CDATA[শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গণঅবস্থানকারীরা এ আশঙ্কার কথা জানান। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, জুলাই বিপ্লবের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের আগেই সেনাবাহিনী ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে পতিত ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন ও ভারতীয় আগ্রাসন ঘটানো হতে পারে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দোসর দলগুলোর নিষিদ্ধের দাবিতে গণঅবস্থান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গণঅবস্থানকারীরা এ আশঙ্কার কথা জানান। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, জুলাই বিপ্লবের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের আগেই সেনাবাহিনী ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে পতিত ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন ও ভারতীয় আগ্রাসন ঘটানো হতে পারে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দোসর দলগুলোর নিষিদ্ধের দাবিতে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক ও গণঅবস্থানের সংগঠক আবদুল ওয়াহেদ, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান আনিছুর রহমান ও সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ। লিখিত বক্তব্যে আবদুল ওয়াহেদ বলেন, জুলাইয়ে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার। তবে সেনা সদস্যরা ছাত্র-জনতাকে হত্যা করতে অস্বীকৃতি জানালে ৪৯ বছরের মাথায় দেশে ফের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের জন্ম হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জুলাই বিপ্লবে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, সেনাবাহিনী ফ্যাসিস্ট হাসিনার কথামতো বন্দুক চালাতে অস্বীকার করে, বহু জায়গায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে গুলি করে এবং আন্দোলনরত জনগণকে সহায়তা করে বলেই গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশ নতুন স্বাধীনতা লাভ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওয়াহেদ অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে সামাজিক মাধ্যমে ভূমিকা রাখা কিছু লোক, বিতর্কিত দালাল বুদ্ধিজীবী ও সেক্যুলার-বামপন্থী অ্যাক্টিভিস্টরা জুলাই বিপ্লবে সেনাবাহিনীর মহান ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানকে টার্গেট করে মিথ্যাচার চালাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব-উত্তর উন্নত শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে হলে সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি পাঁচ বছরের জাতীয় সঙ্কটকাল ঘোষণা এবং এ সময় সেনাবাহিনীকে রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে রমজান মাসে গণঅবস্থান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/204429/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bangla.24livenewspaper.com/images/bangladesh/propaganda-conspiracy-against-the-army-protesters-at-raju-sculpture-allege.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>লীগ নিষিদ্ধে প্রধান উপদেষ্টাকে ছাত্র-জনতার স্মারকলিপি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/167902/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/167902/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 27 Feb 2025 03:49:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=167902</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে স্মারকলিপি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থানকারী ছাত্র-জনতা। স্মারকলিপিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে স্মারকলিপি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থানকারী ছাত্র-জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;">স্মারকলিপিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. রুহুল আমীনের নেতৃত্বে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের একটি প্রতিনিধি দল এ স্মারকলিপি প্রধান করে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান ও সাংগঠনিক প্রধান মো. শফিউর রহমান, সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ ও সহকারী সদস্য সচিব গালিব ইহসান, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সানোয়ারা খাতুন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে স্মারকলিপি, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ৫ দফা, জুনে গণপরিষদ নির্বাচনসহ ১১ দফা দাবি ও জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান রচিত জুলাই বিপ্লবের ইশতেহার গ্রহণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে বিকাল ৩টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এসব কাগজপত্র দলিলের ফাইল উপস্থাপন করা হয় বলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রতিনিধি দলকে অবহিত করা হয়েছে। এ সময় জানানো হয়েছে, পেশ করা স্মারকলিপির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পরবর্তীতে আলোচনা করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">স্মারকলিপিতে উল্লিখিত ৫ দফা হলো-</p>
<p style="text-align: justify;">১. গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, তাদের মিত্র ১৪ দল ও মহাজোট এবং এসব দলের সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">২. সব ফ্যাসিবাদী দল ও সংগঠনের কার্যালয় ও সব সম্পদ রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিগ্রহণ করে তা ফ্যাসিবাদী আমলে নির্যাতিত অসহায় মজলুমদের পুনর্বাসনে ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৩. ২০০৯-২০২৫ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারগুলোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সব মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সব এমপি, সব জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যকে ডেজিগনেটেড ফ্যাসিস্ট ঘোষণা করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৪. ফ্যাসিবাদ ধারণ করে গড়ে ওঠা নব্য ফ্যাসিবাদী বা একই চরিত্রের যে কোনো দল ও সংগঠনকেও নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৫. ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দলকে নিষিদ্ধ করার বিধান সংবিধানে সংযুক্ত করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজু ভাস্কর্যে জুলাই গণহত্যা, পিলখানা ও শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ চালানোর দায়ে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ও মিত্রদের নিষিদ্ধের দাবিতে ছাত্র-জনতার লাগাতার গণঅবস্থান কর্মসূচি চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ কর্মসূচির ব্যবস্থাপনায় রয়েছে জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ও ছাত্র সংগঠন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে এ পর্যন্ত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ, উপদেষ্টা এবং নবম থেকে দ্বাদশ সংসদের সদস্যদের ফ্যাসিস্ট ঘোষণা করে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিদিন সর্বস্তরের নাগরিকদের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কর্মসূচির ১৩ম দিন মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজু ভাস্কর্য থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা বের করেন গণঅবস্থানকারীরা। এরপর আজ দুপুরে তাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/167902/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://i0.wp.com/www.onenewsbd.com/wp-content/uploads/2025/02/Jatiyo_Biplobi_Parishad-67bf2028a58c9.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ভারত সম্ভবত শোধরাবে না</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/549992/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Feb 2025 05:21:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=549992</guid>

					<description><![CDATA[সপ্তাহ খানেক আগে কয়েকজন পশ্চিমা কূটনীতিকের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছিল। তারা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি নিয়ে আমার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। তারা আমাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির স্বার্থে বাংলাদেশের জনগণের ভারতের সব নষ্টামির কথা ভুলে গিয়ে সামনের দিকে তাকানো উচিত। আমি পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছিলাম, বড় দেশ হিসেবে বরং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সপ্তাহ খানেক আগে কয়েকজন পশ্চিমা কূটনীতিকের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছিল। তারা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি নিয়ে আমার কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তারা আমাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির স্বার্থে বাংলাদেশের জনগণের ভারতের সব নষ্টামির কথা ভুলে গিয়ে সামনের দিকে তাকানো উচিত। আমি পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছিলাম, বড় দেশ হিসেবে বরং ভারতেরই ক্ষুদ্র প্রতিবেশীদের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে দিল্লির শাসকদের ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রতি অন্ধ প্রেম ছাড়তে হবে। দিল্লির আশকারায় হাসিনার দানব হয়ে ওঠার দায় ভারত সরকার এড়াতে পারে না। তা ছাড়া অতীত কি চাইলেই মুছে ফেলা যায়? অতীত ভুলে গেলে তো আমরা বারংবার একই ভুলের আবর্তে ঘুরপাক খেতে থাকব।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্যক্তি, সমাজ, কিংবা রাষ্ট্রের অতীত ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়, সেটা উচিতও নয়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে হয়। তবে এটা ঠিক যে, অতীতের তিক্ততা সারাক্ষণ মনে পুষে রাখলে কারোরই মঙ্গল হবে না। সেটা ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় উভয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বাংলাদেশ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওপরের কথাগুলো লিখতে হলো। সার্ক-বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সেই মুখপাত্র আমাদের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিষোদ্গার করেছেন। তিনি বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে প্রফেসর ইউনূসের সরকারকে সেগুলো নিয়ন্ত্রণের নসিহত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পলাতক হাসিনা দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনবরত যেসব ষড়যন্ত্র করে চলেছেন—ভারত সরকারের মুখপাত্রের মন্তব্য যে তারই অংশ, সেটা বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। বাংলাদেশকে আর কখনো ভারতীয় রাডারের বাইরে যেতে না দেওয়ার যে কল্পজগৎ দিল্লির নীতিনির্ধারকরা ২০১০ সালে নির্মাণ করেছিলেন, সেখান থেকে তারা যেন কিছুতেই বের হতে পারছেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে আর দখলদারিত্ব চলবে না, এটা ভাবতেই তাদের মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই তাদের অন্তর্জ্বালার ক্ষণে ক্ষণে বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। নিজ অপরাধে সৃষ্ট মানসিক কারাগার থেকে দিল্লি বের হতে পারছে না বলেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে জটিলতার অবসান হচ্ছে না।</p>
<p style="text-align: justify;">কোনোরকম বিদেশি সহায়তা ছাড়া এ দেশের নিরস্ত্র ও অকুতোভয় ছাত্রজনতার শুধু বুকের রক্তের তীব্র স্রোতধারায় ভারতীয় শৃঙ্খল ভাসিয়ে দেওয়ার বাস্তবতা দিল্লি স্বীকার করে নিলে আমাদের সম্পর্কের নতুন সূচনা সহজেই হতে পারত। তা না করে নরেন্দ্র মোদি ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে সব কূটনৈতিক ভব্যতা জলাঞ্জলি দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নালিশের পসরা খুলে বসেছিলেন। সেখান থেকে দৃশ্যত ব্যর্থ হয়ে ফিরে ভারত সরকার নতুন করে ‘ইসলামি সন্ত্রাসী’ কার্ড খেলতে চাচ্ছে। ভারতের এই খেলায় অবশ্য কোনো নতুনত্ব নেই। ৫০ বছর ধরে দেশটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ‘মাইনরিটি’ ও ‘ইসলামি জঙ্গি’—এই দুই কার্ড ব্যবহার করেই চলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবের পর ভারত প্রথমে ইসকন ও গেরুয়া সন্ত্রাসী চিন্ময়কে ব্যবহার করে মাইনরিটি কার্ড খেলে বিফল হয়েছে। চট্টগ্রামে এক নিরপরাধ মুসলমান আইনজীবীকে হত্যা করেও এ দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো সম্ভব হয়নি। বাস্তবে তিন দশক ধরে ভারতেই চরমপন্থা ও সাম্প্রদায়িকতার ভয়াবহ বিস্তার ঘটছে। সে দেশের সংখ্যালঘু মুসলমান প্রতিনিয়ত উগ্র হিন্দুদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা খোদ মার্কিন মুলুকেই অভিযুক্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মাইনরিটি কার্ড অতিরিক্ত ব্যবহার করলে সেটি শেষ পর্যন্ত নিজেদের জন্যই ব্যুমেরাং হয়ে পড়তে পারে বুঝতে পেরে ভারত সরকার এখন প্রচারণার দ্বিতীয় অস্ত্র ‘ইসলামি জঙ্গি’ কার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে আমরা এবার খানিকটা অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে ভারত ‘ইসলামি জঙ্গি’ কার্ড ব্যবহার করে যথেষ্ট সফল হয়েছিল। তবে সেই সফলতার পেছনে তৎকালীন সরকারের ব্যর্থতাও অনেকাংশে দায়ী ছিল। উদাহরণস্বরূপ জেএমবির কথা বলা যেতে পারে। এই উগ্রবাদী ইসলামিক দলটির প্রধান ব্যক্তির নাম ছিল শায়েখ আবদুর রহমান। তিনি আওয়ামী সন্ত্রাসী সংগঠন যুবলীগের তৎকালীন সেক্রেটারি মির্জা আজমের আপন বোনের স্বামী ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্ত্রাসী মির্জা আজমের বিরুদ্ধে বিডিআর ম্যাসাকারেও সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তার বর্তমান আস্তানা সম্ভবত ভারতেই। জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান ছিলেন একই মির্জা আজমের ভাগনে আবদুল আওয়াল সানি। আমি যতদূর জানি, তারা সবাই আহলে হাদিসপন্থি ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জেএমবির সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে জেনেও চারদলীয় জোট সরকার বিস্ময়করভাবে উগ্রবাদী সংগঠনটিকে প্রাথমিকভাবে উপেক্ষা করার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা ভেবেছিল, বাম সর্বহারা সন্ত্রাসী ও ধর্মীয় উগ্রবাদী জেএমবির মধ্যে খুনোখুনি হলে সেক্ষেত্রে সরকারের বিশেষ কোনো দায় নেই। সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ভারতপন্থি মিডিয়ার সহায়তাক্রমে দিল্লি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্ররূপে চিত্রিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বেশ কয়েকটি পশ্চিমা মিডিয়ায় বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থার উত্থান নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সরকারের ঘুম ভাঙে। ভুল শোধরানোর জন্য জোট সরকার শেষ পর্যন্ত জেএমবির বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানে যায় এবং বেশ সফলতাও লাভ করে। শায়েখ আবদুর রহমান, আবদুল আওয়াল সানি ও অন্য চরমপন্থিদের গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়। চারদলীয় জোট সরকারের আমলেই তারা সর্বোচ্চ সাজায় দণ্ডিত হয় এবং এক-এগারো সরকারের সময় সাজাপ্রাপ্তদের ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। কিন্তু অদ্যাবধি সময়-সুযোগ পেলেই ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইসলামি জঙ্গির প্রসঙ্গ উত্থাপন করে অপপ্রচারে নেমে পড়ে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের সর্বশেষ বক্তব্যে সেই পুরোনো খেলা পুনরায় শুরু করার ইঙ্গিত মিলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় ষড়যন্ত্র এবার যাতে সফল হতে না পারে সেই লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও সতর্ক থাকা আবশ্যক। মনে রাখতে হবে, অতি ইসলামিস্ট হলে সর্বদা রাষ্ট্রের শত্রুরাই লাভবান হয়। এসব ইসলামিস্ট আগেও দেশবিরোধী শক্তিদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়ে যথেষ্ট ক্ষতির কারণ হয়েছেন। এ দেশে হলি আর্টিজান ম্যাসাকারের মতো বর্বর ঘটনাও ঘটেছে। মহান জুলাই বিপ্লবের পর বুঝে অথবা না বুঝে কতিপয় ব্যক্তি আবারো অতি ইসলামিস্ট হয়ে উঠেছেন—কেউ মাজার ভাঙাভাঙি করছেন, কেউ মেয়েদের ফুটবল খেলা বন্ধ করে দিচ্ছেন, আবার কেউ কনসার্ট আটকাচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানার ব্যবহার করে এসব বিতর্কিত কাজ করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সারা দেশের দু-একটি ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করছে বিশেষ মহল। কতিপয় অতি উৎসাহীর এসব বালখিল্য আচরণে আমাদের বৈরী প্রতিবেশী যারপরনাই আনন্দলাভ করছে। এই বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোকে তারা ফলাও করে সর্বত্র প্রচার করছে, যাতে পতিত ও পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রত্যাবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিশ্বকে দিল্লি এমন একটা ধারণা দিতে চাচ্ছে যে, হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলেই বাংলাদেশে ইসলামি চরমপন্থা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঢালাও বয়ানকে মিথ্যা সাব্যস্ত করার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। কোনো সময়ে যৌক্তিক প্রতিবাদের প্রয়োজন হলেও সেটি করতে গিয়ে কোনো অবস্থাতেই সীমা অতিক্রম করা যাবে না। সরকারকেও সীমা অতিক্রমকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমাদের স্মরণে রাখা দরকার, আমরা এক প্রচণ্ড ইসলামোফোবিক দুনিয়ায় বসবাস করছি। আমার প্রায় দুই দশকের লেখালেখির সঙ্গে যারা পরিচিত তারা নিশ্চয়ই জানেন, বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় আমি ইসলামোফোবিক বয়ানের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছি। আমার মতো বাংলাদেশের আরো বেশ কিছু লেখক ও বুদ্ধিজীবীও একইভাবে লড়ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আপনাদের মনে করিয়ে দিচ্ছি, বাংলাদেশের লেখালেখির জগতে আমাদের চিন্তাধারার মানুষের সংখ্যা বেশ কম। সেই ষাটের দশক থেকেই আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক জগৎ মূলত ইসলামবিদ্বেষীদের দখলেই রয়েছে। হাসিনার ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ধর্মপালনকারী মুসলমানদের ওপর নির্যাতন করার পেছনে ইসলামবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবীদের প্ররোচনাও কাজ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লব এ দেশে বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক রেনেসাঁর এক সোনালি সম্ভাবনা তৈরি করেছে। যারা মাজার ভেঙে অথবা মেয়েদের ফুটবল খেলা বন্ধ করে ইসলাম কায়েম করতে চান, তারা প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় হেজেমনির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক লড়াইটাকেই দুর্বল করে ফেলছেন। তারা হঠকারিতার আশ্রয় নিয়ে ইসলামবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবীদের অপপ্রচারের সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং পরিণামে ইসলাম, মুসলমান ও দেশের অপকার করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাজকে এ ব্যাপারে সচেতন করার জন্য প্রকৃত আলেম সমাজেরও বিশেষভাবে উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। প্রকৃতিগতভাবে বাংলাদেশের জনগণ ধর্মীয় বিষয়ে সহনশীল ও অসাম্প্রদায়িক। বাংলার হাজার বছরের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, দূরদেশ থেকে আগত সুফিরা তৌহিদ ও সাম্যের বাণীর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত করে এই অঞ্চলের নিপীড়িত জনগোষ্ঠীকে ইসলামের পতাকাতলে নিয়ে এসেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দিল্লির মুসলিম শাসকরা যে আল্লাহর বাণী প্রচার করতে পারেননি, সেটাই করেছেন আরব, মধ্য এশিয়া ও পারস্য থেকে আগত জানা-অজানা সুফিরা। তারা ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ হয়েও বাংলাদেশকেই স্বদেশে পরিণত করে এখানেই ঘুমিয়ে আছেন। তাদের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। ওয়াজ মাহফিলের জনপ্রিয় বক্তারা এ বিষয়ে ধর্মভীরু মুসলমান জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে তুললে বাংলাদেশে যে কোনোরকম উগ্রপন্থা মোকাবিলা করা সহজতর হবে। আমাদের সম্মিলিত লড়াই ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ ও হেজেমনির বিরুদ্ধে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Mahmudur-Rahman-3_kfCmJep.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>লীগ নিষিদ্ধের দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এনআরসি সাক্ষাৎ বুধবার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/273876/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Feb 2025 11:00:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=273876</guid>

					<description><![CDATA[ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দোসর দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিনামা তুলে ধরতে বুধবার বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ে যাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণ-অবস্থানকারী ছাত্র জনতার প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে বের হওয়া পদযাত্রা শাহবাগ মোড়ে আটকে দিয়ে পুলিশ জানায়, দাবি দাওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরতে   বেলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দোসর দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিনামা তুলে ধরতে বুধবার বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ে যাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণ-অবস্থানকারী ছাত্র জনতার প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে বের হওয়া পদযাত্রা শাহবাগ মোড়ে আটকে দিয়ে পুলিশ জানায়, দাবি দাওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরতে   বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সময় দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ সময়সূচি জানান। এরপর আন্দোলনকারীরা পদযাত্রা শেষ করে রাজু ভাস্কর্যের গণঅবস্থানে ফিরে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজু ভাস্কর্যে জুলাই গণহত্যা, পিলখানা ও শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ চালানোর দায়ে ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগ ও মিত্রদের নিষিদ্ধের দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কর্মসূচি থেকে এ পর্যন্ত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ, উপদেষ্টা এবং নবম থেকে দ্বাদশ সংসদের সদস্যদের ফ্যাসিস্ট ঘোষণা করে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিদিন সর্বস্তরের নাগরিকদের গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কর্মসূচির ১৩ম দিনে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজু ভাস্কর্য থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা বের করেন গণঅবস্থানকারীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে নেতৃত্ব দেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান, সাংগঠনিক প্রধান মো. শফিউর রহমান, সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ, সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসান, আব্দুস সালাম, ডা. মাসুম বিল্লাহ, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব ইশতিয়াক আহমেদ ইফাত, সহকারী সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম, হামিম হোসাইন শুভ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম নূর শাফায়াতুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম সাকিব প্রমুখ।</p>
<p style="text-align: justify;">পদযাত্রাটি শাহবাগ মোড়ে পুলিশ আটকে দিলে সেখানে সমাবেশে মিলিত হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান মো. আনিছুর রহমান বলেন, সিরিয়াতে পরিবর্তনের পর বাথ পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জার্মানিতেও পতনের পর নাৎসিবাদ ও ইতালিতেও ফ্যাসিবাদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ নামক জঙ্গী সন্ত্রাসী সংগঠনকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাযজ্ঞ দিবস। এ দিনকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ‘গ’ শ্রেণির শহিদ সেনা দিবস করা হয়েছে। আমরা বলছি, ২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় শোক দিবস করতে হবে। কারণ ২০০৯ সালের এ দিন ৫৭জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তার ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা সরকার, তাদের দোসর ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র’এর এজেন্টরা। আমরা জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সরকারের কাছে দাবি জানাই আপনারা অবিলম্বে সেনাকর্মকর্তাদের হত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সাংগঠনিক প্রধান শফিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ সবসময়ই ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ফ্যসিবাদ প্রতিষ্ঠায় তৎপর ছিল। তারা গণতন্ত্রের নাম করে বারবার ফ্যাসিবাদের দিকেই অগ্রসর হয়। এই ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবে, আবার একটা গণহত্যা চালাবে এটা আমরা কখনোই হতে দিব না।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jugantor.com/assets/news_photos/2025/02/25/biplobi-py-67bde64269c5f.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘র’-এর এজেন্ট হিসাবে অভিযুক্ত কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/3770/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/3770/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Feb 2025 04:45:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=3770</guid>

					<description><![CDATA[২০১৮ সালে মধ্যরাতের নির্বাচনের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত আলেমকে গ্রেপ্তার ও গুম করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকার। গ্রেপ্তার ও গুমের পর ডিবি অফিসে গোয়েন্দাদের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা। তার সঙ্গে হিন্দিভাষী লোকজনও জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতেন। তারা জিজ্ঞাসা করতেন আলেমরা কেন ভারত ও আওয়ামী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২০১৮ সালে মধ্যরাতের নির্বাচনের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত আলেমকে গ্রেপ্তার ও গুম করেছিলেন শেখ হাসিনার সরকার। গ্রেপ্তার ও গুমের পর ডিবি অফিসে গোয়েন্দাদের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা।</p>
<p style="text-align: justify;">তার সঙ্গে হিন্দিভাষী লোকজনও জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতেন। তারা জিজ্ঞাসা করতেন আলেমরা কেন ভারত ও আওয়ামী লীগবিদ্বেষী। হেফাজতে ইসলামকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবেও তারা তখন উল্লেখ করেন। এমন গুরুতর অভিযোগ করেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী এবং প্রবাসী হাফেজ আতিকুল্লাহ জুলফিকার।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার দেশকে এই দুজন ভুক্তভোগী জানান, সন্তোষ শর্মার পাশে গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও অসহায় বোধ করতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মুফতি হারুন ইজহারকে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে শেরেবাংলা নগর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে ডিবিতে নেওয়া হয়। আল আনসার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও দুবাই প্রবাসী আতিকুল্লাহ জুলফিকারকে ২০১৯ সালে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি) চার মাস গুম করে রাখে।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্তোষ শর্মার বিরুদ্ধে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসসি উইং বা ‘র’-এর এজেন্ট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলে মুফতি হারুন ইজহার চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, ‘দৈনিক কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ডিবি কার্যালয়ে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেন এবং তার সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও থাকতেন।’ তবে সন্তোষ শর্মা এ অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মুফতি হারুন ইজহার অভিযোগ করেন, ‘২০২১ সালের অক্টোবর মাসে শেরেবাংলা নগর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে সন্তোষ শর্মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেন। তার সঙ্গে এক ব্যক্তি ছিলেন, যিনি নিজেকে শ্রীলঙ্কান বলে পরিচয় দিলেও প্রকৃতপক্ষে ভারতীয় ছিলেন। ওই ব্যক্তির নাম ছিল ড. নিতিশ।’</p>
<p style="text-align: justify;">হারুন ইজহার বলেন, ‘সন্তোষ শর্মা আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন- আমরা কেন ভারতবিদ্বেষী, কেন আওয়ামী লীগবিদ্বেষী? তিনি (সন্তোষ শর্মা) মন্তব্য করেছিলেন- হেফাজতে ইসলাম তো জঙ্গি সংগঠন এবং তারা সবাই আফগান সাপোর্টার ।’</p>
<p style="text-align: justify;">হেফাজতের এই নেতা আরো অভিযোগ করেন, “ডিবিতে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সামনেই সন্তোষ শর্মা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ‘ঠিকমতো কথা না বললে মাসুল দিতে হবে’।”</p>
<p style="text-align: justify;">ডিবির অভিজ্ঞতা বর্ণনাকালে মুফতি হারুন ইজহার আরো বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদকালে প্রথমে আমার চোখ বাঁধা ছিল। পরে চোখ খুলে দেয়। প্রথমে আমি তাকে (সন্তোষ শর্মা) চিনতে পারিনি। কিন্তু কারাগার থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও দেখে তাকে চিনতে পারি। ডিবি কার্যালয়ে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সন্তোষ শর্মা এবং ড. নিতিশ।’</p>
<p style="text-align: justify;">হারুন ইজহার বলেন, ‘ডিবির ডিসি আব্দুল মান্নান, এডিসি ইমরান ও এডিসি তৌহিদও জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত ছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘ড. নিতিশ আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যাওয়ার সময় ডিসি মান্নানের কাছে একটি খাম দিয়ে যান, যেখানে একটি কাগজ ছিল। পরে ডিসি মান্নান ওই কাগজ হাতে নিয়ে আমাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করতে আসেন এবং বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।’</p>
<p style="text-align: justify;">নিতিশের সঠিক পরিচয় সম্পর্কে আমার দেশ নিশ্চিত হতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশে ফিরেই গুম ও রিমান্ড</p>
<p style="text-align: justify;">মুফতি হারুন ইজহারের মতো একই ধরনের অভিযোগ করেছেন দুবাই প্রবাসী আতিকুল্লাহ জুলফিকার। প্রবাসে থাকা আল আনসার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আমার দেশকে জানান, ২০১৯ সালে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি) তাকে চার মাস গুম করে রাখে। এরপর তাকে তিনটি মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে পাঁচ বছর কারাগারে রাখা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘২০১৯ সালের ১৩ জুন ঢাকার বাসাবো এলাকায় আমার ব্যবসায়ী অংশীদারের বাসায় যাওয়ার সময় সাদা পোশাকের অজ্ঞাত ব্যক্তিরা চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় ১৬ বছর বয়সি ভাগনে মো. হুজাইফা তাহমিদকেও তুলে নেয়। পরে ঢাকার সিটিটিসিতে আটকে রেখে চার মাস তিন দিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।’</p>
<p style="text-align: justify;">গুম হওয়ার পর ফেনীর দাগনভূঞা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন হাফেজ আতিকুল্লাহ জুলফিকারের আরেক ভাগনে হাফেজ মো. মনছুর আলম। এ ছাড়া নিখোঁজ ব্যক্তিদের ‍উদ্ধারে সহায়তা চেয়ে ২০১৯ সালের ১৬ জুন র‌্যাব-১০-এ একটি আবেদনও করেছিলেন তিনি। পরদিন একই আবেদন করেছিলেন র‌্যাব-৩-এ। এ ছাড়া খিলগাঁও থানায়ও সাধারণ ডায়ারি করেছিলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর দীর্ঘ পাঁচ বছর পর তিনি কারামুক্ত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘গুমকালে আমাকে ব্যাপক মারধর করতেন এডিসি তৌহিদ।’</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় ডিবি অফিসের ভেতর পুলিশের কেউ নন, এমন ব্যক্তিদের আনাগোনা সম্পর্কেও গুরুতর অভিযোগ করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘চার মাস গুম রাখার পর তাকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় পুলিশের পাশাপাশি দুজন হিন্দিভাষী ব্যক্তি আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারা ভারতে তাদের হয়ে চরমপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়ানোর প্রস্তাব দেন। তাদের একজন ছিলেন সিভিল পোশাকধারী।’</p>
<p style="text-align: justify;">এক প্রশ্নের জবাবে আতিকুল্লাহ আরো বলেন, ‘আমার চোখ খোলা রেখেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এ সময় ডিবির সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি আমাকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় একাধিক প্রশ্ন করেন। তখন দুই ব্যক্তি হিন্দিতে আমাকে প্রশ্ন করছিলেন এবং তাদের সহায়তা করছিলেন বাংলাভাষী ওই ব্যক্তি।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরো বলেন, ‘তারা আমাকে ভারতে চরমপন্থায় জড়িত হওয়ার প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া আল মারকাজুলের শীর্ষ এক ব্যক্তি সম্পর্কেও প্রশ্ন করে মিথ্যা জবানবন্দি আদায়ের চেষ্টা করেন ।’</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আমি একটি ছবি দেখে ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারি। ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের সঙ্গে থাকা সিভিল পোশাকধারী ওই ব্যক্তি বর্তমানে দৈনিক কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।’</p>
<p style="text-align: justify;">আতিকুল্লাহ বলেন, ‘আমাকে নির্যাতনের মাধ্যমে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয় এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়।’ তবে হিন্দিভাষী ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি ভুক্তভোগী এই প্রবাসী।</p>
<p style="text-align: justify;">আমার দেশ-এর পক্ষ থেকেও ওই দুই ব্যক্তি বা ভারতের হয়ে কাজ করার যে অভিযোগ আতিকুল্লাহ তুলেছেন, তা নিরপেক্ষ সূত্রে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">কে এই সন্তোষ শর্মা</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের ওপর প্রভাব বিস্তার করে নির্যাতন চালানোর জন্য সন্তোষ শর্মা পুলিশ কর্মকর্তাদের টাকা দিতেন বলেও অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।</p>
<p style="text-align: justify;">সন্তোষ শর্মা বর্তমানে দৈনিক কালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক। তিনি এর আগে শক্তি নামক একটি পত্রিকায় কাজ করেছেন। এ ছাড়া সাপ্তাহিক সুগন্ধার মালিক এবং দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন তিনি। সন্তোষ শর্মার শ্বশুর বীরেন শিকদার মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৫ আগস্ট তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে চিঠি পাঠায়। একই চিঠি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটেও পাঠানো হয়, যেখানে সন্তোষ শর্মার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইতোমধ্যে তার প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষের ‘অসন্তোষ’</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগের বিষয়ে গত মঙ্গলবার রাতে কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মার অফিসে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তার কক্ষে তখন পত্রিকার শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক বসেছিলেন। এ ছাড়া একটি রাজনৈতিক দলের ঢাকার একজন নেতাকেও এই প্রতিবেদকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">দীর্ঘ আলাপের পর অভিযোগের বিষয়টি সন্তোষ শর্মা হেসে উড়িয়ে দেন। মুফতি হারুন ইজহারের অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষ শর্মা আমার দেশকে বলেন, ‘হারুন ইজহারের সঙ্গে কোনোদিনই আমার কথা হয়নি। তার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘আপনি কখনো ডিবি অফিসে যাননি’- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পেশাগত কাজে তো আমি ডিবি কার্যালয়ে গিয়েছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রবাসী হাফেজ আতিকুল্লাহ জুলফিকারের প্রসঙ্গে সন্তোষ শর্মা বলেন, ‘আপনার মুখে এই নাম প্রথম শুনলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">সন্তোষ শর্মার দাবির বিষয়ে গত বুধবার আবারো মুফতি হারুন ইজহারকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘সে মিথ্যাবাদী। ডিসি আব্দুল মান্নান, এডিসি ইমরান ও এডিসি তৌহিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এই বিতর্কের বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/3770/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.ekushey-tv.com/media/imgAll/2020June/26-2411301704.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফ্যাসিবাদী দোসরদের তালিকা প্রকাশ করল এনআরসি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/548824/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Feb 2025 04:19:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=548824</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই গণহত্যা সংঘটিত করে গণপ্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দল আওয়ামী লীগ ও দোসর রাজনৈতিক দলগুলোর মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও এমপিদের ফ্যাসিবাদী ঘোষণা করে তালিকা প্রকাশ করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। শনিবার সন্ধ্যায় ফ্যাসিবাদ নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থানকারী &#8216;ছাত্রজনতার গণঅবস্থানের দশম দিন উপলক্ষে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকা ঘোষণা করেন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই গণহত্যা সংঘটিত করে গণপ্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দল আওয়ামী লীগ ও দোসর রাজনৈতিক দলগুলোর মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও এমপিদের ফ্যাসিবাদী ঘোষণা করে তালিকা প্রকাশ করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার সন্ধ্যায় ফ্যাসিবাদ নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থানকারী &#8216;ছাত্রজনতার গণঅবস্থানের দশম দিন উপলক্ষে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তালিকা ঘোষণা করেন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ বিলোপে আমরা এ গণঅবস্থান থেকে পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছি। এর তৃতীয় দফার আলোকে আমরা আজ ফ্যাসিবাদী মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও এমপিদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তালিকাভুক্তদের গ্রেপ্তার করে ৭ থেকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করতে হবে। এমনকি তাদের নির্বাচন করার অধিকারও বাতিল করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আওয়ামী রেজিমের সকল মন্ত্রীসভার সদস্য ও উপদেষ্টাদের ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী ঘোষণা করছি। তাদের সকলকে গ্রেপ্তার ও ফ্যাসিস্ট হিসেবে ১৪ থেকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার দাবি জানাই। যারা উগ্র ফ্যাসিস্ট মন্ত্রী ছিল তাদের ১৪ বছরের কারাদণ্ড হবে। যারা বিতর্কিত নয় এবং তুলনামুলকভাবে কম খারাপ তারা স্রেফ হাসিনার মন্ত্রীসভার সদস্য হওয়ায় কারণে সাত বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন। এরা কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। জনপরিসরে, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বক্তৃতা করতে পারবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">ফজলুর রহমান আরও বলেন, তালিকায় যেসকল মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও উপদেষ্টার নাম রয়েছে আমরা তাদের সকলকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানাই।</p>
<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদীদের তালিকা প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সাংগঠনিক প্রধান মো:শফিউর রহমান, সদস্য সচিব হাসান মোহাম্মদ আরিফ, যুগ্ম-আহ্বায়ক ডা. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসান ও আব্দুস সালাম, সদস্য মাহমুদুল হাসান ফয়সাল এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমান, সহকারী সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো: আরিফুল ইসলাম ও সদস্য সচিব মো. ফরহাদ আহমদ আলী প্রমুখ।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই নেতা মো. ওমর ফারুক ও আবু সাঈদের অনশনের মধ্য দিয়ে রাজু ভাস্কর্যের চলমান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনশনে যোগ দেন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তরার শহীদ রানা তালুকদারের পরিবার এ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান। তার অনুরোধে অনশন ভেঙে লাগাতার গণঅবস্থান শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">দাবিগুলো হলো:</p>
<p style="text-align: justify;">১.⁠ ⁠গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, তাদের মিত্র ১৪ দল ও মহাজোট এবং এসব দলের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">২.⁠ ⁠সকল ফ্যাসিবাদী দল ও সংগঠনের কার্যালয় ও সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয়ভাবে অধিগ্রহণ করে তা ফ্যাসিবাদী আমলে নির্যাতিত অসহায় মজলুমদের পুনর্বাসনে ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৩.⁠ ⁠২০০৯-২০২৫ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারগুলোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সকল মন্ত্রীপরিষদ সদস্য, সকল এমপি, সকল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যকে ডেজিগনেটেড ফ্যাসিস্ট ঘোষণা করে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৪.⁠ ⁠ফ্যাসিবাদ ধারণ করে গড়ে ওঠা নব্য ফ্যাসিবাদী বা একই চরিত্রের যেকোনো দল ও সংগঠনকেও নিষিদ্ধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">৫.⁠ ⁠ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দলকে নিষিদ্ধ করার বিধান সংবিধানে সংযুক্ত করতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/bplb_chtrskt.1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতিকে শহিদ মিনারে না যাওয়ার আহ্বান এনআরসির</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/178949/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/178949/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Feb 2025 13:00:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রাষ্ট্রপতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=178949</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চলাকালে নীরবতা পালন করায় রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে না যেতে আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থান থেকে এ ঘোষণা দেন জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত প্রথম ছাত্র সংঠনটির আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ। তিনি বলেন, জুলাই ও আগস্টে আমরা দুই হাজারেরও বেশি ভাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চলাকালে নীরবতা পালন করায় রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে না যেতে আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থান থেকে এ ঘোষণা দেন জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত প্রথম ছাত্র সংঠনটির আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জুলাই ও আগস্টে আমরা দুই হাজারেরও বেশি ভাই ও বোনকে হারিয়েছি। কিন্তু পুরো ঘটনার সময় রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন চুপ করে ছিলেন। এছাড়া এটিও কারো অজানা নয় যে তিনি হাসিনার অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ এমপিদের ভোটে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। একে একে হাসিনা পালিয়েছে, সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে, হাসিনার এমপিরাও পালিয়ে গেছে; অথচ রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো: সাহাবুদ্দিন বহাল আছেন। ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানানো হলেও তিনি সরে যাননি। কিন্তু তাকে জনগণও মেনে নেয়নি। তিনি স্রেফ কায়েমি স্বার্থবাদীদের মদদে টিকে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আবদুল ওয়াহেদ বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই, সাহাবুদ্দিনকে জনগণ জনপরিসরে দেখতে চায় না। তার উচিত বঙ্গভবনের চার দেওয়ালের ভেতরে থেকেই জুলাইয়ে নিজের ভূমিকা পর্যালোচনা করা। ফ্যাসিবাদীদের সবার পতনের পর নিজের টিকে থাকার অনর্থকতা অনুধাবন করা। আশা করছি, তিনি বিদায়ের তাগিদ বুঝতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের এই আহ্বায়ক আরো বলেন, আমাদের দাবি হলো, ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন জুলাই বিপ্লবের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পা রাখবেন না। তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আসবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগ ও দলটির মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থান কর্মসূচি চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই নেতা মো: ওমর ফারুক ও আবু সাঈদের অনশনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে এতে সম্পৃক্ত হয় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতা-কর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">১৬ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ীর শহিদ রানা তালুকদারের পরিবার এ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান। তার অনুরোধে অনশন ভেঙে লাগাতার গণঅবস্থান চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গণবক্তৃতা, আবৃত্তি, জুলাই গণহত্যার তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, কবিতা আবৃত্তি ও র‍্যাপ সঙ্গীত পরিবেশনসহ নানা আয়োজনে চলছে এ কর্মসূচি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/178949/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://ajkerkagojbd.com/wp-content/uploads/2024/10/image-369930-600x337.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পাহাড়েও অস্থিরতা তৈরিতে ভারতের ষড়যন্ত্র</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/22673/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/22673/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 07:04:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=22673</guid>

					<description><![CDATA[দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। আর এ কাজে প্রত্যক্ষভাবে মদত দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। খাগড়াছড়ি আর রাঙামাটির সীমান্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্তত ১০টি পয়েন্ট পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি পয়েন্টে ভাবনাকেন্দ্র কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছে তারা। এসব ভাবনাকেন্দ্রের আড়ালে চলছে সন্ত্রাসী তৎপরতা। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। আর এ কাজে প্রত্যক্ষভাবে মদত দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। খাগড়াছড়ি আর রাঙামাটির সীমান্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্তত ১০টি পয়েন্ট পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি পয়েন্টে ভাবনাকেন্দ্র কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব ভাবনাকেন্দ্রের আড়ালে চলছে সন্ত্রাসী তৎপরতা। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে এসব এলাকায় অভিযান চালালেই করা হয় অপপ্রচার। শতাধিক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন নামে-বেনামে কমপক্ষে ১০টি ওয়েবপোর্টাল ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার বেশির ভাগই চলছে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।</p>
<p style="text-align: justify;">সচেতনমহল বলছে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অপতৎপরতা চলছে দেশ স্বাধীনের পর থেকেই। পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে অস্ত্র জোগানোর পাশাপাশি সরাসরি আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। শুরু থেকেই এসব সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে মোকাবিলা করে আসছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অব্যাহত অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা। কিন্তু তাদের পুনর্গঠিত করার মিশন নেয় ভারত।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে কথিত শান্তিচুক্তির নামে পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর আধিপত্য কমিয়ে আনার ষড়যন্ত্র সফলভাবে বাস্তবায়ন করে দেশটি। কথিত ওই শান্তিচুক্তির কারণে দুর্গম এলাকাগুলো থেকে ২৪৬টি সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়। পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালিদের বঞ্চিত করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রাধান্য দেওয়া শুরু হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনা তৎপরতা কমে আসার সুযোগে ফের সংগঠিত হয় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। আগে একটি সশস্ত্র গ্রুপ থাকলেও এখন ৬টি সশস্ত্র সংগঠনের অপতৎপরতা রয়েছে পাহাড়ে, যাদের মূল কাজ পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে দুর্বল করা। বড় এই কাজের অর্থের জোগান আসে চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে। সবশেষ নানিয়ার চরসহ দুর্গম এলাকাগুলোর ২২টি মোবাইল টাওয়ারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সন্ত্রাসীরা। মোটা অঙ্কের চাঁদা না দিলে মোবাইল কোম্পানিগুলোকে নেটওয়ার্ক চালাতে দেবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পার্বত্য এলাকায় জেএসএস, জেএসএস সংস্কার, ইউপিডিএফ, ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক, কুকি চীন ও এমএনপি নামের ছয় সংগঠনের অস্তিত্ব থাকলেও সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ছড়ায় জেএসএস আর ইউপিডিএফ। পার্বত্য এলাকায় উৎপাদিত একটি আনারস বিক্রি করতে হলেও সংগঠন দুটিকে দিতে হয় চাঁদা। এসব সংগঠনের টোকেন ছাড়া কোনো বাজারে ব্যবসা করতে পারেন না ব্যবসায়ীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সীমান্ত এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়তে শুরু করেছে। রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর, লংগদু, বরকল, মাইনিমুখবাজার, খাগড়াছড়ির দিঘীনালা, পানছড়ি, লোগাং, সাজেকের মাচালং, বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, আলীকদম সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র তৎপরতা থাকলেও সবচেয়ে বেশি সক্রিয় রয়েছে রাঙামাটি, লংগুদু, বরকল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বন্দুকভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে। এলাকাটি বর্তমানে জেএসএস ও ইউপিডিএফের কথিত সামরিক শাখার সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শান্তিচুক্তির আগে সেখানে একটি সেনাক্যাম্প ছিল। চুক্তির ধারা মানতে গিয়ে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিলে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। দুর্গম এলাকাটিতে একটি গ্রাম প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সেখানে তৈরি করা হয় একাধিক ধর্মীয় উপাসনালয় বা ভাবনাকেন্দ্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাম্প্রতি বন্দুকভাঙ্গার যমচুগ এলাকায় অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে এক সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের চালান উদ্ধার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু অভিযানের পর থেকেই ভাবনাকেন্দ্রে সেনা অভিযান বলে ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ধরনের ছবি এডিট করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সাইবার দুনিয়ায়। এসব দেখিয়ে দেশ-বিদেশে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার কিছু এনজিও ব্যক্তিত্ব ও কথিত সুশীলকেও কাজে লাগানো হচ্ছে এসব অপপ্রচারকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিতে। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কাছেও স্মারকলিপির নামে নালিশ করেছে তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">তদন্তে দেখা গেছে, কমপক্ষে ১০টি ওয়েবপোর্টাল, ৩টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ ও শতাধিক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। যার সবকয়টিই পরিচালিত হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম এলাকা থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সীমান্ত এলাকার প্রতিটি পয়েন্টে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের গ্রাম স্থাপন করার পাশাপাশি একাধিক ভাবনাকেন্দ্রও প্রতিষ্ঠিত করেছে তারা। তবে এসব উপাসনালয়ে সাধারণ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষের প্রবেশাধিকার নেই। মূলত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেই ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে আনতে এই ভাবনাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযান সমাপ্ত করে চলতি মাসের শুরুতে যমচুগ এলাকা ত্যাগ করে সেনাবাহিনী। সঙ্গে সঙ্গে কথিত ভাবনাকেন্দ্রের দখল নিতে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা এখনো চলমান। যমচুগের এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির সীমান্ত এলাকাগুলোতে। স্থানীয় জনসাধারণ জীবন বাঁচাতে বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন পাশের এলাকায়। তাদের দাবি, ভারতে অবস্থান করা জেএসএস ও ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা মাঝেমধ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে এসে সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #ed0505;"><strong>অপতৎপরতা আ.লীগের পতনের পর থেকেই</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৯ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঙালিদের ওপর হামলা করেন ইউপিডিএফের সদস্যরা। এ ঘটনাকে পুঁজি করে পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি শহরে মিছিল থেকে বিনা উসকানিতে হামলা শুরু করে দুর্গম এলাকা থেকে আসা কয়েক শ অপরিচিত নারী-পুরুষ। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে শহরে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায় সেদিনই।</p>
<p style="text-align: justify;">পরবর্তী সময়ে কৌশল বদলে এবার সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীকে বিতর্কিত করার মিশন নিয়ে মাঠে নামে ভারত। আর এ পর্যায়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিয়েছে অপপ্রচার, সাইবার প্রপাগান্ডা আর হেইট ক্যাম্পেইনকে। দুষ্কৃতকারী দমনে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিচালিত যে কোনো অভিযানকে ওই স্থানের ধর্মীয় উপাসনালয়, কিয়াংঘর কিংবা ভাবনাকেন্দ্র অবমাননার অভিযোগ তুলে স্থানীয় ধর্মভীরু জনসাধারণের মনে বিদ্বেষ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ed0505;">ভারত থেকে ইউপিডিএফের অস্ত্রের চালান জব্দ</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৫ জানুয়ারি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামে বাংলাদেশে পাচারের জন্য প্রস্তুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে মিজোরাম পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের সরাসরি সম্পৃক্ততা পায় বলে জানায় দেশটির রাজ্য পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ছয়টি একে-৪৭ রাইফেল, ১০ হাজার ৫০ রাউন্ড গোলাবারুদ ও ১৩টি ম্যাগজিন। অভিযানে পাঁচজন সন্দেহভাজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত ভারতের সেভেন সিস্টারখ্যাত রাজ্যগুলোতে স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলোর অস্ত্র ভেবে চালানটি জব্দ করা হয়। কিন্তু জব্দ করার পর জানা যায়, বড় এ অস্ত্রের চালানটির গন্তব্য ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong><span style="color: #ed0505;">নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বক্তব্য</span></strong></p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদ উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ধর্মীয় স্পর্শকাতর ইস্যুকে সামনে আনা ভারতের পুরোনো পরিকল্পনার অংশ। বাংলাদেশে ভারত সমর্থিত আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তারাই মূলত ধর্মীয় কার্ড খেলা শুরু করে। প্রথমে সমতলে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা করে। সেখানে সুবিধা করতে না পেরে এখন তারা পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ওপর ভর করেছে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পাহাড়ের সহজ-সরল মানুষদের বিভ্রান্ত করতে এ ইস্যুকে সামনে আনা হচ্ছে। শুরুতেই এ বিষয়টিতে গুরুত্ব না দিলে সরকারকে পস্তাতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ উল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন, শান্তিচুক্তি অনুযায়ী নতুন করে সেনাক্যাম্প বাড়ানোর ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও বর্তমান ক্যাম্পগুলোতে সেনাসদস্য বাড়ানো উচিত সরকারের। একই সঙ্গে ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পাশাপাশি অন্য বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো উচিত পার্বত্য এলাকায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/22673/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/ctg-2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জুলাই বিপ্লবে গণহত্যার মূল হোতারা চিহ্নিত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/307750/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 03:28:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতিসংঘ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=307750</guid>

					<description><![CDATA[জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জুলাই গণহত্যায় জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রিপোর্টটি আজ বাংলাদেশ সময় বেলা আড়াইটায় জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘ কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হবে। একাধিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রিপোর্টে গণহত্যায় জড়িত মূল হোতাদের বিস্তারিত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ছাত্রদের বিরুদ্ধে অপারেশন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সরাসরি ভূমিকা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জুলাই গণহত্যায় জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রিপোর্টটি আজ বাংলাদেশ সময় বেলা আড়াইটায় জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘ কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">একাধিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রিপোর্টে গণহত্যায় জড়িত মূল হোতাদের বিস্তারিত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ছাত্রদের বিরুদ্ধে অপারেশন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা নিজেই বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও লাশ গুম করার নির্দেশ দেন। রিপোর্টে জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও একাধিক মন্ত্রী এবং পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার কথাও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনবিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে আগেই সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।</p>
<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘ কার্যালয়ের একাধিক সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, জুলাই হত্যাকাণ্ডে ১ হাজার ৪০০-র মতো মানুষ নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা হাজার হাজার। এসব হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তখন কার কী ভূমিকা ছিল তা সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পদস্থ দায়িত্বশীল ব্যক্তি, সরকারদলীয় অস্ত্রধারীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হত্যাকাণ্ড বা মানবাধিকর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বা সরাসরি যুক্ত ছিল। রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশেই জুলাই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের দৃষ্টিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এসব ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আমার দেশকে জানিয়েছে, জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনে বহুল আলোচিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এসেছে। প্রতিবেদনে আবু সাঈদকে পুলিশের গুলি, গুলিতে শরীর থেকে রক্ত ঝরা এবং তার মৃত্যুর দৃশ্যের ছবিগুলো সন্নিবেশ করা হয়েছে। আবু সাঈদকে পুলিশ গুলি করার সময় তার কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না, সেটিও উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণসহ রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। ‘গুলি করার পরও মানুষ সরে যায় না’ এই বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের আলাপচারিতার ভিডিও ফুটেজও যুক্ত করা হয়েছে প্রতিবেদনে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে রাস্তায় দায়িত্ব পালন করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরার পাশাপাশি ছাদ থেকে শিক্ষার্থীদের ফেলে দেওয়ার ঘটনা পর্যন্ত তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা আমার দেশ-এর সঙ্গে আলাপে বলেন, জাতিসংঘ রিপোর্টে জুলাই অভ্যুত্থানের বিবরণ তুলে ধরে বলা হয়েছে, ওই বিক্ষোভ-সমাবেশে নারী-শিশুসহ হাজার হাজার বাংলাদেশি অংশ নেয়। বিক্ষোভ দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি তৎকালীন সরকারের অস্ত্রধারী নেতাকর্মীদের জমায়েত করার বিষয়টি উঠে এসেছে। ওই কর্মকর্তা আরো জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ডিজিএফআই, এনএসআই, এমটিএমসি, এসবি, ডিবি, সিটিটিসির ভূমিকা কী ছিল সে বিষয়টিও বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হয়। এরপর ৮ আগস্ট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দায়িত্ব গ্রহণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ককে চিঠি দিয়ে এই তদন্ত কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তী সরকারের ওই চিঠিতে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান রুরি ম্যানগোভেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অগ্রবর্তী দল গত বছরের ২২ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা সফর করেন। এরপর তদন্ত করার জন্য জাতিসংঘের মূল দল তথা তথ্যানুসন্ধান দল এক মাসের বেশি সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গত জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধ, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ ১৫ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্ত করে। তদন্তের স্বার্থে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত মাসের শেষদিকে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের একটি খসড়া প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠিয়ে সে বিষয়ে সরকারের মতামত চাওয়া হয়। সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় মতামত পাওয়ার পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে জাতিসংঘ মিশন।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘের এই তদন্ত প্রতিবেদন তৈরির ব্যাপারে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে জুলাই গণহত্যাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেসব তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে তা জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। সরকারের কাছ থেকে দেওয়া তথ্য-প্রমাণ, কমিশনের নিজস্ব উদ্যোগে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহসহ ভুক্তভোগী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং বিগত সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে</p>
<p style="text-align: justify;">আলোচনার মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশে লুকিয়ে থাকা এবং পালিয়ে দেশের বাইরে অবস্থান নেওয়া আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এবং ই-মেইলে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মতামত নেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই তদন্ত প্রতিবেদনের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকায় কর্মরত জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমার দেশকে বলেন, নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা এই প্রতিবেদন তৈরি করেছি। প্রতিবেদনটি শতভাগ বস্তুনিষ্ঠ করতে আমরা প্রতিটি ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করেছি। বিভিন্ন অংশীজনের মতামতসহ আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিচারকাজ শুরু হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় এই প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ এভিডেন্স হিসেবে বিবেচিত হবে বলে আমরা মনে করি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/hasina-1_2Ndy6V8.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাজ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের অবৈধ তহবিল জব্দ করবে বাংলাদেশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/40174/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/40174/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Feb 2025 06:00:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=40174</guid>

					<description><![CDATA[মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্জিত যুক্তরাজ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের অবৈধ তহবিল জব্দ করবে বাংলাদেশ। ঢাকাস্থ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরাত দিয়ে রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। প্রতিবেদনে বলা হয়, টিউলিপের খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী আমলে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন। দুদকের মহাপরিচালক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্জিত যুক্তরাজ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের অবৈধ তহবিল জব্দ করবে বাংলাদেশ। ঢাকাস্থ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরাত দিয়ে রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, টিউলিপের খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী আমলে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দুদকের মহাপরিচালক আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের বিষয়ে তদন্তের জন্য তারা ‘অনেক দেশের’ সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রায় এক মাস আগে যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন টিউলিপ সিদ্দিক। তবে তিনি এখনো সম্পত্তিসংক্রান্ত বিষয়সহ বাংলাদেশে তার খালা শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের সঙ্গে যোগসূত্র নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর নৈতিকতা বিষয়ক উপদেষ্টা স্যার লাউরি ম্যাগনাসের তদন্তে জানা যায়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ব্যক্তির কাছ থেকে উপহার পাওয়া একটি ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপ অসাবধানতাবশত জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। তদন্তের জেরে টিউলিপ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিটি মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই ছিল তার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির লন্ডনের সম্পত্তি ব্যবহার করা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রশ্নের পর টিউলিপ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী থাকা ৭৭ বছর বয়সী শেখ হাসিনা গত আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এখন ভারতে আছেন। শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। বিক্ষোভে ১,৫০০ জন মানুষ নিহত হন ও ৫০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দুদক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি তদন্ত শুরু করেছে, যার মধ্যে কয়েকটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের নামও রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি হচ্ছে শেখ হাসিনা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চুক্তি থেকে ৪ বিলিয়ন পাউন্ডের তহবিল আত্মসাতের অভিযোগ।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার রাতে জানা গেছে, অর্থপাচারের তদন্ত ১২টি দেশে বিস্তৃত করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্য টাইমস জানিয়েছে, হাসিনা এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্তের অংশ হিসেবে দুদকের তদন্তকারীরা ১০ থেকে ১২টি দেশের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একজন মুখপাত্র বলেছেন, “আমাদের দলগুলো (বিদেশে) পাচার হওয়া তহবিল উদ্ধারের জন্য কাজ করছে। আমরা যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য দেশ সহায়তার আশ্বাস পেয়েছি।”</p>
<p style="text-align: justify;">জানুয়ারির শেষের দিকে, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির কর্মকর্তারা দুদকের তদন্তকারীদের তাদের তদন্তে সহায়তা করার জন্য বেশ কয়েকদিন ঢাকায় অবস্থান করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুদকের মহাপরিচালক আখতার হোসেন জানান, দুদক এখনো টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্ত করছে এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে একটি প্রতিবেদন পাঠাতে বলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “আমরা এখনো যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশসহ বিদেশি উৎস থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করছি। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, পাচারকৃত অর্থ কেবল যুক্তরাজ্যেই নয়, একাধিক গন্তব্যে স্থানান্তরিত হয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">“আমরা যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে পারস্পরিক আইনি সহায়তার অনুরোধ পাঠানোর চেষ্টা করছি। তাই, বিদেশি এবং অন্যান্য উৎস থেকে সহায়তা পাওয়ার পর, আমাদের দল সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা কীভাবে এগিয়ে যাবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের তদন্তকারীদের সহায়তা করতে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির কর্মকর্তারা গত বছরের অক্টোবরে ঢাকা সফর করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দুদকের মহাপরিচালক ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তারা যুক্তরাজ্যে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেবে অথবা কর্তৃপক্ষের সাহায্য নেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">“এই বিষয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তদন্ত দল আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তহবিল ফেরত পাঠানোর জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">টিউলিপ সিদ্দিকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এই বিষয়ে কেউ টিউলিপ সিদ্দিকের সাথে যোগাযোগ করেনি এবং তিনি দাবিগুলো নাকচ করেছেন।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/40174/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.risingbd.com/media/imgAll/2025February/Tulip-Siddiq-2502100523.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>খালাস পেলেন মাহমুদুর রহমান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/305918/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Feb 2025 05:05:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=305918</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় আপিলে খালাস পেয়েছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তারিক এজাজের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় মাহমুদুর রহমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত থেকে বের হয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় আপিলে খালাস পেয়েছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তারিক এজাজের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় মাহমুদুর রহমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত থেকে বের হয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, “আদালত ন্যায়বিচার করেছেন। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন না হলে আজ আমি হয়ত ন্যায়বিচার পেতাম না। ফ্যাসিস্ট সরকার বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করে রেখেছিল। আমি জেলে থাকা অবস্থায় এই মামলা দিয়েছে, যাতে আমাকে দীর্ঘদিন আটক করে রাখা যায়।”</p>
<p>গত ২৩ জানুয়ারি আপিল বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। আদালত আদেশের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখ ধার্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হকের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন মাহমুদুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পাঁচ দিন কারাভোগের পর জামিন পান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকার তৎকালীন অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাংবাদিক শফিক রেহমান, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, মিজানুর রহমান ভূঁইয়াসহ পাঁচ জনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের আগের যেকোনো সময় থেকে এ পর্যন্ত বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপি ও দলটির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত অন্যান্য দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা রাজধানীর পল্টনে জাসাস কার্যালয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় একত্রিত হয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়কে যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন। ওই ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফজলুর রহমান ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট বাদী হয়ে ঢাকার পল্টন মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি উল্লিখিত পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এ মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১২ জন ঢাকার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.risingbd.com/media/imgAll/2025February/mahmudur-2502100709.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ড. ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/56599/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/56599/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Feb 2025 05:00:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=56599</guid>

					<description><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বড় ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এতে জড়িত রয়েছে ভারতের মিডিয়া। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্রোহের গ্রাফিতি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রেস সচিব বলেন, যে যেখানে আছেন সবাই শান্ত থাকুন। তবে ফ্যাসিস্ট সরকার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বড় ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এতে জড়িত রয়েছে ভারতের মিডিয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্রোহের গ্রাফিতি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রেস সচিব বলেন, যে যেখানে আছেন সবাই শান্ত থাকুন। তবে ফ্যাসিস্ট সরকার যাতে ফিরে আসতে না পারে আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শফিকুল আলম বলেন, স্বৈরাচার সরকার যাতে ফিরে আসতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। পতিত সরকার যাতে মাথা চাড়া দিতে না পারে গ্রাফিতির মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দিতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/56599/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/yunus-2_KaXbzjX.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দিল্লি: বুলডোজার কর্মসূচি থেকে কি বার্তা পেল ভারত ও আওয়ামী লীগ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/185625/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/185625/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Feb 2025 03:30:34 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=185625</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণের পাল্টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে ভাঙচুরের যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল, তা ছড়াল দেশের বিভিন্ন স্থানে। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে এক্সক্যাভেটর ও ক্রেন নিয়ে ভেঙে ফেলা হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। ধানমন্ডি ৫ নম্বরে শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে ঢাকার বাইরে খুলনা, যশোর, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতে শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণের পাল্টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে ভাঙচুরের যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল, তা ছড়াল দেশের বিভিন্ন স্থানে।</p>
<p style="text-align: justify;">ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে এক্সক্যাভেটর ও ক্রেন নিয়ে ভেঙে ফেলা হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। ধানমন্ডি ৫ নম্বরে শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভাঙচুর করা হয়েছে ঢাকার বাইরে খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, সিলেটে শেখ হাসিনার আত্মীয় এবং আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িসহ বিভিন্ন ভাস্কর্য।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে বুধবার রাত ৮টার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জড়ো হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনতার ভিড় বাড়তে থাকে।<br />
<!-- /401241791/risingbd-details-inner-a --></p>
<p style="text-align: justify;"><!-- --></p>
<p style="text-align: justify;">এক পর্যায়ে জনতা গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। লাঠিসোঁটা ও শাবল হাতে ভাঙচুরে যোগ দেন অনেকে। কেউ কেউ বাড়ির দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করেন। <!-- /401241791/risingbd-details-inner-b --></p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে  বুধবার শেখ হাসিনার বক্তৃতা ইস্যুতে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ছাত্র-জনতা। এর জের ধরেই সিলেট, খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের কয়েকটি স্থানে রাতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বাসা ও স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিল বিক্ষুব্ধ জনতা। এরপর থেকে বাড়িটি অনেকটা পরিত্যক্ত ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে ভারতে অবস্থান নেওয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে ফেসবুকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঘোষণা করা হয় ‘মার্চ টু ধানমন্ডি ৩২’ কর্মসূচি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/185625/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dainikshorobor.com/public/images/dhanmondii32-dainikshorobor_20250206011829_original_4.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দেবপ্রিয়র তত্ত্ব ভুল : ট্রানজিটের ফায়দা শুধু ভারতের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/52730/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/52730/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Feb 2025 04:53:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=52730</guid>

					<description><![CDATA[শেখ হাসিনার সময়ে ভারতকে দেওয়া একতরফা ‘ট্রানজিট’ বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। ট্রানজিটের নামে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগব্যবস্থার সুফলের পুরোটাই পেয়েছে ভারত। দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে (সেভেন সিস্টার্স) পণ্য পরিবহনে সুবিধা পেয়েছে ভারত। এর বিপরীতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চাইলেও পায়নি বাংলাদেশ। ট্রানজিটের আয় দিয়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="block-full_richtext">
<p style="text-align: justify;" data-block-key="hvnp3">শেখ হাসিনার সময়ে ভারতকে দেওয়া একতরফা ‘ট্রানজিট’ বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। ট্রানজিটের নামে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগব্যবস্থার সুফলের পুরোটাই পেয়েছে ভারত। দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যে (সেভেন সিস্টার্স) পণ্য পরিবহনে সুবিধা পেয়েছে ভারত। এর বিপরীতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চাইলেও পায়নি বাংলাদেশ। ট্রানজিটের আয় দিয়ে বাংলাদেশ একসময় ‘সিঙ্গাপুর’ বনে যাওয়ার স্বপ্নও পূরণ করতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর দিতে বাংলাদেশের প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও এ খাত থেকে বাংলাদেশ আয় করেছে মাত্র ৩৭ লাখ টাকা। ট্রানজিট থেকে সামান্য আয় নিয়ে যেমন দেশের অর্থনীতিবিদ-বিশ্লেষকদের উদ্বেগ আছে, তেমনি এর মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে আছে বড় ধরনের উদ্বেগ।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০১৬ সালের জুন থেকে ভারতকে বিদ্যমান নৌ-প্রটোকলের আওতায় প্রথমে কলকাতা-আশুগঞ্জ নৌপথ এবং তারপর আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কপথ ব্যবহার করে ত্রিপুরার আগরতলায় পণ্য পরিবহনের সুযোগ দেয় বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ চুক্তি হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে সড়কপথে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে এসবের মধ্যে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের জন্য ভারতের করিডোর ব্যবহারের সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।</p>
<p style="text-align: justify;">এনবিআর জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম ও মোংলাবন্দর বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে স্থায়ী আদেশ জারি করা হয়। ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর আখাউড়া-আগরতলা রেল যোগাযোগ ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন হাসিনা-মোদি। আর ক্ষমতা থেকে পতনের কয়েকদিন আগে গত জুনে ভারত সফরে গিয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতকে রেল ট্রানজিট দেওয়ার সমঝোতা চুক্তি করেন শেখ হাসিনা। এই চুক্তির আওতায় গেদে-দর্শনা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে পণ্যবাহী রেল বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আবার হলদিবাড়ি-চিলাহাটি যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে বাংলাদেশের বুক চিড়ে ট্রানজিটের পক্ষে হাসিনা সরকার যেমন মরিয়া ছিল, তেমনি দেশের সুশীলরাও ছিলেন সোচ্চার। সুশীলদের মধ্যে এক্ষেত্রে সবার থেকে এগিয়ে ছিলেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি ট্রানজিটের আয় দিয়ে দিনবদলের গল্প শুনিয়েছিলেন দেশের মানুষকে। ট্রানজিট বাস্তবায়ন হলেও তার সেই ‘সিঙ্গাপুর’ বনে যাওয়ার বাস্তবতার দেখা এখন পর্যন্ত মেলেনি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>কী বলেছিলেন সুশীল সমাজ ও ড. দেবপ্রিয়, এখন কী বলছেন?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">অতীতে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার বিরোধিতাকারীদের কড়া সমালোচনা করেছিলেন অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান। ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রানজিট বিরোধিতাকে ‘অশিক্ষিতদের বিতর্ক’ বলে মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেই বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সীমানা ধরে পণ্য পরিবহন খুবই স্বাভাবিক বিষয়। অথচ বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে ট্রানজিট দেওয়া নিয়ে বিতর্কের ইস্যু করা হয়েছে।’ রেহমান সোবহান বলেছিলেন, ‘ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিশাল ক্যাপিটাল মার্কেট বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে আসবে। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রানজিটের পক্ষে সে সময় জোরালো যুক্তি দেখিয়েছিলেন ড. দেবপ্রিয়। সিপিডির ব্যানারে তিনি নিয়মিত সভা-সেমিনার করে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার পক্ষে জনমত তৈরির চেষ্টা করেন। যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন ট্রানজিটের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর বনে যেতে পারে। এ ছাড়া টেলিভিশনের বিভিন্ন টকশোতেও ট্রানজিটের পক্ষে সাফাই গান তিনি। ইউরোপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ইউরোপের এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য আনা-নেওয়াতে যেমন বাধা নেই, বাংলাদেশ ভারতের ক্ষেত্রেও সেটি হতে পারে বলে তিনি যুক্তি তুলে ধরেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট নিয়ে তার আগের অবস্থান ঠিক ছিল কি না ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের কাছে বক্তব্য চেয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করেছে আমার দেশ। প্রথমে টেলিফোনে তাকে এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। জবাবে তিনি দেশের বাইরে বলে জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে লিখিত আকারে তার কাছে প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নগুলো ছিলÑ‘একসময় আপনি বলেছিলেন, ট্রানজিট থেকে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব উপার্জন করবে। কিন্তু আমাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকার (বাংলাদেশ) ট্রানজিট ফি হিসেবে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন টাকা পেয়েছে। আপনি কি মনে করেন এটি বাংলাদেশের জন্য ন্যায্য ও উপযুক্ত পরিমাণ? আপনি অতীতে বলেছিলেন যে, সরকার ট্রানজিট ফি থেকে বিলিয়ন ডলার আয় করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাস্তব পরিস্থিতি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তাহলে কি আপনি বাংলাদেশের জনগণকে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন? এখনকার প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আপনি কি মনে করেন যে, আপনার পূর্ববর্তী হিসাব এবং পূর্বানুমান ভুল ছিল? যদি আপনার পূর্ববর্তী হিসাব ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি কি বাংলাদেশের জনগণের কাছে দুঃখপ্রকাশ করবেন?’ তবে এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি বর্তমান সরকার দ্বারা গঠিত অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>ট্রানজিট নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞ-অর্থনীতিবিদরা</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের সঙ্গে কোনো অসম চুক্তি চায় না বাংলাদেশÑ জানিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আমার দেশকে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত সামরিক, বেসামরিক সব চুক্তি জনগণের কাছে প্রকাশ করা। সেসব চুক্তির মধ্যে যেগুলো জনস্বার্থবিরোধী, সেগুলো বাতিল করা। কিন্তু এ সরকারের বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পাই, চুক্তি বাতিল করা যাবে না। পুরোনো চুক্তি ও প্রকল্প থাকবে, কিন্তু আমরা একটি নতুন বাংলাদেশে প্রবেশ করব—তা হতে পারে না। একই সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন ড. আনু মুহাম্মদ।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অর্থনীতির শিক্ষক ড. মুহাম্মদ আবু ইউসুফ আমার দেশকে বলেন, সরকারের উচিত ভারত-বাংলাদেশের সব ধরনের চুক্তি পর্যালোচনা করা। কারণ আমরা এখন পর্যন্ত জানি না বিগত সরকার কী চুক্তি করেছে। অথবা ট্রানজিট চুক্তির মধ্যেই-বা কি আছে—সেটিও স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ট্রানজিট চুক্তির মধ্যে আছে কি না, সেটি নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা থাকা দরকার।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>কী পাচ্ছে বাংলাদেশ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ট্রানজিট নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ২০১২ সালের দিকে প্রথম আলোচনা শুরু হয়। কয়েক বছর দরকষাকষির পর টনপ্রতি ট্রানজিট মাশুল নির্ধারিত হয় ১৯২ টাকা। এর বাইরে টনপ্রতি ৫০ টাকা নিরাপত্তা মাশুল এবং নৌবন্দরে ল্যান্ডিং শিপিং বাবদ টনপ্রতি সাড়ে ৩৪ টাকা মাশুল আছে। সব মিলিয়ে প্রতি টনে প্রায় ২৭৭ টাকা মাশুল পড়ে। এ ছাড়া মাঝনদীতে কার্গো জাহাজ অবস্থানের জন্য আলাদা মাশুল আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রানজিট ব্যবহারে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহারে ভারত প্রথম পদক্ষেপ নেয় ২০১১ সালে। ওই বছর আশুগঞ্জ বন্দর দিয়ে প্রথম ট্রানজিটের পণ্য ত্রিপুরায় যায়। তখন ভারত সরকারের বিশেষ অনুরোধে ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভারী যন্ত্রপাতি পরিবহনে এ সুবিধা দেয় বাংলাদেশ। পরে এ পথে ট্রানজিট নিয়মিত করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিআইডব্লিউটিএর তথ্য বলছে, গত সাড়ে আট বছরে সব মিলিয়ে আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে ৩৩টি চালান গেছে। এর বেশির ভাগই লোহা ও লোহাজাতীয় পণ্য। সর্বশেষ গত অর্থবছরে (২০২৩-২৪) ১৪টি জাহাজের চালানে (ট্রিপ) ১৩ হাজার টনের বেশি ভারতীয় রেলওয়ের লোহাজাতীয় পণ্যের চালান গেছে। তবে পটপরিবর্তনের পর চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কোনো পণ্য যায়নি। তবে এনবিআর, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ট্রানজিট থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের আয় এসেছে মাত্র ৩৭ লাখ টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>ভারতের স্বার্থে প্রকল্প</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ভারতকে ট্রানজিট দিতে বেশ কিছু বিলাসী প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কিছু রয়েছে ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) থেকে নেওয়া ঋণে। আশুগঞ্জ দিয়ে নদীপথে ভারতকে ট্রানজিট দেয় শেখ হাসিনা সরকার। এজন্য আশুগঞ্জকে একটি ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে রূপান্তর করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সে লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় বন্দরে স্থাপিত হচ্ছে ২১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি কার্গো টার্মিনাল ও ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ঋণ সহায়তায় ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো একটি কন্টেইনার টার্মিনাল। জমি অধিগ্রহণসহ দুটি প্রকল্পের ব্যয় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে কলকাতার নিরাপদ যানবাহন চলাচলে ট্রানজিট সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশে আখাউড়া স্থলবন্দরকে চারলেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। ভারতীয় কঠিন শর্তের ঋণে পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাংলাদেশের চেয়েও বেশি প্রয়োজন ভারতের। কিন্তু এ প্রকল্পটি করতে গিয়ে ১৯৭৯ সালের সেচ প্রকল্প ধ্বংস করা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জোর আপত্তি সত্ত্বেও।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় ঋণের টাকায় ট্রানজিটের এ সড়কটি নির্মাণ করতে প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। ২০০ কোটি ডলারের ভারতীয় দ্বিতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) প্রকল্প তালিকায় এ প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত। এ প্রকল্পে এলওসি থেকে পাওয়া যাবে প্রায় দুই হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। বাকি টাকা সরকার নিজে দেবে। যদিও পরে প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে পাঁচ হাজার ৭৯১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের ৪০০ কিলোমিটারের সহজ পথে রেলপথের জন্য এ প্রকল্পটি হাতে নেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৪৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এ ব্যয়ের মাত্র ৫৭ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারের, বাকি ৪২০ কোটি টাকা ভারত সরকারের লাইন অব ক্রেডিট থেকে পাওয়া (এলওসি) অনুদান। প্রকল্পটির অবকাঠামোসহ সব ধরনের কাজ শেষ হয় গত বছরের জুনে। বেঁচে যায় ১৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভারতের অনুদান বাঁচে ১২৬ কোটি টাকার বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যেহেতু এ অর্থ বাংলাদেশকে দেওয়া অনুদান। বাংলাদেশ ভারতের কাছে বেঁচে যাওয়া ১২৬ কোটি টাকা অন্য কোনো প্রকল্পে কাজে লাগাতে অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু ভারত তাতেও রাজি হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">ভাইবোনের সম্পর্ক : ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ দ্বিতীয় কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্প’কে বিলাসবহুল প্রকল্প উল্লেখ করে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘এতে আমাদের দেশের কোনো লাভ দেখছি না। কেবল ভারতের স্বার্থেই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে আমি তো আর এ প্রকল্প বন্ধ করতে পারব না।</p>
<p style="text-align: justify;">সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ওই যে, ভাইবোনের সম্পর্ক বলে একটা কথা আছে না?’ গত বছর ১১ নভেম্বর আশুগঞ্জ নৌবন্দরে নির্মাণাধীন কার্গো টার্মিনাল ও আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ দ্বিতীয় কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, যারা এ ধরনের অচিন্তিত প্রকল্প চালু করেছিলেন, তাদের প্রশ্ন করা দরকার ছিল যে, কার স্বার্থে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে? এতে আমাদের কী লাভ হচ্ছে? ট্রানজিট আর করিডোর দুটি ভিন্ন জিনিস উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এটি কী? তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল।’</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #008000;"><strong>পটপরিবর্তনে অনিশ্চিয়তায় ট্রানজিট</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বন্দরগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশুগঞ্জ দিয়ে ভারতের মালামাল পরিবহনের ট্রানজিট প্রায় বন্ধ। গত ছয় মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করে কোনো ট্রানজিটের পণ্য কলকাতা থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার আগরতলায় যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এমনকি সিলেটের জকিগঞ্জ দিয়েও ট্রানজিটের মালামাল ভারতের করিমগঞ্জ যায়নি। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে, বিশেষ করে ত্রিপুরায় পণ্য নিতে কলকাতা-আশুগঞ্জ (নৌপথ), আশুগঞ্জ-আখাউড়া-আগরতলা (সড়কপথ)—এ পথেই বেশি আগ্রহ ছিল ভারতের। এ ছাড়া কলকাতা-জকিগঞ্জ (নৌপথ), জকিগঞ্জ-করিমগঞ্জ (সড়কপথ) পথটিও চালু আছে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/52730/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/Tranjit-1.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>টিউলিপের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/53728/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/53728/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Feb 2025 05:10:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=53728</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাজ্যের ‘এফবিআই’ খ্যাত ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) দেশটির সাবেক নগর ও দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাপারে তথ্য-প্রমাণ নিতে গোপনে বাংলাদেশে এসেছিলেন এনসিএ গোয়েন্দারা। বাংলাদেশের দুর্নীতিবিরোধী তদন্তকারীদের সঙ্গে একটি গোপন বৈঠক করেছেন তারা। এ বৈঠকের আয়োজন করে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের ‘এফবিআই’ খ্যাত ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) দেশটির সাবেক নগর ও দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাপারে তথ্য-প্রমাণ নিতে গোপনে বাংলাদেশে এসেছিলেন এনসিএ গোয়েন্দারা। বাংলাদেশের দুর্নীতিবিরোধী তদন্তকারীদের সঙ্গে একটি গোপন বৈঠক করেছেন তারা। এ বৈঠকের আয়োজন করে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত মাসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে টিউলিপের দুর্নীতি নিয়ে নতুন তথ্য-প্রমাণ দেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা। গত ৫ আগস্ট টিউলিপের খালা শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এনসিএ গোয়েন্দারা দুইবার ঢাকা সফর করেছেন।</p>
<p>টিউলিপ সিদ্দিক ও শেখ হাসিনা ছাড়াও তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে পাবনার রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনা এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন টিউলিপ সিদ্দিকও। ওই চুক্তি থেকে তিনি ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা) আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশি সূত্রের বরাতে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ব্রিটিশ গোয়েন্দারা বৈঠকে আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী টিউলিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আনা অভিযোগ তদন্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে। ওই সূত্র আরও জানায়, এনসিএ যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেট এমপির বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টাও করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির কাছ থেকে লন্ডনে যথাক্রমে ৭ লাখ ও ৬ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড মূল্যের দুটি ফ্ল্যাট উপহার পাওয়ার অভিযোগ ওঠার পর এরইমধ্যে মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন টিউলিপ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় টিউলিপ সিদ্দিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ইমেইল রেকর্ড এবং এমনকি তাকে জিজ্ঞসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, দেশটির কোনো নাগরিক বিদেশে দুর্নীতি করলে তার ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/53728/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2021/12/07/tulip-siddiq.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রামে আ.লীগ নেতাকে আটকে পুলিশে সোপর্দ্দ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/281962/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Feb 2025 04:59:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=281962</guid>

					<description><![CDATA[চট্টগ্রাম নগরীতে একটি কমিউনিটি সেন্টারে ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে থেকে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থল ঘেরাও করে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নগরীর খুলশী থানার টাইগারপাস এলাকায় নেভী কনভেনশন সেন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে। নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) ফয়সাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটক ফখরুল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চট্টগ্রাম নগরীতে একটি কমিউনিটি সেন্টারে ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে থেকে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থল ঘেরাও করে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নগরীর খুলশী থানার টাইগারপাস এলাকায় নেভী কনভেনশন সেন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) ফয়সাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আটক ফখরুল আনোয়ার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক। তার বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায়। ফটিকছড়ির আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত রফিকুল আনোয়ারের ছোট ভাই।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ফটিকছড়ি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, রফিকুল আনোয়ারের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ির সাবেক দুই সংসদ সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী ও খাদিজাতুল আনোয়ার সনি উপস্থিত আছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে কয়েক’শ তরুণ সেখানে ঢুকে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ফখরুল আনোয়ারকে আটকে তাকে ঘিরে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। ‘আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’- এসব শ্লোগান তাদের মুখে শোনা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">খবর পেয়ে খুলশী থানা থেকে পুলিশ গিয়ে ফখরুল আনোয়ারকে তাদের হেফাজত থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ফখরুল আনোয়ারকে নিয়ে যাবার পরও সেখানে উপস্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে থাকেন। তারা সনি ও নজিবুলকে তাদের মাধ্যমে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে শেষ পর্যন্ত দুজন সাবেক সংসদ সদস্য কমিউনিটি সেন্টারটিতে না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর রাত ২টার দিক থেকে বিক্ষুব্ধরা ঘটনাস্থল ছাড়তে থাকেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/02/awami.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনা সরাসরি গুম ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/133240/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/133240/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Jan 2025 04:35:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=133240</guid>

					<description><![CDATA[ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশি একনায়ক শেখ হাসিনা সরাসরি গুম ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন’ বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এক প্রতিবেদনে‌ উল্লেখ করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জুলাই আন্দোলন নিয়ে করা প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) মানবাধিকার সংস্থার এশিয়া পরিচালক এলাইন পিয়ারসনের নেতৃত্বে এইচআরডব্লিউর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশি একনায়ক শেখ হাসিনা সরাসরি গুম ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন’ বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এক প্রতিবেদনে‌ উল্লেখ করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জুলাই আন্দোলন নিয়ে করা প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে সংস্থাটি।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) মানবাধিকার সংস্থার এশিয়া পরিচালক এলাইন পিয়ারসনের নেতৃত্বে এইচআরডব্লিউর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে দেখা করে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় বাংলাদেশের অধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি। এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া প্রধান বলেন, ‌‌‌‌‘এখন পর্যন্ত যে অগ্রগতি হয়েছে তার আমরা প্রশংসা করি।’ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় অধিকার প্রতিষ্ঠা ছিল মূলনীতি, তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানবাধিকারের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এইচআরডব্লিউ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করে বলেছে, হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক গুমের জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের তাদের অপরাধের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। কিছু জবাবদিহিতা থাকা দরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">এইচআরডব্লিউয়ের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের গত ১৬ বছরে তাদের প্রতিবেদনগুলো সরকার দ্বারা সংঘটিত ব্যাপক অপরাধের উন্মোচন করেছে। র‌্যাব তার অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়েছে, তবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক গুমের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং শাস্তি পেতে হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">পিয়ারসন বলেন, ‘শেখ হাসিনার ২০০৯-২০২৪ সালের শাসনামলে নিরাপত্তা বাহিনী রাজনীতিকরণ করা হয়েছিল এবং তারা দলীয় ক্যাডারদের শাসন করার মতো আচরণ করেছিল। এটির জন্য পদ্ধতিগত সংস্কার প্রয়োজন।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা স্বচ্ছতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সমস্ত সংস্কার সুপারিশ প্রকাশ করছি, জনগণকে কাঙ্ক্ষিত সংস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছি। যেমনটি আপনি উল্লেখ করেছেন, ১৫ বছরের নিপীড়ন ও অপরাধের অবসান ঘটানো একটি চ্যালেঞ্জিং প্রচেষ্টা হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এইচআরডব্লিউয়ের প্রতিবেদন অনুসারে, বলপূর্বক গুমের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে আরও বলেছেন যে, শেখ হাসিনা বা ঊর্ধ্বতনরা সরকার আটকের বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং কিছু ক্ষেত্রে হাসিনা সরাসরি জোরপূর্বক গুম ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এইচআরডব্লিউয়ের এশিয়া প্রধান বলেন, তার সফরের সময় তিনি সংস্কার কমিশনের বেশ কয়েকজন প্রধান এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইনে তাদের জন্মভূমিতে একটি নিরাপদ অঞ্চল তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/133240/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/01/Sheikh_Hasina_HRW.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ-বিএনপির দুই নেতার মিলেমিশে পাহাড় কাটা চলছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/279101/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Jan 2025 04:29:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=279101</guid>

					<description><![CDATA[জেলার কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বটতলী এলাকা। বরইছড়ি-ঘাগড়া আঞ্চলিক (রাঙ্গামাটি-বান্দরবান) সড়কের পশ্চিম পাশ ঘেঁষেই রয়েছে কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ধনা তঞ্চঙ্গ্যা ও তার ভাই সমীরণ তঞ্চঙ্গ্যার মালিকানাধীন পাহাড়। বিগত কয়েকমাস ধরেই সড়কের পাশ থেকেই চলছে পাহাড় কাটা। পাহাড়জুড়ে স্ক্যাভেটরের দিয়ে মাটি কাটার চিহ্ন। প্রায় ৩০০-৪০০ মিটার পাহাড় নব্বই ডিগ্রি এঙ্গেলে কেটে সাফ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জেলার কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বটতলী এলাকা। বরইছড়ি-ঘাগড়া আঞ্চলিক (রাঙ্গামাটি-বান্দরবান) সড়কের পশ্চিম পাশ ঘেঁষেই রয়েছে কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ধনা তঞ্চঙ্গ্যা ও তার ভাই সমীরণ তঞ্চঙ্গ্যার মালিকানাধীন পাহাড়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিগত কয়েকমাস ধরেই সড়কের পাশ থেকেই চলছে পাহাড় কাটা। পাহাড়জুড়ে স্ক্যাভেটরের দিয়ে মাটি কাটার চিহ্ন। প্রায় ৩০০-৪০০ মিটার পাহাড় নব্বই ডিগ্রি এঙ্গেলে কেটে সাফ করে ফেলা হয়েছে এরই মধ্যেই। সড়কের পাশ ঘেঁষেই পাহাড় কাটা চললেও স্থানীয় প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্টরা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগ রয়েছে, কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ধনা তঞ্চঙ্গ্যা মালিকানাধীন পাহাড়ের মাটি কাটছেন কাপ্তাই উপজেলার লাগোয়া রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অর্জুন মনি চাকমা। বিগত দুই/তিন মাস ধরে রাঙ্গামাটি-বান্দরবান আঞ্চলিক পাশ ঘেঁষেই আওয়ামী লীগ-বিএনপির এই দুই নেতার মিলেমিশে পাহাড় কাটা চলছে। পাহাড় কেটে এসব মাটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, পাহাড়জুড়ে স্ক্যাভেটর দিয়ে মাটি কাটার চিহ্ন। সড়কের পাশ থেকে ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে পাহাড় কাটার কারণে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রধান সড়কের পাশ থেকে প্রায় ৩০০-৪০০ মিটার সড়কের মতো করে পাহাড় কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বটতলী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ও আওয়ামী লীগ নেতা ধনা তঞ্চঙ্গ্যা ও তার ভাই স্কুল শিক্ষক সমীরণ তঞ্চঙ্গ্যার মালিকানাধীন পাহাড়ের মাটি কেটে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করছেন কাউখালীর বিএনপি নেতা অর্জুন মনি চাকমা। আর পাহাড় কাটার কাজটি করা হয় সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত। পাহাড় কাটা চক্রে বিএনপি নেতা অর্জুন মনি চাকমার সঙ্গে আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা স্থানীয়দের।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৬ (খ) অনুযায়ী পরিবেশ সুরক্ষায় পাহাড় কাটায় স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই আইনে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরকারি বা আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা কাটা যাবে না বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদিও জাতীয় স্বার্থে পাহাড় বা টিলার কাটার প্রয়োজনীয়তা হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে কাটা যেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">সড়কের পাশ থেকে ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে পাহাড় কাটার কারণে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ছবি: সারাবাংলা</p>
<p style="text-align: justify;">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বটতলী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাহাড় কাটার ফলে মাটি ধসে হতাহতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাহাড় কাটার জন্য পাহাড়ের ওপর লাগানো বৃক্ষগুলো আগেই কেটে ফেলা হয়। কাপ্তাই উপজেলা সদর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরত্বে সড়কের পাশেই এমন ধ্বংসযজ্ঞ চললেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। গত বছরের নভেম্বর থেকেই প্রায় প্রতিরাত কাটা হচ্ছে পাহাড়।</p>
<p style="text-align: justify;">পাহাড়ের মালিক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ধনা তঞ্চঙ্গ্যা সারাবাংলাকে বলেন, ‘এটা পাহাড় কেটে রাস্তা করা হয়েছে, পাহাড়ের ওই পারে একটি পাড়া রয়েছে। ওই পাড়ার মানুষজন আমাকে অনুরোধ করেছেন যে, যদি পাহাড় কেটে রাস্তার মতো করা হয় তাহলে তাদের জন্য চলাচলের সুবিধা হয়। পরে আমি বলেছি, সু্বিধা হলে মাটি কেটে নিতে। মূলত এনডিই নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে মাটি ব্যবসায়ীরা পাহাড় কেটে মাটি দিচ্ছেন। পাহাড় থেকে মাটি কাটার অনুমতি প্রসঙ্গে আমি কিছুই জানি না, সেগুলো যারা কেটেছে তারা জানবে। প্রশাসনিক ও অনুমতিসংক্রান্ত বিষয়গুলো যারা মাটি কাটছে (অর্জুন মনি চাকমা) তারাই দেখবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তবে পাহাড় কাটার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অর্জুন মনি চাকমার মুঠোফোনে কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এদিকে ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান চিরঞ্জিত তঞ্চঙ্গ্যা সারাবাংলাকে বলেন, ‘পাহাড় কাটার খবর পেয়েছি। মনি চাকমা নামে একজনের নাম শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে আমাকে একটু করে জানিয়েছিল স্থানীয় লোকজন। পরে বিষয়টি নিয়ে আর খোঁজখবর নেওয়া হয়নি।’</p>
<p style="text-align: justify;">পাহাড় কাটা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিসান বিন মাজেদ বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে সারাবাংলার এই প্রতিবেদককে জানান। অন্যদিকে, পরিবেশ অধিদফতর রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (এডি) মো. মুমিনুল ইসলাম সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা পাহাড় কাটার বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছি এবং এ বিষয়ে তড়িৎ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/01/Hill-02.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘ছাগলকাণ্ডের’ মতিউর ও তার স্ত্রী গ্রেফতার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/48760/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/48760/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Jan 2025 03:17:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=48760</guid>

					<description><![CDATA[ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই তাদের বিরুদ্ধে একাধিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ জানিয়েছে, এই তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত কোরবানির জন্য রাজধানীর সাদেক এগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মতিউর রহমানের ছেলে ইফাত। তবে শুরুতে মতিউর রহমান ইফাতকে ছেলে হিসেবে পরিচয় দেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে ফেনী-২ আসনের তখনকার সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী জানান, ইফাত তার মামাতো বোনের সন্তান। আর মতিউর রহমানই তার বাবা।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে ওই বছরের ২৩ জুন মতিউরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুদক। ২৫ জুন মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মুঠোফোনে আর্থিক সেবার (এমএফএস) হিসাব ও শেয়ারবাজারের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় বিএফআইইউ।</p>
<p style="text-align: justify;">সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মতিউর রহমান ও তাঁর প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, তাঁদের ছেলে তৌফিকুর রহমান ও মেয়ে ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।</p>
<p style="text-align: justify;">মতিউরকে এনবিআরের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এরই মধ্যে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। দুদকের আবেদনে তার পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/48760/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/01/motiur_rah.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>টিউলিপের স্থলাভিষিক্ত হলেন এমা রেনল্ডস</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/276887/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Jan 2025 02:09:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=276887</guid>

					<description><![CDATA[বিনামূল্যে পাওয়া ফ্ল্যাট, রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো থিংকট্যাঙ্কের সাথে যুক্ত ভাইবোন, বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ-সব মিলিয়ে ক্রমশ চাপ বাড়ার ফলে অবশেষে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন অর্থনীতি বিষয়ক মিনিস্টার  টিউলিপ সিদ্দিক। তার বদলে অর্থনৈতিক সচিব পদে সিদ্দিকের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন এমা রেনল্ডস। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে দেশটির সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিনামূল্যে পাওয়া ফ্ল্যাট, রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো থিংকট্যাঙ্কের সাথে যুক্ত ভাইবোন, বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ-সব মিলিয়ে ক্রমশ চাপ বাড়ার ফলে অবশেষে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন অর্থনীতি বিষয়ক মিনিস্টার  টিউলিপ সিদ্দিক। তার বদলে অর্থনৈতিক সচিব পদে সিদ্দিকের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন এমা রেনল্ডস। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে দেশটির সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্বে তিনি ওয়ার্ক অ্যান্ড পেনশনস (ডিডব্লিউপি) মন্ত্রণালয়ের পেনশন মন্ত্রী ছিলেন এবং একইসঙ্গে জুনিয়র ট্রেজারি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) টিউলিপ সিদ্দিকের পদত্যাগের পরপরই এই পুনর্গঠন ঘোষণা করল ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট।</p>
<p style="text-align: justify;">অপরদিকে এমা রেনল্ডসের পূর্বের দায়িত্বে নিয়োগ পেয়েছেন টরস্টেন বেল। তিনি রেজলিউশন ফাউন্ডেশন থিংকট্যাংকের সাবেক প্রধান নির্বাহী এবং এড মিলিব্যান্ডের সাবেক নীতিনির্ধারণী প্রধান ছিলেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত হন এবং প্যাট ম্যাকফ্যাডেনের (ক্যাবিনেট অফিস মন্ত্রী) সংসদীয় ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার সাথে একটি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করার সময় প্রকল্পের মোট ব্যয় বাড়িয়ে ধরা হয়েছিলো। মূলত টিউলিপ সিদ্দিকের খালা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন যে ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে তারই আওতায় পড়েছেন টিউলিপ সিদ্দিক। এছাড়াও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির কাছ থেকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট গ্রহণেরও অভিযোগ ছিলো টিউলিপের বিরুদ্ধে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে সমালোচনার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে টিউলিপ লিখেছেন, আমি মন্ত্রিত্বের কোনো নিয়ম ভঙ্গ করিনি। আমি অনুচিত কাজ করেছি, এমন কোনো প্রমাণ নেই। তবুও বিভ্রান্তি এড়াতে মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।</p>
<h3 style="text-align: justify;">টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অনিয়মের যত অভিযোগ</h3>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক। তার মন্ত্রিসভায় টিউলিপকে জায়গাও দিয়েছিলেন। দেশটির ট্রেজারি বিভাগের ইকোনোমিক সেক্রেটারি হওয়ায় আর্থিক দুর্নীতি বন্ধের দায়িত্ব ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনির কাঁধে। সেই টিউলিপের বিরুদ্ধেই ওঠে একের পর এক দুর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগ।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে মধ্যস্থতার বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ ওঠে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুর্নীতির তদন্তে উঠে আসে তার নাম। বরাবর অভিযোগ অস্বীকার করে আসলেও, যুক্তরাজ্যের বিরোধী দলের চাপে নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের অনুমতি দেন যুক্তরাজ্যের এই সিটি মিনিস্টার।</p>
<p style="text-align: justify;">এখানেই শেষ নয়, এরপর একের পর এক ব্রিটিশ মিডিয়ার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশ পেতে থাকে টিউলিপের অনিয়মের খবর। ফাইনান্সিয়াল টাইমসের খবর, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ আবাসন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লন্ডনে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট নিয়েছেন তিনি। তার বোনের নামেও বিনামূল্যে আরও একটি ফ্ল্যাট নেয়ার খবর প্রকাশ হয় আরেকটি মিডিয়ায়।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্য টাইমস জানায়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ছড়ানো থিংকট্যাঙ্কের সাথেও যুক্ত টিউলিপ। আর দ্য গার্ডিয়ানে দাবি, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একজন টিউলিপ। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের তথ্যানুযায়ী, আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য ও ইইউ লবিং ইউনিট এবং নির্বাচনী কৌশল দলের হয়েও কাজ করেছেন লেবার পার্টির এই নেতা।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের বিরুদ্ধে এতসব অভিযোগে বেশ চাপে পড়েন প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার। যদিও প্রধানমন্ত্রী এতদিন টিউলিপের পাশেই ছিলেন। বিরোধীদল থেকে ক্রমেই যখন জোরালো হচ্ছিল পদত্যাগের দাবি তখন টিউলিপ নিজেই সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন। জানিয়েছেন, তদন্ত কাজে সহায়তার জন্যই মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">লেবার পার্টির হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে রাজনীতিতে যোগ দেয়া টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটিশ পার্লামেন্টের চারবারের এমপি। এবার দলটি ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইকোনমিক সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। তবে ‍নানা অনিয়মের অভিযোগে শেষপর্যন্ত পদত্যাগ করতে হয়েছে শেখ রেহানার কন্যা টিউলিপকে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.dhakatoday.com/imagestorages/2025-01/dhakatoday1736910451tulii.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>টিউলিপের পর এবার আলোচনায় দরবেশপুত্র</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/539057/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Jan 2025 06:28:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://worldbarta.com/?p=539057</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির এমপি ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে চলা তোলপাড়ের মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমানকে নিয়ে। শায়ান ব্রিটিশ রাজার হাত ধরে যুক্তরাজ্যে গড়ে ওঠা একটি দাতব্য সংস্থার প্রধান। শনিবার (১১ জানুয়ারি) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির এমপি ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে চলা তোলপাড়ের মধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমানকে নিয়ে। শায়ান ব্রিটিশ রাজার হাত ধরে যুক্তরাজ্যে গড়ে ওঠা একটি দাতব্য সংস্থার প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১১ জানুয়ারি) এমন খবর প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।</p>
<p style="text-align: justify;">এক প্রতিবেদনে তারা লিখেছে, শায়ান ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের ‘পারিবারিক বন্ধু’। তিনি বাংলাদেশের ‘ধনকুবের’ সালমান এফ রহমানের ছেলে। টিউলিপের খালা শেখ হাসিনা লন্ডনে এলে শায়ানের ১৩ মিলিয়ন পাউন্ডের বাড়িতে ‘বিনাভাড়ায়’ থাকতেন। টিউলিপের মা শেখ রেহানা লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিনে যে বাড়িতে বিনা ভাড়ায় থাকেন, সেটির মালিক শায়ান রহমানের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অফেশোর কোম্পানি।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যে ব্রিটিশ রাজা চার্লসের হাত ধরে ২০০৭ সালে গড়ে ওঠে দাতব্য সংস্থা ‘ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্ট’। শায়ান রহমান বর্তমানে এই তহবিলের উপদেষ্টা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।</p>
<p style="text-align: justify;">এক সময় তিনি তাদের পারিবারিক নিয়ন্ত্রণে থাকা বেক্সিমকো গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে এখনো তার সেই পরিচয়ই দেখানো হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শায়ানের প্রশংসা করে বাকিংহাম প্যালেসের এক নৈশভোজে রাজা চার্লস বলেছিলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যারা কাজ করে, আমরা তাদের মতই ভালো। তাই আমি আনন্দিত যে, শায়ান রহমান বাংলাদেশে আমাদের নতুন প্রকল্পটি দেখভাল করার পাশাপাশি তাতে সহযোগিতা করবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">বলা হয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরও ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান পদে বহাল আছেন শায়ান।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্ট বলেছে, ‘আমরা শায়ানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অবগত। আমরা বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রাখছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগের বিষয়ে শায়ানের এক মুখপাত্রের বক্তব্যও তুলে ধরেছে ডেইলি মেইল। তিনি বলেন, ‘শায়ান রহমানের জন্ম যুক্তরাজ্যে। তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী। তিনি কিংবা তার স্ত্রী কখনো কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হননি।’</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্টে আড়াই লাখ পাউন্ড অনুদান রয়েছে শায়ানের। সম্প্রতি সানডে টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকার বাংলাদেশের অর্থপাচার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সেই অনুদানের প্রসঙ্গ তোলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও। শায়ানের ‘দানশীলতা’ নিয়ে তিনি রসিকতাও করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, গত আগস্টেই সালমান, তার ছেলে শায়ান ও পুত্রবধূ শাজরেহ রহমানের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) । সালমান ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুদক।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2025/01/shayan.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>টিউলিপের ক্ষমা চাওয়া উচিত: প্রধান উপদেষ্টা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/275519/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Jan 2025 06:01:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সংসদ সদস্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=275519</guid>

					<description><![CDATA[যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিককে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, টিউলিপ লন্ডনে যেসব সম্পদ ব্যবহার করেন, সেসবেরও তদন্ত হওয়া উচিত। যদি প্রমাণিত হয় এসব সম্পদ ডাকাতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন তবে ফেরত দেয়া উচিত। বৃহস্পতিবার ঢাকায় সরকারি বাসভবন যমুনায় প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সানডে টাইমসকে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিককে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, টিউলিপ লন্ডনে যেসব সম্পদ ব্যবহার করেন, সেসবেরও তদন্ত হওয়া উচিত। যদি প্রমাণিত হয় এসব সম্পদ ডাকাতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন তবে ফেরত দেয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার ঢাকায় সরকারি বাসভবন যমুনায় প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সানডে টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রফেসর ইউনূস এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনামলে তাকে (টিউলিপ) ও তার পরিবারকে দেয়া সম্পত্তি ভোগ করার জন্য তার ক্ষমা চাওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ব্রিটিশ সরকারের ট্রেজারি ও সিটি মিনিস্টার হিসেবে আর্থিক দুর্নীতি মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা টিউলিপ সিদ্দিকের লন্ডনের বাড়িগুলো অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে তৈরি করা কিনা, তা তদন্ত হওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ব্রিটিশ সরকারের দুর্নীতি দমন মন্ত্রী হয়েছেন টিউলিপ এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছু হয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেছেন, তিনি (টিউলিপ) যখন কাজটি (দুর্নীতি) করেছেন, তখন হয়তো বুঝতে পারেননি। কিন্তু এখন তো বুঝতে পারছেন। এখন আপনার বলা উচিত, আমি দুঃখিত। আমি তখন বিষয়টি (দুর্নীতির) জানতাম না। এখন আমি জনগণের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি এবং পদত্যাগ করছি। কিন্তু তা বলছেন না। বরং নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর সঙ্গে সঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, তার (টিউলিপের) পদত্যাগ করা উচিত—এমন বলাটা আমার কাজ না।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সানডে টাইমস জানিয়েছে, তারা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে যে টিউলিপ সিদ্দিক বছরের পর বছর ধরে একটি বাড়িতে বাস করেছেন, যে বাড়িটি দুই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী একটি অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে কিনেছিলেন। অথচ এ ধরনের আর্থিক অস্বচ্ছতা এড়াতে তিনি বরাবর কথা বলতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে। গত বছরের ৫ আগস্ট ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। ভারতে পালানোর আগে অভ্যুত্থান ঠেকাতে তিনি শত শত মানুষকে পুলিশ বাহিনী দিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, জোরপূর্বক গুম ও দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সানডে টাইমস আরও জানিয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের পারমাণবিক শক্তি চুক্তিতে টিউলিপ মধ্যস্থতা করেছিলেন এবং আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছিলেন। তার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন। তবে টিউলিপ তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/tulip-1_dXKVaj8.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর হত্যার মাস্টারমাইন্ড হাসিনা ও ভারতের র</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/538781/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Jan 2025 05:05:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=538781</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর ম্যাসাকারের পরিকল্পনা আগে থেকেই জানতেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর তত্ত্বাবধানে। হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারতের প্রশিক্ষিত একটি কিলার গ্রুপকে ঢাকায় আনা হয়। এরা ভাড়া করা বিপথগামী বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে মিলে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মেজর জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিক, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর ম্যাসাকারের পরিকল্পনা আগে থেকেই জানতেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর তত্ত্বাবধানে। হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারতের প্রশিক্ষিত একটি কিলার গ্রুপকে ঢাকায় আনা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এরা ভাড়া করা বিপথগামী বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে মিলে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মেজর জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিক, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ সেলিম, শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের কিছু কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানী পিলখানার সদর দপ্তরে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঘটেছিল দেশের ইতিহাসে নৃশংসতম এই বিডিআর হত্যাকাণ্ড। আমার দেশ অনুসন্ধানে এ সম্পর্কে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতীয় কিলার গ্রুপের একটি অংশকে খেলোয়াড় বেশে বিডিআরের একটি পিকআপে করে এবং আরেকটি অংশকে রোগী সাজিয়ে নম্বরবিহীন অ্যাম্বুলেন্সে করে পিলখানায় ঢোকানো হয়। রাতে অ্যাম্বুলেন্সে করে তারা পিলখানা ত্যাগও করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা ভারতীয় কিলার গ্রুপটিকে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বিমানের দুবাইগামী ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এজন্য ফ্লাইটটি দুই ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ে। আরও জানা গেছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর লোকজন ও কিলার গ্রুপের সদস্যরা ফার্মগেটে অবস্থিত তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের হোটেল ইম্পেরিয়াল ব্যবহার করেছে। নাম-পরিচয় গোপন রেখে ইম্পেরিয়াল হোটেলে তারা অবস্থান নিয়েছিলেন। পিলখানায় সংঘটিত ঘটনা ‘বিডিআর বিদ্রোহ’ হিসেবে চালানো হলেও এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সেনাপ্রধান হিসেবে বিডিআর হত্যা মোকাবেলা তথা সেনা কর্মকর্তাদের বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছেন জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ। হত্যাকাণ্ডের দায় তিনি এড়াতে পারেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পিলখানার সিসি টিভি ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত ধ্বংস করে দেন ঘটনার পরপর দায়িত্ব পাওয়া বিডিআর ডিজি লে. জেনারেল মইনুল ইসলাম। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর তদন্ত কমিটি ও জাতীয় তদন্ত কমিটির তদন্ত অসম্পূর্ণ রাখা হয়। ওই তদন্ত কমিটিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতার নাম এলেও শেখ হাসিনা তাদের রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করতে দেননি এবং কমিটিতে এদের জিজ্ঞাসাবাদও করতে দেওয়া হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনা তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বর্তমানে তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল ওই তদন্ত সম্পর্কে। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বাধীন তদন্ত সম্পর্কে এ মুহূর্তে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ইতোমধ্যে তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন এবং সরকার বিডিআরের সাবেক ডিজি মো. জেনারেল আ ল ম ফজলুল রহমানের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করেছেন। তিনি এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে রয়েছেন। তিনি বলেন, তারা আশা করছেন বর্তমান কমিশন বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উন্মোচন করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আগে জাতীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল সচিব আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে। তার মন্তব্যের জন্য ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। সূত্র জানিয়েছে, তিনি সম্ভবত দেশে নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে অনুসন্ধানে আমার দেশ আগের দুটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছে। তদন্ত কমিটি দুটির কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে আলাপ হয়। অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন। ঘটনার সঙ্গে ওয়াকিবহাল এমন কয়েক ব্যক্তি ও সাবেক কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। বিষয়গুলো স্পর্শকাতর হওয়ায় নাম প্রকাশ করা হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনা তদন্ত কমিটি এবং জাতীয় তদন্ত কমিটি দুটিতে বাহিনী প্রধান, সেনাবাহিনী ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, আওয়ামী লীগ নেতা অনেককেই বক্তব্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। তাদের অনেকেই তদন্ত কমিটির সামনে আসেননি। কেউ কেউ এলেও তাদেরকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তদন্ত কমিটির সামনে আসা ও প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়নি তদন্ত কমিটিকে। ফলে বিডিআর হত্যা তদন্ত কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে দুই কমিটিতেই।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ভারতীয় পরিকল্পনায় হয়েছে। শেখ হাসিনা যাতে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী হতে পারেন সেটা পাকাপোক্ত করার জন্য তার সঙ্গে বোঝাপড়া করেই পরিকল্পনা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত দেখেছে তারা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যখনই কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে, তখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর জন্য তারা অনেক কিছুই করতে পারেনি। বিডিআর-এ সেনাবাহিনীর অফিসাররা কমান্ডে থাকায় সেখানে ভারতীয় বিএসএফ-এর ভূমিকা ম্লান ছিল। তাই তাদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছিল তারা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনে এমন শক্তিশালী করবে যাতে সবকিছু তার হাতের মুঠোয় থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনাবাহিনী যাতে দুর্বল হয়ে যায়, বিডিআর নামে যাতে শক্তিশালী বাহিনী না থাকেÑ এ লক্ষ্যেই বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এর আগে নীলনকশা অনুযায়ী বিডিআর সদস্যদের হাত করা হয়। তারা যাতে সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সে জন্য তথাকথিত ডাল-ভাত কর্মসূচি ও দুর্নীতির বিষয় এনে প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">চৌকস সেনা অফিসারদের হত্যার জন্য বিডিআর-এ বদলি করে এনে এক জায়গায় তাদের জড়ো করা হয়। এরপর তাদের হত্যা করা হয়। পদোয়া এবং রৌমারীর যুদ্ধে বিএসএফ হত্যার পর থেকেই বিডিআর ধ্বংসে নিয়োজিত হয় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’। রৌমারীর ঘটনার নেতৃত্ব দেন রংপুরের তৎকালীন সেক্টর কমান্ডার পরবর্তী সময়ে বিডিআর ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ। এরই ফল ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকেসহ ৫৭ সেনাকর্মকর্তা হত্যা।</p>
<p style="text-align: justify;"><img fetchpriority="high" decoding="async" class="aligncenter size-full" src="https://images.dailyamardesh.com/original_images/bdr-2_tNZq8V5.jpg" width="1280" height="720" /></p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>সাহারা খাতুনের হোটেলে কিলার গ্রুপ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">সূত্রে জানা গেছে, ফার্মগেটে অবস্থিত সাহারা খাতুনের হোটেল ইম্পেরিয়ালে এনে তোলা হয় ভারতীয় প্রশিক্ষিত একটি সন্ত্রাসী খুনি চক্রকে। ওই হোটেলে ‘র’-এর লোকজনও অবস্থান নেয়। ঘটনার দিন সকালে বিডিআর দরবার হলের সামনে একটি পিকআপ আসে খেলোয়াড়দের নিয়ে। বিডিআর-এর পিকআপে খেলোয়াড় বেশে ছিল কিলার বাহিনীর অনেক সদস্য। নম্বরবিহীন অ্যাম্বুলেন্সে করেও আরেকটি গ্রুপকে পিলখানায় ঢোকানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এরা আগে থেকে ভাড়া করা বিপথগামী বিডিআরদের সঙ্গে মিলে হত্যাকাণ্ড চালায়। বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিলের মৃত্যু এরা নিশ্চিত করে। দরবার হলের দক্ষিণ গেটে বিপথগামীদের সঙ্গে কিলার গ্রুপটি ছিল এবং এরা সকাল ১০টা সাড়ে ১০টার মধ্যেই ডিজি, ডিডিজিসহ ১৫ থেকে ১৮ জনকে হত্যা করে। ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পিলখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আরেক দফা হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। বাইরের কিলার গ্রুপটি রাতে চারটি নম্বরবিহীন অ্যাম্বুলেন্সে করে পিলখানা ত্যাগ করে। ধারণা করা হয় বিমানের দুবাই ফ্লাইটে এদের তুলে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>ভারতীয় চ্যানেল কীভাবে বিডিআর ডিজি হত্যার খবর আগেই দিল?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর ঘটনায় হতাহতের খবর তখনও জানাজানি হয়নি। এ অবস্থায় দুপুরেই ভারতের এনডিটিভিসহ দুটি চ্যানেলে খবর প্রচার করে যে বাংলাদেশে বিডিআর দপ্তরে বিদ্রোহে বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল এবং সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে। এ খবর সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় চ্যানেল কীভাবে প্রচার করে তা রহস্যজনক।</p>
<p style="text-align: justify;">এ খবর যখন প্রচারিত হয় তখন প্রধানমন্ত্রী যমুনায় নিয়ে যান ডিএডি তৌহিদের নেতৃত্বে ১৪ জন কিলারকে। এদেরকে শেরাটন হোটেল থেকে খাবার এনে খাওয়ানো হয়। ঠিক এ সময়ে একদিকে ভারতীয় চ্যানেল বিডিআর ডিজির হত্যার খবর দেয়, অন্যদিকে পিলখানার ড্রেন দিয়ে বেরিয়ে আসে কর্নেল মুজিব ও কর্নেল এনায়েতের লাশ। ওই দিনই কিলার গ্রুপের একটি অংশ ভাড়া করা বিডিআর সদস্যদের নিয়ে জেনারেল শাকিলের বাংলোতে গিয়ে তার স্ত্রী ও অন্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। ওই সময় বাংলোতে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন কর্নেল দেলোয়ার তার স্ত্রীকে নিয়ে। তারাও হত্যার শিকার হন। বাসার কাজের মেয়েকেও হত্যা করা হয়। জেনারেল শাকিলের স্ত্রীকে সবশেষে হত্যার করা হয় রান্না ঘরে নির্যাতন করে, নির্মমভাবে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সেনা ও র‌্যাবকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র আরও জানায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ঘটনার খবর পেয়ে দশটার মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে র‌্যাবের একটি টহল দল। এই টহল দলটি তখন বেড়িবাঁধে টহলে ছিল। এরপর র‌্যাবের অন্য সদস্যরাও আসেন। কিন্তু পিলখানায় তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">মিরপুরে ফায়ারিং রেঞ্জে ছিল ৪৬ ব্রিগেডের একটি আর্টিলারি ইউনিট। এই ইউনিট প্রথমে আসে পিলখানার কাছে। কিন্তু তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। র‌্যাব এবং সেনা অগ্রদলটিকে তখন পিলখানায় ঢুকতে দেওয়া হলে ঘটনা এতদূরে গড়াত না। কারণ ভেতরে ডিউটিরত বিডিআর সদস্যদের কাছে যেসংখ্যক অস্ত্র ও গোলা বারুদ ছিল তার কয়েকগুণ বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের তাৎক্ষণিক আসা দল দুটির কাছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরা ঢুকতে পারলে সহজেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে যেত। কিন্তু তাদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তখন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। বিডিআর-এর কর্নেল রেজানুর ও কর্নেল শামস প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন। তারা ভেতরে ঢুকতে অনুমতি দেননি। অথচ সাংবাদিক মুন্নি সাহা দশটার পর থেকেই পিলখানার প্রধান গেটে গিয়ে বিডিআর-এর ডিএডিসহ জওয়ানদের সাক্ষাৎকার নিয়ে এটিএন-এ লাইভ করেন। এতে ডাল-ভাত কর্মসূচির দুর্নীতির জন্য বিডিআর অসন্তোষ থেকে বিদ্রোহ হচ্ছে প্রচার করা হয়। এটাও রহস্যজনক।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রশ্ন সেদিন কেন র‌্যাবকে ‍ঢুকতে দেওয়া হলো না, কেন সেনা অগ্রদলকে ঢুকতে দেওয়া হলো না, কেন মুন্নী সাহা ঘটনার পরপরই এমন উদ্দেশ্যমূলক খবর প্রচার করতে থাকলেন, বিদ্রোহীরা কেন নানক ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলবে না বলল, গোয়েন্দা সংস্থা কেন বলল তাদের কোনো গোয়েন্দা নজরদারি পিলখানায় ছিল না। প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যমুনায় যে ১৪ জন কিলারকে নেওয়া হলো তাদের সিলেক্ট করল কে? ডিজিএফআই পিলখানা প্রধান গেটের কাছে আমবালা মিষ্টির দোকানে ক্যাম্প করেছিল, তারা সেখানে কি কাজ করেছে? পিকআপে করে যারা দরবারের সামনে গেল তারা কারা ছিল?</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>পিলখানায় লাশ পোড়ানো ও গণকবর</strong></p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিল পরিকল্পনাকারীরা। দুটি লাশ তারা পুড়িয়ে দেয়। কিন্তু পরে গণকবর খুড়ে লাশগুলো মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। ৩৩ ঘণ্টার লোমহর্ষক ঘটনার পর পিলখানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এলে সেখানে একাধিক গণকবর থেকে লাশ তোলা হয়। সব লাশ গণকবরে চাপা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ড্রেনেও ফেলে দেওয়া হয়। গুলি ছাড়াও কোনো কোনো লাশে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মারার আলামত দেখা যায়। এই ঘটনায় ৫৭ সেনাকর্মকর্তার মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক ছিলেন। ১৭ জন ছিলেন বেসামরিক লোক। ৩ জন ছিলেন মহিলা। মেজর জেনারেল শাকিলের স্ত্রী, কর্নেল দেলোয়ারের স্ত্রী এবং একজন কাজের মেয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসিরের অভিজ্ঞতা</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর ঘটনার পর পর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনকে কনভেনর ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে ডেপুটি কনভেনর করে প্রথম তদন্ত কমিটি করা হয়। এই কমিটিতে সামরিক বাহিনী থেকে সদস্য দেওয়া হয়। সেনাবাহিনী থেকে দেওয়া হয় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান নাসিরকে।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রিগেডিয়ার হাসান নাসির সেদিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন আমরা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যাই। এক পাশে গিয়ে বসি। সেনাবাহিনীর ‘ল’ অফিসার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর মোহাম্মদ ছিলেন, নেভির সদস্যও ছিলেন। এমন সময় দেখলাম, সাহারা খাতুন, কামরুল ইসলাম ও সচিব হাবিবুল আউয়াল (পরবর্তী সময়ে সিইসি) হাসতে হাসতে কক্ষে ঢুকলেন। তদন্ত নিয়ে কথাবার্তা নেই, অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলছেন, চা বিস্কুট খাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এমন একটা ভাব যেন সব কিছু স্বাভাবিক। আমাদের আর সহ্য হলো না। আমি হাত উঠিয়ে বললাম আমার প্রশ্ন আছে। সাহারা খাতুন বললেন, বলুন। এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় না, জাতীয় তদন্ত কমিটি প্রশ্ন করতেই সবাই চুপ। সাহারা খাতুন বললেন, কেন আপনি জানেন না, এটা জাতীয় তদন্ত কমিটি? আমি বললাম, আপনি তো সাক্ষী দেবেন। আপনি তো পিলখানার ভেতরে গিয়েছেন ঘটনার পরপরই। ওখানে অফিসারদের মারা হয়েছে, গুলিবর্ষণ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভেতরে থাকা অবস্থায় ২ ঘণ্টায় কী দেখলেন আপনাকে বলতে হবে। এরপর সভা ভেঙে যায়। সচিব বললেন, চলেন আমরা পিলখানা পরিদর্শনে যাই। শেখ হাসিনার বুলেট প্রুফ গাড়িতে করে গেলেন সাহারা খাতুন, অ্যাডভোকেট কামরুল, আইজিপি, নানক, মির্জা আজম। পিলখানা ঘুরে সন্ধ্যায় বাসায় যাই। পরদিন ৩টায় বিডিআর অফিসার্স মেসে আমাদের বসার কথা।</p>
<p style="text-align: justify;">সকালে শুনি কমিটি বাতিল হয়েছে। সচিব আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে নতুন তদন্ত কমিটি হয়েছে। আমাকে রাখা হয়নি। এ ঘটনায় তরুণ অফিসারদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া হয়। পরে আবার আমাকে কমিটিতে রাখা হয়। তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু সবকিছু আড়াল করার আলামত লক্ষ্য করলাম। জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রশ্ন করতে চাইলাম কিন্তু প্রশ্ন করতে দেওয়া হলো না। পরে যে রিপোর্ট তৈরি হলো সেটা দায়সারা একটা রিপোর্ট ছিল। আমি এর সঙ্গে একমত হলাম না। ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>গোয়েন্দা ব্যর্থতা ও তাপসের বিডিআরের পোশাক সংগ্রহ</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানা ঘটনায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল রহস্যজনক। বিডিআর প্যারেডের আগে থেকেই কিছু ঘটনা ঘটছে। ২২ ফেব্রুয়ারি একটি লিফলেট বিতরণ হয়েছে। পিলখানার সর্বত্র লিফলেট লাগিয়ে দেওয়া হয়। ওই সময় অস্ত্র ভাণ্ডার থেকে দুটি অস্ত্র খোয়া যায়। শোনা যায়, ফজলে নূর তাপস বিডিআর-এর ২৫টি পোশাক বানিয়ে বাইরে নিয়ে গেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু এসব কিছুই জানত না ডিজিএফআই। মেজর জেনারেল মোল্লা আকবর ওই লিফলেট পাওয়া সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে বলেছেন, আমাদের এজেন্ট পিলখানার ভেতরে ছিল না। এতবড় একটা ঘটনা ঘটল আর তিনি জানেন না বা তাদের লোক নিয়োজিত করেননি তা কি বিশ্বাসযোগ্য? আসলে গোয়েন্দা ব্যর্থতার চেয়ে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় ডিজিএফআইয়ের একটি অংশও এই চক্রান্তের সঙ্গে ছিল তখন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>আনসারের ডিজি কেন অস্ত্র নিয়ে গেলেন?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর প্যারেডে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু ২৪ ফেব্রুয়ারি প্যারেডে তৎকালীন আনসারের ডিজি মেজর জেনারেল এটিএম আমিন সৈনিকসহ অস্ত্রসহ গেছেন। তার গাড়িতে অস্ত্র ছিল। প্রশ্ন উঠেছে বিডিআরে যে এমন ঘটনা ঘটবে তিনিও কি জানতেন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন কোথায় থেকে এলো?</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">ঘটনার দিন বিপুল ব্ল্যাংক ফায়ার হয়েছে পিলখানায়। ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন ট্রেনিংয়ে ব্যবহার হয়। পিলখানায় ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন থাকার কথা নয়। এত ব্ল্যাংক অ্যামুনেশন কোথা থেকে এলো এটাও রহস্যজনক।</p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানায় গার্ডের দায়িত্বে বিডিআরের যারা ছিলেন তাদের হাতে যেসংখ্যক অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ছিল বাইরে অপেক্ষমাণ সেনাবাহিনীর টিম ও র‌্যাবের কাছে। পিলখানায় বড়জোর ৩-৫ হাজার গুলি ছিল ডিউটিরতদের কাছে। আর বাইরে সেনাদল ও র‌্যাবের কাছে ছিল ১০ হাজারের বেশি গুলি। এদের ঢুকতে দেওয়া হলে পরিস্থিতি ভিন্ন রকম হতে পারত।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>বিডিআর নাম বদলে বিজিবি করার ষড়যন্ত্র</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর এ বাহিনীর নাম পাল্টানোর প্রথম দাবি তুলেন মেজর জেনারেল (অব.) সিআর দত্ত। তিনি এখন প্রয়াত। এরপর বিডিআরের ডিজি হিসেবে যোগদান করেন লে. জেনারেল (অব.) মইনুল ইসলাম। তিনি বিডিআর-এর পোশাক পরেননি। সেনা বাহিনীর পোশাক পরে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয়রা বিডিআর-এর নাম পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে আসছে অনেক আগ থেকে। সেটা তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। এমনকি বিডিআর-এর নাম বিজিবি করার আগেই তিনি বিজিবির নাম লিখে ঈদকার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>তদন্ত কমিটির রিপোর্ট টেম্পারিং</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমানে রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল রফিক বিডিআর ঘটনার তদন্ত কমিটিতে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তিনি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট টেম্পারিং করেছেন। অর্থাৎ প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার কাজ করেছেন। শেখ হাসিনার সরকার তাকে ব্রিগেডিয়ার থেকে মেজর জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে বিডিআর ডিজি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তী সরকার তাকে রেডক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান করায় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহীদ পরিবার এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে বিডিআর হত্যাকাণ্ড মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার ব্যাপারে যার সংশ্লিষ্টতা আছে তিনি কি করে এ আমলে রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান হন?</p>
<p style="text-align: justify;"><span style="color: #003300;"><strong>আইসিটিতে শেখ হাসিনা গংসহ সুনির্দিষ্ট ৫৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের</strong></span></p>
<p style="text-align: justify;">পিলখানা হত্যাকান্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানরা ওই বর্বরোচিত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) আবেদন করেছেন। জানা গেছে, আবেদনে তারা শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নামসহ তাদের সঙ্গে আরো যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনা ছাড়াও রয়েছেন মেজর জেনারেল তারেক আহমেদ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযুক্ত সেনাকর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন উ আহমেদ, ডিজিএফআই’র সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) মোল্লা ফজলে আকবর, মেজর জেনারেল (অব.) মামুন খালেদ, ইমরুল কায়েস, এনএসআই-এর তৎকালীন ডিজি, র‌্যাবের তৎকালীন ডিজি, ডিডিজি, ডাইরেক্টর অপারেশন, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের তৎকালীন আইজি নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। শহীদদের সন্তানরা মনে করছেন, পিলখানা হত্যাকান্ডে ভারতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অসৎ কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশ ছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://amardeshcnd.ideahubbd.com/images/bdr-1_GWtZZ0e.width-800.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গুমে ‘সুপিরিয়র কমান্ড’ শেখ হাসিনা : গুম কমিশন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2162/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2162/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Jan 2025 03:00:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2162/</guid>

					<description><![CDATA[গত পনেরো বছরে গুমের সঙ্গে রাষ্ট্রের পাঁচটি বাহিনী জড়িত ছিল। গুম কমিশন ৭৫৮টি গুমের ঘটনা অনুসন্ধান করে এসব বাহিনীর ৩২ কর্মকর্তাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। গুম হওয়াদের মধ্যে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলম, তেজগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুমন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিবির নেতা ওয়ালিউল্লাহ ও মোকাদ্দেসসহ ৪৫০ জন হয়তো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">গত পনেরো বছরে গুমের সঙ্গে রাষ্ট্রের পাঁচটি বাহিনী জড়িত ছিল। গুম কমিশন ৭৫৮টি গুমের ঘটনা অনুসন্ধান করে এসব বাহিনীর ৩২ কর্মকর্তাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। গুম হওয়াদের মধ্যে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলম, তেজগাঁও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুমন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিবির নেতা ওয়ালিউল্লাহ ও মোকাদ্দেসসহ ৪৫০ জন হয়তো আর ফিরবে না বলে গুম কমিশন সূত্রে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইলিয়াস আলীর পরিণতি সম্পর্কে খবর প্রকাশের পর আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে আরও নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, রাষ্ট্রীয় পাঁচ বাহিনীর মধ্যে ডিজিএফআইয়ের সাবেক একাধিক ডিজির নামও অভিযুক্তের তালিকায় রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে সুপিরিয়র কমান্ড হিসেবে শেখ হাসিনার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। শেখ হাসিনা তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিকীর মাধ্যমে গুমের নির্দেশনাগুলো দিতেন বলে কমিশনের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এ রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কীভাবে গুম করা হতো, গুমের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে নির্যাতন করা হতো, তার ভয়াবহ লোমহর্ষক বর্ণনা বিভিন্ন কেস স্টাডিতে তুলে ধরা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধু গুমই নয়, অপহরণের পর খুন করে লাশও গুম করা হয়েছে। লাশ গুম করতে সিমেন্টের বস্তায় লাশ ভরে ফলা হতো প্রধানত বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে। এজন্য পোস্তগোলাঘাট ও কাঞ্চন ব্রিজ ব্যবহার করা হতো।</p>
<p style="text-align: justify;">জনবিক্ষোভে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকীর মাধ্যমে গুমের নির্দেশনা দিতেন। মিশন বাস্তবায়ন করত র‌্যাব, সিটিটিসি, ডিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইসহ রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো। গুম তদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে দাখিল করা প্রথম রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সাদা পোশাকে এক বাহিনী গুম করত, প্রচার করা হতো অন্য বাহিনীর নাম। এক বাহিনীর সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে আসত টার্গেট মানুষটিকে, হস্তান্তর করা হতো অন্য বাহিনীর হাতে।</p>
<p style="text-align: justify;">এভাবে নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে হাত বদল করা হতো। এম ঘটনা ঘটেছে আলোচিত গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আমার আযমী এবং হুম্মাম কাদের চৌধুরীর ক্ষেত্রে। তারা দুইজনই শেষ পর্যন্ত জীবন বাঁচিয়ে ফিরে আসতে সক্ষম হলেও ৪৫০ জন হয়তো আর ফিরবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের কাছে জমা দেওয়া গুম কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজিএফআইয়ের সাবেক একাধিক কর্মকর্তা তারেক সিদ্দিকীর নির্দেশনার কথা স্বীকার করেছেন। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে গুম ও চিরদিনের জন্য হারিয়ে দেওয়ার নির্দেশনাটি সরাসরি শেখ হাসিনার কাছ থেকেই এসেছিল। শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশেই ইলিয়াস আলীকে বনানীর বাসার কাছাকাছি জায়গা থেকে তুলে নিয়ে গুম করে রাষ্ট্রীয় বাহিনী।</p>
<p style="text-align: justify;">গুম কমিশনের প্রথম জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, মোট ১ হাজার ৬৭৬টি অভিযোগ থেকে ৭৫৮টি অভিযোগ পর্যালোচনা ও অনুসন্ধান করেছে কমিশন। ৭৫৮টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে ২০০৯ সালের পাঁচটি, ২০১০ সালের ১৯টি, ২০১১ সালের ২৩, ২০১২ সালের ৩৪, ২০১৩ সালের ৭৩, ২০১৪ সালে ৪৫, ২০১৫ সালে ৭৮, ২০১৬ সালে ১৩০, ২০১৭ সালে ৮৪, ২০১৮ সালে ৮৯, ২০১৯ সালে ৩৬, ২০২০ সালে ১৮, ২০২১ সালে ২৫, ২০২২ সালের ৪২, ২০২৩ সালের ৪৩ এবং ২০২৪ সালের ২১টি ঘটনা পর্যালোচনা করেছে কমিশন। গত ১৫ বছর বিরোধী মতের মানুষকে গুমের সঙ্গে কারা জড়িত, কারা জড়িত, কীভাবে নির্যাতন বা হত্যা করা হতো তার নানা বর্ণনা ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এসেছে।</p>
<p><strong>৮টি গোপন বন্দিশালায় যেভাবে নির্যাতন</strong></p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের অনুসন্ধানে ডিজিএফআই, সিটিটিসি, র‌্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর ৮টি গোপন বন্দিশালার সন্ধান পেয়েছে। এগুলো আয়নাঘর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অপহরণের পর ভুক্তভোগীদের এসব গোপন বন্দিশালার অন্ধকার কক্ষে রাখা হতো। সেখানে তাদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হতো। কমিশনেরর তদন্তে ভুক্তভোগীরা এমন নানা নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের তদন্তে উঠে আসে ২০১০ সালে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে র‌্যাব এক যুবককে অপহরণ করে চেতনানাশক ছাড়াই তার ঠোঁট সেলাই করে দেয়। এছাড়া মাথায় গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে অনেককে। লাশ সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে এমন অনেক লাশ ফেলা হয়েছে। লাশ ফেলার জন্য ঢাকার পোস্তগোলাঘাট ও কাঞ্চন ব্রিজ ব্যবহার করা হতো। নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনায় আরও উল্লেখ করা হয়, যৌনাঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হতো। প্রতিবেদনে অপহরণ, আটক, নির্যাতন, হত্যা ও মুক্তিÑএ পাঁচ ভাগে গুমের ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৩২ জনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে তুলে নিয়ে গুম করার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে ৩২ জনকে চিহ্নিত করেছে গুম তদন্ত কমিশন। বিভিন্ন বাহিনীর চিহ্নিত ৩২ জনকে বিদেশ যাওয়া থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানিয়ে সরকারকে চিঠি দেওয়া দেয় কমিশন। এ ৩২ জনের মধ্যে সেনা, গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই, র‌্যাব, সিটিটিসি, এনএসআই, ডিবি, এসবি, সিআইডি ও পুলিশের সদস্য রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>হুম্মাম কাদের চৌধুরীর গুম ও শেখ হাসিনার মন্তব্য</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর গুমের ঘটনা ও ফিরে আসা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আমান আযমীসহ বেশ কয়েকজনের কেস স্টাডি উল্লেখ রয়েছে গুম কমিশনের প্রথম প্রতিবেদনে। গুম কমিশনের প্রথম জমা দেওয়া রিপোর্টে লায়াবিলিটি অব ডিবি, ডিজিএফআই, সিটিটিসি এবং শেখ হাসিনা শিরোনামে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর কেস স্টাডিতে একটি চ্যাপ্টারে উল্লেখ রয়েছে। হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে অপহরণ করেছিল ডিবি।</p>
<p style="text-align: justify;">পরবর্তী সময়ে তাকে হস্তান্তর করা হয় ডিজিএফআইয়ের কাছে। সর্বশেষ ডিজিএফআই থেকে হস্তান্তর করা হয় সিটিআইবির কাছে। হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে অপহরণ ও গুম করে রাখার সঙ্গে জড়িত থাকায় ডিবির তৎকালীন প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিজিএফআই প্রধান জেনারেল আকবর এবং তৎকালীন সিটিআইবি প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে দায়ী করা হয়েছে গুম তদন্ত কমিশনের জমা দেওয়া প্রথম প্রতিবেদনে।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজিএফআইয়ের তৎকালীন জেনারেল আকবর জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরবর্তী সময়ে স্বীকার করেছেন, হুম্মাম কাদেরের অপহরণের পর শেখ হাসিনার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে অন্তত দুইবার আলোচনা করেছিলেন। এছাড়া তারেক সিদ্দিকীর সঙ্গেও একবার আলোচনা করেছেন হুম্মাম কাদের প্রসঙ্গে।</p>
<p style="text-align: justify;">হুম্মাম কাদেরের পরিবারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন। তখন শেখ হাসিনা তাকে বলেছিলেন, ‘আচ্ছা দেখি’। বলেছিলেন, ‘এ বিষয়ে কি অ্যাডভাইজারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন?’। কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, তাহলে কি হুম্মামকে ছেড়ে দেওয়ার পুরো এখতিয়ার শেখ হাসিনার ছিল? জানতে চাওয়া হয়েছিল জেনারেল আকবরের কাছে। জবাবে আকবর জানিয়েছেন, ‘এভরিথিং ক্যান হেপেন, ইফ পিএম ওয়ান্টস টু হেপেন’ (প্রধানমন্ত্রী যা চাইতেন তাই ঘটত)।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গুমের ঘটনাগুলো নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাবেক চিফ অব আর্মি স্টাফ মেজর জেনারেল শফিউল আবেদীনকে তলব করেছিল কমিশন। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। কমিশনের সমনের জবাব দিতে সাড়া না দিয়ে জবাবদিহিতা এড়ানোর চেষ্টা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে কমিশনের রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়, হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে গোপন বন্দিশালা থেকে ছেড়ে দেওয়ার আগে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তাকে দ্বিতীয় জীবন লাভের সুযোগ করে দিচ্ছেন। তাকে বলা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাকে রাজনীতি থেকে বিরত থাকতে হবে। আরও বলা হয়েছিল, দেশ ছাড়তে হবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি হলেই কেবল ফিরতে পারবে। একই কথা দ্বিতীয়বার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল হুম্মামকে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আযমীকে গুম ও অন্তরীণ রাখায় পাঁচ জেনারেল, পাঁচ ব্রিগেডিয়ার অভিযুক্ত</strong></p>
<p style="text-align: justify;">ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ আমান আযমীকে গুম এবং অন্তরীণ রাখার দায়ে ডিজিএফআইয়ের পাঁচজন মেজর জেনারেলকে অভিযুক্ত করেছে গুম তদন্ত কমিশন। এছাড়া সিটিআইয়ের পাঁচজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে দায়ী করা হয়েছে রিপোর্টে।</p>
<p style="text-align: justify;">ডিজিএফআইয়ের পাঁচ জেনারেল হলেনÑমেজর জেনারেল (অব.) আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) শফিউল আবেদীন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল ইসলাম, মেজর জেনারেল তাবরেজ শামস্ চৌধুরী, মেজর জেনারেল হামিদুল হক। তারা সবাই ব্রিগেডিয়ার আযমীকে অন্তরীণ রাখাকালীন ডিজিএফআইয়ের উচ্চপদে চাকরি করেছেন এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত গোপন বন্দিশালায় তিনি আটক ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সময়ে সিটিআইবির উচ্চপদে থাকা পাঁচ ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকেও দায়ী করা হয়েছে। তারা হলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ এম ডি সারোয়ার হোসাইন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কবির আহমদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৬০ শতাংশ গুমের সঙ্গে জড়িত র‌্যাব</strong></p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে, কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ৬০ শতাংশই র‌্যাবের দ্বারা অপহরণের শিকার হয়েছিলেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে পুলিশের মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত সিটিটিসি (কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম)। কথিত জঙ্গি দমনের নামে ২০১৬ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে গঠিত এ ইউনিট অল্পদিনের মধ্যেই মানুষ গুম করার দৌড়ে দ্বিতীয় অবস্থানে স্থান করে নেয়। আমেরিকান পরামর্শ ও অর্থায়নে তৈরি হয়েছিল সিটিটিসি। অত্যাধুনিক অস্ত্র ও ইকুইপমেন্ট দিয়ে সাজানো হয়েছিল এ ইউনিট। আমেরিকান প্রতিনিধিরা এখনো নিয়মিত তদারকি এবং ট্রেনিং দেন এ বাহিনীর সদস্যদের। অথচ মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের কম্পাউন্ডে তৈরি করা সিটিটিসি ভবনের ৭ম তলায় রয়েছে গোপন বন্দিশালা। বন্দিশালার ছোট ছোট রুমে বছরের পর বছর গুম করে রাখা হয়েছিল অনেক মানুষকে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ইউনিটের একজন অফিসার আমার দেশকে বলেন, আমেরিকানরা এখন বলছে, আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সরকার এ বাহিনীকে মিস ইউজ করেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট অভ্যুত্থান পর্যন্ত অনেকে বন্দি ছিলেন এ গোপন বন্দিশালায়। বিপ্লবে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্যান্টনমেন্টসংলগ্ন মিরপুরের কচুক্ষেত এলাকায় ডিজিএফআইয়ের নিয়ন্ত্রণে ছিল আয়নাঘরখ্যাত আরও একটি গোপন বন্দিশালা। ৫ আগস্ট বিপ্লবের পর এ বন্দিশালা থেকেই বের হয়ে এসেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আমান আযমী ও ব্যারিস্টার আরমান।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী, তুলে নিয়ে কাউকে নির্জন বন্দিশালায় আটক রাখা হতো। আবার কাউকে দুনিয়া থেকে চিরদিনের জন্য বিদায় করা হতো হত্যা করে। তাদের লাশটিও ফেরত দেওয়া হতো না পরিবারের কাছে। যাদের লাশ ফেরত দেওয়া হয়নি, তাদের পরিবার জানে না পরিণতি কী হয়েছে। আবদুল্লাহ আমার আযমী ও ব্যারিস্টার আরমান বের হয়ে আসার পর গুমের শিকার অনেকের পরিবারই আশায় বুক বেঁধেছিলেন তাদের স্বজনরাও ফিরে আসবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু হতাশা তাদের কাটছে না। ভবিষ্যতেও এ হতাশা কাটার ক্ষীণ সম্ভাবনাও নেই। শেখ হাসিনা ও তারেক সিদ্দিকীর এমন নির্মমতার শিকার হয়েছেন ৪৫০ জনেরও বেশি। ফিরে না পাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনাও নেই, এমন তালিকায় বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ছাড়াও রয়েছেন, চৌধুরী আলমসহ বিএনপি ও ছাত্রদল এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের অনেক নেতাকর্মী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>র‌্যাব ও সিটিটিসির পর রয়েছে ডিজিএফআই, ডিবি, এনএসআই এবং পুলিশ।</strong></p>
<p style="text-align: justify;">কমিশনের তদন্তে উঠে আসা অনেকগুলো কেস স্টাডির মধ্যে রয়েছে সাবেক রাষ্ট্রদূত জামান, সুখরঞ্জন বালী, বিএনপির সালাউদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজনকে গুম করে ভারতে নিয়ে যাওয়ার কথা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গুমের পর ২৭ শতাংশ ফেরেনি</strong></p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার আমলে গুমের শিকার পরিবারগুলোর ৭৫৮ অভিযোগ পর্যালোচনার পর কমিশন নিশ্চিত হয়েছে ২৭ শতাংশ (অন্তত ২০৪ জন) আর ফিরে আসেনি। কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোর সদস্যরা মানুষকে উঠিয়ে নিয়ে গুম করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন</strong></p>
<p style="text-align: justify;">২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গুমের ঘটনাগুলো তদন্ত করতে অন্তর্বর্তী সরকার ২৭ আগস্ট বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠন করে। কমিশন গত ১৫ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ শিরোনামে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশন আগামী এপ্রিলে আরও একটি প্রতিবেদন সরকারের কাছে পেশ করবে বলে জানা গেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2162/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2024September/missing-2-20240915205614.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2059/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2059/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Jan 2025 05:00:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2059/</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগ আমলের ১৫ বছরে গুমের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৬ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনা ছাড়াও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ আমলের ১৫ বছরে গুমের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (৬ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনা ছাড়াও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়াদের মধ্যে আছেন সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। এ অভিযোগে এরাই মধ্যে গ্রেফতার আছেন এনটিএমসি’র সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘৃণ্য কাজ ধারার সাহস না পায় তারই নজির হবে এ বিচার। গুমের সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব সংস্থার নাম উঠেছে, বিচারের মাধ্যমে সেগুলোর ইমেজ পুনরুদ্ধারের কথা জানান তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2059/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.banglatribune.net/contents/cache/images/640x0x1/uploads/media/2020/03/10/d4a438355a8e3f9c6e528a205262a3cd-5e672b57b50b5.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনার ফাঁসি চায় আহত ও নিহতদের পরিবার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/56872/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/56872/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Dec 2024 10:45:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=56872</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বিচার কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন আহত ও নিহতের পরিবাররা। মঙ্গলবার দুপুর তিনটায় বৈসষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত &#8216;মার্চ ফর ইউনিটি&#8217; কর্মসূচিতে আগত নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা এই দাবি জানান। &#8216;মার্চ ফর ইউনিটি&#8217; কর্মসূচিতে গত ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ শাহরিয়ার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বিচার কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন আহত ও নিহতের পরিবাররা।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার দুপুর তিনটায় বৈসষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত &#8216;মার্চ ফর ইউনিটি&#8217; কর্মসূচিতে আগত নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা এই দাবি জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">&#8216;মার্চ ফর ইউনিটি&#8217; কর্মসূচিতে গত ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ শাহরিয়ার আসাদ আলভির বাবা আবুল হাসান বক্তব্যে বলেন, আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের দুঃখ শুধু তারাই বুঝবে যারা তাদের মূল্যবান সন্তান হারিয়েছে। আমরা আজকে যারা সন্তানহারা হয়েছি, তারা প্রতিটা মুহূর্তে সন্তানকে অনভূব করি। আমাদের এই কান্না থামবে না। আমাদের বেদনা ও শোক কোনোদিন যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার বিচার দাবি করে বলেন, খুনি হাসিনা পাখির মতো মানুষকে হত্যা করেছে, তার মন্ত্রীপরিষদ ও হেলমেট বাহিনী এই কাজগুলো করেছে। শেখ হাসিনাকে দ্রুত দেশে এনে ফাঁসি দেওয়া হোক।</p>
<p style="text-align: justify;">বর্তমান সরকারের কাছে তিনি দ্রুত বিচার দাবি করে বলেন, শহীদের রক্তের উপরে বর্তমান দাঁড়ানো সরকার গত পাঁচ মাসেও বিচারের কোনো প্রক্রিয়া দেখিনি। আমরা বিচারের দাবিতে প্রহসন চাই না। আমাদেরকে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে বাধ্য করবেন না। আমাদের সন্তানদের হত্যার বিচার করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে ছেলে হত্যার বিচার দাবি করে শহীদ মিনারে মার্চ ফর জাস্টিসে যোগ দিয়েছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা জহুরা খাতুন। গত ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় জহুরার ১৩ বছরের সন্তান যোবায়েদ হোসেন ইমন। ইমন মোহাম্মদপুরে একটি মাদ্রাসায় চতুর্থ শেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলে দাবি করেন তার মা জহুরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় কাঁদো কাঁদো গলায় তিনি বলেন, আমার ছেলে মোহাম্মদপুরে আন্দোলনে যায়। আমি তাকে যেতে বাঁধা দিলেও সে জোর করেই বাসা থেকে বের হয়ে আন্দোলনে যোগদান করে। এরপরে পুলিশ তাকে গুলি করে যা মাথার ডান পাশ থেকে ঢুকে মুখের বা পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি আমার ছেলেকে যে বা যারা হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি চাই। এসময় ইমন হত্যাসহ দেশের সকল শহীদ ও আহতদের সুষ্ঠু বিচার চান জহুরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/56872/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://images.dailyamardesh.com/original_images/shd_mnr_4.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনার বিচার চাইলেন শহীদ ছাত্রজনতার পরিবারের সদস্যরা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/274/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/274/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Dec 2024 04:00:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই বিপ্লব]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=274</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীর উত্তরায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রজনতার পরিবারের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) উত্তরার আজমপুর শহীদ মুগ্ধ মঞ্চে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ, ছত্রিশের সাহসিনী ও গ্লোবাল নলেজ ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান। সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, সরকার শহীদদের ভুলে গেছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীর উত্তরায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রজনতার পরিবারের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) উত্তরার আজমপুর শহীদ মুগ্ধ মঞ্চে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ, ছত্রিশের সাহসিনী ও গ্লোবাল নলেজ ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, সরকার শহীদদের ভুলে গেছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ রাখছে না। শহীদদের হত্যায় জড়িত পুলিশকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না এবং অন্যান্য আসামিরাও ধরাছোঁয়ার বাইরে।</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ নাঈমা সুলতানার মা আইনুন নাহার বলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে মিছিলে যেতে দেইনি। তাকে সারাক্ষণ বাসায় রেখেছি। কিন্তু বাসায় থেকেও মেয়েকে বাঁচাতে পারিনি। &#8230; কোথাও পুলিশ দেখলে চোখের পানি ধরে রাখতে পারি না। তারা আমার মেয়েকে কতটা কষ্ট দিয়ে মেরেছে!’</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ শাহরিয়ার হাসান আলভীর বাবা আবুল হাসান বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েরা জীবনের পরোয়া করেনি। &#8230; গুলি খাওয়া ছেলের লাশ বাবা-মার সামনে কেমন তা একমাত্র শহীদ পরিবাররাই জানে। &#8230; অথচ এই অবস্থায় আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।’ তিনি খুনীদের বিচার এবং শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবি জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগম বলেন, ‘আমার জাবিরকে কি কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবেন? &#8230; আমার জাবিরের হত্যার বিচার চাই।’ তার স্বামী কবির হোসেন বলেন, ‘দুই হাজার ছাত্রজনতা যদি শহীদ হয় তাহলে দুই হাজার পুলিশ খুনি।’</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ সিফাত হাসানের বাবা বলেন, ‘আমাদের যে দুই হাজার ছেলেমেয়ে নিহত ও ৩০ হাজার আহত হলো এর বিচার আর হবে কিনা আমি জানি না। এই সরকার টাকা দিয়ে আমাদের সন্তানদের ঘাটতি পূরণ করতে পারবে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমান জুলাই আন্দোলনকে যৌক্তিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘কোনো গণতান্ত্রিক সরকার যৌক্তিক আন্দোলনে গুলি চালাতে পারে তা বিশ্বাসযোগ্য না।’</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম ইয়াসিনের মা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দ্বারা তার ছেলে হত্যার অভিযোগ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্মেলনে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা, শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীরের বোন, শহীদ শাফিক উদ্দীন আহনাফের মা, শহীদ রিদোয়ান শরীফ রিয়াদের বোন, শহীদ রায়হানের বোন, শহীদ সাইফ আরাফাত শরীফের বোন, শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওনের বাবা, শহীদ ইমাম হাসানের ভাই সহ আরও অনেক শহীদ পরিবারের সদস্য বক্তব্য রাখেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গ্লোবাল নলেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক তাজমেরী এস ইসলাম, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্মেলনে জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদ পরিবারকে যথাযথ মর্যাদা ও আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা, উত্তরায় শহীদ স্মৃতি পাবলিক লাইব্রেরী ও শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা, আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের মানসিক সহায়তা প্রদান এবং জুলাই বিপ্লবের ইতিহাসে নারী ও শিশুদের অবদান তুলে ধরার দাবি জানানো হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/274/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bangla.24livenewspaper.com/images/bangladesh/jatiyo-biplobi-parishad-conference-in-uttara.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গেরুয়া সন্ত্রাসী চন্দন থেকে যেভাবে  চিন্ময়!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/532886/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Dec 2024 07:43:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=532886</guid>

					<description><![CDATA[বাবা-মায়ের দেওয়া নাম চন্দন কুমার ধর। উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকনে যোগ দেওয়ার পর বনে যান চিন্ময় কুমার দাস ব্রহ্মচারী। ভক্তরা তাকে ডাকেন চিন্ময় প্রভু নামে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১৬ নম্বর করায়নগর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মৃত মাস্টার আশুতোষ ধর ও সন্ধ্যা রানী ধরের ছেলে তিনি। বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর, মেজো ভাই অঞ্জন কুমার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাবা-মায়ের দেওয়া নাম চন্দন কুমার ধর। উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকনে যোগ দেওয়ার পর বনে যান চিন্ময় কুমার দাস ব্রহ্মচারী। ভক্তরা তাকে ডাকেন চিন্ময় প্রভু নামে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১৬ নম্বর করায়নগর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মৃত মাস্টার আশুতোষ ধর ও সন্ধ্যা রানী ধরের ছেলে তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর, মেজো ভাই অঞ্জন কুমার ধর ও বোন রুনা ধরের পরে জন্ম তার। ১৯৮৫ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দিতে এসে ভিড়ের কারণে স্ট্রোক করে মারা যান আশুতোষ ধর।</p>
<p style="text-align: justify;">ওইদিনই কক্সবাজারের ডুলাহাজারা মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন চিন্ময়। জন্মের সময় বাবার মৃত্যু হওয়ায় গ্রামের মানুষের কাছে অপয়া সন্তান হিসেবে পরিচিতি পায় চন্দন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ১৯৯৮ সালে সাতকানিয়া থেকে চট্টগ্রামে পাড়ি জমান সপরিবারে।</p>
<p style="text-align: justify;">বন্দর নগরীতে এসে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকা অবস্থায় হঠাৎ একদিন জানা গেল তিনি সন্ন্যাসী হয়েছেন। পরের গন্তব্য বিতর্কিত ইসকন। গেরুয়া বেশে উগ্র তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই ইসকনের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। খাতা-কলমে সংগঠনটির তিন নম্বর নেতা হলেও কার্যত ইসকনের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তারই হাতে।</p>
<h4 style="text-align: justify;">বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত</h4>
<p style="text-align: justify;">জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে ফ্যাসিবাদী শাসন ফিরিয়ে আনার নীলনকশা আঁটে দিল্লি, যার অন্যতম সেনাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এই ইসকন নেতা। ইসকনের বাইরে সাধারণ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করে মাঠে নামাতে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট নামের আরেকটি সংগঠন খুলে বসে চিন্ময়।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসকনের আঞ্চলিক সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের প্রবর্তক মন্দিরে ১৭ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তথাকথিত এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের পরিকল্পনায় ভারতপন্থি আরও কয়েকটি ছোটখাটো সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটানো হয়, যার সমন্বয় করছেন ভারতে পালিয়ে থাকা পতিত সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের পরিকল্পনায় অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ বানাতে সক্রিয় ছিলেন তথাকথিত ধর্মীয় গুরু চিন্ময় ওরফে চন্দন। সেই লক্ষ্যে সরকার পতনের পরপরই তিন মাসে অন্তত ১৫টি বড় সমাবেশ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উসকে দেন তিনি। এসব সমাবেশের বেশির ভাগই অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের জামালখান থেকে লালদীঘি পর্যন্ত মুহিবুল হাসান চৌধুরীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকায়। গেরুয়া বেশে এসব সমাবেশে অংশ নেন আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মানুষের ভিড়ে এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন ধরনের উসকানি দেওয়ার পাশাপাশি নাটক সাজিয়ে তিলকে তাল বানিয়ে সেগুলো ভিডিও করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ভারতের হিন্দুত্ববাদী মিডিয়ায়। দুই সাংবাদিক, এক ফ্রিল্যান্সার ফটো সাংবাদিক ও দুই অ্যাডভোকেটের নেতৃত্বে গঠিত একটি টিম এসব ভিডিও ধারণ ও পাঠানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ ও পূরবী দাস, এডভোকেট শুভাশিস শর্মা , লীলা রাজ গৌর দাস ও ফ্রি ল্যান্সার ফটোগ্রাফার পরিচয়দানকারী গৌরাঙ্গ দাস।</p>
<p style="text-align: justify;">ফ্যাসিবাদের পতনের পর মূলত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য। মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আজম নাসির উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, জহরলাল হাজারী ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী ক্যাডার নুরুল আজিম রনি এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাধানোর মূল দায়িত্বে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করলে ইসকনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করে পূরবী দাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সপরিবারে ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের কোনো বিষয়ে তিনি জানেন না। তার ব্যাপারে কোনো তথ্য পেলে ভালোভাবে তদন্ত করার অনুরোধ জানান তিনি। আর বিপ্লব পার্থ নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বিএনপিপন্থি পেশাজীবী পরিষদের সক্রিয় নেতা বলে দাবি করেন। ইসকন কিংবা চিন্ময় দাসের সঙ্গে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। তবে জনৈক সুমন চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি ইসকনের ভিডিও ও ছবি বিভিন্ন জায়গায় পাঠাই বলে জানান তিনি।</p>
<h4 style="text-align: justify;">ইসকনের মূল টার্গেট চট্টগ্রাম</h4>
<p style="text-align: justify;">১/১১-এর সেনাশাসকের সহযোগিতায় ২০০৮ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মূলত ইসকনের কার্যক্রম বড় পরিসরে শুরু হয় বাংলাদেশে। কাজের সুবিধার্থে কয়েকটি পুরোনো মন্দিরের দখল নেওয়াসহ শুধু এই এলাকায় ১৪টি মন্দির প্রতিষ্ঠা করে ইসকন।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব মন্দির ইসকনের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ধর্ম প্রচারের নামে চলে সংখ্যালঘুদের মগজ ধোলাইয়ের কাজ। বিশেষ করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মরত হিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মকর্তাদের টার্গেট করে চলে সদস্য সংগ্রহের কাজ। একটি গোয়েন্দা সংস্থা শুধু চট্টগ্রাম বন্দরেই ইসকনের ৫০ সদস্যের তালিকা সংগ্রহ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) এএলএম ফজলুর রহমান জানান, সরকারি অফিসগুলোয় কোনো বিশেষ সংগঠনের প্রভাব বাড়ানোর মানে হলো যেকোনো পরিস্থিতিতে সরকারকে চাপে ফেলে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। তিনি জানান, ইসকনের তৎপরতা চট্টগ্রাম ও রংপুরকেন্দ্রিক।</p>
<p style="text-align: justify;">বান্দরবানের সন্ত্রাসী সংগঠন কেএনএফের প্রধান নেতা নাথান বমও আশ্রয়-প্রশ্রয় ও অস্ত্র পাচ্ছে ভারত থেকে। চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের নিয়ন্ত্রণ পেলে মিজোরামের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে ভারতের। অন্যদিকে রংপুর নিয়ন্ত্রণে এলে চিকেন নেকের সঙ্গে তাদের যোগাযোগটা সহজ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত এই টার্গেটেই মাঠে নেমেছে ইসকন। এই দুই জায়গায় বিপুল পরিমাণ জমিও কিনেছে সংগঠনটি, যা তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মনে করেন এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, ভারতের এই পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে। আর তাই প্ল্যান-বির অংশ হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে চট্টগ্রামকে। কারণ চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র নওফেলের নির্বাচনী এলাকা ঘিরে অন্তত ৫৪ হাজার সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষের বাস, যাদের মধ্যে জামাল খান, বান্ডেল কলোনি, আন্দরকিল্লাহ, কোতোয়ালি এলাকায় রয়েছে ইসকনের শক্ত অবস্থান। সেজন্য সরকার পতনের পর তারা চট্টগ্রামকেই বেছে নেয় অস্থিরতা তৈরির কি-পয়েন্ট হিসেবে। গত দুর্গাপূজায় ইসলামি একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীদের ডেকে নিয়ে মঞ্চে তুলে ইসলামি গান পরিবেশনের ঘটনাটিও ছিল ধুরন্ধর ইসকনের কূটচাল।</p>
<h4 style="text-align: justify;">সীমান্তে হত্যায় ভারতকে সমর্থন</h4>
<p style="text-align: justify;">চিন্ময় দাশের কথিত সনাতন জাগরণী জোটের কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকার অবমাননার পর বিএসএফের হাতে বাংলাদেশিদের খুন হওয়ার ঘটনায় ভারতের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে সমালোচিত হন উগ্র এই ধর্মীয় নেতা চন্দন ধর ওরফে চিন্ময় দাশ। সম্প্রতি বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী স্বর্ণা দাস ও কিশোর জয়ন্ত কুমার সিংহ নিহত হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘সীমান্তে দুই হিন্দু মারা গেছে, এ জন্য মায়া-দরদ দেখাচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তো, আমি বলতে চাই, তারা কেন সীমান্তে গেছে? আগে ওটি খুঁজে নিন।’</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের বিরুদ্ধে শিশুধর্ষণের অভিযোগ</h4>
<p style="text-align: justify;">ইসকনের বিতর্কিত নেতা চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে অন্তত ১০ শিশুকে ধর্ষণ ও বলাৎকারের অভিযোগ তোলা হয়েছে। নিপীড়নের শিকার শিশুরা সবাই হাটহাজারী পুন্ডরিকধাম মন্দিরের বাসিন্দা। এই মন্দিরেরই অধ্যক্ষ হিসেবে আছেন চিন্ময় দাস। বিভিন্ন কৌশলে রাতে শিশুদের নিজের ঘরে নিয়ে বলাৎকার করতেন চিন্ময়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে চার শিশু চিন্ময় দাশের বিরুদ্ধে নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ করেন ইসকন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক শিশু সুরক্ষা কার্যালয়ে (সিপিটি)। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ওই বছরের ৬ অক্টোবর সিপিটি থেকে চিন্ময়কে ইসকনের নেতৃস্থানীয় পদে না রাখা, শিশু ও নারীদের সঙ্গে যোগাযোগে বিরত থাকাসহ পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের নির্দেশে হাজারীগলিতে সেনাসদস্যদের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ</h4>
<p style="text-align: justify;">৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের হাজারীগলিতে এক মুসলমান দোকান কর্মচারী ইসকনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। এরই জের ধরে ইসকনের সদস্যরা ওই দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। তারা চিন্ময়ের সঙ্গেও মুঠোফোনে আলোচনা করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। কিন্তু ইসকন সমর্থকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে কাচের বোতল ও অ্যাসিড ছুড়ে মারা হয় পুলিশ ও সেনাসদস্যদের ওপর। ইসকন সমর্থকদের ছোড়া এসিডে ঝলসে যান পাঁচ সেনা ও ৯ পুলিশ সদস্য।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের নির্দেশে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা</h4>
<p style="text-align: justify;">গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সরকারি আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ খুনে জড়িত ছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অনুসারী, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী ও ইসকন-সমর্থক আইনজীবী ও ক্লার্ক। ওই আইনজীবীকে ১০-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আক্রমণ চালিয়ে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে প্রিজনভ্যান আটকে বিক্ষোভ করতে থাকেন ইসকন সমর্থকরা। এসময় নজিরবিহীনভাবে পুলিশের হ্যান্ডমাইক ছিনিয়ে নিয়ে প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকেই উসকানিমূলক বক্তব্য দেন চিন্ময়। এর পরপরই ইসকন সমর্থকরা আদালত এলাকায় তাণ্ডব চালায়। পুলিশ বাধা দিলে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ। এসময় আদালত পাহাড়ের নিচে রঙ্গম কমিউনিটি সেন্টারের গলিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে ধাওয়া করে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে ইসকনের সন্ত্রাসীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ১২ জনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা পুলিশকে জানিয়েছে, চিন্ময় দাসের মুক্তির দাবিতে তার অনুসারীরা চট্টগ্রাম আদালত ভবনে সংঘর্ষে জড়ানো ও বিচারককে মারধর করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ায় আইনজীবীকে হত্যার মিশন নেওয়া হয়। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আর্থিক সহায়তা করেন হাজারীগলির কাটাপাহাড় এলাকার অরবিন্দ ধর বসু নামের এক ইসকন নেতা।</p>
<h4 style="text-align: justify;">প্রশাসনে ইসকনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক</h4>
<p style="text-align: justify;">শিশুধর্ষণ, জমি দখল এমনকি সরাসরি আইনজীবী হত্যায় উসকানি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও একটি মামলায়ও চিন্ময় দাসের নাম নেই। কারণ শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে প্রশাসনে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইসকন। দেশের এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে ইসকনের সদস্যরা নেই। তাদের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন ধরে ভারতে তথ্য পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরই মধ্যে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তালিকা ধরে বিশেষ নজরে রেখেছেন তাদের। একটি সংস্থা থেকে ইসকন সদস্যদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। ওই তালিকায় রয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, মহানগর যুবলীগের সহসভাপতি দেবশিষ পাল দেবু, চট্টগ্রাম বন্দরের সিবিএ নেতা আশীষ কান্তি মুহুরী, বন্দরের যান্ত্রিক বিভাগের কর্মকর্তা সঞ্চয় কুমার দে, বিশ্বজিৎ দেব, শজীব শর্মা, হৃদয় কুমার দাস (ছাত্রলীগের লায়ন্স সংঘের সাধারণ সম্পাদক), রতন কুমার দাস (চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসায়ী), সৌরভ শাহ (চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসায়ী), আশোক কুমার দাস (চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবসায়ী), বন্দর কর্মকর্তা নয়ন মণি, হিমেল বড়ুয়া, সুমন দাস, অপূর্ব কুমার চক্রবর্তী, কিশোর কান্তি দাস ও পর্ণব দাস (বন্দর থানার ইসকনের সাধারণ সম্পাদক)।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের নির্দেশেই ভারতে গিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারে নেমেছেন তার আইনজীবী</h4>
<p style="text-align: justify;">চিন্ময় দাসের আইনজীবীর নাম রবীন্দ্র ঘোষ। তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ভারতে বসবাস করলেও তিনি বাংলাদেশেই থাকতেন। তবে বর্তমানে চিকিৎসা ভিসায় ভারতে অবস্থান করছেন। সেখানে বসেই চিন্ময়ের নির্দেশে পতিত শেখ হাসিনার এজেন্ডা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে চলেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল রবীন্দ্র ঘোষের। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তার ওপর নজরদারি শুরু করে বাংলাদেশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। বিষয়টি বুঝতে পেরেই চিকিৎসার নামে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে ছেলের ফ্ল্যাটে অবস্থান করছেন রবীন্দ্র ঘোষ। ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর দিনভর ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সপরিবারে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের উসকানি দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৮ ডিসেম্বর সাবেক বিজেপি সংসদ সদস্য অর্জুন সিং এবং সনাতনী কথিত ধর্মগুরু মুসলমানবিদ্বেষী কার্তিক মহারাজ তার সঙ্গে বৈঠক করেন। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ভারতীয় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে তথ্য রয়েছে বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে। তিনি মূলত চিকিৎসার জন্য ভারতে থাকলেও তার ভিসার মেয়াদ রয়েছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। বাংলাদেশ হাইকমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়ের পরিবারের কে কোথায়</h4>
<p style="text-align: justify;">চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ইসকন সদস্য হওয়ার পর তার মা সন্ধ্যা রানী ধরকে অনেকটা জোর করেই ইসকন সদস্য বানান চিন্ময়। বর্তমানে তিনি চিন্ময়ের সঙ্গে হাটহাজারী পুণ্ডরিখধামে থাকেন। তার বড় ভাই রঞ্জন ধর সাতকানিয়া কাঞ্চনা এলাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। মেজো ভাই অঞ্জন ধর চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। বড় বোন অরুণা ধর গৃহিণী।</p>
<h4 style="text-align: justify;">চিন্ময়কে বহিষ্কারের নাটক ইসকনের</h4>
<p style="text-align: justify;">৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দিল্লিতে পলায়নের পর সংখ্যালঘু নির্যাতনের ভুয়া দাবি তুলে একের পর এক কর্মসূচির নামে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা করে সমালোচিত হন চিন্ময়। তীব্র সমালোচনার মুখে গত ৯ নভেম্বর ঢাকার স্বামীবাগের ইসকন আশ্রমে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ দাবি করেন, চার মাস আগে অর্থাৎ গত জুলাই মাসেই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে চিন্ময়কে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু সংখ্যালঘু নেতারা মনে করেন, বাংলাদেশে ইসকনের হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের সুরক্ষা ও পাবলিক সেন্টিমেন্টের কারণেই এমন নাটক মঞ্চস্থ করেছে ইসকন। কারণ যে তারিখে চিন্ময়কে বহিষ্কারের গল্প শোনানো হচ্ছে, তারপর একাধিকবার ইসকন-নিয়ন্ত্রিত মন্দিরে বসে কথিত সনাতনী জাগরণী জোটের কর্মসূচি পালন করেছে চিন্ময়।</p>
<h4 style="text-align: justify;">ইসকনের বক্তব্য</h4>
<p style="text-align: justify;">চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী কারাগারে বন্দি থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী চিন্ময়ের কর্মকাণ্ডের দায় নিতে অস্বীকার করে এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘চিন্ময়ের সঙ্গে ইসকনের কোনো সম্পর্ক নেই। চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও ইসকনের কোনো সম্পর্ক নেই। চারু চন্দ্র আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা এবং চলমান আন্দোলনের সঙ্গে ইসকন বাংলাদেশের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://amardeshcnd.ideahubbd.com/original_images/chanmoy_news_pic.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ওরা মেরে আমার বাবাকে পুড়িয়ে ফেললো কেন?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/120920/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/120920/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Dec 2024 05:05:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=120920</guid>

					<description><![CDATA[ছোটবেলা থেকেই শান্ত স্বভাবের ছিল আমার ছেলেটা। পড়াশুনার পাশাপাশি মানুষের ভালো-মন্দ নিয়ে ভাবতো। ন্যায় নীতি, মানুষের অধিকার নিয়েও কথা বলতো। পড়াশুনার প্রতি মনোযোগ ছিল ভালো। আর মাত্র দুই বছর পরেই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বের হয়ে আসতো। তার আগেই দুনিয়া থেকে নাই হয়ে গেল আমার বাপজান। ছেলেকে নিয়ে এভাবেই স্মৃতিচারণ করছিলেন ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে মারা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ছোটবেলা থেকেই শান্ত স্বভাবের ছিল আমার ছেলেটা। পড়াশুনার পাশাপাশি মানুষের ভালো-মন্দ নিয়ে ভাবতো। ন্যায় নীতি, মানুষের অধিকার নিয়েও কথা বলতো। পড়াশুনার প্রতি মনোযোগ ছিল ভালো। আর মাত্র দুই বছর পরেই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বের হয়ে আসতো। তার আগেই দুনিয়া থেকে নাই হয়ে গেল আমার বাপজান। ছেলেকে নিয়ে এভাবেই স্মৃতিচারণ করছিলেন ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের বাবা খলিলুর রহমান।</p>
<p style="text-align: justify;">গলা আটকানো কান্না জরিত কন্ঠে প্রশ্ন রেখে শহীদ সজলের মা শাহিনা বেগম বলেন, ওরা আমার বাবাটাকে গুলি করে মেরে ফেলে পুড়িয়ে ফেললো কেন? কি দোষ আমার সজলের। আমার বুকটা খালি করলো কেন ওরা? ছেলেটার পুড়ে যাওয়া দেহটা সারাক্ষণ কাঁদায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সজলের বাবা খলিলুর রহমান জানান, ৫ আগস্ট সকালে ছেলেকে ফোন দিলে সে বলেছিলো তোমরা চিন্তা করো না। আমি মিছিলে আছি। বিকেলে বাসায় ফিরবো। এটাই শেষ কথা ওর সাথে। দুপুরের আগে পরে ও রাত পর্যন্ত বারবার ফোন করেও আর পাইনি তাকে। ফোন বন্ধ দেখায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে হতাশ হয়ে পরি। সজলের মায়ের কান্নায় আকাশ ভারি হয়ে আসতে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সজলের বাবা খলিলুর রহমান বলেন, মানুষের মুখে ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে জানতে পারি সাভারে লাশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। হন্যে হয়ে খুঁজতে যাই সজলকে। গিয়ে দেখি কোন লাশ চেনার উপায় নাই। একপর্যায়ে দেখতে পাই আমার ছেলের ন্যায় দেখতে একটি আধা পোড়া লাশ উপুর হয়ে পড়ে আছে। মাথা ও পিঠের বেশির ভাগ পুড়ে গেছে। গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো। কাছে গিয়ে দেখি আমার সজলের লাশ। গলার আইডি কার্ডটিও তার। ছেলের পুড়ে যাওয়া দেহটা দেখে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছিল। তখন আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারলাম না।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, সাভারের বাইপাইলে মিছিলে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মারা যায় সজল। গুলি করার পর গাড়িতে তুলে আগুন দেওয়া হয়। পুরো এক দিন বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজাখুঁজির পর তাকে গুলিবিদ্ধ ও অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইপাইলে রাজপথে খুঁজে পাওয়া যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সজল ঢাকা সিটি ইউনিভার্সিটির বিএসসি-ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলো। বাবা-মার আশা ছিল তাকে একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার বানানো। বাবা খলিলুর রহমান একটা বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। মা শাহিনা বেগম গৃহিণী। শখ করেই সাজ্জাদ হোসেন সজলকে পড়াশোনা করা অবস্থায় বিয়ে করায় তার বাবা-মা। শহীদ সজলের একটি কন্যা সন্তান আছে। নাম আদিবা। বয়স এক বছর দুই মাস।</p>
<p style="text-align: justify;">৬ আগস্ট শহীদ সজলের লাশ দাফন করা হয় গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে। মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব জানান, বাবা-মার কতইনা স্বপ্ন ছিল সজলকে নিয়ে। শহীদ সজল এই এলাকার গর্ব। সারা জীবন তাকে মনে করবে এলাকার লোকজন।</p>
<p style="text-align: justify;">সজলের মা এ প্রতিবেদককে বলেন, রাষ্ট্রীয় ভাবে ছেলের শহীদি মর্যদা চাই। পাঠ্যপুস্তকে গণঅভ্যুত্থানের বীরদের স্মৃতি অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসহাক আলী বলেন, শহীদ সজল ছিলো পরিবারের আশা আকাঙ্খার প্রতীক। আমরা তার পরিবারের লোকজনের খোঁজ খবর রাখছি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/120920/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://amardeshcnd.ideahubbd.com/original_images/Sozol_.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দিল্লি হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/903/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/903/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Dec 2024 03:00:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=903</guid>

					<description><![CDATA[পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে দিল্লি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেন এমন একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এই বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছে। তিব্বতের ধর্মীয় গুরু দালাইলামাকে যে ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনাকেও সেই ধরনেরই স্টাটাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওই সূত্রগুলো। তবে শেখ হাসিনার ইস্যুটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অর্থাৎ তিনি গণহত্যার অভিযোগে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;" data-block-key="krptn">পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে দিল্লি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেন এমন একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এই বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেছে। তিব্বতের ধর্মীয় গুরু দালাইলামাকে যে ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনাকেও সেই ধরনেরই স্টাটাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওই সূত্রগুলো।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="ds1jv">তবে শেখ হাসিনার ইস্যুটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অর্থাৎ তিনি গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি হওয়ায় তার ব্যাপারে কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করছে মোদি প্রশাসন। সাউথ ব্লক বা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা থেকে একেবারেই বিরত রয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এতটুকুই বলা হয়েছে যে, শেখ হাসিনা ভারতে আছেন এবং ভারতে থাকবেন। যদিও তারা একেবারে শুরুতে বলেছিল দিল্লি শেখ হাসিনার শেষ গন্তব্য নয়।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="8n032">শেখ হাসিনাকে দিল্লির রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের সাবেক একজন পররাষ্ট্র সচিব আমার দেশকে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনেকটা বাধ্য হয়েই ভারত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="9cils">তিনি বলেন, শুরুতে ভারত চেয়েছিল ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে শেখ হাসিনাকে স্থায়ী করতে। তবে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এরই মাঝে বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করে দেয়। পাসপোর্ট বাতিল হওয়ায় শেখ হাসিনা কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েন। ওই সময়েই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে আসে। ভারত সরকার শেখ হাসিনার জন্য ট্রাভেল ডকুমেন্টসও ইস্যু করেছে। এই ট্রাভেল ডকুমেন্টস অনেকটা পাসপোর্টের মতোই কার্যকর। কিন্তু এটা পাসপোর্ট নয়।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="dkbaq">তিনি বলেন, শেখ হাসিনার জন্য ট্রাভেল ডকুমেন্টস ইস্যু করা তার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের একটি বড় ইঙ্গিত।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="9m76i">শেখ হাসিনার দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের ধরন সম্পর্কে সাবেক ওই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাইলামাকে যে ধরনের স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছিল শেখ হাসিনার জন্যও তেমনটি করা হয়েছে বলে আমার ধারণা। এটা একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু দালাইলামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তটি পার্লামেন্টে ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এটা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। দালাইলামাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে কমিউনিস্ট পার্টির কিছু নেতা তখন বিরোধিতা করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="2j4u7">তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে কোনো ধরনের মতভেদ নেই। শেখ হাসিনাকে ভারতের একজন পরীক্ষিত মিত্র হিসেবেই বিবেচনা করে ভারতের সব রাজনৈতিক দল।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="dinfl">শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তার স্ট্যাটাস নিয়ে কঠোর গোপনীয়তা এবং নীরবতা বজায় রেখে চলেছে মোদি প্রশাসন। বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি সাউথ ব্লকের কোনো কর্মকর্তা। গত ১০ ডিসেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি তার বাংলাদেশ সফর নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রবিষয়ক সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটির সদস্যদের। ওই ব্রিফিংয়ে অন্তত ৯ জন সদস্য শেখ হাসিনার স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানতে চান। এখানেও কোনো উত্তর মেলেনি। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি নীরবই ছিলেন, যা রীতিমতো নজিরবিহীন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="2kotn">শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি ভারত কেন এতটা কঠোর গোপনীয়তায় রেখেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কূটনীতিক, যিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="1gl8k">তিনি আমার দেশকে বলেন, আমরা সবাই জানি শেখ হাসিনা ভারতে কীভাবে আছেন। তিনি সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। অতীতেও তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়েই দিল্লি ছিলেন। কিন্তু ভারতের পক্ষে এখন বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করার কোনো উপায় নেই। শেখ হাসিনা ইস্যুটি এই মুহূর্তে ভারতের জন্য অত্যন্ত জটিল এবং স্পর্শকাতর।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="2ea6n">শেখ হাসিনা এখন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত একজন আসামি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশই তাকে আশ্রয় দেবে না। ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। এখন ভারত যদি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করে তাহলে ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়তে হবে তাদের। এছাড়া ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তা আরও বেড়ে যাবে এবং বাংলাদেশের ভারতবিরোধী জনমত আরও তীব্র হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয়ের ব্যাপারে নিশ্চিতভাবেই ভারত চুপ থাকবে। আমরাও এক্ষেত্রে কোনো ধরনের চাপ দেব না।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="5ht11">দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ুক তা চান না মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে এই মুহূর্তে ঠিক মাথা ঘামাতে চাইছে না ঢাকা।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="b4abm">পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দীনের কাছে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি আমার দেশকে বলেন, শেখ হাসিনা এখন দিল্লিতে আছেন এটাই আমরা জানি। তিনি সেখানে বসে যা যা করছেন তা আমরা পছন্দ করছি না এটাই শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমাদের বক্তব্য।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="c5t3p">দিল্লির কূটনৈতিক বিশ্লেষকরাও বিষয়টিকে একটু আড়ালেই রাখতে চাইছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস এ ব্যাপারে বিবিসিকে বলেন, শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আশ্রয়ে নাকি অতিথি হিসেবে ভারতে আছেন সেটা বড় বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো শেখ হাসিনাকে প্রাপ্য সম্মান দিয়ে ভারতে রাখা হচ্ছে কিনা। তিনি বলেন, ইংরেজিতে একটি কথা আছে- অ্যা রোজ ইজ অ্যা রোজ : অর্থাৎ গোলাপকে যে নামেই ডাক, সে গোলাপই থাকে। ঠিক তেমনি, শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় পান বা অতিথি হিসেবে থাকুন তাতে তেমন কিছু যায় আসে না। তিনি ভারতের চোখে শেখ হাসিনাই থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="3an42">উল্লেখ্য, গত ১৫ বছর ধরে ভারতের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সীমাহীন দুঃশাসন চালিয়ে অবশেষে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবে উৎখাত হয়ে শেখ হাসিনা প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যান ভারতে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে তিনি ওই দিন সন্ধ্যায় দিল্লির কাছে গজিয়াবাদের হিল্ডন বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। ভারতীয় বিমানবাহিনীর ওখানকার একটি মেসে ২/৩ দিন রাখার পর শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর অজ্ঞাত এক সেফ হাউজে। সেখানেই তিনি এখন পর্যন্ত অবস্থান করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="88mt9">৬ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারতের জাতীয় সংসদে জানান, শেখ হাসিনার জন্য ভারত শেষ গন্তব্য নয়। খুব কম সময়ের নোটিশে শেখ হাসিনা সাময়িকভাবে আসার অনুমতি চান। ওই দিনই খবর আসে শেখ হাসিনার মার্কিন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই খবর। ২২ আগস্ট ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করে দেয়। পাসপোর্ট বাতিলের পর শেখ হাসিনা একপ্রকার রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েন। এরপর ১১ অক্টোবর খবর প্রকাশিত হয় যে, ভারত সরকার শেখ হাসিনার জন্য ট্রাভেল ডকুমন্টেস ইসু করেছে। ওই সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনা সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্যই প্রকাশ করেনি মোদি প্রশাসন। ১৭ অক্টোবর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, শেখ হাসিনা এখন দিল্লিতে আছেন এবং দিল্লিতেই থাকবেন। এরপর ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উল্লেখ্য, জুলাই বিপ্লবে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। আহতদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। এই হত্যাযজ্ঞের মূল নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা নিজেই।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="7up7s">মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় পশ্চিমা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যান বিবিসিকে বলেন, শেখ হাসিনার জন্য পশ্চিমা কোনো দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া একেবারে দুরূহ। হাসিনার শাসনামলে বিশেষ করে ছাত্র-বিক্ষোভের সময়ে যা ঘটেছে তা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো খুবই মর্মাহত। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনে হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনী যেভাবে শক্তি প্রয়োগ করেছে তা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রবল আপত্তি ছিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল বেপরোয়া শক্তি প্রয়োগের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকলেও শেখ হাসিনা সরকারকে কোনোভাবেই নিবৃত্ত করা যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;" data-block-key="dujeu">এখন শেখ হাসিনাকে দেখভালের দায়িত্ব ভারতেরই এবং ভারত সেই দায়িত্ব নিয়েছে। শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময়ের জন্য ভারতেই থাকবেন এটাই এখন সবচেয়ে বড় সত্যি। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনা ইসুতে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হলেও তাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনো পথ নেই। শেখ হাসিনাকে যদি ভারত এই মুহূর্তে আশ্রয় না দেয় তাহলে ভারতের বন্ধুত্বে আর কেউ কখনো বিশ্বাস করবে না। শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, বাংলাদেশ যখন শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানাবে তখন সেই অনুরোধ উপেক্ষা করা দিল্লির জন্য অনেকটাই সহজ হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/903/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://ichef.bbci.co.uk/ace/ws/798/cpsprodpb/a510/live/18648120-b630-11ef-a723-45d01a2a418d.jpg.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চিঠি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/31777/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/31777/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Dec 2024 06:20:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=31777</guid>

					<description><![CDATA[ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা। সোমবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। এর আগে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। এর আগে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ভারত থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।”</p>
<p style="text-align: justify;">কোন উপায়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত আনা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে ভারতের বন্দিবিনিময় চুক্তি আছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী হবে।”</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৭ অক্টোবর গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।</p>
<p style="text-align: justify;">২৩ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে পাঠানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর ১০ নভেম্বর আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, “শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করতে যাচ্ছে সরকার।”</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে ২০১৩ সাল থেকে ‘প্রত্যর্পণযোগ্য অপরাধের মামলা’য় অভিযুক্ত বা ফেরারি আসামি ও বন্দিদের একে অপরের কাছে হস্তান্তরের জন্য একটি চুক্তি রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা ভারতে আছেন, সেটা গত অক্টোবর মাসেই দেশটির সরকার নিশ্চিত করেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/31777/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.dhakatimes24.com/assets/news_photos/2024/12/23/image-375316-1734944135.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে তদন্ত কমিশন হচ্ছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/486446/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Dec 2024 03:16:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=486446</guid>

					<description><![CDATA[বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিং কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চায় অন্তবর্তী সরকার। এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। সে অনুযায়ী বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে কমিটি গঠন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিং কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চায় অন্তবর্তী সরকার। এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। সে অনুযায়ী বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি গঠন করা হবে। সদস্যের সংখ্যা ৫ থেকে ৯ জন হতে পারে। সদস্যদের মধ্যে থাকবেন সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও পুলিশ সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নারকীয় বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তের দাবি ওঠে। এ নিয়ে হাইকোর্ট দায়ের করা রিটে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনি মতামত চায় আইন মন্ত্রণালয়ের। এরপর পুনঃতদন্ত নিয়ে কমিশন গঠনের ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। কমিশন গঠনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেয়। এ অবস্থায় সকালে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত জানালো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<hr />
<h3>বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে তদন্ত কমিশন হচ্ছে না</h3>
<p style="text-align: justify;">বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে দু’টি মামলা বিচারাধীন থাকায় আপাতত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে এসেছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চকে এ তথ্য জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সহকারী সচিব মো. মফিজুল ইসলামের সই করা এ-সংক্রান্ত স্মারকে বলা হয়, বিষয়টি (পিলখানা হত্যাকাণ্ড) জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিধায় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে; আদালতে এ সংক্রান্ত দুটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এ পর্যায়ে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিডিআর হত্যার পুরো ঘটনার তদন্তে কমিশন গঠনের কথা জানায় সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা। সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিদ্রোহের বিচার বিজিবির আদালতে হলেও হত্যাকাণ্ডের মামলা বিচারের জন্য আসে প্রচলিত আদালতে। এই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে মুক্তি আটকে আছেন ৪৬৮ বিডিআর সদস্যের।</p>
<p style="text-align: justify;">হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। তাতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাই কোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। আরো ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস পান ২৮৩ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">হাই কোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাই কোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম এক প্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে এই মামলার বিচার ঝুলে যায়। পরে বিডিআর বিদ্রোহের পুরো ঘটনা তদন্তের দাবি ওঠে।</p>
<h3>৫৭ সেনা কর্মকর্তা হত্যার বদলা চান আযমী</h3>
<p style="text-align: justify;">ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি) সদরদপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বদলা চাইলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী ৷</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, কুরআনে আছে খুনের বদলে খুন। আমি তদন্ত করে বিচারের আহ্বান জানাই। বিগত সরকারের আমলে যারা তদন্ত করেছে তারা যদি দায়সারা ভাবে করে&#8230;।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, দেশের সবগুলো প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। নতুন সরকার এই প্রতিষ্ঠানগুলো ঢেলে সাজাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।</p>
<p style="text-align: justify;">আযমী বলেন, ‌‘যখন আমার বাসায় তারা আসল তখন তাদের কাছে আমি জানতে চেয়েছিলাম আপনারা কারা, পরিচয় কী, পরিচয়পত্র দেখান। তারা আমার কথার জবাব দেননি। আমি বেশ কিছু প্রশ্ন করেছি তারা কোনো কথার জবাব দেননি। এক অফিসার আমাকে তুই করে সম্বোধন করে। আমার সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করে। এক পর্যায়ে আমাকে গ্রেফতার করে গাড়িতে নিয়ে চোখ বেঁধে দেয়। সে সময় আমাকে ও সেনাবাহিনীকে নিয়ে খুবই খারাপ ব্যবহার করে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলনে, ‌‘আমি ফিরে এসে জানতে পারলাম আমার পরিবারের ওপর তারা কী পরিমাণ নির্যাতন চালিয়েছে। আমার স্ত্রীর গায়ে হাত তুলতে চেয়েছিল তারা। এক পর্যায়ে আমার স্ত্রীকে তুলে নিতে চাইলে স্ত্রী আমার মাকে সঙ্গে নিতে বলে তখন তারা তাকে নেয়নি। এ সময় আমার বাড়ির কাজের মেয়ের ওপর হাত চালিয়েছে। বাসার ম্যানেজার ও দারোয়ানসহ সকলের ওপর তারা হামলা চালায়।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘আমার চোখ-মুখ বাঁধা অবস্থায় একটা জায়গায় নিয়ে গেল। তারা আমাকে পোশাক দিল। রাতে আমাকে খাবার দেয় কিন্তু খাওয়ার মতো অবস্থায় ছিলাম না। টয়লেট যেতে চাইলে তারা আমার চোখ-হাত বেঁধে নিয়ে যেত। প্রায় ৫০ কদম হাঁটার পর টয়লেটে যেতাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">সাবেক ব্রিগেডিয়ার বলেন, ‘বারবার মনে হতো তারা হয়ত আমাকে ক্রস ফায়ার করে হত্যা করবে। আমি রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর কাছে শুধু কান্না করতাম আল্লাহ আমার লাশটা যেন কুকুরদের খাদ্যে পরিণত না হয়। আমার লাশটা যেন আমার পরিবারের কাছে যায়। সব সময় এ দোয়াটাই করতাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আজমের মেজো ছেলে সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী ৮ বছর গুম থাকার পর গত ৭ আগস্ট পরিবারের কাছে ফিরেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://dailyinqilab.com/mediaStorage/content/images/2024August/img-20240825-wa0017-20240825130922.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ পরাজিত, তাদের অধ্যায় শেষ : নাহিদ ইসলাম</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/58624/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/58624/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Dec 2024 06:29:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=58624</guid>

					<description><![CDATA[অস্ত্র আর জোর করে ক্ষমতা আকড়ে থাকার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক প্রতিরোধ সফলতার মুখ দেখে গত ৫ আগস্ট। সে সময়ের সক্রিয় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এখন নিজেই অন্তর্বর্তী সরকারের অংশ। তার কাছে প্রশ্ন ছিল— আওয়ামী লীগ কি প্রকাশ্যে রাজনীতিতে ফিরেতে পারবে? নাহিদ ইসলাম বলেন, বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া উচিত। বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগের অধ্যায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অস্ত্র আর জোর করে ক্ষমতা আকড়ে থাকার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক প্রতিরোধ সফলতার মুখ দেখে গত ৫ আগস্ট। সে সময়ের সক্রিয় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এখন নিজেই অন্তর্বর্তী সরকারের অংশ। তার কাছে প্রশ্ন ছিল— আওয়ামী লীগ কি প্রকাশ্যে রাজনীতিতে ফিরেতে পারবে?</p>
<p style="text-align: justify;">নাহিদ ইসলাম বলেন, বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া উচিত। বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগের অধ্যায় শেষ হয়ে গিয়েছে বলে এই প্রজন্ম মনে করে। এখন বিচারের মধ্য দিয়ে আসলে সমাজে রিকনসিলিয়েশনটা হওয়া সম্ভব।</p>
<p style="text-align: justify;">ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের মূল্যায়ন কীভাবে হবে জানতে চাইলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগ দলটাই সবসময় মিথ্যার ওপর টিকে ছিল। তাদের প্রধান অস্ত্র ছিল প্রোপাগান্ডা। আওয়ামী লীগ তো পরাজিত হয়েছে। সে (শেখ হাসিনা) অবৈধভাবে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তারা বলেন এত বছরের দল, সেই দলটির নেত্রী নেতাকর্মীদের রেখে পালিয়ে গেলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, প্রতিদিনই ষড়যন্ত্র হচ্ছে দেশের বিরুদ্ধে, ছড়ানো হচ্ছে নানা প্রোপাগান্ডা। এর বিপরীতে ঢাল ছাত্র-জনতার ঐক্য আর এতদিনের বঞ্চিত রাজনৈতিক দলগুলোর নবোদ্যম।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় ঐক্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা হচ্ছে কীভাবে? নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের জাতীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক সমাঝোতাই আসলে পারবে দেশকে এগিয়ে নিতে। সে ঐক্য যদি ব্যহত হয়, তাহলে এটিই বড় চ্যালেঞ্জ। ঐক্য বিনষ্ট করতে নানা পক্ষ কাজ করছে। সরকার থেকে বের হওয়ার পর তারা সেই জিনিসগুলোকে ব্যবহার করছে। অপতথ্য ছড়াচ্ছে, প্রোপাগান্ডা করছে। আমরা সে জায়গায় সত্যটাকে তুলে ধরতে চাই। গণমাধ্যমগুলোর ক্ষেত্রে আমরা সেই সহায়তা চেয়েছি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/58624/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://bangla.themirrorasia.net/assets/news_images/2024/08/18/nahid.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনা ওয়াজেদকে পলাতক দেখিয়ে বিচারে কোনো বাধা নেই : টবি ক্যাডম্যান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/229229/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Dec 2024 06:28:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=229229</guid>

					<description><![CDATA[শেখ হাসিনাকে পলাতক দেখিয়ে, বিচার করতে কোন বাধা নেই। এমনটা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ট্রাইব্যুনালে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি। টবি ক্যাডম্যান জানান- জুলাই আগস্ট গণহত্যার বিচারে মেনে চলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মান; [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শেখ হাসিনাকে পলাতক দেখিয়ে, বিচার করতে কোন বাধা নেই। এমনটা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান।</p>
<p>বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ট্রাইব্যুনালে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি।</p>
<p>টবি ক্যাডম্যান জানান- জুলাই আগস্ট গণহত্যার বিচারে মেনে চলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মান; নিশ্চিত করা হবে ন্যায়বিচার। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে- এমনটা জানান ব্রিটিশ এই আইনজ্ঞ।</p>
<p>তিনি বলেন, আইন সংশোধন করতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে সেই পরামর্শ দেয়া হবে। দেশের প্রচলিত আইনই বলছে জুলাই আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে।</p>
<p>এর আগেই, চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জানান, ট্রাইব্যুনালের কাজকে ত্বরান্বিত করতেই এই পরামর্শককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।</p>
<p>টবি ক্যাডমান ট্রাইব্যুনালে আগে জামায়াতের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তবে বিগত সরকার তাকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://ichef.bbci.co.uk/ace/ws/798/cpsprodpb/a510/live/18648120-b630-11ef-a723-45d01a2a418d.jpg.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আন্তর্জাতিক আদালতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে সরকার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/953/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/953/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 28 Nov 2024 02:25:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=953</guid>

					<description><![CDATA[ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযোগ করবে সরকার। এমনটি জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আইসিসির চিফ প্রসিকিউটর (প্রধান কৌঁসুলি) করিম এ এ খান বুধবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করতে এলে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকালে তারা রোহিঙ্গা সঙ্কট, মিয়ানমার পরিস্থিতি, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযোগ করবে সরকার। এমনটি জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p>আইসিসির চিফ প্রসিকিউটর (প্রধান কৌঁসুলি) করিম এ এ খান বুধবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করতে এলে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকালে তারা রোহিঙ্গা সঙ্কট, মিয়ানমার পরিস্থিতি, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনের সময় নৃশংসতার বিচার ও জবাবদিহিতা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘‘অন্তর্বর্তী সরকার আইসিসিতে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনবে। এতে আওয়ামী লীগের প্রায় ১৬ বছরের দীর্ঘ শাসনকালে হাজার হাজার গুমের ঘটনা এবং জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলন চলাকালীন হত্যাকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’’</p>
<p style="text-align: justify;">আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি জানান, তারা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে সহযোগিতা করতে চান। এ আদালত শেখ হাসিনা এবং তার রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">করিম এ এ খান প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, মিয়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে আইসিসি অফিস রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের আহ্বানকে সমর্থন করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৫ সালে এ সম্মেলন আয়োজনের সম্মতি দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ সম্মেলন থেকে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানের একটি নতুন টেকসই দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্মেলনের স্থান ও তারিখসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘‘এ সম্মেলন আন্তর্জাতিক সকল অংশীজনকে একত্রে বসিয়ে রোহিঙ্গা সঙ্কট, বিশেষত বাংলাদেশে ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা এবং তাদের শিশুদের দুর্দশার স্থায়ী সমাধান খুঁজতে সহায়তা করবে।’’</p>
<p style="text-align: justify;">রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হতাশার মধ্যে বেড়ে ওঠা তরুণদের প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এটি যেন বিস্ফোরিত না হয়।’’</p>
<p style="text-align: justify;">সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাংলাদেশে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল এবং মিয়ানমারের সর্বশেষ পরিস্থিতি বাংলাদেশে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি সুরক্ষিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য তার সাম্প্রতিক আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘‘এ সুরক্ষিত অঞ্চল বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য সহায়ক এবং চলমান মানবিক সঙ্কট মোকাবিলায় কার্যকর হবে।’’</p>
<p style="text-align: justify;">অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘‘এ অঞ্চলের নিরাপত্তা জাতিসংঘের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত। লড়াই বন্ধ হলে এ সুরক্ষিত অঞ্চলে থাকা মানুষ সহজেই তাদের নিজ নিজ স্থানে ফিরে যেতে পারবে।’’</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/953/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cosmosgroup.sgp1.digitaloceanspaces.com/bn_news/8167186.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ : আইনজীবী হত্যার দায়ে ইস্কন ও লীগ নিষিদ্ধের দাবী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/526266/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Nov 2024 06:33:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=526266</guid>

					<description><![CDATA[বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমান এক যৌথ বিবৃতি বলেছেন, চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. সাইফুল ইসলাম হত্যাকে সন্ত্রাসবাদী ও জঙ্গী কার্যক্রম হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত হয়ে জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি তৈরি করায় পতিত ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগ ও বিদেশী সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে বলা হয়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমান এক যৌথ বিবৃতি বলেছেন, চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. সাইফুল ইসলাম হত্যাকে সন্ত্রাসবাদী ও জঙ্গী কার্যক্রম হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত হয়ে জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি তৈরি করায় পতিত ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগ ও বিদেশী সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে বলা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতি বলা হয়, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও প্রতিবেশী দেশ ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে অস্বাভাবিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করতে ভূমিকা পালন করেনি। বিশেষ করে আদানী গ্রুপের বিদ্যুৎ সরবরাহসহ বিভিন্ন অন্যায্য চু্ক্তি সংশোধনে এগিয়ে আসেনি। উল্টা পতিত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের মতলবে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মধ্যকার কিছু ব্যক্তি ও সংগঠনকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা ও উত্তেজনা তৈরি করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়না জারি করার পরেও সে বিভিন্ন সভা সমাবেশে উস্কানিমূলক বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা স্বাভাবিক আইনী পদক্ষেপ যাকে সম্মান করতে হিন্দু সম্প্রদায়ও বাধ্য। কিন্তু গতকাল ইসকন ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা চিন্ময়কে ছাড়িয়ে নেওয়ার নাম করে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধের সূচনা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ হিন্দুত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদীদের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণাকে পূর্ণ সমর্থন জানায় বলে বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমান উল্লেখ করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/4a8e24244ae66de3b95249865eb5c16d04ec9e6876a24a57.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করল বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/525038/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Nov 2024 09:04:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=525038</guid>

					<description><![CDATA[ভারতের পরিকল্পনায় ফ্যাসিবাদী দল হিসাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ। সংগঠনটির দাবি এ ষড়যন্ত্রে করতে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান জড়িত। এজন্য তিনজনকে জাতীয় বেঈমান ঘোষণা করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। আজ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ভারতের পরিকল্পনায় ফ্যাসিবাদী দল হিসাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">সংগঠনটির দাবি এ ষড়যন্ত্রে করতে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান জড়িত। এজন্য তিনজনকে জাতীয় বেঈমান ঘোষণা করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা হয়। বেলা সাড়ে ১১টায় রাজু ভাস্কর্যে বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের সঞ্চালনায় চিত্রশিল্পী সাইয়েদ কুতুব, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে সাইয়েদ কুতুব বলেন, আমরা যে মাটিতে দাঁড়িয়ে আছি এ মাটিতে এখন শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ মুগ্ধের তাজা রক্ত লেগে আছে৷ এ মাটিতে ফ্যাসিবাদী ও ফ্যাসিবাদীদের দোসরদের কোনো জায়গা হবে না। তাদেরকে পুনর্বাসনের সকল ষড়যন্ত্র রুখতে ছাত্র-জনতার পাশে সর্বস্তরের জনগণ আছে এবং থাকবে।&#8221;</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হাসান আরিফ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে ও রাজনৈতিক অধিকার দিতে ক্রমাগতভাবে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক হয়ে আসিফ নজরুল কিভাবে ফ্যাসিবাদের পক্ষে বক্তৃতা করছেন এ প্রশ্ন রেখে তাকে অবিলম্বে অপসারণে সরকারের কাছে আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">হাসান আরিফ আরও বলেন, গত সতেরো বছর আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, জীবন দিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতের লোকেরা। অথচ নিজ কর্মীদের আত্মত্যাগ, ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ এবং গণদাবী উপেক্ষা করে মির্জা ফখরুল এবং ডাক্তার শফিক আওয়ামী লীগকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের দালালি করায় মির্জা ফখরুল ও ডা. শফিককে দলীয় পদ থেকে সরাতে বিএনপি ও জামায়াতের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সমন্বয়ক গালিব ইহসান বলেন, অনতিবিলম্বে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জুলাই বিপ্লবের শহীদের রক্তের সাথে গাদ্দারীর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। যদি ক্ষমা না চায় তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তার নাম মুছে ফেলতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জামায়াতের আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান, ফ্যসিবাদীরা যদি আপনার পরিবারের লোক হয়ে থাকে তাহলে বাংলার মাটিতে ফ্যাসিবাদ কায়েমের নীলনকশার সঙ্গে আপনিও জড়িত।</p>
<p style="text-align: justify;">অনতিবিলম্বে ক্ষমা চেয়ে জামায়াতের আমীরের পদ থেকে ডা. শফিকুরকে পদত্যাগেরও আহ্বান জানান গালিব ইহসান।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ বলেম, এদেশে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হবে কি হবে না, আওয়ামী লীগের রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না সেটা ৫ আগস্ট ছাত্র জনতাই ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে। আমাদের ছাত্রজনতার শেষ রক্তবিন্দু থাকতে আওয়ামী লীগ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়াতে পারবেনা ইনশাআল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের উদারতার অংশ হিসাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন। তিনি ভারত থেকে শেখ হাসিনাকেও দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু হাসিনার ফেরার পরপরই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যার শিকার হব। এরপরেও বিএনপি কিভাবে জুলাই গনহত্যার পরেও আওয়ামী লীগকে ভোটের রাজনীতিতে আনতে চায়। তাদের এ দুঃসাহস দেখে আমাদের লজ্জা হয়, রক্ত গরম হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব ফজলুর রহমান বলেন, আমরা পরিষ্কার করে ঘোষণা করতে চাই ভারতের যে সকল দালাল এই দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চিন্তা ভাবনা করবে আমরা তাদেরকে প্রতিহত করবো। আমরা তাদেরকে হাসিনার মত পালিয়ে যেতে বাধ্য করবো। এদেশে তাদের কবরও হবেনা ইনশাআল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন,আমরা অন্তর্বতীকালীন সরকারের কাছে যেই দাবীগুলো জানিয়েছিলাম গত ষোল বছরে হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার যেসব অত্যাচার করেছে, গুম খুন করেছে সেই গুমখুনের পরিপূর্ণ তদন্ত করে সেগুলোর বিচার করতে হবে। গত জুলাইয়ে যে গণহত্যা হয়েছে তার বিচার না করে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবেনা।</p>
<p style="text-align: justify;">ফজলুর রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার গত তিনটা নির্বাচন আমাদেরকে ভোট দিতে দেয়নি তারপরেও কতিপয় দালাল তাদেরকে ভোটের ময়দানে আনার জন্য উঠে পরে লেগেছে। আমরা তাদেরকে পরিস্কার জানিয়ে দিতে চাই যে ফ্যাসিস্ট দল গনহত্যাকারী দল আমাদেরকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, আমাদের রক্ত ঝরিয়েছে, আমাদের ভাইদের শহীদ করেছে, আমাদের দেশ বিক্রি করে দিয়েছিল তাদেরকে আমরা এই দেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিব না। তারা এদেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার রাখে না। এই ফ্যসিবাদকে বিলুপ্ত করে আমাদের দেশকে সুষ্ঠু সুন্দর পরিপূর্ণ স্বাধীন দেশে রুপান্তর করতে হবে এবং আমাদের প্রতিটি সেক্টর থেকে ফ্যাসিবাদকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে। ভারতের অন্যায় হস্তক্ষেপ আমরা কোনভাবেই মেনে নেব না। দালালদের প্ররোচনায় আমরা কোনো বিদেশী প্রভুর হাতে ছেড়ে দিতে কখনোই প্রস্তুত না। আমরা দালালদের জানিয়ে দিতে চাই যদি প্রয়োজন হয় আপনারা এই দেশ ছেড়ে চলে যান, এই দেশে আপনাদের কোন স্থান নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব মুহিব মুশফিক খান বলেন, ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ ভাই ও চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরাম ভাই শহীদ হন। ওয়াসিম আকরাম ভাই ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। সেই সক্রিয় কর্মীর রক্তের উপর দাঁড়িয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে হবে। কেন? আপনার কর্মীর রক্তের দাম কি নেই? আপনার নিজের কাছে নিজের দলের চেয়ে কি আওয়ামী লীগ দামী? এর মানে কি? দেশের চেয়ে আপনার ভারত বড় হয়ে গেল?</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, গত ১৬ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীরাও লীগের হাতে শিবির ট্যাগে মার খেয়েছে। আমাদের শহীদ আবরার ফাহাদকেও শিবির ট্যাগ দিয়ে ছাত্রলীগ হত্যা করেছে। ডাক্তার শফিকুর রহমান, আপনার কি বিন্দুমাত্রও লজ্জা নেই? আপনাদের কর্মীর কি বিন্দুমাত্রও দাম নেই? আপনাদেরকে কি আবার আওয়ামী লীগকে ভোটে আনতেই হবে? আমি বলবো, লজ্জা করুন। দেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করুন। দেশকে বিকিয়ে দিবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ছাত্র নেতা আরও বলেন, এতোবড় শক্তি এখনো আসেনি যে বাংলাদেশকে কিনে ফেলতে পারবে। হাসিনার ক্ষমতা হয়নি ষোল বছরে বাংলাদেশকে বিক্রি করার। আর কারোর পক্ষে বিক্রি করা সম্ভব হবেনা। রাজপথে আমরা আছি, রাজপথে থাকবো। আমরা অল্প লোক, তবে আমরা শক্তিশালী লোক, আমরা কোন মেরুদণ্ডহীন লোক নই। আমরা ২০ জন হাতি দাঁড়িয়েছি এক লক্ষ তেলাপোকার বিরুদ্ধে। একলক্ষ তেলাপোকা পিষে ধুয়ে মুছে চলে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি জামায়াতের সাধারণ কর্মীদের বলছি আপনারাও নিজেদের নেতাদের চিনতে শিখুন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিপ্লবী ছাত্র পরিষের সহকারী সদস্য সচিব জিহাদী ইহসান বলেন, আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়েছি আমাদের শহীদ ভাইদের রক্তের হিস্যা বুঝে নিতে। শহীদের রক্তের উপর দাড়িয়ে কোন খুনির দোসরদের পুনর্বাসন হতে পারে না।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশ শেষে রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে &#8220;দিল্লী না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা&#8221; &#8220;ভারতের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান&#8221; &#8220;হাসিনা গেছে যে পথে ফখরুল যাবে সেপথে&#8221; &#8220;হাসিনা গেছে যে পথে ডা. শফিক যাবে সেপথে&#8221; &#8220;হাসিনা গেছে যে পথে আসিফ নজরুল যাবে সেপথে&#8221;প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://worldbarta.com/wp-content/uploads/2024/11/IMG-20241121-WA0000.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গুম মাস্টারমাইন্ড জিয়াউল আহসানকে কারাজিচের সঙ্গে তুলনা!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1303/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1303/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 20 Nov 2024 08:49:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=1303</guid>

					<description><![CDATA[ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে বসনিয়া-হার্জেগভনিয়ার ‘কসাই’ রাদোভান কারাজিচের সঙ্গে তুলনা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, জিয়াউল আহসান কসাইয়ের মতো বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে এই জিয়াই গুমের পর হত্যা করেন বলেও জানান তিনি। আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে বসনিয়া-হার্জেগভনিয়ার ‘কসাই’ রাদোভান কারাজিচের সঙ্গে তুলনা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, জিয়াউল আহসান কসাইয়ের মতো বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে এই জিয়াই গুমের পর হত্যা করেন বলেও জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার অভিযোগে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক এনটিএমসি মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানসহ সাবেক ৮ কর্মকর্তার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জিয়াউল আহসান বিভিন্ন সময় র‍্যাবের বিভিন্ন পদে ছিলেন। সবশেষ তিনি এনটিএমসির মহাপরিচালক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের গুম, গুমের পরে নিয়ে গিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন, হত্যার পরে লাশ ডিসপোজাল করা– এসব কালচারের জনক ছিলেন। আওয়ামী সরকারের সময় যারা বিরোধী দলে থেকে বিভিন্ন সময় কথা বলার চেষ্টা করেছে তাদের তিনি একের পর এক পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করেছেন, গুম করেছেন, বছরের পর বছর আটকে রেখেছেন। তাদের মধ্যে বহু মানুষ আজও ফিরে আসেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">তাজুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা ইলিয়াসকে গুম করে হত্যা করা হয় বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ছাড়াও নাম জানা-না জানা অনেক মানুষকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়েছে। তার পৈশাচিকতা… ৯০-এর দশকে বসনিয়া-হার্জেগভনিয়ার সারফিয়ান বাহিনী যে গণহত্যা চালিয়েছিল যে ধরনের অত্যাচার করতো, তার সাথে আমরা তুলনা করেছি। ভলকানের কসাইয়ের মতো বাংলাদেশের কসাই হিসেবে এই জিয়াউল আহসান হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে, গুম নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় তাজুল ইসলাম জানান, এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা আসামিদের প্রত্যেকের অপরাধ আদালতে তুলে ধরা হয়েছে। আদালত আগামী ১৯ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রাইব্যুনালে হাজির করা আট কর্মকর্তা হলেন— সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব) জিয়াউল আহসান, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল কাফি, মিরপুর ডিএমপির সাবেক ডিসি মো. জসিম উদ্দিন মোল্লা, ঢাকার সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুর ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান, গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল হক এবং ঢাকা উত্তর ডিবির সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>কে এই কারাজিচ </strong><br />
রাদোভান কারাদজিচ সাবেক বসনীয় সার্ব নেতা। বলকান অঞ্চলের হাজার হাজার নিরপরাধ মুসলিমকে গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে ‘বসনিয়ার কসাই’ নামে পরিচিত তিনি। বসনিয়ার স্রেব্রেনিৎসা শহরে আট হাজার মুসলিম পুরুষ এবং বালককে হত্যার ঘটনায় তার ভূমিকার জন্য তাকে দায়ী করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনানিতে দ্য হেগের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচারক বলেন, কারাদজিচের তত্ত্বাবধানেই কার্যত এই শহরের মুসলিমদের ধ্বংস করার এক নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছিল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1303/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2024/08/07/ziaul_ahsan_7aug24.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ কোথায় ??</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/8388/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/8388/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Nov 2024 06:00:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গণ অধিকার পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=8388</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীর জিরো পয়েন্টের শহীদ নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধায় অংশ নেন। শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আজ রবিবার বেলা ১১টায় তারা এই শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীর জিরো পয়েন্টের শহীদ নূর হোসেন চত্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধায় অংশ নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আজ রবিবার বেলা ১১টায় তারা এই শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আজ গর্তের মধ্যে লুকিয়ে আছে। কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগের কর্মীদের বলতে চাই— আপনারা শেখ হাসিনার ফাঁদে পা দেবেন না। শেখ হাসিনা যদি বাপের বেটি হতো, প্রকৃতপক্ষে শেখ মুজিবের কন্যা হতো, তাহলে এই বাংলাদেশ থেকে এভাবে পালিয়ে যেত না।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ‘আজকে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে, তার প্রেতাত্মারা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করছে। শ্রদ্ধা জানানোর পরে আমরা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে মিছিল করব, দেখতে চাই কোথায় আওয়ামী লীগ আছে? আওয়ামী লীগের ঠিকানা এই বাংলাদেশে হবে না। আমরা আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মাদের ধরে জেলে ঢুকানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/8388/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/11/10/122358_bangladesh_pratidin_rashed.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগের ডাকা কর্মসূচি নিয়ে প্রেস সচিবের কঠোর হুঁশিয়ারি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/233576/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 Nov 2024 07:20:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=233576</guid>

					<description><![CDATA[রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, দেশের ভেতর আওয়ামী লীগের সভা, সমাবেশ এমনকি কোনো ধরনের মিছিল করার কোনো সুযোগ নেই। শনিবার দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এ কথা জানান তিনি। শফিকুল আলম আরও লিখেন, ‘বর্তমানে আওয়ামী লীগ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, দেশের ভেতর আওয়ামী লীগের সভা, সমাবেশ এমনকি কোনো ধরনের মিছিল করার কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এ কথা জানান তিনি। শফিকুল আলম আরও লিখেন, ‘বর্তমানে আওয়ামী লীগ একটি ফ্যাসিবাদী দল। বাংলাদেশে প্রতিবাদ করার মতো দলটির কোনো সুযোগ নেই। গণহত্যাকারী ও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার নির্দেশে কেউ সভা, সমাবেশ ও মিছিলের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তী সরকার কোনো সহিংসতা বা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভঙ্গের প্রচেষ্টাকে বরদাস্ত করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শফিকুল আলম।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/11/09/133509_bangladesh_pratidin_shafiqul-alom-ps-ca-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গুম কমিশন : আয়নাঘরের চেয়েও ভয়াবহ ঘরের সন্ধান পাওয়া গেছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2957/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2957/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Nov 2024 06:04:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুম কমিশন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=2957</guid>

					<description><![CDATA[আয়নাঘরের থেকেও ভয়াবহ ঘরের সন্ধান পেয়েছে গুম কমিশন, র‍্যাব যার তত্ত্ববধায়নে ছিল বলে জানিয়েছেন গুম কমিশনের প্রধান বিচারপতি মইনুল ইসলাম। বলেন, প্রায় ৮টির মতো ডিটেনশন বা আয়নাঘরের খোঁজ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) গুলশানে গুম সংক্রান্ত কমিশন অফ ইনকোয়ারি এর কার্যক্রম বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানান তিনি। বিচারপতি মইনুল ইসলাম বলেন, এখানে রাজনৈতিক কারণেই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আয়নাঘরের থেকেও ভয়াবহ ঘরের সন্ধান পেয়েছে গুম কমিশন, র‍্যাব যার তত্ত্ববধায়নে ছিল বলে জানিয়েছেন গুম কমিশনের প্রধান বিচারপতি মইনুল ইসলাম। বলেন, প্রায় ৮টির মতো ডিটেনশন বা আয়নাঘরের খোঁজ পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) গুলশানে গুম সংক্রান্ত কমিশন অফ ইনকোয়ারি এর কার্যক্রম বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিচারপতি মইনুল ইসলাম বলেন, এখানে রাজনৈতিক কারণেই বেশিরভাগ ব্যক্তিদের গুম করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক কারণ ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগের বাইরে অনেককে গুম করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০০’র বেশি গুম হওয়া মানুষকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। আটকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে নেয়ার কথা থাকলেও মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর রাখা হতো আইনের তোয়াক্কা না করে বলে জানান কমিশন প্রধান।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত এক হাজার ছয়শটির মত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে চারশোটির বেশি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে। ১৪০ অভিযোগের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজনীতিকে পরিশুদ্ধ করার কথাও বলেন গুম কমিশন প্রধান।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2957/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.kalbela.com/assets/news_photos/2024/09/24/image_123987_1727186050.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিডিআর বিদ্রোহ : পুনঃতদন্তে হাইকোর্টের রুল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/481551/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 Nov 2024 06:01:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=481551</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় পুনঃতদন্ত লমিশন কেন নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রুল জারি করেন। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় পুনঃতদন্ত লমিশন কেন নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ রুল জারি করেন। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিদ্রোহের বিচার বিজিবির আদালতে হলেও হত্যাকাণ্ডের মামলা বিচারের জন্য আসে প্রচলিত আদালতে। এই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে মুক্তি আটকে আছেন ৪৬৮ বিডিআর সদস্যের।</p>
<p style="text-align: justify;">হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। তাতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাইকোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। আরও ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস পান ২৮৩ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">হাইকোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাইকোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়।</p>
<h3>মামলা পরিচালনায় ২০ প্রসিকিউটর নিয়োগ</h3>
<p style="text-align: justify;">২০০৯ সালে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলা পরিচালনার জন্য ২০ জন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর বিভাগ গতকাল রবিবার এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন, ফরহাদ নিয়ন, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, মোসাম্মৎ রোভানা নাসরিন শেফালী, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. শফিউল বশর সজল, গোলাম মোক্তাদির উজ্জ্বল, হান্নান ভূঁইয়া, মো. আব্দুল লতিফ, মো. মেহেদী হাসান জুয়েল, মো. হেলাল উদ্দিন, গাজী মাশকুরুল আলম সৌরভ, মো. জিল্লুর রহমান, মাহফুজার রহমান ইলিয়াস, মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, মো. মেহেবুব হোসেন, মো. মিজানুর রহমান শিহাব, মো. খুরশিদ আলম ও আজগর হোছাইন।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের মধ্যে বোরহান উদ্দিন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পরের দুইজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও বাকিরা সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদার।</p>
<p style="text-align: justify;">নিয়োগাদেশে বলা হয়, লালবাগ (ডিএমপি) থানার মামলা নং-৬৫, তারিখ ২৮/০২/২০০৯ থেকে উদ্ধৃত বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিস্ফোরক দ্রব্য মামলা পরিচালনা করার জন্য ২০ জন আইনজীবীকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে উল্লেখ করা পদে (বর্ণিত পদমর্যাদা, প্রাপ্য রিটেইনার ফি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ) নিয়োগ করা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি দুই দিনে তৎকালীন বিডিআর বর্তমানে বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের নামে হত্যা করা হয় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের কার্যক্রম শেষে ২০১৭ সালে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয় ২২৮ জনের। খালাস দেওয়া হয় ২৮৩ জনকে। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয় ২০২০ সালে। বর্তমানে মামলাটি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য রয়েছে। অপরদিকে, বিস্ফোরক আইনের মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে।</p>
<h3>শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">২০০৯ সালে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি বিডিআরের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহিমের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ রবিবার ঢাকার মহানগর হাকিম মো. আখতারুজ্জামানের আদালতে আব্দুর রহিমের ছেলে অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ এই মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক ও সাবেক সেনাপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পিলখানা বিদ্রোহ মামলার আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীর আইনজীবী মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, ‘দুপুরের দিকে এ মামলার শুনানি হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় অন্য আসামিরা হলেন সাবেক কারা-মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, সংসদ সদস্য শেখ সেলিম, নুর আলম চৌধুরী লিটন, শেখ হেলাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম ও হাসানুল হক ইনু।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া ২০১০ সালের জুলাইয়ে দায়িত্বরত কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার এবং কারাগারের চিকিৎসকদেরও আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় বাদী অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সুপরিকল্পিতভাবে বিদেশি এজেন্ট নিয়োগ করে ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে। পরে বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বাদী অভিযোগ করেন, তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম ডিএডি হিসেবে পিলখানায় কর্মরত ছিলেন। তাকেও বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় আসামি করে আটক করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/25/121852_bangladesh_pratidin_bdr.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>এতোদিন রাজতন্ত্রের আদলে পরিবারতন্ত্র চালিয়েছে আ.লীগ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/254497/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Nov 2024 05:00:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=254497</guid>

					<description><![CDATA[এতদিন আওয়ামীলীগ যা করেছে তা রাজতন্ত্রের আদলে পরিবারতন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, মানবাধিকার বলতে যা বোঝায় তা আমরা একদমই পাইনি। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এগুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। শনিবার (২ নভেম্বর) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ রচিত &#8220;স্বাধীনতা গণতন্ত্র [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">এতদিন আওয়ামীলীগ যা করেছে তা রাজতন্ত্রের আদলে পরিবারতন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, মানবাধিকার বলতে যা বোঝায় তা আমরা একদমই পাইনি। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এগুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (২ নভেম্বর) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ রচিত &#8220;স্বাধীনতা গণতন্ত্র মানবাধিকার : আওয়ামীলীগের শাসনামল ২০০৯-২০২৩ &#8221;  বইয়ের পাঠ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।<br />
সভায় সমকালের সম্পাদক উপদেষ্টা আবু সাঈদ খান, প্রথম আলো পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান,  নেত্র নিউজ এর প্রধান সম্পাদক তাসনিম খলিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, লেখক ও গবেষক পারসা সানজানা সাজিদ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সাংবাদিক কলাম লেখায় ঐ পত্রিকা অফিসেই আর তার কাজ করার সুযোগ থাকতো না আওয়ামী লীগের আমলে। টেলিভিশনে বলে দেওয়া হতো কারা কারা যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">লেখক এহসান মাহমুদের বইয়ের সাথে বর্তমানের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটা ফ্যাসিস্ট রেজিম চলে গেলে মানুষের আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়। জনগণের আকাঙ্খা পূরণ করা শুধু অন্তর্বর্তীকালীন এজেন্ডা নয়, এটা সকলের অঙ্গীকার। জনগণের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে অর্থনৈতিক চাহিদা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের জন্য বিশাল একটা গ্যাপ রয়েছে। অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে, পাওনা দিতে হচ্ছে, তারপর নতুন ঋণ নিতে হচ্ছে। এই বিশাল গ্যাপ রেখে তিনমাসে আকাঙ্ক্ষা পূরণ চাইলেও সম্ভব না। তবে আমরা সবার সহায়তায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, আশা করছি একটি সম্মানজনক অবস্থাতে উত্তরণ করতে পারবো।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ছিল না। গণমাধ্যমের সংস্কার প্রয়োজন। ফ্যাসিস্টদের প্রেতাত্মারা এখনও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোও ফ্যাসিজমের কমান্ড শুনে অভ্যস্ত। ফলে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আমরা দুয়েকদিনের মধ্যে সংস্কার কমিশনের সাথে বসবো। বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। রাজনৈতিক ঐক্যমত প্রতিষ্ঠা করতে আমাদেরকে চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয় যেতে হয়। জনমতকেও প্রাধান্য দিতে হয়। এহসানের বইয়ে যে বাস্তবতাগুলো উঠে এসেছে নতুন বাংলাদেশে তা আর চান না বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন বলেন,  এহসানের এই বইতে লেখাগুলি দেখলে মনে হয় এই যে সময়গুলো চোখের সামনে উঠে আসছে। শাসকগোষ্ঠী সবসময় মনে করে তারা যা জানায় তা-ই জনগণ জানে আবার মিডিয়াও মনে করে তারা যা দেখায় তা-ই জনগণ বিশ্বাস করে। কিন্তু এটা যে সঠিক নয় এবং জনগণ যে সহজে কিছু ভুলে যায় না তা একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। আর এই বিষয়টা এহসান মাহমুদের লেখায় ফুটে উঠেছে। সবসময় গণমানুষের একটা ভিন্ন আওয়াজ  থাকে তা এহসান মাহমুদ এড্রেস করতে পেরেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নেত্র নিউজ এর প্রধান সম্পাদক তাসনিম খলিল  বলেন, এহসানের বইটা একটা গল্প বা উপন্যাস নয়, একটা দলিল। এই বইয়ে আওয়ামী সরকারের আমলে বিএনপির উপর নির্যাতন হওয়ার বিষয়টা তিনি তার কলামে তুলে ধরেছেন। তিনি গণমানুষের সাথে কথা বলেছেন, বিভিন্ন সমাবেশে ঘুরেছেন আর সেগুলো তার লেখনিতে ফুটিয়ে তুলেছেন। এটা একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে গিয়ে লেখার বিষয় নয় এটা কেবল সত্যের উপস্থাপনা যেটি তিনি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সভায় লেখক এহসান মাহমুদ নিজের লেখা বইয়ের প্রাসঙ্গিকতা ও লেখার সময় তাঁর বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। আওয়ামী লীগ সরকারের মতো স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের পথে যেন পরবর্তী সরকার না হাঁটে সেজন্য তিনি আহ্বান জানান।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/11/03/101413_bangladesh_pratidin_IMG_20241102_165019_356.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গণভবনকে জাদুঘরে রূপ দিতে ১৯ সদস্যের কমিটি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/3688/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/3688/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 02 Nov 2024 06:00:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=3688</guid>

					<description><![CDATA[গণভবনকে জাদুঘরে রূপ দিতে ১৯ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার (২ নভেম্বর) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, গণভবনে জুলাই-আগস্ট জুড়ে সারা দেশে পতিত আওয়ামী সরকারের নিপীড়নের চিত্র তুলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গণভবনকে জাদুঘরে রূপ দিতে ১৯ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।</p>
<p>শনিবার (২ নভেম্বর) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।</p>
<p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, গণভবনে জুলাই-আগস্ট জুড়ে সারা দেশে পতিত আওয়ামী সরকারের নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরা হবে। আয়নাঘরের রেপ্লিকা হবে। এখানে একটি গবেষণা কেন্দ্রও থাকবে। পরবর্তীতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এ জাদুঘর সংরক্ষিত থাকবে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>শিগগিরই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজ সম্পন্ন হবে, এরপরই জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।</p>
<p>তিনি বলেন, গণভবন দেশের ১৬ কোটি মানুষের কষ্ট ও গৌরবের চিহ্ন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের প্রতীক। বিশ্ববাসীর কাছে এর ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/3688/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/11/02/141422_bangladesh_pratidin_Gonobhobon.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা তাণ্ডবের ১৮ বছর আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/52998/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/52998/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 28 Oct 2024 04:00:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=52998</guid>

					<description><![CDATA[২০০৬ সালের এই দিনে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে সাপ মারার মতো পিটিয়ে জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। শুধু তাই নয়, মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশের ওপর নৃত্য করে তারা- যা সভ্য দুনিয়ায় অকল্পনীয়। স্বাভাবিক কারণেই তখন ওই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছিল দেশে-বিদেশে। আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার সেই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২০০৬ সালের এই দিনে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে সাপ মারার মতো পিটিয়ে জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। শুধু তাই নয়, মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশের ওপর নৃত্য করে তারা- যা সভ্য দুনিয়ায় অকল্পনীয়। স্বাভাবিক কারণেই তখন ওই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছিল দেশে-বিদেশে। আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার সেই তাণ্ডবের ১৮ বছর আজ।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই দিনের ঘটনায় মামলা হলেও তা এগোয়নি ১৮ বছরে। বিএনপি-জামায়াত নেতাদের দাবি, একদলীয় শাসন কায়েমের গভীর ষড়যন্ত্র ছিল সেদিনের লগি-বৈঠা আন্দোলন।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা যায়, ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াতসহ চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষে ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সারা দেশে লগি-বৈঠা আন্দোলনের ডাক দেয়। খোদ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের সমাবেশে লগি-বৈঠা নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। সংঘর্ষ পাল্টা-সংঘর্ষের এক পর্যায়ে, ঢাকার বায়তুল মোকাররম এলাকায় লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা এবং লাশের উপর নৃত্যের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে দলটি। নিন্দার ঝড় উঠে দেশে-বিদেশে। ওই ঘটনায় মামলা হলেও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মামলা প্রত্যাহার হয়। রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, সব ঘটনায় দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৬ সালের অক্টোবর মাস। বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার তখন বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিতে না পারেন সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোট তখন তুমুল আন্দোলন করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এমন প্রেক্ষাপটে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা গভীর আলোড়ন তৈরি করেছিল। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় প্রকাশ্যে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়। বিএনপি-জামায়াতের দাবি, একদলীয় শাসনের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সেদিন রাজপথে তাণ্ডব চালায় আওয়ামী লীগ।</p>
<p style="text-align: justify;">জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে বলেন, এটি ছিল স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের উত্থানের প্রথম মহড়া। সেদিনও বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল। তবে সরকারের যে ভূমিকা পালন করা দরকার ছিল তা তারা করেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি নেতারা বলছেন, সেদিন জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সমন্বয় থাকলে দিনভর তাণ্ডব চালাতে পারতো না আওয়ামী লীগ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী- এই দুটি মিলেই একটা বিরাট শক্তি। এরা একসঙ্গে থাকলে বাকি সব দলকেও পরাজিত করা যায়। সেই ধরনের পরিকল্পনা ছিল না, সমন্বয়কও ছিল না। আর সেই সুযোগেই এই পরিস্থিতি হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/52998/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/10/28/124849_bangladesh_pratidin_logi-boitha-news-pic.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>গুমের মাস্টারমাইন্ড বেনজীর সমন্বয়ে ছিলেন জিয়া ও হারুন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/44828/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/44828/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Oct 2024 05:15:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=44828</guid>

					<description><![CDATA[দেশে গত প্রায় ১৫ বছরে ছয় শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছে। এসব গুমের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নাম বেরিয়ে আসছে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের। গুমের এসব ঘটনা কো-অর্ডিনেট করতেন সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ। গুম করতে ডিবি, র‌্যাব-১ ও ২ এবং ডিজিএফআইয়ে গঠন করা হয়েছিল আলাদা টিম। এসব টিমের কর্মকর্তা ও সদস্যরাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশে গত প্রায় ১৫ বছরে ছয় শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছে। এসব গুমের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে নাম বেরিয়ে আসছে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের। গুমের এসব ঘটনা কো-অর্ডিনেট করতেন সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ। গুম করতে ডিবি, র‌্যাব-১ ও ২ এবং ডিজিএফআইয়ে গঠন করা হয়েছিল আলাদা টিম।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব টিমের কর্মকর্তা ও সদস্যরাই গুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্য মিলছে। আর সবচেয়ে বেশি গুমের ঘটনা ঘটিয়েছে র‌্যাব-১-এর টিম। বিভিন্ন বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কারা কারা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাঁদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে গুমসংক্রান্ত ‘কমিশন অব ইনকোয়ারি’। এরই মধ্যে ওই কমিশন অনেকের নাম জানতে পেরেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে খোঁজ রাখেন এমন একজন কর্মকর্তা জানান, গুমের ঘটনায় যাঁরা জড়িত ছিলেন তাঁদের অনেকে বর্তমানে সাধু সাজার চেষ্টা করছেন। তবে লাভ নেই। সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান গুমের সঙ্গে জড়িত নন বলে আদালতে দাবি করেছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওই কর্মকর্তা বলেন, কে মহান, কে দোষী, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বেনজীর আহমেদ ডিএমপির কমিশনার, র‌্যাবের মহাপরিচালক ও আইজিপি ছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন ছিলেন বলে তিনি সব নির্দেশ পালন করতেন। যাকে গুম করতে হবে ওই ব্যক্তির নাম চলে আসত বেনজীর আহমেদের কাছে। পরে তিনি জিয়াউল আহসানসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করে একটি টিম দিয়ে টার্গেট ব্যক্তিকে উঠিয়ে আনতেন। বেনজীর আহমেদ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সময় সবচেয়ে বেশি গুমের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের পরিচালক নাসির উদ্দিন এলান জানান, গুমের বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কাজ করেছেন। তবে কারা জড়িত সেটি এখনো বের করতে পারেননি। এর কারণ, অভিযানগুলো চালানো হতো সাদা পোশাকে। ডিজিএফআইয়ের লোকজন গিয়ে পরিচয় দিতেন অন্য কোনো সংস্থার। এক সংস্থা আরেক সংস্থার পরিচয় দেওয়ার কারণে ভুক্তভোগীরা কারো নাম জানাতে পারেননি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জানান, এমনকি যাঁরা আয়নাঘরে ছিলেন সেখানেও ভিন্ন লোকদের দিয়ে দায়িত্ব পালন করানোয় তাঁদের পক্ষে নাম জানাটা কঠিন। তবে তিনি আশা করছেন গুমের ঘটনা তদন্তে যে কমিশন করা হয়েছে তারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে। যে এলাকা থেকে যাকে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে যে সংস্থার কাছে রাখা হয়েছিল ওই সংস্থার কমান্ডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বললে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম জানা যাবে। এসব প্রকাশের পরই সবাই প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, বেনজীর আহমেদ শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হওয়ায় তাঁর মাধ্যমে বেশির ভাগ গুমের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আর জিয়াউল আহসান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হওয়ায় ডিজিএফআই, র‌্যাবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করতেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র জানায়, গুমের জন্য ডিবি, র‌্যাব-১, র‌্যাব-২-তে আলাদা টিম করা হয়েছিল। ওই টিমগুলোর সদস্যরা ছিলেন যথেষ্ট দক্ষ। সেখানে একজন অফিসারের নেতৃত্বে সাত-আটজন সদস্য দায়িত্ব পালন করতেন। সব মিলিয়ে সারা দেশে দুই শর মতো অফিসার ও সদস্য গুমসংক্রান্ত ঘটনায় দায়িত্ব পালন করতেন। তাঁদের জন্য আলাদা সম্মানীর ব্যবস্থা ছিল। ডিবির সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ লালবাগ জোনের ডিসি থাকার সময় গুমের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বার্তা যেত বেনজীর আহমেদের কাছে। পরে বেনজীরের নেতৃত্বে গুমের ঘটনা বাস্তবায়ন করতেন র‌্যাব, ডিবি ও ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">ইনকোয়ারি কমিশন যা করছে : গত ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গুমসংক্রান্ত ‘কমিশন অব ইনকোয়ারি’ গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, সিআইডি, এসবি, ডিবি, আনসার ব্যাটালিয়ন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই), কোস্ট গার্ডসহ দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো সদস্য কর্তৃক ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি গুম হয়েছে কি না তা তদন্তে অন্তর্বর্তী সরকার এই কমিশন গঠন করে। গত ১২ সেপ্টেম্বর গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন। এ ছাড়া কমিশনের পক্ষ থেকে আয়নাঘরও পরিদর্শন করা হয়। গুমের সঙ্গে কোন কোন কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন তাঁদের নাম, ঠিকানা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র মতে, অনুসন্ধানে পাওয়া জড়িত ব্যক্তিদের নাম আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াসহ  ৪২ জনের নামে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। হুমায়ূন কবির নামের এক ব্যবসায়ী তিনটি অভিযোগ জমা দেন। হুমায়ূন কবির অভিযোগে জানান, ২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর তাঁকে তুলে নিয়ে ১১ দিন আয়নাঘরে বন্দি রাখা হয়। ওই সময় তাঁকে ইলেকট্রিক শক, হাত-পা, চোখ বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন।</p>
<h3>জাতিসংঘ এ ২৪টি দেশের তিন শতাধিক গুমের অভিযোগে বৈঠকে বসছে</h3>
<p style="text-align: justify;">বিশ্বের ২৪টি দেশের তিন শর বেশি গুমের অভিযোগ পর্যালোচনা করতে এ সপ্তাহে বৈঠকে বসছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। আগামী ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এটি গুমবিষয়ক জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের ১২৬তম বৈঠক।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠকে পাঁচজন স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞ ‘গুম হওয়া’ ব্যক্তিদের স্বজন, রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও অংশীজনদের সঙ্গে ঘটনা, কাঠামোগত ইস্যু ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে কথা বলবেন। বৈঠকগুলো রুদ্ধদ্বার হবে। তবে বৈঠক শেষে ওয়ার্কিং গ্রুপ এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘ জানায়, বিশেষজ্ঞরা গুমের অভিযোগগুলোর প্রেক্ষাপটে ‘গুম থেকে সুরক্ষাবিষয়ক ঘোষণা’ বাস্তবায়নের বাধাগুলোও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। ওই ঘোষণার ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ, ২০২২ ও ২০২৩ সালে বিভিন্ন দেশ সফরসহ অন্যান্য কর্মসূচিও এবারের বৈঠকে চূড়ান্ত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতিসংঘ ওই ২৪টি দেশের নাম প্রকাশ করেনি। তবে গত আগস্ট মাসে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে উত্থাপিত প্রতিবেদনেও বাংলাদেশ নিয়ে একটি অনুচ্ছেদ ছিল। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে গুমের অভিযোগ নিয়ে ওয়ার্কিং গ্রুপ  উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করছে। কয়েক বছর ধরে একই ধরনের অভিযোগ আসছে। গুমবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, তারা ৮৩টি গুমের অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এর মধ্যে ৭৬টি অভিযোগ এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওয়ার্কিং গ্রুপ গুমের অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ সফরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়ে ২০১৩ সাল থেকে চিঠি পাঠাচ্ছে। ১৯৯৬ সালে প্রথম অভিযোগ পাঠানো হয় বাংলাদেশ থেকে।</p>
<p style="text-align: justify;">আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এর আগে জেনেভায় জাতিসংঘের বৈঠকে গুমের অভিযোগের জবাবে বলেছেন, বাংলাদেশের আইনে গুম বলে কিছু নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে র‌্যাব ও এর সাবেক-বর্তমান সাত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা জাতিসংঘ থেকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের যে তালিকা পেয়েছি তার মধ্যে ১৯৯৩ সালে নিখোঁজ ব্যক্তিও আছেন; কল্পনা চাকমা। বিএনপির সময় তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। সেটির উত্তরও আমাদের এখন দিতে হচ্ছে। ’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আবার এমনও আছেন, যাঁরা ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী দলের নেতা ছিলেন, তাঁদের নামের তালিকা আমাদের এখানে দেওয়া হচ্ছে। এ রকম আরো একাধিক নাম পেয়েছি। ’ তিনি বলেন, এসব বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। জাতিসংঘকে বিশদ জবাব দেওয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও জানানো হবে।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/44828/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/10/24/090119_bangladesh_pratidin_Untitled-2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল: হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/506238/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 23 Oct 2024 04:23:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=506238</guid>

					<description><![CDATA[চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা আইজিপির কাছে পাঠানো হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানান ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। এদিকে সংস্কার কাজ শেষে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের মূল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা আইজিপির কাছে পাঠানো হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানান ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সংস্কার কাজ শেষে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের মূল ভবনে বিচারকাজ শুরু করা যাবে বলে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে গত ১৭ অক্টোবর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অন্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন– শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মন্ত্রিপরিষদের সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, আকম মোজাম্মেল হক, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, শেখ সেলিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলে শামস পরশ, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ মামুন, ডিবি হারুন, পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার, প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, সাবেক ডিএমপি হাবিবুর রহমান, সাবেক র‌্যাব ডিজি হারুন অর রশিদ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তারেক আনাম সিদ্দিকী, বিচারপতি মানিক, ড. জাফর ইকবাল, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামসহ ৪৬ জন।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অপর দুই জন হলেন– বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p>
<h3>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন</h3>
<p style="text-align: justify;">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার (১৪ অক্টোবর) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রাইব্যুনালের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত একজন বিচারপতির সমমর্যাদার বেতন-ভাতাদি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://thikananews.com/public/postimages/670d1babb7867.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির দায়ে সৌমিত্র শেখরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/47364/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/47364/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Oct 2024 05:40:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=47364</guid>

					<description><![CDATA[জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিভিন্ন দেশে তার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি কিংবা সম্পদের তথ্যের জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটেও (বিএফআইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পুলিশের স্পেশাল শাখা ও বিএফআইইউ প্রধান বরাবর পৃথক ওই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিভিন্ন দেশে তার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি কিংবা সম্পদের তথ্যের জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটেও (বিএফআইইউ) চিঠি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পুলিশের স্পেশাল শাখা ও বিএফআইইউ প্রধান বরাবর পৃথক ওই চিঠি দেওয়া হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর দে উপাচার্য হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে নিজ গ্রামে ও পরিবারের সদস্যের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ছাড়া ভারত, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ায় তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে বাড়ি বা সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় ভর্তি-বাণিজ্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে সৌমিত্র শেখরের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে ঠিকাদার কর্তৃক জামানতকৃত টাকা সোনালী ব্যাংক থেকে রূপালী ব্যাংকে স্থানান্তর করে প্রতি কোটিতে ৫০ হাজার টাকা করে কমিশন গ্রহণ, গাড়ির জ্বালানির জন্য বরাদ্দ দেওয়া সরকারি তহবিল আত্মসাৎ এবং অবৈধ অর্থে গ্রামের বাড়ি শেরপুরে জমি কিনে ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করার অভিযোগ পেয়েছে দুদক। তার বিরুদ্ধে ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং শেরপুরে বিপুল সম্পত্তির প্রমাণও পেয়েছে সংস্থাটি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর। কিন্তু শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ১৪ আগস্ট পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/47364/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/10/22/121214_bangladesh_pratidin_bgtbgtttt.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনা সাহস থাকলে দেশে এসে মামলা মোকাবিলা করুন : অ্যাটর্নি জেনারেল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/273714/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 20 Oct 2024 06:00:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=273714</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মামলা হয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘সাহস থাকলে দেশে এসে মামলার মোকাবিলা করুন। এখন তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আমি আশা করি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মামলা হয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘সাহস থাকলে দেশে এসে মামলার মোকাবিলা করুন। এখন তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আমি আশা করি শেখ হাসিনা দেশে এসে বিচারের মুখোমুখি হবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফিরিরে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইন্টারপোলের সহযোগিতা নিয়েও শেখ হাসিনাকে ফিরে আনা হতে পারে।’ রবিবার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের রিভিউ নিষ্পত্তির পর এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিন সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের রিভিউ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরলো সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে। বিচারপতিদের অপসারণে সংসদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে আনা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ করে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/10/20/125358_bangladesh_pratidin_ag-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ডাকে জড়ো হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/264623/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 16 Oct 2024 03:43:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=264623</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামীপন্থি ‘ফ্যাসিস্ট বিচারকদের’ পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ডাকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমবেত হচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন দুই সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার সকাল ১০টার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আওয়ামীপন্থি ‘ফ্যাসিস্ট বিচারকদের’ পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ডাকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমবেত হচ্ছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন দুই সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার সকাল ১০টার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে হাইকোর্ট ঘেরাওয়ের কর্মসূচির ডাক দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসময় তারা ‘শেখ হাসিনার সরকার, বারবার দরকার’; ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’; ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’সহ নানা স্লোগান দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০-২৫ আইনজীবী এই বিক্ষোভে অংশ নেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এসময় বিক্ষোভ থেকে একজনকে আটক করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের এই বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রতিক্রিয়ায় হাইকোর্ট ঘেরাওয়ের কর্মসূচির ডাক দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/10/16/113005_bangladesh_pratidin_du-nn.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারের পথন : আটক হলেন আরো এক হেভিওয়েট নেতা?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/465986/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Oct 2024 04:03:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=465986</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক বিমানমন্ত্রী ফারুক খান গ্রেপ্তার সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাতে তাকে ঢাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর তাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের(ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক। তিনি বলেন, র‍্যাব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="content-details">
<h3>সাবেক বিমানমন্ত্রী ফারুক খান গ্রেপ্তার</h3>
<p style="text-align: justify;">সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার দিবাগত রাতে তাকে ঢাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর তাকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের(ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, র‍্যাব তাকে গ্রেফতারের পর ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সুমন ইসলাম (২৩) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গত ২০ সেপ্টেম্বের সকালে তার মা মোছা. কাজলী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খানের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার ৭ ইউনিয়ন) থেকে জয়ী হয়ে এমপি হয়েছিলেন ফারুক খান।</p>
<h3>ভারতে পালানোর সময় সাবেক এমপি ফজলে করিম আটক</h3>
<p style="text-align: justify;">ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম রাউজানের (চট্টগ্রাম-৬) সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার গাজীরবাজার থেকে তাকে আটক করে বিজিবি। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন  ফজলে করিম চৌধুরী। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও রাউজানে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত গ্রেফতার</h3>
<div class="dtl_section">
<p style="text-align: justify;">সাবেক সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত গ্রেপ্তার হয়েছেন। রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপির একটি সূত্র ঢাকা টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মোহাম্মদ আলী আরাফাত ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে মাঝেমধ্যে তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় দেখা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গেল ১২ আগস্ট মোহাম্মদ আলী আরাফাত, তার স্ত্রী শারমিন মুশতারী ও তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ।</p>
<p style="text-align: justify;">অর্থ পাচার নিরোধসংক্রান্ত ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী এক আদেশে বিএফআইইউ বলেছে, লেনদেন স্থগিত করার এই নির্দেশের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯–এর ২৬(২) ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২২ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হন মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। টানা চতুর্থ বারের মতো আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে মোহাম্মদ আলী আরাফাত তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।</p>
</div>
<h3>আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ গ্রেফতার</h3>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর নাখালপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি জানান, আবদুস সোবহান গোলাপকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।</p>
<h3>স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভারত যাচ্ছিলেন, আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আটক শ্যামল দত্ত</h3>
<p style="text-align: justify;">স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়েছে সাংবাদিক শ্যামল দত্তকে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে তাকে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">শ্যামল দত্ত আওয়ামীপন্থী সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। তিনি ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, বিকেল ৩টায় আখাউড়া ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা থাকাই কর্তৃপক্ষ ফেরত তাকে দেন। তার স্ত্রী ও সন্তানও এ সময় সঙ্গে ছিলেন। এ সময় তিনি ইমিগ্রেশন স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভারত যেতে অনুনয় করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক খায়রুল আলম জানান, দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার তালিকা থাকায় শ্যামল দত্তকে ভারতে যেতে দেওয়া হয়নি। ইমিগ্রেশন থেকে তিনি ফিরে গেছেন।</p>
<h3>বিমানবন্দরে ছাত্রলীগের ২ নেতা আটক</h3>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে তাদের আটক করা হয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বেবিচক সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।জান। যায়, সৈকতকে ইমিগ্রেশন থেকে আটক করা হয়। ইমিগ্রেশনের হেফাজতে আছে। আর রিয়াজ মাহমুদকে বিদেশ যাওয়ার সময় আটক করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাসকে আটক করা হয়েছিল ইমিগ্রেশনে। পরে তাকে ফ্লাই করতে দেওয়া হয়।</p>
<h3>বিমানবন্দরে আটক হাছান মাহমুদ</h3>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করা আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে আটক করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সেখান থেকেই একটি সামরিক হেলিকপ্টারে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। আজ বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করে।</p>
<h3>যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া হলো না চিত্রনায়ক রিয়াজের</h3>
<p style="text-align: justify;">চিত্রনায়ক রিয়াজকে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে গেলেও তাকে ফেরত পাঠায় ইমিগ্রেশন পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে। রিয়াজের এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সংস্থা থেকে কিছু রাজনীতিবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বেশ কয়েকজনের তালিকা চেক-ইন এবং ইমিগ্রেশন কাউন্টারে দেওয়া রয়েছে। পাশাপাশি প্লেনে যাত্রী ওঠা ও ফ্লাইট উড্ডয়নের ক্ষেত্রেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চূড়ান্ত ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। রিয়াজ বিকেলে বিমানবন্দরে আসেন। সম্ভবত তালিকায় নাম থাকার কারণে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, রিয়াজের আওয়ামী লীগে কোনো পদ না থাকলেও বিভিন্ন সময়ে আওয়ামীমনা শিল্পীদের অনুষ্ঠানে তাকে সরব ভূমিকায় দেখা যায়।</p>
<h3 style="text-align: justify;">বিমানবন্দর থেকে ঢাকা দক্ষিণের আওয়ামী লীগ সভাপতি মান্নাফি আটক</h3>
<p style="text-align: justify;">দেশ ছেড়ে পালানোর সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফিকে আটক করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (৭ আগস্ট) মধ্যরাতে তাকে আটক করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কাতার এয়ারওয়েজ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে আমেরিকা যাওয়া চেষ্টা করেছিলেন মান্নাফি।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সোলাইমান হাসানকে দেশ ছেড়ে পালানোর সময় বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ভারতে পালানোর সময় বরিশালের সাবেক মেয়রের ক্যাশিয়ার আটক</h3>
<p style="text-align: justify;">ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর ক্যাশিয়ার ও মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক নীরব হোসেন টুটুলকে আটক করেছে বিজিবি।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সকালে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পালানোর সময় তাকে আটক করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সাতক্ষীরা বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশরাফুল হক বলেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরেনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহর ক্যাশিয়ার হিসাবে খ্যাত খোঁড়া টুটুলকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/3fd34a7b6e30245d727d4c9cd8b8e94eea7e8b7412aa7b69.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশে আ.লীগের মতো চরমপন্থী-সন্ত্রাসী দলের জন্ম আর হয়নি: জামায়াত আমির</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/31042/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/31042/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 13 Oct 2024 05:30:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=31042</guid>

					<description><![CDATA[২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যত হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সবগুলোর বিচার দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, নিজেদের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা না চেয়ে নানারূপে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার চেষ্টা করছে। রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওে বার্ষিক সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেন তিনি। বলেন, আওয়ামী লীগের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যত হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সবগুলোর বিচার দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, নিজেদের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা না চেয়ে নানারূপে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার চেষ্টা করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওে বার্ষিক সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেন তিনি। বলেন, আওয়ামী লীগের মতো চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী দলের বাংলাদেশে আর জন্ম হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার সবার আগে দাবি করে এই নেতা বলেন, গেল ১৭ বছর আওয়ামী লীগ তাদের দুঃশাসনকালে সবচেয়ে বেশি নির্মমতা দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ছাত্রলীগ নামে হাতুড়ি-হেলমেট বাহিনী তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ। ওবায়দুল কাদেররা অহংকার ও অন্যায় নিয়ে গর্ব করতেন। তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। মানুষকে মানুষ মনে করতেন না। আজ উনারা কোথায় গেলেন। প্রতিটি অপকর্মের ফল তাদের পেতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধ নয় জামায়াতে ইসলামী সকল জুলুমের বিচার প্রচলিত আইনের মাধ্যমে চায়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/31042/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-bulletin.com/2024/08/29/bb_1724922434.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিদেশিদের চাপে সাবের হোসেন চৌধুরীকে মুক্তি দিয়েছে সরকার : নুর</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/162119/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/162119/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 11 Oct 2024 19:15:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[গণ অধিকার পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=162119</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীকে বিদেশিদের চাপে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ‘নির্বাচন কমিশনে কেমন সংস্কার চাই’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট এবং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীকে বিদেশিদের চাপে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ‘নির্বাচন কমিশনে কেমন সংস্কার চাই’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা আলোচনায় অংশ নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নুরুল হক নুর বলেন, ‌স্বৈরাচার সরকারের দোসর ও আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীকে যদি মুক্তিই দেবেন তাহলে গ্রেফতার কেন করেছিলেন? আবার আপনার জেন্টালম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নানকে কেন গ্রেফতার করলেন। কেন ওবায়দুল কাদেরকে গ্রেফতার করতে পারলেন না। সাবের হোসেন চৌধুরীকে কোনোভাবেই ছাড়া উচিত হয়নি।&#8217;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/162119/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.rtvonline.com/assets/news_photos/2022/08/11/image-187960-1660213947.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আমরা মাঠে আছি, নির্ভয়ে মণ্ডপে যান: সেনাপ্রধান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/48329/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/48329/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Oct 2024 09:20:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রাষ্ট্রপতি]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=48329</guid>

					<description><![CDATA[শারদীয় দুর্গা পূজায় নির্ভয়ে মণ্ডপে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, সারাদেশে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা মাঠে আছি। শনিবার (৫ অক্টোবর) দুর্গা পূজা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শারদীয় দুর্গা পূজায় নির্ভয়ে মণ্ডপে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, সারাদেশে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা মাঠে আছি।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (৫ অক্টোবর) দুর্গা পূজা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি অন্য সকল ধর্মাবলম্বীদের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, এদেশে সবার সমঅধিকার আছে। যার যার ধর্ম, সে সে পালন করবে। তার জন্য যা যা দরকার করা হবে। আমরা একটা সুন্দর পরিবেশ চাই। সে পরিবেশেই সবাই পূজা উদযাপন করবেন।</p>
<h3>বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সেনাবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ</h3>
<p style="text-align: justify;">রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বঙ্গভবনে সাক্ষাতকালে সেনাবাহিনী প্রধান দেশে বিরাজমান পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান জানান, ঢাকাসহ দেশের ৫৭ জেলায় ২৭ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা সদস্যরা বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে যতদিন প্রয়োজন ততদিন সেনা সদস্যরা মাঠে থাকবে। খবর: বাসস।</p>
<p style="text-align: justify;">সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনীর দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ টেলিভিশন, মেট্রোরেল, সেতুভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সেনাবাহিনী দেশের ক্রান্তিকালে দায়িত্ব পালন করে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শীঘ্রই আইন-শৃঙ্খলাসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/48329/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://ichef.bbci.co.uk/ace/ws/665/cpsprodpb/0b4a/live/93eda100-7a49-11ef-bfec-19df5c361513.jpg.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>উত্তরা-যাত্রাবাড়ী-আশুলিয়া গণহত্যার বিচার আগে হবে : চিফ প্রসিকিউটর</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1151/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1151/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Sep 2024 05:26:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=1151</guid>

					<description><![CDATA[দেশজুড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর উত্তরা, যাত্রাবাড়ী ও আশুলিয়ার গণহত্যার বিচার আগে করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন তাজুল ইসলাম। এতে তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংগঠিত গণহত্যার বিচার আগে হবে। অগ্রাধিকার রয়েছে রংপুরের আবু সাঈদ ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশজুড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর উত্তরা, যাত্রাবাড়ী ও আশুলিয়ার গণহত্যার বিচার আগে করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন তাজুল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংগঠিত গণহত্যার বিচার আগে হবে। অগ্রাধিকার রয়েছে রংপুরের আবু সাঈদ ও উত্তরার মুগ্ধ হত্যাকাণ্ডের বিচার। বিচারটি এমনভাবে করা হবে, যেন এ বিচার নিয়ে দেশে-বিদেশে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ না থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিপ্লব করতে গিয়ে অনেকে শহিদ হয়েছেন, অনেকে নানা অঙ্গ হারিয়েছেন। তাই তাদের প্রতি জাতির একটা দায়বদ্ধতা আছে। বিচারটা দ্রুত করতে হলে তদন্ত সংস্থার কাছে, প্রসিকিউশনের কাছে তথ্যগুলো আসা খুবই জরুরি। আমাদের তদন্ত সংস্থাকে ওই অপরাধের তথ্য-উপাত্ত বের করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বিচার হওয়া সত্ত্বেও গোটা বিশ্ব থেকে কেউ যেন বলতে না পারে যে বিচারটা আগের মতোই একটা অবৈধ প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে হয়েছে। সেই কারণে এখন সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, যেন ট্রাইব্যুনালটা দ্রুত পুনর্গঠন হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">দ্রুততম সময়ে ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগের দাবি করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন টিমের কার্যক্রম চলমান থাকলেও ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি না থাকায় বিচার কার্যক্রম থমকে আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ৫ সেপ্টেম্বর তাজুল ইসলামকে চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তার সঙ্গে প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবীকে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই অবসরে যান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার। অন্য এক সদস্য বিচারপতি হাইকোর্টে ফিরে গেছেন। বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে কোনো বিচারপতি নেই।</p>
<h3>জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে: আইন উপদেষ্টা</h3>
<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা সম্ভব। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেই হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আসিফ নজরুল বলেন, গণহত্যা ও গুলি বর্ষণের বিচার হবে মামলা হচ্ছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচার করা যায় কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, সারাদেশে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা ৩ দিনের মধ্যে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ বাহিনী না থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। এখন পুলিশ যোগ দিয়েছে, আশা করি ৩১ আগস্টের মধ্যেই সেই সব মামলা প্রত্যাহার করা হবে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে ঢাকা শহরের মামলা প্রত্যাহার হবে। রোজিনা ইসলাম ও মাহমুদর রহমান মান্নার মামলা প্রত্যাহার হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আইন উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্য সর্বব্যাপী। ধর্মের ভিত্তিতে, রাজনৈতিক ভিত্তিতে যত বৈষম্য হয়েছে তা নিরসন করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1151/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/09/17/150013_bangladesh_pratidin_tazul.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য পাবে : সুজন সম্পাদক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/151813/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/151813/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Sep 2024 06:01:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=151813</guid>

					<description><![CDATA[সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচনি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হওয়া উচিত। গতকাল রাজধানী তেজগাঁওয়ের এফডিসিতে গণতন্ত্র সুরক্ষায় রাষ্ট্র মেরামত এবং জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচনি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হওয়া উচিত। গতকাল রাজধানী তেজগাঁওয়ের এফডিসিতে গণতন্ত্র সুরক্ষায় রাষ্ট্র মেরামত এবং জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের অনেকেই পালিয়ে গেছে। নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কাউকে এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ ছাড়া জাতীয় নির্বাচন হলে সে নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে না। ডামি, একতরফা ও মধ্যরাতের নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ এ দেশে নির্বাচনি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত তিনটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, প্রশাসন, রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসারসহ নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত প্রায় সবাই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিভিন্ন অজুহাতে দলীয়করণ করে সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছে। অতিউৎসাহী হয়ে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে। তাই নির্বাচনি অপরাধে অভিযুক্ত সব ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, বর্তমান সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল রুটিন সরকার। অন্তর্র্বতী সরকারকে ১৫-১৬ বছরের জঞ্জাল দূর করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। তারপরেও জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা হ্রাস পেতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">২৮ অক্টোবর পরিকল্পিতভাবে নয়াপল্টনে হামলা চালিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। নির্বাচনের জন্য সমতল ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে পারেনি। সে সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে সরকারের রূপরেখা বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি কথিত দলকে নিবন্ধন দিয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রস্তাবের পক্ষে জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি এবং বিপক্ষে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা অংশ নেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/151813/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.kalbela.com/assets/news_photos/2024/09/14/image_121096_1726309352.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার পাহাড়! আরো একটি নতুন মামলা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/275437/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Sep 2024 03:00:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=275437</guid>

					<description><![CDATA[দিনাজপুরে শেখ হাসিনা ও ইকবালুর রহিমসহ ৫৯ জনের নামে মামলা দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমসহ ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) কোতয়ালী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন দিনাজপুর সদর উপজেলার রাজবাটি এলাকার এবিএম সিদ্দিকের ছেলে মো. [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3>দিনাজপুরে শেখ হাসিনা ও ইকবালুর রহিমসহ ৫৯ জনের নামে মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমসহ ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) কোতয়ালী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন দিনাজপুর সদর উপজেলার রাজবাটি এলাকার এবিএম সিদ্দিকের ছেলে মো. ফাহিম ফয়সাল।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালী থানার ওসি মো. ফরিদ হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মোহাম্মদ শাহ আলম, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, পৌর যুবলীগের নোওশাদ ইকবাল কলিংশ, আওয়ামী লীগ নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, শহর যুবলীগের সভাপতি রমজান, নয়নপুর এলাকার রেজাউল করিম রেজাসহ ৫৯ জন। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে। মামলা নং-২৫/৫৬৯।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ আগস্ট আনুমানিক দুপুর ১২টা থেকে ১টায় দিনাজপুর শহরের জেনারেল হাসপাতাল মোড়ে বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ জনগণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে থাকে। এ সময় আওয়ামী সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনীর দুস্কৃতিকারীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র এবং দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ আন্দোলনকারীদের উপর চড়াও হয়। এ সময় বাদী ফাহিম ফয়সালসহ ৩০/৪০জন ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ জনগণ গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আহতদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ও আমার (ফাহিম ফয়সাল) শরীর হতে একাধিক গুলি বের করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">কোতয়ালী থানার ওসি মো. ফরিদ হোসেন জানান, মামলার তদন্তভার এসআই মো. নুর আলমকে দেয়া  হয়েছে।</p>
<h3>রাজশাহীতে শেখ হাসিনাসহ ১৭৮ জনের নামে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন মোসা. মাছুফা নামের এক নারী। মামলায় আসামি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালসহ ১৭৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরও ২৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পুঠিয়া থানায় তিনি এ মামলা করেন। মামলার বাদী মাছুফার বাড়ি চারঘাট উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালের ১ মে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে গণতন্ত্ররক্ষা দিবস উপলক্ষে ২০ দলীয় জোটের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হামলা ও গুলি বর্ষণে বিএনপির সমর্থক মজির উদ্দিন নিহত হন। পরে পুঠিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে তাদের ফিরিয়ে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহত মজির উদ্দিনের ছেলে মাসুদ রানা জানান, ওই সময় তাদের মামলা গ্রহণ করা হয়নি। ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অধীনে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় তারা মামলাটি দায়ের করলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত করমকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, মামলার এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ওই ঘটনায় মজির উদ্দিনকে হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছিল। এ মামলায় বিভিন্ন সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও নিহত মজিরের ভাতিজা আবু সাঈদ চাঁদও এই মামলায় জেল খেটেছেন। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেদিনের ঘটনায় বুধবার রাতে মাছুফার সঙ্গে আবু সাঈদ চাঁদও থানায় মামলা করতে গিয়েছিলেন। তবে একই ঘটনা এবং দুইজনের মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে একই ব্যক্তিদের নাম লেখার কারণে একটি মামলা রেকর্ড হয়েছে। চাঁদের এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি।</p>
<h3>শেখ হাসিনা-ডিপজলসহ ১৩৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরও একটি হত্যা মামলা হয়েছে। এবার তার সঙ্গে আসামি করা হয়েছে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন, অভিনেতা ও ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন ডিপজলসহ ১৩৮ জনকে।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় গুলি করে শুভ নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগে সোমবার এই মামালা করেন ভিকটিমের মা রেনু। মামলাটি গ্রহণ করে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামাল, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, কামাল আহমেদ মজুমদার, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাদেক খান, ফেরদৌস আহমেদ, গাজী মেজবাউল হক সাচ্চু, সাবিনা আক্তার তুহিন, নূর আলম সিদ্দিকীর ছেলে তাহজীব আলম সিদ্দিকী, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়াল, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাবেক প্রেসিডেন্ট এনামুলক হক খান দোলন।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই ধানমন্ডি থানাধীন ৩ নম্বর রোডে গুলিবিদ্ধ হন শুভ। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।</p>
<h3>গাজীপুরে শেখ হাসিনাসহ ১৫৫ জনের নামে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে স্বামীকে হত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ও এক সাবেক আইজিপি এবং আওয়ামী লীগের ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে বাসন থানায় আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরোও ১৫০-২০০ জন আসামি করা হয়েছে। নিহত নজরুল ইসলামের (৩২) স্ত্রী মোছাঃ পূর্নিমা বেগম বাদি হয়ে বুধবার (২৮ আগস্ট) জিএমপির বাসন থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এই মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি, সাবেক এমপি আখতারউজ্জামান, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান ও সাধারণ সম্পাদক আতাউল্যাহ মন্ডল, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামীলীগ নেতা মতিউর রহমান মতি, আসাদুর রহমান কিরণ, আফজাল হোসেন সরকার রিপন, গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেলসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও সিটি কর্পোরেশনের কয়েকজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলা সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মহানহগরীর বাসন থানার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার  শাহাবুদ্দিন মন্ডলের বাসায় ভাড়া থাকতেন নজরুল ইসলাম (৩২)। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানার বারইভাগ এলাকার মো. জামাল শেখের ছেলে। গত ২০ জুলাই বেলা ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে নজরুল ইসলাম ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে বাসন থানাধীন চান্দনা এলাকায় পশমী সোয়েটার গার্মেন্টসের পাঁকা রাস্তার উপর এসে সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলাকালে মামলার প্রথম ১৬ জন আসামির নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করে। এসময় তারা হত্যার উদ্দেশ্যে ছাত্র-জনতাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়িভাবে গুলি ছুড়িতে থাকে। এতে পিঠের ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান নজরুল ইসলাম। পরে নিহতের লাশ সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানাধীন বারইবাগ গ্রামে নিয়ে দাফন করা হয়।</p>
<h3>নরসিংদীতে শেখ হাসিনাসহ ৩৫০ জনের নামে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">নরসিংদীর মাধবদীতে টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক জামান মিয়া (১৭) নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে আরেকটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় আরও ৩০০ থেকে ৩৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার (২৬ আগস্ট) নিহত জামান মিয়ার ভগ্নিপতি মো. আঙ্গুর মিয়া নরসিংদীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হকের আদালতে মামলার আবেদন করেন। এই সময় আদালতের বিচারক পুলিশকে মামলাটি তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেন। নিহত জামান মিয়া ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার দেউলডাংরা এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে। নরসিংদীর মাধবদীর ভগিরথপুর এলাকায় থেকে স্থানীয় একটি টেক্সটাইল কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ জুলাই সদর উপজেলার মাধবদীর মেহেরপাড়ার পৌলানপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়ে তৎকালীন সরকারের দমন পীড়ন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান চলছিল। দুপুর সাড়ে ১২টায় আওয়ামী লীগের ৩০০ থেকে ৩৫০ নেতাকর্মী হাতে লাঠিসোঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও এলোপাতাড়িভাবে গুলিবর্ষণ করে। এসময় তাদের ছোড়া একাধিক গুলি জামান মিয়ার পেটসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পাঁচ দিন পর গত ২৫ জুলাই সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল পৌনে ৯টার দিকে জামানের মৃত্যু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার আরজিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামাল শক্ত হাতে ছাত্রদের আন্দোলন দমনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের পরোক্ষ সহযোগিতা, উসকানিমূলক বক্তব্য ও হুকুমে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের অজ্ঞাতনামা আসামিরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে জামানকে গুলি করে হত্যার মাধ্যমে পেনাল কোডের ১৪৩ / ১৪৯ / ৩০২ / ১০৯ / ৩৪ ধারার অপরাধ করেছেন। তাদের নির্দেশেই ছাত্র-জনতার যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা একযোগে পিটিয়ে ও গুলিবিদ্ধ করে শিক্ষার্থীদের হত্যা ও আহত করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আদালত মামলাটি তালিকভুক্ত করতে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৩০০ থেকে ৩৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, এর আগে গত ২২ আগষ্ট আজিজুল হত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৮১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করে নরসিংদী আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p>
<h3>এবার সাংবাদিক হত্যায় শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিক তাহির জামান নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত সাংবাদিকের মা।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, রমনা বিভাগের পুলিশের ডিসি আশরাফ ইমাম, এডিসি প্রশাসন ও নিউমার্কেট জোন হাফিজ আল আসাদ, সহকারী কমিশনার নিউমার্কেট জোন রেফাতুল ইসলাম রিফাত ও নিউমার্কেট থানার সাবেক ওসি মো. আমিনুল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ জুলাই তাহির রাজধানীর সাইন্স ল্যাবরেটরী এলাকায় আন্দোলনে অংশ নিতে যান। এ সময় ছাত্র-জনতাকে উদ্দেশ্য করে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে। ঘটনার একপর্যায়ে একজন ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের কয়েক ফুট দূরত্বে তাহিরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। আসামিরা অনবরত গুলি ছুঁড়তে থাকায় তাহিরের মরদেহ হাসপাতালে নেয়াও সম্ভব হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, নিহত তাহের হোসেন দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের সাবেক ভিডিও জার্নালিস্ট ছিলেন। মাস ছয়েক আগে চাকরি ছাড়েন তিনি। গত ১৯ জুলাই আন্দোলন চলাকালে ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে সংঘর্ষে নিহত হন তিনি।</p>
<h3>গার্মেন্টসকর্মীকে হত্যা, শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর আদাবরে ছাত্র-জনতার মিছিলে গার্মেন্টসকর্মী সোহেল রানাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) নিহত সোহেলের ভাই ইব্রাহীম ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালতে এ মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ঢাকার আদাবর থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের আদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম খান নিখিল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, সাবেক ডিবি প্রধান হারন অর রশিদ, সাবেক যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ভিকটিম পেশায় একজন গার্মেন্টসকর্মী। দেশব্যাপী কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আদাবর থানা এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলছিল। সেসময় স্বৈরশাসকের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী তথা আসামিরা এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। ভিকটিমসহ ঘটনাস্থলে আসামিদের গুলিতে একাধিক নিহত ও অনেকেই আহত হন। এসময় গুলিবিদ্ধ হলে ভিকটিম সোহেল রানাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p>
<h3>শাপলা চত্বরে গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন</h3>
<p style="text-align: justify;">২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের সমাবেশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকী-আল ফারাবীর আদালতে এ মামলার আবেদন করেন বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারী। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পরে আদেশের জন্য রেখেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর প্রতিবাদ জানাতে ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামী সমাবেশ ডাকে। পরে তারা সেখানে অবস্থানের ঘোষণা দেয়। রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই রাতে নৃশংস অভিযানে বহু লোককে হত্যার অভিযোগ করে হেফাজত। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের ভাষ্যমতে, ৬১ জন লোক সেদিন মারা যায়। যদিও সেই প্রতিবেদনের কারণে অধিকার সম্পাদক আদিলুর রহমান খানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল। আদিলুর রহমান খান বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা।</p>
<h3>রংপুরে শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরের নামে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকসের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ-আল তাহির হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৩০০ জনকে।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার দুপুরে মামলাটি রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি আমলি আদালতে নিহত তাহিরের বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহত তাহির রংপুর নগরীর বাসিন্দা।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার উত্তম পাল, এডিসি (অপরাধ) উৎপল কুমার রায়, এডিসি (ডিবি) নুর ইসলাম পাটোয়ারী, কোতোয়ালি থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছায়াদাত হোসেন বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাজেদ আলী বাবুল</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক , সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক প্রামাণিক, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাফিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাছিমা জামান ববি, রংপুর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলামসহ রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৩০০ জন। মামলার বাদী আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্দোলন কর্মসূচি চলাকালে গত ১৯ জুলাই (শুক্রবার) সিটি বাজারের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয় এতে গুলিতে নিহত হন আবদুল্লাহ আল তাহির।</p>
<h3>শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগের তদন্ত শুরু</h3>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ বৃহস্পতিবার সকালে অভিযোগকারী আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তদন্ত সংস্থা বুধবার রাত থেকে তদন্ত শুরু করেছে।</p>
<h3>অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার অভিযোগ</h3>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় দায়ের করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মো. বুলবুল কবিরের পক্ষে বুধবার (১৪ আগস্ট) আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।</p>
<p style="text-align: justify;">আবেদনে ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটনার তারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এ সময়ে আহত হয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন তারিখে নিহতরা এর আওতায় থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">আবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং তৎকালীন সরকারের কতিপয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা প্রধান হারুন অর রশীদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান ও কতিপয় অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ ও কতিপয় অসাধু র‌্যাব কর্মকর্তা ও সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনসমূহের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">অপরাধের ধরণে বলা হয়েছে, এক থেকে ৯ নম্বর আসামির নির্দেশে ও পরিকল্পনায় অন্যান্য আসামিরা দেশীয় এবং আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে তাদের সমূলে বা আংশিক নির্মূল করার উদ্দেশে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘঠনের অপরাধ।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.risingbd.com/media/imgAll/2024August/Untitled-2408210818.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঢাকায় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/181773/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/181773/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Sep 2024 02:00:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=181773</guid>

					<description><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর আজ ঢাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বিস্তৃত ও বহুমুখী আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বর্তমানে নয়াদিল্লি সফরে আছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলটি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর আজ ঢাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বিস্তৃত ও বহুমুখী আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বর্তমানে নয়াদিল্লি সফরে আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মার্কিন প্রতিনিধি দলটি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ছাড়াও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন একটি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন, এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পররাষ্ট্র সচিব সফর প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, আলোচনায় শুধু একটি নয়, বিস্তৃত বিষয় থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একজন মুখপাত্র জানান, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকারে অবদান রাখতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরকালে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">লু ঢাকায় অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বৈঠকের জন্য একটি আন্তঃসংস্থা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিনিধি দলে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ, ইউএসএআইডি এবং মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন। নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/181773/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://dmpnews.org/wp-content/uploads/2024/09/image-152149-1726240761-300x200.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সাবেক দুই আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শহীদুল হক গ্রেফতার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/486569/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Sep 2024 06:02:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=486569</guid>

					<description><![CDATA[পৃথক হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম ও এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম কে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মুদিদোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলায় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। অন্যদিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় শহীদুল হকের ৭ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">পৃথক হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম ও এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম কে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মুদিদোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলায় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় শহীদুল হকের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আজ বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এসব আদেশ দেন। প্রত্যেক আসামির ক্ষেত্রেই ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ কে এম শহীদুল হককে উত্তরা ১৬ নং সেক্টর থেকে গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এর বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় আত্মসমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করায় মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়া হয়।</p>
<p>&nbsp;</p>
<h3>সেই পুলিশ কর্মকর্তা কাফী ৮ দিনের রিমান্ডে</h3>
<p><img decoding="async" class="aligncenter size-full" src="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/09/04/101542_bangladesh_pratidin_kafi.jpg" width="966" height="648" /></p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">হাজারীবাগ থানার অপহরণ মামলায় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফীর আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামান রিমান্ডের এ আদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে আদালতে আনা হয় তাকে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। সেই আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক আট দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে গত সোমবার বিমানবন্দর থেকে কাফীকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। ডিবি জানায়, গত ৫ আগস্ট ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতাকে হত্যার পর আগুনে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/09/04/004520_bangladesh_pratidin_988.JPG" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/286636/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 Sep 2024 05:38:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=286636</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজ করেছে হাইকোর্ট। আজ রবিবার হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির সময় রিটটি সরাসরি হাইকোর্ট বেঞ্চে করে দেওয়া হয়। এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে করা রিটটি গত ২৭ আগস্ট খারিজ চান অ্যাটর্নি জেনারেল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজ করেছে হাইকোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ রবিবার হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির সময় রিটটি সরাসরি হাইকোর্ট বেঞ্চে করে দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে করা রিটটি গত ২৭ আগস্ট খারিজ চান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।</p>
<p style="text-align: justify;">ওইদিন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানিতে এমন আর্জি জানান অ্যাটর্নি জেনারেল। এরপর আদালত ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া ১৯ আগস্ট এ রিট করেছিলেন।</p>
<h3>আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের রিট খারিজ চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল</h3>
<p style="text-align: justify;">ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলের নিবন্ধন বাতিল চাওয়া রিট শুনানি আগামী রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে সাংবাদিকদের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগের গুটি কয়েক নেতার অপরাধের বিচার হবে। তবে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে গত রবিবার (২৫ আগস্ট) শুনানির দিন পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে গত সোমবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">রিটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল এবং বিদেশে পাচারকৃত ১১ লাখ কোটি টাকা ফেরত আনার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, আইনসচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সহসমন্বয়কদের বিবাদী করা হয়েছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের রিট খারিজ চাইলেন অ্যাটর্নি জেনারেল</h3>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ চেয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের শুনানিতে অংশ নিয়ে রিট খারিজ চেয়েছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেই রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের। সংবিধানে রাজনৈতিক দল পরিচালনার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা খর্ব করবে না সরকার। বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের অনেক অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছে মানুষ। সেগুলোর বিচারের জন্য আইন ও আদালত রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের যারা নেতাকর্মী রয়েছেন তারা দলের মতাদর্শ ধারণ করেন। এজন্য দল নিষিদ্ধ করার সুযোগ নেই।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, যিনি রিট করেছেন তার কোনো এখতিয়ার নেই এটা করার। রিটে আওয়ামী লীগকে বিবাদী করা হয়নি। সারডা নামের সংগঠন যে রিট করেছে, তার গঠনতন্ত্রও এ ধরনের রিট করার অনুমোদন দেয় না।</p>
<p style="text-align: justify;">মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক বিষয়কে কোর্টে টেনে আনা হয়েছে। যার মূল্য আমাদের দিতে হয়েছে। যে গণঅভ্যুত্থানটি হয়েছে, তা বিচার বিভাগের ওপরেও এসেছে। কোর্টে কোনো ঘটনা হলে আইনজীবী হিসাবে আমার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়। এজন্য মাঠের রাজনীতি মাঠেই থাকুক।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলের নিবন্ধন বাতিল চাওয়া রিট শুনানি আগামী রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, গত রবিবার (২৫ আগস্ট) শুনানির দিন পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলটির নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/27/134953_bangladesh_pratidin_awami.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সব লাল পাসপোর্ট বাতিল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/47048/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/47048/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Aug 2024 11:35:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্যমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=47048</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের সব মন্ত্রী-এমপির নামে বরাদ্দ কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, লাল পাসপোর্ট বাতিল হলে যেসব সাবেক মন্ত্রী-এমপির নামে ফৌজদারি অপরাধের মামলা আছে বা গ্রেফতার হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ পেলেই শুধু মিলবে সাধারণ পাসপোর্ট। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের সব মন্ত্রী-এমপির নামে বরাদ্দ কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) বাতিল করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংশ্লিষ্ট সূত্র বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, লাল পাসপোর্ট বাতিল হলে যেসব সাবেক মন্ত্রী-এমপির নামে ফৌজদারি অপরাধের মামলা আছে বা গ্রেফতার হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ পেলেই শুধু মিলবে সাধারণ পাসপোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, লাল পাসপোর্টকে বলা হয় ডিপ্লোমেটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট। রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য এবং তাদের স্বামী বা স্ত্রী। সেইসঙ্গে উচ্চতর আদালতের বিচারপতি, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রধান, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিদেশে বাংলাদেশি মিশনের কর্মকর্তারা লাল পাসপোর্ট পান।</p>
<p style="text-align: justify;">লাল পাসপোর্ট যাদের আছে, তাদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য কোনো ভিসার প্রয়োজন হয় না। তারা সংশ্লিষ্ট দেশে অবতরণের পর অন অ্যারাইভাল ভিসা পান। লাল পাসপোর্ট তথা ডিপ্লোমেটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট সব দেশেই লাল রঙের হয়ে থাকে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/47048/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://imaginary.barta24.com/resize?width=800&#038;height=450&#038;type=webp&#038;quality=85&#038;path=uploads/news/2024/Aug/21/1724250083032.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে গণতন্ত্রের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে ভারত : ফখরুল</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/281664/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Aug 2024 07:00:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=281664</guid>

					<description><![CDATA[বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে তাদের গণতন্ত্রের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়া হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ফখরুল বলেন, ছাত্র-জনতার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে তাদের গণতন্ত্রের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়া হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফখরুল বলেন, ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। দুর্ভাগ্য আমাদের, পার্শ্ববর্তী দেশ তাকে আশ্রয় দিয়েছে। সেখান থেকে হাসিনা বাংলাদেশের বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, এদেশের মানুষ শেখ হাসিনার যে অপরাধ সেটাকে খাটো করে দেখে না। গত ১৫ বছরের দুঃশাসন দেশের স্বাধীনতাকে দুর্বল করে দিয়েছে। তিনি জাতিকে ১৮ লাখ কোটি টাকার ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন। পাচার হয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ভারতের কাছে অনুরোধ করব, আপনারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অপরাধীকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে তুলে দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্বাচন নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের একটি সরকার। তাদের প্রধান কাজ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বিগত আওয়ামী সরকার যে জঞ্জাল সৃষ্টি করে গিয়েছে, তা পরিষ্কার করতে একটু সময় লাগবে। সেই জন্য যে সময় প্রয়োজন, সে সময় এ দেশের জনগণ দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার পতনের পর সারা দেশে যেসব মামলা হয়েছে, সেই বিচার কার্যক্রম নিয়ে ফখরুল বলেন, এ সরকারের মেয়াদ হলো মাত্র ১১ দিন। এ কদিনে তারা যে কাজ করেছে, তা প্রশংসনীয়।</p>
<h3>দিল্লির কূটনৈতিক বার্তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক</h3>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ নিয়ে দিল্লির কূটনৈতিক বার্তাকে ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১৯ আগস্ট) চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেখানে যান তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আশা করব, ভারত বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে মর্যাদা দেবে এবং এই দেশে সত্যিকার অর্থেই সব দলের অংশগ্রহণে, সবার সদিচ্ছায় একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যাপারে তারা পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। কিন্তু শেখ হাসিনাকে বাইডেন সরকার যেভাবে অস্বস্তিতে ফেলেছে সেটি ভারত প্রত্যাশা করে না। ভারত মনে করছে, এটি বাংলাদেশসহ এ অঞ্চলের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে— সম্প্রতি ডয়েচে ভেলের এমন একটি প্রতিবেদন সম্পর্কে মির্জা ফখরুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমরাও দেখলাম, ডয়চে ভেলের বরাত দিয়ে পত্রিকায় রিপোর্টটি করা হয়েছে। এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের সব সংকটের মূলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছে রাষ্ট্রকে দিয়ে, বাংলাদেশে যে একটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস গড়ে তোলা হয়েছে এবং বলা যেতে পারে যে, একটা টোটালি ডিপ স্টেট তৈরি করা হয়েছে, সেখানে ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশ যারা গণতন্ত্রের কথা বলে সব সময়, তাদের কাছে এটা অপ্রত্যাশিত— যদি এই নিউজ সত্য হয়ে থাকে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমরা কখনোই বলতাম না, বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা দেখতে পাচ্ছি যদি এটা সত্য হয়ে থাকে তাহলে তারা বাংলাদেশের রাজনীতির অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে তারা এই মন্তব্যগুলো করছে। আমরা এ কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদী দল ক্ষমতায় আসবে তার কোনো সম্ভাবনা নেই।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘বাংলাদেশের ৫২ বছরের ইতিহাসে দেখা গেছে, কখনোই কোনো মৌলবাদী দল ক্ষমতায় আসতে পারেনি। বরং তাদের যে শক্তি তা দিন দিন ক্ষীয়মাণ হয়ে এসেছে। আমরা বাংলাদেশের মানুষের আস্থার ওপর আস্থা রাখি। তাদের শক্তির ওপর আস্থা রাখি’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">আমি মনে করি, ‘ভারত দেখবে বাংলাদেশের মানুষ কী চায়। বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যদি তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়, সেটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আমরা মনে করি, সেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তার জন্য শুভ হবে না।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/07/10/121342_bangladesh_pratidin_fakhrul_file_pic.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সজীব ওয়াজেদ জয় : বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লির নেতৃত্ব চান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2206/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2206/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Aug 2024 07:25:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2206/</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার (১৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান। ভারত সরকারের তার কী চাওয়া জানতে চাইলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জয় বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’ জয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত সরকারের তার কী চাওয়া জানতে চাইলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জয় বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লিকে নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">জয় বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের দোরগোড়ায় অবস্থিত। আমি আশা করব, ৯০ দিনের সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেটা ভারত নিশ্চিত করবে। জনতা শাসন বন্ধ করা হবে এবং আওয়ামী লীগকে প্রচারণা ও পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়া হবে। যদি তা নিশ্চিত করা হয় আমি এখনো নিশ্চিত যে আমরা নির্বাচনে জয়ী হবো। আমরা এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় দল।’</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারে কোটা ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল স্বীকার করেন জয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের সরকারের উচিত ছিল প্রথম থেকেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং কোটার বিরুদ্ধে কথা বলা। কোটা ইস্যু আদালতের হাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে শুরু থেকেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করার। কিন্তু এগুলো না করে আমাদের সরকার কোটা কমাতে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছে। আদালত ভুল করেছে। আমরা কোটা চাই না বলে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করার সুপারিশ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের সরকার সেটা শুনেনি এবং বিচার ব্যবস্থার ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা ইস্যু নিয়ে সরকারের ভুল স্বীকার করলেও জয় জানান, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংসতায় মোড় নেওয়ার পেছনে একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনার সাবেক এই আইটি উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এর পেছনে জড়িত ছিল। কারণ ১৫ জুলাই থেকে অনেক আন্দোলনকারীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। গত ১৫ বছরে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আমাদের সফলতার কারণে বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া খুবই কঠিন। একমাত্র কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাই বাংলাদেশে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার ও আন্দোলনকারীদের কাছে সরবরাহ করতে পারে।’</p>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী জয় গত ৫ আগস্ট তার মায়ের বাংলাদেশ ছাড়ার ২৪ ঘণ্টার বর্ণনা দিয়ে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার এক দিন আগেও তিনি বা প্রধানমন্ত্রী কেউই ভাবতে পারেননি যে, কতটা দ্রুত অবনতি হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">জয় বলেন, ‘তার (শেখ হাসিনার) দেশ ছাড়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না। তিনি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন এবং জাতির উদ্দেশ্যে একটি ভাষণ দেবেন। আমার ধারণা, তিনি ভাষণের খসড়া তৈরি করেছিলেন এবং সেটি রেকর্ড করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সবকিছু পরিকল্পিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই নিরাপত্তা বাহিনী এসবের জন্য ‘সময় নেই’ বলে জানিয়েছিল।’</p>
<p style="text-align: justify;">জয় জানান, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তার মা দেশে থাকার বিষয়ে অনড় ছিলেন। কিন্তু তিনি তাকে দেশ ছাড়ার জন্য রাজি করিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জয় বলেন, ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী তাকে (শেখ হাসিনা) সামরিক বিমান ঘাঁটির মধ্যে একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। তাদের জন্য একটি হেলিকপ্টার প্রস্তুত ছিল, কিন্তু তিনি যেতে চাননি…তখন আমার খালা (শেখ রেহানা সিদ্দিক) আমাকে ফোন করেন। আমি আমার মাকে বোঝালাম যে, আপনার নিরাপত্তার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে। যদি এই জনতা আপনাকে খুঁজে পায়, কোথাও আপনাকে ধরে ফেলে এবং সেখানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তাহলে অনেক লোক মারা যাবে। জনতা যদি আপনাকে ধরে ফেলে তবে তারা আপনাকে হত্যা করবে। তাই আপনার সেরা বিকল্প হলো দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া।’</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। জয় বলেন, বাংলাদেশে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় তা দেখার জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) অপেক্ষা করছেন।’ জয়ের মতে, ‘সম্ভবত মা আপাতত ভারতেই থাকবেন।’</p>
<h3>খাদ্যমন্ত্রী : আমরা ইন্ডিয়ার দালাল না, অকৃত্রিম বন্ধু</h3>
<p style="text-align: justify;">কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীকে (১৬) আইনি সহায়তা না দিয়ে অভিযুক্তের লাখ টাকা জরিমানা করে ‘ধর্ষণের বিচার’ করার অভিযোগ উঠেছে দুই ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নেওয়ায় উল্টো ওই কিশোরী ও তার পরিবারকে পুলিশি হয়রানির ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।</p>
<div>
<p style="text-align: justify;">গত ১৬ অক্টোবর উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। প্রভাবশালীদের চাপে বর্তমানে আইনি সহয়তা নিতেও আতঙ্ক বোধ করছে পরিবারটি।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে সালিশে ‘ধর্ষণের বিচার’ করা ইউপি সদস্যরা বলছেন, ‘কিশোরীর বিয়ের বয়স না হওয়ায় ধর্ষকের সাথে বিয়ে না দিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।’ সালিশে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার কিশোরী জানান, গত ১৫ অক্টোবর (শুক্রবার) দুপুরে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর নতুনগ্রামের কছুমুদ্দিনের ছেলে শফি আলম (২০) পাশের একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে খবর পেয়ে শফি আলমের মা সুফিয়া খাতুন দ্রæত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিজ ছেলেকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন এবং উল্টো ওই কিশোরীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য (৪ নং ওয়ার্ড) আবু শামা ‘বিচারের’ আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে নিজ হেফাজতে নেন। পরের দিন ( ১৬ অক্টোবর) আলাউদ্দিন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৮টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত চলা ওই সালিশে অভিযুক্ত তরুণ ও ভুক্তভোগী কিশোরীকে হাজির করা হয়। পরে বিচারের নামে ছেলে পক্ষকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী বলেন,‘আবু শামা ও হযরত মেম্বারসহ সালিশকারীরা বিয়ে দেওয়ার কথা বলে আমাকে শত শত লোকের সামনে হাজির করেন এবং একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন। পরে বিয়ে না দিয়ে তারা বিচারের নামে ছেলে পক্ষকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার কিশোরীর অভিযোগ, বিচারের নামে জরিমানা আদায়ের সিদ্ধান্ত মেনে না নিতে চাইলে তাদেরকে পুলিশি ঝামেলায় ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এ নিয়ে মুখ খুললে তাদেরকে বিপদে ফেলা হবে বলেও ভীতি দেখানো হয়েছে বলে দাবি করছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। বর্তমানে তারা আইনি সহায়তা নিতে চাইলেও প্রভাশালীদের আচরণে আতঙ্ক বোধ করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">‘আমি টাকা চাই না। আমি ন্যায় বিচার চাই। যে আমাকে নির্যাতন করেছে তার বিচার চাই। বিচার না পেলে নিজেকে শেষ করে দেওয়া ছাড়া আমার উপায় নাই।’ আকুতি জানিয়ে এভাকেই নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী ওই কিশোরী।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্যাতনের শিকার কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, ‘ মেম্বাররা আমাগো হুমকি দিছে, ট্যাকা না নিলে আমার মেয়েরে পুলিশে দিবো। আর ছেলেরে তার বাবার কাছে ফিরায় দিবো। এটা কেমন বিচার! সরমে আমরা মাইনষেক মুখ দেহাবার পারিনা। আমাগো সাথে অন্যায় কইরা অহন আমাগোরে পুলিশে দিবো,এ দ্যাশে কী গরিবের বিচার নাই?’</p>
<p style="text-align: justify;">সালিশে উপস্থিত সূত্র জানায়, ওই সালিশে যাদুরচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আবু শামা, ১নং ওয়ার্ড সদস্য হযরত আলী, ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল খালেক, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা উপস্থিত ছিলেন। সালিশে সভাপতিত্ব করেছেন ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল খালেক। ধর্ষণের বিচার করতে সালিশ আয়োজন করা হয়েছে জানিয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেও কোনও প্রতিকার মেলেনি বলে সালিশে উপস্থিত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সালিশে ধর্ষণের বিচার করার কথা স্বীকার করে যাদুরচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আবু শামা বলেন, ‘ বিচারে শুধু আমি না, অন্য মেম্বার ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারাও আছিল। এহানে টাকার ছিটাছিটি হইছে। আমি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশে খবর না দিয়ে ধর্ষণের বিচার সালিশে করা উচিৎ হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে এই ইউপি সদস্য বলেন, ‘এটা ভুল হয়েছে। আর হবে না।’<br />
ভুক্তভোগী পরিবারকে পুলিশের ভয় দেখানোর কথা অস্বীকার করে করে এই ইউপি সদস্য বলেন, ‘তারা চাইলে অহনও পুলিশের কাছে যাইতে পারে। আমার কোনও আপত্তি বা জবরদস্তি নাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">সালিশে সভাপতিত্বকারী ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল খালেক জানান, গ্রামের সবাই মিলে সালিশ করা হয়েছে। মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় বিয়ে না দিয়ে উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে ছেলের জরিমানা করা হয়েছে। তারা ( ভুক্তভোগী কিশোরী) বিচার না মানলে পুলিশের কাছে যেতে পারে, এতে কারও কোনও আপত্তি নেই বলেও জানান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এই নেতা।</p>
<p style="text-align: justify;">ধর্ষণের মতো অপরাধের বিচার করার সালিশে করার এখতিয়ার রয়েছে কিনা, জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘ তা নেই। কিন্তু গ্রামের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই সালিশে গিয়েছিলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">রৌমারী থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, ‘এ ধরণের ঘটনা মিমাংসার অযোগ্য। আমি এ বিষয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2206/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://cdn.deshrupantor.net/contents/cache/images/720x404x1/uploads/media/2023/11/17/78d6158bcc61dc0e36e8b1b123f422a5-65578c5af35cd.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মামলা : স্বৈরাচারী অপরাধে আওয়ামী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মামলার হিড়িক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/474035/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Aug 2024 06:54:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রলীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=474035</guid>

					<description><![CDATA[সাবেক আইজিপি ও গোয়েন্দা প্রধান হারুনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন বিএনপির সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক গোয়েন্দা প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিএনপির পক্ষ থেকে মামলার আবেদন করা হয়েছে। সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন খান বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেছেন। সালাহ উদ্দিন খান বর্তমানে বিএনপির পুলিশ ও মামলা সংক্রান্ত নানা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="content-details">
<h3 style="text-align: justify;">সাবেক আইজিপি ও গোয়েন্দা প্রধান হারুনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন বিএনপির</h3>
<p style="text-align: justify;">সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক গোয়েন্দা প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১৬ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিএনপির পক্ষ থেকে মামলার আবেদন করা হয়েছে। সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন খান বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেছেন। সালাহ উদ্দিন খান বর্তমানে বিএনপির পুলিশ ও মামলা সংক্রান্ত নানা দিক দেখভাল করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২২ ও ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিএনপির পল্টন কার্যালয়ে লুটপাট-অস্ত্র উদ্ধারের নাটকসহ হয়রানির অভিযোগে পল্টন থানায় দুটি মামলার আবেদন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মধ্যে চলতি বছরের জুলাইয়ে পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে অস্ত্র বিস্ফোরক উদ্ধারসহ ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগে সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, তৎকালীন ডিএমপির ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদসহ ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সালাহ উদ্দিন খান বলেন, আমিসহ বিএনপির একটি টিম থানায় আছি। আমরা পৃথক দুটি মামলার আবেদন করেছি পল্টন থানায়। থানা পুলিশ কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বধন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">যুবলীগনেতাসহ ৭১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দায়িত্বরত কাজে বাধাসহ হামলা চালিয়ে ৮ পুলিশকে আহত করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম সালাহউদ্দিন টিপুসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে ৭১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন ফারুক মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ওসি ইয়াছিন ফারুক মজুমদার জানান, ৪ আগস্ট মাদাম ব্রিজ ও ঝুমুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেয় ছাত্র-জনতা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ লক্ষ্মীপুর আদালতের সামনে দায়িত্বরত ছিল। মামলার অভিযুক্তরা মিছিল নিয়ে পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে হামলা চালিয়ে ৮ জন পুলিশ সদস্যকে আহত করে। ঘটনার সময় তাদের হামলায় ছাত্র-জনতাও আহত হন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় তারা দফায় দফায় হামলা চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">দায়িত্বরত কাজে বাধা ও হামলা চালিয়ে আট পুলিশ সদস্যকে আহতের ঘটনায় ৭১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে টিপুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ফেনীতে সাবেক এমপি নিজাম হাজারীসহ ৪৬৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা</h3>
<p style="text-align: justify;">ফেনীর মহিপালে গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের হামলায় নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) নিহত অটোচালক মো. সবুজের বড় ভাই মো. ইউসুফ বাদী হয়ে ফেনী সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলায় সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ ৬৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ৪ আগস্ট ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমার ভাই অংশ নেয়। সেখানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে অবস্থান করছিল সে। দুপুরের দিকে এজাহার নামীয় আসামিরা মহিপালে ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে আমার ভাইসহ অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলা সেই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার</h3>
<p style="text-align: justify;">সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলা বরগুনার সেই আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া আওয়ামী লীগ নেতার নাম মো. জাহাঙ্গীর কবির। তিনি বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে একটি পুলিশের দল এসে তাকে গ্রেফতার করে।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে কী কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানাতে পারেননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।</p>
<p style="text-align: justify;">গত সোমবার ভারতে অবস্থান করা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এই নেতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে শোনা যায় শেখ হাসিনা জাহাঙ্গীর কবীরকে বলছেন, ‘আপনারা শৃঙ্খলা মেনে দলীয় কার্যক্রম চালাবেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে যথাযথভাবে পালন করবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় মো. জাহাঙ্গীর কবীর শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি (ঘাবড়াবেন না) অর্থাৎ মনোবল হারাবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">গত ৫ আগস্ট গণ-আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে তার টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনের অবসান হয়। এরপর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2023/06/24/awami_league-01.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>পলাতক স্বৈরশাসকরা রাজনীতিতে কেউই ফিরতে পারেননি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/473556/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Aug 2024 09:00:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কলাম]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রলীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=473556</guid>

					<description><![CDATA[আশির দশক। ভয়ানক অর্থনৈতিক সংকটে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফিলিপাইন। তবে তাতে ভ্রুক্ষেপ নেই দেশটির প্রেসিডেন্ট মার্কোসের। অর্থনীতি ঠিক করার চেয়ে বিপুল অর্থ ব্যয়ে চিত্রকর্ম সংগ্রহেই মনোযোগ বেশি তার। জুতা, গাউন ও গহনা সংগ্রহে লাখ লাখ পেসো ব্যয় করছেন ফার্স্ট লেডি ইমেলদা মার্কোস। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। বিরুদ্ধ মত দমন হচ্ছে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে। সরকারি বাহিনী ও মার্কোস অনুগতদের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আশির দশক। ভয়ানক অর্থনৈতিক সংকটে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/ফিলিপাইন" target="_blank" rel="noopener">ফিলিপাইন</a>। তবে তাতে ভ্রুক্ষেপ নেই দেশটির <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Ferdinand_Marcos" target="_blank" rel="noopener">প্রেসিডেন্ট মার্কোসে</a>র। অর্থনীতি ঠিক করার চেয়ে বিপুল অর্থ ব্যয়ে চিত্রকর্ম সংগ্রহেই মনোযোগ বেশি তার। জুতা, গাউন ও গহনা সংগ্রহে লাখ লাখ পেসো ব্যয় করছেন ফার্স্ট লেডি ইমেলদা মার্কোস। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। বিরুদ্ধ মত দমন হচ্ছে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারি বাহিনী ও মার্কোস অনুগতদের হাতে খুন হয়েছে প্রায় ৩ হাজার মানুষ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এরই মধ্যে নিষ্ঠুরতম স্বৈরশাসকের তকমা পেয়ে গেছেন মার্কোস। একপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে মাঠে নামে ক্ষুব্ধ ফিলিপিনোরা। আন্দোলন রূপ নেয় গণ-অভ্যুত্থানে। ১৯৮৬ সালের সে <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/ঊনসত্তরের_গণঅভ্যুত্থান" target="_blank" rel="noopener">গণ-অভ্যুত্থানে</a>র মুখে দেশ থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপে আশ্রয় নেন মার্কোস। তিন বছরের মাথায় নির্বাসনেই মৃত্যু ঘটে ক্ষমতার শোকে বিপর্যস্ত মার্কোসের।</p>
<p style="text-align: justify;">করুণ পরিণতি হয়েছিল <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/পাকিস্তান" target="_blank" rel="noopener">পাকিস্তানে</a>র সাবেক সামরিক শাসক <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/পারভেজ_মুশাররফ" target="_blank" rel="noopener">জেনারেল পারভেজ মোশাররফের</a>ও। এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা দখল করেছিলেন জেনারেল মোশাররফ। এরপর প্রশ্নবিদ্ধ এক ভোট গ্রহণের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন ২০০১ সালে। এর পুনরাবৃত্তি ঘটে ২০০৪ সালের নির্বাচনেও। বিপত্তিতে পড়েন সংবিধান স্থগিত করে নিজের শাসনকালকে দীর্ঘায়িত করা নিয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০০৭ সালের শেষ দিকে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/বেনজীর_ভুট্টো" target="_blank" rel="noopener">বেনজির ভুট্টো</a>। পাকিস্তানজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা। জাতীয় নির্বাচন স্থগিত করে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন পারভেজ মোশাররফ। কিন্তু তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। গণরোষের মুখে পড়তে হয় তাকে। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচনে তার দলের শোচনীয় পরাজয় ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে পার্লামেন্টে অভিশংসনের মুখে পড়েন পারভেজ মোশাররফ।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় পদত্যাগ করে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে গিয়ে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় নেন তিনি। এরপর নানা প্রয়াসের পরও দেশে ফেরা বা রাজনীতিতে পুনর্বাসন কোনোটিই নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। এদেশ-ওদেশ ঘুরতে ঘুরতে শেষ পর্যন্ত গত বছর দুবাইয়ের এক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">গত কয়েক দশকে এমন গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন অনেক স্বৈরশাসক। কিন্তু দেশত্যাগ করে পালানোর পর তাদের বেশির ভাগই দেশে ফিরতে পারেননি। আমৃত্যু নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। আর হাতেগোনা যে কয়জন দেশে ফিরতে পেরেছেন, তাদের কেউই রাজনীতিতে নিজেকে পুনর্বাসন করতে পারেননি আর।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের <a href="https://illinoisstate.edu" target="_blank" rel="noopener">ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি</a>র রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর এবং আটলান্টিক কাউন্সিলের অনাবাসিক সিনিয়র ফেলো আলী রীয়াজ বলেন, ‘স্বৈরাচারী শাসকরা যখন গণরোষের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় তখন তাদের অধিকাংশই দেশত্যাগে বাধ্য হয়। অতীতে যেসব দেশ তাদের সমর্থন করেছে, সাহায্য করেছে তারা তাদের কাছে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা সে আশ্রয় লাভে সক্ষম হয় না, কারণ এসব দেশের কাছে তাদের আর কোনো গুরুত্বও থাকে না। তাদের কেন্দ্র করে এসব সরকারের ভবিষ্যৎ কোনো পরিকল্পনা থাকে না। এছাড়া স্বদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের কারণেও এ ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারীরা আর নিজেদের পুনর্বাসিত করতে পারে না। ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শাসকদের জীবন শেষ হয় নিঃসঙ্গভাবে। তাদের অধিকাংশ কেবল ইতিহাসের আস্তাকুঁড়েই নিক্ষিপ্ত হয় না, তারা আক্ষরিক অর্থেই আস্তাকুঁড়ের জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।’</p>
<p style="text-align: justify;">কোনো কোনো স্বৈরশাসক নিজ দেশে ফিরতে পেরেছিলেন ঠিকই। তবে তাদের কেউই রাজনীতিতে আর সেভাবে ফিরতে পারেননি। এমনই এক স্বৈরশাসক বলিভিয়ার ইভো মোরালেস।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশটির প্রথম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। সে জায়গা থেকে শুরুতে জননন্দিতও হয়েছিলেন। তার কিছু সংস্কার বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছিল। কিন্তু যেনতেন উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াস তাকে একপর্যায়ে জনগণের সামনে উপস্থাপন করে স্বৈরশাসক হিসেবে। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পর ২০১৯ সালে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভ শুরু হয়। গণরোষের মুখে পদত্যাগ করে মেক্সিকো পালিয়ে যান তিনি। পরে দেশে ফিরলেও রাজনীতিতে আর সুবিধা করে উঠতে পারেননি তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বদেশে ফিরতে পারলেও জীবনের বাকি সময় কারাগারেই পার করতে হয়েছে চিলির স্বৈরশাসক অগাস্তো পিনোশেকে। ক্ষমতা হারানোর পর লন্ডনে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৯৮ সালের ১০ অক্টোবর স্প্যানিশ একটি আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে লন্ডন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। আইনি লড়াই চালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠায় ব্রিটিশ সরকার। দেশে ফেরার পর তার বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট ঘটনায় দায়ের করা হয় মামলা। সেই মামলায় দায় নিয়েই ৯১ বছর বয়সে পিনোশে যখন মারা যান তখনো তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৩০০ ফৌজদারি অপরাধের মামলা চলছিল।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/শ্রীলঙ্কা" target="_blank" rel="noopener">শ্রীলংকা</a> নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করে ২০২২ সালের এপ্রিলে। দেশটির প্রেসিডেন্ট তখন গোতাবায়া রাজাপাকসে। আর প্রধানমন্ত্রী তার ভাই <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/মহিন্দ_রাজাপক্ষ" target="_blank" rel="noopener">মাহিন্দা রাজাপাকসে</a>। শ্রীলংকার অর্থনীতির মারাত্মক পরিণতির জন্য দায়ী করা হয় রাজাপাকসে পরিবারকেই। দেশটির মোট অর্থনীতির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ তাদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। আবার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ নানা অপরাধেরও অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।</p>
<p style="text-align: justify;">শ্রীলংকা দেউলিয়া হয়ে পড়ার কিছুদিনের মধ্যেই জনরোষের মুখে পড়ে রাজাপাকসে পরিবার। মে মাসে ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে সেনাবাহিনীর কাছে আশ্রয় নেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। জুলাইয়ে গোতাবায়া রাজাপাকসে দেশত্যাগ করে প্রথমে মালদ্বীপে, পরে  সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। সেখানে তাকে ১৪ দিনের ‘ভিজিট পাস’ দেয়া হয়। এখানে অবস্থানকালেই ১৪ জুলাই নিজের পদত্যাগপত্র দেশে পাঠান গোতাবায়া। ১৫ জুলাই তার আনুষ্ঠানিক পদত্যাগের ঘোষণা দেন শ্রীলংকার সংসদ স্পিকার। পরে থাইল্যান্ডে পাড়ি জমান তিনি। এর প্রায় দেড় মাস পর ‘বিশেষ নিরাপত্তা’ নিয়ে তিনি ফেরত আসেন নিজ দেশে। যদিও এখনো রাজনীতিতে ফিরতে পারেননি গোতাবায়া রাজাপাকসে।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/তিউনিসিয়া" target="_blank" rel="noopener">তিউনিসিয়া</a>র স্বৈরশাসক <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Zine_El_Abidine_Ben_Ali" target="_blank" rel="noopener">জাইন এল-আবিদিন বেন আলি</a>র বিরুদ্ধে ২০১১ সালে ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থান শুরু হয়, যা জেসমিন বিপ্লব নামে পরিচিত। এটি একসময় জন্ম দেয় আরব বসন্তের। সে বিপ্লবের একপর্যায়ে বেন আলির ২৩ বছরের মসনদ হাতছাড়া হয়। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে সপরিবারে সৌদি আরবে পালিয়ে যান বেন আলি। এরপর আর দেশে ফিরতে পারেননি তিনি। সৌদি আরবে নির্বাসিত জীবনযাপন করেন। ৮৩ বছর বয়সে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।</p>
<p style="text-align: justify;">স্বৈরশাসকদের নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গে <a href="https://www.du.ac.bd" target="_blank" rel="noopener">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে</a>র রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোর উৎস যদি আগের জায়গায় থেকে যায়, যেমন প্রধানমন্ত্রী বা কয়েকজনকে সরিয়ে ক্ষমতা কাঠামোর সামান্য পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়, যদি পুরনো ক্ষমতা কাঠামো থেকে যায়, তাহলে একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। আর যদি আগের ক্ষমতা কাঠামো দুই-তিন স্তরে ভেঙে যায়, তাহলে পুরনোদের ফিরে আসার আর সুযোগ থাকে না। এজন্য স্বৈরশাসকদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও ক্ষমতার উৎস গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দ্বারা পরিবর্তন করতে হয়।’</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/আফগানিস্তান" target="_blank" rel="noopener">আফগানিস্তানে</a>র ২০১৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করেন <a href="https://bn.wikipedia.org/wiki/আশরাফ_গনি" target="_blank" rel="noopener">আশরাফ গানি</a>। তবে ২০২১ সালের ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন সৈন্যদের শেষ দলটি আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এর সঙ্গে সঙ্গেই একের পর এক শহর দখলের অভিযান শুরু করে দেয় তালেবানরা। এরই ধারাবাহিকতায় কাবুলেও অভিযান চালায়। তালেবানদের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছাকাছি চলে আসার খবর পেয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় আশরাফ গানিকে।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু দেশ পালানো শাসকদের মধ্যে তার অবস্থাটি ছিল ভিন্ন। তিনি খালি হাতে দেশত্যাগ করেননি। বরং চারটি গাড়ি ও হেলিকপ্টারে ভরে নগদ অর্থ নিয়ে ওমান হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পালিয়ে যান। ২০২১ সাল থেকে সেখানেই মানবিক আশ্রয়ে আছেন এ নেতা। নিজ দেশ ও রাজনীতি কোনোটিতেই ফেরা হয়নি আফগান এ নেতার।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে <a href="https://worldbarta.com/news/tag/army/" target="_blank" rel="noopener">সেনাবাহিনী</a>র অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ইমামুজ্জামান (বীর বিক্রম) বলেন, ‘স্বৈরশাসকরা দেশে ফেরত আসতে না পারার কারণ হলো, দেশে যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদের অনুকূলে থাকে না। ফিলিপাইনের মার্কোস চলে যাওয়ার পর তার বিরোধী সরকার ক্ষমতায় আসে। বিরোধী সরকার কখনো চাইবে না যে সে এসে ক্ষমতায় বসুক। আর যদি অনুকূলে হয়ও, ক্ষমতা এমন একটি জিনিস, নিজের মানুষও ক্ষমতা পরিবর্তন করতে চায় না।</p>
<p style="text-align: justify;"><a href="https://worldbarta.com/news/tag/awami-league/" target="_blank" rel="noopener">আওয়ামী লীগে</a>র যেসব নেতা ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর বিদেশ চলে গিয়েছিল, তারা কেউ ফিরে আসেনি। কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও নেতারা একজন আরেকজনের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে চাইবেন না। এজন্য বিদেশে একবার চলে গেলে ফেভারেবল সরকার থাকলেও দেশে আসা সম্ভব হয় না, আনফেভারেবল সরকার থাকলে তো আরো সম্ভব নয়। আর জনগণ আসলে চায় না বলেই তারা ফেরত আসতে পারেন না। ফেরত আসলেও জনগণ চায় না বলে রাজনীতিতে তাদের পুনর্বাসন ঘটে না।’</p>
<p style="text-align: justify;">গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশত্যাগকারীদের তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন বাংলাদেশের <a href="https://worldbarta.com/news/187151/" target="_blank" rel="noopener">শেখ হাসিনা</a>। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া গণ-অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালান তিনি। গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা। বর্তমানে ভারতে ‘নিরাপদ আশ্রয়ে’ আছেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">তার যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রার্থনা এরই মধ্যে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বলে <a href="https://bpy.wikipedia.org/wiki/ভারত" target="_blank" rel="noopener">ভারতী</a>য় সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে। ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রও। শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় তার মা আর রাজনীতি করবেন না বলে শুরুতে ঘোষণা দেন। যদিও পরে এক সাক্ষাৎকারে নীরবতা ভেঙে রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. তানজীম উদ্দিন খান বলেন, ‘‌এ ধরনের ঘটনায় ফেরার চান্স থাকে, যদি পার্টি হিসেবে তারা খুবই শক্তিশালী হয়। শক্তিশালী না হলে ফেরার খুব বেশি সুযোগ থাকে না। আওয়ামী লীগ এখন সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী নয়। তাদের পুরো শক্তি একজনের মধ্যে। এ সাংগঠনিক শক্তি শুধু বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। কিন্তু শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">যে পরিমাণ হত্যাযজ্ঞ তারা চালিয়েছে এর মাধ্যমে তারা কয়েক প্রজন্মের সমর্থন হারিয়েছে। দেশে ফেরা তাদের জন্য খুব একটা সহজ হবে না। আন্দোলন দমন করতে আওয়ামী লীগ যে উপায়ে হত্যা করেছে, তা খুবই নজিরবিহীন। তাদের দল এখন মানুষের কাছে বিভীষিকায় পরিণত হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিকভাবে গণহত্যার বিচারের জন্য আইসিসির (আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল কোর্ট) মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার বিচার শুরু হলে উনার পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। এটাকে পরে যদি সাধারণ হত্যাকাণ্ড হিসেবেও দেখা হয় তবুও উনার পরিস্থিতি খুব একটা ভালো হওয়ার কথা না।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bssnews.net/bangla/assets/news_photos/2023/01/23/image-75858-1674475592.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>দ্রুত নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির অনুরোধ বিএনপির</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/231413/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Aug 2024 08:00:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[তত্ত্বাবধায়ক সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মুহাম্মদ ইউনূস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=231413</guid>

					<description><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অতি দ্রুত নির্বাচনের ক্ষেত্র তৈরি করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সব বিপদগুলোকে কাটিয়ে সত্যিকার অর্থে একটা মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। যার মাধ্যমে জনগণের একটা সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। সোমবার (১২ আগস্ট) বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৫তম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অতি দ্রুত নির্বাচনের ক্ষেত্র তৈরি করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সব বিপদগুলোকে কাটিয়ে সত্যিকার অর্থে একটা মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। যার মাধ্যমে জনগণের একটা সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (১২ আগস্ট) বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বনানীতে কবরে জিয়ারত করে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই আন্দোলনে ছাত্ররা শুধু সহযোগিতা করেননি, নেতৃত্বের ভূমিকা রেখেছেন। রাজনৈতিক দলগুলো গত ১৫ বছরে ত্যাগ স্বীকার করেছে। অসংখ্য নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছে। এই আন্দোলনে আমাদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গৌরবান্বিত।</p>
<p style="text-align: justify;">আরাফাত রহমান কোকোকে অত্যাচার, নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে বিএনপি মহাসচিবের বলেন, নির্যাতনের কারণে তাকে দেশের বাইরে চলে যেতে হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কোকো কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন না উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ছিলেন ক্রীড়াবিদ। অল্প সময়ে তিনি ক্রিকেটে বিপ্লব এনেছিলেন। আমরা আশা করি, নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমর্থন থাকবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে।</p>
<p style="text-align: justify;">সবশেষে— মুক্তি, বিজয় ও দ্বিতীয় স্বাধীনতার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন ড. ইউনূস</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/459078/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 10 Aug 2024 02:23:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=459078</guid>

					<description><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পীরগঞ্জের জাফরপাড়ার বামনপুরে নিজ বাড়িতে শায়িত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এর আগে, সকালে হেলিকপ্টারযোগে রংপুরের পীরগঞ্জ পৌঁছান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পীরগঞ্জের জাফরপাড়ার বামনপুরে নিজ বাড়িতে শায়িত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, সকালে হেলিকপ্টারযোগে রংপুরের পীরগঞ্জ পৌঁছান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। কবর জিয়ারত শেষে আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">আবু সাঈদ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। পরদিন তাকে দাফন করা হয়।</p>
<h3>নিহতদের স্মরণে আজ দেশব্যাপী কালোর শোক ও লালের প্রতিবাদ</h3>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আজ মঙ্গলবার দেশব্যাপী শোক পালন করবে সরকার। শোক পালনের অংশ হিসেবে কালো ব্যাজ ধারণ করা হবে আর অন্যদিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন লাল রঙ্গের প্রতিবাদ পালন করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">শোক পালনের অংশ হিসেবে মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দির-গির্জা-প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। সরকারি-বেসরকারি সব নাগরিক এই কর্মসূচি পালন করতে পারবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (৩০ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বৈঠকের এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকে কোটা আন্দোলন নিয়ে যে পরিস্থিতি হয়েছিল, সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে এ নিয়ে আলোচনা হয়। সেই আলোচনার ভিত্তিতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় এবং আগামীকাল (আজ) দেশব্যাপী শোক পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি সব নাগরিক এই কর্মসূচি পালন করতে পারবে। তবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় গতকাল রবিবার পর্যন্ত সরকারিভাবে ১৪৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। নিহতদের মধ্যে পুলিশ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>
<h3>কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় শোক</h3>
<p>কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই)  একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।</p>
<p>মন্ত্রিপরিষদ সভায় সোমবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/very_big_1/public/images/2024/08/10/younus_2.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনা মাত্র ৪৫ মিনিট সময় পান জীবন রক্ষায়!</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/465732/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Aug 2024 08:16:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=465732</guid>

					<description><![CDATA[ছাত্র আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে পালাতে তাকে মাত্র ৪৫ মিনিট সময় বেধে দিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ছাত্র আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে পালাতে তাকে মাত্র ৪৫ মিনিট সময় বেধে দিয়েছিলেন গোয়েন্দারা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিভিন্ন বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়। নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আন্দোলনকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁজোয়া যানে উঠে লাল রং দিয়ে দিচ্ছেন, সামরিক যানে পর্যন্ত উঠে পড়ছেন—এর পরও কেন তারা কঠোর হচ্ছে না, সেটা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তিনি আরও ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, আপনাদের বিশ্বাস করেই শীর্ষ পদে বসিয়েছিলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">একপর্যায়ে শেখ হাসিনা আইজিপিকে দেখিয়ে বলেন, তারা (পুলিশ) তো ভালো করছে। এ সময় আইজিপি জানান, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে গেছে, তাতে পুলিশের পক্ষেও আর বেশি সময় কঠোর অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর বৈঠকে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না। কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে তারা শেখ রেহানার সঙ্গে অন্য কক্ষে আলোচনা করেন। তাকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন। শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তাতেও তিনি ক্ষমতা দূঢ়ভাবে আকড়ে ধরে রাখার ব্যাপারে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। এরপর জয় তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাকে পদত্যাগে রাজি করান। শেখ হাসিনা তখন একটা ভাষণ রেকর্ড করতে চান জাতির উদ্দেশে প্রচারের জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু ততক্ষণে গোয়েন্দা তথ্য আসে যে বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা শাহবাগ ও উত্তরা থেকে গণভবন অভিমুখে রওনা হয়েছে। দূরত্ব বিবেচনায় ৪৫ মিনিটের মধ্যে শাহবাগ থেকে গণভবনে আন্দোলনকারীরা পৌঁছে যেতে পারে। ভাষণ রেকর্ড করতে দিলে গণভবন থেকে বের হওয়ার সময় না-ও পাওয়া যেতে পারে। এই বিবেচনায় শেখ হাসিনাকে ভাষণ রেকর্ডের সময় না দিয়ে ৪৫ মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয় গণভবন ছাড়ার জন্য।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে তেজগাঁওয়ের পুরনো বিমানবন্দরে হেলিপ্যাডে আসেন শেখ হাসিনা। সেখানে তাদের কয়েকটি লাগেজ ওঠানো হয়। এরপর তারা বঙ্গভবনে যান। সেখানে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বেলা আড়াইটার দিকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে ছোট বোনসহ ভারতের উদ্দেশে উড়াল দেন শেখ হাসিনা।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/06/140138_bangladesh_pratidin_Hasina.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2399/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2399/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Aug 2024 07:00:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2399/</guid>

					<description><![CDATA[জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি বিস্তারীত আসছে&#8230;]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি<br />
বিস্তারীত আসছে&#8230;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2399/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/media_cache/2023/07/National-Parliament-Assembly-Photo-02-02-2021-750x563-1-800x420.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/464921/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Aug 2024 15:39:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=464921</guid>

					<description><![CDATA[শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেছেন শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনার কথা জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভার অন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পদত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবে। এতে মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হয়ে যায়। তবে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রী, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেছেন শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনার কথা জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভার অন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা পদত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবে। এতে মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হয়ে যায়। তবে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারবেন বলেও সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘাতে গত কিছুদিনে সারাদেশে কয়েকশ মানুষের প্রাণহানি হয়। আন্দোলনের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সোমবার (৫ আগস্ট) ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এরই মধ্যে গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে সরকার, ঘোষণা করা হয় তিনদিনের সাধারণ ছুটি।</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু সোমবার কারফিউ ভেঙে হাজার হাজার মানুষ রাজধানীর শাহবাগের দিকে যেতে থাকেন। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দিয়ে দেশ ছাড়েন।</p>
<h2 style="text-align: justify;">বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি-</h2>
<p style="text-align: justify;">(ক) তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্য মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ নিয়ে সংবিধানের ৫৮ (৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকিলে মন্ত্রীদের প্রত্যেকে পদত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে; তবে এই পরিচ্ছেদের বিধানাবলি-সাপেক্ষে তাহাদের উত্তরাধিকারীগণ কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তাহারা স্ব স্ব পদে বহাল থাকিবেন। ‘মন্ত্রী’ বলিতে প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p style="text-align: justify;">গত বছরের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। বিএনপিবিহীন এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় আওয়ামী লীগ। এরপর ১১ জানুয়ারি গঠিত হয় নতুন মন্ত্রিসভা। ওই মন্ত্রিসভায় সদস্য ছিল প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন। পরে ১ মার্চ আরও সাতজন প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা হয় প্রধানমন্ত্রীসহ ৪৪ জন। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পাঁচ বছরের জন্য মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। তবে এ মন্ত্রিসভা প্রায় সাত মাসের মাথায় বিলুপ্ত হলো।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.jagonews24.com/media/imgAllNew/BG/2023March/cabinet-20240805202029.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কারফিউ অমান্য করে ছাত্রদের সঙ্গে নামছে জনতা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/464117/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Aug 2024 02:02:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পিবিআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[মৃত্যু]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=464117</guid>

					<description><![CDATA[দেশব্যাপী চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে এরই মধ্যে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ। এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে অভিভাবক, গৃহিণীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরাও। বিভিন্ন স্লোগানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশব্যাপী চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে এরই মধ্যে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ। এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে অভিভাবক, গৃহিণীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের মধ্যে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরাও। বিভিন্ন স্লোগানে গলা মিলিয়েছে সর্বস্তরের জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের গতকাল প্রথম দিনে রাজধানী ঢাকা পরিণত হয় বিক্ষোভের নগরীতে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে অসহযোগ কর্মসূচির কারণে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে সারা দেশ। গতকাল দিনভর আন্তজেলা পর্যায়ে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সারা দেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে রাজধানী ঢাকা। অসহযোগ কর্মসূচির মধ্যেই আজ ঢাকামুখী লং মার্চ নামে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে সরকার ঘোষিত কারফিউ।<br />
<strong>লাশ নিয়ে মিছিল-স্লোগান : </strong>চলমান আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় লাশ নিয়ে মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ আন্দোলন ঘিরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ হয়েছে। বেড়েই চলছে নিহতের সংখ্যা।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আন্দোলনে নিহত চারজনের লাশ নিয়ে গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। সেখান থেকে একজনের লাশ নিয়ে শাহবাগে মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। সন্ধ্যা ৬টায় কারফিউ জারির পর শাহবাগে ভিড় কমতে থাকে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ গুলি ছুড়তে শুরু করে। এ সময় শাহবাগ মোড়ে কয়েক শ আন্দোলনকারী অবস্থান করছিলেন। আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেটও ছোড়া হয়। পরে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে এক নিহতের লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয়রা। গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার ধারাবহরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে গুলিবিদ্ধ হন দুজন। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানান, দুপুরে গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে ছাত্র-জনতা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তাদের সরিয়ে দিতে যায় পুলিশ, সেখানে বিজিবিও উপস্থিত ছিল। পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে ছাত্র-জনতার তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ও বিজিবি পিছু হটতে বাধ্য হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানীজুড়ে গত কয়েকদিনের বিক্ষোভ সমাবেশে রোজগারের কথা চিন্তা না করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্লোগানে গলা মেলাতে দেখা গেছে রিকশাচালকদেরও। ঘরকন্না ছেড়ে রাজপথের মিছিলে শামিল হয়েছেন সাধারণ গৃহিণীরাও। ’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর দেশের সাধারণ মানুষকে এভাবে কোনো আন্দোলনে শামিল হতে দেখা যায়। আন্দোলনে চলমান সহিংসতা উপেক্ষা করে গণমানুষের এই সম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে মহানগরীর পাড়া-মহল্লায়ও।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অল্প কয়েকজন অভিভাবককে দেখা গেলেও আন্দোলন যত গড়িয়েছে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অভিভাবকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। কেউ কেউ শুরুতে সন্তানের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আন্দোলন স্থলে এলেও এখন তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাবি আদায়ে নিজ সন্তানের সঙ্গেই স্লোগানে গলা মেলাচ্ছেন। গত শুক্রবার বিকালে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এই আবাসিক এলাকায় বসবাসরত বাসিন্দাদেরও তাদের সন্তানসহ রাস্তায় নেমে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিল করতে দেখা যায়। এই মিছিলে আরও ছিলেন এলাকার বয়স্ক নারী-পুরুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল দুপুরে মিরপুর ইসিবি চত্বরে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনে অভিভাবকদেরও অংশ নিতে দেখা যায়। বেশ কয়েকজন মাকে তার সন্তানদের নিয়ে আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তারা প্রধান সড়কের পাশেই পানি ও শুকনা খাবার হাতে গলির মুখে বসেছিলেন। আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থীর মা সাহিনা আক্তার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমার কলেজপড়ুয়া মেয়ে তার সহপাঠীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া নির্যাতনের প্রতিবাদে আন্দোলন করছে। মা হিসেবে আমি প্রথমে ওর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ওপর যেভাবে নির্বিচারে গুলি চালানো হচ্ছে, তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, একজন অভিভাবক হিসেবে এটি কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আন্দোলনে যে শিক্ষার্থীদের মৃত্যু হয়েছে তারা আমারই মেয়ের বয়সী, আমার সন্তানের মতো। নৈতিকভাবে আমিও এখন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও ‘জাস্টিস, জাস্টিস উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে গলা মেলাতে দেখা যায়। শাহবাগ ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সন্তানদের নিয়ে অভিভাবকদেরও একাত্মতা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর, প্রগতি সরণি, বনশ্রীসহ আরও বেশ কিছু এলাকায় অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের নিয়ে আন্দোলনে যোগ দিতে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এ ছাড়া রাজধানীর ফার্মগেটে দেশের চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, থিয়েটারসহ দৃশ্য মাধ্যমের কর্মীরা এরই মধ্যে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে পয়লা আগস্ট সমবেত হন। বাদ যাননি সংগীতশিল্পীরাও। ‘গেট আপ স্ট্যান্ড আপ’ শিরোনামে ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে সমবেত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তারাও সংহতি প্রকাশ করেন। এরই মধ্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সারা দেশে নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন সাংবাদিকরা। আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষও।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঢাকামুখী নতুন কর্মসূচি আজ :</strong> অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যেই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনরত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ সোমবার ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে সরকার ঘোষিত কারফিউ। গতকাল এক বিবৃতিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষে এ ঘোষণা দেন অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। অন্যান্য সমন্বয়কও একযোগে এ কর্মসূচির লিখিত ও ভিডিও বার্তা প্রচার করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি গভীর সংকটময় মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমাদের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি মঙ্গলবারের পরিবর্তে আজ সোমবার পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।</p>
<p style="text-align: justify;">পূর্বঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল প্রথম দিনে সকাল থেকেই রাজপথে নামতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে অংশ নেন শিক্ষক-অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে দুপুরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের একটি অংশের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ, বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে মৃত্যুর খবরের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষণা করে সরকার। এ কারফিউ প্রত্যাখ্যান করে  এই ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচি ঘোষণা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-জনতাকে খুন করা হয়েছে। চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার সময় এসে গেছে। ইতিহাসের অংশ হতে সবাই ঢাকায় আসুন। আশপাশের জেলাগুলো থেকে সবাই আজ ঢাকায় আসবেন। আর যাদের সুযোগ রয়েছে তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকায় এসে মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা রাজপথগুলোতে অবস্থান নিন। চারদিক থেকে আমরা গণভবনের দিকে রওনা হব। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুন্ডারা পুলিশের অস্ত্র দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করেছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার প্রতিরোধের মুখে তারা টিকে থাকতে পারেনি। রাজপথের পরাজিত শক্তি হিসেবে তারা বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করতে হবে। এই সমন্বয়ক বলেন, আনন্দের বিষয় হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আবার মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, আপনারা এই দেশের নাগরিক। আপনারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। আপনারা দেশের পক্ষে ও দেশের জনগণের জন্য কাজ করবেন। কোনো খুনি রাজনৈতিক দলের জন্য কাজ করবেন না। এটিই দেশের জনগণ আপনাদের কাছে প্রত্যাশা করে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">২৭ থানা-ফাঁড়িতে হামলা, ১৪ পুলিশ সদস্য নিহত, আহত তিন শতাধিক</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক আন্দোলন ঘিরে আজ রোববার দেশের বিভিন্ন জায়গায় ২৭টি থানা-ফাঁড়ি, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, রেঞ্জ অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসব ঘটনায় তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ সদর দপ্তর আজ এক বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">হামলা ও ভাঙচুরের শিকার থানা-ফাঁড়িগুলো হলো রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁও থানা, টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে থানা, বগুড়ার সদর, দুপচাঁচিয়া ও শেরপুর থানা, নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি; জয়পুরহাট সদর থানা, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা, রংপুরের গঙ্গাচড়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ; ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও  আশুগঞ্জ থানা, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর থানা; হবিগঞ্জের মাধবপুর ফাঁড়ি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ অফিস, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং দিনাজপুর সদর থানা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সন্ত্রাসী হামলায় আজ সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানার ১৩ ও কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য: নাহিদ</h3>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশে একটা গৃহযুদ্ধ তৈরি করতে চায়।’ তিনি এসময় তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও গন্তব্য পরিষ্কার। বিজয় এবং একমাত্র বিজয়ই আমাদের লক্ষ্য। আমরা এখনো সময় দিচ্ছি। সরকার যদি এখনো সহিংসতা চালিয়ে যায়, আমরা কিন্তু গণভবনের দিকে তাকিয়ে আছি। শেখ হাসিনাকে ঠিক করতে হবে, এখনো সহিংসতা চালাবেন, রক্তপাত চালাবেন, নাকি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে পদত্যাগ করবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে আজ রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগ মোড়সহ আশপাশের এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। বেলা তিনটার দিকে শাহবাগে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে দেশকে একটা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ছাত্র-জনতা যেকোনো মুহূর্তের জন্য প্রস্তুত। আজকে লাঠি তুলে নিয়েছি। যদি লাঠিতে কাজ না হয়, আমরা অস্ত্র তুলে নিতে প্রস্তুত। আপনারা প্রতিরোধ করুন, রুখে দাঁড়ান, সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশছাড়া করতে হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">নাহিদ বলেছেন, ‘আমাদের এক দফা দাবি ঘোষণা হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা ঘোষণা বাকি। আমাদের যদি গুম-খুন করা হয়, গ্রেফতার করা হয়, যদি ঘোষণা দেওয়ার মতো কেউ না থাকে, আপনারা আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আর যদি আমার ভাইদের বুকে গুলি করা হয়, আমার বোনদের কেউ আহত হয়, আমরা বসে থাকব না। পাড়ায়-পাড়ায়, গ্রামে-গ্রামে, মহল্লায়-মহল্লায়, অলিতে–গলিতে প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটি গঠন করুন। যেখানেই হামলা হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। আমরা এই সরকারকে মানি না। এখন থেকে দেশের নেতৃত্ব দেবে ছাত্র-জনতা। ছাত্র-জনতার ঘোষণা চূড়ান্ত ঘোষণা।’</p>
<p style="text-align: justify;">সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা এই খুনি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিচার নিশ্চিত করব এই বাংলার মাটিতে। পুনরায় মুঠোফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র এবার কোনো কাজে লাগবে না। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হলেও আমরা রাজপথে থাকব।’</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারের পদত্যাগের এই আন্দোলনে আজ সোমবার ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/05/010457_bangladesh_pratidin_5.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন : উত্তাল সারাদেশ, সংঘর্ষে নিহত ১৭</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/463611/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Aug 2024 09:59:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিজিবি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=463611</guid>

					<description><![CDATA[ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১০টার দিকে কযেক হাজার শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়। মিছিলটি আলীপুর গোরস্তানের সামনে গেলে তাদের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে কিছু যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। পরে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১০টার দিকে কযেক হাজার শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়। মিছিলটি আলীপুর গোরস্তানের সামনে গেলে তাদের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে কিছু যুবলীগের কর্মীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। পরে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালায়।</p>
<p style="text-align: justify;">হামলাকারীরা এ সময় আওয়ামী লীগ অফিস ও সেখানে রাখা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়। এরপর শিক্ষার্থীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে থাকা শোক দিবসের গেট ভেঙে ফেলে। শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে জেলখানার সামনে দিয়ে যাবার সময় সেখানে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। সে সময় পুলিশ বিপুল সংখ্যক টিয়ারসেল ও হ্যান্ড গ্রেনেড ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। মিছিলকারীরা পরে রাজেন্দ্র কলেজের রুকসু ভবনের ছাত্রলীগের অফিস পুড়িয়ে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তারা যুবলীগ নেতার একটি রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর করে। এ সময় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন কমলাপুরস্থ বাড়িতে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। মিছিলকারীরা পরে থানা রোডে থাকা যুবলীগের মিছিলটি ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী কোতয়ালী থানায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশ এসময় টিয়ারসেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে শিক্ষার্থীরা পূর্ব খাবাসপুর মোড়ে অবস্থান নেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশের ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। বেলা ১টার দিকে ফের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে জনতা ব্যাংক মোড় এলাকায়। শহরের বিভিন্ন স্থানে এখনো শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">রংপুরে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩, নিহতদের একজন আ.লীগ নেতা</h3>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে রংপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের <a href="https://sarabangla.net/post/sb-898176/" target="_blank" rel="noopener noreferrer"><strong>নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ</strong> </a>হয়েছে। এসময় আওয়ামী লীগের থানা কমিটির সভাপতি হারাধন রায় হারাসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক আহত হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে সিটি বাজারসংলগ্ন জেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারের পাশে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় তারা নিহত হন। নিহত হারাধন রায় হারা নগরীর পশুরাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সর্দার আব্দুল জলিল ও মিজানুর রহমান মিজান তিনজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে দু’জনের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, সকাল ১০টা থেকে রংপুর টাউন হলের সামনে সড়কে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করে। এক ঘন্টার মধ্যে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী সেখানে জমায়েত হয়ে সরকারের পতনে এক দফা দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। ‘আগস্ট মাসে কিসের শোক, সবার আগে বিচার হোক’, ‘আমরা আছি থাকব, যুগে যুগে লড়ব’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছ’ বিভিন্ন স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত করে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অনেক অভিভাবকও আন্দোলনে যোগ দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা, ইটপাটকেল নিয়ে ভাঙ্গা মসজিদের সামনে এগিয়ে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু যায়। আধাঘণ্টা ধরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ চলে। পরে আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে পিছু হটতে হয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। এসময় সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হারাধন হারাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের এখন আলোচনায় বসতে বলতেছেন, বঙ্গবন্ধু তো আলোচনায় বসেননি। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমার ভাইয়ের লাশের ওপর দিয়ে আলোচনায় বসতে পারব না। তাই আর কোন আলোচনা নয়, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ করা ছাড়া এর কোনো সমাধান নাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সরকারের পেটোয়া বাহিনী প্রকাশ্যে গুলি চালাচ্ছে। আজকের কর্মসূচিতে আমাদের অন্তত দুইশো শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে আমরাই অনেকটা অবরুদ্ধ রয়েছি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’</p>
<h3 style="text-align: justify;">নওগাঁয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা</h3>
<p style="text-align: justify;">এক দফা দাবি আদায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে নওগাঁয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে শহরের কাজীর মোড়ে জড়ো হতে শুরু করেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরে আন্দোলনকারীরা প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে বন্ধ হয়ে যায় যানচলাচল। এ সময় এক দফা দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে শোনা যায় তাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোল ঘিরে পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন করছি। এক দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">অপরদিকে শহরের সরিষাহাটির মোড়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে আছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">দফায় দফায় সংঘর্ষের পর সিলেটজুড়ে থমথমে অবস্থা</h3>
<p style="text-align: justify;">সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর সংঘর্ষ ছড়িয়েছে বিভিন্ন স্থানে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের পর সিলেটজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দুপুরে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। এসময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের ইটপাটকেলের জবাবে পুলিশ গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর কোর্ট পয়েন্টে আরও কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলা ১টা থেকে নগরীর জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, বারুতখানা, জেলরোড, হাওয়াপাড়া, মিরবক্সটুলা, নয়াসড়ক ও আম্বরখানাসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেয়। সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে তারা যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। পুলিশ দেখামাত্র তারা ‘ভ‚য়া ভ‚য়া’ স্লোগান দিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।</p>
<p style="text-align: justify;">জবাবে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেণেড ছুঁড়ে। মুর্হুমুর্হু গুলির শব্দ ও সংঘর্ষের খবরে নগরজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আতঙ্কে নগরের গুরুত্বপুর্ণ সড়কের পার্শ্ববর্তী দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"> নগরীর বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থান নেওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">কুমিল্লায় গুলিতে যুবক নিহত</h3>
<p style="text-align: justify;">কুমিল্লার দেবিদ্বারে গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার দুপুর দেড়টায় দেবিদ্বার আজগর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরো অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। নিহত ওই যুবক আব্দুল রাজ্জাক রুবেল (২৬)। তিনি দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে।</p>
<p style="text-align: justify;">রুবেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান। তিনি বলেন, রুবেলে মৃতদেহ শনিবার দেড়টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আনা হয়েছে। আমরা পরীক্ষা করে দেখি তার মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয়রা জানান, দেবিদ্বার নিউ মার্কেট স্বাধীনতা চত্ত্বরে অবস্থা নেয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৫ শতাধিক নেতাকর্মী। স্বাধীনতা চত্ত্বর থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান নেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ হন রুবেল।<br />
এছাড়া দফায় দফায় ক্ষমতাসীন দলের অস্ত্রধারী নেতাকর্মীদের সাথে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ইট পাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ভোলায় বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে আ.লীগের ব্যাপক সংঘর্ষ, আগুন</h3>
<p style="text-align: justify;">ভোলায় বৈষম‌্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লী‌গের ব‌্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় গ্রু‌পের অন্তত ২০/৩০ জন আহত হ‌য়ে‌ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় বাংলা স্কুল মোড় এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগ অফিস, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের অফিস ভাঙচুর করে আগুন জ্বা‌লিয়ে দেওয়া হয়। রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও বেশ কয়েক‌টি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দি‌কে বৈষম‌্যবিরোধী আন্দোলনের এক‌টি বিক্ষোভ মি‌ছিল ভোলা সরকা‌রি উচ্চ বিদ‌্যালয়ের মাঠসংলগ্ন ইলিশা বাসস্ট‌্যান্ড এলাকা থে‌কে শুরু হ‌য়ে বি‌ভিন্ন সড়ক ঘুরে বাংলাস্কুল মোড় এলাকায় এলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রথমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও পবরর্তীতে সংঘর্ষ বাধে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংঘর্ষের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">পিরোজপুরে ছাত্র-জনতার মিছিল বিক্ষোভ</h3>
<p style="text-align: justify;">কেন্দ্রঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা পিরোজপুরে কোন ধরনের বাধা ছাড়াই লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পিরোজপুর ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে জড়ো হয়। সেখানে সমাবেশ করার পর বিক্ষোভ মিছিলটি পুনরায় বাস স্ট্যান্ড থেকে সিও অফিস হয়ে শহরের দিকে প্রবেশ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এতে সাধারণ শিক্ষার্থী ছাড়াও নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেয়। এরপর মিছিলটি সরকারি মহিলা কলেজের সামনে থেকে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তারা সেখানে টিকতে না পেরে সরে পড়লে, রাস্তার দুইপাশে রাখা প্রায় অর্ধশত মোটরসাইকেলে ভাঙচুর চালানো হয়। তবে আওয়ামী লীগ এবং এর অংশ সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিলেও, বিক্ষোভকারীদের সাথে কোন সংঘর্ষ হয়নি। অন্যদিকে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও, বিক্ষোভকারীদের সাথে তাদের কোন সংঘর্ষ হয়নি। এদিকে দুপুরের দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">ইবি সংলগ্ন মহাসড়কে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী-জনতা, গুরুতর আহত ১</h3>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রিপরিষদের পদত্যাগের দাবিতে দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সংলগ্ন কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে অবস্থান অবরোধ করে রেখেছেন শিক্ষর্থীসহ কয়েক হাজার স্থানীয় জনতা।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে তারা সড়কের উপর অবস্থান নেন। দুপুর দুইটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ এ জনতা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে ১২ টার ক্যাম্পাস সংলগ্ন পূর্ব আবদালপুরে সহিদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। মাস্ক পরা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির দ্বারা মাথায় লাঠির আঘাতে তিনি আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে আহত ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যাম্পাসের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান আন্দোলনকারীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে থাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। দায়িত্বে থাকা চিকিৎসা জানান, মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে ফটক পেরিয়ে মহাসড়কে আসেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। তাদের সঙ্গে মিছিল নিয়ে যোগ দেয় ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শান্তিডাঙ্গা এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে শিক্ষার্থী ও জনতার মিছিল ক্যাম্পাস সংলগ্ন শেখপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে আবারো ফটকের দিকে এলে বিপরীত দিক থেকে হরিনারায়ণপুর এলাকা থেকে আসা সহস্রাধিক মানুষের আরেকটি মিছিল ফটকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া শেখপাড়া, মধুপুর, হরিনারায়ণপুরসহ বিভিন্ন এলাকার নানা শ্রেণি পেশার মানুষকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিতে দেখা গেছে। এদিকে দুপুর দেড়টায় আন্দোলনকারীরা, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কক্ষ থেকে বের করে দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে মহাসড়কে বিক্ষোভকারীরা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন। বিক্ষোভ চলাকালে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীদের ইবি ফটকের ওপর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত বিলবোর্ড, ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর জন্য দেওয়া মাইক, পাশে থাকা চেয়ার ভাঙচুর করতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের মিছিল চলাকালে ফটকের সামনে আগে থেকেই অবস্থান পুলিশ, আনসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ পুলিশ-আনসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিকে এগিয়ে গেলেও অন্যরা মানবঢাল তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা করা প্রতিহত করেন। পরে স্থানীয়রা যোগ দিলে পুলিশকে নিরাপদ দূরত্বে চলে যেতে দেখা যায়। বর্তমানে পুলিশ ইবি থানায় অবস্থান করছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">আন্দোলনকারীদের দখলে সিরাজগঞ্জ শহর, গুলিতে নিহত ১</h3>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ শহরের সবগুলো রুট দখলে নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাধারণ জনতা এবং জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিক সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার সকাল থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আন্দোলনকারীরা। কয়েকঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় শহরের বাজার স্টেশন, এসএস রোড, মুজিব সড়ক, রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সংঘর্ষে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে বলে জানা গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি। এছাড়াও সাতজন গুলিবিদ্ধসহ ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পিছু হটলে পুরো শহর দখল করে নেয় আন্দোলনকারী ছাত্র ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় ড. জান্নাত আরা হেনরীর বাসা, জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়, সাবেক এমপি হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাসা, আওয়ামী নেতা বিমল কুমার দাসের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও জেলা জজ আদালত, এসিল্যান্ড অফিস, মুক্তির সোপান স্মৃতিসৌধ, শিল্পকলা একাডেমিসহ শহরের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে চয়ন ইসলাম এমপির বাসা ভাঙচুর করা হয়। বেলকুচি ও উল্লাপাড়া আওয়ামী লীগ অফিসে আগুন দেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের সুপারিন্টেনডেন্ট ডা. রতন কুমার জানান, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালে ১৪ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সাতজন গুলিবিদ্ধ।</p>
<h3 style="text-align: justify;">বগুড়ায় আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত ২</h3>
<p style="text-align: justify;">বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার দুপুরে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">নিহত একজনের নাম মুনিরুল ইসলাম (৩৪)। তার বাড়ি কাহালু উপজেলার বীরকেদার এলাকায়। মুনিরুল মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। অপরজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। এছাড়া সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৯ জন ভর্তি রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনাকারীরা অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া উপজেলার সামনে সকাল ১০টার দিকে অবস্থান নেন। সেখানে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন তারা। এসময় উত্তেজিত জনতা নেতাকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা করেন। পরে সেখানে থাকা একটি পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। উপজেলা ভূমি অফিসসহ একাধিক সরকারি স্থাপনায় হামলা করা হয়। এ সময় পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ থানার মধ্যে অবস্থান নেয। তখন আন্দোলনকারীরা থানার গেট ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরে থানার মধ্য থেকে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় ১২ জন গুলিবিদ্ধ হন। আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে আহত হয়ে মুনিরুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান।</p>
<p style="text-align: justify;">বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছা. শামসুন্নাহার জানান, মুনিরুলের মাথায় গুলি লেগেছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, সংঘর্ষে আহত একজকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (শজিমেক) নিয়ে আসা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া এদিন দুপুরে বগুড়ার শেরপুর থানায় হামলা করে আন্দোলকারীরা। এসময় ১১ জন আহত হন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/08/04/140330_bangladesh_pratidin_bagura.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নাগরিকদের এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ চাইছি: সমন্বয়ক আসিফ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/462234/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Aug 2024 09:02:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=462234</guid>

					<description><![CDATA[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের একজন আসিফ মাহমুদ বলেছেন, আপসহীনতার মূল্য যদি মৃত্যু হয়; তাতেও আমরা প্রস্তুত আছি। ছাত্র-নাগরিক এই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ আহ্বান করছি। শনিবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১টায় সারাবাংলাকে আসিফ মাহমুদ এ সব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা ডিবি অফিসে ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের একজন আসিফ মাহমুদ বলেছেন, আপসহীনতার মূল্য যদি মৃত্যু হয়; তাতেও আমরা প্রস্তুত আছি। ছাত্র-নাগরিক এই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ আহ্বান করছি।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১টায় সারাবাংলাকে আসিফ মাহমুদ এ সব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা ডিবি অফিসে ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আন্দোলন স্থগিত করার কথা বলা হয়েছিল। এমনকি জোর করে আমাদের গণভবনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে আমরা ডিবি কার্যালয়ে অনশনে বসেছিলাম।’</p>
<p>সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদসহ ৬ জন ডিবি হেফাজতে ছিলেন।  ১ আগস্ট ডিবি হেফাজতে থাকা ৬ সমন্বয়ককে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">৬ সমন্বয়ককে ডিবি থেকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি জানিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, তারা (সমন্বয়করা) আমাদের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিল। এ ব্যাপারে জিডিও করা হয়েছিল। এখন তারা বলেছেন তাদের আর নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই, যখন তারা চলে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, চলে যেতে আমরা কোনো বাধা দিইনি। তারা চলে গেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গত সপ্তাহের শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল থেকে নাহিদ ইসলামসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ সমন্বয়ককে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। সেদিন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান (সদ্য বদলি হওয়া) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। নাহিদ ছাড়া অপর দুজন হলেন আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদার। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।</p>
<p style="text-align: justify;">পরদিন সন্ধ্যায় সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকেও ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। এরপর রোববার ভোরে মিরপুরের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তুলে আনা হয় নুসরাত তাবাসসুমকে। এরপর থেকে তারা মিন্টো রোডে ডিবির কার্যালয়ে ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেখানে থাকা অবস্থায় এক ভিডিও বার্তায় আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন এই ৬ সমন্বয়ক। তবে তাদের দিয়ে জোর করে এই ঘোষণা দেয়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন অন্য সমন্বয়করা। পরে তাদের সঙ্গে এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে দুই দফায় খাবার খাওয়ার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে আবারো আলোচনায় আসেন মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উচ্চ আদালতও।</p>
<p style="text-align: justify;">তাদের ছেড়ে দেয়া সংক্রান্ত একটি রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট মন্তব্য করেন, ডিবি অফিসে যাকে-তাকে ধরে নিয়ে যাবেন, তারপর খাবার টেবিলে বসাবেন। এভাবে জাতির সঙ্গে মশকরা করবেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ১৪ দলীয় জোটের নেতারা হারুন অর রশীদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সমালোচনা করেন। এরই মধ্যে হারুনকে ডিবি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/media_cache/2024/08/Asif_mahmud-800x420.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন কিছুক্ষ‌ণের ম‌ধ্যে: আইনমন্ত্রী </title>
		<link>https://worldbarta.com/news/1837/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/1837/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Aug 2024 07:00:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/1837/</guid>

					<description><![CDATA[‌কিছুক্ষ‌ণের বাংলা‌দেশ জামায়া‌তে ইসলামী ও ছাত্রশি‌বির‌কে ‌নি‌ষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জা‌রি করা হ‌বে বলে জা‌নি‌য়ে‌ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ‌তি‌নি এ তথ‌্য জানান। আনিসুল হক বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮/১ ধারায় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর অঙ্গসংগঠন রাজনৈতকিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, জামায়াতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">‌কিছুক্ষ‌ণের বাংলা‌দেশ জামায়া‌তে ইসলামী ও ছাত্রশি‌বির‌কে ‌নি‌ষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জা‌রি করা হ‌বে বলে জা‌নি‌য়ে‌ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ‌তি‌নি এ তথ‌্য জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">আনিসুল হক বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮/১ ধারায় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ এর অঙ্গসংগঠন রাজনৈতকিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে কোনো কিছু করার চেষ্টা করলে সরকারের সেই প্রস্তুতি আছে। বুধবা‌রের ম‌ধ্যে জামায়াত নি‌ষিদ্ধ হওয়ার কথা জানা‌লেও আইনমন্ত্রী ফাইনা‌লি আজ কিছুক্ষ‌ণের ম‌ধ্যে জামায়াত নি‌ষিদ্ধ করার প্রজ্ঞাপন জা‌রির কথা ব‌লে‌ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে বুধবার (৩১ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সন্ত্রাস দমন আইনের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছি‌লেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস দমন আইনের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এটি এখনও প্রক্রিয়াধীন। যেকোনো মুহূর্তে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। প্রজ্ঞাপন জারি হবে যেকোনো মুহূর্তে।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জামায়াত-শিবির আগেই নিষিদ্ধ ছিল। এদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকগুলো এবং সুশীল লোকগুলো জামায়াতকে নিষিদ্ধের কথা বলে আসছেন। এটা সাধারণ মানুষের দাবি ছিল। এ নিয়ে ১৪ দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে তারাও জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধের পরামর্শ দিয়েছিলেন। জামায়াত-শিবির চলমান পরিস্থিতি তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে জামায়াত-শিবির-বিএনপি ধ্বংসাত্মক কাজ করেছে। তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করতেই নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামায়াতকে নিষিদ্ধসহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জা‌নি‌য়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা সকালে একটা মিটিং করেছি। দুপুরে একটা মিটিং করেছি। আমাদের মিটিং ছিল ১৫ আগস্ট জাতির পিতার ৪৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিয়ে।</p>
<h3>জামায়াত ও শিবির কালই নিষিদ্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী</h3>
<p style="text-align: justify;">আগামীকাল বুধবারের (৩১ জুলাই) মধ্যে নির্বাহী আদেশে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান আইনমন্ত্রী।</p>
<p style="text-align: justify;">কোন প্রক্রিয়ায় জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হবে, জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের মধ্যে এ প্রশ্নের জবাব রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, এটা ঠিক যে আগামীকালকের মধ্যে একটা ব্যবস্থা নেওয়ার। আমি কিছুক্ষণ পরে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বসবো। সেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো কোন আইনি প্রক্রিয়ায় হবে। সেটা যখন আমরা সিদ্ধান্ত নেবো, তখন বলবো।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মানে কালকের মধ্যেই কি এই সিদ্ধান্ত হবে, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্দোলন চলমান রয়েছে, এর মধ্যে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করে পরবর্তী সময় সরকার আবার ঝামেলায় পড়বে কি না, এ বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, দেখেন এই যে নৃশংসতা, যেটি গত ১৬ জুলাই থেকে চালানো হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে যে সহিংসতা চালানো হয়েছে, যারা কোটাবিরোধী আন্দোলন করছেন তারা কিন্তু জানিয়েছেন এ সহিংসতার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই&#8230;.। সেক্ষেত্রে আমাদের কাছে তথ্য উপাত্ত আছে, জামায়াত-বিএনপি ও ইসলামী ছাত্রশিবির, ছাত্রদলের যারা জঙ্গি তারাই এটা করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আইনমন্ত্রী বলেন, এই দলটাকে যদি নিষিদ্ধ করা হয় তাহলে আইনশৃঙ্খলা এবং দেশের রাজনীতিরও অনেক উন্নতি হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">‌‘কোনো দলকে যদি নিষিদ্ধ করা হয়, তখন সেটি নির্বাহী আদেশেই হয়। সেটি কোনো বিচার বিভাগীয় আদেশে হয় না’ বলেন আনিসুল হক।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন ঘিরে দেশবিরোধী নৈরাজ্য, অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে একমত হয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ১৪ দল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/1837/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://mzamin.com/uploads/news/main/10587_jamat.webp" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোটাবিরোধী আন্দোলন : মুক্তি পেলেন ৬ সমন্বয়ক</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/443461/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Aug 2024 06:10:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[চাকরি]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রদল]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রলীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=443461</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে, সমন্বয়কদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকরা দেখা করতে যান। নাহিদের বাবা বদরুল ইসলাম জানান, আজ ভোর ৬টায় সবার পরিবারকে ফোন দিয়ে ডিবি অফিসে আসতে বলা হয়। পরে দুপুর দেড়টার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ক মুক্তি পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে, সমন্বয়কদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকরা দেখা করতে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">নাহিদের বাবা বদরুল ইসলাম জানান, আজ ভোর ৬টায় সবার পরিবারকে ফোন দিয়ে ডিবি অফিসে আসতে বলা হয়। পরে দুপুর দেড়টার দিকে ডিবি তাদের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থায় বাসায় দিয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">বিস্তারিত আসছে</p>
<h3>সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া</h3>
<p style="text-align: justify;">সিলেটে কোটা ইস‍্যুতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও পুলিশের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলি-ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে মহানগরের সুবিদবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ ফাঁকা গুলি ও টিয়ারসেল ছুঁড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, কোটা ইস‍্যুতে শিক্ষার্থীদের বুধবারের কর্মসূচি ছিল- ‘মার্চ ফর জাস্টিস’। কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর ১২টায় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেট থেকে শিক্ষার্থীরা পায়ে হেঁটে মিছিল নিয়ে মহানগরের বন্দরবাজারের দিকে রওনা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পথিমধ‍্যে সুবিদবাজার এলাকায় আসলে সড়কে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। শিক্ষার্থীরা তখন ব্যারিকেডটি ভেঙে বন্দরবাজার আসতে চাইলে পুলিশ ফের বাধা দেয়। এসময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় এবং শিক্ষার্থীরা ইট-পাটকেল ও পুলিশ টিয়ার সেল-ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং বন্দরবাজার আসতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।</p>
<h3>আহত চবি ছাত্রের মৃত্যু</h3>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র হৃদয় চন্দ্র তরুয়া (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গতকাল সকালে তিনি ঢাকা মেডিকেলে মারা যান। হৃদয় পটুয়াখালী সদর রোডের নতুন বাজার এলাকার রতন চন্দ্র তরুয়ার ছেলে। এ নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে চট্টগ্রামে মোট ছয়জন মারা গেছেন। জানা যায়, ১৮ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিলেন চবি শিক্ষার্থী হৃদয়। ওই দিন সংঘর্ষে দুজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির বলেন, বহদ্দারহাটের ঘটনায় আহত হৃদয় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।</p>
<h3>চট্টগ্রামে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ</h3>
<p style="text-align: justify;">সারাদেশে ‘কপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত সেতু এলাকায় অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সেখানেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয় এবং টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সকাল ১১টার দিকে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ছোড়ে পুলিশ। শিক্ষার্থীরাও পাল্টা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা অবস্থান ছাড়ছেন না।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে ওই এলাকায় অল্প পরিমাণে শহর এলাকার বাস, টেম্পো, অটোরিকশা ও দূরপাল্লার বাস চলাচল করলেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করার পর যান চলাচল অনেকটাই বন্ধ হয়ে যায়। তবে নগরের অন্যান্য এলাকায় কিছু পরিমাণ গণ পরিবহন চলাচল করছে। তবে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ছিল খুবই কম।</p>
<p style="text-align: justify;">গত মঙ্গলবার বিকেলে নগরের মুরাদপুর ও শুলকবহর এলাকায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মো. ফারুক (৩২), ওয়াসিম আকরাম (২২) ও ফয়সাল আহমেদ (২০) নামের তিনজন নিহত হন।</p>
<h3>সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা</h3>
<p style="text-align: justify;">নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনের প্লাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।</p>
<p style="text-align: justify;">বিবৃতিতে আসিফ মাহমুদ বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে আগামীকাল ১৮ জুলাই সারাদেশে ‘কমপ্লিট  শাটডাউন’ ঘোষণা করছি।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরো বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুধু হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না, অ্যাম্বুলেন্স ব্যতীত সড়কে কোনো গাড়ি চলবে না। সারা দেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাচ্ছি, আগামীকালের কর্মসূচি সফল করুন।</p>
<p style="text-align: justify;">অভিভাবকদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের অভিভাবকদের বলছি, আমরা আপনাদেরই সন্তান। আমাদের পাশে দাঁড়ান, রক্ষা করুন। এই লড়াইটা শুধু ছাত্রদের না, দলমত নির্বিশেষে এদেশের আপামর জনসাধারণের।</p>
<h3>ঢাবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল খালি করার নির্দেশ</h3>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য কর্তৃপক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হল খালি করতে বলেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ দুপুরে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক একেএম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">সিন্ডিকেট সভায় গতকাল দেশব্যাপী কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন বলেছেন,‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার এবং হলগুলো খালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">সরকারি চাকরিতে কোটা বিলুপ্ত করে ২০১৮ সালের সরকারি সার্কুলারকে ৫ জুন হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করেছে। এরপর ১০ জুলাই হাইকোর্টের রায়ে স্থিতাবস্থা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র : বাসস</p>
<h3>গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল কর্মসূচি</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল কর্মসূচি পালন করবেন আন্দোলনকারীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">আসিফ মাহমুদ বলেন, আজ পুলিশ ও ছাত্রলীগের যৌথ হামলা এবং গুলিবর্ষণে শহীদ ভাইদের জন্য বুধবার দুপুর ২টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জেলায় জেলায় গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল পালন করুন। ঢাকায় অবস্থানরত সবাই রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সময়মতো চলে আসবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার বেশ সহিংস রূপ নেয়। বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে।</p>
<h3>সারা দেশে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি ও শিক্ষার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে রাজধানীজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় </strong></p>
<p style="text-align: justify;">সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় সড়ক অবরোধ করে নানা স্লোগান দিতে থাকেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখি সড়কে যান চলাচল হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে মেরুল বাড্ডা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখি দুই পাশেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও বনশ্রী ও আবুল হোটেল হয়ে আসা গণপরিবহন দীর্ঘ জটে পড়ে। ফলে অনেকে বিকল্প রাস্তা হিসেবে হাতিরঝিলকে বেছে নিচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বেড়িবাঁধ সড়ক অবরোধ</strong></p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও কোটা বাতিলের দাবিতে রাজধানীর বেড়িবাঁধ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ইউল্যাবের সামনের সড়ক অবরোধ করেন তারা। অবরোধের ফলে রাজধানীর গাবতলী থেকে মোহাম্মদপুর হয়ে ধানমন্ডি সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>নতুন বাজার </strong></p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানীর প্রগতির সরণির নতুন বাজার এলাকা অবরোধ করে আন্দোলন করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) শিক্ষার্থীরা। এতে বাড্ডা লিংক রোড থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখি সড়কে যান চলাচল হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>শনির আখড়া</strong></p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানীর চিটাগাং রোডের শনির আখড়া কাজলা রোডের রাস্তায় কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলন করছেন দনিয়া কলেজ ও মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>উত্তরা ও বিমানবন্দর সড়ক</strong></p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর উত্তরা ১১ নং সেক্টর চৌরাস্তা জমজম মোড় অবরোধ করেছেন উত্তরা ইউনিভার্সিটি, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বনানী ও কুড়িল বিশ্বরোড</strong></p>
<p>সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রাজধানীর বনানী ও কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক অবরোধ করেন স্টেট ইউনিভার্সিটি।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। অনেকেই বাস থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যস্থলের দিকে রওনা দেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">হঠাৎ উত্তপ্ত ঢাবি ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ডাক</h3>
<p style="text-align: justify;">ফের বিক্ষোভে নেমেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাত ১১টার দিকে ঢাবির বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসে কোটা সংস্কারের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে প্রতিটি হল থেকে ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় তারা বিজয় একাত্তর হলে ঢুকতে চাইলে ছাত্রলীগের বাধার সম্মুখীন হন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকে সমর্থকদের নিয়ে আসেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় শিক্ষার্থীরা &#8220;চেয়েছিলাম অধিকার,হয়ে গেলাম রাজাকার&#8221;, &#8220;এক দুই তিন চার, আমরা সবাই রাজাকার&#8221;, ‘তুমি কে আমি কে- রাজাকার রাজাকার’ ইত্যাদি স্লোগানও দেন।।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিক এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিরা চাকরি পাবে না কি রাজাকের নাতিনাতনিরা চাকরি পাবে?</p>
<h3 style="text-align: justify;">হঠাৎ মধ্যরাতে উত্তাল রাবি, ঢাকা-রাজশাহী সড়ক অবরোধ</h3>
<p style="text-align: justify;">মধ্যরাতে হঠাৎ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে। রবিবার রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় রাবির মেইন গেট সংলগ্ন ঢাকা-রাজশাহী সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আমীর আলী হল থেকে হঠাৎ বিক্ষোভ শুরু করেন কিছু শিক্ষার্থী। মুহূর্তেই শত শত শিক্ষার্থী বিভিন্ন হল থেকে মিছিলে যুক্ত হন। বিভিন্ন হলসহ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে হাজারো শিক্ষার্থী অংশ নেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এরআগে, সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গঠিত মামলা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;">কোটা সংস্কারের দাবি, মধ্যরাতে বিক্ষোভে ফুঁসলো ইবি</h3>
<p style="text-align: justify;">রবিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জিয়া মোড় থেক বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মিলিত হয়। এরপর মিছিলটি নিয়ে পুনঃরায় জিয়া মোড়ে এসে শেষ হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় &#8216;চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার&#8217;, ‘তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার&#8217; স্লোগানে মুখরিত হয় ক্যাম্পাস।</p>
<p style="text-align: justify;">সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দোলনকারীরা বলেন, আজকে আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে অধিবেশন ডেকে বিষয়টির সমাধানের দাবি জানাই।</p>
<h3 style="text-align: justify;">মধ্যরাতে জবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল পুরান ঢাকা</h3>
<p style="text-align: justify;">ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা &#8216;তুমি কে আমি কে, রাজাকার, রাজাকার&#8217; ‘কে বলছে, কে বলেছে সরকার’ স্লোগানে তাঁতি বাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশ থেকে কাঁঠাল তলায় জড়ে হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। সেই সঙ্গে একমাত্র ছাত্রী হলের তালা ভেঙে মিছিলে যোগ দেন নারী শিক্ষার্থীরাও।</p>
<p style="text-align: justify;">এরপর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিলটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, শাঁখারি বাজার, রায়সাহেব বাজার হয়ে তাঁতি বাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এরপর কিছুক্ষণ সেখানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বাহাদুর শাহ পার্ক, বাংলা বাজার মোড়ে ঘুরে পুনঃরায় ক্যাম্পাসে ফিরে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিলে কিছু সময়ের জন্য পুরান ঢাকার সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশের সতর্ক অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।</p>
<h3 style="text-align: justify;">মধ্যরাতে উত্তাল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়</h3>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অবমাননা করা হয়েছে দাবি করে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (১৫ জুলাই) রাত ১টার দিকে শিক্ষার্থীরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ক্যাম্পাসের হাদি চত্বরের সামনে অবস্থান নেন। পরে সেখান থেকে মিছিল দিয়ে তারা শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে অবস্থান করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্ববিদ্যালয়ের খান বাহাদুর আহছানউল্লা হল, খান জাহান আলী হল, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলসহ ক্যাম্পাসে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা মিছিলে যোগ দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">‘তুমি কে আমি কে রাজাকার-রাজারকার, কে বলেছে, কে বলেছে, সরকার-সরকার’; ‘চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গতকাল রোববার (১৪ জুলাই) বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে?</p>
<h3>সারাদেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি আজ</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে আজ রবিবার থেকে সারাদেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় শাহবাগ মোড়ে অবরোধ শেষে এই ঘোষণা দেন কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “রবিবার বিকাল ৩টা থেকে বাংলা ব্লকড কর্মসূচি ঘোষণা করা হল। শুধু শাহবাগ মোড় নয়, শাহবাগ ও ঢাকা শহরের সায়েন্স ল্যাব, চানখাঁরপুল, নীলক্ষেত, মতিঝিলসহ প্রতিটি পয়েন্টে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা নেমে এসে কর্মসূচি সফল করবেন। ঢাকার বাইরের জেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করবেন।”<br />
শনিবার বিকাল ৩টায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল থেকে আলাদা ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে হলপাড়া-ভিসি চত্বর-টিএসসি-বকশিবাজার-বুয়েট-ইডেন কলেজ-হোম ইকোনমিকস-নীলক্ষেত-টিএসসি হয়ে বিকাল ৫টায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এসময় শিক্ষার্থীরা ‘অবরোধ অবরোধ, শাহবাগ অবরোধ’, দফা এক দাবি এক, কোটা নট কাম ব্যাক’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রসঙ্গত, এবার শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবিতে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দাবিগুলো হল:</p>
<p style="text-align: justify;">১. ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা।</p>
<p style="text-align: justify;">২. পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠনপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরির সমস্ত গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া (সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যতীত)।</p>
<p style="text-align: justify;">৩. সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">৪. দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।</p>
<h3>কোটা বাতিলের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দু’পাশেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পরেছেন সাধারণ যাত্রীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা কখনোই সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে মেধাবীরা দেশে চাকরি না পেয়ে বাইরে চলে যাবেন। দেশে সরকারি চাকরি করার আগ্রহও হারাবেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।’</p>
<h3><a href="https://en.wikipedia.org/wiki/2018_Bangladesh_quota_reform_movement" target="_blank" rel="noopener">কোটা</a> বাতিলের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ</h3>
<p style="text-align: justify;">সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল নিয়ে ২০১৮ সালের পরিপত্র বহালের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন। এ সময় তারা কোটা বাতিল এবং ১৮ এর পরিপত্র বহালের দাবিতে নানা স্লোগান দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা সূর্যসেন হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল, উপাচার্যের বাসভবন, রাজু ভাস্কর্য ঘুরে শাহবাগ এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">মিছিলটি দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটে শাহবাগ মোড়ে এসে থামে। শাহবাগ মোড়ে আগে থেকেই বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন। তবে আন্দোলনকারীদের বাধা দেয়নি পুলিশ। শাহবাগ মোড়ে থাকা আন্দোলনকারীরা এখন কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান ও বক্তব্য দিচ্ছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দাবি আদায়ে গতকাল বুধবার বিক্ষোভ-মিছিল এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছিলেন ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানারের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। আন্দোলনকারীরা ১ জুলাই থেকে টানা কর্মসূচি পালন করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটাবিরোধী আন্দোলনে যাতে শিক্ষার্থীরা যুক্ত হতে না পারেন, সে জন্য আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলের ফটকে তালা দিয়েছিল ছাত্রলীগ। ফলে মিছিলে আসতে চাইলেও শিক্ষার্থীদের অনেকে আটকা পড়েন। সমালোচনার মুখে পড়ে ফটক খুলে দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে হল থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/07/31/143905_bangladesh_pratidin_sylhet.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/165205/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/165205/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Aug 2024 04:29:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=165205</guid>

					<description><![CDATA[শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন আজ বৃহস্পতিবার। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গলি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। জাতির জনকের কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন আজ বৃহস্পতিবার। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গলি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতির জনকের কন্যা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড ছুঁড়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী ও আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত ও ৫ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।</p>
<p style="text-align: justify;">পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।</p>
<p style="text-align: justify;">পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া।</p>
<p style="text-align: justify;">বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল জয়ী পশ্চিম জার্মানীর নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে, তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ শ্রী চৌধুরী বাঙালিদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">টাইমস অব লন্ডন এর ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয়- ‘সবকিছু সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সবসময় স্মরণ করা হবে। কারণ, তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই।’</p>
<p style="text-align: justify;">একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকান্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রতিবারের মত এবারও ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হবে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপী কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/165205/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/836ee408569df936b6774cef18b7edcd09fb5485e3f15362.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিদেশি ক্রেতাদের ‘সহানুভূতি’ চায় বিজিএমইএ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/35959/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/35959/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Jul 2024 11:52:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=35959</guid>

					<description><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে রফতানি শিল্প তৈরি পোশাকখাত। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্প এরইমধ্যে উৎপাদন ও রফতানি হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কেটিং ও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট। এরকম পরিস্থিতিকে এই শিল্পের জন্য ব্ড় ধরনের ধাক্কা মনে করছে পোশাক মালিকদের সংগঠনটি। এ অবস্থায় উৎপাদন ও পণ্য রফতানিতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে রফতানি শিল্প তৈরি পোশাকখাত। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্প এরইমধ্যে উৎপাদন ও রফতানি হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কেটিং ও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট। এরকম পরিস্থিতিকে এই শিল্পের জন্য ব্ড় ধরনের ধাক্কা মনে করছে পোশাক মালিকদের সংগঠনটি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় উৎপাদন ও পণ্য রফতানিতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে সহানুভূতি চেয়েছে সংগঠনটি। অপ্রত্যাশিত বিলম্বের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক কারখানাগুলো যেন কোনো রকম চাপের মুখে না পড়ে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতেও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পাশাপাশি কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ও নাশকতায় তৈরি পোশাকখাতে প্রভাব এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের অবহিত করেছে বিজিএমইএ।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (২৯ জুলাই) উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বিশ্বের নামি-দামি পোশাক ক্রেতা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজিএমইএ নেতারা। এতে সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নান (কচি)।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠক পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এস এম মান্নান (কচি) বলেন, ‘শিল্পের গতি দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য বন্দর, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, এনবিআরের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সার্বিক পরিস্থিতি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। প্রয়োজনীয় সব রকম পদক্ষেপ নিচ্ছি বলে আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে কারখানাগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল থাকতে ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। অপ্রত্যাশিত বিলম্বের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর ওপর যেন বাড়তি কোনো চাপ তৈরি না হয় সে বিষয়ে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছি। সেই সঙ্গে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির প্রভাব কমাতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ ও সরকারের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিজিএমইএ সভাপতি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘সভায় আমরা গত ১৮ জুলাই তারিখে শুরু হওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এবং তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেছি। শিল্পের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চলমান রাখতে এবং সাপ্লাই চেইন নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আমরা বিজিএমইএ’র পদক্ষেপগুলো ক্রেতাদের কাছেও শেয়ার করেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘পোশাক শিল্পে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আমরা প্রথমদিন থেকেই সরকারের সঙ্গে কাজ করে আসছি। আমরা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি। দ্রুততম সময়ে কারখানা চালু করা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক’সহ শিল্পের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করেছি। সরকারের আন্তরিক ও ত্বরিৎ পদক্ষেপের ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আমরা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে পুনরায় কারখানাগুলো চালু করতে পেরেছি। এ জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’</p>
<p style="text-align: justify;">বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘ইন্টারনেট পরিষেবা দ্রুত চালু করার বিষয়ে আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিতভাবে আলাপ-আলোচনা করেছি, যেন সীমিত পরিসরে হলেও অনতিবিলম্বে ইন্টারনেট চালু করা হয়। আমাদের অনুরোধে ও দেশের রফতানি বাণিজ্যের স্বার্থে সরকার দ্রুততার সঙ্গে ইন্টারনেট পরিষেবা পুনরায় চালু করেছে। যদিওবা তথ্য-প্রযুক্তির যুগে নজিরবিহীন এই পরিস্থিতিতে পোশাক কারখানা ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠান’সহ সবাই দুর্ভোগে পড়েছিল। আমাদের কারখানাগুলো এখন উইনটার সিজনের অর্ডার নেগোসিয়েশনে যখন ব্যস্ত সময় পার করছিল, তখন এরকম একটি নৈরাজ্যকর ঘটনা দেশের অর্থনীতিতে আঘাত হেনেছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসার পরিবেশ স্বাভাবিক করা, শিল্পে গতি ফিরিয়ে আনা ও বন্দর কার্যক্রমে যেন কোন ধীর গতি বা জটলা না হয়, সে বিষয়ে আমাদের কর্মতৎপরতার বিষয়গুলো আমরা তাদের কাছে তুলে ধরেছি। আমরা গতকাল নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি ও বন্দর পরিষেবাগুলোকে দ্রুততর করার জন্য এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের ফলে আমদানি-রফতানিকারক যেন বন্দরে কোনো প্রকার ডেমারেজের শিকার না হয় সেই দাবিটি জানিয়েছি। তিনি আমাদের অনুরোধে নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ‘আমি চলমান পরিস্থিতিতে কারখানাগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল থাকার জন্য ক্রেতাদের আহ্বান জানিয়েছি। অপ্রত্যাশিত বিলম্বের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর ওপর যেন বাড়তি কোনো চাপ তৈরি না হয় সে বিষয়ে আমি সব ক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ করেছি।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/35959/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bssnews.net/bangla/assets/news_photos/2023/03/18/image-83278-1679150371.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আমি শিক্ষার্থীদের রাজাকার বলিনি: শেখ হাসিনা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/273264/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 26 Jul 2024 10:00:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=273264</guid>

					<description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কতদিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা- রাজাকার রাজাকার।’ ‘তার মানে তারা নিজেদেরকেই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের দিকেই যেন তাদের বেশি ক্ষোভ। আমার একটা কথা নিয়ে কতদিন প্রতিবাদ করল, কী কথা বলেছিলাম আমি? আমার কথাটাকে বিকৃত করা হয়েছিল। তাদের স্লোগানটা কী? ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার। তোমার বাবা, আমার বাবা- রাজাকার রাজাকার।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘তার মানে তারা নিজেদেরকেই রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিল। আমি তো তাদের রাজাকার বলিনি, তারা নিজেরাই স্লোগান দিয়ে নিজেদেরকে রাজাকার হিসেবে পরিচিত করল সকলের কাছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার বক্তব্যকে ‘বিকৃত’ করা হয়েছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের অবস্থা দেখতে শুক্রবার সকালে রাজধানীর রামপুরায় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এ সব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে গত ১৪ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোটা আন্দোলন করার আগে তো তাদের রেজাল্টগুলো দেখা উচিত ছিল যে- কোথায় তারা দাঁড়িয়েছে! দ্বিতীয়টি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি তাদের এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি পুতিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতি পুতিরা (চাকরি) পাবে?’</p>
<p style="text-align: justify;">এই বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে তারা স্লোগান ধরেন– ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার।’</p>
<p style="text-align: justify;">পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়া-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তার দুই দিন বাদে সারাদেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই ধ্বংসযজ্ঞের জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত অতীতের মতই অগ্নিসন্ত্রাস করেছে; তবে এবার আলাদা…তারা গান পাউডার ব্যবহার করেছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">সবার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যারা এসবের সঙ্গে জড়িত, সারা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে যে যেখানে আছে- তাদের খুঁজে বের করুন, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য সহযোগিতা করুন। আমি দেশবাসীর কাছে সেই আহ্বান জানাই।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/05/11/132019_bangladesh_pratidin_sheikh-hasina-(file-photo).jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>কোটাবিরোধী আন্দোলন: গভীর রাতে বোরকা পরে পালিয়েছেন সভাপতি-সেক্রেটারি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/452893/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Jul 2024 12:19:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রলীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=452893</guid>

					<description><![CDATA[ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা গভীর রাতে বোরকা পরে হল থেকে পালিয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আক্রমণের ভয়ে তারা হল ত্যাগ করেন। এর আগে, রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকা বিনতে হোসাইনসহ ৯ জন নেত্রীকে আন্দোলনকারীরা হল থেকে বের করে দেয়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা গভীর রাতে বোরকা পরে হল থেকে পালিয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আক্রমণের ভয়ে তারা হল ত্যাগ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকা বিনতে হোসাইনসহ ৯ জন নেত্রীকে আন্দোলনকারীরা হল থেকে বের করে দেয়। একই সময়ে আরও কয়েকটি হল থেকেও ছাত্রলীগের নেত্রীদের বের করে দেওয়া হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইডেন কলেজে ছাত্রলীগ নেত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা এবং যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য বোরকা পরিধান করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাকে ফোন করলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভাই, খুব ঝামেলায় আছি। এসব নিয়ে পরে কথা বলব।’</p>
<p style="text-align: justify;">সকাল ৯টার দিকে জানা যায়, ইডেনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও প্রায় সব নেতাকর্মী হল থেকে পালিয়েছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের কক্ষ ভাঙচুর করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, রাতের ঘটনা থেকে উদ্ভূত চাপের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি ছাত্রীসহ বেশ কয়েটি ছাত্র হলকেও ছাত্র রাজনীতিমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক, রোকেয়া হল, শামসুন নাহার হল, কবি সুফিয়া কামাল হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের প্রাধ্যক্ষরা শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে হলগুলোকে ছাত্র রাজনীতি মুক্ত করার অঙ্গীকারনামা দেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রাত ১১টার দিকে রোকেয়া হলে প্রথমে এই ঘোষণাটি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেত্রীদের হল থেকে বের করে দিয়ে প্রাধ্যক্ষের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করেন, যাতে হলের অভ্যন্তরে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/07/17/110315_bangladesh_pratidin_EDn.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/433040/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Jun 2024 05:22:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=433040</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উর-জামানকে। মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ২৩ জুন অপরাহ্ন থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)-কে জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক ওই তারিখ অপরাহ্ন থেকে ৩ বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উর-জামানকে।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ২৩ জুন অপরাহ্ন থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)-কে জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক ওই তারিখ অপরাহ্ন থেকে ৩ বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/06/11/110511_bangladesh_pratidin_army-chief.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আমলাদের জন্য কেনা হচ্ছে ২৯২ কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/281249/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 May 2024 04:00:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=281249</guid>

					<description><![CDATA[জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) জন্য কেনা হচ্ছে সর্বাধুনিক মডেলের ২৬১ বিলাসবহুল গাড়ি। মঙ্গলবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এসব গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) জন্য কেনা হচ্ছে সর্বাধুনিক মডেলের ২৬১ বিলাসবহুল গাড়ি। মঙ্গলবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এসব গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো যানবাহন অধিদফতরের চাহিদাপত্র অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের জন্য কেনা হবে ৬১টি গাড়ি। প্রতিটি গাড়ি কিনতে ব্যয় হবে এক কোটি ৪৫ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা। মোট ৬১টি গাড়ি ক্রয়ে ব্যয় হবে ৮৮ কোটি ৯৬ লাখ ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ছাড়া ইউএনওদের ব্যবহারের জন্য কেনা হবে ২০০টি গাড়ি। প্রতিটি গাড়ির মূল্য ধরা হয়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা। এতে ব্যয় হবে ২৯১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/05/23/012858_bangladesh_pratidin_128.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : দ্বিতীয় ধাপে চেয়ারম্যান হলেন যারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/417100/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 May 2024 04:48:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[উপজেলা পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=417100</guid>

					<description><![CDATA[ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে দেশের ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে এই ভোটগ্রহণ। সাভার: উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম রাজীব ধামরাই: ঢাকা জেলা যুবলীগের সাবেক নেতা আবদুল লতিফ কাশিয়ানী: উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তার হোসেন মুকসুদপুর: উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য কাবির মিয়া সোনারগাঁ: উপজেলা আওয়ামী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে দেশের ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে এই ভোটগ্রহণ।</p>
<p><strong>সাভার:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম রাজীব</p>
<p><strong>ধামরাই:</strong> ঢাকা জেলা যুবলীগের সাবেক নেতা আবদুল লতিফ</p>
<p><strong>কাশিয়ানী:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তার হোসেন</p>
<p><strong>মুকসুদপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য কাবির মিয়া</p>
<p><strong>সোনারগাঁ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম</p>
<p><strong>রূপগঞ্জ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব</p>
<p><strong>আড়াইহাজার:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুল ইসলাম স্বপন</p>
<p><strong>কালিয়াকৈর:</strong> জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম আজাদ</p>
<p><strong>শ্রীপুর:</strong> প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসির ভাই জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামিল হাসান দুর্জয়</p>
<p><strong>রাজবাড়ী সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম নওয়াব আলী</p>
<p><strong>গোয়ালন্দ: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মুন্সী</p>
<p><strong>বালিয়াকান্দি:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হাকিম সাধন</p>
<p><strong>শিবালয়:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুর রহিম খান</p>
<p><strong>ঘিওর:</strong> জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান জনি</p>
<p><strong>দৌলতপুর:</strong> উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক এস এম শফিকুল ইসলাম</p>
<p><strong>নগরকান্দা:</strong> আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক কাজী শাহ্‌ জামান বাবুল</p>
<p><strong>সালথা:</strong> গোট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক ওয়াদুদ মাতুব্বর</p>
<p><strong>কালকিনি:</strong> তৌহিদুজ্জামান শাহীন</p>
<p><strong>শরীয়তপুর সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান আকন্দ উজ্জ্বল</p>
<p><strong>জাজিরা: </strong>জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইদ্রিস ফরাজী</p>
<p><strong>বেলাবো: </strong>আওয়ামী লীগ নেতা শমসের জামান ভূঁইয়া রিটন</p>
<p><strong>মনোহরদী:</strong> শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নজরুল মজিদ মাহমুদ স্বপন</p>
<p><strong>ভূঞাপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য নার্গিস বেগম</p>
<p><strong>কালিহাতী:</strong> কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আজাদ সিদ্দিকী</p>
<p><strong>ঘাটাইল: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আরিফ হোসেন</p>
<p><strong>লৌহজং:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বি এম শোয়েব</p>
<p><strong>টঙ্গিবাড়ী: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমিরুল ইসলাম হালদার</p>
<p><strong>কটিয়াদী:</strong> আওয়ামী লীগ নেতা মইনুজ্জামান অপু</p>
<p><strong>নিকলী: </strong>স্বতন্ত্র মোকাররম সরদার</p>
<p><strong>অষ্টগ্রাম:</strong> আওয়ামী লীগ নেতা এ এস মাসুক নাজিম</p>
<p><strong>কসবা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সাইদুর রহমান স্বপন</p>
<p><strong>আখাউড়া:</strong> উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক মনির হোসেন</p>
<p><strong>কুমিল্লা সদর দক্ষিণ:</strong> মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু</p>
<p><strong>বরুড়া:</strong> স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালক হামিদ লতিফ ভূঁইয়া</p>
<p><strong>চাঁদপুর সদর: </strong>উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সুমন</p>
<p><strong>শাহরাস্তি: </strong>আওয়ামী লীগ সমর্থক মকবুল হোসেন</p>
<p><strong>হাজীগঞ্জ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন</p>
<p><strong>রামগঞ্জ:</strong> উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ</p>
<p><strong>রায়পুর:</strong> অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ<span id="main-descirption" class="description description-y"></span></p>
<div class="news-paragraph">
<p><span class="description description-y"><strong>চাটখিল:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির</span></p>
<p><strong>সোনাইমুড়ী:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাবুল বাবু</p>
<p><strong>সেনবাগ:</strong> স্থানীয় সংসদ সদস্য মোর্শেদ আলমের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য সাইফুল আলম দিপু</p>
<p><strong>রাঙ্গুনিয়া: </strong>আবুল কাশেম চিশতি</p>
<p><strong>ফটিকছড়ি:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মুহুরী</p>
<p><strong>হাটহাজারী উত্তর: </strong>জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুস গণি চৌধুরী</p>
<p><strong>ঈদগাঁও:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তালেব</p>
<p><strong>চকরিয়া:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ফজলুল করিম সাইদি</p>
<p><strong>পেকুয়া:</strong> যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা সাফায়েত আজিজ রাজু</p>
<p><strong>খাগড়াছড়ি সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম</p>
<p><strong>দীঘিনালা: </strong>স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা</p>
<p><strong>পানছড়ি:</strong> ইউপিডিএফ (মূল) নেতা চন্দ্রদেব চাকমা</p>
<p><strong>কাপ্তাই:</strong> উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন</p>
<p><strong>বিলাইছড়ি:</strong> জেএসএস সমর্থিত প্রার্থী বীরোত্তম তংচংগ্যা</p>
<p><strong>রাজস্থলী:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উবাচ মারমা</p>
<p><strong>লামা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা জামাল</p>
<p><strong>নাইক্ষ্যংছড়ি:</strong> বিএনপির সাবেক নেতা তোফায়েল আহমেদ</p>
<p><strong>জয়পুরহাট সদর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান মিঠু</p>
<p><strong>পাঁচবিবি: </strong>স্বতন্ত্র সাবেকুন্নাহার শিখা</p>
<p><strong>দুপচাঁচিয়া:</strong> উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহমেদুর রহমান বিপ্লব</p>
<p><strong>আদমদীঘি:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রাজু</p>
<p><strong>কাহালু:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আল হাসিবুল হাসান সুরুজ</p>
<p><strong>শিবগঞ্জ:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম</p>
<p><strong>সাপাহার:</strong> উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহজাহান হোসেন মণ্ডল</p>
<p><strong>পোরশা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ মনজুর মোরশেদ</p>
<p><strong>নিয়ামতপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফরিদ আহমেদ</p>
<p><strong>পুঠিয়া: </strong>জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সামাদ</p>
<p><strong>বাগমারা:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকিরুল সান্টু</p>
<p><strong>দুর্গাপুর:</strong> উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ</p>
<p><strong>লালপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক শামীম আহমেদ সাগর</p>
<p><strong>বাগাতিপাড়া:</strong> বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা এস এম জাহাঙ্গীর</p>
<p><strong>উল্লাপাড়া:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিনা মির্জা</p>
<p><strong>তাড়াশ: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি</p>
<p><strong>চাটমোহর:</strong> আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা মির্জা রেজাউল করিম দুলাল</p>
<p><strong>ভাঙ্গুড়া:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনাইন রাসেল</p>
<p><strong>ফরিদপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খলিলুর রহমান সরকার</p>
<p><strong>গাংনী:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক</p>
<p><strong>কুমারখালী: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান খান</p>
<p><strong>ভেড়ামারা:</strong> পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা মুকুল</p>
<p><strong>মিরপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল হালিম</p>
<p><strong>দৌলতপুর:</strong> জেলা যুবলীগের সভাপতি বুলবুল আহমেদ টোকেন</p>
<p><strong>চুয়াডাঙ্গা সদর:</strong> জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দার</p>
<p><strong>আলমডাঙ্গা:</strong> সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কে এম মনজিলুর রহমান</p>
<p><strong>হরিণাকুণ্ডু:</strong> ব্যবসায়ী (আওয়ামী লীগে পদ নেই) সাইফুল ইসলাম টিপু</p>
<p><strong>শৈলকুপা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেজা মুন্নু</p>
<p><strong>চৌগাছা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম হাবিবুর রহমান</p>
<p><strong>ঝিকরগাছা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম</p>
<p><strong>শার্শা: </strong>উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন</p>
<p><strong>শালিখা: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল কুমার দে</p>
<p><strong>মহম্মদপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান</p>
<p><strong>নড়াইল সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আজিজুর রহমান ভূঁইয়া</p>
<p><strong>লোহাগড়া:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম ফয়জুল হক রোম</p>
<p><strong>ফকিরহাট: </strong>উপজেলা যুবলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি শেখ ওয়াহিদুজ্জামান বাবু</p>
<p><strong>মোল্লাহাট: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুল আলম ছানা</p>
<p><strong>চিতলমারী: </strong>আওয়ামী লীগ কর্মী আবু জাফর মো. আলমগীর হোসেন</p>
<p><strong>তেরখাদা: </strong>জেলা মৎস্যজীবী লীগের সহসভাপতি আবুল হাসান শেখ</p>
<p><strong>দীঘলিয়া:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা শেখ মারুফুল ইসলাম</p>
<p><strong>ফুলতলা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকরাম হোসেন</p>
<p><strong>তালা: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার</p>
<p><strong>দেবহাটা: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আল ফেরদাউস আলফা</p>
<p><strong>আশাশুনি:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মোস্তাকীম</p>
<p><strong>বোদা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আলম টবি</p>
<p><strong>দেবীগঞ্জ:</strong> শালডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মদন মোহন রায়</p>
<p><strong>ঠাকুরগাঁও সদর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোছারুল ইসলাম সরকার</p>
<p><strong>রাণীশংকৈল: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ হোসেন বিপ্লব</p>
<p><strong>সৈয়দপুর:</strong> বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ হাসান সরকার রানা</p>
<p><strong>কিশোরগঞ্জ: </strong>স্বতন্ত্র আবদুর রশিদ</p>
<p><strong>জলঢাকা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনসার আলী মিন্টু</p>
<p><strong>বিরল: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু</p>
<p><strong>কাহারোল: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ফারুক</p>
<p><strong>বীরগঞ্জ:</strong> কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আবু হোসাইন বিপু</p>
<p><strong>বোচাগঞ্জ: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আফসার আলী</p>
<p><strong>কালীগঞ্জ:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুজ্জামান আহমেদ</p>
<p><strong>আদিতমারী:</strong> আওয়ামী লীগের ইমরুল কায়েস ফারুক</p>
<p><strong>মিঠাপুকুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান কামরু</p>
<p><strong>পীরগঞ্জ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর মোহাম্মদ মণ্ডল</p>
<p><strong>রাজারহাট:</strong> রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহিদ ইকবাল সারওয়ার্দী বাপ্পী</p>
<p><strong>উলিপুর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাজাদুর রহমান সাজু</p>
<p><strong>কুড়িগ্রাম সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম রতন</p>
<p><strong>গোবিন্দগঞ্জ:</strong> উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল আলম</p>
<p><strong>গাইবান্ধা সদর: </strong>জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুজ্জামান রিংকু (এগিয়ে)</p>
<p><strong>হিজলা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ দিপু সিকদার</p>
<p><strong>মুলাদী:</strong> যুবলীগ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরউদ্দিন খসরু</p>
<p><strong>দশমিনা:</strong> উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন হাওলাদার</p>
<p><strong>গলাচিপা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ওয়ানা মার্জিয়া নিতু</p>
<p><strong>বাউফল:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোশারফ হোসেন খান</p>
<p><strong>কাউখালী: </strong>জাতীয় পার্টির (জেপি-মঞ্জু) পদত্যাগকারী উপজেলা সভাপতি আবু সাঈদ মিঞা মনু</p>
<p><strong>নেছারাবাদ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুল হক</p>
<p><strong>বরগুনা সদর: </strong>সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম</p>
<p><strong>বেতাগী:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান খান</p>
<p><strong>ঝালকাঠি সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান আরিফুর রহমান</p>
<p><strong>নলছিটি: </strong>স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সালাহ উদ্দিন খান সেলিম</p>
<p><strong>ভোলা সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুছ</p>
<p><strong>দৌলতখান:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মঞ্জুর আলম খান</p>
<p><strong>বোরহানউদ্দিন:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আলী আজম মুকুল এমপির ভগ্নীপতি জাফর উল্লাহ</p>
<p><strong>কোম্পানীগঞ্জ:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক মজির উদ্দিন</p>
<p><strong>জৈন্তাপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম লিয়াকত আলী</p>
<p><strong>গোয়াইনঘাট:</strong> জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শাহ আলম স্বপন</p>
<p><strong>ধর্মপাশা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহমেদ মুরাদ</p>
<p><strong>তাহিরপুর: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আফতাব উদ্দিন</p>
<p><strong>বিশ্বম্ভরপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তালুকদার</p>
<p><strong>জামালগঞ্জ:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম শামীম</p>
<p><strong>রাজনগর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহজাহান খান</p>
<p><strong>বাহুবল: </strong>স্বতন্ত্র আনোয়ার হোসাইন</p>
<p><strong>নবীগঞ্জ:</strong> উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চৌধুরী সেফু</p>
<p><strong>ময়মনসিংহ সদর: </strong>উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ</p>
<p><strong>মুক্তাগাছা:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই আকন্দ</p>
<p><strong>গৌরীপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা</p>
<p><strong>বকশীগঞ্জ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নজরুল ইসলাম সাত্তার</p>
<p><strong>দেওয়ানগঞ্জ:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ</p>
<p><strong>ইসলামপুর:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম</p>
<p><strong>নালিতাবাড়ী:</strong> উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন</p>
<p><strong>নকলা:</strong> পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সোহাগ</p>
<p><strong>নেত্রকোনা সদর:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান খান অভ্র</p>
<p><strong>পূর্বধলা:</strong> জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য এ টি এম ফয়জুর সিরাজ জুয়েল</p>
<p><strong>বারহাট্টা: </strong>উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাখাওয়াত হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<h2>প্রথম ধাপে চেয়ারম্যান হলেন যারা :</h2>
<p style="text-align: justify;">সারা দেশের ১৩৯টি উপজেলায় ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটের ফলাফল পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এসব উপজেলায় ভোট নেওয়া হয়। পরে রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল ঘোষণা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার কিছু উপজেলায় ‘বিচ্ছিন্ন’ কিছু ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নে উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট হয়েছে সারা দেশে। কোথাও বড় ধরনের সংঘাত বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ অবস্থায় সন্ধ্যার পর থেকেই ফলাফল ঘোষণা করতে থাকেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বিভিন্ন জেলা থেকে সারাবাংলার ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্টদের পাঠানো খবর—</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">ফেনী</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ফুলগাজীতে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন মজুমদার (কাপ-পিরিজ) ২৭ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. জাফর উল্ল্যাহ ভূইয়া (চিংড়ি মাছ) পেয়েছেন ৭৭৫ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">হবিগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">বানিয়াচংয়ে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান আনারস প্রতীকে ৪২ হাজার ৪৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী (মোটরসাইকেল) প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৮০৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">আজমিরীগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে মো. আলা উদ্দিন কাপ-পিরিচ প্রতীকে ১৫ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলী আমজাদ তালুকদার পেয়েছেন ১২ হাজার ৫০৩ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">মুন্সীগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">গজারিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ ৪৪ হাজার ৫৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২৩ হাজার ৫৬৯ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">ফরিদপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">মধুখালীতে চেয়ারম্যান পদে মধুখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদুজ্জামান মুরাদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ২৯ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আহসানুজ্জামান আজাউল ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৮৫ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">সদরে চেয়ারম্যান পদে কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামচুল আলম চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৩১ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হাসান টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">চরভদ্রাসনে চেয়ারম্যান পদে চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার আলী আনারস প্রতীকে ১৬ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিজাম উদ্দিন টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৫৪ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">চাঁদপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">মতলব দক্ষিণে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যাপক সিরাজুল মোস্তফা তালকুদার চেয়ারম্যান পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৬ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের সৈয়দ মনজুর হোসেন পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">মতলব উত্তরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ মানিক ঘোড়া প্রতীকে ৩৩ হাজার ৭০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের মুক্তার হোসেন পেয়েছেন ২০ হাজার ৯২ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">মাগুরা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">মাগুরা সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা আমির ওসমান মোটরসাইকেল প্রতীকে ৮৩ হাজার ৪৭১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ মো. রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৬৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ কর্মী শরিয়ত উল্লাহ হোসেন মিয়া মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মুস্তাসিম বিল্লাহ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৩১ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">নারায়ণগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">বন্দর উপজেলায় জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেন আনারস প্রতীকে ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন ৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৪ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">নোয়াখালী</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সুবর্ণচর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম এ খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৫ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">কুষ্টিয়া</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কুষ্টিয়া সদরে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের চাচাতো ভাই কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা আনারস প্রতীকে ৬৭ হাজার ৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু আহাদ আল মামুন ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৬।</p>
<p style="text-align: justify;">খোকসায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল মাসুম মোর্শেদ শান্ত ঘোড়া প্রতীকে ২৫ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান বাবুল আকতার মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৭৬২ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">দিনাজপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">হাকিমপুরে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মো. কামাল হোসেন রাজ ২২ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মো. হারুন উর রশিদ ভোট পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৭৮ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘোড়াঘাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শুভ রহমান চৌধুরী ২৮ হাজার ৬৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি সারওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৮৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">বিরামপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পারভেজ কবীর ৪২ হাজার ৯৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা মো. মতিউর রহমান ভোট পেয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৭।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">রাঙ্গামাটি</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সদর উপজেলায় জেএসএসের (সন্তু লারমা) অন্ন সাধন চাকমা ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব চাকমা ১০ হাজার ২৯ পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কাউখালীতে ফের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সামশুদ্দোহা চৌধুরী। ভোট পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৯৩। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেএসএসের মং সুই ইউ চৌধুরী পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৭৭ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">বরকলে চেয়ারম্যান পদে ফের জেএসএসের বিধান চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াল-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৩২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৭ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">বান্দরবান</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সদরে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল কুদ্দুছ মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৯ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">আলীকদম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জামাল উদ্দীন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৯ হাজার ৭০০ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবুল কালাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫১৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">শেরপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৮ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ ফারুক মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">শ্রীবরদীতে উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৫ হাজার ১২৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছালাহ উদ্দিন ছালেম কই মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ১০ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">রাজবাড়ী</span></h3>
<p style="text-align: justify;">পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম বুড়ো মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫৪ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৯২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">কালুখালীতে ফের উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আলিউজ্জান টিটো আনারস প্রতীকে ২১ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৭ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">নওগাঁ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ধামইরহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আজাহার আলী মণ্ডল ৪৬ হাজার ৮৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মো. ওসমান আলী পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৭৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">বদলগাছিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক শামসুল আলম খান কৈ মাছ প্রতীকে ২১ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু খালিদ বুলু কাপ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ২৬৭ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">পত্নীতলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬২ হাজার ৭৮৮ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল খালেক চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৫৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">বগুড়া</span></h3>
<p style="text-align: justify;">গাবতলীতে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য অরুণ কান্তি রায় সিটন ৪১ হাজার ৬০৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী রফি নেওয়াজ খান রবিন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৭৫২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">সারিয়াকান্দিতে আনারস প্রতীকের প্রার্থী বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সজল ৩৭ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম মন্টু পেয়েছেন ৬ হাজার ১৫৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">সোনাতলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানের ছোট ভাই মিনহাদুজ্জামান লিটন আনারস প্রতীকে ২০ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে ফের বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জাকির হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৪৫ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">বরিশাল</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সদর উপজেলায় চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির বরিশাল আঞ্চলিক কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল মালেক কাপ-পিরিচ প্রতীকে ১৯ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী এস এম জাকির হোসেন পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪১৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">বাকেরগঞ্জে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক রাজিব আহম্মদ তালুকদার ৩৮ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৯৪ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">নরসিংদী</span></h3>
<p style="text-align: justify;">নরসিংদী সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৭২ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সদর থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বাকির আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৯১৫ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">পলাশে তৃতীয়বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জাবেদ হোসেন। কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়াশাল পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শরীফুল হক দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৮ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">কুমিল্লা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">মনোহরগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আবদুল মান্নান চৌধুরী। তিনি ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন পেয়েছেন ১১ হাজার ৬১২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">লাকসামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউনুছ ভুঁইয়া আনারস প্রতীকে ৮১ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে ফের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা জাসদের সভাপতি বিকাশ চন্দ্র সাহা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৪৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">মেঘনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজ আনারস প্রতীকে ১৮ হাজার ৭০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মো. রমিজ উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ২১০ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">বাগেরহাট</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কচুয়ায় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. মেহেদি হাসান বাবু দোয়াত-কলম প্রতীকে ২৬ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৭৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">রামপালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন আনারস প্রতীক ২৪ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সদস্য এস এম জামিল হাসান ২৩ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়েছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">নেত্রকোনা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কলমাকান্দায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস বাবুল দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩২ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান চয়ন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৩৭৭ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">দুর্গাপুরে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান নীরা ওরফে সাদ্দাম আকঞ্জি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমান কৈ মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ১৪২ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">যশোর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">মনিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আমজাদ হোসেন লাভলু আনারস প্রতীকে ৬৯ হাজার ২৭৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ৭১৮ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">কেশবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক মফিজুর রহমান ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১৮ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শালিক প্রতীকের নাসিমা আকতার সাদেক পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">লালমনিরহাট</span></h3>
<p style="text-align: justify;">পাটগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন বাবুল আনারস প্রতীকে ৫৬ হাজার ১৪৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াজেদুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩৫ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">হাতীবান্ধায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চু কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩৪ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৫৭ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">সুনামগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">শাল্লায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস ঘোড়া প্রতীকে ২৪ হাজার ৩৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি গনেন্দ্র চন্দ্র সরকার আনারস প্রতীকে ১৫ হাজার ৬৫৮ ভোট পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দিরাইয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায়। তিনি দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩০ হাজার ৪৫২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রঞ্জন কুমার রায় পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৩৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">মাদারীপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সদর উপজেলায় যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিবুর রহমান খান (সাবেক নৌ পরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খানের ছেলে) ৭৫ হাজার ৫৯৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান (শাজাহান খানের চাচাতো ভাই) পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩০৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজৈরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহসিন মিয়া ৪৩ হাজার ৭৪১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহীন চৌধুরী পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫৫৪ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">জয়পুরহাট</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কালাইয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনফুজুর রহমান মিলন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ৪৫৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম তালুকদার বেলাল আনারস প্রতীকের পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৪৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">ক্ষেতলালে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দুলাল মিয়া সরদার দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩০ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা তাইফুল ইসলাম তালুকদার পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০১ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">আক্কেলপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোকসেদ আলী মণ্ডল মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রমৈত্রীর সাবেক নেতা সরদার নুরুন্নবী আরিফ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ১২৫ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">কিশোরগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কিশোরগঞ্জ সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আওলাদ হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৫ হাজার ৪১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮৪৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">হোসেনপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ সোহেল ২৩ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হালিম হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ১৭৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">পাকুন্দিয়ায় পাটুয়াভাঙ্গা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদুল হক জুটন আনারস প্রতীকে ২৮ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়াম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৭৯১ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">ময়মনসিংহ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ফুলপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান আনারস প্রতীকে ৪৯ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম রাসেল ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ২১৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">ধোবাউড়ায় আনারস প্রতীক নিয়ে ২৮ হাজার ৬২৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ডেভিড রানা চিসিম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আকন্দ সাগর ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ৩৪৮ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">হালুয়াঘাটে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ আবদুল হামিদ আনাসর প্রতীকে ৩৪ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">চুয়াডাঙ্গা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">জীবননগরে যুবলীগ নেতা হাফিজুর রহমান কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩৩ হাজার ৫৩ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা এস কে লিটন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬১৭ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">দামুড়হুদায় আওয়ামী লীগ নেতা আলী মুনছুর বাবু আনারস প্রতীকে ৪৯ হাজার ৯৫২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা এস এ এম জাকারিয়া আলম মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫৩০ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">গাইবান্ধা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">ফুলছড়িতে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আবু সাঈদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩০ হাজার ৪৯৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম সেলিম পারভেজ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">গাজীপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">গাজীপুর সদরে জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান ইজাদুর রহমান মিলন ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৯৬৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রীনা পারভীন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ২০৮ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">কাপাসিয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৫ হাজার ৯২৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন আহমেদ সেলিম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪০ হাজার ২২৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">কালীগঞ্জে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন স্বপন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৩ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। নিকটতম প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফী মেহেদী হাসান দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৫৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">গোপালগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কোটালীপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪০ হাজার ২৭১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুজিবুর রহমান হাওলাদার চিংড়ি প্রতীক পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৮২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪০ হাজার ৭৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মাসুদুল হক মাসুদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৫১ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">জামালপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">জামালপুর সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬৪ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাপ-পিরিচ প্রতীকের অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান স্বপন পেয়েছেন ৬১ হাজার ৪১৯ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">সিরাজগঞ্জ</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কাজিপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান সিরাজী ৪৫ হাজার ২৩৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আশরাফুল আলম পেয়েছেন ২৫ হাজার ৬০৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ সদরে ৪৭ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রাশেদ ইউসুফ জুয়েল পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৯৮৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">বেলকুচিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম ৫৪ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বদিউজ্জামান ফকির পেয়েছে ৪৯ হাজার ৩৫৭ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">সিলেট</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সিলেট সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সুজাত আলী রফিক কাপ-পিরিচ প্রতীকে ২৩ হাজার ২৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা মো. সামসুল ইসলাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৮৬৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">দক্ষিণ সুরমায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বদরুল ইসলাম টেলিফোন প্রতীকে ২০ হাজার ৬১৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">গোলাপগঞ্জে জয় পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান দোয়াত কলমের প্রার্থী মঞ্জুর কাদির শাফি এলিম। তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্বনাথে সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরী কাপ-পিরিচ প্রতীকে ১৩ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">ব্রাহ্মণবাড়িয়া</span></h3>
<p style="text-align: justify;">নাসিরনগরে চেয়ারম্যান পদে নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রোমা আক্তার ঘোড়া প্রতীকে ৩৩ হাজার ৯০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ওমরাও খান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৩৮০ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">সরাইলে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শের আল মিয়া মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৯ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও বর্তমান চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর পেয়েছেন ২৮ হাজার ৯৪৪ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">পিরোজপুর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">পিরোজপুর সদরে চেয়ারম্যান পদে জয়ী এস এম বায়জিত হোসেন দোয়াত কলম মার্কায় ৩৪ হাজার ৭৩৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিউল হক মিঠু আনারস মার্কায় পেয়েছে ৩ হাজার ৬০৭ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">নাজিরপুরে এস এম নূরে আলম সিদ্দিকী শাহীন দোয়াত কলম মার্কায় ১৯ হাজার ২৭২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মাদ আলী শিকদার ঘোড়া মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ২৯৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">ইন্দুরকানীতে জিয়াউল আহসান গাজী আনারস মার্কায় ১১ হাজার ২০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফোইজুল কবির তালকুদার দোয়াত কলম মার্কা নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৪৩ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">রাজশাহী</span></h3>
<p style="text-align: justify;">তানোরে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৪৬ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৯ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">গোদাগাড়ীতে উপজেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সোহেল দোয়াত কলম প্রতীকে ৬৭ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়াম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম কাপ পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩২৮ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">ঠাকুরগাঁও</span></h3>
<p style="text-align: justify;">বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৬৩ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">হরিপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম পুষ্প মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩২ হাজার ৭৮৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাপ-পিরিচ প্রতীকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল হাসান মুকুল পেয়েছেন ১৯ হাজার ৬৯৯ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">কক্সবাজার</span></h3>
<p style="text-align: justify;">কক্সবাজার সদরে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান নুরুল আবছার মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৪ হাজার ৯৭৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫৫ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">মহেশখালীতে মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৮ হাজার ১২৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাবিব উল্লাহ ফেজ টুপি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮৫৯ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">কুতুবদিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিস্টার হানিফ বিন কাশেম ঘোড়া প্রতীকে ২৭ হাজার ৩৯৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আছহাব উদ্দিন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫২২ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">কুড়িগ্রাম</span></h3>
<p style="text-align: justify;">রৌমারীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম শালু কাপ-পিরিচ প্রতীকে ২৪ হাজার ৫০৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ২৫৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">চিলমারীতে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুকনুজ্জামান শাহিন আনারস প্রতীকে ২৮ হাজার ১৯৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম লিচু কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৮৪ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">রাজিবপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. শফিউল আলম আনারস প্রতীকে ১৭ হাজার ৭৪৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরিফুর রনি তালুকদার রানা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৩৮৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">পাবনা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সাঁথিয়ায় বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা খোকন কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩৮ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আশরাফুজ্জামান টুটুল আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৭১২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">সুজানগরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুজানগর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল ওহাব মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬২ হাজার ৭৫২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহীন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৪৪২ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">বেড়ায় আমিনপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক বাবু হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৯ হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭৬৬ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">মৌলভীবাজার</span></h3>
<p style="text-align: justify;">বড়লেখায় মো. আজির উদ্দিন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩২ হাজার ৯১৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">জুড়িতে আওয়ামী লীগ নেতা কিশোর রায় চৌধুরী মনি কাপ-পিরিচ প্রতীকে ১৯ হাজার ৯১৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কুলাউড়ায় কুলাউড়া উপজেলা আল ইসলাহর সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক খান সাহেদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৭ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">নাটোর</span></h3>
<p style="text-align: justify;">সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান ৩৪ হাজার ৭৯৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াজুল ইসলাম মাসুম পেয়েছেন ৩১ হাজার ৮৫৩ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">নলডাঙ্গায় জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম জোড়াফুল প্রতীকে ১১ হাজার ২৪০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. তৌহিদুর রহমান পেয়েছেন ১০ হাজার ৭১৭ ভোট।</p>
<h3 style="text-align: justify;"><span style="color: #0000ff;">ঢাকা</span></h3>
<p style="text-align: justify;">দোহারে আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলমগীর হোসেন আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ৫৫৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মেহবুব কবির মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৪৬ ভোট।</p>
<p style="text-align: justify;">নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু আনারস প্রতীকে ৪১ হাজার ৪২১ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মোহাম্মদ বাবুল মিয়া ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ১৬ ভোট।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/11/Bd-Pratidin-11-03-24-F-11.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>‘ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক’</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/120255/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/120255/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 May 2024 08:10:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=120255</guid>

					<description><![CDATA[নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে ভারতের একতরফা নিজেদের অনুকূলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৬ মে ঐতিহাসিক ’ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৫ মে) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে ভারতের একতরফা নিজেদের অনুকূলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>
<p style="text-align: justify;">১৬ মে ঐতিহাসিক ’ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৫ মে) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন নদীর পানি একতরফা প্রত্যাহার শুরু করা হয়। যার ফলে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল আজ প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় পানিসহ নানাবিধ প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত মানকে বিবেচনা না করে এবং প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে ভারতকে কয়েক দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। কিন্তু সেই বাঁধ অব্যাহতভাবে আজ পর্যন্ত চালু আছে। এই বাঁধ এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে এ দেশের জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘এই বঞ্চনা ও দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জনদুর্দশার আশঙ্কায় প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী জনগণকে সাথে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিল করে ভারত সরকারের নিকট প্রতিবাদ করেন এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের নিকট বিষয়টি তুলে ধরেন। তখন থেকে মানববিপর্যয় সৃষ্টিকারী ফারাক্কা বাঁধের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচিত হতে থাকে।’</p>
<p style="text-align: justify;">মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি মনে করি আজও ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণে নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্ত করে একতরফা নিজেদের অনুকুলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/120255/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://dailyinqilab.com/mediaStorage/content/images/2024March/500-321-inqilab-white-20240309225027.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>মার্কিন স্যাংশন-ভিসানীতি সরকার কেয়ার করে না: সেতুমন্ত্রী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/253809/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 May 2024 06:05:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=253809</guid>

					<description><![CDATA[সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মার্কিন সরকারের দেওয়া স্যাংশন ও ভিসানীতি সরকার কেয়ার করেনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু নিজেদের এজেন্ডা নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। তাকে সরকার দাওয়াত দিয়ে আনেনি। মঙ্গলবার (১৪ মে) সচিবালয়ে ডোনাল্ড লু’র বাংলাদেশ সফর নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সেতুমন্ত্রী একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘তিনি (ডোনাল্ড লু) একটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মার্কিন সরকারের দেওয়া স্যাংশন ও ভিসানীতি সরকার কেয়ার করেনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু নিজেদের এজেন্ডা নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। তাকে সরকার দাওয়াত দিয়ে আনেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মঙ্গলবার (১৪ মে) সচিবালয়ে ডোনাল্ড লু’র বাংলাদেশ সফর নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সেতুমন্ত্রী একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘তিনি (ডোনাল্ড লু) একটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও না। একজন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে এত মাতামাতি কেন? নিজেদের প্রয়োজনে তিনি এসেছেন। সম্পর্ক যখন থাকে, সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকে। সেজন্যই এসেছেন, আমরা কাউকে দাওয়াত করে আনছি না।’</p>
<p style="text-align: justify;">নির্বাচনের আগেও ডোনাল্ড লু এসেছিলেন। তখন মার্কিন ভিসানীতি ও স্যাংশনের বিষয় ছিল। এখন আবার আসলেন— এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের স্যাংশন ও ভিসানীতি কেয়ার করি না।’</p>
<p style="text-align: justify;">ভারত ও শ্রীলংকা হয়ে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীলংকান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটিই বাইডেন প্রশাসনের কোনো উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তার প্রথম ঢাকা সফর।</p>
<h3>আমেরিকা কে কাদেরের হুমকি : ভিসা নীতি আমরাও করতে পারি</h3>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মার্কিন ভিসানীতিতে তারা বলছে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে যারা বাধা দেবে তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হবে ভিসা নীতি। এই নীতি এখন অন্ধ-বধির হয়ে থাকবে? নাকি বাস্তববাদী হবে আমরা দেখব। ভিসা নীতি করুক তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। ভিসা নীতি আমাদেরও থাকতে পারে। আমরাও করতে পারি। অপেক্ষায় থাকুন।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (১৭ জুন) দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিআরটি প্রকল্পের সাড়ে চার কিলোমিটার নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপি নির্বাচন করতে দেবে না- এমন ঘোষণাপর পরও মার্কিন ভিসা নীতির প্রয়োগ কীভাবে হয় তাই এখন দেখার বিষয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুর্নীতি, দুঃশাসন বললেই বিএনপির নাম বলতে হবে। যারা দুর্নীতি, দুঃশাসন করে তারা কোন মুখে এত বেশি কথা বলছে জানি না।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘সরকার থাকতে পারবে না, বিদায় নিতে বিএনপির আন্দোলনে’ এমন কথা ১৪ বছর ধরে শুনে আসছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই ১৪ বছরে তাদের নেত্রীর মুক্তির জন্য দৃশ্যমান কোনো আন্দোলন তারা করতে পারেনি, আর তারা সরকারের বিদায় করবে আন্দোলন করে?’</p>
<p style="text-align: justify;">জামালপুরে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘হত্যার সঙ্গে জড়িত হলে ওই ব্যক্তির (চেয়ারম্যান বাবু) বিচার হবে। চার্জশিট হলে আওয়ামী লীগে তিনি আর কোনো পদে থাকতে পারবেন না।’</p>
<p style="text-align: justify;">মন্ত্রী এ সময় বিআরটি প্রকল্প নিয়ে বলেন, ‘সময়ের বিবেচনায় দীর্ঘসূত্রিকায় চলে গেছে এ প্রকল্পটি। হবে কি হবে না- এরকম একটা দ্বিধা-সংশয় কাজ করেছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">গাজীপুরে এই সড়কের মতো প্রকল্প চিন্তা করার আগে আরও গভীরভাবে ভেবেচিন্তে প্রকল্প নিলে ভালো হতো। এখানে সম্প্রসারণের প্রস্তাব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে এখানে আমাদের যে রাস্তা তাতে ভোগান্তি বাড়াবে, দুর্ভোগে পড়বে-যেটা গোটা রাজধানীতে প্রভাব ফেলবে। আমাদের বিকল্প বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের রাস্তা করেছি। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নিরাপদ সড়কের জন্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সার্বিক বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি দরকার শৃঙ্খলা, পরিবহনে শৃঙ্খলা। এটি একটি চ্যালেঞ্জ। এটি অতিক্রম করতে হবে। আগামী সেপ্টেম্বর অক্টোবর নাগাদ পুরো প্রকল্প সমাপ্ত করে উদ্বোধনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া আগামী নির্বাচনের আগে তেজগাঁও পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করতে পারব। সেপ্টেম্বর অক্টোবরের মধ্যে মেট্রোরেল মতিঝিল পর্যন্ত করতে পারব। এর মধ্যে টানেল প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলে টানেল উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত।’</p>
<p style="text-align: justify;">মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একদিনে শত সেতুর উদ্বোধন করেছি। আরও একশ সেতু করব তার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, সেতু বিভাগের সচিব মনজুর হোসেন সহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.dhakatimes24.com/assets/news_photos/2023/06/10/image-312726.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/274362/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 May 2024 04:00:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=274362</guid>

					<description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে তার সাম্প্রতিক থাইল্যান্ড সফরের ফলাফল সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিং করবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ‘বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’ থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ২৯ এপ্রিল ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে তার সাম্প্রতিক থাইল্যান্ড সফরের ফলাফল সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিং করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ‘বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ২৯ এপ্রিল ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভর্নমেন্ট হাউসে (থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) থাই প্রধানমন্ত্রী শ্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুই নেতার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ভিসা অব্যাহতি, জ্বালানি সহযোগিতা, পর্যটন ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয় এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আলোচনার বিষয়ে পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক নথি সই হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুসিত প্রাসাদের অ্যামফোর্ন সাথার্ন থ্রোন হলে থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ফ্রা ভাজিরা-ক্লাওচা-উয়ুয়া এবং রাণী সুথিদা বজ্রসুধা-বিমলা-লক্ষণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়াও, তিনি ব্যাংককের জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসক্যাপ)৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। সূত্র: এনটিভি অনলাইন</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.newsbangla24.com/home/newogwithwatermark/221237/2023/02/28/pm-ok_-_Copy.jpg?v=112104" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার প্রকাশ্যে শটগান নিয়ে হুমকিতে তোলপাড়</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/32875/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/32875/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Apr 2024 04:00:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[হত্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=32875</guid>

					<description><![CDATA[গাজীপুর সিটি করপোরেশনের দেশীপাড়া এলাকায় এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পরিচয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিপক্ষকে জমির খুঁটি তুলে ফেলার জন্য হুমকি দিয়েছেন রাশেদুজ্জামান মাসুম। তিনি নিজেকে নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি প্রার্থী বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং অস্ত্রেরও লাইসেন্স আছে বলে দাবি করেছেন। ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ জানান, দেশীপাড়া মৌজায় তার নানার কাছ থেকে ওয়ারিশ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">গাজীপুর সিটি করপোরেশনের দেশীপাড়া এলাকায় এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পরিচয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিপক্ষকে জমির খুঁটি তুলে ফেলার জন্য হুমকি দিয়েছেন রাশেদুজ্জামান মাসুম। তিনি নিজেকে নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি প্রার্থী বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং অস্ত্রেরও লাইসেন্স আছে বলে দাবি করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ জানান, দেশীপাড়া মৌজায় তার নানার কাছ থেকে ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১ একর ৪২ শতাংশ জমি রাশেদুজ্জামান মাসুম ও তার পরিবারের লোকজন অন্যায়ভাবে দখল করে রেখেছেন। এ বিষয়ে আগে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও মাসুম গং তাতে কর্ণপাত করেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">এমতাবস্থায় তারা গাজীপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে বিবিধ মিস মোকদ্দমা করে সম্প্রতি রায় পান। সে অনুযায়ী গত শনিবার সকালে তিনি পরিবারের লোকজন নিয়ে সার্ভেয়ার দ্বারা ওই জমি মেপে খুঁটি পুঁততে গেলে রাশেদুজ্জামান মাসুমসহ তার লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় বাধা দেন। তারা শটগান উঁচিয়ে জমিতে পোঁতা খুঁটি তুলে ফেলতে এবং জমি থেকে চলে যেতে বলেন। মাসুম শটগান দিয়ে গুলি করারও হুমকি দেন। হারুন অর রশিদ জানান, একপর্যায়ে তাকে ওই জমি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এ ব্যাপারে রাশেদুজ্জামান মাসুম বলেন, ‘আমি পৈতৃক ওয়ারিশমূলে ওই জমির মালিক। আমার নিরাপত্তার জন্য লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে করে আমি ওইখানে গেছি। তবে হারুনকে আমি গুলি করার কোনো হুমকি দেইনি।’ মাসুম দাবি করেন, তার ১২ বোরের শটগানটির লাইসেন্স আছে। তিনি নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি প্রার্থী বলেও জানান। এ বিষয়ে গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সঞ্জিত কুমার মল্লিক বাবু বলেন, ‘গাজীপুর মহানগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই কমিটিতে রাশেদুজ্জামান মাসুম নামে কেউ নেই। তিনি আমাদের সংগঠনের কেউ না, সাধারণ সদস্যও না। তাকে আমি চিনিও না। তার দাবি মিথ্যা ও বানোয়াট। সাংগঠনিকভাবে এ ধরনের মানুষের কোনো দায়ভার আমরা নেব না। সংগঠনের কেউ না হয়েও সে যদি নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ রাফিউল করীম বলেন, শটগান নিয়ে জমি মাপার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি আমার নজরেও এসেছে। এরপর গতকাল ওই অস্ত্র সিজ (জব্দ) করেছি। লাইসেন্স বাতিলের জন্য আমরা লিখব। তিনি আরও জানান, হারুন অর রশিদ পক্ষের কাছ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<h3>আওয়ামী লীগ নেতাকে যৌন নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতে হত্যা</h3>
<p style="text-align: justify;">নিজের ওপর যৌন নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতে আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিনকে হত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন অভিযুক্ত যুবক আশরাফুল ইসলাম (২০)। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দীন হত্যার রহস্য উন্মোচনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিনের সঙ্গে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে পরিচয় হয় আশরাফুল ইসলামের। গত রবিবার বিকেলে বড় বাজার থেকে দেশীয় মদ ও পেয়ারা কিনে হলিডে মোড়ের হোটেল সানমুনের ২০৮ নম্বর কক্ষে ওঠেন তারা। সেখানে দেশীয় মদ ও পেয়ারা খাইয়ে মাদ্রাসাছাত্র আশরাফুলকে একপর্যায়ে যৌন নির্যাতন করেন সাইফুদ্দিন। যৌন নির্যাতনের ঘটনা নিজের মোবাইলে ভিডিও করেন সাইফুদ্দিন। পরে মোটরসাইকেলে করে তাকে গোলদিঘির পাড়ে নামিয়ে ১০০ টাকা দিয়ে চলে যেতে বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এর এক ঘণ্টা পর সাইফুদ্দিন আবারও ফোন করে আশরাফুলকে হোটেলে ডাকেন। সেখানে আবারও তাকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন সাইফুদ্দিন। তখন যৌন নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতে প্রথমে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে এবং পরে ছুরিকাঘাতে সাইফুদ্দিনকে হত্যা করেন আশরাফুল ইসলাম।  ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় টেকনাফের হোয়াইক্যং থেকে আশরাফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, সোমবার (২১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে টেকনাফ হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির চেকপোস্টে পালকি নামে একটি বাস থেকে আশরাফুল ইসলামকে আটক করা হয়। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার মোহাম্মদ হাশেম মাঝির ছেলে। তিনি ওই এলাকার ওয়ামি একাডেমি নামে একটি মাদ্রাসার ছাত্র। নিহত সাইফুদ্দিন কক্সবাজার শহরের ঘোনারপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত আনসার কমান্ডার আবুল বশরের ছেলে। তিনি কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার (২১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার শহরের আবাসিক হোটেল সানমুনের ২০৮ নম্বর কক্ষ থেকে দুই হাত বাঁধা অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রবিবার (২০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাদা পাঞ্জাবি ও মাস্ক পরিহিত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে হোটেলটিতে গিয়েছিলেন সাইফুদ্দিন। রাত ৮টা ১০ মিনিটের পর ওই যুবক চলে যান। হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি দেখা গেছে। ঘটনার পর ওই যুবকের পরিচয় জানতে উদগ্রীব হয়ে পড়েন পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা। তাকে শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। পরে সোমবার রাতে তাকে আটক করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/32875/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/04/22/Bd-Pratidin-22-04-24-F-23.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : এবার ৪৮১ উপজেলায় ভোট?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/394540/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 Mar 2024 06:04:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[উপজেলা পরিষদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সিইসি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=394540</guid>

					<description><![CDATA[সংসদ নির্বাচনের দুই মাসের মাথায় উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এবার দেশের ৪৮১টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা নিয়ে কাল আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত এলে কাল এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। এর আগে চার ধাপে ভোটের সময় জানালেও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সংসদ নির্বাচনের দুই মাসের মাথায় উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এবার দেশের ৪৮১টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা নিয়ে কাল আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।</p>
<p style="text-align: justify;">কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত এলে কাল এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। এর আগে চার ধাপে ভোটের সময় জানালেও তফসিল দেয়নি সংস্থাটি। আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে আইন-বিধি সংশোধনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে সাংবিধানিক এ সংস্থাটি। তবে তফসিল ঘোষণার আগেই আইন-বিধি সংশোধন হবে কি না; তা নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কেউ বলছেন, আইন-বিধির সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ না করে তফসিল ঘোষণা করলেও নতুন আইন-বিধি প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না। আবার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কাল তফসিল ঘোষণা হলে কোন আইন-বিধির আলোকে নির্বাচনি কার্যক্রম চলবে?</p>
<p style="text-align: justify;">ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসির সভাকক্ষে কাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নির্বাচন কমিশনের ২৯তম সভা অনুষ্ঠিত হবে। কমিশন সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল সভাপতিত্ব করবেন। সভার আলোচ্যসূচিতে দুটি বিষয় রাখা হয়েছে। একটি হচ্ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সংক্রান্ত। অন্যটি বিবিধ।</p>
<p style="text-align: justify;">সম্প্রতি ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে কমিশন চার ধাপে নির্বাচনের কথা বলেছে উপজেলায়। তফসিল দিতে ৪০ থেকে ৪২ দিন সময় লাগে। ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৪ মে প্রথম ধাপে ১৫৩টি, ১১ মে দ্বিতীয় ধাপে ১৬৫টি, ১৮ মে তৃতীয় ধাপে ১১১টি ও চতুর্থ ধাপে ২৫ মে ৫২টি; মোট ৪৮১টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে। দেশে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা নিয়ে দোটানায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন। কোন ধাপে কোন উপজেলায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ হবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সাংবিধানিক এ সংস্থাটি। এ নির্বাচনে অধিকাংশ উপজেলায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা নিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যেও মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। আবার অনেক প্রার্থী ইসির কাছে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আবার অনেকেই উপজেলা নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবিও জানিয়েছেন। ইসির একজন কর্মকর্তা বলেছেন, তফসিল ঘোষণার সময় কোন উপজেলায় ইভিএম এবং কোন উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোট গ্রহণ হবে সেই তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। তবে যেখানেই ব্যালটে ভোট হবে, সেই উপজেলার ভোট কেন্দ্রে সকালে যাবে ব্যালট পেপার।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসি সূত্র জানিয়েছে, ইসির হাতে এখন দেড় লাখ ইভিএম আছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার ইভিএম অকেজো। সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬০-৭০ আসনে ব্যবহারের জন্য ইভিএমগুলো প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করেনি ইসি।</p>
<p style="text-align: justify;">একটি সূত্র জানিয়েছে, ইসির প্রাথমিক চিন্তায় রয়েছে একই জেলায় ইভিএম এবং ব্যালটে ভোট না করার বিষয়টি। যে জেলায় যে ধাপে ইভিএম হবে, সেই জেলায় সব উপজেলায় ইভিএম। আবার যে জেলায় যে ধাপে ব্যালটে ভোট হবে এক্ষেত্রে ওই ধাপে ওই জেলার সব উপজেলায় ব্যালট পেপারে ভোট হবে। এজন্য সকালে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পাঠানো হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশে ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ রয়েছে। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ১০ মার্চ। পাঁচ ধাপের ওই ভোট শেষ হয় গত জুনে। আইন অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের মেয়াদ শুরু হয় প্রথম সভার দিন থেকে। পরবর্তী পাঁচ বছর নির্বাচিত পরিষদ দায়িত্ব পালন করে। মেয়াদপূর্তির আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">উপজেলা ভোট প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু আজ : আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ (টিওটি) আজ থেকে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) দুই দিনব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। ইটিআই মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রথম ব্যাচের এই প্রশিক্ষণে ২৬ উপজেলা কর্মকর্তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">দলীয় প্রতীক : ২০১৫ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংশোধন করে দলীয় প্রতীকে ভোটের বিষয়টি যুক্ত করা হয়। আর ২০১৭ সালের মার্চে প্রথমবার তিন উপজেলায় দলীয় প্রতীকে ভোট হয়। ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান পদ বাদে বাকি দুটি পদ উন্মুক্ত রাখে। এবার উপজেলায় নৌকা প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/11/Bd-Pratidin-11-03-24-F-11.jpg?ti=1710095517" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে জিতল যারা?</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/58911/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/58911/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 Mar 2024 04:00:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=58911</guid>

					<description><![CDATA[সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (২০২৪-২০২৫) নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে সভাপতিসহ চারটি পদে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল। অপরদিকে সম্পাদকসহ ১০টি পদে বিজয়ী হয়েছে সরকার সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ। শনিবার (৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় ভোট গণনা শুরু হয়ে দিবাগত রাত ১টার দিকে গণনা শেষ হয়। এরপর নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (২০২৪-২০২৫) নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে সভাপতিসহ চারটি পদে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল। অপরদিকে সম্পাদকসহ ১০টি পদে বিজয়ী হয়েছে সরকার সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় ভোট গণনা শুরু হয়ে দিবাগত রাত ১টার দিকে গণনা শেষ হয়। এরপর নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবুল খায়ের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফলাফলে কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ (সাদা প্যানেল) থেকে ১০টি পদে বিজয়ী হন। তারা হলেন— সম্পাদক শাহ মঞ্জুরুল হক, সহ-সভাপতি রমজান আলী শিকদার ও দেওয়ান মো. আবু ওবাঈদ হোসেন সেতু, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরুল হুদা আনসারী, সহ-সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ হুমায়ন কবির এবং সদস্য পদে মো. বেলাল হোসেন, মো. রায়হান রনি, রাশেদুল হক খোকন ও খালেদ মোশাররফ।</p>
<p style="text-align: justify;">অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) থেকে সভাপতি সহ চারটি পদে বিজয়ী হন। তারা হলেন— সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও সদস্য পদে সৈয়দ ফজলে এলাহী অভি, সফিকুল ইসলাম এবং ফাতিমা আক্তার।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, গত ৬ ও ৭ মার্চ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৪-২৫ সেশনের দুইদিনব্যাপী নির্বাচনে ৫৩১৯ জন আইনজীবী ভোট দিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/58911/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/03/10/013427_bangladesh_pratidin_mahbub-uddin.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/258422/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 Mar 2024 02:00:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=258422</guid>

					<description><![CDATA[ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ মঙ্গলবার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী ভাষণের স্মারক হিসেবে দিনটি অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে দেয়া ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু সেদিন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ মঙ্গলবার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী ভাষণের স্মারক হিসেবে দিনটি অবিস্মরণীয় হয়ে আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে দেয়া ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু সেদিন ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় দিকনির্দেশনা। স্বাধীনতার যে ডাক বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন, তা বিদ্যুৎ-গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার সুরের মতো তার ওই মন্ত্রমুগ্ধ ভাষণ শুনে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃ্খল ভেঙে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। তার এই ভাষণ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">বঙ্গবন্ধু সেদিন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হন। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ময়দান ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। ময়দানজুড়ে স্লোগান ছিল- ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা’।</p>
<p style="text-align: justify;">ভাষণে জনতাকে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রায় ১৯ মিনিটের ভাষণে তিনি ইতিহাসের পুরো ক্যানভাসই তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">প্রকৃতপক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।</p>
<p style="text-align: justify;">বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।</p>
<p style="text-align: justify;">লেখক ও ইতিহাসবিদ জ্যাকব এফ ফিল্ডের ২৫০০ বছরে ৪১ জন জাতীয় বীরের বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিস: দ্য স্পিস দ্যাট ইন্সপায়ার্ড হিস্ট্রি’ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্থান পেয়েছে। অসংখ্য ভাষায় অনূদিত হয়েছে এই ভাষণ।</p>
<p style="text-align: justify;">কবি নির্মলেন্দু গুণ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে দেখেছেন অমর কবিতা হিসেবে৷ আর বঙ্গবন্ধুকে অভিহিত করেছেন কবি হিসেবে৷ তিনি তার ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো&#8217; কবিতাটি লিখেছেন, ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করেই।</p>
<p style="text-align: justify;">রাষ্ট্রীয়ভাবে আজকের দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ৭ মার্চ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে আলোচনা সভা, যেখানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা এবং দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোমবার দেয়া এক বিবৃতিতে ঘোষিত কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দলটির সব স্তরের নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.newsbangla24.com/home/newogwithwatermark/221613/2023/03/06/SM-Final.jpg?v=121824" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ওবায়দুল কাদের</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/225406/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Mar 2024 05:20:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=225406</guid>

					<description><![CDATA[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। আজ রবিবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি৫৮৪ ফ্লাইটে তিনি রওনা হন। ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৪১ মিনিটে ছেড়ে যায়। এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ। তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ রবিবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি৫৮৪ ফ্লাইটে তিনি রওনা হন। ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ৪১ মিনিটে ছেড়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দ্রুতই ঢাকায় ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://d2u0ktu8omkpf6.cloudfront.net/2d418bb5bc2d2a7f3ebddf64fe2145caf4117fc316b2cd53.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ইউএই ও যুক্তরাজ্য গেলেন রাষ্ট্রপতি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/250984/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/250984/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Mar 2024 04:00:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[রাষ্ট্রপতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=250984</guid>

					<description><![CDATA[রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং যুক্তরাজ্যের (ইউকে) উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বৃটিশ হাইকমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, তিন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এবং যুক্তরাজ্যের (ইউকে) উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইট হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে।</p>
<p style="text-align: justify;">মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বৃটিশ হাইকমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধানগণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) সহ উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">রাষ্ট্রপতির পত্নী ড. রেবেকা সুলতানা এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাগণ মেডিকেল চেকআপের সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আগামী ১৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি দেশের উদ্দেশ্যে লন্ডন ত্যাগ করবেন বলে বঙ্গভবনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/250984/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bssnews.net/bangla/assets/news_photos/2024/03/02/image-128860-1709383566.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>শপথ নিলেন ৫০ সংরক্ষিত এমপি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/385154/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 28 Feb 2024 09:06:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সংসদ সদস্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=385154</guid>

					<description><![CDATA[শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ সংসদ সদস্য। মঙ্গলবার বিকাল তিনটা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ গ্রহণ কক্ষে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংসদে উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, চীফ হুইপ নুরে ই আলম চৌধুরী, হুইপ আবু সাঈদ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ সংসদ সদস্য। মঙ্গলবার বিকাল তিনটা ৪০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ গ্রহণ কক্ষে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।</p>
<p style="text-align: justify;">অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সংসদে উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, চীফ হুইপ নুরে ই আলম চৌধুরী, হুইপ আবু সাঈদ স্বপন, ইকবালুর রহিমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রথমে আওয়ামী লীগের ৪৮ জন, পরে জাতীয় পার্টির ২ জন শপথ নেন। শপথ গ্রহণ শেষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন তারা। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আবদুস সালাম। নবনির্বাচিত নারী এমপিরা বিকেল পৌনে ৫টায় সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। গত রবিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে সংরক্ষিত নারী আসনে কোনো প্রার্থীই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায়, নির্বাচন কমিশন সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে। এরপর মঙ্গলবার নির্বাচনি ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটের কপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়।</p>
<h2>সংরক্ষিত আসনে এমপি পদে চমক</h2>
<p style="text-align: justify;">গতকাল দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সংরক্ষিত আসনেও নানা চমক এনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদের পাঁচজন ছাড়া বাকি সবাই নতুন মুখ। এর মধ্যে ৩৪ জন প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হওয়া, মনোনয়ন পেয়েও আদালতের নিষেধাজ্ঞায় বাদ পড়া, মনোনয়নবঞ্চিত নেত্রীরাও পেয়েছেন চূড়ান্ত মনোনয়ন। দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেত্রী, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ত্যাগী পরিবার, সাবেক এমপি-মন্ত্রীর সন্তান, সমাজের আলোকিত পেশাজীবী নারীকেও বেছে নেওয়া হয়েছে মনোনয়নের ক্ষেত্রে। ১৪-দলীয় জোটের শরিক গণতন্ত্রী পার্টি থেকে একজনকে দেওয়া হয়েছে মহিলা আসনের মনোনয়ন। গতকাল সন্ধ্যায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে গতকাল রাতে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রার্থী তালিকা পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগ। চিঠিতে বলা হয়েছে আওয়ামী লীগ, জোটভুক্ত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের অনুকূলে প্রাপ্ত ৪৮টি সংরক্ষিত আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে। এর আগে সকালে সংরক্ষিত আসনের ১ হাজার ৫৪৯ জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। দুপুরে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে, পরে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আকারে তালিকা প্রকাশ করা হয়। সংসদীয় বোর্ডের সভায় দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার</p>
<p style="text-align: justify;">সভাপতিত্বে অধিকাংশ সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। তালিকায় যেমন রাজনৈতিকভাবে কেন্দ্রীয় নারী নেত্রী আছেন, তেমন আছেন একেবারেই তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীও। জাতীয় এমনকি স্থানীয়ভাবেও যাদের খুব একটা প্রভাব নেই কিন্তু রাজনৈতিকভাবে নিঃস্বার্থ ও ত্যাগী তারাও আছেন তালিকায়। আগামী রবিবার নির্বাচন কমিশনে এ তালিকা দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী জনগণের ভোটে নির্বাচিত ৩০০ এমপির ভোটে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা নির্বাচিত হবেন। তবে অতীতে ভোট হওয়ার কোনো নজির নেই। এবারও ভোট হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক ও প্রথম সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনও চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের দুবার সাধারণ সম্পাদক ও দুবার সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ফরিদা ইয়াসমিন নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।</p>
<p style="text-align: justify;">তারানা হালিম, আরমা দত্ত, মেহের আফরোজ চুমকি, ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, ফরিদুন্নাহার লাইলী, নাজমা আক্তার, ওয়াসিকা আয়শা খান, কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি, রোকেয়া সুলতানার মতো চেনা সব মুখও স্থান পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের এমপি পদে।</p>
<p style="text-align: justify;">একাদশ জাতীয় সংসদের এমপি পদে দায়িত্ব পালন করা ওয়াসিকা আয়শা খান, অপরাজিতা হক, ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, নাহিদ ইজহার খান ও আরমা দত্ত দ্বিতীয়বারের মতো এমপি পদে মনোনয়ন পেলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনি লড়াইয়ে হেরে যান সানজিদা খানম ও মেহের আফরোজ চুমকি। তাঁদের দুজনকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেলেও উচ্চ আদালতের রায়ে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী ড. শাম্মী আহমেদও পেয়েছেন মনোনয়ন। মনোনয়ন চেয়েও না পাওয়া সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান, ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনের সংখ্যানুপাতে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী সদস্য মনোনয়ন দেওয়ার কথা ছিল ৩৮টি। তবে যে ৬২ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য জয় পেয়েছেন, তারাও প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের হওয়ায় দলের সভানেত্রী তথা শেখ হাসিনার ওপর তাদের ভাগের ১০ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন দেওয়ার ভার অর্পণ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সে হিসেবে আওয়ামী লীগ ৪৮ আসনেই সংরক্ষিত নারী এমপির তালিকা চূড়ান্ত করে তা ঘোষণা করেছে। সভা শেষে ওবায়দুল কাদের জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে ১ হাজার ৫৫৩ জনের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই শেষে ৪৮টি বেছে নিতে হয়েছে। দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি ও সর্বসম্মতিক্রমে ৪৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর নাম প্রকাশ করছি। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন আওয়ামী লীগের এসব প্রার্থী।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>৪৮ সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যাঁরা :</strong> রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়), দৌপদী দেবী আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও), মোছা. আশিকা সুলতানা (নীলফামারী), আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট), কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর), জারা জেবিন মাহবুব (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), রুনু রেজা (খুলনা), ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট), মোসা. ফারজানা সুমি (বরগুনা), খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা), নাজনীন নাহার রশীদ (পটুয়াখালী), ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী), উম্মি ফারজানা ছাত্তার (ময়মনসিংহ), নাদিয়া বিনতে আমিন (নেত্রকোনা), মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট), আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ), আরমা দত্ত (কুমিল্লা), লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা), সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা), বেদৌরা আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ), শবনম জাহান (ঢাকা), পারুল আক্তার (ঢাকা), সাবেরা বেগম (ঢাকা), আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ (বরিশাল), নাহিদ ইজাহার খান (ঢাকা), ঝর্ণা হাসান (ফরিদপুর), সাবেক মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা (মুন্সীগঞ্জ), শাহেদা তারেখ দীপ্তি (ঢাকা), অণিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা), শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা), মাসুদা সিদ্দিক রোজি (নরসিংদী), আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম (টাঙ্গাইল), আওয়ামী লীগের শিক্ষা সম্পাদক বেগম শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর), অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল), হাছিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা), নাজমা আক্তার (গোপালগঞ্জ), রুমা চক্রবর্তী (সিলেট), আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর), আশ্রাফুননেছা (লক্ষ্মীপুর), কানন আরা বেগম (নোয়াখালী), শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম), ফরিদা খানম (নোয়াখালী), দিলোয়ারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম), আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম), ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙামাটি), আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম (ঢাকা), নাছিমা জামান ববি (রংপুর)। এদের মধ্যে কানন আরা বেগমকে ১৪-দলীয় জোটের শরিক দলের বিবেচনায় মনোনীত করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/02/15/BD-Pratidin_2024-02-15-27.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>এমপির মেয়েকে আটক হওয়ার পর ছাড়িয়ে নেওয়া ক্ষমতার অপব্যবহার: টিআইবি</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/289649/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Feb 2024 06:06:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সংসদ সদস্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিআইডি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=289649</guid>

					<description><![CDATA[বগুড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আটক হওয়া মেয়েকে প্রভাব খাটিয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের স্ত্রী বের করে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ঘটনাটিকে জনপ্রতিনিধি ও তাদের স্বজনদের ক্ষমতার অপব্যবহারকে স্বাভাবিকীকরণের নিয়মিত উদাহরণ উল্লেখ করে কঠোর সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বগুড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আটক হওয়া মেয়েকে প্রভাব খাটিয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যের স্ত্রী বের করে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘটনাটিকে জনপ্রতিনিধি ও তাদের স্বজনদের ক্ষমতার অপব্যবহারকে স্বাভাবিকীকরণের নিয়মিত উদাহরণ উল্লেখ করে কঠোর সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে টিআইবি।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে টিআইবি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে টিআইবি জানায়, গত শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে বগুড়ার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ১৯ জনকে পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এসময় বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্যের স্ত্রী ডিবি কার্যালয়ে যান এবং ক্ষমতা খাটিয়ে তার মেয়েকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।</p>
<p style="text-align: justify;">বিষয়টিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের চরম হতাশাজনক দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ক্ষমতাকাঠামোর সর্বস্তরে জনপ্রতিনিধি ও তাদের আত্মীয় স্বজনরা ক্ষমতার অপব্যবহারকে স্বাভাবিকতায় পরিণত করে তোলার যে চেষ্টা করছেন- এটি তারই উদহারণ। আইন সবার জন্য সমান হওয়ার কথা থাকলেও, এ ঘটনা প্রমাণ করে দেশে ক্ষমতাশালীরা চাইলেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন; কেননা একই মামলায় আটক অন্য অভিযুক্তদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’</p>
<p style="text-align: justify;">এ ঘটনায় ধাপে ধাপে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অন্যায় করা হয়েছে উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, ‘নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি প্রথম অপরাধ। এরপর অভিযুক্তকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে অভিযুক্ত মেয়েকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংসদ সদস্যের স্ত্রী একদিকে যেমন পরীক্ষায় জালিয়াতি করাকে অন্যায় সমর্থন যুগিয়েছেন তেমনি প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করায় সমানভাবে অপরাধী। অন্যদিকে, সংসদ সদস্যের স্ত্রীর হস্তক্ষেপ মেনে নিয়ে আইনবহির্ভুতভাবে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার সাথে জড়িতরাও একইমাত্রায় আইন লঙ্ঘন করেছেন। তাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">জনপ্রতিনিধি ও তাদের আত্মীয় স্বজনদের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে ‘সংসদ সদস্য আচরণ আইন’ প্রণয়ণের দাবি জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘সংসদের অভ্যন্তরে সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে কার্যপ্রণালী বিধিতে সুস্পষ্ট বিধি বিধান থাকলেও সংসদের বাইরে তাদের সংযত আচরণ নিশ্চিত ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কোনো আইন নেই। ২০১০ সালের ১৪ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ১৫টি ধারা সংবলিত একটি বেসরকারি বিল সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘<span style="text-align: justify;">নাগরিক সমাজ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হলেও, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিলটি পাসের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট অংশীজনের পরামর্শ ও পর্যালোচনার মাধ্যমে সংসদ সদস্য আচরণ বিলটি অবিলম্বে জাতীয় সংসদে পুনরায় উত্থাপন ও আইন হিসেবে পাস করার দাবি জানাচ্ছে টিআইবি।’</span></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/media_cache/2023/03/tib-800x420.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পিটার হাস</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/277548/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Feb 2024 05:25:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=277548</guid>

					<description><![CDATA[দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। এরপরও দেশটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পিটার হাস এ অবস্থানের কথা জানান। বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদিও নির্বাচন অবাধ ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। এরপরও দেশটি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়।</p>
<p style="text-align: justify;">রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পিটার হাস এ অবস্থানের কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদিও নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি এরপরও কিছু ইস্যুতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনসহ পরিবেশ ইস্যুতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় আমাদের ভিন্নমত থাকতেই পারে। নির্বাচন নিয়ে তাদের একটা স্টেটমেন্ট- আমরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) মনে করি, বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি। তারপরও আমরা চাই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক যেন এগিয়ে যাই।’</p>
<p style="text-align: justify;">‘আমাদের দিক থেকে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করব, সেই বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি’ বলেন সাবের হোসেন চৌধুরী।</p>
<p style="text-align: justify;">আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছি। তবে তাদের এ বক্তব্য (নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি) এমন কিছু না যে, আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে বাধাগ্রস্ত করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক গভীর। জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ১৫ বিলিয়ন ডলার ফান্ড গঠনে যুক্তরাষ্ট্র পার্টনার হিসেবে কাজ করবে।’</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.shomoyeralo.com/2023/07/06/salo_1688589604.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>টানা দলীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/10175/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/10175/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Jan 2024 04:15:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছাত্রলীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=10175</guid>

					<description><![CDATA[ঈদুল ফিতরের পর টানা সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। জেলা, মহানগর-উপজেলা সম্মেলনের পাশাপাশি করা হবে সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনও। সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব এনে সংগঠনে গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ক্ষমতাসীন দলটি। দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, আওয়ামী লীগের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে কমপক্ষে ১৮টি জেলা কমিটির [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ঈদুল ফিতরের পর টানা সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। জেলা, মহানগর-উপজেলা সম্মেলনের পাশাপাশি করা হবে সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনও। সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব এনে সংগঠনে গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ক্ষমতাসীন দলটি। দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, আওয়ামী লীগের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে কমপক্ষে ১৮টি জেলা কমিটির সম্মেলনের মেয়াদ শেষ হয়েছে কয়েক বছর। বারবার তাগাদা দিয়েও নির্বাচনের আগে সম্মেলন করা যায়নি। ঈদের পর থেকে টানা সম্মেলন করবে ক্ষমতাসীন দলটি। যেসব জায়গায় উপজেলা ভোট হবে, সেসব জেলায় সম্মেলন করা হবে না। সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন যেগুলোর মেয়াদ শেষ সেগুলোর সম্মেলন চলবে। সম্মেলনের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও সজাগ ও সতর্ক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি বলেন, ‘সম্মেলন একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি কেন্দ্রীয় কাউন্সিল শেষ হলে ঘরগোছানো কাজ শুরু হয় পরবর্তী কাউন্সিল পর্যন্ত চলে। সামনে উপজেলা ভোট আছে। যেসব জায়গায় ভোট হবে, সেখানে কোনো সম্মেলন হবে না। আর যেখানে ভোট নেই সেসব জেলা মেয়াদউত্তীর্ণ হয়ে থাকলে সম্মেলন করা হবে। মেয়াদউত্তীর্ণ সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলন চলবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘ভোটের পর বিএনপি-জামায়াত আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। তারা যেন নাশকতা করতে না পারে সেজন্য দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নিদের্শনাও দেওয়া হচ্ছে। সম্মেলন ও সরকারবিরোধী অপরাজনীতি একসঙ্গেই মোকাবিলা করা হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এখন সবচেয়ে নাজুক। গত এক বছর আগে দুই মহানগরের থানা-ওয়ার্ড সম্মেলন করলেও শীর্ষনেতাদের কোন্দলের কারণে কমিটি দেওয়া সম্ভব হয়নি। দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একাধিকবার আলটিমেটাম দিলেও কমিটি দিতে পরেনি নেতারা। থানা-ওয়ার্ডে কমিটি না থাকায় ভেঙে পড়েছে চেইন অব কমান্ড। এ নিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ওপর হাইকমান্ড চরম বিরক্ত বলে জানা গেছে। সে কারণে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন করার জোর প্রস্তুতি চলছে।</p>
<p style="text-align: justify;">একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জানিয়েছেন, এর চেয়ে খারাপ অবস্থা কখনো ঢাকা সিটিতে ছিল না। সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আনা হবে। তারা বলছেন, রাজনীতিতে ঢাকাকে হৃৎপিণ্ড বলা হয়ে থাকে। ঢাকা যার দখলে থাকে, দেশও সেই রাজনৈতিক দলের হাতে থাকে। বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারবিরোধীরা বড় ধরনের কর্মসূচি দিলে ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে নেতা-কর্মী নিয়ে আসতে হয়েছে বিগত কর্মসূচিতে। যা অতীতে কখনো হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify;">এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সম্মেলন, জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে কয়েকটা জেলায় সম্মেলন করা যায়নি। খুব শিগগির সম্মেলনের জন্য কার্যক্রম শুরু করব।’</p>
<p style="text-align: justify;">বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, ‘বরিশাল জেলার মেয়াদ শেষ হয়েছে। এই জেলাসহ যেগুলোর সম্মেলনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, সেগুলোর সম্মেলনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেব।’</p>
<p style="text-align: justify;">সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘জাতীয় কাউন্সিলের আগে সব জেলায় সম্মেলন হয়েছে। এখন যেগুলোর সম্মেলনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে সেগুলোর কাজ শুরু করা হবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">জেলা আওয়ামী লীগের পাশাপাশি সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনের মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। সেগুলোর দ্রুতই সম্মেলন করা হবে। মেয়াদ উত্তীর্ন সংগঠনের মধ্যে রয়েছে যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ।</p>
<p style="text-align: justify;">সূত্র মতে, ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ৬ নভেম্বর কৃষক লীগ, ৯ নভেম্বর জাতীয় শ্রমিক লীগ, ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১১ ও ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালের ১৪ জুলাই যুবলীগের ষষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেসের আগে সে বছরের ৩ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ এবং ৮ জুলাই উত্তরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সংগঠনটি চলছে তিন ভারপ্রাপ্ত দিয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রেওয়াজ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলেও গত মেয়াদে তা উপেক্ষিত হয়েছে। এক বছর আগে অনেক আওয়াজ দিয়ে থানা-ওয়ার্ড সম্মেলন হলেও এখনো কমিটি দেওয়া হয়নি। এ কমিটি গঠনে নানা অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। অপরিচিত, জীবনের প্রথমবারেই ওয়ার্ড-থানায় শীর্ষ পদ পেতে যাচ্ছেন অনেক হাইব্রিড ও অর্থবিত্তের মালিকরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/10175/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2024/01/27/003053_bangladesh_pratidin_awa.gif" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>নানক : পাটের হারানো সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/2009/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/2009/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Jan 2024 06:00:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মন্ত্রী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/news/2009/</guid>

					<description><![CDATA[বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পেয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘পাটের হারানো সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে। পাট উৎপাদন যেভাবে বাড়ানো যায় সেভাবেই কাজ করা হবে।’ রবিবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও বিগত সরকারের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে আমি ২০০৮ সালে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পেয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘পাটের হারানো সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে। পাট উৎপাদন যেভাবে বাড়ানো যায় সেভাবেই কাজ করা হবে।’ রবিবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও বিগত সরকারের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<p style="text-align: justify;">বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে আমি ২০০৮ সালে প্রতিমন্ত্রী ছিলাম। তখন একটি চ্যালেঞ্জে পড়েছিলাম। বিএনপি-জামায়াত এমন একটি দেশ রেখে গেছিল যে দেশটি ছিল মুখ থুবড়ে পড়া একটি দেশ। ছিল পানির হাহাকার। সড়ক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। স্থানীয় সরকার ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সেই মন্ত্রণালয়কে আমার মন্ত্রী মরহুদ সৈয়দ আশরাফকে নিয়ে সারা বাংলাদেশে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে উত্তীর্ণ হয়েছিলাম।’</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি আরও বলেন, ‘আজ একটি নতুন মন্ত্রণালয়ে নতুন জায়গায় আবার সেই মাঠের মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। মাঠের কৃষকদের সঙ্গ যোগাযোগ হবে। পাট উৎপাদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। পাট উৎপাদনে উৎসাহিত করা হবে। পাট ও বস্ত্র খাতে বাংলাদেশে আমাদের যে প্রধান রপ্তানি শিল্প রয়েছে সেই শিল্পকে উতরে আমরা শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে একটি লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো এটি আমার বুকভরা প্রত্যাশা।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/2009/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন: শেখ হাসিনার অতিমানবীয় জয়, ক্ষমতায় আওয়ামি লীগ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/367187/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Jan 2024 05:05:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[এনএসআই]]></category>
		<category><![CDATA[ডিজিএফআই]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনাবাহিনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=367187</guid>

					<description><![CDATA[প্রতীক্ষার অবসান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিমানবীয় জয় শেখ হাসিনা, টানা চতুর্থ বারের মত ক্ষমতায় আওয়ামি লীগ। অংশগ্রহন করেননী প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সমূহ। ভোটের মাঠে নির্বাচনি লড়াইয়ে আওয়ামী লীগের নমিনেশন চেয়ে ছিলেন হাজার হাজার প্রার্থী। রবিবার অনুষ্ঠিত হল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, আর শেষ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রতীক্ষার অবসান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অতিমানবীয় জয় <a href="https://albd.org/bn/pages/15/শেখ-হাসিনা" target="_blank" rel="noopener">শেখ হাসিনা</a>, টানা চতুর্থ বারের মত ক্ষমতায় <a href="https://albd.org/" target="_blank" rel="noopener">আওয়ামি লীগ</a>। অংশগ্রহন করেননী প্রধান বিরোধী দল <a href="https://www.bnpbd.org" target="_blank" rel="noopener">বিএনপি</a>সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সমূহ।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোটের মাঠে নির্বাচনি লড়াইয়ে <a href="https://worldbarta.com/news/350416/" target="_blank" rel="noopener">আওয়ামী লীগের নমিনেশন চেয়ে ছিলেন হাজার হাজার প্রার্থী</a>।</p>
<p style="text-align: justify;">রবিবার অনুষ্ঠিত হল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, আর শেষ হয় বিকাল ৪টায়।</p>
<p style="text-align: justify;">সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নওগাঁ-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে কেবল ময়মনসিংহ-৩ ছাড়া সব আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অনিয়মের কারণে ময়মনসিংহ-৩ আসনের ভোটের ফল ঘোষণা স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>আসন অনুসারে নির্বাচিত ২৯৮ জনের নাম তুলে ধরা হল।</strong></p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ঢাকা বিভাগ</strong><br />
ঢাকা-১: সালমান এফ রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-২: কামরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৩: নসরুল হামিদ বিপু (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৪: আওলাদ হোসেন (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-৫: মশিউর রহমান মোল্লা সজল (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-৬: মোহাম্মদ সাঈদ খোকন (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৭: মোহাম্মদ সোলায়মান সেলিম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৮: আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-৯: সাবের হোসেন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১০: ফেরদৌস আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১১: ওয়াকিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা:-১২: আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৩: জাহাঙ্গীর কবির নানক (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৪: মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৫: কামাল আহমেদ মজুমদার (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৬: ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৭: মোহাম্মদ এ আরাফাত (আওয়ামী লীগ)<br />
ঢাকা-১৮: মো. খসরু চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-১৯: সাইফুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)<br />
ঢাকা-২০: বেনজীর আহমেদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">গাজীপুর-১: আ ক ম মোজাম্মেল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-২: জাহিদ আহসান রাসেল (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-৩: রুমানা আলী (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-৪: সিমিন হোসেন রিমি (আওয়ামী লীগ)<br />
গাজীপুর-৫: আখতারউজ্জামান (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নারায়ণগঞ্জ-১: গোলাম দস্তগীর গাজী (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম বাবু (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-৩: আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-৪: এ কে এম শামীম ওসমান (আওয়ামী লীগ)<br />
নারায়ণগঞ্জ-৫: এ কে এম সেলিম ওসমান (জাতীয় পার্টি)</p>
<p style="text-align: justify;">টাঙ্গাইল-১: ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-২: তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-৩: আমানুর রহমান খান রানা (স্বতন্ত্র)<br />
টাঙ্গাইল-৪: আবদুল লতিফ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র)<br />
টাঙ্গাইল-৫: ছানোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র)<br />
টাঙ্গাইল-৬: আহসানুল ইসলাম টিটু (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-৭: খান আহমেদ শুভ (আওয়ামী লীগ)<br />
টাঙ্গাইল-৮: অনুপম শাহজাহান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মুন্সিগঞ্জ-১: মহিউদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
মুন্সিগঞ্জ-২: সাগুফতা ইয়াসমিন (আওয়ামী লীগ)<br />
মুন্সিগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ ফয়সাল (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নরসিংদী-১: নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
নরসিংদী-২: আনোয়ারুল আশরাফ খান (আওয়ামী লীগ)<br />
নরসিংদী-৩: সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (স্বতন্ত্র)<br />
নরসিংদী-৪: নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (আওয়ামী লীগ)<br />
নরসিংদী-৫: রাজিউদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">রাজবাড়ী-১: কাজী কেরামত আলী (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজবাড়ী-২: জিল্লুল হাকিম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">গোপালগঞ্জ-১: মুহাম্মদ ফারুক খান (আওয়ামী লীগ)<br />
গোপালগঞ্জ-২: শেখ ফজলুল করিম সেলিম (আওয়ামী লীগ)<br />
গোপালগঞ্জ-৩: শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মাদারীপুর-১: নুর-ই-আলম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
মাদারীপুর-২:  শাজাহান খান (আওয়ামী লীগ)<br />
মাদারীপুর-৩: মোসা. তাহমিনা বেগম (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">ফরিদপুর-১: আবদুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ফরিদপুর-২: শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ফরিদপুর-৩: এ কে আজাদ (স্বতন্ত্র)<br />
ফরিদপুর-৪: মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">শরীয়তপুর-১: মো. ইকবাল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
শরীয়তপুর-২: এ কে এম এনামুল হক শামীম (আওয়ামী লীগ<br />
শরীয়তপুর-৩:  নাহিম রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">কিশোরগঞ্জ-১: সৈয়দ জাকিয়া নূর (আওয়ামী লীগ)<br />
কিশোরগঞ্জ-২: সোহরাব উদ্দিন (স্বতন্ত্র)<br />
কিশোরগঞ্জ-৩: মুজিবুল হক চুন্নু (জাতীয় পার্টি)<br />
কিশোরগঞ্জ-৪: রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (আওয়ামী লীগ)<br />
কিশোরগঞ্জ-৫: আফজাল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
কিশোরগঞ্জ-৬: নাজমুল হাসান পাপন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মানিকগঞ্জ-১: সালাহউদ্দিন মাহমুদ (স্বতন্ত্র)<br />
মানিকগঞ্জ-২: দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু (স্বতন্ত্র)<br />
মানিকগঞ্জ-৩: জাহিদ মালেক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>চট্টগ্রাম বিভাগ</strong><br />
চট্টগ্রাম-১: মাহবুব উর রহমান রুহেল (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-২: খাদিজাতুল আনোয়ার সনি (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৩: মাহফুজুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৪: এসএম আল মামুন (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৫: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি)<br />
চট্টগ্রাম-৬: এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৭: ড. হাছান মাহমুদ (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-৮: আবদুচ ছালাম (স্বতন্ত্র)<br />
চট্টগ্রাম-৯: ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১০: মহিউদ্দিন বাচ্চু (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১১: এম আব্দুল লতিফ (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১২: মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১৩: সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১৪: মো. নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
চট্টগ্রাম-১৫: আব্দুল মোতালেব (স্বতন্ত্র)<br />
চট্টগ্রাম-১৬: মজিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">কুমিল্লা-১: ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-২: আবদুল মজিদ (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৩: জাহাঙ্গীর আলম সরকার (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৪: আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৫: আবু জাহের (স্বতন্ত্র)<br />
কুমিল্লা-৬: আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-৭: ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-৮: আবু জাফর মোহাম্মদ শামীম (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-৯: তাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-১০: আ হ ম মুস্তফা কামাল (আওয়ামী লীগ)<br />
কুমিল্লা-১১: মুজিবুল হক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদপুর-১: ড. সেলিম মাহমুদ (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-২: মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-৩: ডা. দীপু মনি (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-৪: মুহাম্মদ শফিকুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁদপুর-৫: মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান (স্বতন্ত্র)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: মঈন উদ্দিন মঈন (স্বতন্ত্র)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আনিসুল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: ফয়জুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নোয়াখালী-১: এইচ এম ইব্রাহিম (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-২: মোরশেদ আলম (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৩: মো. মামুনুর রশীদ কিরন (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৫: ওবায়দুল কাদের (আওয়ামী লীগ)<br />
নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ আলী (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ফেনী-১: আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
ফেনী-২: নিজাম উদ্দিন হাজারী (আওয়ামী লীগ)<br />
ফেনী-৩: লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)</p>
<p style="text-align: justify;">লক্ষ্মীপুর-১: আনোয়ার হোসেন খান (আওয়ামী লীগ)<br />
লক্ষ্মীপুর-২: নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন (আওয়ামী লীগ)<br />
লক্ষ্মীপুর-৩: মোহাম্মদ গোলাম ফারুক (আওয়ামী লীগ)<br />
লক্ষ্মীপুর-৪: মো. আবদুল্লাহ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">কক্সবাজার-১: সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি)<br />
কক্সবাজার-২: আশেক উল্লাহ রফিক (আওয়ামী লীগ)<br />
কক্সবাজার-৩: সাইমুম সরওয়ার কমল (আওয়ামী লীগ)<br />
কক্সবাজার-৪: শাহীন আক্তার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">রাঙামাটি: দীপংকর তালুকদার (আওয়ামী লীগ)<br />
খাগড়াছড়ি: কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (আওয়ামী লীগ)<br />
বান্দরবান: বীর বাহাদুর উশৈ শিং (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রাজশাহী বিভাগ</strong><br />
রাজশাহী-১: ওমর ফারুক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-২: শফিকুর রহমান বাদশা (স্বতন্ত্র)<br />
রাজশাহী-৩: মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদ (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-৪: মো. আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-৫: মো. আব্দুল ওয়াদুদ (আওয়ামী লীগ)<br />
রাজশাহী-৬: মো. শাহরিয়ার আলম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নাটোর-১: অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র)<br />
নাটোর-২: শফিকুল ইসলাম শিমুল (আওয়ামী লীগ)<br />
নাটোর-৩: জুনাইদ আহমেদ পলক (আওয়ামী লীগ)<br />
নাটোর-৪: ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: জিয়াউর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: আব্দুল ওদুদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বগুড়া-১: সাহাদারা মান্নান (আওয়ামী লীগ)<br />
বগুড়া-২: শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (জাতীয় পার্টি)<br />
বগুড়া-৩: খান মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ আল মেহেদী (স্বতন্ত্র)<br />
বগুড়া-৪: এ, কে, এম রেজাউল করিম তানসেন (জাসদ)<br />
বগুড়া-৫: মজিবুর রহমান মজনু (আওয়ামী লীগ)<br />
বগুড়া-৬: রাগেবুল আহসান রিপু (আওয়ামী লীগ)<br />
বগুড়া-৭: ডা. মোস্তফা আলম নান্নু (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ-১: তানভীর শাকিল জয় (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-২: জান্নাত আরা হেনরী (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-৩: ডা. আব্দুল আজিজ (আওয়ামী লীগ<br />
সিরাজগঞ্জ-৪: শফিকুল ইসলাম শফি (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-৫: আবদুল মমিন মন্ডল (আওয়ামী লীগ)<br />
সিরাজগঞ্জ-৬: চয়ন ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পাবনা-১: মো. শামসুল হক টুকু (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-২: আহমেদ ফিরোজ কবির (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-৩: মো. মকবুল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-৪: গালিবুর রহমান শরীফ (আওয়ামী লীগ)<br />
পাবনা-৫: গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নওগাঁ-১: সাধন চন্দ্র মজুমদার (আওয়ামী লীগ)<br />
নওগাঁ-৩: সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী (আওয়ামী লীগ)<br />
নওগাঁ-৪: এস এম ব্রহানী সুলতান মামুদ (স্বতন্ত্র)<br />
নওগাঁ-৫: নিজাম উদ্দিন জলিল জন (আওয়ামী লীগ)<br />
নওগাঁ-৬: মো. ওমর ফারুক সুমন (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>খুলনা বিভাগ</strong><br />
খুলনা-১: ননী গোপাল মণ্ডল (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-২: সেখ সালাউদ্দিন জুয়েল (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৩: এসএম কামাল হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৪: আব্দুস সালাম মুর্শেদী (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৫: নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (আওয়ামী লীগ)<br />
খুলনা-৬: মো. রশীদুজ্জামান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বাগেরহাট-১: শেখ হেলাল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
বাগেরহাট-২: শেখ সারহান নাসের তন্ময় (আওয়ামী লীগ)<br />
বাগেরহাট-৩: হাবিবুন নাহার (আওয়ামী লীগ)<br />
বাগেরহাট-৪: বদিউজ্জামান সোহাগ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">সাতক্ষীরা-১: ফিরোজ আহমেদ স্বপন (আওয়ামী লীগ)<br />
সাতক্ষীরা-২: আশরাফুজ্জামান আশু (জাতীয় পার্টি)<br />
সাতক্ষীরা-৩: আ ফ ম রুহুল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
সাতক্ষীরা-৪: এসএম আতাউল হক দোলন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">যশোর-১: শেখ আফিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-২: ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-৩: কাজী নাবিল আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-৪: এনামুল হক বাবুল (আওয়ামী লীগ)<br />
যশোর-৫: ইয়াকুব আলী (স্বতন্ত্র)<br />
যশোর-৬: আজিজুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নড়াইল-১: বিএম কবিরুল হক (আওয়ামী লীগ)<br />
নড়াইল-২: মাশরাফি বিন মর্তুজা (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">মাগুরা-১: সাকিব আল হাসান (আওয়ামী লীগ)<br />
মাগুরা-২: বীরেন শিকদার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">কুষ্টিয়া-১: রেজাউল হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
কুষ্টিয়া-২: কামারুল আরেফিন (স্বতন্ত্র)<br />
কুষ্টিয়া-৩: মাহবুবউল আলম হানিফ (আওয়ামী লীগ)<br />
কুষ্টিয়া-৪: আবদুর রউফ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">মেহেরপুর-১: ফরহাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
মেহেরপুর-২: নাজমুল হক সাগর (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">চুয়াডাঙ্গা-১: সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (আওয়ামী লীগ)<br />
চুয়াডাঙ্গা-২: মো. আলী আজগার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঝিনাইদহ-১: মো. আব্দুল হাই (আওয়ামী লীগ)<br />
ঝিনাইদহ-২: মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী (স্বতন্ত্র)<br />
ঝিনাইদহ-৩: মো. সালাহ উদ্দিন মিয়াজী (আওয়ামী লীগ<br />
ঝিনাইদহ-৪: মো. আনোয়ারু আজীম আনার (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>বরিশাল বিভাগ</strong><br />
বরিশাল-১: আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (আওয়ামী লীগ)<br />
বরিশাল-২: রাশেদ খান মেনন (বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি)<br />
বরিশাল-৩: গোলাম কিবরিয়া টিপু (জাতীয় পার্টি)<br />
বরিশাল-৪: পঙ্কজ নাথ (স্বতন্ত্র)<br />
বরিশাল-৫: জাহিদ ফারুক (আওয়ামী লীগ)<br />
বরিশাল-৬: আব্দুল হাফিজ মল্লিক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ভোলা-১: তোফায়েল আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
ভোলা-২: আলী আজম মুকুল (আওয়ামী লীগ)<br />
ভোলা-৩: নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (আওয়ামী লীগ)<br />
ভোলা-৪: আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বরগুনা-১: গোলাম সরোয়ার টুকু (স্বতন্ত্র)<br />
বরগুনা-২: সুলতানা নাদিরা (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পটুয়াখালী-১: এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (জাতীয় পার্টি)<br />
পটুয়াখালী-২: আ স ম ফিরোজ (আওয়ামী লীগ)<br />
পটুয়াখালী-৩: এস এম শাহজাদা (আওয়ামী লীগ)<br />
পটুয়াখালী-৪: মহিব্বুর রহমান মহিব (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঝালকাঠি-১: ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (আওয়ামী লীগ)<br />
ঝালকাঠি-২: আমির হোসেন আমু (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পিরোজপুর-১: শ ম রেজাউল করিম (আওয়ামী লীগ)<br />
পিরোজপুর-২: মো. মহিউদ্দিন মহারাজ (স্বতন্ত্র)<br />
পিরোজপুর-৩: মো. শামীম শাহনেওয়াজ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>সিলেট বিভাগ</strong><br />
সিলেট-১: ড. এ কে আব্দুল মোমেন (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-২: শফিকুর রহমান চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-৩: হাবিবুর রহমান হাবিব (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-৪: ইমরান আহমদ (আওয়ামী লীগ)<br />
সিলেট-৫: মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
সিলেট-৬: নুরুল ইসলাম নাহিদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">সুনামগঞ্জ-১: রনজিত চন্দ্র সরকার (আওয়ামী লীগ)<br />
সুনামগঞ্জ-২: ড. জয়া সেন গুপ্তা (স্বতন্ত্র)<br />
সুনামগঞ্জ-৩: এম এ মান্নান (আওয়ামী লীগ)<br />
সুনামগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ সাদিক (আওয়ামী লীগ)<br />
সুনামগঞ্জ-৫: মহিবুর রহমান মানিক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">হবিগঞ্জ-১: আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী (স্বতন্ত্র)<br />
হবিগঞ্জ-২: ময়েজ উদ্দিন শরীফ (আওয়ামী লীগ)<br />
হবিগঞ্জ-৩: আবু জাহির (আওয়ামী লীগ)<br />
হবিগঞ্জ-৪: ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">মৌলভীবাজার-১: মো. শাহাব উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)<br />
মৌলভীবাজার-২: শফিউল আলম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
মৌলভীবাজার-৩: মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
মৌলভীবাজার-৪: উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ময়মনসিংহ বিভাগ</strong><br />
ময়মনসিংহ-১: মাহমুদুল হক সায়েম (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-২: শরীফ আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-৪: মো. মোহিত উর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-৫: মো. নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৬: মো. আবদুল মালেক সরকার (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৭: এ বি এম আনিছুজ্জামান (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৮: মাহমুদ হাসান সুমন (স্বতন্ত্র)<br />
ময়মনসিংহ-৯: আবদুস সালাম (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-১০: ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (আওয়ামী লীগ)<br />
ময়মনসিংহ-১১: মো. আব্দুল ওয়াহেদ (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">নেত্রকোণা-১: মোশতাক আহমেদ রুহী (আওয়ামী লীগ)<br />
নেত্রকোণা-২: মো. আশরাফ আলী খান খসরু (আওয়ামী লীগ)<br />
নেত্রকোণা-৩: ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু (স্বতন্ত্র)<br />
নেত্রকোণা-৪: সাজ্জাদুল হাসান (আওয়ামী লীগ)<br />
নেত্রকোণা-৫: আহমদ হোসেন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">জামালপুর-১: নূর মোহাম্মদ (আওয়ামী লীগ)<br />
জামালপুর-২: ফরিদুল হক খান (আওয়ামী লীগ)<br />
জামালপুর-৩: মির্জা আজম (আওয়ামী লীগ)<br />
জামালপুর-৪: আবদুর রশীদ (স্বতন্ত্র)<br />
জামালপুর-৫: আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">শেরপুর-১: মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু (স্বতন্ত্র)<br />
শেরপুর-২: মতিয়া চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
শেরপুর-৩: এডিএম শহিদুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>রংপুর বিভাগ</strong><br />
রংপুর-১: মো. আসাদুজ্জামান (স্বতন্ত্র)<br />
রংপুর-২: আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)<br />
রংপুর-৩: গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জাতীয় পার্টি)<br />
রংপুর-৪: টিপু মুনশি (আওয়ামী লীগ)<br />
রংপুর-৫: মো. জাকির হোসেন সরকার (স্বতন্ত্র)<br />
রংপুর-৬: ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">দিনাজপুর-১: মো. জাকারিয়া (স্বতন্ত্র)<br />
দিনাজপুর-২: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (আওয়ামী লীগ<br />
দিনাজপুর-৩: ইকবালুর রহিম (আওয়ামী লীগ)<br />
দিনাজপুর-৪: আবুল হাসান মাহমুদ আলী (আওয়ামী লীগ)<br />
দিনাজপুর-৫: মোস্তাফিজুর রহমান (আওয়ামী লীগ)<br />
দিনাজপুর-৬: মো. শিবলী সাদিক (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">নীলফামারী-১: মো. আফতাব উদ্দিন সরকার (আওয়ামী লীগ)<br />
নীলফামারী-২: আসাদুজ্জামান নূর (আওয়ামী লীগ)<br />
নীলফামারী-৩: মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল (স্বতন্ত্র<br />
নীলফামারী-৪: সিদ্দিকুল আলম (স্বতন্ত্র)</p>
<p style="text-align: justify;">কুড়িগ্রাম-১: এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান (জাতীয় পার্টি)<br />
কুড়িগ্রাম-২: মো. হামিদুল হক খন্দকার (স্বতন্ত্র)<br />
কুড়িগ্রাম-৩: সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে (আওয়ামী লীগ)<br />
কুড়িগ্রাম-৪: মো. বিপ্লব হাসান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">পঞ্চগড়-১: মো. নাঈমুজ্জামান ভুঁইয়া মুক্তা (আওয়ামী লীগ)<br />
পঞ্চগড়-২: মো. নুরুল ইসলাম সুজন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">লালমনিরহাট-১: মোতাহার হোসেন (আওয়ামী লীগ)<br />
লালমনিরহাট-২: নুরুজ্জামান আহমেদ (আওয়ামী লীগ)<br />
লালমনিরহাট-৩:  অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">ঠাকুরগাঁও-১: রমেশ চন্দ্র সেন (আওয়ামী লীগ)<br />
ঠাকুরগাঁও-২: মো. মাজহারুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)<br />
ঠাকুরগাঁও-৩: হাফিজ উদ্দিন (জাতীয় পার্টি)</p>
<p style="text-align: justify;">গাইবান্ধা-১: আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার (স্বতন্ত্র)<br />
গাইবান্ধা-২: শাহ সারোয়ার কবীর (স্বতন্ত্র)<br />
গাইবান্ধা-৩: উম্মে কুলসুম স্মৃতি (আওয়ামী লীগ)<br />
গাইবান্ধা-৪: মো. আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ)<br />
গাইবান্ধা-৫: মাহমুদ হাসান রিপন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">জয়পুরহাট-১: সামছুল আলম দুদু (আওয়ামী লীগ<br />
জয়পুরহাট-২: আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (আওয়ামী লীগ)</p>
<p style="text-align: justify;">বিডি প্রতিদিন/আজাদ</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দ্বাদশ সংসদ : আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/33325/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/33325/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Dec 2023 06:24:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=33325</guid>

					<description><![CDATA[দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত স্মার্ট সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। আজ বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ ইশতেহার ঘোষণার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত স্মার্ট সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">আজ বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এ ইশতেহার ঘোষণা করছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর বক্তব্যের শুরুতে সরকারের অর্জনগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। বাঙালিদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি।</p>
<p style="text-align: justify;">মাথাপিছু আয়, জিডিপি ও বাজেটের আকার, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ নানা খাতের সরকারের অর্জনগুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p style="text-align: justify;">ইশতেহারে <strong>যে ১১ বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে-</strong></p>
<p style="text-align: justify;">১. দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।</p>
<p style="text-align: justify;">২. কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।</p>
<p style="text-align: justify;">৩. আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।</p>
<p style="text-align: justify;">৪. লাভজনক কৃষির লক্ষ্যে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।</p>
<p style="text-align: justify;">৫. দৃশ্যমান অবকাঠামোর সুবিধা নিয়ে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার ঘটানো।</p>
<p style="text-align: justify;">৬. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।</p>
<p style="text-align: justify;">৭. নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করা।</p>
<p style="text-align: justify;">৮. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় সবাইকে যুক্ত করা।</p>
<p style="text-align: justify;">৯. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।</p>
<p style="text-align: justify;">১০. সাম্প্রদায়িকতা এবং সব ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধ করা।</p>
<p style="text-align: justify;">১১. সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও চর্চার প্রসার ঘটানো।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/33325/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএনপি এক রাতেই সব নেতার মুক্তির প্রস্তাবেও ভোটে রাজি হয়নি: কৃষিমন্ত্রী</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/32685/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/32685/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 18 Dec 2023 07:00:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=32685</guid>

					<description><![CDATA[আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, নির্বাচনে আনার জন্য বিএনপি নেতাদের কারাগার থেকে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে বিএনপি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের এই বক্তব্যে নিজ দলের নেতারাই অস্বস্তিতে পড়েছেন। আর বিএনপির নেতারা করেছেন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, নির্বাচনে আনার জন্য বিএনপি নেতাদের কারাগার থেকে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে বিএনপি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের এই বক্তব্যে নিজ দলের নেতারাই অস্বস্তিতে পড়েছেন। আর বিএনপির নেতারা করেছেন সমালোচনা।</p>
<p style="text-align: justify;">সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ‘২০ হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার না করলে কি আর এই হরতালের দিন গাড়ি চলত? গণগ্রেপ্তার ছাড়া আমাদের কোনো গত্যন্তর ছিল না। যেটাই করা হয়েছে, আমরা চিন্তাভাবনা করেই করেছি।’</p>
<p style="text-align: justify;">আগামী ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বিএনপি, তার শরিক ও সমমনা দলগুলো। এই দলগুলো সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকার ও নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি পালন করছে।</p>
<p style="text-align: justify;">কৃষিমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার প্রচারের পর তাঁর বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তাঁর এমন বক্তব্যে আওয়ামী লীগের নেতারাও অস্বস্তি এবং বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ওই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে নির্বাচনে আসার আহ্বান সকলের জন্য একদম খোলা উঠোনে দাঁড়িয়ে বলেছি। কোনো ধরনের আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বা কাউকে বিশেষ সুবিধা বলেন, সুযোগ বলেন-এগুলো দিয়ে আমাদের দল কখনোই আলোচনা করেনি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ যদি করে থাকে, তাহলে সেটা তাঁর নিজস্ব ব্যাপার।’</p>
<p style="text-align: justify;">কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী বিএনপি এমন প্রস্তাব পেয়েছিল কি না-জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘বলতে পারব না এমন প্রস্তাব কার কাছে এসেছে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি ছাড় পেয়ে পুলকিত হয়ে সংসদে আসন ভাগাভাগির জন্য আন্দোলন করছে না; বরং বিএনপির এই আন্দোলন দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলন, মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।’</p>
<p style="text-align: justify;">ড. আব্দুর রাজ্জাকের বক্তব্যে উদ্বেগ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, ‘নির্বাচনে এলে জামিন দেওয়া হতো—তাঁর (আব্দুর রাজ্জাক) বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার অপব্যবহার করছে।’</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/32685/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>&#8216;আরব বসন্ত&#8217; ঘটতে পারে বাংলাদেশে, আশঙ্কা রাশিয়ার</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/357970/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Dec 2023 06:24:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=357970</guid>

					<description><![CDATA[নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো কাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র- এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে রাশিয়া। শুক্রবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আগামী কয়েক সপ্তাহে নিষেধাজ্ঞাসহ কয়েকটি পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে ওয়াশিংটন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করে আসছে রাশিয়া। এরই মধ্যে গত ২৩ নভেম্বর রাশিয়ার পররাষ্ট্র [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো কাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র- এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে রাশিয়া। শুক্রবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আগামী কয়েক সপ্তাহে নিষেধাজ্ঞাসহ কয়েকটি পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে ওয়াশিংটন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করে আসছে রাশিয়া। এরই মধ্যে গত ২৩ নভেম্বর রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা সবচেয়ে শুরুতর অভিযোগ করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সেদিন তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস অক্টোবর মাসে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যদিও ওয়াশিটংনের তরফে সরাসরি মস্কোর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। শুক্রবারের বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো পরিস্থিতি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">তার আগে (আগামী কয়েক সপ্তাহে) বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাসহ আরও কয়েকটি চাপ প্রয়োগ করতে পারে ওয়াশিংটন। বাইডেন প্রশাসনের টার্গেট হতে পারে বাংলাদেশের প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।</p>
<p style="text-align: justify;">সেইসঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার দায়ে অনেক কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযোগ আনবে বলে মন্তব্য করেছেন জাখারোভা</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ, সড়কে যান চলাচল বন্ধ, বাস পোড়ানো এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এসব ঘটনার সঙ্গে ঢাকায় পশ্চিমা একটি কূটনৈতিক মিশনের সন্দেহজনক কার্যকলাপের সংযোগ দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিরোধীদের সঙ্গে বৈঠক, যা নিয়ে গত ২২ শে নভেম্বরের ব্রিফিংয়ে আমরা কথা বলেছি।</p>
<p style="text-align: justify;">৭ই জানুয়ারীর নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই নির্বাচনে যদি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন না ঘটে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘আরব বসন্ত’-এর আদলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল করার চেষ্টার করতে পারে। এমনটি &#8216;দুর্ভাগ্যজনক&#8217; হবে মন্তব্য করে জাখারোভা বলেন, শাসন ক্ষমতার প্রশ্নে বহিরাগত যে কোন শক্তির &#8216;ষড়যন্ত্র&#8217; মোকাবিলা করে শেষ পর্যন্ত বন্ধুপ্রতীম বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে বিশ্বাস করে রাশিয়া।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>টিআইবি : অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি না</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/352516/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Nov 2023 09:00:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=352516</guid>

					<description><![CDATA[ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, তফসিল ঘোষণার আগে ও পরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এ পর্যবেক্ষণে আমাদের বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে যে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ বলতে যা বোঝায়, তা আমরা এবারও দেখতে পাচ্ছি না। এটি আমাদের উদ্বেগের বড় কারণ। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, তফসিল ঘোষণার আগে ও পরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এ পর্যবেক্ষণে আমাদের বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে যে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ বলতে যা বোঝায়, তা আমরা এবারও দেখতে পাচ্ছি না। এটি আমাদের উদ্বেগের বড় কারণ।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চর্চার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, নির্বাচনি শুদ্ধাচার চর্চা, আইনের শাসন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধ, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, তথ্য অধিকার, তথ্য ও উপাত্ত সুরক্ষা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, আর্থিক খাত ও সরকারি ব্যয়ে সুশাসন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ুর পরিবর্তন শীর্ষক ১২টি আলাদা পয়েন্টে ৭৬ দফা সুপারিশমালা তুলে ধরা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, হয়ত এই নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে ক্ষমতায় কারা অধিষ্ঠিত থাকবেন সেটিও নির্ধারণ করার সুযোগ হবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটের অধিকারের যে নির্বাচন সেটি নিশ্চিত করা যাবে না। এই নির্বাচনের ওপর জনগণের আস্থা বা ভোটের ওপর জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা অসম্ভব হবে বলে মনে করি।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে বহাল থাকায় নির্বাচনে দলীয় বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্বার্থের দ্বন্দ্ব মুক্ত ভূমিকা পালন করার জন্য। যখন একটি দল ক্ষমতায় নির্বাচিত হয়, সেই দলটি দেশের সরকার হিসেবে নির্বাচিত হয়। তখন সেই সরকার আর কোনো দলের সরকার থাকে না। কিন্তু সেই সরকারের সরকার প্রধান যদি স্বপ্রণোদিতভাবে দলীয় নেতৃত্বের অবস্থান থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে প্রতীকী অর্থে হলেও সবার সরকার প্রধান হিসেবে বা সব দলের সরকার হিসেবে নিজেকে তার ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, সংসদের স্পিকারের ক্ষেত্রেও একই কথা। স্পিকার যখন নির্বাচিত হন তখন আর কোনোদলের প্রতিনিধি থাকেন না। তখন তিনি সব এমপির স্পিকার। প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের ক্ষেত্রে এই দুই বিষয় নিশ্চিত করতে পারলেই স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত ভূমিকা অর্জন করা সম্ভব। এই পরামর্শগুলো আমরা আজকে নতুন দিচ্ছি না।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ২০০৮ সালেও আমরা একই পরামর্শ দিয়েছি। সে সময় নির্বাচনের পরেও আমরা এই পরামর্শ দিয়েছিলাম, তবে কাজ হয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা এই পরামর্শগুলো দিয়ে যাচ্ছি।</p>
<p style="text-align: justify;">সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনসহ তথ্য অধিকার ও আইনের শাসন নিয়ে ৯টি ক্ষেত্রে ৭৬টি সুপারিশ করেছে টিআইবি। সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পুনরায় না ভোটের প্রচলন করা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সংসদীয় আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল বাতিল করার ক্ষমতা রহিত করার মাধ্যমে ইসির ক্ষমতা সংকুচিত করার ধারা পরিবর্তন করা। বিচার বিভাগের নিয়োগ, পদায়ন ও বদলিসহ বিচার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। সৎ সরকারি কর্মচারীদের হয়রানি বন্ধ করা ইত্যাদি।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিইসি: নির্বাচনে বাইরের থাবা এসে পড়েছে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/41796/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/41796/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Nov 2023 08:03:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=41796</guid>

					<description><![CDATA[প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের নির্বাচনে বাহির থেকেও থাবা, হাত এসে পড়েছে। তারা থাবা বিস্তার করে রেখেছে। আমাকে যেভাবে ইউনাইটেড স্টেট কমান্ড করতে পারে। আমি সেভাবে ইউনাইটেড স্টেটেসে গিয়ে হুমকি-ধামকি দিতে পারছি না, পারব না। এটা আরেকটা বাস্তবতা। সোমবার আগারগাওঁয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিচারিক হাকিমদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। সিইসি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের নির্বাচনে বাহির থেকেও থাবা, হাত এসে পড়েছে। তারা থাবা বিস্তার করে রেখেছে। আমাকে যেভাবে ইউনাইটেড স্টেট কমান্ড করতে পারে। আমি সেভাবে ইউনাইটেড স্টেটেসে গিয়ে হুমকি-ধামকি দিতে পারছি না, পারব না। এটা আরেকটা বাস্তবতা।</p>
<p style="text-align: justify;">সোমবার আগারগাওঁয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিচারিক হাকিমদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সিইসি বলেন, “ওরা (বিদেশি) একটাই দাবি করে যে, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হতে হবে এবং কোনোরকম কারচুপির আশ্রয় নেওয়া যাবে না। এই নির্বাচনের ফেয়ারনেসকে উপলক্ষ করে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে গেছে। এটি কাঙ্ক্ষিত ছিল না। সেজন্যই বলা হয় ক্রেডিবল ইলেকশন। ইলেকশন জিনিসটা কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য, চোখে দেখা যায় না, যাবেও না।</p>
<p style="text-align: justify;">“তারপরেও বলা হয় নির্বাচন ক্রেডিবল, ফ্রি হয়েছে কিনা, ফেয়ার হয়েছে কিনা। এই পাবলিক পারসেপশনের কোনো মানদণ্ড নেই। তবুও জনগণকে বলতে হবে নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়েছে। সার্বিকভাবে যদি জনগণ বলে থাকে যে, এবারের নির্বাচনটা ফ্রি ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হয়েছে, তাহলে এটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আমরা একটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন চাচ্ছি।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/41796/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের প্রার্থী যারা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/350416/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Nov 2023 10:35:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=350416</guid>

					<description><![CDATA[প্রতীক্ষার অবসান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ঘোষণা করল আওয়ামী লীগ। ভোটের মাঠে নির্বাচনি লড়াইয়ে আওয়ামী লীগের বাগানের হাজার হাজার ফুলের মধ্য দিয়ে তিনশ আসনে সবচেয়ে সুন্দর ফুলগুলো বেঁচে নিলেন তারা। দলটির হাইকমান্ড বলেছিলেন, বাগানে শত ফুল ফুটতে দিন। যে ফুলটি সবচেয়ে সুন্দর সেটি বেছে নেব। রোববার (২৬ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতীক্ষার অবসান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ঘোষণা করল আওয়ামী লীগ। ভোটের মাঠে নির্বাচনি লড়াইয়ে আওয়ামী লীগের বাগানের হাজার হাজার ফুলের মধ্য দিয়ে তিনশ আসনে সবচেয়ে সুন্দর ফুলগুলো বেঁচে নিলেন তারা। দলটির হাইকমান্ড বলেছিলেন, বাগানে শত ফুল ফুটতে দিন। যে ফুলটি সবচেয়ে সুন্দর সেটি বেছে নেব।</p>
<p>রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকাল চারটার পর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ওবায়দুল কাদের।</p>
<p>প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গত কয়েকদিন সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড সভায় ৩০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ। শনিবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের প্রার্থী মনোনয়নের মধ্য দিয়ে সব আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়। এর আগে বৃহস্পতি ও শুক্রবার ছয় বিভাগের প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়।<br />
এবার জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশায় সর্বমোট ৩,৩৬২ টি ফরম বিক্রি হয়। ফরম বিক্রি বাবদ দলের আয় হয় ১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা।</p>
<p>মনোনীত প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার পর সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেখানে মনোনয়ন-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানা গেছে।</p>
<p>তার আগে সকালে গণভবনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দলটির সভাপতি ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ হাসিনা। সেখানে দল ঘোষিত প্রার্থীদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ব্যাপার আহ্বান জানান তিনি। টানা চতুর্থবারের মতো দলকে ক্ষমতায় আনতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীর প্রতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p><strong>আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা দেখে নিন-</strong></p>
<p>ঢাকা-১ সালমান এফ রহমান<br />
ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম<br />
ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ<br />
ঢাকা-৪ সানজিদা খানম<br />
ঢাকা-৫ হারুন অর রশিদ<br />
ঢাকা-৬ সাঈদ খোকন<br />
ঢাকা-৭ সোলায়মান সেলিম<br />
ঢাকা-৮ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম<br />
ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী<br />
ঢাকা-১০ ফেরদৌস আহমেদ<br />
ঢাকা-১১ ওয়াখিল উদ্দিন<br />
ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান<br />
ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক<br />
ঢাকা-১৪ মাঈনুল হোসেন নিখিল<br />
ঢাকা-১৫ আহমেদ মজুমদার<br />
ঢাকা-১৬ রিয়াজ মোল্লা<br />
ঢাকা-১৭ মোহাম্মদ আলী<br />
ঢাকা-১৮ মো. হাবিব হাসান<br />
ঢাকা-১৯ মো. এনামুর রহমান<br />
ঢাকা-২০ বেনজীর আহমদ</p>
<p>গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক।<br />
গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল।<br />
গাজীপুর-৩ রুমানা আলি টুসি।<br />
গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি।<br />
গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ চুমকি।</p>
<p>নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী<br />
নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু<br />
নারায়ণগঞ্জ-৩ আব্দুল্লাহ আল কায়সার<br />
নারায়ণগঞ্জ-৪ শামীম ওসমান</p>
<p>ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. শাহজাহান আলম সাজু<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩  উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিছুল হক<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ ফয়জুর রহমান<br />
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এ.বি. তাজুল ইসলাম</p>
<p>নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম</p>
<p>কুমিল্লা-১ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর<br />
কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ মেরি<br />
কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন<br />
কুমিল্লা-৪ রাজী মুহম্মদ ফখরুল<br />
কুমিল্লা-৫ আবুল হাশেম<br />
কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহা উদ্দিন বাহার<br />
কুমিল্লা-৭ প্রাণ গোপাল দত্ত<br />
কুমিল্লা-৮ আবু জাফর মো. শফিউদ্দিন<br />
কুমিল্লা-৯ মো: তাজুল ইসলাম<br />
কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল<br />
কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক মুজিব</p>
<p>পঞ্চগড়-১ নাইমুজ জামান ভুইয়া<br />
পঞ্চগড়-২ নুরুল ইসলাম সুজন<br />
ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন<br />
ঠাকুরগাঁও-২ মাজহারুল ইসলাম</p>
<p>দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল<br />
দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী<br />
দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম<br />
দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী<br />
দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার<br />
দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক</p>
<p>যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন<br />
যশোর-২ ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন<br />
যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ<br />
যশোর-৪ এনামুল হক বাবুল<br />
যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য<br />
যশোর-৬ শাহীন চাকলাদার</p>
<p>নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার<br />
নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান বাবলু সরকার<br />
নওগাঁ-৩ সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী<br />
নওগাঁ-৪ এড. নাহিদ মোর্শেদ<br />
নওগাঁ-৫ আসন ব্যারিস্টার নিজামউদ্দিন জলিল জন<br />
নওগাঁ-৬ আনোয়ার হোসেন হেলাল</p>
<p>নীলফামারী-১ আফতাব উদ্দিন সরকার<br />
নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর<br />
নীলফামারী-৩ গোলাম মোস্তফা<br />
নীলফামারী-৪ জাকির হোসেন বাবু</p>
<p>লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন<br />
লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ<br />
লালমনিরহাট-৩ মতিয়ার রহমান</p>
<p>রংপুর-১ রেজাউল করিম<br />
রংপুর-২ আহসানুল হক চৌধুরী</p>
<p>বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ<br />
বরিশাল-২ তালুকদার<br />
বরিশাল-৩ সরদার মোহাম্মদ<br />
বরিশাল-৪ শাম্মী আহমেদ<br />
বরিশাল-৫ জাহিদ খালেক</p>
<p>মাগুরা-১ সাকিব আল হাসান</p>
<p>ওবায়দুল কাদের জানান, দুটি আসনের প্রার্থীর নাম আজ প্রকাশিত হবে না। একটি হলো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন এবং আরেকটি কুষ্টিয়া-২ আসন।</p>
<p>এর আগে, সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় বেশির ভাগ আসনের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হলেও কৌশলগত কারণে সে তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছিল না। চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের আগে সকাল ১০টার পর গণভবনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় তিনি বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ পাস করে আসতে পারবেন না। প্রত্যেক প্রার্থীকেই একজন করে দলীয় ডামি প্রার্থী রাখতে হবে।</p>
<p>তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ৩ হাজার ৩৬২ জন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.shomoyeralo.com/2023/05/29/salo_1685305165.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>বিরোধী জোটের ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/40989/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/40989/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Nov 2023 03:00:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=40989</guid>

					<description><![CDATA[একতরফা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে ও সরকার পতনের দাবিতে বিরোধী জোটের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে। রবিবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে সর্বাত্মক এই হরতাল কর্মসূচি চলবে। এর আগে শনিবার (১৮ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সর্বস্তরের জনগণ ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">একতরফা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে ও সরকার পতনের দাবিতে বিরোধী জোটের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে। রবিবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে সর্বাত্মক এই হরতাল কর্মসূচি চলবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে শনিবার (১৮ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সর্বস্তরের জনগণ ও বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন ও সফল করার আহ্বান জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, জনগণের হারানো সব অধিকার পুনরুদ্ধার এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ হরতাল। দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর জন্যও এই হরতাল।</p>
<p style="text-align: justify;">হরতাল কার্যকর করতে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের সাহসের সঙ্গে রাজপথে নামার আহ্বান জানান রিজভী। তিনি একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনের তফসিল বাতিলের আহ্বান জানান।</p>
<article></article>
<article></article>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/40989/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/11/19/080640_bangladesh_pratidin_zzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzz.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/344534/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Nov 2023 10:04:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=344534</guid>

					<description><![CDATA[দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়েছে। আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে এই তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। টেলিভিশন ও রেডিওতে জাতির উদ্দেশে তিনি সরাসরি ভাষণ দেবেন। বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div>
<p style="text-align: justify;">দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়েছে। আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে এই তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। টেলিভিশন ও রেডিওতে জাতির উদ্দেশে তিনি সরাসরি ভাষণ দেবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানান।</p>
<p style="text-align: justify;">রীতি অনুযায়ী বরাবরই সিইসি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তবে সেই ভাষণটি আগে থেকেই রেকর্ড করে রাখা হয়। নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারসহ অন্যান্য গণমাধ্যমে সেটি প্রচার করা হয়। তবে এবারই প্রথম রেকর্ডেড ভাষণ প্রচারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন সিইসি। ইসি সচিব সংবাদ সম্মেলনে জানান, সিইসির জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ টেলিভিশন ও বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসির একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বছরও রীতি অনুযায়ী সিইসির ভাষণ রেকর্ড করেই গণমাধ্যমে প্রচারের পক্ষে মত এসেছিল ইসির বেশির ভাগ অংশ থেকে। তবে অন্য একটি অংশ ভাষণ রেকর্ড না করে সরাসরি সম্প্রচারের পক্ষে অবস্থান নেয়। শেষ পর্যন্ত রীতি ভেঙে সরাসরি প্রচারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হয়। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল এরই মধ্যে তার ভাষণের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছেন বলেও জানিয়েছে ইসির ওই সূত্র।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সিইসির জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগে আজ বুধবার বিকেল ৫টায় ২৬তম কমিশন সভায় বসবে ইসি। ওই সভাতেই তফসিলের বাকি বিষয়গুলো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছিল ওই বছরের ৮ নভেম্বর। ওই সময়কার সিইসি কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে তফসিল ঘোষণা করেন। ওই ভাষণটিও আগে থেকেই রেকর্ড করা ছিল।</p>
<p style="text-align: justify;">তবে গত নির্বাচনের আগে প্রথম তফসিলে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৩ ডিসেম্বর। পরে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নির্বাচন এক মাস পেছানোর দাবির মুখে এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ রেখে ১২ নভেম্বর পুনঃতফসিল ঘোষণা করেন ওই সময়ের সিইসি কে এম নূরুল হুদা।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে সাধারণত তফসিল ঘোষণার দিন থেকে নির্বাচন পর্যন্ত ৪৫ থেকে ৬০ দিন সময় হাতে রাখা হয়। গত বছর প্রথম তফসিলে তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ৪৫ দিন হিসাব করে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর পুনঃতফসিলের দিন থেকে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছিল ৪৯ দিন।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসির সূত্রগুলো বলছে, এবার এই সময় হতে পারে ৫২ থেকে ৫৩ দিন। সে হিসেবে ভোট হতে পারে ৬ বা ৭ জানুয়ারি।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.dailyjanakantha.com/media/imgAll/2023May/1-2311141719.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ২৪০ কর্মকর্তা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/49835/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/49835/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Nov 2023 07:00:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=49835</guid>

					<description><![CDATA[প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৪০ জন কর্মকর্তা। শনিবার এ পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাস ও মিশনে থাকা ৯ জন সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন। চলতি সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ জাতীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৪০ জন কর্মকর্তা। শনিবার এ পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাস ও মিশনে থাকা ৯ জন সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চলতি সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। তফশিল ঘোষণার পরেই শুরু হবে নির্বাচনকালীন সরকার। এরমধ্যে প্রশাসনে এ পদোন্নতি দেওয়া হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন উপ-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/49835/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/11/11/140919_bangladesh_pratidin_govt-bdp-new-bdp.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>অবরোধের আগে বিভিন্ন স্থানে ১২টি আগুনের ঘটনা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/336621/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 05 Nov 2023 00:00:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=336621</guid>

					<description><![CDATA[সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে বিএনপির ডাকা প্রথম ধাপে ৭২ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ শেষ হয়েছে। রবিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে দ্বিতীয় ধাপের টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির শরীক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও দুই দিনের অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। এদিকে অবরোধ শুরুর আগের রাতে শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রবিবার সকাল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে বিএনপির ডাকা প্রথম ধাপে ৭২ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধ শেষ হয়েছে। রবিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে দ্বিতীয় ধাপের টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির শরীক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও দুই দিনের অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে অবরোধ শুরুর আগের রাতে শনিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রবিবার সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে ১২টি আগুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল।</p>
<p style="text-align: justify;">এরমধ্যে ঢাকা সিটিতে ৭টি, ঢাকা বিভাগে (নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর) ২টি, রাজশাহী বিভাগ (সিরাজগঞ্জ) ১টি, বরিশাল (চরফ্যাশন) ১টি, রংপুর (পীরগঞ্জ) ১টি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৯টি বাস, ১টি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় পুড়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify;">আগুন লাগানোর ঘটনা শুরু হয় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। রাজধানীর নিউমার্কেটে গাউছিয়া মার্কেট এর সামনে মিরপুর লিংক বাসে আগুন লাগানোর মধ্যদিয়ে। এরপর ৫ মিনিট পর এলিফ্যান্ট রোডে গ্রীন ইউনিভার্সিটির বাসে আগুন লাগানো হয়। রাত ৮ টার কিছু আগে সায়েদাবাদের জনপথ মোড়ে রাইদা পরিবহনের বাসে আগুন লাগায় দুর্বত্তরা। রাত ১০টার দিকে আগুন লাগানো হয় গুলিস্তান পাতাল মার্কেটের সামনে মনজিল পরিবহনে। রাত পৌণে ১২টার দিকে আগুন লাগানো হয় নারায়ণগঞ্জের সাইবোর্ডে আনাবিল বাসে। তিন মিনিটের ব্যবধানে ভোলার চরফ্যাশনের নতুন বাস স্টান্ডে যমুনা এক্সপ্রেস নামে বাসে আগুন দেয়া হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">রাত তিনটা বাজার পাঁচ মিনিট আগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। ভোর ৪টার ৮ মিনিট আগে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের তিন রাস্তার মোড় এলাকায় গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোর ৪টার দিকে ডেমরার মাতুয়াইলের সাদ্দাম মার্কেটে আরেকটি বাসে আগুন লাগানো হয়। একই সময়ে শ্যামপুরে জুরাইন বালুর মাঠে তুরাগ বাসে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। ভোর সোয়া ৫টার দিকে মিরপুর ৬ নাম্বারে একটি বাসে আগুন দেয়া হয়। ভোর সাড়ে ৬টার আগে গাজীপুরে বাসে আগুন দেয়ার খবর পাওয়া যায়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://tds-images-bn.thedailystar.net/sites/default/files/styles/big_202/public/images/2023/10/28/fire_truck_on_fire.jpg?itok=ua9EpxIS&#038;timestamp=1698512300" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঢাকায় রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নিন্দা</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/336616/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Oct 2023 16:00:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[পুলিশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=336616</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকায় শনিবার (২৮ অক্টোবর) সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র। আজ সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ তাদের এক্স হ্যান্ডলারে এই প্রতিক্রিয়া জানায়। পোস্টে বলা হয়েছে, ঢাকায় আজকের রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা সব পক্ষকে শান্ত ও সংযমের আহ্বান জানাই এবং সম্ভাব্য ভিসা নিষেধাজ্ঞার জন্য সমস্ত সহিংস ঘটনা পর্যালোচনা করব। The [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;"><strong>ঢাকায় শনিবার (২৮ অক্টোবর) সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র। আজ সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ তাদের এক্স হ্যান্ডলারে এই প্রতিক্রিয়া জানায়।</strong></p>
<p style="text-align: justify;">পোস্টে বলা হয়েছে, ঢাকায় আজকের রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা সব পক্ষকে শান্ত ও সংযমের আহ্বান জানাই এবং সম্ভাব্য ভিসা নিষেধাজ্ঞার জন্য সমস্ত সহিংস ঘটনা পর্যালোচনা করব।</p>
<blockquote class="twitter-tweet">
<p dir="ltr" lang="en">The United States condemns today&#8217;s political violence in Dhaka. We call for calm and restraint on all sides and will review all violent incidents for possible visa restrictions.</p>
<p>— State_SCA (@State_SCA) <a href="https://twitter.com/State_SCA/status/1718270502035206636?ref_src=twsrc%5Etfw">October 28, 2023</a></p></blockquote>
<p><script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></p>
<p class="alignfull" style="text-align: justify;">এদিকে পররাষ্ট্র দপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডনাল্ড লু ভয়েস অব আমেরিকাকে পাঠানো এক বার্তায় বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশে সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছে। একজন পুলিশ অফিসার ও একজন রাজনৈতিক কর্মীর নিহত হওয়া ও একটি হাসপাতালে আগুন দেয়ার, যে ঘটনাগুলোর খবর জানা গেছে তা গ্রহণযোগ্য নয়, যেমন নয় সাংবাদিকসহ নাগরিকদের ওপর চালানো সহিংসতা। আমরা সব পক্ষকে শান্ত থাকার ও সংযম দেখানোর আহবান জানাই। সম্ভাব্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে আমরা সকল সহিংসতার ঘটনাগুলোকে পর্যালোচনা করবো।’</p>
<p class="alignfull" style="text-align: justify;">শনিবার ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দুজন নিহত হন।</p>
<p class="alignfull" style="text-align: justify;">ঢাকা ছিল রণক্ষেত্র। মুখোমুখি সংঘর্ষে পুলিশ ও বিএনপি। আহত ১৫ সাংবাদিক। পণ্ডহয়ে গেছে বিএনপির মহাসমাবেশও। প্রতিবাদে রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.ittefaq.com/contents/cache/images/1100x618x1/uploads/media/2023/10/28/443c4519c44ec3357ad8316236d86a09-653d286460aad.jpg?jadewits_media_id=136400" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জনসমুদ্র নয়াপল্টন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/336186/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Oct 2023 06:40:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিক্ষোভ ও সমাবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=336186</guid>

					<description><![CDATA[সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ ভোর থেকেই নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। নেতাকর্মীদের মিছিল, শ্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা নয়াপল্টন এলাকা। তাদের হাতে দলীয় ও জাতীয় পতাকা শোভা পাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েক হাজার নেতাকর্মী ভোর থেকে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তাদের খণ্ড খণ্ড [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আজ ভোর থেকেই নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। নেতাকর্মীদের মিছিল, শ্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা নয়াপল্টন এলাকা। তাদের হাতে দলীয় ও জাতীয় পতাকা শোভা পাচ্ছে।</p>
<p style="text-align: justify;">দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েক হাজার নেতাকর্মী ভোর থেকে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তাদের খণ্ড খণ্ড মিছিল করতে দেখা যায়। সেসব মিছিল থেকে সরকারবিরোধী ও বিএনপির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এরই মধ্যে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে পল্টন থানা পর্যন্ত কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে, নেতা-কর্মীদের অবস্থানের কারণে নয়াপল্টনে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত এক পাশের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্য পাশেও খুবই সীমিত আকারে চলছে রিকশা ও মোটরসাইকেলের মতো যানবাহন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থা সৃষ্টি না হয় সেজন্য নয়াপল্টনে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শতাধিক পুলিশ সদস্যকে নয়াপল্টনের বিভিন্ন মোড়ে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। পাশাপাশি পুলিশের সাঁজোয়া যানও দেখা গেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সামনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ মহাসমাবেশের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ করেছে দলটি। দলীয় কার্যালয়ের সামনে আটটি পিকআপ ভ্যান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মহাসমাবেশের মঞ্চ। লাগানো হয়েছে ব্যানার।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির এ মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় নেতারা। সভাপতিত্বে করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সঞ্চালনা করবেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লিটন মাহমুদ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<blockquote><p><span style="color: #ff0000;"><strong>নয়াপল্টনের মহাসমাবেশে জড়ো হয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা</strong></span></p></blockquote>
<p style="text-align: justify;">সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক দফা দাবিতে ডাকা নয়াপল্টনের মহাসমাবেশে জড়ো হয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মী, সমর্থকেরা।</p>
<p style="text-align: justify;">শনিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টায় রাজধানীতে মহাসমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও সকাল ১১টার মধ্যে সমাবেশস্থল এবং এর আশপাশের সড়ক, গলি, চৌরাস্তাসহ সড়কসংযোগ ও ফাঁকা জায়গায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, মৎসভবন এলাকায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মিছিল করতে দেখা যায়। সেগুনবাগিচা মাদকনিয়ন্ত্রণ অধিদফরের মোড়, শিল্পকলা একাডেমির উত্তর গেট, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, কাকরাইল মোড়, বিজয়গনর মোড়, নাইটিঙ্গেল মোড়, কালভার্টরোড, বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনের সড়কসহ আশপাশের সড়কে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিত চোখে পড়ে। খালেদা জিয়ার মুক্তি, প্রধামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশে অংশ নিতে আসা এসব নেতা-কর্মীর হাতে বিএনপির দলীয় পতাকা, নিজ নিজ ইউনিটের দায়িত্বশীল নেতাদের সৌজন্যে পাওয়া ছবি সম্বলিত টি শার্ট, ক্যাপ, হেডার, হেড ব্যাজ, ব্যানার, ফেস্টুন রয়েছে। কেউ কেউ শরীরের দলীয় পতাকার ট্যাটু করে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর অনেক রাস্তায় যান চলাচল কম দেখা গেছে। সড়কে গণপরিবহন ছিল হাতেগোনা। অনেককেই অপেক্ষা করতে দেখা যায় গণপরিবহনের জন্য। সুযোগ বুঝে রিকশা চালকের ভাড়া নিচ্ছেন দিগুণ- এমন অভিযোগ সাধারণ যাত্রীদের।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে শনিবার ভোর থেকেই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং এর আশপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তারা। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে তাদের।</p>
<p style="text-align: justify;">সমাবেশস্থল নয়াপল্টনে পশ্চিম পাশ ছাড়াও পূর্ব পাশে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থি হয়েছেন। রাজধানীর কমলাপুর, পুরানা পল্টন, শাহজাহানপুর এলাকা দিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে আসছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। অনেকেই আবার সমাবেশ স্থল থেকে অনেক দূরে অনুসারীদের নিয়ে অবস্থান করছেন। কিছুক্ষণ পর পর মিছিল নিয়ে রাউন্ড দিচ্ছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify;">বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন, কাকরাইল, বিজয়নগর এবং এর আশপাশের এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<blockquote><p><em><span style="color: #ff0000;"><strong>যুক্তরাষ্ট্রে উজরা জেয়ার সঙ্গে সালমান এফ রহমানের বৈঠক</strong></span></em></p></blockquote>
<p style="text-align: justify;">যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">উজরা জেয়া এবং সালমান এফ রহমান তাদের নিজ নিজ টুইটার একাউন্টে বৈঠকের তথ্য প্রকাশ করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সালমান এফ রহমান জানান, উজরা জেয়ার সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত। আমরা বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়ানোসহ বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা একমত যে গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনের একমাত্র উপায় নির্বাচন। আসন্ন নির্বাচন যেন অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে বিষয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। আন্ডার সেক্রেটারি জেয়া নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে না বরং বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা দেখতে আগ্রহী।</p>
<p style="text-align: justify;">টুইটারে উজরা জেয়া বলেন, সালমান এফ রহমানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন হয়েছে। আমাদের ভাগ করা উদ্বেগের ব্যাপারে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রদান, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার বিষয়।</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, গত ১১-১৪ জুলাই উজরা জেয়া ঢাকা সফর করেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু এবং ইউএসএইডের এশিয়া ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিটেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রের অঞ্জলী কৌর।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.dhakatimes24.com/assets/news_photos/2023/09/09/image-323013-1694259590.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব আজ ঢাকায় আসছেন</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/287714/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 Sep 2023 04:00:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতিসংঘ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=287714</guid>

					<description><![CDATA[তিন দিনের সফরে আজ শনিবার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব কান্নি উইগনারাজা। তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আঞ্চলিক পরিচালক। কান্নি উইগনারাজা ৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন। ঢাকায় ইউএনডিপি কার্যালয় জানায়, জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব কান্নি কক্সবাজারে ও নোয়াখালীর ভাসানচরে যাবেন। সেখানে তিনি আশ্রিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সঙ্গে দেখা করবেন। কান্নি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">তিন দিনের সফরে আজ শনিবার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব কান্নি উইগনারাজা। তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আঞ্চলিক পরিচালক।</p>
<p style="text-align: justify;">কান্নি উইগনারাজা ৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ঢাকায় ইউএনডিপি কার্যালয় জানায়, জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব কান্নি কক্সবাজারে ও নোয়াখালীর ভাসানচরে যাবেন। সেখানে তিনি আশ্রিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সঙ্গে দেখা করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কান্নি জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/09/09/113037_bangladesh_pratidin_un.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>সর্বজনীন পেনশনে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/309258/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 17 Aug 2023 09:07:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=309258</guid>

					<description><![CDATA[দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা বিবেচনা করে আজ থেকে চালু হয়েছে বহুল আলোচিত সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা। ১৮ বছর থেকে ৫০ বছরের বেশি বয়সী সকল বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে এ পেনশন পদ্ধতি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে গতকাল বুধবার পেনশন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা বিবেচনা করে আজ থেকে চালু হয়েছে বহুল আলোচিত সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা। ১৮ বছর থেকে ৫০ বছরের বেশি বয়সী সকল বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্বোধন করেছে সরকার।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে এ পেনশন পদ্ধতি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।</p>
<p style="text-align: justify;">এর আগে গতকাল বুধবার পেনশন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। ওয়েবসাইটের ঠিকানা www.upension.gov.bd। এতে বলা হয়েছে, ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ করে আপনার ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। ’ ওয়েবসাইটের ঠিকানায় পেনশন স্কিমগুলো সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য উল্লেখ করা আছে।</p>
<p style="text-align: justify;">জানা গেছে, শুরুতে চার শ্রেণির ব্যক্তি পেনশন কর্মসূচির আওতায় আসছেন। তারা হচ্ছেন-প্রবাসী বাংলাদেশি, বেসরকারি চাকরিজীবী, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কর্মী এবং অসচ্ছল ব্যক্তি। এছাড়া এই সর্বজনীন পেনশনের আওতায় চারটি স্কিম রয়েছে। চার স্কিমের মধ্যে রয়েছে-প্রবাস স্কিম (প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য), প্রগতি স্কিম (বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য), সুরক্ষা স্কিম (স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য) এবং সমতা স্কিম (স্বকর্মে নিয়োজিত স্বল্প আয়ের নাগরিকদের জন্য)। এসব স্কিমে চাঁদার হার কত হবে তাও নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রবাস স্কিম</p>
<p style="text-align: justify;">বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক তফসিলে বর্ণিত চাঁদার সমপরিমাণ অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় প্রদান করে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করিতে পারবেন এবং তিনি দেশে প্রত্যাবর্তনের পর সমপরিমাণ অর্থ দেশীয় মুদ্রায় পরিশোষ করতে পারবেন। প্রয়োজনে, স্কিম পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে পেনশন স্কিনের মেয়াদ পূর্তিতে পেনশনার দেশীয় মুদ্রায় পেনশন পাবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রগতি স্কিম</p>
<p style="text-align: justify;">বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক তফসিলে বর্ণিত হারে চাঁদা প্রদান করে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মচারীদের জন্য এই স্কিমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে স্কিমের চাঁদার ৫০ শতাংশ কর্মচারী এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান দেবে। কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই স্কিমে অংশগ্রহণ না করলে, ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী নিজ উদ্যোগে এককভাবে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সুরক্ষা স্কিম</p>
<p style="text-align: justify;">অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন-কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি, ইত্যাদি তফসিলে বর্ণিত হারে চাঁদা দিয়ে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">সমতা স্কিম</p>
<p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক, সময় সময়, প্রকাশিত আয় সীমার ভিত্তিতে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী আয়ের ব্যক্তিরা (যার বর্তমান আয় সীমা বাৎসরিক সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) তফসিলে বর্ণিত হারে চাঁদা দিয়ে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পেনশন সুবিধায় যা আছে</p>
<p style="text-align: justify;">**১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সকল কর্মক্ষম নাগরিক এই পেনশন সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন। প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিরাও এতে অংশ নিতে পারবেন। তবে সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিষয়ে পরে বিবেচনা করা হবে, কারণ এখন তারা সরকারিভাবেই একটি পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">**জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব নাগরিক পেনশন হিসাব খুলতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে এটা হবে ঐচ্ছিক। পরে তা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা আছে সরকারের।</p>
<p style="text-align: justify;">** ধারাবাহিকভাবে কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা জমা দিলে মাসিক পেনশন পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন একজন। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি পেনশন অ্যাকাউন্ট থাকবে। ফলে চাকরি বা পেশা পরিবর্তন করলেও পেনশন হিসাব অপরিবর্তিত থাকবে। মাসিক সর্বনিম্ন চাঁদার হার নির্ধারিত থাকবে। তবে প্রবাসীদের ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে চাঁদা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">**সুবিধাভোগীর বছরে ন্যূনতম বার্ষিক জমা নিশ্চিত করবেন। তা না হলে তাদের হিসাব সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। পরে বিলম্ব ফিসহ বকেয়া চাঁদা পরিশোধের মাধ্যমে হিসাব সচল হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">**পেনশনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (৬০ বছর) পূর্ণ হলে পেনশন তহবিলে পুঞ্জীভূত লভ্যাংশসহ জমার বিপরীতে নির্ধারিত হারে পেনশন দেওয়া হবে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রতি মাসে এই পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">**নির্ধারিত চাঁদা জমাকারী পেনশনে থাকাকালে ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মারা গেলে তার নমিনি সেই মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন। মূল জমাকারীর বয়স যে বছর ৭৫ বছর পূর্ণ হত, ওই বছর পর্যন্ত নমিনিকে এই পেনশন দেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">**পেনশন স্কিমে জমা করা অর্থ কোনোভাবেই কোনো পর্যায়ে এককালীন উত্তোলনের সুযোগ থাকবে না। তবে আবেদনের প্রেক্ষিতে জমা অর্থের ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে তোলা যাবে, যা সুদসহ পরিশোধ করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">**কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দেওয়ার আগেই নিবন্ধিত চাঁদা প্রদানকারী মারা গেলে জমা অর্থ মুনাফাসহ তার নমিনিকে ফেরত দেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">** পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসাবে বিবেচনা করে কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে। পেনশন বাবদ মাসিক যে অর্থ পাওয়া যাবে তা পুরোপুরি আয়কর মুক্ত থাকবে।</p>
<p style="text-align: justify;">**পেনশন কর্তৃপক্ষের খরচসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় সরকার বহন করবে। পেনশন কর্তৃপক্ষ তহবিলে জমা অর্থ নির্ধারিত গাইডলাইন অনুযায়ী বিনিয়োগ করবে এবং সর্বোচ্চ লাভের ব্যবস্থা করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">কত জমায় সর্বোচ্চ কত টাকা পাওয়া যাবে</p>
<p style="text-align: justify;">পেনশন তহবিলে জমা দেওয়া অর্থ কোনো পর্যায়ে এককালীন তোলার প্রয়োজন পড়লে চাঁদা দাতা আবেদন করলে জমা দেওয়া অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে তুলতে পারবেন, যা ফিসহ পরিশোধ করতে হবে। পেনশন থেকে পাওয়া অর্থ আয়কর মুক্ত থাকবে এবং পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করে কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিলে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্কিমে অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও নিবন্ধন</p>
<p style="text-align: justify;">১৮ বছর থেকে ৫০ বছর বয়সী জাতীয় পরিচয়পত্রধারী সকল বাংলাদেশি নাগরিক তাদের জন্য প্রযোজ্য কোনো স্কিমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে বিশেষ বিবেচনায় ৫০ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকরাও স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং সেই ক্ষেত্রে স্কিমে অংশগ্রহণের তারিখ থেকে নিরবচ্ছিন্ন ১০ বছর চাঁদা দেওয়া শেষে তিনি যে বয়সে উপনীত হবেন সেই বয়স থেকে আজীবন পেনশন প্রাপ্য হবেন। প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারাও তাহাদের জন্য প্রযোজ্য স্কিমে পাসপোর্টের ভিত্তিতে নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করে তার অনুলিপি কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া নিয়মিতভাবে পাসপোর্ট নবায়ন বা নবায়ন করা পাসপোর্টের অনুলিপি কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ব্যক্তিরা তাদের জন্য প্রযোজ্য স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে স্কিমে অংশগ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা সমর্পণ করতে হবে। কোনো স্কিমে নিবন্ধনের জন্য দেশে এবং প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিককে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফরম অনলাইনে পূরণ করে আবেদন করতে হবে। যার বিপরীতে আবেদনকারীর অনুকূলে একটি ইউনিক আইডি নম্বর দেওয়া হবে। আবেদনে উল্লিখিত আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে এবং অনিবাসী আবেদনকারীর ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ই-মেইলের মাধ্যমে ইউনিক আইডি নম্বর, চাঁদার হার এবং মাসিক চাঁদা দেওয়ার তারিখ অবহিত করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">মাসিক চাঁদা</p>
<p style="text-align: justify;">মাসিক চাঁদা ধরা হয়েছে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা আর সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে কর্মসূচি পরিবর্তন এবং চাঁদার পরিমাণ বাড়ানোর সুযোগ থাকছে।</p>
<p style="text-align: justify;">যে কোনো স্কিমে নিবন্ধিত হলে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ওই স্কিমের জন্য ধার্য করা হারে নিয়মিত চাঁদা প্রদান করতে হবে। নিবন্ধনের পর আবেদনকারী মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, অনলাইন ব্যাংকিং, ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বা ব্যাংকের কোনো শাখায় ওটিসি পদ্ধতিতে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে মাসিক চাঁদা জমা করবেন। প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকরা ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রায় মাসিক চাঁদার টাকা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা করবেন। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে চাঁদা জমা করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী এক মাস পর্যন্ত জরিমানা ছাড়া চাঁদা দেওয়া যাবে। এক মাস অতিবাহিত হলে পরবর্তী প্রতি দিনের জন্য ১ শতাংশ হারে বিলম্ব ফি জমা দিয়ে হিসাবটি সচল রাখা যাবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এছাড়া কোনো চাঁদা দাতা ধারাবাহিকভাবে ৩ কিস্তি চাঁদা জমাদানে ব্যর্থ হলে তাহার পেনশন হিসাবটি স্থগিত হবে এবং প্রতিদিনের জন্য উপবিধি অনুযায়ী সমুদয় বকেয়া কিস্তি পরিশোধ না করা পর্যন্ত হিসাবটি সচল করা হবে না। চাঁদা দাতা মাসের নাম উল্লেখ করে যে কোনো পরিমাণ চাঁদার টাকা অগ্রিম হিসাবে জমা দিতে পারবেন। কোনো প্রতিষ্ঠান স্কিমে অংশগ্রহণ করলে কর্মী এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য ধার্য করা মাসিক চাঁদা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক একত্রে তহবিলে জমা করতে হবে। সকল স্কিমের জন্য চাঁদার কিস্তি চাঁদা দাতার পছন্দ অনুযায়ী মাসিক, ত্রৈমাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে পরিশোধের সুযোগ থাকবে। চাঁদার টাকা জমা হলে চাঁদা দাতার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে অবহিত করা হবে এবং নির্ধারিত তারিখের মধ্যে চাঁদা প্রদান করা না হলে বিলম্ব ফিসহ চাঁদা জমাদানের জন্য চাঁদা দাতার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে মেসেজ দেওয়া হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">শারীরিক ও মানসিকভাবে অসমর্থ চাঁদা দাতার ক্ষেত্রে বিধান</p>
<p style="text-align: justify;">কোনো চাঁদা দাতা চাঁদা প্রদানকালে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে স্থায়ী বা সাময়িকভাবে আংশিক বা সম্পূর্ণ কর্মহীন ও উপার্জনে অসমর্থ হলে তাকে অসচ্ছল চাঁদা দাতা হিসাবে ঘোষণার জন্য তিনি কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিতভাবে আবেদন করতে পারবেন। কোনো চাঁদা দাতার অসচ্ছলতা নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কেন্দ্রীয়, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক পৃথক মেডিকেল বোর্ড গঠন করবে। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ ব্যতীত কোনো চাঁদা দাতাকে অসচ্ছল চাঁদা দাতা হিসাবে ঘোষণা করা যাবে না। চাঁদা দাতার মানসিক বা শারীরিক অসামর্থ্যের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সচিব, অর্থ বিভাগ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবেন। আপিল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। অসচ্ছল চাঁদা দাতা হিসাবে ঘোষিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত চাঁদা পরিশোধ না করলেও চাঁদা দাতার পেনশন হিসাবটি স্থগিত হবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি চাঁদা দাতা হলে চাঁদা দেওয়ার বিধান</p>
<p style="text-align: justify;">কোনো চাঁদা দাতা চাঁদা প্রদানকালে মানসিক অসামর্থ্যের কারণে অসচ্ছল হিসাবে ঘোষিত হলে কর্তৃপক্ষ উক্ত স্কিমের স্বত্ব উক্ত মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির নমিনি অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীর ওপর ন্যস্ত করতে পারবেন। কোনো মানসিক ভারসাম্যহীন চাঁদা দাতার নমিনি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী তাহার পেনশন হিসাব বা কর্পাস হিসাবে চাঁদার কিস্তি নিয়মিত জমা করে স্কিম চালু রাখতে পারবেন। স্কিমের মেয়াদ শেষে ওই স্কিমের বিপরীতে পেনশনের অর্থ নমিনি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারীরা উত্তোলন করতে পারবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা বা পেনশনার নিখোঁজ হলে চাঁদা প্রদানের বিধান</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা নিখোঁজ হলে নিখোঁজ ব্যক্তির নমিনি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়রি করে তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পেনশনের সম্মুখ অফিসে বা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে চাঁদা দাতার পেনশন হিসাব বা কর্পাস হিসাবে নির্দিষ্ট চাঁদার অর্থ জমা করতে পারবেন। চাঁদা দাতা নিখোঁজ হইবার ৭ বছর অতিক্রান্ত হলে এবং নিখোঁজ ব্যক্তি ফিরে না আসলে, ওই চাঁদা দাতার স্কিম স্থগিত রাখতে হবে এবং পেনশনের প্রাপ্যতা অর্জিত হওয়া সাপেক্ষে তাকে নিখোঁজ পেনশনার গণ্য করে উপবিধি (৩) এর বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পেনশনার তার বয়স ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে নিখোঁজ হলে, তার নিখোঁজ হওয়ার ৭ বছর পর পেনশনারের মাসিক পেনশন বাবদ পাওনা তার নমিনি অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারীদেরকে প্রদান করা যাবে। তবে নিখোঁজ পেনশনারের নমিনি বা নমিনিরা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারীরা পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পূর্ণ হতে যতদিন লাগে ততদিন পর্যন্ত মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা কর্তৃক নমিনি মনোনয়ন</p>
<p style="text-align: justify;">স্কিমের চাঁদা দাতা, স্কিমে জমা করা অর্থ বা জমার বিপরীতে প্রাপ্য পেনশন বাবদ অর্থ তার মৃত্যুর পর গ্রহণ বা উত্তোলনের জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফরম অনলাইনে পূরণ করে এক বা একাধিক নমিনি মনোনয়ন করতে পারবেন। যে কোনো সময় নমিনি বাতিল করে এক বা একাধিক নতুন নমিনি নির্বাচন করা যাবে। চাঁদা দাতা কর্তৃক প্রদত্ত একক নমিনি বা একাধিক নমিনির ক্ষেত্রে সকল নমিনি মৃত্যুবরণ করলে চাঁদা দাতাকে পুনরায় নমিনি মনোনয়ন করতে হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">নমিনি নাবালক হলে চাঁদা দাতার মৃত্যুর পর নমিনি সাবালক না হওয়া পর্যন্ত নমিনির পক্ষে স্কিমের প্রাপ্য অর্থ গ্রহণ বা উত্তোলনের জন্য চাঁদা দাতা নমিনি প্রদানকালে যে কোনো ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পারবেন।  এ ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে চাঁদা দাতার মৃত্যুর পর নমিনি সাবালক না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি নাবালকের প্রতিনিধি হিসাবে গণ্য হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতার পেনশন হিসাব বা কর্পাস হিসাব</p>
<p style="text-align: justify;">স্কিমের আওতাভুক্ত প্রত্যেক চাঁদা দাতার নামে একটি পৃথক পেনশন হিসাব থাকবে। যা তার কর্পাস হিসাব হবে এবং উক্ত কর্পাস হিসাবে চাঁদা দাতা কর্তৃক জমা করা চাঁদার অঙ্ক হিসাবায়ন করা হবে। কর্তৃপক্ষ প্রতি অর্থবছর শেষে সর্বজনীন পেনশন তহবিলের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী অনুযায়ী কর্পাস হিসাবের স্থিতির ওপর লভ্যাংশ ঘোষণা করবে। চাঁদা দাতার জমা করা চাঁদার ওপর ঘোষিত নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ আকলন দেখিয়ে কর্পাস হিসাবের পুঞ্জীভূত জমার পরিমাণ নির্ধারিত হবে। চাঁদা দাতার কর্পাস হিসাবে পুঞ্জীভূত জমার ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মাসিক পেনশন (অ্যানুইটি)-এর পরিমাণ নিরূপণ করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্কিমের রূপান্তর</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে তার অনুকূলে চালু করা স্কিমের পরিবর্তে অন্য স্কিম বা স্কিমের চাঁদা প্রদানের হার পরিবর্তন করতে পারবেন। স্কিম রূপান্তরের ক্ষেত্রে রূপান্তরিত স্কিমে নতুন চাঁদার হিসাব পৃথক রেখে লভ্যাংশ ও পুঞ্জীভূত জমার অর্থের হিসাব করতে হবে, যা পূর্বতন স্কিমের পুঞ্জীভূত জমার সঙ্গে যুক্ত হবে। স্কিম রূপান্তরের কারণে মেয়াদ পূর্তিতে মাসিক পেনশনের পরিমাণ পুনঃনির্ধারিত হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">স্কিমের স্বত্ব</p>
<p style="text-align: justify;">এই বিধিমালার অধীন কোনো চাঁদা দাতার অনুকূলে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যু করা কোনো স্কিমের সম্পূর্ণ স্বত্ব উক্ত স্কিমের চাঁদা দাতার থাকবে। পেনশন স্কিমে চাঁদা দাতা ওই স্কিমের স্বত্ব জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা সত্তার নিকট হস্তান্তর করতে পারবেন না। তবে স্কিম বা পেনশন চলাকালে যে কোনো সময়ে চাঁদা দাতার মৃত্যু হলে ওই স্কিমের অর্থ চাঁদা দাতা কর্তৃক মনোনীত নমিনি বা নমিনির অবর্তমানে চাঁদা দাতার উপযুক্ত উত্তরাধিকারী বরাবর হস্তান্তরে কোনো বাধা থাকবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রদত্ত চাঁদা থেকে ঋণ গ্রহণ</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, গৃহ নির্মাণ, গৃহ মেরামত এবং সন্তানের বিবাহের ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনে তহবিলে কেবল তার জমা করা অর্থের ৫০ শতাংশ ঋণ হিসাবে উত্তোলন করতে পারবেন। যা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ধার্য করা ফিসহ সর্বোচ্চ ২৪ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে এবং সমুদয় অর্থ চাঁদা দাতার হিসাবে জমা হবে। গৃহীত ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত নতুনভাবে কোনো ঋণ গ্রহণ করা যাবে না।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা বা পেনশনারের মৃত্যুর পর স্কিমের বিপরীতে প্রাপ্য অর্থ প্রদান</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা নমিনি প্রদানপূর্বক মৃত্যুবরণ করলে এবং তাহার মৃত্যুর পর নমিনি মনোনয়ন কার্যকর থাকলে উক্ত স্কিমের অর্থ নমিনি প্রাপ্য হবেন। নমিনি নাবালক হলে চাঁদা দাতা  বা পেনশনারের মৃত্যুর পর বিধি ১০ এর উপবিধি (৩) এর বিধান অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্কিমের বিপরীতে জমা করা অর্থ বা পেনশনের অর্থ প্রাপ্য হবেন এবং উক্তরূপ কোনো ব্যক্তি নিয়োগপ্রাপ্ত না হলে নাবালকের আইনসম্মত অভিভাবক উল্লিখিত স্কিমের আওতায় পাওনা অর্থ প্রাপ্য হবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">কোনো স্কিমের বিপরীতে একাধিক নমিনি থাকলে এবং যে কোনো একজন নমিনি মৃত্যুবরণ করলে এবং মৃত নমিনির বিপরীতে নতুন কোনো নমিনি মনোনয়ন না করা হইলে, জীবিত নমিনি বা নমিনিরা উল্লিখিত স্কিনে উত্তরাধিকারী হিসাবে গণ্য হবেন এবং উক্ত স্কিনের অর্থ প্রাপ্য হবেন। কোনো স্কিমের চাঁদা দাতা মাসিক পেনশন প্রাপ্যতা অর্জিত হইবার পর মৃত্যুবরণ করলে উক্ত স্কিনে জমা করা পুঞ্জীভূত অর্থের ভিত্তিতে পেনশন নির্ধারণপূর্বক তার নমিনি বা নমিনিরা অথবা নমিনি না থাকলে তার উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারীদেরকে পেনশন প্রদান করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে উপবিধি (৫) এর বিধান প্রযোজ্য হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">এই বিধির আওতায় কোনো স্কিমের চাঁদা দাতা পেনশনে থাকাকালীন তার বয়স ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি বা নমিনিরা অথবা নমিনি না থাকলে তার উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারীরা অবশিষ্ট সময়ের জন্য অর্থাৎ মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পূর্ণ হতে যতদিন অবশিষ্ট থাকবে ততদিন পর্যন্ত মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন। কোনো স্কিমের চাঁদা দাতা  মাসিক পেনশন প্রাপ্যতা অর্জিত হওয়ার পূর্বে মৃত্যুবরণ করলে তার নমিনি বা নমিনিরা অথবা নমিনির অবর্তমানে উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারীরা মুনাফাসহ জমা করা অর্থ ফেরত পাবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">চাঁদা দাতা বা পেনশনার মৃত্যুবরণ করলে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান</p>
<p style="text-align: justify;">নমিনির অবর্তমানে উত্তরাধিকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার কর্তৃক ইস্যু করা উত্তরাধিকার সনদের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ উত্তরাধিকার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি সচিব, অর্থ বিভাগ বরাবর আপিল করতে পারবেন। আপিল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">রেকর্ড সংরক্ষণ</p>
<p style="text-align: justify;">কর্তৃপক্ষ স্কিমের হিসাব, পেনশন হিসাব, কর্পাস হিসাব, চাঁদা দাতা ও নমিনির জীবন বৃত্তান্তসহ যাবতীয় তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করার পাশাপাশি ব্যাকাপ রাখবে।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://cdn.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2023August/pension-20230817075940.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/164139/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/164139/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Aug 2023 17:59:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=164139</guid>

					<description><![CDATA[আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করবে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করেছে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্য উদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করবে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করেছে।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্য উদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৬ টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৮ টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল।</p>
<p style="text-align: justify;">দুপুর ১২ টায় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। উক্ত কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল, গোপালগঞ্জ জেলা ও টুঙ্গীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বাদ জোহর কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও, ১৬ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৪ টায় বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন।</p>
<p style="text-align: justify;"> ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব , বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।</p>
<p style="text-align: justify;">মূলত, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট থেকেই বাংলাদেশে এক বিপরীত ধারার যাত্রা শুরু হয়। বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক শাসনের অনাচারি ইতিহাস রচিত হতে থাকে।</p>
<p style="text-align: justify;">সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল জয়ী পশ্চিম জার্মানীর নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরী বাঙালিদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে। দ্য টাইমস অব লন্ডন এর ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয় ‘সবকিছু সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সব সময় স্মরণ করা হবে। কারণ, তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই। একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকান্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে।’</p>
<p style="text-align: justify;">   বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ বিচারের হাত থেকে খুনীদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইন হিসেবে অনুমোদন করে।</p>
<p style="text-align: justify;">জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সুদীর্ঘ একুশ বছর পর ক্ষমতায় এলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামী বরখাস্ত লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;"> একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারি (পিএ) এ এফ এম মোহিতুল ইসলাম পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় একটি এফআইআর করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">  ১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর খুনীদের বিচারের হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এই মামলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশীট দাখিল করে এবং একই বছরের ১২ মার্চ ছয় আসামীর উপস্থিতিতে আদালতে বিচার শুরু হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৯৭ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত বিচারক বিব্রত হওয়াসহ স্বাধীনতা-বিরোধী চক্রের নানা বাধার কারণে আটবার বিচার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এভাবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর মামলার রায়ে বিচারক কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদ- প্রদান করেন। অন্যদিকে, ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৪ দিনের শুনানি শেষে বিভক্ত রায় প্রদান করে। বিচারক এম রুহুল আমিন অভিযুক্ত ১৫ আসামীর মধ্যে ১০ জনের মৃত্যুদ-াদেশ বজায় রাখেন। কিন্তু অপর বিচারক এ বি এম খায়রুল হক অভিযুক্ত ১৫ জনকেই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- প্রদান করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরবর্তীতে ২০০১ সালের অক্টোবরের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে বিচার কাজ বন্ধ থাকে। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের মুখ্য আইনজীবী বর্তমান সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সুুপ্রিম কোর্টে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদান করেন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ ২৭ দিনের শুনানি শেষে ৫ আসামীকে নিয়মিত আপিল করার অনুমতিদানের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।</p>
<p style="text-align: justify;"> ২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর-২৯ দিনের শুনানির পর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয় এবং আদালত ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ওইদিন (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ৫ আসামীর দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামীদের রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে ২৮ জানুয়ারি ৫ আসামীর ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে দায়মুক্ত করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">২০২০ সালের  ১২ এপ্রিল ভারতে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর আরো একজন খুনি আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার ৪৫ বছর, নৃশংস ওই হত্যাকান্ডের মামলার ২৫ বছর এবং উচ্চ আদালতের রায়ে ৫ আসামির ফাঁসি কার্যকরের প্রায় দশ বছর পর গ্রেফতার হয় খুনি মাজেদ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/164139/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<media:content url="https://www.samakal.com/uploads/2019/08/online/photos/ff-5d54d3a751251.png" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস আজ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/283757/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jun 2023 05:33:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য খবর]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ মুজিবুর রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=283757</guid>

					<description><![CDATA[ছয় দফা কর্মসূচি জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুরো পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ছয় দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ছয় দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হন। পরবর্তী সময়ে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div style="color: #000;" data-test-id="text">
<p style="text-align: justify;">ছয় দফা কর্মসূচি জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুরো পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ছয় দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন।</p>
<p style="text-align: justify;">ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ছয় দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হন।</p>
<p style="text-align: justify;">পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ছয় দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে।</p>
<p style="text-align: justify;">অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানের শাসকরা জয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারও বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।</p>
</div>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://gumlet.assettype.com/kalbela/2023-06/81ca6087-1f0d-46f7-806d-6e53b5ee9ed9/6.jpg?w=1200&#038;auto=format,compress&#038;ogImage=true&#038;enlarge=true" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/281736/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jun 2023 09:48:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<category><![CDATA[সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=281736</guid>

					<description><![CDATA[দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০ আসনের সীমানা নির্ধারণ করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত গেজেটে কয়েকটি আসনে পরিবর্তন এসেছে। গত বৃহস্পতিবার ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত গেজেট আজ শনিবার বিজি প্রেসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। যে আটটি আসনের সীমানায় পরিবর্তন এসেছে সেগুলো হলো পিরোজপুর–১ ও পিরোজপুর–২, কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২, [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০ আসনের সীমানা নির্ধারণ করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত গেজেটে কয়েকটি আসনে পরিবর্তন এসেছে। গত বৃহস্পতিবার ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত গেজেট আজ শনিবার বিজি প্রেসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify;">যে আটটি আসনের সীমানায় পরিবর্তন এসেছে সেগুলো হলো পিরোজপুর–১ ও পিরোজপুর–২, কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২, ফরিদপুর–২ ও ফরিদপুর–৪ এবং নোয়াখালী–১ ও নোয়াখালী–২। এর মধ্যে চারটি আসনের সীমানায় এসেছে বড় পরিবর্তন। আগের সীমানা অনুযায়ী, পিরোজপুর–১ আসনটি এখন পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিল। নতুন সীমানায় এই আসনটি পিরোজপুর সদর উপজেলা, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">একই সঙ্গে আগে কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ সংসদীয় আসনটি। নতুন সীমানা অনুযায়ী, কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ উপজেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে। দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-১ আসনটি নতুন সীমানায় দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলা নিয়ে গঠিত হলো। আগের সীমানা অনুযায়ী হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ আসনটি নতুন সীমানায় হোমনা ও মেঘনা উপজেলা নিয়ে গঠন করা হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা এবং সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর–২ আসনটি এখান থেকে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বাদ দেওয়া হয়েছে। সেটা যুক্ত করা হয়েছে ফরিদপুর–৪ আসনের সঙ্গে। একাদশ সংসদ নির্বাচনের সীমানায় ফরিদপুর–৪ আসনটি ভাংগা ও চরভদ্রাসন এবং কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ছাড়া সদরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিলো। নতুন সীমানায় এই আসনটি ভাংগা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হলো।</p>
<p style="text-align: justify;">নোয়াখালী–১ ও ২ আসনের সীমানায় একটি ইউনিয়ন রদবদল করা হয়েছে। নোয়াখালী–১ থেকে বজরা ইউনিয়ন কেটে নোয়াখালী–২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। নোয়াখালী–১ আসনটি চাটখিল উপজেলা এবং বারগাঁও, নাটেশ্বর ও অম্বর নগর ইউনিয়ন বাদে সোনাইমুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিলো। এখন সেটি হলো চাটখিল উপজেলা এবং বারগাঁও, নাটেশ্বর, অম্বর নগর ও বজরা ইউনিয়ন বাদে সোনাইমুড়ী উপজেলা নিয়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">আর সেনবাগ উপজেলা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও, নাটেশ্বর ও অম্বর নগর নিয়ে আগে গঠিত নোয়াখালী–২ আসনটি নতুন সীমানায় সেনবাগ উপজেলা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও, নাটেশ্বর, অম্বরনগর ও বজরা ইউনিয়ন নিয়ে গঠন হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">গত ফেব্রুয়ারিতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা ‘পুনর্নির্ধারণ’ করে তা খসড়া আকারে প্রকাশ করে ইসি। তবে খসড়ায় আসনগুলোর বর্তমান সীমানা বহাল রাখা হয়েছিল। নতুন প্রশাসনিক এলাকা (উপজেলা, ওয়ার্ড) সৃষ্টি হওয়ায় শুধু ছয়টি সংসদীয় আসনে পরিবর্তন প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে তাতে কোনো আসনের বর্তমান সীমানার পরিবর্তন হয়নি। শুধু নতুন প্রশাসনিক এলাকার নাম যুক্ত হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">ইসির খসড়ার ওপর স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের দাবি- আপত্তি জানানোর সময় দেওয়া হয়েছিল। সেসব দাবি- আপত্তি নিয়ে শুনানি শেষে নতুন সীমানা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ১ জুন তারিখে প্রজ্ঞাপনে সই করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম। প্রজ্ঞাপনটি আজ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
		<media:content url="https://www.bd-pratidin.com/assets/news_images/2023/06/03/151005_bangladesh_pratidin_ec.jpg" medium="image"></media:content>
            	</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগের আজ ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। WB</title>
		<link>https://worldbarta.com/news/131857/</link>
					<comments>https://worldbarta.com/news/131857/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[বিশ্ববার্তা ডেস্ক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Jun 2022 04:34:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আওয়ামী লীগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশ্ববার্তা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://worldbarta.com/?p=131857</guid>

					<description><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। পাকিস্তান আমলে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সূচনালগ্ন থেকেই বাঙালি তথা এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় হয় আওয়ামী লীগ। এ দলের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে। ৭৩তম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। পাকিস্তান আমলে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সূচনালগ্ন থেকেই বাঙালি তথা এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় হয় আওয়ামী লীগ। এ দলের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।</p>
<p style="text-align: justify;">আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;">৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ সূর্যোদয়ের সময় কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৮টায় ধানমণ্ডির বত্রিশ নম্বরে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify;">সকাল সাড়ে ১০টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনাসভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সকাল ১১টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের প্রতিনিধিদল শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন ঢাকার কেএম দাস লেনে রোজ গার্ডেন প্রাঙ্গণে সম্মেলনের মাধ্যমে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠন করা হয়। ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে নাম পাল্টে রাখা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’।</p>
<p style="text-align: justify;">আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২ ও ’৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৪-এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ, ’৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হয়ে ওঠে।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গণহত্যা শুরু করলে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুর ডাকে প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু দেশ গঠনের কাজে মনোযোগী হন।</p>
<p style="text-align: justify;">১৯৮১ সালে দলের জাতীয় সম্মেলনে ভারতে নির্বাসিত বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://worldbarta.com/news/131857/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
