বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় মুসলিম দেশগুলোকে গাজায় সেনা পাঠানোর দাবি জানান। পাশাপাশি, ইসরায়েলি নেতাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের আওতায় আনার দাবিও জানানো হয়।
৩৪ দিন ধরে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের নিষিদ্ধের দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভের আয়োজন করে।
বিক্ষোভে ‘রমজানে হামলা কেন, নেতানিয়াহু জবাব দাও’, ‘যুদ্ধবিরতিতে হামলা কেন, ইসরায়েল জবাব দাও’, ‘গাজায় হামলা কেন, আমেরিকা জবাব দাও’, ‘বিশ্ববাসী এক হও, গাজা দখল রুখে দাও’, ‘ফিলিস্তিন মুক্তি পাক, ইসরায়েল নিপাত যাক’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক শিল্পী সাইয়েদ কুতুব মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করে বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আড়ালে ফিলিস্তিনিদের এক জায়গায় জড়ো করে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববাসীকে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে এ ব্যাপারে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, ইসরায়েলের এই হামলা পূর্ব-পরিকল্পিত। তিনি বিশ্বের সকল মুসলমানকে গাজাবাসীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
বিক্ষোভে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মন্তব্য লিখুন