আধিপত্যবাদ বিরোধী শেষ স্তম্ভ খালেদা জিয়ার বিদায় – Bengali Online News Portal in Bangladesh
বিশ্ববার্তা
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • ক্যাম্পাস
  • চাকুরী বার্তা
  • অন্যান্য খবর
    • স্বাস্থ্য বার্তা
    • ধর্ম বার্তা
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • কলাম
পাওয়া যায়নি
সকল অনুসন্ধানি তথ্য
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব সংবাদ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • ক্যাম্পাস
  • চাকুরী বার্তা
  • অন্যান্য খবর
    • স্বাস্থ্য বার্তা
    • ধর্ম বার্তা
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • কলাম
পাওয়া যায়নি
সকল অনুসন্ধানি তথ্য
বিশ্ববার্তা
জনপ্রিয় ও চলমান অনলাইন নিউজ পোর্টাল “বিশ্ববার্তা” বিক্রয় করা হবে।
আগ্রহী ক্রেতারা যোগাযোগ করুন।

01991807060 and 01617030600

আধিপত্যবাদ বিরোধী শেষ স্তম্ভ খালেদা জিয়ার বিদায়

বিশ্ববার্তা ডেস্ক
01/01/2026
ক্যাটাগরি বাংলাদেশ
ফটোকার্ড টি শেয়ার করুন

প্রিয় বাংলাদেশী মুসলিম ভাই ও বোনেরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার মজলুমা বান্দি খালেদা জিয়াকে নিজের জিম্মায় নিয়ে গেছেন।

স্বাধীনতা-সার্বভৌম মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের আধিপত্যবাদ-ফ্যাসিবাদ-ইসলামোফোবিয়া বিরোধী গণতন্ত্রপন্থী আপসহীন মহান মুসলিম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহা আজ সকাল ৬টায় শাহদাত বরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীতাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন ছিলেন। তিনি ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্টে অবিভক্ত বাংলাদেশের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ইস্কান্দর মজুমদার এবং মা বেগম তৈয়বা মজুমদার।

খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সম্মানিত সহধর্মিনী ছিলেন। তার বড়পুত্র তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ছোট ছেলে শহীদ আরাফাত রহমান।

খালেদা জিয়ার জন্মের দুই বছর পর মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ কলোনিয়াল শাসন মুক্ত স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। এরপর মুক্ত স্বাধীন নাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠতে গিয়ে শৈশব থেকে তারুণ্যের জীবন কাটান অন্য সকল সম্ভ্রান্ত মুসলিম বিদুষী নারীদের মতই।

এক পর্যায়ে পাকিস্তান সেনা বাহিনীর অকুতোভয় বীর ও ১৯৬৫ সালে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধ করা খেতাবপ্রাপ্ত সেনানী জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জীবনের এক নতুন অধ্যায়ে সম্পৃক্ত হন। জিয়া-খালেদা দম্পতি সংসারের গণ্ডি পেরিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে জড়িয়ে যান।

এর ধারাবাহিকতায় শহীদ জিয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, পরে তিনি স্বাধীন দেশের সেনাপ্রধান, ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী সাতই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবে নেতৃত্ব প্রদান ও প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮১ সালের ৩০ মে শাহাদাত বরণ করলে খালেদা জিয়া শহীদ জিয়া প্রতিষ্ঠিত দলের হাল ধরেন।

পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ভারতের দালাল স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও এর দোসর দেশীয় দালাল বিরোধী লড়াইকে নতুন জীবন দান করেন।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ৯০’র স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। ১৯৯১ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশের প্রধান ইসলামী দল জামায়াতের সমর্থনে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পৃক্ত হন। তিনি ছিলেন মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী। তার সরকারের উদ্যোগে ব্যাপকভাবে মুসলিম নারী শিক্ষার প্রসার ঘটে।

খালেদা জিয়ার এ প্রথম শাসনকালে ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই প্রধান জেনারেল নাসিম ও বিএনপি নেতা আব্দুল মানান ভুঁইয়ার ষড়যন্ত্রে একাত্তর ইস্যুকে সামনে রেখে ভারতের প্রক্সি দল পরাজিত আওয়ামী লীগের উত্থান ঘটে। পরবর্তীতে জামায়াতকে জোট সঙ্গী করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন করে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করেন। বিভক্ত বিএনপি ও জামায়াত ১৯৯৬ সালের ২৩ জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কাছে পরাজিত হয়।

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে ৩০ বছরের অসম চুক্তি, পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী জেএসএসের হাতে তুলে দেওয়া, সারা দেশে গডফাদারদের উত্থান ও ব্যাপক দুর্নীতির ঘটনা ঘটলে খালেদা জিয়া, শহীদ গোলাম আযম, কাজী জাফর ও শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হকের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসীদের চারদলীয় জোট ঘটিত হয়।

২০০১ সালের নির্বাচনে চার দলীয় জোট দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ে হয়ে সরকার ঘটন করে। তখন আধিপত্যবাদী ভারত ও পরাজিত আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে জেএমবির নামে জঙ্গি হামলা করে খালেদা জিয়ার এ সরকারকে মার্কিন ওয়ার অন টেররের টার্গেটে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। তবে সরকার গণতন্ত্রের পথে থাকায় তারা সফল হয়নি।

এ অবস্থায় আধিপত্যবাদী ভারত ও পরাজিত আওয়ামী লীগ উপায় না পেয়ে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন ম্যাসাকার ঘটানোর ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর সেনা কর্মকর্তাদের এক নীরব অভ্যুত্থানে ঘটায়। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়ে পড়লে বেগম খালেদা জিয়া, তার রাজনৈতিক মিত্র মুসলিম জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী নেতৃবৃন্দ জীবন হুমকির মুখে পড়ে।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর সেনা কর্মকর্তারা পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’র কাছে ছয় বছর ধরে প্রশিক্ষিত জাতীয় বেঈমান ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের নিধনের কর্মসূচি শুরু হয়।

শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসার দুই মাসের মাথায় ভারত থেকে আগত খুনী কমান্ডো ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর কর্মকর্তারা মিলে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৭জন দেশ প্রেমিক কর্মকর্তাকে হত্যা করে।

এরপর আপিলের সুযোগ না দিয়ে ১৯৭৫ এঁর ১৫ আগস্ট ভারতের দালাল ফ্যাসিস্ট শেখ মুজিব বিরোধীয়ে বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়া খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের আপিলের সুযোগ না দিয়ে জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়।

এরপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিচারের জন্য গঠিত বিলুপ্ত ট্রাইব্যুনালকে পুনরুজ্জীবিত করে অবৈধভাবে আইনের ভুতাপেক্ষিক পরিবর্তন ঘটিয়ে সম্পূর্ণ সাজানো মিথ্যা অবৈধ বিচারে বিএনপি ও জামায়াতের ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী জাতীয় নেতাদের জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়।

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বকে হত্যার মধ্য দিয়ে ক্ষেত্র প্রস্তুত করে ভারতীয় সেবাদাসী একের পর এক সাজানো নির্বাচন করে দেশকে ক্রমাগত ভারতীর অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী শেষ স্তম্ভ খালেদা জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করে।

প্রবীণ অসহায়, স্বামীহারা খালেদা জিয়া, যার দুই ছেলেকেই ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর সেনা কর্মকর্তারা জোর করে বিদেশে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল তাকে দিনের পর দিন মিথ্যা মামলায় টানা নয় বছর আদালতে হাজির করে ক্লান্ত শ্রান্ত করা হয়।

এর এক পর্যায়ে ২০০৮ সালে মিথ্যা মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সে মামলার বিরুদ্ধে আপিল করলে উল্টো তার সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে দশ বছর করা হয়।

এভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীকে বন্দী করার পর শুরু হয় খালেদা জিয়াকে হত্যার প্রকৃত আয়োজন। তাকে কারাগারে বিষপ্রয়োগ করা হয়। বন্দি জীবনে যথাযথ চিকিৎসা না হওয়ায় অবস্থার অবনতি হয়ে বেশ কয়েকবার তিনি মুমূর্ষু অবস্থার শিকার হন। কিন্তু খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনা রেজিম তাকে বিদেশে উপযুক্ত চিকিৎসার অনুমতি না দেওয়ায় তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকার্যক্র হয়ে যেতে থাকে।

তারপরেও মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া মহান আল্লাহর রহমতে বেঁচে থাকলে খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনা প্রকাশ্যে তার মৃত্যু না হওয়া নিয়ে বিষোদগার করে।

এক পর্যায়ে চব্বিশের জুলাই গণহত্যার শিকার দুই হাজার শহীদ ও অর্ধ লক্ষ আহত জুলাই যোদ্ধার রক্তের বিনিময়ে পাঁচ আগস্ট বাংলাদেশ ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনা রেজিম মুক্ত হয়।

বিপ্লবী ছাত্রজনতার দাবি অনুযায়ী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী শেষ স্তম্ভ খালেদা জিয়া মুক্তি লাভ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিদেশে চিকিৎসার অধিকার ফিরে পান। তিনি নির্বাসিত পুত্র তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে যুক্তরাজ্যে উন্নত চিকিৎসা লাভ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্রমেই পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে এগিয়ে যান।

মহান আল্লাহর রহমতে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের উন্নতি দেখে জাতির মধ্যে আসার সঞ্চার হয় যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি আবারও দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবেন।

বিশেষ করে ফ্যাসিবাদ উত্তর বাংলাদেশে বিগত দেড় বছরেও অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি-জাসদ-ওয়ার্কার্স পার্টিসহ ১৪ দলকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে নিষিদ্ধ করেনি, ফ্যাসিবাদীদের ব্যবসা-বাণিজ্য-সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেনি, ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর গুমখুনকারী সেনা কর্মকর্তাদের বিচার করতে পারেনি, সেনাবাহিনীকে সংস্কার করে শতভাগ দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব কায়েম করতে পারেনি, জনপ্রশাসন-আদালত-পুলিশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করতে পারেনি, বিশ্ববিদ্যালয়-মিডিয়া-সুশীল সমাজ গণতন্ত্রের বিজয় আসেনি এবং জরুরি অবস্থা ও আওয়ামী শাসনের ১৮ বছরে ক্ষতবিক্ষত বিভক্ত জাতির মধ্যে রিকনসিলেশনও হয়নি।

এহেন পরিস্থিতির সুযোগে ভারতের ভূমি ব্যবহার করে গড়ে ওঠা আওয়ামী সন্ত্রাসবাদ, জুলাই যোদ্ধাদের টার্গেট কিলিং, একাত্তরের ইস্যুকে সামনে রেখে শাহবাগী ফ্যাসিবাদের নতুন উত্থান, ভারতীয় আধিপত্যবাদের গুপ্তচর সেনা কর্মকর্তাদের একের পর এক ষড়যন্ত্র ও জুলুম-পীড়ন, ভারতের প্রক্সি জঙ্গি সংগঠন টিটিপির এজেন্ট জঙ্গি ও উগ্রবাদীদের উত্থান এবং জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটছে।

এরমধ্যে সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হলো শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির মতো ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী ও মুসলিম জাতীয়তাবাদী নেতা শাহাদাত বরং করেছেন। তাকে হত্যায় জড়িত ভারত, আওয়ামী লীগ, ভারতীয় আধিপত্যবাদপন্থী বাংলাদেশী সেনা কর্তৃপক্ষ ও অন্তর্বর্তী সরকারের একাংশ। তাই শহীদ হাদি হত্যার বিচার পাওয়া নিয়ে জাতির মধ্যে গভীর সংশয় রয়েছে, যা জনগণের তরুণতম অংশকে ক্রমেই রাজপথে হাজির করছে।

মাতৃভূমির এমন সঙ্কটকালে সবার প্রত্যাশা ছিল জাতীয় অভিভাবক, দেশনেত্রী, সম্মানিতা ঈমানদার মুসলিম নেত্রী খালেদা জিয়া মহান আল্লাহর কুদরত বলে  চিকিৎসা শাস্ত্রের অসম্ভবকে সম্ভব করে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।

কিন্তু মহান আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী ও তার বান্দীর সর্বোচ্চ কল্যাণ তার কাছে ফিরে গিয়ে জানাতের মেহমান হওয়ার মাঝে।

প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মুসলিম জনগণ আল্লাহর বান্দী খালেদা জিয়াকে আর কেউ জুলুম করতে পারবে না, তাকে হত্যার জিঘাংসাও অকার্যকর হয়ে গেছে, তিনি এখন তার রবের আল্লাহু সুবহানুহু তায়ালার রহমতের স্নিগ্ধতায় সিক্ত হবেন।

আমরা তার সন্তান ও অনুরাগী হিসেবে তার রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করি। আমরা তার মজলুম অবস্থায় পাশে ছিলাম, ফ্যাসিবাদকে উপেক্ষা করে তার জন্য রাজপথে ছিলাম, সাহস করে কথা বলেছি, তাই আমাদের জন্য কর্তব্য হলো আজ দলমত নির্বিশেষে অশ্রুপাত করে শোকযাপন ও দোয়া এসতেগফার করা।

আমাদের দল জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ খালেদা জিয়ার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে দাফন অনুষ্ঠানের দাবি জানায়।

খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় কাবা শরীফের ইমামকে দিয়ে পড়াতে হবে। সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান, রাজনীতিক, বুজুর্গ, সেনাপতি ও কূটনীতিকদেরকে খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ের কর্মসূচিতে দাওয়াত করা হোক।

রাষ্ট্রীয়ভাবে সাত দিনের শোক, রেডিও টিভিতে কুরআন তেলাওয়াত ও দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, কার্যালয় ও সড়কে পবিত্র কালেমা তৈয়বার পতাকা প্রদর্শন করা হোক।

খালেদা জিয়ার দাফন হতে হবে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায়।

ওয়ামা তৌফিক ইল্লাহ বিল্লাহ

ট্যাগ : খালেদা জিয়াখোমেনী ইহসানজাতীয় বিপ্লবী পরিষদবাংলাদেশবিএনপিমৃত্যু
শেয়ার করুনশেয়ার করুনসেন্ড
পূর্ববর্তী পোস্ট

এনআরসি প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী : ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের দাবি

পরের পোস্ট

বেগম জিয়ার মৃত্যুতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দায় আছে: আইন উপদেষ্টা

সম্পর্কিত পোষ্ট

দেশে প্রত্যাবর্তনের পর খালেদা জিয়া ও হাদির কবর জিয়ারত করলেন খোমেনী ইহসান
বাংলাদেশ

দেশে প্রত্যাবর্তনের পর খালেদা জিয়া ও হাদির কবর জিয়ারত করলেন খোমেনী ইহসান

26/01/2026
তারেক রহমান
বাংলাদেশ

মুক্তিযোদ্ধাদের মতো জুলাই যোদ্ধারাও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষক: তারেক রহমান

18/01/2026
বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইয়ে স্বাক্ষর ৭২ কূটনীতিকের
বাংলাদেশ

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইয়ে স্বাক্ষর ৭২ কূটনীতিকের

12/01/2026
পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্বে তারেক রহমান, বিএনপির নতুন যুগের সূচনা
বাংলাদেশ

পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্বে তারেক রহমান, বিএনপির নতুন যুগের সূচনা

11/01/2026
আরো দেখুন

World Barta

প্রকাশক ও সম্পাদক : ঈসা আবাতাহী

আমাদের অনুসরণ ও যোগাযোগ করুন

Organization by AmraSobai Foundation

পাওয়া যায়নি
সকল অনুসন্ধানি তথ্য
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব সংবাদ
  • ক্যাম্পাস
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য বার্তা
  • খেলাধুলা
  • চাকুরী বার্তা
  • ধর্ম বার্তা
  • অন্যান্য খবর

Sponsor by AmraSobai Foundation